ডক্টরস ডায়েরী - Doctors' Diary

ডক্টরস ডায়েরী - Doctors' Diary ডাক্তারদের জীবনের গল্প... অভিজ্ঞতার ঝুড়ি আর ভালো লেখার প্রচার- এই নিয়েই আমরা "ডক্টরস ডায়েরী"

মেডিকেলে ভর্তি হওয়ার পর দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে বহু চড়াই- উতরাই পেরিয়ে আপনি নামের আগে ডাক্তার কথাটি লিখতে পারবেন । সেখানে আইটেম, কার্ড, টার্ম, প্রফ এর মত হাজার হাজার পরীক্ষা এর চাপে অতিষ্ঠ জীবনের মাঝেও ঘটে মজার কিছু ঘটনা । ইন্টার্নি বা ডাক্তারি জীবনেও ঘটে মজার মজার অনেক ঘটনা । সেসব নিয়েই আমাদের এ আয়োজন...

ধন্যবাদ সাথে থাকার জন্য....

20/03/2026

আজ ঈদ নাকি কাল ঈদ: ২১ তারিখ ঈদ

চাঁদ দেখা কমিটিতে কোটি কোটি সরকারি টাকা ঢালা হচ্ছে।

কেন??

সৌদি আরবে যেদিন ঈদ, পরের দিন আমরা ঈদ করি। এই তথ্য জানার জন্য চাঁদ দেখা কমিটির কি দরকার??

সনাতন ধর্মের (হিন্দু ধর্মের) পঞ্জিকাতে আগামী ১০০০ বছরের ঈদের দিনের হিসেব দেয়া আছে। সেইটা দেখলেও তো হয়।

সরকারী টাকা এভাবে নষ্ট না করে, যারা ভালোমতু ঈদ করতে পারে না, তাদের মধ্যে সমবন্টন করলেই ভালো হয়৷

©ডা. মুরসালিন মেহেদী

17/03/2026

বাসার দারোয়ান বেশ কয়েকদিন ধরে বেশি করে সালাম দিচ্ছে, তখন বুঝছি -ঈদ চলে আসছে খুব তাড়াতাড়ি, "কারণ অতি ভক্তি সালামি চাওয়ার লক্ষণ."

17/03/2026

ছোটবেলায় একটা লোককে দেখেছিলাম তার বউকে খুব মারধর করতেন।বউ এর অপরাধ কি?অপরাধ হলো, বউ এর গর্ভে কেন ৫ টা মেয়ে হলো?
আসলে বায়োলজিকাল কারণ হিসেবে ঐ লোকটার জন্যই কিন্তু ৫ জন কন্যা সন্তান হয়েছে।

অন্য এক জায়গায় দেখেছি,বউ পিটায় সারাদিন।তারপর নতুন বউ বিয়ে করে আনে।আর পুরোনো বউ অশিক্ষিত।চাকরিও করতে পারবে না।আবার বাবার বাড়িতেও কথা শুনায়।তাই ওখানে পরে থেকে মার খায়।

কোনো কোনো লোক তো বউ বাচ্চা ফেলে রেখেই চলে যায়।কেউ কেউ দুর্বল পেয়ে বউকে মেরেও ফেলে।

আসলে এই সমাজে কোনো মেয়েকে যদি ভালোভাবে বাঁচতে হয় তাহলে তাকে অবশ্যই নিজের একটা পরিচয় তৈরি করতে হবে।সেটা যেভাবেই হোক করতেই হবে।আর এই পরিচয় গড়ার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো পড়াশোনা করে নিজের পায়ে নিজে দাঁড়ানো।

Dear girls, তোমার বাবা-মা কিংবা স্বামীর যত যা-ই থাকুক ওগুলো কিছুই তোমার না।এই কথাটা যত তাড়াতাড়ি মাথায় কাজ করবে তত তাড়াতাড়ি নিজের পায়ের তলার মাটি শক্ত হবে।
এই কথাটা কোন নারীবাদী কথা নয়,এটা বাস্তবসম্মত কথা!

✍️ ডাঃফারয়াল কবির

17/03/2026

আপনারা যারা ভাবেন পরকীয়া করা অনেক সোজা, আপনারা ভুল ভাবেন। একটা বিবাহিত মানুষের জন্য পরকীয়া করার মত কঠিন কাজ জগতে খুব কমই আছে।

সারাদিন অফিস করা লাগে, ফ্রি সময় পাওয়া যায় না। অফিস শেষে বাসায় যাওয়ার পথে ক্লান্ত দেহ নিয়ে পরকীয়া প্রেমিকার সাথে দেখা করা লাগে। এরমধ্যেও অশান্তির শেষ নাই। বাসা থেকে বউটা ফোন দিয়ে বলবে, "বাসার তেল শেষ, আসার সময় নিয়ে আইসো।"

সাথে দিয়ে দেয় একটা লিস্ট, যাতে থাকে শশা, গাজর, রুই মাছ আর টয়লেট পেপার।

আপনি যে পরকীয়া প্রেমিকার সাথে একটা রেস্টুরেন্টে বসে একটু রঙঢঙ করবেন, সেই ভাইবটাই নষ্ট। গার্লফ্রেন্ডের মুখে আইসক্রিম তুলে দিতে দিতে আপনার মাথায় ঘুরবে টয়লেট পেপারের টেনশন। বসুন্ধরারটা কিনবেন নাকি ফে কিনবেন?? দুইটার কোনোটাই যদি না পাওয়া যায়, তাহলে ফ্রেশেরটা কিনতে হবে। কিন্তু ফ্রেশের টয়লেট পেপার আপনার বউ আবার পছন্দ করে না।

বাসায় ফিরে ফ্রেশ হয়ে অনলাইনে গার্লফ্রেন্ডকে সময় দিতে যাবেন, দেখবেন বউটা এসে পাশে বসে সুখ দু:খের কথা বলেই যাচ্ছে। কথা বলতে বলতে আপনার ফোনে উঁকি দিচ্ছে। এইসব যন্ত্রণায় আদরের গার্লফ্রেন্ডের নাম্বার আপনি সেইভ করে রেখেছেন অফিসের ড্রাইভারের নামে।

আপনার সুন্দরী গার্লফ্রেন্ডের নাম মাশিয়াত, কিন্তু হোয়াটসঅ্যাপে তার নাম খালেক ভাই। কি দু:খজনক ঘটনা!!

এরপরে আপনার বউ বাহারি রান্না করে আপনার সামনে রাখবে, কিন্তু আপনি খেতে পারবেন না। কারণ আপনার কুচুপুচু মাশিয়াত নিজের হাতে রান্না করা অখাদ্য মুরগী এনে আপনাকে সন্ধ্যায় খাইয়েছে। সেই কুৎসিত মুরগী খাওয়ার পর থেকেই আপনার বমি বমি ভাব হচ্ছে, মুখে সামান্য রুচিও নাই।

বউটা ঘুমিয়ে গেলে গার্লফ্রেন্ডের সাথে একটু ফোনে কথা বলবেন, সেই উপায়ও নাই। আপনার বাচ্চা আপনাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমায়। আপনি বিছানা থেকে উঠলেই বাচ্চাটা এলার্ম ক্লকের মত ট্যাঁও ট্যাঁও করে উঠে। অথচ জানোয়ারটা রাতে হিসু করে ডেইলি বিছানা ভিজিয়ে ফেলে, তখন তার ঘুম ভাঙে না।

এসব কষ্টই শেষ কষ্ট না। ডেইলি এক হাজারটা মিথ্যা কথা বলা লাগে। নতুন মিথ্যা বলার সমস্যা হলো, আগে কোন কোন মিথ্যা বলেছিলেন, সেগুলোও মনে রাখতে হয়। নতুন মিথ্যা আর পুরাতন মিথ্যা যদি সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয়, সাথে সাথে বউয়ের কাছে কট। এইভাবে মিথ্যার যেই মাল্টিভার্স তৈরী হয়, সেটা দিয়ে এভেঞ্জার্সের নতুন স্ক্রিপ্ট লেখা যাবে।

এলাকায় একটু পরিচিত মুখ হলে তো আরও সমস্যা। গার্লফ্রেন্ড নিয়ে পরিচিত কোনো জায়গায় ঘুরতে যাওয়া যায় না, এলাকার শপিংমলে নিয়ে যাওয়া যায় না। কেউ যাতে চিনতে না পারে, এজন্য সবসময় মুখে লাগিয়ে রাখতে হয় মাস্ক। পরিচিত কেউ দেখে ফেলতে পারে, এই টেনশনে গার্লফ্রেন্ডের কোমড়ে হাত রেখে হাঁটাও যায় না।

দেশের বাইরে ট্যুরে গেলে গার্লফ্রেন্ডের আবদারের লিস্ট মনে রাখতে গেলে বউয়েরটা ভুলে যাবেন, বউয়ের আবদার মনে রাখতে গেলে গার্লফ্রেন্ডেরটা ভুলে যাবেন। আলাদা আলাদা শপিং আবার আলাদা লাগেজে ঢুকাইতে হবে। একটার মধ্যে আরেকটা ঢুকলেই কিয়ামত। আপনার বউয়ের জন্য আনা লাগেজের ভেতর থেকে লঞ্জেরি বের হচ্ছে, গার্লফ্রেন্ডের জন্য আনা লাগেজ থেকে বের হচ্ছে ভাইব্রেটর... কে সামলাবে এতদিকের বিপদ??

এইসবের যন্ত্রণায় আমার পরিচিত কয়েকজন পরকীয়া করাই বাদ দিয়ে দিয়েছে। তাদের চোখে আজ ক্লান্তি, মুখে শুধুই মলিনতা।

আপনারা যারা পরকীয়া করেন ভাই, আপনারা আসলেই অনেক সংগ্রামী। এক জীবনে সাধনা করা ছাড়া খাস নিয়্যতে এসব কর্মকান্ড আয়ত্বে আনা সম্ভব না। অল অফ ইউ হ্যাভ মাই আটমোস্ট রেসপেক্ট।

আই ক্যান ফিল ইউ ব্রাদার্স, আই ক্যান ফিল ইউ।

✍️Hazat Sabbir

পড়াশোনা ঢাকা মেডিকেল কলেজে। বিসিএস পরীক্ষা দিয়ে প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশ পেয়েছিলেন মো. শামীম শাহরিয়ার। কিন্তু যোগদানের দ...
16/03/2026

পড়াশোনা ঢাকা মেডিকেল কলেজে। বিসিএস পরীক্ষা দিয়ে প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশ পেয়েছিলেন মো. শামীম শাহরিয়ার। কিন্তু যোগদানের দিনই আসে ৪৪তম বিসিএসের পররাষ্ট্র ক্যাডারে মৌখিক পরীক্ষার ডাক। এ এক মধুর দোটানা!

কৃষক বাবার পরামর্শে মৌখিক পরীক্ষাটি বেছে নেন শামীম। হয়ে যান প্রথম। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে গেজেটে তাঁর নাম প্রকাশিত হয়নি।

শামীমের বাড়িতে একদিন

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার নলপুকুরিয়া গ্রামে শামীম শাহরিয়ারের বাড়ি। বাবা মো. হাতেম আলী কৃষক। মা আসমা বেগম গৃহিণী। শামীমেরা দুই ভাই–বোন। বোনের বিয়ে হয়েছে। পুঠিয়ার ধোপাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শামীমের শিক্ষাজীবন শুরু। রাজশাহী কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেছেন। ২০২০ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন তিনি।

পুঠিয়ার ধোপাপাড়া বাজার থেকে দেড় কিলোমিটার মাটির রাস্তা দিয়ে একদিন শামীমের বাড়ি হাজির হই। মা–বাবা তখন বাড়িতেই ছিলেন। প্রায় ২৫ বছর আগের ইটের গাঁথুনির ওপরে টিনের চালাঘর। এত বছরেও দেয়ালে প্লাস্টার করা হয়নি। জরাজীর্ণ টিনের চালা দিয়ে বৃষ্টি পড়ে। শামীমের ঘরের দরজা খুলতে গিয়ে একাংশ খুলে পড়ল। বাবা হাতেম আলী বলেন, ‘ছেলেই আমার “ডিপিএস”। ঘরবাড়ির দিকে তাকাতে পারিনি। পররাষ্ট্র ক্যাডারে প্রথম হওয়া ছেলের নাম যদি গেজেটে না আসে, প্রতিক্রিয়া জানানোর ভাষা আমার নেই।’

শামীমের বাবারা চার ভাই। ছোট চাচা হাফিজুর রহমান শুধু পড়াশোনার সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৯৫ সালে এসএসসিতে বোর্ড স্ট্যান্ড করে প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার নেন তিনি। সেই ছবি পত্রিকায় ছাপাও হয়। ছবিটি শামীমের পড়ার টেবিলের সামনে টাঙানো ছিল। সেই ছবি দেখেই শিশু শামীমের স্বপ্ন দেখার শুরু।

যেভাবে বেড়ে ওঠা
‘মা–বাবা আমাকে কোনো দিন পড়তে বসতে বলেননি,’ বলেন শামীম। ‘তাঁরা সব সময় অনুপ্রাণিত করতেন, যেন পড়াশোনা উপভোগ করি। বাবা বলতেন, তুমি পড়তে থাকো, জানতে থাকো, চেষ্টা করতে থাকো। রেজাল্ট যেমনই হোক, আমার আপত্তি নাই।’

এই অবাধ স্বাধীনতার সুবাদেই স্কুলজীবনে প্রচুর ‘আউট বই’ পড়েছেন শামীম। নানা বই পড়তে পড়তেই আন্তর্জাতিক রাজনীতি, অর্থনীতি ও নানা বিষয়ের প্রতি তাঁর আগ্রহ তৈরি হয়। ঠিক করেন, বিসিএস দেবেন। শামীম বলছিলেন, ‘ঢাকা মেডিকেলে একাডেমিক পড়ালেখার খুব চাপ ছিল। এর ফাঁকে ফাঁকেই টুকটাক ফিকশন, নন–ফিকশন পড়েছি। এমবিবিএসের পরের সময়টা ছিল সবচেয়ে মজার। বিসিএসের গাইড বইয়ে হয়তো কোনো বইয়ের নাম পেলাম, হাঁটতে হাঁটতে নীলক্ষেতে চলে যেতাম। সেই বই কিনে পড়া শুরু করে দিতাম। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রায় সব একাডেমিক বই পড়ে ফেলেছি। অনেক কিছুই হয়তো বুঝিনি, তবু পড়া চালিয়ে গিয়েছি। ভালো লেগেছে। আমাদের বন্ধুদের একটা পাঠচক্রের মতো ছিল। আমরা পড়তাম, ওই বিষয় নিয়ে তর্ক করতাম, গল্প করতাম।’

সফলতা কোনো গন্তব্য নয়
জীবন নিয়ে শামীমের দৃষ্টিভঙ্গি একটু আলাদা। পররাষ্ট্র ক্যাডারে প্রথম হয়েও গেজেটে নাম আসেনি, এ নিয়ে তাঁর মধ্যে হতাশা নেই। বলছিলেন, ‘অনেক পরিশ্রম করেও তো ব্যর্থ হতে পারে মানুষ। আমি মনে করি, সফলতা কোনো গন্তব্য নয়, এটা একটা যাত্রা। শতভাগ চেষ্টা করার পরেও যদি কিছু না পাই, তাতেও আমি খুশি। কারণ, এই যাত্রায় অনেক অভিজ্ঞতা তো হবে।’

গেজেটে নাম প্রকাশের জন্য আবেদন করেছেন এই তরুণ। আশায় আছেন, এবার হয়তো সুখবর মিলবে।

সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সালামী 🙂🙂🙂🙂😁😁😁😆😆😆
15/03/2026

সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সালামী
🙂🙂🙂🙂😁😁😁😆😆😆

15/03/2026

গাইনীতে থাকতে এক রোগীনিকে পিল দিয়েছি খেতে। সে এক মাস পর ফলোয়াপে এসেছে,
জিজ্ঞেস করলাম কিভাবে পিল খেয়েছে? সে বললো শুধু সাদা বড়ি খেয়েছে। লাল সাতটা বড়ি খায় নি।
আমি রেগেমেগে বললাম খান নি কেনো?

রোগিনীঃ আমি আমার তাইন রে খাওয়াইসি।
আমিঃ তাইন কে?
রোগিনীঃ মানে আমার খশম।
আমিঃ খশম কারে বলে?
রোগিনীঃ ছাড় খশম হইলো সোয়ামিরে বলে।
আমিঃ ওমা, আপনার খাওয়ার পিল আপনার জামাইকে খাইয়েছেন কেনো?
রোগিনীঃ তাইন অনেক দূর্বল, বল পায় না। ওই বড়িডির মইধ্যে নাকি লুহা আছে, আমার এক ভাবী কইসে জামাই লুহা খাইলে নাকি সে লুহার মতো শক্ত হয়, তাই তাইনরে বড়ি খাওয়াইসি।

©Dr.Sifat Khandoker

15/03/2026

অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস রোগীকে অনেক সাধনার পর মোটামুটি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে আনা গেল!
১ মাস পর রোগী ফলো আপে এসে খুব খুশি।স্যার আমার তো ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রন হয়ে গেছে।এখন একটু প্রশ্রাব টা ঘন হচ্ছে আর খিদা লাগতেছে ঘন ঘন। আলহামদুলিল্লাহ।

সন্দেহ হওয়ায় টেস্ট করাইলাম।
ভদ্রলোকের স্যুগার খালি পেটে ১৮ মিলি মোল!!!!

জিগেস করলাম ইনসুলিন নেন নাই?
রোগী বলতেছে না স্যার।অনলাইন থেকে ডাই কেয়ার খাচ্ছি।ওরা বলছে এটা খেলে ডায়াবেটিস সমূলে নির্মুল হয়ে যাবে।তাই অন্য সব ওষধ বন্ধ করে দিছি...

এই দেশে ডাক্তারি করার কাফফারা হইলো এই সিনারিও।
এই দেশের মানুষকে বোকা বানানোর মত সহজ কাজ খুম কম আছে...

✍️ডা: মাহফুজুর রহমান মিঠু

দুনিয়াতে সবাইকে খুশি করতে পারলেও বুয়া জাতিকে আপনি কখনই খুশি করতে পারবেন না।এদের আপনি ঘরের সব দিয়ে দিলেও ইনি আপনাকে গল্প ...
14/03/2026

দুনিয়াতে সবাইকে খুশি করতে পারলেও বুয়া জাতিকে আপনি কখনই খুশি করতে পারবেন না।

এদের আপনি ঘরের সব দিয়ে দিলেও ইনি আপনাকে গল্প শোনাবে,ওমুক বাড়ির তমুক আপা তারে ১০ হাজার টাকা বকশিস দিছে,সাথে শাড়ি চুড়ি লেজফিতা সব দিছে,তার জামাইকে দিছে,মাইয়া পোলাকে দিছে আরও হাবিজাবি কতো কিছু।

আমি শিওর কয়দিন পরে বলেবে,তাকে ঢাকায় ফ্ল্যাটও কিনে দিছে 🤦‍♀️

এসব শুনে আমিও মাঝে মাঝে ভাবি,সারাজীবনে কি করলাম,এসব সংসার ধর্ম বাদ দিয়ে মানুষের বাসায় কাজ নিবো কি না!!🙂

©কনক জাহান

আড়ং এর বসুন্ধরা আউটলেট থেকে এক লোক জুতা কিনছে গতকাল।এখন সেলসম্যান মেয়েটা তারে বিল করে জুতা হাতে ধরায়া দিছে,কারণ সেই লোক ...
14/03/2026

আড়ং এর বসুন্ধরা আউটলেট থেকে এক লোক জুতা কিনছে গতকাল।

এখন সেলসম্যান মেয়েটা তারে বিল করে জুতা হাতে ধরায়া দিছে,কারণ সেই লোক ব্যাগ কিনে নাই।
তো সেই লোক মেয়েটার ছবি এবং ভিডিও করা শুরু করছে,মেয়েটা গেছে রেগে।

তারপর লাগছে ঝগড়া।
এখানে আমি তো সেলসম্যানের কোনো দোষ দেখি না ভাই।প্রতিষ্ঠান সেলসম্যানদের যেভাবে নির্দেশনা দেয় তারা সেভাবেই কাজ করে।তার তো সাধ্য নাই প্রতিষ্ঠানের রুলস ব্রেক করে জুতার বক্স দেওয়ার।
তাহলে ঐ মেয়ের ছবি তুলে কিংবা ভিডিও করে ভাইরাল করলে আপনার লাভটা কি ভাই? বরং ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে অল্প টাকায় চাকুরি করা মেয়েটার।
আড়ং ব্যাগ দেয় না, এটা তো নতুন কিছু না। আপনার ক্ষমতা নাই আড়ং এর পণ্য বয়কট করার,আপনার ক্ষমতা নাই ব্যাগ কেন দেয় না,তার জন্য আড়ংয়ের বিরুদ্ধে স্টেপ নেওয়ার। কিন্তু আপনি অল্প বেতনে চাকরি করা সেলসম্যানের উপর যাইয়া রাগ দেখান।

দুনিয়াটা আসলে শক্তের ভক্ত, নরমের যম।

©Wahida Jahan

12/03/2026

Success story 6:

ফোনের নোটিফিকেশন যাদের ডিস্ট্রাক্ট করতে পারে না, জীবনে তাদের সাফল্য আটকানোর কেউ নেই।

------
বানীতে: দাদু

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডক্টরস ডায়েরী - Doctors' Diary posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share