London-Bangladesh Friendship Homeopathy Medical Center

London-Bangladesh Friendship Homeopathy Medical Center A CENTER FOR CPD (CONTINUOUS PROFESSIONAL DEVELOPMENT) TRAINING COURSE AND CLASSICAL HOMEOPATHIC TREATMENT.

01/01/2023

Wish you all a happy New Year-2023!
&
the best.
thanks.

31/07/2020

EID UL ADHA Greetings to all ASSOCIATES of LBFHMC-EID MUBARAK- Syed Jamal

15/06/2020

করোনা মহামারি ও পূর্ববর্তী জাতি সভ্যতার ধ্বংসের কারণ যা বর্তমান মানব জাতির জন্য সাবধানবাণী

করোনাভাইরাসের কারণে পৃথিবীতে এক মহাবিপর্যয় নেমে এসেছে। মহামারি ছড়িয়ে পড়েছে সবখানে, সব সমাজে। কিছু কিছু এলাকায় এই মহামারি প্রাণঘাতী রূপ নিয়েছে। ফলে অবরুদ্ধ হয়েছে বহু শহর ও দেশ। কারো কারো মনে এ প্রশ্নও দোল খাচ্ছে, এটাই কি মানবসভ্যতা ধ্বংসের সূচনা? এটাই কি মহাপ্রলয়ের প্রারম্ভিকতা? মানব জাতি পাপ করতে করতে যখন কোনো কল্যাণ অবশিষ্ট থাকে না, তখন জাতি ধ্বংসের নির্ধারিত সময়ে পৌঁছে যায় এবং গন্তব্যস্থলে এসে থমকে যায়। যে জাতি জীবনস্রষ্টা সম্পর্কে অবগত হয়েছে এবং সত্য থেকে পিছু হটেছে, আল্লাহ তাদের ধ্বংস করেছেন বা শাস্তি দিয়েছেন।
মানবসভ্যতার সূচনা হয় পৃথিবীতে আদম (আ.) ও হাওয়া (আ.)-এর আগমনের মাধ্যমে এবং এর প্রথম পর্বের শেষ দিকে নুহ (আ.)-এর আগমন ঘটে। তখন মহান স্রষ্টার একত্ববাদের বিশ্বাস এবং একক উপাসনা থেকে মানবসভ্যতা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। পৃথিবীর বুকে মানবজীবনের মৌলিক চাহিদা পূরণে অস্থিরতা বিরাজ করছিল, তাদের জীবনধারার গতি ক্ষীণ হয়ে এসেছিল, তারা আত্মশক্তি অর্জনের সঠিক পথ ও মহান স্রষ্টার পরিচয় ভুলে গিয়েছিল। তখন আল্লাহ নুহ (আ.)-কে প্রেরণ করেন। তিনি তাদের বহুত্ববাদী বিশ্বাসের বিপক্ষে অবস্থান নেন এবং একত্ববাদের দিকে আহ্বান করেন। কিন্তু অল্পসংখ্যক লোক ছাড়া কেউ তাঁর ডাকে সাড়া দিল না। ফলে তাদের ধ্বংস ও বিনাশে আল্লাহর চূড়ান্ত রীতি আবর্তিত হলো। মহাপ্লাবনোত্তর সময়ে নুহ (আ.) ও তাঁর সীমিতসংখ্যক অনুসারী শান্তি ও কল্যাণের সভ্যতা বিনির্মাণ করেন।

পূর্ববর্তী জাতি ও সভ্যতা ধ্বংসের কিছু কারণ
১. আল্লাহকে অস্বীকার ও একত্ববাদ প্রত্যাখ্যান করা: নুহ (আ.)-এর সম্প্রদায়ের লোকেরা আল্লাহর একত্ববাদ ও রিসালাতের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছিল। আল্লাহ তাদের অস্বীকারের বর্ণনা এভাবে দিয়েছেন, ‘তাঁর সম্প্রদায়ের অবিশ্বাসী নেতারা বললেন, আমরা তোমাকে আমাদের মতো একজন মানুষ ছাড়া আর কিছুই মনে করি না; আমরা দেখছি, তোমার অনুসরণ করছে তারাই যারা আমাদের মধ্যে বাহ্য দৃষ্টিতে অধম এবং আমরা আমাদের ওপর তোমাদের কোনো শ্রেষ্ঠত্ব দেখছি না, বরং আমরা তোমাদের মিথ্যাবাদী মনে করি। (সুরা : হুদ, আয়াত : ২৭)
২. অবিচার, জুলুম ও অত্যাচার: মানবসভ্যতা ধ্বংসের অন্যতম কারণ হলো জুলুম ও অত্যাচার। নির্যাতন মানবজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে অসমতা তৈরি করে। মানুষের নিজ আত্মার সঙ্গে, আল্লাহর সঙ্গে ও অন্যদের সঙ্গেও সম্পর্কের ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করে। ফলে জগতের সর্বত্র বিশৃঙ্খল দেখা দেয়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমার প্রতিপালকের শাস্তি! তিনি জনপদগুলোকে শাস্তি দান করেন যখন তারা অবিচার করে। নিশ্চয়ই তাঁর শাস্তি মর্মন্তুদ, কঠিন।’ (সুরা : হুদ, আয়াত : ১০২)

৩. সীমালঙ্ঘন করা ও ভোগবিলাসে মত্ত হওয়া : আল্লাহর শাস্তির শিকার হওয়ার অন্যতম কারণ অর্থ-সম্পদের প্রাচুর্য এবং ভোগবিলাসে মত্ত হওয়া। আল্লাহ বলেন, ‘সীমালঙ্ঘনকারীরা যাতে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য পেত তারই অনুসরণ করত এবং তারা ছিল অপরাধী।’ (সুরা : হুদ, আয়াত : ১১৬)
৪. দাম্ভিকতা ও দাম্ভিক ব্যক্তির জন্য শাস্তির প্রতিশ্রুতি: নুহ (আ.)-এর সম্প্রদায় ধ্বংস হওয়ার আরেকটি কারণ দাম্ভিকতা। রাসুলুল্লাহ (সা.) দাম্ভিক ব্যক্তির জন্য শাস্তির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আমি যখনই তাদের আহ্বান করি, যাতে আপনি তাদের ক্ষমা করেন, তারা কানে আঙুল দেয়, বস্ত্রাবৃত করে নিজেদের ও জিদ করতে থাকে এবং অতিশয় ঔদ্ধত্য প্রকাশ করতে থাকে।’ (সুরা : নুহ, আয়াত : ৭)
৫. পাপকর্ম বৃদ্ধি ও অপরাধের ব্যাপকতা: প্রথম মানবসভ্যতা ধ্বংস ও বিনাশের বড় কারণ হলো পাপ ও অপরাধের ব্যাপকতা। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তাদের অপরাধের জন্য তাদের নিমজ্জিত করা হয়েছিল এবং পরে তাদের দাখিল করা হয়েছিল আগুনে। অতঃপর তারা কাউকে আল্লাহর মোকাবেলায় সাহায্যকারী পায়নি।’ (সুরা : নুহ, আয়াত : ২৫)
৬. আল্লাহর সিদ্ধান্ত ও জাতির পতন: আল্লাহ যেভাবে প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য জীবনকাল নির্দিষ্ট করেছেন, তেমনি তিনি প্রত্যেক জাতি ও সভ্যতার জন্যও সময়কাল নির্ধারণ করেছেন। সে কালের সমাপ্তি হলে সভ্যতারও পতন ঘটে। ইরশাদ হয়েছে, ‘আমি যে জনপদ ধ্বংস করেছি তার জন্য নির্ধারিত ছিল একটি লিপিবদ্ধ কাল। কোনো জাতি তার নির্ধারিত কাল ত্বরান্বিত করতে পারে না, বিলম্বিত করতে পারে না।’ (সুরা : হিজর, আয়াত : ৪-৫)
কভিড-১৯ এর মাধ্যমে আল্লাহতালা আমাদেরকে জীবণের মারাত্মক ছোট ও বড় বড় ভুল সংশোধন এর সুযোগ তৈরি করে দিয়েছেন। আল্লাহতালা মানুষকে আসরাফুল মাখলুকাত বা সেরা জীব বানিয়েছেন তাঁর এবাদতের জন্য। তাই, আল্লাহর শাস্তি পরিহার করতে সব মানুষকে আহ্বান করি অন্যায়-অবিচার, জুলুম-নির্যাতন, রক্তপাত, অন্যায়ভাবে সম্পদ আত্মসাৎ, অশ্লীল কর্ম এবং পাপ কাজ থেকে বিরত থাকতে। হে আল্লাহ! আপনি এই মহামারি ও বিপদাপদ তুলে নিন। আমাদের আপনার অভিমুখী করুন এবং আপনার সন্তুষ্টি কামনায় আদম সন্তানদের হাতগুলো কবুল করুন। হে আল্লাহ! কবুল করুন। আমিন!

15/06/2020

কোভিড পজেটিভ রোগীর দ্রুত খারাপ হয়ে যাবার অন্যতম কারণ নিজের উপর কনফিডেন্স হারিয়ে ফেলা ! সাইকোলজিক্যাল ব্রেকডাউনে প্যানিক এটাক হয় । একজন কোভিড পজেটিভ রোগীকে যদি আপনি প্রশ্ন করেন , কেমন আছেন ? তিনি কান্নাসুরে বলবেন - ‘ দুনিয়া এতো নিষ্ঠুর কেনো ? আমি কি করিনি সবার জন্য ? সবাই আমাকে এভাবে এভোয়েড করছে ? আমি বোধ হয় বাঁচবোনা ! ‘
খেয়াল করুন - কমপ্লিট সাইকোলজীক্যাল ব্রেকডাউন , নি:সঙ্গতা , মানুষের উপেক্ষা বা এভোয়েড এসব ক্রিটিক্যাল সিচুয়েশন পার করেন একজন কোভিড রোগী ।

এই সময়ে সেল্ফ কনফিডেন্সের ব্রেকডাউন হবেই , আমার ও হবে ।
নি:সঙ্গ মস্তিষ্ক যখন ধরে নেবে - আপনি কোভিড আক্রান্ত , কেও আপনার পাশে নেই , আপনি একা - তখন সাইকোলজীক্যালি কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আপনি পিছিয়ে পড়বেন । নো ডাউট ।

কোভিড রোগীকে চাঙ্গা রাখতে হবে , সময় দিতে হবে । তাকে মানসিক সাপোর্ট দিতে হবে । স্বার্থপরের মতো নি:সঙ্গতায় একজন কোভিড রোগীকে ঠেলে দেয়া - অপরাধ !
নি:সঙ্গতায় গ্রাস হতে দেবেন না আপনার প্রিয় মানুষটিকে । সেল্ফ প্রোটেকশান নিয়ে তাকে সময় দিন , মেসেন্জার ভাইবার ওয়াটঅ্যাপে সব বন্ধুবান্ধব মিলে আড্ডা দিন ।
চিৎকার করে হাসতে হাসতে বলুন - ‘ কিছু হয়নি তোর ! আমরা আছি তোর সাথে ! ‘

নি:সঙ্গ মানব মস্তিষ্কের উপর নানা চিন্তা ভর করে । মস্তিষ্ক শরীরের মারাত্মক সংবদেনশীল অংগ । অক্সিজেনের চাহিদা সবচেয়ে বেশি মস্তিষ্কের ।
কোভিড রোগী যতো দুশ্চিন্তা গ্রস্হ হবেন - তার মস্তিষ্ক ততো বেশি অক্সিজেন চাইবে । ফুসফুস কুলিয়ে উঠতে পারবেনা - মস্তিষ্কের চাহিদার সাথে ।
প্যানিক অ্যাটাক আসবে , শ্বাসকষ্ট হবে । মস্তিষ্কে অক্সিজেনের ডিমান্ড বাড়তে থাকলে রোগী ঘন ঘন শ্বাস টানতে থাকবেন । একসময় কুলিয়ে উঠতে না পেরে নিস্তেজ হবেন ।
ফুসফুস নিজেও ক্ষতিগ্রস্হ থাকে এই সময়ে , ফুসফুসের উপর চাপ কমানোর অন্যতম উপায় রোগীর মস্তিষ্ক কে শীতল রাখা ।

এটা পারবে রোগীর কাছের মানুষগুলো ! হাসি আনন্দে ভরিয়ে রাখতে পারে কোভিড আক্রান্ত মানুষটিকে ।
এসময়ের যে কোনো হাঁচি , কাশি গলাব্যাধা , জ্বর , শরীর ব্যাথা , ঘ্রাণ শক্তি , শ্রবণ বা জিহ্বার স্বাদ লোপ পেলে চিকিৎসকের শরনাপন্ন হউন । এখন ইন্টারনেটের যুগ , চিকিৎসকের সাথে প্রয়োজনে কনফারেন্স করুন ।
চিকিৎসা পদ্ধতি গ্রহন করবেন রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী । অনলাইন বা পোর্টাল দেখে নয় ।

সবচেয়ে বড় কথা - রোগীকে নি:সঙ্গ হতে দেবেন না ।
ভুলে যাবেন না - কোভিড আক্রান্ত মানুষটি আপনার আপনজন । আপনাকে নিয়ে ভাবে এমন মানুষ পৃথিবীতে হাতে গোনা ,
আপনার ভালোবাসার মানুষটিকে নি:সঙ্গতায় ডুবে যেতে দেবেন না । প্লিজ !!!
(সংগৃহীত)

14/06/2020

মদিনায় গবেষণায় প্রমাণ : কালোজিরা করোনা চিকিৎসায় নিরাপদ ও কার্যকর
কালের কণ্ঠ অনলাইন ১৪ জুন, ২০২০ ১১:১৫ | পড়া যাবে ৪ মিনিটেপ্রিন্ট

মদিনায় গবেষণায় প্রমাণ : কালোজিরা করোনা চিকিৎসায় নিরাপদ ও কার্যকর
অ- অ অ+

সারাবিশ্বে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে ৭৮ লাখ ৭২ হাজার ছয়শ ১৯ জন এবং মারা গেছে চার লাখ ৩২ হাজার ছয়শ ৭৫ জন। করোনা রেগীদের চিকিৎসার ওষুধ এবং টিকা আবিষ্কারের জন্য হন্যে হয়ে কাজ করছেন সারাবিশ্বের গবেষকরা।

তবে প্রাকৃতিক জিনিসে করোনা চিকিৎসা করা গেলে, সেটা যেমন সহজ হবে; একই সঙ্গে কম খরচে সেসব সহজলভ্য হবে। আর প্রাকৃতিকভাবে চিকিৎসা করা গেলে বিশ্ববাসীর কাছে দ্রুত তা পৌঁছে যাবে।

সৌদি আরবের মদিনার তাইবাহ ইউনিভার্সিটির গবেষকরা দাবি করেছেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সফলভাবে চিকিৎসা করেছেন তারা। এজন্য কালোজিরা ব্যবহার করা হয়েছে; যা হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর দেখানো চিকিৎসা পদ্ধতি।

ওই গবেষকদলের গবেষণাপত্র ছাপা হয়েছে মার্কিন জার্নাল ‘পাবলিক হেলথ রিসার্চ’-এ। আর সেটা যে কেউ চাইলেই দেখতে পারবে।

মুসলিম ইঙ্ক এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে- হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কালোজিরা হলো সর্বরোগ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার ওষুধ। তবে বিষ ছাড়া। আয়েশা (রা.) জিজ্ঞেস করেছেন, বিষ কী? রাসূল (সা.) বলেছেন, মৃত্যু। (সহীহ বুখারি-৫৩৬৩)

গবেষণাপত্রে উল্লেখ রয়েছে, কালোজিরা ব্যবহারের ফলে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়। টিস্যু সুরক্ষিত থাকে, ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্থ হয় না এবং ভাইরাস সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। কালোজিরা হলো রাসূল (সা.) এর দেখানো চিকিৎসা উপকরণ। এটা বীজ আকারেই খাওয়া যায়, চাইলে গুঁড়া করেও খাওয়া যায়। এছাড়া খাবারের সঙ্গে কিংবা জুস আকারেও খাওয়া যায়। অনেকেই এর তেল খান।

কালোজিরার নানা রকম গুণ রয়েছে। কারণ, এতে রয়েছে- নাইজেলোন, থাইমোকিনোন, লিনোলিক অ্যাসিড, ওলিক অ্যাসিড, ক্যালসিয়াম, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফেট, সেলেনিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-বি ২, নায়াসিন, ভিটামিন-সি, ফসফরাস, কার্বোহাইড্রেট।

গবেষকদের দাবি, কালোজিরা ব্যবহারের ফলে মারাত্মক সংক্রমণ প্রতিরোধ করা যায়, ফুসফুসের সমস্যা ধীরে ধীরে সেরে যায়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ফুসফুস এবং শ্বাসনালি ভালো রাখতে কালোজিরা দারুণ কাজের। যাদের শ্বাসকষ্ট রয়েছে, কালোজিরা ব্যবহারে তারাও আরোগ্য লাভ করেন। শ্বাসযন্ত্রে যে কোনো ধরনের সংক্রমণ ঠেকাতে কালোজিরা অব্যর্থ ওষুধ। অ্যালার্জি থেকে মুক্তি দিতেও কালোজিরা কার্যকর।

গবেষকরা দাবি করেছেন, ভাইরাল হেপাটাইটিস সি-তে আক্রান্ত রোগীও কালোজিরা ব্যবহারে উপকার পায়। এইচআইভি এইডস-এ আক্রান্ত রোগীও কালোজিরা ব্যবহারে উপকার পান।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীকে সারিয়ে তোলার জন্য গবেষকরা পরামর্শ দিয়েছেন-

দুই গ্রাম কালোজিরা, এক গ্রাম চামেলি ফুল, এক চামচ মধু একত্রে ভালোভাবে মিশিয়ে খেতে হবে। এসব খাওয়ার পর জুস কিংবা একটি কমলা খাওয়া যেতে পারে। লেবু খেতে পারলে ভালো হয়। এভাবে প্রতিদিন একবার করে খেতে হবে। করোনামুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এভাবে খেতে হবে।

গবেষকরা আরো বলছেন, রোগী আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হলে প্রথম সপ্তাহে দিনে পাঁচবার এভাবে খেতে হবে। আর পরবর্তী সময়ে মহামারি শেষ না হওয়া পর্যন্ত দিনে একবার করে খেতে হবে।

রোগীর যদি কাশি বেশি হয় এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, তাহলে কালোজিরা এবং লবঙ্গ মেশানো পানি গরম করে ধোঁয়া নাক দিয়ে টেনে নিতে পারেন। কিংবা কালোজিরা ও চামেলি পানিতে গরম করেও বাষ্প টেনে নিতে পারেন।

গবেষকরা বলছেন, যদি অক্সিজেনের অভাব হয়, তাহলে এক চামচ কালোজিরা, এক চামচ চামেলি এবং এক কাপ পানি একটি পাত্রে নিয়ে হালকা গরম করতে হবে। এভাবে দিনে পাঁচ থেকে ছয়বার পানি গরম করে বাষ্প নাক দিয়ে টেনে নিতে হবে।

জানা গেছে, সৌদি আরবের তাবিয়াহ ইউনিভার্সিটির মেডিসিন অনুষদের ক্লিনিক্যাল বায়োক্যামিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার মেডিসন বিভাগের গবেষকরা এ নিয়ে গবেষণা করেছেন।

গবেষকদের একজন ডা. সালেহ মুহাম্মদ বলেন, কালোজিরা এবং চামেলি করোনা সংক্রমণ বন্ধ করে দিতে সক্ষম। আল্লাহর রহমতে, যেসব করোনা রোগীদের তাবিয়াহ ইউনিভার্সিটির চিকিৎসা পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে, তাদের সবাই সেরে উঠছে, তারা নিজেদের বাড়িতে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত। এই পদ্ধতিতে রোগীদের সেরে উঠতে এক সপ্তাহের বেশি সময় লাগছে না।

সূত্র : মুসলিম ইঙ্ক, আমেরিকান জার্নাল অব পাবলিক হেলথ রিসার্চ

14/06/2020

`````````````````````````````````````মদিনায় গবেষণায় প্রমাণ : কালোজিরা করোনা চিকিৎসায় নিরাপদ ও কার্যকর
কালের কণ্ঠ অনলাইন ১৪ জুন, ২০২০ ১১:১৫ | পড়া যাবে ৪ মিনিটেপ্রিন্ট

মদিনায় গবেষণায় প্রমাণ : কালোজিরা করোনা চিকিৎসায় নিরাপদ ও কার্যকর
অ- অ অ+

সারাবিশ্বে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে ৭৮ লাখ ৭২ হাজার ছয়শ ১৯ জন এবং মারা গেছে চার লাখ ৩২ হাজার ছয়শ ৭৫ জন। করোনা রেগীদের চিকিৎসার ওষুধ এবং টিকা আবিষ্কারের জন্য হন্যে হয়ে কাজ করছেন সারাবিশ্বের গবেষকরা।

তবে প্রাকৃতিক জিনিসে করোনা চিকিৎসা করা গেলে, সেটা যেমন সহজ হবে; একই সঙ্গে কম খরচে সেসব সহজলভ্য হবে। আর প্রাকৃতিকভাবে চিকিৎসা করা গেলে বিশ্ববাসীর কাছে দ্রুত তা পৌঁছে যাবে।

সৌদি আরবের মদিনার তাইবাহ ইউনিভার্সিটির গবেষকরা দাবি করেছেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সফলভাবে চিকিৎসা করেছেন তারা। এজন্য কালোজিরা ব্যবহার করা হয়েছে; যা হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর দেখানো চিকিৎসা পদ্ধতি।

ওই গবেষকদলের গবেষণাপত্র ছাপা হয়েছে মার্কিন জার্নাল ‘পাবলিক হেলথ রিসার্চ’-এ। আর সেটা যে কেউ চাইলেই দেখতে পারবে।

মুসলিম ইঙ্ক এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে- হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কালোজিরা হলো সর্বরোগ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার ওষুধ। তবে বিষ ছাড়া। আয়েশা (রা.) জিজ্ঞেস করেছেন, বিষ কী? রাসূল (সা.) বলেছেন, মৃত্যু। (সহীহ বুখারি-৫৩৬৩)

গবেষণাপত্রে উল্লেখ রয়েছে, কালোজিরা ব্যবহারের ফলে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়। টিস্যু সুরক্ষিত থাকে, ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্থ হয় না এবং ভাইরাস সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। কালোজিরা হলো রাসূল (সা.) এর দেখানো চিকিৎসা উপকরণ। এটা বীজ আকারেই খাওয়া যায়, চাইলে গুঁড়া করেও খাওয়া যায়। এছাড়া খাবারের সঙ্গে কিংবা জুস আকারেও খাওয়া যায়। অনেকেই এর তেল খান।

কালোজিরার নানা রকম গুণ রয়েছে। কারণ, এতে রয়েছে- নাইজেলোন, থাইমোকিনোন, লিনোলিক অ্যাসিড, ওলিক অ্যাসিড, ক্যালসিয়াম, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফেট, সেলেনিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-বি ২, নায়াসিন, ভিটামিন-সি, ফসফরাস, কার্বোহাইড্রেট।

গবেষকদের দাবি, কালোজিরা ব্যবহারের ফলে মারাত্মক সংক্রমণ প্রতিরোধ করা যায়, ফুসফুসের সমস্যা ধীরে ধীরে সেরে যায়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ফুসফুস এবং শ্বাসনালি ভালো রাখতে কালোজিরা দারুণ কাজের। যাদের শ্বাসকষ্ট রয়েছে, কালোজিরা ব্যবহারে তারাও আরোগ্য লাভ করেন। শ্বাসযন্ত্রে যে কোনো ধরনের সংক্রমণ ঠেকাতে কালোজিরা অব্যর্থ ওষুধ। অ্যালার্জি থেকে মুক্তি দিতেও কালোজিরা কার্যকর।

গবেষকরা দাবি করেছেন, ভাইরাল হেপাটাইটিস সি-তে আক্রান্ত রোগীও কালোজিরা ব্যবহারে উপকার পায়। এইচআইভি এইডস-এ আক্রান্ত রোগীও কালোজিরা ব্যবহারে উপকার পান।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীকে সারিয়ে তোলার জন্য গবেষকরা পরামর্শ দিয়েছেন-

দুই গ্রাম কালোজিরা, এক গ্রাম চামেলি ফুল, এক চামচ মধু একত্রে ভালোভাবে মিশিয়ে খেতে হবে। এসব খাওয়ার পর জুস কিংবা একটি কমলা খাওয়া যেতে পারে। লেবু খেতে পারলে ভালো হয়। এভাবে প্রতিদিন একবার করে খেতে হবে। করোনামুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এভাবে খেতে হবে।

গবেষকরা আরো বলছেন, রোগী আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হলে প্রথম সপ্তাহে দিনে পাঁচবার এভাবে খেতে হবে। আর পরবর্তী সময়ে মহামারি শেষ না হওয়া পর্যন্ত দিনে একবার করে খেতে হবে।

রোগীর যদি কাশি বেশি হয় এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, তাহলে কালোজিরা এবং লবঙ্গ মেশানো পানি গরম করে ধোঁয়া নাক দিয়ে টেনে নিতে পারেন। কিংবা কালোজিরা ও চামেলি পানিতে গরম করেও বাষ্প টেনে নিতে পারেন।

গবেষকরা বলছেন, যদি অক্সিজেনের অভাব হয়, তাহলে এক চামচ কালোজিরা, এক চামচ চামেলি এবং এক কাপ পানি একটি পাত্রে নিয়ে হালকা গরম করতে হবে। এভাবে দিনে পাঁচ থেকে ছয়বার পানি গরম করে বাষ্প নাক দিয়ে টেনে নিতে হবে।

জানা গেছে, সৌদি আরবের তাবিয়াহ ইউনিভার্সিটির মেডিসিন অনুষদের ক্লিনিক্যাল বায়োক্যামিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার মেডিসন বিভাগের গবেষকরা এ নিয়ে গবেষণা করেছেন।

গবেষকদের একজন ডা. সালেহ মুহাম্মদ বলেন, কালোজিরা এবং চামেলি করোনা সংক্রমণ বন্ধ করে দিতে সক্ষম। আল্লাহর রহমতে, যেসব করোনা রোগীদের তাবিয়াহ ইউনিভার্সিটির চিকিৎসা পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে, তাদের সবাই সেরে উঠছে, তারা নিজেদের বাড়িতে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত। এই পদ্ধতিতে রোগীদের সেরে উঠতে এক সপ্তাহের বেশি সময় লাগছে না।

`সূত্র : মুসলিম ইঙ্ক, আমেরিকান জার্নাল অব পাবলিক হেলথ রিসার্চ``````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````

09/06/2020

কভিড-১৯ সংক্রমণ মহামারী ও হাসপাতালের অপ্রতুল ব্যবস্থাপনা। প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ ভালো। পরিচ্ছন্নতা, পবিত্রতা পরবর্তী যাও ধার্মিকতা। সবাই ভালো থাকো, অসুস্থ হলে বা অসুস্থ হওয়ার আগে চিকিৎসা নেও Aresenic Album 30 (AYUSH ministry) [অথবা অন্য হোমিওপ্যাথিকওষুধ] এই হোমিওপ্যাথিক ওষুধটি কোভিড-১৯ সংক্রমণ প্রতিরোধ এর একটি প্রতিষেধক ওষুধ হিসেবে কাজ করছে , এ পর্যন্ত পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ তথা ভারত , কিউবা, আমেরিকা, যুক্তরাস্ট্র, জার্মানি, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে এটা ব্যবহার করে যুগান্তকারী রেজাল্ট পাওয়া গেছে। ইনশাআল্লাহ! আমার যেসকল রোগীকে এই ঔষধটি প্রতিষেধক হিসেবে দিয়েছি এ পর্যন্ত কেউ কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়নি। এই ওষুধটি খাওয়ার নিয়মঃ চারটা করে বড়ি অথবা তরল ওষুধ পরপর তিনদিন সকালে খালি পেটে নিবন্ধভুক্ত চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক খেতে হবে।এরপর ১ মাস পর আবার চারটি করে বড়ি অথবা তরল ওষুধ তিনদিন,আবার একমাস পর চারটি করে বড়ি অথবা তরল ওষুধ তিনদিন ধরে খেতে হবে(কোভিড-১৯ সংক্রমণ প্রতিরোধ)। কোভিড যত দিন থাকবে ১ মাস পর পর খেতে হবে। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতাল বিশেষ করে সরকারী হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মিরপুর-১৪, ঢাকা-১২০৬ , বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড এর অধীনস্থ দেশের বিভিন্ন জেলাতে প্রায় ৬৫ টি বেসরকারী হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং ৪ টি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল সেন্টারে এবং সর্বশেষ ঢাকার সেন্ট্রাল পুলিশ হাসপাতালে সাফল্যের সাথে কোভিড-১৯ এর প্রতিষেধক এবং আক্রান্তদের চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। বি: দ্র: প্রচলিত চিকিৎসায় যেহেতু এখনও প্রতিষেধক বা কার্যকর সহজলভ্য কোন চিকিৎসা নেই অতএব বিকল্প চিকিৎসা হিসেবে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ামুক্ত হোমিও চিকিৎসা নেও। বিস্তারিত জানার জন্য আমার মোবাইলে যোগাযোগ করতে পারো- ০১৭১৬-৩৬২১৭৮। ডা.মোঃ খলিলুর রহমান , সহকারি অধ্যাপক, জামালপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ; Epidemiologist মহামারী-সংক্রান্ত বিদ্যা;এম ফিল গবেষক,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও সহকর্মী গবেষক, পরিকল্পনা মন্ত্রনালয় ঢাকা, বাংলাদেশ।
WE CANNOT STRESS STRONGLY ENOUGH THAT THESE MEASURES ARE OF THE UTMOST IMPORTANCE AND EVERYONE SHOULD BE ADVISED TO FOLLOW THEM
Strongly maintain to stable mental health & immunity to take vitamin-C and vitamin-D, exposure to sunlight .
Frequent hand washing – with warm soapy water or high alcohol based hand sanitisers. It is particularly important to wash hands after travelling and after blowing your nose. Practitioners should always wash their hands before and after contact with patients. Avoid anti-bacterial washes without high alcohol content as they do not eradicate viruses. Hand sanitisers containing 65-95% alcohol.
Considerate Cough Hygiene – it is important to catch coughs and sneezes in either a clean tissue or the bend of your elbow. This greatly reduces the spread of droplets and any infective organisms. Tissues should be disposed of thoughtfully so that others do not come into contact with them. Avoid touching other people or objects until you are able to wash or sanitise your hands again.
Avoid touching your face – this is especially important when you are out and haven’t recently washed your hands. Viruses can survive on objects or our own hands and can enter our systems through the eyes. Avoid touching or rubbing your eyes with unclean hands.
Avoid contact with large numbers of people – and refrain from close physical contact with associates and colleagues such as handshakes or hugs. Stay at home. Strongly maintain to stable mental health.
Isolation – if you are concerned you may have contracted the virus, do not go directly to your GP or visit another medical service. Guidance and maintain self-isolation until you are advised otherwise.

04/04/2020

Address

Mirpur
Dhaka
1216

Telephone

+8801716362178

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when London-Bangladesh Friendship Homeopathy Medical Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram