Rizwan Health Care

Rizwan Health Care লেখার উদ্দেশ্য চিকিৎসা নয়, জ্ঞানার্জন। বাচতে হলে জানতে হবে । রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া চিকিৎসা করা/নেওয়া কোন মতেই উচিত নয়।

গ্র্যান্ড প্রিন্স হোটেলের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা গ্রহন করুন।বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ২৯/০৩/২০২১ ইং তারিখের জারীকৃত...
05/07/2021

গ্র্যান্ড প্রিন্স হোটেলের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা গ্রহন করুন।বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ২৯/০৩/২০২১ ইং তারিখের জারীকৃত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী বিদেশ ফেরত যাত্রীদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং তা নিশ্চিত করার জন্য যে সমস্ত হোটেলের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয় তাদের মধ্যে গ্র্যান্ড প্রিন্স হোটেল লিমিটেড অন্যতম।
বিদেশ ফেরত যাত্রীদের কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করণের নিমিত্তে গ্র্যান্ড প্রিন্স হোটেল করোনাকালে বিশেষ হ্রাস কৃত মূল্যে ০৩ বেলা মান সম্পন্ন খাবার সহ আবাসন সুবিধা প্রদান করে আসছে। আমাদের সম্মানিত অতিথিদের সুবিধার্থে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের আগমনী লাউঞ্জে গ্র্যান্ড প্রিন্স হোটেলের একটি বুথ রয়েছে, যেখানে অতিথিদের সেবায় সার্বক্ষণিক প্রটোকল অফিসার নিয়োজিত রয়েছেন।
এ ছাড়াও রয়েছে বিমান বন্দর থেকে হোটেলে আসার নিরাপদ নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা ।
গ্র্যান্ড প্রিন্স হোটেল সর্ব সময় অতিথিদের পরিচ্ছন্ন সেবা প্রদানে অঙ্গীকারাবদ্ধ ।
হোটেলের ঠিকানাঃ গ্র্যান্ড প্রিন্স হোটেল লিমিটেড, প্যারাডাইস প্লাজা, কমার্শিয়াল প্লট নং ৬ ও ১১, মিরপুর ১, ঢাকা ১২১৬।(একটি তিন তারকা মান সম্পন্ন হোটেল)।মোবাইলঃ ০১৭২০০৪১২৬০, ০১৯৭৭৮৮৯৯০০।
আপনারা রিজার্ভেশন এর জন্য যোগাযোগ করুন-
www.grandprince-dhaka.com, info@grandprince-dhaka.com

The Grand Prince Hotel in Dhaka Bangladesh is conveniently located within walking distance (less then 1 km) from Grameen Bank. Nearby attractions include the National Cricket Stadium, Dhaka Zoo, and the Botanical Gardens. Dhaka Bangladesh

29/01/2020
29/01/2020
সতর্ক হওয়ার সময় এ‌সে‌ছে, ত‌বে আত‌ঙ্কিত হওয়া যা‌বে না।
25/01/2020

সতর্ক হওয়ার সময় এ‌সে‌ছে, ত‌বে আত‌ঙ্কিত হওয়া যা‌বে না।

শুভ সকাল ।
01/12/2019

শুভ সকাল ।

যৌনাঙ্গে ইচিং বা চুলকানি | অসুখটির কারণ, প্রতিকার ও প্রতিরোধ জানেন কী?আমরা যারা মেয়ে, আমাদের প্রতিদিন কতই না সমস্যার মো...
28/08/2019

যৌনাঙ্গে ইচিং বা চুলকানি | অসুখটির কারণ, প্রতিকার ও প্রতিরোধ জানেন কী?

আমরা যারা মেয়ে, আমাদের প্রতিদিন কতই না সমস্যার মোকাবেলা করতে হয়। ঘর থেকে শুরু করে শরীর সব দিক থেকে অনেক ঝামেলায় পড়তে হয়। আজকে মেয়েদের একটি অতি পরিচিত কিন্তু অতি বিব্রতকর একটি সমস্যা নিয়ে আলোচনা করব। আর তা হলো যৌনাঙ্গে ইচিং বা চুলকানি । এটি খুবই কমন একটি অসুখ। মেয়েরা ৫ থেকে শুরু করে ৬০ বছর বয়সের যে কোন সময় এই সমস্যায় পড়তে পারে। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে প্রত্যেক ৪ জন মহিলার মধ্যে ৩ জনেরই জীবনের কোন না কোন সময় একবার হলেও এই সমস্যায় ভুগে থাকেন। তাই এর গুরুত্বও কম নয়। চলুন আজ এই অসুখটি সম্পর্কে জানি।

১. ঈস্ট বা ছত্রাকের আক্রমণ
এটি যৌনাঙ্গের চুলকানি বা ইচিং হওয়ার অন্যতম কারণ। সাধারণত Candida Albicans, এই ছত্রাকের কারণে যোনিতে চুলকানি হয়। এই ছত্রাক নরমালি মেয়েদের যৌনাঙ্গে পরজীবী হিসেবে থাকে। কিছু ল্যাকলোব্যাসিলাস নামে উপকারী ব্যাকটেরিয়া এই ছত্রাকের বংশবিস্তারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। কিন্তু এন্টিবায়োটিক খেলে, গর্ভাবস্থায়, দুশ্চিন্তাগ্রস্থ থাকলে, হরমোনাল ইমব্যালেন্স থাকলে ও খাদ্যাভাসের কারণে এই উপকারী ব্যাকটেরিয়া মরে যায়, ফলে ঈস্টগুলো তাদের জন্মের জন্য অনুকূল পরিবেশ পায়। এর কারণে যোনিতে ইনফেকশন হয়।

উপসর্গ

– যোনি পথ দিয়ে ঘন, সাদা তরলের নির্গমন হয়।

– চুলকানি, ব্যথা ও প্রদাহ হয়।

– যৌন মিলনের সময় ব্যথ্যা হয়।

২. ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিসের সংক্রমণ
এটি ভ্যাজাইনা বা যোনিতে চুলকানি হওয়ার অন্যতম কারণ। যোনিতে নরমালি কিছু ব্যাকটেরিয়া থাকে। যখন কোন কারণে এই ব্যাকটেরিয়া গুলোর অনেক বেশি বংশবিস্তার ঘটে তখন যোনিতে ইনফেকশন হয়।

উপসর্গ

– গন্ধযুক্ত ও মাছের আশঁটে গন্ধযুক্ত তরল নির্গত হয় যোনি দিয়ে।

– চুলকানি হয় প্রচুর।

– প্রসাবের সময় জ্বালাপোড়া হওয়া।

৩. ট্রাইকোমোনিয়াসিস-এর আক্রমণ
এটি একটি প্যারাসাইট। এটির আক্রমণে যোনিতে চুলকানি হয়।

উপসর্গ

– হলুদ, সবুজ রঙের ও খুব তীব্র বাজে দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব হয়।

– তলপেটে ব্যথ্যা হয়।

– যোনিতে চুলকানি হয়।

৪. এছাড়াও যৌনাঙ্গে উকুন, খোসপাচড়া ও মাইকোপ্লাজমা জেনেটালিয়াম এর সংক্রমণ হলে যোনিতে চুলকানি হয়।

৫. কিছু সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজিজ যেমন – সিফিলিস, গনোরিয়া, এইডস ইত্যাদির কারণে যৌনাঙ্গে ইচিং বা চুলকানি হতে পারে।

৬. বিভিন্ন বিরক্তিকর পদার্থ যেমন – বিভিন্ন ডিটারজেন্ট, কেমিক্যাল, সুগন্ধিযুক্ত সাবান, রঙ ওয়ালা টিশ্যু পেপার, ফেমিনিন হাইজেনিক স্প্রে, ডুশ ব্যবহার করলে যোনিতে চুলকানি হতে পারে।

৭. মেনোপোজের পর মহিলাদের ইস্ট্রোজেন নামক হরমোন কমে যায়। ফলে যোনি শুকিয়ে যায়। এর ফলে বিভিন্ন পরজীবীর সংক্রমণ হয়। ফলে যোনিতে ইচিং হয় ।

৮. ডায়াবেটিস, রেনাল ডিজিজ, একজিমা ও রক্তে কোন রোগ থাকলে ও অন্যান্য কোন রোগ থাকলেও যৌনাঙ্গে চুলকানি হয়।

৯. মাসিকের সময় , অস্বাস্থ্যকর প্যাড ও কাপড় ব্যবহার করলে।

১০. যৌনকর্মীদের এই রোগগুলো বেশি হয়। তাই অবাধ যৌন আচরণের কারণে হয়ে থাকে।

১১. যৌনাঙ্গ সবসময় গরম ও আর্দ্র রাখলে।

১২. অপরিষ্কার থাকলে।

যৌনাঙ্গে চুলকানি প্রতিকার
১. ছত্রাকের সংক্রমণ হলে, এন্টিফাংগাল ওষুধ যেমন – ketoconazole, miconazole, clotrimazole, tioconazole, fluconazole ইত্যাদি ওষুধ খেতে হয় ৩ থেকে ৫ দিন। তবে কিছু ওষুধ একদিনেও কাজ করে। তাই ডোজ ও কতদিন খাবেন তা জানতে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। এছাড়া lactobacillus acidophilus ট্যাবলেট খাওয়া যেতে পারে এর সাথে।

২. ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হলে এন্টিব্যায়োটিক ড্রাগস খেতে হয়। যে এন্টিবায়োটিকই খান না কেন তা কমপক্ষে ৫ থেকে ৭ দিন খাবেন।

৩. প্যারাসাইটের সংক্রমণ হলে Metronidazole খেতে পারেন। এছাড়াও vaginal clindamycin cream (clencin) or tinidazole এইগুলো যোনিতে লাগাতে হয়।

৪. বেশি চুলকানি হলে Lidocaine নামক জেল আক্রান্ত স্থানে লাগাতে পারেন। এতে সাময়িক আরাম হবে। কিন্তু পুরা সেরে যাবেনা। তাই ডাক্তারকে দেখাবেন।

৫. চুলকানি কমানোর জন্য এন্টিহিস্টামিন যেমন – fexofenadine, loratadine খেতে পারেন।

৬. এছাড়া প্রদাহ কমাতে steroid cream ব্যবহার করা যেতে পারে।

৭. মেনোপোজের পর চুলকানি হলে ইস্ট্রোজেন সাপোজেটরি যোনিপথে ব্যবহার করা যেতে পারে।

যৌনাঙ্গে চুলকানি প্রতিরোধ
বলা হয়ে থাকে যে কোন অসুখ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ করাই বেশি ভাল। সুতরাং এই রোগটি যাতে আপনার না হয় তাই আগেই সাবধান থাকুন ও নিচের কথাগুলো মেনে চলুন।

১. রঙীন ও বেশি সুগন্ধিযুক্ত টয়লেট টিস্যু ও সাবান যৌনাঙ্গে ব্যবহার করবেন না।

২. ফেমিনিন হাইজিন স্প্রে ও ডুশ ব্যবহার করবেন না।

৩. ভেজা কাপড় পরে বেশিক্ষণ থাকবেন না। গোসল বা ব্যায়ামের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভেজা কাপড়টি পাল্টে নিবেন। যারা সুইমিং পুলে সাঁতার কাটেন তাদের ক্লোরিনের কারণেও ইচিং হতে পারে , তাই সাবধান হন।

৪. আপনার যৌনাঙ্গ পরিষ্কার রাখুন সবসময়। আর প্রসাব বা পায়খানা করার সময় হাত দিয়ে সামনে থেকে পেছনে এই নিয়মে পরিষ্কার করতে হবে। খেয়াল রাখবেন পায়খানার রাস্তার জীবাণু যেন যোনিতে না লাগে।

৫. দই খান, এতে ল্যাকটোব্যাসিলাস নামক উপকারী ব্যাকটেরিয়া থাকে।

৬. সুতির কাপড় দিয়ে তৈরি অন্তর্বাস বা পেন্টি পরুন। সিনথেটিক পেন্টি পরবেন না।

৭. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

৮. ওজন কমান।

৯. সহবাসের সময় কনডম ব্যবহার করুন।

১০. যোনি আর্দ্র ও ভেজা রাখবেন না।

১১. মাসিকের সময় নোংরা কাপড় ব্যবহার করবেন না। পরিষ্কার প্যাড ব্যবহার করুন।

১২. সহবাসের পর যৌনাঙ্গ ভাল ভাবে পরিষ্কার করুন। ধুয়ে ফেলুন।

১৩. সহবাসের পর প্রসাব করুন।

১৪. একাধিক ব্যক্তির সাথে যৌন সহবাস পরিত্যাগ করুন।

১৫. নিয়মিত গোসল করুন।

এই অসুখটি হলে অবশ্যই একজন গাইনোকোলজিস্ট বা একজন ডার্মাটোলজিস্ট বা চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যান। অবহেলা করবেন না বা লজ্জা পাবেন না। কারণ এর ফলে পরবর্তীতে আরও খারাপ কিছু হতে পারে।

ওজন কমাবে সুস্বাদু অ্যালোভেরা জুসঅ্যালোভেরা ভেষজটি খুবই জনপ্রিয় স্বাস্থ্য ও রূপ সচেতন মানুষের মাঝে। তা যেমন ত্বক ও চুলের...
12/02/2019

ওজন কমাবে সুস্বাদু অ্যালোভেরা জুস

অ্যালোভেরা ভেষজটি খুবই জনপ্রিয় স্বাস্থ্য ও রূপ সচেতন মানুষের মাঝে। তা যেমন ত্বক ও চুলের যত্নে ব্যবহার করা যায়, তেমনি তা খেলেও অনেক উপকার পাওয়া যায়। প্রাচীন চৈনিক চিকিৎসাশাস্ত্র ও আয়ুর্বেদে রয়েছে অ্যালোভেরার গুণাগুণের কথা।

অ্যালোভেরার রসালো পাতার ভেতরে থাকা স্বচ্ছ জেলটিই আসলে উপকারী। এতে থাকে প্রচুর এ, বি, সি এবং ই ভিটামিন, যা ত্বকের জন্য ভালো। এ ছাড়া এতে অনেক প্রোটিন থাকে বলে তা স্বাস্থ্যের উপকারে আসে। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে তা ওজন কমাতেও কার্যকরী। ওজন কমাতে পারার পেছনে কারণগুলো হলো-

১) অ্যালোভেরায় থাকা প্রোটিন একদিকে যেমন পেশী গঠনে কাজে আসে, তেমনি ক্ষুধা কম রাখার মাধ্যমে ওজন কমাতে কাজে আসে।

২) অ্যালোভেরায় কোনো ফ্যাট নেই। এর ৯৬ শতাংশই পানি! এতে ভিটামিন বি আছে বেশি পরিমাণে, যা মেদ দূর করতে ও ক্যালোরি পোড়াতে সহায়তা করে।

৩) শরীরের ভিটামিন ও খনিজ শোষণের ক্ষমতা বাড়ায় অ্যালোভেরা। এতে ওজন কমার পাশাপাশি সার্বিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে।

৪) অ্যালোভেরা হজমে সাহায্য করে। তা শরীর থেকে টক্সিন বের করে দিতেও কাজে আসে। হজম সঠিকভাবে হওয়ার কারণে ওজন বাড়ে।

সুস্বাদু অ্যালোভেরা জুস তৈরির উপায়

অ্যালোভেরা জুস অনেকেই পান করতে চান না তার বিদঘুটে স্বাদের কারণে। দোকানে চটকদার ফ্লেভারের সুস্বাদু অ্যালোভেরা জুস পাওয়া যায় বটে, কিন্তু তা খুব একটা স্বাস্থ্যকর নয়। স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু অ্যালোভেরা জুস তৈরি করে নিতে পারেন আপনি নিজেই।

১) এমন এক গ্লাস ফ্রুট জুস নিন যা প্রাকৃতিকভাবেই বেশ মিষ্টি। এতে সমপরিমাণ অ্যালোভেরা মিশিয়ে নিন। এরপর তা ব্লেন্ড করে নিতে পারেন।

২) অ্যালোভেরা পাতার জেল ব্লেন্ড করে এরপর ছেঁকে নিন। এতে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন।

৩) এক গ্লাস পানিতে এক টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে নিন। এরপর এই মিশ্রণ চুলায় দিয়ে গরম করুন ও নাড়তে থাকুন। পানির সাথে জেল মিশে গেলে নামিয়ে নিন। ঠান্ডা করে পান করুন।

‘মাইগ্রেন’- এক অসহনীয় যন্ত্রণার আরেক নাম!!কাজের চাপে কিংবা মানসিক চাপে অনেকেরই মাথাব্যথা হয়। প্যারাসিটামল খেয়ে নিলে বা এ...
06/10/2018

‘মাইগ্রেন’- এক অসহনীয় যন্ত্রণার আরেক নাম!!

কাজের চাপে কিংবা মানসিক চাপে অনেকেরই মাথাব্যথা হয়। প্যারাসিটামল খেয়ে নিলে বা একটু বিশ্রামে সেটি ভালো হয়ে যায় বেশিরভাগ সময়। কিন্তু মাইগ্রেন নামের ভয়ানক মাথাব্যথা মোটেও সাধারণ মাথাব্যথা নয়। অথচ সাধারন মাথাব্যথা মনে করে অনেকেই দিনের পর দিন মাইগ্রেন-কে অবহেলা করেন। চলুন জেনে নেয়া যাক মাইগ্রেন সম্পর্কে জরুরী কিছু তথ্য।

মাইগ্রেন কী?

মাইগ্রেন মূলত একধরনের মাথাব্যথা। তবে সাধারণ মাথাব্যথার থেকে মাইগ্রেনের পার্থক্য হলো মাইগ্রেন-এ ব্যথা হয় মাথার একদিকে। অর্থাৎ মাইগ্রেন-এ আক্রান্ত হলে আপনার মাথার বাম কিংবা ডানদিকে ব্যথা হবে, আর অন্যদিকে তেমন কোনো ব্যথাই অনুভব করবেন না। মাইগ্রেন-এর ব্যথা হলে শব্দ, আলো এবং গন্ধের প্রতি সহনশীলতা কমে যায়। খুব অল্প শব্দ বা আলোয় অসহ্য অনুভূতি হয়।

কাদের হয়? কখন হয়?

বয়ঃসন্ধির আগে মেয়েদের থেকে ছেলেদের মাইগ্রেন হবার সম্ভাবনা বেশি থাকলেও পরবর্তীতে ছেলেদের থেকে ২-৩ গুণ বেশি মেয়েদের মাইগ্রেন হয়। আবার অনেক মেয়েদের ক্ষেত্রে রজঃচক্র (menstrual cycle) শেষ হবার পর মাইগ্রেন-এ আক্রান্ত হবার হার অনেক কমে যায় বলেও দেখা গেছে। তবে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে মধ্যবয়সে (৩৫-৪০ বছর) মাইগ্রেন-এ আক্রান্ত হবার হার অন্য বয়সের থেকে অনেক বেশি।

মাইগ্রেন-এর কারণ

ঠিক কী কারণে মাইগ্রেন হয় তা পুরোপুরি জানা যায় নি। তবে এটি বংশগত বা অজ্ঞাত কোন কারণে হতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় আক্রান্ত ব্যক্তির বংশে মাইগ্রেন-এ আক্রান্ত অন্য কেউ রয়েছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে হরমোনের প্রভাব রয়েছে বলেও কিছু গবেষণায় বলা হয়েছে। এই কারণেই বিভিন্ন বয়সে নারী-পুরুষের আক্রান্ত হবার হারের পার্থক্য দেখা দেয়।

এর বাইরেও বিকট শব্দ, তীব্র আলো, প্রচন্ড গরম কিংবা বিশেষ কিছু খাবারের কারণেও মাইগ্রেন হতে পারে। জন্মবিরতিকরণ ওষুধ, দুশ্চিন্তা, অতিরিক্ত ভ্রমণ, ব্যায়াম, অনিদ্রা, অনেকক্ষণ টিভি দেখা, দীর্ঘসময় কম্পিউটার-এ কাজ করা, মোবাইলে কথা বলা ইত্যাদি কারণেও এ রোগ হতে পারে।

লক্ষণসমুহ

এ মাথাব্যথা শুরু হলে তা কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। মাইগ্রেন-এর মূল লক্ষণ মাথার এক দিকে ব্যথা হলেও ব্যথা শুরুর আগে থেকেই কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায়। অনেকের চোখে আলোর ঝলকানি দেখা দিয়ে শুরু হয় তারপর ধীরে ধীরে ব্যথা বাড়তে থাকে। আবার মাইগ্রেন-এর তীব্রতার উপরও লক্ষণের পার্থক্য দেখা যায়। তবে সবার এরকম হয় না। মাইগ্রেন-এর সাধারণ কিছু লক্ষণ-

আলো বা শব্দের প্রতি সহনশীলতায় পরিবর্তন
চোখের পেছন দিকে ব্যথা
বমি বমি ভাব
বমি

চিকিৎসা

মাইগ্রেন সমস্যা চিরতরে দূর করার কোন উপায় এখনো আবিষ্কার হয় নি। তবে ব্যথা হলে তা কমানোর জন্য বেশ কিছু ওষুধ রয়েছে। সাধারণ প্যারাসিটামল-এও অনেকের ব্যথা কমে যায়, তবে ব্যথার তীব্রতা অনুযায়ী এসপিরিন, ডাইক্লোফেনাক, আইবুপ্রোফেন জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা হয়। ব্যথার তীব্রতা অনুযায়ী ওষুধের ধরণ ও মাত্রা পরিবর্তন করা হয়। বমি ভাব নিয়ন্ত্রণ করার জন্য স্টেমেটিল বা ভার্গন জাতীয় ওষুধ খাওয়া যেতে পারে। তবে কোন ওষুধ খাওয়া উচিত সে ব্যাপারে চিকিৎসকের পরামর্শ অবশ্যই নিতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কখনই কোন ওষুধ খাওয়া ঠিক নয়। মাইগ্রেন-এর ব্যথা হলে কোন ওষুধ খেতে হবে তা সাধারণত চিকিৎসক আগেই বলে দেন। সে অনুযায়ী চললেই হবে।

তবে ওষুধের পাশাপাশি মাইগ্রেন-এর ব্যথার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে যথাসম্ভব অন্ধকার ও শব্দবিহীন পরিবেশে ঘুমানো, অন্তত কয়েক ঘণ্টা। যেহেতু মাইগ্রেন-এর ব্যথায় আলো ও শব্দের প্রতি সহনশীলতা অনেক কমে যায়, সেক্ষেত্রে খুব অল্প শব্দ বা আলোতেও ব্যথার তীব্রতা বেড়ে যেতে পারে। সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

প্রতিরোধ

বয়সের সাথে মাইগ্রেন-এর তীব্রতা বা ঘন ঘন আক্রমণ কমে গেলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সারাজীবন মাইগ্রেন-এর ব্যথা হবার ভয় থেকেই যায়। কোনো প্রকার ওষুধ ছাড়াই একটু নিয়মানুবর্তী হলেই মাইগ্রেন-এর আক্রমণ অনেকটা কমিয়ে ফেলা সম্ভব। চলুন জেনে নেয়া যাক মাইগ্রেন প্রতিরোধের কিছু উপায়।

খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন যেমন, ডার্ক চকলেট, কফি, ইত্যাদি এড়িয়ে চলা ভালো।
জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি যারা সেবন করেন, মাইগ্রেন-এর ব্যথার প্রকোপ বেড়ে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে বড়ি সেবন বন্ধ করে দিতে হবে।
দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ মুক্ত থাকতে হবে।
দীর্ঘক্ষণ যাবত টিভি দেখা, কম্পিউটার-এ কাজ করা, মোবাইলে কথা বলা ইত্যাদি থেকে বিরত থাকতে হবে।
অনিদ্রা জনিত সমস্যা বা রাত জাগার বাজে অভ্যাস থাকলে তা পরিবর্তন করতে হবে।
কড়া রোদ বা তীব্র ঠাণ্ডা পরিহার করতে হবে।
মাইগ্রেন শুরু হয়ে গেলে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা (বিশেষ করে বমি হয়ে থাকলে), বিশ্রাম করা, ঠান্ডা কাপড় মাথায় জড়িয়ে রাখা উচিত।
গর্ভাবস্থাতেও মাইগ্রেন-এর সমস্যা হতে পারে ঘন ঘন। সেক্ষেত্রে ডাক্তারকে প্রথমেই মাইগ্রেন-এর ব্যাপারে জানিয়ে রাখা দরকার।
হাসি-খুশি থাকার চেষ্টা করতে হবে, জীবনের আনন্দকে উপভোগ করতে হবে।
আরো কিছু কথা-

মাইগ্রেন-এর ব্যথা সাধারণত মাথার যে কোন একপাশে হয়ে থাকলেও একবার ব্যাথা একপাশে শুরু হলে কিছুদিন পর অন্যপাশেও হতে পারে। অনেকেই আছেন সাইনুসাইটিস বা সাইনাস এবং মাইগ্রেন-এর ব্যথা মিলিয়ে ফেলেন। আদতে তা নয়, বরং দুটি সম্পুর্ন ভিন্ন অসুখ। তাই চিকিৎসা শুরু করার আগে নিশ্চিত হয়ে নিতে হবে যে আসলে কোনটি হয়েছে।

মাথা যখন আছে, ব্যথা তখন হবেই। কিন্তু মাথাব্যথা সবার হলেও মাইগ্রেন-এর তীব্রতা বেশীরভাগ মানুষকেই সহ্য করতে হয় না। মাইগ্রেনের ব্যথা যে সাধারণ মাথাব্যথা নয় আর এটি যে জীবন্ত অবস্থায় নরকের শাস্তির মতো, সেটি মাইগ্রেন-এ আক্রান্ত যে কেউ বিনা বাক্যে মেনে নেবেন। তাই নিজের সুবিধার জন্যই আশেপাশের মানুষকে মাইগ্রেন-এর ব্যাপারে সচেতন করাটা অত্যন্ত জরুরী।

পিরিয়ড নিয়ে যত কথাপিরিয়ড/ মাসিক/ মিনস/ মেন্সট্রুয়াল সাইকেল সৃষ্টিকর্তা কতৃক নির্ধারিত, নারী চরিত্রের প্রকৃতিপ্রদত্ত একটি...
06/10/2018

পিরিয়ড নিয়ে যত কথা

পিরিয়ড/ মাসিক/ মিনস/ মেন্সট্রুয়াল সাইকেল সৃষ্টিকর্তা কতৃক নির্ধারিত, নারী চরিত্রের প্রকৃতিপ্রদত্ত একটি নিয়ম। এই স্বাভাবিক বিষয়টিকে সমাজে ট্যাবু করে রাখা হয় যার ফলে তৈরি হয় নানান ভুল ধারণা। এর জন্য অন্যতম কারণ ‘অজ্ঞতা’। এই অজ্ঞতার কারণে একজন নারীকে অনেক লজ্জাজনক এবং অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। খুব দুঃখের বিষয় হলেও সত্যি যে, অধিকাংশ মেয়েরাই এর খুঁটিনাটি জানেন না। এ সম্পর্কে একটি সুস্পষ্ট ধারণা দিতেই আজকের এই লেখা।

পিরিয়ড কী?

প্রতি চন্দ্রমাস পরপর হরমোনের প্রভাবে পরিণত মেয়েদের জরায়ু চক্রাকারে যে পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায় এবং রক্ত ও জরায়ু নিঃসৃত অংশ যোনিপথে বের হয়ে আসে তাকেই ঋতুচক্র বলে।

একজন নারীর পিরিয়ড তাকে প্রতি মাসে গর্ভধারণের জন্য প্রস্তুত করে। আরেকটু সহজ ভাষায় বললে, আমরা শুধু জানি বাচ্চা হওয়ার জন্য পিরিয়ড হয়। তো বাচ্চা হওয়ার জন্য পিরিয়ড কেন হওয়া লাগে? কারণ, প্রতিমাসে মেয়েদের গর্ভাশয় তার বাইরের আবরণটাকে শক্ত করে যেন গর্ভবতী হওয়ার পর বাচ্চাকে আশ্রয় দিতে পারে। কিন্তু পরে যখন ভ্রূণ নিষিক্ত হয় না তখন সে তার সেই শক্ত আবরণটাকে ছিঁড়ে ফেলে আবার পরের মাসের জন্য প্রস্তুতি নেয়া শুরু করে। যে কারণে মেয়েদের শরীরের ভেতরের একটা অঙ্গ ছিঁড়ে সেটা সেই রক্তের সাথে বের হয়ে যায়। এই পুরো প্রক্রিয়া গড়ে ২৮ দিনের মধ্যে হয়।

পিরিয়ড ফেজ

এর তিনটি অংশ-

১) মেন্সট্রুয়াল ফেজ- ৪ দিন স্থায়ী হয় (৪-৭ দিন)

২) প্রলিফারেটিভ ফেজ- ১০ দিন স্থায়ী হয় (৮-১০ দিন)

৩) সেক্রেটরি ফেজ- ১৪ দিন স্থায়ী হয় (১০-১৪ দিন)

পিরিয়ড প্রক্রিয়া

মেন্সট্রুয়াল ফেজ: এই যোনি পথে রক্ত বের হয়। ৪-৭ দিন স্থায়ী এই রক্তপাতে ভেঙ্গে যাওয়া রক্তকনিকা ছাড়াও এর সাথে শ্বেত কনিকা, জরায়ুমুখের মিউকাস, জরায়ুর নিঃসৃত আবরণী, ব্যাকটেরিয়া, প্লাজমিন, প্রস্টাগ্লানডিন এবং অনিষিক্ত ডিম্বাণু থেকে থাকে। ইস্ট্রোজেন এবং প্রজেস্টেরন হরমোনের যৌথ ক্রিয়ায় এই পর্বটি ঘটে।
প্রলিফারেটিভ ফেজ: ৮-১০ দিন স্থায়ী হতে পারে। শুধু ইস্ট্রোজেন হরমোনের প্রভাবে এটি হয়। এই সময় জরায়ু নিষিক্ত ডিম্বাণুকে গ্রহণ করার জন্য প্রস্ততি নেয়।
সেক্রেটরি ফেজ: সবচেয়ে দীর্ঘ, প্রায় ১০-১৪ দিন। একে প্রজেস্টেরন বা লুটিয়াল ফেজ-ও বলা হয়। এটিও ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন উভয় হরমোনের যৌথ কারণে হয়। এই সময় নিষিক্ত ডিম্বাণুর বৃদ্ধির জন্য জরায়ু সর্বোচ্চ প্রস্ততি নিয়ে থাকে।
ডিম্বাশয়ের কোনো ডিম্বাণু শুক্রাণু দ্বারা নিষিক্ত না হলে জরায়ু আবার মেন্সট্রুয়াল ফেজ-এ চলে যায়। এভাবেই পূর্ণ বয়স্ক মেয়েদের ঋতুচক্র চলতে থাকে।
পিরিয়ড-এ রক্তপাতের পরিমাণ

প্রতি পিরিয়ডে এক কাপেরও কম রক্ত নিঃসৃত হয়। সাধারণত প্রথম দুই দিন বেশি রক্ত নিঃসৃত হয়। নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি-এর স্কুল অব মেডিসিনের মতে-প্রতি মাসে কয়েক চামচ থেকে বড়জোর এক কাপ পরিমাণ রক্ত বের হয় শরীর থেকে। যদি ব্যবহার শুরু করার ২ ঘণ্টার কম সময়ে প্যাড সম্পূর্ণ ভিজে যায় তাহলে বুঝতে হবে এটা স্বাভাবিক নয়। জরায়ু মুখের ক্যান্সার, টিউমার, ওভারিয়ান সিস্ট ইত্যাদি কারণে পিরিয়ড-এ অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে পারে। তাই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে লজ্জা না পেয়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

স্যানিটারি প্যাড বা ন্যাপকিন ব্যবহারের নিয়ম

বাজারে এখন বিভিন্ন ব্র্যান্ড-এর, বিভিন্ন ধরনের স্যানিটারি ন্যাপকিন বা প্যাড পাওয়া যায়। যে ধরনেরই হোক না কেন তা কোনভাবেই দীর্ঘক্ষণ পরা উচিত নয়। পিরিয়ড-এর প্রথম দুই-তিন দিন একটু বেশী রক্তক্ষরণ হয়, তাই দুই ঘন্টা পরপর প্যাড পরীক্ষা করে দেখা উচিত। যদি প্যাড শুকনো না থাকে অর্থাৎ উপরের অংশে রক্ত ভেসে আসতে দেখা যায় তবে সাথে সাথে তা চেঞ্জ করা উচিত এবং কোনভাবেই চার ঘণ্টার বেশি একটি প্যাড পরা উচিত নয়।

কিন্তু চতুর্থ বা পঞ্চম দিন থেকে রক্তস্রাবের পরিমাণ কিছুটা কমে আসে। এসময় অনেকেই আছেন যারা একটি স্যানিটারি ন্যাপকিন কম ব্লিডিং হয়েছে ভেবে দীর্ঘসময় ধরে ব্যবহার করেন। এতে করে সেই রক্ত দ্রুত শুকিয়ে সেখানে জীবানুর আক্রমণ হয় যা যোনিপথের সংস্পর্শে এসে চুলকানি, ফোঁড়া, যৌনাঙ্গের নানান রকম অসুখ ও ফাঙ্গাল ইনফেকশন ইত্যাদি সৃষ্টি করে। লোভনীয় বিজ্ঞাপনে প্রভাবিত হয়ে মেয়েরা চব্বিশ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে স্যানিটারি ন্যাপকিন পরে থাকে। কিন্তু এ ধরনের প্যাড দীর্ঘসময় শুকনো রাখার জন্য ‘সেলুলোজ জেল’ নামক উপাদান ব্যবহার করা হয় যা জরায়ুমুখের ক্যান্সার-এর জন্য দায়ী। তাই এ বিষয়ে নিজ দায়িত্বে সচেতন হতে হবে।

পিরিয়ড-কালীন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা

পিরিয়ড-এর সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা খুবই জরুরী। প্রত্যেকবার স্যানিটারি ন্যাপকিন বদলের সময় নিজেকে ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে। স্কুল, কলেজ বা অফিসে সম্ভব না হলেও বাড়িতে থাকাকালীন সময়ে হালকা গরম পানির সাথে জীবাণুনাশক সাবান বা বডি ওয়াশ দিয়ে ভালোভাবে নিজেকে পরিষ্কার করুন। স্যানিটারি ন্যাপকিন পরিবর্তনের সময় পরনের প্যান্টি-ও বদলে ফেলবেন। এটা জরুরী। নাহলে এত কষ্ট করে পরিষ্কার হবার কোন মানে নেই। ব্যবহৃত প্যান্টি ধোয়ার সময় স্যাভলন বা জীবাণুনাশক লিকুইড দিয়ে ধুয়ে নেয়া ভালো।

সামাজিক কিছু ভুল ধারণা

শারিরীক অস্বস্তির পাশাপাশি নানান রকম কুসংস্কারের কারনে প্রাচীনকাল থেকেই পিরিয়ড মেয়েদের জন্য গোপন ও লজ্জাজনক। মাসিক হলে ঘরের বাইরে বের হওয়া যাবে না, শরীরে পানি লাগানো যাবে না, চুল ধোয়া যাবে না, বিছানায় শোয়া যাবে না… এছাড়াও আরো কত কী!! কিন্তু এ সবই ভুল ধারণা। এই সময় ঘরের কোনায় না থেকে বাইরের আলো বাতাসের সংস্পর্শে থাকা উচিত। নিয়মিত গোসল করা ও পরিষ্কার কাপড় পরা উচিত। এছাড়াও পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে মেয়েরা রান্নাঘরে ঢুকতে পারবে না, আচারে হাত দিতে পারবে না এরকম কিছু ভ্রান্ত ধারণাও প্রচলিত আছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

পিরিয়ড নিয়ে কিছু টিপস

থাকুন হাসিখুশি। পছন্দের কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখুন, চাপমুক্ত থাকুন।
পিরিয়ড-এর সময় চুপচাপ শুয়ে বসে না থেকে হালকা কিছু ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ করুন। রক্ত প্রবাহ নিয়মিত করতে ও ব্যথা কমাতে এটি খুবি উপকারী।
এ সময় তলপেটে হালকা ব্যথা হওয়া খুবই স্বাভাবিক। এই ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে শুরুতেই পেইনকিলার খাওয়া উচিত নয়। হট ওয়াটার ব্যাগ-এ গরম পানি নিয়ে তলপেটে হালকা সেঁক দিলে ব্যথা অনেকটাই কমে যায়।

ভারী কাজ বা ব্যায়াম থেকে বিরত থাকতে হবে।
প্রচুর পরিমাণে পানি, ফলের জুস ও শরবত জাতীয় খাবার-এ সময় শরীরকে ফ্রেশ রাখতে সাহায্য করে।
শরীরে আয়রন-এর ঘাটতি পূরণ করতে এ সময় খাদ্যতালিকায় বাড়তি সবুজ শাকসবজি, মাছ, মাংস, কলিজা ইত্যাদি রাখতে হবে।
বিভিন্ন রকম ফলমূল যেমন: কলা, পেয়ারা, আমড়া, লেবু, জলপাই, পেপে, আনারস ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি সরবরাহ করে, যা আয়রন-এর শোষণ ও কার্যক্ষমতা বাড়ায়।
প্রতি মাসে নিয়ম করে এই নির্দিষ্ট কয়েকটি দিন প্রতিটি মেয়ের জীবনেই পার করতে হয়। প্রকৃতির নিয়ম মেনেই এই চক্র চলে। এটি নারীর শরীরবৃত্তীয় অধিকার, সুস্থতার একটি অংশ। তাই পিরিয়ড নিয়ে এখন আর কোন অজ্ঞতা, লজ্জা বা দ্বিধা মনে পুষে রাখা চলবে না। বয়ঃসন্ধির আগেই পরিবারের মেয়ে শিশুটির পাশাপাশি ছেলে শিশুটিকেও পিরিয়ড সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা দিতে হবে। এভাবেই আস্তে আস্তে সমাজ থেকে পিরিয়ড নিয়ে সকল ভুল ধারণা ও ট্যাবু দূর করা সম্ভব।

Address

Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rizwan Health Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Rizwan Health Care:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram