Tiens in Bangladesh

Tiens in Bangladesh Our page provides Health Tips. If you are having any health problems you can share with us.

অসাধারন কিছু টিপস যা সবসময় আপনার উপকারে আসবে :--১। চুলকানি জাতীয় চর্মরোগে নিমপাতা ও কাঁচা হলুদ বেটে গোসলের আধা ঘন্টা পূ...
21/08/2017

অসাধারন কিছু টিপস যা সবসময় আপনার উপকারে আসবে :-
-
১। চুলকানি জাতীয় চর্মরোগে নিমপাতা ও কাঁচা হলুদ বেটে গোসলের আধা ঘন্টা পূর্বে লাগালে ভাল হবে।
২। রক্ত আমাশয়ে ডুমুর গাছের শিকড়ের রস দিনে দু'বার খান।
৩। দাঁতের গোড়ায় ব্যথা হলে আক্রান্ত স্থানে সামান্য হলুদ লাগিয়ে দিন।
৪। দাঁতের মাড়িতে ক্ষত হলে বা দাঁত থেকে রক্ত পড়লে জামের বিচি গুড়ো করে দাঁত মাজলে উপকার পাবেন।
৫। ফোঁড়া হলে তা অনেক সময় না পেকে শক্ত দলার মত হয়ে যায়। কলমি শাকের কচি ডগা ও শিকড় একসঙ্গে বেটে ফোঁড়ার ওপর প্রলেপ দিয়ে দীর্ঘক্ষণ রেখে দিন। এতে ফোঁড়া পেকে যাবে।
৬। মচকে গিয়ে ব্যথা পেলে চালতা গাছের পাতা ও মূলের ছাল সমপরিমাণ একসঙ্গে বেটে হালকা গরম করে ব্যথার জায়গায় লাগালে উপকার পাওয়া যায়।
৭। ঠোঁটের দু'পাশে এবং মুখের ভেতরে অনেক সময় ঘায়ের মত হয়। গাব ফলের রসের সঙ্গে অল্প পানি মিশিয়ে কয়েকদিন মুখ ধুলে ঘা সেরে যায়।
৮। ডালসহ পুদিনা পাতা ৭/৮ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে সেই পানি ছেঁকে খেলে পেট ফাঁপা ভাল হয়।
৯। অনেকের গায়ে ঘামের দুর্গন্ধ হয়। বেল পাতার রস পানির সঙ্গে মিশিয়ে গা মুছলে তা কমে।
১০। মাথা ব্যথা হলে কালোজিরা একটা পুটলির মধ্যে বেঁধে শুকতে থাকুন; ব্যথা সেরে যাবে।
১১। কাশি হলে দুই টুকরো দারুচিনি, একটি এলাচি, ২টি তেজপাতা, ২টি লবঙ্গ ও সামান্য চিনি পানিতে ফুটিয়ে ছেঁকে নিন; হালকা গরম অবস্থায় এই পানি খেলে কাশি ভাল হবে।
১২। দাঁতের ব্যথায় পেয়ারা পাতা চিবালে ব্যথা উপশম হয়।
১৩। দই খুব ভাল এন্টাসিড হিসেবে কাজ করে৷ এসিডিটির সমস্যা শুরু হওয়া মাত্র তা কয়েক চামচ খেয়ে নিন।
১৪। গলায় মাছের কাঁটা আটকে গেলে অর্ধেকটা লেবু নিয়ে রস চুষে খেয়ে ফেলুন; কাঁটা নরম হয়ে নেমে যাবে।
১৫। ছুরি/দা/বটিতে হাত কেটে গেলে এক টুকরা সাদা কাগজ কাটা জায়গায় লাগান। রক্ত বন্ধ হবে।
১৬। শ্বাসকষ্ট কমাতে বাসক গাছের পাতা ও ছাল একসঙ্গে সেদ্ধ করে বেটে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন।
১৭। জিভে বা মুখে সাদা ঘা হলে পানির সঙ্গে কর্পূর গুলে দিনে ২ বার মুখ ধুয়ে নিন।
১৮। ঘুম ভাল হওয়ার জন্য ডালিমের রসের সঙ্গে ঘৃতকুমারীর শাঁস মিশিয়ে খেতে পারেন।

11/07/2017

নিয়মিত দাঁত মাজুন-যে সব শিশুরা দাঁত মাজেনা তাদেরকে ভিডিওটা দেখান

ভুল কেবলই ভুল - জেনে নিন, শেয়ার করুন১. ভুলঃ কোমর ব্যথা মানে কিডনি রোগ!নির্ভুলঃ কিডনি রোগে প্রস্রাব কমে যায়, খাওয়ার রুচ...
16/05/2017

ভুল কেবলই ভুল - জেনে নিন, শেয়ার করুন

১. ভুলঃ কোমর ব্যথা মানে কিডনি রোগ!
নির্ভুলঃ কিডনি রোগে প্রস্রাব কমে যায়, খাওয়ার রুচি কমে যায়, বমি বমি লাগে, মুখ ফুলে যায়!

২. ভুলঃ ঘন ঘন প্রস্রাব মানেই ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ!!
নির্ভুলঃ ডায়াবেটিস হলে প্রথম অনুভূতি হল- এতো খেলাম, তবুও কেন শক্তি পাইনা, এছাড়া ওজন কমে যায়, মুখে দুর্গন্ধ হয়, ঘা শুকাতে চায়না!

৩. ভুলঃ ঘাড়ে ব্যথা মানেই প্রেসার!
নির্ভুলঃ প্রেসার বাড়লে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোন উপসর্গ পাওয়া যায় না! একটু অস্বস্তিকর অনুভুতি হয় মাত্র।

৪. ভুলঃ বুকের বামে ব্যথা মানে হার্টের রোগ!
নির্ভুলঃ হার্টের রোগে সাধারণত বুকে ব্যথা হয় না। হলেও বামে নয়তো বুকের মাঝখানে ব্যথা হয়... হার্টের সমস্যায় সাধারণত বুকের মাঝখানে চাপ চাপ অনুভূতি হয়, মনে হয় বুকের মাঝখানটা যেন কেউ শক্ত করে ধরে আছে!!

৫. ভুলঃ মিষ্টি খেলেই ডায়াবেটিস হয়।
নির্ভুলঃ ডায়াবেটিস হরমোনাল অসুখ। অগ্ন্যাশয় ঠিকমত কাজ না করলে ডায়াবেটিস হয়। তাই মিষ্টি খাওয়ার সাথে এই রোগ হবার সম্পর্ক নেই। কিন্তু ডায়াবেটিস হয়ে গেলে মিষ্টি খেতে হয় না।

৬. ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে বেশি পানি খেলে পায়ে পানি আসে।
নির্ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে প্রোটিন কম খেয়ে, কার্বোহাইড্রেট বেশি খেলে পায়ে পানি আসে। তাই প্রোটিন বেশি বেশি খেতে হয়।

৭. ভুলঃ এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং করাকালীন বেবির (৬মাসের আগে পানিও খাওয়ানো যায় না একারণে) ডায়রিয়া হলে, মা স্যালাইন খেলেই বেবিরও চাহিদা পূরণ হয়ে যায়।
নির্ভুলঃ মা খেলেই বাচ্চার চাহিদা পূরণ হয় না... বেবিকেও স্যালাইন খাওয়াতে হয়।

৮. ভুলঃ দাঁত তুললে চোখের আর ব্রেইনের ক্ষতি হয়।
নির্ভুলঃ দাঁত তোলার সাথে চোখের আর ব্রেইনের কোনো সম্পর্ক নেই। দাঁত, চোখ, মাথার নার্ভ সাপ্লাই সম্পূর্ণ আলাদা।

৯. ভুলঃ মাস্টারবেশন করলে চোখের জ্যোতি কমে যায়!
নির্ভুলঃ ভিটামিন এ জাতীয় খাবার না খেলে চোখের জ্যোতি কমে যায়।

১০. টক/ ডিম/ দুধ খেলে ঘা দেরীতে শুকায়।
নির্ভুলঃ টক/ ডিমের সাদা অংশ/ দুধ খেলে ঘা তাড়াতাড়ি শুকায়।

১১. ভুলঃ অস্বাভাবিক আচরন, ভাংচুর, পাগলামি মানেই জ্বিন ভুতে ধরা!!!
নির্ভুলঃ এটা বাইপোলার ডিসঅর্ডার, সিজোফ্রেনিয়া, হ্যালুসিনেশন।

১২. ভুলঃ তালু কাটা, এক চোখ, কপালে চোখ, বাঘের মত ডোরাকাটা দাগ নিয়ে জন্ম গ্রহন করা বাচ্চা কিয়ামতের আলামত, আল্লাহর গজব, বাঘের বাচ্চা।
নির্ভুলঃ মানুষের পেট থেকে বাঘের বাচ্চা হয় না আর কিয়ামতের আলামত বা গজব বাচ্চাদের উপর আসে না। এসব জিনগত রোগ বা জন্মগত রোগ।

১৩. ভুলঃ প্রেগন্যান্ট মহিলা আয়রণ, ক্যালসিয়াম এসব খেলে বাচ্চা বড় হয়ে যায়। তাই গাইনী ডাক্তার সিজার করার জন্য এগুলা প্রেসক্রাইব করে....
নির্ভুলঃ প্রেগন্যান্ট মহিলা আয়রণ, ক্যালসিয়াম না খেলে গর্ভস্থ বেবির নিউরাল টিউব ডিফেক্ট হয়।

১৪. ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে সাদাস্রাব হলে ফ্লুইড কমে যায়।
নির্ভুলঃ White discharge এবং Amniotic fluid সম্পূর্ণ আলাদা দুটো ফ্লুইড.. একটার সাথে আর একটার কোনো সম্পর্ক নেই।

১৫. বাচ্চা না হওয়া মানেই বন্ধ্যা নারী।
নির্ভুলঃ বন্ধ্যা, নারী এবং পুরুষ উভয়ই হতে পারে।।
__________________________________________
এ ধরণের আরো অনেক ধরণের গুজব বা কুসংস্কার আমাদের সমাজে প্রচলিত, যেগুলোর কোনো ভিত্তি বা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই।
সৌজন্যেঃ ডাঃ রিফফাত করিম
********************************************
বিঃদ্রঃ আমাদের পোষ্টগুলো যদি আপনাদের ভাল লাগে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। আপনার যদি লিখতে কষ্ট হয় তাহলে সংক্ষেপে
T=Thanks
G=Good,
V=Very Good
E=Excellent
T, G, V কিংবা E লিখে কমেন্টস করবেন।
নিয়মিত স্বাস্থ্যতথ্য পেতে অামাদের পেইজে লাইক দিন৷
ভালো লাগলে শেয়ার করে অন্যদের জানান৷

16/01/2017

ওজন কমাতে কত কী না করেন! মেপে খাওয়া, তাড়াতাড়ি ঘুম, সকালে উঠে জিমে গা ঘামানো — অনেক কিছু। অনেক সময় তো আধপেটা খেয়ে খেয়ে থাকেন। তবুও পেট বাবাজি ন যযৌ, ন তস্থৌ। অনেক কিছুই তো করলেন, এটা ট্রাই করে দেখুন ফল পাবেন।

So here’s a list of the most important acupressure points for diabetes1. Palmpoint 1This acupressure point is a very imp...
27/07/2015

So here’s a list of the most important acupressure points for diabetes

1. Palm

point 1
This acupressure point is a very important one that is said to help controlling not only diabetes but also reduce headache and other ailments.The fleshy part of your palm that falls between your index finger and the thumb is where this acupressure point lies. Hold this point with the index finger and thumb of another hand for as long as 5 minutes and repeat on the other hand. This point controls heat in the body and also relieves problems of the large intestine.

2. Wrist-Hand

point 2
This acupressure point basically lies near the wrist.The side of the wrist where the little finger of your hand lies i.e the right side of your wrist on your left hand and the left side of your wrist on your right hand is where this point lies. Very closely connected to the heart, this point helps in controlling stress from the heart. Massage this point everyday for 5 minutes to have a stress free heart which will control your diabetes automatically.

3. Knees

knee-diabetes-point
Knees are very closely connected to the digestive system as a whole. Diabetes can be controlled to a large extent if the digestive system work properly. Massage both your knees with your fingers in clockwise and anticlockwise direction for 5 minutes everyday to help your body cut down on stomach and digestion problems.

4. Feet

feet-acupressure-point-toe
There are specific points on the feet that control problems like hypertension while treat diabetes as well as insomnia. This acupressure point lies on the front side of your foot, a little before your largest toe and the second toe. There is a joining point of both toes-measure 2 cms below that point and this acupressure point must be massaged for three to five minutes everyday to get your diabetes in control. Repeat on both feet.

5. Near the calf of your leg

knee-acupressure-point
This point is basically a little below the back part of your knee and above the calf of your leg. This acupressure point is connected to the urinary bladder which helps clearing impurities in the body. Problems regarding excess urination and others are common with diabetic people and applying pressure on this point for about three to five minutes shall help reducing such problems.

27/07/2015

Share

27/07/2015

Learn more Acupressure here: http://www.acupressure.com/ for relieving migraine headaches, mental stress, uptightness, frustration, irritability, stiffness, ...

এক টুকরো বরফ, সর্বরোগনাশক ওষুধ!সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক : সর্বরোগনাশক ওষুধ! এক টুকরো বরফ শরীরের একটি বিশেষ অংশে প্রয়োগ করলে ...
24/05/2015

এক টুকরো বরফ, সর্বরোগনাশক ওষুধ!

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক : সর্বরোগনাশক ওষুধ! এক টুকরো বরফ শরীরের একটি বিশেষ অংশে প্রয়োগ করলে অনেকটা সে রকমই কাজ করে। কি বিশ্বাস হচ্ছে না? প্রয়োগ করে দেখুন তার পর নিজেই বিশ্বাস করবেন।

মাথা এবং ঘাড়ের যেখানে সংযোগস্থল, ঠিক সেই বিন্দুতে দিনে মিনিট কুড়ি যদি এক টুকরো বরফ চেপে রাখেন তা হলে শরীরের একাধিক রোগ থেকে মুক্তি মিলতে পারে। একেবারে তুকতাক নয়। এর পিছনে খাঁটি বৈজ্ঞানিক কারণ রয়েছে। বিশেষত চীনে ব্যবহৃত আকুপাঙ্কচার পদ্ধতিতে যে ভাবে চিকিৎসা করা হয়, তার সঙ্গে এর বিশেষ মিল রয়েছে। আসুন দেখে নেওয়া যাক, এই পদ্ধতি কী ভাবে কাজ করে।

মেরুদণ্ড এবং মাথার খুলির সংযোগস্থলে হয়েছে ভার্টিব্রা বা সুশুন্মাকান্ড। যেখান থেকে শরীরের সমস্ত নার্ভ বা স্নায়ুগুলি মস্তিষ্কের সঙ্গে গিয়ে মিলেছে। সেই অংশটিতেই এক টুকরো বরফ চেপে রাখতে হবে। প্রথমে হয়তো একটু ঠান্ডা লাগবে, কিন্তু ৩০-৪০ সেকেন্ডের মধ্যে তা সয়ে যাবে এবং ওই নির্দিষ্ট স্থানে একটু গরমভাব অনুভব করবেন। এটা দেহের সমস্ত স্নায়ুকে চাপমুক্ত করতে সাহায্য করে। যার ফলে শরীরে এন্ডরফিন বা যাকে ‘হ্যাপি হরমোন’ বলা হয় তা নির্গত হয়ে রক্তে মেশে এবং সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। এতে কী হয়? এর একা লম্বা তালিকা রয়েছে। নিজেরাই দেখে নিন এই ছোট্ট পদ্ধতিতে দেহের কী কী রোগমুক্তি ঘটে:

১. ঘুম ভালো হবে

২. হজমশক্তি বাড়বে

৩. যাদের ঘনঘন ঠান্ডা লাগার বাতিক রয়েছে তারাও এর থেকে রেহাই পাবেন

৪. গাটের ব্যাথা, দাঁত এবং মাথা ব্যাথার সমস্যা থেকে আরাম পাওয়া যাবে

৫. নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস ভালো হবে, হার্টের ব্যারাম দূরে থাকবে

৬. নার্ভের সমস্যা থাকলে তার থেকেও আরাম পাওয়া যাবে

৭. যৌনরোগ এবং গ্যাস্ট্রোর সমস্যা থাকলে তার থেকেও রেহাই মিলবে

৮. থাইরয়েডের সমস্যা কমিয়ে দেবে

৯. হাইপার টেনশন, আর্থ্রাইটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে

১০. হাঁপানি দূরে থাকবে

১১. পুষ্টির অভাব বা অতিরিক্ত চর্বির সমস্যা থাকলেও তা কমাতে সাহায্য করে

১২. সেলুলাইট নষ্ট করে

১৩. মহিলাদের মাসিকের সমস্যা বা সন্তানধারণের অক্ষমতা দূর করতে সাহায্য করে

১৪. স্ট্রেস, ইনসমনিয়া, ক্লান্তির ভাব এবং সাইকো-ইমোশনাল ডিনঅর্ডার কাটাতে সাহায্য করে

যদি কেউ মনে করেন, এটা রোগের ওষুধ তা কিন্তু নয়। আসলে এই পদ্ধতি দেহকে সঠিক পর্যায়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে। তবে আগে থেকে যদি রোগ থেকে থাকে, তাহলে ওষুধের বিকল্প কখনই নয়।

অবশ্যই মনে রাখতে হবে স্কিজোফ্রেনিয়া, মৃগীরোগী, যারা পেসমেকার ব্যবহার করেন এবং গর্ভাবস্থায় এই পদ্ধতির প্রয়োগ থেকে বিরত থাকুন। এতে ফল বিপরীত হতে পারে।- ওয়েবসাইট

08/12/2014

দই খান ওজন কমান -
দইকে আমরা খুবই উপাদেয় এবং পুষ্টিকর খাবার হিসাবে চিনি।দুগ্ধ জাতীয় খাবারের মধ্যে একমাত্র দই আপনাকে দেবে ক্যালসিয়াম এবং প্রোটিনের অফুরন্ত যোগান। কিন্তু সুস্বাস্থ্য ধরে রাখতে এবং ওজন কমাতে দইয়ের অনন্য ভূমিকার কথা আমরা যদি জানতাম তাহলে প্রতিদিন অন্তত এক বাটি করে দই অনায়েসে সাবার করে ফেলতাম। মেদ কমাতে দইয়ের ভূমিকা বর্তমান যুগে বিজ্ঞানসম্মত ভাবে প্রমাণিত, বিশেষ করে পেটের মেদ কমাতে এটি সবচেয়ে বেশি কার্যকরী।
সুন্দর পেটের জন্য দই:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব তিনিসি এর গবেষক প্রফেসর মাইকেল এর মতে, আপনি প্রতিদিন আড়াইশ গ্রাম দই খেতে পারলে এক মাসের মধ্যে কোমড়ের মাপ এক ইঞ্চি কমিয়ে ফেলতে পারবেন। গবেষণায় আরো দেখা গেছে যারা ডায়েট কন্ট্রল করেন তাদের তুলনায় যারা নিয়মিত দই খান তাদের ২২% পুরো শরীরের ওজন এবং পেটের মেদ ৮১% বেশি কমে যায়! সত্যিই অবাক করা তাই না?
যাদের ওজন বেশি তাদের শরীরের ফ্যাট কোষ থেকে কর্টিসল নামক একটি হরমোন তৈরী হয়। এটি কোমড় এবং পেটের চারপাশে আরো ফ্যাট জমতে উদ্বুদ্ধ করে। দইয়ে আছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম, যা কর্টিসল তৈরী হতে বাধা দেয়। এর অ্যামিনো এসিড ফ্যাট বার্ণ করে আপনার শরীরের ওজন কমাতে যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করে।
এছাড়া আপনি দইয়ের মধ্যে পাচ্ছেন প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এবং মিনারেল যেমন ফসফরাস, পটাসিয়াম, রিবোফ্লাভিন, ভিটামিন বি৫, বি১২ সহ আরো অনেক অত্যাবশ্যকীয় উপাদান, যেগুলো অন্যান্য খাবার থেকে পেতে হলে আপনাকে প্রচুর পরিমান ক্যালরি গ্রহন করতে হতো। কিন্তু দইয়ে এসবই আপনি পাচ্ছেন অনেক কম ক্যালরি গ্রহন করে।
তাহলে আর দেরি কেন দইয়ের হাঁড়ি নিয়ে এক্ষুনি বসে পরুন।

লম্বা হতে চাই।কিভাবে আরো লম্বা হবো? এমন অনেকপ্রশ্ন অনেকের। তাই তাদের জন্য এইপোস্টঃ ছেলে বা মেয়ে সবার মনের বাসনা একই।যার...
08/12/2014

লম্বা হতে চাই।
কিভাবে আরো লম্বা হবো? এমন অনেক
প্রশ্ন অনেকের। তাই তাদের জন্য এই
পোস্টঃ ছেলে বা মেয়ে সবার মনের বাসনা একই
।যারা বেশ ভালই লম্বা তাদেরও মনে হয়
আরও ১-২ ইঞ্চি লম্বা হতে পারলে বেশ
ভাল মানাত!আসলে আপনি কতটুকু
লম্বা হবেন তা আপনার বংশগতি থেকেই
নির্ধারিত হয়।তবে একথাও ঠিক আপনার পূর্বপুরুষেরা লম্বা হলেও
আপনি যদি অপুষ্টিতে ভোগেন
তবে আপনার বৃদ্ধি ঠিকমত হবে না।আর
মানুষের দেহের বৃদ্ধি ঘটে ২৫ বছর বয়স
পর্যন্তই।তাই কিশোরকাল থেকেই এ
ব্যাপারে লক্ষ্য রাখতে হবে। তিনটি জিনিসের সমন্বয়
লম্বা হতে সাহায্য করবে-
১.পুষ্টিকর খাবার
২.নিয়মিত ব্যয়াম
৩.পর্যাপ্ত বিশ্রাম কি কি থাকতে হবে খাবার তালিকায়: *মিনারেলস:
পর্যাপ্ত পরিমান বিভিন্ন রকমের
মিনারেল আমাদের খাবার তালিকায়
রাখতে হবে।আমাদের
দেহে প্রতিটি কাজে মিনারেলের
ভূমিকা রয়েছে ।হাড়ের গঠন ও বৃদ্ধিতে মিনারেল একান্ত প্রয়োজনীয়
উপাদান।বিষেশভাবে ক্যালসিয়াম ও
ফসফরাস যেন পরিমান মত গ্রহন করা হয়
তা লক্ষ্য রাখতে হবে। দুধ ও দুগ্ধজাত
খাবার, ছোট মাছ,খেজুর,বাধাক
পি,ফুলকপি, ব্রোকলি,পালং শাক, পুই শাক ইত্যাদিতে ভাল পরিমান ক্যালসিয়াসম
আছে।দুগ্ধজাত খাবার,মাছ, মাংস,
এমনকি সবজিতেও ফসফরাস আছে।আয়রন
পাওয়া যায় খেজুর, ডিমের
কুসম,কলিজা,পরুর মাংসে।ম্যাগনেসিয়াম
আছে আপেল, জাম্বুরা, ডুমুর,লেবু ইত্যাদিতে।জিন্ক পাওয়া যায় ডিম,
সূর্যমূখীর বীচিতে। *ভিটামিন :
আমাদের প্রয়োজনীয় সব রকমের
ভিটামিনই বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি ও
ফল থেকে পাওয়া যায়।কিন্তু খাবারের
ভিটামিন দেহে কতটুকু গৃহিত
হচ্ছে তা বোঝা বেশ কঠিন। তাই বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি ও ফল খাওয়ার অভ্যাস
গড়ে তুলুন।Vitamin B-1
আছে চীনা বাদাম,লাল চাল,গমে। Vitamin
B-2 আছে মাছ, ডিম, দুধে। Vitamin B-6
রয়েছে বাধাকপি, কলিজা, গরুর মাংসে।
Vitamin D পাওয়া যায় মাছের তেল, দুগ্ধজাত খবার থেকে।Vitamin E আছে ডিম,
সয়াবিন, গমে। Vitamin A আছে ডিমের কুসুম,
গাজর,দুধ ,কলিজায়। *প্রোটিন:
হাড়ের বৃদ্ধির সাথে সাথে মাংস
পেশীরও বৃদ্ধি পেতে হবে লম্বা হওয়ার
জন্য।আর মাংস পেশির বৃদ্ধি ও মজবুত হওয়ার
জন্য প্রয়োজন প্রোটিন।খাবার তালিকায়
ভাল মানের প্রোটিন যেমন- মাছ, মাংস, ডিম রাখুন।বিভিন্ন রকমের ডাল,মটরশুটি,
সীমের বীচি, কাঠালের
বীচি ইত্যাদি থেকেও প্রোটিন
পাওয়া যায়।খাবার তালিকায়
সয়া প্রোটিন,বিভিন্ন রকমের প্রোটিন
সেইক যোগ করতে পারেন। *কার্বোহাইড্রেট:
অনেকেই লম্বা হওয়ার জন্য
কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট জাতীয় খাবার
বেশী পরিমানে গ্রহন করে থাকেন।
অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি যে,
বেশী পরিমান কার্বোহাইড্রেট লম্বা হওয়াকে বাধাগ্রস্থ করে।কারণ
বেশী পরিমান কার্বোহাইড্রেট গ্রহন
মানে রক্তে বেশী পরিমান গ্লুকোজ।এর
ফলে ইনসুলিন নামক হরমোনও নিঃসৃত
হবে বেশী।এবং ইনসুলিন দেহের গ্রোথ
হরমনের কার্যকারীতা কমিয়ে দেয়।তাই খাবার তালিকায় লাল আটা, লাল চাল,
ওট ইত্যাদি রাখুন ময়দা, সাদা আটা, পলিশ
চালের পরিবর্তে। * পানি:
পর্যাপ্ত পরিমান পানি পান করতে হবে ,
প্রায় ১.৫ থেকে ২ লিটার দৈনিক। যেসব কারণে লম্বা হওয়া বাধা পায়: ১.ঘুমের অভাব- দৈনিক ৮ ঘন্টা ঘুমের
অভ্যাস তৈরী করুন।
২.খেলা-ধূলা না করা-বাস্কেট
বল,ভলি বল খেলার অভ্যাস গড়ে তুলুনঅ কিছু
stretching exercises ও করতে হবে। যারা নতুন
শুরু করছেন তারা প্রথমে অল্প কিছু stretch ups, এর পর দড়ি লাফ, এর পর অন্যান্য ব্যায়াম
শুরু করুন।
৩.অপুষ্টি- পুষ্টিকর ও সুষম খাবার অভ্যাস
গড়ে তুলুন।
৪.posture ঠিক না থাকা - এ
ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপিষ্টের সাহায্য নিতে হবে। ত্যাগ করতে হবে: মদ্যপান ও ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ
করতে হবে। কারণ এগুলো দেহের
হরমোনের ব্যালান্স নষ্ট করে।

06/07/2014
24/06/2014

An arthritis drug has been used to cure a man who was almost completely bald from alopecia universalis.

Tofacitinib citrate was used to treat the 25-year-old who had lost most of his hair after getting alopecia – a disease there is currently no long-term treatment or cure for.

The man had not grown hair for seven years. However, after being treated with the arthritis drug for just three months, he had regrown a head of hair, eyebrows, eyelashes, some facial hair and armpit hair.

Alopecia universalis occurs in approximately one in every 200,000 people. It is thought to be an auto immune disorder and can affect anyone at any age.

Senior author of the study Brett A King, a dermatologist from Yale University School of Medicine, said: "The results are exactly what we hoped for. This is a huge step forward in the treatment of patients with this condition.

"While it's one case, we anticipated the successful treatment of this man based on our current understanding of the disease and the drug. We believe the same results will be duplicated in other patients, and we plan to try."

As well as alopecia, the man was also diagnosed with plaque psoriasis, a condition that meant he had red scaly areas of skin.

Researchers decided to try treating him with tofacitinib – an FDA approved drug for rheumatoid arthritis – as it had been successful used to treat psoriasis on humans in the past. It had also reversed alopecia areata, a less extreme form of the disease, in mice.

King thought the drug might address both diseases simultaneously. After two months of being treated with tofacitinib, the man's psoriasis had started to improve and he had started to grow hair. After three months, he had grown a full head of hair.

Study co-author Brittany G Craiglow said: "By eight months there was full regrowth of hair. The patient has reported feeling no side effects, and we've seen no lab test abnormalities, either."

Published in the Journal of Investigative Dermatology, the authors say this is the first reported case of a successful targeted treatment of alopecia universalis.

"There are no good options for long-term treatment of alopecia universalis," King said. "The best available science suggested this might work, and it has."

The drug treats alopecia by turning off the immune system's attack on hair follicles. The researchers have now submitted a proposal for a clinical trial of a cream form of tofacitinib for treatment of alopecia.

Address

34, Bir Uttamc. R. Dutta Road (Old. 26 Sonargaon Road). NAHAR Plaza, Hatirpool, Dhaka_1000
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tiens in Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram