Diet planet of Dt.Tapati Saha

Diet planet of Dt.Tapati Saha Senior Clinical Dietician SQUARE Hospital
Diet Consultant at Square Hospital Gulshan Centre.
(1)

আমাদের জীবনযাত্রা কেমন দ্রুত হয়ে উঠেছে—ব্যস্ততা, কাজের চাপ, পারিবারিক দায়িত্ব, এবং নানা সামাজিক বিষয় সব মিলিয়ে আমরা প্রা...
31/01/2026

আমাদের জীবনযাত্রা কেমন দ্রুত হয়ে উঠেছে—ব্যস্ততা, কাজের চাপ, পারিবারিক দায়িত্ব, এবং নানা সামাজিক বিষয় সব মিলিয়ে আমরা প্রায়ই খাবারের দিকে তেমন মনোযোগ দিতে পারি না। কিন্তু সঠিক পুষ্টি গ্রহণ করা শুধু শরীরের সুস্থতা নয়, মানসিক স্বাস্থ্য, শক্তি, এবং দৈনন্দিন কার্যকলাপের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কারণে, কিছু সহজ এবং কার্যকরী স্বাস্থ্যকর খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি, বিশেষত যখন সময় কম এবং চাপ বেশি থাকে।
এখানে আমি কিছু গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট নিয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনা করব যা আপনাকে একটি ব্যস্ত জীবনে স্বাস্থ্যকর খাবার অভ্যাস বজায় রাখতে সাহায্য করবে।

১. সময়মত এবং নিয়মিত খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা:
অনেকেই কাজের তাড়াহুড়োর মধ্যে সকালের এবং দুপুরের খাবার বাদ দিয়ে দেন, কিংবা খাওয়ার সময় অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে ফেলেন। কিন্তু নিয়মিত এবং সঠিক সময়ে খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা গুরুত্বপূর্ণ।
কীভাবে করবেন:
• সকালের খাবার : অনেকেই মনে করেন প্রাতঃরাশ বাদ দিলে সময় বাঁচানো যায়, কিন্তু এটি শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রাতঃরাশের মাধ্যমে আপনার শরীরের বিপাকের (metabolism) গতি বাড়ে, এবং দিনের বাকি সময়ের জন্য শক্তি পাওয়া যায়।
• অন্য খাবারের সময়: খাওয়ার সময় প্রতি ৩-৪ ঘণ্টা অন্তর খাবার খাওয়া উচিত, যাতে শর্করার পরিমাণ সঠিক থাকে এবং আপনার শক্তি বজায় থাকে।
২. সহজ ও স্বাস্থ্যকর খাবার প্রস্তুত করুন
ব্যস্ততার কারণে অনেক সময় প্যাকেটজাত বা প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়ার দিকে ঝুঁকি থাকে, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। তবে আপনি আগে থেকেই কিছু খাবার প্রস্তুত করে রাখতে পারেন, যা সহজে খাওয়া যাবে এবং পুষ্টিকরও হবে।
কীভাবে করবেন:
• মেনু পরিকল্পনা: সপ্তাহের শুরুতে আপনার খাবারের একটি পরিকল্পনা তৈরি করুন। এতে আপনি সহজেই জানবেন কোন খাবার কোথায় পাবেন এবং দ্রুত খেতে পারবেন।
• প্যাকিং: খাবারটি একসঙ্গে তৈরি করে ফ্রিজে রেখে দিন, যাতে প্রতিদিন তাড়াহুড়ো করার সময় সহজেই বের করে খেতে পারেন। যেমন, সেদ্ধ ডিম, শাকসবজি, বা স্ন্যাকস (বাদাম, ফল, দই) আগেই তৈরি করে রাখুন।
৩. পুষ্টিকর খাবারের দিকে মনোযোগ দিন
ব্যস্ত জীবনে খাওয়া ঠিকঠাক না হওয়া এবং সময়ের অভাবে প্যাকেটজাত খাবার খেয়ে ফেলাটা স্বাভাবিক হয়ে উঠতে পারে। তবে এর ফলস্বরূপ শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি পৌঁছায় না এবং তা দীর্ঘমেয়াদে আমাদের স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করতে পারে। সুতরাং, পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।
কীভাবে করবেন:
• প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার: প্রোটিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি আমাদের মাংসপেশী তৈরি করতে সাহায্য করে এবং দীর্ঘ সময় ধরে শক্তি প্রদান করে। মুরগি, মাছ, ডাল, সয়া প্রোডাক্ট, ডিম এসব খাবার নিয়মিত খান।
• ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার: শাকসবজি, ফলমূল এবং হোল গ্রেনস (যেমন ব্রাউন রাইস, ওটস) খেলে আমাদের পরিপাকতন্ত্র ভালো থাকে এবং ত্বক ও চুলও ভালো থাকে।
• স্বাস্থ্যকর চর্বি: বাদাম,উদ্ভিজ্জ তেল , সিম্পল ফ্যাট (যেমন মাছের তেল) শরীরের জন্য উপকারী চর্বির উৎস।
৪. পানি পান করুন:
ব্যস্ততার কারণে আমরা অনেক সময় পানির প্রতি একেবারেই উদাসীন হয়ে যাই, যার ফলে শরীরে ডিহাইড্রেশন হতে পারে। পানি শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, মেটাবলিজম ঠিক রাখে এবং ক্ষতিকর টক্সিন বের করে দেয়।
কীভাবে করবেন:
• দিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করতে চেষ্টা করুন।
• পানি ছাড়া অন্য কিছু পানীয় যেমন কফি, সোডা, ইত্যাদি খেলে শরীরে অতিরিক্ত ক্যালরি প্রবাহিত হয়, যা ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে।
৫. ছোট ছোট স্ন্যাকস খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা
বিশেষ করে অফিসে বা কাজের মাঝে দ্রুত কিছু খাওয়ার জন্য আমরা প্রায়ই চিপস, চকোলেট, অথবা প্রসেসড ফুড খেয়ে ফেলি। তবে এগুলি আমাদের শরীরের জন্য ক্ষতিকর। সুতরাং স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকসের দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত।
কীভাবে করবেন:
• স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস: বাদাম, সেদ্ধ ডিম, শাকসবজি, ফল, বা দই ভালো বিকল্প হতে পারে। এগুলি ছোট পরিমাণে খেলে অনেক বেশি শক্তি পাওয়া যায়।
• স্ন্যাকসের সময়সীমা: স্ন্যাকস খাওয়ার সময়টা দিনে ২-৩ বার হতে পারে, তবে একেবারে বেশি খাবার এড়িয়ে চলুন।
৬. খাবারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করুন
বেশি খাবার খাওয়ার অভ্যাস প্রায় সকলেরই থাকে, বিশেষ করে কাজের মাঝে। কিন্তু অতিরিক্ত খাওয়া শরীরে জমে গিয়ে অতিরিক্ত মেদ তৈরি করতে পারে, এবং এটি আপনার স্বাস্থ্যেও খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে।
কীভাবে করবেন:
• ছোট প্লেট ব্যবহার করুন: খাবারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে ছোট প্লেট ব্যবহার করুন। এটি আপনাকে কম পরিমাণে খাবার খেতে সাহায্য করবে।
• চিবিয়ে খান: খাবার ভালোভাবে চিবিয়ে খেলে খাবারের পরিমাণ কমাতে সহায়তা করে।
• খাবারের সময় মনোযোগী থাকুন: খাওয়ার সময় টিভি বা ফোন ব্যবহার না করে খাবারের প্রতি মনোযোগ দিন, এতে আপনি সঠিক পরিমাণে খাবার গ্রহণ করবেন।
৭. প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং চিনিযুক্ত খাবার কম খান
ব্যস্ত জীবনে অনেকেই চিনিযুক্ত এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার খেয়ে ফেলেন, কিন্তু এগুলি শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এর ফলে স্থূলতা, ডায়াবেটিস, এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে।
কীভাবে করবেন:
• চিনির পরিমাণ কমান: চা-কফিতে চিনি কম ব্যবহার করুন এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার, কোল্ড ড্রিঙ্কস কম খান।
• প্রক্রিয়াজাত খাবার কম খান: ফাস্ট ফুড, প্যাকেটজাত খাবার, চিপস, ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের মতো খাবার না খাওয়ার চেষ্টা করুন।

এই অভ্যাসগুলি নিয়মিত মেনে চললে আপনি ব্যস্ত জীবনের মাঝেও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করতে পারবেন। এটি শুধু আপনার শারীরিক স্বাস্থ্য নয়, আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী। একটু সময় নিয়ে সঠিক পুষ্টি গ্রহণ করলে আপনি অনেক ভালো বোধ করবেন এবং আপনার কাজের শক্তি এবং মনোযোগও বাড়বে।
#বিজ্ঞানসম্মত #পুষ্টিরজয় #স্বাস্থ্যকর

দেখতে সুস্থ হওয়া মানেই আপনার ভেতরে সব ঠিক আছে তা কিন্তু নয়! -একজন ক্লিনিক্যাল ডায়টিসিয়ান আপনার  শরীরের অজানা পুষ্টি ...
31/01/2026

দেখতে সুস্থ হওয়া মানেই আপনার ভেতরে সব ঠিক আছে তা কিন্তু নয়! -একজন ক্লিনিক্যাল ডায়টিসিয়ান আপনার শরীরের অজানা পুষ্টি ঘাটতি গুলোকে চিহ্নিত করে খাদ্যাভাসে সচেতনতা আনেন এবং দীর্ঘমেয়াদী পুষ্টি নিশ্চিত করতে সাহায্য করেন।
মনে রাখবেন, অপুষ্টি শুধু ক্ষুধার বিষয় নয় বরং সঠিকভাবে খাবার অভ্যাস না থাকার ফল।
#বিজ্ঞানসম্মত #পুষ্টিরজয় #ডায়েটিশিয়ানজীবন

ভেজিটেরিয়ান অর্থাৎ " মা" - মাছ, মাংস, ডিম খাচ্ছেন না কিন্তু বাচ্চাকে বুকের দুধ দিচ্ছেন পুরোপুরিভাবেই অর্থাৎ Lactating  ...
29/01/2026

ভেজিটেরিয়ান অর্থাৎ " মা" - মাছ, মাংস, ডিম খাচ্ছেন না কিন্তু বাচ্চাকে বুকের দুধ দিচ্ছেন পুরোপুরিভাবেই অর্থাৎ Lactating মা-র জন্য সঠিক সুষম খাবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, শিশুর জন্য মা-র দুধে পুষ্টি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং মা-র স্বাস্থ্য ঠিক রাখা, উভয়ই প্রয়োজন। সুতরাং, মায়ের ডায়েটে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানগুলির সঠিক সমন্বয় থাকা উচিত।
এখানে কিছু মূল পুষ্টির উপাদান এবং তাদের উৎস নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে :
১. প্রোটিন (Protein)
শিশুর শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধির জন্য মা-র দুধে পর্যাপ্ত প্রোটিন থাকা জরুরি। প্রোটিনের উৎস হতে পারে:
• ডাল (মুসুর ডাল, মুগ ডাল, ছোলা)
• ছাতু
• তোফু, সয়াবিন
• মাখন, দই (যদি দুধজাত খাদ্য খেতে পারেন)
• বাদাম (আখরোট, পেস্তা, কিশমিশ)
পরিমাণ: প্রতিদিন ৬০ -৭০ গ্রাম প্রোটিন।
২. ক্যালসিয়াম (Calcium)
ক্যালসিয়াম মায়ের হাড় শক্ত রাখে এবং শিশুর হাড়ের বৃদ্ধিতে সহায়ক। ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস:
• দই, পনির, সবুজ শাক (যেমন পালং শাক)
• বীটরুট, ব্রকলি
• সয়া মিল্ক
পরিমাণ: প্রতিদিন ১,২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম।
৩. আয়রন (Iron)
আয়রন রক্তের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়, বিশেষ করে ল্যাকটেটিং মায়েদের। আয়রনের উৎস:
• মিষ্টি আলু, পালং শাক, টমেটো, গাজর
• সয়া, টোফু
• ডাল, মুগ ডাল
পরিমাণ: প্রতিদিন ১৮ মিলিগ্রাম আয়রন।
৪. ভিটামিন ডি (Vitamin D)
ভিটামিন ডি শরীরের ক্যালসিয়াম শোষণকে সহায়তা করে। ভিটামিন ডি-এর প্রধান উৎস হলো সূর্য, কিন্তু খাবারের মাধ্যমে এটি পাওয়া যায়:
• দুধ (যদি দুধজাত খাদ্য গ্রহণ করেন)
• পনির, মাশরুম, সয়া
পরিমাণ: ৪০০-৮০০ IU ভিটামিন ডি
৫. ভিটামিন বি১২ (Vitamin B12)
ভিটামিন বি১২ মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কাজকর্মের জন্য প্রয়োজনীয়। ভেগিটেরিয়ানদের জন্য এটি একে অপরের পরিপূরক হতে পারে:
• দুধ, পনির, দই
• সয়া মিল্ক
• ব্রেকফাস্ট সিরিয়াল (যেগুলো ভিটামিন বি১২ সমৃদ্ধ)
পরিমাণ: প্রতিদিন ২.৬ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন B12।
৬. ভিটামিন এ (Vitamin A)
ভিটামিন এ চোখের জন্য উপকারী এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এর উৎস:
• গাজর, মিষ্টি আলু, মরিচ
• শাকসবজি (পালং, মেথি)
৭. ফ্যাট (Healthy Fats)
শিশুর ব্রেইন ডেভেলপমেন্টের জন্য ফ্যাট খুবই গুরুত্বপূর্ণ:
• অলিভ অয়েল, সাদা তেল
• বাদাম, আখরোট, পেস্তা
• সয়া
৮. ফল ও শাকসবজি (Fruits and Vegetables)
• প্রতিদিন ৫-৭টি সিজনাল ফল ও শাকসবজি খান। এগুলো আপনাকে প্রয়োজনীয় ভিটামিন, মিনারেল ও ফাইবার সরবরাহ করবে।
৯. পানি (Hydration)
• ল্যাকটেটিং মায়ের জন্য প্রচুর পানি খাওয়া জরুরি, যেহেতু দুধ তৈরির জন্য শরীরে হাইড্রেশন প্রয়োজন।
• প্রতিদিন অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি খেতে হবে।
আমি যে ডায়েট গাইডলাইনটি দিয়েছি, তা মূলত World Health Organization (WHO) এবং Institute of Medicine (IOM)-এর প্রস্তাবিত পুষ্টি পরামর্শের ভিত্তিতে। এটি আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার উপর ভিত্তি করে।এই গাইডলাইন নিশ্চিত করে যে, ল্যাকটেটিং মায়ের জন্য সব পুষ্টি উপাদান (যেমন প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ভিটামিন বি১২, ডি) পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকছে, এবং তা শিশুর বিকাশের জন্য উপযোগী।
#বিজ্ঞানসম্মত #দুগ্ধদানকারীমায়েরপুষ্টি

28/01/2026

Abdullah Al Rakib "আসসালামু আলাইকুম ম্যাম আমার বুক জ্বালা পোডা করে বিশেষ করে খাওয়ার পরে কিন্তু সবসময় করে আমাকে একটা ভালো পরামর্শ দেন প্লিজ"

26/01/2026

ডিম সত্যিকার অর্থেই আপনার শরীরের জন্য অনেক উপকারী একটি খাবার -তাই, ভয় পেয়ে নয় উপকারী বন্ধু হিসাবেই, আপনার প্রতিদিনে একটি ডিম খাবার প্লেটে রাখুন।
#বিজ্ঞানসম্মত #স্বাস্থ্যকর

বারবার পেট খারাপ বা ডায়রিয়ার সমস্যায় ভুগলে সঠিক ডায়েট নির্বাচন অত্যন্ত জরুরি।পেটের স্বাস্থ্য উন্নয়নে সহায়ক এবং ডায...
25/01/2026

বারবার পেট খারাপ বা ডায়রিয়ার সমস্যায় ভুগলে সঠিক ডায়েট নির্বাচন অত্যন্ত জরুরি।পেটের স্বাস্থ্য উন্নয়নে সহায়ক এবং ডায়রিয়া বা অন্যান্য গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল সমস্যা কমাতে কার্যকর।
এখানে কিছু নির্ভরযোগ্য নির্দেশিকা দেওয়া হলো:
১. সোজা সহজ খাবার (Bland Diet):
সোজা এবং সহজ খাবার খাওয়া উপকারী হতে পারে। এগুলি অন্ত্রে কম চাপ সৃষ্টি করে এবং শোষণ সহজ করে।
• ভাত : সাদাসিধে সেদ্ধ বা ভাত, যা অন্ত্রকে শান্ত রাখে।
• আপেল: চর্বি ও আঁশ কম থাকার কারণে এটি সহজে হজম হয় এবং অন্ত্রের জন্য ভালো।
• কলা : পটাশিয়াম সমৃদ্ধ, যা শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং অন্ত্রের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
• টোস্ট বা ক্র্যাকার: সাদা রুটি বা ক্র্যাকার, যা সহজে হজম হয়।
২. ফাইবার নিয়ন্ত্রণ:
ফাইবারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা উচিত, কারণ অতিরিক্ত ফাইবার ডায়রিয়া বা পেট খারাপ বাড়াতে পারে। তবে কিছু নির্দিষ্ট ধরনের ফাইবার অন্ত্রের জন্য ভালো।
• কম ফাইবার যুক্ত খাবার: যেমন সাদা রুটি, সাদা চাল, পাস্তা, সাদা আলু।
• শাকসবজি: বাষ্পে বা সেদ্ধ করে খাওয়া উচিত, যেমন গাজর, মিষ্টি আলু, কুমড়া। তবে কাঁচা শাকসবজি (যেমন শসা, টমেটো) পরিহার করা উচিত, কারণ এগুলি অন্ত্রের জন্য কঠিন হতে পারে।
৩. প্রোবায়োটিক খাদ্য:
প্রোবায়োটিক খাদ্য অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে, যা ডাইজেস্টিভ ট্র্যাক্টের স্বাস্থ্য উন্নত করতে পারে।যেমন:
• দই: ফ্যাট মুক্ত দই অন্ত্রের জন্য উপকারী, এটি ভালো ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ঘটাতে সাহায্য করে।
৪. কম চর্বি এবং সহজ প্রোটিন:
বেশি তেল, মসলাযুক্ত খাবার ও ভারী প্রোটিন খাবার অন্ত্রের সমস্যা বাড়াতে পারে, তাই সহজ প্রোটিন এবং কম চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া উচিত।
• গ্রিলড চিকেন বা মৎস্য: চর্বি কম, হালকা প্রোটিন উৎস।
• ডাল: হালকা সেদ্ধ ডাল, তবে গ্যাস তৈরি না হওয়ার জন্য অতিরিক্ত মশলা বা তেল পরিহার করুন।
৫. অতিরিক্ত পানি ও লিকুইড:
ডায়রিয়া বা বারবার বোল মুভমেন্ট হলে শরীর থেকে পানি বের হয়ে যেতে পারে, তাই শরীরের পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রচুর পানি পান করা উচিত। এছাড়াও কিছু ইলেকট্রোলাইট সলিউশন বা খাবার স্যালাইন পান করা ভাল।
৬. মসলাযুক্ত ও তৈলাক্ত খাবার এড়ানো:
• চর্বি, তেল বা অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার যেমন, ফাস্ট ফুড, ভাজা, পিৎজা, বার্গার, প্যাকেটজাত খাবার এড়ানো উচিত, কারণ এগুলি অন্ত্রে অস্বস্তি সৃষ্টি করতে পারে।
৭. ক্যাফেইন ও অ্যালকোহল না খাওয়া:
ক্যাফেইন এবং অ্যালকোহল অন্ত্রের সমস্যা বাড়াতে পারে।
৮. ঘন ঘন খাবার গ্রহণ:
যদি আপনার পেট খুব বেশি সমস্যা করে, তবে একবারে বেশি খাবার না খেয়ে, সারা দিনে ছোট ছোট ৪-৬টি খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। এতে অন্ত্রের ওপর চাপ কম পড়বে।
৯. বিশেষ ক্ষেত্রে – IBS বা গ্যাস্ট্রিক:
যদি আপনি ইরিটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম (IBS) বা অন্য কোনো গ্যাস্ট্রিক সমস্যা (যেমন গ্যাস্ট্রাইটিস, আলসার) থাকেন, তবে আপনার ডায়েটের জন্য বিশেষ পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। কিছু লোকের জন্য ল্যাকটোজ বা ফ্রুকটোজ (ফল ও মিষ্টি) সহ্য করা কঠিন হতে পারে, তাই এসব এড়ানো উচিত।
মৌরির পানীয় (Fennel Tea):
• মৌরি বা সোয়াবিন প্রাকৃতিকভাবে হজমে সহায়ক। মৌরি দিয়ে বানানো পানীয় বা চা অন্ত্রের সমস্যা কমাতে সাহায্য করতে পারে এবং এটি প্রোবায়োটিক-সমৃদ্ধ হতে পারে।
• পদ্ধতি: ১ চা চামচ মৌরি গরম পানিতে ভিজিয়ে রেখে পান করা।
#বিজ্ঞানসম্মত #স্বাস্থ্যকর
#সুস্থ

22/01/2026

খাবার নিয়ে আর কোন বিভ্রান্তি নয়
#বিজ্ঞানসম্মত খাবার #স্বাস্থ্যকর খাবার #সুস্থ জীবন #পুষ্টিরজয়

আজ আমার গুলশান চেম্বারে RJ Kebria এসেছিলেন তাঁর ব্যক্তিগত ডায়েট প্ল্যান নিয়ে জানতে। আমার তৈরি কাস্টমাইজড পুষ্টি পরিকল্...
21/01/2026

আজ আমার গুলশান চেম্বারে RJ Kebria এসেছিলেন তাঁর ব্যক্তিগত ডায়েট প্ল্যান নিয়ে জানতে। আমার তৈরি কাস্টমাইজড পুষ্টি পরিকল্পনায় উনি আন্তরিকভাবে খুব খুশি ও সন্তুষ্ট হয়েছেন! এই ভরসার জন্য কৃতজ্ঞ। 🌟🥗 #ডায়েটিশিয়ানজীবন #সেলিব্রেটিক্লায়েন্ট #পুষ্টিরজয়

20/01/2026

স্বাস্থ্যকর ও চটজলদি সকালের ব্রেকফাস্ট 🥗

কোন খাবারগুলো আপনার "মন খারাপ" কে বাড়িয়ে দেয় - আপনি তা জানেন কি? 👇১.অতিরিক্ত চিনি ও মিষ্টি খাবার ২.প্যাকেজড ফুড - চিপ...
17/01/2026

কোন খাবারগুলো আপনার "মন খারাপ" কে বাড়িয়ে দেয় - আপনি তা জানেন কি? 👇
১.অতিরিক্ত চিনি ও মিষ্টি খাবার
২.প্যাকেজড ফুড - চিপস,ইনস্ট্যান্ট নুডুলস,
ফ্রোজেন খাবার।
৩.অতিরিক্ত চা ও কফি
৪.রিফাইন কার্বস - পাস্তা,পাউরুটি,ময়দার লুচি ও পরোটা।

15/01/2026

জেনে নিলে অবশ্যই উপকার পাবেন 👇

Address

18/F West Panthapath
Dhaka
1205

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Diet planet of Dt.Tapati Saha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram