Health Tips

Health Tips Prevention Is Better Than Cure. We Suggest Prevention To Keep Healthy Yourself. We Provide Tips To C

মাড়ি থেকে রক্ত পড়লে কী করবেন?অনেকেরই মাঝে মধ্যে দাঁতের মাড়ি থেকে রক্ত পড়ে। বিশেষ করে দাঁত ব্রাশ করার সময় খোঁচা লেগে বা শ...
31/05/2020

মাড়ি থেকে রক্ত পড়লে কী করবেন?

অনেকেরই মাঝে মধ্যে দাঁতের মাড়ি থেকে রক্ত পড়ে। বিশেষ করে দাঁত ব্রাশ করার সময় খোঁচা লেগে বা শক্ত কোনও ফল অথবা অন্য কিছু খাওয়ার সময় চাপ লেগে মাড়ি থেকে রক্ত পড়ে। এই বিষয়টিকে আমরা অনেকেই তেমন গুরুত্ব দিতে চাই না। কিন্তু দন্ত চিকিত্সকদের মতে, মাড়ি থেকে রক্ত পড়ার বিষয়টি কখনওই অবহেলা করা উচিত নয়। বিশেষ করে, মাঝে মধ্যেই যাঁদের মাড়ি থেকে রক্ত পড়ে। কয়েকটি ঘরোয়া উপায় কাজে লাগিয়ে সহজেই এই সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে। কী ভাবে?

১) মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বন্ধের জন্য উষ্ণ জলের সঙ্গে সামান্য নুন মিশিয়ে এই নুন-জল দিয়ে দিনে অন্তত ৩-৪ বার কুলকুচি করুন। এই ঘরোয়া পদ্ধতিতে খুব সহজে সাময়িক ভাবে দাঁতের ব্যাথা এবং মাড়ির রক্তক্ষরণের সমস্যায় উপকার মিলতে পারে।

২) লেবুর রসের সঙ্গে সামান্য নুন মিশিয়ে নিন। এ বার এই মিশ্রণ আঙুলের মাথায় লাগিয়ে তা দিয়ে দাঁত ও মাড়িতে মিনিট তিনেক মালিশ করুন। এর পর সামান্য উষ্ণ জলে কুলকুচি করে মুখ ধুয়ে ফেলুন। নিমেষেই দাঁতের ব্যাথা কমে যাবে বা মাড়ির রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়ে যাবে।

৩) লবঙ্গের তেলের ওষধিগুণের কথা আমরা অনেকেই জানি। লবঙ্গের তেল মাড়ির ব্যাথা কমানোর পাশাপাশি মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বন্ধ করতে সাহায্য করে। সামান্য লবঙ্গের তেল মাড়িতে লাগালে নিমেষেই উপকার পাওয়া যাবে। এ ছাড়াও একটি বা দুটি লবঙ্গ মুখে রাখলেও ভাল ফল পাওয়া যায়। লবঙ্গের তেল মাড়ির রক্তক্ষরণ বন্ধ করার সঙ্গে সঙ্গে মুখের দুর্গন্ধ কাটাতেও সাহায্য করে।

৪) মাড়ির রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে গ্রিন টি অত্যন্ত কার্যকর। গ্রিন টি ভেজানো জল দিয়ে কিছু ক্ষণ কুলকুচি করুন। এটি মাড়িকে জীবাণুমুক্ত করতে সাহায্য করে। তাছাড়া এর সাহায্যে মাড়ির রক্তক্ষরণও দ্রুত বন্ধ হয়ে যায়।

৫) সামান্য উষ্ণ জলে বেকিং সোডা মিশিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করে নিন। এ বার এই পেস্ট দিয়ে দাঁত মাজুন। বেকিং সোডা মুখের ভেতরের অ্যাসিড নিষ্ক্রিয় করে দাঁতের ক্ষয় রোধ করে। একই সঙ্গে মাড়ির একাধিক সমস্যাও নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

৬) মধুর অ্যান্টিসেপ্টিক ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান দাঁতের মাড়ি থেকে রক্ত পড়ার সমস্যা সমাধান করতে সক্ষম। দাঁত ব্রাশ করার পর আঙুলের ডগায় একটু মধু নিয়ে তা দিয়ে মাড়িতে হালকা মালিশ করতে পারলে উপকার পাওয়া যায়। তবে খেয়াল রাখবেন, মধু যেন দাঁতে না লাগে। এতে দাঁতে ক্যাভিটি বা ব্যাকটেরিয়া জনিত পচন হওয়ার আশঙঅকা থাকে।

৭) মাড়ির রক্তক্ষরণ বেশি হলে এক টুকরো তুলা বা গজ বরফ ঠাণ্ডা জলে ভিজিয়ে মাড়ির ক্ষত জায়গায় চেপে ধরলে প্রাথমিকভাবে মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বন্ধ হবে।

তবে মাড়ি থেকে বারবার অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ এবং সেই সঙ্গে অন্যান্য সমস্যা দেখা দিলে (যেমন, অস্বাভাবিক হারে ওজন হ্রাস, জ্বর বা শরীরের অন্যান্য জায়গা থেকেও রক্তক্ষরণ হলে) অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

প্রতিদিন Health Tips এর টিপস্ আপনার ফেসবুক টাইমলাইনে পেতে লাইক (y) দিন আমাদের ফ্যান পেইজে এবং শেয়ার করুন ।

#সুস্থ_থাকুন_সুস্থ_রাখুন

25/05/2020

ঈদ মুবারক।
"তাকাব্বালাল্লাহু মিনহা ওয়া মিনকুম।"
সকলকে জানাই পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর এর শুভেচ্ছা!

আল্লাহ আমাদের সকলকে সুস্থ থেকে পরিবারের সকলকে নিয়ে নিরাপদে ঈদ উদযাপন করার তৌফিক দান করুন! (আমীন)

''Mother is the heartbeat in the home & without her, there seems to be no heartthrob.”Happy Mother's day
10/05/2020

''Mother is the heartbeat in the home & without her, there seems to be no heartthrob.”

Happy Mother's day

23/04/2020

#করোনায়_আক্রান্ত_এক_ভাইয়ের_শেষ_কথাগুলো_ছিল_এমন!!!
------------------------------------------
হাসপাতালের বিছানা থেকে বলছি,
দয়া করে শুনবেন কি মানুষ?

আমি তাগড়া যুবক, বয়স-২৭, নিরোগ, তরতাজা।

ভেবেছিলাম, এই করোনাভাইরাস ঘটিত মহামারি আমার রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা ভাঙতে পারবে না।

ষোলো দিন আগে, জ্বর হলো আমার; সাধারণ ফ্লু ভেবে চুপচাপ কাটিয়ে দিলাম দিনটা।

পনেরো দিন আগে, শরীর ব্যথা; জ্বর কমে, বাড়ে; পেইনকিলার খেলাম দু'টো।

চৌদ্দ দিন আগে, জ্বর আসে, যায়; শরীর ব্যথা বাড়ে তো বাড়েই; সিজন চেইঞ্জ হচ্ছে, আমি ফ্লুতেই থাকলাম, আমি ল্পেইনকিলারেই থাকলাম।

তেরো দিন আগে, সারাদেহে ব্যথা কমলো, এলো গলা ব্যথা।

বারো দিন আগে, খুশখুশে কাশি, গলা ব্যথা বাড়ে, কমে; জ্বর ছিলো; আশঙ্কিত আমি ডায়াগনোসিসে গেলাম।

এগারো দিন আগের ভোরে, জানলাম, আমি কোভিড-১৯ পজিটিভ; স্বাদ ও ঘ্রাণ এই দুই ইন্দ্রিয় ক্ষমতা হারাতে আরম্ভ করলো।

দশ দিন আগে, দু'কানের ভিতরে তীক্ষ্ণ ব্যথা; স্বাদ নেই, গন্ধ নেই; ব্যথা গলায়, কাশি, জ্বর দেহে।

নবম দিন থেকে, বাকি সব উপসর্গের সাথে আরম্ভ হলো শ্বাসে কষ্ট।

অষ্টম, সপ্তম, ষষ্ঠ দিন গেলো; সে কী প্রাণপণ চেষ্টা আমার, একটু বাতাস নিতে বুকের ভিতরে! হায়, এ-জগতে একমুঠো হাওয়া কি নাই!

আজ থেকে ছয় দিন আগে ঘর থেকে বের করা হয়েছিলো আমাকে-

পুলিশ ছিলো দু'জন, দু'জন স্বাস্থ্যকর্মী ছিলো, ছিলো একটি অ্যাম্ব্যুলেন্স।

আমার মাকে উঠতে দেওয়া হয়নি অ্যাম্ব্যুলেন্সে, আমার বাবাকে আসতে দেওয়া হয়নি আমার সাথে, আমার ভাইকে আটকে দেওয়া হয়েছে ঘরের দুয়ারেই, আমার বোন তখন অজ্ঞান আমার শোকে।

অ্যাম্ব্যুলেন্স চলে আসছিলো তার প্রিয় সাইরেন বাজিয়ে;

ভেতরে চিৎ শোওয়া আমি, একটি শ্বাসের খোঁজে আথালি পাথালি আমি, মাথাটা একটু তুলে আমার দু'পায়ের ফাঁক গলে, অ্যাম্ব্যুলেন্সের দরোজার ছোট্ট জানলা দিয়ে দেখেছিলাম-

আমার বিদায়পথের দিকে অপলক তাকিয়ে ধুলায় শুয়ে আছেন আমার মা,

দু'হাতে মাথাটা চেপে দু'হাঁটু ধুলায় গেঁথে অবিশ্বাসে তাকিয়ে আছেন আমার বাবা,

আমার কাছে পৌঁছুবে বলে, ছুটছে... ছুটছে... ছুটছে... আমার ছোট দুই ভাই,

আমার বোন তখন ঘরের মেঝেয় অচেতন।

আমি শেষ দেখা দেখেছিলাম আজন্ম প্রিয়তম মানুষগুলোকে আমার।

আজ ছয়দিন, হাসপাতালের আইসিইউ-কক্ষের ভিতরে, শুভ্র বিছানায় শুয়ে আছি আমি;

ওষুধ নেই এই জগতে এ-ব্যাধির;

এই যে ছয়-ছয়টা দিন বেঁচে ছিলাম, রোগপ্রতিরোধী পথ্য খেয়ে, যদি মিরাকল হয়, যদি সেরে ওঠে পরাজিত দেহটা আমার!

হাজারে-হাজারে তো এভাবেই ফিরে যেতে পেরেছে মায়ের কোলে, বাবার বুকে!

আমি না-ফেরার দলে;

আজ, ডাক্তারের চোখের দিকে তাকিয়ে, বুঝতে অসুবিধে হয়নি, আমি মারা যাচ্ছি;

নার্সের চোখে আমি জল দেখেছি গতকাল, জেনেছি এই জন্মভূমি, এই পৃথিবী, আমার মায়ের বুক, আর আমার নয়।

এখন আমি মারা যাচ্ছি।

জানি, আমার লাশটাকে ছুঁতে দেওয়া হবে না আমার পরিজনদের কাউকেই,

জানি, আমার জানাজা হবে পাঁচজন পুলিশের সামনে,

জানি, আমাকে দাফন করা হবে চারজন অনাত্মীয়ের কাঁধে চড়ে;

মা নিষিদ্ধ, বাবা নিষিদ্ধ, নিষিদ্ধ আমার ভাই ও বোন, আমার কাছে, আমার লাশেরও কাছে।

আমি আইয়ান, তাগড়া যুবক ছিলাম এক, বয়স-২৭, করোনাভাইরাসের কাছে হেরে যাওয়া, কাবু।

পৃথিবীতে আজ বেঁচে থাকা প্রিয় মানুষেরা, হাসপাতালের বিছানা থেকে বলছি, দয়া করে শুনবেন প্লিজ?-

আজ থেকে সতেরো দিন আগে মায়ের নিষেধ সত্ত্বেও ঘর ছেড়ে বেরিয়েছিলাম আমি।

জানি না, আমার দেহতে বয়ে নেওয়া এ-মরণব্যাধি আমার মা, বাবা, ভাই কিংবা বোনের দেহে সংক্রমণ করে দিয়ে মরে যাচ্ছি কিনা।

মানুষ, ঘরে থাকবেন প্লিজ? এ মৃত্যু জগতের নির্মমতম মৃত্যু।

প্রতিদিন এর টিপস্ আপনার ফেসবুক টাইমলাইনে পেতে লাইক (y) দিন আমাদের ফ্যান পেইজে এবং শেয়ার করুন ।

#ঘরে_থাকুন_নিরাপদে_থাকুন
#সুস্থ_থাকুন_সুস্থ_রাখুন

12/08/2018

How to get rid of white tongue:

তলপেটের মেদ কমানোর উপায়ঃওপরের পেটের মেদ কমে গেলেও তলপেটের মেদ কমতে চায় না অনেকের। আর এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়তে হয়। তবে সঠি...
05/04/2018

তলপেটের মেদ কমানোর উপায়ঃ

ওপরের পেটের মেদ কমে গেলেও তলপেটের মেদ কমতে চায় না অনেকের। আর এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়তে হয়। তবে সঠিক খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম তলপেটের মেদ কমাতে অনেকটাই সাহায্য করে। চলুন জেনে নিই তলপেটের মেদ কমানোর কিছু উপায়-

১. প্রথমে চিৎ হয়ে শোন। দুই পা একত্রে করে ওপরের দিকে ওঠান, আবার নামান। এভাবে ১৫ বার করুন। ১৫ বারে এক সেট। এভাবে তিন সেট করুন।

২. চিৎ হয়ে শোন। দুই পা সাইকেল চালানোর মতো করে ঘুরান। এভাবে ১৫ বার করুন। এই ক্ষেত্রেও ১৫ বারে এক সেট। এভাবে তিন সেট করুন।

৩. চিৎ হয়ে শোন। এক পা ওপরের দিকে তুলুন। সেই পা নামিয়ে আবার আরেকটি পা ওপরের দিকে তুলুন। ব্যায়ামটি ১৫ বার করুন। এখানেও ১৫ বারে এক সেট। এভাবে তিন সেট করুন।

৪. চিৎ হয়ে শুয়ে দুই পা ৪৫ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে তুলে ৩০ সেকেন্ড রাখুন। এভাবে দুবার করুন।

প্রতিদিন এর টিপস্ আপনার ফেসবুক টাইমলাইনে পেতে লাইক (y) দিন আমাদের ফ্যান পেইজে এবং শেয়ার করুন ।

#সুস্থ_থাকুন_সুস্থ_রাখুন

চৈত্রেও কিভাবে প্রাণবন্ত রাখা যায় ত্বকঃচৈত্রের শুরু, বাইরে প্রখর রোদ, ঘাম এবং ধুলোবালিতে আমাদের ত্বকের অবস্থা নাজুক। কী ...
29/03/2018

চৈত্রেও কিভাবে প্রাণবন্ত রাখা যায় ত্বকঃ

চৈত্রের শুরু, বাইরে প্রখর রোদ, ঘাম এবং ধুলোবালিতে আমাদের ত্বকের অবস্থা নাজুক। কী করলে ত্বক ভালো রাখা যায়, এই চিন্তা থেকে মুক্তি পেতে, পুরো লেখাটি পড়ুন...

প্রথম শর্ত, ভালোমানের ফেসওয়াস ব্যবহার করে ত্বক পরিষ্কার রাখতে হবে।
দিনে অন্তত দুইবার ত্বক পরিষ্কার করতে হবে
সপ্তাহে অত্যন্ত দুই দিন ঘরে তৈরি প্যাক লাগাতে হবে। এতে করে ত্বকের ভেতরের ময়লা দূর হয়ে ত্বকের উজ্বলতা ফিরে আসবে।
২ চামচ ময়দা, ১ চামচ মধু এবং পাকা কলার মাক্স লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
গরমে ব্রণহীন ত্বক পেতে নিয়মিত নিমপাতা এবং চিরতার পেস্ট তৈরি করে ত্বক পরিষ্কার করতে হবে।
সুন্দর ও স্বাস্থ্যজ্জ্বোল ত্বকের জন্য বাইরে বের হওয়ার ১৫ মিনিট আগে সানস্ক্রিন ক্রিম ব্যবহার করুন
সপ্তাহে অন্তত দুই দিন চিনি, লেবুর রস এবং অলিভ অয়েল মিশিয়ে ত্বকে তিন মিনিট স্ক্র্যাব করুন।
গরমে ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফেরার পরে হাত, পা দুটোকে একটু স্বস্তি দিতে পাতিলেবুর রস দেওয়া বরফপানিতে দুটো পেপার টাওয়েল হাত-পায়ে জড়িয়ে রাখুন। দেখবেন আরামের সঙ্গে সঙ্গে পায়ের ঘামের দুর্গন্ধও দূর হবে।
গরমে সুন্দর ও সুস্থ থাকতে প্রচুর বিশুদ্ধ পানি পান করুন, বাইরে থেকে ফিরেই ফ্রিজের খুব ঠাণ্ডা পানি পান করবেন না।

আর বাইরের খোলা খাবারের পাশাপাশি রাস্তার শরবতও পান করা যাবে না।

#সুস্থ_থাকুন_সুস্থ_রাখুন

পিরিয়ডের অসহ্য যন্ত্রণা থেকে মুক্তির উপায়পেইন কিলার কিংবা হট প্যাড নয়, ডায়েট দিতে পারে আপনাকে পিরিয়ডের অসহ্য যন্ত্রণা থে...
27/03/2018

পিরিয়ডের অসহ্য যন্ত্রণা থেকে মুক্তির উপায়

পেইন কিলার কিংবা হট প্যাড নয়, ডায়েট দিতে পারে আপনাকে পিরিয়ডের অসহ্য যন্ত্রণা থেকে মুক্তি। সম্প্রতি বিশেষজ্ঞরা এমনটাই জানিয়েছেন।

জল: শুধুমাত্র পরিমাণ মতো জল খেলে অনেক বেশি সুস্থ থাকা যায়। নিস্তার মেলে পেটের ব্যাথা থেকেও। চিকিৎসকেদের মতে, এই সময়ে শরীরে জলের ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি।

ডার্ক চকলেট: এটি একটি স্বাস্থ্যকর খাবার। যা পেশীকে রিল্যাক্স থাকতে সাহায্য করে।

ক্যালসিয়াম: ক্যালসিয়াম তলপেটে ব্যাথা কমানোর জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। তবে ক্যালসিয়ামের জন্য দুগ্ধজাত কোনো পণ্য এই সময়ে না খাওয়াই ভালো। এতে ব্যথা বাড়ে। আমন্ড, তাজা শাক-সবজি খেতে পারেন।

