Dr Sumaiya Parvin

Dr Sumaiya Parvin Empowering women’s health with expert care and personalized treatment.

Dr. Sumaiya Parvin | Physician Consultant (Homeopathy) | Specialized in Thyroid, Infertility, PCOS/PCOD, Menopause, Uterus Tumors, Hormonal Health, and Normal Baby Deliveries.

15/02/2026

হাইপো-থাইরয়েডিজমের লক্ষ্মণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন কয়েক মিনিটে।

ডাঃ সুমাইয়া পারভীন
নাসের হোমিও ট্রিটমেন্ট সেন্টার
৮৬, ১ম কলোনি মাজার রোড
মিরপুর, ঢাকা।
01814-807215

#হাইপোথাইরয়েড

11/02/2026

হাইপোথাইরয়েডিজম এর প্যাথফিজিওলজি।

09/02/2026

হাইপোথাইরয়েডিজম কি, সহজে বুঝে নিন আপনি ও।

24/01/2026

Hypothyroid নিয়ে আলোচনার ১ম পর্ব।

ডাঃ সুমাইয়া পারভীন
নাসের হোমিও ট্রিটমেন্ট সেন্টার
৮৬, ১ম কলোনি, মাজার রোড
মিরপুর, ঢাকা।
০১৮১৪৮০৭২১৫।



Harvard এর রিসার্চ বলছে, গর্ভবতী মহিলার অধিক পরিমাণে কর্টিসল হরমোন রিলিজ হওয়ার কারণে গর্ভস্থ শিশু ডিপ্রেশনে ভোগে এবং ডিপ...
21/01/2026

Harvard এর রিসার্চ বলছে, গর্ভবতী মহিলার অধিক পরিমাণে কর্টিসল হরমোন রিলিজ হওয়ার কারণে গর্ভস্থ শিশু ডিপ্রেশনে ভোগে এবং ডিপ্রেশন নিয়ে ভূমিষ্ঠ হয়।

এসব ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথিক ট্রিটমেন্ট অনেক বেশী উপযোগী। ( নিজের প্র‍্যাক্টিস এক্সপেরিয়েন্স থেকে বলছি)

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কর্টিসল হরমোন কখন এবং কেন বেশী নিঃসৃত হয়?

প্রেগন্যান্সি পিরিয়ডে এমনিতেই হরমোনের উঠা নামা অনেক বেশি পরিলক্ষিত হয়। তার উপর যদি গর্ভবতী মহিলা অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তায় ভোগে, অনেক এবিউস, টর্চার, বা ডমেস্টিক ভায়োলেন্স এর মধ্যে থাকে, তখন কিডনি কর্টিসল হরমোন বেশী নিঃসরণ করে। এতে গর্ববতী মহিলা ও তার অনাগত সন্তান বিরাট ঝুঁকিতে থাকে।

রিসার্চে আরো অনেক তথ্যের মধ্যে আরেকটি হলো, USG তে দেখা যায় গর্ভস্থ শিশু বাম হাত দিয়ে মাথা, মুখ চুলকায়।

ডাঃ সুমাইয়া পারভীন
নাসের হোমিও ট্রিটমেন্ট সেন্টার
৮৬, ১ম কলোনি, মাজার রোড
মিরপুর, ঢাকা।
০১৮১৪৮০৭২১৫




মিষ্টি হাসি এবং মিষ্টি। এই দুটোই চিকিৎসক জীবনের বড়ো পাওয়া গুলোর মধ্যে অন্যতম। খুব সহজ ছিলো না এই মিষ্টি হাসি পাওয়ার জার্...
15/01/2026

মিষ্টি হাসি এবং মিষ্টি। এই দুটোই চিকিৎসক জীবনের বড়ো পাওয়া গুলোর মধ্যে অন্যতম।

খুব সহজ ছিলো না এই মিষ্টি হাসি পাওয়ার জার্নি টা।

প্রাইমারী ইনফারটিলিটির কেস।
কনভেনশনাল ট্রিটমেন্ট যেখানে IVF করতে বলছে, সেখানে এমন কেস নেওয়া টা একটু বেশী ই রিস্কি ছিলো। তবে
সৃষ্টিকর্তার মেহেরবানী তে সব ই সম্ভব।

ডাঃ সুমাইয়া পারভীন
নাসের হোমিও ট্রিটমেন্ট সেন্টার
৮৬, ১ম কলোনি, মাজার রোড
মিরপুর, ঢাকা।
০১৮১৪৮০৭২১৫





 : হাইপোথাইরয়েডিসম মানেই ডমেস্টিকেশন।আমার প্র‍্যাক্টিস এক্সপেরিয়েন্স থেকে বলছি।এ যাবত যতো হাইপোথাইরয়েডিসমের টিনএজ বা এডা...
18/11/2025

: হাইপোথাইরয়েডিসম মানেই ডমেস্টিকেশন।
আমার প্র‍্যাক্টিস এক্সপেরিয়েন্স থেকে বলছি।

এ যাবত যতো হাইপোথাইরয়েডিসমের টিনএজ বা এডাল্ট পেশেন্ট পেয়েছি, তাদের মধ্যে নব্বই শতাংশের ই ডমেস্টিক ইস্যু আছে। কেনো বলছি এ কথা?
আমার কিছু কেস শেয়ার করবো পরবর্তীতে, যাতে অনুধাবন করতে সুবিধা হয়। আর
আমাদের সমাজ ব্যবস্থা এর জন্য দায়ী।

ডাঃ সুমাইয়া পারভীন
নাসের হোমিও ট্রিটমেন্ট সেন্টার
৮৬, ১ম কলোনি, মাজার রোড
মিরপুর, ঢাকা।
০১৮১৪৮০৭২১৫


"থাইরয়েড ডিস্ফাংসনে হোমিওপ্যাথিক ট্রিটমেন্ট সেরা"।কেন?হাইপো-থাইরয়েড নিয়ে একজন পেশেন্ট আসলেন তার বিগত ৬ মাসের রিপোর্টস নি...
08/11/2025

"থাইরয়েড ডিস্ফাংসনে হোমিওপ্যাথিক ট্রিটমেন্ট সেরা"।

কেন?

হাইপো-থাইরয়েড নিয়ে একজন পেশেন্ট আসলেন তার বিগত ৬ মাসের রিপোর্টস নিয়ে। মেইন ইস্যু হচ্ছে কন্সিভ করতে না পারা।


রিপোর্ট গুলো ডেইট ওয়াইজ সাজানো ছিলো (ইন্টেলেকচুয়াল পেশেন্টরা এই কাজটা করে থাকেন)।

রিপোর্টস এ দেখা যাচ্ছে, প্রথম দিকে হাইপোথাইরয়েড ছিলো, পরে হাইপার এর দিকে টার্ন করছে।
(নিচে দেওয়া রিপোর্টস দেখে নিতে পারেন।)

এটার কারণ কি?

কারণ হলো, মেডিসিনের মাত্রা।
ডাক্তার একবার লিখে দিলেন চলবে! তো চলছেই, চলছেই।

আবার পেশেন্ট কে বলা হয়ে থাকে, আজীবন মেডিসিন খেয়ে যেতে হবে!!! তাই চলতেই থাকে আর কি।

এদিকে হাইপো-থাইরয়েড থেকে হাইপার-থাইরয়েড হয়ে যাচ্ছে, যা রোগী বুঝতে পারার কথা না। এমনটা ই হয় মেক্সিমাম কেস এ।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, হোমিওপ্যাথিক ট্রিটমেন্ট কেনো সেরা বা হোমিওপ্যাথিক ট্রিটমেন্ট কেনো নিবেন?

আমরা হোমিওপ্যাথিক প্র‍্যাক্টিশনারস রা পেশেন্ট কে ইন্ডিভিজোয়ালাইজ করে ট্রিটমেন্ট দেই। যা হোমিওপ্যাথির স্পেশালিটি।

ঠিক তেমনি হাইপোথাইরয়েড এর পেশেন্ট কে ও স্বাতন্ত্রীকরণের মাধ্যমে ওষুধ দেয়া হলে পেশেন্ট খুব দ্রুত রিকভার করবে (যেখানে অন্য সিস্টেমে বারবার থাইরয়েড হরমোন ফ্লাকচুয়েট করে)। পেশেন্ট প্রাইমারী স্টেজে থাকলে, টোটাল কিউর ও হয়ে যায় এবং সেটা খুব অল্প সময়ের মধ্যে। এবং দ্রুত কন্সিভ ও করতে পারেন।





ডাঃ সুমাইয়া পারভীন
নাসের হোমিও ট্রিটমেন্ট সেন্টার
৮৬, ১ম কলোনি, মাজার রোড
মিরপুর, ঢাকা।
০১৮১৪৮০৭২১৫

ছবির এই মেয়েটি তার মায়ের সাথে এসেছিলো মুখমন্ডলে অনেক একনি আর এমিনোরিয়ার প্রব্লেম নিয়ে।এটা সাধারণত এডোলেসেন্স পিরিয়ডের প্...
03/11/2025

ছবির এই মেয়েটি তার মায়ের সাথে এসেছিলো মুখমন্ডলে অনেক একনি আর এমিনোরিয়ার প্রব্লেম নিয়ে।

এটা সাধারণত এডোলেসেন্স পিরিয়ডের প্রব্লেম অর্থাৎ কৈশোরে হরমোনের উঠা নামার জন্য একনি হয়, আবার পিরিয়ডের ও ইরেগুলারিটিস হয়ে থাকে।

এডোলেসেন্স পিরিয়ড পেড়িয়ে গেলে বা বয়স বাড়ার সাথে সাথে অনেকের এই ব্রণ চলে যায়।

কিন্তু কারো কারোটা যায় না। অনেক স্টাবর্ণ হয়, ভালো হতে চায় না।

তখনই ডাক্তারের কন্সাল্টেন্সি নিতে হয় বা ডাক্তার দেখানো টা জরুরী হয়ে যায়।

এবার আসি মূল কেস এ

প্রথমেই মেয়ের মাকে বলতে বললাম, মেয়ের ব্যাপারে
উনি অনেক কিছু বলার পর আমি যা পেলাম

মেয়েটা সবার কথা শুনে, খুব ভদ্র, আর অল্পতেই অনেক কষ্ট পায়, কান্না করে সহজেই।

এবার পেশেন্ট এর পালা।

পেশেন্টঃ আমি চাই সবাই আমাকে বেশি ভালোবাসবে।(ওরা দুই বোন)

আমিঃ তোমার বন্ধুবান্ধব নিয়ে বলো।

পেশেন্টঃ আমার অনেক বান্ধবী, কিন্তু রিসেন্টলি কয়েকজন কে এভয়েড করি।

আমিঃ কেনো?

পেশেন্টঃ কারণ তাদের বয়ফ্রেন্ড আছে।

আমিঃ তাতে তোমার কি সমস্যা?

পেশেন্টঃ ওরা ওদের বয়ফ্রেন্ড কে নিয়ে কথা বলে, আর ছেলেরা তো ভালো না।

এই ছিলো মূল অংশ, সেই সাথে পেশেন্টের জেনেরালিটিস যেমন খাওয়া দাওয়া, পিপাসা, ঘুম, ঘাম ইত্যাদি মিলিয়ে PULS 1M প্রেস্ক্রিপশন করি।

প্রায় ৬/৭ মাসের একটা কেস, শুধু জিস্ট টুকু উল্লেখ করলাম।
বর্তমানে পেশেন্টের পিরিয়ড রেগুলার, ফেইসের একনি ও ক্লিয়ার হয়েছে।




ডাঃ সুমাইয়া পারভীন
নাসের হোমিও ট্রিটমেন্ট সেন্টার
৮৬, ১ম কলোনি, মাজার রোড
মিরপুর, ঢাকা।
০১৮১৪৮০৭২১৫

আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে ছবিতে দেওয়া পায়ের পাতার ফোলা ভাবটা স্বাভাবিক।কিন্তু না, এটা মোটেও কোনো সাধারণ সোয়েলিং না।এই পে...
02/11/2025

আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে ছবিতে দেওয়া পায়ের পাতার ফোলা ভাবটা স্বাভাবিক।

কিন্তু না, এটা মোটেও কোনো সাধারণ সোয়েলিং না।

এই পেশেন্ট এর পায়ে ছোট একটা ব্লিস্টার (ফোস্কা) হয়েছিল, যা এমনি এমনি সেড়ে যেতো ( রোগীর ভাষ্য মতে), কারণ এরকম ব্লিস্টার পেশেন্টের আগেও হয়েছিল, আবার সেড়ে ও গেছে।

কিন্তু এবারের ব্লিস্টার টা গলে যাওয়ার পরের দিন, পেশেন্টের প্রচন্ড ব্যাথা আর জ্বর।

ব্যথার মাত্রা এতো বেশি যে, আমার কাছে, মানে ডাক্তারের কন্সাল্টেন্সি নিতে হয়েছে।

এবার আসি মূল কেসের দিকে। পেশেন্টের এবারের ফোস্কা টা ও গলে গিয়েছিল, এবং পেশেন্ট ধরেই নিয়েছিল এটা ও ভালো হয়ে যাবে। কিন্তু এতো তীব্র ব্যাথা আর জ্বর আগে কখনো হয়নি।

আমরা জানি, ইনফেকশাস কন্ডিশনে এই অবস্থাই হয়।
এখন উনার ইনফেকশন কিভাবে হলো?

পেশেন্টের কেস নিতে হলে অনেক কিছু জিজ্ঞেস করতে হয়, জানা গেলো, পেশেন্ট তখন খুব মেন্টাল প্রেসারে ছিলেন।

কি নিয়ে?
জানতে পারলাম,

উনার এক টুকরো জমি আছে, যা উনি বিক্রি করতে চাচ্ছিলেন। বিক্রি করতে গিয়ে জানলেন জমিটা অন্য কারো নামে খারিজ করা। পেশেন্ট তো ট্রমাটাইজড।
আর এই সুযোগে বডিতে থাকা অপারচুনিস্টিক ব্যাকটেরিয়া সেই ব্লিস্টারের ওপেনিং এ এটাক করে বসে। এবং পেশেন্টের পায়ে ইনফেকশাস কন্ডিশন তৈরি করে।

তো কনভেনশনাল ট্রিটমেন্টে অবশ্যই এন্টিবায়োটিক প্রেসস্ক্রিপশন হতো।

কিন্তু হোমিওপ্যাথিতে, কিছু নোসোড আছে যা এইসব ব্যাকটেরিয়া থেকেই পটেন্টাইজ করা।

পেশেন্ট কে নোসোড প্রেস্ক্রিপশন করলাম।
আর রেজাল্ট ও খুব দ্রুতই দেখা গেল।

এটাই হলো হোমিওপ্যাথির ম্যাজিক।

ডাঃ সুমাইয়া পারভীন
নাসের হোমিও ট্রিটমেন্ট সেন্টার
৮৬, ১ম কলোনি, মাজার রোড
মিরপুর, ঢাকা।
০১৮১৪৮০৭২

সেকেন্ডারি ইনফার্টিলিটি নাকি হেপাটোমেগালি, কোনটা আগে?পেশেন্ট এসেছিলেন সেকেন্ডারি ইনফার্টিলিটির ট্রিটমেন্ট নিতে।১ম সন্তান...
16/08/2025

সেকেন্ডারি ইনফার্টিলিটি নাকি হেপাটোমেগালি, কোনটা আগে?

পেশেন্ট এসেছিলেন সেকেন্ডারি ইনফার্টিলিটির ট্রিটমেন্ট নিতে।

১ম সন্তানের পর আবার যখন কন্সিভ করলেন, সেটা ছিলো এক্টোপিক প্রেগন্যান্সি।যার দরুন রাইট সাইডের ফেলোপিয়ান টিউব কেটে বাদ দিতে হয়েছে।

তারপর বছর খানেক গ্যাপ দিয়ে, আবার বাচ্চা নিতে চাচ্ছেন, কিন্তু এখন আর হচ্ছে না।

এমন কেস খুব একটা আনকমন না। এই পেশেন্টরা কিন্তু অনেক ঘুরে ফিরে আমাদের দারস্থ হয়।

ট্রিটমেন্ট শুরু করার আগে আমি প্রাইমারী ইনভেস্টিগেশনস অবশ্যই করতে দেই।

কিন্তু যদি পেশেন্ট টেস্ট রিপোর্ট নিয়ে আসেন, তখন পেশেন্ট কে নতুন করে ইনভেস্টিগেশন করতে দেই না।

প্রাইমারীলি যে যে টেস্ট গুলো এডভাইজ করিঃ

CBC
THYROID PANEL
USG OF W/A

Husband : Semen analysis

আগত পেশেন্ট কে ও টেস্ট গুলো করে আসতে বলি। কারণ উনি যে রিপোর্ট গুলো নিয়ে আসছেন, তা অনেক দিন আগের।

আজকের কেসে ফিরে আসি।

রোগীর নাম : ইয়াছমিন
বয়স ৩৭
বাচ্চা নিতে চাচ্ছেন, প্রায় ৩/৪ বছর ধরে।
কেস নিয়ে জানতে পারলাম, উনি এক্টপিক প্রেগন্যান্সির ভয় থেকে বের হতে পারছিলেন না। আরো ছিলো উনার স্কিন ডিজিজ। পুরো শরীরে চুলকানি, মানে সিভিয়ার চুলকানি। হাত আর পা বাদে পুরো শরীরেই ইরাপশন ছিলো, বেশি ছিলো পিঠে।
কেস নিয়ে রাখলাম আর বলে দিলাম টেস্ট করে রিপোর্ট নিয়ে আসতে।

টেস্ট করে আসার পর
পেশেন্ট এর রিপোর্টে দেখি হেপাটোমেগালি শো করছে।

কিন্তু রোগের কোনো সিম্পটম ই ছিলনা। থাকার কথা ও না। কারণ লিভার ডিজিজ, কিডনি ডিজিজ এমনই হয়, যখন সিম্পটম শো করবে তখন বুঝতে হবে ডিজিজ কন্ডিশন অনেকটা এডভান্স স্টেযে চলে গেছে।

কনভেনশনাল ট্রিটমেন্টের হিসেবে লিভার ডিজিজ, কিডনি ডিজিজ ইরিভারসিভাল।

কিন্তু আমাদের মেডিসিনে অনেক স্কোপ আছে, যদি সেটা আর্লি স্টেযে থাকে।
এ ব্যপারে অন্যদিন লিখবো, ইনশাআল্লাহ।

এবার পেশেন্টে কে কাউন্সেলিং এর পালা। রিপোর্ট টা ভালো করে বুঝিয়ে বলার যথাসাধ্য চেষ্টা করলাম, এবং ট্রিটমেন্ট শুরু করলাম।(২১/১০/২০২৪)

তিন মাস ট্রিটমেন্ট নেওয়ার পর আর কোনো খবর নাই।

প্রায় ৬ মাস পর উনি আবার আসলেন। এতো দিন গ্রামের বাড়িতে ছিলেন তাই আসতে পারেননি।
কি আর করার, এতো দিন পর আসলেন, তাই আবার ইউ এস জি করে আসতে বললাম।
আর পরিস্কার বলে দিলাম, ট্রিটমেন্ট কন্টিনিউ না করলে যেন আর না আসেন।

শুনতে খারাপ লাগলে ও আমার কিছু করার নাই।
মাঝে মাঝে বাধ্য হই কড়া কথা বলতে।

যাক উনি আবার টেস্ট করে আসলেন। রিপোর্টের ভালো কথা হলো উনার লিভার কন্ডিশন ডিজেনারেট করেনি, স্টেবল ছিলো। সবই আল্লাহতা'লার অশেষ রহমত।

উনার ট্রিটমেন্ট এখনো চলছে,
আমরা যেহেতু ইন্ডিভিজোয়ালাইজেশন করে হলিস্টিক ট্রিটমেন্ট দিয়ে থাকি, সেহেতু আশা করতেই পারি যে,হেপাটোমেগালি সহ অন্যান্য সমস্যার সমাধান ও হবে। এবং আরো আশা করি উনি খুব দ্রুতই সুস্থ হয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ। আর আপনারা ও দোয়া করবেন, যেন খুব শীঘ্রই উনি সন্তান সম্ভবা হতে পারেন। ধন্যবাদ

ডাঃ সুমাইয়া পারভীন
নাসের হোমিও ট্রিটমেন্ট সেন্টার
৮৬, মাজার রোড, মিরপুর, ঢাকা।
০১৮১৪৮০৭২১৫

দুটি মজার কেসঃরোগিণী, যিনি আমার চেম্বারে এসেছেন, উনি ও আমরা এক ই এপার্টমেন্টে থাকি।সেই সুবাদে উনি আমাকে ডাক্তার আন্টি বল...
31/07/2025

দুটি মজার কেসঃ

রোগিণী, যিনি আমার চেম্বারে এসেছেন, উনি ও আমরা এক ই এপার্টমেন্টে থাকি।সেই সুবাদে উনি আমাকে ডাক্তার আন্টি বলে সম্বোধন করলেন, একটু আনইজি ই ফিল হচ্ছিলো।
কারণ আমি সবসময় ম্যাডাম, আপা, ডাক্তার ম্যাডাম, ডাক্তার আপা শুনেই অভ্যস্ত।
যাই হোক, কেস নেওয়াতে মনোযোগ দিলাম। উনার রাইট রিস্টে গাংলিয়ন সিস্টের ট্রিটমেন্ট নিতে এসেছিলেন।
কেস নিতে নিতে দেখি, উনি এস. এস. সি পাশ করেছেন সেই উনিশো কটকটি সালে আর উনার বাচ্চারা আমার বাচ্চা থেকে অনেক বড়ো। উনি আবার চশমা ছাড়া চলতে পারেন না, যেটা চেম্বারে আসার সময় ভুলে নিয়ে আসেননি😟।

আরেক রোগিণী, যার বাচ্চা হচ্ছিলো না।
উনি নিজের এবং হাসবেন্ড এর রিসেন্ট করা সব রিপোর্ট নিয়ে এসেছেন।
রিপোর্ট নিয়ে আসাতে ভালো লাগলো, মনে মনে খুশি ই হলাম। কারণ অনেক পেশেন্ট এসে বলে, হোমিওপ্যাথিক ট্রিটমেন্টে আবার রিপোর্ট লাগে নাকি?

তো ভদ্র মহিলার রিপোর্ট ভালো, মোটামুটি সবই নরমাল, কিন্তু উনার হাসবেন্ড এর এজোস্পারমিয়া।

তাই রোগিণীকে তার হাসবেন্ড এর সমস্যা টা বুঝায় বললাম।
কয়েক সেকেন্ড পর মহিলা বলে উঠে, আপনি আমাকে ঔষধ দেন, বাচ্চা তো আমার হচ্ছে না।

এই হচ্ছে অবস্থা।

ছবিঃ কোনো এক রোগীর গিফট😍

Address

নাসের হোমিও ট্রিটমেন্ট সেন্টার (ডাঃ সুমাইয়া পারভীন) , ৮৬, ১ম কলোনি, মাজার রোড, মিরপুর
Dhaka
1212

Telephone

+8801814807215

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Sumaiya Parvin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram