Life Guard Family Vaccination Center-সুরক্ষিত জীবন

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • Life Guard Family Vaccination Center-সুরক্ষিত জীবন

Life Guard Family Vaccination Center-সুরক্ষিত জীবন Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Life Guard Family Vaccination Center-সুরক্ষিত জীবন, Health & Wellness Website, mirpur/1, Dhaka.

29/12/2021

ফরচুন বরিশাল, বরিশাল বিভাগের ক্রিকেট টিমের প্রতিনিধিত্ব করবে। দলটি এবার বঙ্গবন্ধু T20 Cup-এ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।.....

01/05/2021

জরুরী হোম সেবা। 01727796920

আই সি ইউ এর জরুরী ঔষধ ও ডোজ হিসাব
07/04/2019

আই সি ইউ এর জরুরী ঔষধ ও
ডোজ হিসাব

05/11/2017

ওরাল আলসারের এ টু জেড
ডা: মো: ফারুক হোসেন
২৪ অক্টোবর ২০১৭,মঙ্গলবার, ১৭:২৩
আপডেট: ২৪ অক্টোবর ২০১৭,মঙ্গলবার, ১৭:২৩

আলসার শব্দটি এসেছে লাতিন শব্দ আলকাস থেকে। ওরাল আলসারে মুখের অভ্যন্তরে মিউকাস মেমব্রেন ভাঙন বা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। আবার মুখের সন্নিবেশিত অ্যাপিথেলিয়াম বা বহিরাবরণ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। লিখেছেন
ডা: মো: ফারুক হোসেন

সবচেয়ে বেশি দেখা যাওয়া ওরাল আলসারের মধ্যে একটি হলো অ্যাপথাস আলসার, আর অন্যটি কোল্ড সোর যা হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস দিয়ে হয়ে থাকে।

ওরাল আলসার দেখতে কেমন

ওরাল আলসার সাধারণত দেখা যায় সাদা বা হলুদাভ ডিম্বাকৃতির মতো, যার চারপাশে প্রদাহজনিত লাল রঙের বর্ডার দেখা যায়। ক্ষত স্থানের চারপাশে সাদা বৃত্তাকার লাইন দেখা যেতে পারে। ধূসর সাদা অথবা হলুদাভ রঙের আলসারযুক্ত স্থান লাল রঙের বর্ডার বা বাউন্ডারির মধ্যে দেখা যায়। এটি হয় ফিব্রিনের স্তর গঠন হওয়ার কারণে। ফিব্রিন একটি প্রোটিন, যা রক্ত জমাট বাঁধার সাথে সম্পৃক্ত। আলসার যখন তীব্র ব্যথাযুক্ত হয় তখন চোয়ালের নিচে ব্যথাযুক্ত লিস্ফনোড বা লসিকাগ্রন্থির ফোলা ভাব পরিলক্ষিত হতে পারে, যা অনেক সময় ভুলবশত দাঁতের ব্যথা বলে মনে হয়।

ওরাল আলসারের কারণ

রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার ত্রুটিজনিত কারণ, মানসিক চাপ, হরমোনের পরিবর্তন, মাসিকের সমস্যা, খাদ্যজনিত এলার্জি, ভিটামিন বি ১২, আয়রন বা ফলিক এসিডের অভাব, কিছু ওষুধ যেমন নিকোরানডিল ধূমপান বা নেশাজাতীয় দ্রব্যাদি গ্রহণ, ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস সংক্রমণ, ফাঙ্গাল সংক্রমণ।

যেসব রোগে মুখে আলসার হতে পারে

সিলিয়াক ডিজিজ (ক্ষুদ্রান্ত্রের রোগ), জিনজাইভোস্টোমাটাইটিস, লিউকোপ্লাকিয়া, ওরাল লাইকেন পস্ন্যানাস, লুপাস ইরাইথিম্যাটোসাস, ওরাল থ্রাস, আলসারেটিভ কোলাইটিস, বুলাস পেনফিগয়ড, সিফিলিস, গনোরিয়া, যক্ষ্মা, মারাত্মক রক্তশূন্যতা।

ট্রমা বা আঘাতজনিত ওরাল আলসার

মুখে আঘাত মুখের আলসারের সচরাচর পরিলক্ষিত কারণ। দাঁতের কোনো অংশ যদি ধারালো থাকে তাহলে সেখান থেকে আলসার হতে পারে। অসাবধানতাবশত কামড় সাধারণত ধারালো ক্যানাইন বা ছেদন দাঁত দিয়ে হয়ে থাকে। মুখে যদি ধারালো দাঁত থাকে তাহলে হাঁচি দেয়ার সময় ও ধারালো দাঁত দিয়ে জিহ্বা বা মুখের অন্য যেকোনো অংশ কেটে যেতে পারে। তাই ধারালো দাঁত যত দ্রুত সম্ভব ট্রিমিং করে নিতে হবে।

এব্রেসিভ বা ক্ষয়কারক খাবার যদি মুখের ভেতর সারা রাত রেখে দেয়া হয়, তাহলে মুখে আলসার হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, যারা পান খান তাদের অনেকেই পান, সুপারি এবং জর্দার মিশ্রণ গালের এক পাশে রেখে সারা রাত সুখনিদ্রা যাপন করেন। যা মুখের আলসার থেকে শুরু করে ক্যান্সার পর্যন্ত সৃষ্টি হতে পারে। অর্থোডনটিক চিকিৎসাকালীন মুখের ভেতরে ডেন্টাল ব্রেসের কোনো ত্রুটির কারণে খোঁচা লেগে মুখে আলসার হতে পারে। টুথব্রাশের আঘাতের কারণে মিউকাস মেমব্রেন ক্ষতিগ্রস্ত হলে মুখে আলসার হতে পারে। এ ধরনের আলসার সাধারণত উৎসজনিত কারণ অপসারিত হলে ভালো হয়ে যায়।

রাসায়নিক ক্রিয়াজনিত ওরাল আলসার

রাসায়নিক দ্রব্যাদি যেমন এসপিরিন বা এলকোহল যদি মুখের সংস্পর্শে বারবার আসে তাহলে মুখে আলসারের মতো আবরণ তৈরি হতে পারে। বেশির ভাগ টুথপেস্টের উপাদানগুলোর অন্যতম এসএলএস বা সোডিয়াম লরিল সালফেট, যা অনেক ক্ষেত্রে মুখের আলসারের অন্যতম কারণ। সোডিয়াম লরিল সালফেট কখনো কখনো মুখের আলসারের তীব্রতা বাড়িয়ে দেয় আবার আলসারকে দীর্ঘস্থায়ী করে। অতএব টুথপেস্ট ব্যবহারে সচেতন হতে হবে এবং আপনার মুখের জন্য উপযোগী টুথপেস্ট সম্পর্কে জানার জন্য একজন অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

সংক্রমণজনিত ওরাল আলসার

ভাইরাস, ফাঙ্গাস অথবা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের কারণে মুখে আলসার হতে পারে। ভাইরাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় হারপিস সিমপেস্নঙ্ ভাইরাস। এ ভাইরাসটির কারণে মুখে বারবার আলসার দেখা দিতে পারে। রোগী দুর্বল অনুভব করতে পারে। সংক্রমণের সময় রোগীর গায়ে জ্বর জ্বর ভাব অনুভূত হতে পারে। তবে জ্বরের মাত্রা থাকে খুবই কম। এইচআইভি ভাইরাস প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিয়ে মুখে আলসার সৃষ্টি করতে পারে।

ব্যাকটেরিয়া

যক্ষ্মা রোগের ক্ষেত্রে মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস এবং সিফিলিস রোগের ক্ষেত্রে ট্রিপেনিমা প্যালিডাম ব্যাকটেরিয়া দিয়ে মুখে আলসার হতে পারে। গনোরিয়া রোগের ক্ষেত্রে নাইসেরিয়া গনোরি ব্যাকটেরিয়াও একই ধরনের সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়া ট্রেপটোকক্কাই, একটিনোমাইসিস দিয়ে আলসার দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।

ফাঙ্গাসজনিত মুখের আলসার

ভ্যালি ফিবারের জন্য কক্কিডাইওডিস ইসিটিস, ক্রিপটোকক্কোসিস রোগে ক্রিপটোকক্কাস নিওফরম্যানস, নর্থ আমেরিকান বস্নাসটোমাইকোসিস রোগে বস্নাসটোমাইকোসিস ডার্মাটাইটিডিস জীবাণু দিয়ে সংক্রমণ বিস্তার লাভ করে। সব ফাঙ্গাসজনিত রোগে মুখে আলসার হতে পারে। এছাড়া ক্যানডিডা অ্যালবিকানস মুখের আলসার সৃষ্টি করতে পারে।

রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ত্রুটিজনিত আলসার

রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে আলসার হতে পারে। বারবার মুখে আলসার হলো মুখের মিউকাস মেমব্রেনে ইমমিউনোগ্লোবিউলিনের পরিমাণ কমে যাওয়ার সতর্ক সঙ্কেত। কেমোথেরাপি এবং এইচআইভি সংক্রমণ রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে অনেক কমিয়ে দিতে পারে। ফলে মুখে আলসার দেখা দিতে পারে।

অটোইমিউনিটি

অটোইমিউনিটিও ওরাল আলসারের একটি কারণ। মিউকাস মেমব্রেন পেমফিগয়ড, যা একটি অটোইমিউন রিঅ্যাকশন যা অ্যাপিথেলিয়াম বেসমেন্ট মেমব্রেনে সংঘটিত হয় এবং ওরাল আলসার সৃষ্টি করে।

অ্যালার্জিজনিত মুখের আলসার

বিভিন্ন অ্যালার্জেন দিয়ে মুখে দীর্ঘস্থায়ী আলসার হতে পারে।

খাদ্যজনিত ও পুষ্টিজনিত কারণে মুখের আলসার

ভিটামিন সি’র অভাবে স্কার্ভি রোগ হতে পারে এবং ভিটামিন সি’র অভাবে মুখে আলসার দেখা দিতে পারে। একইভাবে ভিটামিন বি-১২, আয়রন, জিংক এবং ফলিক এসিডের ঘাটতির কারণে মুখে আলসার দেখা দিতে পারে। ওরাল আলসারের কারণগুলোর অন্যতম সিলিয়াক ডিজিজ; যার কারণে গম, রাই অথবা বার্লি খেলে মুখে আলসার হতে পারে ধীরে ধীরে। যদি গস্নুটেন ইনটলারেন্সের কারণ হয় তাহলে খাদ্য তালিকায় পরিবর্তন আনতে হবে। সে ক্ষেত্রে বেশির ভাগ ব্রেড বা রুটি জাতীয় খাবার, কেক, পাই, কুকিজ, বিস্কুট, বিয়ার ইত্যাদি খাবার কমিয়ে দিতে হবে। আবার ক্ষেত্রবিশেষে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়া যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে গস্নুটেন মুক্ত খাবার গ্রহণ করতে হবে। ডায়েট কোলাতে কৃত্রিম চিনি, সুগারলেস গামও কোনো কোনো ক্ষেত্রে মুখের আলসারের কারণ হয়ে দাঁড়ালে অবাক হওয়ার কিছু নেই।

ক্যান্সারজনিত ওরাল আলসার

ওরাল ক্যান্সারের কারণে মুখে আলসার হতে পারে যেহেতু সংক্রমণের কেন্দ্রস্থল রক্ত সঞ্চালন পায় না। স্কোয়ামাস সেল কারসিনোমা বা ক্যান্সারের একটি উদাহারণ।

ওরাল আলসারের চিকিৎসা

ওরাল আলসারের ক্ষেত্রে রোগীর খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনতে হবে। রোগের কারণ অনুসন্ধান করে চিকিৎসা প্রদান করতে হবে। দায়সারা গোছের চিকিৎসা হলে আলসারের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। ওরাল আলসারের রোগীদের টুথপেস্ট ব্যবহারে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে এবং একজন অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী টুথপেস্ট ব্যবহার করতে হবে। রোগীর সার্বিক শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে চিকিৎসা প্রদান করা খুবই জরুরি। বিশেষ করে ওরাল আলসারের কিছু ওষুধের মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। কিছু খাবার ওষুধের কারণে রোগী বেশ দুর্বলতা অনুভব করতে পারে আবার চোখে ঝাপসা দেখতে পারে। তাই ওরাল আলসারের চিকিৎসা অভিজ্ঞতার আলোকেই করতে হয়।

লেখক : ওরাল অ্যান্ড ডেন্টাল সার্জন

ফোন : ০১৮১৭৫২১৮৯৭

02/10/2017

হেপাটাইটিস বি নিয়ে কথা

লিভারের প্রদাহকে হেপাটাইসিস বলা হয়। স্থান-কাল পাত্রভেদে বিভিন্ন হেপাটাইটিস হতে পারে। যেমন—ভাইরাস, মদ্যপান বিপাকে অসংগতি ইত্যাদি। বাংলাদেশে সাধারণত ‘এ, বি, সি ও ই’ ভাইরাস দ্বারা লিভারের হেপাটাইটিস হয়ে থাকে। জন্ডিস দেখা দিলে এ রোগটি ধরা যায়, যদিও নিশ্চিত হওয়ার জন্য রোগীর রক্তে ভাইরাসের নির্দিষ্ট এন্টিজেন বা এন্টিবডি উপস্থিত থাকা প্রয়োজন। হেপাটাইটিস জন্ডিস হিসেবে বা জন্ডিস ছাড়াও ধরা পড়তে পারে। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সারা বিশ্বে ২০০ কোটি মানুষ হেপাটাইটিস-বি দ্বারা আক্রান্ত, যার মধ্যে ৩৫ কোটি লোক হেপাটাইটিস-বি সংক্রান্ত, দীর্ঘস্থায়ী রোগে ভুগছে এবং প্রতিবছর এ সম্পর্কিত জটিলতায় ছয় লাখ লোক মারা যাচ্ছে। এই ভাইরাস এইডস ভাইরাসের সংক্রমণের ক্ষমতা ৫০ থেকে ১০০ গুণ বেশি। বাংলাদেশে হেপাটাইটিস-বি ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কত, এর জাতীয়ভিত্তিক পরিসংখ্যান না থাকলেও ব্যক্তিগতভাবে অনেক গবেষক এ সংক্রান্ত জরিপ চালিয়েছেন। গবেষক কর্তৃক নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর ওপর পরিচালিত জরিপে দেখা যায়, বাংলাদেশের শিরায় নেশাগ্রস্তদের মধ্যে আট শতাংশ, পতিতাদের মধ্যে নয় দশমিক সাত শতাংশ, পেশাদার রক্তদাতাদের মধ্যে ২০ শতাংশ ও অপেশাদার রক্তদাতাদের মধ্যে পাঁচ দশমিক ছয় শতাংশ এ ভাইরাস বহন করছে। হেপাটাইটিস-বি দ্বারা আক্রান্ত বেশির ভাগ রোগীর দেহে ভাইরাসটি বাহক হিসেবে সুপ্ত অবস্থায় থাকে। কোনো ধরনের উপসর্গ দেখা দেয় না বলে এ সংক্রান্ত জটিলতা দেখা না দিলে রোগীরা সাধারণত চিকিৎসকদের শরণাপন্ন হন না। এ সংক্রান্ত রোগের ব্যাপকতা নির্ভর করে জীবাণুটি কখন শরীরে প্রবেশ করেছিল এবং ব্যক্তিটির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কতটুকু। দেখা যাক, বাল্যকালে যেসব ব্যক্তি এ জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হয়, তাদের ক্ষেত্রে ৯০ শতাংশ লোকের পরবর্তীকালে এ ভাইরাসটি শরীরে দীর্ঘস্থায়ীভাবে বাসা বাঁধে। এ ধরনের রোগীর ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশের ক্ষেত্রে এক থেকে চার বছরের দীর্ঘস্থায়ী হেপাটাইটিস-বি রোগে আক্রান্ত হয় এবং এদের ২৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার প্রাক্কালে লিভার সিরোসিস বা ক্যানসারে মারা যায়। যেসব লোক প্রাপ্ত বয়সে হেপাটাইটিস-বি দ্বারা সংক্রমিত হয়, তাদের ৯০ শতাংশ লিভারের জন্ডিস হওয়ার পর ভালো হয়ে যায়। বাংলাদেশের অল্প বয়সেই হেপাটাইটিস-বি দ্বারা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেশি এবং অল্প বয়সে হেপাটাইটিস-বি ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত বেশির ভাগ ব্যক্

25/08/2017

হেপাটাইটিস বি কি ?
হেপাটাইটিস বি একটি জটিল ইনফেকশন যেটি লিভার বা যকৃতকে আক্রমন করে। এটি হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের দ্বারা হয়।

Dear NOheptivist,You have just taken the first step towards the elimination of viral hepatitis.By signing up to NOhep yo...
25/08/2017

Dear NOheptivist,

You have just taken the first step towards the elimination of viral hepatitis.

By signing up to NOhep you have joined a network of over 1,000 NOheptivists in over 100 countries who are taking actions to eliminate the cancer-causing disease by 2030.

NOhep is building a global grassroots movement to foster innovative solutions and to ensure leaders honour their commitment by eliminating viral hepatitis by 2030.

Find out how you can play a part on the NOhep.org website or stay connected to other NOheptivists by using the NOhep hashtag on Facebook, Twitter and Instagram.

Don’t forget to spread the word and ask your family, friends and colleagues to sign up to help change the lives of millions across the world.

Hypertension বা রক্তচাপ কী ? ধমনিতে প্রবাহিত রক্ত যে পার্শ্বচাপের সৃষ্টি করে তাকে রক্তচাপ বলে। হৃৎপিণ্ডের নিলয়ের সঙ্কোচন...
17/08/2017

Hypertension বা রক্তচাপ কী ? ধমনিতে প্রবাহিত রক্ত যে পার্শ্বচাপের সৃষ্টি করে তাকে রক্তচাপ বলে। হৃৎপিণ্ডের নিলয়ের সঙ্কোচন ও প্রসারণকালে এই রক্তচাপ পরিবর্তিত হয়। নিলয়ের সঙ্কোচনকালে প্রবহমান রক্ত ধমনি প্রাচীরে যে চাপ সৃষ্টি করে তাকে বলা হয় সঙ্কোচনকালীন রক্তচাপ (Systolic Blood Presure). এবং নিলয়ের প্রসারণকালীন চাপকে প্রসারণকালীন রক্তচাপ (Diastolic Blood Presure) বলা হয়। উচ্চ রক্তচাপ ১৪০/৯০ মিমি অব মার্কারি বা তার বেশি ১৩০/৮৫ মিমি অব মার্কারি (ডায়াবেটিস রোগীর ক্ষেত্রে) উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ
১। লক্ষণবিহীন : বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই উচ্চ রক্তচাপের কোনো লক্ষণ থাকে না। অন্য কোনো কারণে পরীক্ষার সময় উচ্চ রক্তচাপ ধরা পড়ে।
২। লক্ষণগুলো : কিছু কিছু ক্ষেত্রে মাথাব্যথা,বিশেষত মাথার পেছন দিকে। অনেক সময় ঘুম থেকে ওঠার পরই মাথাব্যথা শুরু হয় এবং ২/১ ঘণ্টার মধ্যে কমে যায়।
এ ছাড়া- * মাথাঘোরা,
* বুক ধড়ফড় করা,
* মনোসংযোগের অভাব,
* কান্তিবোধ করা,
* পিপাসা বৃদ্ধি পাওয়া,
* অতিরিক্ত প্রস্রাব হওয়া,
* অল্প কাজে হাঁফ ধরা,
* মাংসপেশির দুর্বলতা,
* পা ফোলা,
* প্রস্রাবে রক্ত যাওয়া,
* বুকে ব্যথা হওয়া,
* নাক দিয়ে রক্তপাত হওয়া,
* কাশি হওয়া,
* কাশির সাথে রক্ত যাওয়া,
* পুরুষত্বহীনতা,
* চোখে ঝাপসা দেখা ইত্যাদি রক্তচাপের লক্ষণ হিসেবে দেখা দিতে পারে।
উচ্চ রক্তচাপ থেকে মুক্ত থাকার উপায়
১। ধূমপান, জর্দা, তামাকপাতা, গুল পরিহার করুন।
২। অতিরিক্ত লবণ খাওয়া কমাতে হবে।
৩। ওজন কমাতে হবে, উচ্চ রক্তচাপগ্রস্ত রোগী যাদের স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে ওজন বেশি তাদের খাদ্য ক্যালরি গ্রহণ পরিমিত করতে হবে। কায়িক শ্রম বাড়াতে হবে।
৪। মুক্ত বায়ুতে দৈনিক ৩০-৪৫ মিনিট দ্রুত (ঘণ্টায় ৫-৬ মাইল) গতিতে হাঁটা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
৫। অ্যালকোহল সেবনে রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে ফলে হার্ট ফেইলিউর হতে পারে।
৬। দুশ্চিন্তামুক্ত থাকুন।
৭। চিকিৎসকের পরামর্শ মতো নিয়মিত ওষুধ সেবনের মাধ্যতে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
৮। ডায়াবেটিস ও কিডনি রোগের চিকিৎসা করুন ও নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
উচ্চ রক্তচাপ আক্রান্তদের খাদ্য নির্দেশনা
ক) কোলেস্টেরলসমৃদ্ধ ও সম্পৃক্ত ফ্যাটসমৃদ্ধ খাবার বাদ দিতে হবে : ডিমের কুসুম (ডিমের সাদা অংশ খাওয়া যাবে), কলিজা, মাছের ডিম, খাসি-গরুর চর্বিযুক্ত গোশত, হাঁস-মুরগির চামড়া, হাড়ের মজ্জা, ঘি, মাখন, ডালডা, গলদা চিংড়ি, নারকেল এবং উপরি উক্ত উপকরণ দিয়ে তৈরি খাবার।
খ) বেশি করে খেতে হবে : আঁশযুক্ত খাবার, যেমন- ডাল (সব রকমের) বিশেষত ছোলার ডাল, শাক (সব রকমের), সবজি বিশেষত খোসাসহ সবজি (ঢেঁড়স, বরবটি, শিম ইত্যাদি)। টকজাতীয় ফল বিশেষত খোসাসহ ফল (পেয়ারা, জাম্বুরা, আমলকী)।
উপযুক্ত এবং পর্যাপ্ত চিকিৎসার পরও রক্তচাপ না কমার সম্ভাব্য কারণ
* রোগীর ওষুধ ব্যবহারে অবহেলা।
* অতিরিক্ত লবণ খাওয়া।
* রোগীর ওজন বৃদ্ধি।
* সাথে ব্যবহৃত অন্য ওষুধের প্রতিক্রিয়া, যেমন- জন্মনিয়ন্ত্রণের বড়ি, স্টেরয়েড, অ্যাড্রিনালিন, এফিড্রিন ইত্যাদি।
* অন্য কোনো অসুখের কারণে উচ্চ রক্তচাপ।
উচ্চ রক্তচাপের জটিলতা
* লেফট ভেন্ট্রিকুলার ফেইলিউর (হার্ট ফেইলিউর)
* কনজেসটিভ হার্ট ফেইলিউর (শ্বাসকষ্ট, পা ফোলা)
* ইসকিমিক হার্ট ডিজিস (করোনারি হৃদরোগ, বুকে ব্যথা)
* হাইপারটেনসিভ এনকেফালোপ্যাথি (হঠাৎ অজ্ঞান হওয়া বা চেতনা কমে যাওয়া)
* সেরিব্রো ভাসকুলার অ্যাকসিডেন্ট (স্ট্রোক/প্যারালাইসিস)
* রেনাল ফেইলিউর (প্রস্রাব কম হওয়া, দুর্বলতা)

বাচ্চাদের কোন টিকা কিসের জন্য দেওয়া হয়সঠিক সময়ে সঠিক টিকা দেয়ার মাধ্যমে বাচ্চাদের অনেক ঘাতক ব্যাধি থেকে রক্ষা করা সম্ভব।...
09/08/2017

বাচ্চাদের কোন টিকা কিসের জন্য দেওয়া হয়
সঠিক সময়ে সঠিক টিকা দেয়ার মাধ্যমে বাচ্চাদের অনেক ঘাতক ব্যাধি থেকে রক্ষা করা সম্ভব। অনেক সময় বাবা মার সীমিত জ্ঞান বিষয়টিকে আরও বেশি জটিল করে তোলে। সকল বাবা মার উচিত বাচ্চাদের টিকার ব্যাপারে খুব ভালোভাবে জেনে রাখা যাতে করে সঠিক সময়ে সঠিক টিকা দেয়া সম্ভব হয়। এ ব্যাপারে প্রয়োজনে শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া বাঞ্ছনীয়।

টিকা কি?
টিকা এক ধরণের প্রতিষেধক যা একটি শিশু জন্মের পর থেকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মাঝে বিভিন্ন রোগের প্রতিষেধক হিসেবে দেয়া হয়ে থাকে। কিছু কিছু টিকা বাচ্চার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে যা অনেক বাবা-মায়েরই অনেক সময় অজানা থাকে।

বাচ্চাদের জন্য বিভিন্ন প্রয়োজনীয় টিকা
(১) হেপাটাইটিস-বি টিকা (হেপ বি):
সকল নবজাতকের হাসপাতাল থেকে ডিসচার্জ হওয়ার আগে হেপাটাইটিস-বি ভ্যাকসিন (হেপ বি) নেয়া উচিত। হেপ বি টিকা দেয়ার ক্ষেত্রে নিচের চার্ট লক্ষ্য করুনঃ

হেপাটাইটিস-বি টিকা

জন্মের পর-৬ সপ্তাহ

হেপাটাইটিস-বি টিকা

৬ সপ্তাহ/২ মাস

হেপাটাইটিস-বি টিকা

১০ সপ্তাহ / ৪ মাস

হেপাটাইটিস-বি টিকা

১৪ সপ্তাহ / ৪ মাস

হেপাটাইটিস-বি টিকা (১ম বুস্টার ডোজ )

১৫-১৮ মাস

হেপাটাইটিস-বি টিকা

৪-৬ বছর



এছাড়া হেপ এ ওয়ান এবং হেপ এ টু টিকা গুলো ১২ মাস পরই দিয়ে দিতে হবে।

(২) পোলিও টিকা

পোলিও একটি মারাত্মক ব্যাধি। এই ব্যাধি থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় শিশুকে সঠিক সময়ে টিকা দেয়া। দুইভাবে পোলিও টিকা দেয়া যেতে পারে। যথা- ও. পি. ভি. এবং আই. পি. ভি. । ও. পি. ভি. হল ওরাল পোলিও ভ্যাকসিন যা মুখে খাওয়ানো হয়ে থাকে এবং আই. পি. ভি. হল ইনএক্টিভেটেড পোলিও ভ্যাকসিন যা ইনজেকসান এর মাধ্যমে দেওয়া হয়। নিচের পোলিও টিকার চার্ট লক্ষ্য করুনঃ

ও. পি. ভি.

জন্মের পর থেকে ৬ সপ্তাহ

ও. পি. ভি./আই. পি. ভি.

৬ সপ্তাহ/ ২ মাস

ও. পি. ভি./আই. পি. ভি.

১০ সপ্তাহ / ৪ মাস

ও. পি. ভি.

১৪ সপ্তাহ / ৪ মাস

ও. পি. ভি.

৯ মাস

ও. পি. ভি./আই. পি. ভি. (১ম বুস্টার ডোজ )

১৫ – ১৮ মাস

ও. পি. ভি./ আই. পি. ভি.

৪- ৬ বছর
আরও তথ্য পেতে সাথে থাকুন

হেপাটাইটিস বি কি ?হেপাটাইটিস বি একটি জটিল ইনফেকশন যেটি লিভার বা যকৃতকে আক্রমন করে। এটি হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের দ্বারা হয়...
03/08/2017

হেপাটাইটিস বি কি ?
হেপাটাইটিস বি একটি জটিল ইনফেকশন যেটি লিভার বা যকৃতকে আক্রমন করে। এটি হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের দ্বারা হয়।

হেপাটাইটিস বি ভাইরাস থেকে হতে পারে:
একিউট ( বা স্বল্প মেয়াদি) অসুখ, যার ফলে হতে পারে
• খাবারে অরুচি বমি ও পাতলা পায়খানা
• ক্লান্তি জন্ডিস ( হাত, পা হলুদ হয়ে যাওয়া)
• মাংশপেশী, গিরা এবং পেটে ব্যাথা
লক্ষন সহ স্বল্প মেয়াদি অসুখ সাধারনত বড়দের ক্ষেত্রে বেশী হয়। শিশুরা আক্রান্ত হলে সাধারনত লক্ষন দেখা যায় না।

ক্রনিক ( দীর্ঘ মেয়াদি ) ইনফেকশন, কিছু মানুষের ক্ষেত্রে দীর্ঘ মেয়াদি ইনফেকশন হয়। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে কোন লক্ষন দেখা না গেলেও এটি মারাত্মক, এ থেকে হতে পারে
• লিভার বা যকৃতের ক্যান্সার লিভার বা যকৃত নষ্ট হয়ে যাওয়া (সিরোসিস)
• মৃত্যু
দীর্ঘ মেয়াদি ইনফেকশন সাধারনত বড়দের চেয়ে ১ বছরের কম বয়সী শিশুদের বেশী হয়। দীর্ঘ মেয়াদি ইনফেকশনের রোগীরা অসুস্থতার কোন লক্ষন ছাড়াই অন্যদের মধ্যে হেপাটাইটিস বি ছড়াতে পারেন।

হেপাটাইটিস বি আক্রান্ত রোগীর রক্ত বা দেহের অন্যান্য রসের মাধ্যমে সহজেই হেপাটাইটিস বি ছড়াতে পারে। হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের সংস্পর্শে আসা যে কোন বস্তু থেকেও হেপাটাইটিস বি সংক্রামন হতে পারে। সংস্পর্শে আসা বস্তুটিতে হেপাটাইটিস বি ভাইরাস ৭ দিন পর্যন্ত সংক্রামক থাকতে পারে।

• হেপাটাইটিস বি আক্রান্ত গর্ভবতী মায়েদের শিশুদের জন্মের সময় হেপাটাইটিস বি সংক্রামন হতে পারে।

• শিশু, কিশোর এবং বড়দের সংক্রামন হতে পারে
- কামড়, কাটা বা ক্ষতের সাথে আক্রান্ত রোগীর রক্ত বা দেহের অন্যান্য রসের মাধ্যমে।
- হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের সংস্পর্শে আসা যে কোন বস্তু যেমন দাত মাজার ব্রাশ, দাড়ি কামানো রেজর বা ডায়বেটিস মাপার যন্ত্রের মাধ্যমে।
- হেপাটাইটিস বি আক্রান্ত রোগীর সাথে অরক্খিত যৌন মিলনের মাধ্যমে।
- হেপাটাইটিস বি আক্রান্ত রোগীর ব্যাবহৃত সিরিঞ্জ (মাদক নিতে) ব্যাবহার করলে।
- হেপাটাইটিস বি আক্রান্ত রোগীর ব্যাবহৃত সিরিঞ্জের খোচা লাগলে।

হেপাটাইটিস বি এর টিকা কেন নেব ?
হেপাটাইটিস বি এর টিকা হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের আক্রমন প্রতিরোধ করতে পারে। ফলে হেপাটাইটিস বি এর কারনে হওয়া লিভার বা যকৃতের ক্যান্সার এবং লিভার বা যকৃত নষ্ট হয়ে যাওয়া (সিরোসিস) প্রতিরোধ করতে পারে।
অন্যান্য টিকার সাথেই হেপাটাইটিস বি এর টিকা দেয়া যায়।

হেপাটাইটিস বি এর টিকা দীর্ঘমেয়াদি , সম্ভবত আজীবন সুরক্ষা দেয়।

কাদের হেপাটাইটিস বি এর টিকা নেয়া দরকার এবং কেন ?

শিশু এবং কিশোরদের:
• শিশুদের সাধারনত ৩ বার (ডোজ) হেপাটাইটিস বি এর টিকা দেয়া হয়।
১ম বার : জন্মের পর পর
২য় বার : ১-২ মাস বয়সের সময়
৩য় বার : ৬-১৮ মাস বয়সের সময়
কোন কোন শিশুদের ৪র্থ বারে একটি টিকা দেয়া হয়। একত্রে কয়েকটি রোগের টিকার ক্ষেত্রে এটি ঘটতে পারে, অতিরিক্ত টিকাটি শিশুর জন্য ক্ষতিকর নয়।
• ১৮ বছরের বা তার বেশী বয়সীদের আগে টিকা দেয়া না থাকলে হেপাটাইটিস বি এর টিকা দেয়া উচিৎ।

বড়দের:
• সকল বয়স্ক যাদের টিকা দেয়া নেই এবং যাদের হেপাটাইটিস বি এর সংক্রামন হবার সম্ভবনা আছে তাদের টিকা দেয়া উচিৎ। এর মধ্যে আছেন;
_ হেপাটাইটিস বি আক্রান্ত রোগীর যৌন সঙ্গী।
-সমকামি পুরুষ,
-শিরাপথে মাদক ব্যাবহারকারী
-যাদের একের অধিক যৌন সঙ্গী আছে,
- যাদের দীর্ঘমেয়াদি লিভার(যকৃত) বা কিডনীর(বৃক্ক) রোগ আছে।
-৬০ বছরের কম বয়সী ডায়বেটিক রোগী।
-যাদের চাকুরিক্ষেত্রে মানুষের রক্ত বা দেহের অন্যান্য রসের সংস্পর্শে আসতে হয়,
- বাড়ীতে হেপাটাইটিস বি আক্রান্ত রোগী থাকলে,
-মানসিক রোগীদের যারা সেবা দিয়ে থাকেন,
- কিডনী(বৃক্ক) ডায়ালাইসিসের রোগী,
- হেপাটাইটিস বি আক্রান্তদের সংখ্যা বেশী এমন দেশে যারা ভ্রমন করেন,
-যাদের এইডস আছে।

• কোন কোন লোককে তার ডাক্তার টিকা নেবার পরামর্শ দিতে পারেন। যেমন ৬০ বছরের বেশী বয়সী ডায়াবেটিক রোগী। এছাড়াও যে কেউ হেপাটাইটিস বি আক্রমন থেকে সুরক্ষা পেতে টিকা নিতে পারেন।

• গর্ভবতী মা উপরে বর্নিত ঝুকিতে থাকলে টিকা নেয়া উচিত। এছাড়াও যে কোন গর্ভবতী মা হেপাটাইটিস বি আক্রমন থেকে সুরক্ষা পেতে টিকা নিতে পারেন।

বড়দের ক্ষেত্রে ৩ বার (ডোজ) হেপাটাইটিস বি এর টিকা দেয়া হয়। ১ম টিকা নেবার ৪ সপ্তাহ পর ২য় টিকা, এবং ২য় টিকার ৫ মাস পর ৩য় টিকা নিতে হয়। বিশেষ কোন ক্ষেত্রে আপনার ডাক্তার আপনার টিকা নেবার সময়সূচী ঠিক করে দিতে পারেন।

কাদের হেপাটাইটিস বি এর টিকা নেয়া যাবে না ?
• যদি কারো ইষ্ট বা টিকার কোন উপাদানের প্রতি অতিরিক্ত সংবেদনশীলতা ( এলার্জি) থাকে তার হেপাটাইটিস বি এর টিকা নেয়া যাবে না। অতিরিক্ত সংবেদনশীলতা ( এলার্জি) থাকলে আপনার ডাক্তারকে জানান।
• যদি কারো ১ম বার হেপাটাইটিস বি এর টিকা দেবার পর জীবনের ঝুকিপূর্ন সংবেদনশীলতার ( এলার্জি) ঘটনা ঘটে তবে তার হেপাটাইটিস বি পরবর্তী টিকা নেয়া যাবে না।
• যদি কারো টিকা নেবার সময়সূচীর সময় শারিরীক অসুস্থতা থাকে তবে পুরোপুরি সুস্থ হবার পর হেপাটাইটিস বি এর টিকা নিতে হবে।
আপনার ডাক্তার আপনাকে এ সাবধানতা সম্পর্কে আরো তথ্য দিতে পারেন।

বিশেষ তথ্য: হেপাটাইটিস বি এর টিকা দেবার পর রক্তদান করতে চাইলে অন্তত ২৮ দিন অপেক্ষা করতে হবে। এর কারন এ সময়ে হেপাটাইটিস বি এর রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট ভুলক্রমে ( রক্তে থাকা টিকার কারনে ) হেপাটাইটিস বি আক্রান্ত হিসাবে আসতে পারে।

এই পোষ্ট সম্পর্কে কোন প্রশ্ন থাকলে অথবা অন্য কোন বিষয়ে কোন প্রশ্ন থাকলে দয়া করে আমার ফেসবুক পেজ এর Wall এ প্রশ্নটি করুন।

প্রশ্ন : জরায়ুমুখের ক্যানসার বলতে আমরা কী বুঝি?উত্তর : নারীদের যত ধরনের ক্যানসার হয়ে থাকে, এর মধ্যে জরায়ুমুখের ক্যানসার ...
02/08/2017

প্রশ্ন : জরায়ুমুখের ক্যানসার বলতে আমরা কী বুঝি?

উত্তর : নারীদের যত ধরনের ক্যানসার হয়ে থাকে, এর মধ্যে জরায়ুমুখের ক্যানসার একটি অন্যতম ক্যানসার। মাতৃমৃত্যুর অন্যতম কারণ হলো জরায়ুমুখের ক্যানসার। জরায়ুর দুটি অংশ থাকে। একটি জরায়ু, আরেকটি হলো জরায়ুর মুখ, যেটা বাইরের দিকে যোনিপথের মধ্যে থাকে। এই মুখের মধ্যে ক্যানসার হয়ে থাকে। একেই বলা হয় জরায়ুমুখের ক্যানসার।

প্রশ্ন : কীভাবে বোঝা যাবে জরায়ুমুখের ক্যানসার হয়েছে?

ডা. লুৎফা বেগম লিপি
উত্তর : ক্যানসার হওয়ার আগে একটি পর্যায় থাকে, যাকে আমরা বলি প্রি ক্যানসারস স্টেজ। ওই পর্যায়ে তেমন কোনো লক্ষণ থাকে না। ক্যানসার হয়ে গেলে দেখা যায় দুর্গন্ধযুক্ত সাদা স্রাব হচ্ছে, অনেক সময় ভাতের মাড়ের মতো বা চাল ধোয়া পানির মতো স্রাব হয়। অনিয়মিত রক্তপাত হতে পারে। সহবাসের পরে রক্ত যায়। এধরনের সমস্যা নিয়ে রোগীরা সাধারণত আসে। যখন আরো অগ্রবর্তী পর্যায়ে চলে যায়, তখন দেখা যায় যে, তলপেটে ব্যথা, লো ব্যাক পেইন- এ ধরনের সমস্যা হচ্ছে।

আরো যখন অগ্রবর্তী পর্যায়ে চলে যায়, মূত্রথলি, মল ত্যাগের রাস্তায়ও সমস্যা দেখা যায়।

প্রশ্ন : জরায়ুমুখের ক্যানসার প্রতিরোধের কী কোনো ব্যবস্থা রয়েছে?

উত্তর : প্রতিরোধের সুন্দর ব্যবস্থা রয়েছে। যদি কারো প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়ে, তাদের আমরা অস্ত্রোপচার করে থাকি। অস্ত্রোপচারের পরও রেডিওথেরাপি দেওয়া হয়।

অন্যান্য ক্যানসার যখন ধরা পড়ে, তখন ক্যানসার অবস্থায় ধরা পড়ে। তবে জরায়ুমুখের ক্যানসারের বেলায় ক্যানসার হওয়ার ১০ বছর আগেই আমরা ধরতে পারি। এ জন্য বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা রয়েছে। যাকে আমরা স্ক্রিনিং টেস্ট বলি।

ধরুন একজন সুস্থ নারী, তার ৩০ বছর হয়ে গেলেই সে আসবে আমাদের কাছে, স্ক্রিনিং টেস্ট করার জন্য। তখনই আমরা ধরে ফেলতে পারি তার নয় থেকে ১০ বছর পরে ক্যানসার হওয়ার আদৌ আশঙ্কা আছে কি না। যদি আশঙ্কা থাকে, তখনই আমরা তাকে উপযুক্ত চিকিৎসা দিয়ে দিই।

প্রশ্ন : স্ক্রিনিংয়ে বিষয়টি আমরা কীভাবে করতে পারি?

উত্তর : আমাদের দেশে এখন একটি জাতীয় অনুষ্ঠান হয়। যেটা অন্যান্য দেশে হয়তো বা হয় না। আমাদের দেশে এটি বিনামূল্যে হয়। আমরা মেয়েদের ভায়া টেস্ট করে থাকি।

আমরা খাবারের মধ্যে ভিনেগার ব্যবহার করি। এ রকম একটি ভিনেগার এক শতাংশ আমরা জরায়ুমুখের মধ্যে এক মিনিট রাখি। এক মিনিট রাখার পর দেখা যায় তার কিছু পরিবর্তন হয়। এটি দেখে আমরা বুঝতে পারি, এটি কি ক্যানসারের পর্যায়ে আছে কি না? যদি দেখি কোনো লক্ষণ নেই, তাহলে আমরা তাকে প্রতিতিন বছর পরপর এই পরীক্ষা করতে বলি।

এ ছাড়া টাকা দিয়ে করতে পারে। যেমন : প্যাপসমেয়ার পরীক্ষা রয়েছে। কলকোস্কোপি পরীক্ষা রয়েছে। যে ভাইরাস দিয়ে এই রোগটি হয়ে থাকে, সেটি হলো হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস। এই ভাইরাসটি আমরা শনাক্ত করতে পারি। এইচপিভি ডিএনএ পরীক্ষা বলে একে। যদিও এটি একটু ব্যয়বহুল। তবে তারপরও এটি করে আমরা আগে থেকে জানতে পারি জরায়ুমুখে কতটুকু এই ভাইরাস আছে বা আদৌ এখান থেকে ক্যানসার হবে কি না?

প্রশ্ন : জরায়ুমুখের ক্যানসারের ক্ষেত্রে ভ্যাকসিনেশনের কথা আমরা প্রায়ই শুনে থাকি। এর সম্বন্ধে কিছু বলুন।

উত্তর : আসলে যেকোনো রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে কতগুলো ধাপ রয়েছে। প্রাইমারি প্রিভেনশন, সেকেন্ডারি প্রিভেনশন, টারসিয়ারি প্রিভেনশন। কিছু ঝুঁকির বিষয় রয়েছে। যেমন : বহুবিবাহ, যৌন সংক্রামক রোগ, ধূমপান। আমরা ভ্যাকসিনেশন দিয়ে রোগ প্রতিরোধ করতে পারি।

ভ্যাকসিন দিলে শরীরে আগে থেকে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হয়। এটি আসলে টিকা। যেমন ছোটবেলায় বাচ্চাদের আমরা টিকা দিই, তেমন।

প্রশ্ন : বাংলাদেশে কি ভ্যাকসিন সচরাচর পাওয়া যায়?

উত্তর : জরায়ুমুখের ক্যানসারের জন্য দায়ী এইচপিভি ভাইরাসের অনেকগুলো প্রকার রয়েছে। এর মধ্যে নয়টি রয়েছে যেগুলো ক্যানসার তৈরি করবেই। এই নয়টির মধ্যে দুটির বিরুদ্ধে সারভারিক্স নামে ভাইভ্যালেন্ট ভ্যাকসিন রয়েছে। আরেকটি রয়েছে কোয়াড্রিভেলেন্ট ভ্যাকসিন। ছয়, ১১, ১৬, ১৮ এই চারটি ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর এটি।

সারভারিক্সের দাম একটু কম। এটি দুই হাজার থেকে দুই হাজার ২০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায়। আর কোয়াড্রিভেলেন্টের দাম একটু বেশি। চার হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত।

প্রশ্ন : এই ভ্যাকসিনগুলো দেওয়ার জন্য কী করতে হয়?

উত্তর : আমি ঢাকা মেডিকেল কলেজে কাজ করি। এখানকার সন্ধানীতে সারভারিক্স পাওয়া যায়। প্রতিটিরই হলো তিনটি ডোজ। একটি প্রথমে দেব। এক থেকে দুই মাস পরে আরেকটি দেব। ছয় মাস পরে আরেকটি দেব।

প্রশ্ন : ভ্যাকসিনেশনের সময়টি কেমন হবে?

উত্তর : সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হলে বিবাহিত জীবন বা যৌনজীবন শুরুর আগে। আমরা বলি, ৯ থেকে ১৩ হলো উপযুক্ত সময়।

৯ থেকে ১৩ বছর বয়সের একটি মেয়েকে যদি ভ্যাকসিন দেওয়া হয়, তাহলে তাকে দুটো ডোজ দিতে হবে। তখন একটি ডোজের দাম তার এমনিতেই কমে যাচ্ছে। তারপরও সে দিতে পারবে; বিবাহিত মেয়েরা দিতে পারবে। কারণ, ভ্যাকসিন দিলে জরায়ুমুখ ক্যানসারের আশঙ্কাও কমে আসবে।

প্রশ্ন : নির্দিষ্ট সময়ের পরও কী ভ্যাকসিন দেওয়া যাবে? না কি কোনো বাধা রয়েছে?

উত্তর : না, কোনো বাধা নেই। যেকোনো সময়েই দিতে পারে। স্ক্রিনিং পরীক্ষার জন্য আমরা একটি সময় বেঁধে দিই। মেনোপজের আগ পর্যন্ত সে স্ক্রিনিং করবে। যদি ৫০ বছর হয়ে যায়, তার আর ভ্যাকসিন দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

প্রশ্ন : আপনারা জনসচেতনতা বাড়াতে কী করছেন?

উত্তর : জানুয়ারি মাস ছিল জরায়ুমুখের ক্যানসার প্রতিরোধে একটি সচেতনতা মাস। আমরা কিন্তু ১৭ থেকে ২৪ জানুয়ারি একটি সপ্তাহ পালন করেছি জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধের জন্য। এ জন্য আমরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে একটি র‍্যালি বের করেছি। যার স্লোগান ছিল ‘আর নয় জরায়ুমুখের ক্যানসার’। এ রকমভাবে বিএসএমএমইউ থেকে, জাতীয় ক্যানসার ইনস্টিটিউট থেকে বিভিন্ন ধরনের র‍্যালি বের করে

Address

Mirpur/1
Dhaka
1216

Telephone

+8801521257026

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Life Guard Family Vaccination Center-সুরক্ষিত জীবন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share