Dr. Juthi Bhowmik

Dr. Juthi Bhowmik MBBS, FCPS (Reproductive Endocrinology and Infertility)
FCPS (Gynae and Obstetrics)
Fertility Specialist, Obstetrician and Laparoscopic Surgeon

গর্ভধারণ এড়ানোর জন্য নারীরা অনেকসময় টিউব লাইগেশন নামের একটি স্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি বেছে নেন। এটি মূলত ফ্যালোপিয়ান ট...
31/01/2026

গর্ভধারণ এড়ানোর জন্য নারীরা অনেকসময় টিউব লাইগেশন নামের একটি স্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি বেছে নেন। এটি মূলত ফ্যালোপিয়ান টিউব কেটে বা বেঁধে দেওয়া হয়, যাতে ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর মিলন না ঘটে। তবে অনেকেই পরবর্তীতে আবার সন্তান নিতে চাইলে প্রশ্ন জাগে-
টিউব লাইগেশনের পর কি সত্যিই মা হওয়া সম্ভব?

টিউব লাইগেশন রিভার্সাল (Tubal Ligation Reversal)

টিউব লাইগেশন করা নারীদের জন্য একটি সমাধান হলো সার্জারির মাধ্যমে টিউব আবার জোড়া লাগানো বা খোলা।

যদি টিউবগুলো সুস্থ থাকে, তাহলে প্রায় ৫০%–৮০% নারী পুনরায় গর্ভধারণ করতে সক্ষম হন।

তবে সফলতার হার নির্ভর করে-

🔰 নারীর বয়স
🔰 টিউব কীভাবে কাটা বা বাঁধা হয়েছিল
🔰 টিউবের বাকি দৈর্ঘ্য
🔰ডিম্বাশয়ের স্বাভাবিক কার্যকারিতা আছে কিনা

যদি টিউব মেরামত সম্ভব না হয়:
এমন ক্ষেত্রে IVF (টেস্ট টিউব বেবি) সবচেয়ে কার্যকর উপায়। এতে টিউব খোলা থাকার দরকার হয় না। ডিম্বাশয় থেকে ডিম সংগ্রহ করে ল্যাবে শুক্রাণুর সাথে নিষিক্ত করা হয়, এরপর ভ্রূণকে জরায়ুতে প্রতিস্থাপন করা হয়।

শেষকথা:
টিউব লাইগেশন ঠিক করার পর গর্ভধারণ করা সম্ভব, তবে সফলতার হার সবার ক্ষেত্রে এক রকম নয়। তাই ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য, বয়স ও টিউবের অবস্থা অনুযায়ী সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
#গর্ভধারণ #মাতৃত্ব #নারীস্বাস্থ্য

শুভ সরস্বতী পূজা! ✨🙏বিদ্যার দেবী মা সরস্বতীর আশীর্বাদে জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও সৃজনশীলতায় সকলের জীবন আলোকিত হোক। শুভবুদ্ধি ও সু...
23/01/2026

শুভ সরস্বতী পূজা! ✨🙏
বিদ্যার দেবী মা সরস্বতীর আশীর্বাদে জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও সৃজনশীলতায় সকলের জীবন আলোকিত হোক। শুভবুদ্ধি ও সুস্থতার পথে এগিয়ে চলুন।

শুভেচ্ছান্তে....
ডাঃ যূথী ভৌমিক

ডিম্বাশয়ের সিস্ট হলো ডিম্বাশয়ের ভেতরে তরলভর্তি একটি থলি, যা বিভিন্ন কারণে তৈরি হতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটি ক্ষতিকারক...
18/01/2026

ডিম্বাশয়ের সিস্ট হলো ডিম্বাশয়ের ভেতরে তরলভর্তি একটি থলি, যা বিভিন্ন কারণে তৈরি হতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটি ক্ষতিকারক নয় এবং নিজে থেকেই সেরে যেতে পারে, তবে কিছু ক্ষেত্রে এটি সমস্যা তৈরি করতে পারে এবং চিকিৎসা প্রয়োজন হয়।

ডিম্বাশয়ের সিস্ট কেন হয়?
ডিম্বাশয়ের সিস্ট সাধারণত মাসিক চক্রের হরমোনাল পরিবর্তনের কারণে হয়।
কিছু সাধারণ কারণ হলো:
• ফলিকুলার সিস্ট: ডিম্বাণু বের হওয়ার আগে ফোলিকল বড় হয়ে সিস্ট তৈরি করে।
• করপাস লুটিয়াম সিস্ট: ডিম্বাণু বের হওয়ার পর ফোলিকল যদি পুরোপুরি না ভাঙে, তখন সিস্ট হতে পারে।
• পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম (PCOS): ডিম্বাশয়ে অনেক ছোট ছোট সিস্ট তৈরি হয় যা হরমোনের ভারসাম্যহীনতার সঙ্গে সম্পর্কিত।
• এন্ডোমেট্রিওসিস: গর্ভাশয়ের টিস্যু ডিম্বাশয়ের মধ্যে প্রবেশ করলে সিস্ট তৈরি হতে পারে।
• গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থার শুরুর দিকে কিছু মহিলাদের মধ্যে সিস্ট দেখা যেতে পারে।

লক্ষণসমূহ
অনেক সময় সিস্ট লক্ষণহীন হতে পারে, তবে বড় সিস্ট বা বিশেষ ধরনের সিস্টের ক্ষেত্রে কিছু লক্ষণ দেখা যায়:
• তলপেটে বা পেলভিক অঞ্চলে ব্যথা।
• মাসিকের সময় অস্বাভাবিক ব্যথা বা অধিক রক্তপাত।
• পেট ফুলে ওঠা বা চাপ অনুভব করা।
• প্রস্রাবের সমস্যা বা বারবার প্রস্রাবের তাগিদ।
• বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
• শারীরিক মিলনের সময় ব্যথা।
• ওজন কমে যাওয়া বা অতিরিক্ত ক্লান্তি।

চিকিৎসা
ডিম্বাশয়ের সিস্টের চিকিৎসা সিস্টের আকার, ধরন এবং লক্ষণের উপর নির্ভর করে। সাধারণত নিচের পদক্ষেপগুলো নেওয়া হয়:
• পর্যবেক্ষণ: ছোট সিস্ট হলে এবং লক্ষণ না থাকলে ডাক্তার এটিকে পর্যবেক্ষণ করতে পারেন, কারণ অনেক সিস্ট নিজে থেকেই সেরে যায়।
• ওষুধ: হরমোনাল ওষুধ, যেমন জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি, সিস্টের বৃদ্ধি থামাতে বা নতুন সিস্ট তৈরি হওয়া প্রতিরোধ করতে পারে।
• ল্যাপারোস্কোপি: বড় বা ব্যথাদায়ক সিস্ট হলে ল্যাপারোস্কোপি পদ্ধতিতে সিস্ট অপসারণ করা যেতে পারে।
• ল্যাপারোটমি: বড় সিস্ট বা জটিল সিস্টের ক্ষেত্রে শল্যচিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে।
• PCOS এর জন্য ব্যবস্থাপনা: পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম থাকলে ওজন নিয়ন্ত্রণ, খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন এবং হরমোন নিয়ন্ত্রণে ওষুধ প্রয়োগ করা হয়।
যদি তীব্র ব্যথা, তলপেট ফুলে ওঠা বা রক্তক্ষরণ দেখা দেয়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ডা. যুথী ভৌমিকস্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জনমহিলাদের সব ধরনের স্ত্রীরোগ, গর্ভাবস্থা সংক্রান্ত জটিলতা, বন্ধ্য...
17/01/2026

ডা. যুথী ভৌমিক
স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জন
মহিলাদের সব ধরনের স্ত্রীরোগ, গর্ভাবস্থা সংক্রান্ত জটিলতা, বন্ধ্যাত্ব, মাসিক সমস্যা ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জারিতে অভিজ্ঞ ও যত্নশীল চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়।

বর্তমানে নিয়মিত রোগী দেখছেন-
📍 পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, শান্তিনগর শাখা

🕒 রোগী দেখার সময়ঃ
শনি, সোম ও বুধবার: বিকাল ৫টা – সন্ধ্যা ৭টা ৩০
প্রতি শুক্রবার: সন্ধ্যা ৬টা – রাত ৮টা!

🏥 চেম্বার
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, শান্তিনগর শাখা
🏠 বাড়ি নং ১১, শান্তিনগর, মতিঝিল, ঢাকা

📞 অ্যাপয়েন্টমেন্টঃ 09666-787803


বন্ধ্যাত্ব (Infertility) হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে একজন দম্পতি নিয়মিত যৌন সম্পর্ক করার পরও ১২ মাস বা তার বেশি সময় ধরে...
12/01/2026

বন্ধ্যাত্ব (Infertility) হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে একজন দম্পতি নিয়মিত যৌন সম্পর্ক করার পরও ১২ মাস বা তার বেশি সময় ধরে সন্তান ধারণ করতে ব্যর্থ হয়। এটি পুরুষ এবং নারীর উভয়ের ক্ষেত্রেই হতে পারে। সমীক্ষা অনুযায়ী বন্ধ্যাত্বের ৪০ শতাংশ ক্ষেত্রে নারী, ৪০ শতাংশ ক্ষেত্রে পুরুষ, বাকি ২০ শতাংশ ক্ষেত্রে স্বামী ও স্ত্রী উভয়ের কোনো সমস্যা থাকে।

সন্তান না হওয়ার পেছনে পুরুষের সমস্যার কারণসমূহঃ
শুক্রাণুর সমস্যা:
১। অল্প শুক্রাণু (Oligospermia): শুক্রাণুর সংখ্যা কম থাকলে।
২। শুক্রাণুর গঠনগত সমস্যা (Teratospermia): শুক্রাণুর আকার বা গঠন সঠিক না হলে।
৩। শুক্রাণুর গতিশীলতার সমস্যা (Asthenozoospermia): শুক্রাণুর গতি কম থাকলে।
৪। শুক্রাণুর সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি (Azoospermia): বীর্যে কোনো শুক্রাণু না থাকলে।

হরমোনাল সমস্যা:
১। হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, যেমন টেস্টোস্টেরন বা অন্যান্য হরমোনের মাত্রা কম থাকলে শুক্রাণু উৎপাদনে প্রভাব ফেলে।

অবস্ট্রাকটিভ সমস্যা:
১। শুক্রাণু পরিবহনকারী নালীর বাধা: শুক্রাণু পরিবহনকারী নালীতে কোনো বাধা থাকলে শুক্রাণু বাইরে আসতে পারে না।

অতীত সংক্রমণ:
১। অতীতে কোনো সংক্রমণ বা যৌনবাহিত রোগ হলে শুক্রাণু উৎপাদন বা পরিবহন ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

জেনেটিক সমস্যা:
১। জেনেটিক বা ক্রোমোজোমের ত্রুটি থাকলে শুক্রাণু উৎপাদন বা ফাংশনে সমস্যা হতে পারে।

তাই বন্ধ্যাত্তর সমস্যায় চিকিৎসা নিতে প্রাথমিক ভাবে স্বামী-স্ত্রী উভয়কেই চিকিৎসকের নিকট আসা উচিত।

ফ্যালোপিয়ান টিউব বন্ধ হলে ডিম্বাণু (এগ) এবং শুক্রাণু (স্পার্ম) একত্রিত হতে পারে না, ফলে প্রাকৃতিকভাবে গর্ভধারণ সম্ভব হয...
10/01/2026

ফ্যালোপিয়ান টিউব বন্ধ হলে ডিম্বাণু (এগ) এবং শুক্রাণু (স্পার্ম) একত্রিত হতে পারে না, ফলে প্রাকৃতিকভাবে গর্ভধারণ সম্ভব হয় না। এটি বন্ধ্যাত্বের একটি প্রধান কারণ হতে পারে। এছাড়া বন্ধ টিউব ইনফেকশন বা পেটের ব্যথার কারণও হতে পারে।

ফ্যালোপিয়ান টিউব বন্ধ হওয়ার অনেক কারণ থাকতে পারে। প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে:

ফ্যালোপিয়ান টিউব বন্ধ হওয়ার কারণ:
1. ইনফেকশন (সংক্রমণ): পেলভিক ইনফ্ল্যামেটরি ডিজিজ (PID) বা অন্যান্য ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন ফ্যালোপিয়ান টিউবের ভেতরে প্রদাহ বা ক্ষত সৃষ্টি করতে পারে, যা টিউব বন্ধের কারণ হতে পারে।
2. অস্ত্রোপচার: পেটের অস্ত্রোপচার বা সিজারিয়ান ডেলিভারির পরে টিস্যুর ক্ষতি বা আঠা ফ্যালোপিয়ান টিউবের আংশিক বা সম্পূর্ণ বন্ধ হওয়ার কারণ হতে পারে।
3. এন্ডোমেট্রিওসিস: এন্ডোমেট্রিওসিসের ক্ষেত্রে জরায়ুর বাইরের টিস্যুগুলি ফ্যালোপিয়ান টিউবের আশেপাশে বা ভেতরে বেড়ে উঠতে পারে, যা টিউব বন্ধ করতে পারে।
4. ফাইব্রয়েড: জরায়ুর ফাইব্রয়েড টিউবের মুখের আশেপাশে অবস্থান করলে এটি বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
5. জেনেটিক কারণ: কিছু মহিলাদের জন্মগতভাবে টিউব বন্ধ থাকতে পারে।

ফ্যালোপিয়ান টিউব খোলার উপায়:
1. ল্যাপারোস্কোপি: এটি একটি মাইক্রো-ইনভেসিভ সার্জারি যার মাধ্যমে ছোট কাট দিয়ে ফ্যালোপিয়ান টিউব খোলার চেষ্টা করা হয়।
2. হাইস্টারোস্কোপি: এই প্রক্রিয়ায় গর্ভাশয়ে একটি ক্ষুদ্র ক্যামেরা প্রবর্তন করা হয়, যা দ্বারা ডাক্তার টিউবের বন্ধের কারণ দেখতে পারেন এবং সেটি সরিয়ে দিতে পারেন।
3. ফ্যালোপিয়ান টিউব রিকানালাইজেশন: এটি একটি বিশেষ ধরনের প্রক্রিয়া যেখানে ক্যাথেটার বা বিশেষ যন্ত্রপাতির সাহায্যে বন্ধ টিউব পুনরায় খোলার চেষ্টা করা হয়।
4. ফার্টিলিটি চিকিৎসা: আইভিএফ (ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন) পদ্ধতি বন্ধ টিউবের সমস্যা এড়ানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।
যদি টিউব বন্ধ হয়ে যায়, তবে তা নির্ভর করে কিভাবে এবং কোন অবস্থায় বন্ধ হয়েছে তার ওপর, চিকিৎসক আপনার জন্য সেরা চিকিৎসার পথটি নির্ধারণ করবেন।

প্রত্যেক নারীর স্বপ্ন মা হওয়া। কিন্তু অনেকেই বারবার চেষ্টার পরও সন্তান ধারণে ব্যর্থ হন। এর পেছনে থাকতে পারে নানা জটিল শা...
06/01/2026

প্রত্যেক নারীর স্বপ্ন মা হওয়া। কিন্তু অনেকেই বারবার চেষ্টার পরও সন্তান ধারণে ব্যর্থ হন। এর পেছনে থাকতে পারে নানা জটিল শারীরিক ও হরমোনজনিত কারণ। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব নারী দীর্ঘদিন ধরে সন্তান নিতে পারছেন না, তাদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে সাধারণ তিনটি কারণ হচ্ছে:

১. এনোভুলেশন (Anovulation):
এটি এমন একটি শারীরিক সমস্যা, যেখানে নারীর ডিম্বাণু নির্গত হয় না। ফলে গর্ভধারণের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS) এই সমস্যার অন্যতম কারণ।

২. জরায়ুর সমস্যা:
জরায়ুতে ফাইব্রয়েড, পলিপ, অথবা জন্মগত গঠনগত ত্রুটি থাকলে গর্ভধারণে বাধা সৃষ্টি হতে পারে। কখনো কখনো জরায়ুর আস্তরণ ঠিকমতো তৈরি না হলে ভ্রূণ টিকতে পারে না।

৩. অ্যাজোস্পার্মিয়া (Azoospermia):
পুরুষ সঙ্গীর ক্ষেত্রে শুক্রাণুর সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি গর্ভধারণে বড় বাধা হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রেই এটি চিকিৎসাযোগ্য।

👉 সন্তান নেওয়ার ইচ্ছা থাকলে দেরি নয়!
কারণ, সময়ের সাথে প্রজনন ক্ষমতা কমে যেতে পারে। তাই আজই আপনার সমস্যা নির্ণয় ও সঠিক চিকিৎসার জন্য পরামর্শ নিন..!!

#বন্ধ্যাত্ব #মা_হওয়ার_স্বপ্ন #সন্তানধারণ

#জরায়ুরসমস্যা #বিশ্বস্ত_নারী_চিকিৎসক

শুভ নববর্ষ ২০২৬!নতুন বছর নিয়ে আসুক সুস্বাস্থ্য, সুখ এবং মাতৃত্বের নতুন আশীর্বাদ।আপনার স্বপ্ন পূরণের পথে ২০২৬ হোক সফলতার ...
31/12/2025

শুভ নববর্ষ ২০২৬!
নতুন বছর নিয়ে আসুক সুস্বাস্থ্য, সুখ এবং মাতৃত্বের নতুন আশীর্বাদ।
আপনার স্বপ্ন পূরণের পথে ২০২৬ হোক সফলতার আলো।
সবাই সুস্থ ও ভালো থাকুন।

-ডা. যূথী ভৌমিক

আইভিএফ একটি অত্যাধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি, যা প্রাকৃতিকভাবে গর্ভধারণে সমস্যার সম্মুখীন দম্পতিদের জন্য সন্তান লাভের একটি কার্...
31/12/2025

আইভিএফ একটি অত্যাধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি, যা প্রাকৃতিকভাবে গর্ভধারণে সমস্যার সম্মুখীন দম্পতিদের জন্য সন্তান লাভের একটি কার্যকর উপায়। এই প্রক্রিয়ায় স্ত্রীর ডিম্বাণু এবং স্বামীর শুক্রাণু শরীরের বাইরে, পরীক্ষাগারে নিষিক্ত করা হয়। সফল নিষেকের পর সৃষ্ট ভ্রূণটি স্ত্রীর জরায়ুতে স্থানান্তর করা হয়, যাতে সেখানে তা প্রাকৃতিকভাবে বিকাশ লাভ করতে পারে।

আইভিএফ এর সুবিধা:
1. অবাধ্য বন্ধ্যাত্বের সমাধান: যেসব দম্পতি বিভিন্ন কারণে সন্তান ধারণে ব্যর্থ হয়েছেন, তাদের জন্য এটি কার্যকর।
2. অন্য পদ্ধতির তুলনায় উন্নত: প্রাকৃতিক গর্ভধারণে ব্যর্থ হলে বা বারবার গর্ভপাত হলে আইভিএফ একটি নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
3. বয়সজনিত সমস্যা: বয়স বেশি হলে বা ডিম্বাণুর সংখ্যা ও গুণগত মান কমে গেলে আইভিএফ সাহায্য করতে পারে।
4. জেনেটিক পরীক্ষা: ভবিষ্যৎ সন্তানের জেনেটিক সমস্যার ঝুঁকি থাকলে তা আগেই নির্ণয় করা সম্ভব।

যাদের জন্য আইভিএফ প্রযোজ্য:
• বন্ধ্যাত্বজনিত সমস্যা (পুরুষ বা নারী উভয়ের)।
• ডিম্বাণু নির্গমনের সমস্যা।
• ফ্যালোপিয়ান টিউব ব্লক বা ক্ষতিগ্রস্ত।
• অনির্ধারিত বন্ধ্যাত্ব।

আইভিএফ চিকিৎসা পদ্ধতি প্রতিদিন উন্নত হচ্ছে। চিকিৎসকের পরামর্শে সঠিক সময়ে উদ্যোগ নিলে এটি আপনার পরিবারে নতুন জীবনের আলো নিয়ে আসতে পারে।

আপনি কি দীর্ঘদিন ধরে সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করছেন কিন্তু বারবার ব্যর্থ হচ্ছেন? আপনি হয়তো জানেনই না, আপনার থাইরয়েড গ্রন্থির...
30/12/2025

আপনি কি দীর্ঘদিন ধরে সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করছেন কিন্তু বারবার ব্যর্থ হচ্ছেন? আপনি হয়তো জানেনই না, আপনার থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যাই হতে পারে এর পিছনের মূল কারণ!

👉 হাইপোথাইরয়েডিজম হল থাইরয়েড গ্রন্থির কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া, যার ফলে শরীরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ হরমোন উৎপাদন ব্যাহত হয়।
এটি শুধু নারীদের নয়, পুরুষদের বন্ধ্যাত্ব সমস্যারও একটি বড় কারণ।

👩‍⚕️ নারীদের ক্ষেত্রে এর প্রভাব:
ডিম্বাণুর সমস্যা

⚠️ অনিয়মিত মাসিক চক্র

⚠️ গর্ভধারণে ব্যর্থতা

⚠️ গর্ভপাতের ঝুঁকি

👨‍⚕️ পুরুষদের ক্ষেত্রে এর প্রভাব:
শুক্রাণুর পরিমাণ কমে যাওয়া

⚠️ স্পার্ম কোয়ালিটির অবনতি

⚠️ টেস্টোস্টেরনের সমস্যা

⚠️ যৌনশক্তি হ্রাস

🧬 একাধিক গবেষণায় প্রমাণিত, হাইপোথাইরয়েডিজম যদি সঠিক সময়ে নির্ণয় ও চিকিৎসা করা হয়, তবে বন্ধ্যাত্বের অনেক সমস্যা প্রতিরোধযোগ্য।

৪৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সের মধ্যে নারীদের শরীরে স্বাভাবিকভাবে ঘটে যাওয়া একটি প্রক্রিয়া হলো মেনোপজ। এসময় মাসিক বন্ধ হয়ে যায় এবং ...
29/12/2025

৪৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সের মধ্যে নারীদের শরীরে স্বাভাবিকভাবে ঘটে যাওয়া একটি প্রক্রিয়া হলো মেনোপজ। এসময় মাসিক বন্ধ হয়ে যায় এবং শরীরে হরমোন পরিবর্তনের কারণে নানা শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন দেখা দেয়।

🔎 সাধারণ লক্ষণগুলো হলো:
✔️ মাসিক চক্রে পরিবর্তন
✔️ হঠাৎ গরম লাগা (হট ফ্ল্যাশ)
✔️ যোনি শুষ্কতা
✔️ রাতে ঘেমে যাওয়া
✔️ মেজাজে পরিবর্তন

💡 অন্যান্য লক্ষণ:
👉 ঘুমের সমস্যা
👉 ওজন বৃদ্ধি
👉 চুল পাতলা হওয়া ও ত্বক শুষ্ক হওয়া
👉 যৌন আকাঙ্ক্ষা কমে যাওয়া

👩‍⚕️মেনোপজের সাথে মানিয়ে নেওয়ার উপায়:

সুষম খাদ্য গ্রহণ: সুষম খাদ্যগ্রহণ শরীরকে শক্তি দেয় এবং বিভিন্ন লক্ষণের সাথে মোকাবেলা করতে সহায়ক।
ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া জরুরি।
নিয়মিত ব্যায়াম:

নিয়মিত ব্যায়াম শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
এটি ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে এবং মুড উন্নত করতে সহায়ক।
হট ফ্ল্যাশ কমানোর উপায়:

হালকা ও সুতির পোশাক পরা।
ক্যাফেইন, অ্যালকোহল এবং মশলাদার খাবার এড়ানো।
মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য:

যোগব্যায়াম, ধ্যান এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক।
প্রয়োজন হলে একজন থেরাপিস্টের সঙ্গে কথা বলা।
পর্যাপ্ত ঘুম:

নিয়মিত ঘুমের রুটিন মেনে চলা।
শোবার ঘরকে আরামদায়ক রাখা এবং ইলেকট্রনিক ডিভাইস এড়ানো।
সামাজিক সংযোগ বজায় রাখা:

বন্ধু এবং পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো।
সমর্থন গ্রুপ বা কমিউনিটিতে যোগ দেওয়া।

পরামর্শ :
হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি (HRT) এবং অন্যান্য ওষুধ সম্পর্কে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।
প্রয়োজনীয় পরীক্ষাগুলো করানো এবং চিকিৎসকের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা।

মেনোপজের সময় শরীরের পরিবর্তনগুলি স্বাভাবিক এবং এটি মোকাবেলা করার জন্য বিভিন্ন উপায় রয়েছে। সঠিক পরামর্শ ও পরিচর্যা গ্রহণ করলে এই সময়টি সহজভাবে পার করা সম্ভব।

🎄 শুভ বড় দিন! 🌟বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় আশা এবং নতুন জীবনের স্বপ্ন বুনতে আমরা পাশে আছি। ডা. যূথী ভৌমিকের পক্ষ থেকে বড় দিনের আ...
25/12/2025

🎄 শুভ বড় দিন! 🌟
বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় আশা এবং নতুন জীবনের স্বপ্ন বুনতে আমরা পাশে আছি। ডা. যূথী ভৌমিকের পক্ষ থেকে বড় দিনের আন্তরিক শুভেচ্ছা।
জীবন হোক আনন্দময়, স্বপ্ন হোক পূর্ণ। ❤️

Address

Dhaka

Telephone

+8801791937405

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Juthi Bhowmik posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram