Online HOMEO Herbal

Online HOMEO Herbal its a online deases solution

যৌন মিলনে মেয়েরা কিভাবে সঙ্গীকে উত্তেজিত করবে??আপনার সংগীকে বারে বারে চুমু দিন । তার শরিরে আলতভাবে হাত বুলাতে থাকুন । তা...
03/09/2020

যৌন মিলনে মেয়েরা কিভাবে সঙ্গীকে উত্তেজিত করবে??

আপনার সংগীকে বারে বারে চুমু দিন । তার শরিরে আলতভাবে হাত বুলাতে থাকুন । তাকে জরিয়ে ধরে আদর করুন । তার সারা শরিরে চুমু দিতে থাকুন । তাকে আলতভাবে কামড় দিন । এই প্রক্রিয়াগুলো চালিয়ে যান । দেখবেন সে উত্তেজিত হয়ে উঠবে।
প্রথমেই স্ত্রীর স্বামীর যৌনতা সম্পর্কে কিছু প্রাথমিক জ্ঞান রাখতে হবে। তারপর অগ্রসর হবেন।
ক। মিলনের প্রস্তুতিঃ
১. বেশিরভাগ মেয়ে সারাদিন কাজের শেষে ঘর্মাক্ত শরীরে স্বামীর সাথে শুতে যায়। কিন্তু স্বামী সর্বদা আশা করে স্ত্রী সতেজ অবস্থায় তার শয্যাসঙ্গী হবে। তাই পরিচ্ছন্ন অবস্থায় বিছানায় যাবে।
২. সহবাসের রাত্রিগুলিতে সাজসজ্জা ও পোশাকের ব্যাপারে স্বামীর পছন্দের গুরুত্ব দিবে।
৩. অন্যান্য দিনে অন্তর্বাস পরিধান না করলেও সহবাসের রাত্রিতে ব্লাউজের নিচে বক্ষবন্ধনী ও নিম্নাঙ্গে প্যান্টি পরা উচিৎ। এর ফলে স্বামী মিলনে বাড়তি উত্তেজনা অনুভব করে।
৪. যে সব মেয়ের গুপ্তাঙ্গে ঘন চুল আছে, তারা অনেকেই চুল কেটে রাখতে চায়। গুপ্তাঙ্গের চুলের ব্যাপারে স্বামীর ইচ্ছাকে প্রাধান্য দেবে। স্বামী যদি চুল অপছন্দ করে, তাহলে ছেঁটে রাখবে।
৫. মুখের গন্ধের ব্যাপারে সচেতন হবে। সম্ভব হলে বিছানায় যাবার আগে দাঁত মেজে নিবে।
খ। মিলনের আগেঃ
১. স্বামী উত্তেজিত হলে তার একমাত্র লক্ষ্য থাকে স্ত্রীর যোনিপথে প্রবেশ, অন্য কিছুর ধৈর্য্য তার তখন থাকে না। পর্যাপ্ত প্রেম সত্যেও বেশিরভাগ পুরুষ তখন মধুর প্রেমক্রীড়া করতে পারে না, ফলে মিলনের সময়টা কমে আসে। তাই স্ত্রীর উচিত স্বামীকে কাম চরিতার্থ করার পাশাপাশি প্রেম ক্রীড়ায় উৎসাহিত করা। এজন্য উচিৎ স্বামীকে আলিঙ্গন ও চুম্বনের মাধ্যমে তার ভেতরের প্রেমিক সত্তাকে জাগ্রত করে তোলা।
২. চুম্বনের সময় পরস্পরের জিহ্বা নিয়ে খেলবে, জিহ্বা দিয়ে জিহ্বায় আঘাত করবে। আর স্ত্রীর উচিৎ জিহ্বার লড়াইয়ে জয় লাভ করা এবং স্বামীর মুখের অভ্যন্তরে সূচালো করে জিহ্বা প্রবিষ্ট করে দেওয়া। জননাঙ্গের পাশাপাশি মুখের এই মিলন অত্যন্ত আনন্দদায়ক। আর বলা হয়, সহবাসে স্বামীর পুরুষাঙ্গ স্ত্রীতে প্রবেশ করে, আর স্ত্রীর জিহ্বা স্বামীতে প্রবেশ করবে, এই সুন্দর বিনিময়ে অর্জিত হবে স্বর্গসুখ।
৩. সাধারণত দেখা যায়, স্বামী উত্তেজনার বশে স্ত্রীর কাপড় খুলছে, কিন্তু স্ত্রী নিশ্চুপ। পরে স্বামী বেচারাকে নিজের উত্তেজনা বিসর্জন দিয়ে নিজের কাপড় খোলায় মনোযোগ দিতে হয়। কিন্তু স্ত্রীর উচিৎ, স্বামী যখন তার কাপড় খুলবে, তখন ধীরে ধীরে স্বামীর কাপড় খোলার দিকেও মনোযোগ দেওয়া। এই পারস্পরিক সৌহার্দ্য মিলনের আনন্দ যে কতগুণ বাড়িয়ে দেবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
৪. স্বামীকে যে স্ত্রী উপলব্ধি করাতে পারে যে তার রূক্ষ শরীরও স্পর্শকাতর, সেই প্রকৃত রমণী। স্বামী যেমন স্ত্রীর গায়ে হাত বুলায়, স্ত্রীর স্তন চুম্বন করে, তেমন করে স্ত্রী যদি স্বামীর সর্বাঙ্গে হাত বুলায়, চুম্বন করে, বিশেষ করে বাহুতে, বুকে ও পিঠে। আরেকটি কাজ আছে যা পুরুষকে অত্যন্ত আহ্লাদিত করে, তা হলো তার গলার নিচে ও বুকে চুম্বন।
গ। মিলনের সময়ঃ
মিলনের সময় কী করা উচিৎ তা এভাবে ক্রমিক নম্বর দিয়ে বর্ণনা করা সম্ভব নয়, কারণ তা নির্ভর করবে স্বামী ও স্ত্রীর পারস্পরিক বৈশিষ্টের উপর। প্রথম কর্মপ্রণালী সকলের জন্যঃ
১. সঙ্গমের সময় স্বামীকে যথা সম্ভব কাছে টেনে রাখবে, যেন বুকের মাঝে মিশিয়ে ফেলতে চাইছে।
২. অধিক পরিমাণে চুম্বন করবে, স্বামীর বাহু, কাঁধ, গলা, মুখে। আর স্বামী যেরূপ স্ত্রীর যোনিতে তার বিশেষ অঙ্গ প্রবেশ করিয়েছে, সেরূপ স্বামীর মুখে চুম্বনের মাধ্যমে গভীরভাবে জিহ্বা প্রবেশ করিয়ে দিবে।
৩. সঙ্গম করা স্বামীর জন্য অত্যত পরিশ্রমের কাজ। তাই মাঝে মাঝে নিবিড় চুম্বনের মাধ্যমে স্বামীকে কিছু মুহূর্তের জন্য বিরতি দিবে।
দ্বিতীয় কর্মপ্রণালী নীরস মেয়েদের জন্য। নীরস বলতে যাদের সাথে সহবাসে স্বামী বেশি আনন্দ পায় না। যদি অনুচ্চ স্তন (যা নির্দেশ করে অল্প যোনিরস), সাধারণের অধিক ঋতুস্রাব (যা নির্দেশ করে যোনিরসে পুরুষের আনন্দের উপকরণ কামরসের ঘাটতি), যোনিমুখে পুরুষের বাহু/পায়ের লোম অপেক্ষা ঘন চুল (যা নির্দেশ করে যোনিপথের স্বাভাবিক কোমলতার অভাব)- বৈশিষ্ট্য তিনটির অন্তত দুইটি থাকে, তবে সেই রমণী নীরস। নীরস রমণীর করণীয়ঃ
১. স্বামী যদি খর্ব হয় (পুরুষাঙ্গ পাঁচ আঙ্গুলের কম), তাহলে কোন সমস্যা নেই, বরং স্বামী পুর্ণাঙ্গ আনন্দ পাবে। তাই দুশ্চিন্তা না করে সহবাসে মনোনিবেশ করবে।
২. স্বামী সাধারণ হলে (পুরুষাঙ্গ ছয় সাত ইন্চি দীর্ঘ) স্ত্রীর উচিৎ হবে সহবাসের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নেওয়া, তা না হলে স্বামীকে সম্পূর্ণ সুখ দিতে পারবে না। নিজে নিজেকে সুরসুরি দিলে অনুভূতি কম হয়, কিন্তু অন্য কেউ দিলে অধিক অনুভব করা যায়, সেরূপ স্ত্রী যদি নিজে কোমর চালনা করে সহবাস কার্য চালায়, তাহলে স্বামীর অধিক আনন্দ হয়।

03/09/2020

গভীর রাতে ঘুম ভেঙ্গে যৌন উত্তেজনায় জোড় করে স্ত্রী ব্রা খুললেই স্বামী হওয়া যায় না। আমরা স্বামীর দাবি নিয়ে ব্রা খুলতে শিখেছি।

কিন্তু কখনো কি স্ত্রীকে বলেছি, আজ তোমার শরীরটা কেমন? সারা দিন প্রচুর খাটাখাটনি হয়েছে তাই না? আজ তোমার শরীরটা একটু টিপে দেই? শরীর ব্যর্থা কমে যাবে!

যখনই যৌন উত্তেজনা উঠে, তখনই মনে পড়ে, আমার তো একটা স্ত্রী আছে! এর আগে কখনো স্ত্রী নামক মানুষটা কথা মনে পড়েছে?

অফিসে কাজের নামে অন্যের স্ত্রী সাথে কর্পোরেট ঘষাঘষি করি। কখনো কি মনে পড়ে কেউ একজন দিন শেষে বেলকুনির গ্রিল ধরে পথ চেয়ে আছে আমার অপেক্ষায়। অফিস থেকে ফিরে ক্লান্ত শরীরলে, মেজাজ গরমে স্ত্রীকে বলি দুধ চিনি ভাল করে দিয়ে, তারাতারি এক কাপ চা দাও!

তখন একবারের জন্য কি মনে হয় না, এই মানুষটাও তো সারাদিন আমার মতো কামলা দিয়েছে, তার আমার মধ্যে পার্থক্য, সে ঘরে দিয়েছে আর আপনি বাহিরে দিয়েছেন!

রাতে ঘুমের ভ্যান ধরে কম্বলের নিচে মেসেঞ্জারে ডিজিটাল পরকীয়া করার সময়, ঘুমন্ত স্ত্রী কথা একবারও মনে পরেনা, আপনি তার বিশ্বাস ও আস্থার জায়গাটা নষ্ট করে তাকে ঠকাচ্ছেন?

