আদিয়াত ফার্মা-Adiyat Pharma

আদিয়াত ফার্মা-Adiyat Pharma I'm servant of Allah
My Prophet Mohammad(SAW)
I Alowase Believe Allah
Allah Always

শীতে শিশুদের যত্ন √শিশুদের জন্য শীতের আগমন মানেই মায়েদের দুশ্চিন্তা বেড়ে যাওয়া। তাই তাদের প্রতি একটু বাড়তি যত্নই নিতে হয়...
15/11/2024

শীতে শিশুদের যত্ন √

শিশুদের জন্য শীতের আগমন মানেই মায়েদের দুশ্চিন্তা বেড়ে যাওয়া। তাই তাদের প্রতি একটু বাড়তি যত্নই নিতে হয়। শীতে জ্বর, সর্দি কিংবা কাশি সাধারণ ঘটনা। জ্বর, নাক দিয়ে পানি পড়া, কাশির জন্য বয়স অনুযায়ী সাধারণ ওষুধেই ভালো হয়ে যায়। অনেকের আবার তাও লাগে না। লবণ পানি দিয়ে নাক পরিষ্কার এবং বুকের দুধ ও পর্যাপ্ত তরল খাবার খাওয়ালেই ভালো হয়ে যায়। বাসক পাতার রস এবং মধুও ভালো কাজ দেয়।

শীতে শিশুর সর্দি-কাশির বেশিরভাগই ভাইরাসজনিত। এগুলোয় সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিকের কোনো দরকার পড়ে না। তাই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া অহেতুক অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার করলে শিশুর ক্ষতি হতে পারে। ঘরোয়া চিকিত্সাতেই অধিকাংশ সর্দি-জ্বর ভালো হয়। এ সময় মায়েদের উষ্ণ পানি দিয়ে শিশুদের গোসল করাতে হবে। হালকা ফ্যান ছেড়ে ঘুমালেও কোনো ক্ষতি নেই। নাক যদি বন্ধ হয়ে যায়, তবে লবণ পানির ড্রপ ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়া বাজারে নরসল ড্রপ কিনতে পাওয়া যায়। পাতলা কাপড় বা কটন বাডে দুই ফোঁটা নরসল ড্রপ লাগিয়ে নাক পরিষ্কার করা যেতে পারে। যদি কাশি হয় তবে ওষুধ ব্যবহার না করে ঘরেই প্রতিরোধ ব্যবস্থা তৈরি করা যেতে পারে।

যেমন—আধা কাপ লাল চায়ের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে খাওয়ানো যায়। অথবা আধা কাপ গরম পানির সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস ও মধু বা তুলসী পাতার রস ও মধু মিশিয়ে খাওয়ানো যায়। আদা কুচি করে বা আদা-চায়ের সঙ্গে মধু মিশিয়েও শিশুকে খাওয়ানো যেতে পারে। জ্বর ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে উঠলে প্যারাসিটামল সিরাপ খাওয়ানো উচিত। এছাড়া তোয়ালে ভিজিয়ে বারবার শিশুর গা মুছিয়ে দিতে হবে। তবে বাচ্চার নিউমোনিয়ার ব্যাপারে খেয়াল রাখতে হবে। এ জন্য চিকিত্সকের পরামর্শ নিতে হবে। শিশুর শ্বাসনালি অতি সংবেদনশীল। তাই শীতে হাঁপানির প্রকোপ বাড়ে। এই রোগ প্রতিরোধে বাসায়, শোবার ঘরে কার্পেট রাখবেন না। লোমযুক্ত চাদর, কম্বল ব্যবহার করবেন না। হাঁপানি নিরাময়ে সালবিউটামল সিরাপ এক বছরের নিচের জন্য আধা চামচ আর এক বছর থেকে পাঁচ বছরের জন্য এক চামচ করে দিনে তিনবার খাওয়াতে পারেন।

শিশুর ত্বক ও শ্বাসতন্ত্র নাজুক ও অপরিণত। তাই শিশু তাপ ধরে রাখতে পারে না, সহজে ঠাণ্ডা হয়ে যায়। এ সময় তাই তাকে পর্যাপ্ত শীতের কাপড় পরাতে হবে। তবে এর মানে এই নয় যে, শিশুকে নাক-মুখ বন্ধ করে, শক্ত করে মুড়িয়ে দিতে হবে। শীতের কাপড় যেন আরামদায়ক হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। শীতে ঘাম কম হওয়ার কারণে শিশুর প্রস্রাব বেশি হয়। এ জন্য নবজাতকের কাঁথা ভিজে যাচ্ছে কি না বা একটু বড় শিশুর প্যান্ট ভিজছে কি না তা সব সময় খেয়াল রাখতে হবে। অনেকে বেশি প্রস্রাব করছে দেখে শিশুকে বুকের দুধ ও তরল খাবার কমিয়ে দেন। এটি খুবই মারাত্মক একটি পদক্ষেপ, যা কখনোই করা উচিত নয়। এতে কিডনিসহ অন্যান্য অঙ্গের ক্ষতি হতে পারে। শীতে সোনামণিদের কোমল ত্বকের যত্নে অবশ্যই ভালো মানের লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করতে হবে। শুধু মুখে নয়, সারা শরীরে। শিশুকে পর্যাপ্ত সময় রোদে রাখতেও ভুলবেন না। শীতে গোসল করতে কিন্তু বাধা নেই। কুসুম গরম পানি দিয়ে শিশুকে নিয়মিত গোসল করাতে পারেন। অনেকে গোসলের আগে সরষের তেল মাখিয়ে দেন। এর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই, অবশ্য ক্ষতিও নেই। তবে গোসল করানোর সময় কানে যাতে পানি না ঢোকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আর শরীর ভালোভাবে মুছতে ভুলবেন না।

শিশুকে নিয়ে বেশি ভয় থেকে কিংবা বয়োজ্যেষ্ঠদের পরামর্শে শীতে অনেক মা খাওয়া-দাওয়া ও জীবনাচরণে খুবই কঠোরতা অবলম্বন করেন। বিশেষ করে নবজাতকের মায়েরা এসব বেশি করেন। অনেকে নিজের সর্দি-কাশি হলে শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ করে দেন। গ্রামাঞ্চলের মতো শহরেও এসব ঘটনা বিরল নয়। এসবে শিশুর তো লাভ হয়ই না বরং ক্ষতি হতে পারে। আসলে বিভিন্ন ঋতুর মতো শীতেও শিশুর নানা রোগ হতে পারে, এটা আলাদা বিশেষ কোনো ব্যাপার নয়। এ জন্য দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই।

রাতে ঘুমানোর আগে গ্লিসারিনের সঙ্গে পানি মিশিয়ে শিশুর হাত-পায়ে লাগানো যেতে পারে। শীতে বাচ্চাদের মোটা সুতি কাপড় পরানো যেতে পারে। আঁটসাঁট বা উলের কাপড় পরালে তাদের শরীর ঘেমে ঘামাচি উঠতে পারে। এক্ষেত্রে ফ্লানেলের জামা পরানো যেতে পারে। রাতে ঘুমানোর সময় শিশুর গলায় ও মাথায় পাতলা কাপড় পেঁচিয়ে রাখলে ভালো হয়। রাতে টুপি বা মোজা পরে শিশুকে কখনোই ঘুমাতে দেয়া উচিত নয়। কারণ, শিশু রাতে ঘুমানোর সময় বিছানা ভিজিয়ে ফেলে। ভেজা বিছানায় শুয়ে থাকলে তার ঠাণ্ডা লাগার ভয় থাকে বেশি। তাই এ বিষয়ে বাবা-মাকে অবশ্যই বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।

শীতের কিছু সাধারণ সমস্যা যেমন জ্বর, সর্দি, কাশি, হাঁপানি বেড়ে যায়। এজন্য ঘাবড়ে না গিয়ে চিকিত্সকের পরামর্শ নিন। এসময়ে শিশু যেন মেঝেতে খালি পায়ে না হাঁটে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। শিশুর জন্য বাসায় ব্যবহার উপযোগী জুতা কিনতে পারেন। ঘরের মেঝেতেও কার্পেট অথবা মোটা কাপড় বিছিয়ে দিতে পারেন। তাহলে মেঝেতে বসে খেলা করলেও ঠাণ্ডা লাগবে না। শিশুর কাপড় ঘরে না শুকিয়ে রোদে শুকাবেন। এছাড়া শিশুর বিছানা-বালিশ প্রতিদিন রোদে গরম করে নিলে শিশু আরাম বোধ করবে। এ সময় শিশুরা বারবার ন্যাপি ভিজিয়ে ফেলে। ন্যাপি বার বার পাল্টে দিতে হবে। তা না হলে নবজাতকের ঠাণ্ডা লেগে নিউমোনিয়া অথবা মামস হয়ে যেতে পারে। শীতে শুষ্ক আবহাওয়ায় ধুলোবালি বেশি থাকে। খেয়াল রাখতে হবে শিশুর গায়ে যেন ধুলোবালি না লাগে এবং কাপড় চোপড়ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

শিশুর যত্নের ক্ষেত্রে আরও কিছু বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি। তা হলো শিশুর ত্বক শুষ্ক হতে দেয়া যাবে না। দিনে দুই-তিনবার বেবি অয়েল বা ভ্যাসলিন দিতে হবে। সকাল-বিকাল কানঢাকা টুপি ও হালকা শীতের কাপড় পরিয়ে রাখতে হবে। রাতে ডায়াপার পরিয়ে শোয়াতে হবে। শিশুর নাক-মুখ যেন লেপ, কম্বল দিয়ে ঢেকে না যায় তার জন্য সতর্ক থাকতে হবে।

⛔ ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন

সবাই শেয়ার করুন

৯/১১/২৪ 🩺🩺 #আলহামদুলিল্লাহ ২৪নং সুন্নতে খৎনা সম্পুর্ণ হয়েছে।🩺🩺🩺Treatment-  Antibiotics & Hipbathআপনার সন্তান কে নিরাপদে ...
09/11/2024

৯/১১/২৪ 🩺🩺

#আলহামদুলিল্লাহ ২৪নং সুন্নতে খৎনা সম্পুর্ণ হয়েছে।🩺
🩺🩺
Treatment- Antibiotics & Hipbath

আপনার সন্তান কে নিরাপদে সুন্নতে খৎনা করাতে
For Appointment
🩺☎️☎️01798-141494

🩺চেম্বার : Adiyat Pharma-আদিয়াত ফার্মা

জেনারেল প্র্যাকটিশনার—————Dr. Thowhidul Islam Patowary(ট্রেইন্ড ইন মেডিসিন & সার্জারী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল) (এফ.টি...
30/09/2024

জেনারেল প্র্যাকটিশনার—————
Dr. Thowhidul Islam Patowary
(ট্রেইন্ড ইন মেডিসিন & সার্জারী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল) (এফ.টিঃ১০০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল নরসীংদী)

যেসব রোগের চিকিৎসা প্রদান করেন-——————————————————মেডিসিন শিশু চর্ম সহ নিম্নরুপ

🔴সার্জারী✔️সার্জারী সর্ট কেইস✔️শরীরের স্কিন এর যেকোন ধরনের টিউমার অপারেশন (লাইপোমা, সিস্ট…)✔️শরীরের যেকোন জায়গার অ্যাবসেস (ফোঁড়া)✔️মুসলমানি✔️হেমোরয়েড, পাইলস✔️ডায়াবেটিস রোগীর ক্ষত চিকিৎসা✔️যেকোন সার্জারী বিষয়ক পরামর্শ প্রদান🔴অর্থপেডিক ✔️হাড়-হাড়জোড়া ভাঙা (প্লাস্টার)✔️হাড়- হাড়জোড়া ব্যথা✔️হাটু, গুড়ালি, কাঁধে ব্যথা✔️আথ্রাইটিসের ব্যথা🔴মেডিসিন, চর্ম ও শিশু রোগের চিকিৎসা প্রদান করেন॥***রোগী দেখার সময়ঃ***————————————প্রতি দিন, সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা বিকেল ৪.০০টা থেকে রাত ৮.০০টা চেম্বার- আদিয়াত ফার্মা-Adiyat Pharma ধোড়করা বাজার মেইন রোড়।

নিজে জানুন , নিজের আশেপাশের মানুষকে জানাতে সহযোগিতা করুন ।✅এমপক্স (মাঙ্কিপক্স) মাঙ্কিপক্স এটি ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট একটি স...
31/08/2024

নিজে জানুন , নিজের আশেপাশের মানুষকে জানাতে সহযোগিতা করুন ।
✅এমপক্স (মাঙ্কিপক্স) মাঙ্কিপক্স
এটি ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট একটি সংক্রামক রোগ যাতে বেদনাদায়ক ফুসকুড়ি, লিম্ফ নোড (লসিকাগ্রন্থি) ফুলে যাওয়া এবং জ্বর হতে পারে।
মধ্য আফ্রিকার ডি আর কংগো, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, উগান্ডা, কেনিয়া সহ বিশ্বের অনেক দেশে ছড়িয়ে পরেছে। আমাদের বাংলাদেশের নিকটবর্তী পাকিস্তানেও বর্তমানে ছড়িয়েছে ।

মাঙ্কিপক্স নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জরুরি অবস্থা জারি করেছে। তবে অনেকেরই এই বিষয়ে ধারণা নেই।
তাই মূল লক্ষণ, সংক্রমণের মাধ্যম ও প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে কিছু তথ্য শেয়ার করছি ।

⭕️লক্ষণ:-
মাংকিপক্স একটি ভাইরাল সংক্রামক রোগ।
সংক্রমণের ১-২১ দিনের মধ্যে লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে।
প্রধান লক্ষণ হলো র‍্যাশ। ২-৪ সপ্তাহ র‍্যাশের পাশাপাশি নিচের লক্ষণগুলোও থাকতে পারে—
- জ্বর
- গলাব্যথা
- মাথাব্যথা
- মাংসপেশিতে ব্যথা
- দূর্বলতা
- লিম্ফনোড বা লসিকাগ্রন্থি ফুলে যাওয়া
- অনেকের অসুস্থতা প্রথমে র‍্যাশ দিয়ে শুরু হয়। অনেকের এমন নাও হতে পারে। অনেকে চিকেন পক্স বা অন্যান্য অসুখের র‍্যাশের সাথে এটিকে মিলিয়ে ফেলতে পারেন। এই র‍্যাশ প্রথমে ফ্ল্যাট থাকে, পরে তরলপূর্ণ ব্লিস্টারে পরিণত হয়। র‍্যাশে ব্যথা বা চুলকানিও হতে পারে। র‍্যাশ একসময় শুকিয়ে ঝরে পড়ে।
সাধারণত হাতের তালু, পায়ের পাতা, মুখ,গলা, কুচকি, যৌনাঙ্গ ও পায়ুতে র‍্যাশ বেশি হতে পারে।
এর পাশাপাশি পায়ুপথে ব্যথা বা রক্তপাতও হতে পারে।

⭕️রোগ সংক্রমণের মাধ্যম:-
সাধারণত ত্বকে কাটা ছেঁড়া থাকলে, মিউকোসাল সারফেস যেমন মুখ, গলা, চোখ, যৌনাঙ্গের মাধ্যমে এমনকি শ্বাসতন্ত্রের মাধ্যমেও এ রোগ হতে পারে।
ত্বকের মধ্যে লেসন থাকলে সরাসরি সংস্পর্শের মাধ্যমে এই রোগ ছড়ায়। সাধারণত স্পর্শ, চুম্বন, শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করলে এই রোগ ছড়ায়। এমনকি ফেস টু ফেস কথা বললে, শ্বাস নিলেও ছড়াতে পারে।
আক্রান্ত প্রাণীর কামড়, স্ক্র্যাচ, শিকার করা, চামড়া ছড়ানো, রান্না করা থেকেও আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত দ্রব্য যেমন কাপড়, চাদর, সুঁই ব্যবহার করলেও সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।
আক্রান্ত গর্ভবতী মা থেকে সন্তানেও এ রোগ ছড়াতে পারে।

⭕️রোগ নির্নয়:-
ত্বকের ক্ষত থেকে স্যাম্পল নিয়ে PCR বা পলিমারেজ চেইন রিএকশনের মাধ্যমে ল্যাবরেটরিতে এটি নির্নয় করা হয়।

⭕️সংক্রমিত হলে কি করা উচিত:-
সকল ক্ষত বা স্ক্যাব ঝড়ে পড়ে নতুন চামড়া উঠা পর্যন্ত ঘরে থাকুন।
বাইরে বের হলে ক্ষত ঢেকে রাখুন এবং মাস্ক পরুন।

সাধারণত ভাইরাল অসুখগুলোর ওষুধ থাকেনা। যে যে লক্ষন থাকে সেগুলোর চিকিৎসা নিতে হয়। যেমন র‍্যাশ হলে সেটির যত্ন নিন, ব্যথা হলে সেটির জন্য ওষুধ খান।

⭕️প্রতিরোধ:-
কোভিডের সময় আমরা যেসব সাবধানতা অবলম্বন করতাম, আবার সেই অভ্যাসগুলো ফিরিয়ে আনুন—
বারবার সাবান, হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে হাত ধুয়ে নিন।
আপনার সঙ্গীর সাথে তার স্বাস্থ্য সম্পর্কে আলোচনা করুন, যেকোনো কারো সংক্রমণের লক্ষণ দেখা গেলে শারীরিক সম্পর্ক থেকে বিরত থাকুন।
অন্য কারো ব্যবহৃত সামগ্রী ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।
আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে অন্তত ১ মিটার দূরত্ব রেখে চলুন।
আক্রান্ত পশুপাখি এড়িয়ে চলুন।
যেসকল এলাকায় এই রোগ ছড়িয়েছে সেই এলাকায় ভ্রমণ এড়িয়ে চলুন।

📌📌📌আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:-
আপনার বা পরিচিত কারো মাংকি পক্সের লক্ষণ দেখা গেলে ১৬২৬৩ বা ১০৬৫৫ নাম্বারে কল করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে জানাবেন।

Cp

বন্যাকবলিত অসহায় মানুষের পাশে আদিয়াত ফার্মা-Adiyat Pharma 🩺🩺 #চলছে_ফ্রি_মেডিকেল ক্যাম্প।ঠিকানা ঃআদিয়াত ফার্মাধোড়করা বা...
30/08/2024

বন্যাকবলিত অসহায় মানুষের পাশে আদিয়াত ফার্মা-Adiyat Pharma
🩺🩺
#চলছে_ফ্রি_মেডিকেল ক্যাম্প।
ঠিকানা ঃআদিয়াত ফার্মা
ধোড়করা বাজার

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 23:30
Tuesday 09:00 - 23:30
Wednesday 09:00 - 23:30
Thursday 09:00 - 23:30
Friday 09:00 - 23:30
Saturday 09:00 - 23:29
Sunday 09:00 - 23:30

Telephone

+8801893647102

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আদিয়াত ফার্মা-Adiyat Pharma posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to আদিয়াত ফার্মা-Adiyat Pharma:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram