Health & Beauty Product

Health & Beauty Product সরাসরি আমদানিকৃত পণ্য, স্বাস্থ্যসেবা ও সৌন্দর্য বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ব্যবহার্য।

খুশকি প্রতিকারে ঘরোয়া সমাধান-খুশকি থেকে বাঁচতে প্রাকৃতিক উপায় অবলম্বন করাই শ্রেয়। হাতের কাছে থাকা এমন কিছু উপকরণ দিয়েই এ...
02/05/2021

খুশকি প্রতিকারে ঘরোয়া সমাধান-

খুশকি থেকে বাঁচতে প্রাকৃতিক উপায় অবলম্বন করাই শ্রেয়। হাতের কাছে থাকা এমন কিছু উপকরণ দিয়েই এর প্রতিকার করা যায়। তেমন কিছু সহজ রেমেডি বা টোটকা সম্পর্কে জানানো হলো।

আপেল সাইডার ভিনেগার:
বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিনেগার। আপেল সাইডার ভিনেগার মাথার ত্বকের বা স্ক্যাল্প থেকেই সহজেই মৃত কোষ সরাতে পারে। বলে রাখি, এই মৃত কোষও কিন্তু হিজাব পরিহিত নারীদের খুশকির জন্য বেশ খানিকটা দায়ী। এ ছাড়া এসিভি একটি অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান। এটি স্ক্যাল্প ও চুলে ফাঙ্গাসের বৃদ্ধি হ্রাস করে। এসিভি খুশকির জন্য হওয়া চুলকানি কমাতে পারে। এটি মাথার ত্বকের পিএইচ ব্যালেন্স বজায় রাখে।
দেড় কাপ পানির সঙ্গে আধা কাপ আপেল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে চুল পরিষ্কার করার পর মাথার ত্বকে ভালোভাবে লাগাতে হবে। এই রেমেডি লাগানোর জন্য স্প্রে বোতল ব্যবহার করলেই সুবিধা হয়।

টি ট্রি অয়েল:
কিছুদিন আগেও আমাদের দেশে অনেকেই টি ট্রি অয়েল সম্পর্কে জানতেন না। যাঁরা সৌন্দর্যচর্চার নিত্যনতুন উপাদান নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করেন, তাঁদের কাছে এখন বেশ পরিচিত একটা জিনিস এটি। একে জাদুকরি এসেনশিয়াল অয়েল বলা হয়। টি ট্রি অয়েল প্রাকৃতিক ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাসনাশক। চুলের খুশকি দূর করতে অনেক কার্যকর। দুই টেবিল চামচ যেকোনো ক্যারিয়ার অয়েলের (নারিকেল, আমন্ড, জলপাই তেল) সঙ্গে মাত্র কয়েক ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে চুলে ম্যাসাজ করলে কয়েক দিনের মধ্যে খুশকির প্রকোপ কমে আসে। এটি শ্যাম্পুর সঙ্গে মিশিয়েও ব্যবহার করা যায়।

লেবু:
খুশকি দূর করতে সবচেয়ে প্রাচীন এবং জনপ্রিয় রেমেডি। লেবুর সাইট্রিক অ্যাসিড দারুণ এক্সফোলিয়েটর। সেই সঙ্গে এটি স্ক্যাল্পের চুলকানি কমিয়ে থাকে এবং এর পিএইচ ব্যালেন্স বজায় রাখে। লেবু মাথার ত্বকের অতিরিক্ত তেল শোষণ করতে পারে। দুই টেবিল চামচ লেবুর রসের সঙ্গে এক টেবিল চামচ পানি বা নারিকেল তেল মিশিয়ে ভালোভাবে মাথার তালুতে ম্যাসাজ করে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। ভালো ফল পেতে সপ্তাহে অন্তত দুই দিন ব্যবহার করুন।

ওটস:
ওটসে আছে সাপোনিন, যা একটি প্রাকৃতিক ক্লিনজার। মাথার ত্বকে থাকা তেলচিটচিটে ভাব দূর করার সঙ্গে সঙ্গে তাড়াতে পারে মৃত কোষ। এর অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান খুশকি ও চুলকানির সমস্যা সমাধানে বেশ সহায়তা করে। লিপিড আর প্রোটিনে সমৃদ্ধ বলে ওটস মাথার ত্বকে পুষ্টি জুগিয়ে একে ময়শ্চারাইজ করে।
ওটস চুলে পেস্ট করে লাগানো যায়। আবার ওট মিল্ক বানিয়ে ব্যবহার করা যায়। ওটসের সাধারণ মাস্কটি চুলে শ্যাম্পু দেওয়ার আগে লাগাতে হয় আর ওট মিল্ক মাস্ক শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধোয়ার পর। এটি বানাতে এক কাপ ওটসের সঙ্গে দুই কাপ পানি মিশিয়ে ব্লেন্ড করলেই হবে। ওট মিল্ক লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে দিতে হবে। এরপর ভালোভাবে ধুতে হবে, যাতে চুলের গোড়ায় এটি লেগে না থাকে।

প্রকাশ: ০২ মে ২০২১
প্রথম আলো

মেদ, ভুঁড়ি কমাব কীভাবে-স্থুলতা ও ওজনাধিক্য বর্তমান বিশ্বের অন্যতম বড় স্বাস্থ্য সমস্যা। নগরায়ণ, কায়িক শ্রমের অভাব, খাদ্যা...
20/03/2021

মেদ, ভুঁড়ি কমাব কীভাবে-

স্থুলতা ও ওজনাধিক্য বর্তমান বিশ্বের অন্যতম বড় স্বাস্থ্য সমস্যা। নগরায়ণ, কায়িক শ্রমের অভাব, খাদ্যাভ্যাসে বিপুল পরিবর্তন বিশ্বব্যাপী স্থূলতার হার বাড়িয়ে দিচ্ছে। আর স্থূলতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রোগগুলো, যেমন ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল, হৃদ্‌রোগ, স্ট্রোক, আর্থ্রাইটিস ইত্যাদি। চিকিৎসাবিজ্ঞানে স্থূলতা বা ওবেসিটিকে একটি গুরুতর রোগ হিসেবেই ধরা হয়। আর বলা হয় এর যথাযথ সময়ে চিকিৎসার কথা।

আপনি কি স্থুল-
একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ বা নারীর আদর্শ ওজন কত হওয়া উচিত, তা জানতে বিএমআই বা বডি মাস ইনডেক্সের পরিমাপ ব্যবহার করা হয়। ওজনকে (কিলোগ্রামে) উচ্চতার (মিটারে) দ্বিগুণ বা বর্গ (স্কয়ার) দিয়ে ভাগ করলেই এই বিএমআইয়ের হিসাব পাওয়া যায়। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের স্বাভাবিক বিএমআই হলো ১৮ দশমিক ৫ থেকে ২৪ দশমিক ৯ পর্যন্ত। বিএমআই ২৫–এর ওপর হলে সেটি ওভারওয়েট বা ওজনাধিক্য। বিএমআই যদি ৩০–এর ওপর হয়, তবে সেটি ওবেস বা স্থুল । আর ৪০–এর ওপর বিএমআই হলে তা মরবিড ওবেস বা গুরুতর রকমের স্থুল বলা যায়।
স্থুলতার আরেকটি পরিমাপ হলো পেটের মাপ বা ওয়েস্ট সারকামফেরেন্স। এশীয় পুরুষদের পেট বা ভুঁড়ির মাপ ৯০ সেন্টিমিটারের বেশি আর নারীদের ৮০ সেন্টিমিটারের বেশি হলে তাকে স্থূল ধরা হয়। এশীয়দের কম উচ্চতার জন্য বিএমআই স্বাভাবিক থাকলেও পেটের মাপ প্রায়ই বেশি পাওয়া যায়। আর এই উদরের চর্বি বা অ্যাবডোমিনাল ফ্যাট নানা রকমের রোগের জন্য দায়ী।

