একটা কিছু করতে হবে

একটা কিছু করতে হবে From 2020

23/01/2026

সমুদ্র
৩০"*৫০" ফ্রেম সহ
এক্রেলিক অন ক্যানভাস

04/01/2026

চা বাগান
২৮*৪০
এক্রেলিক অন ক্যানভাস

02/01/2026

চা বাগান
৩০*৫০
এক্রেলিক অন ক্যানভাস

দেখতে কতটা সুন্দর। জানতে চাই
02/05/2025

দেখতে কতটা সুন্দর। জানতে চাই

02/05/2025
10/09/2024

যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে শুল্কায়নসহ সাড়ে ৭ টাকা দরে গতকাল সোমবার ২ লাখ ৩১ হাজার মুরগির ডিম আমদানি করা হয়েছে। গতকাল সন্ধ্যায় সেই ডিম বন্দর ছেড়ে গেছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে বন্দর দিয়ে আরও ৪৭ লাখ ডিম আমদানি করা হবে।

সূত্র: প্রথম আলো

ডু ইউ নো হুইচ টেবিল হ্যাজ নো লেগস?????????টাইম টেবিল।
09/07/2024

ডু ইউ নো হুইচ টেবিল হ্যাজ নো লেগস?
?
?
?
?
?
?
?
?
টাইম টেবিল।

স্বপ্নে পাওয়া সেলাই মেশিনঊনবিংশ শতাব্দীর চল্লিশের দশক। মার্কিন গবেষক এলিয়াস হাউই করছেন কার্যকরী সেলাই মেশিন তৈরির চেষ্টা...
07/07/2024

স্বপ্নে পাওয়া সেলাই মেশিন

ঊনবিংশ শতাব্দীর চল্লিশের দশক। মার্কিন গবেষক এলিয়াস হাউই করছেন কার্যকরী সেলাই মেশিন তৈরির চেষ্টা। তিনিই প্রথম নন। তাঁর আগে কমবেশি ৮০টি সেলাই মেশিনের মডেল তৈরি করেছেন বিভিন্ন সময় বিভিন্ন আবিষ্কারক।
কিন্তু কোনোটাই ফলপ্রসূ নয়। এককেটার একেক সমস্যা। তাই নতুন এবং কার্যকরী একটা সেলাই মেশিন বানানোর প্রাণপন চেষ্টা করছেন।
তিনি খেটেখুটে একটা সেলাই মেশিন তৈরি করেও ফেলেছেন।
মেশিনটা মন্দ নয়। কিন্তু সে সেলাই মেশিন ঠিকঠাকমতো কাজ করছে না। বড় কারণ সুচ। হাউই যে যন্ত্রটা বানিয়েছিলেন, তাতে ব্যবহার করেছিলেন সাধারণ সুচ।
নারীরা হাতে সেলাই করার জন্য যে সুচ ব্যবহার করেন, সেই একই ধরনের সুচ। কিন্তু মেশিন এই সুচ দিয়ে কিছুতেই সেলাই করা সম্ভব হচ্ছিল না।
তখন বিকল্প ভাবনা ভাবতে হলো হাউকে। সেই ভাবনাটা যে কী, কিছুতেই মাথায় আসছিল হাউইয়ের। ওদিকে তিনি একটা কম্পানির সঙ্গে রীতিমতো চুক্তি করে বসে আছেন, সেলাই মেশিন যদি তৈরি করতে পারেন, সেটা উৎপাদন আর বাজারজাত করার কাজ সেই কম্পানিই করবে।
এর বদলে হাউইয়ের গবেষণার কাজে যে পরিমাণ খরচ হয়েছে, সেটা ব্যয়ভার বহন করছে ওই কম্পানিটি। কিন্তু হাউয়ের কাজ তো এগোচ্ছে না। এ কারণে বিরক্ত কম্পানি। আর কত দিন সময় নেবেন হাউই? শেষমেশ তারা এক সপ্তাহ সময় বেঁধে দিলেন হাউইকে। এক সপ্তাহের মধ্যেই দিতে হবে তাদের যন্ত্রের মডেল।
হাউইয়ের তখন ঘুম হারাম হওয়ার অবস্থা। কী করবেন এখন? ঘুম হারাম হলেও, সেই ঘুম থেকেই এলো সমাধান। কিভাবে?
রাত-দিন এক করে কাজ করেন হাউই। কাজ করতে করতেই একসময় ঘুম আসে দু’চোখে। কিন্তু ঘুমিয়েও শান্তি নেই, দুঃস্বপ্ন তাড়া করে ফেরে। একদিন তেমনই এক দুঃস্বপ্ন আশীর্বাদ হয়ে আসে হাউইয়ের জন্য।
হাউই দেখেন জঙ্গলে ঘুরতে গিয়ে একদল জংলির হাতে ধরা পড়েছেন। তারা বন্দি করে নিয়ে যায় তাদের আস্তানায়। বিচার হবে। টেনিদাকে যেভাবে জঙ্গলে আটক করেছিল জংলিরা, সে রকম জংলি। ভয়ংকর তাদের বেশভূষা। হাতে আদিকালের অস্ত্র—বর্ষা, তির-ধনুক। বেচাল দেখলেই হাউয়ের বুকে বিঁধবে সেসব।
জংলির সর্দার হাঁকডাক দিয়ে বিচার বসিয়েছে। তাদের ডেরায় সভ্য মানুষের পদার্পণ মোটেও পছন্দ করে না জংলিরা। ঘচাং ফুঁ করে হয়তো গলাটাই নামিয়ে দেবে। জংলির সর্দার ভয়ংকর-নির্দয়। তবু হাউইকে একটা সুযোগ দিল। হাতে মাত্র কয়েক ঘণ্টা। এর মধ্যেই বানিয়ে ফেলতে হবে সেলাই মেশিন। যদি বানাতে পারেন তবেই প্রাণে বাঁচবেন হাউই। কিন্তু যদি ব্যর্থ হন, তাহলে গর্দান যাবে।
হাউই ভয়ে কাঁপতে কাঁপতেই সেলাই মেশিন বানাতে বসলেন। অনেক সময় দেখা যায়, বাস্তবে না পারলেও, স্বপ্নে ঠিকই কাজটা করা যায়। কিন্তু হাউই পারলেন না। বাস্তবের মতো স্বপ্নেও ব্যর্থ হলেন। অনেক চেষ্টা করেও কাজ হলো না। একসময় জংলির সর্দারের বেঁধে দেওয়া সময়ও শেষ হয়ে গেল। এবার মরার পালা।
জংলির সর্দার মহা খাপ্পা। তার আদেশে জংলিরা সব বর্শা-বল্লম নিয়ে তেড়ে এলো। প্রথমেই একটা বর্শা ছুটে এলো তাঁর দিকে। মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়েও হাউই বর্শাটা খেয়াল করলেন। আর দশটা সাধারণ বর্শার মতো নয়। এর চ্যাপ্টা ফলাটার মাঝখানে ছিদ্র।
ফলাটা বুকে এসে বেঁধার আগেই ঘুম ভেঙে যায় হাউয়ের। সেই দুঃস্বপ্ন থেকেই পেয়ে যান দারুণ এক বুদ্ধি। এত দিন তিনি ভুল সুচ ব্যবহার করেছেন, যার পেছনের দিকটা চ্যাপ্টা, সেখানে ছিদ্র করা। এবার তিনি সুচের পেছন দিকে নয়, সামনের দিকটা চ্যাপ্টা করে ফলার মতো আকার দিলেন। তারপর সেই চ্যাপ্টা অংশে ছিদ্র করে তৈরি করলেন সেলাই মেশিনের উপযোগী সুই। পরে ব্যাপক জনপ্রিয় সব সেলাই মেশিনেও একই রকম সুচ ব্যবহার করা হয়।

সংগৃহিত

জাপানে যখন বর্ষা আসে, তখন একটি অনন্য সবুজ মাশরুম জন্মায়, যা অন্ধকারে জ্বলজ্বল করে । এই ছত্রাকগুলো পড়ে যাওয়া চিনকোয়াপিন গ...
06/07/2024

জাপানে যখন বর্ষা আসে, তখন একটি অনন্য সবুজ মাশরুম জন্মায়, যা অন্ধকারে জ্বলজ্বল করে । এই ছত্রাকগুলো পড়ে যাওয়া চিনকোয়াপিন গাছগুলিতে বসবাস করে এবং একটি রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে তারা একটি ফ্লোরেসেন্ট সবুজ রঙ তৈরি করে। জাপানে বর্ষাকালে এই বিশেষ মাশরুমগুলো অঙ্কুরিত হয়, যা সাধারণত মে থেকে জুলাই পর্যন্ত থাকে। এগুলোর সর্বোচ্চ ২ সেন্টিমিটারের ব্যাস আছে এবং অধিকাংশ মাশরুমের মত এগুলো বর্ষা শেষ হলে দ্রুত ভেঙ্গে যায়।

লেখা: সংগৃহিত

ইদানীং রাসেল'স ভাইপার নিয়ে কিছু ভুলভাল পোস্ট এবং সংবাদ ফেসবুকে ঘুরে বেড়াচ্ছে, যা জনমনে ভুল ধারণা এবং আতঙ্কের জন্ম দিচ্ছে...
21/06/2024

ইদানীং রাসেল'স ভাইপার নিয়ে কিছু ভুলভাল পোস্ট এবং সংবাদ ফেসবুকে ঘুরে বেড়াচ্ছে, যা জনমনে ভুল ধারণা এবং আতঙ্কের জন্ম দিচ্ছে। যার দরুন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পাশাপাশি মানুষ-ও ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে।

সর্বপ্রথম, ওটার নাম Russell’s Viper বা রাসেল'স ভাইপার, যাঁর অনুবাদ রুপ হলো: রাসেলের ভাইপার।
এদের এমন নাম করণের কারণ হলো "স্যার প্যাট্রিক রাসেল ১৭ শতকে ভারতীয় সাবকন্টিনেন্টের অনেক সাপের সর্বপ্রথম পরিচিতি এবং বিশ্লেষণ করেছিল রাসেল'স ভাইপার সহ।
তাই ১৮ শতকে সাপের ক্লাসিফিকেশনের সময় বিজ্ঞানীরা উনার নাম জুড়ে দেয় সাপগুলোর সাথে।"

• সে যাইহোক, গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, রাসেল'স ভাইপার বিশ্বের ৫ম বিষধর সাপ নয়, এমনকি এটি সেরা ৩০ নাম্বারের মধ্যেও নেই। বরং এটির অবস্থান আমাদের দেশের গোখরো বা ক্রেইটের-ও পরে, এবং এর কামড়ে সুস্থ হওয়া
অহরহ মানুষ আছে। আবার মোটেও এটির কামড়ে বাঁচার সম্ভাবনা ২০% বা এতো কম নয়, বরং রেকর্ড অনুযায়ী এই স্ট্যাটিস্টিক্সটি উল্টো।
শুধু হাসাপাতালে দেরীতে যাওয়া, ওঝার কাছে গিয়ে সময় নষ্ট করা এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী না চলা বা কনসাল্টের মধ্যে না থাকার কারণেই রুগী মা-রা পড়ে পরবর্তীতে।
তারপরেও রাসেল'স ভাইপারের কামড়ে সুস্থতার হার ৭০% এর মতো প্রায়, যদি সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা নেয় তবেঁ সুস্থতার হার ৯০% এর চেয়ে বেশি তথ্যানুসারে।

• এঁরা বাচ্চা গড়ে ৩৫টি করে দেয়, তাও-ও প্রাকৃতিক বা ইকোসিস্টেমের কারণে অর্ধেক বাচ্চা এমনিতেই মা-রা পড়ে, যেমন: চিল, পেঁচা, শিয়াল, বনবিড়াল, বানর, গুইসাপ, বেঁজি ইত্যাদি সহ আরে বেশ কিছু প্রাকৃতিক কারণ।

• প্রায় সব বিষধর সাপেদের ভেনমের মধ্যেই অন্যান্য ভেনমের উপস্থিতি থাকে, মূলত সাপেদের ভেনম হলো অনেকগুলো বিষের ককটেল বা মিশ্রণ। অন্যান্য বিষ শিকারকে দূর্বল করা বা হজমে সহায়তার জন্য; তবেঁ সেইগুলো লিথাল বা মানুষ মা-রার মতো যথেষ্ট শক্তিশালী নয়।

• আবার এঁরা রাগের দিক থেকেও পিছিয়ে অনেক, "বিশ্বের সবচেয়ে রাগী সাপ ব্ল্যাক মাম্বা, পাফ-এডার ইত্যাদি থেকে তো পিছিয়ে-ই এমনকি গোখরা থেকেও পিছিয়ে।"
কোনো সাপ-ই তেড়ে এসে কামড়ায় না,বরং সাপেরা মানুষদের এড়িয়ে চলা পছন্দ করে।
যদি আপনি ওঁদের কোণঠাসা না করেন বা খুব কাছে গিয়ে বা এমন কিছু করে ওঁদের থ্রেট ফিল না করান, তবেঁ কখনোই আপনাকে কামড়াতে উদ্ধত হবে না।
এক্ষেত্রে অনেক সময় ওঁরা আপনার দিকে আক্রমনাত্মক ভঙ্গিতে হিস সাউন্ড অথবা বাইট ছুরবে ভয় দেখাতে, যেটা দেখে অনেকেই ভেবে বসে যে তাড়া করছে।
তাছাড়া রাসেল'স ভাইপারের বাইটের প্রায় অধিকাংশ রেকর্ড-ই হলো ওঁদের ওপর পা অথবা হাত দেয়া, নয়তো অজগর ভেবে ধরতে যাওয়া।
এছাড়া রাসেল'স ভাইপার এতোটাই অলস প্রকৃতির যে মানুষ দেখে তেড়ে আসা অথবা পালানো, কোনোটিই-ই এদের সাথে যায় না। এমনকি বাধ্য না হলে এঁরা নিজের জায়গা থেকে নড়ে-ই না, একই জায়গাতেই ৩-৪ দিন'ও পড়ে থাকে।

• স্রষ্টা আমাদের প্রকৃতির সব কিছুই প্রকৃতি তথা আমাদের প্রয়োজনে সৃষ্টি করেছেন। এঁরা আমাদের ইকোলজি যেমন ব্যালেন্স করে, তেমন আমাদের বিভিন্ন রক্তবাহিত জটিল এবং কঠিন রোগের ঔষধ-ও প্রদান করে।
হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণকারী Captopril-জাতীয় ঔষধ, এমনকি বেথা নাশক বা পেইন কিলারের মতো মেডিসিন তৈরীতেও সাপের ভেনম ব্যাবহার হয়।

• এবং সাপের এন্টিভেনম দু’প্রকারের: একটি মনোভ্যালেন্ট বা নির্দিআরষ্ট সাপের, আর অন্যটি পলিভ্যালেন্ট বা সব বিষধর সাপের জন্য কার্যকরী একটি ককটেল বা এন্টিভেনমের মিশ্রণ।
সুতরাং, রাসেল'স ভাইপার সহ সব বিষধর সাপের এন্টিভেনম-ই আছে দেশে।

সর্বোপরি সাপ'সহ সকল প্রাণীরা আমাদের ইকোলজি বা প্রকৃতির অংশ। একমাত্র সঠিক তথ্য এবং ধারণা-ই আমাদের সুরক্ষিত রাখতে পারে।

সাপে কাটলে ওঝা নয়, হাসপাতালে চিকিৎসা হয়।
সংগৃহিত

Address

Sultangonj Roar, Rayer Bazer
Dhaka
1209

Telephone

+8801913169876

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when একটা কিছু করতে হবে posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to একটা কিছু করতে হবে:

Share