Dr.Rimu Akter Mariam

Dr.Rimu Akter Mariam "আমি যখন রোগ আক্রান্ত হই,
তখন তিনি(আল্লাহ)আমাকে সুস্থ করেন" [আলকুরআন]

02/01/2026


🟩🔶স্থানভেদে আঁচিলের হোমিও ঔষধ🔶🟩🔴ভ্রুতে আঁচিল -কস্টিকাম,থুজা,নাইট্রিক এসিড।🔴চোখের পাতায় আঁচিল -নাইট্রিক এসিড,ডালকামারা,ক...
28/12/2025

🟩🔶স্থানভেদে আঁচিলের হোমিও ঔষধ🔶🟩

🔴ভ্রুতে আঁচিল -কস্টিকাম,থুজা,নাইট্রিক এসিড।
🔴চোখের পাতায় আঁচিল -নাইট্রিক এসিড,ডালকামারা,ক্যালকেরিয়া কার্ব,থুজা।

🔴চোখের নিচে আঁচিল -সালফার।
🔴নাকে আঁচিল -থুজা, কস্টিকাম।
🔴মুখে আঁচিল -নাইট্রিক এসিড,
কস্টিকাম,ক্যালকেরিয়া কার্ব,থুজা।

🔴মুখের কোনে আঁচিল-কন্ডুরাঙ্গো।
🔴জিহ্বায় আঁচিল -অরাম মিউর ন্যাট।
🔴দাড়িতে, থুতনিতে আঁচিল-লাইকোপোডিয়াম।
🔴ঘাড়ে আঁচিল -ক্যালকেরিয়াকার্ব, নাইট্রিক অ্যাসিড।
🔴বাহুতে আঁচিল -ক্যালকেরিয়া কার্ব,কস্টিকাম, নাইট্রিক এসিড, সালফার।

🔴নখের ধারে আঁচিল -কস্টিকাম।
🔴হাতে আঁচিল -ক্যালকেরিয়া কার্ব,ল্যাকেসিস, লাইকোপোডিয়াম, নাইট্রিক অ্যাসিড, রাস টক্স।

🔴হাতের তালুতে আঁচিল -নেট্রাম মিউর, এনাকার্ডিয়াম।

🔴আঙ্গুলে অসংখ্য আঁচিল -নেট্রাম মিউর, ক্যালকেরিয়া কার্ব, কস্টিকাম,ল্যাকেসিস, নাইট্রিক এসিড, থুজা, সালফার।

🔴বৃদ্ধাঙ্গুলে আঁচিল -ল্যাকেসিস,নেট্রাম মিউর।
🔴লিঙ্গ ত্বকে, লিঙ্গ মুখে, ভিতরে আঁচিল -সিনাবেরিস,ইউক্যালিপ্টাস,নাইট্রিক অ্যাসিড, অ্যাসিড ফস, থুজা,মেডোরিনাম।
🔴মলদ্বারে, পেটে ও উরুতে আঁচিল -নেট্রাম সালফ,নাইট্রিক এসিড,থুজা।
🔴ক্রনিক বা পুরাতন আঁচিল -কষ্টিকাম, নেট্রাম মিওর সালফার, থুজা।

🔴শক্ত বা কঠিন আঁচিল -এন্টিম ক্রুড, নাইট্রিক এসিড, গ্রাফাইটিস, থুজা, সালফার, ক্যাল্কেরিয়া ফ্লোর।

🔴বৃহদাকার আঁচিল -কস্টিকাম, নাইট্টিক এসিড,সিপিয়া,থুজা।

🔴ক্ষুদ্রাকার আঁচিল -ক্যালকেরিয়া কার্ব, নাইট্রিক অ্যাসিড, থুজা, ল্যাকেসিস, রাস টক্স, সালফার,সার্সাপ্যারিলা।

🔴প্রদাহিত আঁচিল -এমন কার্ব,নাইট্রিক এসিড,কস্টিকাম।

🔴রক্তস্রাব প্রবণ আঁচিল -নাইট্রিক এসিড।
🔴ক্ষুদ্রাকার, ডুমুরের মতো নিরেট, সূচালো আঁচিল -কস্টিকাম।
🔴বৃহৎ দানাযুক্ত, ডুমুরের মতো বা ফুলকপির মত, রক্তবর্ণ আঁচিল -থুজা,নাইট্রিক এসিড।

♦️♦️♦️এছাড়া পূর্ণাঙ্গ কেস টেকিং করে যে মেডিসিন আসবে সেই মেডিসিন প্রয়োগ করবেন।

🔻Deformed nails-এর  হোমিও ঔষধ🔻🔷Antimonium Crudum-নখ মোটা, বিকৃত ও ভঙ্গুর।-নখের চারপাশে ব্যথা-দীর্ঘদিনের সমস্যা।-রোগী শীত...
27/12/2025

🔻Deformed nails-এর হোমিও ঔষধ🔻

🔷Antimonium Crudum

-নখ মোটা, বিকৃত ও ভঙ্গুর।
-নখের চারপাশে ব্যথা
-দীর্ঘদিনের সমস্যা।
-রোগী শীতকাতর।
-গোসল করতে ভয় পায়।
-রোমান্টিক। চাঁদের আলো ভালোবাসে।

🔷Silicea
-নখ খুব দুর্বল, সহজে ভেঙে যায়।
-নখ ঠিকমতো বাড়ে না।
-পুঁজ/ইনফেকশন হওয়ার প্রবণতা।
-কোষ্ঠকাঠিন্য
-হাত পায়ের তলা ঘামে। ঘামে প্রচন্ড দুর্গন্ধ।
-ইনজেকশনের ভয়।

🔷Graphites
-নখ বিকৃত, ফাটা।
-নখের চারপাশে ফাটল ও আঠালো স্রাব।
-ত্বক শুষ্ক,রুক্ষ, ফাটা।
-সংগীত অপছন্দ। সংগীতে কান্না করে দেয়।
-লবণ,মিষ্টি অপছন্দ।

🔷Sulphur
-নখ রুক্ষ, ভঙ্গুর।
-চর্মরোগের ইতিহাস থাকলে
-গরমে সমস্যা বাড়ে
-প্রচন্ড নোংরা গোসল করে না।
-সামনের দিকে ঝুকে চলে।

🔷Thuja
-নখ বিকৃত, ভেঙে খসে যায়।
-ফাঙ্গাল সংক্রমণ থেকে।
-নখ ঢেউ খেলানো।
-নখের রঙ বদলে গেলে।
-রোগীর স্বপ্ন বহুল নিদ্রা।
-নানান ভ্রান্ত ধারণা থাকে।

🔷Arsenicum Album
-নখ পাতলা, ভঙ্গুর।
-জ্বালা বা ব্যথা
-ঠান্ডায় সমস্যা বাড়ে
-রোগী প্রচন্ড পরিস্কার পরিচ্ছন্ন।
-স্বার্থপর, লোভী এবং কৃপণ।

🔷Nitric Acid
-নখে ফাটল
-চাপ দিলে ব্যাথা।
-কোষ্ঠকাঠিন্য। প্রায়ই পাইলস এর সমস্যা থাকে।
-প্রস্রাব -পায়খানায় দুর্গন্ধ।
-প্রচন্ড রাগী।
-একবার কারো উপর রাগ করলে ক্ষমা করে না।

★★প্রপার কেস টেকিং এর মাধ্যমে যে কোন মেডিসিন আসতে পারে।

এবারের শীতে চারপাশে একটাই দৃশ্য—*নাক দিয়ে পানি**লাগাতার কাশি***গলা ব্যথা**দুর্বলতা আর জ্বরকিন্তু একটা সত্য কথা জানেন?***...
27/12/2025

এবারের শীতে চারপাশে একটাই দৃশ্য—

*নাক দিয়ে পানি
**লাগাতার কাশি
***গলা ব্যথা
**দুর্বলতা আর জ্বর

কিন্তু একটা সত্য কথা জানেন?

*** শীত যেমন একটি কারণ এরচেয়ে বেশি আমাদের ভুল চলাফেরা আর ভুল খাবারই ঠান্ডা–কাশির আসল কারণ।

🧣শীতে কিভাবে চলবেন একটু মেনে চলার চেষ্টা করবেনঃ
(ইনশাআল্লাহ এইগুলো মানলেই অর্ধেক রোগ এমনিতেই কমে যাবে)

🔹 ভোরের কুয়াশায় হাঁটা বন্ধ করুন
ফজরের পরপর কুয়াশায় হাঁটা = কাশি আর জ্বরকে ডেকে আনা।

🔹 মাথা–ঘাড়–কান ঢেকে রাখুন
শরীরের তাপ সবচেয়ে বেশি বের হয় এই জায়গাগুলো দিয়ে।

🔹 ঘাম হলে সঙ্গে সঙ্গে কাপড় বদলান
ঘাম + শীত = সর্দি, কাশি, এমনকি নিউমোনিয়া পর্যন্ত।

🔹 ঠান্ডা পানি বাদ, কুসুম গরম পানি চালু করুন
গোসল, অজু, পান—সবখানেই।

🔹 রাতে জানালা পুরো খোলা রেখে ঘুম নয়
ঠান্ডা বাতাস সরাসরি ফুসফুসে আঘাত করে।

🍲 শীতে কী খাবেন
(এগুলো প্রাকৃতিক “ঢাল” হিসেবে কাজ করবে)

🖤 ১️⃣ কালোজিরা — শীতের সবচেয়ে বড় অস্ত্র
👉 প্রতিদিন ½–১ চা-চামচ কালোজিরা
👉 মধুর সাথে বা ভাত/তরকারিতে
✔️ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
✔️ কাশি–সর্দি কমায়
📌 রাসূল ﷺ বলেছেন: “কালোজিরায় মৃত্যু ছাড়া সব রোগের শিফা আছে” (সহিহ হাদিস)

🧄 ২️⃣ রসুন
👉 প্রতিদিন ১–২ কোয়া
✔️ প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক

🫚 ৩️⃣ আদা
👉 আদা-চা বা আদা + মধু
✔️ গলা ব্যথা ও কাশি দ্রুত কমায়

🍯 ৪️⃣ খাঁটি মধু
👉 সকালে খালি পেটে ১ চামচ
✔️ ইমিউনিটি বুস্টার

🥚 ৫️⃣ ডিম
👉 দিনে অন্তত ১টা
✔️ শরীর শক্ত রাখে, অসুস্থতা দূরে রাখে

🥣 ৬️⃣ খিচুড়ি / গরম ভাত-ডাল
✔️ শীতে সবচেয়ে নিরাপদ ও আরামদায়ক খাবার

🍊 ৭️⃣ লেবু, কমলা
✔️ ভিটামিন C = ঠান্ডা কাশির শত্রু

🚫 যেগুলো এখনই বাদ দিন
(না হলে কাশি পিছু ছাড়বে না)
❌ ঠান্ডা পানি
❌ অতিরিক্ত সফট ড্রিংক
❌ ভেজা পা নিয়ে বসে থাকা
❌ ধূমপান (নিজে বা আশেপাশে)

⚠️ কখন অবশ্যই সাবধান হবেন?
এই লক্ষণগুলো থাকলে দেরি না করে ডাক্তার দেখান ⬇️

🚨 ৩ দিনের বেশি জ্বর
🚨 শ্বাস নিতে কষ্ট
🚨 বুকে ব্যথা
🚨 শিশুর খাওয়া কমে যাওয়া

শীত কাউকে মারে না—
আমাদের অসচেতনতা, ভুল খাবার আর অবহেলাই আমাদেরকে শয্যাশায়ী করে।

22/12/2025

♦♦SULPHUR(সালফার)♦♦
S= Slim (চিকন)
U= ugely (কুৎসিত)
L= lazy (অলস)
P = philosopher (দার্শনীক)
H = Hurrying (দ্রুতগামী)
U= unsocial( অসামাজিক)
R = Rudy ( অসভ্য)
একোনাইট ও সিপিয়ার ক্রনিক সালফার এবং সালফারের ক্রনিক সোরিনাম। অনেক সময় মনে আমরা ধারনা করি যে সাইকোসিস এর ক্ষেত্রে যেমন থুজা,সিফিলিসের ক্ষেত্রে যেমন মার্ক---সেইরুপ সোরার ক্ষেত্রে সালফার।ইহাকে এন্টিসোরিকের রাজা
বলা হয়।
গত আলোচনায় লাইকোর ত্রয়ী ঔষধ গুলো নিয়ে বলেছিলাম আজ সালফারের ত্রয়ী নিয়ে বলব।
Lyco>>>>Sulp>>>>Cal.Carb. It's trio Medicine. Sulp follows Lyco but Lyco dosen't follows Sulp.
>>প্রাথমিক পরিচয়ঃ গ্রাম্য ভাষায় ন্যাফথলিন বা গন্ধক, কবিরাজদের ভাষায় মাটি ( যা চর্মরোগের বাহ্যিক ক্ষেত্রে ব্যবহার করে) Sublimated sulphur, ব্রাইমস্টোন, ফ্লাওয়ার সালফার। মেটিরিয়া মেডিকাতে সালফার একটা greatest পলিক্রেষ্ট ঔষধ। এহাকে ঔষধের যুবরাজ বলা হয়ে থাকে এবং প্লোটোপ্লাজমের অন্যতম একটি উপাদান যেটা দেহের রোগকে শুধু আরোগ্য করে না বরং দেহের প্রতিটি টিস্যুকে লক্ষন জাগিয়ে তুলে আরোগ্যের পথে প্রচলিত করে থাকে। এটি একটি হলুদ রং এর খনিজ পদার্থ যার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকারের এসিড ফসফরিক, নাইট্রিক এসিড, সালফরিক এসিড, এবং বিভিন্নপ্রকার সার ঔষধ বোমা ও রাসায়নিক দ্রব্য তৈরী হয়।

>> History(ইতিহাস): এই হলুদ বর্নের গন্ধযুক্ত পদার্থ ( সালফার) প্রাচীনকালে দ্রুত চর্ম রোগকে আরোগ্য করার জন্য ব্যবহার হয়ে আসছিল । উদাহরণস্বরূপ, মিশরীয়রা চোখের পলকের প্রদাহ চিকিৎসার জন্য সালফার ব্যবহার করেছিল। এটি চুলকানি এবং ব্রণ থেকেও মুক্তি দেয়, এমনকি তারা সালফারকে চর্মরোগের সাবান হিসাবে ব্যবহার করত।
রোমানরা তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলিতে এই উপাদানটি একটি ধোঁকাবাজি এবং ব্লিচ হিসাবে ব্যবহার করেছিল। এটি জ্বললে এটি এসও ছেড়ে দেয়, গ্যাসগুলি কক্ষগুলিতে প্লাবিত হয়েছে, আর্দ্রতার সাথে মিশ্রিত হয় এবং একটি অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল পরিবেশ সরবরাহ করে এবং পোকামাকড় মারতে সক্ষম।
গ্রীকদের মতো রোমানরাও সালফারের উচ্চ দাহ্যতা আবিষ্কার করেছিল, এ কারণেই এটি আগুনের সমার্থক হয়ে উঠেছে। এর নীল শিখার রঙ অবশ্যই রোমান সার্কাসকে আলোকিত করেছে। এটা বিশ্বাস করা হয় যে গ্রীকরা তাদের অংশ হিসাবে, উদ্দীপনা তৈরির অস্ত্র তৈরিতে এই উপাদানটি ব্যবহার করেছিল।
পরবর্তিতে পুরানকৃর্তির রুপ উৎঘটন করতে গিয়ে ডাঃ স্যামুয়েল হ্যানিমান স্যার প্রথমে এহাকে মেডিসিন হিসাবে প্রুভিং করার জন্য উদ্বুদ্ধ হন এবং প্রুভিং কালে সালফারের যে সকল লক্ষন গুলো প্রাপ্ত হয় সে গুলোই মুলত বর্তমানে সালফারের উৎকৃষ্ট লক্ষন হিসাবে বিবেচিত হয়ে থাকে।

>>Source (উৎস): এহা মুলত একটা খনিজ
>> Prover (প্রুভার): স্যার ডাঃ হ্যানিমান
>> Miasom (মায়াজম): এন্টি সোরিক++, সাইকোটিক+, সিফিলিটিক+, টিউবারকুলার+।
>>H.C.R (কাতরতা): গরমকাতর++, শীতকাতর+।
>>Location (ক্রিয়াস্হল): রক্ত সঞ্চালন ভেনাস, পোর্টেল, উদর, পরিপোষণ যন্ত্রসমূহ, মিউকাস মেমব্রেনস, সেরাস, রেকটাম, বুক, চামড়া, চর্মগ্রন্থি, মাথার তালু, সন্ধি, গ্রন্থিগুলো, স্নায়ুমন্ডলী, শ্বাসযন্ত্র।
>> Side ( পাশ): ডানপাশ, বামপাশ, ওপরে বামপাশ নিচে ডানপাশ, ডানপাশ হতে বামপাশ।

♦ Mental Symptoms (মানসিক লক্ষণ):

>> খিটখিটেঃ মেটিরিয়া মেডিকাতে খিটখিটানীর যদি প্রথম সারির মেডিসিন হিসাবে সালফার কে ধরা হয় তাহলে মনে হয় ভু্ল হবে না। তার শরীরে যেন ঝাল বেটে দেওয়া হয়েছে। ভাল কথাতে তার শরীর জ্বলে বিশেষ করে গরমের দিনে ত তার পাশে যাওয়া যায় না। সব সময় রাগ রাগ ভাব নিয়ে বসে থাকে।
>>AVARICE কৃপনঃ স্বভাবের দিক দিয়ে এই মানুষটি বড়ই কৃপণ ব্যক্তি সর্বদা লাভ ও লোকসানের কথা মাথায় রেখে চলাফেরা করে (TALKING BUSSINESS OF) ! দুই টাকা বা নিজের পরিশ্রম খরচা করার আগে ১০ বার ভাবে ও মেপে মেপে পা ফেলে (CONSCIENTIOUS ABOUT TRIEFLES)।
সেজন্য যেখানেই একটু সুযোগ সুবিধা বেশি পাবে বলে মনে করে .......সেখানেই সে তার মাথা ঢুকিয়ে দেয়। মাতব্বরি তার যেন শরীরে লেগে আছে।
এই জন্য সর্বদা চালাকি করে নিজের ধন সম্পত্তির মিথ্যা বড়াই করে বা লোকজনের সম্মুখে সৎ মানুষের পরিচয় দিয়ে অন্যর কাছ থেকে "ফায়দা " লোটার চেষ্টা করে। সে সব সময় সুযোগের সন্ধানে থাকে।

>>একগুঁয়েঃ কিছু কিছু মানুষ আছে যারা নিজে যেটা বোঝে তার বাইরে কেউ কিছু বুঝলে সহ্য করতে পারে না তেমনি সালফারের রোগী এমন ব্যক্তিত্বে উপমিত হয়ে গেছে যে তার কথার বাইরে সে অন্য মাতব্বরি সহ্য করতে পারে না। নিজেকে সব সময় বড় মনে করে এবং নিজের কথার প্রাধান্যটা বেশি দিতে চায়।

>> সামান্যেই ক্রোধ পরক্ষণে অনুতপ্তঃ সালফার গন্ধক থেকে তৈরি বিধায় তার রোগীর ভেতরে গন্ধকের কিছু গুনাবলী সুনির্দিষ্ট ভাবে পাওয়া যায়। গন্ধক যেমন একটু তাপ পেলে গেলে যায় আবার ঠান্ডা হলে জমাট হয় তেমনি সালফারের রোগী একটু সামান্য আবেগ জড়িত কথাতে ক্রন্দন করে আবার পরক্ষনে সে নিজে অনুতপ্ত হয়।

>> সামান্য জিনিষের মিথ্যা তারিফ করেঃ সালফারের মিথ্যা বলার প্রবনতা অধিক এবং সে এত সুন্দর করে সাজিয়ে গুছিয়ে যে কোন জিনিসকে উপস্হাপন করে যে মনে হবে সত্য জিনিসটা যে সামনে তুলে ধরছেন। সালফারের বাচ্চারা সহপাঠীর সাথে খেলায় হেরে মারামারি করে বাসায় ফিরে এমন করে নিজের দোষ ডাকার জন্য অভিনয় করে যে মনে হয় সে একেবারে innocent তার ভেতরে কোন পাপের ছায়া নাই।

>>কিছুই ভালোলাগেনা আনন্দ পায়নাঃ রোগ ভোগ করা কালীন সময় সালফার বিমর্ষ থাকে তার মনে আমোদ, প্রমোদ বলে কিছু থাকে না সব সময় বন্ধ ঘরের ভেতরে চুপচাপ বসে থাকে মনে সুখ নাই তার। মনমরা ভাব তার ভেতরে।

>> গুছিয়ে রাখতে জানেনাঃ অগোছালো মানুষ যদি কখনো আপনার চোখের সামনে আসে তাহলে বুঝবেন ঐনি সালফার এর কিছু লেয়ার কভার করে বসে আছেন। সামান্য পরিমান গোছানো জিনিসটা তার ভেতরে পাবেন না সব সময় অগোছাল ভাব। সালফারের ঘরের ভেতরে প্রবেশ করার সাথে সাথে এমন একটা বিদঘুটে গন্ধ বের হবে তাতে আপনি বমি করে দিতে পারেন। আর বই পত্রের দিকে তাকাবেন দেখবেন তার বিছানার চারপাশ দিয়ে বই, জামা, কাপড় সব ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। সে মনে হয় বন্য জীবন যাপন করছে।

>> নোংরা অথচ নিজেকে মহাজ্ঞানি মনেকরেঃ সালফারের অপর নাম নোংরা ( সরিনাম)। তার সবকিছুতেই নোংরা, তার শরীর নোংরা, তার কথা নোংরা, তার মন নোংরা, কাজ নোংরা সবকিছুতে নোংরা। মনে করেন সালফারের এক রোগী আপনার চেম্বারে এসে হাজির হল। সে এসেই চেয়ারে পা তুলে বসে গেল। হঠাৎ করে তার হাঁচি উঠল সাথে একটু সর্দ্দি বের হল সে জিব দিয়ে সেটার স্বাদ নিতে চেষ্টা করবে। আবার মাঝে মাঝে নিজের বগলের গন্ধ নিতে চায়। চেম্বারে টেবিলে একটা গ্লোবিউন্স দানা পড়ে থাকলে হয়ত সে চাইবে সবার অগচরে মুখের ভেতরে দিতে। সে এতই নোংরা যে তার শার্ট,প্যান্ট, জুতা একজন সুস্হ মানুষের সম্মুখে দিলে সে কখনো ব্যবহার করতে চাইবে না কিন্তু সালফার সেটা স্বনান্দে ব্যবহার করে থাকে।

>>স্বার্থপরঃ অধিক স্বার্থপরতা সালফারের আরো একটা বিশেষ লক্ষন। যেখানে স্বার্থ নাই সেখানে সালফার না। সব খানে স্বার্থের আঁচ খুঁজতে থাকে।

>>পরের দোষ খোঁজেঃ নিজের কাছে সালফার পাপহীন সে মনে করে তার মত ভাল মানুষ জগৎ এ আর কেউ নাই নিজে কোন দোষ করে না। সব সময় অপরের দোষ খুঁজতে ব্যস্ত থাকে। কে কি করল, কার বউ অন্যের সাথে চলে গেল এ নিয়ে সব সময় বিজি থাকে সে।

>>দ্রুতগতিশীলঃ যেকোন কাজ খুব তাড়াতাড়ি করাটা সালফারের আরো একটা বড় লক্ষন। সব কাজ দ্রুত করতে চায়(অরাম,আর্জনাই)।

>>তীক্ষ্ণ বুদ্ধিঃ প্রখর বুদ্ধি সম্পন্ন ব্যক্তিত্বের অধিকারী সালফার। intellectually keen but physically very weak শারীরিক ভাবে দুর্বল হলে ও মানসিক ভাবে দারুন বুদ্ধিদিপ্ত ( লাইকো)

>> নাম ভুলেযায়ঃ সে দার্শনিক ঘরোনার মানুষ। নিজের জগৎকে ভুলে অন্য জগৎ নিয়ে ভাবে বিধায় মাঝে মাঝে নিজের নাম ঠিকানা পর্যন্ত ভুলে যায়। আইস্টাইন নিজেও তার বাসার ঠিকানা ভুলে যেতেন। হয়ত তিনি সালফারে অন্তুভূক্ত ছিলেন।

>>সর্বদাই খুটিনাটি লইয়া বকাবকিঃ তার যন্ত্রনায় বাড়ির মানুষ অস্থির্। তার হুকুম জারির ঠেলায় বাড়ির সকলে অস্হির হয়ে যায়।

>> সামান্য বস্তুকে অনেক কিছু মনে করে, ছেড়া নেকটা বা কাগজ মাথায় দিয়ে বলে আমি রাজা, বাদশা বা রাণী, সমস্ত বস্তুকেই সুন্দরদেখে।

>>স্বার্থপর,ভীরু অলস কোনো নিয়ম মেনে চলতে পারে না।

♦Characteristic Symptoms ( চরিত্রগত লক্ষন):
১. পায়ের তলা জ্বালার জন্য পা বিছানার বাহিরে রাখতে হয়।
২. উত্তম রুপে ধৌত করা সত্বেও শরীরের দুর্গন্ধ দূর হয়না। -(সোরিন)
৩. উঁচু বালিশে কপালে হাত না রাখিয়া ঘুমাতে পারেনা।
৪. ঠোঁট রক্ত বর্ণ (বেল, ল্যাকে, টিউবার)
৫. হাত - পা সরু ও পেটটি বড়।
৬. কোল-কুজো,সম্মুখ ঝুঁকে চলে।
৭. দিবাভাগে নিদ্রা আর রাত্রে নিদ্রা না হইয়া আচ্ছন্নভাব ও তন্দ্রা।
৮. সকল স্থানের স্রাবই হাজা কর , অত্যন্ত দুর্গন্ধ (টকগন্ধ) স্রাব দ্বার লাল বর্ণ হয়।
৯. মুখ গলা শুস্ক ক্রমাগত ঢোক গিলে।
১০. জিহ্বার মধ্য ভাগ সাদা, ধার গুলো ও ডগা লাল।
১১. দুর্গন্ধ মল,ঘর্ম বা স্রাব -টক বা অম্লগন্ধ যুক্ত
১২. রাত্রি দ্বিপ্রহরের পর রোগের বৃদ্ধি, বেলা ১১টায় উদরের মাঝে খালি বোধ ও জ্বালা।
১৩. পায়ের ডিম এবং পায়ের তলায় জ্বালা ও খিল ধরা।
১৪. সর্বগ্রাসী ক্ষুধা: কিন্তু দু-একগ্রাস আহার করিবার মাত্রই মনে হয় পেট পূর্ণ হয়ে গিয়েছে ,আর আহারে ইচ্ছা হয়না।
১৫. আহার কম পান অধিক।
১৬. যে কোনো পীড়ায় খাওয়ার জন্য ঘ্যানঘ্যান করে, মুখে খাওয়া লাগাইয়া রাখে।
১৭. বাহ্যে পাইলে আর এক মিনিট ও বিলম্ব সহ্য হয়না; তৎক্ষণাৎ টয়লেটে ছুটিতে হয়, না হয় কাপড় নষ্ট হয় (এলো)।
১৮. বাচ্চা পায়খানা করতে করতে ঘুমিয়ে পড়ে।
১৯. খাইতে খাইতে পায়খানা করে।
২০. অত্যন্ত ক্ষুধা কেবল খাই খাই করে।
২১. পায়খানা করার পরেই কিছু খাওয়া চাই।
২২. মলে কেবল মাত্র পুঁজ, ময়লার গন্ধ থাকেনা।
২৩. অনেক রোগ ঘন ঘন পূনঃ প্রকাশিত হয়।

♦Peculiar Symptoms(অদ্ভুত লক্ষন): সংক্ষিপ্ত P.Q.R.S হিসাবে বিবেচিত লক্ষন নিয়ে আমরা অনেক সময় মেডিসিন সিলেক্ট করে থাকি। কারন এই অদ্ভুত লক্ষন যার মনে যত বেশি গেঁথে নিতে পারবে তত বেশি সে ডাক্তার সফলতা অর্জন করতে পারবে। রেপার্টরী বা মেটিরিয়া মেডিকাতে অদ্ভুত লক্ষনের মূল্যায়ন অনেক বেশি যার মধ্যে যে কোন একটি পেলেই সালফার বিবেচনা করা যেতে পারে ।
# সালফারের রোগী নোংরা ও অগোছানো প্রকৃতির । দেহের বিভিন্ন স্থানের গন্ধ শুকতে থাকে। তবে মনে রাখবেন "কেন্ট স্যার সালফার ও সরিনামের ভেতরে সামান্য পার্থক্য করে নিতে বলছেন সেটা হল "সালফার নোংরা থাকে অর্থাৎ সে স্বভাবগত ভাবে সে নোংরা আর সরিনাম নোংরা থাকতে চায় না তবে তার শরীর নোংরা হয়ে যায়। এবং সরিনাম শীত কাতর অপর পক্ষে সালফার গরম কাতর।
#ভোরে পায়খানার বেগে ঘুম থেকে ওঠে ভাঙ্গে (N.S)।
#পায়খানার রাস্তায় গড়গড়ানি শব্দ হয় ( আর্জেন্ট নাইট)।মলদ্বার ভিজা থাকে( পিউনিয়া)।
# তিন তালুতে জ্বালা ( হাত- পা ও মাথা )
# অলীক কল্পনা / নিজেকে অনেক বড় মনে করে।
# স্বার্থপর ও হিংসুক প্রকৃতির ( এটা ল্যাকেসিস এ ও আছে)
# মজার ব্যপার হল গরম ঘরে প্রবেশ করলে মুখমন্ডল হলুদ দেখায়।
# আঙ্গুলের মাথায় চাপড়া ওঠে ( নেট্রামেও এমন হয়) পায়খানার পর মলদ্বার হাজিয়া যায় । এটা ক্যামোমিলাতেও আছে । আবার মহিলাদের Menopause time - এ মাথার তালুতে জ্বালা লক্ষণে সালফার অপেক্ষা ল্যাকেসিস ভাল কাজ করে। তবে সিকেলি করের ভেতরে ও মাথার তালু জ্বালাটা ও পাবেন বিশেষ করে মহিলাদের ক্ষেত্রে।
# এক স্থানে অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না।

♦ At a glance of Sulphur( একনজরে সালফার): প্রথম দর্শনেই আমরা কিছু সময় আচ করি যে রোগী কোন ঔষধের দিকে ধাবিত হচ্ছে তেমন ভাবে সালফারকে এক নজর দেখে আমরা কিভাবে চিনব সেটা একটু দেখি।অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্ন,কুঁজো ব্যক্তি ,সামনের দিকে ঝুঁকে চলে ,বসলেও ঝুঁকে বসে ,উস্কুখুস্কু চুল ,নখগুলো বড় বড় ,নখকাটেনা ,যেখানে সেখানে থুতু ফেলে,বাচাল ,নিজেকে পন্ডিত মনে করে ,ঠোট লাল ,রক্তবর্ণ ,পেট বড় ,হাত-পা সরু ,হাত-মুখ না ধুয়ে খেতে বসে ,পচাগন্ধ শুকে ,অল্প বয়সে বৃদ্ধের ন্যায় আকৃতি ,জিহ্বার অগ্রভাগ লাল ও ত্রিকোণ লাল ,জিহ্বার সাদা ধারগুলো লাল ,ময়লা জামা পড়ে ,শরীর থেকে বিশ্রি গন্ধ নির্গত হয়।জিহ্বা সাদা।

♦সালফার ও সোরিনামের মধ্যে পার্থক্যঃ অনেক সময় নবীন বা প্রবীন ডাক্তার একটা ধোয়াশার মধ্যে পড়ে যায় সোরার এই দুই বসকে নিয়ে দুই জনই যেন যমজ ভাই কিন্তু তাদের পার্থক্য করে মাথার ঘাম ঝরাতে হয়। কিন্তু নিজের কথা গুলো মনে রাখলে হয়ত একটু ক্লিয়ার হয়ে যাবে।
#সালফার স্নানে অনিচ্ছা- স্নানে বৃদ্ধি,
সোরিনাম স্নানে অনিচ্ছা, স্নানে উপশম ।
#সালফার গরম সহ্য করতে পারে না, শীতল বাতাস চায় ।
সোরিনাম শীত সহ্য করতে পারেনা, শীতের ভয়ে মাথায় কাপড় দিয়ে রাখে ।
#সালফার পিপাসার্ত বেশি; সোরিনাম কম ।
#সালফারের মল খুব কঠিন, সোরিনামের মল নরম কিন্তু বের হতে চায় না ।
#সালফারের রুগী ময়লা খুটে খায় না; সোরিনাম খুটে খায়, বাচ্চারা সর্দি টেনে খায় ।
#সালফার দুধ খেতে চায় না, হজম হয় না তাই । সোরিনামের এই সমস্যা নেই ।
#সালফারে চুলকানির পরে মামড়ি পড়ে না । সোরিনামে চুলকানির পর মামড়ি পড়ে ত্বক শক্ত হয়ে যায় ।
#সালফারে স্নানের পরেও মলিন দেখায় না । কিন্তু সোরিনামে স্নানেও পরিষ্কার দেখায় না ।
#সালফারে ক্ষুধা বেশি আছে । কিন্তু সোরিনামের ক্ষুধা অনেক বেশি এমনকি রাতে ঘুম থেকে উঠেও খেতে হয় ।
#সালফারে হতাশা আছে; কিন্তু হতাশায় ধর্মকর্ম নিয়ে অস্থির হয়ে যায় না । কিন্তু সোরিনামে এত হতাশ হয়ে যায় যে ধর্ম কর্ম নিয়ে অস্থির হয়ে যায়।

♦ কোন কোন রোগের উপর সালফার ক্রিয়া করেঃ এবার আলোচনা করব সালফার কোন কোন রোগের উপর ক্রিয়া করে সেই সম্পর্কে।
>>জ্বালা ( Burning) : হাতের তালু, পায়ের তলা এবং ব্রক্ষতালু অত্যন্ত উত্তপ্ত, বাতাস চাহে এবং ঠান্ডা মেঝের উপর শুইয়া থাকে, ঠোঁট এবং জিহবার অগ্রভাগ রক্তবর্ণ। চর্মরোগের ইতিহাস। ঘুম ভাঙ্গিলেই মলত্যাগের বেগ; কুজ দেহ, অপরিষ্কার-অপরিচ্ছন্ন।
>>Fever (জ্বর): বেলা ১০/১১ টা হইতে জ্বর বৃদ্ধি পায় হাতের তালু, পায়ের তলা ও ব্রক্ষতালু অত্যন্ত গরম, রোগী ঠান্ডা মেঝেতে শুইয়া থাকিতে ভালভাসে।
>>Bolis(ফোড়া): অপরিষ্কার-অপরিচ্ছন্ন স্বাভবের লোক। একসঙ্গে অনেক ফোড়া উঠে।
>>Dysentery(আমাশয়): কোন চর্ম্মরোগ বাধাপ্রাপ্ত হইয়া আমাশয়, অথবা যাহারা অত্যন্ত অপরিষ্কার-অপরিচ্ছন্ন তাহাদের আমাশয়ে ইহা অদ্ধিতীয় ঔষধ, ভোরবেলায় রোগের বৃদ্ধি, মলত্যাগের পরেও শান্তিলাভ ঘটে না; পিপাসা আছে। ঠোঁট রক্তবর্ণ।
>>Extremities হাত-পা সরু, পেটটি বড়:
ছেলেমেয়েরা খুব খেতে পারে, কিন্তু যেমন খায় তেমনি হজম করতে পারে না, ফলে দেহের পুষ্টিসাধন না হয়ে পেটটি বড় দেখায়। আবার বেশ হৃষ্ট-পুষ্ট ছেলে যে সালফার হতে পারে না এমন নহে। খাদ্য খায় কম কিন্তু জল খায় বেশি।
>>Aversion to milk(দুগ্ধে বৃদ্ধি): দুধ খাইতে চাহে না, খাইলে সহ্যও হয় না। মাংসেও অরুচি, মিষ্টি খাইতে ভালবাসে, কিন্তু অনেক সময় তাহাতে অনিচ্ছা বা তাহা অসহ্য হইতেও দেখা যায়। ঝাল, উগ্রদ্রব্য এবং মাদক-দ্রব্য খাইতে ভালবাসে। মাছ, ডিম ও মাংসে অনিচ্ছা।
>>Malaria fever(ম্যালেরিয়া জ্বর): শীত অবস্থায় পিপাসা থাকে না, উত্তাপ অবস্থায় নিদারুণ গাত্রতাপের সহিত রোগী অচেতন হইয়া পড়ে, বমি, উদরাময়, পিপাসা। শীত অবস্থায় জননেন্দ্রিয় বরফের মত শীতল।
>> cough( সর্দ্দি কাশি): পুরাতন সর্দ্দি-কাশির সহিত স্বরভঙ্গ, গলাভাঙ্গা, গলাধরা, অনবরত কাশি, নাসিকা দিয়ে রক্ত পড়ে, নাসিকা ফোলে, নাসিকার মধ্যে শুষ্ক পিচুটি বা মামডি পড়ে, নাসিকার ডগা হাজিয়া লালবর্ণ হয়।
>>ব্রঙ্কাইটীই বা শ্বাসনালীর প্রদাহ: এই পীড়ায় একটু পুরাতন অবস্থায় পূঁযের মত গয়ার উঠে, ফুসফুসে প্রচুর পরিমাণে শ্লেম্মা জমে, রোগী অত্যন্ত কাশে, কখনো কাশিতে কাশিতে বমি করিয়া ফেলে, কাশি শুইলেই বৃদ্ধি হয়।
>>Skin disease (চর্ম্মপীড়া): রোগী দেখিতে অত্যন্ত অপরিষ্কার ও কদাকার। হাত, মুখ, বাহুতে গর্মি গোটার ন্যায় ছোট ছোট ফোঁড়া হয় এবং খোসের মত ঘা হয়। ইহা ছাড়া কুঁচকী, স্তন, গ্রীবা বগল এবং ঘাড় যেখানে চামড়ার ভাঁজ থাকে, খোসপাঁচড়া, চুলকানি, একজিমা, কাউর, দাদ অত্যান্ত চুলকানি, চুলকাইবার সময় রতি ক্রিয়ার মত সুখঅনুভব এবং পরে ভয়ানক জ্বালা হয়। রাত্রিকালে ও স্নানে বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয়।
>>Eye disease (চক্ষুর পীড়া): প্রান্তদেশের ক্ষতবস্থা এবং তাহাতে জ্বালা। চক্ষুর মধ্যে তাপ এবং জ্বালাবোধ। (আর্সেনিক ও বেলেডোনা) চক্ষুর সমনে কালো কালো দাগ। পুরাতন চক্ষুপ্রদাহ, তাহার সাথে অত্যান্ত জ্বালা এবং চুলকানি।
>>Ear disease (কর্ণের পীড়া): কানের মধ্যে ঝাঁই ঝাঁই শব্দ। কোন ঔষধ প্রয়োগের পলে কান পাকা চাপা পড়িয়া যাওয়ার কুফল। বধিরতা, ইহার পূর্বে শ্রবণশক্তির অত্যধিক প্রাখর।
নাসিকার পীড়: ঘরের মধ্যে থাকিলে নাসিকা বন্ধ থাকে। কাল্পনিক দুরগন্ধ। পুরাতন শুষ্ক সর্দ্দি, শুষ্ক মামড়ী এবং ইহা হইতে সহজেই রক্ত বাহির হয়।
>>Abdomen (তলপেট) :চাপদিলে যথেষ্ট বেদনা অনুভূত হয়; অভ্যন্তরে মনে হয় যেন কাঁচাভাব এবং টাটানি-ব্যথা। পেটের মধ্যে যেন জীবন্ত কিছু নড়াচড়া করিতেছে।
>>Piles(অর্শ) : মলদ্ধার চুলকায় এবং জ্বালা করে; তলপেটে রক্তাধিক্য হেতু অর্শ । পুনঃপুনঃ মলত্যাগের বেগ হয় কিন্তু নিষ্ফল; মল কঠিন, শিশু মল ত্যাগ করিতে ভয় পায়, বেদনা হইবে বলিয়া। মলদ্ধারের চারদিক লাল বর্ণ; তাহার সথে চুলকানি। সকালবেলায় উদরাময়, বেদনাহীন, মলত্যাগ করার জন্য রুগীকে বিছনা হইতে উঠিয়া ছুটিতে হয়।
>>Diabetes( প্রমেহ): স্রাব পূঁজের ন্যায় হোক বা জলের মত হোক প্রমেহের সহিত যদি মুত্রত্যাগ কালে যন্ত্রনা থাকে। প্রমেহের প্রথম এই ঔষধ এতবেশি উপকারী নহে।
>>Male Genitalia (পুঃজননেন্দ্রিয়): লিঙ্গে সুই পোটানো যন্ত্রনা। শয্যা প্রহন করিলে লিঙ্গ চুলকাইতে থাকে। লিঙ্গ শীতল, শিথিল এবং যোন দুর্বলতা। আসাড়ে শুক্রক্ষরণ।
>>Female Genitalia (স্ত্রীজননেন্দ্রিয়): জননেন্দ্রিয় বাহিরের অংশ চুলকায়। যোনিপথে জ্বালা। ঋতুস্রাব অতি বিলম্বিত, ক্ষনস্থায়ী, পরিমানে অল্প এবং কষ্টকর। ঋতুস্রাবের পূর্বে শিরঃপীড়া অথবা ঋতুস্রাব হঠাৎ বন্ধ হইয়া যায়। স্থনের বোটা পাটাযুক্ত ও জ্বলে।
>>Emptyness (শূন্যবোধ): মাথা, বুক, পেটে-সর্বত্র শূন্যবোধ বা খালি মনে হওয়া। সব কিছুতে শূন্যতা। মানসিক দিক থেকেও মাঝে মাঝে শূন্যতা তাকে গ্রাস করে।
> Agg(বৃদ্ধি): নিস্পেষণে, স্পর্শে, সঞ্চালনে, জলীয়-বায়ুতে, উত্তাপে, স্নানে, শীতল পানে (পিপাসায় ) দুগ্ধ পানে, ঋতুকালে ও মধ্য রাত্রিতে। বেলা ১০/১১টায় ভয়ানক রাক্ষুষে ক্ষুধা।
> >Amel (হ্রাস): শুষ্ক বায়ুতে, দক্ষিণ পার্শ্বে শুইলে, শীতল জল প্রয়োগে।
>>Causition (কারণ): চর্মরোগ চাপা পড়া, অতিঃ গরম, মানসিক পরিশ্রম বংশগত ধাতুর দোষ।
>>Desire (ইচ্ছা): মিষ্টি, ইচ্ছা মাংস তরল খাবার গরম খাবার শাক সবজি 2 গ্রেড
1ম গ্রেড মাংস ডিম।
>>Aversion ( অনিচ্ছা): দুধ, টক, মিষ্টি, চর্বি কফি, ফল, রুটি 2 গ্রেড
3 গ্রেড মাছ মায়ের দুধ শাক সবজি
1ম গ্রেড দুধ।
>> inimical( শত্রুভাবাপন্ন): sulp follows lyc but lyco does not follow sulph.
>> used after ( পরবর্তি ব্যবহারর্য): একো, ইস্কুইলাস, এলু, এপিস, আর্স আয়োড, এটি- রুবেন্স, ব্রারাইটা কার্ব, বেল, ব্রায়ো, বার্বেরিস ভল।
>> Antidote( ক্রিয়ানাশক): একোনাইট, ক্যাম্ফার, আর্সে, ক্যামো, চায়না, কোনি, কষ্টিকাম, নাক্স, মার্ক, পলস, রাস, সিলি। সালফারের পরে লাইকোপোডিয়ম নিষিদ্ধ।
>>Potency and Dosage (শক্তি ও মাএা):রোগীর জীবনীশক্তি ও রোগীর রোগের ধরনঅনুযায়ী এর শক্তি নির্ধারন হয়ে থাকে। তবে কখনো সালফার উচ্চ শক্তি প্রথমে ব্যবহার করতে যাবেন না তাতে হীতে বিপরীত হতে পারে।
>> Warning (সতর্কীকরণ):
এই ঔষধ পুনঃপুন প্রয়োগ করতে নেই। এছাড়া টাইফয়েড,নিউমোনিয়া কিংবা অন্য সমস্ত পীড়ায় যেখানে রোগীর Vitality বা জীবনীশক্তি কিছু মাত্র নেই সেখানে সালফারের লক্ষণ থাকলে ও সালফারের উচ্চ শক্তি প্রয়োগ নিষিদ্ধ। কারণ ঔষধের ক্রিয়াজনিত বৃদ্ধির কারণে অনেক সময় রোগীর মৃত্য ঘটে।

>>বিঃ দ্রঃ ভুল ত্রুটি মার্জনীয়।©️

★জরায়ু টিউমার ★বলতে সাধারণত বোঝায় *Fibroid* বা *Myoma*, যা হলো জরায়ুর ভিতরে বা চারপাশে গঠিত *অক্ষতিকর (benign) টিউমার* ব...
13/12/2025

★জরায়ু টিউমার ★বলতে সাধারণত বোঝায় *Fibroid* বা *Myoma*, যা হলো জরায়ুর ভিতরে বা চারপাশে গঠিত *অক্ষতিকর (benign) টিউমার* বা মাংসপিণ্ডের মতো বৃদ্ধি।

☘️ জরায়ু টিউমারের ধরণ:

1. *Intramural fibroid* – জরায়ুর দেওয়ালের ভিতরে
2. *Submucosal fibroid* – জরায়ুর ভিতরের আস্তরণে
3. *Subserosal fibroid* – জরায়ুর বাইরের দিকে
4. *Pedunculated fibroid* – ডাঁটার মতো ঝুলে থাকা

☘️লক্ষণ:

- অতিরিক্ত মাসিক (রক্তপাত বেশি হওয়া)
- অনিয়মিত মাসিক
- পেটের নিচে চাপ/ব্যথা
- গর্ভধারণে সমস্যা
- প্রস্রাবে চাপ বা বারবার প্রস্রাব লাগা
- পেট ফুলে যাওয়া
★অনেক সময় কোনো উপসর্গও থাকে না*

✅ ☘️কারণ:

- *ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন* হরমোনের প্রভাব
- ৩০-৪০ বছর বয়সে বেশি হয়
- পরিবারে কারও থাকলে ঝুঁকি বেশি
- স্থূলতা, উচ্চ রক্তচাপ

✅ ☘️হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা (লক্ষণভিত্তিক):

1. *Calcarea Carbonica* – মোটা, ঘর্মপ্রবণ, অতিরিক্ত রক্তপাত । সহজে সর্দি কাশি লাগে। ডিম খাবার অদম্য ইচ্ছা। হাতের তলা পায়ের তলা ঘামে।

2. *Thuja Occidentalis* – জরায়ুতে বৃদ্ধি, টিউমার, সাদা স্রাব । গোপন প্রিয় স্বভাবের। কথাবার্তা কম বলে। সঙ্গী সাথী কম। হাঁটা চলার সময় মনে করে পিছনে কেউ আছে। মরা মানুষ, উড়ে যাওয়া, পড়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখে।

3. *Fraxinus Americana* – জরায়ু টিউমারে ভালো কাজ করে।স্নায়বিক দুর্বল নারীদের ক্ষেত্রে। তলপেটে ভারী বোধ,যেন নিচের দিকে বাহির হইয়া আসিতেছে। প্রচুর মাসিক স্রাব বা সাদাস্রাব।পায়ের পাতায় খিল ধরে।

4. *Lapis Albus* – টিউমার নরম করতে সাহায্য করে । জরায়ুতে জ্বালা ও তীব্র হুল ফোটানোর মত ব্যথা। এর সাথে রোগীর রাক্ষসে ক্ষুধা থাকে।

5. *Ustilago* – অতিরিক্ত মাসিক রক্তপাত সহ জরায়ুর টিউমার।জরায়ুতে সর্বদা একটা যাতনা বোধ।
জরায়ু থেকে অবিরত চুইয়া চুইয়া পাতলা কালো রঙের রক্তস্রাব হতে থাকে।

---এছাড়াCalc flour, Conium, Phosphorus, Silicea,Medorrhinum
ইত্যাদি মেডিসিন তাদের লক্ষণ অনুসারে আসতে পারে।

📝 পরামর্শ:
জরায়ু টিউমার স্থায়ীভাবে আরোগ্য করতে হলে মেসেঞ্জারে যোগাযোগ করুন।

*জন্ডিস* (Jaundice) হলো এমন একটি অবস্থা, যেখানে রক্তে *বিলিরুবিন* নামক পদার্থের পরিমাণ বেড়ে গেলে *ত্বক, চোখের সাদা অংশ ও...
13/12/2025

*জন্ডিস* (Jaundice) হলো এমন একটি অবস্থা, যেখানে রক্তে *বিলিরুবিন* নামক পদার্থের পরিমাণ বেড়ে গেলে *ত্বক, চোখের সাদা অংশ ও প্রস্রাব হলুদ হয়ে যায়*। রক্তে এই বিলিরুবিন এর মাত্রা বেড়ে যাওয়া হল জন্ডিস।

✅ জন্ডিসের প্রধান লক্ষণ:

- চোখ ও ত্বক হলুদ হয়ে যাওয়া
- গা দুর্বল লাগা
- বমি ভাব বা খাবারে অরুচি
- প্রস্রাব হলুদ (গাঢ়)
- হালকা রঙের পায়খানা
- জ্বর (কখনো)
- পেটের ডান পাশে ব্যথা

✅ কারণ:

1. *লিভার ইনফেকশন বা হেপাটাইটিস (A, B, C, ইত্যাদি)*
2. *ফ্যাটি লিভার বা লিভার সিরোসিস*
3. *বিলিরুবিন নিষ্কাশনে বাধা (যেমন: পিত্তনালীতে পাথর)*
4. *রক্ত কোষ ভেঙে যাওয়া (Hemolysis)*
5. *মেডিসিনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া*

--✅ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা:

1. *Chelidonium Majus* – চোখ হলুদ, ডান পাশে ব্যথা, তিক্ত স্বাদ
2. *Carduus Marianus* – লিভার ও পিত্তজনিত সমস্যা . লিভার স্থানে তীব্র ব্যথা, চাপ দিলে ব্যথা। পুরাতন জন্ডিসে খুব ভালো কাজ করে।
3. *Natrum Sulphuricum* – জন্ডিসের পর বারবার অসুস্থ হওয়া । জলজ শাক সবজি পেটে সহ্য হয় না।সহজেই ঠান্ডা সর্দি কাশি লেগে থাকে।
4. *Nux Vomica* – মদ্যপান বা অতিরিক্ত ওষুধ সেবনের পর জন্ডিস ।
5. *China Officinalis* – রক্তশূন্যতা ও দুর্বলতা সহ জন্ডিস
6* merc sol-- জন্ডিস রোগে মার্কসল চমৎকার ওষুধ।

09/12/2025

★🅰️ অক্ষরে ৫০টি হোমিও ঔষধ ও কাজ

1. Aconitum Napellus – হঠাৎ ভয়, শীতল বাতাসে সর্দি, উচ্চ জ্বর

2. Agaricus Muscarius – স্নায়বিক কম্পন, কাঁপুনি, ঠান্ডায় সমস্যা

3. Agnus Castus – যৌন দুর্বলতা, টেস্টোস্টেরন কম, মানসিক অবসাদ

4. Allium Cepa – পানির মত নাক দিয়ে সর্দি, কাশি

5. Allium Sativum – হজম সমস্যা, গ্যাস, রক্তচাপ

6. Aloe Socotrina – পাইলস, পাতলা পায়খানা, গ্যাস

7. Alumina – কোষ্ঠকাঠিন্য, চর্মরোগ, মানসিক বিভ্রান্তি

8. Ambra Grisea – নার্ভাসনেস, অনিদ্রা, বার্ধক্যজনিত সমস্যা

9. Ammonium Carbonicum – হাঁপানি, দুর্বলতা, শ্বাসকষ্ট

10. Ammonium Muriaticum – সর্দি, কাশি, লিভারের সমস্যা

11. Anacardium Orientale – দুর্বল স্মৃতি, দ্বিধাগ্রস্ত মন, অবসাদ

12. Anacardium Occidentale – চর্মরোগ, একজিমা

13. Antimonium Crudum – বদহজম, মুখে সাদা আস্তর, ফুসকুড়ি

14. Antimonium Tartaricum – শ্বাসকষ্ট, ফুসফুসে কফ জমা, হাঁপানি

15. Apis Mellifica – ফোলা, অ্যালার্জি, ইউরিনারি সমস্যা

16. Apocynum Cannabinum – ফোলা, জল জমা, কিডনির সমস্যা

17. Aralia Racemosa – হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট, কাশি

18. Aranea Diadema – ম্যালেরিয়া টাইপ জ্বর, দুর্বলতা

19. Argentum Metallicum – গলার সমস্যা, কণ্ঠস্বর বসা

20. Argentum Nitricum – ভীতি, উদ্বেগ, ডায়রিয়া, গ্যাস

21. Arnica Montana – আঘাত, ব্যথা, ফোলা, দুর্ঘটনা পরবর্তী শক

22. Arsenicum Album – খাদ্যে বিষক্রিয়া, ডায়রিয়া, উদ্বেগ

23. Arsenicum Iodatum – শ্বাসকষ্ট, ব্রংকাইটিস, দুর্বলতা

24. Arum Triphyllum – গলা ব্যথা, কণ্ঠস্বর বসা, সর্দি

25. Asafoetida – গ্যাস, হজমের সমস্যা, স্নায়বিক রোগ

26. Asarum Europaeum – মাথা ঘোরা, কান বাজা, স্নায়বিক দুর্বলতা

27. Asclepias Syriaca – ঘাম, ইউরিন কম হওয়া, শ্বাসকষ্ট

28. Asclepias Tuberosa – বুক ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, ফুসফুসের সমস্যা

29. Asterias Rubens – ব্রেস্ট টিউমার, স্নায়বিক সমস্যা

30. Atropinum Sulphuricum – চোখের সমস্যা, উচ্চ জ্বর, খিঁচুনি

31. Aurum Metallicum – হতাশা, বিষণ্ণতা, হৃদরোগ

32. Aurum Muriaticum Natronatum – জরায়ু ও ডিম্বাশয়ের টিউমার

33. Aurum Arsenicosum – হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, উদ্বেগ

34. Abrotanum – শিশুদের দুর্বলতা, মাড়ি ও হাড়ের সমস্যা

35. Absinthium – মৃগী রোগ, স্নায়বিক ব্যাধি

36. Acetic Acid – ডায়রিয়া, দুর্বলতা, রক্তশূন্যতা

37. Actaea Racemosa (Cimicifuga) – নারীদের মাসিক সমস্যা, মানসিক ভীতি

38. Adonis Vernalis – হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা, প্রস্রাব কম হওয়া

39. Aesculus Hippocastanum – পাইলস, কোমরের ব্যথা

40. Aethusa Cynapium – শিশুদের বমি, দুধ হজম না হওয়া

41. Ailanthus Glandulosa – টাইফয়েড, ফুসকুড়ি

42. Alstonia Scholaris – ডায়রিয়া, ম্যালেরিয়া জ্বর

43. Anemone Pulsatilla (Pulsatilla) – সর্দি, মাসিকের সমস্যা, মানসিক কান্না

44. Anthracinum – অ্যানথ্রাক্স জাতীয় চর্মরোগ

45. Antipyrinum – অ্যালার্জি, চুলকানি, জ্বর

46. Aranea Scinencia – অজানা জ্বর, দুর্বলতা

47. Aristolochea – চর্মরোগ, একজিমা

48. Asarum Canadense – মাথা ব্যথা, স্নায়বিক উত্তেজনা

49. Asparaginum – কিডনির সমস্যা, প্রস্রাব কম হওয়া

50. Atropa Belladonna (Belladonna) – উচ্চ জ্বর, লাল চোখ, হঠাৎ ব্যথা

⭐ রোজা রেখে ওজন কমাতে চান?এই নিন ৭ দিনের ইফতার + রাতের খাবারের চার্ট( Fat-loss Friendly Meal Plan )🌙 সেভ করে রাখুন, কাজে...
07/12/2025

⭐ রোজা রেখে ওজন কমাতে চান?

এই নিন ৭ দিনের ইফতার + রাতের খাবারের চার্ট
( Fat-loss Friendly Meal Plan )
🌙 সেভ করে রাখুন, কাজে লাগবে!

🌙 সেহরি সাজেশন:

✔ শুধু ৩–৫টি খেজুর + পানি — একদম ঠিক।
✔ চাইলে ১টা সেদ্ধ ডিম/দই নিলে সারাদিন ক্ষুধা কম লাগবে।



🗓️ Day 1

ইফতার: 🥤 পানি • 🍃 খেজুর • 🥚 সেদ্ধ ডিম • 🥗 সালাদ • 🍋 লেবু পানি
রাতের খাবার: 🍗 গ্রিল্ড চিকেন • 🥬 সবজি • 🫘 ডাল



🗓️ Day 2

ইফতার: 🥤 পানি • 🍃 খেজুর • 🫘 ছোলা • 🥗 সালাদ • 🍊 কমলা
রাতের খাবার: 🐟 বেক ফিশ • 🥬 সবজি • 🍚 ভাত ½ কাপ



🗓️ Day 3

ইফতার: পানি • খেজুর • 🍳 অমলেট (অল্প তেলে) • 🥒 সালাদ
রাতের খাবার: 🍲 ডাল + ভেজি • 🍗 চিকেন স্ট্রিপস



🗓️ Day 4

ইফতার: পানি • খেজুর • 🫘 ঘুগনি/কালাই ডাল • 🥒 শসা–গাজর
রাতের খাবার: 🥗 বড় বাটি সালাদ • 🥚 ডিম ২টি



🗓️ Day 5

ইফতার: পানি • খেজুর • 🍲 ভেজিটেবল স্যুপ • সালাদ • লেবু পানি
রাতের খাবার: 🐟 গ্রিল্ড ফিশ • 🥬 সবজি • 🍚 ভাত ½ কাপ / রুটি ১টি



🗓️ Day 6

ইফতার: পানি • খেজুর • 🥚 সেদ্ধ ডিম • 🫘 ছোলা • 🥒 সালাদ
রাতের খাবার: 🍗 চিকেন স্টেক • 🥦 সবজি • 🍲 অল্প ডাল



🗓️ Day 7

ইফতার: পানি • খেজুর • 🍉 ফল ১ কাপ • 🥗 সালাদ
রাতের খাবার: 🍲 ভেজ স্যুপ + 🥚 ডিম ২টি
অথবা 🍗 গ্রিল্ড চিকেন (ছোট ১ পিস)



🔥 ওজন কমানোর গোল্ডেন রুলস

✔ ভাজাপোড়া কমান
✔ চিনি/কোল্ড ড্রিঙ্ক বাদ
✔ ইফতারের পরে ২০–৩০ মিনিট হাঁটা 🚶‍♂️
✔ পানি ২–২.৫ লিটার
✔ ডিনার রাত ৯টার মধ্যে

29/11/2025

❝স্ক্যাবিসে সালফার/ব্যালসামাম পেরু/ ল্যাভেন্ডার অয়েল বাহ্যিক প্রয়োগ সাপোর্ট করতেঃ ডা. জার, ডা. বুয়র, ডা. হিউজেস, ডা. বার্নেট, ডা. ক্লার্ক অন্যতম❞।

★★থুজা অক্সিডেন্টালিস রোগীর স্বভাব ও মন ★★১)★দুর্বল স্মৃতি শক্তি। সবকিছু ভুলে যায়। ২★রোগী খুব ধীরে ধীরে কথা বলে। মনে হয...
16/11/2025

★★থুজা অক্সিডেন্টালিস রোগীর স্বভাব ও মন ★★
১)★দুর্বল স্মৃতি শক্তি। সবকিছু ভুলে যায়।
২★রোগী খুব ধীরে ধীরে কথা বলে। মনে হয়, সে যেন শব্দ খুঁজে বের করছে।
৩)★শান্ত ও সংযত স্বভাবের। চঞ্চলতাহীন, উচ্ছ্বাসহীন।
কোন কিছু প্রকাশ করতে চায় না, গোপন স্বভাবের ।
৪)★গান বাজনা অসহ্য। গান শুনলে তার কান্না পায়।
৫)★সঙ্গী সাথী পছন্দ করে না তাই খুব বেশি বন্ধুবান্ধব নেই।
৬)★থুজার রোগীর কিছু বদ্ধমূল ধারনা থাকে —–
*তার শরীর এবং আত্মা পৃথক। মনে করে একজন অপরিচিত লোক তার কাছে রয়েছে।
* হাত পা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সব যেন কাঁচের তৈরি, নড়াচড়া করলেই ভেঙে যাবে।
*পেটের মধ্যে জীবন্ত কোন প্রাণী রয়েছে সে নড়াচড়া
করছে।
*সে কোন দৈব শক্তির দ্বারা চালিত হচ্ছে।

আজীবন শিক্ষার্থী হও।--------------মানুষের জীবনের সবচেয়ে প্রজ্ঞাময় ও হৃদয়স্পর্শী সত্য হলো, তাকে মৃত্যুর শেষ মুহূর্ত পর্যন...
07/11/2025

আজীবন শিক্ষার্থী হও।
--------------

মানুষের জীবনের সবচেয়ে প্রজ্ঞাময় ও হৃদয়স্পর্শী সত্য হলো, তাকে মৃত্যুর শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত শিক্ষার্থী হয়ে থাকতে হবে। যে ব্যক্তি নিজের মন ও মস্তিষ্কের দরজা বন্ধ করে দেয়, নতুন কোনো ভাবনা বা আবিষ্কারকে “বিদআত” বা বিচ্যুতি বলে প্রত্যাখ্যান করে, আর প্রতিটি বিষয়ে শুধু চূড়ান্ত মত বা অনুসারীদের বইকেই মান্য মনে করে, সে আসলে মহান আল্লাহর দান—বুদ্ধি ও বিবেচনাশক্তির অবমূল্যায়ন করছে।

বুদ্ধি ও চিন্তা এমন এক মহামূল্যবান সম্পদ, যা কেবল অনুসন্ধান, গবেষণা ও গভীর মননচর্চার মাধ্যমে অর্জন করা যায়। জ্ঞানের ক্ষেত্র এক সীমাহীন সমুদ্র, যার ঢেউ চলে যুক্তি ও প্রমাণের তরীতে ভর করে। পৃথিবী যদি মিলেমিশে যুক্তিহীন কথা বলে, তবে সেটি স্পষ্ট ভ্রান্তি; কিন্তু একজন মানুষও যদি যুক্তির প্রদীপ হাতে পথ চলে, তবে সে-ই সত্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত, সে-ই সত্যবাদীদের দলের অন্তর্ভুক্ত, এবং সে-ই প্রকৃত জ্ঞানতান্ত্রিক মনোভাবের প্রতীক।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে যারা পাঠ সমাপ্ত করে বের হয়, তাদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো—তারা নিজেদের পূর্ণাঙ্গ শিক্ষিত ভেবে বসে। ইসলামী চিন্তার মুরব্বি হযরত মাওলানা সাইয়্যিদ আবুল হাসান আলী নদভী (রহ.) বলতেন:
“ফারিগ হওয়া মানে জ্ঞানের পরিপূর্ণতা নয়, বরং এটি কেবল সেই চাবি যা তোমাকে প্রদান করা হয়েছে।”
এই চাবিই তোমাকে নতুন দরজা খুলতে আহ্বান জানায়, অজানা প্রান্তরে পা বাড়াতে সাহস দেয়, এবং মনে করিয়ে দেয়, জ্ঞান অন্বেষণের পথ কোনোদিন থেমে থাকে না। যদি কোনো শিক্ষার্থী এই চাবির যথার্থ ব্যবহার না করে, তবে সে নিজের জ্ঞানের আসল শক্তি থেকে বঞ্চিত থাকে এবং মানসিক ও আত্মিক স্থবিরতার শিকার হয়।

যখন আমি অক্সফোর্ডে আসি, হযরত মাওলানা (রহ.) আমাকে উপদেশ দিয়েছিলেন:
“তোমার মস্তিষ্ক কখনো বন্ধ করো না। পশ্চিমাদের কাছ থেকে যথাসম্ভব শিক্ষা গ্রহণ করো, কারণ এ জ্ঞানের মাধ্যমেই তুমি তাদের মোকাবিলার যোগ্য হতে পারবে।”
আমি যথাসাধ্য তাঁর উপদেশ বাস্তবায়নের চেষ্টা করেছি। গবেষক ও পণ্ডিতদের সেমিনারে অংশ নিয়েছি, তাদের গ্রন্থ অধ্যয়ন করেছি, এবং জ্ঞানচর্চার বিতর্ক ও আলোচনা সভাগুলোতে উপস্থিত থেকেছি। এই প্রক্রিয়া আমার অন্তর থেকে ভীতিবোধ ও পক্ষপাতিত্ব দূর করেছে। আমি উপলব্ধি করেছি—প্রতিটি জাতির কাছে রয়েছে মূল্যবান অভিজ্ঞতা ও আলোকিত চিন্তা, যা প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জানা ও শেখা উচিত।

জ্ঞান নামের এই অসীম সমুদ্র সমগ্র মানবজাতির জন্য এক যৌথ ভান্ডার। যে শিক্ষার্থী এই ভান্ডার থেকে বঞ্চিত থাকে, সে অন্ধকারে আবদ্ধ থেকে যায়।

এই অনুসন্ধান ও শিক্ষার প্রেরণা ইতিহাসের পূর্ব-পশ্চিমের মহান চিন্তাবিদদের জীবনে উজ্জ্বলভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। ইমাম আবু হানিফা (রহ.) সবসময় তাঁর শিক্ষকদের আসরে বসতেন। ইমাম শাফেয়ী (রহ.) মক্কা, মদিনা, ইয়েমেন ও মিশরের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে জ্ঞানের সন্ধানে সফর করেছেন, গবেষণা ও অধ্যয়নের আগুনে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন।

ইমাম বুখারী (রহ.) হাজার হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়েছেন, কঠিন দারিদ্র্য ও বিপদ সহ্য করে প্রতিটি হাদিসের সত্যতা যাচাই করেছেন, এবং পুরো জীবন উৎসর্গ করেছেন জ্ঞানসেবায়। তাঁদের এই ত্যাগ ও অধ্যবসায়ই প্রমাণ করে, জ্ঞান অর্জনের পথে ধৈর্য, কষ্ট ও নিবেদন অপরিহার্য।

পরবর্তী যুগে শাহ ওলিউল্লাহ দেহলভী (রহ.)ও একই পথ অনুসরণ করেন। নিজ উচ্চ বিদ্যাবুদ্ধির পরেও তিনি নিরবচ্ছিন্ন অধ্যয়ন, গবেষণা ও চিন্তার নবীকরণে নিমগ্ন ছিলেন। তিনি হিজাজ সফর করেন, হারামাইন শরিফাইনের আলেমদের কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেন, এবং মুসলিম উম্মাহর বুদ্ধিবিভ্রাট দূরীকরণে জীবন উৎসর্গ করেন। তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ বৈশিষ্ট্য ছিল, তিনি কখনো নিজের জ্ঞানে গর্বিত হননি; বরং সর্বদা শেখার ও বোঝার জন্য প্রস্তুত থেকেছেন।

পাশ্চাত্যের প্রজ্ঞাবানরাও এই নীতির অনুসারী ছিলেন। সক্রেটিস বলেছিলেন,
“আমি জানি যে আমি কিছুই জানি না।”
এই বিনয়ই তাঁকে দর্শনের জনক করেছে। তাঁর শিষ্য প্লেটো এবং পরবর্তীতে এরিস্টটল যুক্তি, পর্যবেক্ষণ ও প্রশ্নের ওপর জ্ঞানের ভিত্তি স্থাপন করেন। শতাব্দী পরে আইজ্যাক নিউটন যখন গতির ও মহাকর্ষের সূত্র আবিষ্কার করেন, জীবনের শেষ প্রান্তে বলেন,
“আমি তো সমুদ্রতীরে খেলা করা একটি শিশু মাত্র; সত্যের বিশাল সাগর এখনো আমার সামনে।”
আলবার্ট আইনস্টাইনও মৃত্যুর আগ পর্যন্ত গবেষণা ও অনুসন্ধান অব্যাহত রেখেছিলেন। তিনি বলতেন,
“কল্পনাশক্তি জ্ঞানের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ; কারণ জ্ঞান সীমিত, কিন্তু কল্পনা অসীম।”

এই সব উদাহরণ আমাদের শেখায়, সবচেয়ে বড় আলেম ও চিন্তাবিদ তারা-ই, যারা সারাজীবন শিক্ষার্থী থেকেছেন। তাঁরা জ্ঞানকে ইবাদতের মর্যাদা দিয়েছেন, অনুসন্ধান ও গবেষণাকে জীবনের লক্ষ্য বানিয়েছেন, এবং অধ্যয়ন ও পরিশ্রমের কষ্ট কখনো এড়িয়ে যাননি। তাঁরা দেখিয়েছেন, জ্ঞান অর্জনের পথ সহজ নয়; এটি ধৈর্য, পরিশ্রম ও অবিচলতার দাবি রাখে।

আজকের যুগে, যখন ডিগ্রিকেই জ্ঞান এবং সনদকেই প্রজ্ঞার পরিচয় মনে করা হয়, তখন প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য এ শিক্ষা অত্যন্ত জরুরি যে, জ্ঞানার্জনের যাত্রা কখনো শেষ হয় না।
সত্যিকার জ্ঞান হলো বিনয়, প্রশ্ন, গবেষণা ও অনুসন্ধানের সমন্বয়। যে হৃদয়ে শিক্ষার তৃষ্ণা নিভে যায়, তা ভারাক্রান্ত হয়ে পড়ে; আর যে মস্তিষ্ক অনুসন্ধানের আলো থেকে বঞ্চিত হয়, তা অন্ধকারে বন্দী হয়ে যায়।

নিশ্চয়ই, যে মানুষ সারাজীবন শিক্ষার্থী হয়ে থাকে, সে কখনো বার্ধক্যে পৌঁছায় না; আর যার হৃদয়ে অনুসন্ধানের আলো জ্বলে, সে চিরজীবী হয়ে থাকে। যে ব্যক্তি জ্ঞানের এই অনন্ত সাগরে নিমগ্ন থাকে, সে পার্থিব জীবনের ক্ষণস্থায়ী আলো-ছায়ার ঊর্ধ্বে উঠে আত্মিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক উচ্চতায় পৌঁছে যায়। সে প্রতিটি মুহূর্তে নিজের জ্ঞানকে শাণিত করে, এবং তার আলোয় নিজের মন ও মস্তিষ্ককে উদ্ভাসিত রাখে।

এই পঙক্তিগুলো প্রতিটি নিষ্ঠাবান শিক্ষার্থীর উৎসাহ ও অনুপ্রেরণার জন্য লেখা হয়েছে।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবার প্রতি দয়া করুন, আমাদের উপকারী জ্ঞান দান করুন, এবং আমাদের সৎ ও পরহেজগার বানান।

--------------------

মূল : ড. মুহাম্মদ আকরাম নাদভী, অক্সফোর্ড।

Address

Mirpur
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Rimu Akter Mariam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category