Dr. Juthi Bhowmik

Dr. Juthi Bhowmik MBBS, FCPS (Reproductive Endocrinology and Infertility)
FCPS (Gynae and Obstetrics)
Fertility Specialist, Obstetrician and Laparoscopic Surgeon
(5)

অনেক নারী অজান্তেই বন্ধ্যাত্বের সমস্যায় ভুগে থাকেন। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা না নিলে ভবিষ্যতে গর্ভধারণে জটিলতা দেখা দিতে পারে...
02/05/2026

অনেক নারী অজান্তেই বন্ধ্যাত্বের সমস্যায় ভুগে থাকেন। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা না নিলে ভবিষ্যতে গর্ভধারণে জটিলতা দেখা দিতে পারে। নিচের লক্ষণগুলো থাকলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত:

✅ যৌনমিলনের সময় ব্যথা
✅ ঋতুস্রাবের রক্ত গাঢ় বা অস্বাভাবিক ফ্যাকাশে রঙের
✅ হরমোনের ভারসাম্যহীনতা (যেমন ব্রণ, চুল পড়া, ওজন বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি)
✅ অনিয়মিত মাসিক চক্র
✅ অতিরিক্ত ভারী, দীর্ঘ সময় ধরে চলা বা ব্যথাযুক্ত পিরিয়ড

👩‍⚕️ সময়মতো সচেতন হোন, সুস্থ থাকুন।

বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জন
🧑‍⚕️ডাঃ যূথী ভৌমিক
এমবিবিএস, এফসিপিএস (রিপ্রোডাক্টিভ এন্ডোক্রিনোলজি অ্যান্ড ইনফার্টিলিটি),
এফসিপিএস (গাইনী এন্ড অবস)
ডিপ্লোমা ইন আই ভি এফ এন্ড রিপ্রোডাক্টিভ মেডিসিন (জার্মানি)
ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন (IVF Pregnancy) তে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত
(চেন্নাই, ইন্ডিয়া)
সিনিয়র কনসালটেন্ট,
ল্যাব এইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল,ধানমন্ডি, ঢাকা।
📍 চেম্বারের ঠিকানা:
ল্যাব এইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল, ধানমন্ডি।
⏰ সময়:
প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত (শুক্রবার বন্ধ)।
📞 অ্যাপয়েন্টমেন্ট: 10606
িকিৎসা #মাতৃত্বেরস্বপ্ন #বন্ধ্যত্বচিকিৎসা #গর্ভধারণ িকিৎসা #এন্ডোমেট্রিওসিস

শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা!পবিত্র বুদ্ধ পূর্ণিমায় কামনা করি পৃথিবী ভরে উঠুক শান্তি ও সম্প্রীতিতে।মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়াক মানবত...
01/05/2026

শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা!
পবিত্র বুদ্ধ পূর্ণিমায় কামনা করি পৃথিবী ভরে উঠুক শান্তি ও সম্প্রীতিতে।
মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়াক মানবতার বন্ধনে।
সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা।

#বুদ্ধপূর্ণিমা

আজ মহান মে দিবস"অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে যারা দিয়েছেন প্রাণ, ইতিহাসের পাতায় অমর হয়ে থাকবে তাঁদের অবদান। মহান মে দিবস সফল হোক...
01/05/2026

আজ মহান মে দিবস"
অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে যারা দিয়েছেন প্রাণ, ইতিহাসের পাতায় অমর হয়ে থাকবে তাঁদের অবদান। মহান মে দিবস সফল হোক!

পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম বা পিসিওএস একটি হরমোনজনিত অসুখ।বর্তমান বিশ্বের নারীরা যে সমস্যাগুলোতে সবচেয়ে বেশি ভুগে থাকেন,...
29/04/2026

পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম বা পিসিওএস একটি হরমোনজনিত অসুখ।
বর্তমান বিশ্বের নারীরা যে সমস্যাগুলোতে সবচেয়ে বেশি ভুগে থাকেন, তার অন্যতম হচ্ছে পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (পিসিওএস)। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, প্রতি ১০ জন নারীর ভেতর অন্তত ১ জন এ রোগে আক্রান্ত। নারীর প্রজনন হরমোনের তারতম্যের কারণে এই রোগ দেখা দেয়।

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম কেন হয়?
পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোমের সঠিক কারণ জানা যায় না। কিন্তু চিকিৎসকরা ধারণা করেন, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা এবং বংশগত কারণ এ ক্ষেত্রে একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যে নারীদের মা ও বোনের পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম আছে তাদের এই সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা বেশি।নারীদের শরীরে এন্ড্রোজেন হরমোন বেশি মাত্রায় থাকলেও পিসিওএস হতে পারে। বাড়তি এন্ড্রোজেন ডিম্বাশয় থেকে ডিম বের হওয়া এবং এর বৃদ্ধিতে বাধা সৃষ্টি করে। অতিরিক্ত ইনসুলিন উৎপাদনের কারণেও শরীরে এন্ড্রোজেন হরমোন বেড়ে যেতে পারে।

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোমের উপসর্গঃ
পিসিওএসের উপসর্গ শুরু হয় সাধারণত নারীদের মাসিক শুরু হওয়ার পর থেকেই। তবে উপসর্গের ধরন এবং তীব্রতা একেকজনের ক্ষেত্রে একেক রকম হতে পারে। সাধারণ যে উপসর্গ সবার মধ্যে দেখা যায় তা হলো অনিয়মিত মাসিক। অন্যান্য লক্ষণগুলো হলো -
● মুখে, বুকে, পেটে, পেছনে বা পায়ের আঙুলে চুল গজানো
● ব্রন, তৈলাক্ত ত্বক বা খুশকি
● অতিরিক্ত ওজন বেড়ে যাওয়া বা পুরুষদের মতো টেকো ভাব বা চুল পাতলা হয়ে যাওয়া
● ঘাড়, হাত, স্তন বা উরুতে চামড়ায় গাঢ় বাদামি বা কালো দাগ। এটা বগলে বা পায়ের ভাঁজেও হতে পারে।
● স্তনের আকার ছোট হয়ে যাওয়া
● মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা বেড়ে যাওয়া
● বন্ধ্যাত্ব
● কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়া
● ডায়াবেটিস

তবে এসব উপসর্গের অনেকগুলোই অনেকের নাও থাকতে পারে।

চিকিৎসা ও প্রতিরোধের উপায়ঃ
পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোমে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে দেখা যায়, সমস্যাটি তখনই শনাক্ত হয় যখন তিনি সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করে অসফল হন। সারা বিশ্বে বন্ধ্যাত্বের জন্য এটাকে সবচেয়ে বেশি দায়ী করা হয়। তবে কারও পিসিওএস থাকা মানে এই নয় যে তিনি কখনোই মা হতে পারবেন না। প্রয়োজনীয় চিকিৎসার মাধ্যমে তারাও মা হতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে কিছুটা সময় লাগতে পারে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসা গ্রহণ ও জীবনযাপনে পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে।

যদি কারও কেবল মাসিকের সমস্যা থাকে তবে তাদের জন্য প্রথম চিকিৎসা হলো ওজন কমিয়ে ফেলা। পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোমে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স হয়ে যায়। এর জন্য হাইপার এন্ড্রোজেনিজম হয়। এন্ড্রোজেন হচ্ছে, পুরুষ হরমোন। মেয়েদের শরীরের যদি পুরুষ হরমোনের পরিমাণ বেড়ে যায়, তখনই দেখা যায় ওজন বাড়তে থাকে, লোম গজাতে থাকে, মাসিক অনিয়মিত হতে থাকে। তখন তাদেরকে ব্যায়ামের পাশাপাশি মেটফরমিন নামের একটি ওষুধ দেওয়া যায়। যেটা তার এন্ড্রোজেনের মাত্রাকে কমিয়ে দেয়। যখনই এন্ড্রোজেনের মাত্রা কমে যায় তখনই এই উপসর্গগুলো ঠিক হয়ে যায়। যদি ঠিক সময়ে নেওয়া হয় তাহলে ডিম্বাণুর পরিপক্বতা ঠিক থাকে, মাসিক নিয়মিত হয়ে যায়।
আর যদি কারও বন্ধ্যাত্বের সমস্যা থাকে তবে তাদের ক্ষেত্রে ল্যাপরোস্কপি করানো হয়। ল্যাপরোস্কপিতে ছোটো ছোটো অনেক সিস্টকে পাংচার (টুকরো) করে দেওয়া যায়। এতে করে ভেতরে যে বাড়তি এন্ড্রোজেন থাকে, সেটি বের হয়ে যায়। এর ফলে হরমোনের ভারাসাম্যহীনতা ঠিক হয়ে গিয়ে মাসিক ঠিক হয়ে যায়। দেখা যায় ল্যাপরোস্কপি করার পর খুব দ্রুতই সন্তান ধারণ সম্ভব হয়।


ডিম্বাশয়ের সিস্ট হলো ডিম্বাশয়ের ভেতরে তরলভর্তি একটি থলি, যা বিভিন্ন কারণে তৈরি হতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটি ক্ষতিকারক...
28/04/2026

ডিম্বাশয়ের সিস্ট হলো ডিম্বাশয়ের ভেতরে তরলভর্তি একটি থলি, যা বিভিন্ন কারণে তৈরি হতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটি ক্ষতিকারক নয় এবং নিজে থেকেই সেরে যেতে পারে, তবে কিছু ক্ষেত্রে এটি সমস্যা তৈরি করতে পারে এবং চিকিৎসা প্রয়োজন হয়।

ডিম্বাশয়ের সিস্ট কেন হয়?
ডিম্বাশয়ের সিস্ট সাধারণত মাসিক চক্রের হরমোনাল পরিবর্তনের কারণে হয়।
কিছু সাধারণ কারণ হলো:
• ফলিকুলার সিস্ট: ডিম্বাণু বের হওয়ার আগে ফোলিকল বড় হয়ে সিস্ট তৈরি করে।
• করপাস লুটিয়াম সিস্ট: ডিম্বাণু বের হওয়ার পর ফোলিকল যদি পুরোপুরি না ভাঙে, তখন সিস্ট হতে পারে।
• পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম (PCOS): ডিম্বাশয়ে অনেক ছোট ছোট সিস্ট তৈরি হয় যা হরমোনের ভারসাম্যহীনতার সঙ্গে সম্পর্কিত।
• এন্ডোমেট্রিওসিস: গর্ভাশয়ের টিস্যু ডিম্বাশয়ের মধ্যে প্রবেশ করলে সিস্ট তৈরি হতে পারে।
• গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থার শুরুর দিকে কিছু মহিলাদের মধ্যে সিস্ট দেখা যেতে পারে।

লক্ষণসমূহ
অনেক সময় সিস্ট লক্ষণহীন হতে পারে, তবে বড় সিস্ট বা বিশেষ ধরনের সিস্টের ক্ষেত্রে কিছু লক্ষণ দেখা যায়:
• তলপেটে বা পেলভিক অঞ্চলে ব্যথা।
• মাসিকের সময় অস্বাভাবিক ব্যথা বা অধিক রক্তপাত।
• পেট ফুলে ওঠা বা চাপ অনুভব করা।
• প্রস্রাবের সমস্যা বা বারবার প্রস্রাবের তাগিদ।
• বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
• শারীরিক মিলনের সময় ব্যথা।
• ওজন কমে যাওয়া বা অতিরিক্ত ক্লান্তি।

চিকিৎসা
ডিম্বাশয়ের সিস্টের চিকিৎসা সিস্টের আকার, ধরন এবং লক্ষণের উপর নির্ভর করে। সাধারণত নিচের পদক্ষেপগুলো নেওয়া হয়:
• পর্যবেক্ষণ: ছোট সিস্ট হলে এবং লক্ষণ না থাকলে ডাক্তার এটিকে পর্যবেক্ষণ করতে পারেন, কারণ অনেক সিস্ট নিজে থেকেই সেরে যায়।
• ওষুধ: হরমোনাল ওষুধ, যেমন জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি, সিস্টের বৃদ্ধি থামাতে বা নতুন সিস্ট তৈরি হওয়া প্রতিরোধ করতে পারে।
• ল্যাপারোস্কোপি: বড় বা ব্যথাদায়ক সিস্ট হলে ল্যাপারোস্কোপি পদ্ধতিতে সিস্ট অপসারণ করা যেতে পারে।
• ল্যাপারোটমি: বড় সিস্ট বা জটিল সিস্টের ক্ষেত্রে শল্যচিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে।
• PCOS এর জন্য ব্যবস্থাপনা: পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম থাকলে ওজন নিয়ন্ত্রণ, খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন এবং হরমোন নিয়ন্ত্রণে ওষুধ প্রয়োগ করা হয়।
যদি তীব্র ব্যথা, তলপেট ফুলে ওঠা বা রক্তক্ষরণ দেখা দেয়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

বন্ধ্যাত্ব, একটি জটিল শারীরিক অবস্থা যা অনেক দম্পতির জীবনে সন্তান জন্মদানের স্বপ্নকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। তবে আধুনিক চি...
26/04/2026

বন্ধ্যাত্ব, একটি জটিল শারীরিক অবস্থা যা অনেক দম্পতির জীবনে সন্তান জন্মদানের স্বপ্নকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। তবে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলে এখন অনেক ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে, যা বন্ধ্যাত্বের সমস্যার সমাধানে সহায়ক। এর মধ্যে ইন্ট্রাউটেরাইন ইনসেমিনেশন (IUI) বা আই ইউ আই অন্যতম জনপ্রিয় ও কার্যকরী চিকিৎসা পদ্ধতি।

আই ইউ আই কী?
আই ইউ আই হল এক প্রকার প্রজনন সহায়ক চিকিৎসা পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে প্রক্রিয়াজাত শুক্রাণুকে সরাসরি মহিলার জরায়ুর ভিতরে প্রবেশ করানো হয়। এতে করে শুক্রাণুর ডিম্বাণুর সঙ্গে মিলিত হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়, ফলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা বাড়ে।

কখন আই ইউ আই প্রয়োজন হতে পারে?
আই ইউ আই পদ্ধতি সাধারণত নিচের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়:
1. পুরুষের বন্ধ্যাত্বের সমস্যা: শুক্রাণুর সংখ্যা কম হলে বা গতি ঠিক না থাকলে।
2. অজানা বন্ধ্যাত্ব: যখন কোনো নির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না।
3. এন্ডোমেট্রিওসিস: মহিলাদের জরায়ুর সমস্যা।
4. গর্ভধারণের চেষ্টায় দীর্ঘ ব্যর্থতা।
5. ইজাকুলেশন ডিসঅর্ডার: পুরুষের ইজাকুলেশনে কোনো সমস্যা থাকলে।

আই ইউ আই পদ্ধতির ধাপ:
1. ডিম্বস্ফোটন ট্র্যাকিং: চিকিৎসক প্রথমে নারীর ডিম্বস্ফোটনের সময় নির্ধারণ করেন, যাতে সঠিক সময়ে শুক্রাণু প্রয়োগ করা যায়।
2. শুক্রাণুর প্রক্রিয়াজাতকরণ: পুরুষের শুক্রাণু সংগ্রহ করে তা বিশেষ পদ্ধতিতে প্রস্তুত করা হয়।
3. শুক্রাণু ইনসেমিনেশন: প্রক্রিয়াজাত শুক্রাণু সরাসরি মহিলার জরায়ুর ভিতরে প্রবেশ করানো হয়, যা ডিম্বাণুর সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ বৃদ্ধি করে।
আই ইউ আই বন্ধ্যাত্বের সমস্যার সমাধানে একটি সহজ ও কার্যকর পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে, সফলতার হার নির্ভর করে দম্পতির শারীরিক অবস্থা, বয়স ও অন্যান্য প্রভাবকগুলোর ওপর। সঠিক সময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে আই ইউ আই শুরু করলে অনেকেই তাদের সন্তান ধারণের স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন।

বন্ধ্যাত্বের সমস্যা থাকলে দেরি না করে চিকিৎসা বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ করুন এবং আই ইউ আই পদ্ধতির মাধ্যমে আপনার মাতৃত্ব বা পিতৃত্বের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করুন।

#বন্ধ্যাত্ব #বন্ধ্যাত্বচিকিৎসা #আইইউআই #প্রজননস্বাস্থ্য #গর্ভধারণ #মাতৃত্ব #পিতৃত্ব #স্বাস্থ্যসেবা #নিরাপদগর্ভধারণ #প্রজননট্রিটমেন্ট #স্বাস্থ্য #শিশুকামনা #মা_হওয়ার_স্বপ্ন

ফ্যালোপিয়ান টিউব বন্ধ হলে ডিম্বাণু (এগ) এবং শুক্রাণু (স্পার্ম) একত্রিত হতে পারে না, ফলে প্রাকৃতিকভাবে গর্ভধারণ সম্ভব হয...
24/04/2026

ফ্যালোপিয়ান টিউব বন্ধ হলে ডিম্বাণু (এগ) এবং শুক্রাণু (স্পার্ম) একত্রিত হতে পারে না, ফলে প্রাকৃতিকভাবে গর্ভধারণ সম্ভব হয় না। এটি বন্ধ্যাত্বের একটি প্রধান কারণ হতে পারে। এছাড়া বন্ধ টিউব ইনফেকশন বা পেটের ব্যথার কারণও হতে পারে।

ফ্যালোপিয়ান টিউব বন্ধ হওয়ার অনেক কারণ থাকতে পারে। প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে:

ফ্যালোপিয়ান টিউব বন্ধ হওয়ার কারণ:
1. ইনফেকশন (সংক্রমণ): পেলভিক ইনফ্ল্যামেটরি ডিজিজ (PID) বা অন্যান্য ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন ফ্যালোপিয়ান টিউবের ভেতরে প্রদাহ বা ক্ষত সৃষ্টি করতে পারে, যা টিউব বন্ধের কারণ হতে পারে।
2. অস্ত্রোপচার: পেটের অস্ত্রোপচার বা সিজারিয়ান ডেলিভারির পরে টিস্যুর ক্ষতি বা আঠা ফ্যালোপিয়ান টিউবের আংশিক বা সম্পূর্ণ বন্ধ হওয়ার কারণ হতে পারে।
3. এন্ডোমেট্রিওসিস: এন্ডোমেট্রিওসিসের ক্ষেত্রে জরায়ুর বাইরের টিস্যুগুলি ফ্যালোপিয়ান টিউবের আশেপাশে বা ভেতরে বেড়ে উঠতে পারে, যা টিউব বন্ধ করতে পারে।
4. ফাইব্রয়েড: জরায়ুর ফাইব্রয়েড টিউবের মুখের আশেপাশে অবস্থান করলে এটি বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
5. জেনেটিক কারণ: কিছু মহিলাদের জন্মগতভাবে টিউব বন্ধ থাকতে পারে।

ফ্যালোপিয়ান টিউব খোলার উপায়:
1. ল্যাপারোস্কোপি: এটি একটি মাইক্রো-ইনভেসিভ সার্জারি যার মাধ্যমে ছোট কাট দিয়ে ফ্যালোপিয়ান টিউব খোলার চেষ্টা করা হয়।
2. হাইস্টারোস্কোপি: এই প্রক্রিয়ায় গর্ভাশয়ে একটি ক্ষুদ্র ক্যামেরা প্রবর্তন করা হয়, যা দ্বারা ডাক্তার টিউবের বন্ধের কারণ দেখতে পারেন এবং সেটি সরিয়ে দিতে পারেন।
3. ফ্যালোপিয়ান টিউব রিকানালাইজেশন: এটি একটি বিশেষ ধরনের প্রক্রিয়া যেখানে ক্যাথেটার বা বিশেষ যন্ত্রপাতির সাহায্যে বন্ধ টিউব পুনরায় খোলার চেষ্টা করা হয়।
4. ফার্টিলিটি চিকিৎসা: আইভিএফ (ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন) পদ্ধতি বন্ধ টিউবের সমস্যা এড়ানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।
যদি টিউব বন্ধ হয়ে যায়, তবে তা নির্ভর করে কিভাবে এবং কোন অবস্থায় বন্ধ হয়েছে তার ওপর, চিকিৎসক আপনার জন্য সেরা চিকিৎসার পথটি নির্ধারণ করবেন।

৭ সপ্তাহের Heterotopic Pregnancy একই সাথে জরায়ুর ভেতরে এবং বাইরে গর্ভধারণ। বাম পাশের Fallopian Tube ফেটে গিয়েছিল, সাথে ড...
22/04/2026

৭ সপ্তাহের Heterotopic Pregnancy একই সাথে জরায়ুর ভেতরে এবং বাইরে গর্ভধারণ। বাম পাশের Fallopian Tube ফেটে গিয়েছিল, সাথে ডান পাশের ডিম্বাশয়ে ছিল ১০×১০ সেমি একটি বড় সিস্ট।
পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে আমরা Left Salpingectomy এবং Right Ovarian Cystectomy সফলভাবে সম্পন্ন করি। সবচেয়ে আনন্দের খবর জরায়ুর ভেতরের গর্ভটি সম্পূর্ণ সুস্থ, জীবিত (viable) এবং কোনো জটিলতা ছাড়াই অপারেশন সম্পন্ন হয়েছিল। অবশেষে যথা সময় পর সুস্থভাবে জন্ম নেয় একটি ফুটফুটে শিশু। বর্তমানে মা ও সন্তান দুজনেই সুস্থ আছেন।
আসলে সময়মতো সঠিক চিকিৎসা ও সাহসী সিদ্ধান্ত অনেক অসম্ভবকেও সম্ভব করে তোলে। মায়ের হাসি আর অনাগত সন্তানের নিরাপদ ভবিষ্যৎ এই দুটোই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

#বন্ধ্যাত্বচিকিৎসা

যেসব দম্পতি বন্ধ্যাত্বের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের মধ্যে একটি সাধারণ চিত্র হলো স্বামী প্রবাসে থাকেন এবং বছরে মাত্র ২-৩ মাস...
20/04/2026

যেসব দম্পতি বন্ধ্যাত্বের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের মধ্যে একটি সাধারণ চিত্র হলো স্বামী প্রবাসে থাকেন এবং বছরে মাত্র ২-৩ মাসের জন্য দেশে ফিরে আসেন।
এ ধরনের দম্পতিরা সাধারণত স্বামীর বিদেশ যাত্রার ১৫-২০ দিন বা এক মাস আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে আসেন। তবে, অনেক ক্ষেত্রেই বন্ধ্যাত্বের সঠিক কারণ নির্ণয় করতে কয়েক মাস সময় লেগে যায়।
এরই মধ্যে স্বামী আবার বিদেশে চলে যান, ফলে চিকিৎসা অসম্পূর্ণ থেকে যায় এবং সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা বাধাগ্রস্ত হয়।

তাই, যেসব দম্পতির স্বামী প্রবাসে থাকেন এবং তাঁরা সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাঁদের প্রতি অনুরোধ থাকবে, যেন স্বামী দেশে আসার কয়েক মাস আগেই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
এতে যদি কোনো শারীরিক সমস্যা থাকে, তা আগেভাগে শনাক্ত করে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা সম্ভব হবে।
এবং স্বামী দেশে আসার পরপরই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করা যাবে। এই প্রস্তুতি সন্তান ধারণের পথে জটিলতা দূর করতে সাহায্য করবে
এবং পরিবার পরিকল্পনা আরও সফল হতে পারবে।

#বন্ধ্যাত্বচিকিৎসা #মা_হওয়ার_স্বপ্ন #প্রবাসী

ডা. যুথী ভৌমিকস্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জনমহিলাদের সব ধরনের স্ত্রীরোগ, গর্ভাবস্থা সংক্রান্ত জটিলতা, বন্ধ্য...
17/04/2026

ডা. যুথী ভৌমিক
স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জন
মহিলাদের সব ধরনের স্ত্রীরোগ, গর্ভাবস্থা সংক্রান্ত জটিলতা, বন্ধ্যাত্ব, মাসিক সমস্যা ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জারিতে অভিজ্ঞ ও যত্নশীল চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়।
বর্তমানে নিয়মিত রোগী দেখছেন-
🏥 (চেম্বার:১) ল্যাব এইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল, ধান্মন্ডি, ঢাকা।
🏠 বাড়ী নং ১ ও ৬, রোড নং ০৪, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৯
📞 অ্যাপয়েন্টমেন্টঃ 10606

🏥 (চেম্বার:২) পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, শান্তিনগর শাখা
🏠 বাড়ি নং ১১, শান্তিনগর, মতিঝিল, ঢাকা
📞 অ্যাপয়েন্টমেন্টঃ 09666-787803

🏥 (চেম্বার:৩) পদ্মা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মালিবাগ শাখা।
🏠 ২৪৫/২ নিউ সার্কুলার রোড, মালিবাগ, ঢাকা
📞 অ্যাপয়েন্টমেন্টঃ 0961-1113355

রোগী দেখাতে সিরিয়ালের জন্যঃ 📞01616304534


বন্ধ্যাত্ব (Infertility) হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে একজন দম্পতি নিয়মিত যৌন সম্পর্ক করার পরও ১২ মাস বা তার বেশি সময় ধরে...
16/04/2026

বন্ধ্যাত্ব (Infertility) হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে একজন দম্পতি নিয়মিত যৌন সম্পর্ক করার পরও ১২ মাস বা তার বেশি সময় ধরে সন্তান ধারণ করতে ব্যর্থ হয়। এটি পুরুষ এবং নারীর উভয়ের ক্ষেত্রেই হতে পারে। সমীক্ষা অনুযায়ী বন্ধ্যাত্বের ৪০ শতাংশ ক্ষেত্রে নারী, ৪০ শতাংশ ক্ষেত্রে পুরুষ, বাকি ২০ শতাংশ ক্ষেত্রে স্বামী ও স্ত্রী উভয়ের কোনো সমস্যা থাকে।

সন্তান না হওয়ার পেছনে পুরুষের সমস্যার কারণসমূহঃ
শুক্রাণুর সমস্যা:
১। অল্প শুক্রাণু (Oligospermia): শুক্রাণুর সংখ্যা কম থাকলে।
২। শুক্রাণুর গঠনগত সমস্যা (Teratospermia): শুক্রাণুর আকার বা গঠন সঠিক না হলে।
৩। শুক্রাণুর গতিশীলতার সমস্যা (Asthenozoospermia): শুক্রাণুর গতি কম থাকলে।
৪। শুক্রাণুর সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি (Azoospermia): বীর্যে কোনো শুক্রাণু না থাকলে।

হরমোনাল সমস্যা:
১। হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, যেমন টেস্টোস্টেরন বা অন্যান্য হরমোনের মাত্রা কম থাকলে শুক্রাণু উৎপাদনে প্রভাব ফেলে।

অবস্ট্রাকটিভ সমস্যা:
১। শুক্রাণু পরিবহনকারী নালীর বাধা: শুক্রাণু পরিবহনকারী নালীতে কোনো বাধা থাকলে শুক্রাণু বাইরে আসতে পারে না।

অতীত সংক্রমণ:
১। অতীতে কোনো সংক্রমণ বা যৌনবাহিত রোগ হলে শুক্রাণু উৎপাদন বা পরিবহন ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

জেনেটিক সমস্যা:
১। জেনেটিক বা ক্রোমোজোমের ত্রুটি থাকলে শুক্রাণু উৎপাদন বা ফাংশনে সমস্যা হতে পারে।

তাই বন্ধ্যাত্তর সমস্যায় চিকিৎসা নিতে প্রাথমিক ভাবে স্বামী-স্ত্রী উভয়কেই চিকিৎসকের নিকট আসা উচিত।

"মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা,অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা"সবাইকে ১লা বৈশাখ ও নববর্ষের শুভেচ্ছা!শুভ নববর্ষ ১৪৩৩ #শুভ_নববর্ষ...
14/04/2026

"মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা,
অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা"
সবাইকে ১লা বৈশাখ ও নববর্ষের শুভেচ্ছা!
শুভ নববর্ষ ১৪৩৩

#শুভ_নববর্ষ #ডা_যূথী_ভৌমিক

Address

Dhaka

Telephone

+8801791937405

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Juthi Bhowmik posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share