Site for Sex Education

Site for Sex Education Sex education is the process of acquiring information and forming attitudes and beliefs about sex, sexual identity, relationships and intimacy.

Young people get information about sex and sexuality from a wide range of sources including each other, through the media including advertising, television and magazines, as well as leaflets, books and websites . Some of this will be accurate and some inaccurate. Providing information through sex education is therefore about finding out what young people already know and adding to their existing knowledge and correcting any misinformation they may have. For example, young people may have heard that condoms are not effective against HIV or that there is a cure for AIDS. It is important to provide information which corrects mistaken beliefs. Without correct information young people can put themselves at greater risk. Information is also important as the basis on which young people can develop well-informed attitudes and views about sex and sexuality. Young people need to have information on all the following topics:

*** Sexual development & reproduction - the physical and emotional changes associated with puberty and sexual reproduction, including fertilisation and conception, as well as sexually transmitted diseases and HIV.
*** Contraception & birth control - what contraceptives there are, how they work, how people use them, how they decide what to use or not, how they can be obtained, and abortion.
*** Relationships - what kinds of relationships there are, love and commitment, marriage and partnership and the law relating to sexual behaviour and relationships as well as the range of religious and cultural views on sex and sexuality and sexual diversity.
*** Sexuality - including all the above for young people that are heterosexual or homosexual.

***Sexual health education, if it exists, offers the opportunity to begin providing education about different sexualities and different lifestyles. This needn’t be restricted to a sexual health class, and should discuss both heterosexual and homosexual relationships.

“I told a few other close friends but one day in an AS level history class we ended up discussing HIV/AIDS rather than the German Reformation. Well one person said 'Its all them who spread it- those gays' to which in outrage I shouted ‘WE DON'T SPREAD IT THANK YOU!’" - Tom

23/10/2016

Seven ways to reduce hot flushes through exercise
****************************************************************
Menopause is an unavoidable time in every woman’s life. However, not all women experience the same symptoms.

Mature Woman Experiencing Hot Flush From Menopause

We know that exercising helps you lose weight, but it can also help you cope better with other symptoms you may be experiencing. A recent study showed that losing weight will help you decrease the risk of, or even eliminate, hot flushes and night sweats.
What are the symptoms of menopause?

Menopause is the time when your body is going through some hormonal changes and, as a result, you experience a variety of symptoms. You may have experienced some of these symptoms, which are:

Irregular periods until they stop completely
Hot flushes
Night sweats
Vaginal dryness
Mood changes, depression, and anxiety
Weight gain

How can exercising eliminate hot flushes?

বাংলাদেশের পুরুষ পর্নোগ্রাফি কেন দেখে?*********************************************পর্নোগ্রাফি পুরুষ কেন দেখে? পর্নোগ্রা...
28/09/2016

বাংলাদেশের পুরুষ পর্নোগ্রাফি কেন দেখে?

*********************************************

পর্নোগ্রাফি পুরুষ কেন দেখে? পর্নোগ্রাফি হইলো সেই বস্তু যা সে বাস্তবে পায় না। পুরুষের ফ্যান্টাসি, মনের সাধ আল্হাদ, গোপন ইচ্ছা- পর্নোগ্রাফি দেইখা পূরণ হয়। পর্নোগ্রাফির নারীরা সপ্রতিভ- তারা যৌনতায় অংশ নেয়। এখন ঘটনা হইলো, যৌনতায় নারীর সপ্রতিভ অংশগ্রহণ, অ্যাকটিভ রোল শুধু পর্নেই না, সারা দুনিয়ায়ই একটি স্বাভাবিক ঘটনা।

নারীও ভোগ করে, খিদে মেটায়, যৌনতাকে উপভোগ করে, করায়। তবে এই বাঙাল দেশের কথা আলাদা। এখানে আপামর নারী জাতি পুরুষের নিচে নিজেরে সমর্পণ করে এবং ভোগের বস্তু হয়ে পড়ে থাকে। কিন্তু সমস্যা হইলো, বঙ্গ সমাজের নিয়মানুসারে নারী পুরুষের নিচে চাপা পড়ে থাকে বটে, কিন্তু এদেশের পুরুষও অ্যাকটিভ নারীকেই মনে মনে চায়। চায় বলেই সে পর্নো দেখে।

এখন পুরুষ পর্নো দেখে, সেই নারীরে দেখে খুশি হয়, সুখি হয়, তৃপ্ত হয়। তারপর কী করে? তারপর কয়- এ তো পুরাই বেশ্যা, মাগী। তারপর কী হয়? বাস্তবে বৌ বা প্রেমিকা যদি যৌনতায় অ্যাকটিভ হয়, বাঙালি পুরুষ তারে সন্দেহ করে। তারে নিয়া চিন্তিত হয়। পুরুষের মাথায় আকাশ ভাইঙ্গা পড়ে। মনে মনে কিন্তু সে পুরাই সুখি, তৃপ্ত।

কিন্তু ঐ যে মনের কাঁটা- হায় হায়, মাইয়া মানুষ ক্যান অ্যাকটিভ? এর চরিত্র কি তাইলে ঠিক নাই। এর এতো খিদা কিসের? মাইয়া মানুষের খিদাই বা কীসের? ক্যান খিদা? কীভাবে খিদা? অসম্ভব!

গত কয়েকদিন ‘আট মিনিট’ নামের বিখ্যাত ভিডিওখানা নিয়ে আলোচনা- সমালোচনা আকথা-কুকথা যথাসম্ভব পর্যবেক্ষণ করে বুঝলাম, ‘মেয়ে ক্যান এতো অ্যাকটিভ’ এই বিষয়টাই এদেশের বিশাল অংশ পুরুষ জাতি বুঝে উঠতে পারছেন না। তাদের মেজাজ তাই গরম। তারা রেগে গিয়েছেন এবং হেন কোনো গালি নাই যা মেয়েটিকে দিচ্ছেন না।

এখন আমি হলফ করে বলতে পারি, মেয়েটি যদি একটু কিংবা পুরোটাই প্যাসিভ হতেন, তবে কিছু পুরুষের সহানুভূতি কাড়তে সক্ষম হতেন। মেয়ে কেন ঝড়, মেয়ের ক্যান এতো খিদা, মেয়ের ক্যান এতো শক্তি- এই নিয়া চিন্তায় ভাবনায় সমগ্র পুরুষ জাতি তখন এতোটা জেরবার হইতেন না।

এখন যৌনতায় নারীর প্যাসিভ বা অ্যাকটিভ থাকার বিষয়টা কী? এমন কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কি আছে যেটা বলে নারী অ্যাকটিভ হইতে পারে না? নাই তো। এখন পর্যন্ত শরীর বিজ্ঞান বলে নাই, যৌনতা একমাত্র পুরুষেরই চাহিদা এবং যৌনতায় পুরুষই অধিক আগ্রহী এবং এক্ষেত্রে পুরুষই সদাসর্বদা নিয়ন্ত্রণ করতে চায়।

তাইলে বিষয়টা কী? বিষয়টা কী এমন যে, এই উপমহাদেশের আদিম পুরুষেরা প্রাত্যাহিক যৌনতাকেও নারী নিগ্রহ, অবদমন, আর নীরব নির্যাতনের একটি অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতেন? এদেশের পুরুষ জানে যৌনতায় নারীও হইতে পারে নিয়ন্ত্রক, অ্যাকটিভ এবং সেই ভূমিকা পুরুষ নিজেও চায়। চায় বলেই সে পর্নো দেখে, যৌনকর্মীর কাছে যায়, পরকীয়ায় মজে। কিন্তু নিজের বিবাহিতা স্ত্রী, প্রেমিকার ক্ষেত্রে এই অ্যাকটিভ ভূমিকা মনে মনে সুখকর হইলেও, প্রকাশ্যে সে একে নিন্দার চোখে দেখে। সমাজে অন্য কোন নারীর অ্যাকটিভ রোলের কথা জানতে পারলে সে নির্দ্বিধায় তাকে ‘বেশ্যা’ বলে সম্বোধন করে, তাকে ডাইনি, কুহকিনী, মায়াবিনী ইত্যাদি নামেও ডাকা হয়।

যৌনতায় পুরুষের কাছে সমর্পিত, প্যাসিভ ভূমিকা পালনকারী নারী এদেশের পুরুষের চোখে প্রকৃত নারী। যে মুখখানি তুলে নাহি চায়, চুম্বনে লাল-নীল-বেগুনি হয়, চোখ বুঁজে শুয়ে অপেক্ষায় থাকে পুরুষের। এদেশের বিবাহ বাসরে দেড় হাত ঘোমটা তুলে বরের জন্য অপেক্ষা করে বধূ আর বর সদর্পে ঘরের ছিটকিনি লাগিয়ে অ্যাকটিভ হয়ে ওঠে।

তো, নারীর এই সাবমিশন বা সমর্পণ- এ তো চিরাচরিত। প্রতিটি ধর্ম নারীর এই সমর্পণের কথাই বলে গেছে। সেই সমর্পিতা নারীকে পুরুষ মাথায় তুলে নেচেছে ‘প্রিয়া’ বলে, তারপর গোপনে পর্নোগ্রাফির অ্যাকটিভ নারীকে দেখে লোল ফেলেছে। লোল-টোল ফেলে বৌকে গিয়ে বলেছে, ‘তুমি বোরিং’। বৌ আকাশ পাতাল ভেবেও আবিষ্কার করতে পারেনি ঘটনা কোথায়! সে তো স্বামী চাহিবামাত্র হাজির এবং যথাবিহিত সেবা করতে প্রস্তুত। তবে ভুলটা কোথায়?

একবার একটি মেয়ে আমার ছেলেবেলার এক বন্ধুর প্রেমে পড়লো। ছেলেটিকে সে কথাটা জানিয়ে টুপ করে একখানা চুমুও খেলো। তো আমার বন্ধু, সেই ছেলেটা, মহা চিন্তায় অস্থির হয়ে আমারে জিগাইলো, ‘হ্যাঁরে, ও যে নিজে আগে চুমু খেল, এটা কি ভালো মেয়েরা করে?’

নারীর সাবমিশন এই সমাজের চোখে অতি পবিত্র, অতি আকাঙ্ক্ষিত, অতি কামনার বস্তু। রবীন্দ্রনাথ থেকে শুরু কইরা জয় গোস্বামী, সুনীল পর্যন্ত কবির কবিতাতেও নারীর সাবমিশনই চূড়ান্ত আকাঙ্ক্ষার বস্তু। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা ধর্ষণের কাছাকাছি পৌঁছে যায়। একমাত্র হুমায়ূন আজাদের কবিতায় নারীর অগ্রণী ভূমিকা, অ্যাকটিভ রোলকে স্বীকার আর প্রশংসা করা হয়েছে। তাই কারো কারো কাছে হুমায়ূন আজাদ অশ্লীল কবি।

যাই হোক, প্রেমিকারে ক্যামনে আদর করবে, কেমনে চুমু খাবে সেই বর্ণনাও ফেসবুক স্ট্যাটাস হয় কোনো কোনো পুরুষের। এখন কোনো মেয়ে যদি একই স্ট্যাটাস দিত, তারে কী কী নামে ডাকতো সকলে, সেইটা ভাবি। এখন পুরুষ তো যা ইচ্ছা করতেই পারে। পুরুষ কর্তা। সে যৌনতারও কর্তা। কিন্তু ঘটনা হইলো, পুরুষও নিয়ন্ত্রণ চায়, কিন্তু গোপনে। অতি গোপনে। কিন্তু যে নারী লিলিথ হয়ে ওঠে, পুরুষ তাকে বনিতা বলে। পুরুষ তার পুরুষদণ্ডকে শাসকের দণ্ড ভাবে। ভাইবা সুখ পায়। এই সুখ সে হাতছাড়া করতে চায় না। যে নারী যৌনতায় নিজেকে নিয়ন্ত্রকের ভূমিকায় নিয়ে আসতে পারে, সেই নারী জীবনের বাদবাকি কর্মকাণ্ডে পুরুষের অধীন থাকবে, এ কথা জোর দিয়ে বলা যায় না। তাই এই দেশের পুরুষ ভয় পায়।

তারে তো বলা হয়েছে, সে কৃষক। সে খালি চাষ করবে। তার শষ্যক্ষেত্র পুরুষের তলে নিজেরে বিছায়া দিয়া চুপটি করে পড়ে থাকবে। তো আশৈশব এইসব শুনে- জেনে বড় হওয়া পুরুষ ক্যামনে মানবে নারীর অ্যাকটিভ পার্ট! যদিও তার ভালোই লাগে… কিন্তু সে কথা যায় না বলা। সে কথা গোপন! তাই ভিডিও’র মেয়েটা সর্বনাশী ঝড়, নষ্টা, ভ্রষ্টা- বেচারা ছেলেটার জীবন যে সাড়ে সব্বোনাশ করে দিয়ে ছেড়েছে!
-উইমেন চ্যাপ্টারের সৌজন্যে

19/09/2016

★মেয়েরা সচেতন হন....
১* রাতের বেলা বাসায় ফেরার সময় কোন মাইক্রো বাস লিফট দিতে চাইলে উঠবেন না।
২* রাতের বেলা ফাকা বাসে উঠবেন না।
৩* বাসে উঠে ঘুমিয়ে পড়বেন না এবং অন্যের দেয়া খাবার খাবেন না ।
৪* খালি বাসায় টিঊশনি করাবেন না।
৫* কোচিং সেন্টারে বান্ধবিদের সাথে যাবেন। একা একা অতিরিক্ত সময় আগে চলে যাবেন না এবং ক্লাস হবে কিনা আগেই নিশ্চিত হয়ে নিবেন। কারন ফাকা নির্জন ক্লাস রুমে অনেক মেয়েই শিক্ষকের আক্রমন এর স্বীকার হয়।
৬* পরিচিত কারো দ্বারা যৌন হয়রানির আচ পেলে পরিবারের সদস্যদের অবহিত করবেন ।
৭* ফেসবুক/ মোবাইলে অপরিচিত কারো সাথে দেখা করতে চাইলে ভুলেও দেখা করবেন না।
৮* সন্ধ্যার পর পর্যন্ত নির্জন লেক পার্ক গুলোতে অবস্থান করবেন না। আধার নামার আগেই সেসব স্থান ত্যাগ করবেন।
৯* নির্জন পার্ক জংগল বন বা পিকনিক প্লেসের গভীর এলাকায় যাবেন না।
১০* কিছু করার আগে, কোথাও যাবার আগে নিজের নিরাপত্তার ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে নিবেন। বা নিরাপত্তার কথা ভাববেন। ....................... ........................ কারন আপনা সাথে জরিয়ে আছে , আপনার পরিবারের, বাবা, মা, ভাই, বোনের সম্মান এবং ভালবাসা।।
প্রয়োজন মনে করলে শেয়ার করবেন।।।
মেয়েরা আমাদের মা-মেয়ে ও বোন তোমাদের ইজ্জত আমাদের ইজ্জত!তোমাদের সম্মান আমাদের সম্মান!তোমারাই পরিবারের অহংকার গৌরব!তোমাদের হেফাজত করা প্রতিটি ছেলে মানুষের দায়িত্ব ও কর্তব্য!!!
শেয়ার করে প্রচার করুন,

09/04/2016

সন্তানের সাথে যৌনতা নিয়ে কথা:
*************************************
বাংলাদেশের মত একটা দেশে বাবা মায়েরা সন্তানের সাথে যৌনতা নিয়ে কথা বলছে এটা খুবই অস্বস্তিকর আর অদ্ভুত বিষয় মনে পারে। কিন্তু বিষয়টি আপনার যেমনই লাগুক না কেন আজকের সময়ে সন্তানকে আপনি যখন মানুষের মত মানুষ করে গড়ে তুলতে চান তখন যৌনতার মত একটি স্বাভাবিক, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে বাদ দিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। কারণ, আপনি কথা না বললেও এই বিষয়ে কথা চলছে চারিদিকে। মিডিয়া, ইন্টারনেট, বন্ধুমহল সবদিকে এমন অনেক ঘটনা ঘটে যা তার আগ্রহ বাড়াতে পারে, তাকে ভুল তথ্য দিতে পারে। তাই আপনারই উচিৎ আগেভাগেই সঠিক তথ্য দেওয়া।

জিল পি ওয়েবার একজন ক্লিনিকাল সাইকোলজিস্ট। তিনি ওয়াশিংটন ডিসিতে ব্যাক্তিগত চ্যাম্বারে অনুশীলন করেন। নিজের রোগীদের কাছে এবং আশেপাশের মা বাবাদের মধ্যে প্রায়ই তিনি সন্তানদেরকে নিয়ে তাদের নানান চিন্তার কথা শোনেন। যৌনতা সেইসব সমস্যার একটি। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি তুলে ধরেছেন ৫ টি উপায়, কিভাবে সহজভাবে আপনার সন্তানের সাথে কথা বলবেন যৌনতা নিয়ে।

১। তুমি আমাকে যে কোন প্রশ্ন করতে পার

শিশুরা যখন নিজেদের শারীরিক বিষয়াদি নিয়ে ছোটখাট আগ্রহ প্রকাশ করে বা করতে দ্বিধা করে না, তার মানে সে আপনার সাথে যথেষ্ট সহজ, স্বাভাবিক। শিশুরা কিন্তু সাবলীলই হয়, আমরা তাদেরকে থামিয়ে দিই। একটা শিশু যখন সরল মনে তার গর্ভবতী মায়ের পেট ছুঁয়ে জিজ্ঞেস করে, বেবি কি করছে, বেবি কিভাবে এল, কিভাবে তার সাথে দেখা হবে তখন তার সরল প্রশ্নের মূল্যায়ণ করুন। তাকে গুছিয়ে উত্তর দিন। আপনি যদি লজ্জা পান, ধমক দেন সে কিন্তু দমে যাবে না। আর কোথও উত্তর খুঁজতে যাবে। তাই নিজেই উত্তর দিন।

২। যদি উত্তর না জানা থাকে তাহলে খুঁজুন

বাচ্চাদের অনেক প্রশ্নের উত্তর হয়ত আপনি জানেন না। বা জানলেও কিভাবে উত্তর দেবেন বুঝতে পারছেন। তাহলে জানার চেষ্টা করুন। স্বামী-স্ত্রী দুইজন মিলে ভাবুন কি বললে আপনার সন্তান সুন্দর একটি বিষয় হিসেবে এটিকে গ্রহণ করবে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে তাকে একটি মনগড়া গল্প বলে দেবেন। কখনোই আপনার সন্তানকে মিথ্যা বলবেন না। তাকেই সত্যই বলুন, গুছিয়ে বোধগম্য করে বলুন, এমনকি যদি তার বয়স মাত্র ৫ বছরও হয়।

৩। কথা বলা কঠিন হতে পারে

অনেক বাচ্চারা হয়ত কোন প্রশ্নই করবে না। তার মানে এই নয় যে তার মনে প্রশ্ন নেই। আপনার শিশুকে প্রশ্ন করতে বা এধরণের বিষয়ে কথা বলতে আগ্রহী করে তুলুন। তাঁর সামনে নিজেরাই টুকটাক শারীরবৃত্তীয় বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলুন। এতে সে প্রশ্ন করতে সহজ বোধ করবে। তার মনে হবে যেহেতু আপনি সহজেই এগুলো আলোচনা করছেন তার মানে আলোচনা করা যায়, সেও করতে পারে।

৪। খেয়াল করুন

আপনার শিশুটি ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে। বয়সসন্ধিকালে তার অনেক রকম শারীরিক পরিবর্তন হবে। নিজের এই পরিবর্তন বুঝতে সে কিন্তু আপনার কাছেই আশ্রয় খুজবে। মুখ ফুটে সবসময় নাও বলতে পারে। আপনাকেই বুঝে নিতে হবে। আসলে বয়সসন্ধিকাল শুরুর অনেক আগে থেকেই কথা বলতে শুরু করুন। তাকে বুঝিয়ে বলুন পরিবর্তন হচ্ছে ধীরে ধীরে আর এটা স্বাভাবিক।

৫। তুমি এই ব্যাপারে কি মনে কর

যতই আপনার সন্তান বড় হবে আপনি অবশ্যই চাইবেন শারীরিক ঘনিষ্ঠতা বা সম্পর্ক নিয়ে সে আপনার সাথে কথা বলুক। তারাও আসলে বলতে চায়। তারা এমন মানুষ খোঁজে যাদেরকে তারা বিশ্বাস করতে পারবে। তাই যখনই তাদেরকে ভালোবাসা বা অনুরাগ বিষয়ে কোন প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন তখনই পালটা প্রশ্ন করুন সে এই বিষয়ে কি ভাবছে বা তার মত কি! আলোচনাটাকে সজীব করুন, সহজ করুন। আপনিও তাকে বুঝতে পারবেন, সেও আপনাকে বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবেই গ্রহণ করবে।

যৌনতা বিষয়ে কথা বলা শুধু কথা বলার উদ্দেশ্যে জরুরী নয়। এভাবে আপনার শিশুর সাথে আপনার ঘনিষ্ঠতা বাড়বে। আপনি তাকে পথ দেখাতে পারবেন। তারা অসুস্থ কোন চর্চার সাথে জড়িয়ে যাবে না।

07/03/2016

টিটি টিকা কেন নিতে হয়
-----------------------------
প্রশ্নঃ টিটি টিকা কেন নেয়া হয়? মেয়েদের কেন টিটি টিকা নিতে হয়?

উত্তরঃ ধনুষ্টংকার (টিটেনাস) থেকে রক্ষ পাওয়ার জন্য টিটি টিকা নিতে হয়। আমাদের দেশে অনেক মহিলা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সন্তান জন্ম দেন। ফলে মা ও শিশুর ধনুষ্টংকার হওয়ার ঝুঁকি থাকে। বাচ্চার নাড়ি কাটার সময় জীবাণুমুক্ত ব্লেড ও সুতা ব্যবহার না করলে ধনুষ্টংকারের জীবাণু শরীরে ঢুকে যায় এবং রোগে নবজাত শিশু মারা যায়। এসব কারণে সন্তান ধারণের উপযুক্ত বয়সী সব মহিলার এ টিকা নেয়া উচিৎ।

প্রশ্নঃ ছেলেদের কি টিটি টিকা নিতে হয়? নাকী শুধু মেয়েদের টিটি টিকা নিতে হয়?

উত্তরঃ সারাজীবনে মেয়েদের মত ছেলেদেরও ৫ বার টিটি টিকা নেয়া উচিৎ। যে-কোন ব্যক্তিরই যে-কোন মুহূর্তে কাটা ছেঁড়ার মাধ্যমে ধনুষ্টংকারের জীবাণু দেহে প্রবেশ করে ধনুষ্টংকার হতে পারে। যেহেতু আমাদের দেশে অনেক নবজাত শিশু ধনুষ্টংকার রোগে মারা যায়, তাই ১৫-৪৯ বছর বয়সী সব মেয়েদের টিটি টিকার দেয়ার জন্য সরকারী বেসরকারি কর্মসূচি রয়েছে।

প্রশ্নঃ কত দিন পর টিটি টিকা নিতে হয়? কতদিন পর্যন্ত মেয়াদ থাকে। কতবার নিতে হয়? আমার সারাজীবনে কত ডোজ টিটি ইনজেকশন নেয়া উচিৎ জানতে চাই?

উত্তরঃ সারাজীবনে ৫ বার টিটি টিকা নিতে হয়। এ টিকা যে-কোন সময়ে নেয়া যায়। তবে সরকারী কর্মসূচি অনুযায়ী ১৫ বছর বয়স থেকে টিকা দেয়া শুরু করতে হয় এবং নীচের সময়সূচি অনুযায়ী সারাজীবনে ৫ বার টিটি টিকা দিতে হয়। পুরা ডোজ শেষ করতে মোট ২ বছর ৭ মাস সময় লাগে।
মাত্রা কখন টিটি দিতে হবে
টিটি ১ম ডোজ ১৫ বছর পূর্ণ হবার পর অথবা গর্ভবতী হলে ৪র্থ মাস থেকে।
টিটি ২য় ডোস টিটি ১ম ডোস দেয়ার ৪ সপ্তাহ পর।
টিটি ৩য় ডোস টিটি ২য় ডোস দেয়ার ৬ মাস পর অথবা পরবর্তী গর্ভবতী অবস্থায়।
টিটি ৪র্থ ডোস টিটি ৩য় ডোস দেয়ার ১ বছর পর অথবা পরবর্তী গর্ভবতী অবস্থায়।
টিটি ৫ম ডোজ টিটি ৪র্থ ডোস দেয়ার ১ বছর পর অথবা পরবর্তী গর্ভবতী অবস্থায়।

11/07/2015

শরীরের বিভিন্ন পুষ্টি পূরণে আমরা প্রতিদিনই অনেক ধরনের খাবার খেয়ে থাকি কিন্তুসবাই জানি কি কোন ধরনের খাবার আমাদের সেক্স বাড়াতে সক্ষম? সাধারণত খাবারে ভিটামিন এবং মিনারেলের ভারসাম্য ঠিক থাকলে শরীরে এন্ড্রোক্রাইন সিস্টেম সক্রিয় থাকে। আর তা আপনার শরীরে এস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরনের তৈরি হওয়া নিয়ন্ত্রণ করে…

10/07/2015

যৌন মিলনের আগে এই বিষয়ে ভালো ভাবে জেনেরাখা ভালো। কেননা একটু অসাবধানতায় বা ভুল শিক্ষা হতে পারে অনেক বড় দুর্ঘটনা। তাই সহবাসের আগে কিছু বাস্তব এবং সঠিক তথ্য জেনেনিন: ১। আপনি প্রথমবার যৌনসঙ্গম করে গর্ভ...

পেপটিক আলসার ডিজিস (Peptic Ulcer Diseases)*******************************************************আপনি রাতে ঘুমাতে গেছেন ...
10/07/2015

পেপটিক আলসার ডিজিস (Peptic Ulcer Diseases)
*******************************************************
আপনি রাতে ঘুমাতে গেছেন হঠাৎ মাঝরাতে ঘুম ভেঙ্গে গেলো আপনি অনুভব করলেন আপনার তীব্র পেটে ব্যাথা আর বুক জ্বালাপোড়া । এই ব্যাথা আরও গত কয়েক রাত ধরে আপনি অনুভব করেছেন। কিংবা আপনি কোন দাওয়াতে খাচ্ছেন খাবার পর হঠাৎ তীব্র পেটে ব্যাথা কিংবা আমার মতো যারা দীর্ঘদিন হোস্টেল মেসে থাকেন বা বাইরের খাবার খেতে হয় প্রতিদিন তারা মোটামোটি এই রোগের সাথে পরিচিত। হ্যা আমি আপনাদের গ্যাস্ট্রিক পেইন বা মেডিকেল সাইন্সের ভাষায় পেপটিক আলসার ডিজিস এর কথা বলছি।
কেন এই পেপটিক আলসার ডিজিস ??
১।মুলত ৮০-৮৫% পেপটিক আলসার সংঘটনের জন্য দায়ী H.Pylori নামক ব্যাকটেরিয়া। এখন প্রশ্ন হল H. Pylori কিভাবে আমাদের শরীরে ক্ষতি করে?
মুলত H.Pylori আমাদের লালার মাধ্যমে পাকস্থলিতে প্রবেশ করে। আমাদের পাকস্থলিতে থাকা অম্লীয় পরিবেশে এরা ভালো ভাবেই survive করে এবং বিভিন্ন এনজাইম তৈরি করে পাকস্থলির অম্লকে নিরপেক্ষ করে ফেলে। যা আমাদের খাদ্য পরিপাকে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। এছাড়াও এরা ডিওডেনাম ও পাকস্থলির মিউ কাস মেমব্রেনের লাইনিং নষ্ট করে ফেলে সেখানে ক্ষতের সৃষ্টি করে।
এছাড়াও
যথেচ্ছ ও নিয়ম নীতি না মেনে বিভিন্ন রকম পেইন কিলার ও NSAIDs জাতীয় ট্যাবলেট খেলে
ধূমপান
অতিরিক্ত চা কফি পান করা
অ্যালকোহল জাতীয় দ্রব্য সেবন
অতিরিক্ত গরম, ঝাল ও মসল্লা দিয়ে রান্না করা খাবার খেলে
মানসিক চাপ, টেনশন, ভয়
পাকস্থলিতে অতিরিক্ত অম্ল সৃষ্টি হলে
যোলিনগার–এলিসন সিনড্রোম
পেপটিক আলসারের লক্ষনঃ
**************************
মুলত পেপটিক আলসারের ব্যাথাটি Epigastrium অঞ্চলে(চিত্র-২) অর্থাৎ আপনার বুকের নিচের দিকে অর্থাৎ পেটের উপরিদিকে জ্বালাপোড়া ধরনের যন্ত্রণা (burning pain) অনুভূত হবে।
বেশিরভাগ সময়েই ব্যাথাটি রাতের বেলায় অনুভূত হয়।
পেট খালি থাকা অবস্থায় ব্যাথা অনুভূত হতে পারে।
বমি বমি ভাব, অনেক সময় বমিও আসতে পারে।
পেট ফুলে যায়।
অনেক সময় বুক জ্বালাপোড়া করে।
Severe case, উপরোক্ত লক্ষণগুলো ছাড়াও
রক্ত বমি হবে( coffee-grounds বর্ণের)
পায়খানার সাথে রক্ত যাবে(পায়খানার রঙ হবে গাঢ় কালো বর্ণের)
জ্বর থাকতে পারে
শরীরের ওজন কমে যাবে
মাথাব্যাথা থাকতে পারে। যদি দীর্ঘদিন পেপটিক আলসারের চিকিৎসা না করেন তাহলে,
পরিপাক তন্ত্র (গ্যাস্ট্রো ইনটেস্টাইনাল ট্র্যাকে) ক্রমাগত রক্তপাত হবে ফলশ্রুতিতে অ্যানিমিয়ায় আক্রান্ত হবেন।
পাকস্থলি ও বৃহদান্ত্রের প্রাচীরে ছিদ্র ছিদ্র হয়ে যায়।
ক্ষত ও স্ফীত হয়ে ডিওডেনাম ক্রমাগত সরু হয়ে পাচক নির্গমনের রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়।
পাকস্থলি বা বৃহদান্ত্রের ক্যান্সারের ঝুঁকি ৪-৬ গুন বাড়িয়ে দেয়।
চিকিৎসাঃ
যদি আপনার পেপটিক আলসারের কারন H.Pylori হয় সেক্ষেত্রে নিন্মলিখিত ওষুধ শুরু করতে হবে।
Tablet Rolacin 500 mg ১২ ঘণ্টা পরপর মোট ৭ দিন
+
Tablet Opton 20 mg ১২ ঘণ্টা পরপর মোট ৭ দিন
+
Tablet Filmet 400 mg ১২ ঘণ্টা পরপর মোট ৭ দিন
এখন ধরুন আপনার আলসারের সমস্যা নেই কিন্তু খাবার পর হঠাৎ পেটের উল্লেখিত অংশে ব্যাথা শুরু হল তখন আপনি
Tablet Flatameal DS ১টা চুষে অথবা Flatameal DS suspension ২ চামচ খেতে পারেন।
এখানে উল্লেখ্য Antacid জাতীয় ট্যাবলেট চুষে খেতে হয় এবং খাবার পরবর্তী ১০-১৫ মিনিট তরল বা কোন খাবার গ্রহন না করাই উত্তম।
এছাড়াও যারা নিয়মিত গ্যাস্ট্রিক সমস্যায় ভুগেন তারা প্রতিদিন Tablet Asinar or Tablet Neoceptin R 150 mg ১২ ঘণ্টা পরপর খেতে পারেন।
এছাড়াও তল পেটের ব্যাথা কমানোর জন্যে Tablet Visceralgine or Tablet Norvis 50 mg ১টা খেতে পারেন।
অনেকেই যে ভুলটা করে থাকেন সেটা হল আমাশয়ের ব্যাথার সাথে গ্যাস্ট্রিকের ব্যাথা মিলায় ফেলেন। আমাশয়ের ব্যাথা Umbilical অঞ্চল(চিত্র-২)আপনার নাভির নিচের দিক বরাবর কিংবা আশেপাশে চিনচিনে ব্যাথা অনুভূত হবে। কিন্তু আলসারের ব্যাথা নাভির উপরে ও বুকের নিচ বরাবর অনুভূত হবে।
এছাড়াও
ধূমপান ত্যাগ করুন
অতিরিক্ত মসল্লা দিয়ে তৈরি খাবার বর্জন করুন
ফাস্ট ফুড অভ্যাস ত্যাগ করুন
প্রতিদিন সকালে ব্যায়াম করুন ও হাঁটুন
অতিরিক্ত চা ক্যাফেইন বা অ্যালকোহল জাতীয় দ্রব্য পান হতে বিরত থাকুন।
অপ্রয়োজনীয় Paracitamol, aspirin জাতীয় পেইন কিলার ট্যাবলেট সেবন হতে বিরত থাকুন।
NSAIDs ড্রাগ যেমন Paracitamol ,aspirin জাতীয় পেইন কিলার ট্যাবলেট সেবনের পূর্বে অবশ্যই Anti Peptic Ulcer Drugs যেমন Tablet Asinar or Tablet Neotack 150 mg or Tablet Nexum 20 mg খেয়ে নিতে হবে।
যদি আপনার আলসারের সমস্যা ক্রমাগত ও দীর্ঘদিন ধরে হতে থাকে তবে অতিসত্বর একজন গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল বিশেষজ্ঞ ডাক্তারেরে পরামর্শ নিন।

20/06/2015

নগ্ন হয়ে ঘুমালে অনেক উপকার!
*******************************
প্রতিদিন কত নতুন নতুন তথ্য যে জানা যায়! হালে জানা গেছে, কাপড়-চোপড় পরে ঘুমানোর চেয়ে কাপড় না পরে ঘুমানোয় উপকার বেশি৷ চলুন জেনে নেয়া যাক কী কী উপকার এতে৷

সুখী করে
দাম্পত্য জীবনে স্বামী-স্ত্রীর নগ্ন হয়ে ঘুমানো নাকি ভালো৷ ইউএসএ কটন ২০১৪ সালে এক জরিপ চালিয়ে দেখেছে, জরিপে অংশ নেয়াদের মধ্য যাঁরা নগ্ন হয়ে ঘুমাতে অভ্যস্ত, তাঁদের মধ্যে শতকরা ৫৭ ভাগই মনে করেন যে তাঁরা সুখী৷ পাজামা পরে যাঁরা ঘুমান তাঁদের মধ্যে সুখী যুগল ছিল শতকরা ৪৮ ভাগ৷

নারীর জন্য ভালো
কসমোপোলিটান ম্যাগাজিনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ডাক্তার জেনিফার লান্ডা জানান, সব সময় কাপড় পরে ঘুমালে মেয়েদের বিশেষ কিছু রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়৷ তিনি জানান, কাপড় পরার ফলে শরীরের তাপমাত্রা একটু বেশি থাকে আর তাপমাত্রা খুব বেশি হলে মেয়েদের যোনিপথের আশপাশে খুব তাড়াতাড়ি ছত্রাক বা ব্যাক্টেরিয়া বাড়তে থাকে৷
গুহাবাসীদের মতো…..
নিউরোলজিস্ট ব়্যাচেল সালাস ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে দু’বছর আগেই বলেছিলেন, গুহামানবদের মতো আধুনিক, ফ্যাশন সচেতন মানুষেরও গায়ে সুতা না রেখে ঘুমানো ভালো৷ তিনি বলেন, ‘‘আমাদের পূর্বসূরীরা একসময় নগ্নই ঘুমাতেন৷ মাংসাসী প্রাণীদের হাত থেকে বাঁচার জন্য তাঁরা মূলত গুহায় ঘুমাতেন এবং তা নগ্ন হয়ে৷ তাই নগ্ন হয়ে ঘুমালে আজও আমরা কিছুটা নিরাপদ বোধ করি৷’’

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে
মাইক ডট কম নামের একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে বলা হয়, শরীরে ত্বক যদি ত্বকের সরাসরি সংস্পর্শে থাকে, তাহলে স্ট্রেস হরমোন ‘কর্টিসল’ হ্রাস পায়৷ ফলে কর্টিসল যে কারণে রোগপ্রতিরোধ বাধাগ্রস্থ করে, সে সমস্যাটা কমে যায়৷ শরীরের এক অংশের ত্বক অন্য অংশের ত্বকের সংস্পর্শে থাকলে ‘অক্সিটোসিন’-এর মাত্রা বেড়ে যায়, যাতে উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের উপকার হয়৷

ভালো ঘুম হয়
যাঁরা কাপড় পরে ঘুমান তাঁদের কি ঘুম ভালো হয় না? না, এমন কথা কেউ বলেনি৷ তবে ২০০৪ সালের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, শরীরের তাপমাত্রা ঘুমের ওপর প্রভাব ফেলে৷ তাই গরমে কাপড় পরে ঘুমালে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়, তাতে ঘুম ভালো হয় না৷ সে অবস্থায় শরীরে কোনো কাপড় না থাকলে ক্ষতি নেই, বরং লাভই বেশি, কেন না ঘুম হবে দারুণ!

20/06/2015

পুরুষের শরীরের যে সকল অঙ্গগুলো নারীরা অত্যাধিক পছন্দ করেন!
*************************************************************************

প্রতিটি পুরুষেরই জানতে ইচ্ছা করে যে তাদের শরীরের কোন কোন অঙ্গগুলোকে নারীরা অত্যাধিক পছন্দ করেন। এই বিষয়ে সম্প্রতি এক ছোট্ট গবেষণা করা হয়। গবেষণায় প্রায় ১০০ জন নারীকে এই প্রশ্নটি করা হয়ে থাকে যে পুরুষদের কোন কোন অঙ্গগুলো তাদের সবচেয়ে বেশি পছন্দের। তাদের উত্তরের আনুপাতিক গড় হিসেবে নিচের অঙ্গগুলোর কথা উঠে আসে। চলুন জেনে নেয়া যাক:

১. চওড়া কাঁধ :


বেশির নারীর মুখেই এই উত্তরটি শোনা যায় যে তারা পুরুষদের চওড়া কাঁধকেই অনেক বেশি পছন্দ করেন। তাদের ভাষ্যমতে যার কাঁধ যত বেশি চওড়া হবে সেই পুরুষ তত বেশি হট আর সুদর্শন।

২. চওড়া বক্ষ :

পুরুষদের আকর্ষণীয় অঙ্গের মধ্যে আরেকটি হল তাদের চওড়া বক্ষ। অনেক পুরুষ আছেন যারা জিমে গিয়ে অস্বাভাবিক দেহ তৈরি করেন। এই ধরনের পুরুষের দেহ নয় বরং যাদের প্রকৃতিগতভাবেই চওড়া বক্ষ রয়েছে তাদেরই পছন্দ করেন নারীরা। এছাড়া চওড়া বক্ষের অধিকারী এসব পুরুষের স্তনের গড়নও তাদের বেশ ভালো লাগে। তারা যখন ঘামেন তখন তাদেরকে অনেক বেশি আকর্ষর্ণীয় লাগে বলে অধিকাংশ নারীরা জানিয়েছেন।

৩. আকর্ষণীয় পেশী :

পেশীবহুল পুরুষকে যে কারও দেখতে ভালো লাগে। তবে তৈরি করা অস্বাভাবিক পেশী অনেক নারীই অপছন্দ করেন। নারীরা বলেন, পুরুষকে তখনই অনেক বেশি আকর্ষণীয় দেখায় যখন নাকি তার পেশীবহুল বাহু টি-শার্টের মধ্য দিয়ে ফুটে ওঠে।

৪. সুমিষ্ট ঠোঁট :

ঠোঁট যে শুধু নারীরই আকর্ষণীয় হয়ে থাকে তা নয় একজন পুরুষেরও ঠোঁট অনেক বেশি আকর্ষণীয় আর সুমিষ্ট হতে পারে বলে এমনটা মন্তব্য করেন অনেক নারী। তবে বেশিরভাগ নারীই চিকন ঠোঁটের অধিকারী পুরুষদেরই বেশি পছন্দ করেন।

৫. জিহ্বা :

অবাক হওয়ার কিছু নেই পুরুষদের অঙ্গ নিয়ে নারীদের পছন্দের তালিকায় জিহ্বাও রয়েছে। আবেগঘন চুম্বনে বা শারীরিক মিলনের সময়ে জিহ্বার ভূমিকা অসাধারণ। তাই নারীদের অনেকেই পুরুষের এই জিহ্বাকে বেশ পছন্দ করে থাকেন।

৬. স্বাস্থ্যকর হাত :

অনেক পুরুষই আছেন যাদের বয়সের তুলনায় হাতের স্বাস্থ্যের গড়ন ঠিকভাবে হয়নি। অর্থাৎ তাদের হাতগুলো অনেকটা অস্বাস্থ্যকর মনে হয়। নারীরা পুরুষদের এমন বাহু একেবারেই পছন্দ করেন না। তারা স্বাস্থ্যকর হাত পছন্দ করেন যেখানে কোনো অতিরিক্ত মেদও থাকবে না পাশাপাশি একেবারেও রোগাও হবে না।

৭. আকর্ষণীয় হিপ :

নারীদের হিপের সৌন্দর্যের পাশাপাশি পুরুষের হিপের সৌন্দর্য থাকাও উচিত। হিপের স্বাস্থ্য বেশি কমও না আবার বেশি মেদযুক্তও না এমন ধরনের হিপ নারীরা পছন্দ করে থাকেন। সুতরাং দেখা যায় যে পুরুষদের অঙ্গের মাঝে হিপকেও অনেক বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকেন নারীরা।

৮. স্বাস্থ্যকর যৌনাঙ্গ :

স্বাভাবিকভাবেই নারীদের পছন্দের সবচেয়ে আকর্ষণীয় পুরুষদের অঙ্গ হল স্বাস্থ্যকর যৌনাঙ্গ। ইঞ্চির হিসেবে এটিকে হতে হবে স্বাস্থ্যকর আর আকর্ষণীয়। যৌনাঙ্গের বিষয়ে নারীরা যে বিষয়গুলো চেয়ে থাকেন, লিঙ্গটি হতে হবে গন্ধমুক্ত, পরিস্কার, রোগমুক্ত আর উপভোগ্য শক্তিসম্পন্ন।

19/06/2015

Petter Hegre, un controversat fotograf din Norvegia și-a fotografiat soția, instructoare de yoga, în cele mai populare poziții de yoga.

Address

Rayer Bag
Dhaka
1362

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Site for Sex Education posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram