শুভ্র নীলের কবিতা

শুভ্র নীলের কবিতা নিজস্ব কবিতা এবং কবিতার ডায়েরি।

12/05/2026

কবিতা : ১০২

শেষ দেখা।

নবনীতা, আজও স্টেশনের বেঞ্চটা আগের মতোই আছে।
তুমি আসোনি, তবু আমি বসে আছি।
ট্রেনের হুইসেল বাজে, সময় চলে যায়।
আমাদের শেষ দেখা ছিল এমনই এক বিকেলে।

সেদিন আকাশ মেঘলা ছিল, তোমার চোখের মতো।
তুমি বলেছিলে, “আর হয়তো দেখা হবে না।”
আমি হেসে উড়িয়ে দিয়েছিলাম, ভেবেছিলাম রাগ।
কে জানতো, সেটাই ছিল শেষ কথা।

মনে পড়ে প্রথম যেদিন দেখা হয়েছিল,
কলেজের গেটে বৃষ্টি থামছিল না।
তুমি ছাতা ভাগ করে দিয়েছিলে অচেনা আমায়।
সেই ভেজা ছাতার নিচে শুরু হয়েছিল আমাদের গল্প।

সেই গল্পে ছিল নদীর ধারে বসে থাকা সন্ধ্যা।
ছিল রিকশার টুংটাং, আর তোমার চুপ করে শোনা।
ছিল আমার লেখা কবিতা, যা তুমি ছিঁড়ে ফেলতে চেয়েছিলে।
“এত আবেগ ভালো না,” বলতে বলতে নিজেই লুকিয়ে পড়তে।

সুখের দিনগুলো চলে গেল বাতাসের মতো হালকা।
তোমার হাসি ছিল আমার ঘরের একমাত্র আলো।
তোমার রাগে অভিমানে দিনগুলো রঙিন হয়ে উঠত।
আমি ভাবতাম, এভাবেই কেটে যাবে সারাটা জীবন।

তারপর এলো দূরত্ব, নীরবতা, অজুহাত।
তুমি বলতে, “আমাদের ভবিষ্যৎ মেলে না।”
আমি বলতাম, “ভবিষ্যৎ গড়ে নেব আমরা।”
কিন্তু সময় আমাদের কথা শুনল না।

শেষ দিন তুমি এসেছিলে পুরনো শাড়িতে।
চোখের নিচে কালি, ঠোঁটে না বলা কথা।
আমি কিছু জিজ্ঞেস করিনি, তুমিও কিছু বলোনি।
শুধু হাতটা ধরেছিলে, একটু বেশি সময় ধরে।

ট্রেন ছাড়ার ঘোষণা হলো, তুমি ছেড়ে দিলে হাত।
বললে, “ভালো থেকো সুবিমল।”
আমি বলতে পারিনি, “তুমি ছাড়া ভালো থাকা হয় না।”
তুমি চলে গেলে, প্ল্যাটফর্ম খালি হয়ে গেল।

এখনও রাতে ঘুম ভাঙে তোমার নাম ধরে।
ঘরের প্রতিটা কোণে তোমার গন্ধ লেগে আছে।
চায়ের কাপে তোমার ঠোঁটের ছোঁয়া খুঁজি।
চিঠি লিখি, পাঠাই না, জমিয়ে রাখি ড্রয়ারে।

মানুষ বলে সময় সব ভুলিয়ে দেয়।
কিন্তু কিছু মানুষ সময়ের চেয়েও বড় হয়ে যায়।
তুমি সেই মানুষ, নবনীতা।
তোমাকে হারিয়ে আমি নিজেকেও হারিয়ে ফেলেছি।

আজ আবার চৈত্রের হাওয়া দিচ্ছে।
স্টেশনের বেঞ্চে বসে আছি একা।
তুমি আসবে না জানি, তবু অপেক্ষা করি।
কারণ কিছু ভালোবাসা শেষ হয়েও শেষ হয় না।

শুভ্র নীলের কবিতা।

12/05/2026

কবিতা : ১০১

ঠিকানাহীন গন্তব্য।

তুমি যদি ডাকো গলায় বিষণ্ণ জল,
আমি বাতাসে ভাসাব আমার পুরনো চিঠি।
সন্ধ্যা নামলে শহরের সব আলো নিভে গেলে,
আমার ঘরের দরজাটা কেউ খোঁজে না।

তোমার আঙুলের দাগ লেগে আছে কাপে,
চা ঠান্ডা হয়, আমি তবু চুমুক দিই।
বইয়ের পাতায় ঘুমিয়ে থাকে অসমাপ্ত গল্প,
পড়তে গিয়ে থেমে যাই তোমার নামে।

বৃষ্টি শেষে বারান্দায় জমে থাকা জল,
সেখানে আকাশ দেখি, তোমার মুখ খুঁজি।
ঘড়ির কাঁটা চলে, আমি বসে থাকি;
সময়ের কাছে হেরে যাই প্রতিদিন।

ফোনের স্ক্রিনে ভেসে ওঠে চেনা নাম্বার,
ধরতে গিয়ে ভাবি, ভুল হবে কি না।
তবু ইচ্ছে করে শুনি তুমি কেমন আছো,
আমার বলার মতো নতুন কথা নেই।

শুভ্র নীলের কবিতা।

11/05/2026

কবিতা : ১০০

নিঃশব্দ দহন

স্মৃতিরা আজ ঝরা পাতার মতো,
বুকের গভীর কোণে নিঃশব্দ।
জানালায় কেবল ধূসর আকাশ,
চেনা পথগুলো এখন অচেনা।
বাতাসে ভাসে হাহাকারের সুর,
আমার আমি আজ বড়ই একা।
শুকনো মেঘে বৃষ্টির হাহাকার,
হৃদয় জুড়ে বসন্তহীন দীর্ঘ রাত।
আয়নায় হারানো কোনো মুখ,
নোনা জলে ভেজা নির্জনতা।
অপেক্ষাগুলো এখন মরুময়,
এক চিমটি শূন্যতার বসবাস।
আমিই কেবল নিজের শেষ আশ্রয়।

শুভ্র নীলের কবিতা

11/05/2026
11/05/2026

কবিতা : ৯৯
চেনা অজানায়।

দীর্ঘ অপেক্ষার প্রহরগুলো ক্রমশ ভারী হয়ে উঠবে নীরবে।
বিস্তীর্ণ শূন্যতার বুক চিরে হঠাৎ কোনো এক গোধূলিতে,
দুটি বিচ্ছিন্ন ছায়া ঠিকই মুখোমুখি দাঁড়াবে কোনো অচেনা মোড়ে।
স্তব্ধ ঠোঁট থেকে কেবল দীর্ঘশ্বাসের মতো উচ্চারিত শব্দাবলি ঝরবে—
'যুগান্তরের এই দূরত্ব বড়ই ক্লান্তিকর ছিল।'
এমন একঘেয়ে চক্রাকার নিয়তি আবর্তিত হতে থাকবে অবিরত,
সময়ের খাতা থেকে পাতাগুলো বিবর্ণ হয়ে খসে পড়বে মাটিতে।
অগণিত বসন্ত এবং হেমন্ত পেরিয়ে যাবে বিষাদের চাদর মুড়িয়ে,

স্মৃতির শহরগুলো ধীরে ধীরে পরিণত হতে থাকবে ধ্বংসস্তূপে।
অবশেষে মহাকালের কোনো এক নিস্তব্ধ, অন্তিম ক্ষণে—
বাতাসে ভাসতে ভাসতে কোনো বার্তা পৌঁছতেও পারে অন্য প্রান্তে,
কিংবা মহাবিশ্বের অতল গহ্বরে বিলীন হয়ে যেতে পারে চিরতরে।

তবে চূড়ান্ত সত্যটা ঠিকই অঙ্কিত রবে অন্ধকারের ক্যানভাসে,
পৃথিবীর কোনো কোলাহলে, কোনো নির্জন পথের বাঁকে,
এপার এবং ওপারের দুটি তৃষ্ণার্ত অস্তিত্বের
পুনরায় কোনো জন্মজন্মান্তরেও মিলন ঘটার সম্ভাবনা চিরলুপ্ত।

শুভ্র নীলের কবিতা

07/05/2026

কবিতা : ৯৮

আমাকে আসতেই হবে।

জানি, আমি একদিন চলে যাবো। সন্ধ্যাবেলার মৃদু হিমেল বাতাস বাঁশবনের দিকে হাহাকার করে ছুটে যাওয়া, কিংবা মাছরাঙার তীব্র চিৎকার শুনে।
আমার তখন বারবার তোমার কাছে ফিরে আসতে ইচ্ছে করবে, নবনীতা।
মাটির ঘ্রাণ যখন আমাকে একঘেয়েমির গান শোনাবে, অমাবস্যার পুকুরের ডাহুকীর ডাক কাঁপন তুলবে, অথবা আশ্বিনের ধানখেতে শিশিরের মুক্তো ঝরবে—
তখন তোমার নূপুরের রিনিঝিনি সুরের ঝংকার শুনতে দেখো, আমি আবার আসবো। অথবা আমার ফিরে আসতে খুব ইচ্ছে করবে।

জানি, আমি একদিন চলে যাবো। ভীষণ একা, নিঃস্ব পরাজিত সৈনিকের মতো করে, ভীষণ শূন্যতায়।
শিমুলের তুলো উড়বে, আর দূরে কোনো লক্ষ্মীপেঁচা রাতের গল্প শুরু করবে।
এই নদী, এই পোড়ো ভিটা, এই শ্যাওলা-মাখা ঘাট, তোমার দু’চোখে আমায় খুঁজে ফেরা— আমি সবকিছু দেখতে পাবো, সব দেখতে পাবো দূর আকাশের নক্ষত্রের আলোয়।
তখন আমার তোমার সাথে দেখা করতে আবার ফিরে আসতে ইচ্ছে করবে, নবনীতা।

জানি, আমাকে একদিন যেতেই হবে। গভীর গাঢ় অন্ধকার, আর তোমার অপেক্ষা।
সেই আঁধারে আমরা মুখোমুখি বসব, নামহীন কোনো লতা হয়ে।
আমি পরমাণু হবো, কখনো ঢেউ, ঘাসের ডগায় জেগে থাকা বিন্দু হবো।
কখনো আলিঙ্গনে নিঃশেষ হবো; তোমার ঠোঁটের তৃপ্তি আমায় আরও মাতাল করবে।
তোমার আহ্বানে আমি হাজার কোটি আলোকবর্ষ থেকে ছুটে আসবো, নবনীতা। আমাকে আসতেই হবে। আসতেই হবে।

05/05/2026

কবিতা : ৯৭

মা

এই ​জীবনের ধ্রুবতারা , আঁধার রাতের আলো;
আমার সুখে সুখী তুমি, তোমায় বাসি ভালো।
স্নেহমাখা পরশ তব, ধন্য হলো প্রাণ;
মাগো তুমি এ জীবনে, শ্রেষ্ঠতম দান।

​হাসি তোমার সুবাস ছড়ায়, বন পলাশ ফুল;
হতাশাতে হারিয়ে গেলে, তোমাতেই পাই কূল।
আশ্বিনেতে দুর্গাপূজো, নীলপূজো চৈত্রমাস।
সবটা জুড়ে আছো মাগো, তোমার মাঝেই বাস।

​তোমার শাসন আমার কাছে, সঠিক পথের দিক;
তুমি আছো সাথে আমার, সব কিছু আজ ঠিক।
দুনিয়ার এই আলোছায়ায়, গন্ধে ভরা রস;
তোমার পায়ে মাগো আমি, সঁপে দিলাম যশ।

তোর ​মমতার স্নিগ্ধ ছায়া, শান্ত শুভ্র কোল;
হৃদয় আঙিনায় আমার, তুলছি এক দোল।
হাজার কোটি জনম যেন, তোমার ছেলে হই;
মাটির টানে তোমার গানে, জীবন যেন বই।

​ভালো থেকো মাগো আমার, অম্লান হাসিতে;
মা বলতে পারি যেন, মন দিয়ে বাসিতে।
সুখী রেখো আমায় তুমি, স্নহময়ী মা;
তোমার তুল্য এই ভুবনে, কিছুই না।

শুভ্র নীলের কবিতা।
৫ এপ্রিল, ২০২৬।

আন্তর্জাতিক বিশ্বসাহিত্য বার্তা সাহিত্য পত্রিকাকৃতজ্ঞতা।
03/05/2026

আন্তর্জাতিক বিশ্বসাহিত্য বার্তা সাহিত্য পত্রিকা

কৃতজ্ঞতা।

01/05/2026

কবিতা : ৯৬

আমার নিমন্ত্রণে

আলো জ্বালতে চেয়েছিলাম।
বারবার চেষ্টা করেছি।
কিন্তু বাতাস এসে নিভিয়ে দিল।
প্রতিবার শিখাটা নিভে যায়।

এখন চারদিকে শুধু অন্ধকার।
এই নিঝুম ঘরে আমি একা।
আঁধারে তোমাকে দেখা যায় না।
শুধু তোমার অস্তিত্ব টের পাই।
আমার হাত দুটো কাঁপছে।

বুকের ভেতরটা খুব খালি।
তোমাকে হারানোর ভয় হয়।
তুমি দূরে চলে গেলে কী হবে?
আমার উঠোনে একটা লতা আছে।
তার গোড়ায় জল নেই।

সেখানে একটা কুঁড়ি এল।
কিন্তু ফুল হয়ে ফুটল না।
আমার সব স্বপ্ন অপূর্ণ রইল।
ভালোবাসাটা ঝরে গেল অকালে।
আমি রিক্ত হাতে দাঁড়িয়ে আছি।
তোমাকে দেওয়ার মতো কিছুই নেই।
আছে শুধু এই না-পাওয়ার ব্যথা।

তুমি কি এই টুকু গ্রহণ করবে?
আমার কোনো জৌলুস নেই।
আমি আজ খুব নিঃস্ব।
আমার কোনো পুণ্য নেই।
আমি বড় সাধারণ এক মানুষ।
লজ্জায় আমি সংকুচিত হয়ে আছি।

আমার পোশাকে দারিদ্রের ছাপ।
তবুও আমি তোমার কাছে এসেছি।
তুমি কি আমায় ফিরিয়ে দেবে?
আমার ঘরে আজ আলো নেই।
কেউ আসেনি আমার দাওয়াতে।
কোনো বাঁশি বাজেনি আজ।

ঘরটা সাজানো হয়নি ফুলে।
দেওয়ালের পলেস্তারা খসে পড়ছে।
এই ভাঙা ঘরে বড় নিস্তব্ধতা।
আমি কেবল একা বসে আছি।
অন্ধকারে তোমার নাম জপছি।
চোখের জল বাধা মানছে না।
দুচোখ বেয়ে জল গড়িয়ে পড়ছে।
এই চোখের জলেই তোমায় ডাকি।

খুব গোপনে তোমায় মনে করি।
বাতাস এসে কপাটে ধাক্কা দেয়।
আমার ভাঙা দোর কেঁপে ওঠে।
আমি চমকে উঠি বারবার।
ভাবি, তুমি বুঝি ফিরে এলে।
কিন্তু না, কেউ আসেনি।

বাইরে শুধু ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক।
আমার এই মন্দির আজ জীর্ণ।
এখানে কোনো উৎসবের আয়োজন নেই।
কোনো ধূপের গন্ধ নেই বাতাসে।
আছে শুধু ধুলো আর দীর্ঘশ্বাস।
তবুও আমি পথের দিকে চেয়ে।
যদি একবার ফিরে তাকাও তুমি।

যদি এই হাতটা শক্ত করে ধরো।
আমার এই শূন্য হৃদয়ের মাঝে।
একবার এসো, প্রিয়ে এসো।
আমি আজও তোমার পথ চেয়ে।

শুভ্র নীলের কবিতা।
২ মে, ২০২৬।

01/05/2026

কবিতা : ৯৫

শূন্য হাতে ফেরা

আলো জ্বালাতে চেয়েছিলাম। পারলাম না। বারবার নিভে গেল শিখা।
এখন চারদিকে শুধু অন্ধকার। আর এই অন্ধকারেই আমি তোমাকে অনুভব করছি।
আমার বাগানে একটা শুকনো গাছ আছে। তাতে কুঁড়ি আসে, কিন্তু ফুল ফোটে না।

আমার জীবনটাও বোধহয় ওই রকম। কোনো সার্থকতা নেই, আছে শুধু এক বুক কষ্ট।
আমি আজ সেই কষ্টগুলোই তোমার পায়ে দিয়ে গেলাম।
আমার কোনো গর্ব নেই। কোনো অহংকার নেই।

লজ্জা ঢাকতে আমি আজ ছেঁড়া কাপড় পরে এসেছি।
আমার এই ভাঙা ঘরে কোনো উৎসব নেই। কেউ আসেনি আজ।
কোনো বাঁশি বাজেনি, ঘরটাও সাজানো হয়নি।
আমি শুধু কেঁদে কেঁদে তোমাকে ডেকেছি।
এই ভাঙা দরজায় কি তুমি দাঁড়াবে না?

শুভ্র নীলের কবিতা।
২ মে, ২০২৬।

01/05/2026

কবিতা : ৯৪

ছাইয়ের বিদ্রোহ

শৃঙ্খলগুলো এখন আমার অলঙ্কার। আমি বিচ্ছেদকে ভয় পাই না। তোমার ফেলে যাওয়া স্মৃতিগুলো একমুঠো ছাই। আমি সেই ছাই উড়িয়ে দিই বিষাক্ত বাতাসে।

ঘরবন্দি বাতাসের আর্তনাদ আমি শুনি না। দেয়ালের খসে পড়া প্লাস্টার আমার নখ দিয়ে উপড়ানো। আমি কোনো জ্যামিতিক বিন্দুর স্থবিরতা নই। আমি এক ভাঙা বৃত্তের অবাধ্য পরিধি।

তোমার দরজার কপাটে হাত রাখাটা করুণা ছিল। আমি সেই করুণাকে লাথি মেরে সরিয়েছি। ক্যালেন্ডারের পাতা ওড়ে না, আমি পুড়িয়ে ফেলি। সময় আমার হাতের মুঠোয় বন্দি।

একাকীত্ব এখন আমার ধারালো অস্ত্র। আমি কোনো পুরনো দালান নই যে ধসে পড়ব। আমি সেই ধ্বংসস্তূপ, যা আকাশ চিরে মাথা তোলে।

মুক্তি মানে পিছুটানহীন নগ্ন পথ। আমি একা হাঁটি, কারণ আমি নিজেই এক পথ। দয়া বা সহমর্মিতা এখন ডাস্টবিনে। আমি আমার নিজের ধ্বংসের কারিগর।

শোনো, প্রতিধ্বনি এখন আর কাঁদে না। প্রতিধ্বনি এখন অট্টহাসি দেয়। আমার বন্দিত্বই এখন আমার সবচেয়ে বড় বিদ্রোহ।

শুভ্র নীলের কবিতা।
২ মে, ২০২৬।

Address

ফরিদপুর
Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শুভ্র নীলের কবিতা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share