FH SHOP

FH SHOP বিভিন্ন ভেষজ ঔষধি গাছের চূর্ণ/পাউডার, গাঁজানো রসুন-মধু, হোম-মেড ফুড, তেল, মসলা ও ড্রাই ফ্রুটস এর নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান।

এই থার্টি ফার্স্ট নাইটে আমাদের অঙ্গীকার—🚫 আতশবাজি নয়🚫 ফানুস নয়
30/12/2025

এই থার্টি ফার্স্ট নাইটে আমাদের অঙ্গীকার—
🚫 আতশবাজি নয়
🚫 ফানুস নয়


আলকুশি (Mucuna pruriens) প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত এক শক্তিশালী ভেষজ, যা যৌন দুর্বলতা, স্নায়ু সমস্যা, মানসিক চাপ ও শারীরিক...
29/12/2025

আলকুশি (Mucuna pruriens) প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত এক শক্তিশালী ভেষজ, যা যৌন দুর্বলতা, স্নায়ু সমস্যা, মানসিক চাপ ও শারীরিক ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে। দুধ দিয়ে শোধিত এই বিশেষ চূর্ণ টেস্টোস্টেরন বাড়ায়, বীর্য গাঢ় করে এবং আগ্রহের ঘাটতি পূরণে সহায়ক।

✅ উপকারিতা ও ব্যবহার:
✔️ যৌনশক্তি বৃদ্ধিতে কার্যকর – স্পার্মের মান, পরিমাণ ও গতি বাড়ায়
✔️ টেস্টোস্টেরন ও কামউত্তেজনা বাড়ায়
✔️ দ্রুত বীর্যপাত (PE) এবং লিবিডো কমে যাওয়ার সমাধানে সহায়ক
✔️ ন্যাচারাল এল-ডোপা থাকার কারণে Parkinson’s, Alzheimer’s রোগে উপকারী
✔️ স্নায়ু দুর্বলতা, অঙ্গ ঝিনঝিন, ঝাঁকি বা অসাড়তায় কার্যকর
✔️ পেট খারাপ বা ডায়রিয়ায় সহায়ক – মধু ও দুধের সাথে খাওয়া হয়
✔️ ঘুম ভালো হয় ও মানসিক চাপ কমায়

28/12/2025
রাসূলুল্লাহ (সা.) অলসতা থেকে বাঁচার জন্য আল্লাহর কাছে আশ্রয় দোয়া করতেন। তিনি বলতেন:“হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্...
25/12/2025

রাসূলুল্লাহ (সা.) অলসতা থেকে বাঁচার জন্য আল্লাহর কাছে আশ্রয় দোয়া করতেন। তিনি বলতেন:

“হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি অক্ষমতা ও অলসতা থেকে।” (সহিহ বুখারি)

যৌবন ও সুস্বাস্থ্যের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো অলসতা। ইসলামে অলস বসে থাকার কোনো স্থান নেই; বরং ইবাদত এবং জীবিকা—উভয় ক্ষেত্রেই পরিশ্রম করতে উৎসাহিত করা হয়েছে।

১. অলসতার বৈজ্ঞানিক ও শারীরিক ক্ষতি
যখন আমরা শারীরিকভাবে নিষ্ক্রিয় থাকি বা অলস সময় কাটাই, তখন শরীরে বাসা বাঁধে নানাবিধ রোগ:

বিপাকীয় সমস্যা: অলসতা শরীরে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বাড়িয়ে দেয়, যা টাইপ-২ ডায়াবেটিসের প্রধান কারণ।

হৃদরোগের ঝুঁকি: শারীরিক পরিশ্রমের অভাবে রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) বাড়ে, যা হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

পেশি ও হাড়ের ক্ষয়: দীর্ঘক্ষণ শুয়ে-বসে থাকলে শরীরের পেশিগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে এবং হাড়ের ঘনত্ব কমে যায়।

২. মানসিক স্বাস্থ্য ও অলসতা
মনোবিজ্ঞানীদের মতে, "An idle brain is the devil's workshop" (অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা)।

ডিপ্রেশন ও উদ্বেগ: মানুষ যখন কাজহীন থাকে, তখন নেতিবাচক চিন্তা তাকে বেশি ঘিরে ধরে। অলসতা মানসিক অবসাদ এবং একাকীত্ববোধ বাড়িয়ে দেয়।

ডোপামিন ডিটক্সের অভাব: অলস ব্যক্তিরা সাধারণত ফোনের স্ক্রিনে সস্তা বিনোদন খুঁজে পায়, যা দীর্ঘমেয়াদে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়।

৩. ইসলামের দৃষ্টিতে অলসতা ও কাজ
ইসলাম অলসতাকে শুধু স্বাস্থ্যের ক্ষতি হিসেবে দেখে না, বরং একে রিজিকে বরকত কমে যাওয়ার কারণ হিসেবে গণ্য করে।

হাতের কামাই শ্রেষ্ঠ: রাসূল (সা.) বলেছেন, “কারো জন্য নিজের হাতের উপার্জিত খাদ্যের চেয়ে উত্তম খাদ্য আর নেই।”

সালাত ও সক্রিয়তা: ইসলামের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মানুষকে সময়নিষ্ঠ ও শারীরিকভাবে সক্রিয় রাখে। নামাজের প্রতিটি রুকু-সিজদাহ অলসতা কাটিয়ে শরীরকে সচল রাখার এক অনন্য ব্যায়াম।

৪. অলসতা কাটাতে ৩টি কার্যকরী পদক্ষেপ
১. সকালের বরকত গ্রহণ করুন: রাসূল (সা.) দোয়া করেছেন, “হে আল্লাহ! আপনি আমার উম্মতের সকালের কাজে বরকত দিন।” তাই দিনের শুরুটা ঘুমিয়ে নয়, বরং কাজের মাধ্যমে করুন। সকালের আলো ও বাতাস শরীরের হরমোন ভারসাম্য ঠিক রাখে।

২. শারীরিক ব্যায়াম ও সুন্নাহ: সাঁতার কাটা, তীর নিক্ষেপ, ঘোড়সওয়ারী বা দৌড়ানো—এগুলো সুন্নাহর অন্তর্ভুক্ত শরীরচর্চা। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট ঘাম ঝরানো পরিশ্রম করুন। এটি আপনার মস্তিষ্কে 'এন্ডোরফিন' হরমোন নিঃসরণ করবে যা আপনাকে হাসিখুশি রাখবে।

৩. ‘পাঁচ সেকেন্ড’ রুল অনুসরণ করুন: যখনই কোনো কাজ করতে ইচ্ছা করবে না বা অলসতা আসবে, মনে মনে ৫ থেকে ১ পর্যন্ত উল্টো গণনা করুন (৫-৪-৩-২-১) এবং সাথে সাথে উঠে কাজ শুরু করুন। এটি মস্তিষ্ককে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।

উপসংহার: অলসতা আপনার সুন্দর ভবিষ্যৎকে খেয়ে ফেলে। মনে রাখবেন, শরীর আল্লাহর আমানত এবং সময় মহান রবের দেওয়া শ্রেষ্ঠ নেয়ামত। আমানতের খেয়ানত করবেন না। সুস্থ থাকতে এবং ঈমানি শক্তিতে বলীয়ান হতে আজই অলসতাকে ‘না’ বলুন।

মনে রাখবেন— পরিশ্রমী ব্যক্তির ঘুম গভীর হয়, শরীর সুস্থ থাকে এবং তার মনে প্রশান্তি থাকে। আর অলস ব্যক্তি কেবল অভিযোগ আর অসুস্থতা নিয়ে দিন পার করে।

আজ থেকে শুরু করে, একেবারে ঠিক রামাদান পর্যন্ত, বিভিন্ন কাজের ফাঁকে ফাঁকে, মনে পড়লে, এই দু‘আটা পড়া সুন্নাত:اللهمَّ بارِكْ...
22/12/2025

আজ থেকে শুরু করে, একেবারে ঠিক রামাদান পর্যন্ত, বিভিন্ন কাজের ফাঁকে ফাঁকে, মনে পড়লে, এই দু‘আটা পড়া সুন্নাত:

اللهمَّ بارِكْ لنا في رَجَبَ وشَعْبانَ. وبَلِّغْنا رمَضَانَ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফী রজাবা ওয়া শা‘বান। ওয়া বাল্লিগনা রমাদান।

অর্থ: ইয়া আল্লাহ! আমাদেরকে রজব ও শা’বানে বরকত দান করুন। আমাদের কাছে রামাদানকে পৌঁছে দিন। .
কত ছোট্ট একটা দু‘আ। অথচ একবার পড়লেই একটা সুন্নাত আদায় করার সওয়াব।
এক দুইদিন নয়, দুই মাস এই দুর্লভ সুযোগ থাকবে।

এডভান্স বাজীকরন প্যাকেজে নিম্নের উপকরণগুলো ব্যবহৃত হয়ঃ (মোট ১২টি)★ অশ্বগন্ধা চূর্ণ ★ শিমুল মূল চূর্ণ★ শতমূল চূর্ণ ★ তেত...
19/12/2025

এডভান্স বাজীকরন প্যাকেজে নিম্নের উপকরণগুলো ব্যবহৃত হয়ঃ (মোট ১২টি)
★ অশ্বগন্ধা চূর্ণ ★ শিমুল মূল চূর্ণ
★ শতমূল চূর্ণ ★ তেতুল বীজ চূর্ণ
★ বীর্যমণি চূর্ণ ★ হরিতকী চূর্ণ
★ আমলকি চূর্ণ ★ বহেড়া চূর্ণ
★ তালমাখানা চূর্ণ ★ কাতিলা গাম চূর্ণ
★ স্টেভিয়া পাতা চূর্ণ ★ মধু

সময় এমন এক সম্পদ—* যা জমিয়ে রাখা যায় না* ধার নেওয়া যায় না* ফেরত পাওয়া যায় না* একবার চলে গেলে আর কখনো ফিরে আসে না।অথচ এই ...
18/12/2025

সময় এমন এক সম্পদ—

* যা জমিয়ে রাখা যায় না
* ধার নেওয়া যায় না
* ফেরত পাওয়া যায় না
* একবার চলে গেলে আর কখনো ফিরে আসে না।

অথচ এই অমূল্য সম্পদটিই আমরা বর্তমানে সবচেয়ে বেশি অবহেলা করছি। হাদিসে রাসূল (সা.) বলেছেন, “দুটি নেয়ামতের বিষয়ে অধিকাংশ মানুষ ধোঁকার মধ্যে আছে— ১. সুস্থতা এবং ২. অবসর সময়।” (সহিহ বুখারি)

বর্তমান যুগে আমাদের এই ‘ধোঁকা’র সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো ফেসবুক রিলস, ইউটিউব শর্টস বা টিকটক। আমরা ভাবছি মাত্র ১০–১৫ সেকেন্ডের ভিডিও দেখছি, কিন্তু বাস্তবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মূল্যবান সময় এবং চোখের জ্যুতি—দুটোই হারাচ্ছি। তাই নিজেকে প্রশ্ন করার সময় এসেছে— **আর কতো? এবার থামুন!**

রিলস কেন এত বিপজ্জনক?
বিজ্ঞানের ভাষায়, এই ছোট ভিডিওগুলো আমাদের মস্তিষ্কে ‘ডোপামিন লুপ’ তৈরি করে। প্রতিবার সোয়াইপ করার সাথে সাথে মস্তিষ্কে সামান্য আনন্দ বা ডোপামিন ক্ষরণ হয়, যা নেশার মতো কাজ করে। ফলে মস্তিষ্ক বড় কোনো কাজে মনোযোগ দিতে পারে না এবং আপনি চাইলেও ফোন রেখে উঠতে পারেন না।

রিলস আসক্তির কারণে ভবিষ্যতে যা হতে পারে
১. মস্তিষ্ক ও মনোযোগের স্থায়ী ক্ষতি (পপকর্ন ব্রেইন)
অতিরিক্ত রিলস দেখার ফলে আমাদের ‘অ্যাটেনশন স্প্যান’ বা মনোযোগের স্থায়িত্ব কমে যাচ্ছে।
বিজ্ঞান বলছে, এর ফলে ‘পপকর্ন ব্রেইন’ তৈরি হয়—অর্থাৎ মন পপকর্নের মতো লাফালাফি করে, কোথাও স্থির হতে পারে না। ফলে পড়াশোনা, ইবাদত বা গভীর চিন্তার কাজে আপনি অক্ষম হয়ে পড়বেন।

২. ঘুমের ব্যাঘাত ও হরমোনজনিত সমস্যা
রাতে শুয়ে রিলস স্ক্রল করার সময় স্ক্রিনের নীল আলো (Blue Light) চোখের রেটিনা দিয়ে মস্তিষ্কে সংকেত পাঠায় যে এখনো দিন।
এতে ঘুমের হরমোন ‘মেলাটোনিন’ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। ফলে অনিদ্রা, খিটখিটে মেজাজ এবং দীর্ঘমেয়াদে হার্টের সমস্যা ও স্থূলতা দেখা দেয়।

৩. মানসিক অশান্তি ও ডিপ্রেশন
সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যের সাজানো জীবনের চাকচিক্য দেখে নিজের অজান্তেই মনে হীনম্মন্যতা তৈরি হয়।
ইসলামে একে ‘নাশুকরি’ বা অকৃতজ্ঞতা বলা যেতে পারে। বিজ্ঞান বলছে, এই তুলনা থেকে উদ্বেগ (Anxiety) ও ডিপ্রেশন বাড়ে, যা আপনার বাস্তব জীবনের সুখ কেড়ে নেয়।

৪. সময়ের অপচয় ও পরকালের জবাবদিহিতা
হাদিসে আছে, কিয়ামতের দিন বান্দা চারটি প্রশ্নের উত্তর দেওয়া ছাড়া পা নড়াতে পারবে না—তার একটি হলো: “সে তার যৌবন ও সময় কোন কাজে ব্যয় করেছে?”
যে সময়টা আপনি জ্ঞান অর্জন, শরীরচর্চা বা পরিবারের সাথে কাটাতে পারতেন, তা রিলসের অর্থহীন বিনোদনে নষ্ট করা ভবিষ্যতে আফসোসের কারণ হবে।

এই আসক্তি থেকে বাঁচতে আজই যা করণীয়
১. ডিজিটাল ফাস্টিং বা বিরতি
খাওয়ার অনিয়ম যেমন শরীরের ক্ষতি করে, ডিজিটাল কনটেন্টের অনিয়ম স্বাস্থ্য ও মন দুটোরই ক্ষতি করে। প্রতিদিন নির্দিষ্ট কিছু সময় (যেমন: ঘুমানোর ১ ঘণ্টা আগে এবং সকালে ওঠার ১ ঘণ্টা পর) ফোন থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকার অভ্যাস করুন।

২. স্ক্রল না করে সৃষ্টিশীল কিছু করুন
যখনই রিলস দেখতে ইচ্ছা করবে, তখন নিজেকে প্রশ্ন করুন— “এটি কি আমার দুনিয়া বা আখিরাতের কোনো উপকারে আসছে?” উত্তরে ‘না’ এলে ফোন রেখে বই পড়ুন, শরীরচর্চা করুন অথবা ইবাদতে মনোনিবেশ করুন।

৩. অ্যাপ টাইমার ব্যবহার
ফোনের সেটিংসে গিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপগুলোর জন্য সময়সীমা (যেমন: দিনে ৩০ মিনিট) নির্ধারণ করে দিন। এটি আপনাকে মনে করিয়ে দেবে যে, আপনি আপনার মহামূল্যবান হায়াত নষ্ট করছেন।

৪. শরীরের হক আদায় করা
রাসূল (সা.) বলেছেন, “নিশ্চয়ই তোমার ওপর তোমার শরীরের হক রয়েছে।” একনাগাড়ে স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা চোখের ওপর জুলুম। নিয়মিত চোখের বিশ্রাম নিন এবং কায়িক পরিশ্রমে যুক্ত হোন।

মনে রাখবেন—
সময় হলো বরফের মতো, আপনি ব্যবহার করুন বা না করুন—তা গলে শেষ হয়ে যাবেই। আজকে সস্তা বিনোদনে সময় নষ্ট না করে নিজেকে গড়তে মনোযোগ দিলে, আগামীকাল আপনি থাকবেন অন্যদের চেয়ে এগিয়ে—সুস্থ, সফল এবং মানসিকভাবে প্রশান্ত।

তাই এখনই সময় সচেতন হওয়ার। নিজের জীবনের নিয়ন্ত্রণ ফিরে নিন। এবার থামুন!

Address

Godaun Moor (Hospital Road), Islampur, Dhamrai
Dhaka
1350

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8801771503214

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when FH SHOP posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to FH SHOP:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

FH SHOP শুরু করা নিয়ে আমার কিছু কথা

আগের দিনে, আমাদের একটু কাঁসি হলেই মা, দাদীরা তুলসী পাতার রস খাওয়াতো, বাসক পাতার রস খাওয়াতো । চুলকানিতে নিম পাতার রস খাওয়াতো ও বেটে শরীরে লাগিয়ে দিতো । এই ট্রেডিশন এখন আর নাই । এসবের স্থান এখন আধুনিক চিকিৎসা দখল করে নিয়েছে । মানুষের সামান্য সর্দি হাঁচি হলেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে চলে যাচ্ছে , সামান্য কারনে এন্টিবায়োটিকের অপব্যবহার হচ্ছে, প্রচুর ওষুধ খাওয়ার কারনে যে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হচ্ছে তা তারা নগদে টের পাচ্ছেনা ।

তবে বর্তমানে মানুষ সচেতন হচ্ছে, ক্যামিকেল যুক্ত ওষুধের সাইড ইফেক্ট সম্পর্কে জানছে। তারা এখন আবার ন্যাচারাল চিকিৎসা গ্রহন করতে চাচ্ছে ।

হাজার বছরের পুরাতন ভেষজ চিকিৎসার প্রতি মানুষের আগ্রহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে মূলত ক্ষতিকর ঔষধ থেকে দূরে থেকে প্রকৃতির সাথে একাত্ম হয়ে প্রাকৃতিক চিকিৎসা গ্রহনের ইচ্ছা থেকে ।