সেলেরি: এই সবজিতে প্রচুর পরিমাণে জল এবং মিনারেল রয়েছে।

ছাতু: তলপেটে ব্যাথা কমানোর জন্য ছাতুর জুরি মেলা ভার। শুধুমাত্র ব্যাথা কমানো নয়, এটি অনিদ্রা কাটানোর পাশাপাশি মুডকেও ভালো রাখে।

আনারস: পেশী রিল্যাক্স রাখায় ব্যাথা থেকে অনেকটা মুক্তি দেয় আনারস। রস, গ্রিল বা টুকরো যে কোনো উপায়ে আনারস খাওয়া যেতে পারে।

কলা: যে কোনো রকম ব্যাথা থেকে মুক্তি দেয় কলা। তাই সারা বছর এই ফলটি ডায়েটে রাখা উত্তম।

গ্রিন টি: পিরিয়ডের কয়েক দিন কফি থেকে দূরত্ব বজায় রাখা ভালো। এ সময় গ্রিন টি খাওয়া যেতে পারে। গ্রিন টি আপনাকে তরতাজা রাখবে।

পালং শাক: পালং শাকে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম রয়েছে। স্বাদ যদি অপছন্দের হয়, তা হলে আমন্ড দুধ বা ফলের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে ব্যাথা থেকে উপশম মিলবে।

মাছ: এই সময়ের জন্য মাছ ভীষণ উপকারি। মাছের ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন (ব্যাথার জন্য দায়ী হরমোন)-এর মাত্রা ব্যাথা কমায়। তবে নোনা জলের মাছ খাওয়া ভালো।

প্রতিদিন এর টিপস্ আপনার ফেসবুক টাইমলাইনে পেতে লাইক (y) দিন আমাদের ফ্যান পেইজে এবং শেয়ার করুন ।

#সুস্থ_থাকুন_সুস্থ_রাখুন

ব্যাকপেইনের প্রতিকারে যা করণীয়ঃযারা দীর্ঘ সময় বসে কাজ করি অথবা প্রচুর জার্নি করি সবারই হতে পারে ব্যাকপেইন। ব্যাকপেইন হলে...
25/03/2018

ব্যাকপেইনের প্রতিকারে যা করণীয়ঃ

যারা দীর্ঘ সময় বসে কাজ করি অথবা প্রচুর জার্নি করি সবারই হতে পারে ব্যাকপেইন। ব্যাকপেইন হলে প্রথমেই ব্যথানাশক ওষুধ না খেয়ে, কিছু নিয়ম মেনে চুলন, কয়েকটি সহজ ব্যায়ামও করতে পারেন।

সেঁক ও বরফ : ব্যাকপেইন সারাতে গরম পানির সেঁক ও বরফ দেওয়া যেতে পারে।

ডাক্তারের পরামর্শে ব্যায়াম : ব্যাকপেইন নিরাময়ে চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যায়াম করা যেতে পারে। ব্যথা ভালো হওয়ার জন্য অনেক সময় ব্যায়াম খুব কাজে দেয়। যেমন:

পায়ের আঙুলের ওপর ভর দিয়ে দাঁড়ান। এ ভাবেই ২০ সেকেন্ড হেঁটে ১০ সেকেন্ড বিশ্রাম নিন। পাঁচ বার ব্যায়ামটা করুন।

চিৎ হয়ে শুয়ে পড়ুন। এ বার গোড়ালি শূন্যে তুলে তা ১০ সেকেন্ড ধরে ক্লকওয়াইজ ঘোরাতে থাকুন। এ বার একই সময় ধরে গোড়ালিটা অ্যান্টি-ক্লকওয়াইজ ঘোরান। এ ভাবে দিনে দু’বার এই ব্যায়াম করুন।ব্যাকপেইন

কনুইয়ের ওপর ভর দিয়ে শরীরের ওপরের অংশ (যতটুকু পারেন) আস্তে আস্তে ওপরে তুলুন। দুই-তিন মিনিট এভাবেই থাকুন।

বাইসাইকেল ও মোটরসাইকেল চালানোর কারণে ব্যাকপেইন হতে পারে। এক্ষেত্রে বাইসাইকেল চালানো কিছু দিনের জন্য বন্ধ করতে হবে।

সব সময় সোজা হয়ে বসুন। কিছুক্ষণ পরপর ডেস্ক ছেড়ে উঠুন, একটু হাঁটুন। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন।

কয়েকদিন অপেক্ষার পরও যদি ব্যথা না কমে সময় নষ্ট না করে, অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

প্রতিদিন এর টিপস্ আপনার ফেসবুক টাইমলাইনে পেতে লাইক (y) দিন আমাদের ফ্যান পেইজে এবং শেয়ার করুন ।

#সুস্থ_থাকুন_সুস্থ_রাখুন

ঘুম থেকে উঠেই এক লিটার পানি, এরপর দেখুন...অনেক অভিজ্ঞতা থেকে আপনি আগেভাগেই শিক্ষাটা পেতে পারেন। তেমনই এক শিক্ষা আজ আমরা ...
22/03/2018

ঘুম থেকে উঠেই এক লিটার পানি, এরপর দেখুন...

অনেক অভিজ্ঞতা থেকে আপনি আগেভাগেই শিক্ষাটা পেতে পারেন। তেমনই এক শিক্ষা আজ আমরা একজনের জীবনযাপন থেকে গ্রহণ করতে পারি। প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি খাওয়া সুস্বাস্থ্যের জন্যে অতি জরুরি। কিন্তু কয়জন এই নিয়ম একেবারে নিখুঁতভাবে পালন করেন? একজন লিখেছেন তার অভিজ্ঞতার কথা। প্রতিদিন সকালে তিনি এক লিটার পানি খেয়ে দিনের শুরু করেন। এর ফলে তার কী অভিজ্ঞতা হলো? আজ সেই কথাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

এখানে তার জীবনযাপনের চিত্র থেকেই বাকি ছবিটা স্পষ্ট হবে। তিনি লিখেছেন, আমি ১০টা-৬টা অফিস করি। কাজেই স্বাস্থ্য নিয়ে এত পরীক্ষা-নিরীক্ষা সময় আমার হাতে নেই। গাড়িতে যেতে যেতে সকালের নাশতা করা হয়। অর্থাৎ, স্বাস্থ্যরক্ষায় কিছু কাজ সম্পন্ন করার সময় আমার হাতে নেই। একটা পর্যায়ে একেবারেই অসচেতন হয়ে পড়লাম।

একদিন সেলুনে গেলাম। সেখানে এক বিউটি এক্সপার্ট বললেন, আমার ত্বক নাকি দারুণ শুষ্ক। বিষয়টা মাথায় রেখে আমি বাড়িতে ফিরলাম। ভালো করে ত্বক পর্যবেক্ষণ করলাম। শুষ্ক ত্বক, ক্রমশ হলুদ হতে থাকা চোখ, খেতে না চাওয়া পাকস্থলী আর কাজের ক্লান্তিতে আমার অবস্থা বেগতিক।

একদিন দেহের জন্যে পানির কার্যকারিতা নিয়ে একটা নিবন্ধ চোখে পড়ল। ভাবলাম আমিও পরীক্ষা চালাই। কেবল পানিই তো খেতে হবে। একটু বেশি খাওয়ার কথাই ভাবলাম। সকালে ঘুম থেকে উঠেই এক লিটার পানি খাব ভাবলাম। টানা এক মাস খাওয়ার পর যা ঘটল তা চিন্তাই করা যায় না। যা যা ঘটল তার একটা তালিকা দেওয়া যাক-

১. সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর আর ঝিমুনি হতো না। এই সতেজ ভাবটা গোটা দিন বিরাজ করত। ক্রমেই কফির প্রতি নেশাটা কেটে যেতে থাকল। সকালে হয়তো এক কাপ চায়েই তুষ্টি এসে যেত। ক্যাফেইনের ঝক্কি আর নিতে হলো না।

২. আরেকটি অদ্ভুত অনুভূতি হতো। নিজেকে অনেক হালকা মনে হতো। দিনে বেশ কয়েকবার মূত্র ত্যাগ করতে হতো। কিন্তু দেহটা ওজনদার বলে মনে হতো না। ফুরফুরে অনুভূতি বিরাজ করত। দেহটাকে ভারী মনে হতো না।

৩. এই সামান্য অভ্যাসে দিনের শেষে আমার অবস্থা সেই সকালের মতোই থাকত। সামান্য অভ্যাস আমার দৈনন্দিন জীবনে বড় পরিবর্তন আনল। জীবনটা যেন এক বিষাক্ত পরিবেশ থেকে বেরিয়ে এসেছে বলে মনে হতে থাকল।

উজ্জ্বলতায় স্ক্রাবিংঃত্বকের ওপর মরাকোষ জমলে ত্বক অনুজ্জ্বল দেখায়। প্রতিদিনের ফেসওয়াশে ত্বকের গভীরে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কা...
19/03/2018

উজ্জ্বলতায় স্ক্রাবিংঃ

ত্বকের ওপর মরাকোষ জমলে ত্বক অনুজ্জ্বল দেখায়। প্রতিদিনের ফেসওয়াশে ত্বকের গভীরে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার হয় না। এজন্য চাই বাড়তি যত্ন। প্রয়োজন নিয়মিত স্ক্র্যাব করা। স্ক্রাবিংয়ে মরা কোষ দূর হয়ে যায়। আর ত্বককে রাখে কোমল-সজীব।

ত্বকে স্ক্রাব করার আগে লক্ষ্য রাখতে হবে, কেমিক্যাল স্ক্রাব থেকে হারবাল স্ক্রাব ত্বকের যত্নে বেশি ভালো।

জেনে নিন দু’টি ঘরোয়া স্ক্রাব-

এক চা-চামচ চাল ও ডালের গুঁড়া, তুলসী পাতা, গোলাপ জল, অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন।

সপ্তাহে দুই দিন এই পেস্ট দিয়ে তিন মিনিট ত্বকে হালকা করে ম্যাসাজ করুন

এক চা-চামচ পাকা পেঁপে চটকে নিয়ে সঙ্গে এক টেবিল চামচ টক দই মেশান। এখন ওটমিল গুঁড়া করুন। এর পর এক চা চামচ গুঁড়া ওটমিল পেঁপের মিশ্রণের সঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগান। ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার হালকাভাবে পাঁচ মিনিট ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন (সপ্তাহে দুই দিন)।

স্ক্রাবিংয়ে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়, ব্ল্যাকহেডস দূর করে। তারুণ্য ধরে রাখে-ত্বক হয় উজ্জ্বল-মসৃণ।

প্রতিদিন এর টিপস্ আপনার ফেসবুক টাইমলাইনে পেতে লাইক (y) দিন আমাদের ফ্যান পেইজে এবং শেয়ার করুন ।

#সুস্থ_থাকুন_সুস্থ_রাখুন

নেপালে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স বিমান বিধ্বস্তের মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আমরা শোকাহত। নিহতদের সকলের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি...
13/03/2018

নেপালে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স বিমান বিধ্বস্তের মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আমরা শোকাহত। নিহতদের সকলের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি আর তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।

Address

Dhanmondi
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Health Tips posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

সুস্থ থাকুন,সুস্থ রাখুন ....

“ Health Tips ” একটি স্বাস্থ্য টিপস্ বিষয়ক পেজ, প্রতিদিন স্বাস্থ্য বিষয়ক টিপস্ আপনার ফেসবুক টাইমলাইনে পেতে লাইক (y) দিন আমাদের ফ্যান পেইজে এবং শেয়ার করুন ।