Dr. Bose's Care

Dr. Bose's Care Bachelor of Homoeopathic Medicine and Surgery (DU)

☘️ শুভ সকাল। আশাকরি সবাই সুস্থ আছেন। আপনাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য কে ভালো রাখতে নিয়মিত স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ দেয়...
13/01/2026

☘️ শুভ সকাল।
আশাকরি সবাই সুস্থ আছেন। আপনাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য কে ভালো রাখতে নিয়মিত স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ দেয়ার চেষ্টা করবো। তাই স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ পেতে চোখ রাখুন আমাদের এই পেইজে।

🔰 ত্বকের রঙের ওপর নির্ভর করে রোদে থাকার সময়কালঃ-

গবেষণা অনুসারে, ত্বকের রঙ সরাসরি রোদে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় সময়ের পরিমাণকে প্রভাবিত করে। ফর্সা ত্বকের ব্যক্তির জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি স্তর তৈরি করতে ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মতো রোদে থাকা যথেষ্ট, তবে মাঝারি বা কালো ত্বকের ব্যক্তিদের ৪৫ মিনিট পর্যন্ত সময় লাগে কারণ মেলানিন প্রাকৃতিক UV ফিল্টার হিসাবে কাজ করে।

❇️ বি. দ্রঃ- আপনাদের যে কোন স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন-

ডা: বিনায়ক রঞ্জন বসু
BHMS(DU)
Gov. Reg. No: H-1275 (DG Health)
Mobile No: 01715-520220 (WhatsApp, imo)

⚕️  শুষ্ক মুখ/ Xerostomia(জেরোস্টোমিয়া)🔸 শুকনো মুখ/Dry mouth বা Xerostomia(জেরোস্টোমিয়া) হলো এমন একটি অবস্থা যখন মুখের ল...
12/01/2026

⚕️ শুষ্ক মুখ/ Xerostomia(জেরোস্টোমিয়া)

🔸 শুকনো মুখ/Dry mouth বা Xerostomia(জেরোস্টোমিয়া) হলো এমন একটি অবস্থা যখন মুখের লালা গ্রন্থিগুলো(Salivary gland)পর্যাপ্ত লালা তৈরি করতে পারে না, যা মুখকে আর্দ্র রাখতে অপরিহার্য। যা বিভিন্ন কারণে হতে পারে, যেমন- ডিহাইড্রেশন, ডায়াবেটিস,বার্ধক্য, বা নার্ভের ক্ষতি। যার ফলে মুখ শুকিয়ে যাওয়া, গিলতে ও কথা বলতে অসুবিধা, ও লালা আঠালো মনে হওয়া।

✅ লক্ষণঃ-
🔸 ঘন ঘন তৃষ্ণা।
🔸 মুখের মধ্যে একটি শুষ্ক, আঠালো অনুভূতি।
🔸 নিশ্বাসে দুর্গন্ধ।
🔸 জিহ্বা শুকনো ও লাল হয়ে যায়।
🔸 জিহ্বা এবং মুখের মধ্যে একটি টিংলিং বা জ্বলন্ত সংবেদন অনূভুতি হয়।
🔸 কণ্ঠস্বর কর্কশতা হয় ও স্বরভঙ্গ হতে পারে।

✅ কারণঃ-
🔸 শুষ্ক মুখের প্রধান কারণ মুখের লালাগ্রন্থিগুলি সঠিকভাবে লালা তৈরি করে না।
🔸 কিছু রোগের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে। যেমন:- আলজেইমার, ডায়াবেটিস, রিউমেটয়েড আর্থ্রাইটিস, অ্যানিমিয়া, মাম্পস, স্ট্রোক, সিস্টিক ফাইব্রোসিস ইত্যাদির রোগ শুষ্ক মুখের কারণ হতে পারে।
🔸 মুখ ঘাড় বা মাথায় আঘাতের ফলে যদি নার্ভাস সিস্টেম ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে শুষ্ক মুখ হতে পারে।
🔸 ঘাড় বা মাথার রেডিয়েশন ট্রিটমেন্ট শুষ্ক মুখের কারণ হতে পারে। যেমন কিছু প্রেসক্রিপশন ওষুধ যেমন ডায়রিয়া, মৃগীরোগ, ব্রণ এবং স্থূলতার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ।
🔸 অত্যধিক ঘাম, জ্বর, ডায়রিয়া, পোড়া, বমি এবং রক্তক্ষরণের মতো স্বাস্থ্যের অবস্থা, যা শরীরকে ডিহাইড্রেশনের দিকে পরিচালিত করে। এসব কারণেও শুষ্ক মুখ হতে পারে।
🔸 সাইনোসাইটিস এর কারণে মুখ খোলা রেখে শ্বাস নিলে মুখ শুকিয়ে যেতে পারে।
🔸 তামাক চিবানো এবং ধূমপান লালাগ্রন্থি ক্ষতিগ্রস্ত করে। এর ফলে এই সমস্যা হতে পারে।

✅ প্রতিকারঃ-
🔸 অতিরিক্ত ক্যাফেইন মুখের লালা শোষণ করে এবং এটিকে শুষ্ক করে তোলে। তাই অতিরিক্ত চা, কফি পান করা যাবে না।
🔸 চিনি-মুক্ত হার্ড ক্যান্ডি চুষলে বা চিনি-মুক্ত চুইংগাম চিবালে লালা গ্রন্থিগুলি উদ্দীপিত হয় এবং মুখের লালা প্রবাহ বাড়ায়।
🔸 অ্যাসিডিক এবং চিনিযুক্ত খাবার হজম করার জন্য আরও লালা প্রয়োজন, যা মুখে শুষ্কতা তৈরি করে। তাই এগুলো কম খেতে হবে।
🔸 অ্যালকোহল রয়েছে এমন মাউথওয়াশ এড়িয়ে চলতে হবে কারণ অ্যালকোহলের কারণে মুখ শুকিয়ে যেতে পারে।
🔸 এয়ার কন্ডিশনার চালু থাকলে হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করতে হবে। কারণ এসির বাতাসে শরীরে শুষ্কতা তৈরি হয়।
🔸 তামাক ও সিগারেট থেকে দূরে থাকতে হবে।
🔸 একটি জলের বোতল রাখতে হবে শরীর কে হাইড্রেটেড রাখার জন্য।

✅ চিকিৎসাঃ- উপরে উল্লেখিত ম্যানেজমেন্ট এর সাথে লক্ষণ অনুযায়ী হোমিওপ্যাথিক ঔষধ প্রয়োগের মাধ্যমে এই রোগের নিরাময় সম্ভব। তাই যারা এই সমস্যায় ভুগছেন তারা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার মাধ্যমে সম্পূর্ণ সুস্থ হতে পারবেন।

❇️ বি. দ্রঃ- আপনাদের যে কোন স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন-

ডা: বিনায়ক রঞ্জন বসু
BHMS(DU)
Gov. Reg. No: H-1275 (DG Health)
Mobile No: 01715-520220 (WhatsApp, imo)

12/01/2026
☘️ শুভ সকাল। আশাকরি সবাই সুস্থ আছেন। আপনাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য কে ভালো রাখতে নিয়মিত স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ দেয়...
10/01/2026

☘️ শুভ সকাল।
আশাকরি সবাই সুস্থ আছেন। আপনাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য কে ভালো রাখতে নিয়মিত স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ দেয়ার চেষ্টা করবো। তাই স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ পেতে চোখ রাখুন আমাদের এই পেইজে।

🔰 গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন সমস্যাঃ-
গর্ভাবস্থার সাধারণ সমস্যার পাশাপাশি-
🔸 লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা কমে যাওয়া- অ্যানিমিয়া/ Anaemia
🔸 গর্ভাবস্থার ডায়াবেটিস/ Gestational Diabetes
🔸 প্রিক্ল্যাম্পসিয়া/ Preeclampsia (গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ),
🔸 অকাল প্রসব/ Pre mature delivery
🔸 প্লাসেন্টার(গর্ভফুল) সমস্যা যেমন- প্লাসেন্টা প্রিভিয়া/ placenta previa
🔸 প্রস্রাবের ইনফেকশন যেমন- UTI- (Urinary track infection)
🔸 হাঁপানি/ Asthma
🔸 বিষণ্নতা/ Depression
🔸 ভ্রূণের সমস্যা: গর্ভপাত (Miscarriage), একটোপিক প্রেগন্যান্সি (Ectopic pregnancy), মৃত সন্তান প্রসব (Stillbirth)
🔸 শিশুর জন্মগত ত্রুটি, বা নবজাতকের অসুস্থতা।
🔸 প্রসবের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ( Postpartum hemorrhage)

🌿 তাই গর্ভাবস্থায় অবশ্যই নিয়মিত অ্যান্টিনেটাল চেকআপে যেতে হবে। এ সময় রক্তের শর্করা, হিমোগ্লোবিন, থাইরয়েড হরমোন, ব্লাড প্রেসার, লিপিড প্রোফাইল, সম্পূর্ণ পেটের USG, VDRLইত্যাদি পরীক্ষা করে শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তথ্য রাখতে হবে। যাতে কোনো সমস্যা দেখা দিলে সাথে সাথে সঠিক চিকিৎসা নেয়া যায়। এবং মা ও শিশু সুস্থ থাকতে পারে।

❇️ বি. দ্রঃ- আপনাদের যে কোন স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন-

ডা: বিনায়ক রঞ্জন বসু
BHMS(DU)
Gov. Reg. No: H-1275 (DG Health)
Mobile No: 01715-520220 (WhatsApp, imo)

⚕️   প্ল্যান্টার ফ্যাসাইটিস /Plantar Fasciitis🔸 প্লান্টার ফ্যাসাইটিস (Plantar Fasciitis) হলো পায়ের গোড়ালি ও পাতার নিচে...
10/01/2026

⚕️ প্ল্যান্টার ফ্যাসাইটিস /Plantar Fasciitis

🔸 প্লান্টার ফ্যাসাইটিস (Plantar Fasciitis) হলো পায়ের গোড়ালি ও পাতার নিচের অংশে (প্লান্টার ফাসিয়া) প্রদাহ। যা পায়ের খিলান (arch) সাপোর্টকারী টিস্যুর ওপর অতিরিক্ত চাপ বা টান পড়ার কারণে হয়, যা প্রদাহ ও ব্যথার কারণ হয়। এর চিকিৎসায় বিশ্রাম, ব্যায়াম, স্ট্রেচিং, সঠিক জুতো পরা এবং প্রয়োজনে ব্যথানাশক ওষুধ ব্যবহার করা হয়।

✅ লক্ষণঃ-
🔸 সকালের প্রথম পদক্ষেপের সময় তীব্র ব্যথা।
🔸 দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার পর বা দাঁড়ানোর সময় ব্যথা।
🔸 পায়ের গোড়ালিতে কাঁটার মতো বিঁধছে(pricking pain) এমন অনুভূতি।

✅ কারণঃ-
🔸 অতিরিক্ত দৌড়ানো বা দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার মতো কাজ।
🔸 পায়ের গঠন: ফ্ল্যাট ফুট (flat feet) বা উঁচু খিলানযুক্ত পা।
🔸 টাইট কাফ মাসল ও অ্যাকিলিস টেন্ডন শক্ত থাকলে।
🔸শরীরের অতিরিক্ত ওজন পায়ের ওপর চাপ বাড়ায়। এর কারণে ব্যাথা হতে পারে।

✅ প্রতিকারঃ-
🔸 দীর্ঘক্ষণ দাড়িয়ে বা বসা এড়িয়ে চলতে হবে।
🔸 পায়ের পাতা ও কাফ মাসলের স্ট্রেচিং, টেনিস বল রোলিং, ব্যায়াম করতে হবে।
🔸 ওজন হ্রাস করতে হবে।
🔸 কুশনযুক্ত ও আর্চ সাপোর্ট আছে এমন জুতো পড়তে হবে। শক্ত ও উচু হিলযুক্ত জুতো এড়িয়ে চলতে হবে।
🔸 প্রদাহ কমাতে বরফ সেঁক দিলে আরাম পাওয়া যায়।
🔸 ভিটামিন বি 12 এর অভাব আছে কিনা নির্ণয় এর জন্য রক্ত পরীক্ষা করতে হবে এবং প্রয়োজনে চিকিৎসা নিতে হবে।

✅ চিকিৎসাঃ- লক্ষণ অনুযায়ী হোমিওপ্যাথিক ঔষধের মাধ্যমে ব্যাথার চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব। রোগী হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সেবন এবং উপরে উল্লেখিত ম্যানেজমেন্ট এর মাধ্যমে সম্পূর্ণ সুস্থ হতে পারবেন।

❇️ বি. দ্রঃ- আপনাদের যে কোন স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন-

ডা: বিনায়ক রঞ্জন বসু
BHMS(DU)
Gov. Reg. No: H-1275 (DG Health)
Mobile No: 01715-520220 (WhatsApp, imo)

⚕️   টেস্টিকুলার অরকাইটিস / Testicular Orchitis🔸 টেস্টিকুলার অরকাইটিস (Testicular Orchitis) হলো অণ্ডকোষের প্রদাহ, যা ভাই...
07/01/2026

⚕️ টেস্টিকুলার অরকাইটিস / Testicular Orchitis

🔸 টেস্টিকুলার অরকাইটিস (Testicular Orchitis) হলো অণ্ডকোষের প্রদাহ, যা ভাইরাস (যেমন মাম্পস) বা ব্যাকটেরিয়ার কারণে হতে পারে। এর ফলে ব্যথা, ফোলা, জ্বর এবং ক্লান্তি দেখা দেয়। সময়মতো চিকিৎসা না করা হলে বন্ধ্যাত্ব বা অন্যান্য জটিলতা হতে পারে। এটি একটি অটোইমিউন ডিজিজ।

✅ লক্ষণঃ-
🔸 অণ্ডকোষে তীব্র ব্যথা, চাপ অনুভব, এক বা উভয় অণ্ডকোষ ফুলে যাওয়া।
🔸 জ্বর, ঠান্ডা লাগা এবং ক্লান্তি।
🔸 অণ্ডকোষের চামড়ার লালচে ভাব বা ফোলা (Oedema)।
🔸 পেশীতে ব্যথা, বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
🔸 অণ্ডকোষে ইনফেকশন
🔸 বীর্যপাতের সময় ব্যথা, কখনো কখনো রক্ত যাওয়া।
🔸 প্রস্রাবের সময় ব্যথা
🔸 অস্বাভাবিক স্রাব
🔸 কুঁচকিতে লিম্ফ নোড ফুলে যাওয়া।

✅ কারণঃ-
🔸 ভাইরাস: মাম্পস (Mumps) একটি সাধারণ কারণ। হাম (Measles) বা অন্যান্য ভাইরাসের আক্রমনেও হতে পারে।
🔸 ব্যাকটেরিয়া: মূত্রনালীর সংক্রমণ (UTI), প্রোস্টেট সংক্রমণ (Prostatitis), বা যৌনবাহিত রোগ (STD-Sexualy Transmitted Disease) যেমন: ক্ল্যামিডিয়া বা গনোরিয়া থেকে হতে পারে।
🔸 অন্যান্য: কিছু ক্ষেত্রে অটোইমিউন রোগ বা আঘাতের কারণেও এটি হতে পারে।

✅ জটিলতাঃ-
🔸 বন্ধ্যাত্ব (Infertility): অণ্ডকোষের ক্ষতি হলে শুক্রাণু উৎপাদনে সমস্যা হতে পারে।
🔸 অণ্ডকোষের সংকোচন (Testicular Atrophy): আক্রান্ত অণ্ডকোষ সংকুচিত হয়ে যেতে পারে।
🔸 অ্যাবসেস (Abscess): পুঁজ জমে ফোঁড়া হতে পারে।

✅ প্রতিরোধঃ-
🔸 নিরাপদ যৌন অভ্যাস এবং সহবাসের সময় কনডম ব্যবহার করতে হবে। এতে যৌন সংক্রমণ থেকে সুরক্ষিত থাকা যায়।
🔸 বয়স 50 বছরের বেশি হলে প্রতি বছর প্রোস্টেট পরীক্ষা করা উচিত।

✅ চিকিৎসাঃ-
🔸 বিশ্রাম ও সাপোর্ট: Bed rest এবং অণ্ডকোষকে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য সাসপেনসরি ব্যান্ডেজ ব্যবহার করা।
🔸 ঠান্ডা সেঁক (Cold Packs): ফোলা ও ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
🔸 উপরে উল্লেখিত ম্যানেজমেন্ট এর সাথে লক্ষণ অনুযায়ী হোমিওপ্যাথিক ঔষধ প্রয়োগের মাধ্যমে এই রোগের চিকিৎসা সম্ভব। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সেবনের মাধ্যমে এই রোগে আক্রান্ত ব্যাক্তি সম্পূর্ণ সুস্থ হতে পারবেন।

❇️ বি. দ্রঃ- আপনাদের যে কোন স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন-

ডা: বিনায়ক রঞ্জন বসু
BHMS(DU)
Gov. Reg. No: H-1275 (DG Health)
Mobile No: 01715-520220 (WhatsApp, imo)

☘️ শুভ সকাল।  আশাকরি সবাই সুস্থ আছেন। আপনাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য কে ভালো রাখতে নিয়মিত স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ দে...
06/01/2026

☘️ শুভ সকাল।
আশাকরি সবাই সুস্থ আছেন। আপনাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য কে ভালো রাখতে নিয়মিত স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ দেয়ার চেষ্টা করবো। তাই স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ পেতে চোখ রাখুন আমাদের এই পেইজে।

🔰 শীতকালে পায়ের গোড়ালি ফেটে যাওয়াঃ-
🔸 খালি পায়ে হাঁটা ও ধুলাবালুতে কাজ করা।
🔸 দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে কাজ করা।
🔸 শক্ত জুতা পরিধান করা।
🔸 পরিমিত পানি পান না করা।
🔸 পা অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়া।
🔸 ভিটামিন ‘এ’, ‘সি’ ও ‘ই’–এর অভাবে ফাটতে পারে পা।
🔸 খালি পায়ে খেতখামারে কাজ করা।

🔹 এসব ছাড়াও কিছু রোগের কারণে পা ফেটে যেতে পারে। যেমন-
🔸 পামোপ্ল্যান্টার কেরাটোডার্মা। এটি একধরনের জিনবাহিত রোগ। এ ক্ষেত্রে রোগীর ত্বক পুরু হয়, খসখসে ও শক্ত হতে থাকে, যা পরে ফেটে যায়। ফাটা স্থান দিয়ে নানা জীবাণু ঢুকে হতে পারে মারাত্মক প্রদাহ।
🔸 সোরিয়াসিস। এটি একধরনের অটোইমিউনো ডিজিজ। হাতে–পায়ে চাকা চাকা দাগ হওয়া, চুলকানি, চামড়া ওঠা এ রোগের লক্ষণ। হাত ও পায়ের তালুতে সোরিয়াসিস হলে আক্রান্ত স্থান ফেটে গিয়ে মাংস দেখা যায়।
🔸 জিনগত রোগ টিরিয়াসিস রুব্রা পাইলারিস যাঁদের আছে, শীতে তাঁদের হাত–পা প্রচণ্ড শুষ্ক হয়ে যায় এবং সোরিয়াসিসের মতোই পা ফেটে যায়।

✅ প্রতিকারঃ-
🔸 খালি পায়ে চলাফেরা না করা।
🔸 আরামদায়ক নরম জুতা পরা।
🔸 পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান।
🔸 নারকেল তেল মালিশ করা। নিয়মিত ভ্যাসলিন ব্যবহার।
🔸 ঝামা পাথর বা পিউমিস পাথর দিয়ে পা ঘষে পায়ের মরা চামড়া তুলে নিয়ে নারকেল তেল মালিশ।
🔸 শীত পড়া শুরু হলেই মোজা পরার অভ্যাস তৈরি করতে হবে। এতে ঠান্ডা, ধুলাবালুথেকে দূরে থাকতে হবে।

❇️ বি. দ্রঃ- আপনাদের যে কোন স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন-

ডা: বিনায়ক রঞ্জন বসু
BHMS(DU)
Gov. Reg. No: H-1275
Mobile No: 01715-520220 (WhatsApp, imo)

05/01/2026
⚕️   লাইম ডিজিজ/ Lyme disease🔸 লাইম ডিজিজ (Lyme disease) হলো এক ধরনের ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ যা মূলত একটি অটোইমিউন ডিজ...
04/01/2026

⚕️ লাইম ডিজিজ/ Lyme disease

🔸 লাইম ডিজিজ (Lyme disease) হলো এক ধরনের ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ যা মূলত একটি অটোইমিউন ডিজিজ(Auto immune disease)। এঁটেল পোকার (tick) কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায় এবং এর ফলে জ্বর, মাথাব্যথা, ক্লান্তি এবং 'বুলস-আই' (bullseye) আকৃতির লাল ফুসকুড়ি দেখা দেয়; যদি সময়মতো চিকিৎসা না করা হয়, তবে এটি জয়েন্ট, হৃৎপিণ্ড ও স্নায়ুতন্ত্রে ছড়িয়ে গুরুতর জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে, তাই দ্রুত অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে চিকিৎসা করানো জরুরী।

✅ লক্ষণসমূহঃ-
🔸 কামড়ের জায়গায় 'বু্লস-আই' (bullseye) ধরনের লাল ফুসকুড়ি দেখা যায়।
🔸 জ্বর, মাথাব্যথা, ক্লান্তি, ঘাড় শক্ত হওয়া, এবং ফোলা লিম্ফ নোড থাকতে পারে।
🔸 পেশি ও জয়েন্টে ব্যথা।
🔸 দ্রুত চিকিৎসা না হলে জয়েন্ট বা গাঁটে ব্যথা ও ফোলা হতে পারে।
🔸 দ্রুত চিকিৎসা না হলে হৃৎপিণ্ডের সমস্যা (যেমন হার্ট ব্লক), এবং স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যা যেমন- মস্তিষ্কের চারপাশে ঝিল্লির প্রদাহ বিকাশ করতে পারে (মেনিনজাইটিস), মুখের একপাশে অস্থায়ী পক্ষাঘাত যেমন- মুখ বেঁকে যাওয়া বা (Bell's palsy) হতে পারে। অসাড়তা বা দুর্বলতা অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে, যার কারণে সংক্রমণের কয়েক সপ্তাহ, মাস বা এমনকি কয়েক বছর ধরে পেশীর ক্রিয়া কমে যায়।

✅ কারণঃ-
ব্যাকটেরিয়া: লাইম রোগ চারটি ভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট হয় যেগুলি হল Borrelia burgdorferi, Borrelia mayonii, Borrelia afzelii এবং Borrelia. এটি 'বোরেলিয়া বার্গডোরফেরি' (Borrelia burgdorferi) নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে বেশি হয়ে থাকে।
🔸 মাধ্যম: সংক্রামিত কালো পায়ের এঁটেল পোকার (blacklegged tick) কামড় থেকে এটি ছড়ায়, বিশেষত বসন্ত ও গ্রীষ্মকালে এদের উপদ্রব বেশি থাকে।

✅ ডায়াগনোসিস/ রোগ নির্ণয়ঃ-
রোগ নির্ণয়: ক্লিনিকাল লক্ষণ, এঁটেল পোকার কামড়ের ইতিহাস এবং রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করা হয়।

✅ প্রতিরোধঃ-
🔸 বন বা ঝোপঝাড়ে গেলে লম্বা পোশাক পরা।
🔸 শরীর ও পোষা প্রাণীর ত্বকে এঁটেল পোকা আছে কিনা তা পরীক্ষা করা।
🔸 এঁটেল পোকা কামড়ালে দ্রুত এবং সঠিকভাবে তা অপসারণ করা।
🔸 আপনার বাড়ির বাগান টিক-মুক্ত রাখতে হবে। টিক-আক্রান্ত এলাকা ব্রাশ এবং পাতা পরিষ্কার করতে হবে। নিয়মিতভাবে আঙ্গিনার ঘাস কাটতে হবে।
🔸 বাইরে থেকে আসার সাথে সাথে গোসল করতে হবে।
🔸 পোষা প্রাণীতেও টিক্স পাওয়া যেতে পারে। তাই পোষা প্রাণীদের পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
🔸 বনভূমি বা ঘাসযুক্ত জায়গায় সময় কাটানোর পরে, অতিরিক্ত সতর্ক থাকতে হবে। কারণ হরিণের টিকগুলি প্রায়শই পিনহেডের চেয়ে সামান্য মাত্র বড় হয়, ভালভাবে পরীক্ষা না করা পর্যন্ত সেগুলি লক্ষ্য করা যায় না।

✅ চিকিৎসাঃ- লাইম ডিজিজ আক্রান্ত ব্যাক্তির হিস্ট্রি নিয়ে লক্ষণ অনুযায়ী হোমিওপ্যাথিক ঔষধ প্রয়োগের মাধ্যমে চিকিৎসা দেয়া সম্ভব। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার মাধ্যমে এই রোগে আক্রান্ত ব্যাক্তি সম্পূর্ণ সুস্থ হতে পারবেন।

❇️ বি. দ্রঃ- আপনাদের যে কোন স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন-

ডা: বিনায়ক রঞ্জন বসু
BHMS(DU)
Gov. Reg. No: H-1275
Mobile No: 01715-520220 (WhatsApp, imo)

☘️ শুভ সকাল। আশাকরি সবাই সুস্থ আছেন। আপনাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য কে ভালো রাখতে নিয়মিত স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ দেয়...
04/01/2026

☘️ শুভ সকাল।
আশাকরি সবাই সুস্থ আছেন। আপনাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য কে ভালো রাখতে নিয়মিত স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ দেয়ার চেষ্টা করবো। তাই স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ পেতে চোখ রাখুন আমাদের এই পেইজে।

🔰 বয়স বাড়লেও মস্তিষ্ক সচল রাখার উপায়ঃ-
🔸 রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে:
উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়, যা মস্তিষ্কের স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতি করতে পারে এবং ডিমেনশিয়ার সম্ভাবনা বাড়ায়। তাই রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
🔸 ধূমপান ও মদ্যপান পরিহার করতে হবে:
ধূমপান ও অ্যালকোহল গ্রহণ মস্তিষ্কের কোষ ধ্বংস করে এবং স্মরণশক্তি দুর্বল করে। তাই ধূমপান ও অতিরিক্ত মদ্যপান সম্পূর্ণ ত্যাগ করতে হবে।
🔸 নিয়মিত ব্যায়াম করা:
নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম রক্তপ্রবাহ বাড়ায় এবং সেটা মস্তিষ্কের জন্য উপকারী। হাঁটাহাঁটি করা, সাঁতার কাটা, সাইকেল চালানো, যোগব্যায়াম মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ বাড়ায়।
যারা নিয়মিত শরীরচর্চা করেন তাদের মধ্যে ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি এক-তৃতীয়াংশ কম।
🔸 পুষ্টিকর ও সুষম খাদ্য গ্রহণ:
মস্তিষ্ককে সচল রাখতে পুষ্টিকর ও সুষম খাদ্য গ্রহণ করতে হবে।
যেমন—সবুজ শাকসবজি, বাদাম, বীজ, সামুদ্রিক মাছ, বেরি ফল ও অলিভ অয়েল ইত্যাদি। এছাড়াও ‘মাইন্ড ডায়েট’ অনুসরণ করলে মস্তিষ্কের বয়সজনিত ক্ষয় কমে এবং স্মৃতিশক্তি বাড়ে।
🔸 সামাজিক যোগাযোগ বজায় রাখতে হবে:
যারা একাকীত্বে ভোগেন, ডিপ্রেশনে ভোগেন তাদের মস্তিষ্কের ধূসর পদার্থ(Grey matter) কমে যায়, যার ফলে ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি ২৬%-২৮% বেড়ে যায়। তাই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাতে হবে, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে হবে, অতিরিক্ত দু:শ্চিন্তা থেকে দূরে থাকতে হবে, প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।
🔸 বিনোদন ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম:
নিজের চিন্তাভাবনাকে সচল রাখতে নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করতে হবে। যেমন নতুন ভাষা শেখা, বাদ্যযন্ত্র বাজানো, বই পড়া, গল্প লেখা, মুভি দেখা ইত্যাদি। এধরনের কাজ মস্তিষ্কের নিউরনগুলো সক্রিয় রাখে এবং বয়সের সাথে সাথে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমে না।
🔸 নিয়মিত যৌন জীবন বজায় রাখতে হবে:
অনেকেই যৌন জীবনের গুরুত্ব ভুলে যান বয়স বাড়লে, কিন্তু এটি শুধু সম্পর্ক নয়, মস্তিষ্কের জন্যও উপকারী। যৌন তৃপ্তি ডোপামিন হরমোন নিঃসরণ করে, যা মানসিক ও শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা ও মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে।
🔸 পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমাতে হবে:
ঘুমের সময় মস্তিষ্ক বিশ্রামের সময় পায়, যা ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমায়। দিনে অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা টানা গভীর ঘুম প্রয়োজন।
যারা দিনে ৫ ঘণ্টার কম ঘুমান তাদের ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি দ্বিগুণ এবং মৃত্যুঝুঁকি ২.৪ গুণ বেড়ে যায়।
🔸 মস্তিষ্কের খেলা খেলতে হবে:
স্মরণশক্তি ও চিন্তাশক্তি বাড়াতে পাজল, দাবা, স্যুডোকু বা স্মৃতিশক্তি নির্ভর খেলা খেলতে হবে। যদিও এগুলো ডিমেনশিয়া প্রতিরোধ করে না, তবে এটি আপনার বুদ্ধির পরীক্ষা ও প্রশিক্ষণের কাজ করে।

❇️ বি. দ্রঃ- আপনাদের যে কোন স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন-

ডা: বিনায়ক রঞ্জন বসু
BHMS(DU)
Gov. Reg. No:H-1275
Mobile No: 01715-520220 (WhatsApp, imo)

☘️ শুভ সকাল। আশাকরি সবাই সুস্থ আছেন। আপনাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য কে ভালো রাখতে নিয়মিত স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ দেয়...
03/01/2026

☘️ শুভ সকাল।
আশাকরি সবাই সুস্থ আছেন। আপনাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য কে ভালো রাখতে নিয়মিত স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ দেয়ার চেষ্টা করবো। তাই স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ পেতে চোখ রাখুন আমাদের এই পেইজে।

🔰 শীতকালে পর্যাপ্ত পানি পান করাঃ-
শীতকালে পর্যাপ্ত পানি পান করা খুবই জরুরি, কারণ ঠান্ডা আবহাওয়ায় তৃষ্ণা কম পেলেও শ্বাস-প্রশ্বাস, প্রস্রাব ও ত্বকের শুষ্কতা দিয়ে শরীর থেকে প্রচুর পানি বেরিয়ে যায়, সেই সাথে বাতাসে আদ্রতা বেশি থাকায় শরীর থেকে তরল শোষণ করে বেশি, যা আমাদের শরীরে পানিশূন্যতা (dehydration), কোষ্ঠকাঠিন্য(constipation). মাথাব্যথা(headache) ও ত্বকের শুষ্কতা(skin dryness) সৃষ্টি করতে পারে। তাই শীতকালে হালকা গরম পানি বা ভেষজ চা পান করে শরীরের জলের চাহিদা পূরণ করতে হবে।

✅ শীতকালে পর্যাপ্ত পানি পান করার প্রয়োজনীয়তাঃ-
🔸 পানিশূন্যতা প্রতিরোধ:
ঠান্ডা আবহাওয়ায় ঘাম কম হওয়ায় আমরা পানি কম পান করি, কিন্তু শরীর কিন্তু শ্বাস-প্রশ্বাস, প্রস্রাব ও ত্বকের মাধ্যমে পানি হারাতে থাকে, ফলে পানিশূন্যতা তৈরি হয়। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে হবে।
🔸 কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ:
পর্যাপ্ত পানি হজম প্রক্রিয়াকে সচল রাখতে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে।
🔸 ত্বক ও শ্বাসনালীর সুরক্ষা:
শীতের শুষ্ক বাতাস থেকে ত্বক ও শ্বাসনালীর আর্দ্রতা রক্ষা করতে পানির ভূমিকা অপরিহার্য।
🔸 শরীর থেকে বর্জ্য নিষ্কাশন:
শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ সঠিকভাবে নিষ্কাশনের জন্য এবং মেটাবলিজম ঠিক রাখতে পর্যাপ্ত পানি পান অপরিহার্য।
🔸 শরীরকে উষ্ণ রাখা:
পানির সঠিক মাত্রা শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গে সঠিক তাপমাত্রা রাখতে সাহায্য করে।

✅ করণীয়ঃ-
🔸 প্রাপ্তবয়স্কদের দিনে অন্তত ৩-৪ লিটার (১২-১৫ গ্লাস) তরল, যার মধ্যে পানিও থাকবে, পান করা উচিত।
🔸 গরম পানি পান করুন: ঠান্ডা পানির বদলে হালকা গরম পানি বা ভেষজ চা, লেবুপানি পান করা উচিত।
🔸 দুধ চা বা কফির বদলে পানি পান করুন, কারণ এগুলো শরীরকে পানিশূন্য করতে পারে।

❇️ বি. দ্রঃ- আপনাদের যে কোন স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন-

ডা: বিনায়ক রঞ্জন বসু
BHMS(Du)
Gov. Reg. No: H-1275
Mobile No: 01715-520220 (WhatsApp, imo)

Address

Dr. Bose's Care, House No-646(ground Floor), Road No : 9 Avenue: 3, Mirpur DOHS
Dhaka
1216

Opening Hours

Monday 09:00 - 20:00
Tuesday 09:00 - 20:00
Wednesday 09:00 - 20:00
Thursday 09:00 - 20:00
Friday 09:00 - 20:00
Saturday 09:00 - 20:00

Telephone

+8801715520220

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Bose's Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category