Aachol Foundation

Aachol Foundation Aachol Foundation envisions a society where mental health is recognized as an essential part of overall well-being.

Aachol Foundation was founded in 2019 by Tansen Rose. Main purpose behind this organisation was to support youths mentally and make them skilled for their upcoming life. In continuation of this, Aachol Foundation has undertaken several activities. They has opened a consultancy unit to provide mental health service. Along with that, they arrange workshops among University students where they can op

en up their problems and a psychology specialist helps them to find out their way to solve. To make youths skilled, Aachol Foundation has conducted many projects and social activities among university students based on mental health. Through this projects, they come with several ideas and based on them, they execute them in a way where not only the youth but also the society can be benefited. Aachol Foundation is currently running some projects keeping in mind the need to increase the mental health and skills of the youths. The major projects currently ongoing are:

1) Project Surfaid: A project in the collaboration of Mental Health & Corporate Life where we provide various courses to others.

2) Project Awaj: A project related to cybercrime and cybersecurity through which legal and psychological assistance is provided to the cyber victims besides creating awareness about various issues of cybersecurity.

3) Project Be the linchpin with Aachol: A skill development project to make a skillful youth decrease mental health issues in our community. There is a monthly training session on different skills.

4) Project Survey: The project's supervisors have been conducting research on a wide range of mental health issues, including deteriorating mental health and suicide. They surveyed various aspects including the responsible reasons.

আজ শুধু একজন মানুষের জন্মদিন নয়, আজ এমন একজন স্বপ্নবাজ মানুষের জন্মদিন,যিনি নিজের স্বপ্নের চেয়েও বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন অন...
20/05/2026

আজ শুধু একজন মানুষের জন্মদিন নয়, আজ এমন একজন স্বপ্নবাজ মানুষের জন্মদিন,
যিনি নিজের স্বপ্নের চেয়েও বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন অন্যের জীবনকে সুন্দর করে তোলার স্বপ্নে।

'তানসেন রোজ' একটি নাম, যার সঙ্গে জড়িয়ে আছে দায়িত্ব, সাহস, ভালোবাসা আর অসংখ্য মানুষের প্রতি নিঃস্বার্থ মমতা।

তিনি শুধু একটি ফাউন্ডেশন পরিচালনা করেন না, তিনি প্রতিনিয়ত তৈরি করছেন নিরাপদ আশ্রয়, কথা বলার ও শোনার স্থান আর নতুন করে বাঁচার অনুপ্রেরণা।

তার নেতৃত্বে অনেক তরুণ স্বপ্ন দেখতে শিখেছে। আজ, আঁচল ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে প্রিয় তানসেন রোজ কে জানাই "শুভ জন্মদিন".

আল্লাহ আপনাকে সুস্থতা, দীর্ঘায়ু, মানসিক প্রশান্তি এবং আরও অসংখ্য মানুষের জীবনে আলো হয়ে থাকার তৌফিক দান করুন।
আপনার স্বপ্নগুলো আরও দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে যাক। 🌸

18/05/2026
May 12–18 — National Anxiety & Depression Awareness Weekআমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছে, যারা বাইরে থেকে একদম স্বাভাবি...
18/05/2026

May 12–18 — National Anxiety & Depression Awareness Week

আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছে, যারা বাইরে থেকে একদম স্বাভাবিক দেখায়, হাসে, গল্প করে, নিজের কাজও ঠিকভাবে করে যায়। অথচ ভেতরে ভেতরে তারা প্রতিদিন anxiety, overthinking কিংবা depression এর সাথে লড়াই করছে।

বিশেষ করে এই প্রজন্মের অনেক ছেলে-মেয়ে নিজের কষ্টগুলো কাউকে বলতে পারে না। “মানুষ কি ভাববে”, “এটা হয়তো আমারই সমস্যা”, বা “আমাকে শক্ত থাকতে হবে” এই ভাবনাগুলো তাদের আরো চুপ করে দেয়।

কিন্তু মানসিক ক্লান্তি কোনো দুর্বলতা না। সবসময় ভালো থাকার অভিনয় করাও খুব ক্লান্তিকর একটা ব্যাপার। কখনো কখনো একজন মানুষ শুধু চায়, কেউ তার কথা বিচার না করে একটু মন দিয়ে শুনুক।

তাই আমাদের আরো একটু সহানুভূতিশীল হওয়া দরকার। কারো আচরণ দেখে তাকে “ড্রামা” বা “অতিরিক্ত ভাবছে” বলার আগে, হয়তো তার না বলা গল্পটার কথাও ভাবা উচিত।

সবাই নিজের যুদ্ধটা চোখে দেখাতে পারে না তাই মানুষের প্রতি একটু নরম হওয়া খুব জরুরি।

“তুমি আগের মতো নেই…”কথাটা শুনে নাবিলা শুধু হেসেছিল।কারণ সে নিজেও জানে—সে বদলে গিয়েছে।আগে সে ছোট ছোট বিষয়েও excited হতো,ম...
17/05/2026

“তুমি আগের মতো নেই…”

কথাটা শুনে নাবিলা শুধু হেসেছিল।
কারণ সে নিজেও জানে—সে বদলে গিয়েছে।

আগে সে ছোট ছোট বিষয়েও excited হতো,
মানুষের সাথে কথা বলতে ভালো লাগত।
এখন অনেক সময় reply দিতেও তার ক্লান্ত লাগে।

কেউ খেয়াল করে না ঠিক,
কারণ বাইরে থেকে সব স্বাভাবিকই দেখায়।
কিন্তু ভেতরে ভেতরে সে অনেকদিন ধরেই একটু চুপ হয়ে গেছে।

সব অনুভূতির ভাষা হয় না।
কিছু কথা শুধু জমে থাকে।

Mending Minds – Episode 12
একটা safe online space—
যেখানে আপনি শেয়ার করতে পারবেন, আপনার মধ্যে জমানো সকল কথা।

🟩 আপনাদের সাথে যুক্ত থাকবেন একজন অভিজ্ঞ "সাইকোলজিস্ট" - যিনি মন দিয়ে আপনাদের কথা গুলো শুনবেন এবং আপনাকে বুঝবেন আপনার জায়গা থেকে।

🟥কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়-
✅এটি কোনো থেরাপি সেশন নয়।
✅এখানে কোনো ডায়াগনোসিস করা হয় না।
✅কোনো প্রবলেম এর সরাসরি সমাধান দেওয়া হয় না।

👉 যুক্ত হতে চাইলে রেজিষ্ট্রেশন করুন:

https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSftGhDdeGc-mReW7Vw79qMa7g9qRJoXRSozh-S1SoLAaruajA/viewform?usp=sharing&usp=embed_facebook

প্লাটফর্ম : গুগল মিট।
সময় : ২২ মে, রাত ০৯:৩০ মিনিট

Mending Minds — যেখানে আপনার অনুভূতি গুরুত্বপূর্ণ।

মিসেস সিদ্দিকা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। বাইরে থেকে দেখলে তার জীবন বেশ গোছানো ভালো চাকরি করে, পরিবারের সবাই ...
15/05/2026

মিসেস সিদ্দিকা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। বাইরে থেকে দেখলে তার জীবন বেশ গোছানো ভালো চাকরি করে, পরিবারের সবাই যে যার জায়গা থেকে প্রতিষ্ঠিত, স্বচ্ছল সংসার, কলিগদের সাথেও সুন্দর সম্পর্ক। কিন্তু তারপরও কিছুদিন যাবত অফিসে ঢোকার আগেই তার বুক ধড়ফড় করে, অফিসের কাজেও আর মন বসাতে পারছেন না তিনি, আগের মতন পরিবারের বা কলিগদের সাথে গল্পেও তার মন যেন অন্য কোথাও হারিয়ে যায়। তার মনে হচ্ছে সবারই এক অদৃশ্য প্রত্যাশার চোখ যেন তার দিকে তাকিয়ে আছে যা তাকে ধীরে ধীরে ক্লান্ত করে তুলছে।

একদিন সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রল করতে করতে একটি পোস্টে তার চোখ আটকায় “Mental Health Action Day: It is Time to Prioritize Mental Health in the Workplace.”
সেই দিন থেকেই তিনি চেষ্টা করেন অফিসে ছোট ছোট পরিবর্তন আনার। মেন্টাল হেলথ সেশন, খোলামেলা আলোচনা, আর সবচেয়ে বড় কথা “তুমি ঠিক আছো তো?” এই প্রশ্নটা স্বাভাবিক করে তোলা।

Mental Health Action Day প্রতি বছর ১৫ মে পালন করা হয়। এই দিন এমন একটি আন্তর্জাতিক উদ্যোগ যা শুধুমাত্র মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে মানুষকে বাস্তব পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত করে। Mental Health Action Day প্রথম শুরু হয় ২০২১ সালে বিশ্বব্যাপী মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা সংস্থা MTV Entertainment Group এর উদ্যোগে।

COVID-19 মহামারির সময় মানুষ ব্যাপকভাবে মানসিক চাপে পড়েছিল একাকীত্ব, উদ্বেগ, এবং অনিশ্চয়তা এই পরিস্থিতিতে শুধু সচেতনতা বাড়ানো যথেষ্ট ছিল না। তাই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, ব্র্যান্ড এবং মানসিক স্বাস্থ্য সংগঠন একসাথে এসে একটি দিন নির্ধারণ করে, যেখানে মানুষকে বলা হবে “আজই কিছু করো নিজের জন্য, বা অন্য কারো জন্য।” শুরু থেকেই এই দিনটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং এখন এটি একটি গ্লোবাল মুভমেন্ট।

Mental Health Action Day 2026 এর থিম হচ্ছে It is Time to Prioritize Mental Health in the Workplace। এই থিমের মূল ফোকাস:

১. কর্মীদের মানসিক সুস্থতা বৃদ্ধি

কাজের চাপ, ডেডলাইন, আর প্রতিযোগিতার মধ্যে অনেকেই মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়েন।
এই থিম কর্মীদের well-being উন্নত করার ওপর জোর দিবে।

২. স্টিগমা কমানো

অনেক কর্মী মনে করে থাকে যে “আমি যদি বলি আমি ভালো নেই, তাহলে কি সবাই আমাকে দুর্বল ভাববে?”
এই থিম সেই মনোভাব ভাঙতে সাহায্য করবে।

৩. সাপোর্ট সিস্টেম তৈরি করা

কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজন কাউন্সেলিং সাপোর্ট, মানসিক স্বাস্থ্য নীতিমালা, এবং সহানুভূতিশীল লিডারশীপ।

Mental Health Action Day আমাদের মনে করিয়ে দেয় চুপ করে থেকে কোন কিছু করা সম্ভব নয় নিজের জন্য এবং অন্যের জন্য কিছু করতে হলে এগিয়ে যেতে হবে। আর এই বছরের থিম আমাদের শিখায় কাজ জরুরি কিন্তু কাজের সাথের সেই মানুষ আরও বেশি জরুরি। মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে শুধু সচেতনতা নয় তার যথাযথ বাস্তবিক প্রয়োগ সকল ক্ষেত্রেই করতে হবে।

আমাদের জীবনের প্রতিটি পথ সবসময় সহজ হয় না। উত্থান পতন ঘটতেই থাকে নিত্যনৈমিত্তিক।চাপ, দুশ্চিন্তা, না বলা কিছু কথা কিংবা অপ...
14/05/2026

আমাদের জীবনের প্রতিটি পথ সবসময় সহজ হয় না। উত্থান পতন ঘটতেই থাকে নিত্যনৈমিত্তিক।
চাপ, দুশ্চিন্তা, না বলা কিছু কথা কিংবা অপ্রকাশিত অনুভূতি এগুলো ধীরে ধীরে আমাদের ভেতরে জমতে থাকে। জমে থাকা কথা কিংবা অনুভূতি গুলো শোনার জন্য একজন মানুষ প্রয়োজন হয়। যিনি বিচার করবেন না বরং মন দিয়ে শুনবেন, বুঝবেন এবং পাশে থাকবেন।

আপনাদের মানসিক সুস্থতার কথা ভেবেই Aachol Foundation শুরু করেছে আমাদের Online Counselling Service & Psychotherapy।
এখানে থাকবেন দক্ষ ও অভিজ্ঞ সাইকোলজিস্টরা, যারা আপনার কথার সম্পূর্ণ গোপনীয়তা বজায় রেখে একটি নিরাপদ এবং সহযোগী পরিবেশ দেওয়ার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আপনি যদি মানসিক চাপ, উদ্বেগ, সম্পর্কজনিত সমস্যা, একাকীত্ব কিংবা যেকোনো মানসিক অস্বস্তির মধ্য দিয়ে যান তবে মনে রাখবেন, আপনাকে একা মোকাবিলা করতে হবে না।
সাহায্য চাওয়া কোনো দুর্বলতা নয় বরং এটি নিজের যত্ন নেওয়ার সবচেয়ে সাহসী সিদ্ধান্তগুলোর একটি।

অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করতে যোগাযোগ করুন আমাদের ফেইসবুক পেইজে। 🤍

The Listening Room– Episode 11অনেক সময় মানুষ যে ঠিক “খারাপ” থাকে তা না,তবুও ভেতরে ভেতরে ক্লান্ত অনুভব করে।ভীষণভাবে কারো ...
12/05/2026

The Listening Room– Episode 11

অনেক সময় মানুষ যে ঠিক “খারাপ” থাকে তা না,
তবুও ভেতরে ভেতরে ক্লান্ত অনুভব করে।
ভীষণভাবে কারো সাথে কথা বলতে ইচ্ছে হয়, কিন্ত কোথা থেকে শুরু করবে বুঝতে পারে না।

ধীরে ধীরে অনুভূতিগুলো জমতে থাকে—
একাকীত্ব, চাপ, কথা না বলা, মানসিক ক্লান্তি…

এই অনুভূতিগুলোর জন্যই
আমরা আয়োজন করছি একটি supportive online group session,
যেখানে আপনি নিরাপদ ও সম্মানজনক পরিবেশে
নিজের অনুভূতি শেয়ার করতে পারেন—
অথবা চাইলে শুধু শুনেও থাকতে পারেন।
শুধু যে খারাপ লাগার বিষয়গুলো শেয়ার করতে হবে তা নয়, বরং আপনার ভালো কোনো অভিজ্ঞতা ও শেয়ার করতে পারেন যা হয়তো আপনি কাউকে বলতে পারছেন না মন খুলে।।

🟩 আপনাদের সাথে যুক্ত থাকবেন একজন অভিজ্ঞ "সাইকোলজিস্ট" - যিনি মন দিয়ে আপনাদের কথা গুলো শুনবেন এবং আপনাকে বুঝবেন আপনার জায়গা থেকে।

🟥কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়-
✅এটি কোনো থেরাপি সেশন নয়।
✅এখানে কোনো ডায়াগনোসিস করা হয় না।
✅কোনো প্রবলেম এর সরাসরি সমাধান দেওয়া হয় না।

👉 যুক্ত হতে চাইলে রেজিষ্ট্রেশন করুন:

https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSftGhDdeGc-mReW7Vw79qMa7g9qRJoXRSozh-S1SoLAaruajA/viewform?usp=sharing&usp=embed_facebook

প্লাটফর্ম : গুগল মিট।
সময় : ১৫ মে, রাত ০৯:৩০ মিনিট

Mending Minds — যেখানে আপনি গুরুত্বপূর্ণ।

কখন বুঝবেন যে কাউন্সেলিং দরকার? যা কেউ সরাসরি বলে নাকতদিন ধরে মনে মনে ভাবছ  "একটু কথা বলতে পারলে ভালো হতো কারো সাথে"?হয়...
11/05/2026

কখন বুঝবেন যে কাউন্সেলিং দরকার? যা কেউ সরাসরি বলে না
কতদিন ধরে মনে মনে ভাবছ "একটু কথা বলতে পারলে ভালো হতো কারো সাথে"?

হয়তো কিছু একটা মাথায় ঘুরছে। ঠিক বলতেও পারছ না কী, কিন্তু ভেতরে ভেতরে একটা ভার অনুভব করছ। কোনো কোনো দিন এত খারাপ লাগে যে মনে হয় এখনই কাউকে ফোন করি। আবার পরদিন একটু ভালো লাগলে ভাবো "আরে না, এত কিছু না। এমনিই ঠিক হয়ে যাবে।"

কিন্তু সত্যিই কি ঠিক হয়ে যাচ্ছে?

বেশিরভাগ সময় হয় না। সমস্যাটা আগের জায়গায়ই থাকে। আর কিছুদিন পরেই আবার সেই একই কষ্ট ফিরে আসে, হয়তো আগের চেয়েও একটু বেশি করে।

"কাউন্সেলিং নেব" এই সিদ্ধান্তটা এত কঠিন কেন?

সত্যি কথা বলতে গেলে, বাধাটা বাইরে থেকে আসে না। বাধাটা আসে নিজের ভেতর থেকে।

কাউন্সেলরকে ফোন করা মানে যেন স্বীকার করে নেওয়া "হ্যাঁ, আমি ঠিক নেই।" আর সেটা মানতে কষ্ট লাগে। আমরা অনেকেই এতদিন ধরে সব ঠিকঠাক আছে এই ভান করে আসছি, নিজের কাছেও। কাউন্সেলরকে ডাকা মানে সেই ভানটা ভেঙে পড়া।

তার উপরে আছে হাজারটা প্রশ্ন "কাউন্সেলিং আসলে কী করে? কাজ হবে তো? টাকা আর সময় নষ্ট হবে না তো? লোকে কী ভাববে?"

এই প্রশ্নগুলো সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। কিন্তু এই প্রশ্নগুলোই অনেক সময় আমাদের থামিয়ে রাখে যখন আসলে এগিয়ে যাওয়া দরকার।

"আমার কি কাউন্সেলিং দরকার?" আসলে এটা সঠিক প্রশ্নই না

কেউ যদি তোমাকে বলে "তোমার কাউন্সেলিং দরকার" শুনতে কেমন লাগে? একটু কেমন যেন, তাই না? মনে হয় সমস্যাটা বোধহয় অনেক বড় হয়ে গেছে।

কিন্তু আসল প্রশ্নটা হওয়া উচিত "কাউন্সেলিং কি আমার কাজে লাগতে পারে?"

এই দুটো প্রশ্নের মধ্যে পার্থক্যটা ছোট, কিন্তু অনেক গুরুত্বপূর্ণ। একটা প্রশ্ন তোমাকে দুর্বল করে, আরেকটা তোমাকে একটা সুযোগের দিকে নিয়ে যায়।

যে লক্ষণগুলো বলছে এখন একটু সাহায্য নেওয়া দরকার

নিচের কোনোটা যদি তোমার পরিচিত লাগে, মনোযোগ দিয়ে পড়ো।

১. একই সমস্যা বারবার ঘুরে আসছে কিছু একটা মাথায় থেকেই যাচ্ছে সপ্তাহের পর সপ্তাহ, মাসের পর মাস। নিজে নিজে অনেক চেষ্টা করেছ, কিন্তু সমাধান হচ্ছে না। এই অবস্থায় একজন বাইরের মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি অনেক সময় আলো দেখাতে পারে।

২. সব কিছু একসাথে চাপা দিচ্ছে কাজ, সম্পর্ক, ভবিষ্যৎ সব কিছু একসাথে মাথার উপর চাপা পড়লে শ্বাস নেওয়াটাই কঠিন মনে হয়। ডিপ্রেশন, উদ্বেগ বা ক্রমাগত স্ট্রেস এগুলো শরীর আর মনকে ভেতর থেকে ক্লান্ত করে দেয়।

৩. কাছের মানুষদের সাথে বলতে পারছ না বন্ধু বা পরিবারকে বলতে গেলে তারা হয় কষ্ট পাবে, নয়তো বিচার করবে, নয়তো নিজেরাই সমস্যার অংশ তাই চুপ থাকা হয়। কিন্তু এই চুপ থাকাটা ভেতরে ভেতরে আরও ভারী হতে থাকে।

৪. পুরনো কোনো ঘটনা এখনও পিছু ছাড়ছে না কয়েক বছর আগের কোনো ঘটনা হয়তো ছোটবেলার, হয়তো কোনো সম্পর্কের —এখনও মাথায় আসে। ঘুমের মধ্যে, একা থাকলে, কোনো গান শুনলে। মনে হয় সময় পার হয়েছে, কিন্তু সেই কষ্টটা এখনও তাজা।

৫. সম্পর্ক বা কাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কাছের মানুষের সাথে ক্রমাগত ঝগড়া হচ্ছে? কাজে মন বসছে না? এটা হয়তো চরিত্রের সমস্যা নয় হয়তো ভেতরে এমন কিছু আছে যেটা বের হতে পারছে না।

কাউন্সেলিং আসলে কী দেয়?

অনেকে ভাবেন কাউন্সেলিং মানে শুধু কারো সামনে বসে কাঁদা বা অভিযোগ করা। আসলে এটা তার চেয়ে অনেক বেশি কিছু।

একজন ভালো কাউন্সেলর তোমাকে judge করবে না। তোমার সমস্যা শুনবে, কিন্তু সরাসরি উপদেশ দেবে না। বরং তোমাকে নিজেই বুঝতে সাহায্য করবে তুমি আসলে কী চাও, কী তোমাকে আটকে রেখেছে, আর কীভাবে এগোনো যায়।

এই প্রক্রিয়ায় যা পাওয়া যায়

নিজেকে নতুনভাবে বোঝার সুযোগ

একা না থাকার অনুভূতি

কঠিন আবেগগুলো নাম দিতে পারা

সম্পর্কে আরও সৎ এবং স্পষ্টভাবে কথা বলার দক্ষতা

জীবনের কঠিন অধ্যায়গুলো পেছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি

এখনও নিশ্চিত না?

তাহলে শুধু একটাই কাজ করো।

একটা প্রথম session বুক করো। শুধু একটা। কোনো commitment নেই, কোনো চাপ নেই। শুধু গিয়ে দেখো কেমন লাগে। একটা conversation এই অনেক কিছু পরিষ্কার হয়ে যেতে পারে।

10/05/2026
Aachol Foundation আয়োজিত আমাদের ওয়ার্কশপটি সুন্দর ও প্রাণবন্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। 💚পুরো আয়োজনজুড়...
09/05/2026

Aachol Foundation আয়োজিত আমাদের ওয়ার্কশপটি সুন্দর ও প্রাণবন্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। 💚

পুরো আয়োজনজুড়ে অংশগ্রহণকারীদের সক্রিয় উপস্থিতি, আন্তরিক মতামত এবং খোলামেলা অংশগ্রহণ কর্মশালাটিকে আরও অর্থবহ করে তুলেছিল।

আমাদের সম্মানিত অতিথি বক্তা খুব সহজ ও সুন্দরভাবে রাগ, শিশুর মানসিক নিরাপত্তা, সচেতন অভিভাবকত্ব এবং শিশুর আবেগগত বিকাশের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন, যা সবার জন্যই ছিল অত্যন্ত উপকারী ও ভাবনার জায়গা তৈরি করার মতো। 🌱

অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে পাওয়া ইতিবাচক মতামত ও ভালোবাসা আমাদের ভবিষ্যতে আরও এমন সচেতনতামূলক আয়োজন করতে অনুপ্রাণিত করবে।

এই সুন্দর আয়োজনের অংশ হওয়ার জন্য আমাদের সম্মানিত অতিথি বক্তা এবং সকল অংশগ্রহণকারীকে আন্তরিক ধন্যবাদ। ✨

09/05/2026

নিহা আগে অনেক কথা বলত।
ছোট ছোট বিষয়েও বন্ধুদের message দিত,
মায়ের সাথে গল্প করত।
কিন্তু ধীরে ধীরে সে যেনো চুপ হয়ে যেতে শুরু করলো।

কারণ তার কোথাও মনে হয়েছে-
সব অনুভূতি মানুষকে বুঝিয়ে বলা যায় না।

রাতে ঘুমানোর আগে কখনো কখনো তার শুধু মনে হয়,
“আমি যদি হঠাৎ করে সবার থেকে দূরে চলে যাই… কেউ কি টের পাবে?”

এই গল্পের কথাগুলো খুব বেশি মেকি না। বরং কোথাও যেনো বাস্তব জীবনেরই প্রতিচ্ছবি।

হয়তো আপনার ভেতরেও এমন কিছু না-বলা কথা আছে।
তাই আমরা একটা ছোট safe space তৈরি করেছি—
যেখানে চাইলে আপনি বলতে পারেন আপনার না বলা সকল কথা, বা শুধু শুনতেও পারেন অন্যের না বলা কথা।

🟩 আপনাদের সাথে যুক্ত থাকবেন একজন অভিজ্ঞ "সাইকোলজিস্ট" - যিনি মন দিয়ে আপনাদের কথা গুলো শুনবেন এবং আপনাকে বুঝবেন আপনার জায়গা থেকে।

🟥কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়-
✅এটি কোনো থেরাপি সেশন নয়।
✅এখানে কোনো ডায়াগনোসিস করা হয় না।
✅কোনো প্রবলেম এর সরাসরি সমাধান দেওয়া হয় না।

সময়: প্রতি শুক্রবার, রাত ০৯:৩০ মিনিট।

👉 যুক্ত হতে চাইলে রেজিষ্ট্রেশন করুন:

https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSftGhDdeGc-mReW7Vw79qMa7g9qRJoXRSozh-S1SoLAaruajA/viewform?usp=sharing&usp=embed_facebook

Mending Minds — যেখানে আপনি গুরুত্বপূর্ণ।

Address

RK Tower(5th Floor)/P9WR+8XR, Bir Uttam CR Dutta Road
Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Aachol Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Aachol Foundation:

Share