Dear BUBU

Dear BUBU Emotional support & wellness platform, works to ensure emotional health and well-being and offer counseling services & personal growth mentorship.

Dear BUBU is an on-demand emotional health and wellbeing service. Our bridging technology anonymously & securely connects real people to Professional Psychologists, Psychotherapists, Well-being Coaches and Trained Listeners. Anyone who wants to talk about whatever is on their mind can quickly reach out to a trained, compassionate listener through our network. People connect with Dear BUBU for all kinds of reasons, from big existential thoughts to small, academic struggle to professional struggle, friendship crises to family relationship crises and day-to-day things that we all experience. Unlike talking to family or friends, a Dear BUBU expert doesn’t judge and say what to do, without understanding you at better depths. They understand. They give you the space you need to help you make your head, while our Mental Health Experts and Well-being Coaches empower you to deal with your mental struggles and day-to-day life problems, respectively.

"সুখ" মানুষের জীবনের অন্যতম চাওয়া গুলোর মধ্যে একটি; আবার কখনো কখনো একমাত্র চাওয়াও। সুখের আশায় মানুষ সবকিছু করতে রাজি থ...
03/02/2020

"সুখ" মানুষের জীবনের অন্যতম চাওয়া গুলোর মধ্যে একটি; আবার কখনো কখনো একমাত্র চাওয়াও। সুখের আশায় মানুষ সবকিছু করতে রাজি থাকে। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানের শিক্ষক Daniel Gilbert এর মতে, আমাদের জীবনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ অনেকাংশেই নির্ভর করে, সেই সিদ্ধান্তের ফলে আমরা আনন্দ পাব, তৃপ্ত হব কিংবা ভালো থাকতে পারবো কিনা তার ওপরে।

কিন্ত ছোটবেলা থেকেই দেখা যায় যে, আমরা জীবনের সাফল্য আর খুশি থাকাকে অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে মনে করি। অর্থাৎ, সফলতা পেলেই খুশি হব বা খুশি থাকার জন্য সফল হতে হবে, এমনটা আমরা অনেকেই মনে করে থাকি। যেমন, স্কুলে প্রতিবছর ভালো ফলাফল করতে হবে, এইচএসসি- এসএসসিতে জিপিএ ৫ পেতে হবে, ভালো ভার্সিটি ভর্তি হতে হবে, ভালো একটি চাকরি পেতে হবে ইত্যাদি। এভাবে জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে এক একটি মাইলফলক আমরা তৈরি করি কারণ আমাদের মনে হয়, এগুলো অর্জন করলেই আমরা সুখে থাকবো, আর ব্যর্থ হলে জীবন অর্থহীন হয়ে পড়বে।

কিন্ত সত্যিই কি সফলতার সাথে সুখে থাকার সম্পর্ক রয়েছে? সফলতা পেলেই কি আমরা সুখী হব?

আসলে, জীবনের এক একটা মাইলফলক আমাদেরকে খুশী করবে এরকম আশা করলেও, এই প্রতিটা অর্জন এর সাথে আমরা কতটা সুখী হচ্ছি, তার তেমন কোন সম্পর্ক নেই। আমরা যখন কোন লক্ষ্য অর্জন করি, তখন কিছু সময়ের জন্য আমরা খুশি থাকি ঠিকই, কিন্ত এরপরই আমরা এর থেকে বড় কোন সাফল্যের পিছে ছুটতে থাকি যাতে সুখের এই অনুভূতিটি আবার পাওয়া যায়। এভাবে সাফল্যের পিছনে ছুটতে ছুটতে আমরা অনেকসময় খুশি থাকতেই ভুলে যাই।

২২৫ টি গবেষণা পর্যালোচনা করে Psychological Bulletin এ প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায় যে, সুখে থাকা বা খুশি থাকা সফলতা কে অনুসরণ করে না। অর্থাৎ, সফলতা অর্জন করলেই একজন মানুষ সুখে থাকবে, এমনটি নয়। Sonja Lyubomirsky ও তার সহকর্মীরা গবেষণায় দেখেন যে, সফলতা পেলে খুশি হওয়া নয় বরং খুশি থাকলে সফল হবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তার কারণ হলো, সুখে থাকা মানুষগুলো বেশিরভাগ সময় ইতিবাচক অনুভূতির মধ্য দিয়ে যায়। এই ইতিবাচক অনুভূতিগুলো তাদের লক্ষ্যের প্রতি অবিচল থেকে কাজ করতে অনুপ্রেরণা দেয়। আবার খুশি থাকলে মানুষ অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী, আশাবাদী এবং কাজে সক্রিয় থাকে। সেইসাথে হাসিখুশি মানুষগুলোর সাথে অন্যান্য মানুষও কাজ করতে, যোগাযোগ রাখতে আগ্রহী হয়, যারা তাদের সফল হবার পথকে আরও সুগম করতে সাহায্য করে।

Sonja Lyubomirsky, ২০০৮ সালে আরেকটি গবেষণায় দেখেন যে, আমাদের সুখে থাকার ক্ষমতা আমাদের নিজেদের মধ্যেই রয়েছে। সুখী হবার জন্য দুনিয়া কাঁপানো সফলতা পাবার প্রয়োজন নেই বরং দৈনন্দিন জীবনের কিছু অভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমেও সুখী হওয়া সম্ভব। যেমন,
- কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা
- চ্যালেঞ্জিং কোন কাজের অভ্যাস করা
- কাজে গড়িমসি না করা
- কৌতুহলী হওয়া
- নতুন অভিজ্ঞতার জন্য প্রস্তুত থাকা
- সহানুভূতিশীল হওয়া
- নিজের সম্পর্কগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া

১৯৩৮ সাল থেকে ৮০ বছর ধরে ২৬৮ জনের উপর করা এক গবেষণায় সুখ কিসের উপর নির্ভরশীল তা বোঝার জন্য জীবনধারা থেকে রাজনৈতিক মতাদর্শ সব কিছুই দেখা হয়। দেখা যায় যে, আমাদের জীবনের সম্পর্ক গুলো এবং এসব সম্পর্ক নিয়ে আমরা কতটা খুশি রয়েছি সেটি সুখে থাকার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। ঘনিষ্ঠ সম্পর্কগুলো সাফল্য, টাকা বা খ্যাতির থেকেও অনেক বেশি কিছু। কেননা, জীবনের নেতিবাচক অনুভূতি থেকে এই সম্পর্কগুলোই আমাদেরকে নিঃশেষিত হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।

অর্থাৎ, আমাদের সুখে থাকা বাহ্যিক সফলতার উপরে নির্ভরশীল নয়, সুখে থাকা নির্ভর করে আমাদের নিজেদের উপর। আর্থিক বা সামাজিক সাফল্য নয়, বরং আমরা জীবনকে কিভাবে দেখি, নিজেকে কতটা সুখী ভাবি, সেটাই সুখে থাকার জন্য অধিক গুরুত্বপূর্ণ।

সফলতা - ব্যর্থতা  যেমন একে অপরের বিপরীত, তেমনি এর প্রতি মানুষের মনোভাবও ঠিক বিপরীত। সফলতা যতটা আকাঙ্ক্ষিত,  ব্যর্থতা ততট...
27/01/2020

সফলতা - ব্যর্থতা যেমন একে অপরের বিপরীত, তেমনি এর প্রতি মানুষের মনোভাবও ঠিক বিপরীত। সফলতা যতটা আকাঙ্ক্ষিত, ব্যর্থতা ততটাই অনাকাঙ্ক্ষিত। কাজে ব্যর্থ হলে যেহেতু আমরা হতাশ হয়ে যাই, তাই ব্যর্থ হবার ভয়ে আমরা অনেক সময় সেই কাজটি করারই চেষ্টা করিনা। অর্থাৎ, ব্যর্থতা আমরা যে কোন মূল্যে এড়িয়ে চলতে চাই।
কিন্ত ব্যর্থতাকে এড়িয়ে চলার এই মনোভাব কতটা যুক্তিসঙ্গত? ব্যর্থতা কি কেবলি ক্ষতিকর? সত্যিই কি ব্যর্থতা সবর্দাই এড়িয়ে চলা উচিত?

দারিদ্র্যের দুষ্ট চক্রের মত, ব্যর্থতা এড়িয়ে চলারও দুষ্ট চক্র রয়েছে, যার নাম, Failure Vicious Cycle। ব্যর্থতার ভয় আমাদেরকে একটি গোলকধাঁধায় আটকে ফেলে। অর্থাৎ, আমরা ব্যর্থ হতে চাই না তাই চেষ্টা করি না, আর চেষ্টাই যদি না করি তাহলে সফলতা কখনোই আসবে না, মানে আমরা ব্যর্থই হব। এভাবেই আমরা ব্যর্থতাকে এড়াতে গিয়ে বরং আরও গভীরভাবে ব্যর্থতার জালে আটকে যাই।

মনোবিজ্ঞানী Philip J. Rosenbaum এর মতে, ব্যর্থতার ভয় আমাদেরকে এমন একটি ফাঁদে ফেলে যে, আমরা সেখান থেকে বের হবার কোনো পথ খোলা আছে কিনা সেকথাও ভেবে দেখি না। এ প্রসঙ্গে তিনি একজন শিক্ষার্থীর সাথে তার একটি অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন। শিক্ষার্থীটির ভয় ছিল যে, সে বিশ্ববিদ্যালয়ের লেখাপড়া শেষ করার পর কোনো চাকরি পাবে না। এই ভয়ে সে চাকরীর জন্য আবেদন করতেই দেরি করে। দেরি করতে করতে আবেদন করার সময়ই পার হয়ে যায়। এভাবে ব্যর্থতার ভয় থেকে সে চাকরির পরীক্ষাতে অংশগ্রহণই করে না, যা তাকে তার লক্ষ্য অর্জনের পথ থেকে আরও দূরে সরিয়ে নিয়ে যায়। সে এ বিষয়ে কোনো ওয়েবসাইট বা কোন ব্যক্তির সাহায্য নিয়েছিল কিনা জিজ্ঞেস করলে সে বলে যে, এই উপায়গুলো যে আছে সেটা তার মাথায় ছিল না। অর্থাৎ, ব্যর্থতাকে এড়াতে গিয়ে সে কাজটি করার চেষ্টাই করে না, এমনকি কাজটি আসলেই করা সম্ভব কি না বা কিভাবে করা সম্ভব, তা নিয়েও চিন্তা করে না৷ কিন্তু এভাবে এড়িয়ে গেলে কি ব্যর্থতা ছাড়া আর কিছু পাওয়া সম্ভব?

Adam McCaffrey ব্যর্থতার ভয়কে বোঝার জন্য শিক্ষার্থীদের উপর একটি গবেষণা করেছিলেন। যার একটি ফলাফল ছিল যে, ব্যর্থতার ভয় মানুষের কোনো কাজে দেরী করা বা কাজটি স্থগিত করে রাখার প্রবণতা বাড়িয়ে দেয় এবং ব্যর্থতার ভয় বাড়ার সাথে সাথে এই প্রবণতাও বাড়তে থাকে। আমরা যখন নতুন কিছু করার চেষ্টা করি, তখন ব্যর্থতার ভয় আমাদের শেখার, সর্বোচ্চ চেষ্টা করার ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। সফল না হতে পারলে কি হবে সে চিন্তায় আমরা যথাযথ সময় আর পরিস্থিতির জন্য অপেক্ষা করতে থাকি। এই ভয় আমাদেরকে অনুশীলন করতে বা কাজটি করার চেষ্টা করতেও বাঁধা দেয়, যা ব্যর্থতার সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে দেয়।

ব্যর্থতাকে সব সময় খারাপ ভাবে না দেখে যদি একটু অন্যভাবে দেখা যায়, তবে কেমন হয়? আসলে, ফলাফল যাই হোক না কেন, নতুন কিছু করার চেষ্টার মাধ্যমে আমরা নতুন কিছু শিখি। এই শেখা পরবর্তীতে আমাদেরকে নতুন এবং সৃজনশীলভাবে সমস্যার সমাধান করতে সাহায্য করতে পারে, এমনকি সে কাজের ব্যাপারে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিও বদলে দিতে পারে।
ব্যর্থতা কিন্তু সফলতা কিংবা উন্নতির একটি অংশ। ব্যর্থতাকে ভয় পেয়ে এড়িয়ে না গিয়ে একে চলার পথের একটি স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে দেখলে, যেকোন কাজই অনেক সহজ হয়ে যায়৷ ব্যর্থতার ভয়ে কঠিন পরিস্থিতি থেকে দূরে না সরে যদি ব্যর্থতাকে মেনে নিয়ে, ভুল শুধরে নতুনভাবে চেষ্টা করি, তবেই বরং সফলতা ধরা দিবে হাতের মুঠোয়৷

জীবনের মধ্যে কিছু কিছু সময় এসে যায় যখন মনে হয় চিন্তেগুলো এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে, ফোকাস ধরে রাখা যাচ্ছে না, একটি হ য ব র ল  অ...
23/01/2020

জীবনের মধ্যে কিছু কিছু সময় এসে যায় যখন মনে হয় চিন্তেগুলো এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে, ফোকাস ধরে রাখা যাচ্ছে না, একটি হ য ব র ল অবস্থায় পরিণত হয়েছে, এমন সময়ে সেন্স অব হিউমার আপনার জন্য লাইফলাইন হিসেবে কাজ করতে পারে। নিজের ভেতরকার গুমোট পরিবেশ দূর করার জন্য খোলা জানালা হিসেবে কাজ করে থাকে এই সেন্স অব হিউমার। এবং সেন্স অব হিউমার জন্মগত প্রদত্ত কোন দক্ষতা নয়, এটি শেখা সম্ভব।

আমাদের অনেকের আশেপাশেই দাদা-দাদী, নানা-নানী কিংবা অন্যান্য বয়স্ক ব্যক্তিবর্গ রয়েছেন। তাদের অনেককেই আমরা খুব চুপচাপ-মনম...
20/01/2020

আমাদের অনেকের আশেপাশেই দাদা-দাদী, নানা-নানী কিংবা অন্যান্য বয়স্ক ব্যক্তিবর্গ রয়েছেন। তাদের অনেককেই আমরা খুব চুপচাপ-মনমরা হয়ে থাকতে দেখি, কোনকিছুতেই তেমন আগ্রহ-উৎসাহ দেখান না, একা ঘরে নিজের মত করে থাকেন, বেশি কিছু বলতে গেলে বিরক্ত হন। আমরা ধরেই নেই যে, এটা খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। বয়স হয়েছে, তাই আগের মত উৎসাহ নেই, কিছু ভালো লাগে না, অল্পতেই ক্লান্ত-অস্থির হয়ে যাচ্ছেন।

কিন্তু সত্যিই কি মন খারাপ হওয়া, নিজেকে অতিরিক্ত গুটিয়ে নেয়া, বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য খুব সাধারণ একটি বিষয়? এটি কি তবে বার্ধক্যেরই একটি অংশ?

বয়স্কদের এই "স্বাভাবিক" মনে হওয়া মন খারাপ, আসলেই স্বাভাবিক নাকি কোন মানসিক সমস্যার ইঙ্গিত দেয়, সেটি বোঝার জন্য একটি গবেষণা করা হয়েছিল। American Psychological Association এর করা এই গবেষণার ফলাফলে দেখা গিয়েছিল যে, বয়োজ্যেষ্ঠদের পাঁচ ভাগের এক ভাগ কোন না কোন মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। এই এক ভাগ মানসিক সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের মধ্যে আবার ৩৭% মারাত্মক বিষন্নতায় (major depression) ভোগেন। অর্থাৎ, আপনার ঘরের বয়স্ক ব্যক্তিটির চুপচাপ একা নিজের ঘরে থাকা, সাধারণ কাজেও আগ্রহ হারিয়ে ফেলা, কেবলই "বয়সের" লক্ষণ না হয়ে, "বিষন্নতার" লক্ষণও হতে পারে।

আমরা অনেক সময় দেখি যে, কোন বয়স্ক ব্যক্তি কেবলই মৃত্যু চিন্তা করছে, বিশেষত স্বামী বা স্ত্রী মারা যাবার পর দেখা যায়, যিনি জীবিত আছেন, তিনিও যেন বেঁচে থাকার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন। আবার চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের পরেও দেখা যায়, হঠাৎ করেই যেন দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ কাজগুলোও আর করতে চাচ্ছেন না৷ আমরা এমন আচরণকে স্বাভাবিক মনে করলেও, American psychological association (APA) এর মতে নেতিবাচক চিন্তাভাবনা, অনুভূতি কিংবা প্রায় সবসময় মনমরা হয়ে থাকা, কোন বয়সের কোন মানুষের জন্যই স্বাভাবিক একটি বিষয় নয়। যেকোন ব্যক্তি এ ধরনের আচরণ করলেই আমাদের তার প্রতি বিশেষ মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন। এটা সত্যি যে, বয়স হলে আসলেই মানুষ শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে, অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে যায়, বেশি হইচই সহ্য করার মত মানসিকতা থাকে না৷ তাই অনেক বয়স্ক ব্যক্তির এমন আচরণ হয়ত স্বাভাবিক, তারা কোন মানসিক সমস্যায় ভুগছেন না। কিন্তু দুঃখের বিষয় হল যারা মানসিক সমস্যায় ভোগেন, তাদের লক্ষণগুলোও বার্ধক্যের অন্যান্য শারীরিক, অর্থনৈতিক, পারিবারিক সমস্যার আড়ালে ঢাকা পড়ে যায়। তাই সকল বয়স্ক ব্যক্তির এ ধরনের আচরণের প্রতি সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

মনমরা হয়ে থাকা, নেতিবাচক চিন্তা করা বার্ধক্যের অংশ নয়। আমরা বয়স্ক ব্যক্তিদের যে আচরণগুলোকে খুব সাধারণ ভাবছি, তার আড়ালে হয়ত কোন কষ্ট লুকিয়ে আছে, যা তারা আমাদের কাছে প্রকাশ করতে পারছেন না। তাই আমাদের উচিত, বাড়ির বয়স্ক ব্যক্তিটির প্রতি বেশি মনোযোগী হওয়া। আমরা আরেকটু যত্নবান হলে হয়ত তাদের জীবনের শেষ অংশটা আরও সুন্দর কাটবে।

জন এফ কেনেডি একবার নাসা স্পেস সেন্টার পরিদর্শন করতে গিয়ে একজন পরিচারক (Janitor) এর মুখোমুখি হলেন। কেনেডি যখন তার কাছে জা...
18/01/2020

জন এফ কেনেডি একবার নাসা স্পেস সেন্টার পরিদর্শন করতে গিয়ে একজন পরিচারক (Janitor) এর মুখোমুখি হলেন। কেনেডি যখন তার কাছে জানতে চাইলেন, "আপনি এখানে কি কাজ করেন?" তখন পরিচারক উত্তর দিল, "মিস্টার প্রেসিডেন্ট, আমি চাঁদে মানুষ পাঠানোর জন্য কাজ করে থাকি।"

আমরা অনেকেই নিজের কাজকে, অর্জনকে বড় করে দেখি না। "আমি আর এমন কি করি, সামান্য একটা চাকরি", এই ভেবে নিজের কাছেই ছোট হয়ে থাকি। কিন্তু আমরা একটু ভিন্নভাবে দেখলেই বুঝতে পারব, কারো কাজকেই তুচ্ছ বলে অবহেলা করার সুযোগ নেই। বাস ড্রাইভারদের আমরা অনেকেই গালমন্দ করি, গাড়ি কিভাবে চালানো উচিত সে বিষয়ে উপদেশ দেই, কিন্তু কখনো কি এভাবে ভেবে দেখি যে, সে প্রতিদিন বাস চালাচ্ছে বলেই আমি সময়মত, কম খরচে, আমার গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছি?

বৃহত্তর স্বার্থে কাজ করার মানে এই না যে, বিরাট কিছু একটা করতে হবে, অনেক টাকা পয়সা দান করতে হবে। আমরা প্রত্যেকে যদি নিজের দায়িত্ব টা ঠিকমত পালন করি, তাহলেই সকলের জন্য কল্যাণ বয়ে আনা সম্ভব। আর সেই অনুভূতিটা ভালো থাকার জন্য খুব দরকার।

আমরা অন্য কাউকে পরিবর্তন বা নিয়ন্ত্রণ  করতে পারি না, যেটা পারি, তা হল, নিজেকে পরিবর্তন বা নিয়ন্ত্রণ করতে।
16/01/2020

আমরা অন্য কাউকে পরিবর্তন বা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না, যেটা পারি, তা হল, নিজেকে পরিবর্তন বা নিয়ন্ত্রণ করতে।

বাবা-মায়ের চাওয়ার সাথে সন্তানের চাওয়ার অমিলের গল্পগুলো এখন বেশ ক্লিসে হয়ে গিয়েছে। আপনার পছন্দ-অপছন্দ, ভালো লাগা-মন্দ লাগ...
14/01/2020

বাবা-মায়ের চাওয়ার সাথে সন্তানের চাওয়ার অমিলের গল্পগুলো এখন বেশ ক্লিসে হয়ে গিয়েছে। আপনার পছন্দ-অপছন্দ, ভালো লাগা-মন্দ লাগা এবিষয়গুলো একান্তই আপনার নিজস্ব নয়। বরং এরজন্য আপনার আশেপাশের মানুষ হতে বন্ধুবান্ধব-আত্নীয়স্বজন হতে শুরু করে ইন্টারনেটে আপনার বিচরণ সবকিছু প্রভাবক হিসেবে কাজ করে।

বব ডিলানের একটি উক্তি রয়েছে "কেউ কেউ বৃষ্টি উপভোগ করে, আর বাকিরা ভিজে যায়"। কমিউনিকেশন এরক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। এবং...
13/01/2020

বব ডিলানের একটি উক্তি রয়েছে "কেউ কেউ বৃষ্টি উপভোগ করে, আর বাকিরা ভিজে যায়"।
কমিউনিকেশন এরক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। এবং দেখা গিয়েছে, অফিস কনফ্লিক্টের প্রায় ৯০ ভাগ ক্ষেত্রেই ইশ্যুটি হলো কমিউনিকেশন!

12/01/2020

শাক দিয়ে মাছ ঢাকা, এটি যেমন সম্ভব নয়। ঠিক তেমনভাবে একটু খাওয়াদাওয়া করে, কিছুটা ঘোরাফেরা'র মাধতমে self-care সম্ভব নয়।নিজে...
11/01/2020

শাক দিয়ে মাছ ঢাকা, এটি যেমন সম্ভব নয়। ঠিক তেমনভাবে একটু খাওয়াদাওয়া করে, কিছুটা ঘোরাফেরা'র মাধতমে self-care সম্ভব নয়।

নিজেকে সময় দেওয়া মানে নিজের যন্ত্রণাগুলো'কে এড়িয়ে যাওয়া নয়।

আমরা যেটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি সেটা নিজেদের আচরণকে, অন্যের অনুভূতি-আচরণকে নয়।
09/01/2020

আমরা যেটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি সেটা নিজেদের আচরণকে, অন্যের অনুভূতি-আচরণকে নয়।

কলকাতার বাংলা সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতা থাকলে বলা যায় রঞ্জিত মল্লিক ছিল স্বস্তির অপর নাম। পুরোটো সময় জুড়ে বাড়ির মেয়েদের উপর ...
08/01/2020

কলকাতার বাংলা সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতা থাকলে বলা যায় রঞ্জিত মল্লিক ছিল স্বস্তির অপর নাম। পুরোটো সময় জুড়ে বাড়ির মেয়েদের উপর অপমান-অত্যাচার চালানোর পরে পর্দায় রঞ্জিত মল্লিকের আগমন মানেই প্রাণে জল আসা! যাক এবার সকল সমস্যার সমাধান হলো বলে!
পর্দার অন্যান্য নায়কদের মত নাচ-মারামারি না দেখালেও রঞ্জিত মল্লিক যেটা করতেন সমস্যায় জর্জরিত মানুষের সাথে থেকে তাকে সাপোর্ট দিয়ে যেতেন। হয়ত যে মানুষটিকে সাপোর্ট দিচ্ছেন সে হয়ত নিজ হতেই সমস্যার সমাধান করে ফেলছেন, কিন্তু এই সমস্যা সমাধানের জন্য প্রয়োজন ছিল রঞ্জিত মল্লিকের এই সাপোর্টটুকু!

পর্দার বাহিরে আমাদের বাস্তব জীবনেও কি এমন রঞ্জিত মল্লিক আমাদের প্রয়োজন হয়ে গিয়েছে?

Address

H#19, R#34, Sector 7, Uttara
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dear BUBU posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Our Story

DearBUBU is an Emotional Support and wellness Platform on a vision to ensure people’s emotional health and well-being. Our bridging technology anonymously & securely connects real people to Professional Psychologists, Psychotherapists, Well-being Coaches and Trained Listeners. Anyone who wants to talk about whatever is on their mind can quickly reach out to a trained, compassionate listener through our network. People connect with DearBUBU for all kinds of reasons, from big existential thoughts to small, academic struggle to professional struggle, friendship crises to family relationship crises and day-to-day things that we all experience. Unlike talking to family or friends, a DearBUBU expert doesn’t judge and say what to do, without understanding you at better depths. They understand. They give you the space you need to help you make your head, while our Mental Health Experts and Well-being Coaches empower you to deal with your mental struggles and day-to-day life problems, respectively.