মিলনতত্ত্ব - Sisters Only

মিলনতত্ত্ব - Sisters Only This is the official page of the Bangladeshi Facebook community Group- "মিলনতত্ত্ব (Sex Education & Solution)"

গতকাল এক রোগী এসেছেন চেম্বারে।এখন যেহেতু কমিউনিটি নিউট্রিশন নিয়ে ফিল্ড লেভেলে কাজ করি, চেম্বারে জনসাধারণকে কাউন্সেলিং কর...
07/04/2026

গতকাল এক রোগী এসেছেন চেম্বারে।এখন যেহেতু কমিউনিটি নিউট্রিশন নিয়ে ফিল্ড লেভেলে কাজ করি, চেম্বারে জনসাধারণকে কাউন্সেলিং করি এবং প্রায় প্রায় ট্রেইনার হিসেবে ট্রেনিং করাই, তাই প্রায় সর্বসাধারণের সাথে আমাকে কথা বলতে হয়। বিচিত্র ধরণের মানুষকে ম্যানেজ করতে হয়। নানান রঙ বেরঙের কথা আমাকে শুনতে হয়। সোজা কথায়, আমাকে ১২ রকমের মানুষকে বুঝে তাদের ম্যানেজ করতে হয়।

তো অদ্ভুত ব্যাপার হলো - গতকাল চেম্বারে এক দম্পতি এলেন। এসেই দম্পতিটির পুরুষ সঙ্গীটি ব্যস্ত হয়ে গেলেন মহিলা সঙ্গীটির পেট আমাকে দেখাবেন। মহিলা সঙ্গীটি একাধারে বিব্রত এবং লজ্জিত। আমি নিজেও কিছুটা বিব্রত বোধ করছি কারণ, আমার রোগীর শারিরীক কিছু পরীক্ষা করতে হলে, আমি এবং রোগী ছাড়া ঘরে আমি কাউকে রাখি না।

তো সেই পুরুষ ব্যক্তিটি জোড়াজুড়ি শুরু করলেন সকলের সামনেই নিজের স্ত্রীর পেট দেখাবেন। শেষ পর্যন্ত দেখলাম। বুঝলাম যে, প্রথম সন্তান জন্মদানের পর অতিরিক্ত চর্বি পেটে জমেছে যাতে করে তলপেট উচু হয়ে গেছে মহিলাটির। যেটা আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে।

তো পেট দেখিয়ে উঠে দাড়াতে না দাড়াতেই পুরুষ সঙ্গীটি বলা শুরু করলেন-" আমার বউ কে নিয়ে ম্যাডাম বড় বিপদে আছি,কোথাও যেতে পারি না। থ্রী পিস পড়লেও ওকে লাগে ১০ বাচ্চার মা, শাড়ি পড়লে পেট লাগে থলথলা। পেট হয়ে গেছে পানি ভরা বেলুনের মতো। এরকম দেখলে আর মন ভালো লাগে না (বলা বাহুল্য উনি বোধ হয় বলতে চাচ্ছিলেন এই ভদ্র মহিলাটিকে দেখে ওনার কোনো ফিলিংস হয় না)।

এই রকম বউ নিয়ে জনসম্মুখে যেতে পারি না ইত্যাদি আরো নানান ব্লা ব্লা ব্লা ব্লা। বলা সংগত, মহিলাটি ভীষণ বিব্রত হচ্ছিলেন। আমি দেখতে পেলাম ওনার চোখের কোনে অশ্রু জমে গেছে। কিছুক্ষণের মধ্যে হয়তো লজ্জায় অপমানে কেদে ফেলতে পারেন।

তাই প্রসঙ্গ ঘোরানোর জন্য ওনার দৈনন্দিন রুটিন - খাবার সম্পর্কে জানতে চাইলাম৷ তাতেও লোকটি বাগড়া দিয়ে নিজের স্ত্রীর দুর্নাম করতে থাকলেন। তো ওনার সব কথা শুনে আরো যাচাই করতে গিয়ে ধরা পড়লো এই মহিলাটি দ্বিতীয় বার প্রেগন্যান্ট। এখন আমার সাদা মনের কাদা প্রশ্ন- কোনো ফিলিংস বউ কে দেখে না উঠা সত্ত্বেও ওনার বউ দ্বিতীয় বার প্রেগন্যান্ট হলেন কিভাবে????!!!!

এছাড়াও উনি নানা ভাবে বকর বকর করে যাচ্ছিলেন যার সারমর্ম ওনার বউ দেখতে একদম ই বিশ্রী। তখন আমি তাকে বললাম- আপনি যখন ওনাকে বিয়ে করে এনেছিলেন তখন কি উনি এমন ছিলেন? তখন লোকটি বললেন- না তখন তো স্লিম ছিলো, সুন্দর ছিলো। তো আমি তখন বললাম - তাহলে তো আপনার আর আপনার পরিবেশের সমস্যা। এবার লোকটির বিব্রত হবার পালা।

কিছুক্ষণ ভ্যাবাচেকা খেয়ে তাকিয়ে থাকার পর উনি আমতা আমতা করে বললেন- মানে? তখন আমি বললাম- আপনি নিজেই তো বললেন আপনার সংসারে আসার আগে উনি স্লিম ফিগার, সুন্দর ছিলেন। আপনার সংসারের যাতাকলে পিষ্ট হয়ে ওনার এ অবস্থা হয়েছে, তাই নয় কি??!! ।

তখন লোকটি বেশ বিরক্ত। তো আমি বললাম শেষে যে - দেখেন উনি একজন মা হয়েছেন। ওনার শরীরের উপর দিয়ে নানান হরমোনাল ইস্যু গেছে, হয়তো বিভিন্ন স্ট্রেসে ওনার হরমোনাল ইমব্যালেন্স ও থাকতে পারে। তার ফলে ওনার ওজন কমছে না।

কিন্তু তিনি তো আপনার সন্তান জন্ম দিতে গিয়েই এ অবস্থায় এসেছেন।..... ইত্যাদি অনেক কথা বলার পর লোকটি বললেন - তবুও এখন ডায়েট চার্ট করে দেন, যেনো একবারে আগের মতো পাতলা হয়ে যায়। যাতে আমার আবার ফিলিংস হয় ওকে দেখলে। সাতখন্ড রামায়ণ পড়ার পর উনি বলছেন সীতা কার পিতা। আর কি বলবো, তাতে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে রইলাম।

বুঝলাম, ১২ বছর কোনো কুকুরের বাকা লেজ সোজা পাইপের কাঠামোতে রেখে, আবার কাঠামোটা সরিয়ে ফেললে বাকা লেজ বাকাই থাকে, তা কোনো দিন সোজা আর হয় না।

©Aysha Siddika Maria

মেয়েদের শরীর প্রতি মাসে হরমোনাল ও শারীরিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়। তাই পার্সোনাল হাইজিন শুধু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা...
14/03/2026

মেয়েদের শরীর প্রতি মাসে হরমোনাল ও শারীরিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়। তাই পার্সোনাল হাইজিন শুধু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার জন্য নয়, বরং স্বাস্থ্য, আত্মবিশ্বাস এবং ফ্রেশ ফিলিং বজায় রাখার জন্যও অপরিহার্য। এখানে আমি এমন সব টিপস, টুলস এবং দৈনন্দিন অভ্যাস নিয়ে লিখেছি যা প্রতিটি মেয়ের ব্যাগে বা রুটিনে থাকা উচিত।

১. দৈনন্দিন বডি হাইজিন

দৈনন্দিন পরিচ্ছন্নতা শরীরকে ফ্রেশ রাখে, সংক্রমণ কমায় এবং ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

এজন্য কিছু প্রয়োজনীয় টুলস দরকার সব মেয়েদের:
--বডি ওয়াশ / হালকা সাবান: pH balanced বা sensitive skin friendly সাবান ব্যবহার করা ভালো।
--লুফা, শাওয়ার স্পঞ্জ বা গ্লাভস: Dead skin cells সরাতে সাহায্য করে।
--ময়েশ্চারাইজার: গোসলের পরে হালকা ভেজা ত্বকে লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করলে ত্বক শুষ্ক হয় না ত্বক অনেক সফট থাকে।

নিয়মিত অভ্যাস:
--প্রতিদিন গোসল করা।
--ঘাম বা ধুলো জমলে বেশি ফ্রেশ ফিলিং বজায় রাখতে গোসল করা।
--গোসলের পরে ত্বক ভেজা না রেখে ভালোভাবে শুকানো।

শাওয়ার ওয়াইপস (facial/ body wipes) ব্যাগে রাখলে বাইরে দ্রুত ফ্রেশ হওয়া যায়।

২. পিরিয়ড হাইজিন

পিরিয়ডের সময় শরীর সংবেদনশীল হয়। তাই এই সময় সঠিক হাইজিন বজায় রাখা খুব জরুরি।

প্রয়োজনীয় টুলস:
--স্যানিটারি প্যাড / ট্যাম্পন / মেনস্ট্রুয়াল কাপ – আপনার সুবিধা অনুযায়ী।
--ইন্টিমেট ওয়াইপস / fragrance-free wipes – বাইরে ব্যবহারের জন্য।
--হ্যান্ড স্যানিটাইজার – পাবলিক টয়লেটের পরে ব্যবহার করুন।

নিয়মিত অভ্যাস:
--প্যাড ৪–৬ ঘণ্টা অন্তর পরিবর্তন করা।
--ট্যাম্পন ৬–৮ ঘণ্টার বেশি রাখবেন না।
--মেনস্ট্রুয়াল কাপ ব্যবহার করলে নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।
--টয়লেটে সবসময় সামনে থেকে পেছনের দিকে পরিষ্কার করা, ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ এড়াতে।

পিরিয়ড প্যান্টি বা panty liner ব্যবহার করলে আরও ফ্রেশ ফিলিং থাকে।

৩. ইনটিমেট / জেনিটাল হাইজিন

ইনটিমেট এরিয়া সঠিকভাবে কেয়ার করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

প্রয়োজনীয় টুলস:
--pH balanced intimate wash – সংবেদনশীল ত্বকের জন্য।
--কটন আন্ডারওয়্যার – বাতাস চলাচল সহজ করে।
--হালকা ক্রিম / বার্ন প্রোটেকশন প্রোডাক্টস – চুলকানি বা সংক্রমণ এড়াতে।

নিয়মিত অভ্যাস:
--প্রতিদিন অন্তর্বাস পরিবর্তন করা।
--ভেজা বা tight পোশাক এড়ানো।
--গোসলের পরে শুকনো রাখা।
--সংক্রমণ বা অস্বস্তি হলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া।

বাইরে গেলে ব্যাগে ছোট intimate wipes রাখা ফ্রেশ ও নিরাপদ রাখে।

৪. চুল ও স্কাল্প হাইজিন

চুলের স্বাস্থ্য শুধু সৌন্দর্য নয়, স্বাস্থ্যও নিশ্চিত করে।

প্রয়োজনীয় টুলস:
--শ্যাম্পু & কন্ডিশনার: সপ্তাহে ২–৩ বার ব্যবহার।
--হেয়ার ব্রাশ / কং: চুল জটমুক্ত ও পরিষ্কার রাখতে।
--হেয়ার টাওয়েল বা কাপড়: চুল ভালোভাবে শুকানোর জন্য।

নিয়মিত অভ্যাস:
--ঘাম বা ধুলো জমলে চুল ধোয়া।
--চুল বন্ধ রাখতে হেয়ার টিস্যু বা পিন ব্যবহার করা।
--অন্য কারও হেয়ার ব্রাশ বা কম্ব ব্যবহার করবেন না।

Travel-size dry shampoo ব্যাগে রাখলে, ট্রাভেল বা ব্যস্ত দিনে চুল ফ্রেশ রাখতে সাহায্য করে।

৫. হাত ও পা হাইজিন

হাত ও পা সঠিকভাবে পরিষ্কার রাখা সংক্রমণ কমায়।

প্রয়োজনীয় টুলস:
--সাবান / হ্যান্ড স্যানিটাইজার
--নেইল ক্লিপার, পেডিকিউর টুলস
--হ্যান্ড ও ফুটি কেয়ার ক্রিম

নিয়মিত অভ্যাস:
--খাবার খাওয়ার আগে ও পরে হাত ধোয়া।
--নখ পরিষ্কার রাখা ও নিয়মিত কাটা।
--পায়ের জুতো শুকনো ও পরিষ্কার রাখা।

বাইরে গেলে travel-size hand sanitizer এবং compact nail kit রাখা সুবিধাজনক।

৬. ওরাল হাইজিন

মুখের স্বাস্থ্য পুরো শরীরের স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করে।

প্রয়োজনীয় টুলস:
--টুথব্রাশ ও ফ্লোরাইড টুথপেস্ট
--ফ্লস বা dental picks
--মাউথওয়াশ

নিয়মিত অভ্যাস:
--দিনে ২ বার দাঁত মাজা।
--ফ্লসিং করে দাঁতের ফাঁকা পরিষ্কার রাখা।

ব্যাগে travel-size toothpaste ও toothbrush রাখলে বাইরে ও ট্রাভেলেও ফ্রেশ মুখ।

৭. বাইরে গেলে হাইজিন কিট

ফ্রেশ ফিলিং রাখতে ব্যাগে থাকা উচিত:
--২–৩ extra sanitary pads বা panty liners
--intimate wipes
--hand sanitizer
--টিস্যু / small towel
--toilet seat sanitizer spray (যদি পাবলিক টয়লেট ব্যবহার করতে হয়)
এই ছোট হাইজিন কিট অনেক জরুরি মুহূর্তে স্বাচ্ছন্দ্য দেয়।

৮. অন্যান্য সাধারণ টিপস
--ওয়াটার বটল বা কাপ অন্য কারও সাথে শেয়ার না করা।
--পর্যাপ্ত পানি খাওয়া এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা।
--ঘরে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা-তোয়ালে, বালিশ ও বিছানা নিয়মিত ধোয়া।
--গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় অতিরিক্ত ঘাম ও ফাঙ্গাল ইনফেকশন এড়াতে কটন আন্ডারওয়্যার ব্যবহার।

নিজের শরীরের যত্ন নেওয়া কোনো বিলাসিতা নয়। ছোট ছোট অভ্যাস যেমন:পরিষ্কার থাকা,সঠিক প্রোডাক্ট ব্যবহার ও নিয়মিত হাইজিন মেইনটেইন করা

এইগুলোই একজন নারীকে সুস্থ, ফ্রেশ, আত্মবিশ্বাসী এবং স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবন দেয়।

© 2026 Skin Talks by Farhana। All rights reserved. For educational purposes only. Based on research.

আমার একজন রোগী ভদ্রমহিলার ৫ নাম্বার বাবুর এ্যানোমালি স্ক্যানের ছবি এইটা। Hydrocephalus বাবুটার,ব্রেন টিস্যু নাই বললেই চল...
03/03/2026

আমার একজন রোগী ভদ্রমহিলার ৫ নাম্বার বাবুর এ্যানোমালি স্ক্যানের ছবি এইটা। Hydrocephalus বাবুটার,ব্রেন টিস্যু নাই বললেই চলে।

ভদ্রমহিলা ২ নাম্বার বাবুটা কনসিভ করেছিলেন ২০২০ এ।অই বাবুটারও Hydrocephalus ছিলো। terminate করে ফেলতে হয়েছিলো বাবুটা গর্ভের ৫ মাসেই।

৩ নাম্বার বাবুটা শর্ট সার্ভিক্স এর জন্য আরলি ডেলিভারি হয়ে গিয়েছিলো গর্ভের ৪/৫ মাসে।
৪ নাম্বার বাবুটারও hydrocephalus ছিলো।

terminate করে ফেলতে হয়েছিলো। ৫ বার গর্ভধারণ করলেন ভদ্রমহিলা।

কিন্তু কখনো মা ডাক শোনেন নাই,কোনো বাচ্চাকে বুকে নিতে পারেন নাই।

ওহ!!ওনার ১ নাম্বার বাবুর কথা তো বলি নাই।২০১৮ এ বিয়ের পরপরই প্রথম কনসিভ করেছিলেন ভদ্রমহিলা।তখন ভাবছিলেন,"আরেহ!! বাচ্চা পেটে আসা তো সোজা!এখন বাচ্চা "নিবো না"।"

এরপর আল্লাহ আরও চারবার ওনাদের "বাচ্চা নেয়া" র সুযোগ দিয়েছেন। কিন্তু বাচ্চা কোলে,বুকে আর দেন নাই।নিজের কাছে নিয়ে গেছেন আল্লাহ ওনার বাচ্চাদের।

আমি জানিনা কি মজা করার জন্য অনেকেই বিয়ের পরপর কনসিভ করলে সেই বাবু নষ্ট করেন।কি এমন মজা যা বাবু থাকলে করা যায় না,আল্লাহ জানেন।
আচ্ছা ফাইন!!বিয়ের পর অনেকে "মজা করবেন" দেখে বাচ্চা চান না,ওকে বা আমরা সবসময় আরেকটা জীবনের দায়িত্ব নেয়ার জন্য রেডি থাকি না(সবদিক থেকে রেডি না থাকলে বাচ্চা চাওয়া ঠিকও না) বা কোনো কাপল আজীবনেও বাবু নাও চাইতে পারেন।এই সবগুলোই খুব ওকে।

কিন্তু দুনিয়ায় এতো contraceptive থাকতেও তা ব্যবহার না করা ওকে না এবং এইটা খুবই unsmart move.

ভাই-বোনেরা আমার!!প্লিজ বাবু না চাইলে contraceptive ইউজ করেন।একটা জীবন,নিজের বাচ্চাকে নিজে মা ই রেন না,আল্লাহ ইচ্ছার বিরুদ্ধে এইভাবে যাইয়েন না।

আল্লাহ না করুক আজীবনেও হয়তো আল্লাহ আর আপনাকে আম্মা-আব্বা ডাক শুনাবেন না।
Abortion কইরেন না,প্লিজ🥺🥺একটু সচেতন হন contraceptive ব্যবহারে।এতো "মজা" দিয়ে কি করবেন ভাই!!?

©Iffat Zumaina Xayan

03/02/2026

#সাদা_স্রাব_এবং_আমাদের_ধারনা

অনেক তো গ্রাম্য কুসংস্কার শুনলাম ।এবার আপনাদের মনের একটা ধারনা দূর করি ,অনেকেই ভাবেন সাদা স্রাব হচ্ছে তাই শুকিয়ে গেছেন ।আসলেই কি তাই ?

অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সাদাস্রাবে যারা ভোগে একটু শুকনা হয় ।এর প্রধান কারন অপুষ্টি ।
"আপনার সাদাস্রাবের কারনে আপনি শুকিয়ে যাচ্ছেন দুর্বল হচ্ছেন ব্যপারটা এমন না ,আপনি দুর্বল এবং অপুষ্টিতে ভুগছেন বলেই সাদাস্রাব বেশি হচ্ছে "
অনেকেই বলেন ক্যালসিয়াম বের হচ্ছে ,শরীর ক্ষয় হচ্ছে এগুলা সম্পূর্ণ ভুল ধারনা ।মেয়েদের সাদা স্রাব মাসিকের আগে এবং পরে স্বাভাবিক । তবে চুলকালে গন্ধ হলে অতিরিক্ত হলে চিকিৎসা করা উচিত ।
এই পোষ্ট গর্ভবতীদের জন্য না কারন গর্ভবতীদের সাদাস্রাব হওয়ার কারনের মধ্যে হরমোন একটা কারন ।সেক্ষেত্রে চুলকানি এবং দুর্গন্ধ না থাকলে চিকিৎসা লাগে না ।

আর একটা বড় কথা যারা পারসোনাল হাইজিন মেইন্টেইন করবেন না ,পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকবেন না তারা সাদাস্রাব (ইনফেকশন সহ ) ,দাদা ,কৃমি ,প্রসাবে ইনফেকশন এসবে বেশি ভুগবেন ।তাই বলে হাইজেন মেইন্টেইন করলেই যে হবে না এমন না ।মেইন্টেইন করলে কম হবে ।

আর মায়েরা থালার বড় মাছ শুধু স্বামী সন্তানকেই খাওয়াবেন না ।ঘরের মা শাশুড়ি এবং নিজেও সমান ভাগে খাবেন ।দিন শেষে ভোগান্তিটা আপনার ।আপনি সুস্থ থাকলে তাদের ভালো রাখতে পারবেন ।

-ডা. মাহমুদা মিতু

♦ ১৮ বছরের রোগী আসলো ৮ মাসের গর্ভ নিয়ে। ওনার সমস্যা ছিলো ওনি বেশি দূর্বল। মাথা ঘুরায়। যখন বললাম কেন আপনি ঠিক মত খান না। ...
10/11/2025

♦ ১৮ বছরের রোগী আসলো ৮ মাসের গর্ভ নিয়ে। ওনার সমস্যা ছিলো ওনি বেশি দূর্বল। মাথা ঘুরায়।

যখন বললাম কেন আপনি ঠিক মত খান না। বললো ম্যাডাম মানুষ তো খাবার সামনে রেখেও খেতে পারে না। আর আমি এক হতভাগী যে শাশুড়ীর ভয়ে খেতে পারি না।শুনে খুব কষ্ট লাগলো

রোগী বলে মা বাবা বেঁচে নেই রোগীর। শুশুর বাড়ী তেই থাকতে হয়।স্বামী বড়। বিদেশ থাকে।কিন্তু কোন টাকা দেয় না। জামাইকে কিছু বলতেও পারি না। কারন বিশ্বাস করে না।

রোগী আমাকে আরও বলে জানেন ম্যাডাম আমার ক্ষুধা লাগে অনেক কিন্তু আমার শাশুড়ী কাছে চাইলে বলে বেশি খাওয়া যাবে না। বাচ্ছা বড় হয়ে যাবে।

আমি রান্না করি শুশুর শাশুড়ী খায়, দেবর খায়। আমি সবার শেষে খেতে বসি কিন্তু আমি খেতে বসলে আমার শাশুড়ী খাবার সরিয়ে নিয়ে যায়। বলে এই সব মাছ, মাংস খাওয়া যাবে না।

আমি নুন দিয়ে পানি দিয়ে ভাত খাই। মাঝে আমার অনেক জ্বর ছিলো। কাশি ছিলো ডাক্তারের কাছে যাবো বলছিলাম। আমার শাশুড়ী কত কথা শুনালো। বলে এখনকার বউরা মুরব্বি মানে না। ডাক্তারের ঔষধ খাইয়ে বাচ্ছা মারতে চায়।পানি খাওয়া বন্ধ করে দিছিলো কাশি হয়েছে তাই।

রোগী বলে,জানেন ম্যাডাম আজ আট মাস ধরে আমি কোন মাছ,ডিম,মাংস খেতে পারি নি কারন আমার শাশুড়ী আমার সামনে বসে থাকতো। আমি কি খাই দেখবে।বাড়িতে কত মেহমান আসত ফল নিয়ে। কোনদিন খাইতে দিত না বলে ফল খাইলে নাকি বাচ্ছার ঠান্ডা লাগবে। পৃথিবীতে এমন মানুষ ও আছে যে, কেউ খেতে চায় কিন্তু কুসংস্কার জন্য খাইতে দেয় না।

রোগীর কিছু পরীক্ষা করতে দিলাম। রিপোর্ট পেয়ে দেখলাম বাচ্ছার ওজন অনেক কম। আর রোগীর অনেক বেশি রক্তশূন্যতা। হিমোগ্লোবিন ৭।

বললাম আজকে যে আসছেন ডাক্তারের কাছে আপনার শাশুড়ী কিছু বলে নাই?? বলে আমি লুকিয়ে টাকা জমিয়ে আসছি। আমি জানি আমি মরে গেলেও ডাক্তার দেখাতে পারবো না। মনে মনে বলি এই যুগে কুসংস্কার ভরপুর এমন শাশুড়ীও আছে তাহলে!!

ডা শারমিন সুলতানা বিথী

চেম্বারে প্রায়ই আমার ছোট বোনের বয়সী আপুরা দেখাতে আসে, যাদের বয়স হয়তো একুশ, বাইশ বা পচিশ।আমি দেখে অবাক হই, তাদের অনেকের এ...
07/11/2025

চেম্বারে প্রায়ই আমার ছোট বোনের বয়সী আপুরা দেখাতে আসে, যাদের বয়স হয়তো একুশ, বাইশ বা পচিশ।

আমি দেখে অবাক হই, তাদের অনেকের এগ কাউন্ট কমে গেছে ভয়ানকভাবে, AMH লেভেল ১ এর নিচে। গাইনোকলোজিস্ট সোজা বলে দিয়েছেন, পারলে দ্রুত বিয়ে করে বাচ্চা নাও অথবা, দ্রুত আইভিএফ ট্রাই করো। তোমার হাতে সময় বেশি নেই।

এরমধ্যে কিছু কেইস থাকে, প্রাইমারী ওভারিয়ান ইনসাফিসিয়েন্সির। এই আপুদের ওভারিগুলো যথেষ্ট পরিমান ম্যাচিউর হয় নি কোন এক কারনে, জিনেটিক্সের জটিল খেলায় তারা দুনিয়াতেই এসেছেন কম এগ কাউন্ট নিয়ে।

কিন্তু অনেকেই আছেন, যারা অতি অল্প বয়সে এগ কাউন্ট হারাচ্ছেন নিজেদের লাইফস্টাইলের জন্য।
শিক্ষাব্যবস্থার কারনে এখন পচিশের আগে বিয়ের সুযোগ খুবই কম, সন্তান নেয়ার গড় বয়স শহরাঞ্চলে এখন ২৫ পার হয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে তা ২৮+।

কিন্তু মেন্সট্রুয়েশান শুরু হচ্ছে ৯-১০ বছর বয়সে, ফলে প্রতি সাইকেলের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের মেয়েরা ওভাম হারাচ্ছে। সাইকেল শুরুর ১৫+ বছর পর তারা তাদের সে/ক্সুয়াল লাইফস্প্যান শুরু করছে এবং ১৮+ বছর পর কনসিভ করছে। ফলে, আগের চেয়ে অনেক লম্বা সময় ধরে ফার্টিলিটি ঠিক রাখার প্রয়োজন পড়ছে। গ্রামে এই সমস্যাটা অপেক্ষাকৃত কম কারন শহরে গ্যাপ যেখানে ১৫+ বছর, গ্রামে তা মাত্র ৮-৯ বছর।

তাই, যারা নিজের ক্যারিয়ার লম্বা করতে চান এবং ফার্টিলিটিও ধরে রাখতে চান তাদের নিয়মিত কয়েকটা কাজ করা উচিত।

১)যথাসম্ভব চিনি, আর্টিফিসিয়াল সুইটেনার এবং সয়বিন অয়েল এভয়েড করা
২)রাত জেগে পড়াশুনা না করে ভোরে উঠে পড়ার অভ্যাস করা
৩)দিনে ৮ ঘন্টা বসে থাকার প্রয়োজন হলে অন্তত ২ ঘন্টা হাটাচলা করা-বিভিন্ন জায়গায় হেটে যাবার অভ্যাস তৈরি করা
৪)ধু/মপান-এলকো/হল থেকে শতভাগ বিরত থাকা
৫)সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন ব্যায়ামের অভ্যাস করা
৬)যাদের ওজন বেশি তাদের ওজন স্বাভাবিক রেঞ্জে নিয়ে আসার জন্য লো কার্ব ডায়েট করা
৭)সন্ধ্যার পর থেকে কার্বোহাইড্রেট না খাওয়া
৮)সম্ভব হলে যথেষ্ট পরিমান টক জাতীয় ফল এবং হেলদি ন্যাচারাল প্রোটিন খেতে চেষ্টা করা

এই ব্যাপারগুলো নিজের অভ্যাসে নিয়ে আসুন।

জীবনকে আমরা অনেক বেশি কঠিন করে ফেলেছি প্রকৃতির বাইরে চলতে গিয়ে। আসুন প্রকৃতির নিয়মকে জানি ও বুঝি, আমরা তো প্রকৃতির বাইরের কেউ নই!!

Sajal's Diet Falsafa

বিয়ের পর অনেকেই তাড়াহুড়া করে সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু বেশিরভাগ সময়েই বুঝতে পারেন না, আসলে কোন সময়টায় গর্ভধারণের...
11/10/2025

বিয়ের পর অনেকেই তাড়াহুড়া করে সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু বেশিরভাগ সময়েই বুঝতে পারেন না, আসলে কোন সময়টায় গর্ভধারণের সুযোগ সবচেয়ে বেশি থাকে, আর কতদিন পর্যন্ত প্রাকৃতিকভাবে চেষ্টা করা উচিত।

যদি মেয়েদের বয়স ৩৫ বছরের নিচে হয় এবং দম্পতির কারো কোনো জটিল স্বাস্থ্য সমস্যা না থাকে, সাধারণত ছয় মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত নিয়মিত ও সুরক্ষাহীন দাম্পত্য জীবনের মাধ্যমেই গর্ভধারণ সম্ভব হওয়ার কথা। বিশেষ করে ওভ্যুলেশনের সময় সম্পর্ক স্থাপন করলে সফল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।

কিন্তু এক বছরের বেশি চেষ্টা করেও যদি ফল না আসে, তাহলে দেরি না করে একজন ফার্টিলিটি বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া দরকার। আর যাদের বয়স ৩৫ পার হয়ে গেছে, তাদের জন্য অপেক্ষার সময় আরও কম—মাত্র ছয় মাস বা তার কম চেষ্টা করেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। সব থেকে ভালো হয় যদি প্রফেশনাল এর পরামর্শ নিয়েই শুরু করেন।

কারো যদি পলিসিস্টিক ওভারি (PCOS), এন্ডোমেট্রিওসিস, ফাইব্রয়েডের মতো সমস্যা থাকে, কিংবা পার্টনারের স্পার্ম কাউন্ট কম হয়, অথবা একাধিকবার গর্ভপাতের/মিসক্যারেজ অভিজ্ঞতা থাকে, তাহলে শুরু থেকেই বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া ভালো।একজন ভালো ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিষ্ট এর পরামর্শ নেয়া। মনে রাখতে হবে, ডাক্তার/নিউট্রিশনিষ্ট দেখানো মানেই যে অনেক টাকার চিকিৎসা নিতে হবে তা কিন্ত্য নয়—বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কিছু বেইসিক টেস্ট আর লাইফস্টাইল পরিবর্তনই সমাধান এনে দেয়।
আরেকটা বড় বিষয় হলো খাবার। আমরা অনেক সময় বুঝিই না আমাদের প্লেটে থাকা কিছু সাধারণ খাবার ফার্টিলিটি বাড়াতে দারুণ কাজ করে।

যারা দ্রুত কনসিভ করতে চান, তাদের ডায়েটে কিছু স্পেশাল ফুড রাখা জরুরি –

ডিম – প্রতিদিন ২–৩টা, হাঁসের ডিম হলে সবচেয়ে ভালো। এতে ফার্টিলিটি’র জন্য দরকারি প্রায় সব নিউট্রিয়েন্ট থাকে।

ইলিশ মাছ – ভিটামিন ডি, কে আর ডিএইচএ এর দারুণ সোর্স, এক কথায় বাংলার স্যামন।

শাকসবজি – পালং, সরিষা, ব্রকোলি, বাঁধাকপি; প্রতিদিন অন্তত ২০০ গ্রাম খেতে হবে।

গরুর মাংস ও কলিজা – গ্রাস-ফেড গরু হলে নিউট্রিয়েন্ট বেশি থাকে এবং হরমোন ব্যালান্সে সাহায্য করে।

নারকেল – মিডিয়াম চেইন ফ্যাটি এসিড ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, ফার্টিলিটি বুস্ট করে। নারকেলের বদলে এভোকাডো খাওয়া যাবে।

কিনোয়া – ডি-কাইরো ইনোসিটল এর ভালো উৎস, হরমোন ব্যালান্স করে।

বাকহুইট (ঢেমশি) – ন্যাচারালি ডি-কাইরো ইনোসিটল পাওয়া যায়; ইনসুলিন ও টেস্টোস্টেরন কমায়, প্রজেস্টেরন বাড়ায়।

সানফ্লাওয়ার সিড – ইস্ট্রোজেন-প্রজেস্টেরন ব্যালান্স রাখতে সাহায্য করে।

বুটের ডাল – ভিটামিন বি-৬ সমৃদ্ধ, স্পার্ম কাউন্ট আর এগ কোয়ালিটি বাড়ায়।

দারুচিনি – ব্লাড সুগার কন্ট্রোল করে, ডাইজেশন ভালো করে, ব্যাকটেরিয়া কমায়।

হলুদ – কারকিউমিন সমৃদ্ধ অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি; নারকেল তেল ও গোলমরিচের সাথে খেলে বেশি ইফেক্টিভ।

মনে রাখবেন আল্লাহ তায়ালা আমাদের খাদ্যের মধ্যে সব ধরনের নেয়ামত দিয়ে দিয়েছেন। আপনাকে শুধু তার দেয়া নেয়ামত ব্যাবহার করতে জানতে হবে।

Sumya Shila
Nutritionist

আমি শেষ ৩ দিন ধরে দেখছি উনার এই স্টেটমেন্টটা নিয়ে উনাকে অনেক গালি দিচ্ছে মেয়েরা। এটা সত্যি ইসলাম কখনো মেয়েদের চাকরি ক...
30/09/2025

আমি শেষ ৩ দিন ধরে দেখছি উনার এই স্টেটমেন্টটা নিয়ে উনাকে অনেক গালি দিচ্ছে মেয়েরা।

এটা সত্যি ইসলাম কখনো মেয়েদের চাকরি করতে মানা করেনি। বরং ইসলাম মেয়েদের জ্ঞান অর্জন, কাজ করা, ব্যবসা করা, property বানানো এবং সমাজে অংশগ্রহণ করতে বলেছে।

তবে সবচেয়ে বড় সত্য হলো –
ইসলামে একটা মেয়ের প্রধান দু’টি দায়িত্ব হলো
আল্লাহর ইবাদত করা এবং স্ত্রী ও মা হিসেবে পরিবারের দায়িত্ব নেওয়া।

আপনি এই দু’টি জিনিস ঠিক না রেখে যতই ক্যারিয়ার বানান আর প্রপার্টি বানান, আপনি সবচেয়ে বড় লুজার এই দুনিয়াতেও আর আখিরাতেও।

কারণ আপনার প্রপার্টি বানানো আর ক্যারিয়ার বানানোর উপর ইসলাম এত জোর দেয়নি, যতটা জোর দিয়েছে এই হাদিসে –
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“নারী তার স্বামীর ঘর ও সন্তানদের অভিভাবক, আর সেগুলোর ব্যাপারে তাকে জিজ্ঞাসা করা হবে।”
(সহিহ বুখারী ৮৯৩, সহিহ মুসলিম ১৮২৯)

মানে আখিরাতে আল্লাহ আপনাকে জিজ্ঞেস করবেনা - কোথায় চাকরি করসিলা , কত বেতন কামাইসিলা , কয়টা বাসা করসিলা ? এটা একটা মেয়েকে জিজ্ঞেস করবেনা । মানে আপনি অবশ্যই প্রয়োজনে কাজ করতে পারবেন কিন্তু আপনার স্বামী, সন্তান, শালীনতা সবার আগে ঠিক থাকতে হবে। এগুলো ফরজ। ক্যারিয়ার ফরজ না। এগুলো ঠিক না থাকলে অবশ্যই জবাব দিতে হবে।

আপনাকে জিজ্ঞেস করবে - তোমার স্বামী সন্তানদের জন‍্য কি করেছো ? তুমি তোমার সন্তানদের ইসলাম নিয়ে জানিয়েছো? তোমার সন্তান নামাজ পরেনি , ভালো মানুষ হয়নি ।

আপনারা যাকে নিয়ে অনেক কান্না কাটি করছেন, দেখে মনে হচ্ছে উনি একজন ইসলাম রিলেটেড পার্সন। এখন রিলিজিয়াস ইসলামিক ব্যাকগ্রাউন্ডের মানুষ থেকে আপনি কি expect করেন যে উনি বলবে – জামাইকে দিনে দুপুরে দুই বেলা থাপ্পর মারবা, জামাইয়ের কথা শুনবানা, বাচ্চাদের আগে নিজের ক্যারিয়ার বানাবা, জামাই বাচ্চা পরে ক্যারিয়ার আগে, জামা কাপড় খুলে নাচবা।

এগুলো তো উনি চাইলে বলতেই পারেন না, আমাদের মতো। কারণ আমরা নরমাল পিপল ! আমরা ইসলাম এর আগে ফ্রিডম, মানি, সাকসেস এসব রাখতে পারি, উনি চাইলে রাখতে পারেনা।
আপনারা উনার স্টেটমেন্টকে না, আপনি লিটারালি ইসলামকে mock করছেন।

অনেক জলময়ী আপুরা জ্বলে যাবেন না প্লিজ এই পোস্ট পড়ে!

পোস্টটা বর্তমান যুগের সেই সকল মেয়েদের জন্য যাদের ইসলামের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই, যারা মডার্নিটির নামে বখে গেছে, যারা স্ত্রী হিসেবে কোনো দায়িত্ব নিতে আর পালন করতে চায়না, বাবা মা কেউ respect করেনা , সংসারের জন্য কিছু না দিয়ে শুধু প্রিন্সেস ট্রিটমেন্ট চায়। আর বলে বেড়ায় “আমি কি ডিগ্রি নিয়েছি বাসায় কাজ করার জন্য?”

খারাপ পুরুষ থাকলে খারাপ নারীও আছে। খারাপ নারী থাকলে খারাপ পুরুষও আছে।

- Habiba Khanam Aninda

PCOS - পিসিওএস কিপিসিওএসের সাথে একটা জিনিসের সম্পর্ক খুব নিবিড় – ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স।এই রিলেশনশিপটা একটু ব্রেকডাউন করি...
23/09/2025

PCOS -
পিসিওএস কি
পিসিওএসের সাথে একটা জিনিসের সম্পর্ক খুব নিবিড় – ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স।

এই রিলেশনশিপটা একটু ব্রেকডাউন করিঃ
- ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স মানে, আপনার শরীর অল্প ইনসুলিন দিয়ে যে কাজ সারতে পারতো, সেই একই কাজ করতে তাকে বেশি ইনসুলিন প্রোডিউস করতে হচ্ছে।
- এই বেশি ইনসুলিন গিয়ে মহিলাদের ওভারিকে একটা গুঁতা দেয়। আর সেই গুঁতা খেয়ে ওভারি তার কাজ ঠিকমতো করতে পারে না।
- যেহেতু আপনি অন্য কাজ করার টাইম পাচ্ছেন না, সেসব কাজ জমে যাচ্ছে, অর্ধেক করে আর শেষ হচ্ছে না।

দিন শেষে, এই অর্ধেক ফেলে রাখা কাজই হচ্ছে ওভারির “পলি-সিস্ট” অর্থাৎ একাধিক সিস্ট।
আরেকটু যদি ব্যাখ্যা করি, ওভারিতে কিছু “ডিম্বাণুর থলি” জন্ম নেয় যাদের কাজ ডিম্বাণু রিলিজ করা। তারা যখন এই কাজটা ঠিকমতো করতে পারে না, এই ডিম্বাণুর থলিগুলো ওভারিতে জমে থাকে, বের হয় না। এই থলিগুলোই সেই সিস্ট। (পিসিওএস = পলি-সিস্টিক ওভারি সিনড্রোম।)

★★ এইটা ম্যানেজ করবেন কি করে?
পিসিওএস যদি ঠিক করতে চান, সেই সব কাজ করতে হবে, যা ইনসুলিন রেজিসট্যান্সকে ঠিক করে। যেমন-
১। স্ট্রেংথ ট্রেইনিং কিংবা ভারী এক্সারসাইজ।
এইটা আপনার ইনসুলিন সেনসিটিভিটি ৫-১৫ গুণ পর্যন্ত বাড়াবে, দিস ইজ দ্য বিগেস্ট ফ্যাক্টর।
না, হাঁটাহাঁটি, সাঁতার এইসব দিয়ে হবে না। আপনি যদি আসলেই সিরিয়াস হন, কিছু ডাম্বেল কিনেন। সিরিয়াসলি ডাম্বেল ট্রেইনিং শুরু করেন।
২। ডায়েটে পর্যাপ্ত এনিম্যাল প্রোটিন রাখতে হবে।
প্রতি কেজি ওজনের জন্য অন্তত ১ গ্রাম প্রোটিন ফ্রম চিকেন, ফিশ, এগ। আরো বেশি হলে আরো ভালো।
৩। চিনির কথা ভুলে যান, কার্বোহাইড্রেট যথাসম্ভব ম্যানেজ করতে হবে।
অর্থাৎ কম মিষ্টি ফল, সবজি, ওটস, ডাল – এগুলো হবে মূল কার্বোহাইড্রেট সোর্স। ভাত বা রুটি যথাসাধ্য কমিয়ে আনতে হবে।
৪। ঘুম ঠিক করেন, রাত ১১ টার মধ্যে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হতে হবে। ঘুম ঠিক না করে যে কোন হরমোনাল ইস্যু ঠিক করা স্রোতের বিপরীতে সাঁতার কাটার সামিল।

সো এই ৪ টা কাজ আগে ঠিক করেন, ৮০% কাজ হয়ে যাবে।

Anamica Rauth

আমেরিকান এক ছেলে। যে এক ইউরোপিয়ান ক্যামগার্লকে সারাদিন দেখবে বলে চাকরি-বাকরি ছেড়ে ঘরে বসে থাকতো। মেয়ের পেছনে ২ লক্ষ ডলার...
23/09/2025

আমেরিকান এক ছেলে। যে এক ইউরোপিয়ান ক্যামগার্লকে সারাদিন দেখবে বলে চাকরি-বাকরি ছেড়ে ঘরে বসে থাকতো। মেয়ের পেছনে ২ লক্ষ ডলার পর্যন্ত উড়িয়ে দিয়েছে। নিজের সঞ্চয় শেষ, ভাইয়ের টাকাও শেষ, এমনকি বাবা-মায়ের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত খালি করে ফেলেছে। বাবা-মা-ভাই সবভাবে চেষ্টা করেছে তাকে ফেরানোর জন্য রিহ্যাব পর্যন্ত পাঠিয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই ছেলে তার বাবা, মা আর ভাই তিনজনকেই খুন করে।

গ্রান্ট আমাটো। ফ্লোরিডার এক যুবক। নার্সিং স্কুলে ব্যর্থতা, জীবনের প্রতি হতাশা, আর ক্যামগার্ল ওয়েবসাইটের প্রতি বিকৃত আসক্তি তাকে টেনে নিয়ে যায় অন্ধকারে। সেখানে এক মডেলের সঙ্গে ভার্চুয়াল সম্পর্ক গড়ে তোলে। ধীরে ধীরে সে টাকা পাঠাতে শুরু করে, আর একসময় এই আসক্তি তার জীবন নিয়ন্ত্রণ করতে থাকে।

পরিবার সত্য জানতে পেরে থেরাপিতে পাঠায়, পাশে দাড়ায়, বারবার বাচাতে চায়। কিন্তু গ্রান্ট তাদের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ জমাতে থাকে। ২০১৯ সালের জানুয়ারির এক রাতে, সেই ক্ষোভ রূপ নেয় রক্তাক্ত পরিণতিতে। গুলি করে হত্যা করে তার বাবা চ্যাড আমাটো, মা মার্গারেট আমাটো এবং ছোট ভাই কোডি আমাটোকে।

বিচারের সময় গ্রান্ট নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেও প্রমাণ এবং সাক্ষ্যের ভিত্তিতে জুরি তাকে দোষী সাব্যস্ত করে। ২০১৯ সালের জুলাই মাসে তাকে তিনটি প্রথম-ডিগ্রি হত্যার অপরাধে দোষী ঘোষণা করা হয়। আদালত তাঁকে প্যারোল ছাড়াই আজীবন কারাদণ্ড দেয়।

একটি অসুস্থ সম্পর্ক, এক বিকৃত আসক্তি কিভাবে একজন মানুষকে এতটা অন্ধ করে দিতে পারে যে সে নিজের পরিবারকেও হত্যা করতে পারে।আমাদের গ্রুপে অনেকেই নানারকম বিকৃত সম্পর্ক নিয়ে পোস্ট করে। আমরা সেগুলো কখনো approve করি না।

আজকের এই লেখার উদ্দেশ্য একটাই যারা এমন আসক্তিতে জড়িয়ে আছেন, সময় থাকতে বের হয়ে আসুন। নইলে শেষ পরিণতি হয়তো এতটাই অন্ধকার হবে, যেখান থেকে আর ফেরার পথ থাকবে না।

-মিলনতত্ত্ব

আপনার কি পিরিয়ডের সময় প্রচন্ড মাথা ব্যাথা সহ বাজে রকম মুড সুইং হয়? কিছুই ভালো লাগে না। কিংবা ব্রেস্টে অনেক ব্যাথা হয়,ব্র...
28/08/2025

আপনার কি পিরিয়ডের সময় প্রচন্ড মাথা ব্যাথা সহ বাজে রকম মুড সুইং হয়? কিছুই ভালো লাগে না। কিংবা ব্রেস্টে অনেক ব্যাথা হয়,ব্রেস্ট ভারী হয়ে থাকে। পিরিয়ড হলে জমাট বাধা রক্ত আসে, অনেক বেশি ব্লিডিং হয় সাথে প্রচন্ড রকম ব্যাথা থাকে। থাই আর হিপ কি অনেক বেশিই ভারী??

এরই সাথে পেট ফেপে থাকা, ব্লোটিং হওয়া, কন্সটিপেশন, কিংবা ব্রেইন ফগ বা ভুলে যাবার প্রবনতা থাকলে বলে দেয়া যায় আপনার শরীরে এস্ট্রোজেন ডমিনেন্স আছে।

এস্ট্রোজেন ডমিনেন্স আসলে কি??
- সহজ ভাষায় শরীরে মাত্রাতিরিক্ত এস্ট্রোজেন হরমোনের উপস্থিতি। ফিমেল রিপ্রোডাক্টিভ বা মুল সেক্স হরমোনের নাম এস্ট্রোজেন। কিন্তু কিছু কারনে এই হরমোন শরীরে অতিরিক্ত পরিমানে উৎপাদন হয়।তখনই দেখা যায় এস্ট্রোজেন ডমিনেন্স।

এস্ট্রোজেন ডমিনেন্স থাকলে বাহ্যিকভাবে কি কি উপসর্গ দেখা দেয় এগুলো পোস্টের শুরুতেই উল্লেখ করেছি। কিন্তু এছাড়াও ক্লিনিক্যাল ফিচার গুলোর মধ্যে রয়েছে-
১) ইউটেরাস ফাইব্রয়েডস বা জরায়ুতে ফাইব্রয়েডস
২) চকোলেট সিস্ট
৩) এন্ডোমেট্রিওসিস
৪) অনিয়মিত পিরিয়ড
৫) ইনফার্টিলিটি

এস্ট্রজেন ডমিনেন্স আসলে কেন হয়?
১) ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স
২) এস্ট্রোজেন এর নিজস্ব মেটাবলিজম
৩) লিভার ইনফ্লামেশন, আইবিএস বা বাজে গাট হেলথ
৪) মাত্রাতিরিক্ত স্ট্রেস
৫) বিভিন্ন কসমেটিকস প্রোডাক্ট, প্লাস্টিক এবং ফুডে উপস্থিত থাকা কেমিক্যাল।
৬) দীর্ঘদিন ওরাল কন্ট্রাসেপটিভ পিলের ব্যবহার।
৭) অতিরিক্ত ওজন।

এস্ট্রোজেন ডমিনেন্স কেন দূর করা জরুরি। এস্ট্রোজেন ডমিনেন্স থাকলে কি হবে?
- উত্তর ইনফার্টিলিটি। শারিরীক ভাবে উপস্থিত থাকা সকল লক্ষণের সাথে সাথে ইনফার্টিলিটির একটা প্রধান কারন হচ্ছে এস্ট্রোজেন ডমিনেন্স। শরীরে এস্ট্রোজেন ডমিনেন্স থাকলে মেয়েদের ওভ্যুলেশন ঘটে না, অর্থাৎ এগ প্রেগন্যান্সির জন্য ম্যাচিউর হয়না। ফলে অনিয়মিত পিরিয়ড এর সাথে সাথে ইনফার্টিলিটি দেখা দেয়। এছাড়াও অনেক সময় প্রেগন্যান্ট হয়ে গেলেও এস্ট্রোজেন ডমিনেন্স এর কারনে শরীরে হরমোনাল ইমব্যালেন্স তৈরি হয়। ফলে এবং জরায়ু ভ্রুন ধারনের জন্য খুবই আনস্টাবল অবস্থায় থাকে যার ফলে মিসক্যারেজ এর ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

খাদ্যতালিকায় কি কি খাবার আপনার এস্ট্রোজেন ডমিনেন্স কে কমিয়ে নিয়ে আসতে পারে??
- হোল গ্রেইন - রোল্ড ওটস, লাল চাল(ফুল ফাইবার), কিনোয়া, বার্লি, রাগী।
- হেলদি ফ্যাটস- যে কোন ফ্যাটি ফিস, ইলিশ, সুরমা,অলিভ অয়েল, কোকোনাট অয়েল।
- ফুলকপি, বাধাকপি, ব্রকোলি জাতীয় ক্রুসিফেরাস ভেজিটেবল।
- হাই কোয়ালিটি প্রোটিন - গরু/ খাসির মাংস, দেশি মুরগী, মাছ, ডিম।
-তিসি, হলুদ গুড়া
- স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি বা বেরি প্রজাতির যে কোন ফল, জাম্বুরা।
- গাঢ় সবুজ শাক- বিশেষ করে পুই,পালং, সরিষা শাক।
- দই, কেফির কিমচি জাতীয় প্রোবায়োটিক
- মাশরুম বিশেষ করে ওয়েস্টার প্রজাতির মাশরুম।

তবে এস্ট্রোজেন ডমিনেন্স কিন্তু সিংগেল কোন ডিজিজ নয় যেটা শুধুমাত্র এস্ট্রোজেন কেই ইফেক্ট করে। প্রধান ফিমেইল রিপ্রোডাক্টিভ হরমোন হওয়াতে এস্ট্রোজেন ডমিনেন্স মেয়েদের পুরো হরমোনাল সাইকেল কেই চেইঞ্জ করে ফেলে। ফলে হরমোনাল ইমব্যালেন্স তৈরি হয়। তাই কারো যদি উপরের উপসর্গগুলো থেকে থাকে তবে অবশ্যই একটা প্রপার গাইডলাইন নিয়ে ফিটনেসের জার্নি শুরু করা উচিত।

Sumya Shila
Child and Reproductive Nutrition Consultant
Thyrocare Consultation Centre,Banani, Dhaka

মা হিসেবে নতুন হলেও আমার সচেতনতার লেভেল ঝানু মহিলাদের মতো। মেয়ের জন্মের পর ওর একটা ডায়াপার কখনো বাসার কোনো মেইল সদস্যের ...
26/08/2025

মা হিসেবে নতুন হলেও আমার সচেতনতার লেভেল ঝানু মহিলাদের মতো। মেয়ের জন্মের পর ওর একটা ডায়াপার কখনো বাসার কোনো মেইল সদস্যের সামনে পরিবর্তন করিনি।

আমার বাসার মেইল সদস্যদের কখনো বলতেও হয়নি তোমরা যাও ডায়াপার পাল্টাবো!
শুরু থেকেই এতো কড়া এই ব্যাপারে বলাও লাগেনা!

বাইরে কখনো চেইঞ্জ করা লাগলে তার বাবা কাপড় ধরে ঘেরাও মতো দিয়ে ধরতো মেয়ের প্রাইভেসি যেন নস্ট না হয়!

এই ব্যাপারে কোনো ছাড় নেই।এমন ও হয়েছে কোনো বাসায় বেড়াতে গেছি কেউ আদর করে কোলে নিয়ে অন্যরুমে কাউকে দেখাতে নিয়ে গেছে,এক মিনিট ও তাকে চোখের আড়াল করিনি। পিছন পিছন গিয়েছি।যে এই কাজ করেছে তাকে রেডমার্ক করেছি,যদিও হয়তো কোনো খারাপ ইনটেনশন ছিলো না!

মেয়েকে কেউ চুমু দিলে বা আদর করতে জোরাজুরি করতে দেখলে ওইসব মানুষকে আমার এড়িয়ে চলতেই ভালো লাগে!

মায়েদের অন্তরের চোখ যদি জাগ্রত থাকে মায়ের মন অবশ্যই খবর পাবে কে তার সন্তানকে কোন নজরে দেখছে!

আমার এক আত্মীয় আছেন,অনেক চাওয়ার পরে আল্লাহ মেয়ে দিয়েছেন কয়েকটা ছেলের পরে।
ওনার মেয়েরা বড় হয়ে গেছে।অনার্সে পড়ে।উনি মনে হয় গুনে বলতে পারবেন এই বয়স পর্যন্ত ওনার মেয়েরা বাবা মায়ের সংগ ছাড়া কয়বার ঘর থেকে বের হয়েছে।

কারো বাসায় সামান্য বেড়াতেও দিতে চান না প্রোপার অভিভাবক ছাড়া। রাতে থাকতে দেওয়ার তো প্রশ্নই আসেনা। অনেকেই এটা নিয়ে টিটকারি করলেও আমার জন্য কন্যা সন্তান প্রতিপালনে উনিই আদর্শ মা!
এমন মা ই হওয়া উচিৎ! যে মা একটা মেয়ের ২০-২৫বছরের জীবনে তার উপস্থিতি ইনভলভমেন্ট গুনে ফেলতে পারবে!

মেয়ে সন্তান প্রতিপালনে একমাত্র সংবিধান হবে মেয়ে সন্তানের প্রতি সেকেন্ড হবে চোখের সামনে।এক মুহুর্ত ও বেখেয়াল হওয়া যাবেনা।

একটা জাহাজে যেমন এক ফোটা ছিদ্র দেখলেও নাবিক সাথে সাথে বন্ধ করে দেয়,একটা মেয়ে বাচ্চার জীবনের নাবিক বাবা মায়ের ও তাকে হ্যারেজ হতে পারে এমন একটা কীট পতংগের ও বাসায় বা তার কাছে আসার রাস্তা বন্ধ কর‍তে হবে।

এসব ঠেকানোর একমাত্র আর একমাত্র উপায়ই বাবা মায়ের সচেতনতা! সচেতনতা ছাড়া আর কোনো প্রেস্ক্রিপশন নাই এই রোগের জন্য।

বাচ্চার ব্যাপারে কাউকে বিলিভ করিনা।সন্তান যেহেতু আমি গর্ভে ধারণ করেছি তার বিপদ আমার চেয়ে ভালো কেউই বুঝবেনা মা হিসেবে এটাই আমার একমাত্র ইন্সটিনক্ট!

✍️সাফওয়ানা জেরিন
=============

লেখক যেসব লিখেছেন, সেটা আসলে মায়ের সবচেয়ে প্রাকৃতিক প্রোটেক্টিভ ইন্সটিনক্ট, যেটা না থাকলে একটা মেয়ে সন্তান বড় করা সত্যিই রিস্ক হয়ে যায়। কেউ চাইলে হয়তো এটাকে “অতিরিক্ত কড়াকড়ি” বা “অসুস্থ মানসিকতা” বলবে, কিন্তু বাস্তবতা হলো বাংলাদেশে প্রতিদিনের খবরই প্রমাণ করে দিচ্ছে বাচ্চারা সবচেয়ে বেশি অ্যাবিউজড হয় পরিচিত মানুষদের দ্বারাই আত্মীয়, প্রতিবেশী, এমনকি পরিবারের ভেতরের কারও দ্বারাও।

একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আমি ছেলেমেয়ে উভয়ের প্রতি সচেতন ছিলাম। এরপর তাদের ধারনা দিয়েছি তাদের সাথে কি কি হতে পারে,তারা কিভাবে এগুলো এড়িয়ে চলবে। সর্বপরি মহান আল্লাহর কাছে সবসময় তাদের হেফাজতের জন্য দোয়া করি কারন যেকোন অনাকাঙ্ক্ষিত বিপদ থেকে রক্ষাকর্তা একমাত্র আল্লাহ।

ছোটবেলায় পুরোপুরি মা-বাবার নজরদারির মধ্যে বড় হলেও ধীরে ধীরে সন্তানকে শেখাতে হবে কীভাবে সে নিজেই নিজের ব্যাপারে সতর্ক আর প্রোটেক্টিভ হতে পারে। কারণ বাবা-মা সবসময় পাশে থাকবেন না, আর বিয়ের পর তো মেয়েকে নতুন পরিবেশে একেবারেই একা নিজেদের সামলাতে হয়। সেখানে প্রতিটি পরিস্থিতি বুঝে নেওয়া, কারো অস্বস্তিকর আচরণ চিহ্নিত করা, আর সাহস করে “না” বলতে পারা খুব জরুরি। এসব দক্ষতা ছোট বয়সেই তৈরি করা ভালো, যাতে বড় হলে আর আলাদা করে মানিয়ে নিতে না হয়। মূলত এটা একটা লাইফ-স্কিল, যা মেয়েদের পাশাপাশি ছেলেদেরও শেখা উচিত।

নিজের শরীর, নিজের নিরাপত্তা আর নিজের সীমানার প্রতি সচেতন থাকা। মা-বাবা যতদিন বেঁচে থাকবেন ততদিন তো পাহারাদার, কিন্তু তার চেয়েও বড় দায়িত্ব হলো সন্তানকে এমনভাবে গড়ে তোলা যেন সে নিজেই নিজের সবচেয়ে বড় পাহারাদার হতে পারে।

পাশাপাশি আমাদের সমাজে মনে করা হয় শুধু মেয়ে বাচ্চারাই ঝুঁকির মধ্যে থাকে, কিন্তু বাস্তবে ছেলে বাচ্চারাও সমানভাবে ভিকটিম হতে পারে। আজকাল যেভাবে বিকৃত মানসিকতার মানুষ বেড়ে যাচ্ছে, তাতে ছেলে বাচ্চারাও আর নিরাপদ নেই। সমকামিতা হোক বা অন্য কোনো ধরনের বিকৃত প্রবৃত্তি, এগুলোর শিকার হতে পারে ছোট ছেলে শিশুরাও। শুধু পুরুষ নয়, কিছু নারীরও এমন বিকৃত মানসিকতা থাকতে পারে, যা অনেকেই ভাবতেও চান না। তাই ছেলে-মেয়ে উভয়ের ক্ষেত্রেই বাবা-মায়ের দায়িত্ব হচ্ছে সমানভাবে সচেতন থাকা, চোখে চোখে রাখা এবং ধীরে ধীরে তাদেরকে বোঝানো কোনটা ঠিক আর কোনটা ভুল।

শিশু মানেই অসহায়, আর তাদের সুরক্ষা দেওয়া মা-বাবারই প্রথম দায়িত্ব।

- মিলনতত্ত্ব - Sisters Only

Address

Bir Uttam Qazi Nuruzzaman Sarak West, Panthapath
Dhaka
1205

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মিলনতত্ত্ব - Sisters Only posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category