বাকি রইলো বিয়ে! দেনমোহর আর কবুল বলেই স্বামী হওয়া যায় না। স্বামী একটি অন্ধ বিশ্বাস, ভরসাময় অস্থা।

শুধু যৌনতায়ই স্ত্রী সুখ না, ভালবাসায়ই স্ত্রী অফুরন্ত সুখ, শান্তি।

অতৃপ্তির কারনে কনডমবিহীন সঙ্গম করেন। কখন কি বলেছেন আচ্ছা তোমার প্রতিদিন একই ট্যাবলেট খেতে ভাল লাগে? আজ থেকে বেশ কিছু দিন সঙ্গম বন্ধ রাখবো, তুমি আর এই ট্যাবলেট খেও না প্লিজ! তোমার কষ্ট আমার সহ্য হয় না!

স্ত্রী মানেই রোবট না, স্ত্রীও আপনার মতো রক্তে মাংসে গড়া একজন মানুষ। তাকে বুঝোন, বোঝার চেষ্ঠা করুন, বোঝা উচিৎ। স্ত্রী আপনার, দায়িত্ব ও কর্তব্যের পাশাপাশি তাকে ভালবাসাটাও আপনার মহা দায়িত্ব!

আমরা স্ত্রী যৌন উত্তেজনা বাড়াতে শিখেছে! কখনো কি তাকে জিজ্ঞাস করেছে, মাসের প্রথমে অথবা শেষ তার শরীর থেকে যেই বিষাক্ত রক্তপাত হয়, তা কতটা কষ্টের ও যন্ত্রনাদায়ক? যৌনতায় ভালবাসা থাকেনা, ভালবাসা থাকে গভীর রাতে যৌন মিলন না করে স্ত্রীকে বুকে জড়িয়ে নিজের হৃদপিন্ডে ঢুকেয়ে তার কষ্টের কথা গুলো শুনার মাঝে, তাকে শান্তনার মাঝে।

ঠোটে চুম্বন করে যৌন উত্তেজনা করতে শিখেছি! কখন কি বাসার থেকে বাহির হওয়ার বা ফেরার পর স্ত্রী কপালে চুম্বন করে বলেছি এই নেও তোমার সারাদিনে আদর।

স্ত্রী যোনীতে দুই ফোঁটা বীর্জ দিলেই সন্তান আপনার দাবী করা যায় না। সন্তান প্রস্রব চলাকালীন ঘন্টার পর ঘন্টা যন্ত্রনাদায়ক সেটা উপলব্ধি করতে মাত্র দুই মিনিট মরিচের গুড়া আপনার লিঙ্গে লাগিয়ে দেখুন সন্তান প্রসব কতটা কষ্টদায়ক।

দশমাস নয়, মাত্র দশদিন, দশ কেজি ওজনের একটি পাথর আপনার পেটে বেধে দেওয়া হবে। তা নিয়ে এই দশদিন আপনি সমস্ত কাজ করতে পারলেই আপনার সন্ত্রান সেটা স্বীকৃতি পাবেন।

স্ত্রী কে ভোগ করতে না ভালোবাসতে শিখুন।
বুঝতে শিখুন যে সে কি চায়।
লেখাটা পড়ার পর অনেকে খারাপ লাগবে কিন্তু
এটাই বাস্তব তাই একটু প্লিজ নিজেকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করুন

পুরুষত্বহীনতা, যৌন দুর্বলতা বা দ্রুত বীর্যপাত সমস্যায় ভুগছেন ?যৌন রোগ , লিঙ্গ সমস্যা, শুক্রমেহ, স্বপ্নদোষ ও দ্রুত বীর্য...
03/09/2020

পুরুষত্বহীনতা, যৌন দুর্বলতা বা দ্রুত বীর্যপাত সমস্যায় ভুগছেন ?

যৌন রোগ , লিঙ্গ সমস্যা, শুক্রমেহ, স্বপ্নদোষ ও দ্রুত বীর্যপাত এর চিকিৎসা ,পুরুষলিঙ্গ ১/২ ইঞ্ছি লম্বা/মোটা, স্ট্রং করতে চান ?

যৌন শক্তি বৃদ্ধি করে এক রাতে ৩/৪ বার মিলন করতে চান ? বীর্য গাড় করে, প্রসাবে ধাতু ক্ষয় দূর করতে চান ?

অল্প উত্তেজনায় যাদের লিঙ্গের মাথায় লালা চলে আসে এবং,অসময়ে বীর্য পাত, লিঙ্গের আগা মোটা গোরা চিকন ও অন্যান্য যৌন রোগের সঠিক সমাধান।লজ্জা না করে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মুক্ত ঔষধে সুচিকিৎসা ও ভাল পরামর্শ নিতে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।

কলিকাতা হারবাল
01714661485
dhaka,bangladesh

03/09/2020
আমরা আধুনিক ইউনানী এবং আয়ুর্বেদিক হারবাল চিকিৎসায় পারদর্শী। এখানে কিডনি, গ্যাস্ট্রো লিভার, পুরুষদের যৌন সংক্রান্ত ওপুরুষ...
20/10/2018

আমরা আধুনিক ইউনানী এবং আয়ুর্বেদিক হারবাল চিকিৎসায় পারদর্শী। এখানে কিডনি, গ্যাস্ট্রো লিভার, পুরুষদের যৌন সংক্রান্ত ওপুরুষত্বহীনতা, যৌন দুর্বলতা বা দ্রুত বীর্যপাত সমস্যায় ভুগছেন ? যৌন রোগ , লিঙ্গ সমস্যা, শুক্রমেহ, স্বপ্নদোষ ও দ্রুত বীর্যপাত এর. স্থ্যথায়ী চিকিৎসা ,পুরুষলিঙ্গ ১/২ ইঞ্ছি লম্বা/মোটা, স্ট্রং করতে চান ? যৌন শক্তি বৃদ্ধি করে এবং এক রাতে ৩/৪ বার মিলন করতে চান ? বীর্য গাড় করে, প্রসাবে ধাতু ক্ষয় দূর করতে চান ? অল্প উত্তেজনায় যাদের লিঙ্গের মাথায় লালা চলে আসে এবং,অসময়ে বীর্য পাত, লিঙ্গের আগা দিয়ে পানি আসা লিংগের আগামোটা গোরা চিকন ও অন্যান্য যৌন রোগের সঠিক সমাধান।লজ্জা না করে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মুক্ত ঔষধে সুচিকিৎসা ও ভাল পরামর্শ নিতে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।
আমরা কলিকাতা হারবাল কেয়ার যৌন দুর্বলতা কিডনি, লিভার, পাইলস,হাঁপানি স্ত্রীরোগসমূহের ইউনানী চিকিৎসায় বিশেষ পারদর্শী। পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন, সফল এবং আধুনিক ইউনানী চিকিৎসা গ্রহণ করুন, যা আপনার সকল জটিল শারীরিক সমস্যা সমূহকে মূল থেকে নির্মূল করে আপনাকে পুরোপুরি সুস্থ করে তুলবে ইনশাল্লাহ।

অনলাইন হোমিও হারবাল
হেল্পলাইনঃ ০১৯০৩-৭৬৩১৮৬

18/10/2018

Kolikata Herbal

🌳সেলেনিয়াম🌹Selenium⏰New post⏰Topic:Materia Medica📚উৎস :-সেলিনিয়ম নামক একপ্রকার ধাতব পদার্থ হইতে বিচূর্ণ আকারে ইহা প্রস্ত...
17/10/2018

🌳সেলেনিয়াম
🌹Selenium
⏰New post
⏰Topic:Materia Medica

📚উৎস :-সেলিনিয়ম নামক একপ্রকার ধাতব পদার্থ হইতে বিচূর্ণ আকারে ইহা প্রস্তুত হয়। ইহা লাল বাদামী বর্ণের উজ্জল।
ডাঃ হেরিং ইহা আবিষ্কার করেন।
📚ক্রিয়াস্থান :
স্নায়ুমন্ডল, স্বরযন্ত্র, পুংজননেন্দ্রিয়ের উপর ইহার ক্রিয়া প্রকাশ হইয়া থাকে ।
📚অদ্ভুত লক্ষণ :
সূর্যোদয়ের পর হইতে ইহার রোগী দুর্বলবোধ করিতে থাকে।
সন্ধার পর থেকে রোগী নতুন করিয় জিবন লাভ করে ও শক্তি পায়, রাত্রিকালে সে বেশ সবল ও সুস্থবোধ করে।
📚রোগী চিত্র :
দৈহিক ও মানসিক দৌর্বল্য, পুরুষত্ব হানি, জননেন্দ্রিয়ের দুর্বলতা। অসাড়ে অল্প অল্প ধাতুস্রাব বা স্বপ্নদোষ প্রভৃতি কারণ জনিত দুর্বলতা। রোগীর মুখ, হাত ও উরু ক্রমশঃ শীর্ণ হইতে থাকে এবং মলমূত্র ত্যাগের পর অথবা বেড়াইতে বেড়াইতে অসাড়ে অল্প অল্প প্রস্রাব নিঃসরণ হয় । রোগী কোন প্রকারের উত্তাপ সহ্য করিতে পারে না। বৃদ্ধ বয়সে পীড়ায় রোগীদের ইহা অধিক উপযোগী।
📚মানসিক লক্ষণ :
১. চারিদিকে বস্তু সম্বন্ধে সম্পূর্ণ জ্ঞানহীনতা ও উদাসীনতা।
২. কাজকর্মে কোন মনোযোগ থাকে না।
৩. ধ্বজভঙ্গ সহ কাম বিষয়ক চিন্তা। সঙ্গম বিষয়ক চিন্তায় সর্বদাই বেস্ত থাকে।
৪. মানসিক শ্রমে ক্লান্তি আসে। বিষাদভাব কোনভাবেই র্দরহয় না।
📚চারিত্রগত লক্ষণ :
১. গ্রীম্মের দিনে নিদ্রার পর সঙ্গম শত্তি লোপ পায়, কিন্তু সঙ্গম ইচ্ছাটি প্রবল থাকে।
২. রোগী অতিমাত্রায় মধ্যপান করে, এমনকি উহা না পাওয়া পর্যন্ত সে হাহাকার করিতে থাকে।
৩. স্মৃতিশক্তিহীনতা, নিদ্রিতাবস্থায় রোগী অনেক ঘটনাবলীর স্বপ্ন দেখে, জাগ্রত অবস্থায় তাহার স্মরণ থাকে না।
৪. গরম বা ঠান্ডা কোন প্রকার বায়ু সহ্য করিতে পারে না। বিশেষ করে রৌদ্র কিংবা উত্তাপ একেবারে সহ্য করিতে পারে না।
৫. রোগী শুইয়া দিন কাটাইতে চায়, তাহার মনে কোন ফুর্তি থাকে না।
৬. বাম চক্ষুর উপরে বেদনা, রৌদ্র ভ্রমণ করিলে, তীব্র গন্ধে এবং চা পানে বৃদ্ধি ঘটে। চা পানে বৃদ্ধি ঘটে। চা পান করিয়া শিরঃপীড়া।
৭. স্বরভঙ্গ, প্রাতঃকালে কাশি, তৎসহ রক্তময় শ্লেষ্মা বাহির হয়।
৮. ধীরে ধীরে মূত্র নিঃসরণ। মূত্রনালীর অগ্রভাগ মনে হয় যেন মূত্র পথ কাটিয়া এক ফোঁটা সজোরে বাহির হইয়া আসিতেছে।
⏰গুরুত্বপূর্ন লক্ষনঃ-
১।অতিরিক্ত শুক্রক্ষয় বা অতি দীর্ঘ রোগ ভোগের পর দেহ ও মনে অবসাদ
২।মলত্যাগ কালে শুক্রক্ষরন
৩।কামভাবের প্রাবাল্য ও শুক্রতারল্য
৪।স্বরভঙ্গ ও কোষ্টকাঠিন্য
📚প্রয়োগ ক্ষেত্র :
চুল উঠা, স্বরভঙ্গ, চর্মপীড়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, জননেন্দ্রিয় পীড়া।
📚অদ্ভুত বিশেষত্ব :
সঙ্গম শক্তি ও উত্তেজনার একান্ত অভাব অথচ প্রবল সঙ্গম ইচ্ছা জাগে।
সর্বদাই কাম বিষয়ক গ্রন্থাদি পাঠ ও কাম বিষয়ক ছবি দেখার ইচ্ছা।
শুক্রধাতু এত তরল যে সামান্য বেগ দিতে না দিতেই শুক্র বাহির হইয়া পড়ে।
সংবাদ পত্রাদিতে প্রকাশিত কাম বিষয়ক ঘটনা পাঠ করিতে বা কোথায় কাম সম্পর্কিত ছবি আছে তাহা দেখিতে উৎসুক থাকিতে দেখা যায়।
অধিক সঙ্গম শক্তি লাভের আশায় সে মদ্য ও নানা প্রকার উত্তেজক ঔষধ সেবন করিয়া থাকে।
📚পুঃজননেন্দ্রিয় :
পুঃজনন্দ্রিয়ের দুর্বলতায় ইহা বিশেষ উপকারী। লিঙ্গ উত্থান ও সতেজ হয় না, যদি বা বহু বিলম্বে হয়, তখনি আবার নামিয়া পড়ে, স্ত্রী কাছে গেলে অল্পতে শুক্রক্ষরণ হয়ে যায় ও ভয়ানক দুর্বল হইয়া পড়ে, তাই অত্যান্ত বিরক্ত ও খিটখিটে হয়। সাপ্তাহে ২/৩ বার স্বপ্নদোষ হয়, স্বপ্নদোষের পর ভয়ানক দুর্বলতা ও কোমরের ব্যথা হয।
বাহ্যের সময় অসাড়ে শুক্রপাত হয়। এই সকল কারনে দুর্বলতা বাড়িতে থাকে এবং দুর্বলতার উপশম না হইলে হাত, মুখ ও উরুদেশে ক্রমশঃ শীর্ণ হইতে থাকে। এই সকল রোগী প্রায় সময় কোষ্ঠকাঠিন্য থাকে। প্রস্রাব ত্যাগের পর চলিতে গেলে অসাড়ে ফোঁটা ফোঁটা করিয়া শুক্র বাহির হয়।
📚চুল উঠা :
চুল আচঁড়াইবার সময় চুল উঠিয়া যায়। মাথার চাঁদনিতে টাক পড়ে, সেখানকার চামড়া চক চক করে। জ্বর কিংবা কোন দুর্বলকর পীড়াভোগার পর মাথার চুল উঠিতে থাকিলে। ভ্রু, লিঙ্গস্থান, দাড়ি ইত্যাদি স্থানের চুল উঠিয়া যায়।
📚ক্রিয়ানাশক ঔষধ :
পালসেটিলা, ইগ্নেশিয়া।
📚বৃদ্ধি :
নিদ্রান্তে, গরম আবহাওয়ায়, বায়ু প্রবাহে ও সঙ্গমে।
📚হ্রাস :
সূর্য্যাস্তের পর এবং ঠান্ডা বাতাসের শ্বাস গ্রহনে।
📚ক্রিয়াস্থিতিকাল :
৪০ থেকে ৫০ দিন।
📚ব্যবহার শক্তি :
৬, ৩০, ২০০ শক্তি।

🌹সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেতে হলে জানতে হবে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ/নির্দেশনা
ছাড়া কোনো ওষুধ সেবন করা উচিত নয়।

📚শুবকামনা সবসময়
অনলাইন হোমিও হারবাল
হেল্পলাইনঃ ০১৯০৩-৭৬৩১৮৬

🎯 সাইকোলজিক্যাল ডিজিস~~~~~~~~🎸হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাসহ আলোচনা।🏆সাধারনত যে সাইকোলজিক্যাল ডিজিস গুলো সচরাচর হয় সেগুলো হল:-🎸ম...
17/10/2018

🎯 সাইকোলজিক্যাল ডিজিস~~~~~~~~
🎸হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাসহ আলোচনা।

🏆সাধারনত যে সাইকোলজিক্যাল ডিজিস গুলো সচরাচর হয় সেগুলো হল:-
🎸মানষিক বৈকল্য ও মানষিক রোগ।
🎸হিস্টেরিয়া।
🎸এ্যালজাইমার্স ডিজিজ।
🎸দুশ্চিন্তা।
🎸ঘুম না হওয়া।

🎯আজকে আমরা আলোচনা করব শেষ পয়েন্টটি নিয়ে অথাৎ ঘুম না হওয়া।
🌿এক গবেষণায় দেখা গেছে আজকের দিনে বেশিরভাগ মানুষ সাধারণ যেসব সমস্যায় ভোগে তার মধ্যে ঘুমজনিত সমস্যা অন্যতম। পর্যাপ্ত পরিমাণে না ঘুমালে একজন মানুষের শরীরে সবচেয়ে বড় আঘাতটা লাগে মস্তিষ্কে। কেবলমাত্র মস্তিষ্কে ছাড়াও শরীরে আরো অনেক সমস্যার জন্ম দেয় অপর্যাপ্ত ঘুম। আর এসব সমস্যার হাত থেকে মুক্তি পেতে অনেকে অনেক পথ বেছে নেন। যা কিছু কিছু ক্ষেত্রে ফলপ্রসূ হলেও অনেক ক্ষেত্রে তেমন একটা কাজে আসে না।

🌿ঘুম না হওয়ার কারণটা যেভাবে বের করবেন
প্রথমে নিজেকে প্রশ্ন করুন। কতদিন ধরে আপনার ঘুম নিয়ে সমস্যা চলছে? কবে আপনি শেষবার রাতে শান্তিমতন ঘুমিয়েছেন? এই প্রশ্নগুলোর সাথে সাথে অন্যান্য অনেক প্রশ্নই চলে আসে। আপনি কি কোন বিষয় নিয়ে বেশ চিন্তিত? আপনার ঘরের আশেপাশে শব্দ দূষণ কেমন? কলকারখানার শব্দ, গাড়ির হর্ন, রিকশার বেল, ট্রেনের শব্দ, বিমানের শব্দ? হ্যাঁ, শুনতে হাস্যকর শোনালেও বিমানের শব্দেও অনেকের ঘুম ভেঙ্গে যায়। আচ্ছা, আপনার ঘরে আলোর পরিমাণ কেমন? আপনি ঘুমানো অবস্থায় অন্য কেউ এসে বাতি জ্বালিয়ে কাজ করে? ঘুমাতে গেলেই কি ফেসবুক নোটিফিকেশনের কারণে আপনার ফোন বেজে ওঠে?

এসব হল ঘুম না হওয়ার কারণ। আপনার পরদিন পরীক্ষা, কিংবা কোন পিকনিক বা অনুষ্ঠান আছে বলে বলে ঘুম আসছে না বলে মনে করছেন। কিন্তু এসব আসলে ঘুম না আসার কোনো যৌক্তিক কারণ নয়। মানুষ পরীক্ষা বা পিকনিকের কারণে না ঘুমিয়ে বসে থাকে না। ঘুম আসে না এসব নিয়ে দুশ্চিন্তা বা উত্তেজনার জন্যে।

ঘুমের সমস্যাটা আসলে কতোটা প্রকোপ আকার ধারণ করতে পারে? ধরুন, রাত বারোটায় আপনি ঘুমিয়ে পড়েছেন। অথচ সারা রাত পার হয়ে ফজরের আজান কানে আসলেও আপনার চোখে কোনো ঘুম নেই। প্রতিদিনই এরকমটা হওয়ায় হয়তো নিজেকে প্রফেশনাল মর্নিং হেটার হিসেবেও মনে মনে ঘোষণা দিয়ে দিয়েছেন। ঘুমের জন্যে জন্য বিভিন্ন ঘুমের ঔষধও খাচ্ছেন। প্রথম কয়েকদিন কাজ হলেও কয়েকদিন পর ঘুমের ওষুধও ঠিকঠাক কাজ করা বন্ধ করে দেবে। ঘুমের সমস্যা বেড়ে যাবে আরো।

ঘুমজনিত সমস্যায় প্রথমেই টাবলেট জাতীয় ওষুধের দিকে ঝুঁকে না গিয়ে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিলে সমস্যা থেকে উত্তরন সম্ভব।

🌿হোমিওপ্যথিক ঔষধ :-
ঘুম না হওয়ায় সাধারনত যে হোমিওপ্যাথিক ওষধ গুলো ব্যবহার করা হয়ে থাকে সেগুলো হলঃ-
🏠Nux vomica
🏠Opium
🏠Kali phosphoricum
🏠Coffea cruda
🏠Ambra Grisea
🏠Hyoscyamus niger
🏠Sulphur
🏠Belladonna
🏠Chamomilla
🏠Arsenic album
🏠Gelsemium
🏠Ignatia amara
🏠Magnesium carbonica
🏠Cocculus indicus
🏠Cannabis indica
🏠Arnica mont
🏠Cimicifuga

🌿হোমিওপ্যথিক চিকিৎসাঃ-অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ন কয়েকটি হোমিওপ্যাথিক ঔষধের প্রধান প্রধান লক্ষন দেওয়া হলঃ-

🔴Nux vomica : রাতে বিছানায় যাওয়ার পরে সারাদিনের কাজ-কর্মের চিন্তা মাথার ভিতরে কিলবিল করতে থাকে ; ফলে ঘুম আসতে চায় না। বিশেষত যারা বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য সেবন করে, বেশী বেশী চা-কফি পান করেন, যাদের পেটের অসুখ বেশী হয়, নাক্স তাদের অনিদ্রায় ভালো কাজ করে থাকে।
🔴Opium : ঘুমঘুম ভাব কিন্তু ঘুম আসে না। খুবই সেনসিটিভ, ঘড়ির কাটার শব্দ কিংবা দূরের কোন মোরগের ডাকেও তার ঘুম ভেঙ্গে যায়। দুঃস্বপ্ন দেখে, কুকুর, বিড়াল, প্রেতাত্মা, বোবায়ধরা স্বপ্নে দেখে, ঘুমের মধ্যে দম বন্ধ হয়ে আসে ইত্যাদি লক্ষণ থাকলে অপিয়াম ঔষধটি খেতে হবে।
🔴Kali phosphoricum : ক্যালি ফস অনিদ্রার একটি সেরা ঔষধ। বিভিন্ন কঠিন রোগ ভোগ, অত্যধিক শারীরিক-মানসিক পরিশ্রম, অপুষ্টি, দীর্ঘদিন যাবত স্তন্যদান করা ইত্যাদির মাধ্যমে সৃষ্ট নিদ্রাহীনতায় (বা অন্যকোন রোগে) ক্যালি ফস খেতে হয়। মাঝে মাঝে সপ্তাহ খানেক বিরতি দিয়ে দীর্ঘদিন খান। হৃদপিন্ড, স্নায়ু এবং মস্তিষ্কের উপর ইহার প্রশান্তিকারক ক্রিয়া বিদ্যমান। তাছাড়া যেহেতু এটি একটি ভিটামিন জাতীয় ঔষধ, তাই ইহার কোন ক্ষতিকর সাইড-ইফেক্ট নাই বললেই চলে।
🔴Coffea cruda : মানসিক উত্তেজনা, উৎকন্ঠা, দুঃশ্চিন্তা থেকে অনিদ্রা দেখা দিলে তাতে কফিয়া প্রযোজ্য। সুসংবাদ শুনে, আনন্দের আতিষয্যে, শিশুদের দাঁত ওঠার বয়সে বা রাত জাগার কারণে অনিদ্রা হলে তাতে কফিয়ার কথা ভাবতে হবে। মহিলাদের সন্তান প্রসব পরবতী সময়ের অনিদ্রায় কফিয়া ভালো কাজ করে। খুবই সেনসেটিভ রোগীদের ক্ষেত্রে কফিয়া প্রযোজ্য যারা আওয়াজ সহ্য করতে পারে না, গন্ধ সহ্য করতে পারে না, স্পর্শ সহ্য করতে পারে না ইত্যাদি ইত্যাদি।
🔴Ambra Grisea : সাধারণত চাকুরি বা ব্যবসা সংক্রান্ত দুঃশ্চিন্তার কারণে নিদ্রাহীনতা হলে তাতে এমব্রাগ্রিসিয়া প্রযোজ্য। সারাদিন পরিশ্রম করে ক্লান্ত-শ্রান্ত হয়ে বাড়ি ফিরে কিন্তু যখনই বালিশে মাথা রাখে, সাথে সাথেই ঘুম চলে যায়। এই ঔষধের একটি অদ্ভূত লক্ষণ হলো এরা অপরিচিত কেউ সামনে বা আশেপাশে থাকলে, পায়খানা করতে পারে না।
🔴Hyoscyamus niger : মাত্রাতিরিক্ত মাথা খাটুনির কাজ (brainwork) করার কারণে অনিদ্রা দেখা দিলে তাতে হায়োসাইয়েমাস খেয়ে উপকার পাবেন। মাথার মধ্যে জোয়ারের পানির মতো ফালতু চিন্তার স্রোত বইতে থাকে। যদি শিশুরা ঘুমের মধ্যে চীৎকার করে ওঠে, কাঁপতে থাকে ; তবে তাতে হায়োসায়েমাস প্রযোজ্য।
🔴Sulphur : সকাল ১১টার দিকে ভীষণ খিদে পাওয়া, শরীর গরম লাগা, মাথা গরম কিন্তু পা ঠান্ডা, মাথার তালু-পায়ের তালুতে জ্বালাপোড়া ইত্যাদি লক্ষণ পাওয়া গেলে নিদ্রাহীনতা রোগেও সালফার প্রয়োগ করে দারুণ ফল পাবেন।
🔴Belladonna : যদি মুখমন্ডল বা মাথা গরম বা লাল হয়ে থাকে, মাথা ব্যথার থাকে, শরীরে জ্বালা-পোড়াভাব থাকে ইত্যাদি কারণে নিদ্রাহীনতা দেখা দেয়, তবে তাতে বেলেডোনা প্রযোজ্য।
🔴Chamomilla : শরীরের কোথাও মারাত্মক ব্যথার কারণে ঘুমাতে না পারলে, সেক্ষেত্রে ক্যামোমিলা প্রয়োগ করতে হবে। যারা অর্থহীন আজেবাজে স্বপ্নের কারণে শান্তিতে ঘুমাতে পারে না, ঘুমের ভেতরে ছটফট করতে থাকে, দুবর্ল-নার্ভাস মহিলা, শরীর গরম, প্রচুর পিপাসা ইত্যাদি লক্ষণ থাকলে ক্যামোমিলা উপকার দিবে।
🔴Arsenic album : মাত্রাতিরিক্ত অস্থিরতা, এক মূহূর্তও এক পজিশনে স্থির থাকতে পারে না, লক্ষণ থাকলে তাতে আর্সেনিক খেতে হবে। রাতে একবার ঘুম ভাঙলে আর ঘুম আসে না।
🔴Gelsemium : সাধারণত যারা অতিরিক্ত মানসিক পরিশ্রম করেন অথবা বিষন্নতায় ভোগেন, তাদের অনিদ্রা দূর করতে ব্যবহৃত হয়।
🔴Ignatia amara : সাধারণত শোক-দুঃখ-বিরহ-বিচ্ছেদ ইত্যাদি কারণে ঘুম না আসলে তাতে ইগ্নেশিয়া প্রযোজ্য। এদের ঘুম এত পাতলা হয় যে, তারা ঘুমের মধ্যে চারপাশের সবকিছুই শুনতে পায়।
🔴Magnesium carbonica : সাধারণত পেটের কোন অস্বস্তি, ভীষণ শীতকাতর-জামাকাপড় খুলতে চান না, পেটে গ্যাসের উৎপাত, আক্কেল দাঁত ওঠা, সারারাত ঘুমিয়েও ফ্রেস লাগে না বরং ঘুম থেকে ওঠার পরে খুবই টায়ার্ড লাগে-মনে হয় সারারাত কুস্তি খেলেছেন, আগুন-ডাকাত-ঝগড়া-মরা মানুষ ইত্যাদি স্বপ্ন দেখে ইত্যাদি লক্ষণে ম্যাগ কার্ব খেতে পারেন।
🔴Cocculus indicus : সাধারণত ভীতু, নার্ভাস, অত্যধিক পড়াশোনা করে এমন লোকদের ক্ষেত্রে কুকুলাস প্রয়োগ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার কারণে যদি অনিদ্রা দেখা দেয়, তবে অবশ্যই ককুলাস খাবেন।
🔴Cannabis indica : ক্যানাবিস ইন্ডিকা সাধারণত দীর্ঘদিনের পুরনো এবং দুরারোগ্য অনিদ্রা রোগে প্রযোজ্য। যাদের একেক দিন একেক টাইমে ঘুম আসে, দিনে ঘুম আসে প্রচুর, রাতের ঘুমে কোন আরাম পাওয়া যায় না, রাতে গরম লাগে যেন কেউ তার গায়ে গরম পানি ঢালতেছে ইত্যাদি লক্ষণে ক্যানাবিস খেতে পারেন। যেহেতু এই ঔষধটি গাঁজা থেকে তৈরী করা হয়, তাই বলা যায় গাঁজার নেশা করার কারণে যদি কারো অনিদ্রা দেখা দেয়, তারা এটি খেয়ে উপকৃত হবেন।
এছাড়াও হোমিওপ্যাথিতে অনিদ্রা বা নিদ্রাহীনতার আরো অনেক ঔষধ আছে যা একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পক্ষে নির্বাচন করা সম্ভব।

🏠নোটঃ-এভাবে বাকি ঔষধগুলো স্ট্যাডি করলে ঘুম না হওয়ার সঠিক হোমিওপ্যাথিকক চিকিৎসা করা যায়।হোমিওপ্যাথিক টিপস এ বাকি ঔষধগুলোর আলাদা আলাদাভাবে বর্ননা দেওয়া আছে। আপনারা স্ট্যাডি করতে থাকেন সবাই ভাল থাকবেন,শুভকামনা সবসময়।

🌿সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেতে হলে জানতে হবে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ/নির্দেশনা
ছাড়া কোনো ওষুধ সেবন করা উচিত নয়।
⛳আপনারা যদি মনে করেন লেখাগুলো আপনার জন্য উপকারি তাহলে আরেক ভাইয়ের জন্যও হয়তো উপকারি হবে , আপনি কষ্ট করে লেখাটি শেয়ার করলে অন্য ভাইও লেখা পড়ে নিজেকে সমৃদ্ধ করতে পারবেন। তাই শেয়ার করুন এবং পেজে লাইক বৃদ্ধিতে সহায়তা করুন। আর এ জন্য ইনভাইট অপসানে গিয়ে বন্ধুদেরকে পেজ লাইকের ইনভাইট পাঠান।মনে রাখবেন জানার কোন শেষ নেই ।

অনলাইন হোমিও হারবাল
হেল্পলাইনঃ ০১৯০৩-৭৬৩১৮৬

Address

Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Online HOMEO Herbal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram