Lazz Pharma Ltd. Online Pharmacy

Lazz Pharma Ltd. Online Pharmacy We are constantly expanding our services door to door including patient care services, such as onlin

Lazz Pharma Ltd is committed to helping customers in the whole country. You’ll find every member of our staff to be knowledgeable and accessible. While our commitment to personal service is still the most important aspect of our business, we are constantly expanding to include many patient care services, such as local delivery services, mail services, online refills, diabetic consulting, and nursi

ng home care. This modernized pharmacy will manage and maintain the intimacy of a neighborhood pharmacy while serving your everyday health needs. We hope you’ll enjoy shopping at Lazz Pharma Ltd – it will always be our pleasure to serve you. Our Mission Statement is to work hard to care for our patients. We will accomplish this by providing professional attention in a comfortable environment that encourages participation in the system and by being available to our patients. We will give the level of service that we would want to receive and in the most cost-effective way possible.

09/05/2026

রাতে Vitamin D খাওয়া বন্ধ করুন।
এটা আপনার ঘুম নষ্ট করছে।

Vitamin D শুধু হাড়ের জন্য না, ঘুমের সাথেও এর সরাসরি কানেকশন আছে।

গবেষণা বলছে — Vitamin D শরীরের melatonin হরমোনের ওপর প্রভাব ফেলে। Melatonin হলো সেই হরমোন… যেটা শরীরকে সিগন্যাল দেয় “এখন ঘুমানোর সময়।”

তাই সন্ধ্যা বা রাতে Vitamin D নিলে melatonin রিলিজ দেরিতে হয়। ঘুম আসতে দেরি হয়। ঘুম গভীর হয় না।

Vitamin D শরীরকে একটু চাঙা করে দেয়। ঠিক যেটা সকালে দরকার, রাতে না।

তাই এটা নিন সকালে বা দুপুরে - ডিম, ঘি, বা বাদামের সাথে। কারণ Vitamin D fat-soluble। ফ্যাট/চর্বি ছাড়া শরীর ঠিকমতো absorb করতে পারে না।

সাথে যদি একটু রোদে থাকতে পারেন, আরও ভালো।
Supplement শরীরের natural Ryhthm সাথে কাজ করে। বিরুদ্ধে না।

আপনি কখন Vitamin D নেন? 💬

মাত্রাতিরিক্ত লাভের আশায় ডায়াজিপামের (ঘুমের ঔষধ) এম্পুলে নেলবুফিনের লেভেল লাগিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। যেখানে ডায়াজিপামের দ...
30/04/2026

মাত্রাতিরিক্ত লাভের আশায় ডায়াজিপামের (ঘুমের ঔষধ) এম্পুলে নেলবুফিনের লেভেল লাগিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। যেখানে ডায়াজিপামের দাম ৩-৪ টাকা সেখানে নেলবুফিন মার্কেট আউট হবার কারনে ২০০-৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে!!! কিছু কিছু ওষুধ দীর্ঘদিন ধরেই বাজারে নেই যেমন মেথারস্প্যান, বাজারে নেই ২ বছরের বেশি হয়ে গেলো!! অথচ এটি বাচ্চা প্রসবকালীন মায়েদের জীবন রক্ষাকারী একটি ওষুধ। কারো কোনো উদ্দ্যোগ নেই ওষুধগুলো মার্কেটে আনার। এই সুযোগে অসাধু ব্যাবসায়ীরা ভেজাল ওষুধ কিংবা এক ওষুধের লেভেল উঠিয়ে অন্য ওষুধের লেভেল লাগিয়ে বাজারে ছেড়ে দিচ্ছে!!!! কি ভয়ংকর ব্যাপার। বাজারে মনিটরিং দুর্বল থাকায় বিপদে পড়ছে সাধারন মানুষ আর ডাক্তাররা। কে জানে কোন ওষুধের বোতলে কোন ওষুধের লেভেল লাগানো!!!! মানুষ অসুস্থ হচ্ছে, মারা যাচ্ছে, বুঝতেও পারছেনা কেনো হচ্ছে কিভাবে হচ্ছে। যেমন হয়েছিলো ভেজাল হ্যালোথেনের কারনে মুসলমানি করতে যাওয়া বাচ্চার মৃত্যু!!!😥😥😥😥

সামান্য ২০০/৩০০ টাকার জন্য মানুষ মেরে ফেলতেও চিন্তা করছে না । কি আজব অবস্থা।

লিখেছেন Dr-Moshiur Rahman Mazumder

চমৎকার বাংলাদেশ! সোনার বাংলাদেশ! যারা এই জাতি নিয়ে স্বপ্ন দেখে, তাদের জন্য করুণা ও ঘৃণা।

17/04/2026

আপনি কি খেয়াল করেছেন লাস্ট কয়েক বছরে ৮-১০ বছর বয়সে মেয়েদের পিরিয়ড শুরু হয়ে যাচ্ছে? তাহলে আমাদের শিশুরা কি সময়ের আগেই বড় হয়ে যাচ্ছে?
এক সময় মেয়ে শিশুদের বয়ঃসন্ধি বা পিরিয়ড শুরু হওয়ার স্বাভাবিক বয়স ছিল ১২ থেকে ১৪ বছর। কিন্তু বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে ১০ বছর হওয়ার আগেই শিশুদের মধ্যে শারীরিক পরিবর্তন চলে আসছে। বিষয়টি কেবল শারীরিক নয়, বরং মানসিকভাবেও একটি শিশুর জন্য বেশ চাপের।

একটা রিসেন্ট ঘটনা বলি। চেম্বারে একজন পেশেন্ট এসেছেন। বয়স ১০+। মেয়েটার পিরিয়ড শুরু হয়েছে ১০ বছরে পা দেয়ার পরেই। স্পটিং বা লাল স্রাব আসা শুরু হয়েছে আরো ৬ মাস আগে থেকে। অর্থাৎ ৯.৫ বছর বয়স থেকে।
আগে আগে পিরিয়ড শুরু হলেও ওর পিরিয়ড কিন্তু রেগুলার না। শুরু হবার পরে আবার ৩/৪ মাস বন্ধ ছিলো। লাস্ট ৬ মাসে আমি বেশ কিছু এমন পেশেন্ট পেয়েছি। বয়স ১০-১২ বছরের মধ্যে। পিরিয়ড শুরু হয়েছে কিন্তু হরমোনাল ইমব্যালেন্স আছে সাথে বেশ কিছু ভিটামিন মিনারেলস ডেফিসিয়েন্সি।

আর গত কয়েক বছর ধরেই দেখছি ক্লাস টু,থ্রি তে ওঠার পরেই মেয়েদের পিরিয়ড শুরু হচ্ছে।

কেন এমন হয়?

বর্তমানে শিশুদের শরীরে সময়ের আগেই বড় হয়ে ওঠার লক্ষণগুলো আসলে কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এটি আমাদের পরিবেশগত দূষণ এবং খাদ্যাভ্যাসের চরম বিপর্যয়ের ফল। এই পরিবর্তনের মূলে রয়েছে Endocrine Disrupting Chemicals (EDCs) এবং পুষ্টিহীন আধুনিক ডায়েট।

১)প্রোটিন ও ফ্যাট টক্সিসিটি- আমাদের শিশুদের বর্তমান খাদ্যাভ্যাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তারা প্রাকৃতিক খাবারের চেয়ে প্রসেসড খাবারের ওপর বেশি নির্ভরশীল। আমাদের শিশুদের প্রোটিনের প্রধান উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে ব্রয়লার মুরগি। কমার্শিয়াল মিট বা ব্রয়লার মুরগিকে দ্রুত বড় করার জন্য অনেক সময় বিভিন্ন গ্রোথ প্রোমোটার বা অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহৃত হয়। এই উপাদানগুলো শিশুদের শরীরে গিয়ে এস্ট্রোজেন মিমিক্রি (Estrogen Mimicry) তৈরি করে। অর্থাৎ, মেয়েদের শরীরে থাকা এস্ট্রোজেন হরমোনের মত হরমোনের মিমিক্রি করে। যার ফলে শরীর মনে করে প্রচুর এস্ট্রোজেন তৈরি হচ্ছে, যা অকাল বয়ঃসন্ধিকে ট্রিগার করে।

২)ওমেগা-৬ ও ওমেগা-৩ টক্সিসিটি: ফাস্টফুড, ফ্রাইড চিকেন, নাগেটস আর সয়াবিন তেলে ভাজা খাবারে প্রচুর ওমেগা-৬ থাকে। কিন্তু দেখা যায় বাচ্চারা মাংস খেলেও মাছ একদমই খেতে চায়না। তাই খাদ্যতালিকায় মাছ বা ওমেগা-৩ এর অভাব থাকায় শরীরে ওমেগা ৬ এর পরিমান বেড়ে যায় এবং এক ধরণের ইনফ্লামেশন বা প্রদাহ তৈরি হয়। এই ইনফ্লামেশন মেটাবলিক স্ট্রেস বাড়িয়ে পিউবার্টিকে এগিয়ে আনে।

৩)লেপটিন ও ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স: বর্তমানে বাচ্চাদের ম্যাক্সিমাম খাবারে বাইরের খাবার ইনক্লুড থাকে। টিফিন থেকে শুরু করে ঘরের নাস্তা সব কিছুতেই আটা ময়দা এবং চিনির উপস্থিতি দেখা যায়। অতিরিক্ত চিনি, কার্বোনেটেড ড্রিঙ্কস এবং ময়দার তৈরি খাবার ইনসুলিন স্পাইক ঘটায়। শরীরে চর্বি বাড়লে লেপটিন নামক হরমোন বেশি নিঃসরণ হয়। এই লেপটিন সরাসরি মস্তিষ্কে সংকেত পাঠায় পিউবার্টি শুরু করার জন্য। একে বলা হয় 'ক্রিটিক্যাল বডি ফ্যাট হাইপোথিসিস'।
এছাড়াও চিনিযুক্ত পানীয় (সফট ড্রিঙ্কস), সাদা পাউরুটি, বিস্কুট এবং ময়দার তৈরি খাবার ইনসুলিন হরমোনকে বাড়িয়ে দেয়। উচ্চ ইনসুলিন সরাসরি সেক্স হরমোন বাইন্ডিং গ্লোবুলিন (SHBG) কমিয়ে দেয়, ফলে রক্তে ফ্রি এস্ট্রোজেনের পরিমাণ বেড়ে যায়। ফলে আর্লি পিউবার্টি শুরু হয়। এছাড়া বার্গার পিজ্জা তে ব্যাবহার করা সসেজ, সালামি বা নাগেটসে থাকা প্রিজারভেটিভগুলো শিশুদের লিভারের ওপর চাপ ফেলে, যা হরমোন মেটাবলিজমের প্রধান কেন্দ্র। লিভারে প্রেসার পরলে তখন হরমোনাল সাইকেল উলটা পালটা হয়ে যায়।

৪) স্ট্রেস, স্ক্রিন টাইম ও ভিটামিন-ডি এর অভাব: আমাদের সোসাইটতে এখন সব থেকে বড় সমস্যা স্ট্রেস। ছোট বাচ্চাদের এত্ত বেশি পড়াশোনা আর ফার্স্ট হবার প্রেশার থাকে যে এরা এর বাইরে কিছু ভাবতে পারে না। এরপরেই আসে ডিভাইস এডিকশন। বিশেষ করে শহরে বাচ্চাদের বাইরে যাবার সুযোগ কম থাকায় এবং বাবা মা বাচ্চা কে পর্যাপ্ত সময় না দিতে পেরে ডিভাইস ধরিয়ে দেন। পড়াশোনার স্ট্রেস আর ডিভাইসে (মোবাইল/ট্যাব) বুঁদ হয়ে থাকা, শিশুদের মেলাটোনিন হরমোন কমিয়ে দিচ্ছে। এছাড়া বাচ্চারা রোদে বের হয়না, খেলাধুলার সুযোগ কম। পর্যাপ্ত সূর্যের আলো বা ভিটামিন-ডি এর অভাবও আর্লি পিউবার্টির অন্যতম কারণ হিসেবে গবেষণায় প্রমাণিত।

৫)অদৃশ্য কেমিক্যাল এক্সপোজার: এন্ডোক্রাইন ডিসরাপ্টার্স (EDCs)-
খাবারের পাশাপাশি আমাদের চারপাশের পরিবেশও শিশুদের হরমোন ব্যবস্থাকে বিভ্রান্ত করছে। বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় Endocrine Disrupting Chemicals (EDCs)।

বিসফেনল এ (BPA) ও প্লাস্টিক: প্লাস্টিকের বোতল বা টিফিন বক্স থেকে নির্গত BPA শরীরে গিয়ে এস্ট্রোজেনের মতো আচরণ করে। এটি শিশুদের প্রজননতন্ত্রের স্বাভাবিক বিকাশে বাধা দেয়।

থ্যালেটস (Phthalates) ও পারফিউম: শিশুদের কসমেটিকস, শ্যাম্পু বা কড়া সুগন্ধিতে থাকা থ্যালেটস হরমোনাল ডিসরাপশন ঘটাতে পারে।

প্যারাবিনস ও টক্সিন: প্রসাধনীতে থাকা প্রিজারভেটিভগুলো সরাসরি রক্তে মিশে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে।

আমাদের তাহলে কি করা উচিৎ??
শিশুদের এই জটিলতা থেকে বাঁচাতে টোটাল লাইফস্টাইল পরিবর্তন করা ছাড়া গতি নেই:

১) প্রথমেই খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করা জরুরি। ব্রয়লার মুরগির ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে দেশি মুরগি, সামুদ্রিক বা ছোট মাছ, ডিম এবং গরুর মাংস খাওয়া যেতে পারে। ফুলকপি, ব্রকলি বা বাধাকপিতে থাকা DIM (Diindolylmethane) শরীর থেকে বাড়তি এস্ট্রোজেন বের করে দিতে সাহায্য করে। তাই বাচ্চার খাবারে যোগ করতে পারেন। প্রোটিন জাতীয় খাবার খেতে উৎসাহিত করা এবং ওমেগা থ্রি রিচ মাচ রেগুলার খাদ্যতালিকায় রাখা জরুরি।

২)প্লাস্টিক বর্জন করে কাঁচ বা স্টিলের পাত্র ব্যবহার নিশ্চিত করুন বা ভালো মানের প্লাস্টিক ব্যাবহার করুন।

৩) বাচ্চাদের দিনে একটা নির্দিষ্ট সময় রোদে খেলাধুলা করার সুযোগ দিন। প্রতিদিন অন্তত ৩০-৬০ মিনিট রোদে খেলাধুলা করলে ভিটামিন-ডি এর অভাব পূরণ হবে এবং শরীরের মেটাবলিজম ঠিক থাকবে।

Sumya Shila

Clinical Nutritionist and Diet Consultant
Child & Reproductive Nutrition Consultant

19/01/2026

একজন মহিলার পুরো হরমোনাল সিস্টেম—যা তার মুড, ঘুম, স্ট্রেস, হজম, আত্মবিশ্বাস, এমনকি তার কথাবার্তার কোমলতা পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ করে—এসবের মূল ভিত্তি হলো তার emotional safety। আর এই emotional safety সবচেয়ে বেশি তৈরি হয় তার জীবনের সবচেয়ে কাছের মানুষ, অর্থাৎ তার স্বামী বা তার প্রেমিকের আচরণে। মেয়েদের শরীর প্রকৃতিগতভাবে খুব সংবেদনশীল। তাদের হরমোনগুলো minute-to-minute পরিবর্তন হয়। পুরুষদের হরমোন স্থির হয়—কিন্তু মেয়েদের estrogen, progesterone, oxytocin, cortisol সারাক্ষণ ওঠানামা করে। তাই একজন পুরুষের বা তার কাছের মানুষগুলোর একটা কথা, একটা আচরণ, একটু রূঢ়তা, কিংবা একটু মমতা তার হরমোনে অবিশ্বাস্য প্রভাব ফেলে।

যখন একজন পুরুষ গভীরভাবে সম্মান দেয়, কথা বলার সময় নরম থাকে, তার feelings–কে গুরুত্ব দেয়—তখন মেয়েদের শরীরে oxytocin দ্রুত বাড়ে। এই oxytocin শুধু bonding নয়, শরীর ও মনকে ভিতর থেকে শান্ত করে। এই শান্ত অবস্থাই estrogen–progesterone–thyroid–insulinকে সুন্দরভাবে ব্যালান্স করে রাখে। তার ফলে period regular থাকে, mood stable থাকে, anxiety কমে, ঘুম গভীর হয়, মাথা ব্যথা কমে, হজম শক্তিশালী হয়।

কিন্তু যখন সে harsh কথা শোনে, বারবার অবহেলা পায়, ভালোবাসার অভাব অনুভব করে—তার শরীর তখন সেই পরিস্থিতিকে “threat” হিসেবে নেয়। তখন cortisol বাড়ে। স্ট্রেস হরমোন cortisol বাড়লে খুব অদ্ভুত সব পরিবর্তন হয়: মনের ওঠানামা শুরু হয়, পিরিয়ড গোলমাল হয়, বুকে ভারী লাগে, ঘুম কমে যায়, শরীরে পানি ধরে, ওজন বেড়ে যায়, আবার কারও ক্ষেত্রে হঠাৎ ওজন কমে যায়। কেউ বিরক্ত হয়, কেউ চুপ হয়ে যায়, কেউ খুব emotional হয়ে পড়ে, কেউ আবার hyper-reactive হয়ে যায়।

তার মানে— আপনি যেভাবে তার সাথে কথা বলেন, সে ঠিক সেই অনুযায়ী তার হরমোন behave করে।

একজন পুরুষ যদি ভাবেন, “সে কেন রেগে আছে?”, “সে কেন sensitive?”, “এত emotional কেন?”—তবে তার জানা উচিত যে একজন মহিলার emotional world আসলে তার biological world-এর সাথে সরাসরি যুক্ত। সে যেমন ভাবে, তার শরীরও ঠিক সেভাবে প্রতিক্রিয়া জানায়।

আপনি যদি বারবার দেরি করে উত্তর দেন, তাকে উপেক্ষা করেন, রূঢ় কথা বলেন—তার শরীর সঙ্গে সঙ্গে cortisol বাড়াবে, estrogen কমাবে, progesterone disturb করবে। এর ফল—bloating, cramps, hair fall, mood swings, anxiety, oversensitivity—এসবই দেখা দেয়।

কিন্তু একজন পুরুষ যদি তার মেয়েটিকে hug করে বলে, “তুমি আছো, সেটাই আমার সুখ”—তখন তার শরীর মুহূর্তেই relax mode-এ চলে যায়। শুধু psychological নয়, biological transformation ঘটে। হৃদস্পন্দন ধীর হয়, শ্বাস গভীর হয়, nervous system শান্ত হয়, হরমোনগুলো আবার ছন্দে ফিরে আসে।

এটাই একজন মেয়ের সত্য। ভালোবাসা তার শরীরের ওষুধ।।সম্মান তার হরমোনের স্থিরতা। নরম আচরণ তার মানসিক শান্তি। আপনার একটুখানি যত্ন তার পুরো endocrine system heal করে।

একজন পুরুষ কখনোই বুঝতে পারেন না, তার একটি মিষ্টি বাক্য বা সামান্য সহায়তা কিভাবে একজন মেয়ের ব্যথা, মানসিক চাপ, hormonal imbalance—এসবকে মুহূর্তে হালকা করে দেয়।

পুরুষেরা ভালোবাসা প্রকাশে একটু পিছিয়ে থাকে, কিন্তু যখন তারা বোঝে যে তাদের আচরণ একজন নারীকে শুধু emotionally নয়, medically সুস্থ করে—তখন ভালোবাসা তাদের কাছেও দায়িত্ব হয়ে ওঠে। আর একজন পুরুষ যখন সত্যিকারের সঙ্গী হয়ে ওঠে, তখন একজন নারী শুধু relationship-এ সুখী হয় না—তার পুরো শরীর, মন, আত্মা সব সুস্থ হয়ে ওঠে।

ভালোবাসা কোনো luxury নয়—
ওটাই একজন নারীর প্রথম চাওয়া তার প্রিয় মানুষের থেকে।
সংগৃহীত.....!!

পাখিটির নাম পেলিকান। যখন এদের চরম খাদ্য সংকট দেখা দেয়, তখন "মা" পাখি নিজের বুক এভাবে ক্ষতবিক্ষত করে। আর সেই ক্ষতস্থান থ...
12/01/2026

পাখিটির নাম পেলিকান। যখন এদের চরম খাদ্য সংকট দেখা দেয়, তখন "মা" পাখি নিজের বুক এভাবে ক্ষতবিক্ষত করে। আর সেই ক্ষতস্থান থেকে বের হওয়া রক্ত পান করে বাচ্চারা জীবন বাঁচায়।

পৃথিবীতে মায়ের সাথে তুলনা করার মতো কোনো বস্তু এখন পর্যন্ত আবিষ্কার হয়নি এবং কোনদিন হবেও না। ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল মা!

ওজন কমলেও সিস্ট তো যায়নি, পিসিওএস এর সিম্পটমস গুলোও আছে, ব্লিডিং কম হচ্ছে কি করবো আপু?পিসিওএস এর সমস্যা নিয়ে ডাক্তারের ক...
22/10/2025

ওজন কমলেও সিস্ট তো যায়নি, পিসিওএস এর সিম্পটমস গুলোও আছে, ব্লিডিং কম হচ্ছে কি করবো আপু?
পিসিওএস এর সমস্যা নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেলেন। ডাক্তার বললেন ওজন কমান, ওজন কমালে ঠিক হয়ে যাবে। সাথে দিলেন কিছু মেডিকেশন( মেটফরমিন)।

আপনি একদম কোমড় বেধে নেমে পরলেন ওজন কমানোর যুদ্ধে। দিন রাত কম খেয়ে, দিনে অন এভারেজ ৭০০/৮০০ ক্যালরি নিয়ে ওজন কমিয়ে একদম হাড্ডিসার হয়ে গেলেন কিন্তু PCOS এর কোন ইমপ্রুভমেন্ট হলো না, হরমোন ঠিক হলো না বা বেলি ফ্যাটও সেই আগের জায়গায়ই রয়ে গেলো। এর কারন কি? ওজন কমালেই তো সব ঠিক হবার কথা, তাহলে ঠিক হলো না কেন?? আজকে এই বিষয়েই কথা বলবো।

আমাদের দেশে খুব প্রচলিত একটা মিথ হচ্ছে এই ফ্যাট খাস না, মোটা হয়ে যাবি। এই মিথ এতটাই প্রচলিত যে আমরা ডায়েট শুরু করলে প্রথমে যে খাবার টা কাট করি বা খাওয়া অফ করে দেই তার নাম ফ্যাট। ঘী, বাটার, গরুর চর্বি এগুলো দেখলে যেন তওবা পড়তে হয় আমাদের। এরপরে প্রোটিন খাওয়া কমাই এবং শেষে কার্ব। যারফলাফল খুবই লো ক্যালরিক একটা ডায়েট এবং প্রচুর মাসল লস । এখন প্রশ্ন আসতে পারে ফ্যাটের কি দরকার আসলে শরীরে। গুড এনিমেল ফ্যাট কেন খেতে হবে??

আমাদের শরীরে মূলত ৩ ধরনের হরমোন থাকে,

১) পেপটাইড হরমোন

২) এমাইন হরমোন

৩) স্টেরয়েড হরমোন

এইযে ৩ ধরনের হরমোন আছে এর মধ্যে আমাদের মেয়েদের শরীরের যে প্রধান ২ টা রিপ্রোডাক্টিভ হরমোন এস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন এবং ছেলেদের প্রধান রিপ্রোডাক্টিভ হরমোন টেস্টোস্টেরন এই স্টেরয়েড হরমোন এর অন্তর্ভুক্ত। স্টেরয়েড হরমোন সিন্থেসিস করার জন্য আমাদের দরকার হয় কোলেস্টেরল এর। কোলেস্টেরল এর একমাত্র ডায়েটারি সোর্স হচ্ছে এনিম্যাল ফ্যাট। যখনই আমরা ফ্যাট খাওয়া কমিয়ে দেই আমাদের শরীর এনাফ এস্ট্রোজেন, প্রোজেস্টেরন উৎপাদন করতে পারে না, যার ফলে আমাদের পিরিয়ড সাইকেল ওলট পালট হতে শুরু করে। প্রথমে যে বলেছিলাম ওজন কমে গেলেও পিরিয়ডের সমস্যা ঠিক হচ্ছে না কারন শরীর পর্যাপ্ত কোলেস্টেরল পাচ্ছে না ফলে সে হরমোন এ উৎপাদন করতে পারছে না।

ডায়েটারি ফ্যাট কিন্তু আমাদের ফার্টিলিটি বুস্ট করতেও সাহায্য করে। ওমেগা থ্রি এবং ওমেগা সিক্স ফ্যাটি এসিড শরীরের ইনফ্লামেশন কমায় যার ফলে পিরিয়ড নিয়মিত হওয়া শুরু করে।

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে লো ফ্যাট ডায়েট আমাদের ওভ্যুলেশন হতে বাধা দেয় যার ফলে পিরিয়ড অনিয়মিত হয়।

ভিটামিন এ,ডি,ই,কে এই ৪ টি ভিটামিন শরীরে শোষিত হতে ফ্যাটের দরকার পরে এবং এই ভিটামিন গুলো আমাদের হরমোনাল ফাংশন রেগুলেশনের জন্য দায়ী।

তাই ডায়েট করার সময় ফ্যাটকে ভয় পাওয়া যাবে না। ঘী,বাটার, বীফ ট্যালো, অলিভ অয়েল, ফ্ল্যাক্স সীডস, বাদাম, অন্য সীডস যোগ করুন। ডিরেক্ট কার্বোহাইড্রেট এর পরিমান কমিয়ে আনুন। ফ্যাটকে ভয় পেয়ে নয় ভালোবেসে সুস্থ থাকুন।

তবে পিসিওএস পেশেন্ট দের ক্ষেত্রে হরমোনের ব্যাপার টা পার্সন টু পার্সন খুব বেশি ভ্যারি করে। তাই আপনার যদি পিসিওএস থেকে থাকে তাহলে পরামর্শ থাকবে নিজে নিজে ডায়েট না করে অবশ্যই একজন প্রফেশনাল নিউট্রিশনিষ্ট এর সাজেশন নিয়ে প্রপার ডায়েট মেইনটেইন করা।

যারা প্রফেশনাল এর আন্ডারে ওজন কমাতে চাচ্ছেন তারা জয়েন করে ফেলতে পারেন আমাদের ওয়েট লস চ্যালেঞ্জ মিশন মাইনাস এ। রেজিষ্ট্রেশন লিংক কমেন্ট বক্সে।

সুমাইয়া শিলা
চাইল্ড এন্ড রিপ্রোডাক্টিভ নিউট্রিশন কনসালট্যান্ট
বিএস, পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইন্সটিটিউট,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

বর্তমান সময়ের খুবই সাধারন একটা সমস্যা হলো সন্তান ধারণে দেরি হওয়া কিংবা সন্তান একেবারেই না হওয়া। আসলে আমাদের স্ট্রেসে পরি...
07/10/2025

বর্তমান সময়ের খুবই সাধারন একটা সমস্যা হলো সন্তান ধারণে দেরি হওয়া কিংবা সন্তান একেবারেই না হওয়া। আসলে আমাদের স্ট্রেসে পরিপূর্ণ জীবন যাপন, অস্বাস্থ্যকর লাইফ স্টাইল, দূষিত পরিবেশ, ভেজাল খাবার, পর্যাপ্ত শারীরিক যত্নের অভাব ইত্যাদিই সন্তান ধারণে দেরী হওয়া বা সমস্যা সৃষ্টির প্রধান কারন। সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য প্রয়োজন সঠিক খাদ্য পরিকল্পনার ও সঠিক সময়ে খাদ্য গ্রহণের। একইভাবে গর্ভাবস্থায় ও গর্ভধারনের পূর্বে একজন মায়ের সুস্থতার জন্য দরকার বিশেষ খাদ্য পরিকল্পনার। আমাদের প্রকৃতিতেই এমন কিছু খাবার রয়েছে যা নারী ও পুরুষ উভয়ের উর্বরতা বা Fertility বাড়াতে কাজ করে। এর পাশাপাশি আপনার শরীরে হরমোনের ভারসাম্য ও নিয়ন্ত্রণেও কাজ করে।
আজ আমরা জানবো এমন কিছু খাবার ও খাদ্য উপাদান সম্পর্কে যা আপনার উর্বরতা বা Fertility বৃদ্ধি করবে।

ফার্টিলিটি নিউট্রিয়েন্টস

১) ভিটামিন ডিঃ
কাজঃ ভিটামিন ডি আপনার শরীরের যৌন হরমোন তৈরি করতে সাহায্য করে যা ডিম্বস্ফোটন এবং হরমোনের ভারসাম্যকে প্রভাবিত করে।
উৎসঃ ডিম, চর্বিযুক্ত মাছ, দুগ্ধজাত খাবার এবং কড লিভার ওয়েল।

২) ভিটামিন ইঃ
কাজঃ পুরুষদের শুক্রাণুর স্বাস্থ্য এবং শুক্রাণুর গতিশীলতাকে উন্নত করে। এছাড়া এটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে যা শুক্রাণু এবং ডিম্বানুর ডিএনএ অখণ্ডতা রক্ষা করতে সহায়তা করে।
উৎসঃ সূর্যমুখী বীজ, বাদাম, জলপাই, পালং শাক, পেঁপে, সবুজ শাক।

৩) ভিটামিন সিঃ
কাজঃ ভিটামিন সি হরমোনের মাত্রা উন্নত করে এবং মহিলাদের উর্বরতা বাড়াতে সহায়তা করে , শুক্রাণুর গুণমান উন্নত করে এবং ডিএনএ কে ক্ষতির থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও ভিটামিন সি শুক্রাণুর একত্রে জমে থাকার প্রবনতা প্রতিরোধ করে শুক্রাণুকে গতিশীল করে তোলে। এটি গর্ভপাত এবং ক্রোমোসোমাল সমস্যার সম্ভাবনা কমাতেও সাহায্য করে।
উৎসঃএটি উদ্ভিদ এবং ফলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে যার মধ্যে রয়েছে আমলকি,পেয়ারা,লাল মরিচ, ব্রকলি, ক্র্যানবেরি, বাঁধাকপি, আলু, টমেটো এবং সাইট্রাস ফল।

৪) লাইপোইক এসিডঃ
কাজঃ লাইপোইক এসিড একটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা মহিলাদের প্রজনন অঙ্গ রক্ষা করতে সাহায্য করে, শুক্রাণুর গুণমান এবং গতিশীলতাকে উন্নত করে।
উৎসঃ আলু, পালং শাক এবং লাল মাংসে অল্প পরিমাণে পাওয়া যায়।

৫) ভিটামিন বি৬ঃ
কাজঃ হরমোন এবং রক্তে শর্করাকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে, প্রিমিনুস্ট্রয়াল সিনড্রোম কমায়।
উৎসঃ টুনা মাছ, কলা, টার্কি, লিভার, স্যামন, কড, পালং শাক, বেল মরিচ, শালগম শাক, রসুন, ফুলকপি, সরিষার শাক, সেলারি, বাঁধাকপি, ব্রোকলি, ক্যালে, ব্রাসেলস স্প্রাউট।

৬) ভিটামিন বি১২ঃ
কাজঃ শুক্রাণুর গুণমান এবং উৎপাদনকে উন্নত করে, ডিম নিষিক্তকরণে এন্ডোমেট্রিয়ামের আস্তরণকে বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে এবং গর্ভপাতের সম্ভাবনা হ্রাস করে।
উৎসঃ ঝিনুক, লিভার, ক্যাভিয়ার (মাছের ডিম), মাছ, কাঁকড়া, গলদা চিংড়ি, গরুর মাংস, ভেড়ার মাংস, পনির, ডিম।

৭) ফলিক এসিডঃ
কাজঃ গর্ভাবস্থায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিনগুলির মধ্যে হলো ফলিক এসিড। এটি ভ্রূণের বিকাশে নিউরাল টিউব ত্রুটি, জন্মগত হার্টের ত্রুটি, ফাটল অঙ্গ, অঙ্গের ত্রুটি এবং মূত্রনালীর অসঙ্গতি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। ফলিক অ্যাসিডের অভাব অকাল প্রসবের ঝুঁকি বাড়ায় এবং গর্ভাবস্থার জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।
উৎসঃ বিভিন্ন ধরনের শাক যেমন,পুঁইশাক, পাটশাক, মুলাশাক, সরিষা শাক, পেঁপে, মটরশুঁটি, শিম, বরবটি, বাঁধাকপি, গাজর ইত্যাদি। বিভিন্ন ধরনের ডাল যেমন- মসুর, মুগ, মাষকালাই, বুটের ডাল ইত্যাদিতে ফলিক এসিড প্রচুর পরিমাণে বিদ্যমান থাকে। এছাড়াও রয়েছে সরিষা, তিল, তিসি ও সূর্যমুখীর বীজে।

৮) সেলেনিয়ামঃ
কাজঃ এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ডিম্বাণু এবং শুক্রাণুকে ফ্রি র‌্যাডিক্যাল থেকে রক্ষা করে।এছাড়া এটি শুক্রাণু সৃষ্টির জন্যও প্রয়োজনীয়।
উৎসঃ লিভার, স্ন্যাপার, কড, হালিবুট, টুনা, সালমন, সার্ডিন, চিংড়ি, ক্রিমিনি মাশরুম, টার্কি, ব্রাজিল নাট।

৯) জিঙ্কঃ
কাজঃ মহিলাদের ক্ষেত্রে, জিঙ্ক প্রজনন সিস্টেমের সর্বোত্তম কার্যকারিতা বজায় রাখতে শরীরের 300 টি ভিন্ন এনজাইমের সাথে কাজ করে। পুরুষদের ক্ষেত্রে ,জিঙ্ক পুরুষের উর্বরতা বজায় রাখতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মিনারেলস হিসাবে বিবেচনা করা হয় ।
উৎসঃ গরুর কলিজা, ঝিনুক, গরুর মাংস, ভেড়ার মাংস, তিলের বীজ, কুমড়োর বীজ, দই, টার্কি, সবুজ মটর, চিংড়ি। এছাড়াও, রান্নার ফলে খাবারে থাকা জিঙ্কের অপচয় হতে পারে। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণে জিঙ্ক দেহে সরবরাহ এর জন্য কিছু খাবার কাঁচাও খাওয়া যায়।

১০) অত্যাবশ্যকীয় ফ্যাটি অ্যাসিডঃ
কাজঃ ওমেগা-৩ অ্যাসিড শরীরের হরমোন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, সার্ভিকাল শ্লেষ্মা বাড়ায়, ডিম্বস্ফোটন বাড়ায় এবং শরীরের প্রজনন অঙ্গে রক্ত ​​প্রবাহ বাড়িয়ে জরায়ুর গুণমান উন্নত করে।
উৎসঃ flax seed,চিয়া সিডস,আখরোট, স্যামন মাছ, সার্ডিনস, হালিবাট, চিংড়ি।
উপরে উল্লেখিত খাদ্য উপাদান ছাড়াও আপনার fertility diet এ পর্যাপ্ত পরিমাণে স্যাচুরেটেড ফ্যাট, কোলেস্টেরল, প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট এবং ফাইবার জাতীয় খাবার অন্তর্ভুক্ত করতে হবে,কারন এগুলো আপনার শরীরকে সার্বিক ভাবে সুস্থ এবং রোগমুক্ত থাকতে সহায়তা করবে।
উপরে বর্নিত খাবারগুলো স্বাভাবিকভাবে আপনার উর্বরতা বৃদ্ধিতে কাজ করে।তবে যদি কারো স্পেসিফিক কোন প্রবলেম থাকে তাহলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেয়া উচিত।

03/09/2025

পুরুষের তলপেটে বা ভিসারাল ফ্যাট বেশি হলে, শরীরে এক ধরণের এনজাইম থাকে যাকে বলে অ্যারোমাটেজ (Aromatase enzyme)। এই এনজাইম পুরুষ হরমোন টেস্টোস্টেরনকে রূপান্তর করে নারী হরমোন ইস্ট্রোজেনে। সেই ইস্ট্রোজেন লেভেল কমানোর জন্য এমনসব ব্যায়াম করতে হয় যা পুরুষালি হরমোন টেস্টোসটেরন বৃদ্ধি করে। শুধুমাত্র হাঁটলে ও ধীরে দৌড়ালে টেস্টোসটেরন বাড়ে না। টেস্টোসটেরন বৃদ্ধি করার জন্য ভার উত্তোলন, ফ্রি হ্যান্ড বা বডি ওয়েট এক্সারসাইজ এবং খুব জোরে দৌড়াতে হয়। তবে নারীরা এই একই ব্যায়াম করার ফলে টেস্টোসটেরন বাড়ে না বরং ইস্ট্রোজেন সেনসিটিভিটি (sensitivity) বাড়ে বা ইস্ট্রোজেন ব্যালান্সে থাকে। ফলে নারীদের শরীরেও ফ্যাট কমে এবং মাংশ পেশি ক্ষয় হওয়া রোধ হয়।

এজন্য দৌড়ানোর পাশাপাশি এইসব ট্রেইনিং না করলে ইস্ট্রোজেন কমাতে পারবেন না, ইস্ট্রোজেন না কমলে অতিরিক্ত দৌড়ানোর ফলে চর্বি, মাংস পেশি দুটি ক্ষয় হবার মাধ্যমে ওজন কমবে। তবে ওজন কমাটা পুরোপুরি খাদ্যাভ্যাস এর ওপর নির্ভর করে। এই একই ব্যায়াম করে স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজনও বাড়ানো যায়, যদি ক্যালোরি সারপ্লাস ডায়েট, বা প্রয়োজনের অতিরিক্ত হেলদি ফুড খাওয়া হয়।

খাবার হজম হতে কত সময় লাগে এবং কখন খাওয়া ভালো:পানি সঙ্গে সঙ্গেই শোষিত হয় (০–১০ মিনিট)। খালি পেটে সকালে পানি খাওয়া সবচ...
12/08/2025

খাবার হজম হতে কত সময় লাগে এবং কখন খাওয়া ভালো:

পানি সঙ্গে সঙ্গেই শোষিত হয় (০–১০ মিনিট)। খালি পেটে সকালে পানি খাওয়া সবচেয়ে উপকারী।

জলসমৃদ্ধ ফল (তরমুজ, বাঙ্গি, আঙুর) ২০–৩০ মিনিটে হজম হয়। খালি পেটে বা খাবারের মাঝে খান।

অম্লীয় ফল (কমলা, আনারস, কিউই) ৩০–৪০ মিনিটে হজম হয়। সকালে বা স্ন্যাক্স টাইমে ভালো, তবে খাবারের পরপর খেলে গ্যাস হতে পারে।

আপেল, নাশপাতি, পেঁপে ৪০–৫০ মিনিটে হজম হয়। খালি পেটে বা খাবারের মাঝে খেলে ভালো।

কাঁচা শাকসবজি (শসা, গাজর, সালাদ) ৩০–৪০ মিনিটে হজম হয়। দুপুর বা রাতের খাবারের আগে খেলে উপকারি।

রান্না করা সবজি ৪০–৫০ মিনিট লাগে। দুপুর বা রাতে খাওয়া যায়।

ভাত, রুটি, আলু প্রায় ১.৫–২ ঘণ্টা লাগে। দুপুর বা রাতে ভালো।

ডাল, ছোলা, সয়াবিন ২–৩ ঘণ্টা লাগে। দুপুর বা বিকেলের দিকে খেলে হজম সহজ হয়।

দুধ ও দই ৩-৪ ঘণ্টা লাগে। সকালে বা রাতে খাওয়া ভালো।

সেদ্ধ ডিম ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট লাগে, ভাজা ডিমে সময় বেশি লাগে। সকাল বা দুপুরে ভালো।

মাছ ১ ঘণ্টায় হজম হয়। দুপুর বা রাতে উপযোগী।

মুরগি ২-৩ ঘণ্টা লাগে। দুপুর বা রাতে ভালো।

গরু/খাসি মাংস ৩–৪ ঘণ্টা লাগে। দুপুরে খাওয়া উত্তম, রাতে খেলে হজম ধীর হয়।

বাদাম ও বীজ ২–৩ ঘণ্টা লাগে। সকালে বা বিকেলে স্ন্যাক্স হিসেবে ভালো।

ফাস্টফুড ও তেলেভাজা ৩–৪+ ঘণ্টা লাগে। যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।

টিপস:
ফল সবসময় খালি পেটে বা খাবারের অন্তত ১ ঘণ্টা আগে খান।
দুপুরে ভারী খাবার, রাতে হালকা খাবার রাখুন।
পানি খাবারের ঠিক আগে বা ৩০ মিনিট পরে পান করুন।

❖❖❖Kegel Exercise-এর ১৫টি অসাধারণ উপকারিতা:১. শীঘ্রপতন রোধ করে২. যৌনক্ষমতা বৃদ্ধি করে৩. পুরুষের ইরেকশন আরও মজবুত করে৪. ন...
25/07/2025

❖❖❖Kegel Exercise-এর ১৫টি অসাধারণ উপকারিতা:
১. শীঘ্রপতন রোধ করে
২. যৌনক্ষমতা বৃদ্ধি করে
৩. পুরুষের ইরেকশন আরও মজবুত করে
৪. নারীদের যৌন আনন্দ বাড়ায়
৫. বীর্যপাতের উপর নিয়ন্ত্রণ আনে
৬. প্রস্রাব ধরে রাখার ক্ষমতা উন্নত করে
৭. প্রস্রাব ঝরে পড়ার সমস্যা কমায় (Incontinence)
৮. প্রসব-পরবর্তী নারীদের পেশি টোনিং করে
৯. লিঙ্গে রক্তপ্রবাহ বাড়িয়ে দৃঢ়তা আনে
১০. গোপন শক্তি ও আত্মবিশ্বাস বাড়ায়
১১. দাম্পত্য জীবনে ঘনিষ্ঠতা বাড়ায়
১২. প্রস্রাবের পথের ইনফেকশন প্রতিরোধে সহায়তা করে
১৩. পেট ও নিতম্বের নিচের অংশ টানটান রাখে
১৪. মিলনের সময় স্থায়িত্ব বৃদ্ধি করে
১৫. মনোযোগ ও আত্মবিশ্বাস বাড়ায়

❖ কীভাবে করবেন Kegel Exercise? (পুরুষ ও নারীদের জন্য)
ধাপ ১: সঠিক পেশি চিহ্নিত করুন
প্রস্রাব করার সময় হঠাৎ থামানোর চেষ্টা করুন। যেই পেশি সংকুচিত করবেন, সেটিই আপনার Kegel Muscle।

ধাপ ২: বসে বা শুয়ে করুন
– পেশি ৫ সেকেন্ড ধরে চেপে ধরুন
– এরপর ৫ সেকেন্ড ছাড়ুন
– দিনে ৩ বার, প্রতিবারে ১০-১৫ বার করুন

ধাপ ৩: চর্চা চালিয়ে যান
যেহেতু বাইরে থেকে বোঝা যায় না, তাই অফিস, বাসা, গাড়ি—যেকোনো জায়গায় অনায়াসে করতে পারবেন।

❖ Kegel Exercise কখন করবেন?
☑ ঘুম থেকে উঠে
☑ রাতে ঘুমানোর আগে
☑ নামাজের আগে/পরে
☑ গাড়ি চালানোর সময়
☑ অফিসে বা যাত্রাপথে (বাস, ট্রেন, লিফটেও)

❖ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা:
⚠ একবারে বেশি করে শুরু করবেন না – ধীরে ধীরে অভ্যস্ত হোন
⚠ ভুল পেশি চাপলে উপকার পাবেন না
⚠ ইউটিউব বা গুগল না দেখে প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন
⚠ নিয়মিত না করলে কাঙ্ক্ষিত ফল মিলবে না

❖ Bonus Tips:
🔸 পুরুষদের জন্য:
"দিন শেষে ক্লান্তি নয়, রাতেও থাকুন চাঙ্গা!"

🔸 নারীদের জন্য:
"নিজেকে গড়ে তুলুন ভিতর থেকে – নিঃশব্দে, কিন্তু গর্বের সাথে!"

🌟 "আপনার একটি শেয়ার কারো জীবনে পরিবর্তন আনতে পারে।" 🌟

 #সতর্কতামূলক পোস্টঅনেক সময় দেখা যায় অবিবাহিত মেয়েদের পিরিয়ড বন্ধ হয়ে গেছে। ডাক্তারের কাছে গেলে ডাক্তার বললো প্রেগনেন্সি...
02/07/2025

#সতর্কতামূলক পোস্ট
অনেক সময় দেখা যায় অবিবাহিত মেয়েদের পিরিয়ড বন্ধ হয়ে গেছে। ডাক্তারের কাছে গেলে ডাক্তার বললো প্রেগনেন্সি টেস্ট করে নিয়ে আসুন। এমতাবস্থায় প্রথমে হয়তো রোগীর লোক বলবে রোগী অবিবাহিত। এখনও বিয়ে হয়নি, বাচ্চা কিভাবে হবে ডাক্তার তখন জোর দিয়ে বলবে আগে টেস্ট করে নিয়ে আসুন তারপর রোগী দেখবো, না হলে দেখবোনা। রোগী যাবে টেস্ট করাতে। এবার দেখা গেলো রোগী প্রেগনেন্সি টেস্ট পজেটিভ। বাড়ির লোক অবাক, রোগী অজ্ঞান।

তখন স্বাভাবিক ভাবেই রোগীর বক্তব্য থাকবে,
আমি কিছু করিনি। রোগীর লোকের বক্তব্য, কিছু করিসনি তো বাচ্চা কোথা থেকে এলো।
ডাক্তারের কাছে রোগী কাঁদতে কাঁদতে বলবে, বিশ্বাস করেন ডাক্তার সাহেব আমি কিছুই করিনি। বাচ্চা কোথা থেকে এলো আমি জানিনা।

রোগীর লোক যদি জীন বিশ্বাসী হয় তবে বলে দেবে জীনের বাচ্চা ওটা কিন্তু ডাক্তারের কেরামতি এখনও বাকি আছে।ডাক্তার তখন আলট্রাসনোগ্রাফির সাহায্য নেবে।

আলট্রাসনোগ্রাফিতে দেখা যাবে রোগী প্রেগনেন্ট না। রোগীর তল পেটে কোন ফেটাস নেই।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে রোগীর পেটে বাচ্চা নেই কিন্তু প্রেগনেন্সি টেস্ট পজেটিভ আসলো কেন।
এটা যে স্ট্রিপ দিয়ে টেস্ট করা হয় সেই স্ট্রিপ আসলে বাচ্চা ডিটেকটর না।

একজন মহিলা যখন বাচ্চা কনসিভ করে তার ৬ দিনের মধ্যে human chorionic gonadotropin (HCG) নামক একটি হরমোন নিঃসৃত হয় দেহ থেকে যা ইউরিন এর মাধ্যনে দেহ থেকে বের হয়। হরমনটি মূলত syncytiotrophoblast (প্লাসেন্টা অংশ) রক্ষার কাজে ব্যবহৃত হয়।

কিন্তু এই একই হরমোন অনেক টিউমার যেমন : Seminoma, choriocarcinoma, germ cell tumors, hydatidiform mole formation, teratoma with elements of choriocarcinoma, and islet cell tumor এর কারণেও নি:সৃত হতে পারে। তখন তো প্রেগনেন্সি টেস্ট পজেটিভ দেখাবে।

এইরকম পরিস্থিতিতে প্রথমেই অনেকে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। আত্মহত্যা করা বা অন্য কিছু ঘটানোর আগে সিউর হোন। আপনি নিজে সতর্ক হোন আর আশেপাশের মানুষকেও সতর্ক করুন। তাহলে হয়তো একটা প্রাণ বাঁচতে পারে। 🌸

Address

64/3, Lake Circus, Kalabagan
Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Lazz Pharma Ltd. Online Pharmacy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Lazz Pharma Ltd. Online Pharmacy:

Share