Mindful Nutrition & Yoga

Mindful Nutrition & Yoga Mindful nutrition and yoga synergize for holistic well-being, fostering balance & a healthy lifestyle

গলার ‘দরজা’ বিপদে!ছোট্ট রিয়ান খেলতে খেলতে হঠাৎ গলা ব্যথা অনুভব করল। শুরুতে সে ভাবল, “কিছুই নয়, হয়তো ঠান্ডা লেগেছে।” ক...
21/09/2025

গলার ‘দরজা’ বিপদে!

ছোট্ট রিয়ান খেলতে খেলতে হঠাৎ গলা ব্যথা অনুভব করল। শুরুতে সে ভাবল, “কিছুই নয়, হয়তো ঠান্ডা লেগেছে।” কিন্তু রাতের বেলায় কথা বলতে কষ্ট হচ্ছিল, গিলে খাবারও কঠিন লাগছিল। লালা মুখে জমছিল, শ্বাস নিতে গিয়ে স্ট্রাইডর শব্দ আসছিল।

রিয়ানের মা দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলেন। ডাক্তার বললেন, রিয়ানের Epiglottitis হয়েছে—গলার ছোট্ট ‘দরজা’ Epiglottis ফুলে শ্বাসনালী ব্লক করতে পারে। ডাক্তার ব্যাখ্যা করলেন, এ রোগ Haemophilus influenzae type B (Hib) ব্যাকটেরিয়া, অন্যান্য ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ফাঙ্গাস থেকেও হতে পারে।

হাসপাতালে ভর্তি করা হলো

শ্বাসনালী খোলা রাখা হলো

অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হলো

শ্বাসের সমস্যা বেশি হলে অক্সিজেন বা ইন্টুবেশন

ডাক্তার মা-বাবাকে পরামর্শ দিলেন, “ছোট শিশুদের Hib ভ্যাকসিন দিন, গরম বা ধারালো জিনিস থেকে দূরে রাখুন। ধূমপান ও অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন।”

রিয়ান ধীরে ধীরে সুস্থ হলো। এই ঘটনা তার পরিবারকে শিখিয়েছে, Epiglottis হলো আমাদের শ্বাসনালীর নিরাপত্তার দরজা। সংক্রমণ হলে তা হঠাৎ বিপদে ফেলতে পারে। সতর্ক থাকা অপরিহার্য।

Collected

17/07/2025

🌷Properties & Uses of Black Pepper
🌹গোলমরিচের ৩০টি জাদুকরী টিপস

🟪 টেস্ট বুস্টিং টিপসঃ--

১.গোলমরিচ সবসময় রান্নার শেষ দিকে দিন - তাহলে ঝাঁজালো স্বাদ অক্ষুণ্ণ থাকবে।
২.গোটা গোলমরিচ বেটে নিন রান্নার ঠিক আগে। পাউডার করা মরিচ ২-৩ দিনেই স্বাদ হারায়।
৩. মাংসের মেরিনেটে গোলমরিচ দিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন - মাংস অসাধারণ নরম হবে।
৪. চা বানানোর সময় এক চিমটি গোলমরিচ পাউডার দিন - ঠান্ডা-কাশিতে দারুণ কাজ করে।
৫. কাঁচা মরিচের সাথে গোলমরিচ মিশিয়ে ভর্তা বানান - স্বাদে হবে অন্যরকম।

🟪 স্টোরেজ হ্যাকসঃ--

৬.গোটা গোলমরিচ এয়ারটাইট কন্টেইনারে রাখুন - ৩ বছর পর্যন্ত ভালো থাকবে।
৭.ফ্রিজে গোলমরিচ রাখবেন না - আর্দ্রতায় নষ্ট হয়ে যাবে।
৮. চালের মধ্যে গোটা গোলমরিচ রাখুন - পোকামাকড় আসবে না।
৯.গোলমরিচ পাউডার বেশি দিন রাখতে চাইলে ফ্রিজে রাখুন ছোট কন্টেইনারে।
১০. কাঁচের পাত্রে গোলমরিচ রাখুন - প্লাস্টিকে স্বাদ নষ্ট হয়।

🟪 হেলথ বেনিফিট টিপসঃ--

১১.খালি পেটে গরম পানিতে গোলমরিচ পাউডার খেলে ওজন কমে।
১২. দাঁতের ব্যথায় গোলমরিচ পাউডার আর লবণের পেস্ট লাগান।
১৩.বদহজমে গোলমরিচ আর আদার চা খান - তৎক্ষণাত আরাম পাবেন।
১৪.গলা ব্যথায় গরম দুধে গোলমরিচ মিশিয়ে খান রাতে।
১৫. সর্দি-কাশিতে মধু আর গোলমরিচের মিশ্রণ দিনে ৩ বার খান।

🟪কুকিং হ্যাকসঃ--

১৬.ডিম ভাজার সময় গোলমরিচ ছিটিয়ে দিন - প্রোটিন শোষণ বাড়ে।
১৭. ভাতের সাথে ২-৩টা গোটা গোলমরিচ দিয়ে রান্না করুন - হজমশক্তি বাড়বে।
১৮. মাছের তেলে গোটা গোলমরিচ ফোড়ন দিন - তেলের গন্ধ নষ্ট হবে না।
১৯. সবজি রান্নার শেষে গোলমরিচ গুঁড়া ছিটান - ভিটামিন সি বাড়ে।
২০.ঝোলে গোটা গোলমরিচ দিন শুরুতে, পাউডার দিন শেষে।

🟪ইউনিক ট্রিকসঃ--

২১.গোলমরিচ আর হিং একসাথে ভেজে নিন - পেটের গ্যাস কমে।
২২. আমের আচারে গোটা গোলমরিচ দিন - বছরখানেক নষ্ট হবে না।
২৩. চিনির সাথে গোলমরিচ মিশিয়ে রাখুন - পিঁপড়া আসবে না।
২৪.গোলমরিচের তেল বানিয়ে রাখুন - যেকোনো রান্নায় ব্যবহার করুন।
২৫.লেবুর রসে গোলমরিচ মিশিয়ে সালাদ ড্রেসিং বানান।

🟪প্রিজারভেশন টিপসঃ--

২৬. আচার-চাটনিতে গোলমরিচ দিলে প্রাকৃতিক প্রিজারভেটিভ হিসেবে কাজ করে।
২৭. মসলার বয়ামে তুলসি পাতার সাথে গোটা গোলমরিচ রাখুন।
২৮.গোলমরিচ পানিতে ভিজিয়ে সেই পানি দিয়ে গাছে স্প্রে করুন - পোকা তাড়াবে।

🟪 প্রো টিপসঃ--

২৯. কালো গোলমরিচ সবচেয়ে ঝাঁঝালো, সাদা গোলমরিচ সুগন্ধি, সবুজ গোলমরিচ মাইল্ড।
৩০.গোলমরিচ কেনার সময় দেখুন - ভারী, গোল এবং সামান্য কুঁচকানো হতে হবে।

🟪গোলমরিচের তেল তৈরির পদ্ধতিঃ--

এখানে গোলমরিচের তেল বানানোর একটি সহজ পদ্ধতি দেওয়া হল:

উপকরণ:-

১/২ কাপ গোলমরিচ (গুঁড়ো করা)
১ কাপ যে কোনও ভেজিটেবল অয়েল (যেমন নারকেল তেল, জলপাই তেল ইত্যাদি)
একটি পরিষ্কার কাঁচের জার

পদ্ধতি:-
১. প্রথমে, গোলমরিচ গুঁড়ো করে নিন।
২. একটি পাত্রে তেল গরম করুন।
৩. গরম তেলে গোলমরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে দিন।
৪. মাঝারি আঁচে ৫-৭ মিনিট ভেজে নিন।
৫. তেল ঠান্ডা হতে দিন।
৬. ঠান্ডা হয়ে গেলে একটি পরিষ্কার কাঁচের জারে ঢেলে নিন।

এই তেল চুলে বা ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন।

এই তেল ব্যবহারের কিছু উপকারিতা:-

চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখে।
ত্বকের সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে।
পেশী ব্যথায় আরাম দেয়।

🟪বোনাস টিপঃ--
গোলমরিচ শুধু মসলা নয়, এটি একটি প্রাকৃতিক ওষুধ! রোজ অল্প করে খান, স্বাস্থ্য ভালো রাখুন।

07/07/2025

*ভিটামিন বি১২ সাপ্লিমেন্ট অন্যান্য ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট এর সাথে সাপ্লিমেন্ট হিসেবে গ্রহণের নিয়ম:

*ভিটামিন বি১২ এবং ভিটামিন সি:

এই দুটি ভিটামিন একসাথে গ্রহণ করা উচিত নয়, কারণ ভিটামিন সি, ভিটামিন বি১২ এর শোষণকে বাধাগ্রস্ত করে।

*ভিটামিন বি কমপ্লেক্স:

ভিটামিন বি কমপ্লেক্স সাধারণত খাবারের সাথে গ্রহণ করা ভালো, যা হজমে সাহায্য করে এবং পেটের সমস্যা কমায়।

*অন্যান্য ভিটামিন:

ভিটামিন বি১২ অন্যান্য ভিটামিন যেমন ভিটামিন বি৯ (ফোলেট) এবং বি৬ এর সাথে একত্রে কাজ করে।

* ভিটামিন বি১২ এর প্রধান কাজগুলো হলো:

-স্নায়ু কোষের স্বাস্থ্য রক্ষা:

ভিটামিন বি১২ স্নায়ু কোষের চারপাশে একটি সুরক্ষা স্তর তৈরি করে, যা স্নায়ু সংকেত পরিবহনে সাহায্য করে এবং স্নায়ুর কার্যকারিতা বজায় রাখে।

-লোহিত রক্তকণিকা তৈরি:

ভিটামিন বি১২ লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই রক্তকণিকা শরীরে অক্সিজেন পরিবহনে সহায়তা করে।

-ডিএনএ সংশ্লেষণ:

ভিটামিন বি১২ ডিএনএ তৈরিতেও সহায়তা করে, যা কোষের বৃদ্ধি এবং মেরামতের জন্য অপরিহার্য।

-মস্তিষ্কের কার্যকারিতা

ভিটামিন বি১২ মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং জ্ঞানীয় কার্যকলাপকে উন্নত করে।

-মেজাজ নিয়ন্ত্রণ:

ভিটামিন বি১২ এর পর্যাপ্ত মাত্রা মেজাজ এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সহায়ক হতে পারে।

-কোষের বিপাক:

ভিটামিন বি১২ শরীরে কোষের বিপাকক্রিয়াতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

-ভিটামিন বি১২ এর অভাবে ক্লান্তি, দুর্বলতা, স্নায়ুর সমস্যা, মানসিক সমস্যা এবং রক্তাল্পতা হতে পারে। তাই, শরীরে ভিটামিন বি১২ এর পর্যাপ্ত মাত্রা বজায় রাখা খুবই জরুরি।

*শরীরে বি-৯ এর কাজ:
ফলিক অ্যাসিডের অভাবে শরীরে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে, যেমন- রক্তাল্পতা, দুর্বলতা, স্নায়ুরোগ ইত্যাদি। তাই, প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ফলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার রাখা জরুরি।

* ভিটামিন বি৬, যা পাইরিডক্সিন নামেও পরিচিত, একটি পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে লাগে। এটি অ্যামিনো অ্যাসিড বিপাক, স্নায়ু স্বাস্থ্য, এবং লোহিত রক্ত ​​কণিকা তৈরিতে সহায়ক। এটি মস্তিষ্কের সঠিক কার্যকারিতা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ভিটামিন বি৬ এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ:

-অ্যামিনো অ্যাসিড বিপাক:

ভিটামিন বি৬, কোএনজাইম হিসেবে কাজ করে অ্যামিনো অ্যাসিডের গঠন এবং ভাঙ্গনে সাহায্য করে।

-স্নায়ু স্বাস্থ্য:

এটি নিউরোট্রান্সমিটার (যেমন সেরোটোনিন ও ডোপামিন) তৈরিতে সহায়তা করে, যা মস্তিষ্কের কার্যকারিতা এবং মেজাজ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

-লোহিত রক্ত ​​কণিকা গঠন:

ভিটামিন বি৬ লোহিত রক্ত ​​কণিকা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যা শরীরে অক্সিজেন পরিবহনে সহায়তা করে।

-রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা:

ভিটামিন বি৬ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতেও সাহায্য করে।

-শক্তি উৎপাদন:

এটি শরীরে শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে।

-অন্যান্য কাজ:

ত্বক, চুল ও নখের স্বাস্থ্য বজায় রাখতেও ভিটামিন বি৬ সহায়ক।

ভিটামিন বি৬ এর অভাব হলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে, যেমন- দুর্বলতা, ক্লান্তি, ত্বকের সমস্যা, স্নায়ুর সমস্যা, রক্তাল্পতা, মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি।

*উৎস :

সাপ্লিমেন্ট হিসেবে চাহিদা অনুযায়ী ভিটামিন বি-১২, ভিটামিন বি-৯ বা ফলিক এসিড, ভিটামিন বি-৬ বা পাইরিডক্সিন গ্রহণ ছাড়াও খাদ্য থেকে এদের গ্রহণ করা যেতে পারে।

* ভিটামিন বি১২-র উৎস:

-প্রাণিজ কলিজা, বৃক্ক, বিভিন্ন জাতের সামুদ্রিক মাছ, গরুর মাংস, ফর্টিফাইড সিরিয়াল, দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার, ডিম, পনির, ইস্ট, দই, কাঁকড়া, মুরগির মাংস ইত্যাদিতে পাওয়া যায়। কিছু উদ্ভিজ উৎস; যেমন- কাঠবাদাম, আখরোটে বি১২ পাওয়া যায়।

*ফলিক অ্যাসিড বা বি-৯ সমৃদ্ধ কিছু খাবারের তালিকা:

-সবুজ শাকসবজি: পালং শাক, ব্রকলি, বাঁধাকপি, লেটুস ইত্যাদি।

-শুকনো বিন এবং মটরশুঁটি: যেমন রাজমা, ছোলার ডাল, মসুর ডাল ইত্যাদি।

-ডিম: ডিমের কুসুমে ফলিক অ্যাসিড থাকে।

-সাইট্রাস ফল: কমলা, লেবু, আঙ্গুর ইত্যাদি।

-অন্যান্য ফল: কলা, অ্যাভোকাডো।

-দুগ্ধজাত দ্রব্য: দুধ, পনির, দই।

-শক্তিবর্ধক শস্য: রুটি, ময়দা, ভাত, সিরিয়াল ইত্যাদি।
-কলিজা: বিশেষ করে মুরগির কলিজাতে ফলিক অ্যাসিড পাওয়া যায়।

*ভিটামিন বি৬ সাধারণত বিভিন্ন ধরনের খাবারে পাওয়া যায়, যেমন:

মাংস (গরু, মুরগি, মাছ)

ডিম

দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার

শস্য ও বীজ

কিছু ফল ও সবজি

* সতর্কতা:

-যদি আপনি অন্য কোনো ঔষধ সেবন করেন,
-যদি আপনার কোনো ভিটামিন ঘাটতি বা নির্দিষ্ট স্বাস্থ্য সমস্যা থাকে,
-যদি আপনার কোনো বিশেষ স্বাস্থ্য সমস্যা থাকে,
তাহলে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের আগে অবশ্যই একজন ডাক্তারের এবং একজন ডায়েট কনসালটেন্ট এর পরামর্শ নিন।



ধন্যবাদ
ফারজানা রহমান
ডায়েট কনসালটেন্ট
কমফোর্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টার, উত্তরা-৭, ঢাকা
বি.ডি.এন, সেতারা, মিরপুর, ঢাকা
কর্ণধার, মাইন্ডফুল নিউট্রিশন & ইয়োগা
সেক্টর -৪, ঢাকা

05/06/2025

# # # #কোরবানির পর গোশতটাকে কিভাবে সংরক্ষণ করলে এর স্বাদ এবং পুষ্টি মূল্য বজায় থাকবে ?

★★কোরবানির গোশতের সঠিক পূর্বপ্রস্তুতি,স্বাদ, সুরক্ষা ও পুষ্টিগুণ বজায় রাখতে ধাপে ধাপে এই নিয়মগুলো অনুসরণ করতে হবে :

# # # **১. গোশত ধোয়া ও ট্রিমিং (কাটার পর ২ ঘণ্টার মধ্যে)**
- **রক্ত পরিষ্কার**: গোশত ঠান্ডা পানিতে ৩ বার ধুয়ে নিতে পারেন অথবা ইচ্ছে হলে লবণ বা ভিনেগার মিশিয়ে ১০ মিনিট ভিজিয়ে রাখতে পারেন।
- **চর্বি কাটা: দৃশ্যমান সাদা চর্বি ছুরি দিয়ে আলাদা করুন (কোলেস্টেরল ৩০% কমবে)।
- **আকার অনুযায়ী কাটুন:
- *বড় টুকরা: রোস্ট/কারির জন্য (≥ ৪ ইঞ্চি)
- *মাঝারি: ভুনা/স্টিউ (২-৩ ইঞ্চি)
- *ছোট টুকরা : কাবাব/কিমা (১ ইঞ্চি কিউব)

# # # **২. ম্যারিনেশন প্রস্তুতি : বিভিন্ন মসলা দিয়ে বা উপকরণ দিয়ে মেরিনেশন করা যায়

*ম্যারিনেড টাইপ
**বেসিক: আদা বাটা + রসুন বাটা + দই (১:১:২) | প্রোটিন ভেঙে নরম করে |
**টেন্ডারাইজিং: ১ চা-চামচ পেঁপে বাটা + ১ টেবিল-চামচ লেবুর রস। পেপের এনজাইম পেপেইন মাংস নরম করে |
**ফ্লেভার :জিরা গুঁড়া + ধনে গুঁড়া + গোলমরিচ (২:২:১)। স্বাদের মাত্রা বাড়ায়

**ম্যারিনেটের সময়**:
- **গরু**: ৬-১২ ঘণ্টা (ফ্রিজে)
- **খাসি**: ৪-৬ ঘণ্টা (খাসির মাংস দ্রুত নরম হয়)

# # # **৩. ফ্রিজিং টেকনিক
1. প্রি-কুলিং:
- গোশত ২ ঘণ্টা ফ্রিজের নরমাল কম্পার্টমেন্টে রাখুন (-৪°C)
2. প্যাকিং সিস্টেম:
- ১: গোশত শুকিয়ে পেপার টাওয়েলে মুড়ে নিন
- ২: এয়ারটাইট পলিব্যাগে রাখুন (বাতাস বের করে)
- ৩: অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে মুড়ে লেবেল দিন (তারিখ/টাইপ)
3. তাপমাত্রা:
- ডিপ ফ্রিজ: -১৮°C
- গরু ৮-১২ মাস, খাসি: ৬-৮ মাস পর্যন্ত সংরক্ষণযোগ্য

# #প্যাকের সাইজ: পরিবারের ১ বেলার চাহিদা অনুযায়ী : ৫০০ গ্রাম/১০০০গ্রাম প্যাক)

# # # **৪. ফ্রিজিংয়ের বিশেষ টিপস**
- আইস গ্লেজিং: গোশত ডুবো পানিতে ৩০ সেকেন্ড ডুবিয়ে -২০°C তাপে জমিয়ে নিন।
- ভ্যাকুয়াম সিল: যদি ভ্যাকুয়াম মেশিন থাকে, ব্যবহার করুন (সেলফ লাইফ ৫০% বাড়ে)
- স্ট্যাকিং নিয়ম:
★★ফ্রিজ তাক → উপরে: কিমা/কাবাব → মাঝে: ভুনার টুকরা → নিচে: রোস্ট/হাড়যুক্ত অংশ

# # # ৫. রান্নার পূর্ব মুহূর্তের প্রস্তুতি:
- ডিফ্রস্টিং: ১২ ঘণ্টা আগে ফ্রিজ থেকে কম্পার্টমেন্টে শিফট করুন।
- ফাইবার যোগ: রান্নার সময় ১০০ গ্রাম গোশতে ৫০ গ্রাম সবজি (পেঁপে/ব্রোকলি) যোগ করুন
- তেলের ব্যবহার :
- গরু: ১ চা-চামচ/১০০ গ্রাম
- খাসি: ২ চা-চামচ/১০০ গ্রাম।

# # # **সতর্কতা**:
- ক্রস-কন্টামিনেশন এড়ানো : কাঁচা গোশতের ছুরি/কাটিং বোর্ড আলাদা করুন
- হিমায়িত গোশত গলিয়ে পুনরায় ফ্রিজ করা যাবে না। (ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি)
- হাড় সংরক্ষণ: স্টক/সূপের জন্য হাড় আলাদা প্যাকে ফ্রিজ করুন

> সারমর্ম:
> ধোয়া → চর্বি ছাঁটা → ম্যারিনেট → স্টেপড প্যাকিং → ডিপ ফ্রিজ
> এই নিয়ম মেনে গোশত সংরক্ষণ করলে ৬-১২ মাস পর্যন্ত ফ্রেশনেস, জুসিনেস ও পুষ্টিগুণঅক্ষুণ্ন থাকবে!

ঈদের গোশত নিরাপদ ও সুস্বাদু করার এই প্রস্তুতিপ্রণালী মেনে চলুন, আর কোরবানির পবিত্রতা স্বাস্থ্যসম্মত উপভোগ করুন!

ধন্যবাদ
ফারজানা রফিক
কনসালটেন্ট ডায়টিশিয়ান
ফিট উইথ ব্যালেন্সড ডায়েট
০৪.০৬.২০২৫

21/05/2025

স্তন ক্যানসারের অনেকগুলো কারণ রয়েছে। তার মধ্যে একটা বড় কারণ কিছু রাসায়নিক, যার বহুল ব্যবহার দেখা যায় কসমেটিক পণ্যে।

প্যারাবেন এবং থ্যালেট— এ দুটো রাসায়নিক কসমেটিক পণ্যের খুব কমন উপাদান। ময়েশ্চারাইজার, লোশন, শ্যাম্পু, বডিওয়াশ, ফাউন্ডেশন, কনসিলার, ডিউডোরান্ট, সানস্ক্রিন এমনকি টুথপেস্টেও এ দুটোর ব্যবহার রয়েছে।

প্যারাবেন প্রিজারভেটিভ হিসেবে এবং থ্যালেট লম্বা সময় সুগন্ধ ধরে রাখার কাজ করে।

এ দুটো উপাদান ইস্ট্রোজেন হরমোন নকল করে ইস্ট্রোজেনের মতো কাজ করা শুরু করে। এতে দেহের স্বাভাবিক হরমোনের কার্যক্রম নষ্ট হয়, যা স্তন ক্যানসারের জিন এক্টিভ করে দেয়।

২০২৩ সালে 'কেমোস্ফিয়ার' জার্নালে একটি গবেষণা প্রকাশিত হয়। গবেষণায় কয়েকজন নারী অংশগ্রহণ করেন। তারা নিয়মিত প্যারাবেনযুক্ত কসমেটিক ব্যবহার করতেন। এক মাস তারা সেসব পণ্য ব্যবহার বন্ধ রাখেন। ২৮ দিনের মাথায় তাদের স্তন ক্যানসারের জিন সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে।

সতর্কতা: বাজারে প্যারাবেন ছাড়া অসংখ্য কসমেটিক পণ্য রয়েছে। সেসবে প্রিজারভেটিভ হিসেবে অন্য উপাদান ব্যবহার করা হয়। মনে রাখবেন, প্রিজারভেটিভ ছাড়া কসমেটিক পণ্য ব্যবহার ক্ষতিকর। এতে ইনফেকশনের ঝুঁকি থাকে। ব্যাখ্যা: বিজ্ঞানপ্রিয়।

সূত্র: Shanaz H Dairkee, Chemosphere (IF 8.1), May 2023.

18/04/2025
Scientific seminar on "Enteral Nutrition" held on 18th April 2025, Friday. The session was enriched with effective knowl...
18/04/2025

Scientific seminar on "Enteral Nutrition" held on 18th April 2025, Friday. The session was enriched with effective knowledge on enteral feeding and experiences bringing together experts and professionals dedicated to advancing clinical nutrition practices.
Dietitian Farzana Rahman
Comfort Diagnostic Centre, Uttara-7
Mindful Nutrition & Yoga, Uttara-4
Contact: 01817-210577

Scientific seminar on "Enteral Nutrition" held on 18th April 2025, Friday. The session was enriched with effective knowl...
18/04/2025

Scientific seminar on "Enteral Nutrition" held on 18th April 2025, Friday. The session was enriched with effective knowledge on enteral feeding and experiences bringing together experts and professionals dedicated to advancing clinical nutrition practices.
Dietitian Farzana Rahman
Comfort Diagnostic Centre, Uttara-7
Mindful Nutrition & Yoga
Sector-4, Uttara

বিশ্বব্যাপী লিভার দিবস ২০২৫ উদযাপিত হবে ১৯ এপ্রিল, এবং এবারের থিম হলো: “Food is Medicine” (খাবারই ওষুধ)। এই থিমের মাধ্যম...
18/04/2025

বিশ্বব্যাপী লিভার দিবস ২০২৫ উদযাপিত হবে ১৯ এপ্রিল, এবং এবারের থিম হলো: “Food is Medicine” (খাবারই ওষুধ)। এই থিমের মাধ্যমে পুষ্টিকর খাবারের মাধ্যমে লিভার স্বাস্থ্য রক্ষা ও উন্নতির গুরুত্ব তুলে ধরা হচ্ছে। আপনার শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে ভাল রাখার জন্য ডায়েট কনসালটেন্ট এর পরামর্শে সঠিক খাবার নির্বাচন ও গ্রহণের মাধ্যমে রোগমুক্ত ও উচ্ছল প্রাণবন্ত থাকুন।
আপনাদের সেবায় রয়েছি
*ফারজানা রহমান
কমফোর্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টার, উত্তরা-৭
Mindful Nutrition & Yoga, উত্তরা-৪
যোগাযোগ : ০১৮১৭২১০৫৭৭

*We should take care of our internal solid largest n one of the most important organ liver.
A healthy liver function is supported by a diet rich in :
fruits, vegetables, whole grains, lean proteins, and healthy fats, while minimizing processed foods and sugary snacks. Specifically, incorporating foods like fatty fish, cruciferous vegetables, and nuts can be beneficial.

1. Fruits and Vegetables:

~Berries:
Berries, especially blueberries and cranberries, are rich in antioxidants that can help protect the liver from damage.

~Cruciferous Vegetables:
Broccoli, cauliflower, kale, cabbage, and Brussels sprouts contain compounds that support liver detoxification.

~Leafy Greens:
Spinach, kale, and other leafy vegetables are good sources of antioxidants, vitamins, and minerals, and help protect the liver from oxidative stress.
~Other Fruits:
Grapefruit, known for its antioxidants, can also contribute to liver health.

2. Healthy Fats:
~Fatty Fish:
Salmon, tuna, mackerel, and other oily fish are excellent sources of omega-3 fatty acids, which can reduce inflammation and promote liver health.

~Nuts:
Nuts, like almonds and walnuts, are high in unsaturated fats, vitamin E, and antioxidants, which can protect against fatty liver disease.

~Avocados:
Avocados contain healthy fats that can help reduce liver fat accumulation.

~Olive Oil:
Olive oil is a source of healthy fats and antioxidants, potentially offering protection against nonalcoholic fatty liver disease (NAFLD).

3. Other Beneficial Foods:
~Oats:
Oats are a good source of fiber, which can help regulate digestion and reduce fat accumulation in the liver.
~Coffee and Tea:
Coffee and green tea may have protective effects on the liver, although moderation is key.
~Garlic:
Garlic may stimulate liver function and potentially help with weight management in individuals with NAFLD.
~Eggs:
Eggs are a good source of protein and choline, which can support liver metabolism and detoxification.

4. Foods to Limit or Avoid:
~Processed Foods: These often contain high levels of unhealthy fats, added sugars, and sodium, which can strain the liver.
~Sugary Drinks: Excessive sugar consumption can contribute to fatty liver disease.
~Alcohol: Excessive alcohol consumption can damage the liver.
~Red Meat: While not inherently bad, excessive red meat intake can contribute to a less balanced diet.

*In addition to diet, other factors that can support liver health include:
~Maintaining a healthy weight: Being overweight or obese can increase the risk of fatty liver disease.
~Staying hydrated: Drinking plenty of water can help flush out toxins and support liver function.
~Avoiding excessive alcohol consumption: Alcohol can be toxic to the liver, so moderation is crucial.
~Managing diabetes and other chronic diseases: These conditions can also put stress on the liver.
~ Yoga can contribute to a healthy liver through specific poses and breathwork techniques. Poses like the Bow Pose, Cobra Pose, and Boat Pose stimulate the liver, improve digestion, and enhance blood flow, while pranayama or breathwork practices can reduce stress and improve overall well-being, indirectly benefiting liver health.

13/04/2025

শুভ নববর্ষ ১৪৩২

29/03/2025

Eid Mubarak 💐
Taqabballahu minna waminkum💝

Address

House:16, Road:11, Sector:4, Uttara
Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mindful Nutrition & Yoga posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share