Monica Moni

Monica Moni এই পেজে বিউটি টিপস, মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য নিয়ে পরামর্শ । এলোপ্যাথি , হোমিওপ্যাথি ও আয়ুর্বেদ।

২০০১ সাল।আফগানিস্তানের মাত্র ৯ বছরের ছোট মেয়ে জুবাইদা রান্নার চুলায় কেরোসিন ঢালছিল।চুলাটা তখনও গরম। মুহূর্তের মধ্যে আগুন...
01/11/2025

২০০১ সাল।
আফগানিস্তানের মাত্র ৯ বছরের ছোট মেয়ে জুবাইদা রান্নার চুলায় কেরোসিন ঢালছিল।
চুলাটা তখনও গরম। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ধরে যায় তার কাপড়ে।
চোখের পলকে আগুন জ্বলে ওঠে মুখে, গলায়, বুকে আর হাতে।

আগুন নিভলেও শেষ হয়ে যায় তার শৈশব, হাসি আর চেহারা।
বাবা দৌড়ে নিয়ে যায় স্থানীয় হেলথ সেন্টারে
ওরা শুধু মলম দেয়, কিন্তু আগুনে পোড়া শরীরের ভেতরের ক্ষত তো দেখা যায় না!
অবস্থা খারাপ হতে থাকলে বাবা তাকে নিয়ে ইরান যায় চিকিৎসার আশায়।
সেখানে চিকিৎসকেরা হতাশ হয়ে বলেন,
“তাকে বাড়ি নিয়ে যান… হয়তো বাঁচবে না।”

কিন্তু জুবাইদা বেঁচে যায়।
তবে বেঁচে থাকা মানেই তো জীবন না…
তার মুখ বিকৃত, ঠোঁট আর চোখ টান টান হয়ে গেছে,
মাথা ঘুরাতে পারে না, কথা বললে ঠোঁট ফেটে যায়।
আত্মবিশ্বাস ভেঙে যায় একদম।

এক বছর পর এক দাতব্য সংস্থা জেনে যায় এই মেয়েটির কথা।
তারা তাকে নিয়ে আসে আমেরিকার Grossman Burn Center-এ।
সেখানে ১২টি বড় অপারেশন হয় এক বছরের মধ্যে।
আর ঘটলো এক অলৌকিক রূপান্তর।

আগুনে গলে যাওয়া মুখ ফিরে পেল নতুন জীবন।
যে মেয়েটাকে একসময় ‘মরে যাবে’ বলা হয়েছিল,
সেই মেয়েই এখন হাসে, স্বপ্ন দেখে,
বলে “আমি বড় হয়ে শিশুদের ডাক্তার হতে চাই,
আর আমার দেশের মানুষকে সুস্থ করতে চাই।”

ছবির এক পাশে আগুনে ঝলসানো মুখ,
অন্য পাশে এক অনুপ্রেরণার প্রতীক জুবাইদা।
তিন বছরের মধ্যে তার রূপান্তর প্রমাণ করে,
চিকিৎসা শুধু শরীর না, মনকেও সারিয়ে তোলে।

এই গল্পটা শুধু আফগানিস্তানের এক মেয়ের নয়,
এটা প্রতিটি মানুষের গল্প
যে আগুনে পুড়ে গেছে, কিন্তু হাল ছাড়েনি।

শেয়ার করো — যেন কেউ নিজের পোড়াকে ভাগ্যের দোষ না ভেবে চিকিৎসা নেয়,
যেন বাবা-মায়েরা বুঝে — সময়মতো সঠিক চিকিৎসা মানেই জীবনের নতুন সুযোগ।

Dr-Abdur Rahman

World Vision ( বিশ্ব দর্শন )

হতাশা থেকে মুক্তি (Depression Detox – Real Life Formula)হতাশা এমন এক ভাইরাস, যেটা মন থেকে শরীরে, তারপর পুরো জীবনে ছড়িয়...
30/10/2025

হতাশা থেকে মুক্তি (Depression Detox – Real Life Formula)

হতাশা এমন এক ভাইরাস, যেটা মন থেকে শরীরে, তারপর পুরো জীবনে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু সুখবর হচ্ছে , এরও প্রতিষেধক আছে ! একটু সচেতনতা, একটু প্রচেষ্টা আর একটু নিজেকে ভালোবাসা পুরোপুরি বদলে দিতে পারে।

১) Move ! Move! Move !

বিছানায় পড়ে থাকলে মনও বিছানায় আটকে যাবে।
তাই ওঠে পড় ! ঘর গোছাও , বাইরে হাঁটো , ব্যায়াম করো , অথবা অন্তত নিজের রুমে নাচো ! তুমি যখন শরীর নাড়াও , তোমার ব্রেইন ভাবে ওহ, এই মানুষটার কিছুই হয় নি !এই কনফিউশনটাই হতাশাকে দুর্বল করে দেয়। Motion creates emotion তাই নিজেকে চালাও !

২) দৌড়াও, যেন জীবনকে গতিময় করতে চাও !
দৌড়ানো মানে শুধু শরীর না, মনকেও রিফ্রেশ করা।
একটা ছোট দৌড় ৩০ সেকেন্ডই হোক , তোমার শরীরে dopamine নামের feel-good hormone বাড়িয়ে দেয়।

ফলাফল?
মন ভালো, মাথা সক্রিয়, শরীরে শক্তি।
Try it once you’ll feel alive again.

৩) জল পান করো, মনও হাইড্রেটেড রাখো।
আমাদের শরীরের প্রায় ৭০% পানি, কিন্তু আমরা মনকে শুষ্ক করে ফেলি। প্রতিদিন অন্তত ২-৩ লিটার জল খাও।
শরীর যখন সতেজ থাকবে, তখন মনও অকারণে ভারী লাগবে না। Simple but powerful habit.

৪) প্রকৃতির সংস্পর্শে যাও
খালি পায়ে ভোরের ঘাসে হাঁটো, সূর্যের আলো মুখে পড়তে দাও। প্রকৃতি তোমাকে মাটির গন্ধে মাতিয়ে দেবে।
তুমি বুঝবে, পৃথিবী এখনো সুন্দর । তোমার বেঁচে থাকার যথেষ্ট কারণ এখনো আছে।

৫) জীবনের মজা নিতে ভুলে যেও না
হ্যাঁ, ভালোমন্দ খাও, সিনেমা দেখো, বন্ধুদের সাথে চা খাও!
ছোট ছোট আনন্দগুলোই হতাশার সবচেয়ে বড় ওষুধ।
হাসো, Enjoy করো । Life is too short to stay sad all the time.

৬) Cut the negativity
যে content, মানুষ, বা পরিবেশে তোমার মন খারাপ করে , সেসব থেকে দূরে থাকো,এড়িয়ে চল। তুমি কী দেখো, সেটাই তোমার মুড তৈরি করে। তাই timeline-এ রাখো positivity, motivation, hope. তোমার জীবনযাপন হোক তোমার personal therapist.

৭) Share your pain
একটু বিশ্বাসযোগ্য মানুষ খুঁজে নাও । বন্ধু, ভাই, মা, বাবা যেই হোক। তাকে বলো কী কষ্ট পাচ্ছো। সব কথা চেপে রাখলে মন ভারী হয়। আর মনে রেখো, help চাওয়া দুর্বলতা না । এটা সাহসের পরিচয়।

৮) This too shall pass away
জীবনের ভালো-মন্দ সময় দুটোই অস্থায়ী। আজ যদি কষ্টে থাকো, কাল হয়তো হাসবে। ভরসা রাখো, তুমি একা নয়।
সময়ই তোমার সবচেয়ে বড় চিকিৎসক।

৯) তুলনা নয়, উন্নতি করো।
অন্যের সফলতা দেখে নিজেকে ছোট ভেবো না।
তুমি অন্য কারও জীবন যাপন করছো না,তোমার নিজের জীবনকে নিয়েই চলেছো। Life is not a race. it’s a process.
তোমার গতি, তোমার সময় তোমার জীবনকে নির্ভর করেই,যা তোমার জন্য একদম perfect .

১০) মনে রেখো সবারই কষ্ট আছে ,তুমি একা নও।
যে মানুষটাকে দেখ ,সবসময় হাসে, সে-ও হয়তো ভিতরে যুদ্ধ করছে। তাই নিজেকে ছোট ভেবো না। সবাই লড়ছে , আর তুমি সেই যোদ্ধাদের একজন।

১১) Remember who are you? আরে তুমি কোটি কোটি শুক্রাণুর মধ্যে একমাত্র বিজয়ী। তুমি জন্মেছো জিততে, হার মানতে নয়। তুমি অনেক ঝড় পার হয়ে এসেছো, এইটাও পারবে। You’re stronger than your sadness.

শেষ কথা
এই কথাগুলো শুধু তোমার জন্য না আমার নিজের জন্যও।
আমরা সবাই কখনো না কখনো হতাশ হই। কিন্তু যতবার পড়ে যাই, ততবার উঠে দাঁড়ানোই জীবনের নাম। তাই আজ একটা প্রতিজ্ঞা করো

আমি আমার জীবনের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে নিচ্ছি !
আমি হতাশাকে জয় করবো !
হতাশ হওয়া চলবে না কারণ তুমি এখনো লড়াই করে যাচ্ছো।

Psychological Mind

অনুবাদিত ও পরিমার্জিত

World Vision (বিশ্ব দর্শন)

হঠাৎ বুক ধড়ফড়, মাথা ঘোরা, শ্বাস নিতে কষ্ট, মনে হয় এখনই হয়তো মারা যাবো — এ কি প্যানিক অ্যাটাক?প্যানিক ডিসঅর্ডার এমন এক মা...
22/10/2025

হঠাৎ বুক ধড়ফড়, মাথা ঘোরা, শ্বাস নিতে কষ্ট, মনে হয় এখনই হয়তো মারা যাবো — এ কি প্যানিক অ্যাটাক?

প্যানিক ডিসঅর্ডার এমন এক মানসিক অবস্থা, যেখানে হঠাৎ ও তীব্র ভয় বা আতঙ্কের অনুভূতি শরীরজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। অনেক সময় মনে হয় হার্টে সমস্যা বা মৃত্যু আসন্ন — কিন্তু চিকিৎসায় দেখা যায় এটি মানসিক উৎস থেকে সৃষ্ট।

Cognitive Behavioral Therapy (CBT) বর্তমানে প্যানিক ডিসঅর্ডারের জন্য সবচেয়ে কার্যকর ও বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত চিকিৎসা পদ্ধতি।

২০২৩সালের Journal of Anxiety Disorders-এ প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে —

CBT চিকিৎসা নেওয়ার পর ৮০% রোগীর প্যানিক অ্যাটাকের সংখ্যা ও তীব্রতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

CBT Coginitive Behavior Therapy শেখায় —

শারীরিক উপসর্গের ভুল ব্যাখ্যা চিহ্নিত করা

ভয়জনক চিন্তাগুলোকে বাস্তবতা দিয়ে প্রতিস্থাপন করা

ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে আনা

মনে রাখবেন, প্যানিক অ্যাটাক প্রাণঘাতী নয়, বরং চিকিৎসাযোগ্য। নিয়মিত থেরাপি ও সচেতনতা আপনাকে পুনরায় স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে পারে।

Scenic & Psychology

World Vision ( বিশ্ব দর্শন)

21/10/2025

I've just reached 100 followers! Thank you for continuing support. I could never have made it without each and every one of you. 🙏🤗🎉

বাংলাদেশ থেকে প্রতি মাসে গড়ে ৩০ জন রোগী শুধু প্রোস্টেটের রোবোটিক সার্জারির জন্য বিদেশে যান। রোবোটিক সার্জারিতে বছরে প্রা...
21/10/2025

বাংলাদেশ থেকে প্রতি মাসে গড়ে ৩০ জন রোগী শুধু প্রোস্টেটের রোবোটিক সার্জারির জন্য বিদেশে যান। রোবোটিক সার্জারিতে বছরে প্রায় ১০০০ কোটি টাকা বিদেশে চলে যাচ্ছে।

দেশে রোবোটিক সার্জারি চালুর পরিকল্পনা করেছে ল্যাবএইড, ইউনাইটেড এবং এভারকেয়ার হাসপাতাল। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) কাছে রোবট আমদানির অনুমতি এবং কর মওকুফের আহ্বান করেছেন তাঁরা।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, ব্যাংককে প্রোস্টেটের রোবোটিক সার্জারি খরচ ৬০ লাখ টাকা। সিঙ্গাপুরে ৮০ লাখ এবং ভারতে ৩০ লাখ। বাংলাদেশে রোবোটিক সার্জারি চালু হলে একই চিকিৎসা ১৫ লাখের দেওয়া সম্ভব হতে পারে। যদি সরকার ট্যাক্স মওকুফ করে, তাহলে বছরে অন্তত ৯০০ কোটি টাকা দেশের ভেতরেই থেকে যাবে। তথ্য: বিজ্ঞানপ্রিয়।

#প্রস্তাতেচাঞ্চের

World Vision (বিশ্ব দর্শন)

মস্তিষ্ক নয়, ডিমেনশিয়া শুরু হয় আপনার পা থেকে! বিশ্বজুড়ে বয়স্ক মানুষের অক্ষমতা ও নির্ভরশীলতার প্রধান কারণ হিসেবে ডিমেনশিয়...
19/10/2025

মস্তিষ্ক নয়, ডিমেনশিয়া শুরু হয় আপনার পা থেকে!
বিশ্বজুড়ে বয়স্ক মানুষের অক্ষমতা ও নির্ভরশীলতার প্রধান কারণ হিসেবে ডিমেনশিয়া এখন এক ভয়াবহ বাস্তবতা। ২০২১ সালের হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বে প্রায় ৫ কোটি ৭০ লাখ মানুষ এই রোগে আক্রান্ত ছিলেন, এবং প্রতিবছর নতুন করে আরও প্রায় ১ কোটি মানুষ এতে ভোগেন। অধিকাংশ মানুষই মনে করেন, মস্তিষ্ক সচল রাখাই ডিমেনশিয়া প্রতিরোধের মূল চাবিকাঠি। কিন্তু ভারতের অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস (এইমস) প্রশিক্ষিত স্নায়ুশল্য বিশেষজ্ঞ ডা. অরুণ এল. নাইক জানালেন চমকপ্রদ তথ্য—ডিমেনশিয়ার সূত্রপাত নাকি মস্তিষ্কে নয়, পা থেকেই!

ডিমেনশিয়া কী?

ডিমেনশিয়া কোনো একক রোগ নয়; এটি স্মৃতি, চিন্তাশক্তি ও দৈনন্দিন কাজের সক্ষমতাকে ধীরে ধীরে ক্ষয় করে এমন একাধিক স্নায়ুরোগের সামষ্টিক নাম। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এটি আরও জটিল হয়ে ওঠে এবং জীবনের মান নষ্ট করে দেয়। তবে সময়মতো নির্ণয়, যত্নশীল পরিচর্যা, জীবনযাপনে পরিবর্তন ও চিকিৎসার মাধ্যমে রোগীর অবস্থা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

ডিমেনশিয়া শুরু হয় পা থেকে

ডা. নাইক এক ভিডিও বার্তায় বলেন, “আপনি কি জানেন, ডিমেনশিয়া আসলে শুরু হয় আপনার পা থেকে? শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা পায়ের পেশিকে দুর্বল করে, যার ফলে স্যারকোপেনিয়া বা পেশি ক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়ে। এখানেই শুরু হয় বিপদ। গবেষণায় দেখা গেছে, দুর্বল পায়ের কারণে জ্ঞানগত ক্ষমতা দ্রুত হ্রাস পায় এবং ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।”

তিনি ব্যাখ্যা করেন, শরীরের সক্রিয় পেশি এমন রাসায়নিক উৎপাদন করে যা মস্তিষ্ককে সচল রাখে। এই
রাসায়নিকগুলোর নাম ব্রেইন-ডিরাইভড নিউরোট্রফিক ফ্যাক্টর (BDNF), যা মস্তিষ্কের স্মৃতিনির্ভর অংশ হিপোক্যাম্পাসে সংযোগ বৃদ্ধি করে। শক্তিশালী পা শুধু ভারসাম্য বজায় রাখে না, বয়স বাড়লেও পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা কমায়। “৬৫ বছরের পর পড়ে যাওয়াই সবচেয়ে বিপজ্জনক,” বলেন ডা. নাইক।

তিনি ২০২০ সালের Neurology সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণার উদাহরণ দেন, যেখানে দেখা গেছে, যাদের হাঁটার গতি কম, তাদের মস্তিষ্কের আকারও ছোট এবং জ্ঞানীয় ক্ষমতা হ্রাসের ঝুঁকি বেশি। “হাঁটা শুধু শরীরচর্চা নয়, এটি পুরো মস্তিষ্কের এক অনুশীলন,” যোগ করেন তিনি।

কীভাবে হাঁটা মস্তিষ্ককে সুরক্ষিত রাখে

হাঁটা এমন এক সহজ ব্যায়াম যা শরীর ও মস্তিষ্ক দুটিকেই সক্রিয় রাখে। ডা. নাইক বলেন, “প্রতিটি পদক্ষেপের সঙ্গে যুক্ত থাকে মস্তিষ্কের ফ্রন্টাল লোব, সেরিবেলাম, স্পাইনাল কর্ড ও স্নায়ু প্রতিক্রিয়ার সমন্বয়।” হাঁটা রক্তসঞ্চালন বাড়ায়, যা মস্তিষ্কে অক্সিজেন ও গ্লুকোজ সরবরাহ করে এবং টক্সিন দূর করে।

তিনি আরও বলেন, “হাঁটার ধরনে বা ভারসাম্যে পরিবর্তন দেখা গেলে সেটি মস্তিষ্কের আগাম সতর্ক সংকেত। এটি প্রায়ই স্মৃতি সমস্যার বছরখানেক আগেই দেখা দেয়।”

হাঁটা নিউরোপ্লাস্টিসিটির এক জীবন্ত উদাহরণও বটে। “হাঁটার সময় শরীরে BDNF সক্রিয় হয়, যা নিউরনগুলোর সংযোগ শক্তিশালী করে,” বলেন ডা. নাইক।

কীভাবে ডিমেনশিয়া প্রতিরোধ করবেন
ডা. নাইক কয়েকটি সহজ অভ্যাসের পরামর্শ দিয়েছেন, যা নিয়মিত চর্চা করলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বজায় থাকে এবং ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি অনেক কমে যায়।

প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটুন।

ভারসাম্য রক্ষার ব্যায়াম যেমন এক পায়ে দাঁড়ানো বা সরলরেখায় হাঁটার অভ্যাস করুন।

হাঁটার সময় কথা বলা বা হালকা মানসিক কাজ করুন—এটি মস্তিষ্কের সমন্বয় ক্ষমতা বাড়ায়।

নিয়মিত পায়ের পেশির ব্যায়াম করুন, এটি মস্তিষ্কের জন্য একপ্রকার ‘বিমা’।

দীর্ঘ সময় বসে থাকা পরিহার করুন; প্রতি ঘণ্টায় কিছুটা নড়াচড়া করুন।

তিনি বলেন, “যখন আপনার পা ধীরে ধীরে কাজ হারায়, তখন মস্তিষ্কও তার পথ অনুসরণ করে। আপনার হাঁটার গতি বজায় রাখুন, তাহলেই সুরক্ষিত থাকবে মস্তিষ্ক।”

ডা. নাইক আরও পরামর্শ দেন, পেশির গঠন রক্ষায় প্রোটিনসমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ করা জরুরি। তার মতে, কখনোই দেরি হয়ে যায় না। “গবেষণায় দেখা গেছে, ষাট বছর বয়সেও হাঁটা ও ব্যায়াম শুরু করলে ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি অনেক কমে যায়। মনে রাখবেন, শক্ত পা মানেই তীক্ষ্ণ মস্তিষ্ক। স্যারকোপেনিয়া মাথা পর্যন্ত পৌঁছানোর আগেই সচেতন হোন—চল্লিশের কোঠা থেকেই শুরু করুন।”

সর্বোপরি, সক্রিয় থাকা শুধু চলাফেরার বিষয় নয়; এটি মস্তিষ্ককে তরুণ রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায়। নিয়মিত হাঁটা, ব্যায়াম ও সুষম খাদ্য—এই তিন অভ্যাসই হতে পারে বার্ধক্যের ডিমেনশিয়ার বিরুদ্ধে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা।

আফরোজা
দৈনিক জনকণ্ঠ || Daily Janakantha
লাইফস্টাইল।

সংগৃহীত

World Vision (বিশ্ব দর্শন)

আমরা সবাই জানি, হার্ট রক্ত পাম্প করে আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন ও পুষ্টি পৌঁছে দেয়। কিন্তু খুব কম মানুষই জানেন...
18/10/2025

আমরা সবাই জানি, হার্ট রক্ত পাম্প করে আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন ও পুষ্টি পৌঁছে দেয়। কিন্তু খুব কম মানুষই জানেন, হার্টয়ের এই কাজে একজন নীরব সহকারীও আছে, যাকে বলা হয় “দ্বিতীয় হার্ট”। এই ‘দ্বিতীয় হার্ট’ আসলে আমাদের পায়ের নিচের দিকের মাংসপেশী বা ক্যালভ পেশি। এটি সাধারণত পায়ের পেছনের অংশে, গোড়ালির উপরে অবস্থিত এবং এর মধ্যে soleus muscle ও অন্যান্য মাংসপেশী মিলে এক ধরনের শক্তিশালী পাম্পিং ব্যবস্থা তৈরি করে।
হার্ট থেকে রক্ত নিচে নামা তুলনামূলকভাবে সহজ, কিন্তু নিচ থেকে রক্তকে আবার উপরের দিকে, বিশেষ করে হৃদয়ের দিকে ফেরানো অনেক বেশি কঠিন, কারণ মাধ্যাকর্ষণ সবসময় বিপরীতে টানে। এখানেই ক্যালভ পেশির ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যখন হাঁটি, দৌড়াই বা সামান্য নড়াচড়া করি, তখন এই পেশিগুলো শিরার ওপর চাপ দিয়ে নিচের দিকের রক্তকে উপরের দিকে ঠেলে দেয়। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা এই প্রক্রিয়াকে “calf muscle pump” বলেন, যা আমাদের রক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখতে হৃদয়ের কাজকে অনেক সহজ করে দেয়।

যদি এই পেশিগুলো সক্রিয় না থাকে, তাহলে পায়ে রক্ত জমে যেতে পারে। এর ফলে ফুলে যাওয়া, ব্যথা, এমনকি Deep Vein Thrombosis (DVT)-এর মতো বিপজ্জনক অবস্থাও তৈরি হতে পারে। দীর্ঘ সময় এক জায়গায় বসে থাকা বা দাঁড়িয়ে থাকা এই ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেয়। অন্যদিকে, নিয়মিত ক্যালভ পেশি সচল থাকলে রক্ত সঞ্চালন ভালো থাকে, ভেরিকোজ ভেইন ও রক্ত জমাট বাঁধার সম্ভাবনা কমে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে পর্যাপ্ত অক্সিজেন ও পুষ্টি পৌঁছায়। এতে শুধু হার্টয়ের ওপর চাপ কমে না, বরং
সার্বিকভাবে শরীর আরও চাঙা ও প্রাণবন্ত অনুভূত হয়।

সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, ক্যালভ পেশি সচল রাখতে আপনাকে জিমে যেতে হবে না, ভারী যন্ত্রপাতি কিনতে হবে না এমনকি সময়ও বেশি লাগবে না। প্রতিদিন মাত্র ১৫–২০ মিনিট হাঁটলেই এই পেশিগুলো ভালোভাবে কাজ করবে। এছাড়াও, calf raises মানে দাঁড়িয়ে পায়ের গোড়ালি তুলে কয়েক সেকেন্ড ধরে রাখা এবং নামিয়ে দেওয়া খুব কার্যকর। দিনে কয়েকবার এই অনুশীলন করলেই রক্ত সঞ্চালন উন্নত হয়।

কিছু সহজ স্ট্রেচও কাজে দেয়। যেমন, বসে থেকে একটি তোয়ালে বা ব্যান্ড দিয়ে পায়ের আঙুল নিজের দিকে টেনে ধরা এবং ২০-৩০ সেকেন্ড ধরে রাখা। আবার যারা দীর্ঘ সময় বসে থাকেন, তারা মাঝে মাঝে ankle circles করতে পারেন, যা বসার মধ্যেই করা সম্ভব। দীর্ঘ ভ্রমণের সময় compression socks ব্যবহার করাও রক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখতে সহায়ক।আমাদের ‘দ্বিতীয় হৃদয়’ হয়তো চোখে দেখা যায় না, কিন্তু প্রতিদিন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সামান্য হাঁটা, সহজ অনুশীলন ও স্ট্রেচের মাধ্যমে এই পেশিগুলোকে সক্রিয় রাখলে শুধু পায়ের স্বাস্থ্যেরই উন্নতি হয় না, বরং পুরো শরীরের রক্ত সঞ্চালন ভালো থাকে এবং হৃদয়ের ওপর চাপও কমে। তাই ব্যস্ত জীবনের ফাঁকে একটু সময় বের করে পায়ের এই নীরব সহায়কের যত্ন নিন, আপনার হার্ট ও শরীর দুটোই এর উপকার পাবে।

Misbahul Islam Sayad

Team Science Bee

World Vision (বিশ্ব দর্শন)

Happy Durga Puja ❤️
29/09/2025

Happy Durga Puja ❤️

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Monica Moni posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category