Foods & Vitamins

Foods & Vitamins MedicalNewsToday
Healthiest fruits: List, nutrition, and benefits মেডিকেল নিউজটুডে
স্বাস্থ্যকর ফল: তালিকা, পুষ্টি এবং উপকারিতা

সে আসলো, আমার উপর বসলো, আমাকে জড়িয়ে ধরলো, পরে কামর, চুমু দিল। তারপর নিজের প্রয়োজন মিটিয়ে চলে গেল। খারাপ চিন্তা ভাবনা বাদ দিয়ে ভালো চিন্তা ভাবনা কর। ঐটা একটা মশা ছিল।

বন্ধুরা আমার সেলফিটা কেমন হয়েছে।
12/10/2018

বন্ধুরা আমার সেলফিটা কেমন হয়েছে।

 #বাধাকপি মূলত বাংলাদেশের একটি শীতকালীন সবজি, যা পাতাকপি নামে বেশি প্রচলিত। এদেশে সবুজ বর্ণের বাধাকপি হয়ে থাকে, তবে অন্য...
11/10/2018

#বাধাকপি

মূলত বাংলাদেশের একটি শীতকালীন সবজি, যা পাতাকপি নামে বেশি প্রচলিত। এদেশে সবুজ বর্ণের বাধাকপি হয়ে থাকে, তবে অন্যান্য দেশে লাল বর্ণেরও বাধাকপি পাওয়া যায়। বাংলাদেশেও বর্তমানে লাল বর্ণের বাধাকপি এখন সুলভ।



পুষ্টিগুনঃ

* বাধাকপিতে রয়েছে lupeol, diindolylmethane এবং sinigrin নামক ক্যান্সার প্রতিরোধী উপাদান। তাই বাধাকপি সেবন ক্যান্সার সৃষ্টিকারী টিউমার বৃদ্ধি রোধ করে।

* বাধাকপি বুক জ্বালা-পোড়া, পেট ফাঁপা ইত্যাদি সমস্যা দূর করে।

* কিডনি সমস্যা প্রতিরোধে ও এ সমস্যায় আক্রান্তদের জন্য বাধাকপি আরেকটি অপরিহার্য সবজি। যারা কিডনির সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে ডায়ালাইসিস করিয়ে থাকেন, চিকিৎসকরা তাদের কাঁচা বাধাকপি সুন্দর করে কেটে কাঁচা খাওয়ার পরামর্শ দেন।

* বাধাকপিতে প্রচুর পরিমান ভিটামিন C রয়েছে যা দেহে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

* বাধাকপির রস খেলে ঘা/ফোঁড়া সেরে যায়৷

* বাধাকপির পাতা কাচা যদি আপনি রোজ 50 গ্রাম করে খেতে পারেন তাহলে আপনার পায়রিয়া এবং দাঁতের অন্য কোন সমস্যা থাকবে না৷

* বাধাকপিতে আছে উচ্চ আঁশ জাতীয় উপাদান যা হজম প্রক্রিয়াকে সহজ করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

* আলসার বা পেপটিক আলসার রোগীদের জন্য বাধাকপি উত্তম দাওয়াই। বাধাকপির রস নিয়মিত পান করা গেলে তা পেপটিক আলসার রোগীদের উপশম দান করে।

* বাধাকপি বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ একটি সবজি যা চোখের সুরক্ষায় অত্যন্ত কার্যকরী।

* বহুস্তরবিশিষ্ট এ সবজিটি ফাইটোকেমিক্যালসের অন্যতম উৎস, যা শরীর ও ত্বকের কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। উজ্জ্বল এবং সুন্দর ত্বকের জন্য বাধাকপি বরাবরই অপ্রতিদ্বন্দ্বী একটি সবজি।

* বাধাকপিতে প্রচুর পরিমান ভিটামিন আছে যা চুল পরা সমস্যা রোধ করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।

* বাধাকপির সুপ শুধুমাত্র আপনার শরীরের ওজনই কমায় না, শরীরের পূর্বের আকার ফিরে পেতে সাহায্য করে । বাধাকপি শরীরে পর্যাপ্ত পরিমানে গ্লুটাথায়ন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহ করে যা আপনার লিভারকে কর্মক্ষম রাখাতে সাহায্য করে ।

* এক গ্লাস দই এর ঘোলের মধ্যে এক কাপ বাধাকপির রস, এক চতুর্থাংশ পালং শাকের রস মিশিয়ে প্রতিদিন দু বার পান করলে খুব অল্প দিনের মধ্যে আপনার কোলাইটিস সংক্রান্ত সমস্যা দূর হয়ে যাবে৷

 #পালং_শাকএমারান্থাসি পরিবারভুক্ত এক প্রকার সপুষ্পক উদ্ভিদ। এটি জনপ্রিয় শাক ও সবজি। এর আদিবাস মধ্য ও দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয...
22/09/2018

#পালং_শাক

এমারান্থাসি পরিবারভুক্ত এক প্রকার সপুষ্পক উদ্ভিদ। এটি জনপ্রিয় শাক ও সবজি। এর আদিবাস মধ্য ও দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া। এটি একবর্ষজীবি উদ্ভিদ, তবে দ্বিবর্ষজীবি পালং গাছ হতে পারে যদিও বিরল। পালং গাছ ৩০ সেমি পর্যন্ত লম্বা হয়। বাংলাদেশে শীতকালে এর চাষ হয়। এর পাতা একান্তর, সরল, ডিম্বাকার বা ত্রিভূজাকার। এই পাতার আকার ২-৩০ সেমি লম্বা ও ১-১৫ সেমি চওড়া হতে পারে। গাছের গোড়ার দিকের পাতাগুলো বড় বড় এবং উপরের দিকের পাতাগুলো ছোট হয়। এর ফুল হলদেটে সাদা, ৩-৪ মিমি ব্যাসবিশিষ্ট হয়। এর ফল ছোট, শক্ত, দানাকৃতির ও গুচ্ছাকার। ফলের আকার আড়াআড়ি ৫-১০ মিমি; এতে বেশ কয়েকটি বীজ থাকে।

পালং শাকের বর্ণনার প্রাচীনতম নিদর্শন পাওয়া গেছে চীনে। সেখানে বলা হয়েছে, এই শাক নেপাল থেকে চীনে এসেছে (সম্ভবতঃ ৬৪৭ খৃঃ)

বয়সের ছাপ লুকানোর জন্য আমরা কতকিছুই না করি। মুখে দামি ক্রিম মাখা থেকে শুরু করে শাক-সবজির ন্যাচারাল ট্রিটমেন্টও নিচ্ছে অনেকে। অথচ শীতের সবজি পালং শাকেই আছে এন্টি-অক্সিডেন্ট। আর এন্টি-অক্সিডেন্টের কাজই হলো কোষের ক্ষয়রোধ করে শরীরকে তারুণ্যদীপ্ত এবং সুস্থ-সবল রাখা। অর্থাৎ বার্ধক্যকে জয় করতে পালং শাকের রয়েছে অনন্য ভূমিকা।

এছাড়া সহজলভ্য এ শাকটির রয়েছে অনেক খাদ্যগুণ। ভিটামিন 'ডি' ছাড়া বাকি সব ভিটামিনই এতে রয়েছে। বিশেষ করে বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন 'ই' এবং ভিটামিন 'সি'র উৎস পালং শাক। প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, আয়রনসহ বেশকিছু প্রয়োজনীয় মিনারেল রয়েছে এতে।

পালং শাকের এন্টি-অক্সিডেন্ট মস্তিষ্কেও কোষগুলোকেও সতেজ এবং কর্মক্ষম রাখে। তাই মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও এর জুড়ি নেই। তাছাড়া পালং শাকের রয়েছে বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা। সব মিলিয়ে পালং শাক শীতের এক অসাধারণ সবজি!

#পালং শাক

পালংকে বলা হয় শাকের রাজা। রাজাই বটে! কেননা এই শাকের রয়েছে বহু গুণাগুণ। সারা পৃথিবীতেই অত্যন্ত সুপরিচিত পালং শাক। বর্ষার শেষে পালং শাকের চাষ করা হয় এবং শীতকালে শাক হিসেবে সংগ্রহ করা হয়।

পালং শাক অত্যন্ত পুষ্টিমানসমৃদ্ধ শাক। প্রতি ১০০ গ্রাম পালং শাকে আছে ২৩ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি, কার্বোহাইট্রেড ৩.৬ গ্রাম, আঁশ ৪.২ গ্রাম, চিনি ০.৪ গ্রাম, প্রোটিন ২.২ গ্রাম, ভিটামিন ‘এ’ ৪৬৯ মাইক্রোগ্রাম-৯৪০০১৪ ইউনিট, বিটাকেরোটিন, ৫৬২৬ মাইক্রোগ্রাম লিউটিন, জাঞ্ছিন ১২.১৯ মি. গ্রাম, ফোলেট (বি৯) ১৯৬ মাইক্রোগ্রাম, ভিটামিন সি ২৮ মি. গ্রাম, ভিটামিন কে ৪৬৩ মাইক্রোগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৯৯ মি. গ্রাম, আয়রন ২.৭ মি. গ্রাম।

নতুন এক গবেষণায় পালং শাকের এ গুণের কথা উঠে এসেছে। পালং শাক মাত্রাতিরিক্ত খাদ্যস্পৃহা এবং ক্ষুধাবোধ কমাতে সাহায্য করে। আর এর মধ্য দিয়ে ওজন কমাতে সহায়তা করে পালং শাক।
পালং শাকে রয়েছে থাইলোকোয়েড নামের একটি উপাদান। মানব দেহে খাবার গ্রহণের পর যে পরিতৃপ্তির সৃষ্টি হয় তা দেখা দেয় বিশেষ হরমোনের কারণে। থাইলোকোয়েড এমন হরমোনের নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয়।
এ ছাড়া, চর্বি হজমের প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করে। দুইয়ে মিলে খাদ্যস্পৃহা এবং ক্ষুধাবোধ উভয়ই কমে। এ সংক্রান্ত গবেষণা নিবন্ধ জার্নাল অব দ্যা আমেরিকান কলেজ অব নিউট্রিশনে প্রকাশিত হয়েছে।
আমেরিকার লুজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের পেনিনংটন বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টার এ গবেষণা চালিয়েছে। এ কাজে জড়িত অন্যতম গবেষক ফ্রাংক এল গ্রিনওয়ে বলেন, খাদ্যস্পৃহা এবং ক্ষুধাবোধ কমাতে সাহায্য করে থাইলোকোয়েড। তাই উচ্চরক্ত চাপ এবং অতিরিক্ত ওজনের সমস্যায় যারা ভুগছেন তাদের ক্ষেত্রে সহায়তা করতে পারে থাইলোকোয়েড।

এখানে অবশ্য একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ্য করা প্রয়োজন আর তা হলো, চিকিৎসক যদি কোনো কারণ আপনাকে পালং শাক খেতে নিষেধ করে থাকেন তা হলে এটি পড়ে তা খেতে যাবেন না। আসলে গবেষণা সংক্রান্ত এ সব খবর কখনোই চিকিৎসকের পরামর্শের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে না। তাই খাদ্য বা চিকিৎসা গবেষণা সংক্রান্ত কোনো খবর পড়েই তা পালন করতে মেতে উঠবেন না। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অবশ্যই গ্রহণ করবেন। না হলে মারাত্মক বিপদ দেখা দিতে পারে।

এবার এক নজরে জেনে নিন পালং শাকের গুণাগুণগুলো:
– পালং শাকে প্রচুর ফাভোনয়েড নামক এন্টি অক্সিডেন্ট থাকায় তা শরীরের অক্সিডেশন প্রক্রিয়া দূর করতে সাহায্য করে।
– পালং শাকে ১৩ প্রকার ফাভোনয়েডস আছে যা ক্যান্সার প্রতিরোধে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটা প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধে খুবই কার্যকর।
– পালং শাকে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ এবং বিটা কেরোটিন থাকায় তা কোলেনের কোষগুলোকে রক্ষা করে।
– বাতের ব্যথা, অস্টিওপোরোসিস, মাইগ্রেশন, মাথাব্যথা দূর করতে প্রদাহনাশক হিসেবে পালং শাক কাজ করে।
– পালং শাক স্মৃতিশক্তি এবং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে খুবই কার্যকর।
– পালং শাকে প্রচুর আয়রন ও ভিটামিন ‘সি’ থাকায় রক্তস্বল্পতা দূর করতে খুবই কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
– পালং শাকে প্রচুর ভিটামিন ও মিনারেলস থাকায় এটি মাসিকজনিত সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে।
– পালং শাকে বিভিন্ন প্রকার ক্ষারীয় উপাদান থাকায় এটা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
– পালং শাক দাঁত ও হাড়ের ক্ষয়রোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

---কম্পিউটার বাজার, চট্টগ্রাম

#পালং শাক
যেমন খেতে ভালো, তেমনি কাজেও দারুণ। পালং শাক খাওয়ার রয়েছে অনেক উপকারিতা। তাই খাদ্য তালিকায় অবশ্যই রাখুন পালং শাক। তাই চলুন জেনে নেই পালং শাকের কিছু অসাধারণ গুণগুলোর সম্পর্কে-

*** পালং শাকে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ এবং বিটা কেরোটিন থাকায় তা কোলনের কোষগুলোকে রক্ষা করে।

*** পালং শাকে ১৩ প্রকার ফাভোনয়েডস আছে যা ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটা প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধে খুবই কার্যকর। পোস্টটি ভালো লাগলে অবশ্যই সেয়ার করে আপনার প্রফাইলে রাখুন।

*** পালং শাক দাঁত ও হাড়ের ক্ষয়রোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য পালং শাক খুব উপকারী।

*** বাতের ব্যথা, অস্টিওপোরোসিস, মাইগ্রেশন, মাথাব্যথা দূর করতে প্রদাহনাশক হিসেবে পালং শাক কাজ করে।

*** পালং শাক স্মৃতিশক্তি এবং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে খুবই কার্যকর।

*** পালং শাকে প্রচুর আয়রন ও ভিটামিন ‘সি’ থাকায় রক্তস্বল্পতা দূর করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

*** পালং শাক পেট পরিষ্কার রাখতে অপরিহার্য। তাছাড়া রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে, দৃষ্টিশক্তিও বাড়ায়। পোস্টটি ভালো লাগলে অবশ্যই সেয়ার করে আপনার প্রফাইলে রাখুন।

*** কিডনিতে পাথর থাকলে, তা গুড়ো করতে সাহায্য করে। দেহ ঠাণ্ডা ও স্নিগ্ধ রাখে পালং শাক।

*** অনেকের মেদবৃদ্ধি ও দুর্বলতায় হাঁফ ধরে, তারা পালং পাতার রস খেলে উপকার পাবেন। পালং শাক কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

*** পালং শাকে প্রচুর ভিটামিন ও মিনারেলস থাকায় এটি মাসিকজনিত সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে।

#রূপচর্চা এবং স্বাস্থ্যরক্ষায় পালং শাক

শাক সবজি বলতেই পুষ্টিগুণে ভরপুর সেটা আমরা সবাই জানি। পালং শাকও এর ব্যতিক্রম নয়। ক্যারোটিন, এমিনো এসিড, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন এ, সি, কে, এবং বি কমপ্লেক্স, কী নেই এতে? বিভিন্ন পুষ্টি গুণে ভরপুর এই শাকটি যেমন আমাদের শরীরের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে শরীর ফিট রাখতে সাহায্য করে তেমনি রূপচর্চায়ও এর জুড়ি নেই। বাজারের ক্ষতিকর কেমিকেলের প্রোডাক্ট ব্যবহারের চাইতে প্রাকৃতিক জিনিস ব্যবহারের কোন বিকল্প নেই আর তা যদি হয় প্রয়োজনীয় সব ভিটামিনে সমৃদ্ধ এমন একটি সবজি তাহলে তো কথাই নেই। তাই আমাদের স্বাস্থ্যরক্ষা এবং রূপচর্চায় পালং শাকের কিছু উপকারিতা সম্পর্কে আজ আপনাদের জানাবো।

ত্বক ও চুলের যত্নে পালং শাক:

- ব্রণের সমস্যা দূর করে স্বাস্থ্যজ্জ্বল ত্বক পেতে পালং শাক কার্যকরী ভুমিকা পালন করে। সেক্ষেত্রে পালং শাক দিয়ে ফেইস মাস্ক তৈরি করে ব্যবহার করতে পারেন। পরিমাণ মতো পালং শাক এবং পানি নিয়ে ব্লেন্ডারে ভালো মতো ব্লেন্ড করে নিন যেন মিশ্রণটি পেস্টের মতো হয়। এটি মুখে সমান ভাবে লাগিয়ে ২০ মিনিট রাখুন। এরপর মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই ফেইস মাস্কটি ত্বকের রোমকুপে জমে থাকা ময়লা ভিতর থেকে পরিষ্কার করে ত্বক উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত করে তোলে।

- সুন্দর, মসৃণ ত্বক পেতে পালং শাক এবং অন্যান্য সবজি মিশিয়ে ভেজিটেবল জুস বানিয়ে খেতে পারেন। অর্ধেক টমেটো, ১/৪ শশা, একটি গাজর, আধা কাপ বাঁধাকপি এবং এক কাপ পালং শাক এবং পানি দিয়ে ভালো মতো ব্লেন্ড করে জুস তৈরি করুন। প্রতিদিন এক গ্লাস করে এই ভেজিটেবল জুস পান করুন আর পরিবর্তনটা নিজের চোখেই দেখতে পাবেন। এই জুসটি ব্রণ এবং ব্রণের দাগ দূর করে ত্বক ভিতর থেকে উজ্জ্বল করে তুলতে খুব উপকারী।

- পালং শাকের অনেক প্রয়োজনীয় উপকারিতার মধ্যে আরেকটি হচ্ছে নিয়মিত পালং শাক খাওয়ার মাধ্যমে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা করতে পারেন নিজের ত্বক। পালং শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি যা সূর্যের ক্ষতিকারক আলট্রা ভায়োলেট রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে। যার ফলে স্কিন ক্যান্সার এবং ত্বকে অসময়ে বার্ধক্যের ছাপ পড়া থেকে সহজেই নিজেকে নিরাপদে রাখা সম্ভব।

- আমাদের শরীরে এক ধরনের “ফ্রি র‌্যাডিকেলস” রয়েছে যা ত্বককে ড্যামেজ করে এতে বার্ধক্যের ছাপ ফুটিয়ে তোলে। তবে আপনার খাবারের তালিকায় পালং শাক রাখার মাধ্যমে এই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারেন সহজেই। পালং শাকে থাকা এন্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের ফ্রি র‌্যাডিকেলস ধ্বংস করে এবং ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত পালং শাক খান এবং ত্বকের বার্ধক্যজনিত সমস্যা থেকে দূরে থাকুন।

- ৪-৫ টি পালং শাক প্রথমে পেস্ট করে এর সাথে ১ চা চামচ মধু এবং ২ চা চামচ লেবুর রস ভালো মত মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট রাখুন। এরপর মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই মাস্কটি ত্বকের নিস্তেজ ভাব দূর করে ত্বক নরম এবং মসৃণ করে তোলে।

- পালং শাক চুলের বৃদ্ধি ত্বরাণ্বিত করতে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। কারণ এতে রয়েছে ভিটামিন বি, সি এবং ই, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড সহ আরও অনেক প্রয়োজনীয় উপাদান যেগুলোর সবই চুলের বৃদ্ধিতে কার্যকরী ভুমিকা পালন করে থাকে। পালং শাকে থাকা আয়রন চুলের ফলিকলে অক্সিজেনের সরবরাহ ঠিক রাখে যার ফলে চুল ঠিক মতো বাড়ে এবং চুলের গোড়া শক্ত হয়।

- রুক্ষ এবং নিষ্প্রাণ চুলের জন্য আধা কাপ পালং শাক, ১ চা চামচ মধু এবং ১ চা চামচ অলিভ অয়েল বা নারিকেল তেল নিয়ে ব্লেন্ডারে ভালো মতো ব্লেন্ড করুন। এরপর এই মিশ্রণটি চুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। চুলে সিল্কি ভাব আসবে।

- চুল পড়া রোধ করতে নিয়মিত পালং শাক খান। কারণ পালং শাকে থাকা ভিটামিন বি কমপ্লেক্স চুলের গোঁড়া মজবুত করতে সাহায্য করে। প্রতিদিন এক গ্লাস পালং শাকের জুস খেতে পারেন। সেক্ষেত্রে ১ কাপ পালং শাক এবং পরিমাণ মতো পানি ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে জুস বানিয়ে পান করতে পারেন। খেতে একটু কষ্ট হলেও ফলাফল টা কিন্তু মধুর হবে। চাইলে পালং শাকের সাথে টমেটো, শশা বা অন্যান্য সবজি মিক্স করতে পারেন।

স্বাস্থ্যরক্ষায়:

- এনিমিয়া বা রক্তশুন্যতা প্রতিরোধে পালং শাক বেশ কার্যকরী ভুমিকা পালন করে। পালং শাকে থাকা প্রয়োজনীয় ভিটামিনস এবং নিউট্রিয়েন্টস শরীরের রক্তে লোহিত রক্ত কণিকা উৎপন্ন করতে সাহায্য করে যার ফলে রক্তশুন্যতায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায় অনেকখানি।

- যেহেতু পালং শাক ফাইবারে সমৃদ্ধ তাই এটি নিয়মিত খাওয়ার মাধ্যমে পাকস্থলির বিভিন্ন সমস্যা যেমন কোষ্ঠকাঠিন্য, বদ হজম ইত্যাদি সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

-গর্ভবতী মহিলাদের জন্য পালং শাক অত্যন্ত উপকারী। গর্ভে থাকা শিশুর ঠিক মতো বেড়ে উঠার জন্য পালং শাক প্রয়োজনীয় নিউট্রিয়েন্টস যোগায়। এছাড়াও নিয়মিত পালং শাক খাওয়ার মাধ্যমে মায়ের বুকের দুধের পরিমাণ এবং গুণমান অনেক বেড়ে যায়।

- পালং শাকে থাকা ভিটামিন এ এবং ক্যারিটনয়েডস দৃষ্টিশক্তিজনিত সমস্যা থেকে রক্ষা করবে আপনাকে।

- নিয়মিত পালং শাক খান এবং হাই ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখুন। এটি হাই ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে বেশ কার্যকর।

লিখেছেন- নাহার

#এক পালং দিয়ে ৫ রকম স্ন্যাক্স তৈরির রেসিপি

স্বাদে ও পুষ্টিগুণে অনন্য পালং শাক এখন বাজারে পাওয়া যায় সারা বছরই। বড়দের জন্য তো বটেই, ছোটদের জন্যেও খুব উপকারী এই পালং শাক। দারুণ ব্যাপারটি হচ্ছে পালং শাক কেবল রান্না বা ভাজি করে খাওয়া যায় এমন না, এই শাক দিয়ে তৈরি করা যায় হরেক রকমের মুখরোচক স্ন্যাক্সও।

আজ জানিয়ে দিচ্ছি পালং শাক দিয়ে ৫ রকমের স্ন্যাক্স তৈরির খুব সহজ কিছু রেসিপি। তালিকায় আছে পালং কেক, পালং বার্গারের মতন দারুণ কিছু খাবারের বিস্তারিত প্রণালী।

পালং পাকোরা
পালং শাক কুচি কুচি করে কেটে নিন। তারপর পেঁয়াজ-মরিচ কুচি, মরিচ-ধনে-জিরা গুঁড়ো, সামান্য গরম মশলা গুঁড়ো, লবণ, একটি ডিম, চালের গুঁড়ো ও বেসন দিয়ে মেখে নিন ভালো করে। প্রয়োজনে পানি দেবেন, যদিও না লাগার সম্ভাবনা বেশি। মাখা মাখা করে মেখে ছোট ছোট বড়ার মতন ডুবো তেলে ভেজে নিন।

পালং শাকের প্যান কেক
পালং শাক কুচি করে কেটে হালকা ভাপিয়ে নিন। এবার দুধ, ডিম, মাখন ও ময়দা দিয়ে প্যানকেক ব্যাটার তৈরি করুন। চিনি দেবেন না শুধু, ঝাল প্যানকেক হবে। এর মাঝে ভাপানো পালং, পেঁয়াজ-মরিচ কুচি , লবণ ও আপনার পছন্দের মশলা দিয়ে গুলে নিন। প্যানে মাখন বা ঘি দিয়ে স্বাভাবিক নিয়মেই প্যানকেক তৈরি করে পরিবেশন করুন।

পালং দিয়ে নুডুলস
প্যানে একটু তেল দিন, রসুন কুচি দিন । হালকা গন্ধ ছড়ালে পালং শাক দিয়ে দিন। শাক পানি ছেড়ে একটু ভাজা ভাজা হলে এর মাঝে অন্য সবজি ও নুডুলস দিয়ে স্বাভাবিক নিয়মেই রান্না করে নিন।

পালং শাকের বার্গার
পালং শাকের কুচি ও চিকেন কিমা সমান পরিমাণে নিন। এর মাঝে সামান্য আদা-রসুন কিমা, গোল মরিচ গুঁড়ো, লবণ, সামান্য জায়ফল গুঁড়ো ও একটু টমেটো সস দিয়ে ভালো করে মেখে নিন। ডিম দেবেন না, পালং থেকেই অনেক পানি ছাড়বে। ভালো করে মেখে বার্গার প্যাটি আকারে গড়ে নিন। তেলে শ্যালো ফ্রাই করে পছন্দ মতো উপায়ে বার্গার তৈরি করে নিন।

পালং শাকের সমুচা/ পিঠা
এটা অনেকেই জানেন না যে পালং শাক দিয়ে খুব মজার সমুচা বা পিঠা তৈরি করা যায়। পালং শাক হালকা ভাপিয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। এরপর মোজারেলা বা ভালো কোনো চিজের সাথে মিক্স করে নিন। সাথে দিতে পারেন গোল মরিচ ও জায়ফল গুঁড়ো। দিতে পারেন সসেজ কুচিও। এরপর এই মিশ্রণ দিয়ে যেকোনো রকমের পিঠা বা সমুচা অনায়াসেই তৈরি করা যায়।

বাচ্চারা তো শাক-পাতা খেতে চায় না মোটেই। এই রেসিপিগুলো তাই বাচ্চাদের ক্ষেত্রে খুব কাজে আসবে।

 #মুলা ভিটামিন সি সমৃদ্ধ শীতকালীন সবজি, যা দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। মুলা সাধারণত সাদা, লাল ও হা...
15/09/2018

#মুলা

ভিটামিন সি সমৃদ্ধ শীতকালীন সবজি, যা দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। মুলা সাধারণত সাদা, লাল ও হালকা গোলাপি রঙের হয়ে থাকে।

পুষ্টিগুণ:

১০০ গ্রাম মুলা থেকে ১৬ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি, ১.৬ গ্রাম খাদ্যআঁশ, ২৫ মাইক্রোগ্রাম ফলেট, ১৪.৮ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি, ২৩৩ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম, ২৫ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ০.২৮ মিলিগ্রাম জিংক এবং ১০ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম পাওয়া যায়।

স্বাস্থ্যতথ্য:

* মুলার ক্যারোটিনয়েডস চোখের দৃষ্টিশক্তি ঠিক রাখে এবং ওরাল, পাকস্থলী, বৃহদন্ত, কিডনী এবং কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধে কাজ করে।

*মুলার ফাইটোস্টেরলস হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

* জন্ডিস আক্রান্ত হলে মুলা রক্তের বিলিরুবিনের কমিয়ে তাকে একটি গ্রহনযোগ্য মাত্রায় নিয়ে আসে যা কিনা জন্ডিসের চিকিৎসার জন্য অত্যন্ত কার্যকরী।

* মূলা মানুষের ক্ষুধাকে নিবৃত্ত করে এবং নকম ক্যালরিযুক্ত সবজি হওয়ায় দেহের ওজন কমাতে সাহায্য করে।

* অর্শের প্রধান কারন হচ্ছে কোষ্ঠকাঠিন্য। প্রচুর আঁশ সমৃদ্ধ সব্জী মূলা খাদ্যের পরিপাক ক্রিয়াকে গতিশীল করে হজমে সহায়তা করে, যা অর্শ রোগের আশংকাকে নির্মুল করে দেয়।

* রক্ত পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে। সেই সাথে লিভার এবং পাকস্থলীর সমস্ত দুষন এবং বর্জ্য পরিস্কার করে থাকে।

* মুলা কিডনি রোগসহ মূত্রনালির অন্যান্য রোগে উপকারী।

*শ্বেত রোগের চিকিৎসায় মূলা ফলদায়ক। এন্টি কারসেনোজিনিক উপাদান সমৃদ্ধ মুলার বীজ আদার রস এবং ভিনেগারে ভিজিয়ে আক্রান্ত জায়গায় লাগাতে হবে। অথবা কাঁচা মূলা চিবিয়ে খেলেও কাজ হবে।

* মুলার রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে কফ, মাথাব্যথা, অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

* পোকামাকড়ের কামড় থেকে সৃষ্ট ক্ষত নিরাময়ে মুলার রস কার্যকরী।

*জ্বর এবং এর কারনে শরীর ফুলে যাওয়া কমাতে সাহায্য করে অত্যন্ত উপকারী সব্জী মূলা।

* ত্বক পরিচর্যায়ও মুলা ব্যবহৃত হয়, কারণ এটি অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে। কাঁচা মুলার পাতলা টুকরা ত্বকে লাগিয়ে রাখলে ব্রণ নিরাময় হয়। এছাড়া কাঁচা মুলা ফেস প্যাক এবং ক্লিন্সার হিসেবেও দারুন উপকারী।

সতর্কতা:

যাদের থাইরয়েড গ্রন্থি, বুকজ্বলার সমস্যা আছে তাদের মুলা খাওয়ার ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত

 #গ্রামের_এই_বুড়িটার_জন্য_দোয়া_করবেন।।।
07/09/2018

#গ্রামের_এই_বুড়িটার_জন্য_দোয়া_করবেন।।।

 #আমার_প্রান_প্রিয়_বান্ধবীর_ছবিটা_কেমন হয়েছে???
30/08/2018

#আমার_প্রান_প্রিয়_বান্ধবীর_ছবিটা_কেমন হয়েছে???

 #আমি_ফ্যাশনেবল_নই_তাই_বুঝি_আমায়_ভাল_লাগেনা. #যদি_ভাল_লাগে_দতবে_শেয়ার_করুন
22/08/2018

#আমি_ফ্যাশনেবল_নই_তাই_বুঝি_আমায়_ভাল_লাগেনা.

#যদি_ভাল_লাগে_দতবে_শেয়ার_করুন

31/07/2018

সারা বিশ্বে আবাদ হওয়ার দিক থেকে ৪ নম্বরে রয়েছে যে সবজিটি, সেটি হলো শসা। শসার রয়েছে হরেক গুণ। রূপচর্চা ও মেদ নিয়ন্ত্রণসহ ...
15/05/2018

সারা বিশ্বে আবাদ হওয়ার দিক থেকে ৪ নম্বরে রয়েছে যে সবজিটি, সেটি হলো শসা। শসার রয়েছে হরেক গুণ। রূপচর্চা ও মেদ নিয়ন্ত্রণসহ নানা উপযোগিতা আছে এই সহজলভ্য সবজির।

মধ্যে ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেছেন খাদ্য বিশেষজ্ঞরা। আসুন, একবার নজর বোলাই:

দেহের পানিশূন্যতা দূর করে-
ধরুন আপনি এমন কোথাও আছেন, যেখানে হাতের কাছে পানি নেই, কিন্তু শসা আছে। বড়সড় একটা শসা চিবিয়ে খেয়ে নিন। পিপাসা মিটে যাবে। আপনি হয়ে উঠবেন চনমনে।কারণ, শসার ৯০ শতাংশই পানি।

দেহের ভেতর-বাইরের তাপ শোষক-
কখনো কখনো আপনি শরীরের ভেতর-বাইরে প্রচণ্ড উত্তাপ অনুভব করেন। দেহে জ্বালাপোড়া শুরু হয়। এ অবস্থায় একটি শসা খেয়ে নিন।এ ছাড়া সূর্যের তাপে ত্বকে জ্বালা অনুভব করলে শসা কেটে ত্বকে ঘষে নিন। নিশ্চিত ফল পাবেন।

বিষাক্ততা দূর করে-
শসার মধ্যে যে পানি থাকে তা আমাদের দেহের বর্জ্য ও বিষাক্ত পদার্থ অপসারণে অনেকটা অদৃশ্য ঝাটার মতো কাজ করে। নিয়মিত শসা খাওয়ায় কিডনিতে সৃষ্ট পাথরও গলে যায়।

প্রাত্যহিক ভিটামিনের শূন্যতা পূরণ করে-
প্রতিদিন আমাদের দেহে যেসব ভিটামিনের দরকার হয়, তার বেশির ভাগই শসার মধ্যে বিদ্যমান। ভিটামিন এ, বি ও সি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও শক্তি বাড়ায়। সবুজ শাক ও গাজরের সঙ্গে শসা পিষে রস করে খেলে এই তিন ধরনের ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ হবে।

ত্বকবান্ধব খনিজের সরবরাহকারী-
শসায় উচ্চমাত্রায় পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও সিলিকন আছে, যা ত্বকের পরিচর্যায় বিশেষ ভূমিকা রাখে। এ জন্য ত্বকের পরিচর্যায় গোসলের সময় শসা ব্যবহার করা হয়।

হজম ও ওজনহ্রাসে সহায়ক-
শসায় উচ্চমাত্রায় পানি ও নিম্নমাত্রার ক্যালরিযুক্ত উপাদান রয়েছে। ফলে যাঁরা দেহের ওজন কমাতে চান, তাঁদের জন্য শসা আদর্শ টনিক হিসেবে কাজ করবে। যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁরা স্যুপ ও সালাদে বেশি বেশি শসা ব্যবহার করবেন। কাঁচা শসা চিবিয়ে খেলে তা হজমে বড় ধরনের ভূমিকা রাখে। নিয়মিত শসা খেলে দীর্ঘমেয়াদি কোষ্ঠ-কাঠিন্য দূর হয়।

চোখের জ্যোতি বাড়ায়-
সৌন্দর্যচর্চার অংশ হিসেবে অনেকে শসা গোল করে কেটে চোখের পাতায় বসিয়ে রাখেন।এতে চোখের পাতায় জমে থাকা ময়লা যেমন অপসারিত হয়, তেমনি চোখের জ্যোতি বাড়াতেও কাজ করে।চোখের প্রদাহপ্রতিরোধক উপাদান প্রচুর পরিমাণে থাকায় ছানি পড়া ঠেকাতেও এটি কাজ করে।

ক্যানসার প্রতিরোধে কাজ করে-
শসায় সিকোইসোলারিসিরেসিনোল, ল্যারিসিরেসিনোল ও পিনোরেসিনোল—এ তিনটি আয়ুর্বেদিক উপাদান আছে। জরায়ু, স্তন ও মূত্রগ্রন্থিসহ বিভিন্ন স্থানে ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি কমানোর সঙ্গে এই তিন উপাদানের জোরালো সম্পর্ক রয়েছে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে-
ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি দেয়, কোলস্টেরল কমায় ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

মুখ পরিষ্কার রাখে-
দুর্গন্ধযুক্ত সংক্রমণে আক্রান্ত মাড়ির চিকিৎসায় শসা দারুণ কাজ করে। গোল করে কাটা এক স্লাইস শসা জিহ্বার ওপরে রেখে সেটি টাকরার সঙ্গে চাপ দিয়ে আধা মিনিট রাখুন। শসার সাইটোকেমিক্যাল এর মধ্যে বিশেষ বিক্রিয়া ঘটিয়ে আপনার মুখের জীবাণু ধ্বংস করবে। সজীব হয়ে উঠবে আপনার নিঃশ্বাস।

চুল ও নখ সতেজ করে-
শসার মধ্যে যে খনিজ সিলিকা থাকে তা আমাদের চুল ও নখকে সতেজ ও শক্তিশালী করে তোলে। এ ছাড়া শসার সালফার ও সিলিকা চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

গেঁটেবাত থেকে মুক্তি-
শসায় প্রচুর পরিমাণে সিলিকা আছে। গাজরের রসের সঙ্গে শসার রস মিশিয়ে খেলে দেহের ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নেমে আসে। এতে গেঁটেবাতের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

মাথাধরা থেকে নিষ্কৃতি-
ভোরে ঘুম থেকে ওঠার পর অনেকের মাথা ধরে। শরীর ম্যাজম্যাজ করে। শসায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি ও সুগার আছে। তাই ঘুমাতে যাওয়ার আগে কয়েক স্লাইস শসা খেয়ে নিলে ভোরে ঘুম থেকে ওঠার পর এ সমস্যা থাকবে না।

কিডনি সুস্থ রাখে-
শরীরের ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা ঠিক রাখে শসা। এতে কিডনি থাকে সুস্থ ও সতেজ।

শসাকে যেমন পুষ্টিকর সবজি হিসেবে খাওয়া হয়, তেমনি ব্যবহার করা হয় রোগ নিরাময়ে।

পুষ্টি উপাদান
শসা ভিটামিন এবং মিনারেলেস পরিপূর্ণ একটি সবজি। এর ৯৬ শতাংশ পানি। শসা ভিটামিন-কে, ভিটামিন-সি, ভিটামিন-এ, ফলিক এসিড, পটাশিয়াম এবং ম্যাঙ্গানিজের উত্তম উৎস। এ ছাড়া রিবোফ্লাবিন, প্যান্টোথেনিক এসিড, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, সালফার, সিলিকা এবং ভিটামিন বি-৬ আছে বেশি পরিমাণে। শসা থেকে খাদ্য আঁশ পাওয়া যায়। এতে আরো রয়েছে ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস, কিউকারবিটাকিন্স, লিগনান্স এবং ফ্লাভনয়েডস।

স্বাস্থ্য তথ্য
* শসার মাল্টি ভিটামিনস ও মাল্টি মিনারেলস প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে কাজ করে এবং ভিটামিন ও মিনারেলসের অভাবজনিত সমস্যা থেকে রক্ষা করে।
* শসার পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
*এর ম্যাগনেসিয়াম রক্ত চলাচল সচল করে।
* শসার আঁশ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময় করে।
* এর ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস; লিগনান্স হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমানোসহ জরায়ু ও প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

ঔষধি গুণ
* শসায় প্রচুর পানি থাকে তাই, শরীরের তাপমাত্রা কমিয়ে মনকে প্রশান্ত করে তোলে।
* এটি মূত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করে। শরীরের জমানো ক্ষতিকর ও বিষাক্ত উপাদানগুলো অপসারণ করে রক্তকে পরিষ্কার রাখে।
* শসা বুক জ্বলা, পাকস্থলীর এসিডিটি এমনকি গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্তি দিতে পারে।
* প্রতিদিন শসার জুস খেলে অ্যাকজিমা এবং গাউটে উপকার পাওয়া যায়। এটি ডায়াবেটিসও কিছুটা উপশম করে।
* বাত-ব্যথা প্রশমনের জন্য শসা ও গাজর একসঙ্গে জুস বানিয়ে খেলে উপকার পাবেন।
* শসার জুস কিডনি এবং গলব্লাডারের পাথর অপসারণে সহায়তা করে।
* শসা হাত ও পায়ের নখ ভাঙা প্রতিরোধ করে।
* পাইরিয়ার কারণে দাঁত ও মাড়ির রোগে শসা উপকারী।

Address

Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Foods & Vitamins posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram