Dr Mobashwer Bone, Joint & Trauma Care

Dr Mobashwer Bone, Joint & Trauma Care MBBS, BCS, FCPS (Ortho surgery) Advanced Trainee
Asst Registrar, Dhaka Medical College Hospital, Dhaka

15/04/2026

Enjoy the videos and music you love, upload original content, and share it all with friends, family, and the world on YouTube.

Being a part of an operation headed by Associate Professor Anup Mostafa  Sir is a great learning experience for me. His ...
13/01/2026

Being a part of an operation headed by Associate Professor Anup Mostafa Sir is a great learning experience for me. His skill, calm leadership, and dedication to teaching are truly inspiring. It's a Clavicle fracture treated by TENS.
It's a closed operative procedure where fracture reduction and fixation are done without opening the fracture site, preserving the fracture hematoma and maintaining an intact fracture biology.

My long-cherished dream of assisting in a Total Knee Replacement has finally come true. Last week, I had the privilege o...
23/08/2025

My long-cherished dream of assisting in a Total Knee Replacement has finally come true. Last week, I had the privilege of assisting Dr Minhaz Uddin , a young and energetic orthopaedic surgeon, in this operation. My dear friend Dr Shafi Sarker Sarker was also present, making the experience even more memorable.

12/01/2025

১...

রোগী দেখছিলাম। রোগীর কিডনীর অবস্থা তেমন সুবিধার না, ক্রিয়েটিনিন 2.4। এক্সামিন করে পেটে হাত দিয়ে বুঝলাম বেচারার কিডনীর সাইজটা বড়, মেডিকেলীয় টার্ম PKD. এটার জন্যই মূলত ক্রিয়েটিনিনটা বেড়ে যাচ্ছে, প্রেসারটাও তাই কন্ট্রোলের বাইরে...

আল্ট্রাসনোগ্রাম করে নিয়ে আসতে বলললাম ধানমন্ডির এক হাসপাতালের এক ম্যাডামের কাছ থেকে। ম্যাডামের কাছে যতগুলো রোগী পাঠিয়েছি, সব রোগীই এসে বলেছে যে ম্যাডামের আচরণ ভালো না। কিন্তু এরপরেও আমাকে তার কাছে পাঠাতে হয়, ম্যাডামের আচরণ যেমনই হোক, উনার করা আল্ট্রাসনোগ্রাম অদ্ভুত সুন্দর! উনার রিপোর্টের উপর আমার যথেষ্ট আস্থা রয়েছে...

যাই হোক, ভদ্রলোক সেখান থেকে আল্ট্রাসনোগ্রাম না করিয়ে স্থানীয়ভাবে কোন এক আউলফাউল জায়গা থেকে আল্ট্রা করিয়ে নিয়ে আসলেন, যথারীতি রিপোর্টে সবই নরমাল, কিডনীর সাইজও নাকি ঠিকই আছে...

আমার মেজাজ খারাপ হলো। আমি শতভাগ নিশ্চিত কিডনীর সাইজ বড় (PKD)। রিপোর্টে সেটা পেয়ে গেলে আমার জন্য সুবিধা হতো, PKD তে প্রেসারের ওষুধ বেশ বিবেচনা করে দিতে হয়। এখন আমার আর সে সুযোগ নেই...

রোগীকে জিজ্ঞেস করলাম, পরীক্ষাটা যেখানে করতে বলেছি, সেখানে কেন করান নি। উনি রহস্যময় হাসি দিলেন যার অর্থ আমি কমিশনের ধান্ধায় আল্ট্রাসনোগ্রামটা নির্দিষ্ট জায়গায় করতে বলেছি, উনি অন্য জায়গায় করাতে আমার ধান্ধাটা সফল হয়নি...

আমি আর তেমন কিছু বললাম না, এভারেজ একটা চিকিৎসা দিয়ে রোগীকে বিদায় দিলাম...

২...

আরেক রোগীর কথা মনে আছে। পায়ের রানের এখানে বেশ বড় একটা টিউমারের মত। আমার কাছে সুবিধার লাগলো না। কিছু সিগন্যাল আছে যে এটা ক্যান্সার। রোগীকে আকার ইঙ্গিতে বোঝালাম যে আমি খুব ভালো কিছু আশা করছি না...

এসব ক্ষেত্রে ঐ টিউমারের একটা অংশ সুঁই দিয়ে কালেকশন করে এক্সপার্ট হিস্টোপ্যাথোলজিস্ট এর সাহায্য নিয়ে মতামত রেডী করতে হয়। রোগীকে আবারো ধানমন্ডির একটা ল্যাবে গিয়ে রিপোর্টটা করে নিয়ে আসতে বললাম...

উনি সেটা করলেন না। এক আলতুফালতু জায়গা থেকে রিপোর্ট করে নিয়ে আসলেন, রিপোর্টে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ছিলো না, অগাবগা জায়গার আবোলতাবোল রিপোর্ট। রোগী এবং তার লোকজনের চোখে আমাকে নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য বুঝতে পারলাম। তাদের ধারণা আমি একটা নরমাল জিনিসকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে বড় করে তুলেছি...

এই তুচ্ছতাচ্ছিল্যর প্রায়শ্চিত্ত অবশ্য তাদের করতে হয়েছিলো। শেষ খবর অনুযায়ী ভিটেমাটি বিক্রি করে কেমোথেরাপি দেবার জন্য ইন্ডিয়া পর্যন্ত যেতে হয়েছিলো। এরপর আর আপডেট পাইনি...

অথচ এই রোগীর ক্যান্সারটা আগেভাগে ডায়াগনোসিস করতে পারলে অনেক কিছুই হয়তো করা যেতো...

৩...

এবার থাইরয়েডের এক রোগীর কথা বলি। হাইপোথাইরয়েডের রোগী, থাইরক্সিন জাতীয় ওষুধ খাচ্ছেন। কিছুদিন পরপর উনি লোকাল এক অখ্যাত ডায়াগনস্টিক থেকে TSH করিয়ে আমার কাছে আসেন...

এই ধরণের থাইরয়েডের রোগীদের ৬ মাস পরপর TSH পরীক্ষাটা নিয়মিত করতে হয়। TSH পরীক্ষা করানোটা বেশ সেনসিটিভ একটা ইস্যু, সবসময় একটা পার্টিকুলার টাইমে, দিনের একটা নির্দিষ্ট সময়ে পরীক্ষাটা করাতে হয়, দিনে-রাতে রিপোর্টে পার্থক্য হয় । আরেক হ্যাপা হলো সেন্টার টু সেন্টার এটার রিপোর্টে বেশ ভ্যারিয়েশন দেখা যায়। আমি সবসময় এই ধরণের পরীক্ষাগুলো কয়েকটি নির্দিষ্ট জায়গায় করাতে বলি, যেমন:

--পরমাণু শক্তি গবেষণা কেন্দ্রগুলো
--CMH
--ICDDR'B

কুখ্যাত ঐ ডায়াগনস্টিকটিতে ভদ্রমহিলার রিপোর্ট প্রতিবারই নরমাল আসে। অথচ আমি পরিষ্কার ক্লিনিক্যালি বুঝতে পারছি যে রিপোর্ট ঠিক নেই, ওষুধের ডোজ এডজাস্ট করতে হবে। রোগীর হাজব্যান্ড আমার কথাকে পাত্তা দেন না, আমার নির্দেশিত জায়গায় উনি পরীক্ষা করান নি...

এই মহিলাকে একটা পর্যায়ে অজ্ঞান অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়, ঐ সময়টায় আমি হাসপাতালে ছিলাম না, রোগীকে পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেলে রেফার করা হয়। ডোজ এডজাস্ট না করতে পারায় মোস্ট প্রবাবলি মহিলাটি এক জটিল থাইরয়েড কন্ডিশনে চলে গিয়েছিলো, যাকে আমরা মিক্সিডিমিক কোমা বলে থাকি...

উনারা যদি আমার নির্দেশিত জায়গায় পরীক্ষাগুলো করাতেন, তবে হয়তো এই জটিল পরিস্থিতি এভয়েড করা যেতো। কে শোনে কার কথা!...

৪...

একটা সময় ছিলো যখন রোগীদের খুব করে বোঝাতাম, কোন পরীক্ষা কোথায় করাতে হবে, কোথায় কোন পরীক্ষা করা যাবে না। এখন আর এসব বলি না, যার পেছনে কারণ তিনটা...

প্রথমত, বাঙালি জাতিগতভাবে সন্দেহপ্রবন। নির্দিষ্ট জায়গায় পরীক্ষা নীরিক্ষার কথা বললে উনাদের সন্দেহপ্রবণতা উসকে উঠে। চিকিৎসকদের কিছু অনৈতিক কার্যকলাপও অবশ্য এ অবস্থার জন্য দায়ী...

দ্বিতীয়ত, কিছু কিছু ডায়াগনস্টিক রীতিমতো মাফিয়াতে রুপান্তরিত হয়েছে। আমার জানা আছে কোন্ কোন্ ডায়াগনস্টিক স্ট্যান্ডার্ড না। এটার কথা রোগীকে বলে বিপদে পড়তে হয়।এসব কথা বলার জন্য একবার আমার এক কলিগকে তো এক ডায়াগনস্টিক এর লোকজন তুলে নিয়ে যেতে চেয়েছিলো। কি দরকার নিজের বিপদ ডেকে আনবার...

তৃতীয় কারণ হলো, এখন আস্তে আস্তে বয়স হচ্ছে। আমি জানি কিছু মানুষকে আপনি কখনোই আপনার ভ্যালিড রিজন এক্সপ্লেইন করে বোঝাতে পারবেন না, তারা তাদের মতোই কাজ করবে, এটা অনেকটা তাদের জেনেটিক মেকআপ।Everybody is paid back by his own coin, যারা কথা শোনেনা, তারা তাদের মত করে কর্মফল ভোগ করবে--এটাই প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়ম, প্রকৃতির সেই নিয়মকে অগ্রাহ্য করার আমি কেউ না......
জামান অ্যালেক্স

13/09/2023

কাওরাইদ বাজারে আমাদের ফার্মেসীর নাম 'রিপন ফার্মেসী'। এটা আমার বড় ভাই পারভেজ ভাই পরিচালনা করেন। অনেকে মনে করেন তার নামই রিপন। আসলে আমার ইমিডিয়েট ছোট ভাইয়ের নাম রিপন।

সে বহুদিন আগে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগে মারা যায়। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। হাসপাতালের ফ্লোরে আম্মা বিছানার চাদর বিছালেন। এরপর রিপনকে কোলে নিয়ে বসলেন। সে এক দৃষ্টিতে আম্মার দিকে তাকিয়ে ছিল। এই ছিল তার শেষ মুহুর্ত।

এখন আমি এই হাসপাতালের একজন চিকিৎসক। শিশু বিভাগের জাস্ট উপরতলায় আমার ডিউটি। প্রতিদিনই বহু মৃত্যু প্রত্যক্ষ করছি। প্রায়ই মনে পড়ে মৃত ভাইয়ের কথা!

কয়েক মাস আগের কথা। মাঝরাতে ২ জন রোগীর লোক এলো। বললো, স্যার, এত রাতে বিরক্ত করার জন্য দু:খিত। আমাদের রোগী সম্ভবত মারা গেছে। একটু আসেন।

চেহারাগুলো পরিচিত মনে হলো। দেখলাম, আমি যেরুমে রোগী দেখি সেই রুমেরই ২জন রোগী। রোগীর স্বজনরা আমাকে আগে দেখেছে৷ বিনয়ের কারণ বুঝা গেলো। প্রথমজন সত্যিই মৃত্যুবরণ করেছেন।

দ্বিতীয় জনের চোখে লাইট ফেললাম, একটি চোখের মণি ছোট আর একটি বড়। আন ইকুয়াল পিউপিল। মস্তিষ্কের ভেতর উচ্চ চাপ! আমি আর আনোয়ার ভাই একরুমে বহুদিন রোগী ফলোআপ করেছি। তিনি আমাকে যে কয়টি চমৎকার জিনিস শিখিয়েছেন তার একটি হল এটি। দ্রুত এসেস করলাম। মনে হলো এখনো কিছু করার আছে।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মৃত্যুপদযাত্রীর চিকিৎসা খুব বিপদজনক। অজ্ঞ লোকেরা দাবী করে বসে, আমার রোগীকে আপনি ইঞ্জেকশন দিয়ে বা বুক চেপে মেরে ফেলেছেন। তাই রোগীর স্বজনকে কাউন্সেলিং করলাম। দেখুন, আপনাদের ধারণা উনি মারা গেছেন। তবে আমার মনে হয় এখনো কিছু করার আছে। আপনারা অনুমতি দিলে আমি শেষচেষ্টা করতে পারি।

গভীর রাত। নার্স-ওয়ার্ড বয় সবার চোখে ঘুম লেগে এসেছে। আমার আয়োজনে তারা কিছুটা বিরক্ত। অনেক সময় নিয়ে রোগীর চিকিৎসা অপটিমাইজড করা হলো। পরদিন ডে অফ। তার পরের দিন পহেলা মে, সরকারি ছুটি। ফরিদপুর গিয়েছিলাম। ২ তারিখ ডিউটিতে গিয়ে দেখি রোগীর স্বজন আমার জন্য অপেক্ষা করছে। রোগী এখন অনেকটা সুস্থ।

ছুটি দেয়ার সময় ভাবলাম, আল্লাহপাক মনে হয় পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি ক্ষমতা চিকিৎসকদের হাতে দিয়েছেন, যারা জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে লড়াই করতে পারেন!

মানুষকে মেরে ফেলা খুব কঠিন কিছু নয়, বরং, তাকে বাঁচানো অনেক কঠিন! 'আর কেউ কারো প্রাণরক্ষা করল, সে যেন সকল মানুষের প্রাণরক্ষা করল।' (সূরা মায়েদা : ৩২)

এই চমৎকার ক্ষমতা আল্লাহপাক চিকিৎসকদের দিয়েছেন। চিকিৎসক হিসেবে নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে হয় এজন্য।

_________________

জীবন-মরণ!
ত রি কু ল হা সা ন।
১৩/০৯/২৩।

It was my very first Ot assist of Fracture dislocation of femoral head ( left ) with Asst professor Dr Eunus Ali sir at ...
10/09/2023

It was my very first Ot assist of Fracture dislocation of femoral head ( left ) with Asst professor Dr Eunus Ali sir at central hospital, Rangpur.
In this case I have first seen how to use headless herbert compression screw .
Thank you sir for giving me the chance to assist in this excellent memorable operation .
In every operation i learn a lot from you , Alhamdulillah.
Dr Goutam Biswas sir was part of our team as a specialist Anesthesiologist.

27/11/2022

আপনারা কি জানেন? স্ট্রোক এবং অচেতন রোগী গুলো সবচেয়ে বেশি মারা যায় কি কারনে?

ডাক্তারের ভুল চিকিৎসা? নার্সের গাফেলতি? নাকি স্ট্রোক একটা মারাত্মক রোগ সেই কারনে?
আপনারা সত্যি যেনে বিস্মিত হবেন যে এই রোগী গুলো মারা যায় তাদের সবচেয়ে প্রিয় জনের কারনে তার হাত দিয়েই।

👨🏻‍⚕️: Confused হয়ে যাচ্ছেন? তাহলে ভেংগেই বলছি।

অন্ননালী এবং শ্বাসনালী খুব কাছা কাছি থাকে। এমনি সচেতন একজন মানুষের শ্বাসনালী তে খাবার ঢুকতে চাইলে কাশি দিয়ে সেটাকে সে বের করে দেয়।কিন্তু রোগী যখন অজ্ঞান অবস্থায় থাকে। তখন এই কাশি দেবার Reflex তার থাকে না। বারবার বলে দেবার পর ও রোগীর আত্মীয় স্বজন রা রোগী কে শুয়ে থাকা অবস্থায় মুখে খাবার এবং তরল দিয়ে থাকে। হয়তো ভাবে , এ আর এমন কি? তাই শুয়েই খাওয়ায় দুধ ,ডাল , স্যুপ। যেটা রোগীর শ্বাসনালী দিয়ে ফুসফুসে যেতে থাকে। সেখানে সেখানে মারাত্মক রকম প্রদাহ করে। যেটাকে আমরা বলি .

যেটার মৃত্যু হার অনেক অনেক বেশি। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই রোগী কে আর বাচানো সম্ভব হয় না।
এই জন্য অজ্ঞান রোগীকে তরল খাবার একান্তই যদি মুখে দিতে হয় সেক্ষেত্রে আমাদের তাকে বালিশে হেলান দিয়ে বসিয়ে তারপর মুখে দিতে হবে।
আপনার মা , আপনার বাবা কে অসুস্থ সময় পাশে থেকে কতোই না কষ্ট করে যাচ্ছেন একটু সেবা করার জন্য। কিন্তু আপনার সামান্য ভুলের জন্য আপনার অজান্তেই আপনার প্রিয় মানুষটি আপনার কারনে আপনার হাতেই খুন হয়ে যাচ্ছে। এটা যদি কেউ জানতে পারে সে কি কখনো নিজেকে ক্ষমা করতে পারবে?

Shakespeare এর ম্যাকবেথ নাটকে অনুশোচিত লেডি ম্যাকবেথের মতো তখন সারাজীবন মনে হতে থাকবে ,

" All the perfumes of Arabia will not sweeten this little hand. "

" আরবের সব সুগন্ধিও এই ছোট হাত কে আর সুবাসিত করতে পারবে না। "

আমাদের প্রিয় মানুষ গুলো সুস্থ থাকুক।আমার এই পোস্ট পড়ার পর সচেতন হয়ে যদি কারো প্রিয় মানুষের জীবন বেচে যায় তবে আমার চিকিৎসক জীবন নিঃসন্দেহে ধন্য হবে।

জনস্বার্থে

#ডাঃসওগাত_এহসান

ইনডোর মেডিকেল অফিসার

( ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল)

27/08/2022

কামরাঙ্গা..!
কত খেয়েছি ছোটবেলায়....এমনকি বড় বেলাতেও!
অথচ...
গবেষণা বলছে...এই ফল কিডনি রোগীদের দ্রুত অসুস্থ করে তুলতে পারে!
কিডনি রোগীদের তাই কামরাঙ্গা খাওয়া একেবারেই নিষিদ্ধ !
এমনকি কিছু গবেষনায় দেখা গেছে...সুস্থ মানুষও অতিরিক্ত কামরাঙ্গা খেলে কিডনি বিকল রোগে আক্রান্ত হতে পারেন!
তাই..
সুস্থ মানুষ কামরাঙ্গা খান..তবে পরিমিত ও সাবধানে!
আর কিডনি রোগ থাকলে একেবারেই না!

হেয়ার টর্নিকেট সিন্ড্রোম (Hair tourniquet syndrome)শিশুরা মাঝে মধ্যে অতিরিক্ত কাঁদে ৷ এই কান্নার অনেক কারণ হতে পারে ৷ ত...
12/08/2021

হেয়ার টর্নিকেট সিন্ড্রোম (Hair tourniquet syndrome)

শিশুরা মাঝে মধ্যে অতিরিক্ত কাঁদে ৷ এই কান্নার অনেক কারণ হতে পারে ৷ তার মধ্যে একটা হলো হেয়ার টর্নিকেট ৷ এটা একটা বিরল ঘটনা ৷ চার মাসের কম বয়সী শিশুদের এ সমস্যা বেশি দেখা যায় ৷ বাড়িতে মেয়েদের লম্বা চুল বা চিকন সুতা যেখানে সেখানে পড়ে থাকতেই পারে ৷ কোনো কারণে সেই চুল বা সুতা শিশুর হাত-পায়ের আঙুলে পেঁচিয়ে যেতে পারে যা হয়তো অনেকে খেয়ালও করবে না ৷ টান পড়ার কারণে প্যাঁচ ক্রমে ক্রমে শক্ত হয়ে শিশুর সেই অঙ্গের রক্ত সঞ্চালন বন্ধ হয়ে যায় ৷ পরিণামে জায়গাটা ফুলে ওঠে ও লাল হয়ে যায় ৷ ব্যথা হয় বলে শিশু কেঁদে ওঠে ৷ হেয়ার টর্নিকেটে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয় ছেলে শিশুদের শিশ্ন বা জননাঙ্গ ৷ প্রায় ৪৪% ক্ষেত্রে শিশ্ন, ৪০% ক্ষেত্রে পায়ের আঙুল এবং ৯% ক্ষেত্রে হাতের আঙুল আক্রান্ত হয় ৷

হেয়ার টর্নিকেটের একমাত্র চিকিৎসা হলো আক্রান্ত স্থানে পেঁচিয়ে যাওয়া চুল বা সুতা সরিয়ে ফেলা যা ডাক্তারের কাছে গিয়ে করাতে হয় ৷
Chowdhury jui

"আপনার খাবার খান মেডিসিনের মতো করে, অন্যথায় আপনাকে মেডিসিন খেতে হবে খাবারের মতো করে"_রতন টাটা(সিইও টাটা গ্রুপ)যাপিত জীব...
31/07/2021

"আপনার খাবার খান মেডিসিনের মতো করে, অন্যথায় আপনাকে মেডিসিন খেতে হবে খাবারের মতো করে"_রতন টাটা(সিইও টাটা গ্রুপ)

যাপিত জীবনের চমৎকার একটি উক্তি!

© Babai Mriganko স্যার।

06/07/2021

১. আপনার সমস্ত শরীর ভীত যখন আপনি সকালে উঠে চিনি যুক্ত চা কফি পান করছেন।
২. আপনার কিডনি আতঙ্কিত যখন আপনি ২৪ ঘন্টায় ১০ গ্লাস পানি পান করতে ব্যর্থ হচ্ছেন।
৩. আপনার গলব্লাডার ভীত যখন আপনি রাত ১১টার মধ্যে ঘুমাতে এবং সূর্যোদয়ের সাথে সাথে বিছানা ছাড়তে ব্যর্থ হচ্ছেন।
৪. আপনার ক্ষুদ্রান্ত্র আতঙ্কিত যখন আপনি ঠান্ডা এবং বাসী খাবার খাচ্ছেন।
৫. বৃহদান্ত্র আতঙ্কিত যখন আপনি ভাজাপোড়া এবং ঝাল মশলাযুক্ত খাবার বেশি খাচ্ছেন।
৬. ফুসফুস তখন ভীত যখন আপনি ধোঁয়া, ধুলা এবং বিড়ি ও সিগারেটের বিষাক্ত আবহাওয়ায় থাকছেন।
৭. লিভার ভীত যখন আপনি অতিরিক্ত ভাজা, জাঙ্কফুড এবং ফাস্টফুড খাচ্ছেন।
৮. হৃদপিন্ড ভীত যখন আপনি বেশি লবন এবং কোলেস্টরলযুক্ত খাবার খাচ্ছেন।
৯. প্যানক্রিয়াস আতঙ্কিত যখন আপনি সহজলভ্য এবং সুস্বাদু বলে প্রচুর মিষ্টিজাত খাবার খাচ্ছেন।
১০. আপনার চোখ আতঙ্কিত যখন আপনি অন্ধকারে মোবাইলের আলো এবং কম্পিউটার স্ক্রীনের আলোয় কাজ করছেন।
এবং
১১. আপনার মস্তিষ্ক ভীত যখন আপনি নেতিবাচক চিন্তাকে প্রশ্রয় দেয়া শুরু করেছেন।
আপনার শরীরের অঙ্গ প্রতঙ্গসমূহের যত্ন নিন এবং তাদের আতঙ্কিত করবেন না। এই সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ প্রচন্ড ব্যয়বহুল এবং বাজারে সহজে কিনতে পাওয়া যায় না। কোনোটা পাওয়া গেলেও আপনার শরীর সেটাকে সম্ভবত গ্রহণ করবে না। অতএব, নিজের অঙ্গ প্রত্যঙ্গসমূহকে সুস্থ রাখুন।
ধন্যবাদ ডাঃ জাহাঙ্গীর কবির.

23/06/2021

আমাদের প্রকৃতির কাছে ফিরা আসা! (পর্ব ৩ ) 😍😍
অটোফেজি, ডিটক্স আর শরীরের ক্লান্তি!

জন্ম থেকেই আমরা দেখে আসছি আমাদের তিনবেলার খাওয়ার অভ্যাস! আমাদের ঘরে না শুধু, এটা আমাদের ষোল কোটি ঘরের স্বভাব, তিন বেলা খাবার আর সাথে আরও কমপক্ষে তিনবেলা 'হালকা নাস্তা'! কেউ কোনদিন প্রশ্নও করিনি এই শতাব্দী-প্রাচীন খাদ্যাভ্যাস নিয়ে! আমাদের এই খাদ্যাভ্যাস নিয়ে আমার আব্বু একটা মজার শ্লোক বলেন, এর একটা লাইন হলো “ইংরেজ টাকা হলে বাড়ায় গাড়ী আর আমরা (এই অঞ্চলের) বাড়াই হাড়ি!
এবার বলি অন্দরের আসল কথা! আমাদের খাওয়া ভাত/রুটি (এ জাতীয় খাবার) হজম হতে লাগে ৭/৮ ঘন্টা, আনাজ-দানা হজম হতে লাগে ৫/৬ ঘন্টা আর ফলমূল-শাকসব্জী হজম হতে লাগে কমপক্ষে ৪/৫ ঘন্টা। এবার বলেন, যেই বেলা যা খাচ্ছি আমরা সেটা পরের বেলার খাবারের আগে হজম হচ্ছে কার কার?

উদাহরণ টা আরেকটু সহজ করে বলি, ধরেন ঘর পরিস্কার করতে গেলাম সকাল সকাল, এমন সময় মেহমান চলে আসলো আর আমি ক্লিনিং রেখে মেহমানদারী তে ব্যাস্ত হয়ে গেলাম। বাকি ঘর পরিস্কার করতে করতে আবার আসলো মেহমান, আবার ঘরের কাজ বাদ! এভাবে চলতে থাকলে দিনের শেষে কি পরিমাণ কাজ জমে যাবে আপনার ভাবেন! আর আপনার ওই জমানো কাজ দেখে আর মেহমানদারীর ক্লান্তিতে শরীরই বা কেমন হবে, ভাবেন!
ঠিক এমনটাই হয় আমাদের ইন্টারনাল সিস্টেমের। বেচারা শরীর এক বেলার অন্ন হজমের মেশিন চালাতে চালাতেই আরেক বেলার উদরপূর্তি! আর এই 'না-হজম হওয়া' খাবার শরীরের কোনাকাঞ্চিতে জমে থেকে যা হয় তারই নাম টক্সিন!
এই টক্সিন আমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু! টক্সিন শরীরের রক্তে জমে আমাদের হয় হাই ব্লাড প্রেশার, আর্টারীতে জমে হয় হাই কোলেস্টরেল, প্যানক্রিয়াসে জমলে হয় ডায়াবেটিস, ফেলোপিয়ান টিউবে জমলে হয় পিসিওডি, ইত্যাদি; ইন্টেস্টাইনে জমে হয় ক্রনিক কন্সটিপেশন বা আই.বি.এস…… আরও বলবো? এই টক্সিনই শরীরের ভেতরে ফারমেন্টেড হয়ে এসিডিটি, মাইগ্রেইন বা ওবেসিটি/ ব্রন/ ঘামের বা মুখের গন্ধ উপহার দেয় আমাদের! সব সমস্যার মুল আসামী যেহেতু একটা, সমাধানও তাহলে নিশ্চয়ই একটাই-
রিমুভাল অফ টক্সিন!
তাইনা?
সমাধান হিসেবে Yoshinori Ohsumi যে কথা বলে নোবেল পেয়েছিলেন ২০১৬ তে সেটাই বলা হয়েছে আমাদের- রোজা রাখা আর নাহলে অন্তত ১৬ ঘণ্টা ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং! এটাই অটোফেজি- শরীরের নিজেকে নিজের সারিয়ে তুলবার ক্ষমতা!

তাহলে শরীর নিজেকে পরিস্কার করার সময়ও পাবে আর খাবার হজম করার সময়ও আলাদা বরাদ্দ রাখতে পারবে। এটা আমাদের একটা লাইফটাইম হ্যাবিটই হতে হবে যে আমরা ১৬ ঘণ্টা ফাস্টিং মুডে থাকবো আর ৮ ঘণ্টা খাওয়া দাওয়া করবো।
হজমের অফিসটা রাতে একটু রেস্টিং মুডে থাকে বলে রাত ৮টায় ডিনার করে ফেলতে হবে আর পরদিন দুপুর ১২টায় নাশতা। আমাদের কে অবশ্য কখন কি খাবো সেগুলোও বলে দেয়া হয়েছে।
এই ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং এ আমার আরেকটা যে বিরাট উপকার হয় সেটা হলো, আমি দিনের ওই ১৬ ঘণ্টা নিজের কি-খাই, কাকে-খাই খাসলত থেকে পুরোপুরি মুক্ত থাকতে পারি আর আমার চিন্তায়, আমার কাজে আর পড়াশোনায় অনেক ইন্টেগ্রিটি আসে! আলহামদুলিল্লাহ্!

সকল বিজ্ঞানীর বড় বিজ্ঞানী যে সুস্থ থাকার কি বিস্ময়কর সিস্টেম আগে থেকেই আমার শরীরে দিয়ে দিয়েছেন সেটা টুপটাপ প্যারাসিটামল আর এন্টাসিড গিলা না ছাড়লে বুঝতাম?

তাই ভালো ও জীবন্ত খাবার খাওয়া, শরীরকে হজমের আর ক্লিনিং এর আলাদা সময় দেয়া আর শরীরে অলরেডি জমে যাওয়া টক্সিন রিমুভ করার কম্বিনেশন (সাথে এক্সসারসাইজ, ডিটক্স করার নিয়মসহ আরও কিছু কাজ করা দেখিয়ে দেয়া হয়েছে আমাদের) করতে পারলে যে কোন অসুখের “কমপ্লিট রিমুভাল/ রিভার্সাল” সম্ভব! সুবহান-আল্লাহ!

ওয়ার্কশপের একটা কথা আমার মনে খুব ধরেছে, ওঁরা বলছিলেন- “Health is my birth-right, doctors and medicines are not!”

- maria

Address

Dhaka Medical College Hospital,Dhaka
Dhaka

Opening Hours

Monday 16:00 - 21:00
Tuesday 16:00 - 21:00
Wednesday 16:00 - 21:00
Thursday 16:00 - 21:00
Saturday 16:00 - 21:00
Sunday 16:00 - 21:01

Telephone

+8801311875792

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Mobashwer Bone, Joint & Trauma Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category