Pen swing .

Pen swing . Bangladesh need lots of change to make in politic policies.
-Alhamdulillah,let’s discuss some 🇧🇩¿ Free

19/01/2026

১-সমস্যা-ভোট জালিয়াতি "?
সমাধান
#ওপেনভোট ছাড়া বাংলাদেশ এর মতো দেশে সচ্ছ নির্বাচন সম্ভব নাহ । ভোটের ওপেন রেকর্ড চূড়ান্ত সমস্যার সমাধান হতে পারে ।

২-সমস্যা -মব সন্ত্রাস ও রাজনৈতিক আন্দোলনের সাজানো প্রহসন ।
#সকল গণ মিছিলে কারও অংশগ্রহণ করতে হলে মিছিল আয়োজক দল ও প্রশাসন এর কাছে নাগরিকত্ত সনদ প্রমাণ জমা দিয়ে যাওয়া জরুরি ।
এতে সকল আন্দোলনে সকলের নাগরিক ও প্রশাসনিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যেতে পারে ।

৩-সমস্যা প্রচলিত রাজনীতি সঅংস্কার ।

#অনেক অপব্যবস্থা তার ওপর দৃঢ় নেতৃত্ব দেওয়ার মতো শক্ত হাত বা নেতা ও নাই,বিএনপি জামাত একই মতাদর্শের ।৫২’৭১’২৪ আমাদের শেখাতে পড়েনি ।
প্রচলিত সব দলেই একই অবস্থা । জনমত গণভোটে আওয়ামীলীগ এর রাজনৈতিক পুনর্বাসন সম্ভব তবে পরিপূর্ণ বিচার ধারা শুদ্ধি হয়ে । শেখ হাসিনা সরকার বিষয়ে তৃণমূল ও বলে হাই কোর্ট এর রায় সর্বোচ্চ মেয়াদান্তিক সাজা হতে পারতো “””মৃত্যদণ্ড নিঃসন্দেহে প্রহসনের ।সকল দুর্নীতি ও প্রহসনের বিচার হয়েই আওয়ামীলীগ মুল ধারার রাজনীতিতে ফিরুক ।ইনশাল্লাহ বিশালাকার তৃণমূল বলিষ্ঠ সংহতি জুড়ে ফিরিয়ে আনবে রাজনীতির সহাবস্থান এর সোনালি দিন ।এই সময় নির্বাচন মোটেও দেশকে কল্যাণমুখী করতে পারবে নাহ।আওয়ামী ৩০-৫৫ শতাংশ সমর্থক ও জনগোষ্ঠী কে বাহিরে রেখে সাজানো নির্বাচন দেশের গণতন্ত্র ও সার্বিক অপব্যবস্থা কি ঠিক করতে পারবে ?

নেতৃত্ব নেতা তৈরি করে,সময় প্রয়োজনের তাগিদে শুধরে নেবে গড়ে তুলবে নেতৃত্বর বিস্বস্থ শক্ত হাত ।

বিদায় আপোষহীন মহাত্না॥আল্লাহ যেমন দুনিয়ার মানুষের নেতা করে রেখেছেন ঠিক তেমনই আল্লাহ তায়ালার রহমতে আপনার অনন্ত যাত্রার ...
30/12/2025

বিদায় আপোষহীন মহাত্না॥
আল্লাহ যেমন দুনিয়ার মানুষের নেতা করে রেখেছেন ঠিক তেমনই আল্লাহ তায়ালার রহমতে আপনার অনন্ত যাত্রার পথ সুগম হোক॥
বাংলাদেশ শোকাহত🫥

27/12/2025

ভারত পরমাণু শক্তি পরীক্ষা এসময়ে দিয়ে বীরের জাতিকে কি ভয় দেখাবে? খালি হাতেই পাকিস্তান তারিয়ে আজ নতুন দাসত্বের শৃঙ্খল ভেঙে দিচ্ছে জাগ্রত বাংলাদেশ ॥

মুজিবীয় গর্জনে বাংলাদেশ জুরে যে সাফল্য সহাবস্থান ও সম্প্রীতি অর্জন হয়েছে তা নষ্টের পাঁয়তারা আজো আমাদের নেতৃত্বে চলছে॥রাজাকার সার্বভৌমত্বে নেতৃত্বের পথে,দেশের কর্তাব্যক্তিরা এখন মূষ্ঠিবদ্ধ প্রলয়ংকারী প্রহসনে॥

যাই হোক - এ দেশে জন্মে আমি গর্বিত~আমি বাংলাদেশী। আমি পুরস্কৃত আমি মুসলমান।

অন্ধকার কোথায় নেই আলোর অসচেতনতাই তো অন্ধকার!

কোনো দেশ,সংস্কৃতি ছোটো নয় ছোটো তো সে সকল স্বার্থান্বেষী মানুষরূপি সুবিধাভোগীরা যারা জাত ধর্ম বর্নের ফ্যাসাদ করিয়ে ক্ষমতা,লাভ ও নেত্রৃত্বের বলয় তৈরিতে ব্যাস্ত।
বিশ্বমানের অহিস্নু নেতা মহাত্না গান্ধী মরোনওর এ শিক্ষা দিয়ে গেছেন তবুও গোরামীর কুসংস্কারগ্রস্ত ভারতীয়রা অন্যায় পথ বেছে নিচ্ছে । সমগ্র ভারতবর্ষকে দুইটি রাজ্যে বিভক্তিকরন ১০৪৭ এ হয়। পার্টিসান মুসলমান বা জিন্নার পরিকল্পনা ছিলো না ১৯৪০ এর পূর্বে ১৯৩৭ এই এ দাবিতে ভারতীয় নেতাগোষ্ঠী আন্দোলনে জরিয়েছিলো। অধিকার আদায়ের জন্যই মূলত মুসলিমগন ভিন্ন রাষ্ট্র ব্যাবস্থাপনায় আগ্রহী হয়েছিলো তৎকালে। ঠিক এখন যেমন 7সিস্টার্স দলিত॥

বলাবাহূল্য ভারতে আদিক্ষেতা আজো ভ্রাতৃত্ববোধ তৈরিতে প্রধান অন্তরায় । দিল্লির সহিষ্ণুতা মনে করিয়ে দেয় নির্মমতা ও অধিকার হননের পরম্পরা গনতন্তের সর্ববৃহৎ দেশকে হিন্দুত্ববাদে প্রতিমুহূর্ত কলুষিতই করে।ভ্রাতৃত্বের আদিম তত্ব ও ইনসাফের সহায়তায় সহাবস্থান ইসলামের শরিয়্যার অঙ্গ। পবিএতম গ্রন্থের কুরআন ও ইসলামেই বলা আছে স্ব স্ব জীবনব্যাবস্থায় মনোনিবেশের কথা। বিচক্ষনতাই মানুষকে আকৃষ্ট করবে ইসলামে।
সমগ্র বিশ্বে যখন জাত ধর্ম বর্নের জরতা কাটিয়ে উঠবে পৃথিবী তখনই মানুষের বসবাসের যোগ্য হবে ।ভারত সহ অসামন্জস্য সকল ভূখন্ডের সমাজব্যাবস্থাপকের উচিৎ বাংলাদেশের অতীত থেকে এ যুগের ভ্রাত্বৃত্ববোধের সমাজব্যাবস্থা ও সংস্কৃতিক মেলবন্ধন শেখা।

আমি গর্বিত আমি বাংলাদেশী। আমি পুরস্কৃত আমি মুসলমান। জ্বয় বাংলা- বাংলাদেশ আমার গর্ব॥

22/11/2025

#বাংলাদেশেস্বাধীনতা

13/11/2025

ইতিহাস দেখ,নক্ষএ গুণ।
আমরাই সব কৃতিত্বে প্রবীণ ॥
আমরাই বাজ্ঞালী আমরাই জনগণ,
আমরা উওরণ,
উন্নয়ন নিয়ে রুখবো ভাঙ্গন॥

শ্লোগানে শ্লোগানে,
আওয়ামী আওয়াম জনে জনে জনসাধারণে॥

আমার দেশ তোমার দেশ,
অন্যেরা পেট্রোল ককটেল মারছে বেশ॥
ঐক‍্য হবে,ভুল ভাঙবে,
মহাজনী ছক অংকুরে হাড়াবে॥

কে আছো আজ খুলবে জট?
বন্ধুর নিতী হোক গনভোট।
আওয়ামী আওয়াম পরিক্ষিত তৃণমূলের।
ফিড়বে শতবার কল‍্যান ভরে॥

১৩’র লকডাউন স্পষ্টভাবেই সফল। গনমত গঠনের জন্য আমাদের এই কর্মসূচি ছিলো॥ লক ডাউন-সর্বস্তরের প্রান্তিক মানুষের মাঝে মানবিক আওয়ামিলীগ এর প্রতি মৌন সমর্থন উঠে এসেছে॥ একটা নাশকতামূলক ঘটনার সাথে নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততা নাই। দলীয় নেতারা অন্তর্ধানে থেকেও তৃনমুলে সফল॥
অতীতে যারা অগ্নিসংযোগ করেছে তাদের কর্মকাণ্ডের অংশ এই উদ্বেগের ককটেল॥
বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের ইতিহাস বলে এ দল কখনো রাজনৈতিক মতাদর্শে বিলুপ্ত হয়নি এবং তৃণমূলের জনসমর্থন সর্বদাই ছিল॥ আমাদের দল ফিরে আসুক গনমানুষের মনোনীত সরকার হয়ে ব্যালটে ও জনগণের ভোটাধিকারের গণভোটে॥অপেক্ষায় থাকুন সুদিনের॥

জয় বাংলা জয় বজ্ঞবন্ধু॥

11/11/2025

আজকের দিনের নৃশংস ককটেল অতীতে জ্বালাময়ী পেট্রোল বোমা ছিলো॥
জনগনের জন্য দূর্ভোগ প্রচলিত সকল রাজনৈতিক দলের প্রতীকী ছায়া প্রতিবাদের,প্রহসনের, গণতান্ত্রিক আন্দোলনেরও খেসারত দিতে হয় জনগনকে॥

সমস্যা - বাংলাদেশের সবাই নেতা হয়েও কেও প্রকৃত গার্ডিয়ান নাই॥
বাংলাদেশের জনগণ তাদের কোনও অধিকার আদায় করতে পারে না।

সমাধান - গনভোট,সকল ইস্যুতে।বিশেষত বাংলাদেশের জনগণের গন মতামত আওয়ামিলীগ ও সম্ভাব্য রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে॥
বিশৃঙ্খলতা এরাতে বাংলাদেশে সকল রাজনৈতিক চর্চা স্থগিতের প্রয়োজন ও সামরিক শাসন জারি সময়ের উওম করনীয়॥

বাংলাদেশ জুড়ে যে অভূতপূর্ব অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে জান মালের আতংক ছড়ানোর আগেই সেনাবাহিনীর প্রতি আহব্বান রাষ্ট্রযন্ত বিকল...
10/11/2025

বাংলাদেশ জুড়ে যে অভূতপূর্ব অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে জান মালের আতংক ছড়ানোর আগেই সেনাবাহিনীর প্রতি আহব্বান রাষ্ট্রযন্ত বিকল এমতাবস্থায় রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নিরাপত্তার ব্যবস্থার জন‍্য সাময়িক বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক চর্চা ও কর্মসূচি স্থগিত ঘোষণা করেন॥

সে সাথে সংস্কারের কাজ শুরু করেন কেননা বর্তমান অবধি পরিস্থিতি বিবেচনা অনুযায়ী বিশেষ ব্যবস্থা না নিলে বাংলাদেশ বারংবার স্বার্থান্বেষী প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলোর ভোগের আশ্রয়স্থল হয়ে উঠবে ॥

সকল সাধারণ মানুষ কেবল সুজলা সুফলা ভ্রাতৃপ্রতিম সহজাত নিশ্চিন্ত ভূখণ্ডের অধিকার নিয়ে বাংলাদেশে বসবাস করতে চায় ॥

09/11/2025

আওয়ামিলীগ নেত্রীত্বে ভুল সংশয় কাটানোর জন্য তৎকালীন দায়িত্ব পালন করতে থাকা নেতাদের সভায় পরিবর্তন আনা যেতে পারে।

#গনগ্রেফতার প্রকৃতপক্ষে এড়াতেই হবে।আওয়ামী জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক প্রথায় ফেরা আবর্শ‍্যক।নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সমর্থক জনগোষ্ঠী না থাকলে সর্বসাকুল্যে ৩০% -৪০% ভোটারের উপস্থিতি পাওয়া যেতে পারে সুএ বলে নাহয় ধরা যাক ৭০%ই আসলো কেন্দ্রে;; ৩০% বাকিদের অবমূল্যায়ন করলে কি রাজ্যের পূর্ণ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে?

আওয়ামী লীগ সমর্থিত অন্যায়কারী নেতাদের বিচার হোক- (ব্যাবহার যোগ্য আইনে অনুকল্প বিধিতে ও মানবিক বিবেচনায়)আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের প্রকৃত সংশোধনীর মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থার সম্মুখীনহয়ে একমাত্র শেখ হাসিনা সরকারের পূন্রজাগরন সম্ভব ॥

সাকিব,শেখ হাসিনা ওনারা কি আদৌ আপনার মনে হয় রাস্তায় দাঁড়িয়ে কাওকে খুন করতে পারে ??????-একাধিক ক্যেইস আছে এই সারাংশে যে ওনারা দ্বায়ী যা অমানবিক ॥

গুমের যে আয়নাঘর তা শৈল্পিক এক ভীতিকর প্রহসন- এত নাম শোনেন একটা যদি থাকতো আমি আপনি এত মিডিয়া কারো না কারো চোখে পরতো॥ডিজিআইএফের রিমান্ড রুম অন্যান্য প্রশাসনিক রিমান্ড রুমের মতোই ॥

এখন প্রশ্ন ১৩ তারিখে কি>>>?
সেই আয়নার-খুনেরই বিচার করতে চাচ্ছে সরকার আর তথাকথিত স্বার্থান্বেষী স্বার্থপর স্বাধীনতা বিরোধী গোষ্ঠী ॥

আর তাই তৃনমূল আওয়ামীলীগের চল ঢাকা চল -কর্মসূচি ।

কর্মসূচি প্রকৃতপক্ষে সফল হতো যদি হাজারো নেতাকর্মী অন্যায়কারী নেতারা আত্মসমর্পণ করতো এবং সংশোধিত হতো এবং জননেত্রী হাসিনা কে দেশে ফিরিয়ে আনার মতো সুরক্ষিত পরিবেশ সৃষ্টি করতো ॥

পরামর্শ ~
প্রয়োজনে গন ভোট হোক দেশের বৃহত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ও বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সরকার গঠনের সময়কালীন অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পূর্ণাঙ্গ পরিবর্তিত নীতিমালা বিষয়ে এবং সার্বভৌমত্ব বিরোধী ভারতীয় আতাত ও পাকিস্থানি মৌলবাদীতা সহ দেশীয় ও বিদেশী আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পারস্পরিক স্বার্থের বিষয়েও সজাগ অবস্থান গ্রহণ করতে হবে আমাদের দেশের॥জনগনের মৌলিক অধিকারের প্রতি দায়বদ্ধতা ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে পরিবর্তন গুলোই হবে সংস্কার ।

১৩ তারিখে পাল্টাপাল্টি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে কোনোভাবেই কোনোরকম নাশকতার মনোভাব যেনো তৃনমূল ও প্রশাসনের না থাকে সেদিকে নজর রাখা দরকার উগ্রতা সর্বোপরি রাজনৈতিক সকল দলেই দেখা যাচ্ছে 🖇️
সেনাবাহিনীর পক্ষে সহাবস্থান ফেরানো চেষ্টার বিকল্প নেই।

গনভোট এতটাই সোজা ॥
জনমতের ভিত্তিতে বিশেষত বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে,সুসংহত হবে,উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হবে এশিয়ার আন্চলিক সর্বজনীন সম্বৃদ্ধ ,কুটনৈতিক ও সামরিক বন্ধু শক্তি হিসেবে ॥

সক্রেটিস, সেই মহান দার্শনিক, যিনি তার প্রজ্ঞা, ধৈর্য এবং গভীর চিন্তনের জন্য সুপরিচিত ছিলেন — এমন একজন স্ত্রীর সঙ্গে বসবা...
21/09/2025

সক্রেটিস, সেই মহান দার্শনিক, যিনি তার প্রজ্ঞা, ধৈর্য এবং গভীর চিন্তনের জন্য সুপরিচিত ছিলেন — এমন একজন স্ত্রীর সঙ্গে বসবাস করতেন, যিনি প্রতিনিয়ত তার সহনশীলতার পরীক্ষা নিতেন। তার স্ত্রী বিখ্যাত ছিলেন তীক্ষ্ণ ভাষা, প্রভাবশালী উপস্থিতি এবং অদম্য রাগের জন্য।

প্রতিদিন সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গেই তিনি সক্রেটিসকে ঘর থেকে বের করে দিতেন, আর সক্রেটিস ফিরতেন সূর্য অস্ত যাওয়ার ঠিক আগে।

তবুও, এই কঠিন স্বভাবের স্ত্রীর প্রতি সক্রেটিস সবসময় সম্মান প্রদর্শন করতেন, এমনকি কৃতজ্ঞও ছিলেন। তিনি একবার বলেছিলেন, "আমার প্রজ্ঞার অনেকখানি আমার স্ত্রীর কাছ থেকে পাওয়া। কারণ, এই প্রতিদিনের পরীক্ষাগুলো ছাড়া আমি কখনো শিখতে পারতাম না যে, প্রকৃত জ্ঞান নীরবতায় বাস করে, আর শান্তি মেলে স্থিরতায়।”

একদিন, তিনি যখন তার ছাত্রদের সঙ্গে আলোচনা করছিলেন, তখন তার স্ত্রী রাগে চিৎকার করতে করতে এসে তার মাথায় পানি ঢেলে দিলেন। সক্রেটিস শান্তভাবে মুখ মুছতে মুছতে বললেন, "আহা, বজ্রপাতের পর বৃষ্টি তো স্বাভাবিক!"

তার জীবনের দাম্পত্য অধ্যায়ের সমাপ্তি আসে আরেকটি উত্তাল মুহূর্তে, যখন তিনি যথারীতি শান্ত ও নিশ্চুপ ছিলেন, আর তার স্ত্রী রাগে অস্থির হয়ে ওঠেন। অতিরিক্ত উত্তেজনার কারণে সেই রাতেই তার স্ত্রীর হৃদরোগে মৃত্যু ঘটে। সক্রেটিস তখনও স্থির — যেন কোনো বিশাল পাহাড়।

ইতিহাসে তার স্ত্রীর নাম বিলুপ্ত হয়ে গেছে। কিন্তু সক্রেটিসের নীরব সহনশীলতা আজ কিংবদন্তিতে পরিণত হয়েছে।

এটি কেবল একটি দাম্পত্য দ্বন্দ্বের গল্প নয় — এটি এক স্মরণিকা: শক্তি সবসময় শব্দে নয়, অনেক সময় নীরবতায় প্রকাশ পায়। আর জীবনের কঠিনতম মুহূর্তগুলোতেই আসে সবচেয়ে বড় শিক্ষা।

📜 ঢাকার সাভারের ইতিহাস, পরিচয় ও নামকরণ ||🏙️ সাভারের পরিচয়সাভার হলো ঢাকা জেলার একটি উপজেলা। এটি রাজধানীর উপকণ্ঠে অবস্থিত...
11/09/2025

📜 ঢাকার সাভারের ইতিহাস, পরিচয় ও নামকরণ ||

🏙️ সাভারের পরিচয়

সাভার হলো ঢাকা জেলার একটি উপজেলা। এটি রাজধানীর উপকণ্ঠে অবস্থিত এবং ঢাকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও প্রশাসনিক কেন্দ্রগুলোর একটি।
আর এখানেই লুকিয়ে আছে রাজা হরিশচন্দ্রের
১৪০০ বছরের ইতিহাস ||

অবস্থান: ঢাকা থেকে প্রায় ২৪ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে।

আয়তন: প্রায় ২৮০ বর্গকিলোমিটার।

জনসংখ্যা: সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী প্রায় ১৭ লাখ+ মানুষ বসবাস করে।

প্রশাসনিক বিভাজন: সাভারে ১২টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা রয়েছে।

---

🏛️ প্রশাসনিক ইতিহাস

সাভার ১৯৮৩ সালে উপজেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

এটি ঢাকা জেলার আওতাধীন একটি উপজেলা।

বর্তমানে সাভারে রয়েছে ২ টি সংসদীয় আসন:
ঢাকা-২ ও ঢাকা-১৯ (জাতীয় সংসদীয় আসন)।

---

🏞️ সাভারের নামকরণের ইতিহাস:-----

সাভারের নামকরণ নিয়ে বিভিন্ন মত প্রচলিত আছে:

1️⃣ শবর জাতি থেকে

প্রাচীন অস্ট্রিক জনগোষ্ঠী শবর/শবররা এখানে বসতি স্থাপন করেছিল।

তাদের নাম থেকেই “শবর → সাবর → সাভার” নামটি এসেছে বলে মনে করা হয়।

2️⃣ সৌভর/সৌভার থেকে

সংস্কৃত শব্দ “সৌভর” মানে হলো ধন-সম্পদশালী বা সমৃদ্ধ জনপদ।

উর্বর ভূমি আর বাণিজ্যের কারণে এ অঞ্চলকে সৌভর বলা হতো।

3️⃣ সাহোর নাম থেকে

অনেক প্রবীণ মানুষ একে “সাহোর” নামে চিনতেন।

মুখে মুখে প্রচলিত নাম পরিবর্তিত হয়ে পরে “সাভার” হয়েছে।

4️⃣ সাবাহর (স্বয়ম্ভর নগরী) থেকে

অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন, সাভারের নাম এসেছে “সাবাহর” থেকে, যার অর্থ স্বয়ম্ভর বা আত্মনির্ভরশীল নগরী।

কৃষি, নদীবন্দর ও বাণিজ্যে সমৃদ্ধ হওয়ায় এই ব্যাখ্যা মানানসই।

👉 সারকথা: সাভারের নামের সঙ্গে জাতি, লোককথা, ভাষাগত পরিবর্তন ও প্রাচীন সমৃদ্ধি—সবকিছুই জড়িত।

---

🏰 অতীতে সাভার

মোগল আমল: সাভার ছিল নদীবন্দর, কৃষি ও বাণিজ্যে সমৃদ্ধ।

ব্রিটিশ আমল: জমিদারি প্রথার জন্য খ্যাতি লাভ করে; এখানে গড়ে ওঠে একাধিক জমিদার বাড়ি।

পাকিস্তান আমল: সাভারে সেনানিবাস স্থাপিত হয়; শিল্পকারখানার ভিত্তি গড়ে ওঠে।

---

🏛️ জমিদার বাড়ি

সাভারে কয়েকটি প্রাচীন জমিদার বাড়ি ছিল। যেমন:

রাজা হরিশচন্দ্রের প্রাসাদ

বিরুলিয়া জমিদার বাড়ি

আশুলিয়া জমিদার বাড়ি

বিরুলিয়া দত্ত পরিবারের বাড়ি

অলিয়ারপুর জমিদার বাড়ি

এসব জমিদার বাড়ির মালিকরা মূলত হিন্দু জমিদার পরিবার ছিলেন, যারা ব্রিটিশ আমলে ভূমি কর আদায় ও শাসন কার্য চালাতেন।

-----------------------

বিরুলিয়া জমিদার বাড়ির বিস্তারিত:---

প্রাচীন স্থাপত্য
এই বাড়িটি মূলত ব্রিটিশ শাসন আমলে (২০ শ শতাব্দীতে) নির্মিত—এটি হলো মনোজ্ঞ উপনিবেশবিজ্ঞানী স্থাপত্যশৈলীর অনন্য নিদর্শন।

এর প্রথম documented মালিক ছিলেন জমিদার নলিনী মোহন সাহা।

পরবর্তীতে এটি রজনীকান্ত ঘোষ নামে একজন ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রয় হয়—মূল্য ছিল ৮৯৬০ টাকা ৪ আনা।

১৯৬৪ সালে ধর্মীয় দা-ঙ্গার সময় রজনীকান্ত ঘোষের ঢাকায় থাকা অন্যান্য সম্পত্তি লুঠ হয়। অবশেষে এই জমিদার বাড়ি অবশিষ্ট থাকে এবং এইরকম একটি ঐতিহাসিক স্মারক হিসেবেই রয়ে যায়।

---

স্থাপত্য ও ঐতিহাসিক বৈশিষ্ট্য

বিস্তৃত স্থাপত্য সংরক্ষণ
এই জায়গায় প্রায় ১১টি সংরক্ষিত বিলাসবহুল নির্মাণ রয়েছে, যার মধ্যে প্রধান ভবন ছাড়াও মন্দির, বিচারঘর, পেয়াদা ঘর (চতুর্মুখের), ঘোড়াশাল, সাজঘর, বিশ্রামাগার এবং অন্যান্য সহায়ক স্থান রয়েছে।

দুর্গাপূজা ও বৈশাখী মেলা
জমিদারের আঙিনায় প্রতি বছর দু’পূজা (দুর্গাপূজা) ও মেলা বসানো হত। স্থানীয় মানুষের ঐতিহ্যিক আনন্দমণ্ডলীর সাক্ষী ছিল এই জমিদার বাড়ির উঠান।

---

ভৌগোলিক অবস্থান ও পরিবেশ

তুরাগ নদী তীরে অবস্থিত
বিরুলিয়া গ্রামটি সাভার উপজেলার আশুলিয়া থানার অধীন, যেখানে তুরাগ, ঢলেশ্বরী ও বঙ্গশী নদীর প্রভাবে পর্যটন ও বাণিজ্যিক গুরুত্ব ছিল।

বটগাছের চারিদিকে হৃদয়গ্রাহী পরিবেশ
বাড়ির আশেপাশে এখনো একটি শতবর্ষী বটবৃক্ষ দাঁড়িয়ে আছে, যা স্থানীয়দের কাছে বিশেষ মর্যাদা রাখে।

---

বর্তমান অবস্থা

ধ্বং-সের মুখে
বাড়ির জানালা, দরজা ও অবকাঠামো আগের মতো আর নেই—সম্পূর্ণরূপে নজরদারির অভাবে কিছু অংশ ভেঙে পড়ছে। তবে সামনের কিছু নির্মাণ এখনও টিকে আছে। ভবনের ভেতরে ছোট মন্দির এবং আঁতুড়ঘরের মত অভ্যন্তরীণ বৈশিষ্ট্য এখনো আছে।

বাসযোগ্যতা ও জনসাধারণের কলকাকলী
কিছু অংশে এখনো জমিদারের বংশধররা বসবাস করছেন। যদিও সরকারি কোনো প্রত্নতাত্ত্বিক সংরক্ষণ নেই, তবুও স্থানীয় মানুষের স্মৃতি আর স্থানীয় শব্দচালনায় “বিরুলিয়া জমিদার বাড়ি” নামে চর্চিত।

---

সারসংক্ষেপে

বিষয় তথ্য

নির্মাণকাল ব্রিটিশ উপনিবেশ আমলে, ২০ শ শতাব্দী
প্রথম মালিক জমিদার নলিনী মোহন সাহা
পরবর্তী মালিক রজনীকান্ত ঘোষ (৮৯৬০ টাকা ৪ আনা দিয়ে কেনা)
নির্মাণ সংখ্যা প্রায় ১১টি ভবন (মন্দির, বিচারঘর, পেয়াদাঘর ইত্যাদি)
ঐতিহাসিক অনুষ্ঠান বৈশাখী ও দুর্গা মেলা
অবস্থান তুরাগ তীরে বিরুলিয়া গ্রাম, সাভার উপজেলা
বর্তমান অবস্থা অপর্যাপ্ত সংরক্ষণ, কিছু অংশ ধ্বংসপ্রায়, আংশিক বসবাস চলছে
প্রতীকী উপাদান অবশিষ্ট শতবর্ষী বটবৃক্ষ

=============================

রাজা হরিশচন্দ্রের প্রাসাদের ইতিহাস :---

📜✨ সাভারের রাজা হরিশচন্দ্রের প্রাসাদ: হারানো ঐতিহ্যের গল্প ✨📜

ঢাকার কাছেই সাভার—শুধু শিল্পনগরী নয়, একসময় এ ছিল রাজকীয় ঐতিহ্যের কেন্দ্র। এখানে অবস্থিত রাজা হরিশচন্দ্রের প্রাসাদ, যা স্থানীয়দের কাছে “হরিশচন্দ্রের ঢিবি” নামেও পরিচিত।

👑 রাজা হরিশচন্দ্র ও তাঁর প্রাসাদ

লোককথা বলে, রাজা হরিশচন্দ্র ছিলেন অত্যন্ত ন্যায়পরায়ণ ও সত্যনিষ্ঠ শাসক। খ্রিষ্টীয় ৭ম–৮ম শতকে তাঁর শাসনামলে সাভারে নির্মিত হয় এই রাজপ্রাসাদ। বলা হয়, চারপাশে ছিল ঘন বন, নদী আর মনোমুগ্ধকর বাগান। এখানেই জনগণের সঙ্গে মিলিত হয়ে তিনি সমাধান করতেন তাদের দুঃখ-কষ্ট।

🏛️ প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধান

⏳ সময়ের আবর্তে প্রাসাদ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হলেও, বহু মূল্যবান নিদর্শন এখনো মাটির নিচে লুকিয়ে আছে।

প্রথম প্রত্নতাত্ত্বিক খনন হয় ১৯১৮ সালে, ড. নলিনীকান্ত ভট্টশালীর নেতৃত্বে।

পরে ১৯৯০–৯১ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় পুনরায় খনন করে আবিষ্কার করে ভগ্নপ্রায় বিহার, স্তূপ, বৌদ্ধ মূর্তি, গুপ্ত বংশের মুদ্রা ও ব্রোঞ্জভাস্কর্য।

🏛️ সরকারি স্বীকৃতি ও সংরক্ষণ

২২ নভেম্বর ১৯২০ সালে ব্রিটিশ সরকার এটিকে সংরক্ষিত প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা ঘোষণা করে।

১৯২৫–২৬ সালে সরকার জমি অধিগ্রহণ করে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের হাতে হস্তান্তর করে।
বর্তমানে এটি গ্রিল-ঘেরা অবস্থায় প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে রয়েছে।

🏚️ ধ্বংস ও বর্তমান অবস্থা

প্রাসাদের অনেক অংশ সময়ের সাথে ভেঙে গেছে, আবার অনিয়ম, দখল আর অবহেলার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবুও অবশিষ্ট ঢিবি আর প্রত্ননিদর্শন আজও সাক্ষ্য দেয় যে, একসময় এই সাভারেই ছিল এক রাজকীয় প্রাসাদের মহিমা।

🌿 ঐতিহ্যের গুরুত্ব

রাজা হরিশচন্দ্রের প্রাসাদ শুধু ইট-পাথরের ধ্বংসাবশেষ নয়, বরং আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অমূল্য সম্পদ। ভগ্নাবশেষে দাঁড়ালে মনে হয়—সময় ভেদ করে এখনো শোনা যায় সত্যনিষ্ঠ সেই রাজাধিরাজের গল্প।

---

🔖 আপনি কি কখনো সাভারের রাজা হরিশচন্দ্রের প্রাসাদ দেখেছেন? আপনার জানা কোনো তথ্য বা অভিজ্ঞতা থাকলে শেয়ার করুন।

---

🏙️ বর্তমান সাভার

আজকের সাভার একটি আধুনিক শিল্পনগরী।

এখানে রয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধ, মুক্তিযুদ্ধের শ্রেষ্ঠ প্রতীক।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

গার্মেন্টস ও শিল্পকারখানার কারণে সাভার আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত।

সেনানিবাস, প্রশাসনিক কেন্দ্র এবং শিল্প এলাকা সাভারকে একটি কৌশলগত স্থানে পরিণত করেছে।

---

🚉 যাতায়াত ও সংযোগ

সাভার থেকে মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করে:

ঢাকা মহানগরী (কর্মসংস্থান ও শিক্ষা)

মানিকগঞ্জ

গাজীপুর

নারায়ণগঞ্জ

টাঙ্গাইল

এছাড়া দেশের উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অনেক জেলার প্রবেশদ্বার হিসেবেও সাভার গুরুত্বপূর্ণ।

---

✨ সারসংক্ষেপ:
সাভার হলো একদিকে প্রাচীন ঐতিহ্যের ধারক, অন্যদিকে আধুনিক শিল্প ও শিক্ষার কেন্দ্র। নামের ভেতরে যেমন আছে লোককথা, ইতিহাস আর সংস্কৃতি—তেমনি এর ভৌগোলিক অবস্থান বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রাণকেন্দ্র।

❓ প্রশ্ন – ১
আপনার কি মনে হয়, সাভারের রাজা হরিশচন্দ্রের প্রাসাদ যদি পুরোপুরি সংরক্ষণ করা যেতো, তাহলে এটি বাংলাদেশের অন্যতম বড় পর্যটনকেন্দ্র হতে পারত? 🤔

❓ প্রশ্ন – ২
আপনি কি কখনো সাভারের কোনো জমিদারবাড়ি বা রাজা হরিশচন্দ্রের প্রাসাদের ভগ্নাবশেষ ঘুরে দেখেছেন? আপনার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল? ✨

#সাভার #রাজা_হরিশচন্দ্র #ঢাকার_ঐতিহ্য #বাংলার_ইতিহাস
#সাভার #রাজা_হরিশচন্দ্র #ঢাকার_ঐতিহ্য #বাংলার_ইতিহাস #জমিদারবাড়ি #ঐতিহাসিক_সাভার #বাংলার_ঐতিহ্য #ঢাকার_ইতিহাস #মুক্তিযুদ্ধেরস্মৃতি #জাহাঙ্গীরনগর_বিশ্ববিদ্যালয় #বাংলার_ঐতিহাসিক_স্থান

প্রাচীন বাংলার নদীতে দেখা মিলতো বৈচিত্র্যময় নৌকা। এদের মধ্যে অন্যতম পাতাম, নায়রী, রফতানি, বাচারি, সাম্পান, কোন্দা, পদি, ...
09/09/2025

প্রাচীন বাংলার নদীতে দেখা মিলতো বৈচিত্র্যময় নৌকা। এদের মধ্যে অন্যতম পাতাম, নায়রী, রফতানি, বাচারি, সাম্পান, কোন্দা, পদি, ডিঙ্গি, গয়না, ঘাসি, ইলশা, সওদাগরি, কোষা, পানসি

#নদী #নৌকা #সাম্পান #পানসি

30/08/2025

Subject: Collaboration opportunity for National public service development initiatives

Dear Dr. Younus Nobleman,

I hope this message finds you in good health and high spirits.

My name is Azad Rahman Adnin, and I am currently working on several strategic initiatives aimed at addressing key challenges and advancing the well-being of our nation locally. Your scholarly insight and professional experience stand out as critical assets for the success of such work.Unforgettable USA deeds on Garment tax tariff.Beside all other functions your contribution must impact on basic human needs function circumstances. Your governing body needs more public participants on decision making .It should be strict for further permanent development of people’s Food,Accommodation,safety and neo-policies implications. There are several issues to resolve partially or permanently.

I would be honored to engage as rural to you on potential areas of collaboration, particularly in the realm of research and policy development. I believe your involvement could significantly shape the direction and impact of these initiatives for forthcoming Bangladesh Governance.

Would you be open to a conversation regarding this? I would be happy to provide more details and align with your availability for a meeting.

Thank you for your time and consideration. I look forward to the possibility of working together toward meaningful change in Bangladeshi eco-political policy.

Warm regards,
[Azad Rahman Adnin]
MBA,WMGDS-Governance and politics.
[Entrepreneur, proprietor-Alif Enterprise]

[azadrahmanadnin@gmail.com] | [01973509865]

Address

Hazi Road, Mirpur
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pen swing . posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Pen swing .:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram