Doctor Sakila Siddika, Gynecologist

Doctor Sakila Siddika, Gynecologist দেশের মা এবং মেয়েদের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন ডাক্তার শাকিলা সিদ্দিকা। Doctor Sakila Siddika is your caring doctor. Sound mothers for sound nation.

She is practicing Obstetrics and Gynecology. She deals with the health of the female reproductive systems (va**na, uterus, and ovaries) and the breasts along with family medicine. Please message for your issue and wait till she back.

দশটি ভয়ঙ্কর সত্যি ঘটনা- ওসুধ দেখে কিনুন, না হলে ভীষণ বিপদ। ১. রোগী প্রেগন্যান্ট। প্রি-একলাম্পশিয়া। ব্লাড প্রেশার অত্যধিক...
26/02/2025

দশটি ভয়ঙ্কর সত্যি ঘটনা- ওসুধ দেখে কিনুন, না হলে ভীষণ বিপদ।

১. রোগী প্রেগন্যান্ট। প্রি-একলাম্পশিয়া। ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেশি।তাকে উচ্চ রক্তচাপের জন্য একজন প্রসূতি রোগ চিকিৎসক দিয়েছেন Tab. Nidipine SR (20 mg)। দোকানদার দিয়েছে Tab. Nintoin SR (100 mg), যা একটি অ্যান্টিবায়োটিক। ছবিতে সংযুক্ত এই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ রোগীর ব্লাড প্রেশার কতোটুকু কমলো?

২. Tab. Metfo (500 mg) প্রেসক্রাইব করা হয়েছিল। দোকানদার Tab. Metro (500 mg) দিয়ে বলে ডাক্তার ভুল করে চলবে লিখেছে। ৫ দিনের বেশি খেয়েন না। আর একবেলা না, এটা তিনবেলা খেতে হয়। নতুন ডাক্তার তো বোঝেনি। প্রথমটি ডায়াবেটিসের ওষুধ। শেষেরটি এন্টিপ্রটোজোয়াল। বাংলাদেশে ডায়রিয়া/আমাশয় হলে সবাই এটির ওপর হামলে পড়ে (ফ্লাজিল)। ডায়াবেটিস কতোটুকু কমলো?

৩. হাইপারথাইরয়েডিজমের জন্য রোগীকে Tab. Metirox (5 mg) প্রেসক্রাইব করা হয়েছিল। ফার্মেসির বড়ো ডাক্তার সাহেব এর বদলে Tab. Metorax (10 mg) দিয়ে দিয়েছেন। এটি একটি ভীষণ ভয়ঙ্কর ওষুধ। ভয়ঙ্কর বললাম এই অর্থে, এটির মারাত্মক এডভার্স ইফেক্ট হতে পারে এদিক-সেদিক হলে। অবধারিতভাবে উক্ত রোগী মেথোট্রেক্স্যাট টক্সিসিটি নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

৪. এক পেশেন্টকে দেওয়া হয়েছে Cap. Nintoin SR (100 mg)। তিনি ৭ দিন পর এসে বললেন, স্যার তলপেটে ব্যথা, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া কিছুই তো কমে না। কী ওষুধ দিলেন। তাকে ওষুধের পাতা দেখাতে বলা হলো। ওষুধ চেক করে দেখা গেলো Tab. Nitrin SR (2.6 mg) খাচ্ছে ৭ দিন ধরে। প্রথমটি এন্টিবায়োটিক। দ্বিতীয়টি হার্টের রোগের গুরুত্বপূর্ণ একটি ওষুধ। তবে এস্টাবলিশড হার্ট ডিজিজের রোগীদের ক্ষেত্রেও এটি প্রেসক্রাইব করতে আমরা অনেক সতর্ক থাকি। অনেক 'যদি কিন্তু' মিলিয়ে তারপর সিদ্ধান্ত নিতে হয় এই রোগীকে আমরা নাইট্রেটস দেব কি দেব না। দিলে রোগীর উপকার হবার সম্ভাবনা বেশি না-কি ক্ষতির ঝুঁকি বেশি।

৫. পেশেন্টকে প্রেসক্রাইব করা হয়েছে Cap. Nintoin SR (100mg )। ফার্মেসির দারুণ বিজ্ঞ ব্যক্তি দিয়ে দিয়েছেন Nobesit XR (500mg)। প্রথমটি এন্টিবায়োটিক, দ্বিতীয়টি ডায়াবেটিসের ওষুধ।

৬. এক রোগীকে দেওয়া হয়েছে Desolon (Contraceptive pills)। রোগী খেয়েছে Deslor ( ঠান্ডা/চুলকানির ওষুধ)। ফলাফল বলার অপেক্ষা রাখে না!

৭. পেশেন্টকে প্রেসক্রাইব করা হয়েছে Tab. Bislol (5 mg)। এটি উচ্চ রক্তচাপ/হার্টের রোগের ওষুধ। দোকানওয়ালা দিয়েছে Tab. Biofol (5 mg), এটি ফলিনিক এসিড। পেশেন্ট শিক্ষিত। তার সন্দেহ হয়েছে। বিসলল আর বায়োফল তো এক না। তিনি দোকানদারের দিকে সন্দেহের তীর ছুঁড়ে দিলেন। দোকানদার জানালেন, দুটো ওষুধ একই। একটা খেলেই হবে। পেশেন্ট এসে আবার জিজ্ঞেস করেছে দুটো একই ওষুধ কি-না।

৮. পালমোনারি হাইপারটেনশনের জন্য একজন বয়স্ক ব্যক্তিকে সিলডেনাফিল প্রেসক্রাইব করা হয়েছে। এটি অন্য একটি ইন্ডিকেশানে বহুল ব্যবহৃত। প্রেসক্রিপশন দেখে দোকানওয়ালা হায়হায় করে উঠলো। এমন বয়স্ক ব্যক্তিকে কেউ এসব ওষুধ দেয় না-কি? ডাক্তারের কোনো সামাজিক বিবেক-বিবেচনা নেই?
দোকানির উস্কানিতে চাচার ভাতিজারা এসে ডাক্তারকে পেটানোর ঘটনা ঘটেছে একবার।

৯. এক চিকিৎসক গ্রামের বাড়িতে গিয়ে রোগীকে লিখেছিলেন :
Tab. Cortan (20 mg)
সঙ্গে এন্টি আলসারেন্ট (গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ নামে প্রচলিত)। সেটিও ২০ মিলিগ্রাম।
তো তার এলাকার এক বড়ো ভাই নতুন 'দোকান' দিয়েছে। প্রেসক্রিপশন দেখে ভাবলো ২০ 'পাওয়ারের' আর কী ওষুধই হবে, 'গ্যাশের' ওষুধ ছাড়া!
তারপর থেকে রোগী একসঙ্গে খেলো
Tab. Pantonix (20 mg)
Cap. Sergel (20 mg)
বাহ কী ফুটফুটে সুন্দর না! দুই 'গ্যাশটিকের ওষুধ' একসঙ্গে আর ওদিকে আসল ওষুধের খবরই নেই!

১০. নারী রোগীকে দেওয়া হয়েছিল Normens (5 mg),
ফার্মেসির প্রফেসর দিয়েছে Norium (5 mg)। ফলাফল? তা আর বলতে!
লেখাটার ঢঙটা কেমন যেন হালকা চালের হলো। লেখাটা শেষ করে ভাবলাম, যে সহজ-সরল রোগীটি ভুলভাল ওষুধ পেয়ে বড়ো ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হলো, রোগ দীর্ঘায়িত হলো, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া লাগলো, জীবন ঝুঁকির সম্মুখীন হলো তাদের কতোটা কষ্ট হয়েছে। ওষুধের নাম নিয়ে যদি সন্দেহ থাকে তাহলে ফার্মেসির দোকানদার সে ওষুধটি না দিতে পারে, যদি সে ওষুধটি তার দোকানে না থাকে সেটি সরাসরি বলতে পারে--কিন্তু তা না তারা কিছু না কিছু ওষুধ দেবেনই। নইলে বিক্রি হবে না যে! আচ্ছা ওষুধ বিক্রি আর আলু-পটল বিক্রি কি এক? একটা ওষুধ মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত ঘটাতে পারে। এটি জেনেও তারা দুচার টাকার লোভ ছাড়তে পারেন না। ফলে কোনো না কোনো একটা ওষুধ 'গছিয়ে' দেবার চেষ্টা করেন। ওষুধের দোকানদারদের কাছে বিনীত অনুরোধ, প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে কিছু টাকা লাভ করতে চাইলে, সহজ-সরল মানুষকে ঠকিয়ে ব্যবসা করতে চাইলে অন্য কোনো পেশা বেছে নিন। মানুষের জীবন-মৃত্যু নিয়ে এভাবে খেলবেন না। আপনাদের মূর্খতা, অসতর্কতা, দায়িত্বহীনতা, বর্বরতা ও দগদগে বিশ্রী লোভ নিয়ে একটি জাতির স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়ে এভাবে খেলবেন না।

সরকারি পর্যায় থেকে এ বিষয়ে কঠোর মনিটরিং প্রয়োজন। ইলেকট্রনিক প্রেসক্রিপশনের ব্যাপারে জোর দিতে হবে। যথাযথ প্রশিক্ষণ ছাড়া কেউ যেন ফার্মেসি দিতে না পারে সে ব্যাপারে কঠোর হতে হবে। অপচিকিৎসকদের চিকিৎসা দেওয়া বন্ধ করতে হবে। প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ বেচাকেনা বন্ধ করতে হবে। প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক দিলে তাকে বারো ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার করে জেলে পুরতে হবে। অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সে দেশটা শেষ হয়ে গেলো।

লিখেছেনঃ
Ma'ruf Raihan Khan
Cardiologist
39th BCS

ঢাকায় কিন্তু ডায়রিয়া বেড়েছে...
30/03/2022

ঢাকায় কিন্তু ডায়রিয়া বেড়েছে...

পর্যাপ্ত না ঘুমালে আমাদের যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়:একজন সুস্থ মানুষের সুস্থ থাকার জন্য দৈনিক ৭ থেকে ৯ ঘন্টা ঘুমানো প্রয়োজন।ব...
26/09/2021

পর্যাপ্ত না ঘুমালে আমাদের যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়:

একজন সুস্থ মানুষের সুস্থ থাকার জন্য দৈনিক ৭ থেকে ৯ ঘন্টা ঘুমানো প্রয়োজন।
বর্তমান বিশ্বের প্রায় এক তৃতীয়াংশ মানুষ পর্যাপ্ত ঘুমায় না।
প্রতিদিন ৬ ঘন্টার নিচে ঘুমালে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হবে, ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বাড়বে।
Immune system যেমন দুর্বল হবে পাশাপাশি Inflammation(প্রদাহ) বাড়তে থাকবে, শরীরে যত ব্যাথা বেদনা বা বাতের ব্যাথা এগুলো বাড়তে থাকবে এবং অনেক ধরনের Inflammatory রোগে আপনি আক্রান্ত হবেন যেমন: Asthma, Arthritis etc.
পর্যাপ্ত ঘুম ব্যাতীত শরীর তার পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার (Detoxification) কাজ করতে পারে না। অর্থাৎ শরীরে Toxin জমতে থাকে বিশেষ করে Brain detoxify হতে পারে না।

স্বাভাবিক অবস্থার চাইতে ঘুমের ভেতর ১০ ভাগ বেশী Detoxification হয় Brain এ জমে থাকা Metabolic end product পরিস্কার হয়।
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্মৃতি শক্তি হারাতে থাকবে এবং Brain এর কার্যকারীতা কমতে থাকবে; Alzheimer’s রোগে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি বাড়বে।
এক সপ্তাহের ঘুমের ব্যাঘাতে হতে পারেন আপনি Pre-Diabetic patient.

আপনার Testosterone level significantly কমে যাবে আপনি হবেন নাম পুরুষ। নারী পুরুষ উভয়ের যৌন ক্ষমতা এবং আকাঙ্ক্ষা কমে যাবে।
পর্যাপ্ত ঘুম না হলে আপনার রক্তনালী Block হয়ে যেতে পারে এবং বিভিন্ন Cardiovascular সমস্যা দেখা দিতে পারে যেমন: Brain Stroke, Congestive Heart Failure.
বিভিন্ন মানসিক সমস্যার একটা মুল কারন হল অপর্যাপ্ত ঘুম যেমন: Anxiety, Depression, এমনকি অনেকে আত্মহত্যা করে ফেলেন।

ঘুম কম হলে আপনার অকারণে বার বার ক্ষুদা লাগবে এবং অস্বাস্থ্যকর খাবারের প্রতি আসক্ত হবেন। ওজন বাড়ার এবং (মিস্টি জাতীয় খাবারের প্রতি আকর্ষন)/Sugar addiction এর একটা মুল কারণ হল sleep deprivation. যদি ওজন কমেও ঘুম না হলে আপনার মুল্যবান Muscle loss করবেন। হাত পায়ের মাংসপেশী শুকিয়ে যাবে; কিন্তু পেটের চর্বি কমবে না।
আপনার মেজাজ থাকবে তিরিক্ষি, অকারণে মন খারাপ হবে, সব কিছু অসহ্য লাগবে আর শুধু বাজে এবং নেগেটিভ চিন্তা আসবে, ধৈর্য্য আপনার জীবন থেকে পালাবে, মাথা থাকবে গরম, শরীরে হবে জ্বালা পোড়া কোন কাজে উৎসাহ পাবেন না নিজেকে অলস মনে হবে Motivation বলে কিছু থাকবে না।
আর আপনাকে দেখতে বয়স্ক লাগবে, চেহারায় বয়সের ছাপ বাড়বে, সতেজতা চলে যাবে, চোখের নীচে কালো দাগ হয়ে যাবে, skin নষ্ট হবে, চেহারার উজ্জ্বলতা চলে যাবে।
পৃথিবীতে মানুষই বোধ হয় একমাত্র প্রাণী যে কিনা রাতের ঘুম নষ্ট করে নিজের ক্ষতি নিজেই করে এবং এত ক্ষতি জানার পরও অনেক সময় অকারণে রাত জাগে।
আমি এটা বুঝি না রাত জাগা কি করে রোমান্টিকতা বা বিনোদন হতে পারে যেখানে ক্ষতি ছাড়া কিছুই নেই তবে কি নিজের পায়ে কুড়াল মারাটা বিনোদন!!!

হায় সেলুকাস, আমাদের কবে সঠিক বুঝ হবে!!!

ডাঃ জাহাংগীর কবীর

14/08/2021

🔴এইমাত্র পাওয়া🔴
হোমিওপ্যাথিক ও ইউনানি ডিগ্রিধারী কোনো ব্যাক্তি নামের আগে ডাক্তার পদবি ব্যবহার করতে পারবেন না বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সারাদেশে গণহারে ভ্যাক্সিন দেয়া শুরু হয়েছে। অনেকেই বিভিন্ন রকমের প্রশ্ন করতেছেন। এক্ষেত্রে বিভিন্ন কমন প্রশ্ন ও উত্তর.. *...
08/08/2021

সারাদেশে গণহারে ভ্যাক্সিন দেয়া শুরু হয়েছে। অনেকেই বিভিন্ন রকমের প্রশ্ন করতেছেন। এক্ষেত্রে বিভিন্ন কমন প্রশ্ন ও উত্তর..
* আমার ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, এলার্জি বা হাপানী আছে। ভ্যাক্সিন দিতে পারব?
# উত্তরঃ অবশ্যই পারবেন। এসব রোগ যাদের আছে, তারা সবার আগেই ভ্যাক্সিন নেয়া উচিত। কারণ এরা রিস্ক জোনে আছে।
* আমার কোভিড পজিটিভ ছিল বা লক্ষ্মণ ছিল তবে পরীক্ষা করাইনি। ভ্যাক্সিন দিতে পারব?
# উত্তরঃ অবশ্যই পারবেন তবে পজিটিভ হওয়া বা জ্বর কাশি লক্ষ্মণ দেখা দেয়ার ২৮ দিন পর দেয়া উত্তম।
* গর্ভবতী মা এবং দুগ্ধ পান করাচ্ছেন এমন মায়েরা ভ্যাক্সিন নিতে পারবে?
# উত্তরঃ বাচ্চা দুধ খায় এমন মা রা যেকোন সময় ভ্যাক্সিন নিতে পারবে। তবে গর্ভবতী মা রা গর্ভের ১৩ থেকে ৩৩ সপ্তাহের মধ্যে ভ্যাক্সিন নিতে পারবে যা সম্পূর্ণ নিরাপদ।
* ভ্যাক্সিন দিলে নাকি হার্টের সমস্যা হচ্ছে বা অনেকে মারা যাচ্ছে?
# উত্তরঃ সামান্য জ্বর বা ব্যথা দেখা দেয়া যেকোন ভ্যাক্সিনের কমন সাইড ইফেক্ট। মারা যাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। খুবই অল্প সংখ্যক রুগীর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট একটি ভ্যাক্সিন দেয়ার পর সামান্য হার্টের প্রদাহ দেখা দিয়েছিল, তবে দ্রুত সুস্থও হয়ে গিয়েছে। অতএব এসব অমূলক চিন্তা থেকে বিরত থাকাই মঙ্গল।
* আমি রক্তদাতা বা ডোনার। ভ্যাক্সিন দেয়ার বা রক্ত দেয়ার নির্দেশনা কি?
# উত্তরঃ ভ্যাক্সিনও দিতে পারবেন, ব্লাডও ডোনেট করতে পারবেন। তবে ভ্যাক্সিন দেয়ার ২৮ দিন পর রক্ত দান করতে পারবেন। ২৮ দিনের ভেতরে নয়।
* ভ্যাক্সিন দেয়ার পরও আমার পুনরায় জ্বর, শরীর ব্যথা। এর কারণ?
# উত্তরঃ ভ্যাক্সিন দেয়ার পরও করোনা আক্রান্ত হতে পারেন। সেক্ষেত্রে করোনার প্রভাব খুবই কম থাকে, অল্পতেই সুস্থ হয়ে যায়। তাছাড়া জ্বরের কারণ অন্যান্য রোগ যেমন ডেঙ্গু বা টাইফয়েডও হতে পারে।
*কারা_ভ্যাক্সিন_নিতে_পারবেন_না?
জ্বর, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, ক্যান্সার আক্রান্ত রোগী যিনি কেমোথেরাপি বা রেডিওথেরাপি পাচ্ছেন, ২ সপ্তাহের মধ্যে অন্য কোন ভ্যাক্সিন নিলে, যাদের প্রকট এলার্জির সমস্যা এবং যাদের ভ্যাক্সিনের কোনো একটি উপাদানে এলার্জি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে (আগে যদি এমন হয়ে থাকে)।

কে কে কোভিট-19 এর টিকা নিয়েছেন?কোভিট-19 এর টিকা নিতে রেজিস্ট্রেশন করুন আজকেই
14/07/2021

কে কে কোভিট-19 এর টিকা নিয়েছেন?
কোভিট-19 এর টিকা নিতে রেজিস্ট্রেশন করুন আজকেই

এই পোর্টালের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্র ও সঠিক মোবাইল নম্বর যাচাইপূর্বক অনলাইনে নিবন্ধন সম্পন্ন করবেন। অনলাইনে ...

29/05/2021

“আমার মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে দেড় লাখ টাকা বেতনে চাকরি করা এক বন্ধু প্রতিমাসে নিয়ম করে তিন চারবার তার মা বৌ শাশুড়ি আরও রিলেটিভদের দেখিয়ে নিয়ে যায় , অবশ্যই ফি ছাড়া , অবশ্য এইগুলা খুব গা করতাম না , এবং যাওয়ার সময় ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, আন্টি আলসারেন্ট, পেইন কিলার যা আছে সব হাত পেতে নিয়ে যায় l

এইগুলা আমি মূলত গরিব রোগীদের জন্য রাখি কিন্তু সে এসে এমনভাবে চায় যে তার সংসার চলছে না এমন অবস্থা l

গত মাসে আমার লাপটপ এর কীবোর্ড টা প্রব্লেম করায় ওদের মাল্টিপ্লান এ কম্পিউটার ঠিক করার দোকানে দেই , 2 দিন পর নিতে গেলে 3800 টাকার একটা বিল ধরিয়ে দেয় l

ফ্রাইডে হওয়ায় ও এবং ওর বাবা দোকানেই ছিল , আমি একটু রিকোয়েস্ট করলাম 'দোস্ত একটু কম রাখ'।
'আরে না ,কম রাখা যাবেনা ,কত খরচ জানিস ?
দোকান ভাড়া কর্মচারীর বেতন তোর তো কলমের খোঁচায় 500 টাকা আসে'।

আমি ভেবে দেখলাম ,তাইতো ,ওর মতো গরিব সে কম রাখবে কেন l

ঐদিন চলে আসলাম l

তিন চারদিন পর সে আবার কল দিছে l
'দোস্ত, আমার কলিগের শাশুড়ি খুব অসুস্থ ,
বলে সে সমস্যা বলা শুরু করছে' l

আমি বললাম ,'দোস্ত আমি ফোনে চিকিৎসা দেয়া বন্ধ করেছি ,অনেক ভুল ডায়াগনোসিস হয় তাই'।

সেইদিন সন্ধ্যায় তার আবার ফোন
'দোস্ত ,কাজের মেয়েটার পাতলা পায়খানা হচ্ছে ,তোর বাসায় পাঠিয়ে দেই দেখে ওষুধ দে ,গরিব মানুষ' l

'হাসপাতালে ইমার্জেন্সি তে পাঠা ,গরিব রোগী ঐখানেই দেখি। '

'গরিব রোগী মানে' ?

'তু্ই নিজেই তো গরিব ,তোর কাজের লোক তো আরও গরিব হওয়ার কথা '

'তু্ই আসলেই কসাই '

'হুম ,তোর মতো গরু ছাগলের জন্য' ----

----- বলে ফোন কেটে ব্লক করে দিলাম,
ফ্রেন্ড লিস্টে থেকে আরেকজন আউট।
আহা কি আনন্দ!

ডা. পর্শিয়া

03/09/2020

সেরে উঠার পরেও করোনার ধকল:
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে শারীরিকভাবে সেরে ওঠার পরও নানা ধরনের সমস্যায় ভুগছেন রোগীরা। অনেকের ক্ষেত্রে উপসর্গ হালকা, কারোর গুরুতর। যত দিন যাচ্ছে, তত জানা যাচ্ছে করোনাভাইরাস সংক্রমণ মানবদেহে কত দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। পুরোপুরি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতেও বেশ খানিকটা সময় লেগে যাচ্ছে অনেকের। তাই করোনা থেকে সেরে ওঠার পরও চাই সতর্কতা ও যত্ন।

করোনা–পরবর্তী কী কী সমস্যা ভোগাতে পারে
* হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরও মাঝেমধ্যে অনেকের শ্বাসকষ্ট হতে পারে। সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা বা সামান্য পরিশ্রমে হাঁপিয়ে উঠতে পারেন। বিশেষ করে, যাঁরা নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) থেকেছেন, তাঁদের শ্বাসক্রিয়া আবার স্বাভাবিক হতে বেশ সময় লেগে যাচ্ছে।

* করোনা সেরে যাওয়ার পরও কয়েক সপ্তাহ কাশি থাকতে পারে।

* অবসাদ আর ক্লান্তি থেকে যায় দীর্ঘদিন। হাসপাতালের বিছানায় দীর্ঘদিন শুয়ে থাকার কারণে দেহের পেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, পেশি দুর্বল হয়ে পড়ে। হাঁটা–চলায় ও দৈনন্দিন কাজকর্মে সমস্যা দেখা দেয়।

* খাবারে অরুচিও থেকে যায় বেশ কিছুদিন। এমনকি খাবার গিলতে, চিবুতে সমস্যা হতে পারে। যাঁরা আইসিইউতে ছিলেন বা গলায় টিউব দেওয়া হয়েছিল, তাঁদের এই সমস্যা বেশি হয়। খাবার আটকে যাচ্ছে বলে মনে হয়। কণ্ঠস্বরেও কারও কারও সমস্যা হয়। কণ্ঠ ফ্যাসফ্যাসে হয়ে যায়, কথা বলতে অসুবিধা হয়।

* করোনাভাইরাস সংক্রমণের পর বড় সংখ্যক রোগীর মানসিক বিপর্যস্ততা দেখা দেয়। মনোযোগ ও চিন্তাশক্তির সমস্যা, স্মৃতি হারানো, বিষণ্নতার মতো সমস্যা হতে পারে।

* ওজন কমতে পারে। আগের ওজনে ফিরে যেতে সময় লাগতে পারে।

কীভাবে স্বাভাবিক হবেন:
হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার দুই সপ্তাহ পর পুরোদমে সামাজিক মেলামেশা ও কাজে যোগদানে কোনো বাধা নেই। তবে পুরোপুরি স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। আগের ফিটনেস ফিরে পেতে সময় লাগবে। তাতে ঘাবড়াবেন না।

করোনা সংক্রমণ–পরবর্তী শারীরিক দুর্বলতার নাম পোস্টভাইরাল সিনড্রোম বা পোস্টভাইরাল ফ্যাটিগ সিনড্রোম। এ সময় ভীষণ রকম ক্লান্তি, অবসাদ ও দুর্বলতা, কোনো কিছু ভালো না লাগা, নিজের যত্ন ঠিকভাবে নিতে না পারা ও কোনো কিছুতে মনোযোগ দিতে না পারার মতো সমস্যা দেখা দেয়, যা সপ্তাহ থেকে মাস পর্যন্ত গড়াতে পারে।

তাই করোনা নেগেটিভ হওয়া বা হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়া মানেই সব অসুস্থতার অবসান নয়। করোনার পরও চাই যত্ন আর সতর্কতা। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একটি দিকনির্দেশনাও দিয়েছে।

১. সম্ভব হলে একজন পুষ্টিবিদের সাহায্যে ক্যালরি চার্ট করে সঠিক ও সুষম খাবার গ্রহণ করুন। প্রচুর পানি ও তরল খাবার খান। যাঁদের খাবার গিলতে সমস্যা হচ্ছে, তাঁরা অল্প অল্প করে বারবার খাবার খাবেন, কখনো শুয়ে বা আধশোয়া হয়ে খাবেন না। খাওয়ার পর আধা ঘণ্টা সোজা হয়ে বসে থাকবেন। প্রথমেই সলিড খেতে অসুবিধে হলে তরল ও আধা তরল দিয়ে শুরু করুন। বিপাকক্রিয়া আবার সচল করতে প্রোটিন ও পুষ্টিকর খাবার খাবেন বেশি করে। অনেকেরই মুখে ঘা হতে পারে, তার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শে মলম ব্যবহার করুন। খাওয়ার আগে–পরে মুখ পরিষ্কার করুন ও ব্রাশ করুন।

২. করোনা সংক্রমণ–পরবর্তী ফুসফুসে জটিলতা দেখা দিতে পারে, যাকে পোস্ট কোভিড পালমোনারি ফাইব্রোসিস বলা হয়। হাসপাতালে যাঁদের অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়, তাঁরাই পোস্ট কোভিড ফাইব্রোসিসের শিকার হওয়ার উচ্চ ঝুঁকিতে আছেন। পালমোনারি ফাইব্রোসিসের উপসর্গ হতে পারে শ্বাস নিতে কষ্ট, শ্বাস নিতে গেলে বুক ভার, বুকের হাড়ের পেছনে ব্যথা বা চাপ, ওজন হ্রাস, অক্সিজেন সেচুরেশন ৯০-এর নিচে নেমে যাওয়া ইত্যাদি। আবার করোনার কারণে ফুসফুসে যে নিউমোনিয়া হয়, তার ক্ষতিগ্রস্ততায়ও দীর্ঘদিন শ্বাসকষ্ট থাকতে পারে। এই শ্বাসকষ্ট থেকে সেরে উঠতে বাড়িতে পজিশনিং আর গ্রেডেড ব্রিদিং এক্সারসাইজ করতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শে স্টেরয়েড বা অন্য কোনো ইনহেলার ব্যবহার করা যাবে। কখনো পুনরায় এক্স-রে বা সিটি স্ক্যান করা লাগতে পারে। প্রয়োজন হতে পারে ইকোকার্ডিওগ্রাফির। তাই শ্বাসকষ্ট বেশি হলে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

৩. করোনা থেকে সেরে ওঠার সময় অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা, যেমন ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, হৃদ্‌রোগ ইত্যাদির দিকে খেয়াল রাখতে হবে। স্টেরয়েড ওষুধের ব্যবহার আর খাবারদাবারের পরিবর্তনের কারণে রক্তে সুগার ওঠানামা করতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শে ইনসুলিন বা ওষুধের মাত্রা বারবার ঠিক করে নিতে হবে। রক্তে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা হতে পারে। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বেশ কিছুদিন অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট বা রক্ত তরল করার ওষুধ, প্রয়োজনে অ্যান্টিবায়োটিক ও ইনহেলারগুলো সঠিক নিয়মে ব্যবহার করতে হবে।

৪. যাঁদের কণ্ঠস্বরে বা কথা বলতে সমস্যা হচ্ছে, তাঁরা কথা বলার মধ্যে বিরতি নিন। খুব জোরে বা ফিসফিস করে কথা বলার চেষ্টা করবেন না। কথা বলতে গিয়ে হাঁপিয়ে উঠলে বেশি না বলাই ভালো। বারবার পানি পান করবেন।

৫. সঙ্গে সঙ্গেই সব কাজ করা যাবে, এমন আশা করবেন না। হাসপাতাল থেকে ছুটির পরও আরও ১৪ দিন বিশ্রামে থাকা ভালো। এমন কোনো কাজ করবেন না, যাতে বেশি ঝুঁকে বা অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হয় বা উঁচু থেকে কিছু পাড়তে হয়। নিজের দৈনন্দিন কাজ, যেমন গোসল, জামাকাপড় বদলানো দিয়ে শুরু করুন। ধীরে ধীরে কাজের পরিধি বাড়ান। বিভিন্ন কাজের মধ্যে বিরতি নিন। ফিটনেস এক্সারসাইজ করতে ধাপে ধাপে ফিজিওথেরাপিস্টের সাহায্য নিতে পারেন।

৬. রাতে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমাবেন। দিনেও বিশ্রাম নিতে পারেন। ঘুমের ওষুধ এড়িয়ে চলাই ভালো। অনেকেরই ঘুমের সমস্যা হয়, সে ক্ষেত্রে স্লিপ হাইজিন মেনে চলুন।

৭. মানসিক সমস্যা, অ্যাংজাইটি, বিষণ্নতা, স্মৃতি হারানো বা মনোযোগে সমস্যা হতে পারে। মন প্রফুল্ল রাখতে চেষ্টা করুন। গান শোনা, বই পড়া বা মনকে প্রফুল্ল করে এমন কিছু করুন। বন্ধুবান্ধব ও আপনজনদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন। ধীরে ধীরে নিজের পছন্দের কাজ বা শখগুলো শুরু করুন। ধূমপান ও কফি এড়িয়ে চলুন। মনোযোগ ফিরে পেতে ধাঁধা, শব্দজট সমাধান অভ্যাস করুন।

ডা. রাশেদুল হাসান : সহকারী অধ্যাপক, মেডিসিন বিভাগ, গ্রিন লাইফ মেডিকেল কলেজ, ঢাকা।
সূত্র: প্রথম আলো

গত ৬ বছর ধরে আমরা ইনবক্সে কিশোরী মেয়েদের, তরুণীদের এবং মায়েদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে আসছি। আমরা এখন আরও প্রফেসনাল সেব...
01/09/2020

গত ৬ বছর ধরে আমরা ইনবক্সে কিশোরী মেয়েদের, তরুণীদের এবং মায়েদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে আসছি। আমরা এখন আরও প্রফেসনাল সেবা দিতে দায়বদ্ধ, আমাদের টিমে যুক্ত হচ্ছেন নতুন নতুন ডাক্তারও।
নিচের সমস্যার জন্যে আমাদেরকে পেজে ইনবক্স করুন।
♀️ গাইনী সমস্যা
👩‍👧কিশোরীদের শারীরিক পরিবর্তন
💊 গর্ভধারণে সমস্যা
💑 দাম্পত্য সমস্যা
👫 দাম্পত্য সম্পর্কে অনীহা
🤸‍♂️ মুটিয়ে যাওয়া
🩺ডায়াবেটিস
উপকার পেলে আপনার সাধ্যমত সম্মানী প্রদান করুন।
ধন্যবাদান্তে,
ডাঃ সাকিলা সিদ্দিকা, এমবিবিএস
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ, ব্যাচ ৩৭
এফসিপিএস, (পার্ট-১ অধ্যয়নরত, গাইনী)
পিজিটি, গাইনী (মিটফোর্ট হাসপাতাল)
ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল আল্ট্রাসাউন্ড (সিমুড)
সার্টিফিকেট কোর্স অন ডায়াবেটলজি (বারডেম)

কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে বলিউডের ইরফান খানের পরে হলিউডের চ্যাডউইক বোসম্যান মারা গেলেন। কোলন ক্যান্সারের অন্যতম কারণ ...
29/08/2020

কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে বলিউডের ইরফান খানের পরে হলিউডের চ্যাডউইক বোসম্যান মারা গেলেন। কোলন ক্যান্সারের অন্যতম কারণ দ্রুত মলত্যাগ করা ও মলত্যাগ করতে বসার পদ্ধতি। প্রচলিত লো-কমোড ওয়াশরুমের চেয়ে হাই-কমোড/সিটিং কমোডে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। সিটিং কমোডে পায়ুনালী সোজা না হয়ে, বাঁকানো থাকে৷ ফলে পরিপূর্ণভাবে মলত্যাগ হয় না। যা ধীরেধীরে ক্ষতের সৃষ্টি করে, ইহা পর্যায়ক্রমে ক্যান্সারে পরিণত হতে পারে।
বিলাসিতার জন্য সিটিং কমোড এখন বহুল ব্যবহৃত হয়। যারা পারবেন তারা প্লিজ লো কমোড ব্যবহার করুন। যাদের বাসায় লো কমোড নেই তারা পায়ুনালী সোজা রাখতে পায়ের তলায় প্লাস্টিকের টুল ব্যবহার করতে পারেন।
বিঃদ্রঃ এখানে কোনো হাসির কথা বলা হয়নি, এটা খুবই সিরিয়াস পোস্ট।
Courtesy : School of Engineers

নবজাতকের বিপদ চিহ্ন দেখা দেওয়ার সাথে সাথেই দ্রুত স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যান।স্বাস্থ্য জনিত সমস্যা সমাধান এর জন্য যোগাযো...
14/05/2020

নবজাতকের বিপদ চিহ্ন দেখা দেওয়ার সাথে সাথেই দ্রুত স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যান।স্বাস্থ্য জনিত সমস্যা সমাধান এর জন্য যোগাযোগ করুন, স্বাস্থ্য কল সেন্টার ১৬২৬৩ ।

দুদিন আগে উত্তরা প্রাইম ব্যাংকে কাজ করা অবস্থায় যে নারী সম্ভবত হারট এটাকে মৃত্যু বরন করেছেন.. সেই সিসিটিভি ফুটেজের ১৫মিন...
30/08/2019

দুদিন আগে উত্তরা প্রাইম ব্যাংকে কাজ করা অবস্থায় যে নারী সম্ভবত হারট এটাকে মৃত্যু বরন করেছেন..
সেই সিসিটিভি ফুটেজের ১৫মিনিট আমি খুব মনোযোগ দিয়ে কয়েকবার করে দেখেছি।

তিনি মৃত্যুর কয়েক সেকেন্ড আগে দুবার মাথায়/কপালে হাত দিচ্ছিলেন (সম্ভবত তার অস্থির লাগছিলো, হয়তো ঘামছিলেন)।
দুবার পানি খেয়েছেন।
তৃতীয়বারে মাথা সামলে হেলে পড়ে গেছেন।
বুকে ব্যাথা-ভার ফিল করছিলেন কিনা আমরা জানিনা।
ভিডিও দেখে বোঝার উপায় নেই।

তিনি যখন অজ্ঞান হয়ে গেলেন (ব্রেইন অক্সিজেন পাচ্ছিলো না, হারট পাম্প করছিলো না হয়তো), সাথে সাথেই মারা যাননি।
হয়তো পালস চলছিলো, হারটবিট স্লো ছিলো।
কারন, হারট কাজ করা অফ করলেও ব্রেইন জীবিত থাকে অনেকক্ষন।

তাকে ডাকবার চেষ্টা করা হয়েছে। মুখে পানি ছেটা দেওয়া হয়েছে। পানি খাওয়ানোর চেষ্টাও করা হয়েছে।
হাত পা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছিলো হয়তো, ম্যাসেজ ও করা হচ্ছিলো। সাথে করা হচ্ছিলো হইচই, প্যানিক, ছুটোছুটি, চারপাশ ঘিরে সবার দেখতে আসা এবং "কি করে এমন হলো" সে গল্প করা!

দীর্ঘ ১০ মিনিট এই নাটক দেখবার পর তাকে হস্পিটালে নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করা হয়। ততক্ষনে এ জগতের ভবলীলা খেলা শেষ!

কথা হলো...
এই ধরনের সিচুয়েশনে সব ক্ষেত্রেই সিনারিও সেম।
এক'ই কাজ সবাই করে।
জানার অভাব, জ্ঞানের অভাব, বুঝ-বিবেচনার অভাবে মাশাআল্লাহ আমরা শ্রেষ্ঠ জাতি!!

কি করা উচিত ছিলো তাহলে??
সাধারণ মানুষ কি করে যেকোনো ক্লিনিক্যাল ইমারজেন্সি অবস্থা বুঝবে কিম্বা ম্যানেজ করবে??

হঠাৎ মৃত্যু যেসব কারনে হয়, তার মাঝে সবচেয়ে কমন হলো হারট এটাক (Acute MI, Cardiac Arrest)

★ রোগী হঠাৎ করে শরীর খারাপ লাগছে বোধ করেন এবং বলতে থাকেন।
★ অস্বাভাবিক ঘাম হতে থাকে।
★ বুকে ব্যাথা/ভার/চাপ অনুভব করেন। ডান হাতেও ব্যাথা হতে পারে।
★ শ্বাস নিতে কষ্ট হতে পারে।
★ কথা বলতে কষ্ট হওয়া, জড়িয়ে যেতে পারে।
★ হঠাত দাড়ানো, বসা অবস্থা থেকে পরে যেয়ে অজ্ঞান হয়ে যেতে পারেন।

যা করা উচিত তাতক্ষনিক--
★ রোগী বসা, শোয়া যে অবস্থায় থাকুক, মাথা সোজা রেখে চিত করে শুইয়ে দেওয়া।
★ চারপাশের উৎসুক, অস্থির জনতাকে সরিয়ে দিয়ে রোগীকে শ্বাস নিতে পারার ব্যবস্থা করে দেওয়া।
★ রোগী শ্বাস নিচ্ছেন কিনা চেক করা (নাকে হাত রেখে)।
★ যত দ্রুত সম্ভব এম্বুলেন্স কল করা।
★ কাছাকাছি যেকোনো হাস্পাতালের ইমারজেন্সিতে অতি দ্রুত (২-৩ মিনিটের মাঝে) নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করা।
(বাহন না থাকলে, পাজাকোলা করে কোলে তুলে নিয়ে কিম্বা স্ট্রেচারে যেভাবেই হোক। ব্রেইন ৫ মিনিটের বেশি দেড়িতে আর কোনো কাজ করবে না)
★ কোনোভাবেই পানি কিম্বা অন্য কিছু খাওয়ানোর চেষ্টা না করা।
★ কোনো ধরনের তেল, পানি দিয়ে হাত পা ম্যাসেজ না করা।
এবং, যদি সম্ভব হয়....
★ CPR (Cardio Respiratory Resuscitation) দেওয়া।
★ এসব কিছুই না পারলে, দয়া করে প্যানিক করে সময় নষ্ট না করা!

এখন প্রশ্ন হলো,
CPR কি?
কেনো দেওয়া জরুরি?
★আমরা জানি আমাদের শরীরের মূল প্রান হলো হারট। সে প্রতি মুহুর্তে ব্লাড পাম্প করে পুরো শরীরে রক্ত প্রবাহ করে সচল রাখছে বলেই আমরা সুস্থ ভাবে চলা ফেরা, কাজ করছি, বেচে আছি।
এতো জরুরি এই অংগ যদি কিছু সময়ের জন্য বিকল হয়ে যায়, আমরা মরে যেতে বাধ্য!

কিন্তু মিরাকল হয়।
কি করে?
★ হারট রক্ত পাম্প করা অফ করে চুপ হয়ে যায়। হারটবিট নেই। কিন্তু এখনো সে পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি। তাকে জাগানোর সুযোগ আছে। সেই সুযোগ আমরা নিতে পারি! শরীরের বাইরে থেকে হাতুরী পিটিয়ে হৃদয় জাগানো!

★ বুকের বাম পাশে কিম্বা মাঝে এক হাতের উপর আরেক হাত রেখে পাজরের হাড়ের উপর জোরে জোরে চাপ দিতে হবে। ১,২,৩ এভাবে প্রয়োজন এ ৫০/১০০ বার! ১০ বার চাপ দিয়ে থামুন, দেখুন রোগী নিজেই শ্বাস নিচ্ছে কিনা, তাহলে হারট চালু হয়েছে। নাহলে আবার চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।
★ এক'ই সাথে মুখে শ্বাস ভরে দিতে হয় (Mouth to mouth breathing) কিন্তু যারা পদ্ধতি জানেন না, তারা তা পারবেন না।

★★ যারা ডাক্তার নয় তারা কিভাবে এই পদ্ধতি জানবে?
- অল্প কিছু সময় "Google search" করুন। পদ্ধতি খুব সহজ। কাজ হলে হবে, না হলে আর কিছু করনীয় নেই।

★★ ভুল পদ্ধতিতে করলে কি পাজরের হাড় ভেংগে যাবে, রোগী ব্যাথা পাবে??
-- না! রোগী তখন ব্যাথা অনুভব এর বাইরে। হাড় ও ভাংগবে না। ভুল ঠিক যাই হোক, হাতের প্রেশার পরতে হবে ভেতরে, হারট পরযন্ত। এতে যাই কিছু হোক, হয়তো রোগি বেচে যেতেও পারে।

★★ CPR জানা কি আমাদের সবার জন্য জরুরি?
- না! সত্য হচ্ছে, বহু ডাক্তার, নারস ও CPR দিতে জানেন না।
- এডাল্ট পারসন ও বেবিদের CPR এর নিয়ম আলাদা।
......................

★★★
CPR দিতে জানা, শেখা আমাদের জন্য মোটেও জরুরি নয়।
জরুরি হলো উপরের নিয়ম গুলি মেনে চলা।
হঠাৎ মৃত্যু কি কি ভাবে হতে পারে বিষয়ে জানা ও সচেতন থাকা।
হাই ব্লাড প্রেশার, ডায়বেটিস, হারট এর যেকোনো রোগ, রক্তনালীর রোগ, ব্রেইনের যেকোনো রোগ, স্ট্রোক এর মতো আজীবন বয়ে চলা রোগে আক্রান্ত রোগীদের রেগুলার চিকিৎসা, ফলোআপ করা ও করানো। ★★★
....................

এবার নিজের কাজের জীবনের অভিজ্ঞতা বলি।
হস্পিটালে ওয়ারডে রাউন্ড দিয়ে রোগী দেখে এসেছি, সুস্থ, বসে বসে পান চিবুচ্ছে, হাসতেছে। জ্বর নিয়ে হস্পিটালে আসছে। সুস্থ হইছে, বাড়ি চলে যাবে।
৫ মিনিট পর নারস দৌড়ে আসছে। ম্যাডাম দ্রুত আসেন রোগী শ্বাস নেয় না!

যেয়ে দেখি, পালস নাই। হারট বিট বুঝি না।
ব্লাড প্রেশার প্রায় নাই।
কি করে হলো ইতিহাস জানবার সময় নাই।
অক্সিজেন ও জীবন রক্ষাকারী জরুরি ইঞ্জেকশন নারস'কে আনতে বলে রোগীর স্বজন'দের সামনে শুরু করলাম CPR.
ততক্ষনে, আয়া, ওটি বয়, হস্পিটালের ম্যানেজার সব এসে হাজির।
রোগীর স্বজনেরা ভীড় করে কান্নাকাটি শুরু করেছে।
পালস অক্সিমিটারে বুঝলাম, রোগী এখনো জীবন মৃত্যুর মাঝে ঝুলে আছে!
২০ মিনিট টানা ৩জন মিলে চেষ্টা করা হলো তার হারট সচল করার। আমরা ঘেমে গেছি, কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না 😕
ইতিহাস জেনে বুঝলাম,
তিনি শুয়ে শুয়ে পান চিবুচ্ছিলেন। এরপর শুয়ে পানিও খাওয়ানো হয়েছে। পান কিম্বা পানি শ্বাসনালীতে যেয়ে কাজ শেষ করে দিয়েছে!

এটা ব্যারথতার গল্প। পাশাপাশি আসে সফলতার'ও।
কিন্তু রোগী বেচে গেলে "আল্লাহ বাচাইসে" আর মারা গেলে "ডাক্তার বুকে চাপ দিয়া রোগী মাইরা ফেলছে!" শুনে আমাদের কাজ চালিয়ে যেতে হয়।

এই অশিক্ষিত, অজ্ঞানতা, কুশিক্ষা, অবিশ্বাসের দেশে এর চেয়ে ভালো কিছু অবশ্য আশাও করিনা আমরা!
নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে তাই, শেষ চেষ্টা CPR দেবার আগে কিম্বা দিতে থাকা অবস্থায় স্বজন'দের বুঝিয়ে বলি, কাউন্সিলিং করে নেই।

তাই, জানতে হবে...
CPR মানুষ বাচানোর একটি শেষ চেষ্টা মাত্র।
কোনো গ্যারান্টি নেই, ডাক্তার তা পারবেই।
রোগী সুস্থ হয়ে হেসে উঠবে!
(সিনেমার বস্তাপচা ভুয়া দৃশ্য কখনই বিশ্বাস করবেন না)
.............

★★ শেষ কথা

মৃত্যু অমোঘ, অনিশ্চিত ও নিয়তি।
তাকে জানবার, বুঝবার, ফিরিয়ে দেবার ক্ষমতা আমাদের কারো নেই।
কিন্তু কিছু সচেতনতা ও সঠিক উপস্থিত বুদ্ধি হয়তো আমাদের একটি দ্বিতীয় জীবন দিলেও দিতে পারে 🙂

★ আপ্নার বয়স যদি ৩০ এর উপরে হয়,
ফ্ল্যাট, গাড়ি, জমি, বিজনেস, শাড়ি, গয়না, ট্রাভেলিং এর শখ এর উপরে একবার স্থান দিন "রেগুলার হেলথ চেক আপ" বছরের মাত্র ১/২বার!
★ হাই ব্লাড প্রেশার, ডায়বেটিস, হারট ডিজিজ, হাই কোলেস্টেরল এর মতো রোগ'গুলি এখন আর "বুড়ো বয়সের রোগ" নেই!
★ আমাদের বাজে লাইফ স্টাইল, জাংক ফুড ভালোবাসা, রাত জেগে থাকা, ফিটনেস এর অভাগ, এক্সারসাইজ এর প্রয়োজনীয়তা না বোঝা, জীবনের অস্বাভাবিক টেনশন ও পারিবারিক ভাবে পাওয়া বিভিন্ন রোগের হিস্ট্রির কারনে মাত্র ২০-৩০ বছরেও হয়ে যাচ্ছে এসব রোগ। হঠাৎ হারট এটাকে মৃত্যু হচ্ছে তরুন বয়সেও!
★ বয়স ৫০ এর উপরে পরিবারে যারা আছেন, তাদের দেখতে সবাইকে আপাত সুস্থ মনে হচ্ছে। এই সুস্থতার নিশ্চয়তা রাখতে তাদের হেলথ চেক আপ করান বছরে ৩/৪ বার। প্রয়োজন এ এর চেয়ে বেশি।
★ জেনে রাখা রোগ লুকিয়ে বেশিদিন ভালো থাকতে পারেনা কেউ। চিকিৎসা করুন। রোগ'কে নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

একজন মানুষের সাথে একটি পরিবার'ও ধ্বংস হয়!
শেষ হয় বহু স্বপ্নের।
পরিবারের সুস্থতা নিশ্চিত করুন প্রথমে।
বাড়ি গাড়ি টাকা শাড়ি গহনার পাহাড় জমিয়ে কি হবে, যদি সাথে না থাকে প্রিয়জন!
সবার সুস্থ ও নিরাপদ জীবন কামনায়,
ভালোবাসা ❤

Nazia Binte Alamgir (ডাঃ নাজিয়া বিনতে আলমগীর) এর পোস্ট থেকে৷
২৯-০৮-২০১৯।

Address

Road: 11, Niketon
Dhaka
1213

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Doctor Sakila Siddika, Gynecologist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Doctor Sakila Siddika, Gynecologist:

Share