30/09/2023
❌❌❌যোনিতে চুলকানির কারণ লক্ষণ ও প্রতিকার ❌❌❌
❌যোনিতে চুলকানি কী?
❌গর্ভাবস্থায় যোনিতে চুলকানোর কারণগুলি কী কী?
❌গর্ভাবস্থায় যোনিতে চুলকানি কিভাবে রোধ করা যায়
❌কখন কোনো ডাক্তারের সাথে দেখা করতে হবে?
_________________________________________
গোপন স্থানে চুলকানি : ব্যাকটেরিয়ার দায়?
বহুদিন আগে থেকেই মানুষের নিম্নাঙ্গে চুলকানির সমস্যায় ভোগান্তি পোহাতে হয়। আর এর কারণটি ঠিক কী, তা নিয়েই বহুদিন ধরে মানুষ বিভ্রান্ত।
তবে কি এর পেছনে কোনো নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া দায়ী? এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ম্যানস ওয়ার্ল্ড ইন্ডিয়া।
পুরুষের নিম্নাঙ্গের নানা স্থানে বিভিন্ন সময় তীব্র চুলকানি অপ্রস্তুত করে দেয়। আর এটি খেলাধুলা, কর্মক্ষেত্র কিংবা অন্যান্য স্থানে বেশ সমস্যা সৃষ্টি করছে।
কিন্তু কেন এ চুলকানি? এ প্রসঙ্গে বিশেষজ্ঞরা বেশ কিছু কারণ জানিয়েছেন। এগুলো হলো-
- ছত্রাকের আক্রমণ
- ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ
- ট্রাইকোমোনিয়াসিস প্যারাসাইট-এর আক্রমণ
- এছাড়াও যৌনাঙ্গে উকুন, খোসপাচড়া ও মাইকোপ্লাজমা জেনেটালিয়াম এর সংক্রমণ হলে নিম্নাঙ্গে চুলকানি হতে পারে।
- কিছু যৌনরোগ যেমন – সিফিলিস, গনোরিয়া, এইডস ইত্যাদির কারণে যৌনাঙ্গে চুলকানি হতে পারে।
- বিভিন্ন বিরক্তিকর পদার্থ যেমন কোনো কোনো ডিটারজেন্ট, কেমিক্যাল, সুগন্ধিযুক্ত সাবান, রঙ ওয়ালা টিসুপেপার, ফেমিনিন হাইজেনিক স্প্রে, ডুশ ইত্যাদি ব্যবহার করলেও চুলকানি হতে পারে।
- ডায়াবেটিস, রেনাল ডিজিজ, একজিমা ও রক্তে কোন রোগ থাকলে ও অন্যান্য কোন রোগ থাকলেও যৌনাঙ্গে চুলকানি হয়।
- আঁটো পোশাক ও যৌনাঙ্গ সবসময় গরম ও আর্দ্র রাখলে।
- অপরিষ্কার থাকলে।
প্রতিকার
- ছত্রাকের বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হলে, চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এন্টিফাংগাল বা অ্যান্টিব্যায়োটিক ড্রাগস খেতে হয়। এছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে কারণ নির্ণয় করে সে অনুযায়ী সমাধান করতে হবে। এছাড়া প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে যেন তা আর না হয়।
প্রতিরোধের উপায়
- পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখবেন। রঙিন ও বেশি সুগন্ধিযুক্ত টয়লেট টিশ্যু ও সাবান ব্যবহার করবেন না।
- প্রয়োজন ছাড়া ফেমিনিন হাইজিন স্প্রে ও ডুশ ব্যবহার করবেন না।
- ভেজা কাপড় পরে বেশিক্ষণ থাকবেন না। গোসল বা ব্যায়ামের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভেজা কাপড়টি পাল্টে নেবেন।
- সুইমিং পুলে সাঁতার কাটেন তাদের ক্লোরিনের কারণেও চুলকানি হতে পারে।
- দই খান, এতে ল্যাকটোব্যাসিলাস নামক উপকারী ব্যাকটেরিয়া থাকে।
- সুতির কাপড় দিয়ে তৈরি অন্তর্বাস পরুন।
- ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
- ওজন কমান।
- নিয়মিত গোসল করুন।
❌❌নারীর গোপন অঙ্গে চুলকানি: কারণ ও প্রতিকার
গোপন অঙ্গে চুলকানির সমস্যা নারী জীবনের অত্যন্ত স্বাভাবিক একটি ঘটনা। বেশিরভাগ নারীই নজ্জায় এই বিষয়টি চেপে যান কিংবা মোটেও গুরুত্ব দেন না। তাঁরা জানেন না যে বেশিরভাগ নারীকেই জীবনে কখনো না কখনো এই সমস্যাটির মোকাবেলা করতেই হয় এবং এটি আসলে রোগের লক্ষণ! একটু খানি সচেতনতাই আপনাকে বাঁচিয়ে দিতে পারে অনেক গুলো শারীরিক সমস্যা থেকে। লজ্জা নয়, সচেততা জরুরী। চলুন, আজ জানি গোপন অঙ্গে চুলকানির কারণ, প্রতিকার ও আপনার করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত।
❌❌যেসব কারণে হতে পারে চুলকানি
সাধারণ যেসব কারণে গোপন অঙ্গে চুলকানি হতে পারে সেগুলো হচ্ছে অ্যালার্জি। টাইট কাপড় পরিধান, কোন সাবান বা পারফিউমের রিঅ্যাকশন, ঘামে ভেজা কাপড় দীর্ঘ সময় পরে থাকা ইত্যাদি। এছাড়াও ইস্ট ইনফেকশন বা ব্যাকটেরিয়ার কারণেও হতে পারে এই চুলকানি।হতে পারে হরমোনের সমস্যা বা কোন ত্বকের রোগের কারণেও। মেনোপজের পরও গোপন অঙ্গে হতে পারে এমন চুলকানি। গোপন অঙ্গ যথেষ্ট পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার পরও যদি প্রতিদিন ঘনঘন চুলকানি হতে থাকে যা মোটেও স্বাভাবিক নয়, তাহলে আপনার উচিত এখনোই সচেতন হয়ে যাওয়া।
❌❌কখন যাবেন ডাক্তারের কাছে?
যদি গোপন অঙ্গে গন্ধ ও চুলকানির উপস্থিতি একত্রে টের পান, তাহলে দেরি না করে ডাক্তারের কাছে যাওয়াই উত্তম। পশ্চাৎ দেশের মত যোনিতেও অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকটেরিয়া থাকে। কিন্তু খারাপ ব্যাকটেরিয়ার গ্রোথ যখন বাড়তে থাকে তখন বাজে গন্ধ ও জ্বালাপোড়া হতে থাকে, এটা একটি রোগের লক্ষণ যাকে বলে bacterial vaginosis। অন্যদিকে ইস্ট ইনফেকশনের কারণে যদি চুলকানি হয়ে থাকে, তাহলে চুলকানির সাথে গন্ধ থাকতে পারে, থাকবে ঘন সাদা স্রাব। ইস্ট ইনফেকশন অত্যন্ত স্বাভাবিক ঘটনা। যৌন সম্পর্ক, অ্যান্টি বায়োটিক খাওয়া, এমনই দুর্বল ইমিউন সিস্টেমের কারণেও হতে পারে এই সমস্যাটি। এগুলো সমস্যা দেখা দিলে ডাক্তারের কাছে তো যাবেনই, চুলকানির সাথে যদি প্রস্রাব ত্যাগেও কষ্ট হয় বা যৌন মিলনে ব্যথা অনুভব করেন, তাহলেও দেরি না করে দ্রুত যাবেন ডাক্তারের কাছে।
❌❌এছাড়াও ঘরে যা করতে পারেন
১) সর্বদা বিশেষ অঙ্গটি পরিষ্কার রাখবেন। অন্যদের চাইতে একটু বেশিই যত্ন করবেন। প্রত্যেকবার টয়লেটের কাজ সারার পর উষ্ণ পানি ও ভালো সাবান দিয়ে পরিষ্কার করে ভালো করে মুছে জায়গাটি শুকনো রাখবেন।
২) একদম ঢিলেঢালা সুতির অন্তর্বাস পরিধান করুন। দিনে দুবার অন্তর্বাস বদলে ফেলুন। এছাড়া ঘামে ভেজা অন্তর্বাস বেশি সময় ব্যবহার করবেন না।