কেন ওজন বাড়ে-
ওবেসিটি বা ওজন বাড়ার পেছনে মূল কারণ হলো ক্যালরি গ্রহণ আর ক্যালরি ক্ষয়ের মধ্যে অসামঞ্জস্য। আমরা দৈনিক যত ক্যালরি খেয়ে থাকি, সে অনুযায়ী খরচ না করলে বা পরিশ্রম না করলে সেই অতিরিক্ত ক্যালরি মেদ বা চর্বি হিসেবে দিন দিন জমা হতে থাকে।
দ্রুত নগরায়ণ আর যন্ত্রনির্ভরতার কারণে কায়িক পরিশ্রম কমছে মানুষের, অপর দিকে বাড়ছে উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার (ফাস্ট ফুড, ডেজার্ট, কোমল পানীয়) গ্রহণের প্রবণতা। শৈশব থেকেই মন্দ খাদ্যাভ্যাস আর কম পরিশ্রম
স্থূলতার ঝুঁকিতে ঠেলে দিচ্ছে বর্তমান বিশ্বের মানুষকে। এ ছাড়া খেলাধুলার স্থানের অভাব, অফিসে দিনমান টেবিলে বসে কাজ, কম্পিউটার-সেলফোন বা গাড়ি লিফটের প্রতি অতিনির্ভরতা, স্ট্রেস ইত্যাদি পরোক্ষভাবে স্থূলতার জন্য
দায়ী।
কিছু হরমোনজনিত রোগ স্থূলতার জন্য দায়ী হতে পারে। যেমন শরীরে স্টেরয়েড হরমোনের আধিক্য (কুশিং সিনড্রোম), হাইপোথাইরয়েডিজম, পলিসিস্টিক ওভারি ডিজিজ ইত্যাদি।
কিছু ওষুধ দীর্ঘদিন ব্যবহারের কারণেও ওজন বাড়ে। যেমন স্টেরয়েড–জাতীয় ওষুধ, ইনসুলিন, ডায়াবেটিসের সালফোনিল ইউরিয়া ওষুধ, অ্যান্টিসাইকোটিক গ্রুপের কিছু ওষুধ, জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি ইত্যাদি। কিছু জিনগত রোগে (যেমন প্রেডার উইলি সিনড্রোম) আক্রান্ত ব্যক্তি অস্বাভাবিক রকম স্থূল হতে পারে।

স্থুলতার সমস্যা
টাইপ–২ ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্‌রোগ, স্ট্রোক বা পক্ষাঘাত ইত্যাদি রোগের ঝুঁকি বাড়ায় শরীরের মেদ। স্থুলতার কারণে হাঁটুতে অস্টিওআর্থ্রাইটিস বা কোমরে ব্যথা হয়। স্লিপ এপনিয়ার প্রধানতম কারণ হলো স্থূলতা। এমনকি ব্রেস্ট ক্যানসার, কোলন ক্যানসারসহ বেশ কিছু ক্যানসারের পেছনেও স্থূলতাকে দায়ী করা হয়। পিত্তথলিতে পাথর, ইনফারটিলিটি বা বন্ধ্যত্ব, ডিপ্রেশন ইত্যাদি সমস্যার সঙ্গেও স্থুলতার সম্পৃক্ততা রয়েছে।
কেবল ওজন কমানোর মাধ্যমে অনেক রোগের ঝুঁকি কমানো যায়। বিজ্ঞানীরা বলেন, ৫ থেকে ১০ শতাংশ ওজন কমাতে পারলেই আপনার রক্তচাপ, রক্তের শর্করা ও রক্তের চর্বির অভাবনীয় উন্নতি দেখতে পাবেন। কমে যাবে ক্যানসারের ঝুঁকিও।
স্থুলতার চিকিৎসা
বিএমআই ৩০–এর বেশি হলে ওজন কমাতে খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে চিকিৎসা নিতে পারবেন। তবে কারও যদি কো-মরবিডিটি থাকে (যেমন অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদ্‌রোগ, স্লিপ অ্যাপনিয়া) তাহলে বিএমআই ২৭–এর ওপরও এই চিকিৎসা শুরু করা যেতে পারে।
ওবিসিটির তিন ধরনের চিকিৎসা স্বীকৃত। মুখে খাবার ওষুধ, ইনজেকশন আর সার্জারি। কয়েক রকমের মুখে খাবার ওষুধ (যেমন ওরলিস্ট্যাট, টপিরামেট, বুপ্রোপ্রিওন ইত্যাদি) এফডিএ দ্বারা স্বীকৃত। লিরাগ্লুটাইড, সিমাগ্লুটাইড ইত্যাদি ইনজেকশন আকারে ব্যবহৃত হয়—এগুলো আসলে গ্লুকাগন লাইক পেপটাইড নামের হরমোন গোত্রের ওষুধ।
বিএমআই ৪০–এর বেশি কিংবা আনুষঙ্গিক রোগ থাকলে বিএমআই ৩৫–এর বেশি হলেও ব্যারিয়াট্রিক সার্জারি করা যাবে। বাংলাদেশে এ ধরনের শল্যচিকিৎসা শুরু হয়েছে।
ওজন কমাবেন কীভাবে
দৈনিক ক্যালরি গ্রহণ কমিয়ে আর ক্যালরি ক্ষয় বাড়িয়েই আপনি ওজন কমাতে পারবেন। তার জন্য প্রথমে চাই মোটিভেশন ও সদিচ্ছা। হঠাৎ করে বা রাতারাতি ওজন কমানোর চেষ্টা করবেন না। দীর্ঘ মেয়াদে পরিকল্পনা করুন। কেবল ওজন কমালেই চলবে না, সেই কম ওজন ধরে রাখাও চাই।
• উচ্চতা অনুযায়ী আপনার আদর্শ ওজন কত হওয়া উচিত, তা আগে জেনে নিন। সেটা হলো আপনার লক্ষ্য। লক্ষ্য যদি খুব দূরে হয়, মানে আপনার ওজন অতিরিক্ত বেশি হয়, তবে প্রথমে ৫ শতাংশ ওজন কমানোর লক্ষ্য ঠিক করুন।
• আদর্শ ওজন অনুযায়ী একটি ক্যালরি চার্ট বা খাদ্যতালিকা করে নিন। প্রতিদিনের ক্যালরি থেকে ৫০০ থেকে ৬০০ ক্যালরি কমিয়ে ফেললে ওজন কমতে শুরু করবে।
• শুধু ক্যালরি কমালেই হবে না; খাবার বাছাই করতে হবে সযত্নে। জটিল ও আঁশযুক্ত শর্করা গ্রহণ করবেন গ্লুকোজের উৎস হিসেবে। ভালো মানের প্রোটিন খেতে হবে। রেড মিট কমিয়ে মাছ, মুরগি, ডাল, বীজ, ডিম, দুধ থেকে আমিষ নেওয়ার চেষ্টা করুন। ফ্যাট বা চর্বি গ্রহণ কমাতে হবে দৈনিক ২০ শতাংশ। সেই চর্বি অসম্পৃক্ত চর্বি বা ওমেগা ৩ সমৃদ্ধ হলে ভালো। সামুদ্রিক মাছ, বাদাম ইত্যাদিতে আছে এই ওমেগা ৩। সম্পৃক্ত চর্বি (ঘি, মাখন, ডালডা, মাংসের গায়ে লেগে থাকা চর্বি) বাদ দিতে হবে। উচ্চ ক্যালরিযুক্ত যেকোনো খাবার যেমন ফাস্ট ফুড, কোমল পানীয়, মিষ্টি, চকলেট, ট্রান্সফ্যাট বাদ দিতে হবে। দিনে অন্তত ৬ গ্রাম ফাইবার বা আঁশ গ্রহণ করতে হবে।
• দীর্ঘদিন কম ওজন ধরে রাখার জন্য সুষম খাদ্যাভ্যাস সবচেয়ে ভালো। ভেরি লো ক্যালরি ডায়েট, লো কার্ব বা কিটো ইত্যাদি জনপ্রিয় ডায়েটে প্রাথমিকভাবে ওজন কমলেও ১২ থেকে ২৪ মাস পর মেটাবলিক, কার্ডিওভাসকুলার কোনো উপকার পাওয়া যায়নি। আর মনে রাখবেন, কেবল ডায়েটের মাধ্যমে দীর্ঘ সময় ওজন কমানোর প্রবণতা ধরে রাখা সম্ভব নয়। এর সঙ্গে চাই ব্যায়াম।
• প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫ মিনিট বা সপ্তাহে কমপক্ষে ১৫০ মিনিট ব্যায়াম বা অ্যারোবিক এক্সারসাইজ করতে হবে। দ্রুত হাঁটা, জগিং, সাঁতার, সাইকেল চালনা ইত্যাদি হলো অ্যারোবিক ব্যায়াম।
• ব্যায়ামের পাশাপাশি দৈনন্দিন প্রচেষ্টায়ও কিছু লাভ আছে। যেমন অফিসে কাজের ফাঁকে পায়চারি, বাগানে বা গৃহকর্মে অংশ নেওয়া, লিফট ব্যবহার না করে সিঁড়ি ব্যবহার করা, গাড়ির বদলে হেঁটে বাজার করা ইত্যাদিতেও ক্যালরি ক্ষয় হয়। দৈনিক দশ হাজার পদক্ষেপ বা স্টেপস হাঁটাহাঁটির চেষ্টা করুন সব মিলিয়ে।

প্রকাশ: ০৪ মার্চ ২০২১, ১০: ৩০
প্রথম আলো

তানজিনা হোসেন
সহযোগী অধ্যাপক, এন্ডোক্রাইনোলজি অ্যান্ড মেটাবলিজম বিভাগ, গ্রিন লাইফ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা।

অর্ডার করতে ফোন করুন- 01878858628..2 নম্বর প্রমান করতে পারলে পাঁচ হাজার টাকা রিটার্ন ।আর নয় দ্রুত বীর্যপাত , ডিলে স্পেরে...
27/11/2020

অর্ডার করতে ফোন করুন- 01878858628..
2 নম্বর প্রমান করতে পারলে পাঁচ হাজার টাকা রিটার্ন ।আর নয় দ্রুত বীর্যপাত , ডিলে স্পেরের সাথে আপনি করবেন বাজিমাত। যাহারা 2 নম্বর MAXMAN Delay Sprey (মেক্সমেন স্প্রে) কিনে প্রতারিত হয়েছেন তারা একবার ব্যাবহার করে দেখুন, আর পার্থক্যটা বুঝতে পারবেন । কিনবেন একবার ব্যাবহার অনেক বার(ছয় মাসের বেশি)। যখন বউ খুশি তখন আপনিও খুশি। আপনি হবেন দীর্ঘস্থায়ী পুরুষ। কিনলে আসল প্রোডাক্ট কিনুন, ভালো থাকুন।আপনার বিশ্বস্ততা ঠিক রাখাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
যাহারা বেশীক্ষণ সেক্স করতে পারেননা এবং খুব বেশি সেনসিটিভ , সেসব পুরুষদের জন্য আদর্শ এবং বিশ্বস্ত প্রোডাক্ট।আপনার সেক্স টাইম ১০গুন ( ৪০ থেকে ৫০ মিনিট) বাড়িয়ে দেবে।
আমরাই দিচ্ছি সবথেকে কমদামে ১০০% অরিজিনাল প্রোডাক্ট। Delay Spray For Men - জার্মানি থেকে আমদানিকৃত এই স্প্রে-টিতে কোন পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া নেই।
এই স্প্রে-টি কেবলমাত্র বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য।
ইহা দ্বারা আপনি নিম্নের উপকার পাবেন-
• পেনিসের সেনসিটিভিটি কমায়,
• আপনার সেক্স টাইম ১০গুন ( ৪০ থেকে ৫০ মিনিট) বাড়িয়ে দেবে,
• সহবাসের সময় আপনার আত্নবিশ্বাস বাড়িয়ে তুলবে,
• সহবাসকে করবে দীর্ঘ স্থায়ী এবং আনন্দময়।
দ্রষ্টব্যঃ যাদের পেনিসের স্ট্রেন্থ কম বা শক্ত হয় না, তারা ব্যাবহার করবেন না।
মূল্যঃ ১২০০ টাকা । (ব্যাবহার করা যাবে চার থেকে ছয় মাস)
ক্যাশ অন ডেলিভারী সুবিধা।
পণ্য অর্ডার করতে বা বিস্তারিত জানতে কল করুন +88 01878858628
অথবা ইনবক্স করুন।
সুখী সুন্দর জীবন ও দাম্পত্তের জন্য ব্যাবহার করুন।
বিশ্বস্ততা, প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা এবং সেবা প্রদান করাই আমাদের লক্ষ্য।প্রোডাক্ট এর লাভের ৫% দুস্থ ও আসহায় মানুষের কল্যাণে ব্যয় করা হয়।
অন্যান্য প্রোডাক্ট সম্পর্কে জানতে facebook পেজে ভিজিট করুন।https://www.facebook.com/health24x7bd/
Shop: H-29, Road-07, Sector-9, Uttara, Dhaka

স্বাভাবিক সন্তান প্রসবে সহায়ক যে যোগব্যায়ামপ্রকাশ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, প্রথম আলোহবু মায়েদের সুস্থ সন্তান প্রসবের পাশাপাশ...
22/09/2020

স্বাভাবিক সন্তান প্রসবে সহায়ক যে যোগব্যায়াম

প্রকাশ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, প্রথম আলো

হবু মায়েদের সুস্থ সন্তান প্রসবের পাশাপাশি ভাবতে হয় নিজেকে নিয়েও। পুরো গর্ভকালে মায়েদের কাটে নানা রকম চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে। এই শরীর ভালো তো এই একটু খারাপ। তাই ঘন ঘন মুড সুইং করার ঘটনাও ঘটে। এ সময় নানা কারণে মন খারাপ বা দুশ্চিন্তা করেন অনেকে। শরীর ও মনের বিষণ্নতা কাটাতে সহজ উপায় যোগব্যায়াম।
গর্ভাবস্থায় মায়েদের জন্য এ ব্যায়াম নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত। তবে পেটে চাপ লাগে, এমন কোনো আসন বা প্রাণায়াম করা এ সময় সম্পূর্ণ নিষেধ। গর্ভধারণের শুরু থেকেই যোগচর্চা করা যায়। তবে কারও যদি আগে গর্ভপাত হয়ে থাকে, সে ক্ষেত্রে প্রথম ৯০ দিন পার হওয়ার পর যোগব্যায়াম করতে পারেন। স্বাভাবিক প্রসব হলে তিন মাস পর আর অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে হলে সন্তান জন্মের ছয় মাস পর আবার যোগব্যায়াম করুন।

কখন করবেন, কখন না
হবু মায়েদের যোগাসনের আগে কিছু বিষয়ে জানা জরুরি। বিশেষ করে কোন অবস্থায় যোগব্যায়াম করা যাবে আর কোন অবস্থায় করা যাবে না। যোগব্যায়াম একাধারে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য কাজ করে। গর্ভাবস্থায় মায়েদের জন্য এ ব্যায়াম নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত। তবে পেটে চাপ লাগে, এমন কোনো আসন বা প্রাণায়াম করা এ সময় সম্পূর্ণ নিষেধ। গর্ভধারণের শুরু থেকেই যোগচর্চা করা যায়। তবে কারও যদি আগে গর্ভপাত হয়ে থাকে, সে ক্ষেত্রে প্রথম ৯০ দিন পার হওয়ার পর যোগব্যায়াম করতে পারেন। স্বাভাবিক প্রসব হলে তিন মাস পর আর অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে হলে সন্তান জন্মের ছয় মাস পর আবার যোগব্যায়াম করুন। কারণ, গর্ভধারণের সময়ের মতো সন্তান জন্মদানের পরবর্তী সময়ও মায়েদের জন্য যোগব্যায়াম জরুরি। গর্ভাবস্থায় করা যায়, এমন কিছু যোগাসনের কৌশল থাকছে এখানে।

ভদ্রাসন
যেভাবে করবেন

দুই পায়ের গোড়ালি ও পাতা পরস্পরের সঙ্গে মিলিয়ে সামনের দিকে রাখুন। দুই হাত দিয়ে পায়ের পাতা ধরে রাখুন। এবার হাত দিয়ে পায়ের পাতাকে টেনে যতটা সম্ভব মূত্রেন্দ্রিয়র কাছাকাছি রাখুন। হাঁটু দুটোকে আস্তে আস্তে মাটির সঙ্গে লাগানোর চেষ্টা করুন। এভাবে এক থেকে পাঁচ মিনিট পর্যন্ত থাকতে পারেন।
উপকারিতা

এ আসনের নিয়মিত অভ্যাসের ফলে স্বাভাবিক সন্তান প্রসবে সহায়ক হয়। পায়ের পেশির রক্ত সঞ্চালন সুচারুভাবে হয়। গর্ভাশয়ের ব্যায়াম হয়।

বৃক্ষাসন
যেভাবে করবেন

দুই পায়ের পাতা পাশাপাশি রেখে সোজা হয়ে দাঁড়ান। ডান পা উঁচু করে বাঁ পায়ের ঊরুমূলে (থাই) লাগান বা হাঁটুর ওপরে ঊরুর সঙ্গে লাগান। দুটো হাত নমস্কারের মুদ্রায় বুকের সামনে রাখুন। অন্তঃসত্ত্বা মায়েরা অবশ্যই এ আসন করার ক্ষেত্রে চোখ খোলা রাখবেন। চোখ সামনের দিকে যেকোনো এক বিন্দুতে স্থির রাখুন। শ্বাস–প্রশ্বাস যথাসম্ভব ধীর করুন। এক পায়ে এক থেকে দুই মিনিট করার পর অন্য পায়েও করুন।
উপকারিতা

মনের চঞ্চলতা, দুশ্চিন্তা, মুড সুইং প্রভৃতি প্রতিহত করে। দেহ ও মনে প্রশান্তি আসে।
বীর ভদ্রাসন
যেভাবে করবেন

দুই পায়ের মধ্যে নিজের সাধ্যমতো ফাঁকা করুন। ডান পায়ের পাতা সোজা রেখে বাঁ পায়ের পাতাকে ৯০ ডিগ্রি কোণে বাঁকান। দুই হাতকে ওপরে তুলে কাঁধের সমান্তরালে রাখুন। অথবা বুকের সামনে প্রণাম মুদ্রায় রাখুন। এবার মেরুদণ্ড সোজা রেখে বাঁ পা এমনভাবে ভাঁজ করুন যেন পায়ের নিচের অংশ ভূমির সাপেক্ষে ৯০ ডিগ্রি কোণে থাকে। মাথা ঘুরিয়ে নজরও বাঁ দিকে রাখুন। দুই পায়ের ওপর সতর্কভাবে ভারসাম্য রক্ষা করুন। এভাবে ১৫ থেকে ৩০ সেকেন্ড থাকার পর অন্যদিকেও করে নিন। এভাবে মোট ৩ সেট করুন।
উপকারিতা

হবু মায়ের হাত-পায়ের মাংসপেশি শক্তিশালী ও পরিপুষ্ট থাকে। কাঁধ, কোমর, বক্ষদেশকে শক্তি প্রদান করে। শরীরের রক্ত সঞ্চালন সুচারুভাবে হয়। ফুসফুসকে সুস্থ ও শক্তিশালী রাখে। সমগ্র শরীরে শক্তি স্ফুরিত হয়।

লেখক: যোগব্যায়াম প্রশিক্ষক

একটার সাথে অন্য একটা ফ্রি অফার।স্বল্প সময়ের জন্য।আপনার সুন্দরয্য আপনার অহংকার। আপনার ত্বকের বাড়তি উজ্জ্বলতা বাড়াতে (Dr D...
28/08/2020

একটার সাথে অন্য একটা ফ্রি অফার।স্বল্প সময়ের জন্য।
আপনার সুন্দরয্য আপনার অহংকার। আপনার ত্বকের বাড়তি উজ্জ্বলতা বাড়াতে (Dr Davey BLACK Soap) ইহা খুব ভালো কাজ করে।

ইহার দ্বারা আপনি নিম্নের উপকার পাবেন-
১) ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি করে,
২) রোদ্রে পোড়া দাগ দূর করে,
৩) স্কিনের তৈলাক্ত ভাব দূর করে,
৪) ত্বক অনেক বেশি সফট ও ময়েশ্চারাইজিং করে,
৫) অনবরত পিম্পল উঠা বন্ধ করে ও ব্রনের দাগ দূর করে,
৬)ত্বকের টান টান ভাব বজায় রাখে,
৭), স্কিনকে অনেক হোয়াইটেনিং করে,
৮) ফেস ডিপ ক্লিনজিং করে,

Dr. Davey Black Soap (100gm)
100% Original product, Made in China
Manufactured by: Shantou S.E.Z. Baojie Ind. Co. Ltd
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বিহীন প্রোডাক্ট গ্রহণ করুন এবং সুস্থ থাকুন।

মূল্যঃ ৩৫০ টাকা (একটা ZANDU BALM ফ্রি)

ডেলিভারি চার্জ – ঢাকার সিটির মধ্যে ৬০ টাকা,
ঢাকার সিটির বাহিরে ১০০ টাকা,

পণ্য অর্ডার করতে বা বিস্তারিত জানতে কল করুন 01912417070 , অথবা ইনবক্স করুন।
বিশ্বস্ততা, প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা এবং সেবা প্রদান করাই আমাদের লক্ষ্য।
অন্যান্য প্রোডাক্ট সম্পর্কে জানতে facebook পেজে ভিজিট করুন।
https://www.facebook.com/health24x7bd/
Shop: H-29, Road-07, sector -09, Uttara, Dhaka

করোনার সঙ্গে বসবাস: কী করবেনআপডেট: ৩১ মে ২০২০, ২০:৪৭(প্রথম আলো)সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, করোনা সংক্রমণের সব সূচক ঊর...
01/06/2020

করোনার সঙ্গে বসবাস: কী করবেন

আপডেট: ৩১ মে ২০২০, ২০:৪৭(প্রথম আলো)
সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, করোনা সংক্রমণের সব সূচক ঊর্ধ্বমুখী। জীবিকা ও অর্থনীতি বাঁচাতে এই সময়েই ধীরে ধীরে তুলে দেওয়া হচ্ছে সাধারণ ছুটি। ফলে এখন সতর্ক থাকতে হবে সবচেয়ে বেশি। বিভিন্ন হাসপাতালকে কোভিড-১৯ স্পেশালাইজড হাসপাতাল ঘোষণা করা হয়েছে। এর অর্থ হলো, রোগীর সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়ছে। সামনের দিনগুলোতে এই সংখ্যা যে আরও বাড়বে, সে বিষয়ে সন্দেহ নেই।

ডাক্তার ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের মানুষের গড়পড়তা যে স্বাস্থ্যগত সচেতনতা, তা দিয়ে সামনের দিনগুলোতে সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া বেশ কঠিন হবে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী দুই বছর করোনার সংক্রমণ চলবে পুরো পৃথিবীতে। কী করবেন সামনের দিনগুলোতে? জেনে নিন।

অলংকরণ: সব্যসাচী মিস্ত্রী
অলংকরণ: সব্যসাচী মিস্ত্রী
সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, করোনা সংক্রমণের সব সূচক ঊর্ধ্বমুখী। জীবিকা ও অর্থনীতি বাঁচাতে এই সময়েই ধীরে ধীরে তুলে দেওয়া হচ্ছে সাধারণ ছুটি। ফলে এখন সতর্ক থাকতে হবে সবচেয়ে বেশি। বিভিন্ন হাসপাতালকে কোভিড-১৯ স্পেশালাইজড হাসপাতাল ঘোষণা করা হয়েছে। এর অর্থ হলো, রোগীর সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়ছে। সামনের দিনগুলোতে এই সংখ্যা যে আরও বাড়বে, সে বিষয়ে সন্দেহ নেই।

ডাক্তার ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের মানুষের গড়পড়তা যে স্বাস্থ্যগত সচেতনতা, তা দিয়ে সামনের দিনগুলোতে সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া বেশ কঠিন হবে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী দুই বছর করোনার সংক্রমণ চলবে পুরো পৃথিবীতে। কী করবেন সামনের দিনগুলোতে? জেনে নিন।

বাড়িতে
১. সার্বিক পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করুন
নিজের ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা থেকে শুরু করে বাসাবাড়ির পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করুন। খাবার আগে, বাইরে থেকে ফিরে, টয়লেট থেকে ফিরে এবং কোনো কিছু ধরলেও ভালো করে সাবান দিয়ে হাত পরিষ্কার করুন। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, করোনাসহ যেকোনো ধরনের সংক্রমণ ঠেকানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় ভালো করে হাত ধোওয়া।

কাপড়চোপড় নিয়মিত পরিষ্কার করুন। বাইরে থেকে ফিরে সম্ভব হলে সব কাপড় ধুয়ে দিন। না হলে খোলা জায়গায় মেলে দিন ব্যবহৃত কাপড়। বাইরে থেকে কোনো কিছু বাড়িতে আনলে সেগুলো পরিষ্কার করে তারপর ব্যবহার করুন। ধোওয়া যায় এমন স্যান্ডেল বা জুতা ব্যবহার করুন। বাইরে থেকে এলে জুতা-স্যান্ডেল বাইরে রেখে বাসায় ঢুকুন।

পরিচ্ছন্ন থাকার বিষয়টিতে পরিবারের সবাইকে সচেতন করুন। পরিচ্ছন্নতার সচেতনতাই প্রাথমিকভাবে পারে আপনাকে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে।

২. স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করুন
স্বাস্থ্যকর খাবার মানেই দামি খাবার নয়। প্রতিটি ঋতুতে হাতের কাছে যা পাবেন সেগুলো খান। দেশি ফলমূল আপনাকে সুস্থ রাখবে। এ ছাড়া যেকোনো খাবার পরিমিত পরিমাণে খেতে থাকুন। তবে অতিরিক্ত তেল-ঘি দেওয়া খাবার না খাওয়াই ভালো হবে। মাংস যতটা সম্ভব বাদ দিন। মাছ ও ডিম খান। প্রতিদিনের খাবারে শাকসবজি রাখার চেষ্টা করুন। পরিমাণমতো পানি পান করুন। ভেষজ খাবার কোনো ওষুধ নয়। এগুলো দীর্ঘ মেয়াদে খেলে রোগপ্রতিরোধ বাড়াতে পারে। তাই এগুলো খেতে পারেন। তবে এগুলোর ওপর নির্ভর করবেন না। ঠান্ডা ও বাসি খাবার খাবেন না। ঠান্ডা যেকোনো খাবার সংক্রমণ বাড়াতে পারে। বাড়ির বাইরের খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
৩. নিয়মিত শরীরচর্চা করুন
আপনি যদি শারীরিক পরিশ্রমের কাজ করেন, তাহলে অতিরিক্ত শরীর চর্চার প্রয়োজন নেই। কিন্তু যদি সেটা না করেন, তাহলে বাড়িতে নিয়মিত হালকা শরীর চর্চার অভ্যাস গড়ে তুলুন। শরীর সুস্থ থাকলে করোনাসহ যেকোনো সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পাবেন। ডায়েট বিষয়টি একটি জটিল প্রক্রিয়া। তাই এর জন্য অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

৪. মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে ভাবুন
একজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক তাঁর করোনা থেকে ফিরে আসার অভিজ্ঞতা লিখেছেন সংবাদমাধ্যমে। জোর দিয়ে তিনি বলেছেন, মানসিকভাবে ইতিবাচক না থাকলে করোনা মোকাবিলা করা অনেকটাই কষ্টকর। কাজেই মনকে ভালো রাখুন। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলার কথা মাথায় রাখুন। হাসিখুশি, প্রাণবন্ত থাকার চেষ্টা করুন। আনন্দ করুন। মানসিকভাবে শক্তিশালী থাকলে করোনাসহ যেকোনো রোগ থেকে মুক্ত থাকা যায় খুব সহজে। শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে পরিমিত ঘুম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই রাত জাগার অভ্যাস বাদ দিন।

বাড়ির বাইরে
প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিয়ে বাড়ির বাইরে যান। অফিস-আদালত, ব্যবসা-বাণিজ্য সবই খুলছে ধীরে ধীরে। এসবের সঙ্গে যুক্ত মানুষেরাই বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। নিয়মিত যাঁদের বাইরে যাতায়াত করতে হবে, তাঁদের নিতে হবে বিশেষ ব্যবস্থা।
১. মাস্ক ও চশমা ব্যবহার করুন
মাস্ক যেকোনো সংক্রমণকে প্রাথমিকভাবে রক্ষা করে। বাইরে এটি প্রায় বাধ্যতামূলক। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমনকি বাড়িতে মাস্ক ব্যবহার করলেও যেকোনো সংক্রমণ থেকে পরিবারের মানুষকে রক্ষা করা সম্ভব। আপনার সাধ্যমতো দামের মাস্ক ব্যবহার করুন। যাঁদের অফিসে জিনিসপত্র রাখার ব্যবস্থা আছে, তাঁরা সেখানে অতিরিক্ত এক বা দুই সেট মাস্ক রাখুন। এ ছাড়া অতিরিক্ত জামাকাপড়ও রাখতে পারেন। চোখ দিয়ে জীবাণু সংক্রমণ ঠেকাতে চশমা অথবা সানগ্লাস ব্যবহার করুন। চশমা বা সানগ্লাস নিয়মিত পরিষ্কার করে নিন। মাস্ক প্রতিদিন ধুয়ে দেবেন। কিংবা একসঙ্গে ছয়–সাতটি মাস্ক কিনুন। যাতে প্রতিদিন নতুন মাস্ক ব্যবহার করা যায়। বাকিগুলোকে খোলা জায়গায় রেখে দিন নিরাপদে।

২. ভিড় এড়িয়ে চলুন
অন্তত আগামী দুবছরের জন্য যেকোনো সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজন কিংবা সেসব যোগদান থেকে বিরত থাকুন। সিনেমা, থিয়েটার, খেলার মাঠ, রেস্টুরেন্ট, নাপিতের দোকান, বিউটি পারলার কিংবা জিমের মতো ভিড়ের জায়গাগুলো এড়িয়ে চলুন। অফিসে যতদূর সম্ভব হয় ওঠার জন্য সিঁড়ি ব্যবহার করুন। লিফট ব্যবহারের ক্ষেত্রে বেশি মানুষ একসঙ্গে লিফটে উঠবেন না। আগের চেয়ে অর্ধেক মানুষ লিফটে উঠুন, তাতে দূরত্ব বজায় রাখা সহজ হবে। অফিসের যানবাহন ব্যবহার করতে পারেন সুযোগ থাকলে।
৩. সুযোগ পেলেই হাত-মুখ ধুয়ে নিন
অফিসে, কারখানায় হাত ধোওয়ার ব্যবস্থা সাধারণত থাকে। এই সময় বিভিন্ন জনসমাগমের জায়গায়তেও হাত-মুখ ধোওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সামনের দিনগুলোতে এই ব্যবস্থা আরও বাড়বে। যেখানেই সুযোগ পাবেন হাত ধুয়ে নিন। হাত ধোওয়ার পর মুখ ধুয়ে নিন। সম্ভব হলে সঙ্গে স্যানিটাইজার, টিস্যু কিংবা রুমাল রাখুন এবং সেগুলো ব্যবহার করুন।

৪. বাইরের স্বাস্থ্যগত বিষয়ে সচেতন হোন
ব্যবহৃত জিনিসপত্র এবং থুতু যেখানে–সেখানে ফেলবেন না। এগুলো রোগ ছড়াতে পারে। বাইরের খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। কাজের জায়গায় বাড়ি থেকে রান্না করা খাবার নিয়ে যাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। বাইরে খেতে হলে খোসা ছাড়িয়ে খাওয়া যায় এমন খাবার খেতে পারেন। অফিসে বা কাজের জায়গায় নিজের কাপ, মগ কিংবা পানির বোতল, প্রয়োজন হলে খাবারের প্লেট রাখুন এবং সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করে তারপর ব্যবহার করুন। যেকোনো প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক সুবিধাগুলো গ্রহণ করুন। চুল বড় হলে স্কার্ফ বা ওড়না দিয়ে ঢেকে রাখতে পারেন। তবে ছোট চুলই ভালো বাইরে চলাফেরা করার জন্য।

৫. ঘড়ি, গয়না ও শিশুদের খেলনা ব্যবহারে সতর্ক হোন
যেকোনো ধাতুর ওপর ৫ দিন পর্যন্ত ভাইরাস থাকতে পারে। তাই সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে ঘড়ি এবং যেকোনো ধরনের গয়না ব্যবহার বন্ধ রাখুন। শিশুদের খেলনা কিনলে সেগুলো ভালোভাবে পরিষ্কার করে তারপর ব্যবহার করতে দিন। প্রয়োজনে সেগুলো এক সপ্তাহ নিরাপদ জায়গায় রেখে তারপর ব্যবহার করতে দিন।

ভয় পাবেন না কিংবা আতঙ্কিত হবে না। যতদূর সম্ভব স্বাভাবিক জীবন যাপন করুন। শুধু স্বাস্থ্যগত বিষয়গুলো মেনে চলার চেষ্টা করুন। অতিরিক্ত কিছু করার প্রয়োজন হবে না।

প্রোডাক্ট সম্পর্কে জানতে facebook পেজে ভিজিট করুন।
https://www.facebook.com/health24x7bd/
Shop: H-29, Road-07, sector -09, Uttara, Dhaka

করোনা প্রতিরোধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৫ পরামর্শবিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া নোভেল করোনাভাইরাস প্রতিরোধে পাঁচ ধরনের পরামর্শ দিয়েছ...
12/03/2020

করোনা প্রতিরোধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৫ পরামর্শ

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া নোভেল করোনাভাইরাস প্রতিরোধে পাঁচ ধরনের পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বাংলাদেশে এরই মধ্যে করোনাভাইরাসে তিনজন শনাক্ত হয়েছেন। তিনজনের মধ্যে দুজন ইতালি থেকে সম্প্রতি দেশে ফিরেছেন। তাঁদের কাছে থেকে একজন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে যা করণীয়
এক. ভালোভাবে সাবান পানি দিয়ে হাত ধুতে হবে
দুই. হাত না ধুয়ে চোখ, মুখ ও নাক স্পর্শ না করা
তিন. হাঁচি–কাশি দেওয়ার সময় মুখ ঢেকে রাখা
চার. অসুস্থ পশু বা পাখির সংস্পর্শে না আসা
পাঁচ. মাছ, মাংস ভালোভাবে রান্না করে খাওয়া
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ভালোভাবে সাবান পানি দিয়ে হাত ধুতে হবে
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জরুরি প্রয়োজনে ছাড়া চীন ভ্রমণ করা থেকে বিরত থাকতে বলেছে। এমনকি প্রয়োজন ছাড়া এই সময়ে বাংলাদেশ ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করতে বলা হয়েছে।
করোনাভাইরাস যেভাবে ছড়ায়
এক. আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি–কাশির মাধ্যমে
দুই. আক্রান্ত ব্যক্তিকে স্পর্শ করলে ছড়ায়
তিন. পশু, পাখি বা গবাদিপশুর মাধ্যমে ছড়ায়
করোনাভাইরাস
করোনা একধরনের সংক্রামক ভাইরাস। ভাইরাসটি পশু-পাখি থেকে সংক্রমিত হয়ে থাকে। চীনসহ পৃথিবীর শতাধিক দেশে বর্তমানে (মার্স ও সার্স সমগোত্রীয় করোনাভাইরাস) এর সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে। কেউ যদি এসব দেশ ভ্রমণ করে থাকেন এবং ফিরে আসার ১৪ দিনের মধ্যে জ্বর ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট থাকে, গলাব্যথা, কাশি ও শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়, তাহলে তাঁর করোনাভাইরাসে সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা থাকতে পারে। তাঁকে জরুরি ভিত্তিতে সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
প্রয়োজনে আইইডিসিআরের নিচের নম্বরে যোগাযোগ করতে বলেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়
০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫
(আপডেট: ০৮ মার্চ ২০২০, প্রথম আলো)

প্রোডাক্ট সম্পর্কে জানতে facebook পেজে ভিজিট করুন।
https://www.facebook.com/health24x7bd/
Shop: H-29, Road-07, sector -09, Uttara, Dhaka

চুল পরা আর নয়।মাথার চুলের সমস্যা সমাধানে আলপেক্স পেনটা ওয়েল ।যাহারা চুলের বিভিন্ন সমস্যায় আছেন, শুধু তাদের জন্য কেয়াশেথ ...
09/11/2019

চুল পরা আর নয়।মাথার চুলের সমস্যা সমাধানে আলপেক্স পেনটা ওয়েল ।
যাহারা চুলের বিভিন্ন সমস্যায় আছেন, শুধু তাদের জন্য কেয়াশেথ হেয়ার গ্রোও ওয়েল।
ইহার দ্বারা আপনি নিম্নের উপকার পাবেন-
১) চুল পরা বন্ধ করে,
২) নতুন চুল গজায়,
৩) চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে,
৪) চুল সাদা হতে রক্ষা করে,
৫) চুলের গোঁড়া মজবুত করে,
৬)খুশকি দূর করে,
৭) মাথার তালুর রুক্ষতা দূর করে,
৮) চুলকে মসৃণ করে ,
৯) চুলের উজ্জলতা বাড়ায়।

মূল্যঃ ১৫০০ টাকা
পণ্য অর্ডার করতে বা বিস্তারিত জানতে কল করুন 01878 858628
অথবা ইনবক্স করুন।

বিশ্বস্ততা, প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা এবং সেবা প্রদান করাই আমাদের লক্ষ্য।
অন্যান্য প্রোডাক্ট সম্পর্কে জানতে facebook পেজে ভিজিট করুন।
https://www.facebook.com/health24x7bd/
Shop: H-29, Road-07, sector -09, Uttara, Dhaka

চুলের সমস্যা সমাধানে ইন্দুলেখা ব্রিন্ধা হেয়ার অয়েল।যাহারা চুলের বিভিন্ন সমস্যায় আছেন, শুধু তাদের জন্য ইন্দুলেখা ব্রিন্ধা...
05/11/2019

চুলের সমস্যা সমাধানে ইন্দুলেখা ব্রিন্ধা হেয়ার অয়েল।
যাহারা চুলের বিভিন্ন সমস্যায় আছেন, শুধু তাদের জন্য ইন্দুলেখা ব্রিন্ধা হেয়ার অয়েল।
ইহার দ্বারা আপনি নিম্নের উপকার পাবেন-
১) চুল পরা বন্ধ করে,
২) নতুন চুল গজায়,
৩) চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে,
৪) চুল সাদা হতে রক্ষা করে,
৫) চুলের গোঁড়া মজবুত করে,
৬)খুশকি দূর করে,
৭) মাথার তালুর রুক্ষতা দূর করে।
৮) চুলকে মসৃণ করে ।

মূল্যঃ ৮০০ টাকা (১০০ মিলি. বোতল)
পণ্য অর্ডার করতে বা বিস্তারিত জানতে কল করুন 01878 858628
অথবা ইনবক্স করুন।

বিশ্বস্ততা, প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা এবং সেবা প্রদান করাই আমাদের লক্ষ্য।
অন্যান্য প্রোডাক্ট সম্পর্কে জানতে facebook পেজে ভিজিট করুন।
https://www.facebook.com/health24x7bd/
Shop: H-29, Road-07, sector -09, Uttara, Dhaka

ডেঙ্গু জ্বর রোধে কীভাবে সাবধান হবেন?ডেঙ্গু জ্বরের সংক্রমণ বেড়েছে। এডিস মশার কারণেই ছড়ায় ডেঙ্গু। তাই ডেঙ্গু জ্বরের সংক্রম...
23/07/2019

ডেঙ্গু জ্বর রোধে কীভাবে সাবধান হবেন?

ডেঙ্গু জ্বরের সংক্রমণ বেড়েছে। এডিস মশার কারণেই ছড়ায় ডেঙ্গু। তাই ডেঙ্গু জ্বরের সংক্রমণ রোধে সচেতন হতে হবে। এ জন্য কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি।
স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশা ডিম পাড়ে। ময়লা–দুর্গন্ধযুক্ত ড্রেনের পানি এদের পছন্দ নয়। তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার ডিম পাড়ার উপযোগী জায়গাগুলো পরিষ্কার রাখতে হবে। মশা মারার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
এডিস মশা মূলত দিনের বেলা, সকাল ও সন্ধ্যায় কামড়ায়। তবে রাত্রে উজ্জ্বল আলোতেও এডিস মশা কামড়াতে পারে। মশার কামড় থেকে বাঁচতে ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার করতে হবে। সম্ভব হলে ঘরের দরজা ও জানালায় নেট লাগানো যেতে পারে। প্রয়োজনে মসকুইটো রিপেলন্ট স্প্রে, লোশন, ক্রিম, কয়েল ম্যাট ব্যবহার করা যেতে পারে। শিশুদের হাফপ্যান্টের বদলে ফুলপ্যান্ট বা পায়জামা পরাতে হবে।
এডিস মশা জমা হওয়া স্বচ্ছ পানিতে ডিম পাড়ে। তাই ঘরে সাজানো ফুলদানি, অব্যবহৃত কৌটা, যেকোনো পাত্র বা জায়গায় জমে থাকা পানি তিন থেকে পাঁচ দিন পরপর ফেলে দিতে হবে। এতে এডিস মশার লার্ভা মারা যায়। পাত্রের গায়ে লেগে থাকা মশার ডিম অপসারণে পাত্রটি ভালোভাবে ঘষে পরিষ্কার করে নিতে হবে। ঘরের বাথরুমে কোথাও জমানো পানি পাঁচ দিনের বেশি যেন না থাকে, সেটা নিশ্চিত করতে হবে। ঘরের অ্যাকুয়ারিয়াম, ফ্রিজ বা এয়ার কন্ডিশনারের নিচে এবং মুখ খোলা পানির ট্যাংকে যেন পানি জমে না থাকে, সে ব্যবস্থা করতে হবে।
বাড়ির ছাদে অনেকেই বাগান করে থাকেন। সেখানে টবে বা পাত্রে যেন কোনো ধরনের পানি পাঁচ দিনের বেশি যেন না জমে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। বাড়ির আশপাশে ঝোপঝাড়, জঙ্গল, জলাশয় ইত্যাদি পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ঘরের বাইরে মাঝেমধ্যে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হওয়ার ফলে পানি জমতে পারে—যেমন: ফুলের টব, প্লাস্টিকের পাত্র, পরিত্যক্ত টায়ার, প্লাস্টিকের ড্রাম, মাটির পাত্র, টিনের কৌটা, ডাবের পরিত্যক্ত খোসা, কন্টেইনার, মটকা, ব্যাটারির শেল, পলিথিন, চিপসের প্যাকেট ইত্যাদি। এসব জায়গায় জমে থাকা পানি পরিষ্কার করতে হবে।
সপ্তাহে অন্তত তিন দিন মশা নিধনের জন্য স্প্রে বা ফগিং করতে হবে। বিভিন্ন রাস্তার আইল্যান্ডে সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য ফুলের টব, গাছপালা, জলাধার ইত্যাদি দেখা যায়। এখানে বৃষ্টির পানি জমে থাকতে পারে। সেগুলোতেও যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে খেয়াল দিতে হবে।
এ ছাড়া আরও কতগুলো দিকে খেয়াল রাখা জরুরি। এগুলো হলো:
এডিস মশা সাধারণত সূর্যোদয়ের আধা ঘণ্টার মধ্যে ও সূর্যাস্তের আধা ঘণ্টা আগে কামড়াতে পছন্দ করে। তাই এই দুই সময়ে মশার কামড় থেকে সাবধান থাকুন।
বর্ষাকালে ঘুমানোর আগে অবশ্যই মশারি ব্যবহার করুন। এটা ডেঙ্গু প্রতিরোধের সর্বোত্তম পন্থা। এডিস মশা দিনের বেলাতেও কামড়ায়। তাই দিনের বেলা ঘুমালেও মশারি ব্যবহার করুন। সম্ভব হলে শুধু দিন নয়, রাতের বেলাও সারা শরীরে মশা নিরোধক ক্রিম ব্যবহার করা দরকার। মশা তাড়াতে অনেকে তেলও ব্যবহার করে থাকে।
বাসাবাড়ি, হাসপাতাল, অফিস-আদালতের আনাচকানাচে মশার স্প্রে বা ওষুধ ছিটান। তাহলে এসব জায়গায় মশা বাড়বে না।
বাসার আশপাশে ময়লা পানি যাতে জমতে না পারে, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।
জানালার পাশে তুলসীগাছ লাগান। এই গাছে এমন কতকগুলো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান রয়েছে, যা মশা তাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
মশা নিধনে নতুন বাহিনী হলো গাপ্পি মাছ। সব ধরনের আবহাওয়ায় গাপ্পি মাছ দ্রুত মানিয়ে নিতে পারে। পানির ওপরের অংশে ঘোরাফেরা করে। এ মাছ মশার লার্ভা খেয়ে ফেলে বলে বিভিন্ন দেশে মশা নিয়ন্ত্রণে গাপ্পির ব্যবহার রয়েছে। একটি গাপ্পি মাছ দিনে গড়ে ৫০টি লার্ভা ধ্বংস করতে পারে। প্রতিবেশী ভারতে এ মাছের সাহায্যে মশা ধ্বংস করা হচ্ছে।
প্রাকৃতিক উপায়ে মশা তাড়াতে কর্পূর ব্যবহারের বিকল্প নেই। দরজা-জানালা বন্ধ করে কর্পূর জ্বালিয়ে রুমের ভেতর রাখুন। ২০ মিনিট পর দেখবেন মশা একেবারেই চলে গেছে। মশার হাত থেকে বাঁচতে প্রতিদিন সকালে এবং সন্ধ্যায় কর্পূর জ্বালিয়ে রাখুন।
গ্রিন লাইফ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক এম এ আজহার বলেন, ডেঙ্গু জ্বর হলে প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়াও জরুরি। ডেঙ্গু প্রধানত দুই ধরনের হয়—ক্ল্যাসিক্যাল ডেঙ্গু ফিভার ও হেমোরেজিক ফিভার। ক্ল্যাসিক্যাল ডেঙ্গু জ্বরে সাধারণত তীব্র জ্বর এবং শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা হয়ে থাকে। জ্বর ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত হতে পারে। শরীরের বিভিন্ন অংশে, বিশেষ করে মাথায়, চোখের পেছনে, হাড়, কোমর, পিঠসহ অস্থিসন্ধি ও মাংসপেশিতে তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়। জ্বর হওয়ার চার থেকে পাঁচ দিন পর সারা শরীরে লালচে দানা দেখা যায়, সঙ্গে বমি বমি ভাব বা বমি, রোগীর অতিরিক্ত ক্লান্তিবোধ করা, রুচি কমে যাওয়া ইত্যাদি লক্ষণ দেখা যেতে পারে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে দুই বা তিন দিন পর আবার জ্বর আসে।
ডেঙ্গু হেমোরেজিক জ্বরে শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে রক্ত পড়া, পায়খানার সঙ্গে তাজা রক্ত বা কালো পায়খানা, মেয়েদের বেলায় অসময়ে ঋতুস্রাব বা রক্তক্ষরণ, বুকে বা পেটে পানি আসা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দেয়। ডেঙ্গু জ্বরের সবচেয়ে ভয়াবহ রূপ হলো ডেঙ্গু শক সিনড্রোম।
ডেঙ্গু জ্বর সন্দেহ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করাতে হবে। চিকিৎসক এম এ আজহার বলেন, জ্বরের চার থেকে পাঁচ দিন পর সিবিসি এবং প্লাটিলেট টেস্ট করতে হবে। এর আগে টেস্ট করলে রিপোর্টে ডেঙ্গু রোগের জীবাণু ধরা নাও পড়তে পারে। সাধারণত প্লাটিলেট কাউন্ট এক লাখের কম হলে ডেঙ্গু ভাইরাসের কথা মাথায় রেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
ডেঙ্গু অ্যান্টিবডির পরীক্ষা পাঁচ থেকে ছয় দিন পর করা যেতে পারে। এটি রোগ শনাক্তকরণে সাহায্য করে। যেহেতু রোগের চিকিৎসায় এর কোনো ভূমিকা নেই, তাই এই পরীক্ষা না করলেও কোনো সমস্যা নেই। প্রয়োজনে ব্লাড সুগার, লিভারের পরীক্ষা, যেমন: এসজিওটি, এসজিপিটি, এলকালাইন ফসফাটেজ ইত্যাদি করাতে হতে পারে।
আবার চিকিৎসক যদি মনে করেন, রোগী ডিআইসি–জাতীয় জটিল কোনো সমস্যায় আক্রান্ত, সে ক্ষেত্রে প্রোথ্রোম্বিন টাইম, এপিটিটি, ডি-ডাইমার ইত্যাদি পরীক্ষা করাতে হতে পারে।
চিকিৎসক এম এ আজহার বলেন, ডেঙ্গু জ্বরের জন্য দিনে সর্বোচ্চ চারবার প্যারাসিটামল–জাতীয় ওষুধ সেবন করতে হবে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে।
জ্বর কমানোর জন্য বারবার শরীর মুছে দিতে হবে। জ্বরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। তাই প্রচুর পানি ও তরলজাতীয় খাবার, যেমন: ফলের জুস, শরবত ইত্যাদি পান করতে হবে। বমির কারণে যদি কোনো রোগী পানি পান করতে না পারেন, সে ক্ষেত্রে শিরাপথে স্যালাইন দিতে হবে। অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যাসপিরিন বা অন্য কোনো ব্যথানাশক ওষুধ একেবারেই সেবন করা যাবে না।
সাধারণত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত সব রোগীকেই রক্ত দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। রক্তের প্লাটিলেটের পরিমাণ কমে গেলে জরুরি ভিত্তিতে প্লাটিলেট দিতে হবে।
নাজিয়া হোসেন: প্রথম আলোর দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী সাংবাদিক
আপডেট: ২২ জুলাই ২০১৯, ১০:০৭
প্রথম আলো

বিশ্বস্ততা, প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা এবং সেবা প্রদান করাই আমাদের লক্ষ্য।
প্রোডাক্ট সম্পর্কে জানতে facebook পেজে ভিজিট করুন।
https://www.facebook.com/health24x7bd/
Shop: H-29, Road-07, sector -09, Uttara, Dhaka

যেসব ভুলে ডায়েটেও ওজন কমে না  ওজন কমানোর জন্য স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের কায়দা-কসরতের কোনো শেষ নেই। ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে ...
20/07/2019

যেসব ভুলে ডায়েটেও ওজন কমে না

ওজন কমানোর জন্য স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের কায়দা-কসরতের কোনো শেষ নেই। ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে আপেল সাইডার ভিনেগার খাওয়া, শুধু পানি আর ফলের রস পান করে ১৬ ঘণ্টা কাটানো থেকে শুরু করে তিন দিনে পাঁচ কেজি ওজন কমানোর মতো নানাবিধ টোটকার শরণাপন্ন হয়ে দিনের পর দিন কাটিয়ে দিচ্ছেন তারা। ভোজনরসিক বাঙালি হয়ে এই ত্যাগ স্বীকারের পরও ডায়েটের কাঙ্ক্ষিত ফল না পেয়ে অনেকের কপালেই চিন্তার ভাঁজ পড়ে যায়।
বিবিসি অনলাইন সম্প্রতি একটি গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করেছে, যাতে জানা গেছে কেন ডায়েট করেও অনেকের ওজন কমে না। ডায়েটের এই ভুলগুলো এড়িয়ে চললেই কার্যকরী ডায়েট পরিকল্পনায় কাঙ্ক্ষিত ওজনের অধিকারী হওয়া সম্ভব।

অন্য কারও ডায়েট মেনে চলছেন আপনি
পুষ্টিবিদ সোফি মেডলিন বলেন, ইনস্টাগ্রাম বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কারও পরামর্শ দেখে ডায়েট শুরু করে দেন অনেকে। ‘এই খাবার খেয়ে ওর যদি কাজ হয়, আমার কেন হবে না’- এই তত্ত্ব মেনে অন্য একজনের ডায়েট পরিকল্পনা অনুসরণ করা একেবারেই ভুল একটি সিদ্ধান্ত। প্রতিটি মানুষের জিনগত বৈশিষ্ট্য আলাদা, জীবনধারা আলাদা, শারীরিক গঠন আলাদা। একজনের জন্য যে রীতি কার্যকর হবে, আপনার জন্যও তা ফলপ্রসূ হবে- এটি ভুল ধারণা।
নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, একই খাবার খেয়ে অভিন্ন যমজদের শারীরিক বৃদ্ধিও আলাদা হতে পারে। একই খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করে যমজদের ওজন কমার ক্ষেত্রেও ভিন্নতা থাকতে পারে। এ কারণেই পুষ্টিবিদেরা উচ্চতা, ওজনসহ নানা শারীরিক উপসর্গের কথা মাথায় রেখে প্রত্যেককে আলাদা আলাদা ডায়েট পদ্ধতির পরামর্শ দেন।
আপনার জীবনযাপন রীতি এবং আপনি কী খেতে পছন্দ করেন- এ দুটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়ে ডায়েট পরিকল্পনা করা হলে তা দীর্ঘ মেয়াদে ওজন ঠিক রাখতে সহায়তা করে বলে গবেষণাটিতে জানা গেছে। সোফি বলেন, ‘ডায়েট করছেন বলে জন্মদিনের কেক বা ভারী কোনো খাবার খাওয়াই যাবে না, এমনটা কিন্তু ঠিক নয়। মাঝেমধ্যে একটু-আধটু পছন্দের খাবার না খেলে ডায়েট আপনার জন্য বিভীষিকা হয়ে দাঁড়াবে। কাজেই নিজের পছন্দের কথা জানিয়ে, পুষ্টিবিদের পরামর্শে ডায়েটের পরিকল্পনা করুন।’

যথেষ্ট ঘুম হচ্ছে না
শুধুমাত্র কম ঘুমানোর ক্লান্তি দূর করতেই ঠিকমতো ঘুমান কারও চেয়ে প্রায় ৪০০ ক্যালরি বেশি গ্রহণ করা খুব সাধারণ একটি ঘটনা। সোফি জানান, তন্দ্রাচ্ছন্নতা থেকে শরীরে ক্ষুধার্ত হরমোনের পরিমাণ বেড়ে যায়। যার ফলে শরীর চালু রাখতে ক্ষুধার্ত হরমোনের তাড়নায় আমরা শর্করা জাতীয় খাবার বেশি গ্রহণ করে ফেলি। এ কারণে ভোর পাঁচটায় ঘুম থেকে উঠে ব্যায়াম করেও বিকেলের মধ্যে ভরপেট খাবার চাহিদা তৈরি হয়।
চিকিৎসক আয়শা মুহাম্মদ বলেন, মাঝে মাঝে ঘুম আসতেও অনেক দেরি হয়। ঘুম কম হওয়ার কারণের সারা দিন মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকে। সেই বিগড়ে যাওয়া মেজাজ বশে আনতে ডায়েটকে এক হাত দেখিয়ে অনেকেই নিজেকে সঁপে দেন উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবারের হাতে। আর এ থেকেই বারোটা বাজে আপনার সাধের ডায়েট পরিকল্পনার। কাজেই দৈনিক ৬-৮ ঘণ্টা ঘুমের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করা একদমই চলবে না।

আপনি মানসিকভাবে ক্লান্ত
গবেষকেরা প্রমাণ করেছেন, মানসিক অশান্তির সঙ্গে ওজনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তবে ডায়েটকারীদের মধ্যে দশজনে কেবল একজন ওজন কমানোর ক্ষেত্রে মনস্তত্ত্বকে যথাযথ গুরুত্ব দেন। ডাক্তার আয়শা বলেন, আমাদের শরীর সিংহের তাড়া খেয়ে দৌড়ানো আর দিনভর কাজের তাগিদে দৌড়ানোর মধ্যে পার্থক্য করতে পারে না। সিংহের হাত থেকে বাঁচতে হলে লুকিয়ে থাকত হবে, তার কারণে দিনের পর দিন না খেয়েও থাকতে হতে পারে- এই চিন্তা থেকে আমাদের শরীর বেশি করে খেয়ে মেদ জমিয়ে রাখতে শুরু করে। এ ধরনের মানসিক অস্থিরতার কারণে বিশেষ করে পেটের দিকে চর্বি জমে।
সোফি বলেন, দুশ্চিন্তায় থাকলে সহজপাচ্য খাবার হিসেবে চিনি এবং শর্করার প্রতি টান বেড়ে যায়। ৫ মিনিট হাঁটা বা শরীরচর্চার চেয়ে চকলেটের একটি বারকে মনে হয় দুনিয়ায় স্বর্গসুখ। শরীরকে গুহার সঙ্গে তুলনা করা হলে এ জাতীয় খাবার সেই গুহায় পুরু আস্তরণ ফেলে। বেঁচে থাকার জন্য স্নেহ বা শর্করার প্রয়োজন অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। তবে আধুনিক সময়ে আমরা যে ধরনের কাজ করি, তাতে বেঁচে থাকার জন্য শরীরে এ জাতীয় খাবার জমিয়ে রাখার দরকার নেই।
কাজেই ওজন কমানোর জন্য দুশ্চিন্তামুক্ত জীবনযাপন করে শরীরকে বোঝাতে হবে- বাড়তি খাবার জমিয়ে রাখতে হবে না, তোমার দেখভালের জন্য আমি আছি।

কতটা খাচ্ছেন না তা বুঝতেই পারছেন না
গত ২০ বছর ধরে যুক্তরাজ্যের জনগণের গড় ওজন বেড়েছে। এর প্রধান কারণ, আমরা কাজের চাপে খাওয়ার কথা ভুলে যাই। আর যতক্ষণে খাওয়ার কথা মনে পড়ে, তখন মনে হয় আস্ত একটা হাতিও পেটে ঢুকে যাবে! সে তুলনায় খেতে বসে যখন দুই প্লেট ভাত সাবাড় করে উঠে আসেন, তখন নিজেকে বাহবা দিতে ইচ্ছে করতেই পারে। কিন্তু এই দুই প্লেট ভাতও যে আপনার জন্য অনেক বেশি হয়ে যাচ্ছে, সেটি বুঝতে পারছেন কী?
রেস্টুরেন্টে খেতে বসে পাশের জনের খাবারে পনিরের এক্সট্রা টপিং দেখে আপনার মনে হতে পারে, একদিন পনির খেলে কী-ই বা হবে? কিন্তু এই একদিন যে কেবল একদিন নয়, আর আপনার মস্তিষ্কও নেশাগ্রস্তের মতো আপনাকে ওই এক্সট্রা ক্যালরির দিকে ধাবিত করবে, তা বলাই বাহুল্য। কাজেই নিজের পছন্দকে গুরুত্ব দিন, তবে পরিমাণ বুঝে।
ডায়েট করতে চাইলে খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি জীবনযাপন রীতিতেও মেনে চলতে হবে নিয়ম। নিজের যত্ন নিন। জিরো ফিগারের অধিকারী হওয়ার চেয়ে সুস্থ শরীরের অধিকারী হওয়া অনেক বেশি জরুরি।
আপডেট: ১২ জুলাই ২০১৯, ১২:১৪
প্রথম আলো
বিশ্বস্ততা, প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা এবং সেবা প্রদান করাই আমাদের লক্ষ্য।
প্রোডাক্ট সম্পর্কে জানতে facebook পেজে ভিজিট করুন।
https://www.facebook.com/health24x7bd/
Shop: H-29, Road-07, sector -09, Uttara, Dhaka

Address

Uttara
Dhaka
1230

Telephone

01878858628

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Health & Beauty Product posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram