Shefa Medicare - শেফা মেডিকেয়ার

Shefa Medicare - শেফা মেডিকেয়ার Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Shefa Medicare - শেফা মেডিকেয়ার, Medical and health, 326, Maddhopara Jame Mosjid Road, Ibrahimpur, Dhaka.

https://youtu.be/xRA7ytCtoAg
28/06/2020

https://youtu.be/xRA7ytCtoAg

Proning is an excellent way to increase saturation in ARDS, particularly in COVID-19 patients having respiratory distress. Dr Saklayen Russel MBBS (DMC), MS ...

16/09/2019

বিজ্ঞান বলে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক সুস্থ্য পুরুষ একবার সহবাস করলে যে পরিমান বীর্য নির্গত হয় তাতে ৪০ কোটি শুক্রাণু থাকে। তো, লজিক অনুযায়ি মেয়েদের গর্ভে যদি সেই পরিমান শুক্রানু স্থান পেতো তাহলে ৪০ কোটি বাচ্চা তৈরি হতো!
এই ৪০ কোটি শুক্রাণু, মায়ের জরায়ুর দিকে পাগলের মত ছুটতে থাকে, জীবিত থাকে মাত্র ৩০০-৫০০ শুক্রাণু।

আর বাকিরা ? এই ছুটে চলার পথে ক্লান্ত অথবা পরাজিত হয়ে মারা যায়। এই ৩০০-৫০০ শুক্রাণু, যেগুলো ডিম্বানুর কাছে যেতে পেরেছে। তাদের মধ্যে মাত্র একটি মহা শক্তিশালী শুক্রাণু ডিম্বানুকে ফার্টিলাইজ করে, অথবা ডিম্বানুতে আসন গ্রহন করে। সেই ভাগ্যবান শুক্রাণুটি হচ্ছে আপনি কিংবা আমি, অথবা আমরা সবাই।

কখনও কি এই মহাযুদ্ধের কথা মাথায় এনেছেন?

১। আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন" তখন ছিলনা কোন চোঁখ হাত পা মাথা, তবুও আপনি জিতেছিলেন।

২। আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন"তখন আপনার ছিলোনা কোন সার্টিফিকেট, ছিলোনা মস্তিষ্ক তবুও আপনি জিতেছিলেন।

৩। আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন তখন আপনার ছিলনা কোন শিক্ষা, কেউ সাহায্য করেনি তবুও আপনি জিতেছিলেন।

৪। আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন তখন আপনার একটি গন্তব্য ছিলো এবং সেই গন্তব্যের দিকে উদ্দেশ্য ঠিক রেখে একা একাগ্র চিত্তে দৌড় দিয়েছিলেন এবং শেষ অবধি আপনিই জিতেছিলেন।

- এর পর, বহু বাচ্চা মায়ের পেটেই নষ্ট হয়ে যায় । কিন্তু আপনি মারা যান নি, পুরো ১০ টি মাস পূর্ণ করতে পেরেছেন ।
- বহু বাচ্চা জন্মের সময় মারা যায় কিন্তু আপনি টিকেছিলেন ।
- বহু বাচ্চা জন্মের প্রথম ৫ বছরেই মারা যায়। আপনি এখনো বেঁচে আছেন ।
- অনেক শিশু অপুষ্টিতে মারা যায়। আপনার কিছুই হয় নি ।
- বড় হওয়ার পথে অনেকেই দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে, আপনি এখনো আছেন ।

আর আজ......

আপনি কিছু একটা হলেই ঘাবড়ে যান, নিরাশ হয়ে পড়েন, কিন্তু কেন? কেনো ভাবছেন আপনি হেরে গিয়েছেন ? কেন আপনি আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছেন ? এখন আপনার বন্ধু বান্ধব, ভাই বোন, সার্টিফিকেট, সবকিছু আছে। হাত-পা আছে, শিক্ষা আছে, প্ল্যান করার মস্তিষ্ক আছে, সাহায্য করার মানুষ আছে, তবুও আপনি আশা হারিয়ে ফেলেছেন। যখন আপনি জীবনের প্রথম দিনে হার মানেননি। ৪০ কোটি শুক্রাণুর সাথে মরণপণ যুদ্ধ করে, ক্রমাগত দৌড় দিয়ে কারো সাহায্য ছাড়াই প্রতিযোগিতায় একাই বিজয়ী হয়েছেন।

কেনো একজন আপনার লাইফ থেকে চলে গেলে,
সেটা মেনে নিতে পারেন না?
কেনো আপনি একটা কিছু হলেই ভেঙে পড়েন??
কেনো বলেন আমি আর বাচতে চাইনা?
কেনো বলেন আমি হেরে গিয়েছি?
এমন হাজারো কথা তুলে ধরা সম্ভব, কিন্তু আপনি কেনো হতাশ হয়ে পড়েন?
আপনি কেন হারবেন? কেন হার মানবেন? আপনি শুরুতে জিতেছেন, শেষে জিতেছেন, মাঝপথেও আপনি জিতবেন। নিজেকে সময় দিন, মনকে প্রশ্ন করুন কি প্রতিভা আছে আপনার। মনের চাওয়া কে সব সময় মূল্য দিন, সব সময় সৃষ্টিকর্তা কে স্বরণ করুন। দেখবেন আপনি জিতে যাবেন,

শুধু নিজের মনের জোর নিয়ে যুদ্ধ করতে থাকুন- আপনি জিতবেনই। {copy}
(

06/04/2019

ইউরিক অ্যাসিড বৃদ্ধি কি কি শারীরিক সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে:-

প্রথমেই জানতে হবে ইউরিক এসিড কি এবং কেন এর মাত্রা বেড়ে যায়? আমাদের দেহে পটাশিয়াম, সোডিয়াম, বাইকার্বনেট বা এলকালাইন অর্থাৎ ইলেকট্রোলাইটস এর ব্যালেন্স রক্ষায় ইউরিক এসিড এর ভুমিকা আছে। সবার রক্তে এটি খুব অল্প পরিমানে থাকে যা মূলতঃ দেহের ডেড সেল এবং খাদ্যের উপাদান পিউরিন থেকে উৎপন্ন হয়। তবে এটি আমাদের দেহের একটি টক্সিক উপাদান।
আমরা যা খাই তার যতটুকু পুষ্টি উপাদান দেহের প্রয়োজন, শোষন ও বিপাক এর মাধ্যমে তার চাহিদা পূরণের পর বাকিটা দেহ থেকে বর্জ্য হিসাবে মল,মূত্র, ঘাম, শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে শরীর থেকে বের হয়ে যায়। ইউরিক এসিড ও এমন একটি উপাদান যা দেহের নির্দিষ্ট পরিমানের বেশি হলে দেহ থেকে অপসারণের মাধ্যমে আমাদের দেহে সামঞ্জস্যতা থাকে।

স্বাভাবিকভাবে ইউরিক এসিড, পিউরিন সমৃদ্ধ গৃহীত খাদ্য থেকে আমাদের দেহের যকৃতে উৎপন্ন হয়ে রক্তে মিশে যায় এবং রক্তের মাধ্যমে বাহিত হয়ে কিডনিতে পৌছায়। কিডনি একে দেহ থেকে বের করে দেয়।

মূলতঃ আমাদের দেহের অভ্যন্তরে তিন ভাগের দুই ভাগ ইউরিক এসিডই যকৃত বা লিভারে তৈরি হয়। বাকিটা অর্থাৎ এক ভাগ খাবার থেকে গৃহীত হয়। যকৃতে উৎপন্ন বাড়তি ইউরিক এসিড কিডনির কার্যকারিতায় মূত্রের মাধ্যমে দেহ থেকে অপসারণ হয়। কিন্তু মূত্রের মাধ্যমে যা বের হয় এবং যকৃতে যা উৎপন্ন হয়, খাবার থেকে অতিমাত্রায় পিউরিন গৃহীত হলে, এর ঘনত্ব বেড়ে, বেশি মাত্রায় উৎপন্ন হলে তখন রক্তে ইউরিক এসিড এর মাত্রা বেড়ে যায়।

এখন বলব, মাত্রাতিরিক্ত ইউরিক এসিড আমাদের দেহে কি কি ক্ষতি করে :-

ইউরিক এসিড বেড়ে গেলে দেহের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন অংগ বিশেষ করে কিডনির উপরে দীর্ঘদিন জমলে রেনাল স্টোন হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। ফলে কিডনি ঠিক মত কাজ করে না এবং মুত্রের মাধ্যমে ইউরিক এসিড ও অন্যান্য বর্জ্য শরীর থেকে বের হতে পারে না। কিডনির কার্যক্ষমতা নষ্ট হয় এবং কিডনি ড্যামেজ ও হয়। এছাড়াও বাড়তি ইউরিক এসিড শরীরের হাড়ের বিভিন্ন জয়েন্টে ক্রিস্টাল এর মত হয়ে জমে যায়, যাতে করে অনেক রোগীর হাড়ের সন্ধিস্থলে ফুলে যায় এবং খুব ব্যাথা হয়। এই রোগের নামই গাউট বা গেটে বাত। সোডিয়াম এর মাত্রা নিয়ন্ত্রনে এর ভুমিকা থাকায় হাইপ্রেশার বা উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এছাড়াও অন্যান্য শারীরিক অসুস্থতাসহ হার্ট ডিজিজ এর সম্ভাবনা ও বেড়ে যায়।
এখন জেনে নেই, আমাদের শরীরে ইউরিক এসিড কতটুকু থাকা প্রয়োজন? সাধারণত এর পরিমাণ পূর্ন বয়স্ক পুরুষদের ক্ষেত্রে প্রতি ডেসিলিটার রক্তে ৭ মিলিগ্রাম এবং নারীদের ৬ মিলিগ্রাম থাকা উচিত। রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে এর মাত্রা জেনে নেয়া উচিত। স্বাভাবিক এর চাইতে মাত্রাটা বেড়ে গেলে শীঘ্রই ডাক্তার দিখিয়ে ওষুধ গ্রহন করতে হবে এবং অবশ্যই খাবার গ্রহনে কিছু বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে।

এখন আসি কোন কোন খাবার থেকে ইউরিক এসিডের মাত্রা বেড়ে যায়? যদি দেহে অতিমাত্রায় পিউরিনযুক্ত প্রানীজ প্রোটিন এর বিশ্লেষণ বেশি হয় এবং বিশেষ করে লাল মাংস যেমনঃ গরু, খাসী, ষাড় এর মাংস, মাছের ডিম, কলিজা ইত্যাদি যদি বেশী খাওয়া হয় তবে ইউরিক এসিড বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায় অনেক বেশী হয়। এছাড়াও পিউরিন সমৃদ্ধ শাক-সবজি ও বীচি জাতীয় খাবার যেমনঃ বিভিন্ন ডাল, বীচি, মাশরুম, পালং শাক, সীম, বরবটি, ফলের মধ্যে আম, কলা, সফেদা, খেজুর, কিসমিস, আখ, তাল ইত্যাদি।

এছাড়াও অতিরিক্ত চিনি খেলেও ইউরিক এসিড বেড়ে যাওয়ার প্রবনতা ত্বরান্বিত হয়। তাছাড়াও যারা ওবেসিটি স্টেজে আছেন তাদের ক্ষেত্রে ও ইউরিক এসিড বাড়ার সম্ভাবনা প্রবল। ক্যান্সারের রোগীদের ও ইউরিক এসিড বেড়ে যেতে পারে। যারা খুব অনিয়মের মধ্যে খাওয়া দাওয়া করেন এবং অনেক বেশি সময় না খেয়ে থাকেন, তাদেরও ইউরিক এসিড বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

এখন বলছি, ইউরিক এসিড বেশি হলে কি কি খাওয়া যাবে? সাধারণত প্রানীজ খাবারের মধ্যে সব ধরনের বড় ও ছোট মাছ, মুরগীর মাংস, ডিম, লো ফ্যাট দুধ ও দুধ জাতীয় খাবার এবং শস্যের মধ্যে জটিল কার্বোহাইড্রেট অর্থাৎ লালচাল, লাল গমের আটা, ওটস, সাগু, ভুট্টা, চিড়া ইত্যাদি শাক-সবজির মধ্যে লাউ, চালকুমড়া, মিষ্টি কুমড়া, আলু, মিষ্টি আলু, পটল, ঝিংগা, চিচিংগা, করলা, কাকরোল, ঢেড়শ, কলার থোড়, মোচা, সবুজ কলমি শাক, লাউ/কুমড়ো শাক, গাজর, মূলা, বিটরুট, ক্যাপ্সিকাম, বাধাকপি, টমেটো, শসা ইত্যাদি, ফলের মধ্যে সাইট্রাস (টক) যুক্ত ফলগুলো যেমনঃ কমলা, মাল্টা, লেবু, আমলকি, জাম্বুরা, পেয়ারা, আপেল, নাশপাতি, আঙুর, আমড়া, আনারস, জাম, বেদানা, খেজুর ইত্যাদি খাওয়া যাবে। তথ্য সূত্র ইন্টারনেট।

03/01/2019

মাত্র দুটো পরীক্ষার মাধ্যমে কিডনী রোগের ঝুঁকি নির্নয় করা সম্ভব।
যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে বা উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে, তাদের যদি দেখা যায় প্রস্রাবে অ্যালবুমিন যাচ্ছে, এটা কিন্তু একটি প্রধান সংকেত যে তার কিডনি আক্রান্ত হতে যাচ্ছে। এ সময় যদি যে কারণে অ্যালবুমিন যাচ্ছে তার চিকিৎসা করা হয়, তাহলে রোগ সম্পূর্ণ নিরাময় হয়ে যাবে। আর দ্বিতীয়ত, রক্তের ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা নির্নয়ের মাধ্যমে। আর এই ক্রিয়েটিনিন হলো কিডনির মাপকাঠি। সেই মাপকাঠি দিয়ে আমরা বুঝতে পারি যে কিডনি ১০০ ভাগের কত ভাগ কাজ করছে। সে অনুযায়ী যেটি ক্রনিক কিডনি ডিজিস, সেটিতে কিডনি কিন্তু ধীরে ধীরে মাসের পর মাস, বছরের পর বছর ক্ষয় হতে থাকে।

আমাদের দুটি কিডনিতে যে ২৪ লাখ ছাঁকনি থাকে, সেই ছাঁকনিগুলো আক্রমণ করে শেষ করে দেয়, শেষ করার পর আবার আক্রমণ হচ্ছে, আক্রমণ হচ্ছে। এভাবে ছাঁকনিগুলো ধ্বংস করতে করতে ৫০ ভাগ যখন শেষ, তখন দেখা যায় আস্তে আস্তে তার ক্রিয়েটিনিন একটু একটু করে বাড়ছে। কিন্তু আমরা যদি হিসাব করে ইজেএফআর বের করি যে সে কোন পর্যায়ে রয়েছে, তাহলে কিডনি খারাপ হওয়ার গতিকে কমিয়ে রাখা যায়। সে জন্য প্রাথমিক অবস্থায় কিডনি রোগ নির্ণয়ের গুরুত্ব অনেক। তথ্য সূত্র ইন্টারনেট।
ডাঃ তাজকেরা সুলতানা চৌধুরী
কনসালট্যান্ট ইউরোলজিস্ট
এমবিবিএস, এফসিপিএস জেনারেল সার্জারি
এমএস ইউরোলজি।

13/10/2018

মানুষের ক্যান্সার হচ্ছে, হার্টের সমস্যা হচ্ছে, মানুষ চিকিৎসা করাচ্ছে। তারা কেউ ফিরে আসছে, কেউ চলে যাচ্ছে। আত্মীয়স্বজনদের মানসিক প্রস্তুতিও থাকছে।

কিন্তু ইদানীং একটা রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যাচ্ছে, যে রোগে দেখতে দেখতে বিছানায় পড়ছে আর মারা যাচ্ছে। বিশেষ করে শিশুরা, তার মধ্যে আবার কন্যাশিশুর সংখ্যাই বেশি। গত ২/৩ মাসে আমার পরিচিত গণ্ডির মধ্যেই ৮/১০ জন বাচ্চা মারা গেলো। প্রতিদিনই কেউ না কেউ আক্রান্তের খবর পাচ্ছি। আমার কাছে একটা অসমর্থিত সূত্রের খবর আছে, যেখানে একটি হাসপাতালে আসা ১০ বছরের নিচের একজন শিশুও জীবিত অবস্থায় মা-বাবার কাছে ফিরতে পারে নি। কী ভয়ংকর অবস্থা! প্রথমে দু'তিনদিন জ্বর, তারপর দ্রুত প্ল্যাটিলেট ডাউন, বিপি ডাউন, আইসিইউ, লাইফ সাপোর্ট, ভেন্টিলেশন, অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক রক্তক্ষরণ - তারপর সব শেষ। এতোটাই ভয়ংকর অবস্থা, তারপরেও রাষ্ট্রে শ্মশানের নীরবতা, কোথাও কোন শব্দ নেই!

দেশের রাজনৈতিক ভারসাম্য নেই, বিরোধী দলের কোন দৃশ্যমান অস্তিত্ব নেই। দেশে হাজার হাজার প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক, অনলাইন মিডিয়া; কিন্তু কোথাও কোন ক্রন্দন নেই! কী বিস্ময়কর!

দেশের সবগুলো বিভাগ অকার্যকর। দেশ চালায় একজন। তিনি না বললে কেউই একচুলও নড়েন না! অথচ খুবই সামান্য একটা উদ্যোগই এই মৃত্যুর মিছিল বন্ধ করতে পারে। কিন্তু কেউ হয়তো প্রধানমন্ত্রীর কানে তোলেন নি কিংবা প্রধানমন্ত্রী এ রোগের ভয়াবহতা আঁচ করতে পারেন নি, তাই কোন উদ্যোগ কোথাও দৃশ্যমান হচ্ছে না।

এ রোগের বাহন এডিস মশা নিধনে কোন পদক্ষেপ নেই। ঢাকা শহরে মশার অত্যাচারে জীবন অতীষ্ঠ হয়ে উঠছে! রাষ্ট্রের কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। এবারের ডেঙ্গু আগের ডেঙ্গুর মতো নয়। এ নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়েরও কোন বিবৃতি নেই!

উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে দেশ! তা এ জোয়ার কার জন্য!? মানুষই যদি না বাঁচে, এ উ.খাবে কারা?

(সংগৃহিত)

24/08/2018
সুলভ মুল্যে সকল প্রকার ঔষধ পাওয়া যায়
17/08/2018

সুলভ মুল্যে সকল প্রকার ঔষধ পাওয়া যায়

Address

326, Maddhopara Jame Mosjid Road, Ibrahimpur
Dhaka
1206

Telephone

8801974111774

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shefa Medicare - শেফা মেডিকেয়ার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share