Nutritionist Sumya Shila

Nutritionist Sumya Shila “Let food be thy medicine and medicine be thy food"

ভালো ঘুমের জন্য কিছু টিপ্স- ১. সকালে কিছুক্ষণ সূর্যের আলোতে থাকা-সকালে অন্তত ১৫ মিনিট সূর্যের আলো তে থাকলে শরীরের সার্কা...
20/04/2026

ভালো ঘুমের জন্য কিছু টিপ্স-
১. সকালে কিছুক্ষণ সূর্যের আলোতে থাকা-সকালে অন্তত ১৫ মিনিট সূর্যের আলো তে থাকলে শরীরের সার্কাডিয়ান রিদম ঠিক থাকে। এতে মেলাটোনিন ঠিক সময়ে নিঃসৃত হয়।
২. সন্ধ্যার পর ক্যাফেইন ইন্টেইক না করা-ক্যাফেইন শরীরে ৬–৮ ঘণ্টা এক্টিভ থাকে। বিকেল ৪টার পর কফি, চা, এনার্জি ড্রিংক না খাওয়া বেটার অপশন।

৩. ভালো ঘুমের জন্য ডায়েটে কিছু খাবার এড করতে পারেন-

• গরম দুধ: এতে থাকা ট্রিপটোফ্যান ও ক্যালসিয়াম মেলাটোনিন তৈরিতে সাহায্য করে।
• পাম্পকিন সিডস: ম্যাগনেশিয়াম ও জিঙ্কে ভরপুর। যা সেরোটোনিন বাড়ায় এবং পরে মেলাটোনিনে কনভার্ট হয়।
• ক্যামোমাইল টি: এতে থাকা অ্যাপিজেনিন নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট নার্ভ ঠান্ডা রাখে+ ব্রেইনে ঘুমের সিগন্যাল দেয়।
• ডিম: এতে থাকা ট্রিপটোফ্যান ও ভিটামিন B6 ঘুমের হরমোন মেলাটোনিন তৈরিতে ভূমিকা রাখে।
• বাদাম (আখরোট)- বাদাম প্রাকৃতিক মেলাটোনিন ও ওমেগা–৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর, যা ব্রেইনকে ঠান্ডা রাখে।

৪. গাট হেলথের যত্ন নেয়া- শরীরের প্রায় ৯০ শতাংশ সেরোটোনিন আমাদের গাটে তৈরি হয়। তাই দই, ফারমেন্টেড ফুড, ফাইবার ও প্রোবায়োটিক খাবার যেমন দই, কিমচি, কেফির এগুলোর যে কোন একটা নিয়মিত খাবারের তালিকায় যোগ করা। আইবিএস থাকলে একটা ভালো প্রোবায়োটিক সাপ্লিমেন্ট নেয়া।

৫. রাতের খাবার তাড়াতাড়ি সেরে ফেলা।

৬.ডায়েটে পর্যাপ্ত প্রোটিন রাখা- আপনি কি জানেন প্রোটিনের ঘাটতি ঘুম নষ্ট করে দিতে পারে? দিনে প্রোটিন কম খেলে সেরোটোনিন কমে যায়, মুড খারাপ হয় এবং ঘুমে অনেক বড় প্রভাব ফেলে। তাই খাবারে মাছ, ডিম, ডাল, টোফু বা মুরগি রাখা উচিৎ।

৮. চিনি + হাই স্যুগারি ফুড বর্জন করা- অতিরিক্ত চিনি বা স্যুগারি ফুড আপনার শরীরে ইনসুলিন স্পাইক দিতে থাকে সাথে ব্লাড সুগার আপডাউন বাড়াতে পারে। যার জন্য কর্টিসল একটিভ থাকে। ঘুমে সমস্যা হয়।

৯. হাইড্রেশন ঠিক রাখা তবে সন্ধ্যার পরে পানির পরিমান কমিয়ে দেয়া।
সারাদিন পর্যাপ্ত পানি পান করে সন্ধ্যার পরে অতিরিক্ত পানি পান থেকে বিরত থাকলে , রাতে বারবার বাথরুমে গিয়ে ঘুম ভাঙবে না।

১০.ঘুমের আগে স্ক্রিনটাইম কমানো বা রিলস না দেখা-মোবাইলের ব্লু লাইট মেলাটোনিন নিঃসরণ কমিয়ে দিতে পারে। ঘুমানোর অন্তত ৯০ মিনিট আগে ফোন, টিভি, ল্যাপটপ থেকে দূরে থাকা উচিত।

১১. ঘুমের পরিবেশ তৈরি করে ঘুমাতে যাওয়া- ঘরে আলো কমিয়ে একটা সাউন্ড পরিবেশ তৈরি করা। ঘুমের জন্য হালকা স্মেল বেশ ভালো কাজ করে। সেন্টেড ক্যান্ডেল বা এসেনশিয়াল অয়েল ব্যাবহার করা যেতে পারে৷ হালকা সুবাস (যেমন ল্যাভেন্ডার) বা মৃদু আলো ব্যবহার করতে পারো।

১২. দিনে হাঁটা বা হালকা এক্সারসাইজ করলে রাতে ঘুম গভীর হয়।

১৩.ঘুমের আগে ৫ মিনিট ব্রিদিং এক্সারসাইজ, জিকির, বা মেডিটেশন করতে পারেন।এটা টেনশন রিলিফ করে মনকে শান্ত করে। টেনশন কমলে ঘুম নিজে থেকেই আসে।

১৪. ঘুমাতে যাবার আগে গোসল করতে পারেন। এতে ফ্রেশ ফীল হয়। ঘুম আসে।
১৫. এবং সবশেষে সবথেকে ইমপর্টেন্ট ব্যাপার -ঘুমের জন্য একটা নির্দিষ্ট রুটিন ফলো করা। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও ওঠা শরীরকে সিগনাল দিতে থাকে— “এখন বিশ্রামের সময়"। এটা আপনার ঘুম আনতে হেল্প করে।

ভালো ঘুম মানে কিন্তু শুধু ফ্রেশ থাকা নয় —
ঘুম ঠিক থাকলে ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ে, ফ্যাট বার্নিং বৃদ্ধি পায়, কর্টিসল কমে,
স্ট্রেস কমে,মুড ভালো থাকে। শরীরের হরমোনাল ব্যালেন্স ফিরে আসে।

Sumya Shila

Clinical Nutritionist and Diet Consultant
Child & Reproductive Nutrition Consultant,
KGN Medicare Limited (Dhanmondi)

🛑 অনলাইন বা অফলাইনে এপয়েন্টমেন্ট নিতে চাইলে ইনবক্সে নক করুন।

19/04/2026

শরীরে ইনসুলিন বেশি থাকলে বা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স থাকলে কেন ওজন কমতে চায়না??

ডিটেইলস ভিডিও তে।

Sumya Shila

Clinical Nutritionist and Diet Consultant
Child & Reproductive Nutrition Consultant,
KGN Medicare Limited (Dhanmondi)

🛑 অনলাইন বা অফলাইনে এপয়েন্টমেন্ট নিতে চাইলে ইনবক্সে নক করুন।

শিট!!  আপনার ফ্যামিলি তে কয়টা আসতো??
19/04/2026

শিট!! আপনার ফ্যামিলি তে কয়টা আসতো??

18/04/2026

আপনার এবং আপনার বাচ্চার ইমিউনিটি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কিভাবে বাড়াবেন??

ডিটেইলস থাকছে ভিডিও তে।

Sumya Shila

Clinical Nutritionist and Diet Consultant
Child & Reproductive Nutrition Consultant,
KGN Medicare Limited (Dhanmondi)

🛑 অনলাইন বা অফলাইনে এপয়েন্টমেন্ট নিতে চাইলে ইনবক্সে নক করুন।

17/04/2026

পিসিওএস পেশেন্টরা কি কি সাপ্লিমেন্ট ডায়েটের পাশাপাশি এড করতে পারেন.?

ডিটেইলস থাকছে ভিডিও তে!!

Sumya Shila

Clinical Nutritionist and Diet Consultant
Child & Reproductive Nutrition Consultant,
KGN Medicare Limited (Dhanmondi)

🛑 অনলাইন বা অফলাইনে এপয়েন্টমেন্ট নিতে চাইলে ইনবক্সে নক করুন।

আপনি কি খেয়াল করেছেন লাস্ট কয়েক বছরে ৮-১০ বছর বয়সে মেয়েদের পিরিয়ড শুরু হয়ে যাচ্ছে? তাহলে আমাদের শিশুরা কি সময়ের আগেই বড় ...
16/04/2026

আপনি কি খেয়াল করেছেন লাস্ট কয়েক বছরে ৮-১০ বছর বয়সে মেয়েদের পিরিয়ড শুরু হয়ে যাচ্ছে? তাহলে আমাদের শিশুরা কি সময়ের আগেই বড় হয়ে যাচ্ছে?
এক সময় মেয়ে শিশুদের বয়ঃসন্ধি বা পিরিয়ড শুরু হওয়ার স্বাভাবিক বয়স ছিল ১২ থেকে ১৪ বছর। কিন্তু বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে ১০ বছর হওয়ার আগেই শিশুদের মধ্যে শারীরিক পরিবর্তন চলে আসছে। বিষয়টি কেবল শারীরিক নয়, বরং মানসিকভাবেও একটি শিশুর জন্য বেশ চাপের।

একটা রিসেন্ট ঘটনা বলি। চেম্বারে একজন পেশেন্ট এসেছেন। বয়স ১০+। মেয়েটার পিরিয়ড শুরু হয়েছে ১০ বছরে পা দেয়ার পরেই। স্পটিং বা লাল স্রাব আসা শুরু হয়েছে আরো ৬ মাস আগে থেকে। অর্থাৎ ৯.৫ বছর বয়স থেকে।
আগে আগে পিরিয়ড শুরু হলেও ওর পিরিয়ড কিন্তু রেগুলার না। শুরু হবার পরে আবার ৩/৪ মাস বন্ধ ছিলো। লাস্ট ৬ মাসে আমি বেশ কিছু এমন পেশেন্ট পেয়েছি। বয়স ১০-১২ বছরের মধ্যে। পিরিয়ড শুরু হয়েছে কিন্তু হরমোনাল ইমব্যালেন্স আছে সাথে বেশ কিছু ভিটামিন মিনারেলস ডেফিসিয়েন্সি।

আর গত কয়েক বছর ধরেই দেখছি ক্লাস টু,থ্রি তে ওঠার পরেই মেয়েদের পিরিয়ড শুরু হচ্ছে।

কেন এমন হয়?

বর্তমানে শিশুদের শরীরে সময়ের আগেই বড় হয়ে ওঠার লক্ষণগুলো আসলে কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এটি আমাদের পরিবেশগত দূষণ এবং খাদ্যাভ্যাসের চরম বিপর্যয়ের ফল। এই পরিবর্তনের মূলে রয়েছে Endocrine Disrupting Chemicals (EDCs) এবং পুষ্টিহীন আধুনিক ডায়েট।

১)প্রোটিন ও ফ্যাট টক্সিসিটি- আমাদের শিশুদের বর্তমান খাদ্যাভ্যাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তারা প্রাকৃতিক খাবারের চেয়ে প্রসেসড খাবারের ওপর বেশি নির্ভরশীল। আমাদের শিশুদের প্রোটিনের প্রধান উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে ব্রয়লার মুরগি। কমার্শিয়াল মিট বা ব্রয়লার মুরগিকে দ্রুত বড় করার জন্য অনেক সময় বিভিন্ন গ্রোথ প্রোমোটার বা অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহৃত হয়। এই উপাদানগুলো শিশুদের শরীরে গিয়ে এস্ট্রোজেন মিমিক্রি (Estrogen Mimicry) তৈরি করে। অর্থাৎ, মেয়েদের শরীরে থাকা এস্ট্রোজেন হরমোনের মত হরমোনের মিমিক্রি করে। যার ফলে শরীর মনে করে প্রচুর এস্ট্রোজেন তৈরি হচ্ছে, যা অকাল বয়ঃসন্ধিকে ট্রিগার করে।

২)ওমেগা-৬ ও ওমেগা-৩ টক্সিসিটি: ফাস্টফুড, ফ্রাইড চিকেন, নাগেটস আর সয়াবিন তেলে ভাজা খাবারে প্রচুর ওমেগা-৬ থাকে। কিন্তু দেখা যায় বাচ্চারা মাংস খেলেও মাছ একদমই খেতে চায়না। তাই খাদ্যতালিকায় মাছ বা ওমেগা-৩ এর অভাব থাকায় শরীরে ওমেগা ৬ এর পরিমান বেড়ে যায় এবং এক ধরণের ইনফ্লামেশন বা প্রদাহ তৈরি হয়। এই ইনফ্লামেশন মেটাবলিক স্ট্রেস বাড়িয়ে পিউবার্টিকে এগিয়ে আনে।

৩)লেপটিন ও ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স: বর্তমানে বাচ্চাদের ম্যাক্সিমাম খাবারে বাইরের খাবার ইনক্লুড থাকে। টিফিন থেকে শুরু করে ঘরের নাস্তা সব কিছুতেই আটা ময়দা এবং চিনির উপস্থিতি দেখা যায়। অতিরিক্ত চিনি, কার্বোনেটেড ড্রিঙ্কস এবং ময়দার তৈরি খাবার ইনসুলিন স্পাইক ঘটায়। শরীরে চর্বি বাড়লে লেপটিন নামক হরমোন বেশি নিঃসরণ হয়। এই লেপটিন সরাসরি মস্তিষ্কে সংকেত পাঠায় পিউবার্টি শুরু করার জন্য। একে বলা হয় 'ক্রিটিক্যাল বডি ফ্যাট হাইপোথিসিস'।
এছাড়াও চিনিযুক্ত পানীয় (সফট ড্রিঙ্কস), সাদা পাউরুটি, বিস্কুট এবং ময়দার তৈরি খাবার ইনসুলিন হরমোনকে বাড়িয়ে দেয়। উচ্চ ইনসুলিন সরাসরি সেক্স হরমোন বাইন্ডিং গ্লোবুলিন (SHBG) কমিয়ে দেয়, ফলে রক্তে ফ্রি এস্ট্রোজেনের পরিমাণ বেড়ে যায়। ফলে আর্লি পিউবার্টি শুরু হয়। এছাড়া বার্গার পিজ্জা তে ব্যাবহার করা সসেজ, সালামি বা নাগেটসে থাকা প্রিজারভেটিভগুলো শিশুদের লিভারের ওপর চাপ ফেলে, যা হরমোন মেটাবলিজমের প্রধান কেন্দ্র। লিভারে প্রেসার পরলে তখন হরমোনাল সাইকেল উলটা পালটা হয়ে যায়।

৪) স্ট্রেস, স্ক্রিন টাইম ও ভিটামিন-ডি এর অভাব: আমাদের সোসাইটতে এখন সব থেকে বড় সমস্যা স্ট্রেস। ছোট বাচ্চাদের এত্ত বেশি পড়াশোনা আর ফার্স্ট হবার প্রেশার থাকে যে এরা এর বাইরে কিছু ভাবতে পারে না। এরপরেই আসে ডিভাইস এডিকশন। বিশেষ করে শহরে বাচ্চাদের বাইরে যাবার সুযোগ কম থাকায় এবং বাবা মা বাচ্চা কে পর্যাপ্ত সময় না দিতে পেরে ডিভাইস ধরিয়ে দেন। পড়াশোনার স্ট্রেস আর ডিভাইসে (মোবাইল/ট্যাব) বুঁদ হয়ে থাকা, শিশুদের মেলাটোনিন হরমোন কমিয়ে দিচ্ছে। এছাড়া বাচ্চারা রোদে বের হয়না, খেলাধুলার সুযোগ কম। পর্যাপ্ত সূর্যের আলো বা ভিটামিন-ডি এর অভাবও আর্লি পিউবার্টির অন্যতম কারণ হিসেবে গবেষণায় প্রমাণিত।

৫)অদৃশ্য কেমিক্যাল এক্সপোজার: এন্ডোক্রাইন ডিসরাপ্টার্স (EDCs)-
খাবারের পাশাপাশি আমাদের চারপাশের পরিবেশও শিশুদের হরমোন ব্যবস্থাকে বিভ্রান্ত করছে। বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় Endocrine Disrupting Chemicals (EDCs)।

বিসফেনল এ (BPA) ও প্লাস্টিক: প্লাস্টিকের বোতল বা টিফিন বক্স থেকে নির্গত BPA শরীরে গিয়ে এস্ট্রোজেনের মতো আচরণ করে। এটি শিশুদের প্রজননতন্ত্রের স্বাভাবিক বিকাশে বাধা দেয়।

থ্যালেটস (Phthalates) ও পারফিউম: শিশুদের কসমেটিকস, শ্যাম্পু বা কড়া সুগন্ধিতে থাকা থ্যালেটস হরমোনাল ডিসরাপশন ঘটাতে পারে।

প্যারাবিনস ও টক্সিন: প্রসাধনীতে থাকা প্রিজারভেটিভগুলো সরাসরি রক্তে মিশে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে।

আমাদের তাহলে কি করা উচিৎ??
শিশুদের এই জটিলতা থেকে বাঁচাতে টোটাল লাইফস্টাইল পরিবর্তন করা ছাড়া গতি নেই:

১) প্রথমেই খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করা জরুরি। ব্রয়লার মুরগির ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে দেশি মুরগি, সামুদ্রিক বা ছোট মাছ, ডিম এবং গরুর মাংস খাওয়া যেতে পারে। ফুলকপি, ব্রকলি বা বাধাকপিতে থাকা DIM (Diindolylmethane) শরীর থেকে বাড়তি এস্ট্রোজেন বের করে দিতে সাহায্য করে। তাই বাচ্চার খাবারে যোগ করতে পারেন। প্রোটিন জাতীয় খাবার খেতে উৎসাহিত করা এবং ওমেগা থ্রি রিচ মাচ রেগুলার খাদ্যতালিকায় রাখা জরুরি।

২)প্লাস্টিক বর্জন করে কাঁচ বা স্টিলের পাত্র ব্যবহার নিশ্চিত করুন বা ভালো মানের প্লাস্টিক ব্যাবহার করুন।

৩) বাচ্চাদের দিনে একটা নির্দিষ্ট সময় রোদে খেলাধুলা করার সুযোগ দিন। প্রতিদিন অন্তত ৩০-৬০ মিনিট রোদে খেলাধুলা করলে ভিটামিন-ডি এর অভাব পূরণ হবে এবং শরীরের মেটাবলিজম ঠিক থাকবে।

Sumya Shila

Clinical Nutritionist and Diet Consultant
Child & Reproductive Nutrition Consultant,
KGN Medicare Limited (Dhanmondi)

🛑 অনলাইন বা অফলাইনে এপয়েন্টমেন্ট নিতে চাইলে ইনবক্সে নক করুন।

15/04/2026

পিসিওএস পেশেন্টদের ডায়েট প্লান আসলে কেমন হওয়া উচিৎ?? তারা কোন কোন খাবার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখলে ভালো হয়??
বিস্তারিত থাকছে ভিডিওতে!!

Sumya Shila

Clinical Nutritionist and Diet Consultant
Child & Reproductive Nutrition Consultant,
KGN Medicare Limited (Dhanmondi)

🛑 অনলাইন বা অফলাইনে এপয়েন্টমেন্ট নিতে চাইলে ইনবক্সে নক করুন।

আমার পহেলা বৈশাখ এর স্মৃতির ম্যাক্সিমাম টাই আমার আম্মুকে ঘিরে। ছোট বেলায় আমার রুটিন ছিলো আমরা সবাই আম্মুর অফিসে পহেলা বৈ...
14/04/2026

আমার পহেলা বৈশাখ এর স্মৃতির ম্যাক্সিমাম টাই আমার আম্মুকে ঘিরে। ছোট বেলায় আমার রুটিন ছিলো আমরা সবাই আম্মুর অফিসে পহেলা বৈশাখ সেলিব্রেট করতাম। সকালে পান্তা ইলিশ থেকে শুরু করে অনেক রকম আয়োজন থাকতো সাথে গেইমস। অনেক মজা হতো এই দিন। এরপরে একটু বড় হবার পরে স্কুলের প্রোগ্রামে যেতাম। গান গাইতাম নাচ হতো। অনেক দিন থেকে রিহার্সাল হতো। কি যে এক্সাইটমেন্ট থাকতো। আর ২/১ বছর আম্মু নিয়ে যেতেন বৈশাখী মেলাতে। নাগরদোলা দেখে হা করে তাকিয়ে থাকতাম। আম্মু কখনো উঠতে দেননি। মনে মনে ভাবতাম একবার বড় হই। তোমার পারমিশন আর নিবো না। বড় হয়ে গেলাম ঠিক কিন্তু নাগরদোলায় আর চড়া হলো না।

হাইস্কুল শেষ হবার পরে আর তেমন ভাবে বৈশাখ সেলিব্রেট করা হয়নি।
আমাদের বাসায় অবশ্য ট্রেডিশন হিসেবে প্রত্যেক বছর আম্মু পান্তা ইলিশ করতেন। সাথে থাকতো ভর্তা আর শুকনো মরিচ। টিভিতে দেখতাম টিএসসি তে অনেক বড় প্রোগ্রাম হয় বৈশাখে, মনে হতো চান্স পেলেই এগুলো তে অংশগ্রহণ করবো। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ বছরের জীবনে ২/১ দিন ছাড়া কোনদিন কোন অকেশনে বের হওয়া হয়নি। আমি যেহেতু শামসুননাহার হলে ছিলাম একদম টিএসসির অপজিটের হল যে কোন পর্ব মানেই ছিলো এক্সট্রিম ভীড় আর ধাক্কাধাক্কি। তাই কখনো ইচ্ছাও হয়নি।

আমার মনে হতো আমার ছোট বেলার বৈশাখই সুন্দর। সকালে এক্সাইটমেন্ট নিয়ে রেডি হওয়া, এরপরে আম্মুর কাছে শাড়ি পরার বায়না করা, বৈশাখী মেলায় যাবার জন্য অপেক্ষা করা।এগুলো মনে পরলে খুবই ইমোশনাল হয়ে যাই আর ভাবি আমাদের ফিউচার জেনারেশন কি এগুলো পাবে??

যাই হোক সবাইকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা। সবার নববর্ষ ভালো কাটুক।

আচ্ছা আমার মত আপনাদের নববর্ষের স্মৃতি হিসেবে কি কি মনে পরে বলুন তো?

ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স থেকে কীভাবে মুক্তি পাবেন? ইনসুলিন  রেজিস্ট্যান্স হলে স্যুগার ক্রেভিং, অতিরিক্ত ওজন, পিরিয়ড অনিয়মিত...
13/04/2026

ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স থেকে কীভাবে মুক্তি পাবেন? ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স হলে স্যুগার ক্রেভিং, অতিরিক্ত ওজন, পিরিয়ড অনিয়মিত হওয়া, অবাঞ্চিত লোম সহ শরীরে ডায়াবেটিস ও দেখা দিতে পারে। তাই শরীরে ইনসুলিন ব্যালেন্স করা জরুরি। কীভাবে করবেন সেটাই আলোচনা করবো আজকের পোস্টে।

১) ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স থাকলে প্রথম কাজ হলো ঘুমের সাইকেল ঠিক করা।ডেইলি রাত ১১ টার মধ্যে ঘুমিয়ে পরা এবং অন্তত ৭-৮ ঘন্টার সাউন্ড স্লিপ নিশ্চিত করা। আমাদের শরীরের হরমোনের একটি রিদম বা ছন্দ আছে। একে বলা হয় সারকাডিয়ান রিদম। এই রিদম আমাদের ঘুম এবং ডেইলি এক্টিভিটির সাথে পরিবর্তন হয়। যখনই আমাদের স্লীপ সাইকেল ওলট পালট হয়ে যায় তখন এই রিদমও উলটা পালটা হয়ে যায়। যার ফলাফল হরমোনাল ইমব্যালেন্স। তাই ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স ঠিক করার প্রথম এবং প্রধান শর্ত ঘুম। আপনি ঘুমের সাইকেল ঠিক না করে যতই চেষ্টা করেন আপনার সকল ধরনের হরমোনাল ইমব্যালেন্স বার বার শরীরে ফেরত আসবে।

২) ঘুম ঠিক হলে এরপরের কাজ শরীরের অতিরিক্ত ওজন থাকলে সেটা কমিয়ে ফেলা। ওজন কমাতে অবশ্যই হেলদি এবং ইফেক্টিভ উপায় ব্যবহার করা।বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং উইথ লো কার্ব এক্ষেত্রে ভালো কাজ করে।

৩) ডায়েট করার সময় খাবারে কার্বোহাইড্রেট এর পরিমাণ কমিয়ে নিয়ে আসা এবং রিফাইন্ড কার্বের বদলে কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট এবং লো গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কার্বোহাইড্রেট যোগ করা। আমরা যখনই কার্বোহাইড্রেট খাই আমাদের বডি ঠিক তখনই ইনসুলিন নি:সরণ করে। তাই ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স থাকা অবস্থায় আমরা যখন অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট খাই তখন সেটা আরও বেশি ইনসুলিন নি:সরণ কর‍তে বাধ্য করে কিন্তু যেহেতু শরীর ইনসুলিন ব্যাবহার করতে পারছে না। আল্টিমেটলি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়। ফলাফল প্রি ডায়াবেটিস। তাইখাবারর কার্বোহাইড্রেট কমিয়ে খাবারে হাই কোয়লিটি প্রোটিন এবং গুড ফ্যাট ঘী/বাটার/এক্সট্রা ভার্জিন নারকেল তেল/এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল যোগ করা। এই খাবার গুলো আপনাকে দীর্ঘ সময় ফুলফিলং অনুভূতি দিবে + ক্রেভিং কমিয়ে আনবে।

৪) সকল ধরনের মিষ্টি ফল এবং মিষ্টি জাতীয় খাদ্য এভয়েড করে চলা।

৫) স্ট্রেস রিডিউস করা। স্ট্রেস আমাদের শরীরকে "ফাইট অর ফ্লাইট" নামক কন্ডিশনে নিয়ে যায়। এই অবস্থা আমাদের শরীরের স্ট্রেস হরমোন প্রোডাকশনকে তরান্বিত করে। আমাদের শরীরের স্ট্রেস হরমোন শরীরে জমা রাখা গ্লাইকোজেন ভেঙে গ্লুকোজ তৈরি করে। যেটা আলটিমেটলি শরীরকে আবার ইনসুলিন নি:সরণ করতে বাধ্য করে। ইভেন ক্রনিক এবং অতিরিক্ত স্ট্রেস কোষের ইনসুলিন সেনসিটিভিটি কমিয়ে দেয়। ফলে যারা ক্রনিক স্ট্রেসে থাকেন তাদের মধ্যে স্যুগারি ফুড খাওয়ার প্রবণতা অনেক বেশি থাকে এবং ওজন কমাতে বেশ বেগ পেতে হয়।

৬) সপ্তাহে অন্তত ৪-৫ দিন এক্সারসাইজ করা। যে কোন ধরনের বেসিক এক্সারসাইজ থেকে শুরু করে ওয়েট লিফটিং এক্সারসাইজ করা। এক্সারসাইজ মাসল বিল্ড করতে সাহায্য করে এবং আমাদের কোষের ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়াতে সাহায্য করে।

৭) এছাড়াও খাবারে কিছু হার্বস বিশেষ করে দারুচিনি, হলুদ, আদা, রসুন শরীরে ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়াতে সাহায্য করে এবং বি ভিটামিন বিশেষ করে ভিটামিন বি -১ বা মায়াময় গ্লুকোজ মেটাবলিজমে সহায়তা করে।

প্রতিদিন ছোট ছোট অভ্যাসের পরিবর্তন শরীরকে সুস্থ রাখতে অনেক বেশি সাহায্য করে। তবে হ্যা আপনার ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স যদি অনেক দিনের হয়ে থাকে। যদি বেশ কয়েক বছর যাবৎ আপনি বাজে লাইফস্টাইল লিড করে থাকেন তাহলে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ নিউট্রিশনিষ্ট এর পরামর্শ নিয়ে আপনি ডায়েট শুরু করুন। খাবারকে ভয় পেয়ে নয়,ভালোবেসে সুস্থ থাকুন।

Sumya Shila

Clinical Nutritionist and Diet Consultant
Child & Reproductive Nutrition Consultant,
KGN Medicare Limited (Dhanmondi)

🛑 অনলাইন বা অফলাইনে এপয়েন্টমেন্ট নিতে চাইলে ইনবক্সে নক করুন।

পিসিওএস!!নিচের যে কোন বৈশিষ্ট্য গুলো যদি আপনার মধ্যে থেকে থাকে তাহলে ধরে নেয়া যায় আপনার পিসিওএস আছে।১)অনিয়মিত পিরিয়ড বা ...
12/04/2026

পিসিওএস!!

নিচের যে কোন বৈশিষ্ট্য গুলো যদি আপনার মধ্যে থেকে থাকে তাহলে ধরে নেয়া যায় আপনার পিসিওএস আছে।

১)অনিয়মিত পিরিয়ড বা একদমই লাইট পিরিয়ড।
২)শরীরের বিভিন্ন জায়গায় শক্ত লোম ওঠা৷ বিশেষ করে থুতনি, পিঠ,পেটের নিচের দিকে,বুকে এবং নিপল এরিয়া তে।
৩) অতিরিক্ত ওজন।
৪) ব্রন ওঠা।
৫) বেলি ফ্যাট বা পেটের মেদ বেড়ে যাওয়া।
৬)পিগমেন্টেশন। ঘাড় কিংবা অন্য জায়গা গুলিতে কালচে ছোপ দেখা যাওয়া।
৭) অতিরিক্ত চুল পড়া।
৮) স্যুগার ক্রেভিংস।

এছাড়াও বিবাহিত মেয়েদের ক্ষেত্রে কিছু বিশেষ সমস্যা দেখা যায়-

১) একদমই লো সেক্সুয়াল ডিজায়ার থাকা

২) বা অতিরিক্ত ডিজায়ার থাকা

৩) পিরিয়ডের সময়ে অতিরিক্ত আকাঙ্খা থাকা

৪) ভ্যাজাইনাল ড্রাইনেস থাকা বা ইন্টারকোর্স এর সময়ে পেইন হওয়া।

পিসিওএস বা পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোম বলতে অনেকে বোঝেন ওভারিতে ছোট বা বড় সিস্ট। কিন্তু ব্যাপার টা শুধুমাত্র এমন নয়। ওভারি তে সিস্ট না থাকলেও কিন্তু সেটা পিসিওএস বলে গন্য হতে পারে।
না এটা আমার মনগড়া কথা নয়, এটা বলছে "জন হপকিনস" সহ আরও বেশ কয়েকটি Q1 জার্নাল।

পিসিওএস তখনই হয় ওভারি যখন অ্যাবনরমাল লেভেলে এন্ড্রোজেন হরমোন বা মেইল সেক্স হরমোন প্রডিউস করতে থাকে। অর্থাৎ শরীরে এই এন্ড্রোজেন হরমোননের অর্থাৎ মেইল সেক্স হরমোনের রেশিও যদি উলটপালট হয়ে যায় তখন সেটা কে পিসিওএস হিসেবে কাউন্ট করা হয়। অর্থাৎ আপনার আল্ট্রাসাউন্ডে যদি ওভারিতে সিস্ট ধরা নাও পরে সেক্ষেত্রে ও আপনার পিসিওএস থাকতে পারে।

তাহলে আল্ট্রাসাউন্ড ছাড়া কিভাবে বুঝবো যে আমারও পিসিওএস আছে?? আর কি কোন উপায় আছে??

আছে! ফিমেইল এন্ড্রোজেন হরমোন টেস্ট করানো এবং সাথে সাথে আরও কিছু হরমোনের টেস্ট করানো বিশেষ করে ইনসুলিন। পিসিওএস হলে সাধারনত বডিতে ইনসুলিন রেসিস্টেন্স দেখা যায়। সাথে আরও কিছু বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য তো আছেই ।

তাই আপনার ওভারিতে সিস্ট না থাকলেও আপনি বলতে পারবেন না আপনি শঙ্কামুক্ত।

কিছু টেস্টের নাম বলছি যা পিসিওএস ডিটেক্ট করার জন্য বা আপনার যদি পিসিওএস এর উপসর্গ থাকে তাহলে ট্রীটমেন্ট করানোর আগে করা যেতে পারে।
1) USG of whole abdomen
2) Blood tests for testosterone and free androgen index (FAI)
3) LH
4)FSH
5) Progesterone
6)Prolactin

Sumya Shila

Clinical Nutritionist and Diet Consultant
Child & Reproductive Nutrition Consultant,
KGN Medicare Limited (Dhanmondi)

🛑 অনলাইন বা অফলাইনে এপয়েন্টমেন্ট নিতে চাইলে ইনবক্সে নক করুন।

পিসিওএস (PCOS) বা পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম থাকলে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, হরমোনাল ইমব্যালেন্স (বিশেষ করে পুরুষ হরমোন বেড়ে...
11/04/2026

পিসিওএস (PCOS) বা পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম থাকলে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, হরমোনাল ইমব্যালেন্স (বিশেষ করে পুরুষ হরমোন বেড়ে যাওয়া) এবং শরীরে দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ বা ইনফ্লামেশন এগুলো খুবই কমন।

আমাকে অনেকেই পিসিওএস পেশেন্টদের সাপ্লিমেন্ট নিয়ে জিজ্ঞেস করেন। কি কি সাপ্লিমেন্ট নেয়া উচিৎ??

সঠিক ডায়েট এবং লাইফস্টাইলের পাশাপাশি কিছু নির্দিষ্ট সাপ্লিমেন্ট এই সমস্যাগুলো গোড়া থেকে সমাধানে দারুণ সাহায্য করে।

আপনার যদি পিসিওএস বা হরমোনাল ইমব্যালেন্স থাকে তাহলে যে সাপ্লিমেন্ট গুলো আপনি ডেইলি ডায়েটে এড করতে পারেন-

১. ইনোসিটল (Inositol) - ইনোসিটল পিসিওএস-এর জন্য 'গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড' বা সেরা সাপ্লিমেন্ট হিসেবে পরিচিত। এটি প্রাকৃতিকভাবে কিছু খাবারে পাওয়া যায় তবে পিসিওএস থাকলে সাপ্লিমেন্ট আকারে ইনোসিটল নিলে এটা বডিতে ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ানোর সাথে সাথে হরমোন ব্যালেন্স কর‍তে হেল্প করে। Myo-inositol এবং D-Chiro-inositol (৪০:১ অনুপাতে) গ্রহণ করলে তা শরীরের কোষে ইনসুলিনের সেনসিটিভিটি বাড়ায়। এর ফলে রক্তে টেস্টোস্টেরনের (পুরুষ হরমোন) মাত্রা কমে, পিরিয়ড নিয়মিত হয় এবং ডিম্বাণুর (Egg) কোয়ালিটি উল্লেখযোগ্যভাবে ভালো হয় হয়।

২. এন-অ্যাসিটাইল সিসটিন (NAC) - এই সাপ্লিমেন্ট টা বাংলাদেশে খুব কম পরিচিত হলেও বাইরের দেশগুলোতে পিসিওএস পেশেন্ট দের কাছে খুবই জনপ্রিয়। NAC হলো একটি অত্যন্ত শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং এটি আমাদের শরীরের প্রধান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট 'গ্লুটাথিয়ন' তৈরিতে সাহায্য করে।পিসিওএস-এর কারণে শরীরে প্রচুর অক্সিডেটিভ স্ট্রেস ও ইনফ্লামেশন বা প্রদাহ তৈরি হয়। NAC এই স্ট্রেস নিউট্রালাইজ করে, ওভারির টিস্যুকে সুরক্ষিত রাখে এবং ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ায়। অ্যান্ড্রোজেন হরমোন কমানোর পাশাপাশি পিসিওএস-জনিত ইনফার্টিলিটি বা বন্ধ্যত্ব দূর করে প্রেগনেন্সির সম্ভাবনা বাড়াতে এটি দারুণ কার্যকরী।

৩. ভিটামিন ডি (Vitamin D)- অনেকেই জানেন ভিটামিন ডি কেবল একটি ভিটামিন নয়, এটি শরীরে প্রো-হরমোনের মতো কাজ করে। পিসিওএস আক্রান্ত বেশির ভাগ নারীর শরীরেই ভিটামিন ডি-এর মারাত্মক ঘাটতি দেখা যায়।ওভারি (ডিম্বাশয়) এবং প্যানক্রিয়াসের সঠিক কার্যকারিতার জন্য ভিটামিন ডি অপরিহার্য। এই ভিটামিন ইনসুলিন তৈরি ও নিঃসরণে সরাসরি সাহায্য করে। এছাড়া ফলিকল বা ডিম্বাণু বড় হতে,পিরিয়ডের সাইকেল ঠিক রাখতে এবং পিসিওএস-এর কারণে হওয়া ডিপ্রেশন বা মুড সুইং কমাতে ভিটামিন ডি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
তবে হ্যা ভিটামিন ডি তখনই ভালো কাজ করবে যখন আপনি ভিটামিন ডি ডেফিসিয়েন্ট থাকবেন। আপনার শরীরে ভিটামিন ডি লেভেল ঠিক থাকলে কিন্তু ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট কাজ করবে না।

৪. বারবেরিন (Berberine)- পিসিওএস হলেই যে মেডিসিন টা ডাক্তার রা সব থেকে বেশি সাজেস্ট করেন সেটা হচ্ছে কমেট বা মেটফরমিন।পুষ্টিবিজ্ঞানের জগতে বারবেরিনকে বলা হয় 'প্রাকৃতিক মেটফরমিন'। এই বারবেরিন বিভিন্ন উদ্ভিদ থেকে পাওয়া একটি বায়োঅ্যাকটিভ উপাদান। বারবেরিন আমাদের শরীরের AMPK এনজাইমকে সক্রিয় করে, যা মেটাবলিজমের 'মাস্টার সুইচ' হিসেবে পরিচিত। এটি সক্রিয় হলে রক্তে শর্করার মাত্রা (Fasting Glucose) দ্রুত কমে এবং ইনসুলিন সেনসিটিভিটি ম্যাজিকের মতো বেড়ে যায়। এছাড়া এই সাপ্লিমেন্ট টেস্টোস্টেরন হরমোন ও খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) কমাতেও সাহায্য করে।
৫. ম্যাগনেসিয়াম (Magnesium)-ম্যাগনেসিয়াম আমাদের শরীরের ৩০০-এর বেশি এনজাইমেটিক কাজ পরিচালনা করে। পিসিওএস থাকলে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের কারণে প্রস্রাবের সাথে প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম শরীর থেকে বেরিয়ে যায়, ফলে ঘাটতি দেখা দেয়। গ্লুকোজ মেটাবলিজম এবং ইনসুলিন রিসেপ্টরের ঠিকমতো কাজ করার জন্য ম্যাগনেসিয়াম অত্যন্ত জরুরি। ম্যাগনেসিয়াম আমাদের স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত রাখে এবং স্ট্রেস হরমোন বা 'কর্টিসল'-এর মাত্রা কমায়। ফলে ঘুম ভালো হয় এবং ইনফ্লামেশন কমে।

তবে হ্যা ম্যাগনেসিয়াম অনেক ফর্মে পাওয়া যায়। আপনার জন্য কোনটা জরুরি সেটা আপনার উপসর্গ দেখে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ভালো ঘুম এবং দুশ্চিন্তা কমানোর জন্য 'ম্যাগনেসিয়াম গ্লাইসিনেট' (Magnesium Glycinate) সবচেয়ে ভালো কাজ করে। আর যদি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকে, তবে 'ম্যাগনেসিয়াম সাইট্রেট' (Magnesium Citrate) বেছে নিতে পারেন।

৬. ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড (Omega-3 Fatty Acids)- ওমেগা-৩ হলো এক ধরনের এসেনশিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিড যা আমাদের শরীর নিজে তৈরি করতে পারে না, তাই খাবার বা সাপ্লিমেন্ট থেকে গ্রহণ করতে হয়।পিসিওএস-এর অন্যতম প্রধান কারণ হলো ক্রনিক লো গ্রেইড ইনফ্লামেশন বা শরীরের ভেতরের দীর্ঘমেয়াদী প্রদাহ। ওমেগা-৩ একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান যা এই ইনফ্লামেশন বা প্রদাহ কমাতে দারুণ কাজ করে, রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইড (খারাপ চর্বি) কমায়, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের উন্নতি ঘটায় এবং টেস্টোস্টেরন ও লুটিনাইজিং হরমোনের (LH) মাত্রা কমিয়ে পিরিয়ড নিয়মিত করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি ফ্যাটি লিভার প্রতিরোধেও অত্যন্ত কার্যকরী, যা পিসিওএস রোগীদের মধ্যে কমন।

তবে মনে রাখা জরুরি এই সাপ্লিমেন্টগুলো অত্যন্ত কার্যকরী হলেও এগুলো কোনো জাদুর কাঠি না যা ম্যাজিকের মত সমস্যার সমাধান করে ফেলবে। এগুলো রেগুলার খেলে আপনি একটা ভালো পরিবর্তন দেখতে পারবেন। কিন্তু এগুলো সবচেয়ে ভালো ফলাফল দেয় তখনই, যখন এর পাশাপাশি একটি স্বাস্থ্যকর অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ডায়েট, স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট এবং নিয়মিত ব্যায়াম (বিশেষ করে ওয়েট লিফটিং বা রেজিস্ট্যান্স ট্রেনিং) চালিয়ে যাওয়া হয়। মনে রাখবেন যতদিন আপনি আপনার ডায়েট ঠিক না করবেন কোন মেডিসিন বা সাপ্লিমেন্ট আপনাকে দীর্ঘমেয়াদি ফলাফল দিতে পারবে না।

Sumya Shila

Clinical Nutritionist and Diet Consultant
Child & Reproductive Nutrition Consultant,
KGN Medicare Limited (Dhanmondi)

🛑 অনলাইন বা অফলাইনে এপয়েন্টমেন্ট নিতে চাইলে ইনবক্সে নক করুন।

কেমন কাটলো আপনাদের শুক্রবার??  কি কি খেলেন সারাদিন?? ফ্রাইডে স্পেশাল মেন্যু হিসেবে কি ছিলো বাসায়??
10/04/2026

কেমন কাটলো আপনাদের শুক্রবার??

কি কি খেলেন সারাদিন?? ফ্রাইডে স্পেশাল মেন্যু হিসেবে কি ছিলো বাসায়??

Address

KGN Medicare, Wahab Point, Plot #93 (Old) 13 (New), Road #2, Dhanmondi Dhaka-1205
Dhaka
1209

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nutritionist Sumya Shila posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category