Dr. Saiful Alam - Homeo Specialist

Dr. Saiful Alam - Homeo Specialist উন্নত চিকিৎসা প্রদান করে রোগীকে দ্রুত সুস্থ করে তোলা আমাদের প্রধান লক্ষ্য উন্নত চিকিৎসা প্রদান করে রোগীকে দ্রুত সুস্থ করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য!

...এক ভাই প্রশ্ন করেছেন, “কী করে বুঝব যে, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক আমাকে সঠিক চিকিৎসা দিচ্ছেন কিনা?”।আসলে এটা একটা যুগান্তকা...
16/12/2025

...এক ভাই প্রশ্ন করেছেন, “কী করে বুঝব যে, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক আমাকে সঠিক চিকিৎসা দিচ্ছেন কিনা?”।

আসলে এটা একটা যুগান্তকারী প্রশ্ন। এই প্রশ্নটা আমি মনে করি কেবল তার নয় বরং সমস্ত বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে থাকা সমস্ত রুগ্ন মানবতার। কারণ, বর্তমান সময়ে দেখা যায় যে বেশিরভাগ মানুষই চিকিৎসার নামে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের নিকটে গিয়ে প্রতারণার স্বীকার হচ্ছে।

সৃষ্টিকর্তা আমাদেরকে বিবেক-বুদ্ধি দিয়েছেন যাতে কোনো কিছু যাচাই বাছাই করে ভালটা গ্রহণ ও মন্দটা পরিত্যাগ করতে পারি। কিন্তু দুঃখের বিষয়- আমরা অধিক গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোতেই অতটা আর যাচাই বাছাই করি না!

যাইহোক, একজন সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক নির্বাচনের ক্ষেত্রে নিচের পয়েন্টগুলো মাথায় রাখুনঃ
হোমিওপ্যাথি চিকিৎসাতেই রোগমুক্তি

১। প্রথমেই হোমিও চিকিৎসকের চেম্বারে গিয়ে দেখবেন যে উনার চেম্বারে হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ব্যতীত আয়ূর্বেদিক, হারবাল বা নামধারী কিছু হোমিওপ্যাথিক কোম্পানীর বড়বড় সিরাপের বোতল, ট্যাবলেট, মালিশ, মলম, পেটেন্ট, টনিক প্রভৃতি ঔষধ রয়েছে কিনা। যদি থাকে তাহলে প্রথম দর্শনেই বুঝে যাবেন লোকটি ভাল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক নয়।
কারণ, এইসমস্ত ঔষধের সাথে প্রকৃত হোমিওপ্যাথির কোন সম্পর্কই নেই।

২। কোন চিকিৎসককে যদি দেখেন যেকোনো রোগীকে কেবলমাত্র রোগের নাম শুনেই চটপট ওষুধ দিয়ে দিচ্ছে, বিস্তারিত লক্ষণ সংগ্রহের জন্য চেষ্টা করছে না, সেক্ষেত্রেও মনে করবেন এই লোক সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক নয়। কারণ, হোমিওপ্যাথি রোগের নাম ভিত্তিক নয়, লক্ষণ ভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি।

৩। কোন চিকিৎসককে যদি দেখেন একসাথে একের অধিক ঔষধ খেতে দিচ্ছে তাহলেও বুঝবেন সে কোনভাবেই সঠিক হোমিও চিকিৎসক নয়। কারণ, এক রোগীতে একসাথে একাধিক ঔষধ প্রয়োগ হোমিওপ্যাথির সম্পূর্ণ পরিপন্থী!

৪। কোন চিকিৎসককে যদি দেখেন শক্তিকৃত হোমিওপ্যাথিক ওষুধের পাশাপাশি মাদার টিংচার এবং বায়োকেমিক ওষুধও একসাথে খেতে দিচ্ছে তাহলেও বুঝবেন তিনি কোনোভাবেই ভালো চিকিৎসক নয়।

এখানে অনেকেই হয়তো আমাকে বলবেন যে, কেন মাদার টিংচার তো হোমিওপ্যাথি ঔষধ, আর বায়োকেমিক ওষুধগুলো তো হোমিওপ্যাথিক কলেজেই পড়ানো হয়!
কিন্তু সেক্ষেত্রে আমার বক্তব্য হল, একান্ত অত্যাবশ্যকীয় ক্ষেত্র ছাড়া কোন ভালো হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকই মাদার টিংচার ব্যবহার করেন না, যদিও আমি আমার প্র্যাকটিস লাইফে তেমন অত্যাবশ্যকীয় ক্ষেত্র এখনো পর্যবেক্ষণ করিনি যা শক্তিকৃত হোমিওপ্যাথিক ঔষধ দ্বারা মোকাবেলা করা সম্ভব নয়!
আর বায়োকেমিক ওষুধ অবশ্য শক্তিকৃতই বটে তবে সেটা হোমিওপ্যাথিক লক্ষনসদৃশ্যে এককভাবে যদি প্রয়োগ করা হয় তবেই কেবল হোমিওপ্যাথিক ঔষধ হিসেবে পরিগণিত হবে, অন্যথায় নয়!

কাজেই আমার পরামর্শ হচ্ছে, কোন চিকিৎসকের চেম্বারে যদি রাশি রাশি মাদার টিংচারের বোতল এবং গন্ডায় গন্ডায় বায়োকেমিকের কৌটো সাজানো দেখতে পান তাহলে সে স্থান ত্যাগ করে অপেক্ষাকৃত ভাল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের অনুসন্ধান করুন।

৫। যদি কোন চিকিৎসককে দেখেন যে তিনি এক সময়ে একটি মাত্র ওষুধ আপনাকে দিলেও একেবারে কোম্পানির সিল্ড ফাইলই আপনার হাতে তুলে দিচ্ছে এবং সেখান থেকে সকাল বিকাল ৫ ফোঁটা বা ১০ ফোটা করে বা প্রতিদিন ৫-১০ ফোটা করে অর্থাৎ স্থুল মাত্রায় খেতে বলছে, তাহলেও বুঝবেন সেই চিকিৎসক কোনভাবেই নির্ভরযোগ্য নয়।
কারণ, হোমিওপ্যাথির মূল মন্ত্র হচ্ছে “Simi-Mono-Mini”, অর্থাৎ ঔষধ হতে হবে Simi অর্থাৎ রোগলক্ষণের সিমিলার (সিমিলিমাম), Mono অর্থাৎ একক বা একটিমাত্র আর Mini অর্থাৎ মিনিমাম ডোজ বা সুক্ষ মাত্রার।

৬। একজন সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক কখনোই আপনাকে নিয়ে তাড়াহুড়ো করবেন না। তিনি মনোযোগ দিয়ে আপনার কথা শুনবেন। যথেষ্ট সময় নিয়ে আপনার রোগীলিপি করবেন। প্রয়োজনে তিনি তার বইপত্র বা কম্পিউটার (বই-পত্রের আধুনিক ভার্সান) ঘাটাঘাটি করে সব শেষে আপনার হাতে একটি সঠিক হোমিওপ্যাথিক ঔষধ তুলে দিবেন।
এখানে একটা কথা মনে রাখবেন ওষুধের শিশি একাধিক হতে পারে (PL) তবে তা একসাথে খাওয়ার জন্য নয় একটা পরবর্তীতে অন্য একটা।

শেষ কথাঃ কখনোই চেম্বারে রোগীর আধিক্য দেখে একজন চিকিৎসকের ভালো মন্দ বিচার করবেন না।কোনভাবেই ভালো চিকিৎসক নয় এমন অনেক চিকিৎসকের চেম্বারেও প্রচার প্রসার এবং আশু উপশমদায়ী বিভিন্ন ক্ষতিকর পেটেন্ট, সিরাপ ও টনিকের কল্যাণে আজকাল রোগীর বাড়াবাড়ি রকমের ভীড় পরিলক্ষিত হয়।

🩺 দাদের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা(Ringworm / Tinea Infection)👉 দাদ কী?দাদ একটি **ছত্রাকজনিত সংক্রামক চর্মরোগ**। এটি শরীরের বি...
15/12/2025

🩺 দাদের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
(Ringworm / Tinea Infection)

👉 দাদ কী?

দাদ একটি **ছত্রাকজনিত সংক্রামক চর্মরোগ**। এটি শরীরের বিভিন্ন অংশে—ত্বক, মাথার তালু, কুঁচকি, নখ বা পায়ে—হতে পারে। দাদ দেখতে সাধারণত **গোলাকার**, মাঝখান তুলনামূলক পরিষ্কার ও চারপাশে লালচে উঁচু কিনারা যুক্ত হয়।

👉 দাদের প্রধান লক্ষণ

১. গোলাকার বা ডিম্বাকার লাল দাগ
২. তীব্র বা সহনীয় চুলকানি
৩. খোসা ওঠা বা শুষ্কতা
৪. ঘামলে বা রাতে চুলকানি বৃদ্ধি
৫. দীর্ঘদিন স্থায়ী ও বারবার ফিরে আসার প্রবণতা

📚 দাদের কারণ

* ছত্রাক সংক্রমণ
* অতিরিক্ত ঘাম
* অপরিচ্ছন্নতা
* অন্য আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শ
* দীর্ঘদিন স্টেরয়েড মলম ব্যবহার
* রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া

💎 হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার দৃষ্টিভঙ্গি-

হোমিওপ্যাথিতে দাদকে শুধু চর্মরোগ হিসেবে নয়, বরং অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা ও মায়াজমেটিক প্রভাবের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাই চিকিৎসা হয।

* রোগীর ব্যক্তিগত লক্ষণভিত্তিক
* সংক্রমণের ধরন ও প্রবণতা অনুযায়ী
* পুনরাবৃত্তি রোধের লক্ষ্যে

👉 সহায়ক পরামর্শ

* আক্রান্ত স্থান শুকনো ও পরিষ্কার রাখা
* টাইট কাপড় পরিহার
* আলাদা তোয়ালে ও পোশাক ব্যবহার
* অপ্রয়োজনে স্টেরয়েড মলম ব্যবহার বন্ধ
* চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ গ্রহণ

উপসংহার-

দাদের স্থায়ী ও কার্যকর চিকিৎসার জন্য সঠিক ঔষধ নির্বাচন ও পর্যাপ্ত সময় ধরে চিকিৎসা অত্যন্ত জরুরি। লক্ষণভিত্তিক ও মায়াজমেটিক বিশ্লেষণ ছাড়া দাদ সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব নয়।

★Uterus prolapsus★জরায়ুর স্থানচ্যুতি  — অর্থাৎ জরায়ু তার স্বাভাবিক অবস্থান থেকে নিচের দিকে সরে গিয়ে যোনিমুখ (va**na) বা ...
11/12/2025

★Uterus prolapsus★জরায়ুর স্থানচ্যুতি — অর্থাৎ জরায়ু তার স্বাভাবিক অবস্থান থেকে নিচের দিকে সরে গিয়ে যোনিমুখ (va**na) বা তার বাইরে চলে আসে।

✅ 💧জরায়ু স্থানচ্যুতির কারণ:

1. ★বারবার প্রসব (বিশেষ করে নরমাল ডেলিভারি)।
2. ★জন্মের সময় দীর্ঘক্ষণ চাপ প্রয়োগ* ।
3. ★বয়স বৃদ্ধির কারণে পেশির শক্তি কমে যাওয়া*।
4. ★মেয়েদের পেটের নিচের পেশি দুর্বল হওয়া। (Pelvic floor weakness)*
5. ★অতিরিক্ত ভার উত্তোলন বা দীর্ঘদিনধরে কাশি হওয়া*।

---⭕✅ উপসর্গ:

- যোনির নিচে ভার ভার ভাব ।
- পেটে বা কোমরে ব্যথা ।
- যোনিমুখে কিছু বের হয়ে আসছে অনুভব করা ।
- প্রস্রাব বা পায়খানায় সমস্যা ।
- দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলে অস্বস্তি বাড়ে ।
- সহবাসে অস্বস্তি বা ব্যথা অনুভব

★Piles★ (পাইলস), যাকে বাংলায় বলা হয় অর্শ রোগ।এটা হলো মলদ্বারের ভিতরে বা বাইরের অংশে থাকা রক্তনালির ফোলা বা স্ফীত হয়ে যাও...
10/12/2025

★Piles★ (পাইলস), যাকে বাংলায় বলা হয় অর্শ রোগ।এটা হলো মলদ্বারের ভিতরে বা বাইরের অংশে থাকা রক্তনালির ফোলা বা স্ফীত হয়ে যাওয়া অবস্থা।

✅ ☘️পাইলসের ধরন:

1. *Internal piles (ভিতরের অর্শ):*
- মলদ্বারের ভিতরে থাকে
- সাধারণত ব্যথাহীন, তবে রক্তপাত হতে পারে

2. *External piles (বাইরের অর্শ):*
- মলদ্বারের বাইরে দেখা যায়
- ব্যথা, ফোলা, চুলকানি এবং রক্ত জমে *থ্রম্বোসড পাইলস* হতে পারে

✅ ☘️সাধারণ লক্ষণ:

- মলের সঙ্গে তাজা রক্তপাত।
- মলদ্বারে চুলকানি, জ্বালাপোড়া ।
- বসলে বা হাটলে ব্যথা।
- মলদ্বারের বাইরে গুটি/পিণ্ড অনুভব ।
- কোষ্ঠকাঠিন্য।

✅ ☘️কারণ:

- দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্য
- মলত্যাগের বেগ চেপে রাখা।
- দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা
- কম পানি পান করা
-পেটে ক্রিমির উপদ্রব
-গর্ভাবস্থা
- ভারী ওজন তোলা

📝 পরামর্শ:

- বেশি পানি পান করুন
- আঁশযুক্ত খাবার খান
- মলত্যাগের সময় চাপ দেওয়া এড়িয়ে চলুন
- হোমিও চিকিৎসা নিয়মিত নিলে অপারেশন ছাড়াও সমপূর্ণ আরোগ্য সম্ভব।

🩺 ফিস্টুলা / Fistula এর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা-ফিস্টুলা কি ?মরদ্বার বা সরলান্ত্রের পাশে ও অভ্যন্তরে এক প্রকার নালী ঘায়ের স...
09/12/2025

🩺 ফিস্টুলা / Fistula এর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা-

ফিস্টুলা কি ?

মরদ্বার বা সরলান্ত্রের পাশে ও অভ্যন্তরে এক প্রকার নালী ঘায়ের সৃষ্টি হয়। এই নালীঘাকে ভগন্দর বা ফিস্টুলা বলে। মলদ্বারের ফিস্টুলা হল মলদ্বারের ভেতরে এবং পেরিয়ানাল ত্বকের মধ্যে একটি দীর্ঘস্থায়ী অস্বাভাবিক ছিদ্র বা সুড়ঙ্গ। মলদ্বারের ফিস্টুলাকে একটি সরু সুড়ঙ্গ হিসাবে বর্ণনা করা যেতে পারে যার অভ্যন্তরীণ খোলা অংশ মলদ্বারের ভেতরে এবং মলদ্বারের কাছে ত্বকে এর বহিরাগত খোলা অংশ থাকে। মলদ্বারের ফিস্টুলা সাধারণত মলদ্বারের ফোড়ার ইতিহাসযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে দেখা যায়।

👉 কারণ

১. কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য মলত্যাগ কালে অতিরিক্ত কুস্থন।

২. অনেক সময় মলদ্বার ফেটে যায়,রক্ত পড়ে।

৩. অর্শ হেতু মলদ্বারে ফোঁড়া এবং সেখান থেকেই ভগন্দর।

৪. মলদ্বারে ক্ষত হতে ধীরে ধীরে নালী ঘা।

৫. কোন কঠিন রোগের উপসর্গ হিসাবে।৬. জীবাণু সংক্রামণ।

ফিস্টুলা কত প্রকার?

১) যদি সরলান্ত্রের বাইরে ফোড়া হয়ে মলদ্বারে ইহার মুখ বাহির হয় তাহাকে Blind External Fistula।

২) যদি সরলান্ত্রের শ্লৈষ্মিক ঝিল্লিতে প্রদাহ এবং ফোড়া হয়ে ক্ষত হয় এবং ঐ ক্ষতের একটি মুখ সরলান্ত্রের ভিতরের দিকে থাকে এবং অন্য মুখটি মলদ্বারের বাইরে থাকে তবে ইহাকে Complete fistula বলে।

৩) যদি সরলান্ত্রে ফোড়া হয়ে সেই স্থানেই থাকে, বাইরে না আসে ইহাকে Blind Fistula বলে।

ক) সাধারণ ফিস্টুলা

এটি মলদ্বারের মাংশপেশির খুব গভীরে প্রবেশ করে না বিধায় চিকিৎসা সহজসাধ্য।

খ) জটিল ফিস্টুলা

এর বিভিন্ন প্রকার ভেদ রয়েছে এবং এবং তা নির্ভর করে এর নালটি মলদ্বারের মাংসের কতটা গভীরে প্রবেশ করেছে এবং কতটা বন্ধুর পথ পাড়ি দিয়ে এটি বাইরের মুখ পর্যন্ত এসেছে।এগুলোর চিকিৎসা সত্যিকার দুঃসাধ্য।তারপর যদি এ নালি একের অধিক হয় তাহলে তো আর কথাই নেই। এ রোগের অপারেশনের প্রধান প্রতিবন্ধকতা হল সঠিকভাবে অপারেশন সম্পাদন করতে ব্যর্থ হলে রোগী মল আটকে রাখার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলতে পারে।

ফিস্টুলা বা ভগন্দরের লক্ষণ বা উপসর্গ

এ রোগের লক্ষণ মূলত তিনটি। যেমন-

১. ফুলে যাওয়া,

২. ব্যথা হওয়া এবং

৩. নিঃসরণ বা পুঁজ ও আঠাল পদার্থ বের হওয়া।

বেশিরভাগ রোগীই আগে মলদ্বারে ফোড়া হয়ে ছিল বলে জানান। ভেতরে ফোড়া হাওয়ার জন্য ফুলে যায় এবং ব্যথা হয়।যখন এগুলো ফেটে মুখ দিয়ে কিছুটা পুঁজ বের হয়ে যায় তখন ব্যথা এবং ফোলা কমে যায়। নিঃসরণ বা পুঁজ পড়া সাধারণত মাঝে মাঝে হয়। কখনও কখনও ২-৪ মাস রোগটি সুপ্ত থাকে।

কখনও কখনও মলের সঙ্গে পুঁজ ও আম পড়তে থাকে। সমস্যা একটানা না থাকার কারণে রোগীরা অনেক সময় ভাবেন যে সম্ভবত ভালো হয়ে যাবে। কিন্তু দু’চার মাস পর আবার যখন একই সমস্যা দেখা দেয় তখন চিকিৎসকের কাছে আসে।।

মাইগ্রেন (Migraine) এর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা-মাইগ্রেন বলতে কি বুঝিমাইগ্রেন হল একটি জটিল স্নায়বিক ব্যাধি যা মাঝারি থেকে ত...
06/12/2025

মাইগ্রেন (Migraine) এর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা-

মাইগ্রেন বলতে কি বুঝি
মাইগ্রেন হল একটি জটিল স্নায়বিক ব্যাধি যা মাঝারি থেকে তীব্র মাথাব্যথার পর্ব দ্বারা চিহ্নিত, প্রায়শই একতরফা এবং সাধারণত বমি বমি ভাব এবং আলো ও শব্দ সংবেদনশীলতার সাথে যুক্ত। অন্যান্য বৈশিষ্ট্যপূর্ণ লক্ষণগুলির মধ্যে বমি, জ্ঞানীয় কর্মহীনতা, অ্যালোডাইনিয়া এবং মাথা ঘোরা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

মাইগ্রেন হলে কি কি লক্ষণ দেখা দেয়-
মাথাব্যথার সাথে সংবেদনশীল ব্যাঘাত যেমন বমি বমি ভাব, আলো, শব্দ এবং গন্ধের প্রতি সংবেদনশীলতা।
* Sanguinaria Canadensis – ডান দিকে মাথাব্যথা, সূর্যরশ্মিতে বাড়ে।

মাইগ্রেন এর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধ নির্বাচন –

Sanguinaria Canadensis (স্যাঙ্গুনেরিয়া ক্যানাডেনসিস)** — এটি একটি বিখ্যাত হোমিওপ্যাথিক ওষুধ, **ডানপাশের মাইগ্রেন (Right-sided migraine) এর ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর। বিশেষ করে যখন মাথাব্যথা চোখে গিয়ে পড়ে, রোদে বেড়ে যায় এবং বমি হলে আরাম হয় — তখন এটি খুব উপযোগী

✅ Sanguinaria Canadensis নির্বাচনের মূল লক্ষণসমূহ (Key Indications for Migraine):

🧠 মস্তিষ্ক সংক্রান্ত লক্ষণ (Headache / Migraine):

* **ডান পাশে (right side) মাইগ্রেন** — কপাল, চোখ ও কান পর্যন্ত ব্যথা ছড়ায়
* মাথাব্যথা **রোদে বেড়ে যায়** এবং সন্ধ্যায় বেশি হয়
* ব্যথা **বমি বা ঘুমের পর উপশম** হয়
* ব্যথা **গলায় নেমে আসে**, বা ঘাড় ও কাঁধে প্রসারিত হয়
* মনে হয়, মাথা **ফেটে যাবে বা জ্বলছে
* মাথার ব্যথা সাধারণত **প্রতি সপ্তাহে একবার হয়
🤢 আনুসঙ্গীক লক্ষণ (Accompanying Symptoms):

* বমি হতে পারে — বমি হলেই মাথাব্যথা কমে যায়
* তীব্র গরম অনুভব হয় মাথায়
* চোখের উপর চাপ অনুভূত হয়
* **গলায় শুকনো অনুভূতি** বা জ্বালাভাব
* চুপ করে বসে থাকতে চায়, আলো-শব্দ সহ্য করতে পারে না

🔎 হ্রাস / বৃদ্ধি (Modalities):

| বাড়ে যেসব কারণে | উপশম হয় যেসব কারণে
| রোদে বা আলোতে | বমি হলে |
| চলাফেরায় | ঘুমের পর |
| গরমে | অন্ধকারে |
🧪 **বিশেষ লক্ষণ (Keynotes):

* Periodic headache — সপ্তাহে বা মাসে একবার হয়
* Menopause বা মাসিক বন্ধের সময় মাইগ্রেন বেড়ে যায়
* মাথাব্যথা ঘাড় ও কাঁধে গিয়ে পড়ে
* **Right-sided headache with nausea and vomiting**

মাত্রা (Dosage):

* Sanguinaria 30 – দিনে ২-৩ বার তীব্র অবস্থায়
* Sanguinaria 200/1M – পুনরাবৃত্ত বা দীর্ঘস্থায়ী কেসে সপ্তাহে ১ বার
* কখনও Q (mother tincture) খুব বেশি ব্যবহৃত হয় না মাইগ্রেনের জন্য

🆚 তুলনামূলক ওষুধ (Comparison Chart):

| লক্ষণ | Sanguinaria | Spigelia | Iris Versicolor |
| দিক | ডান পাশে | বাম পাশে | সাধারণত ডান, কিন্তু নির্দিষ্ট নয় |
| ব্যথা ছড়ায় | চোখ, ঘাড়, কাঁধ | চোখ, কপাল | কপাল থেকে পেছনে |
| বমি | বমির পর আরাম | বমি কম | অ্যাসিডিক বমি |
| সময় | দুপুর-সন্ধ্যা | সকালে | সাপ্তাহিক |

📌 সারাংশ:

যদি রোগীর ডান পাশে তীব্র, জ্বলন্ত, ধ্বনি-আলো সহ্য করতে না পারা ধরনের মাইগ্রেন হয়, এবং বমি বা ঘুমের পর উপশম হয়, তবে Sanguinaria Canadensis একদম উপযুক্ত

আপনার কি থামনেইল বা গ্রাফিক ডিজাইন লাগবে?

* Belladonna – হঠাৎ তীব্র ব্যথা, আলো ও শব্দে সংবেদনশীল।
**Belladonna (বেলেডোনা)** — এটি মাইগ্রেন বা তীব্র মাথাব্যথার জন্য অন্যতম কার্যকর হোমিওপ্যাথিক ওষুধ। হঠাৎ করে শুরু হওয়া, তীব্র স্পন্দনধর্মী (throbbing/pulsating) মাথাব্যথা, চোখ লাল হয়ে যাওয়া, আলো-শব্দ সহ্য না হওয়া ইত্যাদি লক্ষণে এটি বিশেষভাবে প্রযোজ্য।
✅ Belladonna নির্বাচনের প্রধান লক্ষণসমূহ (Key Indications for Migraine):

🧠 মাথাব্যথার ধরন (Nature of Headache):

* **হঠাৎ শুরু হয়**, তীব্রভাবে বৃদ্ধি পায়
* মাথাব্যথা হয় **স্পন্দনধর্মী (throbbing, pulsating)** — মনে হয় মাথার ভেতর ধক ধক করছে
* মুখ ও চোখ লাল হয়ে যায়
* আলো, শব্দ ও ঝাঁকুনি সহ্য করতে পারে না
* ব্যথা সাধারণত ডান পাশে বেশি, তবে মাঝেমাঝে বাম পাশেও হয়
* মাথায় চাপ দিলে ব্যথা কমে, আবার হেলাফেলা করলে বাড়ে

🤢 আনুসঙ্গীক লক্ষণ (Accompanying Symptoms):

* চোখ লাল, পিপাসা নেই
* বমি বা বমির বোধ
* জ্বর বা গরম ভাব – মাথা গরম হয়, হাত-পা ঠান্ডা থাকে
* রোগী **আলো এড়িয়ে চলে, ঘর অন্ধকার করে রাখতে চায়
* কিছুটা উত্তেজিত মেজাজ বা শিশুদের ক্ষেত্রে চিৎকার

🔎 হ্রাস / বৃদ্ধি (Modalities):

| বাড়ে যেসব কারণে | উপশম হয় যেসব কারণে |
| —————- | —————— |
| আলো, শব্দ, কম্পন | চাপ দিলে |
| মাথা ঝাঁকালে | অন্ধকারে |
| গরম রোদে | বিশ্রামে |
| চুল আঁচড়ালে | ঠান্ডা আবহাওয়ায় |

-🧪 বিশেষ লক্ষণ (Keynotes):

* **Throbbing headache with red face and dilated pupils**
* ব্যথা শুরু হয় দুপুরে, বিকেলে বাড়ে
* **রোগী রেগে যায়, চিৎকার করে বা ভয় পায়**
* শিশুদের ক্ষেত্রে জ্বরের সঙ্গে মাথাব্যথা এবং ঘুমে ভয়

মাত্রা (Dosage):

* Belladonna 30:দিনে ২–৩ বার তীব্র অবস্থায়
* Belladonna 200 বা 1M: যদি ব্যথা পুনরাবৃত্ত হয় বা মাথাব্যথা দীর্ঘদিন ধরে চলে
* তীব্র ব্যথায় ১৫–৩০ মিনিট অন্তর ৩০ পটেন্সি পর্যন্ত দেওয়া যায়, উপশম হলে বিরতি

🆚 তুলনামূলক চিত্র (Comparison Chart):

| লক্ষণ | Belladonna | Sanguinaria | Iris Versicolor |
| ব্যথার প্রকৃতি | স্পন্দনধর্মী, তীব্র | ডান পাশে, জ্বালাভাব | কপাল জুড়ে, অ্যাসিড বমিসহ |
| সূচনা | হঠাৎ | ধীরে ধীরে | ধীরে ধীরে |
| সঙ্গী লক্ষণ | চোখ লাল, আলো-শব্দে সমস্যা | বমি হলে আরাম | টক-বমি, দৃষ্টির সমস্যা |
| সময় | দুপুর/বিকেল | দুপুর–সন্ধ্যা | সাপ্তাহিক বা খাবারের পর।

📌 সারাংশ:

যখন মাইগ্রেনের ব্যথা **হঠাৎ শুরু হয়, মাথা ধক ধক করে, রোগী আলো-শব্দ সহ্য করতে পারে না, চোখ লাল, রাগ বা উত্তেজনা থাকে** — তখন Belladonna শ্রেষ্ঠ ওষুধ।

Glonoinum– রক্তচাপজনিত মাথাব্যথা।

Glonoinum (গ্লোনইনাম) — এটি মাইগ্রেনের জন্য একটি শক্তিশালী হোমিওপ্যাথিক ওষুধ, বিশেষ করে **রক্ত মস্তিষ্কে হঠাৎ করে উঠলে সৃষ্ট মাথাব্যথা বা সান-স্ট্রোক জাতীয় মাইগ্রেন**-এ ব্যবহৃত হয়। এটি **Belladonna**-র মতো তীব্র ও হঠাৎ মাথাব্যথায় কার্যকর, তবে কিছু ভিন্নতা রয়েছে।
✅ Glonoinum নির্বাচনের প্রধান লক্ষণসমূহ (Key Indications for Migraine):

🧠 মাথাব্যথার ধরন (Nature of Headache):

* মাথায় রক্ত উঠে গরম হয়ে যায়** — মনে হয় মাথা ফেটে যাবে
* ব্যথা **স্পন্দনধর্মী (throbbing), ছিঁড়ে যাওয়ার মতো**
* সানস্ট্রোকের পর মাথাব্যথা — রোদে দাঁড়ালে মাথা ঝিমঝিম করে
* মাথাব্যথা চাপের মতো বা বিস্ফোরণের অনুভূতি সহ
* চোখে অন্ধকার দেখি, মাথা ঘোরে, ভারসাম্য হারায়**

🔥 উষ্ণতা সংবেদন (Heat Symptoms):

* মাথা ও মুখ লাল, গরম, কিন্তু হাত-পা ঠান্ডা
* রোদ বা গরম পরিবেশে মাইগ্রেন শুরু হয়
* রোগী ঠান্ডা আবহাওয়ায় স্বস্তি পায়
* কখনো ব্যথার সঙ্গে ঘাম আসে, কখনো আসে না
🤢 আনুসঙ্গীক লক্ষণ (Accompanying Symptoms):

* মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার উপক্রম
* দৃষ্টি ঝাপসা বা চোখে কালো দেখার অনুভূতি
* মাথা নাড়ালেই মনে হয় মাথা দুলে যাচ্ছে
* মাথার চামড়া স্পর্শে সংবেদন

👉 হ্রাস/ বৃদ্ধি (Modalities):

| বাড়ে যেসব কারণে | উপশম হয় যেসব কারণে |
| রোদে গেলে | ঠান্ডা বাতাসে |
| গরমে | মাথায় ঠান্ডা পানি দিলে |
| চলাফেরায় | শান্তিতে শুয়ে থাকলে |
| নিচু হয়ে কাজ করলে | অন্ধকারে বা ছায়ায় |

🧪 বিশেষ লক্ষণ (Keynotes):

* Heat + Red face + Throbbing pain = Glonoinum**
* **মাথার রক্তচাপ হঠাৎ বেড়ে যাওয়া, চোখে আলো না সহ্য হওয়া
* রোগী রোদে গেলে মাথা ঘোরে বা মাথাব্যথা শুরু হয়
* হঠাৎ মাথা গরম হয়ে যাওয়ার প্রবণতা থাকে
মাত্রা (Dosage):

* Glonoinum 30 বা 200: তীব্র অবস্থা হলে দিনে ২–৩ বার
* M বা উচ্চ পটেন্সি: পুনরাবৃত্ত বা দীর্ঘস্থায়ী কেসে প্রয়োজনে
* ব্যথা তীব্র হলে **Belladonna-এর সাথে বিকল্প** হিসেবে ব্যবহার করা হয়

🆚 Glonoinum বনাম Belladonna:

| লক্ষণ | **Glonoinum** | **Belladonna** |

| মাথা | অতিরিক্ত রক্তে গরম ও ভারী | ফোলা, ধক ধক ব্যথা |
| রোদ | রোদে উঠলেই শুরু হয় | রোদে বাড়ে, তবে সাথে উত্তেজনা |
| তাপমাত্রা | মাথা গরম, হাত-পা ঠান্ডা | পুরো শরীর গরম |
| ভারসাম্য | মাথা ঘোরে, দুলে | কিছুটা অস্থিরতা |

📌 সারাংশ:

যদি মাইগ্রেন হয় গরমে, রোদে দাঁড়ালে এবং রোগী বলে **“মাথা ফেটে যাবে মনে হয়, মাথা গরম হয়ে গেছে, চোখে অন্ধকার দেখি তখন Glonoinum উপযুক্ত ওষুধ।

* Iris Versicolor – চোখ ও মাথায় ব্যথা, বমি সহ।**Iris Versicolor— এটি একটি প্রমাণিত হোমিওপ্যাথিক ঔষধ, যা **মাইগ্রেনের সাথে চোখে ব্যথা ও অ্যাসিডিক বমির লক্ষণ** থাকলে অত্যন্ত কার্যকর। বিশেষ করে **সাপ্তাহিক মাইগ্রেন**, হজমজনিত সমস্যা থেকে সৃষ্ট মাথাব্যথা**, ও দৃষ্টিজনিত লক্ষণসহ মাইগ্রেন**-এ এটি ব্যবহৃত হয়।

✅ Iris Versicolor নির্বাচনের প্রধান লক্ষণসমূহ (Key Indications for Migraine with Eye & Vomiting Symptoms):
🧠 মাথাব্যথা ও চোখের উপসর্গ (Headache & Eye Symptoms)

* **কপাল ও চোখের চারপাশে তীব্র ব্যথা** — সাধারণত ডান পাশে, তবে পরিবর্তনশীল
* ব্যথা সপ্তাহে একবার বা নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর হয়
* চোখের ভিতরে জ্বালা, চোখে আলো সহ্য না হওয়া
* চোখ থেকে শুরু হয়ে মাথার পেছনে ব্যথা ছড়িয়ে পড়ে
* দৃষ্টির ঝাপসা**, চোখে আগুনে জ্বালাভাব

🤢 বমি ও হজমজনিত উপসর্গ (Vomiting & Digestive Issues):

* **বমি হয় প্রচণ্ড টক/অ্যাসিডিক পদার্থের — গলা জ্বালিয়ে দেয়
* মাথাব্যথার সাথে **বমি অবশ্যম্ভাবী**
* খালি পেটে, খাওয়ার পর বা হজম না হলে মাথাব্যথা শুরু হয়
* বুকজ্বালা বা গ্যাস্ট্রিক থেকে মাথাব্যথা বেড়ে যায়

🕒 সময় ও ধরণ (Periodicity & Nature):

* সপ্তাহে একবার (Weekly sick headaches) — শুক্রবার বা রবিবারে বেশি দেখা যায়
* ব্যথা শুরু হয় **চোখে বা কপালে**, ছড়িয়ে পড়ে পুরো মাথায়
* মাথাব্যথার আগে দৃষ্টিবিভ্রাট (Aura)** হতে পারে
* রাতে ব্যথা বাড়ে, বিশ্রামে বা বমির পর কিছুটা উপশম

🔎 হ্রাসে / বৃদ্ধি (Modalities):

| বাড়ে যেসব কারণে | উপশম হয় যেসব কারণে |

| খাওয়ার পর, হজমে সমস্যা | বমি হলে |
| চর্বিজাতীয় খাবার, মশলা | বিশ্রামে |
| ঘুমের অভাব, ক্লান্তি | ঠান্ডা বাতাসে |
| রাত বা ভোরবেলা | চোখ বন্ধ রাখলে

🧪 বিশেষ লক্ষণ (Keynotes):

* Sick headache with sour, burning vomiting
* Visual aura বা চোখে আলো ঝলসানো** দিয়ে শুরু
* কপাল থেকে মাথার পেছনে ব্যথা ছড়ায়
* পেটের অসুবিধার সাথে মাথাব্যথার সম্পর্ক**

মাত্রা (Dosage):

* Iris Versicolor 30 বা 200: তীব্র অবস্থায় দিনে ২–৩ বার
* 1M বা উচ্চ পটেন্সি: পুনরাবৃত্ত (recurring) মাইগ্রেনে সপ্তাহে ১ বার
* কখনও 6x দেওয়া হয় দৈনিক হজমজনিত কারণ থাকলে

🆚 তুলনামূলক চিত্র (Comparison):

| লক্ষণ | Iris Versicolor | Belladonna | Sanguinaria
| বমি | টক ও জ্বালাপোড়া যুক্ত | খুব কম হয় | বমি হলে আরাম |
| চোখের ব্যথা | চোখ জ্বালে, ঝাপসা দেখা | চোখ লাল ও স্পর্শকাতর | চোখে ব্যথা ছড়ায় |
| শুরু | চোখ বা কপাল থেকে | হঠাৎ, তীব্রভাবে | ডান পাশে ধীরে ধীরে |
| কারণ | হজমের সমস্যা, অম্লতা | রোদ, আলো, শব্দ | রোদ, গলা শুকানো

📌 সারসংক্ষেপ:

যদি মাইগ্রেন হয় চোখে আগুনে জ্বালা ও টক বমির সাথে**, সপ্তাহে একবার বা পেট খারাপ থেকে মাথাব্যথা শুরু হয়**, এবং দৃষ্টির বিভ্রান্তি থাকে, তবে Iris Versicolor খুবই উপযুক্ত।

লিউকোরিয়া  ( Leucorrhoea ) কি? ,কারণ ,লক্ষণ, ও হোমিওপ্যাথিক  ঔষধ । সিলেট হোমিও ডাক্তার🟦 জরায়ু হইতে যোনিদ্বার দিয়া সাদ...
05/12/2025

লিউকোরিয়া ( Leucorrhoea ) কি? ,কারণ ,লক্ষণ, ও হোমিওপ্যাথিক ঔষধ । সিলেট হোমিও ডাক্তার

🟦 জরায়ু হইতে যোনিদ্বার দিয়া সাদা, হলদে কিম্বা দুধের মত এক প্রকার তরল স্রাব নির্গত হইলে তাহাকে শ্বেত প্রদর, ইংরাজিতে-- লিউকোরিয়া বলে ।

🟦 পীড়ার কারণঃ

হৃৎপিণ্ড কিম্বা ফুসফুসের কোন পীড়ায় যথারীতি রক্তসঞ্চালন ক্রিয়ার ব্যাঘাত, পুরাতন কোষ্ঠবদ্ধ, অত্যধিক রতিক্রিয়া, হস্তমৈথুন, জরায়ুতে প্রেশার প্রয়োগ, স্বাস্থ্যের অবনতি, দুর্ব্বলতা, রক্তহীনতা,
জরায়ুর স্থানচুতি, অনিয়মিত ঋতু, ক্লোরোসিস, স্ক্রুফুলা, টিউবাকিউলসিস প্রভৃতি পীড়া ইত্যাদিতে লিউকোরিয়া হয়।ক্রিমির নিমিত্ত ছোট ছোট বালিকাদের কখনও কখনও শ্বেত-প্রদরের মত স্রাব হয়

🟦 লক্ষণঃ

পীড়া আরম্ভের পূর্ব্বে প্রথমে কোমরে ও কুঁচকীর স্থানে টানিয়া ধরার মত একপ্রকার বেদনা ধরে, তলপেট ভারী ও প্রস্রাব অল্প পরিমাণে হয়, প্রস্রাবে কোথানি থাকে; তলপেটে চাপ দিলেও বেদনা বোধ হয়, সামান্য জ্বরভাব থাকে, এই অবস্থা প্রকাশিত হইবার ৩/৪ দিন পরেই জরায়ু হইতে যোনিদ্বার দিয়া এক প্রকার স্রাব নিঃসরণ হইতে আরম্ভ হয়। আব প্রথমে তরল, স্বচ্ছ ও আঠার মত চট্‌চটে থাকে, কাপড়ে সাদা সাদা দাগ লাগে, ক্রমশঃ ঘন ও পূযের মত হয়। পীড়া আরম্ভ হইতে
৮/১০ দিন পরে জ্বরের হ্রাস হয় এবং কাহারও কাহারও স্রাবের পরিমাণ ক্রমশঃ হ্রাস হইয়া পীড়া আরোগ্য হয়, কাহারও কাহারও পীড়া পুরাতন আকারে থাকিয়া যায়, রোগিনীকে অনেক দিন পর্য্যন্ত কষ্টভোগ করিতে হয় । পীড়া পুরাতন আকার ধারণ করিলে ডিম্বের সাদা অংশের মত, হলদে, সবুজ, রক্ত মিশ্রিত, হলদে-সবুজ মিশ্রিত, পনিরের মত, দুধের মত এবং কখনও তরল, কখনও গাঢ় ইত্যাদি নানা প্রকারের স্রাব হইতে থাকে। কোন কোন স্থলে স্রাবে যোনিদ্বার হাজিয়া যায়, ঘা হয়, জ্বালা করে। এই স্রাব ঋতুর পূর্ব্বে ও পরে অধিক হয়, লিউকোরিয়া — প্রমেহ হইতে সম্পূর্ণ বিভিন্ন পীড়া।

দাঁত দিয়ে নখ কাটাঃ এটি একটি রোগ?→ বদাভ্যাস নয়!দাঁত দিয়ে নখ কাটার প্রবণতা দূর করার জন্য রয়েছে চমৎকার হোমিওপ্যাথিক সমাধান।...
27/11/2025

দাঁত দিয়ে নখ কাটাঃ এটি একটি রোগ?→ বদাভ্যাস নয়!

দাঁত দিয়ে নখ কাটার প্রবণতা দূর করার জন্য রয়েছে চমৎকার হোমিওপ্যাথিক সমাধান। গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মেডিসিন সম্পর্কে আলোচনা করা হলোঃ

১) মেডোরিনামঃ
মেটেরিয়া মেডিকায় যত মেডিসিন আছে মেডোর নখ কাটার প্রবনতা সবচেয়ে বেশি। মারাত্মক নখ কাটার প্রবণতা। এদেরকে একারণে নিউরোটিক নেইল বাইটার ( NNB) ও বলা হয়।
মেডোরিনাম শিশুরা হাতের নখ তো কাটেই, কাটতে কাটতে পায়ের আঙুলের নখও কাটে।

সাধারণত ১০০০ শক্তিতে একডোজ দিয়ে কয়েকমাস অপেক্ষা করতে হবে।

২) ব্যারাইটা কার্বঃ

এরা দাঁত দিয়ে নখ কাটে অতিরিক্ত লাজুকতার কারনে। এরা নখ বাদ দিয়ে অন্য কিছুও কাটতে পারে, যেমনঃ কলমের নিব, পেন্সিল, ওড়নার কোনা ইত্যাদি; তবে মুল কারন ঐ একই - লাজুকতা।

সাধারণত ১০০০ বা ১০ হাজার শক্তির একডোজ দিয়ে ৩-৬ মাস অপেক্ষা করতে হবে।

৩) নেট্রাম মিউরঃ

এরা খুব যত্ন সহকারে ও সতর্কভাবে নখ কাটে।
বিশেষ করে যখন কোনকিছু নিয়ে চিন্তা করে, অথবা তার পারিপার্শ্বিক লোকজনের সাথে কমিউনিকেশনে সমস্যা ঘটে, তখনই তাদের নখ কাটার প্রবনতা দেখা যায়।

সাধারণত ২০০ বা ১০০ শক্তি দিয়ে শুরু করতে হবে।

৪) ট্যারেন্টুলা হিসপাঃ

খুব দ্রুত, অশান্তভাবে, অধৈর্য্যের সাথে নখ কাটে, এরা নখের সাথে আঙুলও কাটতে থাকে।

এরা যখন উত্তেজিত হয়, তখন সাধারণত এ প্রবনতা বৃদ্ধি পায়, যেমনঃ মুভি দেখা, খেলা দেখা ইত্যাদি।

৫) হায়োসিয়ামাসঃ

👉নাকের পলিপ বলতে সাধারণত  নাকের ভিতরে নাক ও সাইনাসের আবরণী কোষ হতে উৎপন্ন আঙ্গুর ফলাকৃতি একধরনের মাংসপিণ্ডকে বোঝায়। এগুল...
24/11/2025

👉নাকের পলিপ বলতে সাধারণত নাকের ভিতরে নাক ও সাইনাসের আবরণী কোষ হতে উৎপন্ন আঙ্গুর ফলাকৃতি একধরনের মাংসপিণ্ডকে বোঝায়। এগুলো সাধারণত মসৃণ,নরম,ফ্যাকাসে এবং ধূসর বর্ণের হয়ে থাকে। অনেক সময় ক্ষত ও পুঁজ সৃষ্টি হতে পারে।
নাকের পলিপাস অতি পরিচিত একটি রোগ। কিন্তু নাক বন্ধ থাকা মানেই নাকের পলিপাস হয়েছে এটা ঠিক না।
👉নাকের পলিপাসের প্রকারভেদঃ
১. Anatomically ( দেহের গঠনের উপর ভিত্তি করে)
polyp( অ্যান্ট্রোকোনাল পলিপ)ঃ এটি ম্যাক্সিলারি এন্ট্রাম থেকে উৎপন্ন হয়,সাধারণত একপাশে হয় এবং সংখ্যায় একটি থাকে।এটা মধ্য বয়সে এবং বৃদ্ধ বয়সে বেশি হয়।
# Ethmoidal polyp(ইথময়ডাল পলিপ)ঃ
এটি ইথময়ডাল এয়ার সেল থেকে উৎপন্ন হয়,সাধারণত দুই পাশেই হয় এবং সংখ্যায় একাধিক হয়। এটা বাচ্চাদের এবং কম বয়সী দের বেশি হয়।
২.According to cause( কারণ অনুসারে)ঃ
(এলার্জি জনিত)
# Vasomotor ( রক্তবাহকের সংকোচনশীলতা)
( প্রদাহী)
(সংক্রামক)
(এলার্জি ও ইনফেকশনের মিলিত ক্রিয়া)
(কোষ সমূহের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি জনিত পলিপ)
এছাড়াও ছত্রাকজনিত- রাইনোস্পোরিডিয়াম ছত্রাক উৎপন্ন পলিপ যা গবাদিপশুর সংস্পর্শে গেলে শরিরের যেকোনো স্থানে হতে পারে।
👉নাকের পলিপাস এর লক্ষণঃ
১. নাক বন্ধ থাকা।
২. বেশি বেশি সর্দি লাগা।
৩. নাক দিয়ে পানি পড়া।
৪. বেশি হাঁচি হওয়া।
৫. ঘ্রাণ শক্তি হ্রাস পাওয়া।
৬. ঘ্রাণ শক্তি লোপ পাওয়া।
৭. স্মৃতি-শক্তি কমে যাওয়া।
৭. মাথা ব্যথা
৮. নাক দিয়ে নিশ্বাস নিতে কষ্ট হয়
৯. অনেক সময় মাথায় ব্যথা হয়, নাক ও কানে চুলকায়, নাকে ব্যাথা।
১০. নাক ডাকা।
১১. রক্তে serum IGE এর পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়া।
👉 পলিপাসের সচেতনতা:
১.ঠান্ডাজনিত পরিবেশ থেকে সাবধাণতা অবলম্বন করতে হবে।
২.সিজনাল ফল-মূল বেশী খেতে হবে।
৩.ধূলা-বালি ও ধোঁয়া থেকে মুক্ত থাকতে হবে।
৪.ফ্রীজের সরাসরি ঠান্ডা খাবার থেকে বিরত থাকা।
৫.গতানুগতিক এ্যান্টিবায়োটিক ও ঠান্ডাজনিত ঔষধ খাওয়া হতে বিরত থাকতে হবে।
৬.এলার্জি জাতীয় খাবার কম খেতে হবে।
জীবন-যাত্রায় মানসিক ও শারীরিক প্রভাব যেন না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
👉 নাকের পলিপাসের চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথিঃ-
বর্তমানে নাকের মাংস বৃদ্ধি (Nasal Polyps) বা পলিপ একটি সাধারণ সমস্যা। এই সমস্যা দূর করার জন্য হোমিওপ্যাথি হলো বর্তমান বিশ্বের সর্বাধিক কার্যকর এবং স্থায়ী চিকিৎসা। এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণের জন্য আপনাকে কোন লোকাল হোমিও ডাক্তারের কাছে না গিয়ে, একজন অভিজ্ঞ ও গ্র্যাজুয়েট হোমিওপ্যাথ ডাক্তারের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নিতে হবে। কেন একজন অভিজ্ঞ ডাক্তারের কাছে যাবেন? কারণ, নাকের পলিপাস দ্রুত আরোগ্যের জন্য সাধারণত: লোকাল ডাক্তারগণ সিরিঞ্জের সাথে এসিড জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে পলিপাসকে সাময়ীক উপসম করে দেন, তাতে রোগীর সাময়ীক কষ্ট কিছুদিন ভাল থাকলেও ভবিষ্যতে আরো কঠিন ও জটিল আকার ধারণ করে।
অপারেশন ছাড়াই সম্পূর্ণ স্থায়ী হোমিও চিকিৎসা সম্ভব। আপনি যদি স্থায়ী ভাবে এর থেকে মুক্তি লাভ করতে চান তাহলে অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শক্রমে সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিন।
👉 হোমিও চিকিৎসা:
লক্ষণভিত্তিক ও বিভিন্ন sign, symptom এবং investigation করে সাদৃশ্য ঔষধ প্রয়োগ করে বিনা অপারেশনে নাকের পলিপাস স্থায়ী আরোগ্য হয়। তবে জটিলতার উপর নির্ভর করে আরোগ্যের সময় একটু দির্ঘায়ীত হতে পারে

শিশুদের ব্রঙ্কিওলাইটিস🍀 ব্রঙ্কিওলাইটিস কী?ব্রঙ্কিওলাইটিস হলো শিশুদের ফুসফুসের ছোট ছোট শ্বাসনালী (bronchioles)-এর ভাইরাসজ...
22/11/2025

শিশুদের ব্রঙ্কিওলাইটিস

🍀 ব্রঙ্কিওলাইটিস কী?

ব্রঙ্কিওলাইটিস হলো শিশুদের ফুসফুসের ছোট ছোট শ্বাসনালী (bronchioles)-এর ভাইরাসজনিত সংক্রমণ। এতে শ্বাসনালী ফুলে যায়, মিউকাস বা কফ জমে, ফলে শিশুর শ্বাস নিতে কষ্ট হয়।
এটি সাধারণত ২ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।

🍀 ব্রঙ্কিওলাইটিস এর কারণ

• বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই RSV (Respiratory Syncytial Virus) এর কারণে হয়।
• এ ছাড়াও Rhinovirus, Influenza virus, Adenovirus ইত্যাদি কারণ হতে পারে।

🍀 ব্রঙ্কিওলাইটিস রোগ হবার ঝুঁকি কাদের বেশি?
• ৬ মাসের কম বয়সী শিশু
• প্রিম্যাচিউর (সময়-এর আগে জন্মানো) শিশু
• যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম
• হৃদরোগ বা ফুসফুসের সমস্যা আছে এমন শিশু
• ধূমপানের ধোঁয়া যাদের কাছে থাকে

🍀 ব্রঙ্কিওলাইটিস এর লক্ষণ
• সর্দি-কাশি দিয়ে শুরু
• নাক বন্ধ বা নাক দিয়ে পানি পড়া
• জ্বর
• শ্বাস নিতে কষ্ট
• দ্রুত শ্বাস নেওয়া
• শ্বাসের সময় শিসের মতো শব্দ (wheezing)
• খেতে/দুধ পান করতে কম চাই
• ক্লান্ত বা দুর্বল লাগা
• কাশি বেড়ে যাওয়া

ব্রঙ্কিওলাইটিস এর গুরুতর লক্ষণ (জরুরি অবস্থা)
• শিশুর ঠোঁট বা নখ নীলচে হওয়া
• খুব দ্রুত বা কষ্ট করে শ্বাস নেওয়া
• বুকে ভেতরের দিকে দেবে যাওয়া
• খেতে বা দুধ পান করতে না পারা
• শিশুর অস্বাভাবিক ঘুমঘুম ভাব বা অচেতন অবস্থা
➡ এসব হলে শিশুকে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে

🍀 ব্রঙ্কিওলাইটিস এর চিকিৎসা

ব্রঙ্কিওলাইটিস সাধারণত ভাইরাসজনিত, তাই অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন হয় না।

চিকিৎসা মূলত সহায়ক চিকিৎসা:
• পর্যাপ্ত তরল/দুধ খাওয়ানো
• জ্বর থাকলে প্যারাসিটামল
• শিশুকে মাথা একটু উঁচু করে রাখা
• শ্বাসনালীর কষ্ট বেশি হলে হাসপাতালে অক্সিজেন দেওয়া
• গুরুতর ক্ষেত্রে IV ফ্লুইড ও পর্যবেক্ষণ
• বেশিরভাগ শিশু ৩–৭ দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যায়

Nebulization (salbutamol) সাধারণত বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কাজে আসে না, তাই নিয়মিত দেওয়া হয় না — শুধু ডাক্তার প্রয়োজন মনে করলে দেবেন।

🍀 ব্রঙ্কিওলাইটিস হলে শিশুর বাড়িতে যত্ন
• নাকে স্যালাইন ড্রপ দিন
• ঘর ধুলো-মুক্ত রাখুন
• ধোঁয়া (সিগারেট/ রান্নার ধোঁয়া) থেকে দূরে রাখুন
• শিশুকে পর্যাপ্ত দুধ/পানি দিন
• শিশুর শ্বাস-প্রশ্বাস লক্ষ্য রাখুন
• শিশুকে বিশ্রাম দিন

🍀 ব্রঙ্কিওলাইটিস এর প্রতিরোধ
• হাত ধোয়ার অভ্যাস
• ঠান্ডা-কাশি থাকা ব্যক্তিদের থেকে দূরে রাখা
• ধোঁয়া এড়িয়ে চলা

দয়াকরে আপনারা সবাই সচেতন হবেন।

মনে রাখবেন, আপনার সচেতনতা, আপনার সন্তানের জন্য আশীর্বাদ।

পোস্টটি শেয়ার করুন। অসংখ্য বাবা-মায়ের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এই পোষ্টটি পড়া অত্যন্ত জরুরী।

ধন্যবাদ 🙏

ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থাকুন এবং নিজেকে সুরক্ষিত করুন। যদি সম্ভব হয়, একটি শক্ত টেবিলের নিচে আশ্রয় নিন এ...
21/11/2025

ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থাকুন এবং নিজেকে সুরক্ষিত করুন। যদি সম্ভব হয়, একটি শক্ত টেবিলের নিচে আশ্রয় নিন এবং বালিশ দিয়ে মাথা ঢেকে রাখুন। খোলা জায়গায় থাকলে ভবন, বিদ্যুৎ লাইন এবং গাছপালা থেকে দূরে থাকুন। রান্নাঘরে থাকলে দ্রুত গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে বের হয়ে আসুন।
ভূমিকম্পের সময় করণীয়
• শান্ত থাকুন: আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থাকা জরুরি। পরিবারকেও শান্ত থাকতে বলুন।
• আশ্রয় নিন: যদি ঘরে থাকেন, তাহলে একটি শক্ত টেবিল বা ডেস্কের নিচে আশ্রয় নিন এবং বালিশ দিয়ে মাথা ঢেকে রাখুন। বিম, কলাম বা পিলারের কাছাকাছি আশ্রয় নেওয়াও নিরাপদ।
• বিদ্যুৎ ও গ্যাস বন্ধ করুন: রান্নাঘরে থাকলে গ্যাসের চুলা বন্ধ করে দিন এবং সম্ভব হলে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সুইচ বন্ধ করুন।
• বাইরে থাকলে: যদি বাইরে থাকেন, তাহলে ভবন, গাছ, বিদ্যুতের তার এবং রাস্তার আলোগুলো থেকে দূরে খোলা জায়গায় যান। কম্পন না থামা পর্যন্ত সেখানেই থাকুন।
• গাড়িতে থাকলে: গাড়ি থামিয়ে পার্কিং ব্রেক সেট করুন। গাড়ি খোলা জায়গায় রাখুন এবং কম্পন না থামা পর্যন্ত বের হবেন না।
• শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে থাকলে: স্কুলব্যাগ মাথায় দিয়ে শক্ত বেঞ্চ বা টেবিলের নিচে আশ্রয় নিন।
• যদি চাপা পড়ে যান: বেশি নড়াচড়ার চেষ্টা করবেন না। ধুলা থেকে বাঁচতে কাপড় দিয়ে মুখ ঢেকে রাখুন। সুযোগ পেলে খালি জায়গায় বেরিয়ে যান।
ভূমিকম্পের পরে করণীয়
• নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন: বাড়ি বা অন্যান্য ভবনের বাইরে থাকলে ভিতরে প্রবেশ করবেন না।
• প্রাথমিক চিকিৎসা: প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখুন।
• ক্ষয়ক্ষতি পরীক্ষা করুন: পানি, গ্যাস এবং বিদ্যুতের লাইন পরীক্ষা করুন এবং ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা ব্যবহার করবেন না।
• জানালা থেকে দূরে থাকুন: কাচের জানালা থেকে দূরে থাকুন, কারণ কম্পনের ফলে সেগুলো ভেঙে যেতে পারে।

💊💊👍  Nux Vomica একটি “ক্লিনিকাল লক্ষণ” (Clinical Feature) মনে রাখবেন, 🔍 ক্লিনিকাল লক্ষণ (Clinical Feature):“খবার খাওয়ার ...
19/11/2025

💊💊👍 Nux Vomica
একটি “ক্লিনিকাল লক্ষণ” (Clinical Feature) মনে রাখবেন,

🔍 ক্লিনিকাল লক্ষণ (Clinical Feature):
“খবার খাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তীব্র অম্লতা ও বুকজ্বালায় অস্বস্তি বাড়ে,
এবং রোগী বারবার মনে করে—যদি বমি হতো তবে আরাম পেত।”

👉 এই লক্ষণ Nux Vomica রোগীর খুব ক্লাসিক শনাক্তকারী সাইন।

ধন্যবাদ

Address

Al Madina Homeo Hall
Dhaka
1236

Telephone

+8801676722445

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Saiful Alam - Homeo Specialist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category