Fastpharma The Online Medicine Shop

Fastpharma The Online Medicine Shop We provide all types of national and international medicines, food supplement, medical surgical item

Hamdard Honey 250g, প্রোডাক্টটি পেতে কল করুন: 01953675123
08/12/2021

Hamdard Honey 250g,
প্রোডাক্টটি পেতে কল করুন: 01953675123

পাইকারি ও খুচরা মূল্যে প্রোডাক্ট টি নিতে কল করুন: 01953675123
28/11/2021

পাইকারি ও খুচরা মূল্যে প্রোডাক্ট টি নিতে কল করুন: 01953675123

প্রোডাক্ট টি পেতে কল করুন: 01953675123মূল্য: ৫০০/- টাকা।
28/11/2021

প্রোডাক্ট টি পেতে কল করুন: 01953675123
মূল্য: ৫০০/- টাকা।

প্রসূতি মায়ের প্রস্তুতিস্বাভাবিক গর্ভকালীন সময়সীমা সাধারণত দশ মাস হলেও সুস্থ শিশু জন্মদানকল্পে গর্ভধারণের আগের তিন মাস...
08/07/2019

প্রসূতি মায়ের প্রস্তুতি
স্বাভাবিক গর্ভকালীন সময়সীমা সাধারণত দশ মাস হলেও সুস্থ শিশু জন্মদানকল্পে গর্ভধারণের আগের তিন মাস সময়সহ এ সময়কালকে ১২ মাস বিবেচনা করতে হবে। একজন মা যখনই গর্ভধারণ করবেন বলে মনস্থির করেছেন, তখন থেকেই তাকে পরিকল্পনা মাফিক চলা উচিত। প্রসূতি মাকে গর্ভধারণের আগে একজন চিকিৎসক দেখিয়ে প্রয়োজনীয় চেকআপ করে নেয়া উচিত। কারও যদি ক্রনিক বা দীর্ঘমেয়াদি কোনো অসুস্থতা থেকে থাকে তবে তা চিকিৎসককে জানাতে হবে। এছাড়া পারিবারিক বা অন্যান্য রোগজনিত পূর্ব ইতিহাস, জন্মগত ত্রুটি, জেনেটিক কন্ডিশন, আগে চিকিৎসাদি নিয়ে থাকলে বা কোনো ওষুধ সেবন করে থাকলে সে বিষয়েও চিকিৎসককে অবহিত করুন। এতে একজন মা গর্ভকালীন অনেক বেশি নিরাপদ থাকবেন। রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে রক্তের গ্রুপ, হেপাটাইটিস বি ও সি, যৌনবাহিত সংক্রামক ব্যাধি এবং এইচআইভি আছে কি না পরীক্ষা করুন। স্বাস্থ্যজনিত যে কোনো সমস্যা যেমন্য-ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ বা ওজন যদি অতিরিক্ত হয়ে থাকে তবে এসব সমস্যার সঠিক সমাধানের জন্য চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

গর্ভবতী মায়ের পুষ্টি
গুরুজনরা বলে থাকেন গর্ভবতী অবস্থায় একজন নয়; বরং দুজনের জন্য খেতে হয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো আপনাদের দুজনের জন্য আপনি কী খাবেন? প্রতিদিন আপনাকে যথেষ্ট পরিমাণ ভিটামিন এবং মিনারেল খেতে হবে। এছাড়া গর্ভবতী হওয়ার আগে থেকেই আপনার স্বাস্থ্যকর সুষম খাদ্য গ্রহণের পাশাপাশি প্রিন্যাটাল ভিটামিনসমৃদ্ধ (গর্ভকালীন চাহিদাকৃত ভিটামিন) খাবার গ্রহণ করা উচিত। প্রতিবার খাবার গ্রহণের সময় আপনার থালা সবুজ শাকসবজি, ফলমূল, দানাদার শস্যকণাসমৃদ্ধ খাবার (গমের রুটি) দিয়ে পূর্ণ করুন। এছাড়া ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার যেমন ব্রকলি (এক ধরনের সবুজ ফুলকপি) ও কম স্নেহযুক্ত দুধ প্রভৃতি প্রচুর পরিমাণে গ্রহণ করা উচিত। এতে বাড়ন্ত ভ্রূণের বা শিশুর হাড় ও দাঁতের বৃদ্ধি সাধিত হবে। তাছাড়া চর্বিবিহীন মাংস যেমন মুরগির মাংস নিয়মিতভাবে গ্রহণ করা যেতে পারে।

গর্ভকালীন নিম্নোক্ত খাবারগুলো এড়িয়ে চলা উচিত-কাঁচা মাছ, অপাস্তুরিত দুধ এবং পনির জাতীয় খাবার। কেননা এসব খাবারে লিস্টেরিয়া নামক ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে, যা গর্ভাশয়ে প্রবেশের ফলে ভ্রূণের ঝুঁকিপূর্ণ সংক্রামক রোগ এমনকি গর্ভপাতও হতে পারে। এছাড়া অর্ধসিদ্ধ মাংস দিয়ে তৈরি স্যান্ডউইচ জাতীয় খাবারে লিস্টেরিয়া ব্যাকটেরিয়া থাকার আশঙ্কা থাকে বিধায় তাও পরিহার করা উচিত। কিছু সমীক্ষায় দেখা গেছে, গর্ভকালীন পরিমিত মাত্রার ক্যাফেইন গ্রহণে কোনো অসুবিধা নেই। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে দেখা গেছে, অত্যধিক ক্যাফেইন গ্রহণে গর্ভপাতের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

তাই গর্ভধারণের প্রথম তিন মাস ক্যাফেইন (চা বা কফি) জাতীয় খাবার গ্রহণ পরিহার করা উচিত। এছাড়া অতিরিক্ত পরিমাণে ক্যাফেইন জাতীয় খাবার গ্রহণে অপূর্ণাঙ্গ এবং স্বাভাবিকের চেয়ে কম ওজনের শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই গর্ভকালীন ক্যাফেইন এড়িয়ে চলা সবচেয়ে ভালো। আর একেবারেই ছাড়তে না পারলে সীমিত পরিমাণ (৩০০ মিলিগ্রাম প্রতিদিন) অর্থাৎ প্রতিদিন ২ কাপ কফি গ্রহণ করা যেতে পারে। গর্ভকালীন অ্যালকোহল সেবন করলে তা নবজাতকের শারীরিক ও মানসিক কাঠামোর স্বাভাবিক বৃদ্ধিকে ব্যাহত করে। তাই গর্ভকালীন অবশ্যই অ্যালকোহল সেবন পরিহার করা উচিত।

গর্ভকালীন লাইফস্টাইল
গর্ভকালীন কী পরিহার করা উচিত আর কী বেশি করা উচিত তার তালিকা আসলে অনেক দীর্ঘ। নিম্নে কোন কাজগুলো গর্ভকালীন বেশি করা উচিত এবং কোন কাজগুলো এড়িয়ে চলা উচিত সে সম্পর্কে সুদীর্ঘ তালিকা থেকে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয়ে আলোচনা করা হলো।

যে কাজগুলো করা উচিত
গর্ভকালীন হালকা ও পরিমিত ব্যায়াম আপনার জন্য খুবই উপকারী। কেননা এতে আপনার পশ্চাতের এবং উদরের (অ্যাবডোমিনাল) মাংসপেশিগুলো শক্তিশালী হবে। ভারসাম্য রক্ষা সহজতর হবে ও প্রসবের পর খুব দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসা সম্ভব হবে। খাবার প্রস্তুত ও গ্রহণের আগে এবং কাঁচা মাছ বা মাংস স্পর্শ ও বাথরুম ব্যবহারের পর আপনার হাত খুব ভালোভাবে সাবান দিয়ে ধোবেন। আপনার বাড়িঘর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন। বাড়ি পরিষ্কার করার সময় আপনার ঘরে অবাধে বায়ু চলাচল করতে পারে কি না তা নিশ্চিত হোন।

নিয়মিত ডেন্টিস্টের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। এ সময়ে শরীরে হরমোন লেভেল বেড়ে যাওয়ায় তা মাড়ির রক্তপাত ঘটাতে পারে এবং যন্ত্রণাদায়ক হতে পারে। এছাড়া মাড়ির ইনফেকশনের সঙ্গে নবজাতকের অকাল জন্ম সম্পর্কযুক্ত বিধায় গর্ভবতী মায়েদের দাঁতের সুস্বাস্থ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গর্ভাবস্থায় যদি বিমানে ভ্রমণের প্রয়োজন হয়, তবে দ্বিতীয় বা তৃতীয় মাসে আকাশপথে বিমানে ভ্রমণ করা সবচেয়ে বেশি নিরাপদ। কেননা, এ সময় গর্ভপাতের ঝুঁকি খুব কম থাকে। বিমান ভ্রমণকালে আপনাকে অবশ্যই প্রচুর পরিমাণে তরল জাতীয় পদার্থ পান করা এবং সিটবেল্ট বেঁধে রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া আপনি মোটরকার, ট্রেন বা বাসেও ভ্রমণ করতে পারেন। তবে দীর্ঘ ভ্রমণে মাঝেমধ্যে আপনাকে সিট থেকে উঠে একটু চলাফেরা করতে হবে এবং আপনার পা ও পশ্চাৎ অংশ কিছুক্ষণ পরপর প্রসারিত করতে হবে।

গর্ভধারণজনিত উচ্চমাত্রার ঝুঁকি রয়েছে এবং চিকিৎসক আপনাকে নিষেধ করেছেন এরূপ ক্ষেত্র ছাড়া আপনি যৌনসঙ্গমে মিলিত হতে পারেন। কেননা, গর্ভকালীন যৌনমিলন নিরাপদ। অ্যামনিয়োটিক ফ্লুইড দিয়ে বাড়ন্ত ভ্রূণ সুরক্ষিত থাকে। গর্ভকালীন যৌনমিলনের ক্ষেত্রে উপুড় হয়ে শোয়া পরিহার করা উচিত। এতে জরায়ু আপনার উদর বা পেটের শিরাকে সংকুচিত করতে পারে এবং মাথা ঝিমঝিম এমনকি বমি বমি ভাবও হতে পারে।

যা করা উচিত নয়
উত্তপ্ত বা গরম পানিপূর্ণ গোসলের চৌবাচ্চা ব্যবহার করা উচিত নয়। অতিরিক্ত তাপের কারণে বাড়ন্ত শিশুর মেরুদণ্ড বিকলাঙ্গ হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। কোনো উপায়ান্তর না থাকলেই শুধু এক্স-রে করান। বাড়ন্ত ভ্রূণের জন্য ক্ষতিকর বিধায় এক্স-রে, ম্যামোগ্রাফি প্রভৃতি পরীক্ষা এড়িয়ে চলা উচিত। আর যদি এক্স-রে এড়ানোর কোনো সুযোগ না থাকে তাহলে আপনি যে গর্ভবতী তা চিকিৎসককে জানান, যাতে তিনি অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে পারেন।

গর্ভধারণকালীন ব্যায়াম
অধিকাংশ স্বাস্থ্যবতী মহিলার জন্য গর্ভকালীন ব্যায়াম করা নিরাপদ, যা অনেক ক্ষেত্রে মহিলাদের গর্ভকালীন বিভিন্ন অস্বস্তিবোধ থেকে পরিত্রাণ দেয়। কিছু সুনির্দিষ্ট ব্যায়াম যেমন-নিয়মিত হাঁটা, সাঁতার কাটা, সাইকেল চালানো, যোগব্যায়াম প্রভৃতি একজন গর্ভবতী মহিলার জন্য অত্যন্ত উপকারী। সাধারণত যেসব ব্যায়ামে ভারোত্তোলন বা ভার বহনের প্রয়োজন হয় না এবং প্রচুর পরিমাণে ভারসাম্য রক্ষার প্রয়োজন পড়ে না; গর্ভকালীন সে ধরনের ব্যায়াম করার ওপর জোর দেয়া উচিত। ব্যায়ামের প্রাক্কালে হালকা ও ঢিলেঢালা পোশাক পরিধান করা উচিত। প্রচুর পরিমাণ তরল জাতীয় খাবার গ্রহণ করুন এবং পরিশ্রান্ত অবস্থায় কাজ করা থেকে বিরত থাকুন। ছয় মাস থেকে নয় মাস পর্যন্ত গর্ভধারণকালে যে ধরনের ব্যায়ামে পেছনের দিকে শুয়ে পড়তে হয়, সে ধরনের ব্যায়াম পরিহার করতে হবে। যে কোনো ধরনের ব্যায়াম শুরু করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। যেসব মহিলার ঘন ঘন গর্ভপাতের অভিজ্ঞতা, গর্ভপাতের ঝুঁকি, উচ্চরক্তচাপ বা হার্টের সমস্যা রয়েছে অথবা যাদের প্রি-একলাম্পসিয়া হয়েছে তাদের জন্য ব্যায়াম না করাই উত্তম।

গর্ভকালীন মায়ের ওজন
গর্ভকালীন খুব বেশি পরিমাণ ওজন বেড়ে যাওয়া যেমন গ্রহণযোগ্য নয়, তেমনি ওজন কমে যাওয়াও গ্রহণযোগ্য নয়। বরং এ সময় ওজন হতে হবে ঠিক যা হওয়া উচিত তাই। যদি ওজন খুব বেশি পরিমাণে বেড়ে যায় তবে গর্ভজনিত ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যাবে। আবার ওজন যদি কমে যায় তবে নবজাতকের স্বাভাবিকের চেয়ে কম ওজন নিয়ে জন্মলাভের ঝুঁকি বেড়ে যাবে। তাই আপনাকে স্বাভাবিক ওজন বজায় রাখতে হবে। গর্ভধারণের আগে আপনি যদি স্বাভাবিক ওজনের অধিকারী হয়ে থাকেন তবে গর্ভকালীন আপনার ওজন বৃদ্ধির গ্রহণযোগ্য সীমা হলো ২৫ থেকে ৩৫ পাউন্ড। গর্ভধারণের আগে আপনি যদি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ওজনের অধিকারী হয়ে থাকেন তবে সে ক্ষেত্রে আপনার ওজন বৃদ্ধির গ্রহণযোগ্য সীমা হলো ১৫ থেকে ২৫ পাউন্ড। গর্ভধারণের আগে আপনি যদি স্বাভাবিকের চেয়ে কম ওজনের অধিকারী হয়ে থাকেন তবে সে ক্ষেত্রে আপনার ওজন বৃদ্ধির গ্রহণযোগ্য সীমা হলো ২৮ থেকে ৪০ পাউন্ড। একের অধিক শিশুর ভ্রূণ ধারণের ক্ষেত্রে ওজন বৃদ্ধির মাত্রার বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন (সাধারণত যমজ শিশুর ক্ষেত্রে ওজন বৃদ্ধির গ্রহণযোগ্য মাত্রা ৩৫ থেকে ৪৫ পাউন্ড)। গর্ভধারণের প্রথম তিন মাসে গড়ে একজন গর্ভবতী মায়ের ওজন প্রায় ২ থেকে ৪ পাউন্ড বেড়ে যায় এবং পরবর্তী অবশিষ্ট সময়ে প্রতি সপ্তাহে ওজন প্রায় ১ পাউন্ড করে বাড়ে।

অ্যান্টিনেটাল চেক-আপ
গর্ভধারণের পর থেকে পরবর্তী নয় মাস হয়তো আপনি স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ কর্তৃক নিয়মিত বিরতিতে চেকআপ করছেন। কিন্তু আপনি কীভাবে বুঝবেন গর্ভজনিত চেকআপের নিয়মিত বিরতির মাঝামাঝি কোন সময় আপনাকে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে? এই সময় কোন পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং কোন উদ্ভূত পরিস্থিতি অস্বাভাবিক তা আপনাকে জানতে হবে। আপনি যদি গর্ভবতী হয়ে থাকেন তবে নিচের যে কোনো উপসর্গ বা লক্ষণ পরিলক্ষিত হওয়ামাত্রই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন- অস্বাভাবিক খিঁচুনি, মাংসপেশির যন্ত্রণা বা উদরে অস্বাভাবিক ব্যথা অনুভূত হওয়া। ২৮ সপ্তাহের পর থেকে বাড়ন্ত ভ্রূণের নড়াচড়া লক্ষণীয় পরিমাণে কমে গেলে (১২ ঘণ্টায় নড়াচড়ার সংখ্যা ১০ বারের কম হলে), শ্বাসকষ্ট পরিলক্ষিত হলে, গর্ভকালীন যৌনপথে রক্তপাত হলে।

এভাবে গর্ভধারণকালীন আপনি যদি একটু চিন্তাভাবনা তথা পরিকল্পনা করে চলাফেরা করেন তবে নির্বিঘ্নে আশা করি মাতৃত্বের অধিকারী হতে পারবেন।

জ্বরজনিত খিঁচুনিমনে হলো যেন আপনার বাচ্চা এবার একেবারেই শেষ। তার চোখ উল্টানো, শ্বাস-প্রশ্বাস নিচ্ছে কিন্তু খুবই কম। মুখ দ...
07/07/2019

জ্বরজনিত খিঁচুনি
মনে হলো যেন আপনার বাচ্চা এবার একেবারেই শেষ। তার চোখ উল্টানো, শ্বাস-প্রশ্বাস নিচ্ছে কিন্তু খুবই কম। মুখ দিয়ে লালা বের হচ্ছে, নীল হয়ে যচ্ছে। গায়ে অনেক জ্বর। বাড়ির সবাই হাঁকাহাঁকি ডাকাডাকি করছে। বালতি বালতি পানি এনে ঢেলে দিচ্ছে গায়ে, যেন বাচ্চা এখনই শেষ। সে অজ্ঞান। তার ৫ মিনিট পর হয়ত সে স্বাভাবিক। চোখ উল্টানো কমে স্বাভাবিক শ্বাস নিচ্ছে।

আসলে উপরের সে চিত্রটি দেখলেন তা একটি 'জ্বরজনিত খিচুনি'র একেবারেই কমন চিত্র।

* জ্বরের প্রথমদিনই সাধারনত খিচুনী হয়। জ্বর যখন বাড়তে থাকে তখনই এ ধরনের খিচুনি সাধারণত হয়।

* জ্বরজনিত খিচুনির বয়সটা ৬ মাস থকে ৬ বছর পর্যনত্ম বাচ্চাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ

* শতকরা তিনটি শিশুর ক্ষেত্রে জ্বরজনিত খিচুনি হয়।

আপনার আগের বাচ্চার ক্ষেত্রে খিচুনি হলে পরের বাচ্চার ক্ষেত্রে খিচুনির আশঙ্কা বেশি থাকে। বাবা বা মায়ের খিচুনির ইতিহাস থাকলে বাচ্চার ক্ষেত্রে তা বেশি হয়।

* গলার প্রদাহ বা শ্বাসযন্ত্রের প্রদাহে সবচেয়ে বেশি খিচুনি হয়। তবে পেটের অসুখ, রক্ত আমাশয়ে জ্বর হলে খিচুনি হতে পারে।

তবে মনে রাখবেন, অবশ্যই মসত্মিষ্কে প্রদাহ থাকলে তাকে জ্বরজনিত খিচুনি বলা যাবে না। তাকে তখন আমরা মেনিনজাইটিস বা ইনকেফালাইটিস বলব। এ এক ধরনের মারাত্মক প্রদাহ। সেখানে ঘাড় শক্ত হবে কিংবা মাথার তালু উঁচু হয় যাবে। চোখ মেলে আলোর দিকে চাইতে পারবে না। মাথায় অসহ্য যন্ত্রণা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা করতে হবে (১৪ থেকে ২১ দিন পর্যনত্ম লাগতে পারে)।

* জ্বরজনিত খিচুনি মারাত্মক কিছু নয়। এতে বাচ্চার স্বাভাবিক গড়ন ও গঠনে কোন ক্ষতি হয় না। একটা বয়সের পর জ্বর হলেও আর খিচুনি হবে না।

* একবারের জ্বরে স্বাভাবতই একবারই খিচুনি হয়। তবে ২ বা ৩ বারও হতে পারে ১৫% ক্ষেত্রে।

* খিচুনির পর আর কোন খিচুনির প্রভাব শরীরে থাকে না।

* খিচুনি সাধারণত ৩ থেকে ৫ মিনিট পর্যনত্ম স্থায়ী হয়। তবে সর্বোচ্চ ১৫ মিনিট পর্যনত্ম খিচুনি হতে পারে। ১৫ মিনিটের বেশি খিচুনিকে আমরা অস্বাভাবিক বলব। স্বাভাবিকভাবে জ্বরজনিত খিচুনিতে দেহের সমস্ত অঙ্গ- প্রত্যঙ্গ জড়িত থাকে। যদি একটি অঙ্গ বা এক পাশের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ জড়িত থাকে তবে সে ক্ষেত্রে খারাপ হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়।

কী করবেন জ্বরজনিত খিচুনি হলে?

**বাচ্চাকে কাত করে শুইয়ে দিন।

** লালা পরিষ্কার করুন যেন তা শ্বাসনালীর পথ রুদ্ধ না করে। বাল্ব সাকার ব্যবহার করতে পারেন এ ক্ষেত্রে।

**কুসুম গরম পানি দিয়ে গা-হাত-পা মাথা মুছিয়ে দিন।

**মলদ্বারে একটি প্যারাসিটামল সাপোজিটরি (১২৫ মি.গ্রা. বা ২৫০ মি.গ্রা.) ঢুকিয়ে দিন। (সারা বছর ফ্রিজে রাখতে পারেন)

**একটি ডায়াজিপাম সাপোজিটরি (.৫ মি.গ্রা.) মলদ্বারে ঢুিকয়ে দিন (ফ্রিজে রেখে দিন সারাবছর)।

**তারপর পার্শবর্তী হাসপাতাল বা ক্লিনিকে নিয়ে যান বা ডাক্তার দেখান।

একবার জ্বরজনিত খিচুনি হলে পরবর্তীতে যাতে আর খিচুনি না হয় সে ক্ষেত্রে মায়েদের নিচের উপদেশগুলো মনে রাখা প্রয়োজনঃ

***আপনার বচ্চার ৬ বছর বয়স পর্যনত্ম জ্বর হলেই খিচুনি হতে পারে।

***জ্বর হলেই বাচ্চাকে প্রয়োজনমতো (১৫ মি.গ্রা. প্রতি কেজি ওজনের জন্য) প্যারাসিটামল সকাল-দুপুর-বিকাল-রাত্রি ৬ ঘণ্টা অন্তর অন্তর খেতে দিন।

***ট্যাবলেট ডায়াজিপাম গুঁড়ো করে গুলে তিন বার খেতে দিন (.৩ মি.গ্রা. প্রতি কেজি ওজনের জন্য) তার পর ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান।

****তবে এ কথা সত্যি, বাচ্চার বয়স যদি ৬ মাসের নিচে হয় কিংবা ৬ বছরের বেশি হয়, যদি ১৫ মিনিটের বেশি সময় ধরে খিচুনি হয় তাহলে সতর্ক হতে হবে। যদি খিচুনির পর শরীরে অবশ ভাব থাকে তাহলে সতর্ক হতে হবে। যদি শরীরের এক পাশেই খিচুনি হয় তাহলেও সতর্ক হতে হবে।

****জ্বরবিহীন খিচুনিও উদ্বেগের বিষয়।

পরিশেষে, জ্বরজনিত খিচুনিতে অতটা ভয় না পেয়ে যদি একটু সতর্ক থাকেন তবে আপনি বাসায় আপনার বাচ্চার খিচুনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন এবং অযথা বিপদ থেকে উদ্ধার পেতে পারেন। ভয় নেই, আপনার বাচ্চা পরবর্তীতে সুস্থ-সবল আর সব বাচ্চার মতো গড়ে উঠবে। আপানি অযথা চিন্তা করবেন না যে, পরবর্তীতে আপনার বাচ্চার মৃগী রোগ হবে। সেক্ষেত্রে আশঙ্কা জ্বরজনিত খিচুনি রোগের বাচ্চাদের ক্ষেত্রে শতকরা মাত্র ২ থেকে ৪ জন। স্বাভাবিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে সামগ্রিক মৃগী রোগও প্রায় শতকরা ২ জনের। সুতরাং জ্বরজনিত খিচুনির সঙ্গে মৃগী রোগের আশঙ্কাকে উড়িয়ে দেয়া যায়।

Place your order to get medicine home delivery.
01/07/2019

Place your order to get medicine home delivery.

http://www.online24bdnews.com/archives/65071
30/06/2019

http://www.online24bdnews.com/archives/65071

পেট থেকে গ্যাস দূর করার ঘরোয়া- গ্যাসের যন্ত্রণায় যারা ভোগেন তারাই ভাল জানেন কতটা অস্বিস্তিকর। একটু ভাজাপোড়া অ...

30/06/2019
করল্লার রসপ্রতিদিন নির্দিষ্ট মাত্রায় করল্লার রস খেলে ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমে যাবে,রক্তে ইনসুলিনের ন...
30/06/2019

করল্লার রস

প্রতিদিন নির্দিষ্ট মাত্রায় করল্লার রস খেলে ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমে যাবে,রক্তে ইনসুলিনের নিঃসরণ বাড়বে,অন্ত্রে গ্লুকোজের শোষণ কমে যাবে এবং রক্তে ক্ষতিকর চর্বির পরিমাণ কমে যাবে।

প্রতিদিন ১০০মিলি করল্লার রস সমান দুই ভাগে ভাগ করে দিনে দুই বার খাবেন খাওয়ার পর পর।এছাড়াও করল্লার রসের পাউডার পাওয়া যায় যা প্রতি কেজি দেহের ওজনের জন্য ১০০মিগ্রা হিসাবে পরিমাণ বের করে তাকে সমান দু ভাগে ভাগ করে দিনে দু’বার ভরা পেটে খাবেন।

ঘুম এ সমস্যা হলে☆☆ ডরমিটল® - Dormitol®⍟⍟ উপাদান :মিডাজোলাম বিপি ৭.৫ মি.গ্রা. ফিল্ম কোটেড ট্যাবলেট (মিডাজোলাম হাইড্রোক্লো...
28/06/2019

ঘুম এ সমস্যা হলে☆☆ ডরমিটল® - Dormitol®

⍟⍟ উপাদান :

মিডাজোলাম বিপি ৭.৫ মি.গ্রা. ফিল্ম কোটেড ট্যাবলেট (মিডাজোলাম হাইড্রোক্লোরাইড হিসেবে) এবং ১৫ মি.গ্রা./৩ মি.লি. ইঞ্জেকশন ।

⍟⍟ নির্দেশনা :

মিডাজোলাম ব্যবহৃত হয়: অবচেতনকারী, তাই অনিদ্রার স্বল্পকালীন চিকিৎসায়, নিদ্রা আনয়নকারী, তাই এটা উদ্বেগ, দুশ্চিন্তা এবং ভয় লাঘব করে, অবশকারী এবং খিঁচুনীরোধী হিসেবে।

⍟⍟ মাত্রা ও ব্যবহারবিধি :

মিডাজোলাম একটানা দুই সপ্তাহের বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে বেশি সময় ব্যাপী চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।

অনিদ্রা: প্রাপ্ত বয়স্ক: দৈনিক ৭.৫ মি.গ্রা. থেকে ১৫ মি.গ্রা.

বয়স্ক: দৈনিক ৭.৫ মি.গ্রা. রোগ নিরূপণ এবং শল্য চিকিৎসার ৩০-৬০ মিনিট পূর্বে মিডাজোলাম ৭.৫ মি.গ্রা- ১৫ মি.গ্রা. দিতে হবে।

⍟⍟ সতর্কতা ও যে সব ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না :

কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র অবদমনকারী ওষুধসমূহ, ইরাইথ্রোমাইসিন, এজোলসমূহ এবং সিমেটিডিন মিডাজোলামের বিপাকে হস্তক্ষেপ করে। সুতরাং এইসব ওষুধের সাথে মিডাজোলাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।

দীর্ঘদিন যাবৎ মিডাজোলাম ব্যবহার করলে নির্ভরশীলতা তৈরি হতে পারে। যেহেতু মিডাজোলাম একটি শক্তিশালী নিদ্রা আনয়নকারী ওষুধ, তাই গাড়ী চালনা বা এ জাতীয় কাজের পূর্বে মিডাজোলাম ব্যবহার করা উচিত নয়। মিডাজোলাম বা অন্যান্য বেন্‌জোডায়াজেপিনের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা, শ্বাসতন্ত্র বা যকৃতের মারাত্মক কার্যহীনতা, স্লিপ এপনিয়া সিনড্রম, মায়েসথেনিয়া গ্র্যাভিস থাকলে, যে সব রোগীর এ্যালকোহল ব্যবহারের বা ওষুধের অপব্যবহারের ইতিহাস আছে তাদের এবং শিশুদের ক্ষেত্রে মিডাজোলাম প্রতি নির্দেশিত।

⍟⍟ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া :

সবচেয়ে পরিলক্ষিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হচ্ছে ঘুম ঘুম ভাব। কম পরিলক্ষিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে আছে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের অবদমন, এটাক্সিয়া, দ্বিধা, কান্তি, মাংসপেশীর দুর্বলতা, অবসাদ, মাথাব্যথা এবং ঝিমুনী। এ প্রতিক্রিয়াগুলো চিকিৎসা শুরুর দিকে হতে পারে। তবে সাধারণত মাত্রা নির্ধারণ করে বা চিকিৎসা চালিয়ে গেলে এসব প্রতিক্রিয়া মিলিয়ে যায়।

⍟⍟ অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া :

কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র অবদমনকারী ওষুধসমূহ, ইরাইথ্রোমাইসিন,এজোলসমূহ এবং সিমেটিডিন মিডাজোলামের সাথে প্রতিক্রিয়া করতে পারে।

⍟⍟ গর্ভাবস্থায় ও দুগ্ধদানকালে ব্যবহার :

গর্ভাবস্থায় মিডাজোলাম ব্যবহার নিরাপদ কিনা এ ব্যাপারে পর্যাপ্ত উপাত্ত নেই। তবে বেন্‌জোডায়াজেপিন মানব ভ্রুণের ক্ষতি করে। সুতরাং নিরাপদ বিকল্প পাওয়া গেলে মিডাজোলামের ব্যবহার এড়ানো উচিত। মিডাজোলাম মাতৃদুগ্ধের সাথে নিঃসৃত হয়; তাই দুগ্ধদানকারী মায়েদের মিডাজোলাম ব্যবহার করা উচিত নয়।

⍟⍟ সরবরাহ :

ডরমিটল® ৭.৫: প্রতিটি বাক্সে আছে ৩০ টি ট্যাবলেট।

ডরমিটল® ইঞ্জেকশন: প্রতিটি বাক্সে আছে ১ টি ৩ মি.লি. এ্যাম্পুল।

Address

Dhaka
1230

Opening Hours

Monday 07:00 - 00:00
Tuesday 07:00 - 00:00
Wednesday 07:00 - 00:00
Thursday 07:00 - 00:00
Friday 07:00 - 00:00
Saturday 07:00 - 00:00
Sunday 07:00 - 00:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Fastpharma The Online Medicine Shop posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Fastpharma The Online Medicine Shop:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram