21/04/2023
সাধারণ ধারণা অনুযায়ী
যে রোগ ভালো হবার কথা না।
মৃত্যু অথবা অঙ্গকেটে ফেলে
পঙ্গুত্ব বরণ করে বাকি জীবন কাটাতে হয়,
সেই ক্ষেত্রে ও
হোমিওপ্যাথি অব্যর্থ শৈল্পিক আরোগ্যের দৃষ্টান্ত রাখে !!
শিল্প চর্চার ক্ষেত্রেও
ছবি আঁকার পরে আমার বিশ্বাস হত না , ছবিটি আমার আঁকা ।
চিকিৎসার ক্ষেত্রেও
চিকিৎসার পরে আমার বিশ্বাস হয় না, এই সুস্থতা আমার হাতে হয়েছে ।
রোগীটির
গত আট নয় মাসের এই পরিবর্তন আমার নিজের কাছেই অবিশ্বাস্য লাগে।
মানুষ বোঝেনা,
মানুষের সকল ধরনের অসুস্থতা প্রাকৃতিকভাবে দীর্ঘদিন ধরে ফর্ম করে বা শরীরে বাসা বাঁধে।
প্রাথমিক স্তরে গুরুত্বহীনতার ফলেই
রোগ কঠিন স্তরে পৌঁছে ।
আর সেই জায়গা থেকে
প্রাকৃতিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে
বিনা কাটা ছেঁড়ায়, বিনা কষ্টে , সুন্দর ভাবে
সারিয়ে নিয়ে আসতেও একটু সময় বেশি লাগবে ।
মানুষ সেই সময় টুকু দিতে রাজী থাকে না।
চিকিৎসা শুরু করার সাথে সাথেই
আমাকে মানসিকভাবে অস্থির করে তোলে,
আর কতদিন লাগবে?
আদৌ ভালো হবে কিনা?
তারা অন্য কোনো চিকিৎসায় যাবে কিনা?
এই সকল ক্ষেত্রে,
রোগ সারানোর চেয়ে, রোগীর আত্মীয় স্বজনদের কাউন্সিলিং এ আমার বেশি শ্রম দিতে হয় ।
কেউ বোঝে, কেউ বোঝে না।
যারা বোঝে না বা ধৈর্য্য রাখতে পারে না, সর্বোচ্চ চেষ্টার পর তাদের আর ধরে রাখার প্রয়োজন দেখিনা।
কিন্তু যারা
ধৈর্য্য নিয়ে আমার চিকিৎসা নিয়ে থাকে,
তারা বুঝতে পারে, তারা কতটা ভাগ্যবান।
নিচের ছবিতে
পায়ের গোড়ালী পযর্ন্ত গ্যাংগ্রীনে আক্রান্ত
এক রোগীর পা । বিগত আট নয় মাসে তার সুস্থতার অগ্রগতি। চিকিৎসা চলমান ।
আমার চিকিৎসার ধারা অনুযায়ী,
রোগীর শারীরিক উন্নতির সাথেসাথে আত্মিক উন্নতি, যেমন -
জীবনের চারটি প্রাকৃতিক সুখ
১.খাওয়া,
২. ঘুম,
৩. পায়খানা,
৪. শান্তিপূর্ণ মেজাজ
বজায় থাকে । যা অন্য কোনো প্যাথিতে বা চিকিৎসায় একেবারেই অসম্ভব এবং অচিন্তনীয় বিষয় ।
এছাড়া ,
শারীরিক রোগ
যার রোগ যত গভীর
তার তত বেশি সময় লাগে
সম্পূর্ণরূপে সেরে যেতে ।
সু
ম
না
🙏