Dr. Purabi's help desk

Dr. Purabi's help  desk We aspire and try our best to provide the highest possible healthcare information about adolescence, Book your appointment with Dr. Nowsheen Purabi.

Our services are:
• Pregnancy Planning Service.
• Pregnancy testing.
• Pregnancy care, child birth class.
• Delivery and post natal examination.
• Abortion services, post abortion care.
• Birth control: Implant, IUD, Injection, ligation, Pills.
• Menstrual irregularity management.
• Cervical cancer screening, colposcopy, cryotherapy, LEEP.
• Breast cancer screening.
• STD testing, treatment.

• Vaginal infection testing, treatment.
• Miscarriage, Ectopic pregnancy management.
• UTI testing, treatment.
• PCOS diagnosis, treatment.
• Endometriosis diagnosis, treatment.
• Menopause, HRT.
• Fertility awareness, subfertility treatment.
• Routine physical /Laboratory examination: Anemia, Cholesterol. Diabetes, Thyroid, High blood pressures.
• I/V Nutrition.
• Support to the victim of violence. Tools used for creating awareness:

• Electronic media
• Print media
• Social media
• YouTube
• Book/ eBook
• Providing training to the health care professionals
• Creating volunteers
• Community level free health services
• Research on health issues
• Advocacy on policy related issues

06/05/2026
03/05/2026

আমরা সাধারণত রান্না করার আগে সবকিছু ধুয়ে পরিষ্কার করতে পছন্দ করি, তবে আপনি কি জানেন যে কাঁচা মুরগির মাংস জলের নিচে ধোয়া আসলে স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকির কারণ হতে পারে? হ্যাঁ, শুনতে অবাক লাগলেও কাঁচা মুরগির মাংস ধোয়া একদমই উচিত নয়। কাঁচা মাংসে সালমোনেলা (Salmonella) এবং ক্যাম্পাইলোব্যাক্টারের (Campylobacter) মতো মারাত্মক ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থাকে, যা খাদ্যে বিষক্রিয়া বা ফুড পয়জনিংয়ের প্রধান কারণ। যখন আমরা মুরগির মাংস সিঙ্কে জলের নিচে ধুই, তখন জলের ঝাপটার মাধ্যমে এই অদৃশ্য ব্যাকটেরিয়াগুলো মাংসের পাশাপাশি আমাদের রান্নাঘরের সিঙ্ক, চারপাশের জায়গা, বাসনপত্র এমনকি অন্যান্য খাবারেও ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে আমাদের অজান্তেই পেটে ব্যথা, বমি এবং ডায়রিয়ার মতো যন্ত্রণাদায়ক অসুস্থতার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।

অনেকের মনে হতে পারে মাংসের গায়ে থাকা ময়লা বা পালক পরিষ্কার করার জন্য ধোয়া জরুরি, কিন্তু বাহিরের দেশে আধুনিক প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যবস্থায় মুরগির মাংস আগেই খুব ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করে আমাদের কাছে পৌঁছায়। তাই এটি নতুন করে ধোয়ার কোনো প্রয়োজনই নেই। যদিও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এর ব্যতিক্রমই বেশি পরিলক্ষিত হয়।
মাংসের গায়ে থাকা জলীয় অংশ বা প্রোটিনের আবরণ রান্নার সময়ই তাপে নষ্ট হয়ে যায়। তবুও যদি আপনি মাংসের গায়ের তরল অংশ পরিষ্কার করতে চান, তবে একটি পরিষ্কার পেপার টাওয়েল দিয়ে আলতো করে মুছে নিতে পারেন। তবে খেয়াল রাখবেন, ব্যবহার করা পেপার টাওয়েলটি সাবধানে এমনভাবে ডাস্টবিনে ফেলে দেবেন যাতে অন্য কোথাও হাতের স্পর্শ না লাগে এবং মাংস ধরার পর সাথে সাথে নিজের হাত খুব ভালোভাবে ধুয়ে ফেলবেন।

মুরগির মাংস সংরক্ষণের ক্ষেত্রেও কিছু বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত, যাতে ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়ে না পড়ে। ফ্রিজে রাখার সময় কাঁচা মাংস সবসময় সবচেয়ে নিচের তাকে রাখা উচিত, যাতে এর ভেতরের তরল গড়িয়ে অন্য কোনো তাজা বা রান্না করা খাবারের ওপর না পড়ে। এছাড়া, ক্রস-কন্টামিনেশন বা ব্যাকটেরিয়ার বিস্তার রোধ করতে কাঁচা মুরগি কাটার জন্য সবসময় আলাদা একটি কাটিং বোর্ড ব্যবহার করতে হবে। মাংস কাটাকাটি বা প্রস্তুতির পর রান্নাঘরের সিঙ্ক, বাসনপত্র এবং যে জায়গাগুলোতে কাঁচা মাংসের স্পর্শ লেগেছে, তা গরম সাবান-জল দিয়ে খুব ভালোভাবে পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

ব্যাকটেরিয়া থেকে বাঁচার সবচেয়ে কার্যকর এবং একমাত্র নিরাপদ উপায় হলো মাংসটিকে সঠিক তাপমাত্রায় রান্না করা, ধোয়া নয়। ফুড থার্মোমিটার ব্যবহার করে নিশ্চিত করুন যে মাংসের সবচেয়ে পুরু অংশের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা ১৬৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট (৭৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস) এ পৌঁছেছে, কারণ এই তাপমাত্রায় সমস্ত ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া সম্পূর্ণ মারা যায়। কাঁচা মুরগির মাংস কখনোই সাবান বা ডিটারজেন্ট দিয়ে ধোবেন না, কারণ এর রাসায়নিক উপাদান মাংসকে খাওয়ার অযোগ্য করে তুলতে পারে। এছাড়া মাংস লবণ-জলে ভিজিয়ে রাখলে তা ফ্রিজের ভেতরে রাখুন এবং ভেজানো জল পরে ফেলে দিন। একটু সচেতনতা এবং সঠিক নিয়মে রান্নার মাধ্যমেই আমরা মুরগির মাংসের অসাধারণ পুষ্টিগুণ উপভোগ করতে পারি এবং ফুড পয়জনিংয়ের মতো বিপদের হাত থেকে নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে পারি।

Khairul Alom Fardush
Team Science Bee

28/04/2026

বিদেশে থাকা শিক্ষার্থী: ১০টি সাবধানতা
বাদল সৈয়দ

‘তারা জয় করতে গিয়েছিল। পত্রিকায় দুঃসংবাদ হতে নয়।’

আমেরিকায় দুজন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন এবং নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। এর জন্য লিমনের রুমমেট হিশামকে সন্দেহ করা হচ্ছে।

তাদের এই দুর্ভাগ্যজনক মৃত্যু কোনোভাবেই মানতে পারছি না। সে প্রেক্ষিতে যারা বিদেশে পড়ছেন বা পড়তে যাবেন, তাদের রুমমেট বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কী কী সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত, সে ব্যাপারে কিছু পরামর্শ দিলাম। এগুলো তাদের মা-বাবাদেরও কাজে লাগবে।

১) বিশ্ববিদ্যালয়ের হাউজিং সিস্টেম ব্যবহার করা সবচেয়ে নিরাপদ। কারণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিটি শিক্ষার্থীর ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করে সিট বরাদ্দ করে। এ হাউজিং সিস্টেম ব্যবহারের সুযোগ না থাকলে পরিচিত কারো মাধ্যমে রুমমেট বাছাই করা।

২) রুমমেট বাছাইয়ের আগে অন্তত কয়েকবার সামনাসামনি বা ভিডিও কলে আলাপ করা। সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল চেক করা। এর মাধ্যমে তার ব্যাপারে ধারণা পাওয়া যেতে পারে।

৩) আইডি/স্টুডেন্ট আইডি চেক করা। তবে এই প্রসঙ্গটি ভদ্রভাবে তোলা উচিত, যেমন—‘চলো আমরা পরস্পরের বেসিক ইনফরমেশনগুলো শেয়ার করি।’

৪) অ্যালকোহল বা মাদকাসক্তি আছে কিনা, তা নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করা।

৫) শুরুতেই লিখিত চুক্তি করে নেওয়া। এতে ভাড়া শেয়ার করার ব্যাপারটি ছাড়াও একত্রে বসবাসের বিভিন্ন নিয়ম নিশ্চিত করা। যেমন, রুম পরিষ্কার করা, অতিথি আনা, শব্দের মাত্রা—এগুলো নিয়ে সুস্পষ্ট বোঝাপড়া।

৬) নিজের রুমের দরজা-জানালা সবসময় বন্ধ রাখা। এক্ষেত্রে দরজার অরিজিনাল লক ছাড়াও অতিরিক্ত তালা লাগানো জরুরি।

৭) যে দেশে আছে, সে দেশের ইমারজেন্সি হেল্প সেন্টারের নম্বর সেভ করে রাখা ও প্রয়োজনে সাহায্য চাওয়া। (যেমন, আমেরিকায় ৯১১)

৮) কয়েকজন স্থানীয় বিশ্বস্ত বন্ধু বা পরিচিতের সাথে একটি পাসওয়ার্ড ঠিক করে রাখা। ফোন করে যেটি বললে বা টেক্সট করলে অন্যজন বুঝবে তার বন্ধু বিপদে পড়েছে। কারণ অনেক সময় বুঝিয়ে বলা বা লেখা সম্ভব নাও হতে পারে। তাদের সাথে লোকেশন শেয়ার করে রাখাও জরুরি, যাতে বিপদে তারা এগিয়ে যেতে পারে।

৯) সম্ভাব্য রুমমেটের সাথে কথা বলার সময় অস্বস্তিবোধ হলে অবশ্যই তার সাথে রুম শেয়ার করা যাবে না। ইনার ফিলিং বা নিজস্ব অনুভূতি খুব গুরুত্বপূর্ণ। এটি সাধারণত মিথ্যে বলে না।

১০) বাবা-মায়েরা সন্তানের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখবেন। কথা বলবেন। তারা কোনো কারণে না পারলে ভাইবোনরা যোগাযোগ রাখবেন। আপনাদের পরামর্শ তাদের আরও সুরক্ষিত রাখবে।

জামিল এবং বৃষ্টিকে মহান আল্লাহতায়ালা কবুল করুন—তারা সেখানে ফুল হয়ে ফুটুক।

*********
পাদটীকা: বাবা- মায়েরা সন্তানদের লেখাটি পড়তে বলতে পারেন। অন্যরাও শেয়ার করতে পারেন।

ছবির উৎস: BBC

#আসুনমায়াছড়াই

27/04/2026

🛑 নিচে তাকানো বন্ধ করুন: আপনি নিজের নার্ভকে ৬০ পাউন্ড চাপ দিয়ে “চেপে” ধরছেন!
আপনার মাথার ওজন প্রায় ১০–১২ পাউন্ড। কিন্তু আপনি যত সামনে ঝুঁকেন, তত চাপ বাড়ে। প্রতি ১ ইঞ্চি সামনে গেলে এই চাপ প্রায় দ্বিগুণ হয়। ৬০° কোণে আপনার ঘাড়ে পড়ে প্রায় ৬০ পাউন্ড চাপ—মানে সারাদিন যেন একটা বাচ্চাকে ঘাড়ে নিয়ে ঘুরছেন!

⚙️ বায়োমেকানিক্স: “নার্ভ পিঞ্চ” কীভাবে হয়
🔹 Compression (চাপ): সবসময় ফোনের দিকে ঝুঁকে থাকলে ঘাড়ের স্বাভাবিক বাঁক নষ্ট হয়, ডিস্ক আর নার্ভ চেপে যায়।
🔹 Fallout (প্রভাব): এজন্যই কাঁধের মাঝে জ্বালাপোড়া, আঙুলে ঝিনঝিনি, আর মাথাব্যথা হয়।
👉 Result: এটা “বয়সের সমস্যা” না—আপনি আসলে ধীরে ধীরে নিজের নার্ভকে ক্ষতিগ্রস্ত করছেন।

⚠️ ৩টি লক্ষণ—আপনার ফোন আপনার ঘাড় নষ্ট করছে:

Finger Tingle: আঙুলে ঝিনঝিনি বা সুই ফোটার মতো অনুভূতি
Hump: ঘাড়ের নিচে ছোট ফোলা (Dowager’s hump)
Morning Stiffness: সকালে ঘাড় ঘোরাতে টান বা ব্যথা

🛠️ ৩০ সেকেন্ডের “Chin Tuck” রিসেট
✔️ ফোন নিচে না রেখে চোখের সমান উচ্চতায় ধরুন
✔️ তারপর “Chin Tuck” করুন—মাথা সোজা রেখে ধীরে পিছনে টানুন (ডাবল চিনের মতো)

✨ ফলাফল:
এতে ঘাড়ের হাড় ঠিক লাইনে আসে, নার্ভের ওপর চাপ কমে—আর সাথে সাথে আরাম পাবেন।

💡 মনে রাখুন:
আপনার ফোন যেন আপনার পশ্চার নষ্ট না করে।
👉 ফোন তুলুন, ঘাড় বাঁচান, নার্ভকে মুক্ত রাখুন।

26/04/2026

ছেলেটা এনাল ওয়ার্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি। বয়স আর কত হবে,এই ২২-২৩ বছর।

এনাল ওয়ার্ট কি যারা জানেন না তাদের জন্য বলি,এটা পায়খানার রাস্তায় ফুলকপির মতো দেখতে একটা গ্রোথ বা টিউমার। হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসের সংক্রমণে এই রোগ হয়। মেডিকেল সাইন্স বলে,সবার এই রোগ হয় না। পায়ুপথকে যারা মিলনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে, তাদের এই রোগ হয়।

তাই সন্দেহ থেকেই ছেলেটার হিস্ট্রি নেয়া শুরু হয়। কি করে না করে ইত্যাদি! প্রথমে ইতস্তত করলেও চিকিৎসার খাতিরে সে স্বীকার করে যে,সে একজন গে! তাদের চারজনের একটা গ্রুপ আছে। তারা পরস্পর এই পায়ুপথে মিলিত হয়। এই ছেলে গুলোর একজনের পেনিসে একটা গোটা আছে! (সম্ভবত হিউম্যান প্যাপিলোমা থেকেই হবে)। পরবর্তীতে জানা গেল ছেলেটা HIV পজিটিভ। স্বভাবতই তার সকল পার্টনার HIV পজিটিভই হবে।

ছেলেটার বাসা ঢাকার পাশের এক জেলায়। প্রাইভেসির খাতিরেই এলাকার নামটা গোপন রাখলাম। সাময়িক আলাপনে যা দেখলাম, ছেলেটার বাবা একজন দাড়ি-টুপি ওয়ালা সহজ-সরল আধাশিক্ষিত মানুষ,মাও তাই। কিন্তু ছেলের এই বিষয়ে তারা জানতেন না,এখনো জানেন না। রিপোর্ট দেখে শুধু জেনেছেন ছেলে HIV পজিটিভ।

মাঝে একটা পোস্ট ভাইরাল হয়েছিল রমনা পার্ক ও এই এলজিটিভিদের দৌরাত্য নিয়ে। একটা জেলা শহরের যদি এই অবস্থা হয়,তবে ঢাকা বা বিভাগীয় শহর গুলোর কি অবস্থা!!!

এসব এলজিটিভিদের বিষয়ে পোস্ট দেয়ার কারণে আগেও আমার কয়েকজন এলজিটিভিদের সাথে কথা হয়েছে। আমি তাদের কাউন্সেলিং করার চেষ্টা করেছি। তবে দুঃখজনক বিষয়,এদের অধিকাংশ মানুষের মধ্যেই আমি কোনো অনুশোচনা দেখতে পাই নি।

নীরবে নিভৃতে এই এলজিটিভির বিষ আমাদের সমাজে ছড়িয়ে পড়ছে। কথায়,গানে,নাটকে,সিনেমায় আমরা এদের স্বীকৃতি দিচ্ছি। এসব দেখে বড় হতে থাকা আমাদের আগামী প্রজন্ম ভাবছে, আরে এটা তো স্বাভাবিক ঘটনা,ভূল কিছু নয়!! ধীরে ধীরে গড়ে উঠছে কওমে লুতের মতো একটা প্রজন্ম।

কেউ এই বিষের বিষাক্ততা থেকে মুক্ত নয়। তাই আজই নিজের পরিবারে খোজ নিন। ছেলের মাঝে মেয়েলিপনা বা এর উল্টোটা দেখতে পেলে খতিয়ে দেখুন। প্রয়োজনে ডাক্তারের শরনাপন্ন হোন। নিজের সন্তানকে ধর্মীয় মূল্যবোধ ও ধর্মীয় অনুশাসনের মধ্যে গড়ে তুলুন।

মনে রাখবেন- সময় গেলে কিন্তু সাধন হবে না.......💔

-Dr. Nazmush Shakib Bappi
SSMCMH.

17/04/2026

২৭ বছরের এক নারী…
সাধারণ একটা ব্যথানাশক—Ibuprofen খেয়েছিলেন।
আমরা যে ওষুধটা জ্বর, ব্যথা হলেই খুব স্বাভাবিকভাবে খেয়ে ফেলি।
শুরুটা
হালকা জ্বর, শরীর ব্যথা… ঠিক যেন ফ্লু।
কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যেই
শরীরে ছোট ছোট ফোসকা…
তারপর সেই ফোসকা বাড়তে লাগলো…
ত্বক আলগা হয়ে ঝরে পড়তে শুরু করলো…
ঠিক যেন আগুনে পোড়া মানুষের মতো।
ডায়াগনোসিস
Toxic Epidermal Necrolysis
একটা বিরল কিন্তু ভয়ংকর অবস্থা
যেখানে শরীরের ইমিউন সিস্টেম নিজের ত্বককেই শত্রু ভেবে আক্রমণ করে।
ভাবতে পারেন?

প্রচুর পানি (fluid) বের হয়ে যায়
একের পর এক অঙ্গ ঝুঁকিতে পড়ে
তাকে দ্রুত ICU-তে নেওয়া হয়…
কোমায় রাখা হয়…

সবচেয়ে অবাক করার বিষয়
তার শরীরের প্রায় ৯৫% ত্বক নষ্ট হয়ে গিয়েছিল…

“একটা পেইন কিলার খেয়ে নেই…”
“ডাক্তারের কাছে যাওয়া লাগবে না…”
যারা এমন করেন এখনই সচেতন হই
সব ওষুধ সবার শরীরে একইভাবে কাজ করে না।

***নতুন কোনো ওষুধ খাওয়ার পর যদি
র‍্যাশ হয়
ফোসকা পড়ে
অস্বাভাবিক জ্বর আসে
তাহলে দেরি না করে ডাক্তারের কাছে যান।

ডা.আব্দুর রহমান

17/04/2026

আমি নিজে একজন বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ হয়েও ঠিক এই ভুলটিই করেছিলাম!

সারাদিন কি আপনার খুব ক্লান্তি লাগে? যেখানেই বসেন সেখানেই কি ঘুমিয়ে পড়েন? আপনার পরিবারের কেউ কি আপনার নাক ডাকা নিয়ে অভিযোগ করে? সাবধান! যে নাক ডাকাকে আপনি "স্বাভাবিক পরিশ্রমের ক্লান্তি" বলে উড়িয়ে দিচ্ছেন, সেটিই হতে পারে আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি। আমি নিজে একজন বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ হয়েও ঠিক এই ভুলটিই করেছিলাম!

আমি ভাবতাম—সারাদিন রোগী দেখা, পড়ানো আর গবেষণার চাপে আমি ক্লান্ত, তাই গাড়িতে উঠলেই আমার চোখ লেগে আসে। কিন্তু আসল সত্যিটা ছিল অনেক বেশি ভয়ংকর।

আমি ঘুমাচ্ছিলাম না, বরং প্রতি রাতে শুধু "ঘুমানোর চেষ্টা" করছিলাম। যখন নিজের Sleep Test করালাম, রিপোর্ট দেখে আমি নিজেই চমকে উঠলাম! প্রতি এক ঘণ্টায় আমার ঘুম ভাঙছিল ৪৪ বার! অর্থাৎ পুরো রাতটাই ছিল অশান্ত এবং ক্লান্তিকর।

রাতে ৩-৪ বার ওয়াশরুমে যাওয়া।

সারাদিন মাথা ভারী থাকা।

মন মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকা।

ডায়াগনোসিস পরিষ্কার ছিল— Obstructive Sleep Apnea। আমি প্রতিদিন অগণিত রোগীকে CPAP বা BiPAP মেশিন ব্যবহারের পরামর্শ দেই, অথচ নিজের বেলায় মানতে পারছিলাম না। কিন্তু যেদিন প্রথম 'Auto BiPAP' ব্যবহার করে ঘুমালাম, সেদিন সকালে মনে হলো— "এই প্রথম আমি সত্যিকারের ঘুমালাম!" শরীর হালকা, মাথা পরিষ্কার এবং অদম্য প্রাণশক্তি নিয়ে আমি যেন এক নতুন জীবনে প্রবেশ করলাম।

আপনার নাক ডাকা কেবল শব্দ নয়, এটি একটি নীরব সংকেত। ভালো ঘুম কোনো বিলাসিতা নয়, এটি আপনার শরীরের বেঁচে থাকার জন্য একটি জরুরি চিকিৎসা।

আপনি বা আপনার প্রিয় কেউ কি প্রতিদিন এই সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন?

নাক ডাকা কি নিয়মিত অভ্যাস?

দিনের বেলা কি হঠাৎ হঠাৎ ঘুম পায়?

রাতে কি বারবার ঘুম ভেঙে যায়?

যদি উত্তর 'হ্যাঁ' হয়, তবে দেরি না করে আজই একটি Sleep Test করে দেখে নিন। একটি ছোট পরীক্ষা এবং সঠিক বিশেষজ্ঞ পরামর্শ আপনার জীবনকে আবার কর্মচঞ্চল করে তুলতে পারে।

নিশ্চিন্তে ঘুমান, সুস্থভাবে বাঁচুন।

✅ আপনার স্লিপ অ্যাপনিয়া বা বক্ষব্যাধি বিষয়ক যেকোনো জিজ্ঞাসায় আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
📍 চেম্বারের ঠিকানা Alliance Hospital Ring Road Shyamoli

এখন শুধুমাত্র এরকম একটা মাস্ক পরে BiPAP লাগিয়ে ঘুমিয়ে দেখছি সারাদিন আর কোন ঘুম ঘুম ভাব বা ক্লান্তি লাগছে না এবং সারাদিন আগে যে কাজ করতে পারতাম তার থেকে বেশি কাজ করতে পারছি।
এটা খুবই নিরাপদ ও ব্যথামুক্ত আধুনিক চিকিতসা।

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Purabi's help desk posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Purabi's help desk:

Share