Alternative Cure: Ruqyah and Hijamah, Bangladesh

Alternative Cure: Ruqyah and Hijamah, Bangladesh Ruqyah And Hijamah

অদৃশ্য বাতাসের মরণফাঁদ: 'ঝুলন্ত জাদু' বা 'হাওয়াই সিহর' থেকে বাঁচার উপায়।আধ্যাত্মিক ব্যাধিগুলোর মধ্যে অন্যতম জটিল ও কষ্টদ...
22/04/2026

অদৃশ্য বাতাসের মরণফাঁদ: 'ঝুলন্ত জাদু' বা 'হাওয়াই সিহর' থেকে বাঁচার উপায়।

আধ্যাত্মিক ব্যাধিগুলোর মধ্যে অন্যতম জটিল ও কষ্টদায়ক একটি ধরন হলো 'সিহরে মুআল্লাক' বা ঝুলন্ত জাদু, যাকে অনেকে 'হাওয়াই সিহর' বা বায়বীয় জাদুকর্মও বলে থাকেন। এই জাদুর বিশেষত্ব হলো, এর প্রভাব বাতাসের তীব্রতার সাথে ওঠানামা করে।

যখনই বাইরে বাতাস বা ঝোড়ো হাওয়া বয়, আক্রান্ত ব্যক্তির কষ্ট বহুগুণ বেড়ে যায়। চলুন আজ এই নীরব ঘাতক জাদুটির পরিচয়, লক্ষণ এবং এর শরীয়াহসম্মত প্রতিকার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করি।

ঝুলন্ত বা হাওয়াই সিহর আসলে কী?

এটি এমন এক ধরণের জাদুকর্ম যেখানে জাদুকর বিভিন্ন তাবিজ তৈরি করে কোনো গাছের উঁচু ডালে, ঘরের প্রবেশপথে, জানালার গ্রিলে কিংবা এমন কোনো স্থানে ঝুলিয়ে দেয় যেখানে বাতাসের প্রবাহ সরাসরি লাগে। অনেক সময় শাইত্বানি শক্তিকে খুশি করতে এটি কোনো পাখির পায়ে বা গলায় বেঁধে আকাশে উড়িয়ে দেওয়া হয়।

বাতাসের ঝাপটায় ওই তাবিজ বা সিহর যত বেশি নড়াচড়া করে, আক্রান্ত ব্যক্তির ওপর জাদুর প্রভাব এবং শারীরিক যন্ত্রণা তত তীব্রতর হয়।

এই জাদুর কিছু সুনির্দিষ্ট লক্ষণ:

যদি কোনো ব্যক্তি হাওয়াই সিহরে আক্রান্ত হন, তবে তার মধ্যে নিচের উপসর্গগুলো দেখা দিতে পারে:

১. মাথায় প্রচণ্ড ভারবোধ হওয়া, মনোযোগ দিতে না পারা এবং সবকিছু দ্রুত ভুলে যাওয়া।

২. বাতাসের সংস্পর্শে এলে হঠাত মাথা ঘোরা বা ঝিমঝিম করা।

৩. সারাক্ষণ অলসতা, ক্লান্তি এবং অকারণ অবসাদে ভুগতে থাকা।

৪. স্বপ্নে দেখা যে কেউ তাকে তাড়া করছে কিংবা সাপ ও কুকুরের ভয়ংকর স্বপ্ন দেখা।

৫. কখনো কখনো মনে হওয়া যে শরীরের ওপর দিয়ে কোনো পোকামাকড় বা হুল ফুটে যাচ্ছে।

রুকইয়াহ বা কুরআন তিলাওয়াত শোনার সময় এই রোগীদের মধ্যে প্রচণ্ড অস্থিরতা ও মনোযোগহীনতা দেখা দেয়।

আরোগ্যের পথ ও প্রতিকার:

এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে হলে প্রথমেই নিজের আকিদা ও বিশ্বাসকে মজবুত করতে হবে। মনে রাখতে হবে, আল্লাহর হুকুম ছাড়া কোনো শাইত্বানি শক্তি কারো ক্ষতি করতে পারে না।

তওবা ও আত্মশুদ্ধি: নিজের গুনাহের জন্য আল্লাহর কাছে তওবা করুন এবং ঘর থেকে সকল প্রকার তাবিজ-কবজ বা সন্দেহজনক বস্তু অপসারণ করুন।

নিয়মিত রুকইয়াহ: একজন অভিজ্ঞ রাক্বির মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ রুকইয়াহ করান। বিশেষ করে জাদুর আয়াতগুলোর ওপর জোর দিন।

স্বনির্ভর চিকিৎসা (Self-Treatment): যদি আশেপাশে ভালো রাক্বি না থাকে, তবে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। আপনি নিজেই নিজের চিকিৎসা শুরু করতে পারেন।

এক মাসের বিশেষ আমল:

প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সময়মতো আদায় করুন এবং সকাল-সন্ধ্যার জিকিরগুলো (মাসনুন আমল) কখনোই বাদ দেবেন না। ঘুমানোর আগে অন্তত ৭ বার করে সূরা ফাতেহা, সূরা কাফিরুন, ইখলাস, ফালাক ও নাস পাঠ করুন। এছাড়া সূরা বাকারার ১০২ নম্বর আয়াত এবং কুরআনের শিফা বা আরোগ্যের আয়াতগুলো (যেমন: সূরা ইউনুস-৫৭, বনী ইসরাঈল-৮২) আয়াত নিয়মিত পাঠ করুন।

পানি ও তেলের ব্যবহার (দ্বিতীয় ধাপ):

১০ লিটার বা তার বেশি বিশুদ্ধ পানিতে আঙ্গুল ডুবিয়ে এবং ফুঁ দিয়ে এতে সূরা ফালাক বারবার পাঠ করুন। এই পানি দিয়ে প্রতিদিন গোসল করুন এবং নিয়মিত পান করুন। এছাড়া অলিভ অয়েল, কালোজিরা ও পুদিনার তেলের একটি মিশ্রণ তৈরি করে তাতে রুকইয়াহর আয়াতগুলো পড়ে শরীরে মালিশ করুন। বিশেষ করে যেখানে ব্যথা হয়, সেখানে সূরা ফালাক তিলাওয়াত করতে করতে মালিশ করলে দ্রুত ফলাফল পাওয়া যায়।

মনে রাখবেন, জাদুর চক্রান্ত অত্যন্ত দুর্বল। আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা এবং ধৈর্যের সাথে এই আমলগুলো চালিয়ে গেলে ইনশাআল্লাহ বাতাসের এই মরণফাঁদ ছিঁড়ে আপনি সুস্থ হয়ে উঠবেন। আল্লাহ আমাদের সকলকে সকল প্রকার শাইত্বানি অনিষ্ট থেকে হেফাজত করুন।

উপদেশ: লেখাটি ভালো লাগলে জিকিরের সাথে কমেন্ট করুন এবং শেয়ার করে অন্য কোনো বিপদগ্রস্ত মুসলিম ভাই বোনকে জানার সুযোগ করে দিন। আপনার যেকোনো কমেন্টে জিজ্ঞাসায় আমরা আপনার পাশে আছি।

__✍️Raqi Sultan Mahmud

18/04/2026

একটুখানি বিনোদন

আলহামদুলিল্লাহ
17/04/2026

আলহামদুলিল্লাহ

এমন এক ধরনের জাদুর অভিজ্ঞতা আমরা পাই, যার প্রভাব মানুষের অন্তর, আবেগ ও কামনার উপর পড়ে। আর এটিকেই কেউ কেউ “সেহরুল যিনা” ব...
14/04/2026

এমন এক ধরনের জাদুর অভিজ্ঞতা আমরা পাই, যার প্রভাব মানুষের অন্তর, আবেগ ও কামনার উপর পড়ে। আর এটিকেই কেউ কেউ “সেহরুল যিনা” বা ব্যভিচারের জাদু বলে উল্লেখ করেন।

অনেকেই হয়তো অবাক হয়ে প্রশ্ন করতে পারেন-এমন কিছুও কি সত্যিই হতে পারে? এটি কি কেবল মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য বলা কোনো গল্প? বাস্তবে বিষয়টি এতটা সহজ নয়। জাদুর ইতিহাসে এমন কিছু পদ্ধতির কথা উল্লেখ পাওয়া যায়, যেখানে একজন মানুষ অন্য কাউকে লক্ষ্য করে এমন কাজ করে যাতে আক্রান্ত ব্যক্তির ভেতরে অস্বাভাবিক কামনা, আকর্ষণ বা মানসিক টান তৈরি হয়।

এতে আক্রান্ত ব্যক্তি হঠাৎ করেই নির্দিষ্ট কারো প্রতি অদ্ভুত এক আকর্ষণ অনুভব করতে শুরু করে। সে ব্যক্তিকে নিয়ে বারবার চিন্তা করা, স্বপ্নে দেখা, কিংবা তার প্রতি অস্বাভাবিক মানসিক টান অনুভব করা-এসব লক্ষণ দেখা যেতে পারে। অনেক সময় ভুক্তভোগী নিজেই নিজের এই পরিবর্তনে বিস্মিত হয়ে যান। কারণ স্বাভাবিক জীবনে তিনি হয়তো পর্দানশীল, ইবাদতপরায়ণ বা মার্জিত চরিত্রের মানুষ-যিনি এসব বিষয়ে চিন্তাও করতেন না।

সবচেয়ে অদ্ভুত ব্যাপার হলো, অনেক ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তি বাস্তবে ওই মানুষটিকে পছন্দই করেন না। এমনকি তাকে অপছন্দ বা ঘৃণাও করতে পারেন। তবুও অন্তরের ভেতর যেন এক অদ্ভুত দ্বন্দ্ব তৈরি হয়-একদিকে বিরক্তি বা ঘৃণা, অন্যদিকে অজানা এক আকর্ষণ। এই অভ্যন্তরীণ সংঘাত মানুষকে মানসিকভাবে ভীষণ কষ্ট দেয়।

এ ধরনের জাদু সাধারণত নারী-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই ঘটতে পারে। কখনো কোনো পুরুষকে কোনো নারীর প্রতি, আবার অস্বাভাবিকভাবে আকৃষ্ট করে তোলার উদ্দেশ্যে করা হয়। এর পেছনে উদ্দেশ্য সাধারণত খুবই নিকৃষ্ট-কারো ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা, তাকে অপমানিত করা, প্রতিশোধ নেওয়া, অথবা অবৈধ সম্পর্কের ফাঁদে ফেলা।

ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে এসব কাজ মারাত্মক গুনাহ, বরং অনেক ক্ষেত্রে কুফরি ও শিরকের পর্যায়েও পৌঁছে যায়। কারণ জাদু করার জন্য সাধারণত শাইত্বানি শক্তির সাহায্য নেওয়া হয়, যা ঈমানের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং সেটা শিরকের পর্যায়ে চলে যাওয়ার মত পাপা কাজ করতে হয়।

তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো-মুমিনের জন্য হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। আল্লাহ তাআলা কুরআনকে শিফা হিসেবে নাযিল করেছেন। নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত, রুকইয়াহ, দোয়া, যিকির এবং আল্লাহর উপর দৃঢ় ভরসা-এসবই আধ্যাত্মিক আক্রমণ থেকে মুক্তির প্রধান উপায়। অনেক সময় মানুষ অজান্তেই এমন সমস্যায় পড়ে যায়, কিন্তু ধৈর্য ও সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে আল্লাহর রহমতে তা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

আর একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি-এ ধরনের সমস্যার সুযোগ নিয়ে অনেক প্রতারক নিজেদের “চিকিৎসক” বা “রাক্বি” পরিচয় দিয়ে মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেয়। তাই কোনো অপরিচিত ব্যক্তি যদি সামাজিক মাধ্যমে নাম-নম্বর দিয়ে চিকিৎসার দাবি করে, তাহলে সতর্ক থাকা উচিত।

অদৃশ্য জগতের বাস্তবতা যেমন আছে, তেমনি আছে মানুষের দুর্বলতার সুযোগ নেওয়া শাইত্বানি কৌশলও। তাই সচেতনতা, ঈমানের শক্তি এবং আল্লাহর আশ্রয়ই একজন মুমিনের সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা।

©Md. Sultan Mahmud Ashraf

14/04/2026

সরাসরি ডায়াগনোসিস রুকইয়াহ করতে গিয়ে জানা যায় এক পুরাতন কবরের মাটির দুই হাত নিচে যাদু রয়েছে। আজ কবর খুড়ে সেই দুই হাত নিচে পাওয়া যায় সম্ভবত তাবিজের কাগজ যা থেকে লিখা উঠে গেছে। আর ঝকঝকে সাদা পালক যাতে কোন ময়লা বা মাটি নেই! এছাড়া কিছু মাটি যেগুলোতেও স্পর্শ করলেই পেশেন্টের প্রতিক্রিয়া হচ্ছে বা অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছে বারবার। আল্লাহ সহজ করুন।

আপনার শরীরে দীর্ঘদিন ধরে থাকা জিনকে আপনি চিনেন না। কিন্তু সে আপনাকে আপনার চেয়েও বেশি ভালোভাবে আপনাকে চিনে এমনকি আপনার চল...
11/04/2026

আপনার শরীরে দীর্ঘদিন ধরে থাকা জিনকে আপনি চিনেন না। কিন্তু সে আপনাকে আপনার চেয়েও বেশি ভালোভাবে আপনাকে চিনে এমনকি আপনার চলাফেরা অভ্যাস কথা সব তার আয়ত্তে। এবং আপনার অনেক কিছু সে আপনার অজান্তেই নিয়ন্ত্রণ করে, পরিবর্তন করে। এমনকি আপনার আবেগ-অনুভূতি, আপনার চাহিদা......

08/04/2026

মাটি ও মানুষের থুথুর মাঝে আরোগ্য রয়েছে। হজরত মোল্লা আলি কারি রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, ‘আমি চিকিৎসা শাস্ত্রের কিছু আলোচনায় দেখেছি পরিশুদ্ধ ও মেজাজ পরিবর্তন করার ক্ষেত্রে থুথুর বিশেষ প্রভাব রয়েছে। আর মূল স্বভাব সংরক্ষণ করার ক্ষেত্রে মাটির বিশেষ উপকারিতা রয়েছে। এমনিভাবে অসুস্থতার পাশ্বপ্রতিক্রিয়া প্রতিরোধের ক্ষেত্রেও এর প্রভাব রয়েছে। (মিরকাত) এ প্রসঙ্গে বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একটি হাদিস তুলে ধরা হলো-হজরত আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, কোনো ব্যথিত তার শরীরের কোনো অঙ্গে ব্যথা অনুভব করতো অথবা শরীরের কোনো স্থানে ফোড়া দেখা দিতো বা জখম হতো তখন প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (ঐ স্থানে) আঙ্গুল বুলাতে বুলাতে বলতেন-উচ্চারণ : বিসমিল্লাহি তুরবাতু আরদিনা বি-রিকাতি বা’দিনা লিইউশফা সাক্বিমুনা বিইনি রাব্বিনা।অর্থ : আল্লাহর নামে আমাদের জমিনের মাটি এবং আমাদের কারো থুথু মিশিয়ে; যাতে আমাদের রবের আদেশে আমাদের অসুস্থ ব্যক্তি সুস্থ হয়ে যায়।’ (বুখারি ও মুসলিম)উল্লেখিত হাদিস থেকে বুঝা যায় যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মাটির সঙ্গে নিজের থুথু মিশাতেন। তিনি হাতের তর্জনীতে থুথু নিয়ে তা মাটির সঙ্গে মিশাতেন। অতঃপর ব্যথার জায়গায় মাটি মাখা আঙ্গুল বুলাতেন এবং এ শব্দগুলো উচ্চারণ করতেন।আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে বিশ্বনবির এ হাদিসের ওপর আমল করে ঘোষিত উপকারিতা লাভের তাওফিক দান করুন।

সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে, নাবী (ﷺ) বলেছেন- যখন কোন মানুষ অসুস্থ হবে অথবা ফোঁড়া বা জখম কিংবা অন্য কোন রোগে আক্রান্ত হবে তখন সে যেন মাটিতে শাহাদাত আঙ্গুল রেখে এই দু’আ পাঠ করে-

بِسْمِ اللهِ تُرْبَةُ أَرْضِنَا بِرِيقَةِ بَعْضِنَا يُشْفَى سَقِيمُنَا بِإِذْنِ رَبِّنَا

‘‘আল্লাহর নামে আমাদের এই মাটিতে আমাদের কারও লালা মিলিত হচ্ছে। আমাদের প্রভুর ইচ্ছায় আমাদের রোগী ভাল হবে’’।

এখানে কোন্ মাটি উদ্দেশ্য, তা নিয়ে আলেমদের মধ্যে দু’টি মত পাওয়া যায়। কেউ বলেছেন এখানে মদ্বীনার মাটি উদ্দেশ্য। আবার কেউ বলেছেন- পৃথিবীর যে কোন স্থানের মাটি উদ্দেশ্য।

ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহঃ) এই হাদীছের ব্যাখ্যায় বলেন- ঝাড়-ফুঁককারী তার নিজের থুথু নিয়ে বৃদ্ধাঙ্গুলিতে রাখবে। অতঃপর বৃদ্ধাঙ্গুলি মাটিতে রাখবে। সামান্য মাটি আঙ্গুলে লাগিয়ে তা দিয়ে ক্ষতস্থানে মাসাহ করবে।

[1]. বুখারী, কিতাবুত্ তিবব, তাও. হা/৫৭৪৫, মুসলিম।

06/04/2026

একটি নৌকার তলায় বেশ কিছু ফুটো আছে এবং নৌকাটি সাগরের মাঝে ফেসে গেছে। আর আপনি একটা বা দুইটা ফুটো বন্ধ করার চেস্টা করে নিশ্চিন্ত হয়ে আছেন। বাকি ফুটোগুলো দিয়ে যে পানি উঠে নৌকা ডুবে যেতে পারে এ সম্পর্কে আপনি বেখবর।

রুকইয়াহ চিকিৎসার বেশ কিছু ধাপ আছে, পর্যায় আছে। আছে রুকইয়াহ করার জন্য বেশ কিছু ধাপ। যেমন অডিও বা তেলয়াত শুনা, গোসল করা, অলিভ অয়েল ম্যাসাজ, গীট হুসুন ভাংগা, পেট বা কোলনের যাদু নষ্ট করা, ঘর থেকে যাদু নষ্ট করা ইত্যাদি। এগুলো মাঝে আপনি কয়েকটি করলেন আর বাকিগুলো ছাড় দিলেন বা মন চাইলে করলেন আর না চাইলে করলেন না, তাতে আপনার অবস্থা ওই নৌকার যাত্রীর মত হবে। আল্লাহর স্পেশাল রহমত ছাড়া এই যাত্রা আপনার জন্য অত্যন্ত কঠিন সময়সাপেক্ষ হয়ে যাবে। তাই প্রয়োজনে আপনার চিকিৎসক থেকে জেনে বুঝে নিন কোন কাজ কেন করবেন। তাতে আপনার উপকার ভিন্ন অপকার হবে না ইনশাআল্লাহ।

02/04/2026

আপনার সমস্যা সমাধানের জন্য নিয়মিত সালাতুল হাজতের নামাজ, প্রচুর দরূদ আর ইস্তেগফার..... নিয়মিত প্রতিদিন একই ওয়াক্তের মাঝে করেই দেখুন অন্তত এক মাস। পারলে আরো বেশি। সাথে সমস্যা সমাধানের সহজ পথ প্রাপ্তির জন্য দুই রাকাত নফল নামাজ পড়বেন ঘুমানোর আগে। আর যাদুকর মানুষ বা জিন যদি রেগুলার যাদু করতে থাকে তবে তাদের শত্রুতা থেকে হেফাজত এবং তাদের দমনের জন্য দুই রাকাত নফল নামাজ পড়বেন। প্রতিটি নামাজের পর প্রথমে দরূদে ইব্রাহিম পড়ে আপনার মনের চাহিদা আল্লাহর কাছে করুন ভাবে চাইবেন। শেষে আবার দরূদ পড়ে নিন। প্রতিদিন অন্তত অল্প কিছু টাকা বা খাদ্য আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী দান করুন সমস্যা সমাধানের জন্য নিয়ত করে। ইনশাআল্লাহ উপকার পাবেন।

30/03/2026

সাধারণত সেন্টারে ২ জনের বেশি শর্ট/লং সেশন এর পেশেন্ট এক দিনে দেখা হয় না। কেননা এর বেশি পেশেন্ট দেখলে মনোযোগ এবং গুনগত মান কমে যায় বলেই আমার মনে হয়। এছাড়া হাতে সময় না থাকলে রুগীর কথা মনোযোগ দিয়ে শুনা যায় না বা তাড়া করা লাগে। আবার পরামর্শ বা কাউন্সিলিং এর জন্যও যথেষ্ট সময় ও মন মানুষিকতা থাকে না।
কিন্তু পেশেন্টকে টাইম দেয়ার পর যদি টাইম মত না এসে অনেক দেরি করে আসে বা ঝুলিয়ে রাখে তবে আমার কি করার আছে?

29/03/2026

রামাদান রুকইয়াহ এবং লাইফস্টাইল বইটির রিভিউ। লেখক Raqi Abdul Malik

মূলত যাদু হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি অবলম্বন করা, যার দ্বারা যাদুকর শয়তানকে সন্তুষ্ট করার জন্য কিছু সুনির্দিষ্ট ক্রিয়াকলাপ কর...
28/03/2026

মূলত যাদু হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি অবলম্বন করা, যার দ্বারা যাদুকর শয়তানকে সন্তুষ্ট করার জন্য কিছু সুনির্দিষ্ট ক্রিয়াকলাপ করে এবং আল্লাহর সাথে শিরক করে ঈমানের বিনিময়ে তার যাদুর কাজের অনুমতি আদায় করার চেষ্টা করে আল্লাহর কাছ থেকে জাহান্নামের বিনিময়ে। ইবলিশ যেমন বিতাড়িত হয়ে তার সমস্ত ইবাদত ও ভালো কাজের বিনিময়ে আল্লাহর থেকে কিছু জিনিস বা ক্ষমতা চেয়ে নিয়েছিল, যাদুকরদের যাদু করার ক্ষমতালাভও অনেকটা ওরকম।

আল্লাহ্‌ কুরআনে বলেন,
وَمَا هُمْ بِضَآرِّیْنَ بِهٖ مِنْ اَحَدٍ اِلَّا بِاِذْنِ اللهِ ؕ
“তারা তাদের কাজ দ্বারা আল্লাহর বিনা হুকুমে কারো ক্ষতি করতে পারবে না”।2:102
আল্লাহ্‌ তাআলা কুরআনে বলেন”
اِنَّ عِبَادِیْ لَیْسَ لَکَ عَلَیْهِمْ سُلْطٰنٌ اِلَّا مَنِ اتَّبَعَکَ مِنَ الْغٰوِیْنَ
“আমার প্রকৃত বান্দাদের উপর তোমার কোন আধিপত্য চলবে না”।সূরা হিজর: ৪২

জিন শয়তান এ সমস্ত কাজে সহায়তা ও দিক নির্দেশনা দেয় এবং বিভিন্ন কাজ করে দিয়ে আরো মানুষকে ঈমানহারার পথে ডাকে। যাদু এমন এক শক্তি যা আল্লাহর বিশেষ অনুমতি ছাড়া কার্যকর হয় না। যাদুর মধ্যে ইলমে গায়েব তথা অদৃশ্যের দাবী রয়েছে, যার অধিকার একমাত্র আল্লাহ্‌ তাআলারই। আল্লাহ্‌ সুবহানু অতাআলা পবিত্র কুরআনে এ প্রসঙ্গে বলেছেন”
قُلْ لَّا یَعْلَمُ مَنْ فِی السَّمٰوٰتِ وَ الْاَرْضِ الْغَیْبَ اِلَّا اللهُ ؕ وَمَا یَشْعُرُوْنَ اَیَّانَ یُبْعَثُوْنَ ﴿۶۵﴾

“বলুন আসমান ও জমিনে যারা আছে আল্লাহ্‌ ব্যতীত কেউই গায়েব জানে না”।

আবার যাদু কার্যকর হলেই যে যাদুর উদ্দেশ্য সফল হয়ে যাবে এমনও নয়। কেননা আল্লাহ তাকদিরকে নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন আর দোয়া, ইবাদত, চিকিৎসা ইত্যাদির মাধ্যমে যাদুকে নষ্ট বা বাতিল করার উপায় বাতলে দিয়েছেন।

যাদুর জন্য যাদুকর কিছু বিশেষ চিহ্ন ব্যবহার করে বা পদ্ধতি বা সময় বা উপাদান বা দিক ইত্যাদি। যাদুকররা সাধারণত পবিত্র জিনিসকে অপবিত্র স্থানে এবং অপবিত্র জিনিসকে পবিত্র স্থানে রোপন করে আল্লাহর সাথে শিরক করে। এছাড়া যাদুকর একটি পাখি বা জন্তু বা মুরগি বা কবুতর বা অন্য কিছু জ্বিনের আবদার অনুযায়ী শয়তানের উদ্দেশ্যে বলি দেয় বা জবাই করে বা নিকৃষ্ট উপায়ে হত্যা করে শিরক করে। কুরআনের সূরা ঋতুস্রাবের (হায়েজের)বা বলির প্রাণীর বা মানুষের রক্ত দ্বারা বা অন্য কোন অপবিত্র কিছু দ্বারা লিখে, তারপর শিরকী মন্ত্র পড়ে যাদু করে। অনেক সময় সমকামিতা বা ব্যভিচার বা নানা কুকর্ম যাদুকর নিজে করে বা যে যাদু ক্রয় করতে এসেছে তাকে দিয়ে করিয়ে যাদু করে। মোট কথা আল্লাহর বিরুদ্ধে গিয়ে ঈমান আমল বিলিয়ে দেয়ার বিনিময়ে যাদু হয়।

যেই ব্যক্তি যাদু ক্রয় করতে এসেছে সেও তার আত্মা শয়তানের কাছে বিক্রি করে যাদু ক্রয় করে। (সুরা বাকারা ১০২) এবং সে নিজেও জিন শয়তানের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। আর তার মাধ্যমে নানা ব্যাক্তির উপর যাদু করা বা যাদু ক্রয় করতে উদ্বুদ্ধ করে ঈমান হারা করতে চায় এবং যাদুকরের মূল জিনের খাদেম জিনদের এসমস্ত মানুষের সাথে নিয়োজিত করে তাদের শয়তানি সম্রাজ্য আরো বিস্তৃত করতে চায়। আরো বেশি মানুষকে কুফুরি শিরকিতে লিপ্ত করে ইবলিশকে খুশি করে তার আরো নিকটাবর্তী হতে চায়। এজন্য জিন শয়তানদের চক্রান্ত ও উদ্দেশ্য পূরন করতে যাদুকে সহজলভ্য ও স্বল্প মূল্যে বিতরণ করা হয় আর শয়তানের প্ররোচনায় মানুষ এসব কাজে উদ্বুদ্ধ হয়। এ অনেক অনেক বড় চক্রান্ত ও পরিকল্পনা।

যাদু করার সময় যাদুকর নানা শর্ত যুক্ত করে দিতে পারে যাদুর সাথে। এর মাঝে সবচেয়ে ভয়াবহ শর্ত হল সম্পূর্ণ বংশ বা বংশপরম্পরায় যাদুর ক্ষতি একইভাবে চলতে থাকা। এছাড়া যাদুকর জিনের তত্ত্বাবধানে দিয়ে দেয়া যাদু যেন যাদু নষ্ট হতে গেলে বা সুনির্দিষ্ট সময় পরপর যাদু রিনিউ করা হয় আর যাদুর লক্ষ্য পুরনের জন্য নতুন যাদু করা সহ যা যা পদক্ষেপ নেয়া লাগে তা যেন জিন নেয়। আরেক ধরনের হল বিশেষ অভিশাপ সংযুক্ত করে করা যাদু।

শর্ত জুড়ে দেয়ার একটা ধারণা পাবেন এখান থেকে। এক ছেলে এক মেয়ের উপর ভালোবাসার যাদু করেছে। যাদু করার সময় শর্ত দিয়ে দেয়া হল এমন যে তার কাছে যদি ওই মেয়েটি না যায় তবে মেয়েটির বিয়ে হবে না। বিয়ে হলেও সংসার করতে পারবে না। বাচ্চা হবে না এবং মেয়েটি পাগল হয়ে অসুস্থ হয়ে মারা যাবে। খেয়াল করে দেখেন এখানে মূল যাদু কিন্তু একটাই। কিন্তু যাদুর সাথে থাকা শর্ত অনুযায়ী মেয়েটি ক্রমাগত বিয়ে না হওয়া, বাচ্চা না হওয়া, বিচ্ছেদ, পাগল, অসুস্থ, হত্যা সহ নানা যাদুতে আক্রান্ত হয়ে গেছে ধাপে ধাপে। এগুলোর মূল কিন্তু ওই একটাই যাদু, ভালোবাসার।



ইবনে কুদামা রহিমাহুল্লাহ বলেনঃ
যাদু হলো গিরা-বন্ধন মন্ত্র ও এমন কথা যা যাদুকর পড়ে ও লিখে অথবা এমন কোনো কাজ করে যার মাধ্যমে যাদুকৃত ব্যক্তির শরীর মন ও মস্তিষ্কে পরোক্ষভাবে প্রভার ফেলে এবং যার বাস্তব ক্রিয়া রয়েছে। সুতরাং এর দ্বারা মানুষ কে হত্যা করা হয়, ও অসুস্থ্য করা হয়। এবং স্বামী স্ত্রীর সহবাসে বাঁধা সৃষ্টি করা হয়। এবং পরষ্পরের মাঝে বিদ্বেষ সৃষ্টি করা হয়। অথবা পরষ্পরের মাঝে প্রেম লাগিয়ে দেওয়া হয়। আল মুগনি/১০৪

আল্লাহ তাআলা বলেন,
قَالَ مُوْسٰۤی اَتَقُوْلُوْنَ لِلْحَقِّ لَمَّا جَآءَكُمْ ؕ اَسِحْرٌ هٰذَا ؕ وَلَا یُفْلِحُ السّٰحِرُوْنَ ﴿۷۷﴾
মূসা বলল, সত্যের ব্যাপারে একথা বলছ, তা তোমাদের কাছে পৌঁছার পর? একি যাদু? অথচ যারা যাদুকর, তারা সফল হতে পারে না। -সূরা ইউনুস: ৭৭
তিনি আরো বলেন,
فَلَمَّاۤ اَلْقَوْا قَالَ مُوْسٰی مَا جِئْتُمْ بِهِ ۙ السِّحْرُ ؕ اِنَّ اللهَ سَیُبْطِلُهٗ ؕ اِنَّ اللهَ لَا یُصْلِحُ عَمَلَ الْمُفْسِدِیْنَ ﴿۸۱﴾ وَیُحِقُّ اللهُ الْحَقَّ بِکَلِمٰتِهٖ وَلَوْ کَرِهَ الْمُجْرِمُوْنَ ﴿٪۸۲﴾
অতঃপর যখন তারা নিক্ষেপ করল, মূসা বলল, যা কিছু তোমরা এনেছ তা সবই যাদু-এবার আল্লাহ্ এসব ভন্ডুল করে দিচ্ছেন। নিঃসন্দেহে আল্লাহ্ দুস্কর্মীদের কর্মকে সুষ্ঠুতা দান করেন না। আল্লাহ্ সত্যকে সত্যে পরিণত করেন স্বীয় নির্দেশে যদিও পাপীদের তা মন:পুত নয়। সূরা ইউনুস: ৮১-৮২।
তিনি অন্যত্র বলেন,
قَالَ بَلْ اَلْقُوْا ۚ فَاِذَا حِبَالُهُمْ وَ عِصِیُّهُمْ یُخَیَّلُ اِلَیْهِ مِنْ سِحْرِهِمْ اَنَّهَا تَسْعٰی ﴿۶۶﴾
মূসা বললেন: বরং তোমরাই নিক্ষেপ কর। তাদের যাদুর প্রভাবে হঠাৎ তাঁর মনে হল, যেন তাদের রশিগুলো ও লাঠিগুলো চুটাছুটি করছে। -সূরা ত্বহা: ৬৬
তিনি আরো বলেন,
وَ اَلْقِ مَا فِیْ یَمِیْنِکَ تَلْقَفْ مَا صَنَعُوْا ؕ اِنَّمَا صَنَعُوْا کَیْدُ سٰحِرٍ ؕ وَ لَا یُفْلِحُ السَّاحِرُ حَیْثُ اَتٰی ﴿۶۹﴾
তোমার ডান হাতে যা আছে তুমি তা নিক্ষেপ কর। এটা যা কিছু তারা করেছে তা গ্রাস করে ফেলবে। তারা যা করেছে তা তো কেবল যাদুকরের কলাকৌশল। যাদুকর যেখানেই থাকুক, সফল হবে না।
তিনি আরো বলেন,
لَاهِیَۃً قُلُوْبُهُمْ ؕ وَ اَسَرُّوا النَّجْوَی ٭ۖ الَّذِیْنَ ظَلَمُوْا ٭ۖ هَلْ هٰذَاۤ اِلَّا بَشَرٌ مِّثْلُكُمْ ۚ اَفَتَاْتُوْنَ السِّحْرَ وَ اَنْتُمْ تُبْصِرُوْنَ ﴿۳﴾
তাদের অন্তর থাকে খেলায় মত্ত। জালেমরা গোপনে পরামর্শ করে, সে তো তোমাদেরই মত একজন মানুষ; এমতাবস্থায় দেখে শুনে তোমরা তার যাদুর কবলে কেন পড়? –সূরা আস্মিয়া: ৩

Address

Dhaka
1217

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Alternative Cure: Ruqyah and Hijamah, Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Alternative Cure: Ruqyah and Hijamah, Bangladesh:

Share

রুকইয়ার মাধ্যমে যেই সকল রোগের ট্রিটমেন্ট হয়

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ আপনাদের সকলের দোয়ার বরকতে অনেকদিন যাবত ( রুকইয়াহ ) চিকিৎসা করে আসছি। যাদের সরাসরি রুকইয়াহ পরামর্শ প্রয়োজন তারা কন্টাক্ট নাম্বার অথবা ইনবক্সে যোগাযোগ করতে পারেন। রুকইয়ার মাধ্যমে যেই সকল রোগের ট্রিটমেন্ট হয় ১/ জ্বিনের স্পর্শ । ২/ বাতাস লাগা। ৩/ উপরি সমস্যা। ৪/ বাসা বাড়ীতে জ্বিনের সমস্যা। ৫/ কানে অদ্ভুত আওয়াজ শোনা। ৬/ কালো যাদু। ৭/ জ্বীনের মাধ্যেমে পাগল বানানোর যাদু। ৮/ অদৃশ্য আওয়াজ শোনার যাদু। ৯/ শারিরিক অসুস্ত বানানোর যাদু। ১০/ বিয়ে না হওয়া বা আটকে রাখার যাদু। ১১/ স্বামী এবং স্ত্রীর মাঝে যাদু। ১২/ স্বামীকে বশ করার যাদু। ১৩/ রক্ত স্রাবের যাদু। ১৪/ গর্ভের সন্তান নষ্ট করার যাদু। ১৫/ বদনজরের সমস্যা। ১৬/ বাচ্চাদের বদনজর ইত্যাদি