Nutri Health By Nutritionist Roksana Amin

Nutri Health By Nutritionist Roksana Amin Roksana Amin is dietitian in Bangladesh with more than 10 years of experience. She is registered consultant dietatian at BIHS.

Roksana Amin is being in nutritionist profession from 2007 with a passionate commitment to bring integrative nutrition to Bangladesh. From Her early age of Nutrition career she practiced at a reputed private hospital in Dhaka where she provided whole kid of nutrition care to over 1200 patients. Nutritionist Roksana Amin graduated with a bachelor’s degree in M.Sc. Foods and Nutrition from Dhaka University and Masters of Public Health (MPH) from South Asia University. She later earned her Nutrition & Diet Therapy from Diet Counseling Centre. Thereafter, she is attending lot of seminar in Dhaka city related in National health care improvement. Nutritionist Roksana Amin believes that many factors contribute to health and illness: nutrition, physical activity, emotional/psychological stresses and the environment, among others. She has a special interest in how nutrition and intestinal health contribute to overall wellness.

26/03/2022
09/10/2021

সুস্থ থাকার জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত শরীরচর্চার বিকল্প নেই। মেদ কমাতে কিংবা সুস্থ থাকতে প্রতিদিন শরীরচর্চা করছেন কিন্তু জানেন কি, কখন শরীরচর্চা করলে লাভ বেশি?

বেশিরভাগ মানুষই ঘুম থেকে ওঠার পর সকাল বেলাকে ব্যায়ামের উপযুক্ত বলে মনে করেন।


কারও যদি সকালে দেরিতে ওঠার অভ্যাস থেকে থাকে? তখন কখন ব্যায়াম করবেন? কিংবা যদি মর্নিং ডিউটিতে পৌঁছে যেতে হয় কর্মস্থলে, তা হলে কি ব্যায়াম করতে হবে না?

মোটেও তেমনটা নয়।

‘জার্নাল অব ফিজিওলজি’তে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্র থেকে জানা গিয়েছে, বেলা ১–৪টার মধ্যে ব্যায়াম করলে ভালোভাবে ব্যায়াম করা যায়। এ সময় শরীর গরম থাকে, পেশি নমনীয় থাকে, হার্টরেট–রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় এমনটা বলা হয়েছে গবেষণায়। এ সময় ব্যায়াম করলে ক্যালোরি খরচ বেশি হয় বিশেষত, ওজন নিয়ে ব্যায়াম করলে বেশি টেস্টোস্টেরন তৈরি হয়— পেশির বৃদ্ধি ও শক্তি বাড়ানোর জন্য যার বিশেষ প্রয়োজন।

কিন্তু অনেকেই দুপুর বা বিকেলেও শরীরচর্চা করার সময় পান না। তা হলে সন্ধ্যা ৭–১০টার মধ্যে? যদি রাতে ঘুম না আসে? তাহলে রাতে শরীরচর্চা করতে পারেন। তবে রাতে হালকা ব্যায়াম করতে হবে।

ওজন কমাতে চাইলে সকালে খালি পেটে শরীরচর্চা করা ভাল। পেশি গঠন করতে চাইলে দুপুরে বা বিকেলে। রাতে শরীরচর্চা করলে ভালো ঘুম হয়।

01/10/2021

#গরম পানির উপকারীতা

একদল জাপানি চিকিৎসক নিশ্চিত করেছেন যে কয়েকটি স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধানে গরম পানি ১০০% কার্যকরঃ
০১. মাইগ্রেন
০২. উচ্চ রক্তচাপ
০৩. নিম্ন রক্তচাপ
০৪. জয়েন্ট এর ব্যথা
০৫. হঠাৎ হৃৎস্পন্দন বৃদ্ধি এবং হ্রাস
০৭. কোলেস্টেরলের মাত্রা
০৮. কাশি
০৯. শারীরিক অস্বস্তি
১০. গাটের ব্যথা
১১. হাঁপানি
১২. কাশি
১৩. শিরায় বাধা
১৪. জরায়ু ও মূত্র সম্পর্কিত রোগ
১৫. পেটের সমস্যা
১৬. ক্ষুধার সমস্যা
১৭. মাথা ব্যথা

*কীভাবে গরম পানি পান করবেন?*
নিয়মিত রাত ১০-১১টার মধ্যে ঘুমিয়ে খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে প্রায় ২ গ্লাস গরম পানি পান করতে হবে, প্রথম দিকে ২ গ্লাস পানি পান করতে সক্ষম নাও হতে পারে কেউ তবে আস্তে আস্তে এটি করতে পারবে।

*বিঃদ্রঃ: গরম পানি পান করার পরে ৪৫ মিনিট কোনো কিছুই খাওয়া যাবে না।*

*ঠান্ডা পানি পান করা মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে! যদি অল্প বয়সে ঠাণ্ডা পানি প্রভাবিত না করে, তবে এটি বৃদ্ধ বয়সে ক্ষতি করবেই।*

*ঠান্ডা পানি হার্টের ৪টি শিরা বন্ধ করে দেয় এবং হার্ট অ্যাটাকের কারণ হয়। হার্ট অ্যাটাকের মূল কারণ হ'ল কোল্ড ড্রিঙ্কস।

*এটি লিভারেও সমস্যা তৈরি করে। এটি লিভারের সাথে ফ্যাট আটকে রাখে। লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের অপেক্ষায় থাকা বেশিরভাগ মানুষ ঠান্ডা পানি পান করার কারণে এর শিকার হয়েছেন।

*ঠান্ডা পানি পেটের অভ্যন্তরীণ দেয়ালকে প্রভাবিত করে। এটি বৃহত অন্ত্রকে প্রভাবিত করে এবং ফলস্বরূপ ক্যান্সারে রুপ নেয়।

*দয়া করে এই তথ্যটি নিজের কাছে রাখবেন না কাউকে বলুন, এটি কারওর জীবন বাঁচাতে পারে।*

সংগ্রহ করা, জাপানি ডাঃ মেনসাহ-আসরে হতে। @ Collected

13/07/2021

Covid-19 বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। এই পরিস্থিতিতে অকারণে panic না করে কয়েকটি কথা মনে রাখুন।

1. Covid রোগীর গায়ে হাত দিলেই Covid ছড়ায় না...
এটি এক প্রকার Droplet infection. একমাত্র তার হাঁচি, কাশি বা কথা বলার সময়েই লালার সূক্ষ্ম কণিকার মাধ্যমে ভাইরাস তার শরীর থেকে বেরোতে পারে। এবং তাও আপনার গায়ে লাগলে, পিঠে লাগলে, এমনকি তা খাবারের সঙ্গে আপনার পেটে গেলেও আপনি আক্রান্ত হবেন না। ভাইরাস একমাত্র আপনার শ্বাসনালীর মাধ্যমে ফুসফুসে গেলেই সংক্রমণ সম্ভব।
তাই কোনো Covid রোগী মাথা ঘুরে পরে গেলে তাকে তুলতে গেলে আপনারও Covid হয়ে যাবে না। বিপদে পাশে থাকুন। তবেই আপনারও বিপদে মানুষকে পাশে পাবেন। শুধু মনে রাখবেন নাকে বা মুখে হাত দেবেন না। ভয় করলে Covid রোগীর সংস্পর্শে আসার পর হাত Alcohol Sanitizer দিয়ে Sanitise করে ফেলুন বা সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। খুব ভয় করলে পরনের পোশাক কেচে ফেলুন এবং স্নান করে নিন।

2. Covid হলেই মানুষ মরে না, এটি কোনো মারন ব্যাধি নয়। এর Death Rate দুই শতাংশেরও কম। কিন্তু Covid রোগী isolation-এ থেকে প্রচণ্ড ভাবে মানসিক ভাবেও অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ে। তার immunity বা অনাক্রমনতা কমে যায়। তাই রোগীকে সহজপাচ্য পুষ্টিকর খাবার দিন এবং পরিচিতদের Covid হলে call করে, Video call করে, একসঙ্গে online games খেলে, movie suggest করে তাকে মাতিয়ে রাখুন।

3. বাড়িতে Covid Patient না থাকলে বাড়ির মধ্যে Mask পরে থাকবেন না। ঘর থেকে না বেরোলে মনের বিকার ঘটা এবং immunity কমে যাওয়া স্বাভাবিক। তাই বিকেলবেলা রাস্তায় না, বাগান থাকলে সেখানে বা না থাকলে ছাদে একটু হেঁটে ও শরীর চর্চা করে আসুন। এতে ঘরে বসে বসে ওবেসিটির সম্ভাবনাও কমবে। (মনে রাখবেন শুধুমাত্র immunity boosting খাবার খেয়ে আদৌ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে না, প্রকৃতির সংস্পর্শে না এলে কখনোই বাড়বে না।) শরীরচর্চা করা বা নির্জন ছাদে হাঁটার সময় মাস্ক পড়বেন না। সাবধানতা অবলম্বনের এক দারুণ অস্ত্র Mask. কিন্তু এর Overuse করবেন না তথা বিনা কারণে (যেমন গাড়ি চালানোর সময় Helmet এর ভিতরে) পড়বেন না। এতে এমনিতেই আপনার শরীরে Oxygen এর ঘাটতি দেখা দেবে।

4. Oximeter থাকলে বিনা কারণে ঘন ঘন Saturation check করবেন না। এতে মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়বেন। একমাত্র জ্বর কিংবা অসুস্থ হলে check করবেন। 95 অবধি saturation খুব স্বাভাবিক। তাছাড়াও এই পরিস্থিতিতে Mask ব্যবহারের ফলে স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা কম দেখানোও একদমই অস্বাভাবিক না। Panic করবেন না।

5. রোগ না হয়ে থাকলে আগে থেকে ভয় পেয়ে ওষুধ কিনে বা অক্সিজেন সিলিন্ডার কিনে মজুত করে রাখবেন না। এও এক প্রকার কালোবাজারি। এতে যাদের প্রয়োজন তারা পাচ্ছেন না। দাম বেড়ে যাচ্ছে। after all সমগ্র মানবজাতির ক্ষতি করবেন না একা হাতে।

6. কোভিড সংক্রান্ত কোনো রকম সমস্যা হলেই নিকটবর্তী হাসপাতালে যান। সেখানে তৎক্ষণাৎ বেড না পেলেও আপনাকে Oxygen দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে এবং Rapid Test করানো হবে।

7. কাপড়ের মাস্ক পরা, না পরা সমান। N95 এবং Sanitizer এখন essential commodities. তাই এদের দাম এখন বেঁধে দেওয়া। N95 এবং Sanitizer ব্যবহার করুন। Office-এ বা বাইরে থাকলে কিছুক্ষণ অন্তর হাত Sanitise করুন। একটু হাত ঘষে ফেলার মতো একটি ক্ষুদ্র অভ্যেস যদি আপনার জীবন বাঁচিয়ে দিতে পারে তাহলে তা করবেন না কেনো?
এ বিষয়ে Face Shield - ও একটি দারুণ সুরক্ষা প্রদানকরী বস্তু। ব্যবহার করতে পারেন।

8. Covid Virus এর কিন্তু ডানা নেই, উড়ে উড়ে ছড়ায় না এই রোগ। তাই প্রতিবেশীর বাড়িতে Covid হলে একদমই panic করবেন না। বরং তাকে সাহায্য করুন। ওষুধ, খাদ্যসামগ্রী ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস ঘরের দরজায় পৌঁছে দিন। এতে আপনার Covid হবে না। ভয় করলে Mask, Face Shield, হাতে rubber gloves use করতে পারেন।
সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সাবধানতা অবলম্বন করুন। কিন্তু তাই বলে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর থেকে সরে আসবেন না। মনে রাখবেন তাদের বিপদের আপনি দাঁড়ালে একদিন আপনার বিপদেও তারা দাঁড়াবে।
আর এটুকুতেই ভয় পাওয়ার আগে মনে রাখবেন ডাক্তার এবং নার্সরা হাজার হাজার কোভিড রোগীকে নিয়ে কাজ করছেন। তারা কিন্তু সবাই সংক্রমিত হয়ে যাচ্ছেন না। তাই আপনার প্রতিবেশী, বন্ধু, আত্মীয় বা পরিচিত কেউ আক্রান্ত হলে যতোটুকু সম্ভব সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন।

আবারও বলছি, সময়টা খুব কঠিন। মানুষ মানুষের জন্যে, জীবন জীবনের জন্যে। এখন আপনি হেলাফেলা করলে আপনার জীবন বা আপনার পরিবারের মানুষদের জীবনও কিন্তু হেলাফেলা হয়ে যেতে পারে।
তাই নিজের যত্ন নিন।
মানুষের পাশে থাকুন।
সাবধানে থাকুন।

    বাংলাদেশেও ভারতের মত black fungus দেখা দিয়েছে। আপনারা সবাই সাবধানে থাকবেন। এই রোগ করোনার চেয়ে ২৫ গুণ শক্তিশালী।আক্রা...
28/05/2021



বাংলাদেশেও ভারতের মত black fungus দেখা দিয়েছে। আপনারা সবাই সাবধানে থাকবেন। এই রোগ করোনার চেয়ে ২৫ গুণ শক্তিশালী।

আক্রান্ত হলে নাক চোখ ফুলে যাবে । চোখে হলে সারাজীবনের জন্য অন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। brain এ চলে গেলে মৃত্যুর আশঙ্কা রয়েছে।
ভারতের মোট আক্রান্তের প্রায় ৫০% মৃত্যুবরণ করেছে। এখন সাবধান না হলে পরিণাম খুব খারাপ হবে যা কল্পনার বাইরে।

সবাইকে একটাই রিকোয়েস্ট বেশি বেশি দোয়া করেন। একমাত্র আল্লাহ তায়ালা পারে বিপদ থেকে রক্ষা করতে।

24/04/2021



মুসলিমরা রোজা রাখলে তাকে বলা হয় ‘সিয়াম’।
হিন্দু বা বৌদ্ধরা না খেয়ে থাকলে তাকে বলা হয় ‘ উপবাস ’ ।
খ্রিস্টানরা না খেয়ে থাকলে তাকে বলা হয় ‘’ফাস্টিং’ ।বিপ্লবীরা না খেয়ে থাকলে তাকে বলা হয় ‘’অনশন’ ।আর, মেডিক্যাল সাইন্সে উপবাস করলে তাকে বলা হয় অটোফেজি’ ।
খুব বেশি দিন হয়নি, মেডিক্যাল সাইন্স ‘ অটোফেজি’র সাথে পরিচিত হয়েছে ।
২০১৬ সালে নোবেল কমিটি জাপানের ডাক্তার
‘ ওশিনরি ওসুমি ’-কে অটোফেজি আবিষ্কারের জন্যে পুরষ্কার দেন ।
এরপর থেকে আধুনিক মানুষেরা ব্যাপকভাবে উপবাস করতে শুরু করেন।

যাই হোক , ‘ Autophagy ‘ কি.?

Autophagy শব্দটি একটি গ্রিক শব্দ ।
Auto অর্থ নিজে নিজে, এবং Phagy অর্থ খাওয়া ।
সুতরাং , অটোফেজি মানে
নিজে নিজেকে খাওয়া ।
না, মেডিক্যাল সাইন্স নিজের মাংস নিজে খেতে বলে না ।
শরীরের কোষগুলো বাইরে থেকে
কোনো খাবার না পেয়ে নিজেই যখন নিজের অসুস্থ কোষগুলো খেতে শুরু করে ,
তখন মেডিক্যাল সাইন্সের ভাষায় তাকেই অটোফেজি বলা হয় ।
আরেকটু সহজভাবে বলি ?

আমাদের ঘরে যেমন ডাস্টবিন থাকে ,
অথবা আমাদের কম্পিউটারে যেমন রিসাইকেল বিন থাকে, তেমনি আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষের মাঝেও একটি করে ডাস্টবিন আছে ।
সারা বছর শরীরের কোষগুলো
খুব ব্যস্ত থাকার কারণে, ডাস্টবিন পরিষ্কার করার সময় পায় না। ফলে, কোষগুলোতে অনেক আবর্জনা ও ময়লা জমে যায় ।
শরীরের কোষগুলো যদি নিয়মিত
তাদের ডাস্টবিন পরিষ্কার করতে না পারে ,
তাহলে কোষগুলো একসময় নিষ্ক্রিয় হয়ে শরীরে বিভিন্ন প্রকারের রোগের উৎপন্ন করে । ক্যান্সার বা ডায়াবেটিসের মতন অনেক বড় বড় রোগের
শুরু হয় এখান থেকেই। মানুষ যখন খালি পেটে থাকে, তখন শরীরের কোষগুলো অনেকটা বেকার হয়ে পড়ে। কিন্তু তারা তো আর আমাদের মত অলস হয়ে বসে থাকে না ,
তাই প্রতিটি কোষ তার ভিতরের আবর্জনা ও ময়লাগুলো পরিষ্কার করতে শুরু করে দেয় ।
কোষগুলোর আমাদের মতন আবর্জনা ফেলার জায়গা নেই বলে তারা নিজের আবর্জনা
নিজেই খেয়ে ফেলে।মেডিক্যাল সাইন্সে এই পদ্ধতিকে বলা হয় অটোফেজি ।
শুধুমাত্র এই জিনিসটা আবিষ্কার
করেই জাপানের ওশিনরি ওসুমি (Yoshinori Ohsumi) ২০১৬ সালে নোবেল পুরস্কারটা নিয়ে গেলেন । তিনি আবিষ্কার করেন যে ১২-২৪ ঘন্টা উপবাস/রোজা/ফাাস্টং রাখলে মানুষের দেহে অটোফেযি চালু হয়। তিনি প্রমান করেন যে, উপবাস/রোজা/ফাস্টিং রাখার মাধ্যমে মানুষের নিম্ন লিখিত উপকার গুলো হয়-

১| দেহের সেল পরিস্কার হয়।
২| ক্যান্সার সেল ধ্বংস হয়।
৩| পাকস্থলীর প্রদাহ সেরে যায়।
৪| ব্রেইনের কার্যকরীতা বাড়ে।
৫| শরীর নিজে নিজেই সেরে যায় (Autophazy)
৬| ডায়াবেটিস ভালো হয়।
৭| বার্ধক্য রোধ করা যায়।
৮| স্থূলতা দূর হয়।
৯| দীর্ঘ জীবন লাভ করা যায়।

23/04/2021

Covid 19 নিয়ে এই মুহূর্তে সবচাইতে আলোচিত Lancet report.

Lancet পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ Science Journal. এটি New York থেকে প্রকাশ হয়। Covid সংক্রান্ত বহু বহু তথ্য এখানে নিয়মিত প্রকাশ হয়। সারা পৃথিবীর সব দেশ, WHO, UNICEF ইত্যাদি সবাই Lancet report কে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখে।

12 April 2021 এর এই report এ বহু বহু তথ্য দিয়ে প্রমাণ করা হয়েছে, যে Covid19 বায়ু দ্বারা সংক্রামিত হয়। অন্য কোনো ভাবেই নয়। প্রসঙ্গত বলা উচিৎ, July 2020 এর এই Lancet journal এই 22 টি দেশের প্রায় 223 জন বিখ্যাত বিজ্ঞানী (যাঁদের মধ্যে 45 জন নোবেলজয়ী) জানিয়েছিলেন যে Covid নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি সম্ভবতঃ ভুল পথে যাচ্ছে। Lock down, Sanitization এসব করে এই Super spread রোখা যাবেনা। এতে বিপর্যয় বাড়বে। তখন এটা প্রমাণ করার মতন Data তাঁরা পাননি, এটা একটা hypothesis ছিল। এখন বিশাল তথ্য, data দিয়ে আরো বহু বিজ্ঞানী এটা প্রমাণ করেছেন। যাঁদের আগ্রহ আছে Duck Duck Go বা Google করে এই reprt পড়তে পারেন। খুব সহজবোধ্য ভাবে বোঝানো হয়েছে। এর কিছু অংশ

1. Covid রোগ কোনমতেই হাঁচি, কাশি, কফ, থুতু দিয়ে ছড়ায় না।
2. এটি পোষাক, জুতো, আসবাবপত্র, ধাতু, চামড়া এসব দিয়ে ছড়ায় না।
3. রুগীর ব্যবহার করা কোনো জিনিস এর স্পর্শে এই রোগ ছড়ায় না।
4. যানবাহন এর হাতল, সিঁড়ি এসবের মাধ্যমে ছড়ায় না।
5. এই জীবাণু ছড়ায় রোগীর কথা, নিঃস্বাস বায়ু, হাসি, চিৎকার এমনকি গান থেকেও। জীবাণু বাতাসে মেশে এবং বাতাসে বহুক্ষণ সক্রিয় থাকে।
6. যেহেতু বৃহৎ অংশের রোগীর কোনোরকম symptom থাকেনা বা খুব হালকা symptom থাকে, তাই এই আপাত সুস্থ রোগীরাই বেশিরভাগ রোগ ছড়ায়। বাস্তবে যত Covid রোগী পাওয়া গেছে তার 52% মতন রোগীর উৎস উপসর্গ হীন (Asymptomatic) রোগী।
7. ঘরের বাইরে থেকে ঘরের ভিতরে রোগ হবার সম্ভাবনা বহু গুণ বেশী এবং সে রোগ ভয়াবহ হবার সম্ভাবনা ও ঘরেই অনেক বেশি।
8. বারবার হাত ধুয়ে, sanitizer ব্যবহার করে, বাইরে থেকে ফিরেই জামাকাপড় sanitize করলে কোনোই লাভ নেই।
9. নিঃসন্দেহে প্রমাণিত যাঁরা বাইরে ঘুরেছেন তাঁদের চেয়ে যাঁরা ঘরে বদ্ধ থেকেছেন, তাঁদের রোগ হয়েছে বহুগুণ বেশী, এমনকি ভেন্টিলেটর এর প্রয়োজন বা মৃত্যু ও হয়েছে তাঁদের অনেক গুন বেশি। বাস্তবে মৃতদের প্রায় 86% ই ঘরে বদ্ধ ছিলেন। এই গৃহবন্দী নিয়ে report এ বহু detail আছে। বলা হয়েছে ঘরের থেকে রাস্তা, বড় বাগান, জঙ্গল, নদী এসব এলাকা বহুগুন ভালো। এমনকি ঘরের থেকে Shopping mall ও ভালো বলা হয়েছে, কারণ সেখানে জায়গা অনেক বেশি, তাই বাতাসে জীবাণুর ঘনত্ব কম।
10. ঘরের থেকে school, college অনেক অনেক safe প্রমাণ করা হয়েছে। Lancet report তাই সারা বিশ্বে বিশেষ করে ভারত, বাংলাদেশ, চীন এসব ঘন বসতিপূর্ন দেশে অবিলম্বে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের Vaccine দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু করতে বলা হয়েছে। এতে শিক্ষার উন্নতির সাথে শিশু কিশোরদের Covid হবার সম্ভাবনা ও অনেক কমে যাবে।
11. লক ডাউন এই রোগ নিয়ন্ত্রণে কোনো উপকারী তো নয় ই, বরং দীর্ঘদিন ঘরে বন্দী থেকে শহর এলাকায় এই রোগ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। এই ঘরে আবদ্ধ দশা না কাটালে সামনে ভয়াবহ রূপ দেখা যাবে, যা এখনো কল্পনার বাইরে।
12. ঘরে থাকার সময় দরজা জানালা যত বেশী সম্ভব খোলা রাখতেই হবে। বাড়ীর ভিতরে হাওয়া চলাচল না হলে সে বাড়ী ত্যাগ করাই শ্রেয়। কারণ এই রোগ অন্তঃত আরো 12-15 বছর থাকবেই।
13. 16 বছরের বেশি সবাইকে Vaccine নিতে হবে, দ্রুত আরো কম বয়সের শিশুদের এই vaccine এর আওতায় আনতে হবে।
14. ঘন বসতি পূর্ন শহরে এই রোগ অতিমাত্রায় ক্ষতিকর থাকবেই। আধা শহর বা গ্রামে এই রোগ অল্পদিনেই নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।
15. বলা হয়েছে, প্রত্যেকের নিজের পাশের 500 মিটার Radius এ কোন রোগী থাকলে এই রোগ হবার সম্ভাবনা প্রচুর। বলাই বাহুল্য, বড় শহরে একজনের 500 মিটার radius এ যত মানুষ থাকেন, একটা গোটা গ্রামে তত মানুষ পাওয়া যাবেনা।
16. দেখা গেছে একজনের বাড়ীর 7 টা বাড়ী পরে অন্যজনের Covid থেকে, ওই ব্যক্তির রোগ ছড়িয়েছে। এরকম উদাহরণ লক্ষ লক্ষ। বাড়ীর দেওয়াল, দরজা চোর আটকাতে পারলেও Rna virus আটকাতে পারেনা। আর বদ্ধ ঘরে বাতাসে জীবনূর ঘনত্ব অনেক গুণ বেশী হয়, তাই রোগ ভয়াবহ হয়।
17. দিনের বেশিরভাগ সময় বাইরে থাকুন, পারলে মাঝে মাঝেই একটু ফাঁকা জায়গা, গ্রাম, এসব এলাকায় যান। Lungs এর জীবাণু কমে যাবে। পারলে ঘন জনবসতি এলাকা ছেড়ে একটু আধা শহর এলাকায় বসবাস করুন। ইউরোপ, আমেরিকায় শহরে বাড়ী বিক্রি করার ধুম পরে গেছে। সবাই গ্রাম (ওরা বলে county side) এলাকায় বাড়ী খুঁজছে।
এরপর আপনারা ও ওই report পড়ুন।

16/04/2021

আমেরিকার মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সংক্রামক রোগ ক্লিনিকের প্রধান ডাঃ ফাহিম ইউনুস ২০ বছর ধরে ভাইরাস নিয়ে কাজ করছেন। তার মতো ভাইরাস চেনা ডাক্তার অনেক কম আছে। কোভিড ১৯ নিয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ন কিছু তথ্য টুইট করেছেন।
তিনি লিখেছেন, আমরা কত মাস বা কত বছর কোভিড ১৯ এর সাথে থাকবো তা কেউ জানিনা। এই অজানা সময়কে অস্বীকার করার যেমন দরকার নেই তেমনি আতঙ্কিত হবারও প্রয়োজন নেই। কোভিড ভাইরাস পর্যবেক্ষণ করে আমরা বিজ্ঞানীরা এপর্যন্ত যা বুঝেছি তাতে বলতে পারি, আমাদের জীবনকে অহেতুক কঠিন করার কোন প্রয়োজন নেই। আমাদের সুখে থাকা দরকার তার জন্যে দরকার করোনা নিয়ে সত্য কথাগুলো জানা।
সত্য কথাগুলি কি কি?
১) কোভিড থেকে বাঁচার শুধুমাত্র তিনটি উপায় আছে-- মাস্ক পড়া, হাত ধোয়া এবং ১.৮ মিটার দূরত্ব বজায় রাখা। এই তিনটি কাজ ভাইরাস থেকে রক্ষা পাবার সেরা পদ্ধতি।
২) গ্রীষ্মে ভাইরাসটি তার প্রভাব হ্রাস করে না। ভারত, ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনায় গ্রীষ্মকালেই ভাইরাসটি খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।
৩) লিটার কে লিটার গরম জল পান করে করে কোন লাভ নেই। কারণ সেল ওয়ালে ঢুকে যাওয়া ভাইরাসকে পান করা গরম পানির উষ্ণতা কোনো ক্ষতি করতে পারেনা। খামাখা শুধু বারবার টয়লেট যেতে হয় পেশাব করতে।
৪) যদি আপনার বাড়িতে কোভিড ১৯ রোগী না থাকে তবে বাড়ির মেঝে, দেয়াল, উপরিভাগের সব কিছুকে জীবাণুমুক্ত করার কোন দরকার নেই, কোনো লাভ নেই।
৫) কার্গো প্যাকেজ, শপিং ব্যাগ, পেট্রোল পাম্প, শপিং কার্ট বা ব্যাংকের এটিএম মেশিন সংক্রমণ সৃষ্টি করে না। আপনার হাত ধুয়ে নেবেন বারবার এবং যথারীতি আপনার জীবন যাপন করুন।
৬) কোভিড ১৯ কোন খাদ্য সংক্রমণ এর মাধ্যমে ছড়ানো রোগ নয়। এটি ফ্লুর সংক্রমণের মতো হাঁচি কাশির ফোটাগুলির সাথে সম্পর্কিত। অর্ডার করা খাবার থেকে কোভিড ১৯ সংক্রমণ হওয়ার কোনও প্রমাণিত ঝুঁকি পাওয়া যায়নি। আপনার অর্ডারকৃত খাবারগুলিকে আপনি চাইলে মাইক্রোওয়েভে কিছুটা গরম করে নিতে পারেন।
৭) অনেকে মনে করেন সুয়ানা নিলে গরম বাষ্প শরীরে প্রবেশ করে কোভিড ভাইরাসগুলিকে হত্যা করবে,-- কখনোই না। যা কোষে প্রবেশ করেছে তাকে কোন প্রকার উষ্ণতা ধ্বংস করতে পারবেনা, তা পানি বা বাষ্প যাই হোক।
৮) অনেক অ্যালার্জি এবং অন্য ভাইরাল সংক্রমণ হলেও আপনার গন্ধ অনুভূতি হারাতে পারেন। গন্ধ না পাওয়া কোভিড ১৯-এর একটি অ-নির্দিষ্ট লক্ষণ, সু-নিদৃষ্ট লক্ষণ নয়।
৯) বাইরে থেকে বাড়ি ফিরে আসার পর তাৎক্ষণিক জামাকাপড় পরিবর্তন করার এবং স্নান করার কোনো দরকার নেই। স্নানে-শুদ্ধতা একটি পুণ্যের কাজ হলেও কোভিড ঠেকাতে এটির প্রয়োজন নেই।
১০) কোভিড ১৯ ভাইরাসটি বাতাসে ভেসে থাকে না। এটি একটি ড্রিপ সংক্রমণ যার জন্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ প্রয়োজন। তাই আপনি খোলা পার্কের নির্মল বাতাসে অন্য মানুষের সাথে দূরত্ব বজায় রেখে ঘুরে আসতে পারেন।
১১) কোভিড ১৯ মানুষের জাতি বা ধর্ম বুঝে আক্রমন করেনা, যেকোন ধরণের যেকোন জাতির মানুষ এতে আক্রান্ত হতে পারে।
১২) অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বিশেষ সাবান ব্যবহার না করে কোভিড ১৯ এর বিপরীতে যেকোন সাধারণ সাবান ব্যবহার করাই যথেষ্ট। ভাইরাস কোনভাবেই ব্যাকটিরিয়া নয়।
১৩) আপনার জুতোর মাধ্যমে কোভিড ১৯ বাড়িতে এনে অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা দিনে মাথায় দু'বার বজ্রপাত হবার মতো। আমি ২০ বছর ধরে ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছি, বুঝেছি ড্রপ সংক্রমণ কখনো জুতার নাধ্যমে ছড়িয়ে যায় না।
১৪) ভিনেগার, সোডা, আদার রস, বিভিন্ন হারবের রস জাতীয় জিনিষ পান ভাইরাস থেকে রক্ষা করেনা। বৈজ্ঞানিক কোন প্রমাণ নেই। এন্টি অক্সিজেন জন্য মাসরুম জাতীয় কিছু নাচারাল খাবার খেতে পারেন।
১৫) সারাক্ষন গ্লাভস পরে থাকা একটি ভুল ধারণা, ভাইরাসটি গ্লাভসে জমে থাকতে পারে, এবং তারপর নিজের অজান্তে আপনার মুখটি স্পর্শ করলে সহজেই সংক্রমণ হতে পারে।
১৬) রেস্টুরেন্ট কর্মীরা একটি গ্লাভস পরেই সব খাদ্য স্পর্শ করতে থাকে, এটি প্রায়শঃই বদলানো দরকার। সাধারণ মানুষদের জন্য গ্লাভসের বদলে বারবার হাত ধোওয়াই ভাল।

12/04/2021

মনটা অনেক খারাপ অনেক ... 😞😞 আমার এক পরিচিত আপু গতকাল মারা গেসেন স্ট্রোক করে। বয়স মাত্র 35, ছোট ছোট তিনটা বাচ্চা রেখে। উনি বরাবরই হেলদি গঠনের ছিলেন। তো গত জানুয়ারিতে দেখা হয়েছিলো, দেখে অনেকটা অবাক হয়েছিলাম। কারণ উনি অনেক শুকিয়ে গেসিলেন। জিজ্ঞাসা করলাম হঠাত্ এতো শুকালেন কিভাবে।
বললেন , কিটো করেছি রে। এখন এতো ভাল্লাগে নিজেকে। বিয়ের ব্লাউজ ফিট হয়। বলে হাসলেন অনেক্ষন। তবে আমি কেন যেনও কিছুটা চিন্তিত হয়ে পড়েছিলাম। কারণ উনি নিজে নিজে ই কোনও পরামর্শ ছাড়া করেছিলেন। আমার মতো প্রেশার/ কলেস্ট্রোল এর কোনও প্রবলেম না হয় মনে মনে দোয়া করেছিলাম। তারপরও মন খারাপ হবে বলে মুখে কিছু বলেনি।
উনি কিভাবে মারা গেসে এটা বলতেই ওনার আম্মা বললো ওনার নাকি ইদানিং অনেক হাই প্রেশার থাকতো। ডক্টর ও দেখিয়েছিলেন, নিয়মিত ঔষধ খাচ্ছিলেন তারপর ও নাকি প্রেশার নর্মাল থাকতো না। অথচ যখন মোটা ছিলেন তখন নাকি প্রেশার নর্মাল ছিলো। কখনও প্রেশারের তেমন সমস্যা ছিলো না। বারবার বাচ্চা গুলো র কথা চিন্তা করে অনেক কষ্ট লাগতেসে।
যেসব আপুরা কিটো করতেসেন দয়া করে নিজের শারীরিক কন্ডিশন বুঝে শুনে করবেন। এজন্য ই আমি বারবার বলি এখনও বলছি না বুঝে ইন্টারনেট দেখে কোনও ডায়েট ফলো করা উচিত না। কারণ সবার বডি কন্ডিশন এক না।
(দয়া করে কেউ কমেন্টস এ তর্ক করবেন না যে, আমি কিটো করেছি কই আমি তো ফিট আছি! আপনি ফিট আছেন বলে সবাই ফিট থাকবে এটা কোথাও বলা নাই!) Collected.

Address

Dhaka
1216

Telephone

+8801818718052

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nutri Health By Nutritionist Roksana Amin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Nutri Health By Nutritionist Roksana Amin:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category

Our Story

Roksana Amin is being in nutritionist profession from 2007 with a passionate commitment to bring integrative nutrition to Bangladesh. From Her early age of Nutrition career she practiced at a reputed private hospital in Dhaka where she provided whole kid of nutrition care to over 1200 patients. Nutritionist Roksana Amin Graduated with a Bachelor’s Degree in M.Sc. Foods and Nutrition from Dhaka University and Masters of Public Health (MPH) from South Asia University. Later on she earned her Nutrition & Diet Therapy from Diet Counseling Center. Thereafter, she is attending lot of seminar in Dhaka city related in National health care improvement. Nutritionist Roksana Amin believes that many factors contribute to health and illness: nutrition, physical activity, emotional/psychological stresses and the environment, among others. She has a special interest in how nutrition and intestinal health contribute to overall wellness.