Child Disease & Surgical Care - BD

Child Disease & Surgical Care - BD Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Child Disease & Surgical Care - BD, Paediatrician, Dhaka.

শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দিয়ে পরিচালিত পেইজ। শিশুদের অনলাইন চিকিৎসার নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান।

📞 For online consultation : Call or What's App ➡️ 01974088128

📘ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করতে ক্লিক করুন➡️ https://m.facebook.com/groups/cdscbd

15/02/2026

📍এডিনয়েড (Adenoid) কী? এর লক্ষণগুলো কী?

ইদানীং অনেক বাবা–মাকে এই প্রশ্ন করতে দেখা যাচ্ছে: এডিনয়েড আসলে কী?

বর্তমানে শিশুদের মধ্যে এ সমস্যাটি বেশ বেশি দেখা যাচ্ছে, কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই অভিভাবকেরা বুঝতে পারেন না যে সমস্যাটির নাম এডিনয়েড।
এডিনয়েড হলো এক ধরনের লিম্ফয়েড টিস্যু, যা নাকের ঠিক পেছনের অংশে এবং তালুর উপরের দিকে অবস্থান করে। এটি বাইরে থেকে সরাসরি দেখা যায় না।

যখন এই টিস্যুটি অস্বাভাবিকভাবে বড় হয়ে যায়, তখন তাকে এডিনয়েড হাইপারট্রফি বলা হয়।
এই সমস্যা সাধারণত ছোট শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, তবে কিশোর বয়সেও হতে পারে।

🔺 এডিনয়েড হাইপারট্রফির সাধারণ লক্ষণসমূহ

🔹 নাক বন্ধ থাকা – ফলে শিশু মুখ খুলে শ্বাস নেয়
🔹 মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার কারণে খাওয়াদাওয়ায় সমস্যা, যা শিশুর স্বাভাবিক শারীরিক বৃদ্ধিতে বাধা সৃষ্টি করে
🔹 নাক দিয়ে প্রায়ই পানি পড়া
🔹 বারবার ঠান্ডা লাগা ও কাশি হওয়া
🔹 সাইনাসের প্রদাহ
🔹 গলার স্বরে পরিবর্তন আসা
🔹 ঘন ঘন কান পাকা বা কানে ইনফেকশন হওয়া
🔹 শিশুর ওজন ও উচ্চতা ঠিকভাবে না বাড়া
🔹 পড়াশোনায় অমনোযোগী হয়ে পড়া
🔹 ঘুমের সময় মুখ হাঁ করে থাকা বা নাক ডাকা
🔹 গুরুতর ক্ষেত্রে ঘুমের মধ্যে কিছু সময়ের জন্য শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া, যাকে অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ এপনিয়া বলা হয়
🔹 মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার ফলে গলা বারবার সংক্রমিত হওয়া, খুসখুসে কাশি, গলা বসে যাওয়া দেখা যায়
🔹 অনেক ক্ষেত্রে টনসিল বড় হয়ে যাওয়া বা টনসিলের প্রদাহ হয়
🔹 খাবার খেতে দেরি হওয়া, মুখের কোণা দিয়ে লালা পড়া

তাই শিশুর মধ্যে এ ধরনের লক্ষণ দেখা গেলে দেরি না করে অবশ্যই একজন নাক কান গলা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

©Dr.Tanvir Ahmed

15/02/2026

ডায়রিয়ার জিংক ট্যাবলেটের ব্যবহার।

বিকল্পঃ জিংক সিরাপ

15/02/2026

বাচ্চাদের অনেক সময় ঠোঁটের কোনায় লালচে ঘা, ফাটা বা ব্যথা দেখা যায়। এই সমস্যাটিকে সাধারণভাবে Angular Cheilitis বলা হয়। সময়মতো যত্ন নিলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি সহজে ভালো হয়ে যায়।

এই সমস্যা হওয়ার কয়েকটি সাধারণ কারণ আছে। বারবার ঠোঁট চাটা বা মুখের লালা জমে থাকা একটি বড় কারণ। ঠোঁট খুব বেশি শুষ্ক বা ফেটে গেলেও এমন হতে পারে। অনেক সময় ফাঙ্গাল বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থেকেও হয়। শরীরে ভিটামিন B2, B6, B12 এবং আয়রনের ঘাটতি থাকলে ঝুঁকি বাড়ে।

ঘরে বসেই কিছু যত্ন নিলে উপকার পাওয়া যায়। শিশুকে বারবার জিহ্বা দিয়ে ঠোঁট ভেজানো থেকে বিরত রাখতে হবে। ঠোঁট সবসময় পরিষ্কার ও শুকনো রাখার চেষ্টা করুন। দিনে কয়েকবার ভ্যাসলিন বা লিপ জেল লাগালে শুষ্কতা কমে। সাময়িকভাবে ঝাল ও টক খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো। চিকিৎসকের পরামর্শে প্রয়োজনে Clotrimazole ক্রিম ব্যবহার করা যেতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে ভিটামিন ও আয়রনের সাপ্লিমেন্ট দরকার হতে পারে।

তবে কিছু অবস্থায় অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। ঘা যদি সহজে না সারে, বারবার ফিরে আসে, বা খুব বেশি ব্যথা ও রক্তপাত হয়, তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

শিশুর সুস্থতায় সচেতনতা ও পর্যবেক্ষণই সর্বোত্তম পথ। অপ্রয়োজনে ভয় না পেয়ে শিশুর যে কোনো শারীরিক বা মানসিক সমস্যায় দ্রুত একজন অভিজ্ঞ এমবিবিএস ডাক্তার/ শিশু বিশেষজ্ঞ/শিশু সার্জনের পরামর্শ নেওয়াই হবে সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত সিদ্ধান্ত।

অনুগ্রহ করে সবাই সচেতন হোন।
মনে রাখবেন, আপনার সচেতনতা, আপনার সন্তানের জন্য আশীর্বাদ।

নিজে জানুন, পোস্টটি শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন।

ধন্যবাদ 🙏

Dr.Tanvir Ahmed
Child Disease and Surgical Care-BD (CDSC-BD)
For Online Paid Consultation: Call / What's app: 01974-088128

30/01/2026

📌বয়স অনুযায়ী শিশুদের সকাল ও বিকালের নাস্তা আইডিয়াঃ

৬–১২ মাস বয়সী শিশুর ক্ষেত্রে নাস্তা খুব নরম ও সহজপাচ্য হওয়া জরুরি। সকালে মায়ের দুধ বা ফর্মুলা দুধই প্রধান খাবার হওয়া উচিত। এর সঙ্গে কলা বা আপেল সেদ্ধ করে চটকে দেওয়া যেতে পারে। বিকালে লবণ ও চিনি ছাড়া টকহীন দই দেওয়া যায়। পাশাপাশি গাজর, কুমড়া বা আলুর মতো সবজি সেদ্ধ করে নরম করে দেওয়া উপকারী। এই বয়সে কোনোভাবেই চিনি, লবণ বা মধু দেওয়া উচিত নয়।

১–৩ বছর বয়সে শিশুদের শক্ত খাবারের অভ্যাস তৈরি হয়। সকালে দুধের সঙ্গে নরম বিস্কুট বা রুটি দেওয়া যেতে পারে। কলা দিয়ে বানানো প্যানকেক, ওটস বা অল্প পরিমাণ সেদ্ধ ডিম ভালো নাস্তা। বিকালে কাটা ফল যেমন পেঁপে, আপেল বা কলা দেওয়া যায়। পাশাপাশি সেদ্ধ সবজি, দই বা হালকা খাবার উপযুক্ত।

৪–৬ বছর বয়সী শিশুদের নাস্তা একটু বৈচিত্র্যময় হওয়া দরকার। সকালে সবজি বা ডিম দিয়ে তৈরি স্যান্ডউইচ, দুধ বা অল্প চিনি দেওয়া মিল্কশেক দেওয়া যেতে পারে। চিড়া দুধে ভিজিয়ে খাওয়ানোও ভালো বিকল্প। বিকালে ঘরে বানানো কেক বা মাফিন, ফলের সঙ্গে দই মিশিয়ে, অথবা ভাজা ছোলা ও মাখানা দেওয়া যেতে পারে।

৭–১২ বছর বয়সে শিশুদের শক্তি ও পুষ্টির চাহিদা বেশি থাকে। সকালে পিনাট বাটার বা ডিমের স্যান্ডউইচ, ফলের স্মুদি এবং দুধ দেওয়া ভালো। বিকালে ফল চাট, বাদাম ও কিশমিশ, অথবা অঙ্কুরিত ডাল ও ছোলা স্বাস্থ্যকর নাস্তা হিসেবে দেওয়া যায়।

সব বয়সের ক্ষেত্রেই প্রতিদিন নাস্তা পরিবর্তন করা ভালো, যাতে শিশু একঘেয়ে না হয়। অতিরিক্ত ভাজা খাবার, প্যাকেটজাত খাবার ও চিনি এড়িয়ে চলা উচিত। পর্যাপ্ত পানি পান করার অভ্যাস গড়ে তোলাও খুব গুরুত্বপূর্ণ।

অনুগ্রহ করে সবাই সচেতন হোন।
মনে রাখবেন — আপনার সচেতনতা, আপনার সন্তানের জন্য আশীর্বাদ।

নিজে জানুন, পোস্টটি শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন।

ধন্যবাদ 🙏

Dr.Tanvir Ahmed
Child Disease and Surgical care BD (CDSC-BD)
For online paid consultation: Call / What's app: 01974-088128

ORS / Rice ORS দেয়ার সঠিক নিয়ম জেনে নিন।
24/01/2026

ORS / Rice ORS দেয়ার সঠিক নিয়ম জেনে নিন।

🧠 শিশুদের জন্য শিক্ষামূলক YouTube চ্যানেল লিস্ট🔤 ভাষা ও বর্ণমালা শেখা১. Alphablocks – বর্ণমালা ও শব্দ শেখায়২. StoryBots ...
17/01/2026

🧠 শিশুদের জন্য শিক্ষামূলক YouTube চ্যানেল লিস্ট

🔤 ভাষা ও বর্ণমালা শেখা

১. Alphablocks – বর্ণমালা ও শব্দ শেখায়
২. StoryBots – প্রশ্ন-উত্তরের মাধ্যমে মজার শিক্ষা
৩. Pinkfong – রঙিন গান ও গল্প দিয়ে শেখানো হয়
৪. Mother Goose Club – ছড়া, গান ও গল্প
৫. Sesame Street – ভাষা ও সামাজিক দক্ষতা শেখায়
৬. PBS Kids – ক্লাসিক কার্টুনের মাধ্যমে শিক্ষা
৮. Little Baby Bum – ছড়া ও সংখ্যার ধারণা
৯. Read Kids – গল্প ও উচ্চারণ শেখায়
১০. Peep and the Big Wide World – কথাবার্তা ও চিন্তা শেখায়।

🔢 গণিত শেখার জন্য

১১. Numberblocks – সংখ্যার ধারণা তৈরি করে
১২. Khan Academy Kids – গণিত, বিজ্ঞান, ভাষা সহ সব
১৩. Math & Learning Videos 4 Kids – ছড়া ও ভিডিওর মাধ্যমে অঙ্ক
১৪. The Singing Walrus – গান দিয়ে সংখ্যা শেখায়
১৫. Preschool Prep Company – রঙ, আকার, সংখ্যা শেখায়।

🌍 বিজ্ঞান ও প্রকৃতি বিষয়ক

১৬. SciShow Kids – সহজ ভাষায় বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা
১৭. Peekaboo Kidz – শরীর, প্রাণী ও প্রকৃতি বিষয়ক
১৮. Crash Course Kids – প্রাথমিক স্তরের বিজ্ঞান
১৯. Kids Learning Tube – ভূগোল, স্বাস্থ্য, মহাকাশ
২০. MinuteEarth (for Kids) – পৃথিবী ও প্রকৃতির গল্প।

🎨 শিল্প ও সৃজনশীলতা

২১. Art for Kids Hub – ধাপে ধাপে ড্রইং শেখায়
২২. Simple Kids Crafts – সহজ হস্তশিল্প
২৩. Cartooning Club How to Draw – কার্টুন আঁকা শেখায়
২৪. Red Ted Art – পেপার ও রিসাইকেল আর্ট
২৫. Hello Wonderful – DIY আর্ট প্রজেক্ট

💬 বাংলাভাষী শিক্ষামূলক চ্যানেল

২৬. Champs21 – স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য
২৭. Magic Pencil – কার্টুন ও গল্পে শিক্ষা
২৮. BornoMala TV – বাংলা বর্ণ ও কনসেপ্ট
২৯. Shishu Shikkha – বাচ্চাদের প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা
৩৫. Hello Kids Bangladesh – ছড়া, গান ও কনসেপ্ট

YouTube Kids অ্যাপ ব্যবহার করতে উৎসাহ দিন।

দৈনিক নির্দিষ্ট সময়ের বেশি স্ক্রিন ব্যবহার করতে দিবেন না। সবচেয়ে ভালো হয় ডিভাইস ব্যবহার না করতে দিলে।

©Dr.Tanvir Ahmed
our group : Child Disease and Surgical Care-BD (CDSC-BD)

10/01/2026

Solo,Norsol,Nosomist (0.9%Nacl containing) ড্রপ ছাড়া অন্যগুলো ডা: এর পরামর্শ ছাড়া বেশিদিন ব্যবহার করবেন না।

05/01/2026

অপ্রয়োজনীয় Monas/ Montelucast এর ক্ষতিকর দিক....

মনে রাখবেন:
Montelukast শুধুমাত্র
✔️ Allergic rhinitis
✔️ Bronchial asthma
✔️ Exercise-induced asthma
এই সমস্যায় ব্যবহার হয়

📌 সব হাঁচি মানেই allergy না
📌 আর সব allergy মানেই Montelukast না

🙏 ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া
❌ নিজের মতো করে
❌ শিশুদের নিয়মিত এই ওষুধ দেবেন না

03/01/2026

📌ডায়রিয়া হলে শুরুতেই যেসব ওষুধ খাওয়ানো উচিত নয়ঃ

#ডায়রিয়া শুরু হলে নিজে নিজে বা পরামর্শ ছাড়া নিচের ওষুধগুলো খাওয়াবেন না—
#অ্যান্টিবায়োটিক
(যেমন: মেট্রোনিডাজল, নিটাজক্সানাইড, সিপ্রোফ্লক্সাসিন, আজিথ্রোমাইসিন, ইরিথ্রোমাইসিন ইত্যাদি)
#অ্যান্টিডায়রিয়াল ওষুধ
(যেমন: লোপেরামাইড)
#গ্যাসের ওষুধ
এসব ওষুধ অপ্রয়োজনে খেলে ক্ষতি হতে পারে এবং ডায়রিয়া জটিল আকার নিতে পারে।

#ডায়রিয়া চলাকালীন যা অবশ্যই করতে হবে

নিয়মিত খাবার স্যালাইন (ORS) খাওয়াতে হবে
প্রতিবার পাতলা পায়খানার পর ORS দিন
অল্প অল্প করে বারবার খাওয়ান

©Dr.Tanvir Ahmed

আমরা অনেক সময় ভাবি, এত বারণ করার পরও বাচ্চারা কেন কারেন্টের সকেট, কাঁচের জিনিস বা ছোট জিনিসে হাত দেয়। আসলে এটা দুষ্টুমি ...
03/01/2026

আমরা অনেক সময় ভাবি, এত বারণ করার পরও বাচ্চারা কেন কারেন্টের সকেট, কাঁচের জিনিস বা ছোট জিনিসে হাত দেয়। আসলে এটা দুষ্টুমি না। এই বয়সে বাচ্চারা ছুঁয়ে, ধরে আর মুখে দিয়ে পৃথিবীকে চিনতে শেখে। এটাই ওদের শেখার স্বাভাবিক উপায়। তাই সারাক্ষণ “না, ধরবে না” বললে ওদের শেখার আগ্রহে বাধা পড়ে।

সমাধান হলো বাচ্চাকে বদলানো নয়, ঘরটাকে একটু বাচ্চাবান্ধব করা। মেঝেতে নেমে বাচ্চার চোখে ঘরটা দেখুন, খোলা তার বা ছোট জিনিস সরিয়ে রাখুন, ভারী ফার্নিচার দেয়ালে আটকান, ধারালো কোণায় গার্ড লাগান আর সকেটে কভার ব্যবহার করুন। এতে বাচ্চা নিরাপদ থাকবে, আবার স্বাভাবিকভাবে শেখার সুযোগও পাবে।

চোকিং বা শ্বাসনালীতে কিছু আটকে গেলে খুব দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। প্রথমে দেখুন মানুষটি কাশি দিতে পারছে কি না—যদি জোরে...
29/12/2025

চোকিং বা শ্বাসনালীতে কিছু আটকে গেলে খুব দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। প্রথমে দেখুন মানুষটি কাশি দিতে পারছে কি না—যদি জোরে কাশি দিতে পারে, তাকে কাশি দিতেই উৎসাহ দিন। ১ বছরের কম বয়সী শিশুর ক্ষেত্রে কখনো Heimlich বা পেটের চাপ দেওয়া যাবে না। শিশুকে উবুড় করে মাথা নিচের দিকে রেখে পিঠে দুই কাঁধের মাঝখানে ৫ বার জোরে চাপ দিন, তারপর চিৎ করে শুইয়ে বুকের মাঝখানে দুই আঙুল দিয়ে ৫ বার চাপ দিন। এভাবে পালা করে করুন যতক্ষণ না জিনিসটি বের হয়। ১ বছরের বেশি শিশু বা বড়দের ক্ষেত্রে, যদি কথা বলতে বা কাশি দিতে না পারে, তবে পেটের উপরের অংশে (নাভির একটু ওপরে) পেছন থেকে জোরে চাপ দিন—এটাই Heimlich পদ্ধতি। গর্ভবতী বা খুব মোটা মানুষের ক্ষেত্রে পেটে নয়, বুকের মাঝখানে চাপ দিতে হয়। কেউ অচেতন হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে সাহায্য ডাকুন, CPR শুরু করুন, আর মুখে কিছু দেখা গেলে তবেই তুলুন—অন্ধভাবে আঙুল ঢোকাবেন না। সঠিক ও দ্রুত ব্যবস্থা নিলে জীবন বাঁচানো সম্ভব।

 #ডায়রিয়া হলে প্রতিবার পায়খানার পর শিশুর যত কেজি ওজন, তত চা-চামচ অথবা আনুমানিক যতটুকু পায়খানা হয়েছে, সেই পরিমাণ খাবার স্...
27/12/2025

#ডায়রিয়া হলে প্রতিবার পায়খানার পর শিশুর যত কেজি ওজন, তত চা-চামচ অথবা আনুমানিক যতটুকু পায়খানা হয়েছে, সেই পরিমাণ খাবার স্যালাইন খাওয়াতে হবে।

যদি শিশু বমি করে, তাহলে একসাথে বেশি না দিয়ে ৩–৪ মিনিট পর পর ১ চা-চামচ করে ধীরে ধীরে খাওয়াতে হবে।

📌বুকের দুধ ও খাবার বিষয়ে নির্দেশনা

২ বছরের নিচের শিশুদের ক্ষেত্রে:
খাবার স্যালাইনের পাশাপাশি মায়ের বুকের দুধ অবশ্যই চালু রাখতে হবে। কোনো অবস্থাতেই বুকের দুধ বন্ধ করা যাবে না।

৬ মাসের বেশি বয়সী রোগীদের ক্ষেত্রে:
খাবার স্যালাইনের পাশাপাশি সব ধরনের স্বাভাবিক খাবার খেতে দিতে হবে। রোগীর খাবার বন্ধ করা যাবে না।

📌তরল খাবার কী দেবেন, কী দেবেন না
ডায়রিয়ার সময় রোগীকে খাবার স্যালাইনের পাশাপাশি বেশি বেশি তরল খাবার দিতে হবে।
যেমন— ডাবের পানি, চিড়ার পানি, ভাতের মাড়, স্যুপ ইত্যাদি। তবে রোগীকে কোমল পানীয়, ফলের জুস, আঙ্গুর ও বেদানা খাওয়ানো যাবে না।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Child Disease & Surgical Care - BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category