Pain Relief Physio Care

Pain Relief Physio Care Its a private physiotherapy center provide you maximum solution on your pain, joint mobility,disab

20/02/2021

Urgent JOB OPPORTUNITY
..............................................................................
Designation: Physiotherapy assistant
Time: Full time / Half time
No. of Vacancy: 1( female)
Organization: Pain Relief Physio Care
Edu. Qualification: Diploma in Medical Technology (Physiotherapy)
Salary: Negotiable
Location: Kuril kazibari, vhatara, dhaka-1229

Send current CV with Photo in following e-mail address,
painreliefphysiocare5573@gmail.com

Interested candidates are requested to send their CV within 25 February 2021............................................................................
For further query +8801748105573

দৈনন্দিন জীবনে আমরা বাসায় বা অফিসে বিভিন্ন কাজে চেয়ারে বসে কমপিউটার ব্যবহার করে থাকি। সঠিকভাবে চেয়ারে বসে কাজ করা ভীষণ জ...
26/11/2020

দৈনন্দিন জীবনে আমরা বাসায় বা অফিসে বিভিন্ন কাজে চেয়ারে বসে কমপিউটার ব্যবহার করে থাকি। সঠিকভাবে চেয়ারে বসে কাজ করা ভীষণ জরুরী। ভুলভাবে চেয়ারে বসার কারনে কোমর, ঘাড়, কনুই (টেনিস এলবো) সহ বিভিন্ন জায়গায় ব্যথা হতে পারে, সেই সাথে হাত ঝিনঝিন/অবশ অবশ (সারভিক্যাল রেডিকুলোপ্যাথি, কার্পাল টানেল সিনড্রোম) পা/পায়ের পাতা ঝিনঝিন/অবশ অবশ (লাম্বার রেডিকুলোপ্যাথি) সহ বিভিন্ন অসুখ দেখা দিতে পারে। দীৰ্ঘদিন ভুলভাবে চেয়ারে বসলে, মেরুদণ্ডের স্বাভাবিক গঠন নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
চেয়ারে বসে কমপিউটার ব্যবহার করার সময় কিছু বিষয় অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবেঃ
১. কমপিউটারের মনিটরের টপ পার্ট (উপরের অংশ ) চোখ বরারব বা সামান্য নিচে থাকতে হবে এবং কমপিউটার ও চোখের মধ্যকার দূরত্ব ১৮-২৮ ইঞ্চি হতে হবে।
২. দেহ বা চেয়ারের অবস্থান মনিটর বা কী-বোর্ডের মাঝখানে থাকতে হবে।
৩. বাহু (Arm) দেহের সাথে বা সামান্য সামনে থাকবে এবং টাইপিং করার সময় কব্জি (Wrist) ফ্রী বা খোলামেলা নড়া-চড়া করা যেতে হবে।
৪. ঘাড় সোজা থাকবে এবং কোমরে সাপোর্ট দিয়ে বসতে হবে।
৫. থাই (Thigh) অনুভূমিক (Horizontal) ভাবে থাকতে হবে। লোয়ার লেগ (Lower leg) এবং থাই (Thigh)-এর মাঝে >৯০-১১০ ডিগ্ৰী রাখতে হবে।
৬. পা ফ্লাটভাবে, Foot rest-এর উপর রাখতে হবে এবং মুক্তভাবে নড়া-চড়া করার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকতে হবে।
একটানা দীর্ঘক্ষণ বসে থাকবেন না। সম্ভব হলে আধাঘন্টা পরপর ১ মিনিটের জন্য উঠে দাঁড়াবেন কিংবা হাটা-চলা করবেন।
ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। উপভোগ করুন আপনার জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত !!

আসসালামু আলাইকুম,করোনা দূর্যোগের এই মুহূর্তে "সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যবিধী মেনে "পেইন রিলিফ ফিজিও কেয়ার "  আপনি এবং আপনার পরিব...
25/11/2020

আসসালামু আলাইকুম,
করোনা দূর্যোগের এই মুহূর্তে "সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যবিধী মেনে "পেইন রিলিফ ফিজিও কেয়ার " আপনি এবং আপনার পরিবারের জন্যে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ২৫% ডিস্কাউন্ট রয়েছে । বাত, ব্যাথা, প্যারালাইসিস সহ যে কোন ধরনের ফিজিওথেরাপি বিষয়ক পরামর্শের জন্যে আজই আমাদের ভিজিট করুন।

ঠিকানাঃ পেইন রিলিফ ফিজিও কেয়ার
৯৩/১
কুড়িল কাজিবাড়ী জামে মসজিদের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত।
মোবাঃ০১৭৪৮১০৫৫৭৩
অনলাইনে সেবা পেতেঃ https://www.facebook.com/PainReliefPhysiotherapydhaka/

শুভ সকাল ডিস্ক প্রলাপ্স জনিত কোমর ব্যাথা বা      💥পি এল আই ডি💥মানুষের মেরুদণ্ডে ছোট ছোট ৩৩ টি অস্থিখন্ড বা কশেরুকা দ্বার...
25/11/2020

শুভ সকাল

ডিস্ক প্রলাপ্স জনিত কোমর ব্যাথা বা
💥পি এল আই ডি💥
মানুষের মেরুদণ্ডে ছোট ছোট ৩৩ টি অস্থিখন্ড বা কশেরুকা দ্বারা ঘটিত, যাকে ইংরেজিতে বলে ভার্টিব্রা। ভার্টিব্রা গুলো একটি অপরটির সাথে ইন্টারভার্টিব্রাল ডিক্সের সাথে সংযুক্ত থাকে। যখন এই ডিক্স কোন কারনে নিজের স্বাভাবিক অবস্থান থেকে সরে যায়,তখন একে ডিস্ক প্রলাপ্স বলে।
সাধারণত ঘাড়ের অংশে সারভাইকেল ডিক্স এবং কোমরে অংশে লাম্বার ডিক্স।মেডিকেলের পরিভাষায় একে বলে(প্রলাপ্স লাম্বার ইন্টারভার্টিব্রাল ডিস্ক)বা পিএলআইডি।
💥লক্ষণ সমূহ💥
-প্রধান লক্ষণ কোমর ব্যাথা, তবে এই ব্যাথা কোমর থেকে গোড়ালী পর্যন্ত যেতে পারে।
-পা অবশ অবশ লাগা
-পায়ের মাংস পেশি বা রগে টান লাগা
-হাঁসি কাশি দেওয়ার সময় কোমরে ব্যাথা অনুভব করা।ইত্যাদী
💥💥কারন...
-আঘাত জনিত
-টেবিলে ঝুকে পিসিতে দীর্ঘ সময় কাজ করলে
-বেশি উচ্চতায় থেকে লাফানো
- ক্যালসিয়ামের অভাব জনিত কারন
- ম্যালনিউট্রিশনের জন্য হতে পারে।ইত্যাদী
💥💥চিকিৎসা...
যাদের কোমর ব্যাথা আছে দেরী না করে দ্রুত ডাক্তার দেখাতে হবে। কেননা পিএলআইডির ৪ টা ধাপ আছে যদি প্রথমের দিকে ট্রিটমেন্ট শুরু করা যায় তাইলে সহজেই সুস্থ হওয়া যায়।এর জন্য সবচাইতে বেশি কার্যকরী চিকিৎসা হলো ফিজিওথেরাপি।
💥💥উপদেশ...
১.যদি ব্যাথা বেশি মনে হয় তাইলে কিছু দিন বিশ্রাম নিতে হবে
২.শক্ত হলকা নরম বিছানায় ঘুমাইতে হবে
৩.সামনে ঝুকে কোন কাজ করা যাবে না
৪.ভারী কাজ করা নিষেদ
৫.নিচে বসা যাবে না, উঁচু চেয়ার বা টুলে বসে সব কাজ করতে হবে
৬.হাঁটা চলাফেরা করার সময় অবশ্যই কোমরে বেল্ট বা লাম্বার করসেট ব্যবহার করতে হবে।
💥💥💥💥💥বি.দ্র:💥💥💥💥
বেশিরভাগ অপারেশনেই সাকসেস হয়না,তাই যতক্ষণ না রেড ফ্ল্যাগ দেখা না গেছে ততক্ষন অপারেশনের প্রয়োজন নাই,
- রেড ফ্যাগ হলো পিএলআইডি সাথে মাংসে প্যারালাইসিস,পায়খান প্রসাব ধরে রাখতে না পারা,সেক্রুয়ালী সমস্যা হওয়া।
-বয়স ৫০ এর বেশি হলে অপারেশন করার কোন প্রয়োজন নেই, ....….......................................................................
ধন্যবাদ

.                  ☘ স্ট্রোক(stroke)☘ #অতি_সহজ_উপায়ে_স্ট্রোক_সনাক্ত_করার_উপায়আমরা সবাই-যদি স্ট্রোক (Stroke) এর এই ছোট্...
24/11/2020

. ☘ স্ট্রোক(stroke)☘

#অতি_সহজ_উপায়ে_স্ট্রোক_সনাক্ত_করার_উপায়

আমরা সবাই-যদি স্ট্রোক (Stroke) এর এই ছোট্ট
সাধারণসণাক্ত করণ উপায় টা শিখে ফেলি,
তবে হয়তো আমরা স্ট্রোকের ভয়ংকর
অভিজ্ঞতাথেকে আমাদের প্রিয়জনদের
রক্ষা করতে পারবো।
একটি সত্যি গল্পঃ
একটা অনুষ্ঠানে গিয়ে একজন ভদ্রমহিলা হঠাৎ হোঁচট
খেয়ে পড়ে গেলেন। উঠে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, সবকিছু
ঠিক আছে, মেঝের টাইলসে তার নতুন জুতোর হীল
বেঁধে যাওয়ায় তিনি পড়ে গিয়েছিলেন। কেউ একজন
এম্বুলেন্স ডাকার কথা বললেও তিনি তাতে রাজি হলেন
না।
সবকিছু ঠিকঠাক করে, পরিস্কার করে তিনি নতুন
করেপ্লেটে খাবার নিলেন। যদিও মনে হচ্ছিলো যেন
তিনি একটু কেঁপে কেঁপে উঠছেন।
অনুষ্ঠানের সম্পূর্ণ সময় জুড়েই তিনি উপস্থিত
থাকলেন। পরদিন দুপুরেভদ্রমহিলার স্বামী ফোন
করে জানালেন, তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
সন্ধ্যা ছয়টার সময় তিনি মারা গেলেন।
মূল যে ঘটনা ঘটেছিল, তা হলো,তিনি অনুষ্ঠান
চলাকালীন সময় স্ট্রোক করেছিলেন। সেখানে যদি কেউ
জানতেন, কিভাবে স্ট্রোক সনাক্ত করা সম্ভব,
তাহলে হয়তো ভদ্র মহিলা আজও বেঁচে থাকতেন।
সবাই যে মৃত্যুবরণ করে, তা নয়। অনেকের ঠাঁই হয়
বিছানায়, সাহায্যহীন, ভরসাহীন মূমুর্ষূ অবস্থায়।
মাত্র তিনটা মিনিট সময় নিয়ে এটা পড়ে ফেলুন।
একজন মস্তিষ্ক বিশেষজ্ঞ বলেছেন, যদি একজন

#স্ট্রোকেরশিকার_রোগীকে_স্ট্রোক_হবার_তিন_ঘন্টার_মধ্যে_হাসপাতালে_নেয়া_যায়_তবে_তাকে_সম্পূর্ণভাবে_সুস্থ অবস্থায় ফেরত
পাওয়া সম্ভব।
শুধু আমাদের জানতে হবে কিভাবে স্ট্রোক চেনা যায়,
এবং কিভাবে রোগীকে উল্লেখ্য সময়ের
মধ্যে মেডিকেল কেয়ারে নেয়া যায়।
স্ট্রোককে চিনুন…
িনটি_ধাপঃ- S T ও R…পড়ুন এবং জানুন!
মাঝে মাঝে স্ট্রোকের উপসর্গ সনাক্ত করা অনেক
কঠিন হয়ে পড়ে। আমাদের অজ্ঞতার কারণেই
নেমে আসে যাবতীয় দুর্যোগ।
স্ট্রোকের শিকার রোগীর মস্তিষ্কে যখন ভয়ানক
রকম ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে, পাশে দাঁড়ানো প্রিয় জনটিই
হয়তো বুঝতে পারছে না, কি অপেক্ষা করছে তাদের
কাছের মানুষের জীবনে।
সহজ উপায়ে স্ট্রোক সনাক্ত করার উপায়, সহজ
#তিনটি_প্রশ্ন_জিজ্ঞেস_করুনঃ
S – Smile রোগীকে হাসতে বলুন।
T – Talk রোগীকে আপনার সাথেসাথে একটি বাক্য
বলতে বলুন।উদাহরণঃ আজকের দিনটা অনেক সুন্দর।
R – Raise hands. রোগীকে একসাথে দুইহাত
উপরে তুলতে বলুন।
এর কোনো একটিতে যদি রোগীর সমস্যা বা কষ্ট হয়,
তৎক্ষণাৎ দেরি না করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
এবং চিকিৎসককে সমস্যাটি খুলে বলুন।
(রোগী বলতে স্ট্রোকেরশিকার সন্দেহ
করা ব্যক্তি বোঝানো হয়েছে)
#সনাক্তকরণের_আরেকটি_উপায়_হচ্ছে, রোগীকে বলুন
তার #জিহবা বের করতে। যদি তা #ভাঁজ হয়ে থাকে,
বা অথবা যদি তা #বেঁকে যে কোনো একদিকে চলে যায়,
সেটাও স্ট্রোকের লক্ষণ।
তৎক্ষণাৎতাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।

একজন
খ্যাতনামা হৃদ রোগ বিশেষজ্ঞ বলেছেন, যদি আমরা সবাই-ই
এই সহজ ব্যাপারগুলো জেনে রাখি,
তবে আমরা একজনের হলেও জীবন বাঁচাতে পারবো।
ইনশাআল্লাহ।

শুভ সকাল হঠাৎ আঘাত থেকে ব্যথাঃ তৎক্ষণাৎ করণীয়শরীরের কোনো জায়গায় আঘাত লাগলে সে জায়গাটা প্রথমে প্রদাহ হয় এবং ফুলে যায়।  এ ...
23/11/2020

শুভ সকাল

হঠাৎ আঘাত থেকে ব্যথাঃ তৎক্ষণাৎ করণীয়

শরীরের কোনো জায়গায় আঘাত লাগলে সে জায়গাটা প্রথমে প্রদাহ হয় এবং ফুলে যায়। এ ধরনের আঘাতে যে সমস্যা হয় তাকে সাধারণত সফট টিস্যু ইনজুরি বলে।

আঘাতের ফলে হাতে-পায়ের, কোমরের বা শরীরের মাংসপেশি, হাড়, জয়েন্ট, নার্ভ অথবা লিগামেন্টের অবস্থানগত পরিবর্তনের জন্য ব্যথা হতে পারে এক্ষেত্রে।

হঠাৎ আঘাত পেলে কী হয়?

• আঘাতপ্রাপ্ত জায়গা ফুলে যায়

• প্রচণ্ড ব্যথা হয়

• ওই স্থানে অংশটি লাল হয়ে যায় এবং গরম থাকে

কী কী কারনে আমরা আঘাত পেয়ে থাকি?

✅ কোনো দুর্ঘটনায় আঘাত পেলে

✅ খেলাধুলার সময় আঘাত পেলে

✅ মাংসপেশিতে হঠাৎ টান লাগলে

✅ কিংবা পা পিছলে পড়ে গেলে

আর এসব কারণে সফট টিস্যু ইনজুরি হয়। আঘাতের তীব্রতা বেশি হলে হাড় ভেঙে যেতে পারে। হাড় ভেঙে গেছে সন্দেহ হলে অবশ্যই এক্স-রে করাতে হবে এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসা নিতে হবে।

এমন আঘাতে তৎক্ষণাৎ কী করবেন?

🩺আক্রান্ত জায়গায় বরফ ব্যবহার করতে হবে ৮ মিনিট ধরে

🩺 ভিজা গামছার ভেতর বরফ নিয়ে আক্রান্ত অংশে মুড়িয়ে দিন

🩺 যদি বেশি ঠান্ডা লাগে, ৩ মিনিট পর উঠিয়ে ফেলুন। শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে আবার ৮ মিনিট ধরে পেঁচিয়ে রাখুন।

🩺 এর সঙ্গে ব্যথার ওষুধ, যেমন : প্যারাসিটামল খাওয়া যেতে পারে।

🩺 আক্রান্ত অংশ ফুলে গেলে ক্রেব ব্যান্ডেজ দিয়ে পেঁচিয়ে রাখুন, যাতে আর ফুলতে না পারে।

🩺 আক্রান্ত অংশ বালিশ বা অন্য কিছু দিয়ে উঁচু করে রাখুন, যাতে হৃৎপিণ্ড বরাবর থাকে।

🩺 এই অবস্থায় হালকা ব্যায়াম, হালকা ম্যাসেজ, আলট্রাসাউন্ড থেরাপি ব্যথা কমাতে সাহায্য করবে। অব্যশই একজন ফিজিওথেরাপিস্ট এর পরার্মশ নিয়ে।

🩺 রোগীকে ৬-৭ দিন পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হয়। লক্ষ রাখতে হবে রোগী আবার যেন আঘাত না পায়।

ব্যথা ভালো না হলে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসাসহ অন্য চিকিৎসা নিতে হবে।

...........সারভাইক্যাল স্পনডাইলোসিস......এটি খুবই পরিচিত একটি রোগের নাম।আমাদের চল্লিশোর্ধ বেশি ভাগ মানুষই কোন না কোন ভাব...
21/11/2020

...........সারভাইক্যাল স্পনডাইলোসিস......

এটি খুবই পরিচিত একটি রোগের নাম।আমাদের চল্লিশোর্ধ বেশি ভাগ মানুষই কোন না কোন ভাবে এই রোগে ভুগে থাকে।এটি মেরুদণ্ডের হাড় বা কশেরুকার ক্ষয় জনিত রোগ।মেরুদণ্ডকে মেডিকেলের পরিভাষায় কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয় যেমনঃ
১.ঘাড়ের অংশ টুকু সারভাইক্যাল
২.পিঠের অংশকে থোরাসিক স্পাইন
৩. কোমরের অংশকে লাম্বার স্পাইন
৪.কোমরের নিচের অংশকে স্কেরাল স্পাইন
আমাদের মেরুদণ্ডের সবচেয়ে বেশি নড়াচড়া হয় দুটি অংশে, ঘাড় বা সারভাইক্যাল৷ ও কোমর বা লাম্বার। যেহেতু সারভাইক্যাল স্পইনের সুভমেন্ট বা নড়াচড়া বেশি হয় এর ফলে মেরুদন্ডের একই অংশে হাড়ের ক্ষয় ও বেশী হয়ে থাকে।ঘাড়ের মেরুদণ্ডের এ ক্ষয় হয়ে যাওয়াকে সারভাইক্যাল স্পনডাইলোসিস বলা হয়।
💢💢লক্ষণ সমূহ :
১.ঘাড় ব্যথা, কাধ ব্যথা এমনকি হাতের আঙ্গুল পর্যন্ত ব্যথা হইতে পারে।
২.হাত ঝিনঝিন বা অবশ অবশ লাগা।
৩.হাত দূর্বল হয়ে যাওয়া।
৪.ঘাড়ের মাসল শক্ত হয়ে যাওয়া।
৫.সকালে ব্যথা বেশি অনুভূতি হওয়া।
৬.হাতে ভাড়ি কিছু উঠালে ব্যথা বেশি লাগা। ইত্যাদি
💢💢কারন সমুহ:
১.যে কোন ধরনের আঘাত।
২.হাড়ের ইনফেকশন।
৩.অস্টিওপরোসিস।
৪.টিউমার।
৫.অস্টিওমেলাসিয়া বা ভিটামিন ডি অভাব।
৬.পেশাগত। ইত্যাদী
💢💢উপদেশ
১. সারভাইক্যাল কলার ব্যবহার করতে হবে।
২.হাতে ভাড়ি জিনিত উঠানো যাবে না।
৩.নামাজের সময় তুলনা মুলক সেজদা একটু সামনে দিতে হবে।
৪.ব্যথা বেশি থাকলে গরম সেক দিতে হবে।
৫.সর্বোপরি ঘাড় যেন মুভমেন্ট না হয় সে দিকে লক্ষ রাখতে হবে।
💢💢💢💢💢বি.দ্র💢💢💢💢💢
----এই রোগের জন্য ফিজিওথেরাপি সবচেয়ে কার্যকরী চিকিৎসা তাই দিনে দু- বেলা ফিজিওথেরাপি নিলে ভাল ভাল পাওয়া যাবে। ইনশাআল্লাহ
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,কালের কন্ঠ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

শুভ সকাল Urinary Incontinence/ প্রস্রাব ধারণে অক্ষমতার কারন ও প্রতিকারঃমূত্রথলী বা প্রস্রাবের উপর নিয়ন্ত্রণ কমে যাওয়ার ফ...
18/11/2020

শুভ সকাল

Urinary Incontinence/ প্রস্রাব ধারণে অক্ষমতার কারন ও প্রতিকারঃ

মূত্রথলী বা প্রস্রাবের উপর নিয়ন্ত্রণ কমে যাওয়ার ফলে অনিচ্ছাকৃত প্রস্রাব হয়ে যাওয়ার সমস্যাকে ইউরিনারি ইনকনটিনেন্স/ প্রস্রাব ধারণে অক্ষমতা বলা হয়। এটি সব বয়সীদেরই হতে পারে, তবে মূলত বয়স্কদের এবং প্রসব পরবর্তীকালে মহিলাদের মধ্যে বেশি দেখতে পাওয়া যায়। এটি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। তবে বয়স, অন্যান্য রোগ ও কখনও কখন বড় কোন সার্জারির পর এটি বেশি দেখতে পাওয়া যায়৷

Urinary Incontinence (প্রস্রাবে অসংযমতা) বা প্রস্রাব ধারণে অক্ষমতা লক্ষণঃ

এই সমস্যাটি প্রধান কয়েকটি লক্ষণ হলো-

★ ঘনঘন প্রস্রাব হওয়া
★বিছানায় প্রস্রাব হয়ে যাওয়া
★তলপেটে চাপের অনুভূতি
★জোরে হাসি বা কাশির সময় প্রস্রাব বেরিয়ে
আসা
★ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব হওয়া
★সম্পূর্ণভাবে প্রস্রাব না হওয়ার অনুভূতি
★প্রস্রাবের সময় ব্যথা
★প্রস্রাব গোলাপী, লাল বা অস্বাভাবিক
★প্রস্রাবে দুর্গন্ধ
★পেটেব্যথা বা কোমরে ব্যথা
★নামাজরত অবস্থায় ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব পড়া
★কোন চাপের মধ্যে থাকলে হঠাৎ করে প্রস্রাব
বের হয়ে যাওয়া। এটা ঘটে সাধারণত-
* কোন কিছু নিচু থেকে তুলতে গেলে,
* শারিরীক ব্যায়াম করার সময়ে
* হাসলে
* হাঁচি দিলে
* কাশি দিলে

Urinary Incontinence বা প্রস্রাব ধারণে অক্ষমতা কারণগুলি কী কীঃ

★মূত্রথলির আস্তরণের প্রদাহ
★গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত ওজন, হরমোনের পরিবর্তন, ইউরিনারী ট্র‍্যাক্ট ইনফেকশন(UTI)
★অধিক বয়সে গর্ভধারণ করলে
★সময়ের পূর্বে যোনি প্রসব হলে
★স্ট্রোক করার ফলে
★প্রস্টেট জড়িত থাকলে বা বিবর্ধিত প্রোস্টেট থাকলে
★কিডনি বা মূত্রথলিতে পাথর হলে
★কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে
★টিউমার থাকলে যেটি মূত্রথলিতে চাপ সৃষ্টি করে
★নিয়মিত মদ্যপান করলে
★মূত্রনালির সংক্রমণ বা ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন হলে
★দীর্ঘদিন উত্তেজনা প্রশমনের ওষুধ নিলে
★দীর্ঘদিন ঘুমের ওষুধ গ্রহণ করলে
★পেশী শিথিল করার ওষুধ নিলে
★ভারী বস্তু বহন করলে
★মাল্টিপল সক্লেরোসিস জাতীয় স্নায়ুরোগের ক্ষেত্রে
★অস্ত্রোপচার বা আঘাতের ফলে মূত্রথলি নিয়ন্ত্রণকারী স্নায়ুগুলির ক্ষতি হলে
★ডিপ্রেশন বা উদ্বেগ (এংজাইটি) থাকলে
★দুর্বল ব্লাডারের কারনে
★মূত্রাশয় ক্যান্সার / পাথর হলে
★স্নায়বিক রোগ থাকলে
★ডায়াবেটিস থাকলে
★তীব্র মূত্রনালীর সংক্রমন হলে
★মাত্রাতিরিক্ত ওজন থাকলে
★পারিবারিক ইতিহাস থাকলে

চিকিৎসা না করলে প্রস্রাব ধারন না রাখতে পারার এই রোগটির ফলে যেসব জটিলতা দেখা দিতে পারে তা হলোঃ

★মানসিক সমস্যা বা বিষণ্নতা
★উদ্বেগ
★ঘুম ব্যাঘাত
★যৌন সমস্যা
★লাল লাল ফুসকুড়ি
★ঘা
★মূত্রনালীর সংক্রমণ ত্বকের সমস্যা
★দৈনন্দিন কাজকর্মে পরিবর্তন
★কর্ম জীবনে পরিবর্তন
★ব্যক্তিগত জীবনে প্রভাব

প্রস্রাবে ধারনে অক্ষমতা রোগের চিকিৎসাঃ

১. আপনার লক্ষণ যদি উপরে উল্লিখিতগুলোর মত হয় তাহলে একজন ইউরোলজিস্ট, এর পরামর্শ ও চিকিৎসা গ্রহন করুন

২. ফিজিওথেরাপি চিকিৎসাঃ একজন ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকের পরামর্শে বিভিন্ন থেরাপিউটিক এক্সারসাইজ করুন। যেমনঃ
- পেলেভিক ফ্লোর পেশী এবং প্রস্রাব স্ফটিক শক্তিশালী করা

- ইলেকট্রিক্যাল স্টিমুলেটরের মাধ্যমে পেলভিক ফ্লোরের মাংসপেশি শক্তিশালী করে ৪ থেকে ৬ সপ্তাহের মধ্যে এ সমস্যা অনেকটাই কমানো সম্ভব।

- কেগেল এক্সারসাইজ যা এই সমস্যায় সাহায্য করতে পারে।
- গর্ভাবস্থায় সময় পেলভিক ফ্লোর এক্সারসাইজ করা।

সেল্ফ/ নিজস্ব কিছু ব্যায়ামঃ

পেলভিক ফ্লোর এক্সারসাইজঃ

-- প্রথমে একটি চেয়ারে বসুন। মেরুদণ্ড সোজা রেখে একটু সামনের দিকে ঝুঁকুন। এবার প্রস্রাব ধরে রাখার জন্য দরকারি মাংসপেশিগুলো সংকুচিত করুন। এই অবস্থায় ৫ থেকে ১০ সেকেন্ড থাকুন। এবার সংকুচিত মাংসপেশি ছেড়ে দিন। পুরো প্রক্রিয়াটি ১০ থেকে ১৫ বার এবং দিনে ৩ বার করুন।

-- একটি শক্ত বিছানায় চিত হয়ে শুয়ে দুই হাঁটু ভাঁজ করুন। এবার দুই হাঁটুর ফাঁকে একটি ফুটবল বা বালিশ রেখে এতে চাপ দিন এবং ৫ সেকেন্ড ধরে রাখুন আর ছাড়ুন। পুরো প্রক্রিয়াটি ১০ থেকে ১৫ বার এবং দিনে ৪ বার করুন।

ব্রিজিং: সোজা চিত হয়ে শুয়ে দুই হাঁটু ভাঁজ করুন। এবার কোমর ওপরের দিকে ওঠান, ৫ সেকেন্ড ধরে রাখুন এবং ছাড়ুন। এটিও দিনে ৪ বেলা এবং প্রতিবার ১০ থেকে ১৫ বার করুন।

-- ব্লাডার ট্রেনিংঃ প্রস্রাবের বেগ শুরু হওয়ার ১০ মিনিট পর প্রস্রাব করার অভ্যাস করা।

-- ডাবল ভোয়েডিংঃ প্রস্রাব করার পরও কিছু সময় বসে থেকে অপেক্ষা করে আবার প্রস্রাবের চেষ্টা করা। এ ছাড়া প্রস্রাবের বেগ না এলেও ২ থেকে ৪ ঘণ্টা পরপর প্রস্রাবের চেষ্টা করা।

প্রতিরোধঃ

★ স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখুন
★ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন
★ধূমপান ত্যাগ করুন
★সুস্থ খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন
★আঁশযুক্ত খাবার বেশি খান
★সমস্যা কমাতে নিয়মিত পেলভিক ফ্লোর এক্সারসাইজ করুন
★নিয়মিত ব্যায়াম করুন
ধন্যবাদ,,,,

16/11/2020

শুভ সকাল

ফিজিওথেরাপি, ঔষুধ, ইঞ্জেকশন্স নাকি সার্জারি???

কোমরে ব্যাথা এবং সেই সাথে পা ঝিনঝিন বা অবশ অবশ হয়ে যাওয়া, PLID, also known as, Lumbar intervertebral disc disease with radiculopathy (সহজ বাংলায় অনেকে “সায়াটিকা” বলে থাকে) -এর চিকিৎসা পদ্ধতি নির্ধারন:
****সর্বোচ্চ মানের, সর্বাধুনিক গবেষণা এবং আমেরিকান এসোসিয়েশন অফ নিউরোলোজিক্যাল সার্জনস-এর মতে, PLID-এর নাম্বার-১ বা "FIRST LINE" চিকিৎসা পদ্ধতি হচ্ছে ফিজিওথেরাপি (কনজারভেটিভ) চিকিৎসা। প্রথমে, ৪-৬ সপ্তাহ ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা নিতে হবে। ফিজিওথেরাপি ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী, সঠিকভাবে চিকিৎসা নিলে এবং নিয়মাবলী মেনে চললে, এই ৪-৬ সপ্তাহের মধ্যে ৮০-৯০% রোগী অনেক উপকার পায়, অনেক সময়, সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যায়।
****অনেক"তীব্র" ব্যাথা থাকলে, ব্যাথার ঔষুধ খেতে পারেন কিংবা ইঞ্জেকশন নিতে পারেন। তবে, এগুলোর অনেক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। তাই, ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা যেমনঃ মোবিলাইজেশন(গ্রেড-১ অথবা ২), ইলেকট্রিকাল স্টিমুলেশন, থেরাপিউটিক আল্ট্রাসাউন্ড এবং লেজার মেশিন ব্যবহার করে ব্যাথা নিয়ন্ত্রন করাটাই অধিকতর ভালো।
***যদি ৪-৬ থেকে সপ্তাহ ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা নেওয়ার পরও উপকার না পান বা উন্নতি না হয়, তবে সার্জারি (ডিসেক্টমি বা লামিন্যাক্টোমি) করতে পারেন। সার্জারির পর সঠিক পূনর্বাসনের জন্যেও ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা নিতে হবে।

আশা করি, এখন বুঝতে পেরেছেন যে, কোমরে ব্যাথা এবং সেই সাথে পা ঝিনঝিন বা অবশ অবশ করলে, প্রথমেই ফিজিওথেরাপির ডাক্তারের পরামর্শ এবং চিকিৎসা নিন।😊
ধন্যবাদ,,,

শুভ সকাল কার্পাল টানেল সিনড্রোম (CARPAL TUNNEL SYNDROME) রোগের ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার গুরুত্বঃকার্পাল টানেল সিনড্...
12/11/2020

শুভ সকাল

কার্পাল টানেল সিনড্রোম (CARPAL TUNNEL SYNDROME) রোগের ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার গুরুত্বঃ
কার্পাল টানেল সিনড্রোম একটি অতি পরিচিত রোগ। সাধারনত এ ক্ষেত্রে হাতের কব্জি এবং বৃদ্ধাঙ্গুলি থেকে মধ্যমা পর্যন্ত তিন আঙুল পর্যন্ত ব্যথা হবে, ঝিন ঝিন বা শির শির করবে,অবশ অবশ মনে হবে এবং দুর্বল হয়ে যাবে। তবে কনিষ্ঠ আঙুল কখনো আক্রান্ত হয় না।রাতের বেলায় রক্ত সঞ্চালন কম হওয়ার কারণে ব্যথা বৃদ্ধি পায়। বুড়ো আঙুলের গোড়ার মাংসপেশি ধীরে ধীরে শুকিয়ে যায় ও আঙুল দুর্বল হয়ে যায়, কাজ করলে ব্যথা বাড়ে। হাত মৃদু ঝাঁকালে বা ঝুলিয়ে রাখলে একটু আরাম অনুভব হয়। ব্যথা কব্জি থেকে ওপরের দিকে উঠতে পারে।
কারনঃ
এটি মূলত কার্পাল টানেলের মিডিয়ান নার্ভের উপর চাপ পরার কারনে হয়ে থাকে।এই চাপ বিভিন্ন কারনে পরতে পারে।
যেমনঃ হাইপোথাইরয়েডিজম, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, গাউট, নিয়মিত মদ্যপান, গর্ভধারণ করা , ওজন বাড়া, প্রভৃতি কারণের জন্য এই কার্পাল টানেল ছোট হয়ে যায়। এ ছাড়াও কব্জির হাড় ভেঙে সঠিকভাবে জোড়া না লাগলে বা দীর্ঘদিন প্লাস্টার করে রাখার ফলে কার্পাল টানেলে চাপ পড়তে পারে।তবে মধ্যবর্তী বয়সের মহিলারাএ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকেন।
চিকিৎসাঃ
কার্পাল টানেল সিনড্রোম রোগের ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার গুরুত্ব পূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
১।প্রাথমিক অবস্থায় কবজির বিশ্রাম খুবি গুরুত্বপূর্ণ ।
২। ব্যথার ওষুধ দেওয়া যেতে পারে।
৩।UST
৪।হট কমপ্রেসন।
৫। স্টেরয়েড ইনজেকশন দেওয়া যেতে পারে।
৬। রাতে ঘুমানোর সময় সিপ্রন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে।
এ ছাড়াও কব্জির ওপরে চাপ পড়ে এমন কাজ না করাই উচিত। যেমন:
কাপড় ধোয়া
টিউবওয়েল চাপা
একটানা লেখালেখি না করা
দা, কোদাল বা কুড়াল দিয়ে কিছু কাটাকাটি করা
ড্রিল মেশিন ব্যবহার করা
হাতে ভারী ওজন বহন করা
ধন্যবাদ,,,,

শুভ সকাল ভেরিকস ভেইনঃ অপারেশনই কি একমাত্র চিকিৎসা?ভেরিকস ভেইন নামটা খুব চেনা না হলেও কন্ডিশনটি কিন্তু বেশ চেনা। আমাদের দ...
11/11/2020

শুভ সকাল

ভেরিকস ভেইনঃ অপারেশনই কি একমাত্র চিকিৎসা?

ভেরিকস ভেইন নামটা খুব চেনা না হলেও কন্ডিশনটি কিন্তু বেশ চেনা। আমাদের দেশেও এই রোগের প্রকোপ নেহাত কম নয়।

এখন জেনে নেওয়া যাক ভেরিকস ভেইন রোগটা কী ও কেন হয়।

ভেরিকস ভেইন হল রক্তনালীর একটি সাধারণ রোগ। ত্বকের নীচে জন্মানো ফোলা ও প্যাঁচানো শিরাকে ভেরিকস ভেইন বলে। এই রোগ শরীরের যেকোনও অংশেই দেখা দিতে পারে। তবে, সাধারণত পায়ে ভেরিকস ভেইন দেখা দেয়। এর ফলে যে সব উপসর্গ দেখা যায় সেগুলি হলোঃ

- ভেরিকস ভেইন হলে শুরুতে খুব একটা ব্যথা বেদনা থাকে না। শুরুতে পা ভারি লাগে।

- পায়ের শিরা ঘন নীল বা জটলা দেখায়।

- পায়ের শিরা পাকানো দড়ির মতো হয়ে যায়, যা বাইরে থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়।

- পায়ের পাতা ফুলতে শুরু করে, জ্বালা ভাব , মাসল ক্র্যাম্প ও পায়ের ক্লান্তি দেখা দেয়।

- যে অংশে শিরা ফুলে ওঠে সেখানে চুলকানি হয়।

- পায়ের ত্বকের রঙ বদলে যায়, ত্বক শুকিয়ে পাতলা হয়ে যায়, ত্বক থেকে আঁশ ওঠে এবং ফুলে যায়।

- যত দিন যায় সমস্যা ক্রমশ বাড়তে থাকে। টানা দাঁড়িয়ে বা বসে থাকলে পায়ে ব্যথা শুরু হয়, ব্যথা বাড়ে।

- কাফ মাসল সহ পায়ের ফুলে ওঠা শিরার ব্যথা ক্রমশ বাড়তে থাকে।

- চিকিৎসার অভাবে সমস্যা বাড়তেই থাকে, পায়ে আলসার বা ঘা হয়ে যায়। আচমকা ব্লিডিং শুরু হতে পারে।

লাইফ থ্রেটেনিং নয় বলে শুরুতে অনেকেই ব্যপারটাকে সেভাবে গুরুত্ব দেন না। কিন্তু অবহেলা করলে সমস্যা বাড়ে সেকথা বলাই বাহুল্য।

কারণসমূহ :

• জন্মগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ হৃদপিণ্ড থাকলে।

• অনেকক্ষণ একনাগাড়ে দাঁড়িয়ে/ বসে কাজ করলে।

• পায়ের ওপর পা তুলে অনেকক্ষণ বসে থাকার অভ্যাস থাকলে।

• অতিরিক্ত ওজন।

• গর্ভবতী মায়েদের এ রোগ হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

আমাদের করনীয়ঃ

১) নিয়মিত শরীরচর্চা ও ব্যায়াম করুন। পায়ের রক্ত চলাচলকে বৃদ্ধি করতে রোজ হাঁটুন।

২) শরীরের ওজন কমান ও খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে সচেতন হন। কম লবণযুক্ত খাদ্য গ্রহণের অভ্যাস করুন।

৩) উঁচু হিলযুক্ত জুতা ব্যবহার করবেন না। সমান আকৃতির জুতো পরুন, যাতে কাফ মাসলের ক্রিয়াশীলতা বৃদ্ধি পায়, যা শিরার জন্য উপকারী।

৪) কোমর, পায়ে,হাতে ও কুঁচকিতে আঁটোসাঁটো কিছু পরবেন না, যাতে রক্ত চলাচলে সমস্যা দেখা না দেয়।

৫) দীর্ঘ সময় ধরে দাঁড়িয়ে বা বসে থাকবেন না।

৬) বেশিক্ষণ পা ভাঁজ করে বসবেন না।

ভেরিকোস ভেইন এর ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা পদ্ধতি:

-- ককম্প্রেসন স্টকিংস - এটা ফোলা কমাতে সাহায্য করে এবং পায়ে মৃদু চাপসৃষ্টি করে, যেটা রক্তকে ধাক্কা দিয়ে হৃদয়ের কাছে পৌঁছে দেয় এবং রক্তের টান কম করে দেয়।

-- বিভিন্ন ধরনের পজিশনইং করা যেমন শোয়ার সময় পা উঁচু রাখা।

-- বিভিন্ন রকম থেরাপিওটিক এক্সারসাইজ মধ্যমে কিউর করা।

-- ভেরিকোস ভেইন এ ইলেকট্রথেরাপির রোল আছে।যেমন-ইসপাজম বা ক্র্যাম্প মাংসপেশিকে রিলাকজিং করা,রক্ত সনচালন বাড়ানোর।

অপারেশন ছাড়াও ফিজিওথেরাপি এবং খাদ্যাভ্যাস,শরীরচর্চা মাধ্যমেও ভেরিকোস ভেইন নিরাময় করা সম্ভব।

ধন্যবাদ,,,,,

মাসল ক্র্যাম্প বা মাংসপেশিতে হঠাৎ টানের সমাধান ও চিকিৎসা ঘুমন্ত অবস্থায় হঠাৎ পায়ের মাংসপেশির টানের ব্যথায় কুঁকিয়ে উঠল...
10/11/2020

মাসল ক্র্যাম্প বা মাংসপেশিতে হঠাৎ টানের সমাধান ও চিকিৎসা

ঘুমন্ত অবস্থায় হঠাৎ পায়ের মাংসপেশির টানের ব্যথায় কুঁকিয়ে উঠলেন আপনি। রাতে হঠাৎ পায়ের মাসল ক্র্যাম্প বা মাংসপেশিতে টানের এই অভিজ্ঞতা অনেকেরই রয়েছে। এমন অসহনীয় ব্যথায় কী করবো তা অনেকেই বুঝতে পারি না। এমন ঘটনা ঘুমের মধ্যে বা জেগে থাকা অবস্থাতেও হতে পারে। তবে ঘুমন্ত অবস্থায় এটি বেশি হয়ে থাকে। এ ধরনের টান কয়েক সেকেন্ড থেকে ১০-১৫ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। তবে ব্যথাটা কয়েক ঘন্টা থেকে এক সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে। সাধারনত কাফ মাসলে এই ধরনের ক্র্যাম্প বেশি হয়। এ ছাড়াও হাতে, পেটে, ঘাড়ে, কোমরে, পায়ের তালুতে মাসল ক্র্যাম্প হতে পারে।

মাসল ক্র্যাম্প বা মাংসপেশিতে টানের প্রধান কয়েকটি কারণ হলো-

- পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন

- ইলেক্ট্রোলাইটিক ইমব্যালেন্স (দেহে খনিজ অসমতা); অর্থাৎ শরীরে সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্লোরিন, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালসিয়াম ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ এর ঘাটতিতে মাসল ক্র্যাম্প বা মাংসপেশিতে টান লাগে

- শরীরের যেকোনো একটি মাংসপেশি অনেকক্ষণ ধরে ব্যবহৃত হলে

- ব্যায়াম, খেলাধুলা বা যেকোনো শারীরিক কসরতের আগে ওয়ার্মআপ না করলে এবং অতিরিক্ত ব্যয়াম করলে

- হঠাৎ অতিরিক্ত ভারী কিছু উঠালে/ বহন করলে

- মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা করলে

- যাঁরা দীর্ঘসময় ধরে কম্পিউটারের সামনে কিংবা চেয়ারে বসে কাজ করেন কিংবা লম্বা সময় যানবাহন চালান, তাঁদের কাঁধ, ঘাড় অথবা পিঠের মাংসপেশিতে টান পড়ার আশঙ্কা বেশি থাকে

- গর্ভকালীন সময়ে, বিশেষ করে গর্ভাবস্থায় শেষের দিকে প্রয়োজনীয় খনিজের অভাবে পেশিতে টান পড়ে

- হাইপোথাইরয়েডিজম, কিডনি ফেইলিওর, মিন্সট্রুয়েশন, গর্ভসঞ্চার ইত্যাদির কারনেও পেশীতে টান লাগতে পারে

কখন বুঝবেন মাসল ক্র্যাম্প হয়েছে?

- যদি পেশীতে অনেক ব্যথা হয় এবং পেশী অনেক দুর্বল হয়ে যায়

- আঘাতপ্রাপ্ত জায়গাটি যদি ফুলে ওঠে বা লালচে দাগ পড়ে যায়

- যদি আঘাতপ্রাপ্ত স্থান ব্যবহার করে স্বাভাবিক ওজন নিতে কষ্ট হয়

- মাংসপেশি আপনা-আপনি অনেক শক্ত হয়ে পড়লে

মাসল ক্র্যাম্প এড়াতে কি করবেন?

- প্রচুর পানি পান করতে হবে

- যেকোনো শারীরিক কসরতের আগে বা ভারী কিছু তোলার আগে অবশ্যই ওয়ার্মআপ করে মাংসপেশিগুলোকে সচল করে নিতে হবে

- নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে

- দীর্ঘক্ষণ না বসে, ৪০ মিনিট বা এক ঘণ্টা পর পর কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করতে হবে

- পেশীর টানমুক্ত অবস্থায় ভালো থাকতে খনিজ উপাদানযুক্ত খাবার গ্রহন করতে হবে। শাকসবজি, ফল, খেজুর, দুধ ও মাংসতে পর্যাপ্ত পরিমাণে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ইত্যাদি রয়েছে। তাই এই খাবারগুলো বেশি বেশি খাবেন

মাসল ক্র্যাম্প বা মাংসপেশিতে যদি টান লাগে তাহলে আমাদের করনীয় কি?

- বিশ্রাম নিতে হবে

- পর্যাপ্ত পানি বা তরল গ্রহণ করুন। যেমন- ফলের রস, ডাবের পানি, তরমুজ, স্যালাইন ইত্যাদি।

- কাফ মাসলের ক্ষেত্রে, নিচের নিয়মানুসারে সেলফ কাফ মাসল থেরাপিউটিক এক্সারসাইজ করা যেতে পারে

• সোজা হয়ে পায়ের আঙুলের ওপর ভর করে দাঁড়ালে কাফ মাসলেরর স্ট্রেন্থ বাড়ে। দশ সেকেন্ড ধরে রেখে পা নামিয়ে ফেলুন। তিন বা চারবার করুন। প্রতিদিন অন্তত একবার।

• বসে দুই পা সোজা করে, তোয়ালে দিয়ে পায়ের পাতা সামনের দিকে টেনে আনার চেষ্টা করুন। দশ সেকেন্ড ধরে রেখে ছেড়ে দিন। পাঁচ থেকে ছয়বার করুন।

• মাসল ক্র্যাম্প এর গুরুত্বপূর্ণ একটি চিকিৎসা হচ্ছে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা।ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার মাধ্যমে খুব দ্রত মাসল ক্র্যাম্প থেকে রিলিফ পাওয়া সম্ভব।
একজন ফিজিওথেরাপিস্ট চিকিৎসক বিভিন্ন রকম টেকনিক এপ্লাই করে মাংসপেশিকে আগের অবস্থায় ফিরে আনে।যেমন-

০ রিলাকজেশন টেকনিক

০ RICE principle থেরাপির মাধ্যমে। RICE principle এর ৪টি ধাপ হলো- রেস্ট, আইস, কমপ্রেশন ও এলিভেট

০ স্ট্রেচিং

প্রয়োজনে আরও জানতে এবং আমাদের পরামর্শ ও চিকিৎসা নিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
সুস্থ ও নিরাপদ থাকুন।
ধন্যবাদ,,,

Address

House No. Ka 93/1 Kuril Kazi Bari Vatara Dhaka
Dhaka
1229

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 15:30 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8801748105573

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pain Relief Physio Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram