Dr. Nazia Binte Alamgir

Dr. Nazia Binte Alamgir Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Nazia Binte Alamgir, Doctor, Dhaka.
(1)

ডাঃ নাজিয়া বিনতে আলমগীর।
গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যা বিভাগ।
(বিশেষ প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত ও অভিজ্ঞ -
উচ্চ ঝুঁকিপুর্ন মাতৃত্ব ব্যবস্থাপনা, সুস্থ ও নিরাপদ ডেলিভারি, বন্ধ্যাত্ব ও পরিবার পরিকল্পনা ব্যবস্থাপনা)

11/01/2026

শীতকালে কি শরীরে পানির চাহিদা কমে যায়?
যোনিপথ, ইউরিন ইনফেকশন বাড়ে কেনো?
জেনে নিন -
সঠিক কারন, তথ্য, করণীয়, ভুল ধারণা।

ডা. নাজিয়া বিনতে আলমগীর।
গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যা আলোচক, সার্জন।

#ইউরিন_ইনফেকশন
#যোনিপথ_ইনফেকশন


**nalCandidiasis

26/12/2025

অপারেশন থিয়েটার কি অনেক ভয়ের জায়গা?
বেবি ডেলিভারি আর নিজের চিন্তা, দ্বিধা, ভয়, দুশ্চিন্তা - এসব কি শুধুই প্রেগন্যান্ট মেয়েটি একা'ই ভোগে?
তাকে সহজ, সাবলীল, দুশ্চিন্তামুক্ত করা কতোটুকু আমাদের চিকিৎসকদের কাজ?

আসুন,
দেখি ও শুনি যখন আমি বেবি ডেলিভারি শুরু করছিলাম, তখন আমার রোগীকে মনে ভরসা আর সাহস দেবার জন্য কি কথোপকথন হচ্ছিলো... 😘🥰

ডা. নাজিয়া বিনতে আলমগীর।
গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যা আলোচক, সার্জন।

24/12/2025

আমার নিয়মিত চেক আপ এর রোগি, সাবিকুন নাহার।

প্রথম সন্তান'টি গর্ভেই মৃত্যু হয়েছে,
অনিয়ন্ত্রিত প্রেগন্যান্সি ডায়বেটিস ও অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ, প্রি একলাম্পশিয়া ইত্যাদি জটিলতা। সঠিক সময়ে রোগ ডায়গনোসিস না হওয়া, গাফিলতি ও সঠিক সিদ্ধান্তের অভাবে।

তাই, এবারের সন্তানটি ছিলো তার বহূল আকাংক্ষিত, আরাধ্য। পুরো প্রেগন্যান্সি ছিলো দুশ্চিন্তায় -
আমার সন্তান সুস্থ হবে তো??
তাই,

৩৭+ সপ্তাহে অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস জটিলতা এড়াতে সঠিক সময়ের সিদ্ধান্তে সিজারিয়ান সেকশন ডেলিভারি ও সুস্থ সন্তান প্রাপ্তি।

মায়ের খুশিমুখ আমাদের কাজের বড় প্রাপ্তি, আলহামদুলিল্লাহ ❤️

ডা. নাজিয়া বিনতে আলমগীর।
গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যা আলোচক, সার্জন।

 ে_বেবি_ডেলিভারি  #ডা_নাজিয়া_নতুন_চেম্বার    আস-সালামু আলাইকুম।আশা করি, পরিবার সহ সবাই সুস্থ আছেন কিম্বা থাকবার চেষ্টায় ...
18/12/2025

ে_বেবি_ডেলিভারি
#ডা_নাজিয়া_নতুন_চেম্বার



আস-সালামু আলাইকুম।

আশা করি, পরিবার সহ সবাই সুস্থ আছেন কিম্বা থাকবার চেষ্টায় আছেন।

প্রায়শই আমাকে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে গর্ভবতী মেয়েরা -
★ যারা উচ্চ ঝুঁকি পূর্ণ মাতৃত্ব -
প্রেগন্যান্সি হাই ব্লাড প্রেশার, ডায়বেটিস, হাইপো থাইরয়েড, রক্তশূন্যতা, অধিক বয়সের প্রেগন্যান্সি, টুইন/মাল্টিপল প্রেগন্যান্সি।
★ পলিসিস্টিক ওভারি রোগ, বিভিন্ন হরমোন সমস্যা।
★ বার বার এবরশন।
★ বন্ধ্যাত্ব।
★ দীর্ঘদিন ধরে ইউরিন, জরায়ু, যোনিপথ বিভিন্ন গাইনি ইনফেকশন।
★ জরায়ু টিউমার, ওভারী সিস্ট, ব্রেস্ট টিউমার, সিস্ট।
★ সহবাসে অণীহা, অসুবিধা, করতে না পারা, শুষ্ক যোনিপথ।
★ বেবি ট্রাই এর ক্ষেত্রে স্বামীদের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা।

ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন এবং সময় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা। রোগ বোঝা, সমাধান, কারণীয়, জটিলতা, ফলোআপ ইত্যাদি নিয়ে কোনো বিস্তারিত আলোচনা করার সুযোগ পাচ্ছেন না। হতাশায় ভুগে চিকিৎসা ছেড়ে দিচ্ছেন কিম্বা নিজেদের মূল্যবান সময় নষ্ট করছেন..

কমার্শিয়াল ডাক্তারদের প্র‍্যাক্টিস এ ঘুরে ঘুরে রোগ না বুঝে, সমাধান না পেয়ে ক্লান্ত।
জটিল গর্ভাবস্থায় করণীয় কি, জটিলতা কি, রিস্ক ফ্যাক্টর কি, ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ এর গুরুত্ব, বাসায় নিজ সমস্যা দেখভাল করা, সঠিক পুষ্টি -খাবার-জীবনযাপন পদ্ধতি না জানা নিয়ে বিরক্ত ও ক্লান্ত।

কোথায় সুবিধা অনুযায়ী ডেলিভারি করালে সঠিক পারিবারিক কাউন্সিলিং, চিকিৎসা, চিন্তামুক্ত থাকা যায় ভাবছেন...

কিম্বা, সম্পূর্ণ প্রেগন্যান্সিতে আমার চেক আপ এ থাকার পরেও আর্থিক, পারিবারিক সমস্যার কারনে বড় হাস্পাতালের খরচ বহন করতে না পারার কারনে, ইচ্ছা থাকা স্বত্তেও আমার কাছে ডেলিভারি করাতে পারছেন না...

তাদের সবার কথা বিবেচনায় রেখে, বিভিন্ন ডাক্তার ও হস্পিটালে সহযোগিতায় নিয়ে এসেছি-
★ কম খরচে উন্নত ও সঠিক চিকিৎসা, ডেলিভারি নিশ্চিত করা।
নরমাল ডেলিভারি কিম্বা সিজারিয়ান ডেলিভারি সবকিছুই থাকবে আপনার সীমা ও সাধ্যের মাঝে।

সম্পূর্ণ আমার ত্বত্তাবধানে, দক্ষ অভিজ্ঞ সহকারী, নার্স টীমের সহযোগিতায়।

আমার নতুন চেম্বার ও ডেলিভারি স্থান-

★ খিলগাঁও চেম্বার --

রয়েল এইড হাসপাতাল।
৪২৭/সি, খিলগাঁও।
(খিলগাঁও মডেল হাই স্কুলের বিপরীতে)
রোগী দেখার সময় :
প্রতি সোমবার সন্ধ্যা ৬-৯ টা।
প্রতি মংগলবার বিকাল ৫-৮ টা।

★ভিজিট ফি, সিরিয়াল, চেম্বার সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন :
০১৪০০১১০০৯৩,
০১৭৩৪২৭১৭৪৮

ধন্যবাদ ও শুভকামনা।
ডা. নাজিয়া বিনতে আলমগীর।
গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যা আলোচক, সার্জন।

10/12/2025

#বেবি_ডেলিভারি_পরবর্তী_নতুন_মায়েদের_শারীরিক_ও_মানসিক_অসুস্থতার_কারন

★ মা নিজের যত্ন করবার যথেস্ট সময় পাচ্ছেন না।
★ বেবিকে ব্রেস্টফিড করাতে হলে মা'কে প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাবার দ্বিগুন পরিমানে খেতে হবে। যা হয়তো খাওয়া হচ্ছে না।
★ মা'কে যথেস্ট ঘুম ও রেস্ট এর সময় দেওয়া হচ্ছে না।
★ আয়রন, ভিটামিন, ক্যালশিয়াম সাপ্লিমেন্ট (যা পুরো প্রেগন্যান্সি) ও ডেলিভারির পরেও ২-৩ মাস খেতে হয়, তা নিয়মিত খাচ্ছেন না।
★ বেবির সম্পূর্ণ দায়িত্ব মা'কে একা সামলাতে হচ্ছে।
★ সিজারিয়ান মায়েদের নিজ শরীর, চলাফেরা, স্বাভাবিক জীবন যাত্রা ফিরে পেতে সময় লাগে। যা এসময়ে তাকে না দেওয়া হকেই শরীর ও মন দুই'ই খারাপ হতে বাধ্য।
★ সহবাস, মানসিক সংগ, বেবি কেয়ার ভাগ করে নেওয়া ইত্যাদি বিষয়ে নিজ জীবন সংগী যথেস্ট মনোযোগী নন। যা নতুন মায়ের অবসাদের কারন হতে পারে।
★ হরমোন এর বদল শরীর ও মনের উপর প্রতিক্রিয়া ফেলে, যা পরিবারকে বুঝতে হয়।
★ পারিবারিক ও সামাজিক অবুঝদার আচরণ, মায়ের কাছ থেকে অধিক চাওয়া, মা'এর চাহিদা বুঝতে না চাওয়া, বাচ্চার প্রতি অধিক মনোযোগ ইত্যাদি সবকিছুই নতুন মায়ের শরীর মনের প্রতি বিরূপ প্রভাব ফেলে।
★ নিজ শরীরের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে পেতে কাছের মানুষের সহমর্মিতা, সহযোগিতা ও সময় না দেয়া।
★ সন্তান লালন পালন করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত উপদেশ শোনা। মানসিক চাপ, অবসাদ বেড়ে যাওয়া।
★ মনের জোর কমে যাওয়া, অতিরিক্ত ভয় পাওয়া, ভুলে যাওয়া, মেজাজ খিটখিটে থাকা বেড়ে যাওয়া।

সমাধানের পথ একটাই:
নতুন সন্তান পরিবারের মুখে হাসি নিয়ে আসে।
কিন্তু, নতুন মা'কে অবহেলা অবজ্ঞা করে নয়!

সন্তানের দায়িত্ব ভাগ করে নিন। প্রয়োজনীয় কাউন্সিলিং নিন। সরাসরি ডাক্তার দেখিয়ে মায়ের শারীরিক মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।

ধন্যবাদ,
ডা. নাজিয়া বিনতে আলমগীর।
গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যা আলোচক, সার্জন।

09/12/2025

#পিরিওড_অনিয়মিত_সমস্যার_মূল_কারনগুলি_হতে_পারে

★ বিভিন্ন হরমোন সমস্যা (Thyroid, Prolactin etc)
★ অতিরিক্ত রক্তশূন্যতা।
★ অতিরিক্ত পুষ্টিহীনতা।
★ ক্রমশ অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি।
★ ওভারিতে বিভিন্ন সিস্ট (PCOD, Chocolate cyst etc..)
★ জরায়ু টিউমার (Fibroid), ইনফেকশন (Endometriosis, Adenomyosis)
★ ভুল নিয়মে, অনিয়মিত ভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল খাওয়া।
★ অসচেতনতায় বারবার ইমারজেন্সি পিল খাওয়া।
★ অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, ক্লান্তি, মানসিক অবসাদ।

★ যেহেতু অনিয়মিত পিরিওড এর কারন বিভিন্ন হতে পারে, তাই মূল কারন বের না করে চিকিৎসা করালে কখনো সমস্যার সমাধান হবেনা। অধিকাংশ কারন গুলো রোগ সম্পর্কিত।
তাই, সরাসরি চেক আপ, সমস্যার বিস্তারিত তথ্য জানা ও প্রয়োজনীয় টেস্ট করে রোগ ডায়গনোসিস করা জরুরি। রোগ বুঝে সম্পূর্ণ চিকিৎসা করালেই সুস্থ থাকা সম্ভব।

মনে রাখতে হবে, পিরিওড প্রব্লেম এর কোনো "আপাতত চিকিৎসা" নেই। যারা এরকম ভাবে চিকিৎসা নেন কিম্বা দেন দুজনেই ভুল করেন ও করছেন।

ধন্যবাদ।
ডা. নাজিয়া বিনতে আলমগীর।
গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যা আলোচক, সার্জন।

 #প্রেগন্যান্সিতে_কি_নিয়মে_ঘুমানো_উচিত_জরুরি? গর্ভবতী মায়েদের সবচেয়ে সাধারণ প্রশ্নগুলোর একটি- “কত সপ্তাহ থেকে বাম পাশে ঘ...
07/12/2025

#প্রেগন্যান্সিতে_কি_নিয়মে_ঘুমানো_উচিত_জরুরি?


গর্ভবতী মায়েদের সবচেয়ে সাধারণ প্রশ্নগুলোর একটি-
“কত সপ্তাহ থেকে বাম পাশে ঘুমাতে হবে?”

চলুন সহজ ভাষায় জেনে নেওয়া যাক।

★ কখন থেকে বাম পাশে হয়ে ঘুমাতে হয়?
-- সাধারণভাবে ২০ সপ্তাহ (৫ মাস) এর পর থেকে বাম পাশে ঘুমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।
-- কারণ এই সময়ের পর বেবি, প্ল্যাসেন্টা ও লিকুইডসহ জরায়ুর আকার বড় হয়ে মায়ের প্রধান রক্তনালী
—Inferior Vena Cava (IVC)-তে চাপ সৃষ্টি করতে পারে, যা পেটের ডান পাশে থাকে।
তাই বাম পাশে ঘুমালে এই চাপ কমে যায়। রক্ত চলাচল ভালো হয়। এবং বেবিও বেশি অক্সিজেন পায়।

★ কেন বাম পাশ হয়ে শোয়া/ঘুমানো ভালো?

-- মায়ের রক্ত সঞ্চালন বাড়ে।
বাম পাশে ঘুমালে IVC-তে চাপ পড়ে না।
হৃদপিণ্ডে রক্ত প্রবাহ বাড়ে। মা স্বস্তি পায়।

★ বেবির অক্সিজেন সাপ্লাই উন্নত হয়।
প্ল্যাসেন্টায় পর্যাপ্ত রক্ত সরবরাহ হয়।
বেবির বৃদ্ধি ভালো হয়।

★ কিডনি ভালোভাবে কাজ করে।
শরীরের তরলের পরিমান ঠিক থাকে।
পা ফুলে যাওয়ার প্রবণতা (edema) কমে আসে।

★ Blood Pressure (রক্তচাপ) নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
Pre-eclampsia, Eclampsia এর ঝুঁকি কিছুটা কমে।

★★ ডান পাশে ঘুমানো কি নিষেধ?
-- একেবারে নিষিদ্ধ নয়।
-- তবে ২০ সপ্তাহের পর দীর্ঘক্ষণ ডান পাশে বা চিত হয়ে ঘুমানো অনেকের জন্য অস্বস্তিকর হতে পারে।

★★ চিৎ হয়ে ঘুমালে কী হয়?

-- জরায়ু রক্তনালিকে কে চাপ দেয়।
-- মাথা ঘোরা।
-- শ্বাসকষ্ট।
-- হার্টবিট বেড়ে যাওয়া।
-- বেবির রক্ত সরবরাহ কমে যেতে পারে।
তাই দীর্ঘ সময় চিৎ হয়ে থাকা এড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।

★★ যদি রাতে ভুল করে চিৎ হয়ে যান?

-- চিন্তার কারণ নেই!
-- পজিশন ঠিক করে আবার বাম পাশে ফিরে যান।
-- রাতে পজিশন পরিবর্তন হওয়া স্বাভাবিক।

সহজ কথা--
★ বাম পাশে বালিশ রাখুন।
★ হাঁটুর মাঝেও একটি বালিশ দিন, আরাম পাবেন।
★ যাদের হার্টবার্ন বা শ্বাসকষ্ট আছে তারা বাঁ-পাশে হালকা উঁচু হয়ে ঘুমাতে পারেন।

ডা. নাজিয়া বিনতে আলমগীর।
গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যা আলোচক, সার্জন।
(বন্ধ্যাত্ব, উচ্চ ঝুঁকি পূর্ণ মাতৃত্ব ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ ডেলিভারি ও পরিবার পরিকল্পনায় বিশেষভাবে অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত)







 #গর্ভবতী_মায়ের_মানসিক_চাপ--  জটিলতা, করণীয়, প্রতিরোধ। গর্ভাবস্থায় মানসিক চাপ—এই একটি শব্দই মায়ের মন, শরীর আর গর্ভে শিশ...
02/12/2025

#গর্ভবতী_মায়ের_মানসিক_চাপ--

জটিলতা, করণীয়, প্রতিরোধ।

গর্ভাবস্থায় মানসিক চাপ—
এই একটি শব্দই মায়ের মন, শরীর আর গর্ভে শিশুর বেড়ে ওঠাকে নীরবে বদলে দিতে পারে। সাম্প্রতিক বড় আন্তর্জাতিক গবেষণাগুলো প্রমাণ করেছে, গর্ভবতী নারী মাত্রাতিরিক্ত মানসিক চাপে থাকলে বাচ্চার ওজন, ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট এবং প্লাসেন্টার কার্যক্ষমতা পর্যন্ত কমে যেতে পারে!

এ কারণে আমরা রুটিন প্রেগন্যান্সি চেক আপে সবসময় বলে থাকি —
“মায়ের মানসিক শান্তি = বেবির সুস্থতা 🤗”

---

★ গর্ভাবস্থায় মায়ের মানসিক চাপ বেবিকে কীভাবে দুর্বল করে? (রিসার্চ–ভিত্তিক ব্যাখ্যা)

১) কর্টিসল হরমোন বেড়ে যায়।

স্ট্রেস হলে মায়ের শরীরে কর্টিসল নামের হরমোন বেড়ে যায়। এই হরমোন প্লাসেন্টার মাধ্যমে বেবির শরীরে পৌঁছালে তার গ্রোথের ওপর সরাসরি প্রভাব পড়ে।
বেবির হাড়, মাংসপেশি, ব্রেইন—সব অঙ্গের বৃদ্ধি কমে যেতে থাকে।

২) প্লাসেন্টার রক্তপ্রবাহ কমে যায়।

স্ট্রেস প্লাসেন্টার ব্লাড ফ্লো কমায়। এতে--
- বেবির কাছে অক্সিজেন কম যায়।
- জরুরি সব পুষ্টি সঠিকভাবে পৌঁছায় না।

৩) ব্রেইন ডেভেলপমেন্টে প্রভাব।

রিসার্চে দেখা গেছে,
গর্ভাবস্থায় দীর্ঘ সময় মানসিক চাপে থাকলে,
বাচ্চার..
• নতুন কিছু শেখার ক্ষমতা।
• মনোযোগ।
• স্মৃতিশক্তি।
সবকিছুর ওপর ভবিষ্যতে সামান্য প্রভাব পরতে পারে।

৪) জন্মের সময় ওজনে প্রভাব।

অতিরিক্ত মানসিক চাপে, জন্মের সময় বেবির ওজন কম হতে পারে।
Low Birth Weight বাচ্চারা পরে ইনফেকশন, জন্ডিস, রক্তরোগ, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া ইত্যাদিতে বেশি ভোগে।

৫) সময়ের পূর্ব ডেলিভারির ঝুঁকি বাড়ায়।

স্ট্রেস জরায়ুর হরমোন ব্যালেন্স নষ্ট করে। ফলে বেবি পূর্ণ মাস হওয়ার আগেই জন্মানোর ঝুঁকি থাকে।

★★ মানসিক চাপ কমাতে করণীয় --

১) প্রতিদিন ২০–৩০ মিনিট হাঁটা।
২) গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম।
৩) স্বামী/পরিবারের সাথে স্বাভাবিক কথোপকথন, সুন্দর সম্পর্ক বজায় রাখা।
৪) যার যার ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী প্রার্থনা করা—যা শান্তি আনে।
৫) প্রতিদিন অন্তত ৭–৮ ঘণ্টা ভালো ঘুম।
৬) দৈনিক ভালো পুষ্টিকর খাবার গ্রহন—প্রোটিন, ফল, পানি।
৭) স্ট্রেস বাড়ায় এমন ভিডিও/নিউজ/কন্টেন্ট কম দেখা। লেখা কম পড়া।
৮) সব ভুল নিজের মনে না করা। সবকিছুতে নিজেকে দোষ না দেওয়া। নিজেকে নীচু মনে না করা।

“আমি ভালোই করছি ও ভালো আছি” ভাবনা বিশ্বাস রাখা।

---

★★ শেষ কথা--

গর্ভাবস্থায় স্ট্রেস কমানো শুধু মায়ের মনকে হালকা রাখে না—
এটা বেবির ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্য, শক্তি ও বুদ্ধিমত্তার সুরক্ষা।

আপনি যত শান্ত থাকবেন,
বেবির পৃথিবীতে আগমন তত নিরাপদ ও সুন্দর হবে।
একটু হাসি, একটু দোয়া, একটু ভালোবাসা—
এটাই আপনার অনাগত সন্তানের জন্য সবচেয়ে বড় উপহার।

ধন্যবাদ ও শুভকামনা।
ডা. নাজিয়া বিনতে আলমগীর।
গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যা আলোচক, সার্জন।

---




30/11/2025

#গর্ভবতী_মেয়েদের_ইউরিন_ইনফেকশন
UTI (Urinary Tract Infection)
-- বার বার হবার কারন, জটিলতা, করণীয়, প্রতিকার।

-- গর্ভবতী মায়েদের UTI (Urinary Tract Infection) হওয়ার ঝুঁকি সাধারণ নারীদের তুলনায় অনেক বেশি। কারণ গর্ভাবস্থায় শরীরের হরমোন, শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তন ও মূত্রনালীর চাপের কারণে মূত্রে জীবাণু সহজেই বৃদ্ধি পায়। নিচে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো।

★★ গর্ভবতী মায়েদের UTI হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ার কারণ -

1. Hormonal Changes -

গর্ভাবস্থায় progesterone হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়, যা urinary tract muscle গুলোকে শিথিল করে দেয়। ফলে মূত্র প্রবাহ ধীর হয়ে যায় এবং মুত্রথলি সম্পূর্ণ খালি হয় না। এতে ব্যাকটেরিয়া সহজে বৃদ্ধি পায়।

2. Mechanical Pressure --

গর্ভাবস্থায় জরায়ু (uterus) বড় হতে থাকে এবং তা urinary bladder ও ureter-এর উপর চাপ সৃষ্টি করে। এর ফলে মূত্র জমে থাকে এবং সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।

3. Urinary Stasis--

গর্ভকালীন সময়ে urinary tract-এ আংশিক বাধা সৃষ্টি হয়, ফলে মূত্রের প্রবাহ কমে যায়। এতে ব্যাকটেরিয়া মাত্রা বেড়ে অতিরিক্ত ইনফেকশন ঘটায়।

4. Glucosuria (মূত্রে শর্করার উপস্থিতি)--

কিছু গর্ভবতী নারীর মূত্রে শর্করা বের হয়, যা ব্যাকটেরিয়ার জন্য খাদ্য হিসেবে কাজ করে। এতে E. coli সহ অন্যান্য ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পায়।

5. Reduced Immunity --

গর্ভাবস্থায় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কিছুটা দুর্বল হয়ে যায় যাতে শরীর ভ্রূণকে ‘foreign body’ (বহিরাগত) হিসেবে না দেখে। এই কম রোগ প্রতিরোধ প্রতিক্রিয়ার কারণে সংক্রমণ সহজে হয়।

★★ অতিরিক্ত ইউরিন ইনফেকশন হবার জটিলতা --

1. Pyelonephritis (কিডনি সংক্রমণ)
2. Abortion (গর্ভপাত)
3. Preterm labor (সময়ের পূর্ব ডেলিভারি)
4. Low Birth Weight Baby (অপুষ্ট শিশু)
5. Maternal Sepsis (মায়ের রক্তে সংক্রমণ)
6. Fetal Growth Restriction (গর্ভে শিশুর কম বৃদ্ধি)

★★ UTI প্রতিরোধে করণীয়--

1. পর্যাপ্ত পানি পান করা।
প্রতিদিন অন্তত ৩-৩.৫ লিটার পানি পান করলে urinary tract ধুয়ে যায় এবং ব্যাকটেরিয়া বের হয়ে যায়।

2. Frequent urination (বার বার মূত্র ত্যাগ করা)--

দীর্ঘ সময় মূত্র ধরে রাখলে ব্যাকটেরিয়া বেড়ে যায়। তাই নিয়মিত মূত্রত্যাগ করা জরুরি।

3. Proper Ge***al Hygiene Maintain (সঠিক যোনিপথ সুরক্ষা)

-- মুত্র বিসর্জনের পর সবসময় front to back direction-এ (সামনে থেকে পেছনে) পরিষ্কার কাপড় কিম্বা স্যানিটারি টিসু দিয়ে যোনিপথ পরিষ্কার করতে হবে।

-- সুতি ছাড়া অন্যান্য কাপড়ের পোশাক, আঁটোসাটো কাপড়, ভেজা পোশাক পরা এড়ানো উচিত।

-- Void after In*******se (সহবাসের পর মূত্রত্যাগ)--

সহবাসের পর সঙ্গে সঙ্গে প্রস্রাব করলে মুত্রপথ দিয়ে প্রবেশ করা জীবাণু বের হয়ে যায়।

-- Avoid irritants
(সংক্রমণ বাড়ায় এমন উপাদান এড়ানো)-

সুগন্ধি সাবান, Va**nal Spray বা bubble bath।

-- Proper Nutrition (সঠিক পুষ্টি গ্রহন)

ভিটামিন সি এবং Cranberry Juice ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধিতে বাধা দেয়। তবে অবশ্যই যেকোনো সাপ্লিমেন্ট ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী গ্রহণ করতে হবে।

-- Regular Antenatal Check-up
(নিয়ম মতো গর্ভাবস্থায় ডাক্তার চেক আপ)

গর্ভাবস্থার শুরুতেই, চিকিৎসক এর পরামর্শ অনুযায়ী Urine Routine & Culture Test করা উচিত যাতে সংক্রমণ আগেই ধরা যায়।

মনে রাখবেন,
ইউরিন রুটিন টেস্ট করিয়ে শুধু রোগ সনাক্ত করা যায়। চিকিৎসা নিতে কালচার টেস্ট করানো জরুরি।
অনেকে অবহেলা, গাফিলতি, খরচের কারনে জরুরি টেস্ট না করিয়েই সমাধান আশা করে।

-- Doctor Prescribed Antibiotics
(চিকিৎসক অনুমোদিত এন্টিবায়োটিক সেবন)

সংক্রমণ হলে শুধুমাত্র গাইনি চিকিৎসক এর সঠিক মতামত, পরামর্শ অনুযায়ী গর্ভবতীদের জন্য নিরাপদ Antibiotic ব্যবহার করতে হবে। কখনোই নিজ থেকে, অন্যের পরামর্শ, ফার্মেসি থেকে নিজে নিয়ে যেকোনো ওষুধ খাওয়া যাবে না।

সুস্থ থাকুন।
নিরাপদ থাকুন।
নিজে সঠিক তথ্য জানুন, অন্যকে জানিয়ে সহযোগিতা করুন।

ধন্যবাদ।
ডা. নাজিয়া বিনতে আলমগীর।
গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যা আলোচক, সার্জন।

26/11/2025

#সহবাসে_যোনিপথ_শুষ্ক_থাকা -(Dry Va**na)
কারন, করণীয়, চিকিৎসা।

বিবাহিত কাপলদের মাঝে এটা এখন একটা প্রায় সাধারণ সমস্যা।
ইদানীং প্রায়ই এই সমস্যা নিয়ে মেয়েরা চেম্বারে আসেন। এমন নয়,
আগে কখনো কারো এই সমস্যা হতো না। কিন্তু, এখনকার মেয়েরা সচেতন বেশি।
অন্যের সমস্যা শুনে, বুঝে, পড়াশোনা করে বুঝতে পারে এটা তার নিজের'ও একটা সমস্যা।
তাই, বহু বছরের বিবাহিত জীবনে ভুক্তভোগী নারীরাও এখন সমস্যা সমাধান করতে চান।

জানতে হবে,
এই ড্রাই ভ্যাজাইনা, সহবাসে অণীহা হবার একটি বড় কারন। এটা রোগ নয়। বরং বিভিন্ন ধরনের রোগের লক্ষ্মণ। যার জন্য বিবাহিত জীবনের যে পর্যায়েই সমস্যা ধরা পড়ুক, সঠিক কারন বের করে সমাধান করতে হবে।

"ড্রাই ভ্যাজাইনা" সমস্যা হয় নারীর।
কিন্তু অবশ্যই দম্পতিকে চেম্বারে এসে ডাক্তারের সাথে মূল সমস্যা বোঝা, চিকিৎসা ও করণীয় আলোচনা করতে হবে।

★★ লক্ষনসমুহ--

★যোনীপথে ও তলপেটে ব্যাথা, অস্বস্তি অনুভব।
★ জ্বালাপোড়া।
★ সহবাসের ইচ্ছা কমে যাওয়া।
★ সহবাসে ব্যাথা।
★ কখনো কখনো সহবাসে ব্লিডিং।
★ যোনীপথে চুলকানি।
★ ইউরিনে সংক্রমন/ইনফেকশন।
★ যোনীপথে ছিলে যাওয়া ও টনটন ব্যাথা অনুভব হওয়া।

★★ কারনসমুহ --

ইস্ট্রোজেন নামক নারী হরমোন শরীরে কম থাকা।
কিম্বা, হঠাৎ করে কমে যাওয়ার ফলে এই সমস্যা হয়ে থাকে।

কিছু স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় কারন-
১। ওভুলেশনের পর (রেগুলার পিরিয়ডের ১২- ১৪তম দিন)
২। বেবি ডেলিভারির পর (হরমোন পরিবর্তন এর কারনে)
৩। ব্রেস্টফিডিং কালিন সময়ে (হরমোন পরিবর্তন এর কারনে)
৪। প্রি মেনোপজ/মেনোপজ (মাসিক বন্ধ হয়ে যাবার আগে ও পরে) হরমোন পরিবর্তন এর কারনে।

★অন্যান্য--
-- পলিসিস্টিক ওভারি ডিজিজ (PCOD)
-- হরমোন সমস্যা।
-- নারীর দীর্ঘ কালীন ধুমপানের অভ্যাস।
-- যেকোনো প্রয়োজন এ ডিম্বথলি অপারেশন করে ফেলে দেওয়া। (Oophorectomy)
-- ক্যানসার চিকিৎসা -- কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি।
-- ফাইব্রয়েড (জরায়ু টিউমার/এন্ডোমেট্রিওসিস (জরায়ু ইনফেকশন) ইত্যাদি রোগের চিকিৎসায় ব্যবহার করা মেডিসিন এর সাইড ইফেক্ট।
-- বারবার যোনিপথ ইনফেকশন।
-- দীর্ঘদিন চলা ডিপ্রেশন এর কিছু মেডিসিন এর সাইড ইফেক্ট।
-- সহবাসে ভয়, লজ্জা, সাইকোলজিক্যাল/মানসিক জড়তা।
-- স্বামী স্ত্রীর সহবাসে দুজনের সঠিক ইচ্ছে না থাকা।
-- জোরপূর্বক সহবাস।
-- সঠিকভাবে নারী সংগীকে শারীরিক ভাবে উত্তেজিত কর‍তে না চাওয়া, না পারা।
-- স্বামী-স্ত্রী এর মাঝে মানসিক দ্বন্দ্ব, সম্পর্ক ভালো না।
পারিবারিক কলহ, অশান্তি।
-- বিয়ের পূর্বে অন্য কোনো সম্পর্কে অভ্যস্ত।
ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিবাহ।
-- দুজন দুজনের প্রতি মানসিক আকর্ষণ না থাকা।

★ করণীয় --

প্রথম করণীয়,
এটা একটি সমস্যা। সেটা বুঝে নেওয়া।
স্বাভাবিক ভাবে যে সময়গুলিতে এমন থাকতে পারে, সেটাও সঠিক পরামর্শ ও চিকিৎসায় ঠিক হয়।
অন্যান্য সমস্যা আছে কি না, কাপলের নিজেদের মাঝে বোঝাবুঝির অভাব আছে কি না।
লুকায়িত সমস্যা আছে কি না।
সবকিছু নিয়ে সঠিক ডাক্তার এর কাছে একসাথে দুজন যাওয়া ও সমস্যা বিস্তারিত শেয়ার করা।

★ স্বামীর করণীয় --
স্ত্রী আপনার জীবন সংগী।
শুধুই বিছানার আনন্দ-সংগী নয়!
তাকে ভালোবাসুন।
তার ইচ্ছা-অনিচ্ছা, ভালো-খারাপ লাগার মূল্য দিন।
ক্লান্তি, শারীরিক ও মানসিক অবসাদ এ পাশে থাকুন।
রোগে, শোকে, নতুন পরিচয় এ, সংসার, পরিবার এর দায়িত্বে, ঝামেলায় অংশীদার হোন।
সে আপনার সেবা-দাসী নয়।
সহবাস-সুখ যেনো হয় পারষ্পরিক বোঝাপড়া, আনন্দের বিষয়।

★ স্ত্রীর করণীয় --
স্বামী আপনার জীবন সংগী।
তিনি আপনার সম্মান ও ভালোবাসার পাত্র।
কিন্তু প্রভু নন!
আপনি তার দাসী নন।
নিজ সমস্যা, ভয়, লজ্জা, অসুস্থতা, ক্লান্তি, অবসাদ অকপটে তার সাথে শেয়ার করুন।
প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য সময় নিন।
নিজেদের মাঝে বন্ধুত্ব সৃষ্টি করুন।
সহবাস-সুখ যেনো হয় পারষ্পরিক বোঝাপড়া ও আনন্দের বিষয়।

প্রতিটি নারী ও কাপলের জন্য সমস্যার ধরন, সময়, কারন ভিন্ন হতে পারে।
তাই, প্রত্যেকের জন্য যার যার শারীরিক সমস্যা বের করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিতে হবে।

★ একজন গাইনোকলোজিস্ট এর সাহায্য প্রথমেই আপনার প্রয়োজন।
যিনি বিস্তারিত বুঝে আপনার রোগ ডায়গনোসিস করবেন। এবং পরবর্তী করণীয় বুঝিয়ে দেবেন।
★ ডেলিভারির পর, ব্রেস্টফিডিং কালীন সময়ে মা'কে যথাযথ ঘুম, রেস্ট, খাবার, যত্ন করতে হবে।
এতে সে স্বাভাবিকভাবেই সঠিক ফিটনেস ফিরে পাবে।
★ হরমোন সমস্যা, PCOD, জরায়ু ইনফেকশন, টিউমার ইত্যাদি সমস্যায় চিকিৎসারত নারীকে মানসিক সাপোর্ট দিতে হবে।
★ অনিয়মিত, অগোছালো জীবন যাপন করেন যে নারী তিনি নিজের খাবার, ঘুম, স্ট্রেস ঠিক করুন।
সুস্থ স্বাভাবিক জীবন যাপন করুন। ধূমপান পরিহার করুন।
★ বারবার যোনিপথ ইনফেকশনকে অবহেলা করা যাবে না। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা, নিয়ম মেনে চলতে হবে।
★ হরমোন সমস্যা, পুষ্টিহীনতা ইত্যাদির জন্য হরমোন স্পেশালিষ্ট ও নিউট্রিশনিস্ট এর সাহায্য নিতে হবে।
★ মানসিক সমস্যা, দুজনের ভুল বোঝা, ভুল ধারণা, দুজনের মতের ও মনের অমিল'কে একসাথে বসে সমস্যা শোনা, বোঝা৷
সমাধান বোঝা ও প্রয়োজনীয় কাউন্সিলর এর সাহায্য নিতে হবে।

★ শেষ কথা--
ড্রাই ভ্যাজাইনা কোনো রোগ নয়।
নারী জীবনের যেকোনো সময়ে, অবস্থায় এমন হতে পারে।
স্বাভাবিক সময় গুলিকে মেনে নেবার মানসিকতা থাকতে হবে।
অস্বাভাবিক কারনগুলির চিকিৎসা কালীন সময়ে জীবনসঙ্গীর সাপোর্ট থাকতে হবে।

কিন্তু এই সমস্যা অনেক রোগ ও ঝামেলার কারন মাত্র।
পারিবারিক, বৈবাহিক জীবনের অনেক অশান্তি, কলহ, ভুল বোঝাবুঝির কারন।

তাই,
রোগ ডায়গনোসিস ও চিকিৎসা নেবার পাশাপাশি,
পরষ্পরের সমস্যার প্রতি স্বামী স্ত্রী উভয়ের সহনশীল মানসিকতা, শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, সাপোর্ট থাকা অনেক বেশি জরুরি।

ধন্যবাদ ও ভালোবাসা

 #পুরুষের_শরীরে_টেস্টোস্টেরন_হরমোন_কমে_যাওয়া--আমরা নারীদের শরীরের বিভিন্ন ধরনের রোগ ও সমস্যা নিয়ে যতো সচেতনতা দেখাই, চিন...
21/11/2025

#পুরুষের_শরীরে_টেস্টোস্টেরন_হরমোন_কমে_যাওয়া--

আমরা নারীদের শরীরের বিভিন্ন ধরনের রোগ ও সমস্যা নিয়ে যতো সচেতনতা দেখাই, চিন্তিত হই ও আলোচনা করি, তার ১০ ভাগ পুরুষদের হরমোন ও ব্যাক্তিগত সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয় না। সচেতনতা আরো নেই।

তাই, আজকের আলোচনার বিষয় পুরুষদের হরমোন এর পরিমাণ তারতম্য হলে, এর প্রধান লক্ষ্মণ কি কি হয়। এবং স্বাভাবিক জীবনের ছন্দপতন কিভাবে ঘটে জেনে নেওয়া।

আমরা স্বাভাবিক পুরুষদের যে বাহ্যিক রূপ, আচরণ, ভাবনা, কাজ দেখতে পাই তা নিয়ন্ত্রণ করে যে হরমোন তার নাম টেস্টোস্টেরন।

পুরুষ ও নারী উভয়ের শরীরেই এই হরমোন কম বেশি আছে, তবে ১৩-১৪ বয়সের পর ছেলেদের শরীরে এই হরমোনের আধিক্য হয় এবং পুরুষালী রূপ, আচরণ প্রকাশ পায়।
যা তাদের স্বাভাবিক জীবনযাপন, জীবন আচরণ, বংশবৃদ্ধির জন্য অবশ্য জরুরি বিষয়।

স্বাভাবিক প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোন এর পরিমাণ থাকা উচিত (আনুমানিক) ৩০০-১০০০ ন্যানো গ্রাম/ডেসিলিটার।
(৩৫+ বয়স বাড়ার সাথে সাথে কিছু তারতম্য স্বাভাবিক)

এতো জরুরি হরমোন যা পুরুষদের প্রায় সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে, তা শরীরে সঠিক পরিমানে থাকা কেনো জরুরি বুঝেছেন। তাহলে জেনে নিন,
হরমোনের পরিমাণ কমে গেলে কি কি ঘটতে পারে।

★★ উপসর্গ সমূহ--
১. যৌন আগ্রহ কমে যায় (low libido)।
২. লিংগ উত্থান(Erection) ধরে রাখতে সমস্যা হতে পারে।
৩. শরীরে ক্লান্তি বাড়ে এবং এনার্জি কমে যায়।
৪. মাংসপেশি ধীরে ধীরে শিথিল হয়ে যেতে থাকে।
৫. শরীরে অনাকাঙ্ক্ষিত চর্বি বাড়তে পারে, বিশেষ করে পেটের চারপাশে।
৬. ঘন ঘন মুড সুইং হতে থাকে। ডিপ্রেশন ধরনের অনুভূতি দেখা দিতে পারে।
৭. মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়, স্মৃতিশক্তিও কমে যেতে পারে।
৮. হাড়ের ঘনত্ব কমে গিয়ে ভবিষ্যতে হাড় ক্ষয় রোগ (Osteoporosis) এর ঝুঁকি বাড়ায়।
৯. ঘুমের সমস্যা হতে পারে।
১০. কিছু ক্ষেত্রে দাড়ি–গোঁফ বা শরীরের লোম কমে যেতে পারে।
১১. অতিরিক্ত রেগে যাওয়া বা বিরক্তি বেড়ে যেতে পারে।
১২. স্পার্ম কাউন্ট কমে গিয়ে প্রজননক্ষমতা (fertility) কমে যেতে পারে।

★ মনে রাখা জরুরি,
এসব শারীরিক লক্ষ্মণ বিভিন্ন কারনেই হতে পারে, শুধুমাত্র টেস্টোস্টেরন হরমোন কম, এটা নিশ্চিত নয়।
তাই, বিস্তারিত সরাসরি চেক আপ, তথ্য আলোচনা, সঠিক পরীক্ষা ছাড়া কখনো সমস্যা নিশ্চিত হয় না।


তবে, এ ধরনের রোগ লক্ষ্মণ বহুদিন থেকে খেয়াল করলে অবশ্যই দ্রুত সচেতন হোন। গাফিলতি না করে, গাইনি, মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক মতামত নিন। রোগ নির্নয় ও সুচিকিৎসা নিন।

ডা. নাজিয়া বিনতে আলমগীর।
গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যা আলোচক, সার্জন।





19/11/2025

#প্রেগন্যান্সিতে_অতিরিক্ত_ওজন_বৃদ্ধি
আপনার স্বাভাবিক প্রেগন্যান্সি, বেবি ডেলিভারি ও ডেলিভারি পরবর্তী সময়কে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে!?

আসুন জেনে নেই,
কিছু ভুল ধারণা ও সঠিক তথ্য।

আমাদের দেশে খুব স্বাভাবিক একটা ব্যাপার,
প্রেগন্যান্সির সময়ে মেয়েরা প্রায় ১৬-১৭ কেজি ওজন বাড়িয়ে ফেলেন। ক্ষেত্রবিশেষে আরও অনেক বেশি।
দেখা যায় ৫ ফিট উচ্চতার একজন মেয়ে প্রেগন্যান্সির সময়ে ৫২/৫২ কেজি থাকলেও ডেলিভারির সময় তার ওজন গিয়ে দাঁড়ায় ৭০+ কেজি।
যার, আগে ৭০-৮০ কেজি ছিলো তার অবস্থা দাঁড়ায় ১০০, ১২০+ কেজি!

প্রেগন্যান্সির অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধির জটিলতা --
★ প্রেগন্যান্সি হাই ব্লাড প্রেশার।
★ প্রেগন্যান্সি ডায়বেটিস।
★ শরীরে বিভিন্ন হাড়, মাসল ব্যাথা।
★ স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যহত।
★ শরীরে অতিরিক্ত পানি চলে আসা।
★ বেবি সঠিক পুষ্টি না পাওয়া।

প্রেগন্যান্সিতে হেলদি খাবার খেতে আমরা পরামর্শ দেই।
কিন্তু, অনেকেই হিমশিম খান কীভাবে অতিরিক্ত ওজন ম্যানেজমেন্ট করবেন।
কি ধরনের খাবার খেলে অতিরিক্ত ওজন বাড়বে না।
কিন্তু নিজে ও বেবি সুস্থ থাকবেন।

★ প্রথমেই রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট এর পরিমান কমিয়ে দেয়া। সাদা চাল,আটা বাদ দিয়ে লাল চালের ভাত, ওটস, লাল আটা এগুলো খাবারে যোগ করা।

★ প্রেগন্যান্সির প্রথম দিকে অনেকেই মাছ মাংস খেতে পারেন না। গন্ধ, বমি, অরুচি হয়। সেক্ষেত্রে সরাসরি মাছ মাংস রান্না করে না খেয়ে এগুলো দিয়ে কোফতা, কাবাব টাইপের রেসিপি বানিয়ে নেয়া এবং সম্ভব হলে গরুর দুধ খেতে পারেন।

★ প্রেগন্যান্সির সময়ে আমাদের ম্যাক্সিমাম মানুষের একটা প্রবনতা থাকে অতিরিক্ত ফল খাওয়ার। কিন্তু কোন ধরনের ফল গ্রহন কিম্বা বর্জন করা উচিত, বুঝতে পারেন না। বিশেষ করে মিষ্টি ফল-- কলা, খেজুর প্রেগন্যান্সির সময়ে মেয়েরা খুবই পছন্দ করেন। আসলে এই ফল গুলোতে অল্প কিছু ভিটামিনের সাথে প্রচুর সুগার থাকে। যারা আপনার ওজনকে অতিরিক্ত করতে পারে।

★ প্রতিদিনের খাবারে সব ধরনের সবজি এবং ডাল যোগ করা।

★ আমরা সব খাবার মোটামুটি খেলেও যেটা সব থেকে বেশি এভয়েড করি সেটা হচ্ছে হেলদি ফ্যাট। আপনি কি জানেন আপনার বাচ্চার ব্রেইন ডেভলপমেন্ট এ হেলদি ফ্যাটের ভুমিকা সব থেকে বেশি?
তাই খাবারে ঘি, বাটার, অলিভ অয়েল যোগ করা উচিত পরিমিত ভাবে।

★ প্রেগন্যান্সির ১৬ সপ্তাহ কমপ্লিট হলে হালকা পাতলা এক্সারসাইজ করার চেষ্টা করা উচিত।
(একজন ক্লিনিকাল ফিজিওথেরাপিস্ট মতামত অনুযায়ী)

আমাদের এভারেজ ওয়েটের একজন নারীর,
১ম ট্রাইমেস্টারে ১৮০০।
২য় ট্রাইমেস্টারে ২২০০ এবং
৩য় ট্রাইমেস্টারে ২৪০০ ক্যালরির মত দরকার হয়৷
চেষ্টা করতে হবে এই টোটাল ক্যালরির ২০-২৫% যেন সরাসরি কার্বোহাইড্রেট (ভাত,রুটি), ২৫-৩০% প্রোটিন( মাছ, মাংস, ডিম দুধ) এবং বাকিটা ফ্যাট থেকে আসে।

★★ প্রেগন্যান্সির সময়ে ওজন নিয়ন্ত্রণ কি শুধু নরমাল ডেলিভারি হবার জন্যই জরুরি??

-- না।
প্রেগন্যান্সির সময়ে অতিরিক্ত ওজন শুধুমাত্র যে নরমাল ডেলিভারি হবার চান্স কমিয়ে দেয় এমনটা না, সাথে সাথে পরবর্তী সময়ে ডায়াবেটিস, হৃদরোগের মত ঝুঁকি বাড়ায়।

-- অনেকেরই দেখা যায় প্রেগন্যান্সির শেষের দিকে এসে ডায়াবেটিস ধরা পরে এবং নিজেদের জানার ভুল, গাফিলতির জন্যেই এটা সারাজীবন থেকে যায়।

-- আপনি সম্পূর্ণ প্রেগন্যান্সিতে যে ধরনের খাবার খাবেন সেটার প্রভাব আপনার বাচ্চার উপরে সারাজীবন থাকবে। এই খাবারগুলো বাচ্চার হাড়, ব্রেইন ডেভলপমেন্ট এ সাহায্য করবে।

-- প্রতিদিনের চেম্বার প্র‍্যাক্টিস এ,
অনেকে ৭/৮ বছরের ছোট বাচ্চা নিয়ে আসেন যাদের দেখি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স এর উপসর্গ আছে এবং হিস্ট্রি নিয়ে জানা যায়, অধিকাংশ বাচ্চার মা প্রেগ্ন্যাসির সময়ে অতিরিক্ত ওজন নিয়ে ভুগছিলেন।
........

প্রেগন্যান্সির সময়ে ওজন অবশ্যই বাড়াবেন তবে সেটা অবশ্যই হেলদি উপায়ে এবং যতটুকু বাড়াতে হবে ঠিক ততটুকুই।

প্রেগন্যান্সিকালীন সময়টা যতো আনন্দের, ততোটা জটিল।
শুধুমাত্র আপনার জন্য নয় আপনার অনাগত সন্তানের জন্যেও। মনে রাখবেন আপনার খাদ্যাভ্যাস এর বোঝা আপনার সন্তানকে বয়ে বেড়াতে হবে সারাজীবন।
তাই প্রেগন্যান্সির সময়ে ১২ সপ্তাহ পর থেকেই একজন ক্লিনিকাল নিউট্রিশনিষ্ট এর পরামর্শে থাকুন।

নিজে সুস্থ থাকুন, আর আপনার বাচ্চাকেও একটা সুস্থ সুন্দর জীবন উপহার দিন।
ধন্যবাদ ও শুভকামনা।
ডা. নাজিয়া বিনতে আলমগীর।
গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যা আলোচক, সার্জন।





Address

Dhaka
1219.

Opening Hours

Monday 12:00 - 00:00
Tuesday 12:00 - 00:00
Wednesday 12:00 - 00:00
Thursday 12:00 - 00:00
Saturday 12:00 - 00:00
Sunday 12:00 - 00:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Nazia Binte Alamgir posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category