21/11/2020
...........সারভাইক্যাল স্পনডাইলোসিস......
এটি খুবই পরিচিত একটি রোগের নাম।আমাদের চল্লিশোর্ধ বেশি ভাগ মানুষই কোন না কোন ভাবে এই রোগে ভুগে থাকে।এটি মেরুদণ্ডের হাড় বা কশেরুকার ক্ষয় জনিত রোগ।মেরুদণ্ডকে মেডিকেলের পরিভাষায় কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয় যেমনঃ
১.ঘাড়ের অংশ টুকু সারভাইক্যাল
২.পিঠের অংশকে থোরাসিক স্পাইন
৩. কোমরের অংশকে লাম্বার স্পাইন
৪.কোমরের নিচের অংশকে স্কেরাল স্পাইন
আমাদের মেরুদণ্ডের সবচেয়ে বেশি নড়াচড়া হয় দুটি অংশে, ঘাড় বা সারভাইক্যাল৷ ও কোমর বা লাম্বার। যেহেতু সারভাইক্যাল স্পইনের সুভমেন্ট বা নড়াচড়া বেশি হয় এর ফলে মেরুদন্ডের একই অংশে হাড়ের ক্ষয় ও বেশী হয়ে থাকে।ঘাড়ের মেরুদণ্ডের এ ক্ষয় হয়ে যাওয়াকে সারভাইক্যাল স্পনডাইলোসিস বলা হয়।
💢💢লক্ষণ সমূহ :
১.ঘাড় ব্যথা, কাধ ব্যথা এমনকি হাতের আঙ্গুল পর্যন্ত ব্যথা হইতে পারে।
২.হাত ঝিনঝিন বা অবশ অবশ লাগা।
৩.হাত দূর্বল হয়ে যাওয়া।
৪.ঘাড়ের মাসল শক্ত হয়ে যাওয়া।
৫.সকালে ব্যথা বেশি অনুভূতি হওয়া।
৬.হাতে ভাড়ি কিছু উঠালে ব্যথা বেশি লাগা। ইত্যাদি
💢💢কারন সমুহ:
১.যে কোন ধরনের আঘাত।
২.হাড়ের ইনফেকশন।
৩.অস্টিওপরোসিস।
৪.টিউমার।
৫.অস্টিওমেলাসিয়া বা ভিটামিন ডি অভাব।
৬.পেশাগত। ইত্যাদী
💢💢উপদেশ
১. সারভাইক্যাল কলার ব্যবহার করতে হবে।
২.হাতে ভাড়ি জিনিত উঠানো যাবে না।
৩.নামাজের সময় তুলনা মুলক সেজদা একটু সামনে দিতে হবে।
৪.ব্যথা বেশি থাকলে গরম সেক দিতে হবে।
৫.সর্বোপরি ঘাড় যেন মুভমেন্ট না হয় সে দিকে লক্ষ রাখতে হবে।
💢💢💢💢💢বি.দ্র💢💢💢💢💢
----এই রোগের জন্য ফিজিওথেরাপি সবচেয়ে কার্যকরী চিকিৎসা তাই দিনে দু- বেলা ফিজিওথেরাপি নিলে ভাল ভাল পাওয়া যাবে। ইনশাআল্লাহ
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,কালের কন্ঠ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,