Health Aid Doctors Consultation Centre

Health Aid Doctors Consultation Centre অভিজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা পরিচালিত একটি নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান Book an appointment for a checkup with a specialist.

Health Aid Doctors Consultation Center offers medical services and treatment by young doctors. See our cover poster for doctor names and details.

প্রথম দিকে কৌতূহলের বশে বা বন্ধুদের তাড়নায় কিংবা সাময়িক কোনো হতাশার কারণে বা নিছক শখ ও ফ্যাশন হিসেবে কেউ কেউ মাদক গ্রহণ ...
09/05/2026

প্রথম দিকে কৌতূহলের বশে বা বন্ধুদের তাড়নায় কিংবা সাময়িক কোনো হতাশার কারণে বা নিছক শখ ও ফ্যাশন হিসেবে কেউ কেউ মাদক গ্রহণ করে।

মাদকের প্রতি আকর্ষণ বাড়াতে নানা ভুল তথ্য ও ধারণার প্রচার রয়েছে। যেমন অমুক মাদক গ্রহণ করলে মেধা বাড়ে, পড়ালেখার উন্নতি হয়। অমুক মাদকের ব্যবহারে শরীরের মেদ কমে, অমুক মাদকে সৃজনশীলতা বাড়ে ইত্যাদি।
সামগ্রিক ভাবে মাদকাসক্তির কারণ গুলো পর্যবেক্ষণ করলে আমরা নিচের তথ্য গুলো পেয়ে থাকি-

১) মাদকাসক্তির বড় কারণ হলো মাদকের সহজলভ্যতা।

(২) বন্ধুদের চাপে পড়ে অনেকে মাদক নিয়ে থাকে।

(৩) বাবা-মায়ের আচরণ ও দৃষ্টিভঙ্গির কারণে অনেকে মাদক গ্রহণ করে থাকে।

(৪) অনেকের মাঝে মাদক নিয়ে স্মার্ট হওয়ার প্রবণতা থাকে যা তাকে ঠেলে দেয় মাদকের জগতে।

(৫) মানসিক সমস্যা যেমন: হতাশা, একাকীত্ববোধ, বিষণ্ণতার কারণে এসব থেকে রেহাই পেতে মাদককে বেছে নেয়।

(৬) এন্টি সোশ্যাল পারসোনালাটি, শৈশবে বিকাশে সমস্যা থাকলেও অনেকে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে।

(৭) ভালোবাসার সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়ায় মানসিক কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে মাদক গ্রহণ করে।

৮) পারিবারিক কারণেও অনেকে মাদকে জড়িয়ে পড়ে।

৯) পারিবারিক কলহে কারণে অনেক সময় মাদকে আসক্ত হয়ে থাকে।

মাদকাসক্তি এবং মাদকাসক্তি জনিত মানসিক সমস্যায় -
চেম্বার -১ : "Sober Life De-Addiction Centre"
Section -06, Block -D, Road -12, House-03
Mirpur-1216
Ph: 01706-260752 (WhatsApp)

চেম্বার -২
হেলথ এইড ডক্টরস কনসালটেশন সেন্টার।
মান্নান টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায়,মাটিকাটা বাজার।
ফোনঃ ০১৭০৬২৬০৭৫২( হোয়াটসঅ্যাপ)

এখন থেকে প্রতিদিন সকাল ১০ টা হতে দুপুর ২ টা পর্যন্ত এবং বিকেল ৪টা হতে রাত ৯টা পর্যন্ত Health Aid Doctors Consultation Ce...
07/05/2026

এখন থেকে প্রতিদিন সকাল ১০ টা হতে দুপুর ২ টা পর্যন্ত এবং বিকেল ৪টা হতে রাত ৯টা পর্যন্ত Health Aid Doctors Consultation Centre হতে মাত্র ১০০ টাকার বিনিময়ে হেলথকার্ড/পারিবারিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা কার্ড এর বিনিময়ে বিনামূল্যে পরিবারের সকল সদস্যের যেকোনো অসুস্থতা তে আপনি পাচ্ছেন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পরামর্শ।
উল্লেখ্য এখানে শুধুমাত্র অভিজ্ঞ এবং বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা বসেন কিন্তু কোনো টেস্ট/ইনভেস্টিগেশন হয় না,তাই রুগীরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো স্থান হতে রোগ নির্ণয়ের জন্য ডাক্তারের প্রদানকৃত টেস্ট/ইনভেস্টিগেশন করিয়ে আনতে পারেন,যদিও আমরা বেশি গুরুত্ব দেই ঢাকা সিএমএইচ থেকে করিয়ে আনানো টেস্ট এর উপর।

#হেলথ কার্ড / পারিবারিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা কার্ড এর মূল্য: ২০০ টাকা এক বছরের জন্য।

★ হেলথ কার্ডের সুবিধাসমূহ :
১)পরিবারের সকল সদস্যদের জন্য যেকোনো অসুস্থতায় সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ এবং অভিজ্ঞ চিকিৎসকের ভিজিট মাত্র ৩০০/= (মাত্র)

২)কার্ড ধারী গ্রাহকদের জন্য পরিবারের সকল সদস্যদের জন্য যেকোনো অসুস্থতায় সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ এবং অভজ্ঞ চিকিৎসকের ভিজিট মাত্র ৩০০/= (মাত্র),
পাশাপাশি রোগ নির্ণয়ের জন্য সকল ইনভেস্টিগেশনের উপর ২৫-৩০% মূল্য ছাড়ের ব্যাবস্থা।

৩) ডায়বেটিস,হৃদরোগ,উচ্চরক্তচাপ,এজমা/শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি রুগীদের জন্য সপ্তাহে ১ দিন বিনামূল্যে শারীরিক চেক আপ।

৪)রেফারাল ব্যাবস্থা এবং বিশেষায়িত হাসপাতালে রুগীকে ভর্তি করতে হলে অত্র প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা।

৫)হেলথ কার্ড ধারী গ্রাহকদের জন্য গর্ভবতী নারীদের জন্য নারী চিকিৎসক দ্বারা নিয়মিত(সপ্তাহে ১ বার,প্রয়োজনে একাধিক বার) স্বাস্থ্য পরীক্ষা।

৬) মানসিক এবং মাদকাসক্ত রুগীদের জন্য প্রতি সপ্তাহে একবার অভিজ্ঞ সাইকিয়াট্রিস্ট এবং সাইকোলজিস্ট দ্বারা বিনামূল্যে কাউন্সেলিং সুবিধা।

৭)গর্ভবতী মায়েদের জন্য নিয়মিত চেকাপ।

৮)ডায়বেটিস-উচ্চ রক্তচাপব- হৃদরোগে আক্রান্তদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্য সুরক্ষা কার্ড।

৯)সকল প্রকার ল্যাবরেটরি ইনভেস্টিগেশনে ২৫-৩০% মূল্যছাড়।

সেবা নিন,সুস্থ থাকুন।
#হেলথ_এইড_ডক্টরস_কনসালটেশন_সেন্টার
৬৫/৭,মান্নান টাওয়ার(দ্বিতীয় তলা),মাটিকাটা বাজার।
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট,ঢাকা -১২০৬
ফোন: 01706-260752 (হোয়াটসঅ্যাপ)

আলহামদুলিল্লাহ, Health Aid Doctors Consultation Centre এর দ্বিতীয় শাখা:১৬৭ / ৭- বি, পূর্ব কাফরুল, কর্নার ভিউঢাকা -১২০৬ফো...
04/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ, Health Aid Doctors Consultation Centre এর দ্বিতীয় শাখা:
১৬৭ / ৭- বি, পূর্ব কাফরুল, কর্নার ভিউ
ঢাকা -১২০৬
ফোনঃ 01706260752( হোয়াটসঅ্যাপ)
(রুগী দেখার সময়ঃ সন্ধ্যা ৬টা হতে রাত ৯ টা পর্যন্ত।)

ডাঃ মোঃ দিদারুল আলম
এম.বি.বি.এস(ঢাকা)
এফ.সি.জি.পি
পিজিটি(মেডিসিন)
সি.সি.ডি(ডায়বেটোলজি,বারডেম)
এম.পি.এইচ ( অন কোর্স)
সি.এম.ইউ(আল্ট্রাসোনোগ্রাফি,সিমুড)
এডিকশন প্রফেশনাল ( ICAP-1)
মেম্বারঃ International society of substance use professional(ISSUP)

যেসকল রোগের জন্য পরামর্শ দেয়া হয়-
[মেডিসিন,নিউরো মেডিসিন,বাত-ব্যাথা,ডায়বেটিস,উচ্চরক্তচাপ,
হৃদরোগ,বক্ষ ব্যাধি,হরমোন,শিশু রোগ এবং মাদকাসক্তি এবং মাদকাসক্তি জনিত মানসিক সমস্যা রোগে অভিজ্ঞ ]

( #টাইফয়েড_ফিভার)ইদানীং বিভিন্ন এলাকায় প্রচুর পরিমাণে টাইফয়েডের রোগী পাওয়া যাচ্ছে হাসপাতালে এবং প্রাইভেট চেম্বারে। তাই এ...
01/05/2026

( #টাইফয়েড_ফিভার)

ইদানীং বিভিন্ন এলাকায় প্রচুর পরিমাণে টাইফয়েডের রোগী পাওয়া যাচ্ছে হাসপাতালে এবং প্রাইভেট চেম্বারে।
তাই একজন চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ববোধ থেকে এই রোগ সম্পর্কে কিছুটা সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য লিখছি।

★টাইফয়েড জ্বর স্যালমোনেলা টাইফি নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রমণে হয়ে থাকে।দূষিত খাবার ও পানির মাধ্যমে প্রধানত দেহে এই জীবাণু ছড়ায় এবং জ্বরসহ নানা ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়।

টাইফয়েড জ্বর বাংলাদেশে খুবই সচরাচর একটি রোগ। টাইফয়েড জ্বর স্যালমোনেলা টাইফি নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রমণে হয়ে থাকে। দূষিত খাবার ও পানির মাধ্যমে প্রধানত দেহে এই জীবাণু ছড়ায়। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার লোকজনের টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তস্রোতে ও অন্ত্রনালীতে এই ব্যাটটেরিয়া অবস্থান করে এবং দুষিত খাবার ও পানি গ্রহণের মাধ্যমে এই ব্যাকটেরিযা দেহে প্রবেশ করা জীবাণুগুলো গুণিতক আকারে বেড়ে গিয়ে রক্তস্রোতে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে জ্বরসহ নানা ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়। আজ আমরা জানব টাইফয়েড জ্বরের কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিকার সম্পর্কে।

★টাইফয়েড জ্বরের কারণ ও ছড়ানোর মাধ্যম:

টাইফয়েড একটি পানিবাহিত মারাত্মক রোগ যা দুই ধরনের জীবাণুর সংক্রমণে এই রোগ হয়ে থাকে। (১)‘সালমোনেলা টাইফি’ এবং (২) ‘সালমোনেলা প্যারাটাইফি’। সালমোনেলা টাইফির সংক্রমণে যে জ্বর হয় তাকে টাইফয়েড জ্বর বা ‘এন্টারিক ফিভার’ বলে। আর যদি জ্বর সালমোনেলা প্যারাটাইফির নামক জীবাণুর কারণে হয় তখন তাকে প্যারা টাইফয়েড জ্বর বলে। প্রধানত দূষিত পানি ও খাবার গ্রহণের মাধ্যমেই এই জীবাণু শরীরে প্রবেশ করে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার প্রতি উদাসীনতার কারণেও এটি শরীরে প্রবেশ করতে পারে। এছাড়াও টাইফয়েড জ্বর হতে আরোগ্য লাভ করেছেন কিন্তু এই ব্যাকটেরিয়া বহন করছেন এমন কিছু সংখ্যক ব্যক্তিও এই রোগের বাহক হতে পারে। যেভাবেই এই জীবাণু শরীরে শরীরে প্রবেশ করুক না ঢুকার পর তা বৃহদান্ত্রকে আক্রমণ করে। এছাড়া এই ব্যাকটেরিয়া শরীরের পিত্তথলিতে জমা থাকে এবং উপযুক্ত পরিবেশ পেলেই কেবল আক্রমণ করে

★টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণসমূহঃ

সাধারণত রোগ-জীবাণু শরীরে প্রবেশের ১০ থেকে ১৪ দিন পর রোগের লক্ষণ সমূহ প্রকাশ পেতে থাকে। জ্বর এ রোগের প্রধান লক্ষণ যা প্রথম চার-পাঁচ দিন জ্বর বৃদ্ধি পায় জ্বর কখনো বাড়ে, কখনো কমে; তবে কোনো সময় সম্পূর্ণ ছেড়ে যায় না।

★প্রধান প্রধান লক্ষণসমূহ নিম্নরুপঃ

১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত টানা জ্বর হওয়া।
জ্বরের সঙ্গে মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা ও শারীরিক দুর্বলতা দেখা দিতে পারে।
ক্ষুধামন্দা হওয়া সহ কারো কারো কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।
শিশুদের ক্ষেত্রে ডায়রিয়া ও বমি হতে পারে।
গা ম্যাজ ম্যাজ করা সহ রোগীর কফ বা কাশি হতে পারে ।
প্রচণ্ড পেটে ব্যথা অনুভূত হতে পারে।
দ্বিতীয় সপ্তাহে রোগীর পেটে ও পিঠে গোলাপি রঙের দানা দেখা দিতে পারে।
কারো কারো জ্বরের সঙ্গে কাশি হয়।
হার্ট রেট বা হৃদস্পন্দন কমে যেতে পারে।
ওষুধ চলা অবস্থায়ও সপ্তাহ খানেক জ্বর থাকতে পারে।

★টাইফয়েডের ঝুঁকি কাদের বেশি?

যেকোন বয়সেই টাইফয়েড হতে পারে, তবে শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। শরীরে জীবাণু প্রবেশ করলেই টাইফয়েড হবে এমন কোন কথা নাই কারণ দেহে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো থাকলে অনেক সময়ই জীবাণু দেহে সংক্রমণ করতে পারেনা। তবে কম রোগপ্রতিরোধক্ষমতা সম্পন্ন ব্যক্তি যেমন এইচআইভি পজিটিভ ও এইডস রোগীরা সহজেই টাইফয়েডে আক্রান্ত হতে পারে। যেসব এলাকায় এ রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি সেসব জায়গায় ভ্রমণ করলেও এ রোগের জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

★টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণসমূহঃ
সাধারণত রোগ-জীবাণু শরীরে প্রবেশের ১০ থেকে ১৪ দিন পর রোগের লক্ষণ সমূহ প্রকাশ পেতে থাকে। জ্বর এ রোগের প্রধান লক্ষণ যা প্রথম চার-পাঁচ দিন জ্বর বৃদ্ধি পায় জ্বর কখনো বাড়ে, কখনো কমে; তবে কোনো সময় সম্পূর্ণ ছেড়ে যায় না। এর প্রধান প্রধান ★লক্ষণসমূহ নিম্নরুপঃ
১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত টানা জ্বর হওয়া।
জ্বরের সঙ্গে মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা ও শারীরিক দুর্বলতা দেখা দিতে পারে।
ক্ষুধামন্দা হওয়া সহ কারো কারো কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।
শিশুদের ক্ষেত্রে ডায়রিয়া ও বমি হতে পারে।
গা ম্যাজ ম্যাজ করা সহ রোগীর কফ বা কাশি হতে পারে ।
প্রচণ্ড পেটে ব্যথা অনুভূত হতে পারে।
দ্বিতীয় সপ্তাহে রোগীর পেটে ও পিঠে গোলাপি রঙের দানা দেখা দিতে পারে।
কারো কারো জ্বরের সঙ্গে কাশি হয়।
হার্ট রেট বা হৃদস্পন্দন কমে যেতে পারে।
ওষুধ চলা অবস্থায়ও সপ্তাহ খানেক জ্বর থাকতে পারে।
কিভাবে টাইফয়েড জ্বর সনাক্তকরণ করা হয়?
পরীক্ষা নিরীক্ষার পর কেবল চিকিৎসকগণ বলতে পারবেন যে কারও টাইফয়েড জ্বর হয়েছে কিনা। টাইফয়েড দ্রুত সনাক্ত করার জন্য ব্লাড কালচার নামক রক্ত পরীক্ষা করতে হয়। যদি নমুনায় স্যালমোনেলা নামক ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি পাওয়া যায় তাহলে প্রকার ভেদে টাইফয়েড ও প্যারা- টাইফয়েড পার্থক্য করা হয়। এছাড়া জ্বর হওয়ার ২য় সপ্তাহে “উইডাল টেস্ট” নামে এক ধরনের ননস্পেসিফিক ব্লাড টেস্ট করতে হয় যাতে টাইটার দেখে টাইফয়েড নির্ধারণ করা হয়।

★টাইফয়েড জ্বরের চিকিৎসা পদ্ধতিঃ
প্রধানত এন্টিবায়োটিকের মাধ্যমে ডাক্তারগণ টাইফয়েড জ্বরের চিকিৎসা করে থাকেন। নির্দিষ্ট এন্টিবায়োটিক শুরুর পরও জ্বর কমতে পাঁচদিনও লেগে যেতে পারে। টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পরও দ্রুত চিকিৎসা না করলে জ্বর সপ্তাহ বা মাসব্যাপী থাকতে পারে। এছাড়া রোগী অন্যান্য জটিলতায় ভুগতে পারে। চিকিৎসার পাশাপাশি রোগীকে অধিক পরিমাণে তরল খাবার দেওয়া দরকার কারণ দীর্ঘস্থায়ী জ্বর এবং ডায়রিয়ার কারণে তাঁর শরীরে পানি স্বল্পতা দেখা দিতে পারে। তীব্র আকারে পানি শূন্যতা দেখা দিলে শিরাপথে ওষুধ প্রদানের মাধ্যমেও তরলজাতীয় খাবার প্রদান করা যেতে পারে। টাইফয়েডের রোগীকে পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে। জ্বর বেশি থাকলে পুরো শরীর ভেজা গামছা বা তোয়ালে দিয়ে মুছে দিতে হবে। অসুস্থতাকালীন সময়ে হারানো পুষ্টি পুনরুদ্ধারে উচ্চ ক্যালরি সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করা উচিত। প্রতিবার বাথরুম ব্যবহারের পর হাত পানি ও সাবান দিয়ে ভাল করে ধুয়ে ফেলতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ বিষয় হলো যতদিন পর্যন্ত চিকিৎসক এন্টিবায়োটিক গ্রহণের পরামর্শ দিবেন ততদিন পর্যন্ত তা গ্রহণ করতে হবে।

★টাইফয়েড জ্বর প্রতিরোধে করণীয়ঃ

চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী টাইফয়েড জ্বরের জন্য নির্ধারিত ভ্যাক্সিন (টিকা) গ্রহণ করা রোগটি থেকে বেঁচে থাকার একটি উপায়। ইনজেকশন এবং মুখে খাওয়ার উভয় ধরনের ভ্যাক্সিন বাজারে পাওয়া যায়। ভ্যাক্সিন গ্রহণ করার ব্যাপারে চিকিৎসককের পরামর্শ নেওয়া দরকার। সব সময় ভ্যাক্সিন ১০০% কার্যকর হয়না তাই ভ্যাক্সিনের পাশাপাশি নিম্নলিখিত পদক্ষেপসমূহ গ্রহণ করা দরকার।
শাকসবজি, ফলমূল এবং রান্নার বাসনপত্র সবসময় পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে নিতে হবে।
খাবার ভালভাবে রান্না বা সিদ্ধ করে তারপর খাওয়া উচিত।
খাবার গ্রহণ, প্রস্তত বা পরিবেশনের পূর্বে খুব ভালভাবে হাত ধৌত করতে হবে।
পর্যাপ্ত পরিমাণে ফুটানো পানি বা পরিশোধিত পানি সংরক্ষণ করতে হবে এবং পানি যাতে দূষিত হতে না পারে সে জন্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সংরক্ষণকৃত সেই পানি পান করা উচিত।
বোতলজাত, পরিশোধিত বা ফুটানো পানি হতে বরফ তৈরি করা না হলে সেই বরফ মিশিয়ে পানি বা অন্য কোন পানীয় পান করা হতে বিরত থাকতে হবে।
রাস্তার পার্শ্বস্থ দোকানের খাবার গ্রহণ এবং পানি পান করা থেকে বিরত থাকা উচিত।
টয়লেট সব সময় পরিষ্কার রাখতে হবে।
টয়লেট ব্যবহারের পর, শিশুকে পরিষ্কার করার পূর্বে, খাবার প্রস্তুত বা পরিবেশন করার পূর্বে, নিজে খাওয়ার পূর্বে বা শিশুকে খাওয়ানোর পূর্বে সাবান দিয়ে ভালভাবে হাত পরিষ্কার করতে হবে।

পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতাই টাইফয়েড থেকে বাঁচার মূলমন্ত্র। যারা নিয়মিত ভ্রমণ করেন তাদের প্রায়ই বিভিন্ন জায়গায় খেতে হয়। এসব এলাকায় বিশুদ্ধ পানি পান এবং স্বাস্থ্যসম্মত খাবার সবসময় নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না ফলে টাইফয়েডে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই টাইফয়েড প্রবণ এলাকা পরিদর্শন করলে বাইরের খাবার খাওয়া এবং পানি পান করার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।

পরামর্শ ও সচেতনতায়
Dr. Md. Didarul Alam
MBBS
(Sher-E-Bangla medical College,Barishal)
FCGP,
PGT(medicine),
CCD(Birdem),
MPH( on course)
Addiction professional (ICAP1)
Member - International society of substance use professional(ISSUP)

Chamber 1:
চেম্বারঃ Health Aid Doctors Consultation Centre
মান্নান টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায়।
মাটিকাটা বাজার,ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট,ঢাকা - ১২০৬
#এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য ফোনঃ
01706-260752 (WhatsApp)

Chamber 2:
"Sober Life De-Addiction Centre"
Section -06, Block -D, Road -12, House-03
Mirpur-1216
Ph: 01706260752

  #মাদকাসক্ত রোগের জন্য কেনো গ্রহণ করতে হবে বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা?মনের ক্ষতি-মাদকের প্রভাবে মূলত ক্ষতিগ্রস্ত হয় মস্তিষ্কের ক...
15/04/2026


#মাদকাসক্ত রোগের জন্য কেনো গ্রহণ করতে হবে বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা?

মনের ক্ষতি-
মাদকের প্রভাবে মূলত ক্ষতিগ্রস্ত হয় মস্তিষ্কের ক্ষমতা। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় মানসিক প্রক্রিয়া যেমন : প্রত্যক্ষণ, আবেগ, চিন্তা, প্রেষণা, স্মরণশক্তি ইত্যাদি। আচরণে ফুটে ওঠে অস্বাভাবিকতা। ছাত্রছাত্রীরা অমনোযোগী হয়ে যেতে পারে, অমনোযোগিতার কারণে স্মৃতির ভিতও দুর্বল হয়ে যেতে পারে। মেজাজ চড়া থাকতে পারে, অস্থিরতায় ডুবে গিয়ে পড়াশোনা ও কর্মদক্ষতা হারিয়ে ফেলতে পারে। উদ্যমের অভাবে তারা অলসতায় কাবু হয়ে যেতে পারে। মনের প্রধান একটি স্তম্ভ আবেগ নিয়ন্ত্রণহীনতার কারণে উগ্র মেজাজের বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। ডিপ্রেশন কিংবা ম্যানিয়ার মতো মানসিক রোগে আক্রান্ত হতে পারে, অ্যাংজাইটি ডিজঅর্ডার হতে পারে।

প্রত্যক্ষণ ও চিন্তায় জট তৈরি হওয়ার কারণে সিজোফ্রেনিয়ার মতো মানসিক রোগও দেখা দিতে পারে।
আসক্তদের আত্মহত্যার প্রবণতাও বেড়ে যায়, এমনকি ব্যক্তিত্বেরও বিপর্যয় ঘটে। তারা হিংস্র হয়ে যায়, পাষন্ড, নির্মম-নিষ্ঠুর হয়ে খুন করতে পারে আপন সন্তান ও স্ত্রীকে। এমনকি মা-বাবাকেও। পারিবারিক সহিংসতার একটা বড় কারণ মাদক। তারা সন্দেহপ্রবণ হয়ে যেতে পারে। সন্দেহের কারণে খুনোখুনি করতেও দ্বিধাবোধ করে না। সামাজিক ক্ষতি বিপর্যয় নেমে আসে নেশাখোরদের সামাজিক জীবনে। পারিবারিক শান্তি হারিয়ে যায়। মায়া-মমতা-ভালোবাসা পুড়ে যাওয়ার কারণে বড়দের প্রতি শ্রদ্ধা, ছোটদের প্রতি আদর, কিছুই অবশিষ্ট থাকে না। বিবাহিত জীবনের মূল অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।

তবে এদের বাইরের ঝকমারি খোলস অনেক সময় বিপরীত লিঙ্গের মানুষকে মোহগ্রস্ত করে। পুড়ে ছারখার করে দেয় প্রেমিক-প্রেমিকার জীবন। নেশাসক্তদের কারণে সামাজিক নিরাপত্তার বিপর্যয় ঘটে। এই নিরাপত্তাহীনতা সাধারণ মানুষের মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার একটি বড় কারণ। আসক্তির কারণে রোগী বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ড থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেয়, দাওয়াতে যায় না কিংবা ঘরে মেহমান এলে তার কোনো ভাবান্তর ঘটে না। সবাইকে এড়িয়ে চলে। তবে আসক্তদের সাহচর্যে ভালো থাকে সে। তাদের মাঝেই সময় কাটাতে উদগ্রীব থাকে। নতুন বন্ধুসার্কেল গড়ে তোলে। নেশাখোররা সহজে ঢুকে যায় অপরাধ জগতে। মাদক ব্যবসার সঙ্গেও জড়িয়ে পড়ে, ক্রমে নিরপরাধ যুবসমাজকে বাগে এনে এরা দলে ভেড়ায়।

মাদকাসক্তি রোগ অথবা মাদকাসক্তি জনিত মানসিক সমস্যায় উন্নত বিশ্বের Drug abuse advisory program এর আদলে আমরা "Sober Life" D-addiction centre আছি মাদকের নিকট অসহায় হয়ে যাওয়া মানুষটি এবং তার অসহায় পরিবারের পাশে সবসময়।

Dr. Md. Didarul Alam

Chamber 1:(আউটডোর কাউন্সেলিং এবং চিকিৎসা সেবা পরামর্শ প্রদানের জন্য)
#হেলথ_এইড_ডক্টরস_কনসালটেশন_সেন্টার
Health Aid Doctors Consultation Centre
মান্নান টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায়, মাটিকাটা বাজার
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা -১২০৬
ফোনঃ 01706-260752 ( হোয়াটসঅ্যাপ)

Chamber 2:(ভর্তিকৃত রুগীদের জন্য)
"Sober Life De-Addiction Centre"
Section -06, Block -D, Road -12, House-03
Mirpur-1216
Ph: 01706-260752( হোয়াটসঅ্যাপ)

আপনার অথবা আপনার আপনজন যেকারো শারীরিক এবং মানসিক চিকিৎসা এবং অসুস্থতায়- #হেলথ_এইড_ডক্টরস_কনসালটেশন_সেন্টার ৬৫/৭,মান্নান ...
11/04/2026

আপনার অথবা আপনার আপনজন যেকারো শারীরিক এবং মানসিক চিকিৎসা এবং অসুস্থতায়-

#হেলথ_এইড_ডক্টরস_কনসালটেশন_সেন্টার

৬৫/৭,মান্নান টাওয়ার(দ্বিতীয় তলা)
মাটিকাটা বাজার,ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট,ঢাকা -১২০৬
ফোনঃ 01706260752(হোয়াটসঅ্যাপ)

 #মাদকাসক্তি রোগের চিকিৎসা ধরণ ও পদ্ধতি : মাদক নির্ভরশীলতাকে বলা হয় একটি জটিল পুনঃ আসক্তিমূলক মস্তিস্কের রোগ বা A chroni...
28/03/2026

#মাদকাসক্তি রোগের চিকিৎসা ধরণ ও পদ্ধতি :

মাদক নির্ভরশীলতাকে বলা হয় একটি জটিল পুনঃ আসক্তিমূলক মস্তিস্কের রোগ বা A chronic relapsing brain disease যা বারবার হতে পারে। অর্থাৎ একজন মাদক নির্ভরশীল ব্যক্তি চিকিৎসা গ্রহণের পরেও একাধিকবার মাদক গ্রহণ শুরু করতে পারে।

সঠিক চিকিৎসা ও পরিচর্যার মধ্যদিয়ে একজন মাদক নির্ভরশীল ব্যক্তি সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবন-যাপন করতে পারে এবং মাদক থেকে দূরে থাকতে পারে। মাদক গ্রহণজনিত রোগকে অনেক সময় ডাইবেটিস বা হৃদরোগের সাথে তুলনা করা হয় কারণ যে ব্যক্তির একবার ডাইবেটিস বা হৃদরোগ হয় তার সারা জীবন কিছু বিধি-নিষেধ বা ব্যবস্থাপনার মধ্যে থাকতে হয়। ঠিক তেমনি মাদক নির্ভরশীলতার চিকিৎসার পরেও রোগীকে কিছু বিধি-নিষেধ বা ব্যবস্থাপনার মধ্যে থাকতে হয়।

একজন মাদক নির্ভরশীলকে মাদকমুক্ত করতে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদী সমন্বিত চিকিৎসা ব্যবস্থা। কারণ একজন মাদক নির্ভরশীল ব্যক্তি শারীরিক, মানসিক ও পারিবারিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং দীর্ঘদিন মাদক গ্রহণের কারণে অনেকেরই আচরণ ও মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটে থাকে বিধায় তাকে মাদকমুক্ত থাকতে হলে তার আচরণ ও চিন্তা- চেতনার পরিবর্তন প্রয়োজন। আচরণ পরিবর্তন একটি কষ্টসাধ্য বিষয় হলেও মাদকমুক্ত থাকার সাথে আচরণ পরিবর্তন গভীরভাবে জড়িত।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা কেন্দ্রগুলোর চিন্তা ও আচরণ পরিবর্তনকে গুরত্বের সাথে মাদক চিকিৎসার সাথে সম্পৃক্ত করেছে। এজন্য চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কার্যক্রমের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত একজন নির্ভরশীল ব্যক্তির দৈহিক চিকিৎসার পাশাপাশি আচরণ পরিবর্তন, নৈতিক গুণাবলী শিক্ষা প্রদান এবং এমনভাবে সুস্থ করে তোলা যাতে সে জীবনের সাধারণ সমস্যার মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়। রোগীদের আচরণ পরিবর্তন ও সমস্যা মোকাবেলার জন্য তাদের জীবন দক্ষতামূলক প্রশিক্ষণ খুবই জরুরী। যা দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া ছাড়া সম্ভব নয়। এছাড়া রোগীরা জীবনের ভুলক্রুটিগুলো কাটিয়ে উঠার জন্য, সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য, পরিবারের সদস্যদের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন ও ব্যক্তিগত মানসিক উৎকর্ষতা সাধনের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত দক্ষ কাউন্সেলরের অধীনে কাউন্সেলিং গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

★অ্যাসেসমেন্ট (রোগ নির্ণয়) :

যে কোন চিকিৎসায় অ্যাসেসমেন্ট একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। রোগ নির্ণয় ছাড়া রোগের পরিপূর্ণ চিকিৎসা কখনো সম্ভব না। পরিপূর্ণ ও ফলোপ্রসু চিকিৎসা পেতে হলে রোগীর সমস্যা ও সমস্যা সম্পর্কিত সার্বিক তথ্য সেবাপ্রদানকারী বিশেষজ্ঞের জানা অত্যন্ত জরুরী । মাদক নির্ভরশীল ব্যক্তির পরিপূর্ণ চিকিৎসায়ও সঠিক অ্যাসেসমেন্ট বা সমস্যা নির্ণয় অত্যন্ত জরুরী।
তাই মাদক নির্ভরশীল ব্যক্তির সঠিক চিকিৎসার লক্ষ্যে আমরা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ও স্বীকৃত অ্যাসেসমেন্ট ফরমের মাধ্যমে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দক্ষ কাউন্সেলর দ্বারা ব্যক্তির রোগ / সমস্যা সম্পর্কিত অ্যাসেসমেন্ট করা হয়। উল্লেখ্য এখানে শুধু মাদক নির্ভরশীল ব্যক্তির তথ্য নেয়া হয় না তার পরিবারের কাছ থেকেও তার বিষয়ে তথ্য নেয়া হয় কারণ একটি সঠিক ও বাস্তবধর্মী চিকিৎসা পরিকল্পনায় ব্যক্তি ও তার পরিবারের তথ্য অত্যন্ত জরুরী । কাউন্সেলর অত্যন্ত দক্ষতা ও পেশাগত সম্পর্ক বজায় রেখে এই অ্যাসেসমেন্ট কাজটি করে থাকেন।

★চিকিৎসা পরিকল্পনা:

রোগীর এ্যাসেসমেন্ট এরপর কাউন্সেলর এবং রোগী যৌথভাবে চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরী করেন। পরবর্তীতে কাউন্সেলর, রোগী এবং অভিভাবকসহ চিকিৎসা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। চিকিৎসাকালীন সময়ে প্রয়োজনে সবার মতামত অনুসারে চিকিৎসা পরিকল্পনা পরিবর্তন করা হয়।

★ডিটক্সিফিকেশন (নির্বিষকরণ) ও শারিরীক চিকিৎসা:

ভর্তির প্রথম ১৪ দিন ডিটক্সিফিকেশন বা নির্বিষকরণের সময় ধরা হয় এই সময় রোগী সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকে। শারিরীক চিকিৎসা শুধু উইথড্রল ম্যানেজমেন্টের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
ভর্তি পরবর্তী সময়ে রোগীর মানসিক ও শারিরীক রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা প্রদান করে থাকে। ডিটক্সিফিকেশন বা নির্বিষকরণের মেয়াদ ১৪ দিন হলেও কখনো কখনো এর ব্যতিক্রম ঘটে সে ক্ষেত্রে চিকিৎসকের অধীনে চিকিৎসা অব্যাহত থাকে।

দীর্ঘদিন মাদকদ্রব্য নেওয়ার ফলে শরীরে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান প্রবেশ করে। মূলত এই রাসায়নিক উপাদান গুলো ব্যক্তির শারীরিক ও মানসিক বিভিন্ন ধরনের মারাত্মক ক্ষতি হয় । অর্থাৎ এই সময়ে তার শরীর থেকে মাদকের রাসায়নিক উপাদান গুলো আস্তে আস্তে রেব হওয়া শুরু করে এবং এ সময়ে ব্যক্তির মধ্যে মারাত্মক মাদক প্রত্যাহারজনিত উপসর্গ যেমন: অস্থিরতা, আচরণের অস্বাভাবিকতা দেখা দেয় তখন তার নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও সহযোগিতার প্রয়োজন হয় ।

তাই আমরা সেবাগ্রহীতার মাদক প্রত্যাহারজনিত উপসর্গ মাথায় রেখে আমরা ভর্তির পর থেকেই প্রত্যেক সেবাগ্রহীতাকে এই ডিটক্সিফিকেশন সময়ে অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও কাউন্সেলর দ্বারা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখার ব্যবস্থা করি যাতে এই সময় সে ভালোভাবে তার অস্থিরতা ও কষ্টের সাথে মোকবেলা করতে পারে।
উল্লেখ্য এই সময়ে তাদের ২৪ ঘন্টা পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়।

★মানসিক রোগের চিকিৎসা :

সব মাদক নির্ভরশীল ব্যক্তি (পুরুষ/নারী) মানসিক ভাবে সমস্যাগ্রস্থ নয়। তবে মাদক নির্ভরশীলদের মধ্যে মানসিক রোগীর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই মানসিক রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা খুবই জরুরী। এজন্য মিশন পরিচালিত কেন্দ্রসমূহে মাদক নির্ভরশীল বিষয়ে দক্ষ মনো-চিকিৎসকের অধীনে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা সেবা প্রদান করে থাকে। মানসিক রোগের চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদী হয়ে থাকে বিধায় কাঙ্খিত সাফল্য পেতে ধৈর্য্য ধারণ করতে হয় এবং চিকিৎসকের পরামর্শ।

★কাউন্সেলিং সেবা :

মাদক নির্ভরশীলদের চিকিৎসা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে হবে যাতে সে চিকিৎসার মেয়াদ সম্পূর্ণ করতে পারে ও মাদকমুক্ত থাকার জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে। এজন্য আমরা রোগীর মানসিক সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ধারাবাহিক কাউন্সেলিং প্রদান করে থাকি এবং এই কাউন্সেলিং শুধুমাত্র চিকিৎসাকালীন সময়ের জন্য নয় চিকিৎসা পরবর্তীতেও এর ধারাবহিকতা বজায় রাখতে পরামর্শ প্রদান করে থাকে।
প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কাউন্সেলরগণ যে সকল পদ্ধতি ব্যবহার করে তা হলো সিবিটি বা কগনেটিভ বিহেভিয়ার থেরাপি (অবহিতিমূলক আচরণ ভিক্তিক চিকিৎসা) বা অন্যান্য বিহেভীয়ার থেরাপী, মটিভেশনাল ইন্টারভিউ (এমআই), কন্টিনজেন্সি ম্যানেজমেন্ট (রোগীকে শর্তসাপেক্ষে প্রণোদনা প্রদানের মাধ্যমে উৎসাহিত করা এবং চিকিৎসায় সম্পৃক্ত রাখা) ইত্যাদি। এক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুসারে একক কাউন্সেলিং, গ্রুপ কাউন্সেলিং, গ্রুপ থোরাপী প্রদান করা হয়ে থাকে।

★মনো-সামাজিক শিক্ষা ও জীবন দক্ষতামূলক প্রশিক্ষণ :

আমরা জানি, মাদক নির্ভরশীলতার কারণে একজন ব্যক্তি জীবন পরিচালনার দক্ষতাসমূহ হারিয়ে ফেলে। এই সমস্যা থেকে বের হয়ে আসার অন্যতম প্রক্রিয়া হচ্ছে মনো-সামাজিক শিক্ষা। মনো-সামাজিক শিক্ষা পদ্ধতির মাধ্যমে একজন ব্যক্তি সামাজিক পরিবেশের সম্ভাব্য নেতিবাচক পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নিতে পারে। এজন্য মনো-সামাজিক শিক্ষা ও জীবন দক্ষতামূলক প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে মাদক নির্ভরশীল ব্যক্তির ক্ষমতায়ন, চাপ নিয়ন্ত্রণ, যোগাযোগ, সমস্যা সমাধানের ও পরিকল্পনা বিষয়ক দক্ষতা, মাদক গ্রহণের ক্ষতি, মাদক নির্ভরশীলতা ও মানসিক রোগ, কি ভাবে মাদকমুক্ত থাকা যায়, রাগ ও আবেগ নিয়ন্ত্রণ, এইচআইভি/এইডস ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে ধারণা প্রদান করে থাকে।

★নারকটিক্স এনোনিমাস (এন এ) মিটিং :

বিশ্বে বিভিন্ন ধরনের সেলফ হেলফ গ্রুপ আছে তাদের মধ্যে নারকটিক্স এনোনিমাস বা এন.এ এক ধরনের সেলফ হেলফ গ্রুপ। নারকটিক্স এনোনিমাস (এন এ) মাদক নির্ভরশীলদের চিকিৎসার বিভিন্ন পদ্ধতির মধ্যে একটি পদ্ধতি। সুস্থতা প্রাপ্ত মাদক নির্ভরশীলদের নিজেদের সুস্থতাকে দীর্ঘায়িত করার জন্য এবং অন্য মাদক নির্ভরশীলদের সাহায্য করার মধ্যে দিয়ে নিজে সাহায্য গ্রহণ করাই সেলফ হেলফ গ্রুপ প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য। যার যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৫৩ সালে আমেরিকায় যা বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ১৩১টি দেশে এই কর্মসূচি চলমান আছে। যে সমস্ত রোগী স্বেচ্ছায় ভালো হতে চায় ও ভালো থাকতে চায় (“a desire to stop using”) তাদের জন্য এই পদ্ধতি উপযোগী।
নারকটিক্স এনোনিমাসে মূলত অনুসরণ করা হয় বারোটি ধাপ। কোন অসুস্থ ব্যক্তি নিজেকে সুস্থ করার জন্য এই বারো ধাপে কাজ করেন। এই ধাপগুলির মধ্যে রয়েছে আসক্তিজনিত সমস্যাকে স্বীকার করা, সাহায্য প্রার্থনা করা, নিজেকে মূল্যায়ন করা, গোপনীয়তা রক্ষা করে ব্যক্তির স্ব-উন্মোচন করা, মাদক গ্রহণকালীন সময়ে সে যে ক্ষতি করেছে তা পূরণের জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং অন্য মাদক নির্ভরশীল ব্যক্তি যারা সুস্থ হতে চায় তাদের সহযোগীতা করার মাধ্যমে নিজে সুস্থ থাকা। যারা এই কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত হতে চায় তাদের সর্বশক্তিমান সৃষ্টিকর্তার প্রতি দৃঢ় আস্থা থাকা চাই।

যারা দীর্ঘদিন যাবত সুস্থ আছে তারা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে নবাগতের সুস্থ হতে সহায়তা করেন। কোন কোন গ্রুপ বা দল আছে তারা বার ধাপের পাশাপাশি যারা সুস্থ আছে তাদের জন্য সুস্থ থাকার বর্ষপূতি সহ বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান করে থাকে। প্রতিটি সদস্যের ব্যক্তিগত তথ্যসহ সকল বিষয়ে গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়।নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসায় থাকা কালীন ও চিকিৎসা পরবর্তীতে এনএ মিটিং এ অংশগ্রহণ করতে পারে।

★চিকিৎসা পরবর্তী সেবা ও পরিচর্যা:

মাদক নির্ভরশীলতা একটি জটিল, পুন:আসক্তি মূলক মস্তিস্কের রোগ বা A chronic relapsing brain disease হিসেবে বিশ্বে পরিচিত এবং এটিকে স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়া হিসেবে ধরা হয়। মাদক নির্ভরশীলরা চিকিৎসা পরবর্তী সময়ে সুস্থ থাকার জন্য বেশ কঠোর চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয় যা তাদের জন্য পুন:আসক্তির প্রতি আগ্রহ সৃষ্টির পরিবেশ তৈরি করতে পারে। যার জন্য চিকিৎসা কেন্দ্রের সেবা গ্রহণের পাশাপাশি চিকিৎসা পরবর্তী সময়ে চিকিৎসা কেন্দ্রের সাথে যোগাযোগ রক্ষা ও প্রয়োজনীয় সেবা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরী।

চিকিৎসা পরবর্তী সেবা হিসেবে রোগীরা এন এ মিটিং, কাউন্সিলিং এবং সেন্টার/নিরাময় কেন্দ্র সমূহ আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারে। এছাড়া মনে রাখতে হবে –

পরিবর্তন একটি চলমান প্রক্রিয়া
ক্নিয়ন্ত্রিত ও শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবন যাপন করা জরুরী

★রোগীর ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা :

আমরা(Sober Life De-addiction centre) মনে করে চিকিৎসা সেবার সাথে সম্পৃক্ত পেশাজীবীদের পেশাগত মান ও দক্ষতার সাথে সাথে রোগীর তথ্যাবলীর গোপনীয়তা বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রোগীর ব্যক্তিগত, সামাজিক পরিচয়, অসুস্থতা, পারিবারিক বিষয় ও চিকিৎসা সংক্রান্ত সকল বিষয়েরই গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়। দেশের আইনের পরিপন্থী নয় রোগীর জীবনের এমন কোন ঘটনা, ভবিষ্যতের পরিকল্পনা, সম্পর্ক ইত্যাদি বিষয়গুলিও গোপনীয়তার অন্তর্ভূক্ত।

মাদকাসক্তি এবং মাদকাসক্তি জনিত মানসিক সমস্যায় -
Dr. Md. Didarul Alam
MBBS
(Sher-E-Bangla medical College,Barishal)
FCGP,
PGT(medicine),
CCD(Birdem),
Addiction professional (ICAP1)
Member - International society of substance use professional(ISSUP)

চেম্বার-১:
#হেলথ_এইড_ডক্টরস_কনসাল্টেশন_সেন্টার

৬৫/৭,মান্নান টাওয়ার(দ্বিতীয় তলা)
মাটিকাটা বাজার,ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট,ঢাকা -১২০৬
ফোনঃ 01706260752(হোয়াটসঅ্যাপ)

চেম্বার -২:
"Sober Life De-Addiction Centre"
Section -06, Block -D, Road -12, House-03
Mirpur-1216
Ph: 01706260752(হোয়াটসঅ্যাপ)

ঈদুল ফিতরের মহিমায় সকলের জীবনে বয়ে আনুক সুস্বাস্থ্য এবং সুস্থতা।আপনাদের সেবায় আমরা আজও রয়েছি আপনার পাশে আপনার যেকোনো অসু...
21/03/2026

ঈদুল ফিতরের মহিমায় সকলের জীবনে বয়ে আনুক সুস্বাস্থ্য এবং সুস্থতা।আপনাদের সেবায় আমরা আজও রয়েছি আপনার পাশে আপনার যেকোনো অসুস্থতায়।
ঈদ মুবারক।
শুভেচ্ছান্তে,
Dr. Md. Didarul Alam
Managing Director
Health Aid Doctors Consultation Centre
৬৫/৭,মান্নান টাওয়ার(দ্বিতীয় তলা)
মাটিকাটা বাজার,ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট,ঢাকা -১২০৬
ফোনঃ 01706260752(হোয়াটসঅ্যাপ)

Health Aid Doctors Consultation Centre এর পক্ষ হতে সবাইকে জানাই ঈদের শুভেচ্ছা।ঈদ মুবারক 💜
20/03/2026

Health Aid Doctors Consultation Centre এর পক্ষ হতে সবাইকে জানাই ঈদের শুভেচ্ছা।ঈদ মুবারক 💜

 #গ্যাং_কালচার  #কিশোর_অপরাধ   কিশোর বয়স হলো একজন মানুষের আত্নপ্রকাশের বয়স। এই আত্মপ্রকাশের চাহিদা তাকে কৌতূহল প্রিয় করে...
16/03/2026

#গ্যাং_কালচার #কিশোর_অপরাধ
কিশোর বয়স হলো একজন মানুষের আত্নপ্রকাশের বয়স।

এই আত্মপ্রকাশের চাহিদা তাকে কৌতূহল প্রিয় করে তুলে। কৌতুহলের বশে নতুন কিছু জানতে চায়, শিখতে চায়। এই নতুন কিছু জানা ও বুঝার জন্যে তারা নিজের অজান্তে কিশোর অপরাধে জড়িয়ে পরে। চুরি, হত্যা, আত্মহত্যা, ধর্ষণ, ছিনতাই, পকেটমার, মাদকসেবন ও ইভটিজিং থেকে শুরু করে এমন সব লোমহর্ষক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে কিশোররা যুক্ত হচ্ছে- যা অকল্পনীয়।

কিশোর বয়সে কিছু কিশোর নেতিবাচক ধ্যানধারণা প্রসুত হয়ে নিজেকে অন্যের থেকে আলাদা করার অথবা অন্যের চেয়ে স্মার্ট করে তুলতে নিজের মনের অজান্তেই শুরু করে গ্যাং কালচার।

এই গ্যাং কালচারে যুক্ত হয়ে তারা জড়িয়ে পরছে মাদকের ভয়াল গ্রাসে!

আর মাদকাসক্ত ব্যক্তির কোনো হিতাহিত জ্ঞান থাকে না। তারা একে তো মাদক গ্রহণ করে অপরাধ করেই, আবার মাদকের জন্যই জড়িয়ে পরে আরো অনেক অপরাধে।

কিছুদিন আগে কিশোরদের গ্যাং কালচার নিয়ে একটি ডকুমেন্টারি তৈরি করতে যেয়ে দেখলাম আমাদের সমাজে যৌথ পারিবারিক ব্যাবস্থার বিলোপ,পিতা অথবা মাতার বা উভয়ের ক্যারিয়ারে ফোকাস করতে যেয়ে প্রায়ই আমরা খোজখবর রাখতে পারি না আমাদের সন্তান কার সাথে মিশছে,কি করছে আমাদের চোখের অগোচরে!

যার ফলশ্রুতিতে আমাদের সন্তানরা জড়িয়ে পরছে গ্যাং কালচারে।

যেসব কিশোর গ্যাংস্টার হওয়ার রোমাঞ্চে মেতে সিনেমার খলনায়কের মতো বাহাদুরি দেখাতে যায়, তারা ক্রমেই অপরাধের মারাত্মক সব পর্যায়ে জড়িয়ে যেতে থাকে। এরাই প্রতিশোধ, জিঘাংসায় লিপ্ত হয়, অস্ত্র চালাতে পারে, খুনকে অপরাধের চেয়ে বাহাদুরি হিসেবে গণ্য করতে শেখে। আইন, নিয়ম, বিধান ভাঙার মধ্যেও হিরোইজমের তৃপ্তি খোঁজে।

বিপথগামীদের এই দল উত্তেজনার খোরাক বা বিধি ভাঙার রসদ হিসেবে নেশায় মাতে, দল বেঁধে অপরাধ করে, এক অপরাধের সূত্র ধরে অপরাধের চক্র তৈরি হয়, অপরাধের সূত্রেই তারা পরস্পরের ঘনিষ্ঠ হয়। আবার কখনো স্বার্থের দ্বন্দ্বে জড়ায়, তাতে মারামারি-খুনোখুনি হতেই থাকে। আরেক দলের ঝুঁকি নেওয়ার দুঃসাহস থাকে না, কিন্তু অপরাধপ্রবণতার জ্বালা তাদের ভোগায় এবং অনেকেই ডুবে যায় হতাশায়, তারা মাদকে আকৃষ্ট হতে পারে।

অপর একটি দলকে মহৎ আদর্শের খোরাক জোগাচ্ছে ধর্মীয় জঙ্গিবাদী গোষ্ঠীগুলো। পশ্চিমের ভ্রান্ত নীতির ফলে মুসলিমদের মধ্যে প্রচণ্ড ক্ষোভ ও হতাশার আবেগ তৈরি হয়েছে। কিশোর-তরুণেরা জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসে জড়াচ্ছে, মূল প্রতিপক্ষকে চিনতে না পেরে এবং তার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ধরন ঠিক করতে না পেরে খুন-জখমের মতো অপরাধে জড়িয়ে যাচ্ছে।

ছেলেমেয়েদের সুষ্ঠু বিকাশের জন্য সমাজে চাই নানান গঠনমূলক কাজে অংশগ্রহণের সুযোগ।

যথাযথ অভিভাবকত্ব বা পজিটিভ প্যারেন্টিং কিন্তু শেখার বিষয়।

সন্তানকে সময় ও সঙ্গ দিতে হবে, বয়ঃসন্ধিকালে তাদের চলাফেরা, সঙ্গীদল, আচরণ, কথাবার্তার দিকে বিশেষভাবে মনোযোগ দিতে হবে। স্কুলে তাদের আনন্দময় সৃজনশীল চর্চার অবকাশ দিতে হবে। সমবয়সীদের সঙ্গে সুস্থ বিনোদন, নির্মল আনন্দ ও সৃজনশীল দলীয় কাজে উৎসাহ দিতে হবে।তাদের বোঝাতে হবে সমাজের প্রচলিত নিয়মের বাহিরে যাওয়া স্মার্টনেস না,বরং নিয়মের মধ্যে ইতিবাচক ভাবে নিজেকে গড়ে তোলাই তার জীবনের সাফল্য।

আজকের বিপদগামী বন্ধুদের পাল্লায় পরে তারা যেভাবে ধ্বংস করে দিচ্ছে নিজেদের এবং সমাজকে তার ফলশ্রুতিতে তারা একসময় নিঃসঙ্গতায় ভুগবে,কেউ পাশে এসে দাঁড়াবে না।

আমি প্রায়ই আমার রুগীদের একটা কথা বলি-
"জানালার ওপাশ থেকে তোমার বিপদগামী বন্ধুরা তোমাকে ডাকে,যাদের সঙ্গ পেয়ে আজ তুমি নিঃসঙ্গতায় ডুবে আছো!"

আপনার সন্তানের আচরণে পরিবর্তন অথবা সন্দেহজনক কিছু পেলে আপনি একজন এক্সপার্ট প্রফেশনাল এর স্মরনাপন্নও হতে পারেন।

ইতিবাচক সমাজ গড়তে আমরা আছি আপনার পাশে সবসময়।

If you, or someone who know is in a crisis for substance abuse(Drug addiction) &
For any kind of psychological disturbance or counselling session we are here...

Dr. Md. Didarul Alam

Chamber:1-
#হেলথ_এইড_ডক্টরস_কনসালটেশন_সেন্টার

৬৫/৭,মান্নান টাওয়ার(দ্বিতীয় তলা)
মাটিকাটা বাজার,ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট,ঢাকা -১২০৬
ফোনঃ 01706260752(হোয়াটসঅ্যাপ)

Chamber:2 -
"Sober Life De- Addiction centre "
Section -06,Block -D,Road -12,House-03
Mirpur-1216
Ph- 01706-260752

Health Aid Doctors Consultation Centre এর নতুন সংযোজন এবং সেবার একটি অংশ হলো টেলি মেডিসিন সার্ভিস।জরুরি অবস্থা এবং প্রয়ো...
12/03/2026

Health Aid Doctors Consultation Centre এর নতুন সংযোজন এবং সেবার একটি অংশ হলো টেলি মেডিসিন সার্ভিস।জরুরি অবস্থা এবং প্রয়োজনে অনেক সময় সরাসরি রুগীকে চিকিৎসকের চেম্বারে বা হাসপাতালে নেয়া সম্ভব হয় না।আবার অনেক সময় বার্ধক্যজনিত কারনেও অনেক সময় সরাসরি রুগীকে চিকিৎসক এর চেম্বারে নেয়া দুর্বিষহ বা কঠিন হয়ে থাকে....
এমতাবস্থায় #হেলথ_এইড_ডক্টরস_কনসাল্টেশন আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছে টেলি মেডিসিন বা অনলাইনে স্বাস্থ্যসেবা পরামর্শর সুযোগ।

অনলাইন বা টেলি মেডিসিন সার্ভিস পেতে নিচের দেয়া হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে ফোন করে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের এপয়েন্টমেন্ট নিলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট রোগের উপর অভিজ্ঞ এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।
হোয়াটসঅ্যাপে ভিডিও বা অডিও কল এর মাধ্যমে আপনি পাবেন চিকিৎসা সেবা পরামর্শ।

এছাড়াও সরাসরি যেকোনো অসুস্থতা তে স্বল্প ভিজিটে আপনি পাচ্ছেন আন্তরিক এবং অভিজ্ঞ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের স্বাস্থ্যসেবা পরামর্শ।

#হেলথ_এইড_ডক্টরস_কনসালটেশন_সেন্টার

৬৫/৭,মান্নান টাওয়ার(দ্বিতীয় তলা)
মাটিকাটা বাজার,ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট,ঢাকা -১২০৬
ফোনঃ 01706260752(হোয়াটসঅ্যাপ)

(বি:দ্র: কমেন্টে আমাদের অভিজ্ঞ এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দের তালিকা দেয়া হলো।)

Address

65/7, Cloud-9, Mannan Tower, 1st Floor, Matikata Bazar
Dhaka
1206

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Health Aid Doctors Consultation Centre posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share