৩) গোপন অঙ্গের জন্য একদম মাইলড কোন সাবান বা পরিশকারক ব্যবহার করুন। নিউট্রিজেনার লিকুইড সোপ বা গন্ধ বিহীন বিদেশী সাদা ডাভ সাবান ব্যবহার করতে পারেন। এমন কিছু ব্যবহার করবেন যাতে সুগন্ধী নেই।
৪)মিষ্টি জাতীয় খাবার কম খাবেন। কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবারও কম খাবেন। ইস্ট ইকফেকশন হয়ে থাকলে এতে অনেকটাই কাজ দেবে।
৫) রাতের বেলা অন্তর্বাস পরে ঘুমাবেন না। বিশেষ করে গরমের দিনে।
৬)গোপন অঙ্গে পাউডার ব্যবহারের অভ্যাস থাকলে বেবি পাউডার ব্যবহার করুন।
যৌনাঙ্গে ইচিং বা চুলকানি | অসুখটির কারণ, প্রতিকার ও প্রতিরোধ জানুন
আমরা যারা মেয়ে, আমাদের প্রতিদিন কতই না সমস্যার মোকাবেলা করতে হয়। ঘর থেকে শুরু করে শরীর সব দিক থেকে অনেক ঝামেলায় পড়তে হয়। আজকে মেয়েদের একটি অতি পরিচিত কিন্তু অতি বিব্রতকর একটি সমস্যা নিয়ে আলোচনা করব। আর তা হলো যৌনাঙ্গে ইচিং বা চুলকানি । এটি খুবই কমন একটি অসুখ। মেয়েরা ৫ থেকে শুরু করে ৬০ বছর বয়সের যে কোন সময় এই সমস্যায় পড়তে পারে। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে প্রত্যেক ৪ জন মহিলার মধ্যে ৩ জনেরই জীবনের কোন না কোন সময় একবার হলেও এই সমস্যায় ভুগে থাকেন। তাই এর গুরুত্বও কম নয়। চলুন আজ এই অসুখটি সম্পর্কে জানি।
❌❌যৌনাঙ্গে ইচিং বা চুলকানি হওয়ার কারণ
কোন অসুখ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের আগে আমাদের জানতে হবে অসুখটার কারণ কি? কেনোনা কারণ জানলে অসুখ মোকাবেলা সহজ হয়। যোনিতে অনেক কারণে চুলকানি হতে পারে। তার মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য কারণসমূহহলো-
১. ঈস্ট বা ছত্রাকের আক্রমণ
এটি যৌনাঙ্গের চুলকানি বা ইচিং হওয়ার অন্যতম কারণ। সাধারণত Candida Albicans, এই ছত্রাকের কারণে যোনিতে চুলকানি হয়। এই ছত্রাক নরমালি মেয়েদের যৌনাঙ্গে পরজীবী হিসেবে থাকে। কিছু ল্যাকলোব্যাসিলাস নামে উপকারী ব্যাকটেরিয়া এই ছত্রাকের বংশবিস্তারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। কিন্তু এন্টিবায়োটিক খেলে, গর্ভাবস্থায়, দুশ্চিন্তাগ্রস্থ থাকলে, হরমোনাল ইমব্যালেন্স থাকলে ও খাদ্যাভাসের কারণে এই উপকারী ব্যাকটেরিয়া মরে যায়, ফলে ঈস্টগুলো তাদের জন্মের জন্য অনুকূল পরিবেশ পায়। এর কারণে যোনিতে ইনফেকশন হয়।
উপসর্গ
– যোনি পথ দিয়ে ঘন, সাদা তরলের নির্গমন হয়।
– চুলকানি, ব্যথা ও প্রদাহ হয়।
– যৌন মিলনের সময় ব্যথ্যা হয়।
২. ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিসের সংক্রমণ
এটি ভ্যাজাইনা বা যোনিতে চুলকানি হওয়ার অন্যতম কারণ। যোনিতে নরমালি কিছু ব্যাকটেরিয়া থাকে। যখন কোন কারণে এই ব্যাকটেরিয়া গুলোর অনেক বেশি বংশবিস্তার ঘটে তখন যোনিতে ইনফেকশন হয়।
উপসর্গ
– গন্ধযুক্ত ও মাছের আশঁটে গন্ধযুক্ত তরল নির্গত হয় যোনি দিয়ে।
– চুলকানি হয় প্রচুর।
– প্রসাবের সময় জ্বালাপোড়া হওয়া।
৩. ট্রাইকোমোনিয়াসিস-এর আক্রমণ
এটি একটি প্যারাসাইট। এটির আক্রমণে যোনিতে চুলকানি হয়।
উপসর্গ
– হলুদ, সবুজ রঙের ও খুব তীব্র বাজে দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব হয়।
– তলপেটে ব্যথ্যা হয়।
– যোনিতে চুলকানি হয়।
৪. এছাড়াও যৌনাঙ্গে উকুন, খোসপাচড়া ও মাইকোপ্লাজমা জেনেটালিয়াম এর সংক্রমণ হলে যোনিতে চুলকানি হয়।
৫. কিছু সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজিজ যেমন – সিফিলিস, গনোরিয়া, এইডস ইত্যাদির কারণে যৌনাঙ্গে ইচিং বা চুলকানি হতে পারে।
৬. বিভিন্ন বিরক্তিকর পদার্থ যেমন – বিভিন্ন ডিটারজেন্ট, কেমিক্যাল, সুগন্ধিযুক্ত সাবান, রঙ ওয়ালা টিশ্যু পেপার, ফেমিনিন হাইজেনিক স্প্রে, ডুশ ব্যবহার করলে যোনিতে চুলকানি হতে পারে।
৭. মেনোপোজের পর মহিলাদের ইস্ট্রোজেন নামক হরমোন কমে যায়। ফলে যোনি শুকিয়ে যায়। এর ফলে বিভিন্ন পরজীবীর সংক্রমণ হয়। ফলে যোনিতে ইচিং হয় ।
৮. ডায়াবেটিস, রেনাল ডিজিজ, একজিমা ও রক্তে কোন রোগ থাকলে ও অন্যান্য কোন রোগ থাকলেও যৌনাঙ্গে চুলকানি হয়।
৯. মাসিকের সময় , অস্বাস্থ্যকর প্যাড ও কাপড় ব্যবহার করলে।
১০. যৌনকর্মীদের এই রোগগুলো বেশি হয়। তাই অবাধ যৌন আচরণের কারণে হয়ে থাকে।
১১. যৌনাঙ্গ সবসময় গরম ও আর্দ্র রাখলে।
১২. অপরিষ্কার থাকলে।
❌❌যৌনাঙ্গে চুলকানি প্রতিকার
১. ছত্রাকের সংক্রমণ হলে, এন্টিফাংগাল ওষুধ যেমন – ketoconazole, miconazole, clotrimazole, tioconazole, fluconazole ইত্যাদি ওষুধ খেতে হয় ৩ থেকে ৫ দিন। তবে কিছু ওষুধ একদিনেও কাজ করে। তাই ডোজ ও কতদিন খাবেন তা জানতে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। এছাড়া lactobacillus acidophilus ট্যাবলেট খাওয়া যেতে পারে এর সাথে।
২. ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হলে এন্টিব্যায়োটিক ড্রাগস খেতে হয়। যে এন্টিবায়োটিকই খান না কেন তা কমপক্ষে ৫ থেকে ৭ দিন খাবেন।
৩. প্যারাসাইটের সংক্রমণ হলে Metronidazole খেতে পারেন। এছাড়াও vaginal clindamycin cream (clencin) or tinidazole এইগুলো যোনিতে লাগাতে হয়।
৪. বেশি চুলকানি হলে Lidocaine নামক জেল আক্রান্ত স্থানে লাগাতে পারেন। এতে সাময়িক আরাম হবে। কিন্তু পুরা সেরে যাবেনা। তাই ডাক্তারকে দেখাবেন।
৫. চুলকানি কমানোর জন্য এন্টিহিস্টামিন যেমন – fexofenadine, loratadine খেতে পারেন।
৬. এছাড়া প্রদাহ কমাতে steroid cream ব্যবহার করা যেতে পারে।
৭. মেনোপোজের পর চুলকানি হলে ইস্ট্রোজেন সাপোজেটরি যোনিপথে ব্যবহার করা যেতে পারে।
❌❌যৌনাঙ্গে চুলকানি প্রতিরোধ
বলা হয়ে থাকে যে কোন অসুখ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ করাই বেশি ভাল। সুতরাং এই রোগটি যাতে আপনার না হয় তাই আগেই সাবধান থাকুন ও নিচের কথাগুলো মেনে চলুন।
১. রঙীন ও বেশি সুগন্ধিযুক্ত টয়লেট টিস্যু ও সাবান যৌনাঙ্গে ব্যবহার করবেন না।
২. ফেমিনিন হাইজিন স্প্রে ও ডুশ ব্যবহার করবেন না।
৩. ভেজা কাপড় পরে বেশিক্ষণ থাকবেন না। গোসল বা ব্যায়ামের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভেজা কাপড়টি পাল্টে নিবেন। যারা সুইমিং পুলে সাঁতার কাটেন তাদের ক্লোরিনের কারণেও ইচিং হতে পারে , তাই সাবধান হন।
৪. আপনার যৌনাঙ্গ পরিষ্কার রাখুন সবসময়। আর প্রসাব বা পায়খানা করার সময় হাত দিয়ে সামনে থেকে পেছনে এই নিয়মে পরিষ্কার করতে হবে। খেয়াল রাখবেন পায়খানার রাস্তার জীবাণু যেন যোনিতে না লাগে।
৫. দই খান, এতে ল্যাকটোব্যাসিলাস নামক উপকারী ব্যাকটেরিয়া থাকে।
৬. সুতির কাপড় দিয়ে তৈরি অন্তর্বাস বা পেন্টি পরুন। সিনথেটিক পেন্টি পরবেন না।
৭. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
৮. ওজন কমান।
৯. সহবাসের সময় কনডম ব্যবহার করুন।
১০. যোনি আর্দ্র ও ভেজা রাখবেন না।
১১. মাসিকের সময় নোংরা কাপড় ব্যবহার করবেন না। পরিষ্কার প্যাড ব্যবহার করুন।
১২. সহবাসের পর যৌনাঙ্গ ভাল ভাবে পরিষ্কার করুন। ধুয়ে ফেলুন।
১৩. সহবাসের পর প্রসাব করুন।
১৪. একাধিক ব্যক্তির সাথে যৌন সহবাস পরিত্যাগ করুন।
১৫. নিয়মিত গোসল করুন।
এই অসুখটি হলে অবশ্যই একজন গাইনোকোলজিস্ট বা একজন ডার্মাটোলজিস্ট বা চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যান। অবহেলা করবেন না বা লজ্জা পাবেন না। কারণ এর ফলে পরবর্তীতে আরও খারাপ কিছু হতে পারে।
গর্ভাবস্থায় যৌনাঙ্গে চুলকানি
❌❌গর্ভাবস্থায় চুলকানি
সকালের অসুস্থতা, মাথাব্যথা, মেজাজ পরিবর্তন এবং ক্লান্তি গর্ভাবস্থার সাধারণ লক্ষণ। আপনি যদি গর্ভবতী হন তবে আপনি জানেন যে আমরা কী বিষয়ে কথা বলছি। বেশিরভাগ মহিলা গর্ভবতী হওয়ার সময় এই লক্ষণগুলি অনুভব করেন তবে কখনও কখনও তাদের গর্ভাবস্থার কোনও সময় যোনি চুলকানির অভিজ্ঞতাও হয়ে থাকতে পারে। যোনিতে চুলকানি, যদিও সবার হয় না,তবে গর্ভাবস্থায় এটি হওয়া সাধারণ ব্যাপার।আপনি যদি যোনি চুলকানির মত অভিজ্ঞতার শিকার হন তবে আপনার আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই। এটি বিভিন্ন কারণে ঘটতে পারে এবং এটি মোকাবিলা করার জন্য প্রথমে আমাদের সঠিক কারণটি সনাক্ত করা প্রয়োজন।
❌❌যোনিতে চুলকানি কী?
গর্ভাবস্থায় যোনিতে চুলকানি এমন একটি অবস্থা যেখানে যোনি এবং এর আশেপাশের ত্বকে জ্বালা করে এবং চুলকানি হয় ও তার সাথে ফুলেও যায়। কোনও মহিলা যখন গর্ভবতী হন, তখন তিনি যোনি স্রাবের বৃদ্ধি অনুভব করতে পারেন যা ভালভার ত্বকে জ্বালা সৃষ্টি করতে পারে। তবে গর্ভাবস্থায় কোনও ডিটারজেন্ট, লোশন বা সাবান ব্যবহারের কারণে সংক্রমণ বা অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়ার ফলেও চুলকানি হতে পারে।
❌❌গর্ভাবস্থায় যোনিতে চুলকানোর কারণগুলি কী কী?
গর্ভাবস্থায় যোনিতে চুলকানির সবচেয়ে সাধারণ কারণগুলি নীচে উল্লেখ করা হয়েছে।
1. ঈস্ট সংক্রমণ
পেলভিক অঞ্চলটিতে গর্ভাবস্থায় রক্ত প্রবাহ বেড়ে যায় এবং এটি যোনি অঞ্চলকে ফুলিয়ে তোলে, ফলে এটির সংক্রামিত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। ঈস্ট সাধারণত যোনিতে অল্প পরিমাণে পাওয়া যায়। গর্ভাবস্থায় হরমোনের পরিবর্তন যোনিপথের পিএইচ ভারসাম্যকে ব্যাহত করতে পারে, যা এটিকে সংক্রমণের ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে। ফলস্বরূপ, ঈস্ট যোনি অঞ্চলে বহুগুণ বেড়ে যেতে পারে, তীব্র চুলকানি, গন্ধযুক্ত কটেজ চীজের মতো স্রাব এবং ব্যথা সৃষ্টি করে। ওভার–দ্য–কাউন্টার ওষুধের মাধ্যমে এটি সহজে চিকিৎসা করা যেতে পারে। প্রস্তাবিত ওষুধগুলি হ‘ল অ্যান্টি–ফাঙ্গাল ক্রীম, মলম বা ট্যাবলেট। তবে, কোনও ওষুধ ব্যবহার করার আগে আপনাকে অবশ্যই প্রথমে আপনার ডাক্তারের সাথে আলোচনা করে পরামর্শ নিতে হবে।
2. যোনি স্রাব বৃদ্ধি
গর্ভাবস্থায় হরমোনগত পরিবর্তন, পিএইচ মাত্রার পরিবর্তন এবং যোনি প্রাচীর পুরু হয়ে যাওয়ার কারণে যোনি স্রাব বৃদ্ধি পেতে পারে। গর্ভাবস্থায় যোনি স্রাব এবং সার্ভিকাল মিউকাস বৃদ্ধি চুলকানির কারণ হতে পারে। যদি স্রাবটি পরিষ্কার বা সাদা হয় এবং দুর্গন্ধযুক্ত না হয় তবে এর অর্থ হল চুলকানিটি গর্ভাবস্থার হরমোনগুলির কারণে ঘটছে। যদিও যোনি স্রাব যোনিকে রক্ষা করে, কিন্তু কখনও কখনও, এটি বেশ ভালভাবে ত্বকে জ্বালা সৃষ্টি করে, এটিকে লাল এবং চুলকানিযুক্ত করে তোলে। যদি আপনি কোনও যোনি স্রাবের বৃদ্ধি অনুভব করে থাকেন তবে এটিকে আলতো করে মুছে দিন এবং আপনার যোনি অঞ্চলটি যতটা সম্ভব শুকনো এবং পরিষ্কার রাখুন। এমনকি আপনি আক্রান্ত স্থানে একটি শীতল কম্প্রেস ব্যবহার করতে পারেন বা জল দিয়ে এলাকাটি ধুতে পারেন।
3. ব্যাকটিরিয়াল ভ্যাজিনোসিস
গর্ভাবস্থায় যোনিতে চুলকানোর এটি খুব সাধারণ একটি কারণ। ব্যাকটিরিয়া সাধারণত যোনিতে পাওয়া যায় তবে যদি যোনিতে ভাল এবং খারাপ ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে ভারসাম্যের পরিবর্তন হয় তবে এটি গর্ভাবস্থায় ব্যাকটিরিয়াল ভ্যাজিনোসিসের কারণ হতে পারে। ব্যাকটিরিয়াল ভ্যাজিনোসিসের লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে চুলকানি, বেদনা হওয়া, প্রস্রাব করার সময় জ্বলে যাওয়ার মতো ব্যথা অনুভূত হওয়া, দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব এবং প্রদাহ। এই অবস্থাটি একজন ডাক্তার দ্বারা নির্ণয় এবং চিকিৎসা করতে হবে। ব্যাকটিরিয়া সংক্রমণ দূর করতে সাধারণত চিকিৎসক অ্যান্টিবায়োটিক লিখে দেন।
4. পণ্য দ্বারা প্ররোচিত জ্বলন
গর্ভাবস্থাকালীন, আপনার ব্যবহার করা কঠোর সাবান, ডিটারজেন্ট বা লোশনের কারণে যোনিটির সংবেদনশীল ত্বকে প্রদাহ বা জ্বালা হতে পারে। আপনার অন্তর্বাসে ব্যবহৃত ফ্যাব্রিক সফ্টনার এবং ডিটারজেন্টগুলি, সুগন্ধযুক্ত সাবান, লোশন, ডুশ এবং কনডোমগুলি যোনির ত্বকে জ্বালা ধরাতে পারে। এটি প্রতিরোধ করতে সুগন্ধযুক্ত সাবান এবং লোশন ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন। মৃদু, সুগন্ধমুক্ত সাবান এবং লোশন ব্যবহার করুন এবং হাইপোঅ্যালার্জেনিক ডিটারজেন্ট এবং ফ্যাব্রিক সফ্টনারগুলি বেছে নিন।
5. যৌন সংক্রামিত রোগ (এসটিডি)
যৌন সংক্রামিত রোগ (এসটিডি) দ্বারাও যোনিতে চুলকানি এবং জ্বালা হতে পারে। এসটিডির উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে সিফিলিস, গনোরিয়া, ক্ল্যামিডিয়া, ট্রাইকোমোনিয়াসিস এবং হার্পিস। চুলকানির পাশাপাশি এই রোগগুলি দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব এবং ব্যথাও ঘটায়। এসটিডি এর ক্ষেত্রে একজন মহিলাকে অবশ্যই তাৎক্ষণিক চিকিৎসার সহায়তা নিতে হবে। আপনার যদি কোনও এসটিডি থাকে, তবে ডাক্তার উপযুক্ত চিকিৎসার পরামর্শ দেবেন। যৌন মিলনের সময়, অবশ্যই কনডোম ব্যবহার করা উচিত এবং মনোগোমাস নয় এমন সঙ্গীদের সাথে যৌনতা এড়ানো উচিত।
6. পেডিকুলোসিস (কাঁকড়া উকুন)
আপনার পিউবিক বা গুপ্ত লোমাঞ্চলের চারপাশে যদি তীব্র চুলকানি থাকে তবে এটি পেডিকুলোসিস বা কাঁকড়া উকুনের কারণে হতে পারে। কাঁকড়া উকুন হ‘ল এক ধরনের ক্ষুদ্র কীট যা মানুষের রক্ত খায়। এগুলি খুব সংক্রামক এবং এগুলি পাবলিক টয়লেট থেকে বা যৌন সংক্রমণের মাধ্যমে আপনার মধ্যে আসতে পারে।পেডিকুলোসিস ঘরে বসে চিকিৎসা করা যায় না এবং এর জন্য অবশ্যই ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করতে হবে। কাঁকড়া উকুনের ক্ষেত্রে, বিছানাপত্র এবং জামাকাপড়গুলি সম্পূর্ণ সংক্রমণমুক্ত করা প্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে। কোনও ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া উকুনের রাসায়নিক চিকিৎসা ব্যবহার করার পরামর্শ কখনই দেওয়া হয় না।
7. মূত্রনালীর সংক্রমণ (ইউটিআই)
❌❌গর্ভাবস্থায় যোনিতে চুলকানোর কারণগুলি কী কী
মূত্রনালীর সংক্রমণ (ইউটিআই) থেকেও যোনিতে চুলকানি হতে পারে। এটি মূলত মূত্রনালীতে ব্যাকটিরিয়া থাকার কারণে, প্রস্রাবের সময় চুলকানি, ব্যথা এবং জ্বলনের সংবেদন সৃষ্টি করে। এটির সাথে জ্বর, সর্দি এবং বমিও হতে পারে। যদি আপনি এই লক্ষণগুলি অনুভব করেন তবে আপনাকে অবশ্যই একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করতে হবে কারণ এটির জন্য অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে চিকিৎসার প্রয়োজন হবে।
গর্ভাবস্থায় যোনিতে চুলকানি কিভাবে রোধ করা যায়
আপনি যদি গর্ভাবস্থায় যোনি চুলকানির অভিজ্ঞতার শিকার হন তবে আপনার স্ব–নির্ধারিত ওষুধ খাওয়ার চেষ্টা করা উচিত নয়। ওভার–দ্য কাউন্টার ওষুধগুলি শুধুমাত্র ডাক্তারের সাথে পরামর্শের পরে গ্রহণ করা উচিত। তবে, আপনি যদি এই সমস্যাটি না অনুভব করেন তবে এটিকে প্রতিরোধের জন্য আপনার করার মতো বেশ কিছু জিনিস রয়েছযেগুলি গর্ভাবস্থায় আপনার চিন্তার আরও একটি বিষয়কে কমতে সাহায্য করবে। গর্ভাবস্থায় যোনি চুলকানির সম্ভাবনা হ্রাস করার জন্য কয়েকটি পরামর্শ এখানে রইল।
1. সুতীর অন্তর্বাস পরুন
আলগা সুতীর প্যান্টি পরুন এবং গর্ভাবস্থায় আঁটসাঁট পোশাক এড়িয়ে চলুন। লাইক্রা এবং স্প্যানডেক্স ফাইবারজাত অন্তর্বাসগুলি বেছে নেবেন না কারণ এগুলি ত্বকের গায়ে আর্দ্রতা ধরে রাখতে পারে এবং চুলকানির কারণ হতে পারে।
2. ভিজা ওয়াইপগুলি ব্যবহার করুন
বাথরুম ব্যবহারের পরে বা সারাদিনের বিভিন্ন সময়ে আপনার যোনি অঞ্চল মুছতে মৃদু, সুগন্ধিমুক্ত এবং অ্যালকোহল মুক্ত ভিজা ওয়াইপগুলি ব্যবহার করুন।
3. পরিষ্কার এবং শুকনো থাকুন
যতটা সম্ভব পরিষ্কার এবং শুকনো থাকুন।ঘাম এবং স্রাব থেকে মুক্তি পেতে আপনার অন্তর্বাস দিনে 2-3 বার পরিবর্তন করুন। এছাড়াও, মিলনের পরে, ভালভাবে সেই জায়গাটি পরিষ্কার করুন।
4. বেকিং সোডা ব্যবহার করুন
আপনার স্নানের জলে বেকিং সোডা যুক্ত করুন এবং চুলকানি ও প্রদাহ প্রশমিত করতে আপনার যোনি অঞ্চলটি ধুয়ে ফেলুন।
5. হাইপোঅ্যালার্জেনিক পণ্যগুলি বেছে নিন
মৃদু সাবান, লোশন এবং শাওয়ার জেলগুলি ব্যবহার করুন। আপনার অন্তর্বাস ধোয়ার জন্য হাইপোঅ্যালার্জেনিক ফ্যাব্রিক সফ্টনার এবং ডিটারজেন্ট ব্যবহার করুন।
6. একটি ঠান্ডা কম্প্রেস ব্যবহার করুন
চুলকানি থেকে মুক্তি পেতে প্রভাবিত স্থানে একটি ঠান্ডা কম্প্রেস ব্যবহার করা যেতে পারে। যোনি ত্বক যদি সংবেদনশীল হয় তবে এটি ধুতে ঠাণ্ডা জল ব্যবহার করুন কারণ গরম জল জ্বলনকে বাড়িয়ে তুলতে পারে।
7. দই খান
দই শরীরে সুষম পিএইচ মাত্রা বজায় রাখতে সহায়তা করে। আপনার প্রতিদিনের ডায়েটে দই অন্তর্ভুক্ত করুন। তবে আপনার দেহের পিএইচ মাত্রার ভারসাম্য বজায় রাখতে মিষ্টি ছাড়া, কম ফ্যাটযুক্ত দই বেছে নিন।
8. চুলকানি–রোধী ক্রীম বা কর্নস্টার্চ ব্যবহার করে দেখুন
আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে একটি ওভার–দ্য কাউন্টার, চুলকানি–রোধী ক্রীম ব্যবহার করতে পারেন যাতে নিশ্চিত করা যায় যে এটিতে আপনার বাচ্চার ক্ষতি করতে পারে এমন কোনও উপাদান নেই। চুলকানির জায়গাটি শুকনো রাখতে এবং চুলকানি উপশম করতে আপনি কোনও সুগন্ধবিহীন, কর্নস্টার্চ ভিত্তিক গুঁড়া ছিটিয়ে দেওয়ারও চেষ্টা করতে পারেন।
9. ভাল স্বাস্থ্যবিধি অনুশীলন করুন
সহবাস করার বা বাথরুমে যাওয়ার পরে, আপনার যোনি অঞ্চল পরিষ্কার করা নিশ্চিত করুন। সর্বদা সামনে থেকে পিছনে মুছুন।
❌❌কখন কোনো ডাক্তারের সাথে দেখা করতে হবে?
যদি আপনি গর্ভাবস্থায় যোনির জ্বালা অনুভব করেন যার সাথে দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব এবং ব্যথার মতো উপসর্গগুলি থাকে, তবে এসটিডি এবং অন্যান্য সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আপনার সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত। গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে যোনিতে চুলকানোর প্রধান কারণ হরমোনগত পরিবর্তন বা সংক্রমণ। চুলকানি দীর্ঘকাল ধরে চলতে থাকলে এবং আপনার ব্যথা বা দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব থাকলে, আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত। যদি আপনি যোনি অঞ্চলে আলসার, কাটা, ঘা বা উত্থিত ফোড়ার মতো অস্বাভাবিক কিছু লক্ষ্য করেন তবে আপনার ডাক্তারকে কল করুন। একবার কোনও স্বাস্থ্যসেবা পেশাদার সমস্যার কারণটি খুঁজে পেলে, তিনি গর্ভাবস্থায় যোনি চুলকানির জন্য উপযুক্ত চিকিৎসার পরামর্শ দিতে পারেন।
গর্ভাবস্থায় যোনিতে চুলকানি খুব সাধারণ এবং এর সঠিক কারণ নির্ধারণের পরে কোনও চিকিৎসকের মাধ্যমে চিকিৎসা করা যেতে পারে। তবে এটি সর্বদা সুপারিশ করা হয় যে এই সমস্যাটিকে দূরে রাখার জন্য আপনি ভাল স্বাস্থ্যবিধি অনুশীলন করুন। জ্বালা এড়াতে আপনার যোনি পরিষ্কার এবং শুকনো রাখুন। প্রথমে আপনার ডাক্তারবাবুকে জিজ্ঞাসা না করে যোনি চুলকানির চিকিৎসার জন্য কোনও ওষুধ ব্যবহার করবেন না।