Homeo and Natural Medicine Center

Homeo and Natural Medicine Center Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Homeo and Natural Medicine Center, Medical and health, 17/A East Rampura, Rampura Bazar, Dhaka.

★আমলকির গুনাবলীঃ-"আমলকি" - ডায়বেটিস, ক্যান্সার, হার্ট,আলসার ছাড়াও হাজারো গুণের উপকারী।আমলকি এমন একটি ফল যার মধ্যে রয়ে...
04/05/2020

★আমলকির গুনাবলীঃ-

"আমলকি" - ডায়বেটিস, ক্যান্সার, হার্ট,
আলসার ছাড়াও হাজারো গুণের উপকারী।
আমলকি এমন একটি ফল যার মধ্যে রয়েছে
অনেক ভেষজ গুণ। যার অন্যনাম, আমলা,
ইংরেজিতে বলে Indian Gooseberry। ফল
থেকে শুরু করে পাতাও ওষুধরূপে ব্যবহার করা
হয়। প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ ভরপুর আমলকি। পুষ্টি
বিজ্ঞানীরা বলছেন, আমলকিতে পেয়ারা ও
কাগজি লেবুর চেয়ে যথাক্রমে তিন গুণ ও দশ
গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। আমলকিতে
কমলা লেবুর চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি,
আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি, আমের চেয়ে
২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি
ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে।

এই আমলকি বিভিন্ন
অসুখ সারানো ছাড়াও রোগ প্রতিরোধক
ক্ষমতা গড়ে তুলতে দারুণ সাহায্য করে।
আমলকির গুণাগুণের জন্য আয়ুর্বেদিক ওষুধেও
এখন আমলকির নির্যাস ব্যবহার করা হচ্ছে।
কি উপকার করে, এটাতে যাওয়ার আগে আসুন
জেনে নিই কি আছে এটাতে।

প্রতি ১০০ গ্রাম আমলকিতে যা আছেঃ
এনার্জি – ৪৪ কিলোক্যালোরি
কার্বহাইড্রেড – ১০ গ্রাম
ডাইয়েট্ট্ররী ফাইবার – ৪.৩ গ্রাম
প্রোটিন -১ গ্রাম
ফোলেটস্ – ৪.৩ এমসিজি
নিয়াসিন – ০.৩ মিগ্রাম
প্যানটোথেনিক এসিড – ০.২৮৬ মিগ্রাম
পাইরোডক্সিন – ০.০৮ মিগ্রাম
রিভোপ্লাবিন – ০.০৩ মিগ্রাম
থাইয়ামিন – ০.৪ মিগ্রাম
ভিটামিন এ – ২৯০ আইইউ
টোটাল ফ্যাট – ০.৫৮ গ্রাম
ক্যালসিয়াম – ২৫ মিগ্রাম
আয়রন – ০.৩১ মিগ্রাম
ভিটামিন সি – ২৭.৭ মিগ্রাম
সোডিয়াম – ১ মিগ্রাম
পটাশিয়াম – ১৯৮ মিগ্রাম
কপার – ০.০৭ মিগ্রাম
ম্যাগনেশিয়াম – ১০ মিগ্রাম
ম্যাঙ্গানিজ – ০.১৪৪ মিগ্রাম
ফসফরাস – ২৭ মিগ্রাম
জিংক – ০.১২ মিগ্রাম।

★ব্লাড সুগার ও ডায়াবেটিস:
আমলকি ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে
রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য
করে। প্রতিদিন মাত্র চা চামচের ৩/৪ ভাগ
আমলকি চূর্ণ সেবন করলে টাইপ ২ ডায়াবেটিস
স্বাভাবিকে চলে আসে, যা ডায়াবেটিস এর
ঔষধ থেকেও বেশি কার্যকরী। যেভাবে
তৈরী করতে হবেঃ-
পরিমানমত জল ভাল করে
সিদ্ধ করে রুম তাপমাত্রায় ঠান্ডা করতে
হবে। ইত্যবসরে ২/৩টি আমলকি সাধারন জল
দিয়ে ভাল করে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর
আমলকি কেটে ছোট ছোট টুকরো করে
জলে মিশাতে হবে, সাথে ২ চা চামচ
হলুদের গুঁড়াও মিশাতে হবে। মিশ্রণটি একটি
টাইট কন্টেনারে ভরে ১০ দিন রেখে দিতে
হবে। মাঝে মাঝে কন্টেনারটি একটু নাড়িয়ে
রাখতে হবে। ১০ দিন পর মিশ্রণ থেকে ২ চা
চামচ সকালে খালি পেটে খেয়ে নিতে হবে।
এভাবে ১০/১২ দিন পর দেখুন আপনার সুগার
লেভেল ম্যাজিক রেজাল্ট।
★কোলেস্টেরোল এন্ড হার্ট:
আমলকি ডায়াবেটিস রোগীর কোলেস্টেরল
লেভেলও কম রাখাতে যথেষ্ট সাহায্য করে।
মাত্র ২১ দিন আমলকি চূর্ণ সেবনে খারাপ
কোলেস্টেরোল বিপদজনক মাত্রা থেকে
অর্ধেকে নেমে আসে। পাশাপাশি ভাল
কোলেস্টেরোল বেড়ে প্রায় ডাবল হয়ে যায়।
আর ট্রাইগ্লিসারাইডও অর্ধেকের বেশি
নেমে আসে।
★ক্যান্সার:
ক্যান্সার প্রতিরোধে আমলকি খুবই কার্যকর।
আমলকিতে আছে উচ্চ মাত্রার
এন্টিঅক্সিডেন্ট, বিশেষ করে সুপারঅক্সাইড
ডিসমিউটাস (এসওডি), যা ফ্রি রেডিকেল
গঠনের বিরুদ্ধে কাজ করে। ইউরোপীয়ান
জার্নাল অব ক্যান্সার প্রিভেনশান এর ২০১১
সংখ্যাতে এটা প্রকাশিত হয়। আমলা
ক্যান্সার গবেষণা কেন্দ্র, কেরালার এক
গবেষণায় দেখা গেছে আমলকি ক্যান্সার
কোষকে অত্যন্ত সফলতার সাথে ধ্বংশ করে
দেয়। আমলকি মুলত ৬ ধরণের ক্যান্সারের
বিরুদ্ধে কাজ করে। ফুসফুসের ক্যান্সার,
কোলন ক্যান্সার, ওভারিয়ান ক্যান্সার,
ব্রেস্ট ক্যান্সার, সার্ভিক্যাল ক্যান্সার ও
লিভার ক্যান্সার।
★লিভার:
গবেষণায় দেখা গেছে, আমলকিতে একধরনের
বিশেষ উপাদান আছে, যা লিভারকে
অক্সিডেটিভ ক্ষতি (যা বিভিন্ন ধরণের
কেমিক্যাল ও অ্যালকোহল থেকে সৃষ্টি)
থেকে রক্ষা করে। এটা ফ্যাটি লিভারের
জন্য একটি শক্তিশালী রিমেডি।

একটুকরো
আমলা সারারাত ভিজিয়ে রেখে সকালে
খালি পেটে খেলে লিভার সুস্থ থাকে।
★হজম সমস্যা, গ্র্রাস্ট্রিক আলসার:
আমলকি ফাইবার সম্বৃদ্ধ ফল। এটার ফাইবার,
ফলিপেনল ও জল মিলে এন্টিইনপ্লেমেটর
উপাদান তৈরী হয়, যা পরিপাকতন্ত্রকে
শক্তিশালি করে হজমে সাহায্য করে ও
স্টমাকে আসিডের ব্যালেন্স বজার রাখে।
এটা খাদ্য থেকে পুষ্টি শুষে নিয়ে শরীরের
সক্ষমতা বৃদ্ধি করে। খাবারের সঙ্গে
আমলকির আচার খেলে হজমে সাহায্য করবে।
আমলকির টক ও তিক্ত স্বাদ হজমের
এনজাইমকে সক্রিয় করে তোলে। আমলকি
গ্রাস্ট্রিক থেকে পরিত্রাণ পেতে সাহায্য
করে। এসিডিটি দূর করা জন্য আমলকি
পাউডার দুধের সাথে মিশিয়ে দিনে দুই বার
খেতে হবে। অথবা সকালে খালি পেটে এ চা
চামচ আমলকির রস খেলে গ্যাস্টিকের সমস্যা
দূর হয়।
★ভিটামিন সি ঘাটতি জনিত রোগঃ
শরীরে ভিটামিন সি এর ঘাটতি মেটাতে
আমলকির জুড়ি নেই। ভিটামিন সি এর অভাবে
যেসব রোগ হয়, যেমন: স্কার্ভি, মেয়েদের
লিউকরিয়া, অর্শ প্রভৃতি ক্ষেত্রে আমলকি
খেলে উপকার পাওয়া যায়।
★প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি:
আমলকি প্রজনন টিস্যুসহ ৭ ধরণের টিস্যু উন্নত
করতে সাহায্য করে। ইহা শুক্রানু ও ডিম্বানু
বৃদ্ধি করে।

আরো একবার এক দেখে নেওয়া যাক এর মূল উপকারীতা গুলোঃ-
১)আমলকী চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে এবং চুলের পরিচর্যার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি কেবল চুলের গোড়া মজবুত করে তা নয়, এটি চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে।

২)এটি চুলের খুসকির সমস্যা দূর করে ও পাকা চুল প্রতিরোধ করে।

৩)আমলকীর রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করতে পারে। এছাড়াও এটি পেটের গোলযোগ ও বদহজম রুখতে সাহায্য করে।

৪)এক গ্লাস দুধ বা জলের মধ্যে আমলকী গুঁড়ো ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু'বার খেতে পারেন। এ্যাসিডেটের সমস্যা কম রাখতে সাহায্য করবে।

৫)আধা চূর্ণ শুষ্ক ফল এক গ্লাস জলেতে ভিজিয়ে খেলে হজম সমস্যা কেটে যাবে। খাবারের সঙ্গে আমলকীর আচার হজমে সাহায্য করে।

৬)প্রতিদিন সকালে আমলকীর রসের সঙ্গে মধু মিশে খাওয়া যেতে পারে। এতে ত্বকের কালো দাগ দূর হবে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।

৭)আমলকীর রস দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছড়াও চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন চোখের প্রদাহ। চোখ চুলকানি বা জল পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই দেয়।

৮)আমলকী চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িও ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

৯)এছাড়াও প্রতিদিন আমলকির রস খেলে নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং দাঁত শক্ত থাকে।

১০) আমলকীর টক ও তেতো মুখে রুচি ও স্বাদ বাড়ায়। রুচি বৃদ্ধি ও খিদে বাড়ানোর জন্য আমলকী গুঁড়োর সঙ্গে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খাওয়ার আগে খেতে পারেন।

১১) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমায়।

১২) কফ, বমি, অনিদ্রা, ব্যথা-বেদনায় আমলকী অনেক উপকারী।

১৩) ব্রঙ্কাইটিস ও এ্যাজমার জন্য আমলকীর জুস উপকারী।

১৪) শরীর ঠাণ্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, পেশী মজবুত করে।

১৫) এটি হৃদযন্ত্র, ফুসফুসকে শক্তিশালী করে ও মস্তিষ্কের শক্তিবর্ধন করে। আমলকীর আচার বা মোরব্বা মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা দূর করে।

১৬) শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে।

১৭) লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা বাড়িয়ে তুলে দাঁত ও নখ ভাল রাখে।

১৮) এর এ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ফ্রি র‌্যাডিকালস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। বুড়িয়ে যাওয়া ও সেল ডিজেনারেশনের অন্যতম কারণ এই ফ্রি র‌্যাডিকালস।

১৯) সর্দি-কাশি, পেটের পীড়া ও রক্তশূন্যতা দূরীকরণে বেশ ভালো কাজ করে।

২০) ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল লেভেলেও কম রাখাতে যথেষ্ট সাহায্য করে।

★★★এই পেজের পোস্টগুলো
ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করুন।আপনার লাইক বা কমেন্ট আরও নতুন তথ্য উপস্থাপন করতে উৎসাহীত করবে।★★★

12/10/2018

🍎রাসটক্স
🍒Rhustox

🍏ক্রিয়াস্থান :-মাংসপেশী, চর্ম, মিউকাস মেমব্রেন, সন্ধিসমূহ, প্রন্থিমালা, স্নায়ুমন্ডলী, রক্ত সঞ্চালন মন্ডলী প্রভৃতি এই ঔষধের প্রধান ক্রিয়াস্থান।

🍑চারিত্রিক ও চরিত্রগত লক্ষণ :-
১. রোগী উত্তপ্ত অবস্থায় অল্পক্ষন জনে ভিজিলে অথবা নদী ও পুকুরে স্নান করিলে অসুস্থ হয়ে পড়ে।
২. শান্ত স্বভাবের ব্যক্তিগণের পীড়া, স্যাঁতস্যাঁতে স্থানে বসবাস হেতু অসুস্থ হইয়া পড়ে।
৩. বাত ও সন্ধিবাত। ঝড়বৃষ্টির পূর্বে বেদনার বৃদ্ধি হয় এবং হাত পা শক্ত হইয়া থাকে ।
৪. অত্যাধিক পরিশ্রমের পর জলে ভিজিয়া পীড়া।
৫. রোগী শরীর আবৃত করিয়া রাখে অথচ হাত বাহির করিলেই কাশি আসে।
৬. পেশীতে ছিঁড়িয়া ফেলার মত বেদনা ।
৭. ক্ষুধা থাকে কিন্তু আহারের স্পৃহা থাকে না। মুখ গহ্বর ও গলায় অত্যান্ত শুষ্কতার সহিত প্রবল তৃষ্ণা। বিশেষত: রাত্রি কালে মুখ অত্যন্ত শুষ্কতার সহিত ঠান্ডা পানীয় পানের অদম্য তৃষ্ণা । কিন্তু ঠান্ডা পানীয়ে শীত ও কাশি দেখা দেয়।
৮. জিহ্বা খসখসে ও শুষ্ক। ধারগুলি লাল, ডগা লাল অথবা কাটা কাটা দেখায়।
৯. দিনে অস্থিরতা থাকে না, রাত্রে অস্থিরতা বৃদ্ধি পায়, একভাবে শয়নে থাকিলে কষ্টানুভব।
১০. বাম অঙ্গের পেশীসমূহের বাত, বাম অঙ্গে সায়েটিকা বা এক প্রকার স্নায়ুশূল ও বাত।
১১. মাংস পেশীতে টাটান ব্যথা। আক্রান্ত স্থান খুলিলেই ক্ষতের মত ব্যথা বোধ।
১২. ঠোঁটের কোণে ঘা, মুখের ও ঠোঁটের চতুর্দিকে জ্বর ঠুটো।
১৩. মুখ, গলা, জিব সবই শুষ্ক, অত্যন্ত পিপাসা।
১৪. শরীরের স্থানে স্থানে আম বাতের মত ফোলা, তাহাতে চুলকানি।
১৫. লালাস্রাব, খাদ্যদ্রব্য তিক্তাস্বাদ, রুটি ও চিংড়ি মাছ খাওয়ার ইচ্ছা।
১৬. পুরাতন আমাশয় ও উদরাময়।

🍑মানসিক লক্ষণ :-
১. কোন কিছু প্রশ্ন করিলে দ্রুত উত্তর দেয়। উৎকন্ঠা ভাব ও ভয় বর্তমান থাকে।
২. রাত্রে প্রলাপ বেশী।
৩. মানসিক উত্তেজনা ও আত্নহত্যার চিন্তা। রোগী ডুবিয়া মরিতে চায় কিন্তু মৃত্যুবরণ করিবার সাহস হয় না। আত্নহত্যার ও সাহস হয় না।
৪. অস্থিরতা ও অবিরত স্থান পরিবর্তন। রোগী খেয়ালী প্রকৃতির।
৫. উত্তাপে উপশম ও রাত্রে বৃদ্ধি।
৬. স্বপ্নে দেখে যেন পৃথিবী অগ্নিময় হয়েছে।
৭. শুনা কথা ও কুসংস্কারে বিশ্বাস করে।

🍑প্রয়োগক্ষেত্র :-
সর্দিকাশি, আর্দ্র আবহাওয়ার জ্বর, টাইফয়েড, ইনফ্লুয়েঞ্জা, গাত্র বেদনা, বাত, সন্ধিবাত, চক্ষুর পীড়া, উদরাময় ও আমাশয়, পক্ষাঘাত, যকৃতের পীড়া, বমন, কলেরা, দন্তশূল, কার্বংকল, ডিপথিরিয়া, স্ত্রী পীড়া, ক্ষত প্রভৃতি পীড়ায় ।
ইনফ্লুয়েঞ্জা ও সবিরাম জ্বর :
বৃষ্টিতে ভিজিয়া বা স্যাঁস্যাঁতে স্থানে থাকিয়া জ্বর। জ্বর চুপ করিয়া থাকিলে বেদনার বৃদ্ধি এবং নড়াচড়ায় উপশম। বিকাল ৫টা থেকে রাত ৮টার মধ্য জ্বর আসে। দুপুর বেলা ব্যতীত সকল সময় প্রাতে ৬টা থেকে ১০টার মধ্যে জ্বর আসে। ৭টার দিকে জ্বর আসিলে তাহা সারা রাত থাকে।
জ্বর আসিবার পূর্বে শরীর বেদনা, হাত-পা কমড়ানি হাই তোলা, গা ভাঙ্গিয়া আসা, মুখ দিয়া লালা নিঃসারিত হওয়া, চোখ জ্বালা, শুষ্ক খকখকে কাশি।

সবাই ভাল থাকবেন।সুস্হ জীবন,সুন্দর থাকার প্রধান উপকরন।শুভরাত্রী।
🍎🍎🍎🍎🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🍎🍎🍎🍎
🌿সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেতে হলে জানতে হবে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ/নির্দেশনা
ছাড়া কোনো ওষুধ সেবন করা উচিত নয়।
⛳আপনারা যদি মনে করেন লেখাগুলো আপনার জন্য উপকারি তাহলে আরেক ভাইয়ের জন্যও হয়তো উপকারি হবে , আপনি কষ্ট করে লেখাটি শেয়ার করলে অন্য ভাইও লেখা পড়ে নিজেকে সমৃদ্ধ করতে পারবেন। তাই শেয়ার করুন এবং পেজে লাইক বৃদ্ধিতে সহায়তা করুন। আর এ জন্য ইনভাইট অপসানে গিয়ে বন্ধুদেরকে পেজ লাইকের ইনভাইট পাঠান।মনে রাখবেন জানার কোন শেষ নেই ।

📗হোমিওপ্যাথিক টিপস
📑পরামর্শের জন্য: Dr Musa Khan
☎হেল্পলাইন 01742487815

Address

17/A East Rampura, Rampura Bazar
Dhaka
1219

Telephone

+8801321494526

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Homeo and Natural Medicine Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram