Sowdagor Homeo Care And Center

Sowdagor Homeo Care And Center Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sowdagor Homeo Care And Center, Savar, Dhaka.

Avena Sativa – এভেনা স্যাটাইভাএভেনা স্যাটাইভার কিছু তর্থওট / এভেনা ওরিয়েনট্যালিস গাছ হতে প্রস্তুত। প্রাকৃতিক অবস্থা : গ্...
27/01/2022

Avena Sativa – এভেনা স্যাটাইভা

এভেনা স্যাটাইভার কিছু তর্থ
ওট / এভেনা ওরিয়েনট্যালিস গাছ হতে প্রস্তুত। প্রাকৃতিক অবস্থা : গ্রামিনিয়া ।

হিরোইন, প্যাথেডিনের নেশা দূর করতে এভেনা সেটাইভা একটি শ্রেষ্ট ঔষধ। যারা হিরোইন বেশী পরিমাণে খান, তারা ধীরে ধীরে ইহার মাত্রা কমিয়ে আনুন এবং পাশাপাশি এভেনা স্যাটাইভা পনের ফোটা করে রোজ তিনবেলা করে খেতে থাকুন। পক্ষান্তরে যারা অল্প পরিমাণে হিরোইন-প্যাথেডিন নেন, তারা এগুলো পুরোপুরি বন্ধ করে দিন এবং তার বদলে এভেনা স্যাটাইভা পঞ্চাশ ফোটা করে রোজ তিনবেলা খান। এতে কোন শারীরিক সমস্যা হবে না। সাধারণত এসব মাদকদ্রব্য হঠাৎ করে বন্ধ করে দিলে শরীরে যে-সব মারাত্মক সমস্যা (withdrawal symptoms) দেখা দেয়, এভেনা সেটাইভা সেগুলোকে সফলতার সাথে সামাল দিতে পারে। এটি মাদার টিংচার (Q) শক্তিতে এবং আধা গ্লাস হালকা গরম পানিতে মিশিয়ে খাবেন।

The homeopathic remedy Avena Sativa is made from a wild oat and is in the species that includes cereal grains and the seeds of this plant.

It helps maintain vitality, endurance and stamina, and offers a fortifying boost when you are feeling weak, distracted and agitated. Avena Sativa has been found to increase attention span and improve mental performance. It can reduce insomnia, anxiety and relieve neurological pain.

After a mentally stressful day, recovery from illness, excessive worrying or alcohol consumption leads toward occasional sleeplessness, poor concentration, headaches and fatigue, Avena Sativa offers calming, soothing, supportive relief.

Note: There are no known side effects unless you have sensitivity to gluten.

Avana Sat ( এভেনা স্যাট ) - হস্তমৈথুন (Musterbation ), স্বপ্নদোষ, জনিত দুরব্লতা ব্যাবহার উপজোগী

রোগীর নাম: হনুফা আক্তারবয়স :  ৯ বছরহাতে কব্জিতে একটি গ্যাংগলিয়ন হয়েছিল। তার পিতা চিন্তা করেছিল অপারেশন করাবে, আবার ভাবল ...
01/12/2019

রোগীর নাম: হনুফা আক্তার
বয়স : ৯ বছর

হাতে কব্জিতে একটি গ্যাংগলিয়ন হয়েছিল। তার পিতা চিন্তা করেছিল অপারেশন করাবে, আবার ভাবল এই বয়সে অপারেশন করাবো? চিন্তার ভাজ পড়ে গেল তার কপালে।
তখন আমাকে ডাকলো।
রোগীর নিজের মুখের ভাষ্যমতে গ্যাংগলিয়ন টা সামান্য চিন চিন করে ব্যাথা করত,পাথরের মত শক্ত ছিল।

আমি তাকে প্রথমে মেডিসিন হিসেবে ক্যালকেরিয়া ফ্লোর ২০০
বড়িতে ৩ বেলা ৪ টি করে পানিতে ভিজিয়ে খেতে দেই।
আল্লাহর অশেষ রহমতে ৮ দিন এর মধ্যে গ্যাংগলিয়নটা মিলিয়ে গেল।
আলহামদুলিল্লাহ।
সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহতা'লার জন্য।

21/04/2019

নাক দিয়ে উজ্জল রক্তস্রাব হলে
"ইরেকথাইটিস"

কান ব্যাথা ও কান পাকা রোগে বায়োকেমিক চিকিৎসা১) ঠান্ডা হাওয়া লেগে কানে ব্যাথা, পানি প্রবেশ করে জালা জন্ত্রনা হলে, কানের ম...
26/02/2019

কান ব্যাথা ও কান পাকা রোগে বায়োকেমিক চিকিৎসা

১) ঠান্ডা হাওয়া লেগে কানে ব্যাথা, পানি প্রবেশ করে জালা জন্ত্রনা হলে, কানের মধ্য দিয়ে পানির মত রস বের হলে,কখনো রক্ত ও বের হতে পারে,সামান্য জর থাকতে পারে।
এ ক্ষেত্রে :- ফেরাম ফস 6x শক্তির ২ বড়ি সামান্য গরম জলে ৩০ মিনিট পর পর।

২)নতুন বা পুরাতন কান পাকা রোগে প্রচুর ঘন হলুদ পুজ কান থেকে বের হয়।খুব চুলাকায়।
এ ক্ষেত্রে :- সাইলেশিয়া 6X.

3) গাড় পুজের ন্যায় ঘন স্রাব,রক্ত মিশ্রিত পুজ, কান বন্ধ হয়ে থাকে, ভাল শুনতে পায় না।
এ ক্ষেত্রে :- ক্যালকেরিয়া সালফ 6X

4) পুজের ন্যায় স্রাব,কান খুব জালা করে
এ ক্ষেত্রে :- ন্যাট্রাম মিউর 6X

5) কানের মধ্যে ফোড়া হলে
কেলি মিউর ও সাইলেসিয়া 3X
একত্রে সেবন করতে হবে

ওষুধ সেবনের নিয়ম ১ নং অনুসারে। খাওয়ার ৩০ মিনিট পর।

চোখ উঠা কি?  চোখ উঠায় হোমিও চিকিৎসা।চোখ উঠা :-চোখের মধ্যে জে সাদা অংশ থাকে তাকে কনজাংটাইভা বলে।যখন ওই সাদা অংশ ঠান্ডা লে...
25/02/2019

চোখ উঠা কি? চোখ উঠায় হোমিও চিকিৎসা।

চোখ উঠা :-
চোখের মধ্যে জে সাদা অংশ থাকে তাকে কনজাংটাইভা বলে।
যখন ওই সাদা অংশ ঠান্ডা লেগে,ব্যাক্টেরিয়া,ভাইরাস দারা আক্রান্ত হয় তখন প্রদাহ হয়ে চোখ লালা,ফোলা,ব্যাথা হয়।
তখন তাকে কনজাংটিভাইটিস বা চোখ উঠা বলে।

চোখ উঠায় গুরুত্তপুর্ন হোমিও ওষুধের নাম :- আর্জেন্টাইম নাইট্রিককম,ইউফ্রেসিয়া,রাসটক্স,এপিস মেল,ফেরাম ফস,জেলিসিয়াম, একোনাইট,বেলেডোনা ইত্যাদি

১) ঠান্ডা লেগে চোখ ওঠা, চোখ টকটকে লালা হয় না,কাচা মাংসের মত,চোখ দিয়ে জল পড়ে,ঘুমানোর পর পিচুটি বা কেতুর জুরে জায়,পুজের মত বের হয় চোখ দিয়ে,চোখের পাতা ফুলে জায়,ব্যাথা হয়,
এ ক্ষত্রে :- আর্জন্টাইম নাইট্রিকাম ২০০।

২)চোখ দিয়ে পানি পড়ে,নাক দিয়েও পানি পরে,চোখে বেশ জন্ত্রনা,চোখ লাল হয়ে জায়,সকালে পিচুটি দিয়ে চোখ ঢেকে জায়,আলো সহ্য হয় না।
এ ক্ষেত্রে : ইউফ্রেসিয়া ৩০

৩) বর্ষাকালে, বৃষ্টিতে ভিজে চোখ লাল,ফোলে জায়,ব্যাথা করে,পুজের মত বের হয়,হালকা জর কাশি থাকতে পারে,চোখে প্রচুর পিচুটি পরে,খুব ছটফট করতে থাকে, গরম হাওয়াতে আরামবোধ হয়।
এ ক্ষেত্রে :- রাসটক্স ৩০

৪) বায়োকেমিক মতে সকল প্রকার চোখের প্রদাহে ফেরাম মস ও কেলি ফস প্রথম ওষুধ।
বাহ্যিক প্রয়োগে ভাল ফলাফল পাওয়া জায়।
জদি পিচুটির পরিমান বেশি থাকে তাহলে ন্যাট্রাম সালফ 6x
জদি বেশি পরিমান পানি পরে তাহলে নেট্রাম মিউর।
অনেক বেশি পানি, চোখ জালাপোরা করলে ক্যালকেরিয়া সালফ 3x,6x ব্যাবহার করা জেতে পারে।
তবে পিচুটি জমে গেলে গরম পানিতে নেকড়া বা কাপর দিয়ে ধিরে ধিরে মুছে দিতে হবে।
শুকনো অবস্থায় হাত দিয়ে পরিস্কার করা ওচিত নয়।

সবাই ভাল থাকবেন,আল্লাহ হাফেজ।

মাথা ব্যাথায় গুরুত্বপূর্ণ কিছু হোমিও মেডিসিন।১) আঘাতের কারনে মাথা ব্যাথা হলে - আর্নিকা ৩০২) চুল কাটার পর ব্যাথা হলে -বেল...
23/02/2019

মাথা ব্যাথায় গুরুত্বপূর্ণ কিছু হোমিও মেডিসিন।

১) আঘাতের কারনে মাথা ব্যাথা হলে - আর্নিকা ৩০
২) চুল কাটার পর ব্যাথা হলে -বেলেডোনা অথবা ব্রায়োনিয়া ৩০
৩) সর্দি বসে গিয়ে মাথা ব্যাথা হলে - ক্যালি বাইক্রোমিক ৩০
৪) কফি, চা খেয়ে মাথা ব্যাথা হলে নাক্স ভমিকা ৩০
৫) অতিরিক্ত পরিশ্রমের কারনে হলে নেট্রাম মিউর,জেলিসিয়াম ৩০.
৬)কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে হলে নাক্স ভম,ব্রায়োনিয়া ৩০
৭)মাসিকের সময় হলে সিপিয়া,সিনকোনা,পালসেটিলা

বি:দ্র: ওষুধ খাওয়ার আধা ঘন্টা আগে বা পরে পানি ছারা অন্য কিছু খাওয়া জাবে না।
ভুলেও জেন ২ টি ওষুধ একসাথে খাওয়া না হয়।
একটি ওষুধে না কমলে পরে অন্যটি খেতে হবে।

মুখের ঘা এ হোমিওপাথি চিকিৎসা।  ১) জিহবায়, মুখের ঘা এ মুখ শোকনো থাকলে বোরাক্স ৩০.২) মুখে লালা থাকলে রাস টক্স।৩) জিহবায় গভ...
22/02/2019

মুখের ঘা এ হোমিওপাথি চিকিৎসা।

১) জিহবায়, মুখের ঘা এ মুখ শোকনো থাকলে বোরাক্স ৩০.
২) মুখে লালা থাকলে রাস টক্স।
৩) জিহবায় গভীর ঘা হলে, লালচে দেখালে মিঊরিয়াটিক আসিড ৩০.
৪) ঠোটের কিনারায় হলে কনডুরাংগা ৩০.
৫) টাইফয়েড জরের কারনে হলে ব্যাপটাসিয়া ৩০.
৬) জরে জিহবার ওপর সাদা সাদা দুধের সরের মত পরলে এন্টিম ক্রুড ৩০.
৭) ঠোটের কিনারা ফেটে পাতলা জলের মত রস বের হলে গ্রাফাইটিস ৩০।
আপনার বিভিন্ন সমস্যা থাকলে ইনবক্স এ কমেন্ট করে জানান।
এবং পোস্টটি শেয়ার করে অন্যকে জানার ব্যাবস্থা করে দেন। সবার মংগল কামনা করি,
আল্লাহ হাফেজ।

🏫হোমিওপ্যাথিক ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, সতর্কতা এবং নিষেধাজ্ঞাঃ-📗কষ্টিকাম (Causticum) ঔষধটিকে কখনও ফসফরাসের (Phosphorus)...
19/02/2019

🏫হোমিওপ্যাথিক ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, সতর্কতা এবং নিষেধাজ্ঞাঃ-

📗কষ্টিকাম (Causticum) ঔষধটিকে কখনও ফসফরাসের (Phosphorus) আগে বা পরে ব্যবহার করবেন না ।

📗বিশেষত Sulphur, Silicea, Psorinum, Phosphorus, Lachesis, Kali carb, Graphities, Carcinosinum, Zincum নামক ঔষধগুলি ভুলেও উচ্চশক্তিতে খাবেন না । কেননা এতে রোগ বেড়ে যেতে
পারে মারাত্মকভাবে এবং তাছাড়াও অন্য ধরণের বিরাট ক্ষতি হয়ে যেতে পারে । এজন্য প্রথমে নিম্নশক্তিতে (৩০, ২০০) ব্যবহার করে উপকৃত হলেই কেবল প্রয়োজনে উচ্চশক্তিতে প্রয়োগ করতে পারেন ।

📗লাইকোপোডিয়াম (Lycopodium) নিম্নশক্তিতে দীর্ঘদিন ভুল প্রয়োগে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে । এমনকি মৃত্যু পযর্ন্ত হতে পারে ।

📗 হ্যানিম্যানের মতে, সালফারের ( Sulphur ) পূর্বে ক্যালকেরিয়া কার্ব ( Calcarea
Carbonica ) ব্যবহার করা উচিত নয় । ( এতে শরীর মারাত্মক দুর্বল হয়ে যেতে পারে )।

📗ক্যাল্কেরিয়া কার্ব ( Calcarea Carbonica ) এবং ব্রায়োনিয়া ( Bryonia alba ) শত্রুভাবাপন্ন
( inimical ) ঔষধ । কাজেই এই দুটিকে কাছাকাছিসময়ে একটির আগে বা পরে অন্যটিকে ব্যবহার করা নিষেধ ।

📗মার্ক সল ( Mercurius solbulis ) এবং সিলিশিয়া ( Silicea ) ঔষধ দুটির একটিকে অপরটি ( কাছাকাছি সময় ) আগেবা পরে ব্যবহার করাউচিত নয় ।

📗 জ্বরের উচ্চ তাপের সময় নেট্রাম মিউর ( Natrum mur ) ঔষধটি প্রয়োগ করা নিষেধ।

📗ক্যাল্কেরিয়া কার্ব ( Calcarea Carbonica )ঔষধটি সালফার বা নাইট্রিক এসিডের ( Nitricumacidum ) পূর্বে ব্যবহার করা নিষেধ ।

📗 লিডাম ( Ledum ) খেয়ে সৃষ্ট দুর্বলতার চিকিৎসায় চায়না ব্যবহার করা ক্ষতিকর ।

📗 কোন রোগীর যদি নিদ্রাহীনতা থাকে তবে তাকে রাতের বেলা সালফার ( Sulphur )দিতে পারেন । পক্ষান্তরে যেই রোগী ভালো ঘুমায়, তাকে সকাল বেলায় সালফার খাওয়ানো উচিত । কেননা রাতের বেলা সালফার দিলে তার ঘুমে অসুবিধা হতে পারে ।

📗নাক্স ভমিকা ( Nux vomica ) রাতে এবং সালফার সকালে দিতে পারেন যদি তাদের সম্পূরক ( complementary ) ক্রিয়া প্রত্যাশা করেন ।

📗 বাম ফুসফুসের ব্যথায় ফসফরাস ( Phosphorus ) ঔষধটি ঘন ঘন প্রয়োগ করা বিপদজ্জনক । কেননা এতে রোগীর তাড়াতাড়ি যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।

📗মেডোরিনাম ( Medorrhinum ) ঔষধটি হৃদরোগীদেরকে কখনও উচ্চশক্তিতে দিতে নাই । এতে করে তার হৃদরোগ বৃদ্ধি পেয়ে মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে । প্রথমে ২০০ শক্তিতে প্রয়োগ করে তারপর সহ্য শক্তি অনুযায়ী উপরের শক্তি প্রয়োগ করা যেতে পারে ।

📗 কলিনসোনিয়া ক্যান ( Collinsonia Canadensis ) ঔষধটি হৃদরোগীদের ক্ষেত্রে কখনও নিম্নশক্তিতে প্রয়োগ
করতে নাই ।

📗 Apis, Lac defloratum, Gossipium,Pinus lamb, Viscum album ইত্যাদি ঔষধ গর্ভবতীদের দেওয়া নিষেধ ।কেননা এতে গর্ভপাত হয়ে যেতে পারে ।

📗সিলিশিয়া ( Silicea ) ঔষধটি কারো কোন অপারেশনের ছয়মাসের মধ্যে ব্যবহারনিষিদ্ধ । অন্যথায় সেখানে ঘা / পূঁজ হয়ে জোড়া ছুটে যেতে পারে ।

📗কয়েকদিন যাবত অচেতন রোগীদেরকে জিংকাম মেট ( Zincummetallicum ) দিতে হয় । কিন্তু ভুলেও এক মাত্রার বেশী দিবেন না ।

📗 জর্জ ভিথুলকাসের মতে, কোন রোগীর মধ্যে যদি কোন একটি ঔষধের ১০০ ভাগ লক্ষণ পাওয়া যায়, তবে সেই রোগীকে সেই ঔষধটি নিম্নশক্তিতে খাওয়ানো তাকে হত্যা করার সমতুল্য। কাজেই আপনার রোগীর লক্ষণের সাথে যদি আপনার নির্বাচিত ঔষধটির লক্ষণ যদি অনেক মিল থাকে, তবে ভূলেও ৩০ শক্তির নীচে প্রয়োগ করবেন না ।

🌹সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেতে হলে জানতে হবে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ/নির্দেশনা
ছাড়া কোনো ওষুধ সেবন করা উচিত নয়।
⛳আপনারা যদি মনে করেন লেখাগুলো আপনার জন্য উপকারি তাহলে আরেক ভাইয়ের জন্যও হয়তো উপকারি হবে , আপনি কষ্ট করে লেখাটি শেয়ার করলে অন্য ভাইও লেখা পড়ে নিজেকে সমৃদ্ধ করতে পারবেন। তাই শেয়ার করুন এবং পেজে লাইক বৃদ্ধিতে সহায়তা করুন।

14/02/2019

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা গ্রহণকালীন আপনার করনীয়

আপনার করনীয়:

১. খালি পেটে ঔষধ সেবন করবেন। ঔষধ সেবনের আগে ১ ঘণ্টার মধ্যে ও সেবনের পরে আধা ঘন্টার মধ্যে কিছু খাবেন না।
২. আপনার সহ্য হয় এমন পুষ্টিকর ও সহজপাচ্য খাদ্য খাবেন।
৩. প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় সময় আহার করবেন ও নিদ্রায় যাবেন।
৪. দৈনিক কমপক্ষে ৬ ঘন্টা ঘুমাবেন।
৫. দৈনিক প্রচুর শীতল পানি পান করবেন (৪ থেকে ৫ লিটার)।
৬. নির্দোষ বিনোদন ও খেলাধুলায় অংশ নিতে পারেন।
৭. প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় কমপক্ষে ১ ঘন্টা খোলা বাতাসে হাঁটবেন। সাধ্যমত শারীরিক পরিশ্রম করবেন।
৮. সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকবেন ও মনকে প্রফুল্ল রাখার চেষ্টা করবেন।
৯. মন থেকে সকল প্রকার কুচিন্তা বাদ দিয়ে ধর্মীয় জীবন-যাপনের চেষ্টা করবেন।

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা গ্রহণকালীন যা করা নিষেধ:

১. ঔষধ সেবনের আগে ১ ঘণ্টার মধ্যে ও সেবনের পরে আধা ঘন্টার মধ্যে কিছু খাবেন না।
২. ঔষধ খাওয়ার পরে ১ ঘণ্টার মধ্যে কোন প্রকার কষ্টকর শারীরিক ও মানসিক পরিশ্রম করবেন না।
৩. কোন প্রকার সুগন্ধি দ্রব্য, দাঁতের মাজন বা পেষ্ট ব্যবহার করবেন না।
৪. টক ও টকজাতীয় দ্রব্য, নোনা মাছ, মদ, চা, কফি, তামাকসহ সকল উত্তেজক দ্রব্য এবং যে সব খাদ্য খেলে আপনার রোগ বাড়ে তা খাবেন না।
৫. কুরুচিপূর্ণ বই-পুস্তক পাঠ ও কামোদ্দীপক আলাপ আলোচনা করবেন না।

09/02/2019

হোমিও চিকিৎসা কি অপারেশনের বিকল্প?

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সার্জারী বা অপারেশনের সাথে সাংঘর্ষিক নয়। তবে সকল ধরণের অপারেশনকে আমরা প্রকৃত অপারেশনের কেস বলে মনে করিনা। পাইলস অপারেশন করলে ২/৪/৫ বছরের মধ্যে হৃদযন্ত্রের সমস্যা হয়, নাকের পলিপ কাটলে টনসিলের সমস্যা হয়, টনসিল কাটলে ফুসফুসের রোগ যা পরবর্তীতে শ্বাসকষ্ট-নিউমোনিয়া-যক্ষ্মায় রূপান্তরিত হয়ে রোগীর অবস্থা জটিল হতে জটিলতর করে ফেলে। মহিলাদের জরায়ুর টিউমার অপারেশন করালে তা পরবর্তীতে ওভারীর টিউমার হয়, ওভারী কাটলে ব্রেস্ট টিউমার হয়। আর এই টিউমার যদি ম্যালিগন্যান্ট হয় তবে তা পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে ক্যান্সারের কারণ হতে পারে যাতে রোগীর জীবন সংকটাপন্ন হয়।

প্রকৃতপক্ষে অপারেশনের কেস হলে সেটা করাতে হবে। তাতে কোন দ্বিমত নেই। যে গুলো বললাম একটাও অপারেশনের কেস না। আমরা দেখি কেন রোগীর এজাতীয় রোগ হয় সেটা। অর্থাৎ এ জাতীয় রোগ প্রবণতা কেন তার কারণ অনুসন্ধান করে তা চিকিৎসার মাধ্যমে দুর করি। এ্যালোপ্যাথরা কারণ জিইয়ে রেখে ফলাফল কেটে ফেলেন। মূল কথা- হোমিওপ্যাথি লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসা। লক্ষণ স্পষ্ট হলে যে কোন রোগই সারবে ইনশাল্লাহ্। লক্ষণ স্পষ্ট না পাওয়ার অনেক কারণ আছে যার ভেতর দমনমূলক এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা উল্লেখযোগ্য। এজাতীয় চিকিৎসায় লক্ষণসমূহের হ্রাস-বৃদ্ধির সুনির্দিষ্ট প্যাটার্ণটি হারিয়ে যায় বা পরিবর্তন হয়ে যায়। অথচ প্রাকৃতিক প্রতিটি রোগে সুস্পষ্ট হ্রাস-বৃদ্ধি থাকে। আর যেসকল হোমিওপ্যাথ একসাথে একাধিক ওষুধ দেয় তারাও রোগীর ক্ষতি করে। তারা না জানে ভালভাবে কেস নিতে, কেস ম্যানেজমেন্টেও তারা দুর্বল। এরা প্রতারক। প্রতারক শ্রেণীর ডাক্তার এ্যালোপ্যাথি, হোমিও, হার্বাল সব ক্ষেত্রেই আছে। সত্যিকারের হোমিওপ্যাথ সময় নিয়ে ধৈর্য সহকারে রোগীর পূর্ণ লক্ষণাবলী জানবেন, স্টাডি করবেন, চিকিৎসা দিবেন। তাতে দ্রুত ফল পাওয়া যায়। একটি জটিল কেস কিভাবে ম্যানেজ করবেন বা পরবর্তী ফলোআপে কি করবেন সে সম্পর্কে হোমিওপ্যাথের স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। হোমিও ডাক্তারের ব্যর্থতা কখনও হোমিওপ্যাথির ব্যর্থতা নয়। সমস্যা ঐ ব্যক্তিতে যিনি কিছু না জেনে, অসৎ উপায় অবলম্বন করে হোমিওপ্যাথ সেঁজে বসে চিকিৎসা দেন। আর অসততা হলো জ্ঞানের অভাব, রোগীকে সময় না দেয়া, ভালভাবে কেস না নেয়া, ভাল মানের ওষুধ প্রকৃত শক্তি ও মাত্রায় প্রয়োগ না করা ইত্যাদি

22/01/2019

স্লিপ প্যারালাইসিস ( বোবায় ধরা )
মধ্যরাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেল। আপনার বুকের ওপর ভারী কিছু চেপে বসে আছে—এমন অনুভব হলো। সেটা এত বেশি ভারী যে নিশ্বাস আটকে আছে। সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হলো, আপনি শরীরের কোনো অংশ নাড়াতে পারছেন না। এমনকি গলা দিয়ে কোনো আওয়াজও করতে পারছেন না। এ রকম ভীতিকর পরিস্থিতিতে অনেকেই পড়েন। কেউ এ সমস্যাকে বলেন ‘বোবায় ধরা’। আবার অনেকে ভাবেন, দুঃস্বপ্নই এর কারণ। এ নিয়ে আছে অনেক কুসংস্কারও।

চিকিৎসাবিজ্ঞানে এ সমস্যার নাম ‘স্লিপ প্যারালাইসিস’। যখন আমাদের মস্তিষ্ক গভীর ঘুমের এক পর্যায় থেকে আরেক পর্যায়ে যায়, তখন এমন আতঙ্কজনক অনুভূতি হতে পারে। স্লিপ প্যারালাইসিস হলে বিচিত্র সব অভিজ্ঞতা হতে পারে। কেউ ঘরের ভেতর অশরীরী কিছুর উপস্থিতি টের পান, কেউ কোনো দুর্গন্ধ পান, কেউ আবার কোনো ভয়ংকর প্রাণীর কথা ভাবেন। অর্থাৎ নানা ধরনের হ্যালুসিনেশনের (কল্পিত দৃশ্য) সৃষ্টি হয়। এ সময় মস্তিষ্ক সতর্ক হয়ে মানুষকে ঘুম থেকে জাগিয়ে তুললেও ইন্দ্রিয় তখনো ঘুমে আচ্ছন্ন থাকে বলে সবকিছু অবাস্তব মনে হয় এবং আধঘুমে ঘটছে বলে মনে হয়। এ অবস্থায় শ্বাসকষ্টও হতে পারে। এটা আসলে একটি ঘুমজনিত অস্বাভাবিকতা বা স্লিপ ডিসঅর্ডার। যাদের অনিদ্রার সমস্যা আছে, তাদেরই এটি বেশি হয়। এ ছাড়া অতিরিক্ত মানসিক চাপ, পর্যাপ্ত বিশ্রামের অভাব, অনিয়মিত ঘুমও এর জন্য দায়ী।

পরিত্রাণ কী?

স্লিপ প্যারালাইসিস সাধারণত একটি সাময়িক সমস্যা এবং এতে ভয়ের কিছু নেই। কিন্তু বারবার এবং ঘন ঘন এমন ঘটতে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। পরিত্রাণের জন্য স্বাভাবিক ঘুম চাই। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং নির্দিষ্ট সময়ে জাগা উচিত। ঘুমের জন্য চাই সুন্দর ও নিরিবিলি পরিবেশ। ঘুমানোর আগে টিভি দেখা বা মস্তিষ্কে চাপ পড়ার মতো কোনো কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে

20/01/2019

#স্বপ্নদোষের_হোমিওপ্যাথি_চিকিৎসাঃ-

স্বপ্নদোষ মাসে ১বার কিংবা ২বার হবে, এটাই স্বাভাবিক। তবে প্রতি সপ্তাহে এক বা একাধিকবার স্বপ্নদোষ হলে তা অত্যন্ত ক্ষতিকারক। এই সমস্যার দ্রুত সমাধান না করলে ধ্বজভঙ্গ দেখা দিতে পারে।

#হোমিওপ্যাথি_চিকিৎসাঃ-
১। স্বপ্নদোষের জন্য শ্রেষ্ঠ ঔষধ হচ্ছে SALIX NIG Q (১০ ফোঁটা করে দিনে ৪বার) বা LUPULIN 3x ৩গ্রেন পরিমাণে দিনে ৪বার।
২। লিঙ্গোত্থান না হয়ে অজ্ঞাতসারে স্বপ্নদোষ হলে ARGENT MET 6-30 দিনে ৩বার।
৩। একই রাত্রে ২/৩ বার স্বপ্নদোষ, পরদিন দুর্বলতা, হাঁটুতে একটুও শক্তি থাকেনা, এরূপ হলে DIOSCOREA 6 দিনে ৩বার ভাল কাজ দেয়।

এছাড়াও এই জঘন্য রোগে NUX VOM, LYCOPODIUM, SELENIUM, CONIUM, CALADIUM SEG, GELSIMIUM, ACID PHOS, ইত্যাদি ঔষধ লক্ষণ অনুসারে প্রয়োগ করা যায়।

Address

Savar
Dhaka

Telephone

01629995196

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sowdagor Homeo Care And Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram