Medinet medical services

Medinet medical services Diagnostics, Consultation, Dental, Physiotherapy, Hearing, Skincare, Asthma, Hospital, Pharmacy, Med

26/03/2023
03/01/2022

আমরা প্রায় সবাই প্রতিদিন দাঁত ব্রাশ করি। কিন্তু অনেকেই সঠিক পদ্ধতিতে দাঁত ব্রাশ করি না। ফলে দাঁত ঠিকমতো পরিষ্কার হয় না। উপরন্তু দাঁতের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। দাঁত ব্রাশ করতে ব্যবহার করতে হবে সঠিক টুথব্রাশ। বাজারে যদিও নরম, মাঝারি-নরম ও নরম তন্তুবিশিষ্ট ব্রাশ পাওয়া যায়, তবু নরম ব্রাশই বেশি নিরাপদ। শক্ত ব্রাশ মাড়িতে ক্ষত তৈরি করতে পারে। দাঁতের অ্যানামেল নামক বাইরের আবরণ ক্ষয় করে ফেলতে পারে। ফলে দাঁত হয়ে পড়তে পারে সংবেশনশীল। টুথব্রাশের মাথা, যেখানে তন্তু বসানো থাকে, তা ছোট হলে ভালো হয়। এতে ব্রাশের মাথা দাঁতের সব অংশে ঠিকভাবে পৌঁছতে পারে।

আরেকটি দরকারি বিষয় হলো- একটি ব্রাশ তিন মাসের বেশি ব্যবহার না করা। কারণ ব্রাশ দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে তন্তুগুলো বাঁকা হয়ে কর্মক্ষমতা হারাতে পারে। বেশি সময় ধরে ব্রাশ করা দাঁতের জন্য ক্ষতিকর। দুই থেকে তিন মিনিট পর্যন্ত ব্রাশ করা ভালো। দাঁত ব্রাশ করার নির্দিষ্ট পদ্ধতি রয়েছে। ভুল পদ্ধতিতে দাঁত ব্রাশে দাঁত ঠিকমতো পরিষ্কার হয় না, বরং দাঁত ও মাড়ির ক্ষতির কারণ ঘটাতে পারে। দন্তচিকিৎসাবিজ্ঞান বিষয়ক বইয়ে দাঁত মাজার অনেকগুলো পদ্ধতির কথা উল্লেখ রয়েছে। যেমন- রোল পদ্ধতি, বেজ পদ্ধতি, স্টিলম্যান পদ্ধতি, চার্টার পদ্ধতি ইত্যাদি। এতসব পদ্ধতিগুলোর মধ্যে রোল পদ্ধতি সবচেয়ে সোজা। এ পদ্ধতিতে দাঁত ব্রাশের জন্য আমেরিকান ডেন্টাল অ্যাসোসিয়েশন (এডিএ) সমর্থনও দিয়েছে। এ পদ্ধতির নাম এডিএ।

রোল পদ্ধতিতে দাঁত মাজতে হলে ব্রাশটি দাঁত ও মাড়ির সংযোগস্থলের একটু ওপরে মাড়িতে ৪৫ ডিগ্রি কোণা করে রাখুন। এরপর ব্রাশটি মাড়ি থেকে দাঁতের দিকে টানুন। এভাবে উপর-নিচের সব দাঁত ক্রমাগত ব্রাশ করুন। মুখগহ্বরের পেছনের দিকের মোলার দাঁতের উপরিতল পরিষ্কার করতে দাঁতের উপরিতলে ব্রাশ রাখুন। তারপর সামনে-পেছন করে ব্রাশ করুন। সামনের দাঁতের ভেতরের অংশ পরিষ্কারের জন্য সেখানে উল্লম্বভাবে ব্রাশ রাখুন। তারপর উপর-নিচ করে ব্রাশ চালিয়ে যান।


মনে রাখতে হবে, দাঁত পরিষ্কারের পাশাপাশি জিহ্বাও ব্রাশ করা উচিত। কারণ এর উপরিভাগে সহজেই জীবাণু জন্ম নিতে পারে। তাই জিহ্বার পেছনের দিকে ব্রাশ রেখে তা পেছন থেকে সামনের দিকে টেনে জিহ্বা পরিষ্কার করুন। এতে জিহ্বা জীবাণুমুক্ত থাকবে, মুখগহ্বর থাকবে সতেজ। দাঁত ব্রাশ করার পর ব্রাশটি পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করুন। নইলে ব্রাশে জীবাণু বংশবিস্তার করতে পারে। ফলে আবার দাঁত ব্রাশের সময় অপরিষ্কার ব্রাশ থেকে জীবাণু মুখে প্রবেশ করতে পারে। ব্রাশ ধুয়ে তা শুকনো জায়গায় রেখে দিন, যেন তা সহজে শুকিয়ে যেতে পারে। কারণ ভেজা ব্রাশে সহজেই জীবাণু জন্মাতে পারে। দাঁত মাজার সময় ফ্লোরাইডসমৃদ্ধ টুথপেস্ট ব্যবহার করুন। কারণ দাঁতের ক্ষয় রোধ ও দাঁত মজবুত রাখতে ফ্লোরাইড খুব উপকারী। দাঁত ব্রাশ করুন দিনে দুইবার- সকালে ও রাতে। দাঁত মাজার পাশাপাশি ‘ডেন্টাল ফ্লোস’ অর্থাৎ দাঁত পরিষ্কারের সুতা ব্যবহার অনেক উপকারী। দুই দাঁতের মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থান, যেখানে ব্রাশের তন্তু প্রবেশ করতে পারে না, সেই স্থান পরিষ্কারের জন্য ‘ডেন্টাল ফ্লোস’ বেশ কার্যকর। দাঁত ও মুখগহ্বর পরিষ্কার রাখার জন্য মাউথওয়াশ দিয়েও কুলি করা যায়। তা করতে হলে আগে দাঁত ব্রাশ করে নিতে হবে। তারপর মাউথওয়াশ ব্যবহার করতে হবে।

“সংগৃহীত...”

রূপনগর ব্লাড ডোনেশন ক্লাব RBDC এর উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ও ফ্রি ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি-২০২১ইং“সার্বিক সহযোগীতায় : মেড...
03/01/2022

রূপনগর ব্লাড ডোনেশন ক্লাব RBDC এর উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ও ফ্রি ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি-২০২১ইং
“সার্বিক সহযোগীতায় : মেডিনেট মেডিকেল সার্ভিসেস”

Happy New Year 2022
31/12/2021

Happy New Year 2022

“শীতে সুস্থ থাকবেন কি ভাবে”শীতকালে সাধারণ সর্দি-কাশি থেকে শুরু করে অন্যান্য স্বাস্থ্য-সমস্যার বিষয়টিও মাথায় রাখা দরকার। ...
26/12/2021

“শীতে সুস্থ থাকবেন কি ভাবে”

শীতকালে সাধারণ সর্দি-কাশি থেকে শুরু করে অন্যান্য স্বাস্থ্য-সমস্যার বিষয়টিও মাথায় রাখা দরকার। এ সময় জ্বর, অ্যাজমা, গা-ব্যথা, অসাড় ভাবসহ নানা ধরনের সংক্রমণ দেখা দেয়। এ ধরনের সমস্যায় চিকিৎসার নানা উপায় আছে। এগুলো যদি সহজে এড়িয়ে যাওয়া যায়, তবে কিসের অপেক্ষা?

কথায় আছে, চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম। শীতের এ মৌসুমে কিছু খাবার খেলে ও কিছু পরামর্শ মেনে চললে সহজেই রোগব্যাধি এড়াতে পারবেন।

ভিটামিনযুক্ত খাবার খান: যেসব খাবারে ভিটামিন সি ও জিংক বেশি আছে, তা এ সময় বেশি করে খান। লেবুজাতীয় ফল ও রসুন বেশি করে খান। এতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে এবং রোগের বিরুদ্ধে শরীরকে লড়াই করতে শক্তি জোগাবে।

কিছুটা ঘাম ঝরান: শীতের সময় বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় মানুষের একটু বেশি খাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। এ সময় শরীরের ওজন ঠিক রাখা তাই বেশি দরকার। শরীর ফিট রাখলে রোগব্যাধি দূরে থাকবে। শরীরে বিপাকপ্রক্রিয়া উন্নত হবে এবং রক্তপ্রবাহ বাড়বে। শরীরকে উষ্ণ ও কর্মক্ষম রাখতে শীতের সময় নিয়মিত ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানো উচিত।

ফল ও সবজি: শীতকালে প্রচুর সবজি বাজারে পাওয়া যায়। পুষ্টিকর খাবার সব সময়ই শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এ সময় তাই বেশি করে শাকসবজি খেতে হবে। এতে শরীর যথেষ্ট পুষ্টি পাবে এবং রোগব্যাধি কমবে।

হাত ধোয়ার অভ্যাস: ঘরে-বাইরে যেখানেই থাকুন না কেন, শীতের সময় নিয়মিত হাত ধুয়ে তারপর কিছু খাবেন। এ সময় বাতাসে নানা রকম রোগজীবাণু থাকতে পারে। গণটয়লেট ও সংক্রমণের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন। এ ছাড়া শীতের সময় বেশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার চেষ্টা করুন।

শরীরকে আর্দ্র রাখুন: শীতের সময় অনেকেই পানি খেতে চান না। কিন্তু এ সময় শরীর আর্দ্র রাখতে প্রচুর পানি পান করা উচিত। শীতের সময় শরীর শুষ্ক হয়ে যায়। এ কারণে শরীরে চুলকানি, খসখসে ত্বকের মতো সমস্যা হয়। শীতের এই শুষ্কতা দূর করতে শুধু বাইরে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করলেই হবে না, ভেতর থেকে শরীরকে আর্দ্র করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। প্রচুর পানি পান করার পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার, প্রচুর ফল ও শাকসবজি খেলে শরীর আর্দ্র থাকে।

সংগৃহিত।।।।

ফুসফুস ভালো রাখতে যে খাবার খাবেন ?এটা নতুন করে বলার প্রয়োজন নেই, কম বেশী সকলেই জানি শরীরের কার্যক্রম ভালোভাবে সচল রাখতে ...
25/12/2021

ফুসফুস ভালো রাখতে যে খাবার খাবেন ?

এটা নতুন করে বলার প্রয়োজন নেই, কম বেশী সকলেই জানি শরীরের কার্যক্রম ভালোভাবে সচল রাখতে ফুসফুসগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।ফুসফুসগুলো প্রতিনিয়ত বায়ু গ্রহণ করছে, এর পাশাপাশি বায়ু দূষণকারী পদার্থের সংস্পর্শেও আসছে। এসব বায়ু দূষক শ্বাসতন্ত্রীয় স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি বৃদ্ধি করছে, যেমন- অ্যাজমা, ব্রস্কাইটিস, সিস্টিক ফাইব্রোসিস, নিইমেনিয়া ও অন্যান্য। ফুসফুস সুস্থ রাখার ভালো উপয় হচ্ছে নিয়মিত শরীরচর্চা কারা ও স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া। ফুসফুসকে সক্রিয় কার্যক্ষম রাখতে সাহায্য করে এমন কিছু খাবার উল্লেখ করা হলো।

আপেল: গবেষকরা ভালো ফুসফুস কার্যক্রমের সঙ্গে উচ্চ পরিমাণে ভিটামিন সি, ভিটামিন ই ও বিটা-ক্যারোটিন গ্রহণের যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছেন। এসবের সবকয়টি আপেলে রয়েছে। আপেলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকে, যা ফুসফুসকে সুস্থ রাখে।

আখরোট: আখরোট হচ্ছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের সমৃদ্ধ উৎস। একমুঠো আখরোট বাদাম অ্যাজমা ও অন্যান্য শ্বাসতন্ত্রীয় সমস্যায় লড়ে যেতে সহায়ক হতে পারে। ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড প্রদাহনাশক পুষ্টি বলে প্রদাহজনিত রোগ থেকে সুরক্ষা দিতে পারে।

বেরি: ফুসফুসগুলোকে সুস্থ রাখার জন্য ব্লুবেরি হচ্ছে অন্যতম সর্বাধিক কার্যকর বেরি। এটি হচ্ছে ভিটামিন সি এর সমৃদ্ধ উৎস, যা কোষ ধ্বংসাত্মক ফ্রি রেডিক্যালস থেকে রক্ষা করতে পারে।

ব্রোকলি: ব্রোকলিতে উচ্চ পরিমাণে ভিটামিন সি, ক্যারোটিনয়েড, ফোলেট ও ফাইটোকেমিক্যাল পাওয়া যায়- এসবকিছু ফুসফুসকে ধ্বংসাত্মক উপাদান থেকে রক্ষা করে। ব্রোকলিতে এল-সালফোরাফ্যান নামক সক্রিয় উপাদান রয়েছে, যা কোষকে প্রদাহনাশক জিন সক্রিয় করতে কৌশল খাটায়- এভাবে শ্বাসতন্ত্রীয় সমস্যা এড়াতে সাহায্য করে।

ঝালমরিচ: ঝালমরিচের ক্যাপসাইসিন শ্লেষ্মা নিঃসরণে উদ্দীপ্ত করে এবং শ্লৈষ্মিক ঝিল্লিকে সুরক্ষা দেয়। ঝালমরিচের চা পান করতে পারলে সবচেয়ে ভালো, এটাও বিটা-ক্যারোটিনের আরেকটি ভালো উৎস। বিটা-ক্যারোটিন অ্যাজমার অনেক উপসর্গ প্রশমিত করতে পারে।

আদা: আদা কেবলই প্রদাহনাশক নয়, এটি বিষমুক্তকরণে সহায়তা করে এবং ফুসফুস থেকে দূষণকারী পদার্থ দূর করে। আদা শ্বাসতন্ত্রের বদ্ধতা দূর করে, বায়ুপথগুলোকে খুলে দেয় ও ফুসফুসে সঞ্চালন বৃদ্ধি করে- এভাবে ফুসফুস অনাকাঙ্ক্ষিত বিপর্যয় থেকে রক্ষা পায়।

রসুন: রসুনে উপস্থিত ফ্লেভোনয়েড গ্লুটাথিয়োন উৎপাদনে উদ্দীপ্ত করে, যা বিষাক্ত পদার্থ ও কার্সিনোজেন দূর করে। এর ফলে ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

পানি: পানির চেয়ে অধিক ভালো ও অধিক কার্যকর আর কি হতে পারে? শরীর বিষমুক্তকরণের সর্বোত্তম উপায় হচ্ছে পানি পান করা। এটা মনে রাখা ভালো যে শুষ্ক ফুসফুসে অস্বস্তি ও প্রদাহ বেশি হয়। শারীরিক পানিশূন্যতা এড়াতে প্রতিদিন ছয় থেকে আট গ্লাস পানি পান করুন।

হলুদ: হলুদে প্রদাহনাশক উপাদান রয়েছে, অর্থাৎ এটি প্রদাহ কমাতে পারে। এর জন্য ধন্যবাদ পাবে এ মসলাতে বিদ্যমান কারকুমিন। এ উপাদানটি বায়ুপথের প্রদাহ ও অ্যাজমার সঙ্গে সম্পৃক্ত বুকের টানটান ভাব কমিয়ে ফেলে।

হটলাইনঃ 01705458900-6

১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস। বিজয়ের ৫০ বছরের শুভেচ্ছা।।।।
16/12/2021

১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস।
বিজয়ের ৫০ বছরের শুভেচ্ছা।।।।

শুভ উদ্বোধন 🎈🎈🎈🎈🎈🎈🎈১৬ ডিসেম্বর’২১, বৃহস্পতিবার মহান বিজয় দিবসের৫০ বছর পূর্তির এই দিনেমেডিনেট হসপিটাল লিঃ-এর নতুন সংযোজনম...
14/12/2021

শুভ উদ্বোধন 🎈🎈🎈🎈🎈🎈🎈
১৬ ডিসেম্বর’২১, বৃহস্পতিবার মহান বিজয় দিবসের
৫০ বছর পূর্তির এই দিনে
মেডিনেট হসপিটাল লিঃ-এর নতুন সংযোজন
মডেল ফার্মেসী।
মেডিনেট মেডিকেল সার্ভিসেস-এর একটি প্রতিষ্ঠান

ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প!!যোগাযোগঃ 01705 458900-6
06/12/2021

ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প!!
যোগাযোগঃ 01705 458900-6

05/12/2021

ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প !
ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প !!
ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প !!!

আসছে আগামী ১৬ই ডিসেম্বর’২১, বৃহস্পতিবার, মেডিনেট মেডিকেল সার্ভিসেস- এর মিরপুর-১ প্রধান শাখা ও রূপনগর শাখায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প এর আয়োজন করা হয়েছে।
আপনাদের সেবায় থাকবে আমাদের
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকবৃন্দ
যোগাযোগঃ ০১৭০৫৪৫৮৯০০-৬

Diagnostics, Consultation, Dental, Physiotherapy, Hearing, Skincare, Asthma, Hospital, Pharmacy, Med

Address

Plot 1, 2, 3, BNSB Bhaban, Kolwalapara, Section-1, Mirpur
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Medinet medical services posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Medinet medical services:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram