Suicide/Self-harm Prevention and Management in Bangladesh

Suicide/Self-harm Prevention and Management in Bangladesh we provide psychological support for the people who suffering from suicidal thought, suicidal attemp

20/12/2023
18/01/2023
28/07/2021

বিষয়: ডিপ্রেশন

" Self-Confidence Is The Most Important Things, Where Are You."

Writer:
Md.Ashadujjaman Mondol
MPhil Researcher( Part-II)
Department of Clinical Psychology
University of Dhaka
Phone no: 01778278251

ডিপ্রেশন খুবই কমন কিন্তু মারাত্মক একধরণের মানসিক রোগ যা আপনার অনুভূতি, চিন্তা-চেতনা, আচরণ ও কাজকর্মের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। আমরা অনেক সময় দু:খবোধ (Sadness) ও বিষন্নতাকে (Depression) এক বলে মনে করি। এ দুটো কিন্তু এক নয়। দু:খবোধ হলো সাময়িক মন খারাপ যা অল্প কিছু সময় পরেই ঠিক হয়ে যায়। এর জন্য কোন চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। অন্যদিকে, ডিপ্রেশন দীর্ঘকালীন সমস্যা। যা থেকে মুক্তি পাবার জন্য উপযুক্ত চিকিৎসা, মেডিসিন এবং সাইকোথেরাপির প্রয়োজন হয়ে থাকে।

ডিপ্রেশনের লক্ষণ:

ক. নিম্নলিখিত লক্ষণ গুলোর মধ্যে ৫ টি (বা আরও বেশি) লক্ষণ একই সাথে 2 সপ্তাহ ধরে উপস্থিত থাকতে হবে এবং যার ফলে ব্যক্তির পূর্বের কার্যকারিতার(কাজকর্মের) পরিবর্তন হবে। অন্তত লক্ষণগুলোর মধ্যে একটি (1) বিষণ্ণ/মনমরা মেজাজ বা (2) আগ্রহ বা আনন্দ না পাওয়া থাকবে।

1. বিষণ্ণ, মনমরা, হতাশাগ্রস্থ মেজাজ প্রায় প্রতিদিন বা দিনের বেশি ভাগ সময় থাকবে এবং ব্যক্তি নিজে বুঝতে পারবে (যেমন, দু: খিত, শূন্য, হতাশ বোধ হয়) বা অন্যের বুঝতে পারবেন বা পর্যবেক্ষিত হবেন (যেমন কান্না করা)। (দ্রষ্টব্য: শিশু এবং কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে খিটখিটে মেজাজ হতে পারে))

2. সবক্ষেত্রে বা প্রায় সমস্ত ক্ষেত্রেই বেশিরভাগ কার্যকলাপে আগ্রহ, আনন্দ হ্রাস পাবে বা কমে যাবে, যা প্রায় প্রতিদিন বা দিনের বেশি ভাগ সময় থাকবে (ব্যক্তি নিজে বুঝতে পারবে বা অন্যের বুঝতে পারবেন)

৩. ডায়েটিং না করার হলেও ওজন হ্রাস (যেমন শরীরের ওজনের 5% হ্রাস পাবে) বা বৃদ্ধি পাবে অথবা ক্ষুধা হ্রাস বা বৃদ্ধি পাবে (দ্রষ্টব্য: শিশুদের মধ্যে প্রত্যাশিত ওজন বৃদ্ধি করতে ব্যর্থতা হবে)।

৪. প্রায় প্রতিদিন অনিদ্রা/ঘুমের সমস্যা বা অনেক বেশি ঘুমানো (হাইপারসমনিয়া)।

৫. প্রায় প্রতিদিন মানসিক উৎকণ্ঠা/অস্থিরতা(Psychomotor agitation)যেমন স্থির হয়ে বসে থাকতে না পারা, হাঁটাহাঁটি বা পায়চারী করা, হাতের অঙ্গুল মোচড়ানো, হাত পা, শরীরী বা অন্যান্য জিনিস ঘষাঘষি করা, অথবা মানসিক ভাবে মন্থর (Psychomotor retardation ) বা ধীর গতি হয়ে যাওয়া যেমন-ধীরে, আস্তে আস্তে, ফিসফিস করে কথা বলা, কাজকর্মের গতি কমে যাওয়া, অনেক সময় নিয়ে উত্তর দেওয়া, অল্প কথায় বা এক দুই শব্দে উত্তর দেওয়া, চুপ করে বসে থাকা, কারো সাথে কথা না বলা, যৌন আগ্রহ কমে যাওয়া, লাইট মোবাইল বন্ধ করে অন্ধকার ঘরে একা বসে থাকা ইত্যাদি)। ব্যক্তি নিজে বুঝতে পারবে বা অন্যের বুঝতে(observe)পারবেন।

৬. প্রায় প্রতিদিন বা দিনের বেশিভাগ সময়, অল্পতেই ক্লান্তি অনুভব করা বা শক্তি হ্রাস, শরীরে শক্তি না পাওয়া ।

৭। প্রায় প্রতিদিন নিজেকে অতিরিক্ত মূল্যহীন, অযোগ্য,অপদার্থ মনে করা বা অত্যধিক বা অনুপযুক্ত অপরাধ বোধ অনুভব করা।

৮. প্রায় প্রতিদিনই চিন্তাভাবনা, মনোযোগ, মনোনিবেশ করতে সমস্যা বা সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগা।

৯. বারবার মৃত্যুর চিন্তা (কেবলমাত্র মৃত্যুর ভয়ে নয়), নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ব্যতীত নিজেকে আঘাত করা বা আত্মহত্যার প্রচেষ্টা বা আত্মহত্যা করার জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা করা।

খ. লক্ষণগুলি সামাজিক, পেশাগত, পারিবাহিক, একাডেমীকক্ষেত্রে বা অন্যান্য কার্যক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

গ. উপরের লক্ষণ গুলো কোন পদার্থের বা মেডিসিনের(মাদক/ড্রাগ/ওষুধ)বা অন্য কোন শারীরবৃত্তীয় প্রভাব, চিকিৎসাধীন অবস্থা বা শারীরিক সমস্যার কারণে হবে না বা দায়ী নয়।

কারণঃ কেন হয় ডিপ্রেশন?

•ডিপ্রেশন একটি জটিল রোগ। কেন এ রোগ হয় নির্দিষ্ট করে কারো পক্ষেই তা বলা সম্ভব না। তবে অনেকের ক্ষেত্রেই কিছু কমন কারণ থাকে যার জন্য এ রোগের হতে পারে।

•বংশগত প্রভাব/ পারিবারিক ইতিহাসঃ আপনার পরিবারে যদি কারো ডিপ্রেশন থাকলে তা অন্যদের উপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে বা অন্য কোনও মুড ডিসঅর্ডার থাকে তবে তা পরবর্তী বংশধরদের মধ্যে ডিপ্রেশন হতে পারে বা আপনি উচ্চ ঝুঁকির মধ্যে আছেন।

•নির্যাতনের(Abuse) স্বীকারঃ শারীরিক, যৌন, বা মানসিক নির্যাতনের ফলে পরবর্তী জীবনে ক্লিনিক্যাল ডিপ্রেশন হতে পারে।

•শৈশবকালীন ট্রমাঃ শৈশবকালীন শারীরিক, যৌন বা মানসিক নির্যাতন শরীর ও মনে ভয় এবং চাপ সৃষ্টি করে যার প্রতিক্রিয়ার পরবর্তী জীবনে ক্লিনিক্যাল ডিপ্রেশন হতে পারে।

•মস্তিষ্কের গঠন: যদি আপনার মস্তিষ্কের সামনের(frontal lobe) অংশটি কম সক্রিয় থাকে তবে ডিপ্রেশনের জন্য আরও বেশি ঝুঁকি থাকে। যাইহোক, বিজ্ঞানীরা জানেন না যে হতাশাজনক লক্ষণগুলি শুরুর আগে বা পরে এটি ঘটে কিনা।

•জীবন পদ্ধতিতে বড় ধরণের পরিবর্তনঃ জীবনে বড় কোন পরিবর্তন ঘটলে তা থেকে অনেকে বিষন্নতায় ভুগে। চাকরি হারালে, অবসরে গেলে, আয় কমে গেলে, জায়গা পরিবর্তন করলে, বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটলে, এমনকি, নতুন বিয়ে করলেও অনেকে ডিপ্রেশনের শিকার হয়।

•বড় কোন রোগের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াঃ বড় ধরণের কোন রোগ থাকলে রোগী ডিপ্রেশনের শিকার হতে পারে।

•ঔষধের প্রভাবঃ নির্দিষ্ট কিছু ঔষধ সেবনের ফলেও কেউ কেউ বিষন্নতায় আক্রান্ত হয়। যেমন, ব্রণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত আইসোট্রেটিনিয়ন বা অ্যান্টিভাইরাল ‘ইন্টারফেরন-আলফা’ জাতীয় ঔষধ সেবনেও অনেকে বিষন্নতায় আক্রান্ত হয়।

•দ্বন্দ্ব বা সংঘর্ষঃ ডিপ্রেশনের জৈবিক দুর্বলতা আছে এমন ব্যক্তির ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব বা পরিবারের সদস্য বা বন্ধুদের সাথে বিরোধের ফলে ডিপ্রেশন হতে পারে।

•মৃত্যু বা ক্ষতিঃ প্রিয়জনের মৃত্যু বা ক্ষতি থেকে দুঃখ বা শোক, যদিও তা প্রাকৃতিক, কিন্তু ডিপ্রেশনের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে।

•গুরুতর অসুস্থতা:কখনও কখনও ডিপ্রেশন একটি বড় অসুস্থতা সহ-উপস্থিত হতে পারে-diabetics

•অন্যান্য ব্যক্তিগত সমস্যা: অন্যান্য মানসিক অসুস্থতার কারণে সামাজিক বিচ্ছিন্নতা বা পরিবার বা সামাজিক গোষ্ঠী থেকে বিতাড়িত হওয়ার মতো সমস্যাগুলি ক্লিনিক্যাল ডিপ্রেশন ঝুঁকিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

•মাদকদ্রব্য পদার্থের অপব্যবহারঃ মাদকদ্রব্য অপব্যবহারের সমস্যাযুক্ত প্রায় 30% লোকের মধ্যে প্রধান সমস্যা ক্লিনিকাল ডিপ্রেশন। এমনকি যদি ড্রাগ বা অ্যালকোহল সাময়িক ভাবে আপনাকে ভাল বোধ করে তবে এগুলিও শেষ পর্যন্ত হতাশাকে বাড়িয়ে তুলবে।

চিকিৎসাঃ ডিপ্রেশন থেকে মুক্তির উপায়
১. মেডিসিন
২.সাইকোথেরাপি/ cognitive behavior therapy (CBT)

ডিপ্রেশন আপনাকে অসহায় অবস্থায় পতিত করবে। ডিপ্রেশন থেকে মুক্তি পেতে সাইকোথেরাপি ওমেডিসিন চিকিৎসার পাশাপাশি নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে। নিজের চেষ্টা না থাকলে এ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া প্রায় অসম্ভব। নিজের প্রতিদিনের কাজকর্ম, খাওয়া-দাওয়া, জীবনপ্রণালী এমনকি চিন্তা-ভাবনায়ও পরিবর্তন আনতে হবে ডিপ্রেশন থেকে মুক্তির জন্য। চিন্তা অ আচরণ পরিবর্তন আনার জন্য আপনাকে সাইকোথেরাপি নিতে হবে।

ব্যক্তিগত সাইকোথেরাপি বা কাউন্সেলিং/ শিশুদের কাউন্সেলিং(child psychotherapy) /পারিবারিক কাউন্সেলিং/couple কাউন্সেলিং/ psychological test/ Face to face individual counseling/online counseling and psychotherapy ও অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য 01778278251এই নম্বরে কল করুন ও পেইজে মেসেঞ্জারে মেসেজ দেন আপনাদের যেকোন মানসিক সমস্যা সংক্রান্ত প্রশ্ন আমাদের কমেন্ট করে জানাতে পারেন অথবা যদি গোপনীয়তা চান তাহলে এই পেজের messenger e message এ করতে পারেন ।

02/07/2021

অটিজম ও সেন্সরি প্রসেসিং সমস্যাঃ
Writer:
Md.Ashadujjaman Mondol
Assistant Clinical Psychologist
MPhil Researcher (Thesis)
Department of Clinical Psychology
University of Dhaka
Phone no- 01778278251

অটিজম বাচ্চাদের নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবেশ ও তাদের নিজেদের শরীরের সংবেদনে সাড়া দেওয়ার সমস্যা রয়েছে। শিশুর সেন্সরি সমস্যা বুঝতে বিভিন্ন অনুভূতি ও তার সঙ্গে সম্পর্কিত সমস্যাগুলি জানা মা-বাবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
সেন্সরি ইন্টিগ্রেশন কি?
সেন্সরি ইন্টিগ্রেশন হলো একটি সহজাত নিউরোবায়োলজিক্যাল প্রক্রিয়া এবং এটা পরিবেশ থেকে মস্তিষ্কে ইন্দ্রিয় উদ্দীপনার মিলন ও ব্যাখ্যা করাকে বোঝায়। সেন্সরি ইন্টিগ্রেশন প্রাথমিকভাবে তিনটি মৌনিক অনুভূতি উপর গুরুত্ব দেয়ঃ
১। ট্যাকটাইল
২। ভেস্টিবিউলার
৩। প্রোপ্রায়োসেপ্টিভ
এছাড়াও আর অন্যান্য অনুভূতি হল- দৃষ্টি, শ্রবণ, ঘ্রাণশক্তি, টেস্ট বা স্বাদ।
যখন একটি শিশুর সেন্সরি ইন্টিগ্রেশন হয় না তখন তারই সেন্সরি ইন্টিগ্রেশন ডিসফাংশন ঘটে। সেন্সরি ইন্টিগ্রেশন ডিসফাংশন হলো এমন সমস্যা জাতে সেন্সরি ইনপুট যথাযথ ভাবে মস্তিষ্কে ইন্টিগ্রেট করে না বা সংগঠিত হয় না এবং এর ফলে বিকাশ, তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও আচরণে বিভিন্ন মাত্রার সমস্যা তৈরি হতে পারে। সেন্সরি ইন্টিগ্রেশন ডিসফাংশন হলো মস্তিষ্কের বদহজম।
এখন প্রশ্ন হল অটিজম আর সেন্সরি ইন্টিগ্রেশন ডিসফাংশন কি একই?
একেবারেই না। অটিজম আর সেন্সরি ইন্টিগ্রেশন সেন্সরি প্রসেসিং সমস্যা ডিজঅর্ডার একই জিনিস নয়। অটিজম আর সেন্সরি ইন্টিগ্রেশন ডিসফাংশন দুটো আলাদা ও স্বাতন্ত্র অবস্থা। অটিজম স্পেক্ট্রাম ডিজঅর্ডার রয়েছে এমন বাচ্চাদের উল্লেখযোগ্য হারে সেন্সরি প্রসেসিং সমস্যা বা ডিলে থাকতে পারে। সেন্সরি প্রসেসিং ডিজঅর্ডার অটিজমের সঙ্গে নিবিড় ভাবে জুরে থাকে যেমন বেশিভাগ অটিস্টিক বাচ্চার সেন্সরি প্রসেসিং ডিজঅর্ডার নিয়ে উল্লেখযোগ্য সমস্যা থাকে। অটিজম আর সেন্সরি প্রসেসিং ডিজঅর্ডার যোগসুত্রাটা ঠিক কি কারণে হয় তা বলা মুশকিল। তবে গবেষণায় দেখা গেছে যে অটিজম ও সেন্সরি প্রসেসিং ডিজঅর্ডার দুটোর ক্ষেত্রে জিনেটিক উপাদান রয়েছে এবং পাশাপাশি উভয় সমস্যায় পারিবাহিক ইতিহাস থাকলে এটা ঘটার বেশি সম্ভবনা থাকে। হতে পারে প্রসেসিং ডিলের সঙ্গে অটিজমের একটি জিনেটিক সম্পর্ক রয়েছে তবে আর গবেষণা করে দেখতে হবে আসলেই সম্পর্ক আছে কি না।

আজ আমি শুধু ট্যাকটাইল ডিসফাংশন নিয়ে আলোচনা করব। ট্যাকটাইল ডিসফাংশন লক্ষণ গুলো নিচে আলোচনা করা হল-
Hypersensitivity to touch called as tactical defensiveness:
১। হালকা বা অপ্রত্যাশিত স্পর্শে আতঙ্কিত, উদ্বিগ্ন বা আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে।
২। ভয় অনুভব করে বা অন্য ব্যক্তি বা সমবয়সীদের নিকটে নিকটে দাঁড়ানো এড়িয়ে চলে। (বিশেষত লাইনে)
৩। পেছন থেকে কেউ তাদের দ্বারা স্পর্শ করলে তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।
৪। চুল পরিষ্কার করা নিয়ে অভিযোগ বা একটি নির্দিষ্ট ব্রাশ ব্যবহার সম্পর্কে খুব picky হতে পারে।
৫। রুক্ষ কাপড় বা বিছানার চাদরের স্পর্শে বিরক্ত অনুভব করে।
৬। অপ্রত্যাশিত স্পর্শের ভয়ে গ্রুপ পরিস্থিতি এড়ানো চলে।
৭। পিতা-মাতা বা ভাইবোনদের ছাড়াও অন্য কারও কাছ থেকে বন্ধুত্বপূর্ণ বা স্নেহময় স্পর্শকে অপছন্দ করে।
৮। চুম্বনকে অপছন্দ করে, চুম্বন করা জায়গায় "মুছে ফেলবে"।
৯। নির্দিষ্ট কিছু texture এর জিনিস(কম্বল, স্টাফ প্রাণীদের) স্পর্শ করা এড়িয়ে চলে।
১০। নতুন বা কড়া পোশাক, রাফ টেক্সচার, জিন্স, টুপি, বেল্ট ইত্যাদি পড়তে চাই না।
১১। খেলার জন্য হাত ব্যবহার করা এড়ানো।
১২। "অগোছালো খেলা", এড়িয়ে চলে যেমন- বালি, কাদা, জল, আঠা, ঝলক, প্লেডোহ, স্লাইম, শেভিং ক্রিম, ফোম ইত্যাদি। অনেক বাচ্চা আছে যাদের এইগুলোর প্রতি আকর্ষণ আছে।
১৩। হাত নোংরা লাগলে অস্বস্তি অনুভব এবং ঘন ঘন মুছতে বা ধুয়ে ফেলতে চাইবে।
১৪। পায়ে মোজা পড়তে বিরক্ত অনিভব করে এবং পড়তে চায় না।
১৫। কাপড়ের উপর ত্বকে ঘষে বিরক্ত অনুভব করে; বৃত্তাকার শর্টস এবং শর্ট স্লিভস বছরের পর বছর পরতে চাই, টডলাররা(toddlers) নগ্ন হয়ে থাকতে পছন্দ করে এবং ক্রমাগত ডায়াপার এবং জামা খুলে ফেলে।
১৬। অনেক বাচ্চা দীর্ঘ শার্ট এবং দীর্ঘ প্যান্ট পরতে চাই কারণ ত্বক উন্মুক্ত এড়াতে।
১৭। চুল, পায়ের নখ বা নখ কাটা নিয়ে বিরক্ত অনুভব করে।
১৮। শুধুমাত্র নির্দিষ্ট স্বাদ এবং টেক্সচার খাবার খাওয়া; মিশ্র জাতীয় খাবার খেতে চায় না বা অনেক গরম বা ঠাণ্ডা খাবার এড়ানো; নতুন খাবার খেতে চায় না।
১৯। ঘাস বা বালির উপর খালি পায়ে হাঁটতে অস্বীকার করে বা চায় না।
২০। লাফাতে ভয় পায়, দোলনা অপছন্দ করে, সহজেই ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে।

স্পর্শের হাইপোসেন্সটিভিটি বা কম সাড়া জনিত সমস্যা (Hypersensitivity to touch- under responsive):
১। লাগাতার মানুষ বা বুনোট বা textures কে স্পর্শ করা, এমনকি যখন সেটা যথাযথ নয় তখনও।
২। যতক্ষণ না ব্যাপক চাপ দেওয়া হচ্ছে ততক্ষণ স্পর্শ বা আঘাত বুঝতে পারে না।
৩। কাটা, ছেড়া, চোট, আঘাত নিয়ে মাথা না ঘামানো এবং আঘাত পেলেও কাতরায় না বা কোন প্রতিক্রিয়া করে না।
৪। হাত বা মুখ অপরিষ্কার থাকলেও ভাবে না বা নাক দিয়ে বা পানি গড়ালেও কিছু মনে করে না।
৫। নিজেই নিজেকে মারতে বা আঘাত করতে পারে, চিমটি কাটতে পারে, কামড়তে পারে বা নিজের মাথা ঠুকাতে পারে।
৬। মুখে অত্যাধিক জিনিস ঢোকানো ।
৭। খেলার সময় অন্য বাচাদের বা প্রাণীদের মাঝেমাঝেই মারে
৮। ঠাণ্ডা এমন তল বা জিনিস বারবার স্পর্শ করে।
৯। ক্রেভস ভাইব্রেটিং(Craves vibrating) বা স্ট্রং সেন্সরি ইনপুট সমস্যা থাকে ( sensory input)।
১০। অত্যাধিক ঝাল, মিষ্টি, টক, বা নোনতা খাবার পছন্দ করা বা এই খাবারের প্রতি অত্যাধিক আকর্ষণ।
Poor Tactile Perception and Discrimination:
১। বাট লাগানো, জিপ লাগানো এবং দ্রুত জামাকাপড় মতো সূক্ষ্ম মোটর কাজগুলিতে অসুবিধা।
২। তারা যদি না তাকিয়ে থাকে তবে তাদের দেহের কোন অংশটি ছোঁয়া হয়েছে তা সনাক্ত করতে অসুবিধা হতে পারে।
৩। নোংড়া জামাকাপড় পড়তে পারে, চুল এলোমেলো হতে পারে, প্যান্ট গুটিয়ে রাখে, শার্টের অর্ধেকটা খলা, জুতা বাঁধা নেই, প্যান্টের এক পা উপরে আছে, একটা নেমে আছে এই গুলো খেয়াল করে না।
৪। কাঁচি, ক্রাইওন বা সিলভারওয়্যার ব্যবহার করতে সমস্যা হয়।
৫। দু বছর বয়সের পরেও লাগাতার মুখে জিনিস ঢোকায়।
৬। কোন জিনিসের শারীরিক বৈশিষ্ট্যগুলি নির্ণয় করতে অসুবিধা হয় যেমন - আকার, মাপ, বুনোট, তাপমাত্রা, ওজন ইত্যাদি আঁচ করতে পারে না।
চিকিৎসাঃ সেন্সরি প্রসেসিং সমস্যাগুলির ক্ষেত্রে কী কী থেরাপিগুলি সহায়তা করতে পারে?
Occupational Therapy: ব্যক্তির সংবেদনশীল চাহিদা মেটাতে এবং প্রতিদিনের পরিবেশে আরও ভাল সংবেদক প্রক্রিয়া ইনপুটে সহায়তা করতে শারীরিক ক্রিয়াকলাপ এবং কৌশলগুলি ব্যবহার করে।
Speech Therapy: স্পিচ থেরাপিতে সংবেদনশীলতা-হ্রাস এবং সংবেদনশীল-উদ্দীপক ক্রিয়াকলাপ উভয়ই অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে যা কথা বলা, বক্তৃতা, গিলতে ইত্যাদি সম্পর্কিত পেশীগুলির গতিপথকে উন্নত করে।
Cognitive Behavioral Therapy: জ্ঞানীয় আচরণগত থেরাপি ক্রমশ সংবেদনশীল অভিজ্ঞতার সাথে সহনশীলতা বাড়াতে সহায়তা করে এবং জ্ঞানীয় প্রক্রিয়া গুলোর সাথে আচরণ, আবেগ, চিন্তা এবং শারীরিক প্রতিক্রিয়াগুলোকে উন্নত করে।
• অটিজম ফিডিং প্রোগ্রামগুলি স্বাদ এবং খাবারের টেক্সচারের প্রতিরোধের পাশাপাশি কম-বেশি সংবেদনশীলতাগুলিকে সাহায্য করতে পারে যা চিবানো এবং গিলতে বাধা দেয়।

ব্যক্তিগত সাইকোথেরাপি বা কাউন্সেলিং/ শিশুদের কাউন্সেলিং(child psychotherapy) /পারিবারিক কাউন্সেলিং/couple কাউন্সেলিং/Face to face individual counseling/online counseling and psychotherapy ও অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য 01778278251 এই নম্বরে কল করুন ও পেইজে মেসেঞ্জারে মেসেজ দেন আপনাদের যেকোন মানসিক সমস্যা সংক্রান্ত প্রশ্ন আমাদের কমেন্ট করে জানাতে পারেন অথবা যদি গোপনীয়তা চান তাহলে এই পেজের messenger e message এ করতে পারেন।

25/05/2021

বিষয়ঃ শুচিবায়ু (Obsessive-Compulsive Disorder/OCD)

Writer:
Md.Ashadujjaman Mondol
MPhil Researcher( Part-II)
Assistant clinical psychologist
Department of Clinical Psychology
University of Dhaka
Contact no: 01778278251

অবসেসিভ- কমপালসিভ ডিঅডার(ওসিডি) একটি মানসিক রোগ যা ফলে বার বার অযাচিত একই চিন্তাভাবনা বা বারবার একই কাজ করতে হয়। অবসেসিভ চিন্তাধারা যেমন নির্দিষ্ট নম্বর বা রঙ কে "ভাল" বা "খারাপ" ভাবা। একটি বাধ্যতামূলক অভ্যাস যেমন ময়লা স্পর্শের পরে সাতবার আপনার হাত ধোয়া। যদিও আপনি এই বিষয়গুলো ভাবতে বা করতে চান না তারপরেও আপনি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না বা শক্তিহীন বোধ করেন।

প্রত্যেকেরই অভ্যাস বা চিন্তা থাকে যা মাঝে মাঝে পুনরাবৃত্তি করে। কিন্তু শুচিবায়ু এমন একটি মানসিক সমস্যা বা রোগ যেখানে মানুষ একই চিন্তা বার বার করে অথবা একই কাজ বার বার করে যার ফলে ব্যক্তির মধ্যে অস্বস্তি তৈরি করে, ব্যক্তির সময়ের অপচয় হয়, দৈনন্দিন জীবনে কাজ কর্মে ব্যাঘাত ঘটে, অন্যের সাথে সম্পর্কের সমস্যা হয় ।

শুচিবায়ু সমস্যার দুটি অংশ আছে:

১. অনিয়ন্ত্রিত চিন্তা (obsession)

২. পুনরাবৃত্তিমূলক আচরণ (compulsion)

১. অনিয়ন্ত্রিত চিন্তা: অনিয়ন্ত্রিত চিন্তা হলো এমন কিছু ভাবনা, তাড়না, চিন্তা, দৃশ্য, ছবি, কল্পনা যা ব্যক্তির জন্য প্রচন্ড অশান্তিকর ও অস্বস্তিদায়ক, যা ব্যক্তির মাঝে জোরপূর্বক বার বার আসে । ব্যক্তি জানে এই চিন্তা ভাবনাগুলো অযৌক্তিক কিন্তু তিনি চাইলেই মন থেকে বা মাথা থেকে সরাতে বা দূর করতে পারে না এবং এসব চিন্তা ব্যক্তির মধ্যে উত্তেজনা, উদ্বিগ্নতা, ভয়, অশান্তি, অপরাধবোধ, বিষণ্ণতা, ঘৃণাবোধ, পাপবোধ সৃষ্টি করে । ব্যক্তি না চাইলেও তার মধ্যে এই চিন্তাগুলো জোর করে আসে । এই তীব্র অশান্তি, অস্বস্তি থেকে মুক্তি পেতে ব্যক্তি কিছু অস্বাভাবিক আচরণ করে ।

২. পুনরাবৃত্তিমূলক আচরণ: পুনরাবৃত্তিমূলক আচরণ এক ধরণের আচরণ বা কাজ যা ব্যক্তি মধ্যে আসে অনিয়ন্ত্রিত চিন্তা থেকে এবং ব্যক্তি এই আচরণ করার মাধ্যমে তার দুশ্চিন্তা থেকে সাময়িকভাবে মুক্তি লাভ করে ।

অনিয়ন্ত্রিত চিন্তা (Obsession)-এর লক্ষণ বা উপসর্গ:

1. Contamination Obsession বা রোগে আক্রান্ত হবার ভয়: যেমন– প্রস্রাব, মল, রক্ত, কুকুরের লালা, জীবাণু, আঠালো পদার্থ, পোকামাকড় ইত্যাদি দ্বারা অসুখ হবার ভয় ।যেমন –জলাতঙ্ক, AIDS, Sexually Transmitted Disease etc.

2. Hording, Saving and Collecting Obsession: অপ্রয়োজনীয় সকল জিনিস জমিয়ে রাখার এবং ফাঁকা স্থানে অস্বস্তিবোধ করে এবং তা পূরণের জন্য তাড়না অনুভব করে ।

3. Ordering Obsession: বাড়ির জিনিসপত্র নির্দিষ্টভাবে বা নিয়ম অনুসারে সাজিয়ে রাখতে হবে এমন মনে করে । যেমন- থালাবাসন, বই, কাপড়, পড়ার টেবিল, এমনকি বাসায় প্রবেশের সময় নির্দিষ্টভাবে প্রবেশ করতে হবে বা কোন জিনিস একটি নিময় অনুসরণ করে স্পর্শ করতে হবে । হাতের লেখায় অতিরিক্ত মনোযোগ দেয় ।

4. Religious Obsession: ধর্মবিরোধী চিন্তা মাথায় আসে এবং মনে হয় খারাপ কথা বলে দিবে, ধর্মীয়গ্রন্থকে লাথি মারবে বা মনে হয় তার উপর প্রস্রাব করে দিচ্ছে ।

5. Somatic Obsession: রোগ হবার ভয় কাজ করে বা নিজের চেহারা নিয়ে খুঁতখুঁত করে বা নিজের চেহারার প্রতি নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া কাজ করে ।

6. Aggression Obsession: নিজের বা অন্যের ক্ষতি করার চিন্তা মাথায় আসে । সবকিছুতে জয়ী হতে হবে এমন চিন্তা আসে । এমনকি ছোট বাচ্চার সাথেও জয়ী হতে চাইবে ।

7. Sexual Obsession: যৌন চিন্তা, ছবি, তাড়না, আসে । সামনে মহিলা বা পুরুষ থাকলে তাদের শরীরে স্পর্শ করে ফেলবে বলে মনে হয় এবং তাড়না অনুভব করে ।

8. Miscellaneous Obsession: কোন কিছু মনে রাখার বা জানার তাড়না অনুভব করে যেমন- শব্দ, স্লোগান, নম্বর, নাম, ঘটনা ইত্যাদি। সব সময় ভয়ে থাকে খারাপ কিছু মুখ দিয়ে বলে ফেলবে । কিছু কিছু শব্দে অল্পতেই বিরক্ত হয়ে যায় । যেমন- ঘড়ির টিকটিক শব্দ, ঝনঝন শব্দ, উচ্চ শব্দ ইত্যাদি । অনেকে আবার কিছু কিছু সংখ্যাকে সৌভাগ্য বা দূর্ভাগ্য (lucky and unlucky) হিসেবে ধরেন ।

পুনরাবৃত্তিমূলক আচরণ (Compulsions)-এর লক্ষণ বা উপসর্গ:
1. Cleaning and Washing Compulsions: বারবার হাত, পা, কাপড়, প্লেট, বাথরুম ধুয়া এবং একটি নির্দিষ্ট উপায়ে পরিষ্কার করে।

2. Checking Compulsions: বারবার পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে চায়। পরীক্ষা করার কিছুক্ষণ পর আবারও নিশ্চিত হওয়ার তাড়না কাজ করে এবং আবার পরীক্ষা করে । যেমন- দরজা, জানালা, পানির ট্যাব, গ্যাস চুলা, পকেট, তালা, সুইচ, মানিব্যাগ ইত্যাদি ।

3. Hoarding, Saving, and Collecting Compulsions: এক্ষেত্রে ব্যক্তি অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রগুলো জমিয়ে রাখে যার ফলে ঘরে চলা ফেরা করা কষ্ট হয়ে যায় ।

4. Repeating, Counting and Ordering Compulsions: একই শব্দ বা নম্বর বা দোয়া বার বার পড়ে । বারবার জিনিসপত্র গণনা করে । থালা-বাসন, বই, কাপড় ,পড়ার টেবিল, এমনকি বাসার প্রবেশের সময় নির্দিষ্টভাবে প্রবেশ করে বা কোন জিনিস একটি নিময় অনুসারে স্পর্শ করে ।

5. Somatic Compulsions: বারবার নিজের শরীর বারবার পরীক্ষা করে কোথাও কোন রোগের চিহ্ন আছে কি না । স্বাস্থ্য নিয়ে মাত্রাতীত সতর্ক আচরণ করে । যেমন – ডাক্তার দেখানো, রক্ত চাপ মাপা, ইত্যাদি ।

6. Miscellaneous Compulsions: মুখ দিয়ে খারাপ কথা বললে সাথে সাথে একটা ভাল কথা বলে । মনে করে যে খারাপের পরে ভাল কথা বললে দুটা কাটাকাটি হয়ে যাবে । কোন খারাপ চিন্তা মাথায় আসলে তওবা করে কিংবা পাপমোচনের জন্য নির্দিষ্ট রীতি অনুসরণ করে ।

7. OCD Related Compulsions: অনেকে বারবার জিনিসপত্র কিনে বা বাজার করে ঘর ভর্তি করে ফেলে । মাথার বা শরীরের অন্য অঙ্গের চুল ছিঁড়তে থাকে.

ওসিডির কারণ ও ঝুঁকির সমূহঃ

Biology: আপনার মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বা হরমোনের পরিবর্তনের ফলে হতে পারে।

Genetics: ওসিডির কোনও জিনগত উপাদানের সমস্যা থাকতে পারে তবে নির্দিষ্ট জিন এখনও সনাক্ত করতে পারেনি।

Learning: Obsessive fears and compulsive behaviors পরিবারের সদস্যদের দেখা থেকে পর্যায়ক্রমে বা ধীরে ধীরে সময়ের সাথে সন্তানরা বা অন্যান্য সদস্যরা শিখে থাকে। Compulsions আচরণ, যা ব্যক্তিকে সামায়িক উদ্বেগ থেকে মুক্তি দেয়, ফলে পরবর্তীতে পুনরাবৃত্তি আচরণ বার বার করে সামায়িক মুক্তি পাবার জন্য।

Family history: বাবা-মা বা পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের এই মানসিক রোগ থাকলে আপনার ওসিডি হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

Stressful life events: যদি আপনি ক্রমাগত traumatic or stressful ঘটনাগুলো সম্মুখীন হন তবে আপনার ঝুঁকি বাড়তে পারে। এই ঘটনাগুলো প্রতিক্রিয়া হিসেবে ওসিডির চিন্তাভাবনা এবং মানসিক কষ্টের বৈশিষ্ট্যটিকে ট্রিগার করতে পারে।

Other mental health disorders: ওসিডি অন্যান্য মানসিক রোগের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে, যেমন উদ্বেগজনিত ব্যাধি, হতাশা, substance abuse or tic disorders ।

ওসিডি চিকিৎসাঃ
ওসিডির কোনও প্রতিকার নেই। তবে আপনি থেরাপি, ওষুধ ও চিকিৎসার মাধ্যমে আপনার লক্ষণগুলি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন এবং আপনার জীবনকে সুন্দর ভাবে পরিচালনা করতে পারেন।

সাইকোথেরাপিঃ
জ্ঞানীয় আচরণগত থেরাপি যা আপনার চিন্তার ধরণগুলি পরিবর্তন করতে সহায়তা করতে পারে। exposure and response prevention টেকনিক নামে পরিচিত একটি চিকিৎসার মধ্যে, আপনার সাইকোলজিস্ট আপনাকে আপনি যে পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পারেন না সে গুলো মোকাবেলা করতে সাহায্য করবে এবং আপনার উদ্বেগ কমাতে এবং আপনার বাধ্যবাধকতা মূলক আচরণ/চিন্তা বন্ধ সাহায্য করবে।

রিল্যাক্সেশনঃ মেডিটেশন, যোগব্যায়াম ওসিডি লক্ষণগুলির সাহায্য করতে পারে। তবে রিল্যাক্সেশন পদ্ধিতিটি সাইন্টিফিক হতে হবে। অবৈজ্ঞনিক পদ্ধিতি অনুসরণ করলে কোন কাজ দেবে না।

Medication: Psychiatric drugs

ব্যক্তিগত সাইকোথেরাপি বা কাউন্সেলিং/ শিশুদের কাউন্সেলিং(child psychotherapy) /পারিবারিক কাউন্সেলিং/couple কাউন্সেলিং/Face to face individual counseling/online counseling and psychotherapy ও অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য 01778278251 এই নম্বরে কল করুন ও পেইজে মেসেঞ্জারে মেসেজ দেন আপনাদের যেকোন মানসিক সমস্যা সংক্রান্ত প্রশ্ন আমাদের কমেন্ট করে জানাতে পারেন অথবা যদি গোপনীয়তা চান তাহলে এই পেজের messenger e message এ করতে পারেন।

11/05/2021

বিষয়ঃ Borderline Personality Disorder (BPD)

“I Am Afraid To Be Alone With My Own Mind”…..By Sylvia Plath

Writer:
Md. Ashadujjaman Mondol
MPhil Researcher (Part-II)
Assistant Clinical Psychologist
Department of Clinical Psychology
University of Dhaka.
Phone no 01778278251

বর্ডারলাইন পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডার হল একটি মানসিক সমস্যা যা আপনার নিজের এবং অন্যদের সম্পর্কে আপনি যেভাবে ভাবেন এবং অনুভব করেন তা প্রতিদিনের কাজকর্মে সমস্যা তৈরি করে বা প্রভাব ফেলে । এর মধ্যে রয়েছে নিজের image সম্পর্কিত সমস্যা, আবেগ এবং আচরণ নিয়ন্ত্রণ করতে অসুবিধা এবং একটি অস্বস্থিতিশীল(unstable) সম্পর্কের প্যাটার্ন।

বর্ডারলাইন পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডার যাদের মধ্যে থাকে তাদের মধ্যে তীব্র ভয় থাকে তা হল অন্যরা তাকে ছেড়ে যাবে বা প্রত্যাখ্যান করবে বা তাকে উপেক্ষা করছে বা তাকে ত্যাগ করবে এবং ব্যক্তির একা থাকতে অসহ্য লাগে এবং অসুবিধা হয়। তার অনুপযুক্ত ক্রোধ, আবেগপ্রবণতা এবং ঘন ঘন মেজাজ পরিবর্তন তাকে অন্যদের থেকে দূরে সরিয়ে দিতে পারে, যদিও ব্যক্তি প্রেমময় এবং স্থায়ী সম্পর্ক রাখতে চায়। বর্ডারলাইন পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডার সাধারণত adolescent or teenage থেকেই শুরু হয় এবং young adulthood খারাপ হতে থাকে।

আপনার যদি বর্ডারলাইন পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডার থাকে তবে হতাশ হবেন না। এই সমস্যা বহু লোক চিকিৎসার করার ফলে ভাল হয়ে যায় এবং সন্তোষজনক জীবনযাপন করতে শিখতে পারে।

লক্ষণঃ

•ব্যক্তির বিচ্ছেদ বা প্রত্যাখ্যান, ত্যাগ করার তীব্র ভয়।

•অস্থির তীব্র সম্পর্কের একটি প্যাটার্ন, যেমন এক মুহুর্তে কাউকে আদর্শীকরণ করা এবং তারপরে হঠাৎ বিশ্বাস করা সেই ব্যক্তি তার যথেষ্ট যত্ন করে না বা নিষ্ঠুর ।

•স্ব-পরিচয়(self-identity) এবং স্ব-প্রতিচ্ছবিতে(self-image) দ্রুত পরিবর্তন দেখা যায় যেমন লক্ষ্য এবং মূল্যবোধের দ্রুত পরিবর্তন এবং নিজেকে খারাপ হিসাবে দেখা বা নিজের অস্তিত্ব নেই বলে মনে করে।

•কয়েক ঘন্টা থেকে কয়েক মাস অবধি স্থায়ীভাবে সন্দেহ প্রবণতা কাজ করে এবং বাস্তবতার সংস্পর্শে থাকে না।

•হটকারী(Impulsive) এবং ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ, যেমন জুয়া, বেপরোয়া গাড়ি চালানো, অনিরাপদ যৌনতা, spending sprees, মাদক সেবন করা, বা হঠাৎ করে একটি ভাল কাজ ছেড়ে দিয়ে বা একটি ইতিবাচক সম্পর্ক শেষ করে নাশকতা মূলক কাজ করা।

•প্রায়শই বিচ্ছেদ বা প্রত্যাখ্যানের ভয়ের প্রতিক্রিয়া হিসাবে আত্মঘাতী/আত্নহত্যার হুমকি বা নিজেকে আঘাত করে যেমন হাত-পা কাটা ।

•Wide মেজাজ কয়েক ঘন্টা থেকে কয়েক দিন স্থায়ী হয়, যার মধ্যে তীব্র সুখ, বিরক্তি, লজ্জা বা উদ্বেগ অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

•সব সময়/ চলমান শূন্যতার অনুভূতি।

•অনুপযুক্ত, তীব্র রাগ যেমন ঘন ঘন মেজাজ হারানো, ব্যঙ্গাত্মক বা তিক্ত হওয়া বা শারীরিক মারামারি করা.

কারণসমূহ:

• জীনতত্ত্ব(Genetics)ঃ যমজ এবং পরিবারের কিছু গবেষণায় দেখা যায় যে ব্যক্তিত্বজনিত রোগগুলি উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত হতে পারে বা পরিবারের সদস্যদের মধ্যে অন্যান্য মানসিক স্বাস্থ্যের ব্যাধিগুলির সাথে যুক্ত হতে পারে।

• মস্তিষ্কের অস্বাভাবিকতা (Brain abnormalities)ঃ কিছু গবেষণা আবেগ নিয়ন্ত্রণ, আবেগ এবং আগ্রাসনে জড়িত মস্তিষ্কের নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে পরিবর্তন দেখা যায়। এছাড়াও, নির্দিষ্ট মস্তিষ্কের রাসায়নিক বা হরমোন যা মেজাজ নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে যেমন সেরোটোনিন, সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না।

ঝুঁকির কারণঃ
ব্যক্তিত্ব বিকাশের সাথে সম্পর্কিত কিছু কারণগুলি বর্ডারলাইন পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডার হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে:

বংশগত প্রবণতা(Hereditary predisposition)ঃ আপনার মা, বাবা, ভাই বা বোন এর নিকটাত্মীয় বা একইরকম ব্যাধি থাকলে আপনার উচ্চ ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

স্ট্রেসফুল শৈশব(Stressful childhood)ঃ এই ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত অনেকে শৈশবকালে যৌন বা শারীরিক নির্যাতন বা অবহেলিত হওয়ার প্রতিবেদন করেন। কিছু লোক অল্প বয়সে বাবা-মা বা ঘনিষ্ঠ যত্নশীল থেকে হারিয়ে বা পৃথক হয়ে যায় বা মাদকদ্রব্য অপব্যবহার বা মানসিক স্বাস্থ্যের অন্যান্য সমস্যাগুলির সাথে বাবা-মা বা অন্যরা বৈরী দ্বন্দ্ব এবং অস্থিতিশীল পারিবারিক সম্পর্কের সংস্পর্শে এসেছেন তাদের ঝুঁকি বেশি।

জটিলতা:
বর্ডারলাইন পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডার আপনার জীবনের অনেক ক্ষেত্রকে ক্ষতি করতে পারে। এটি নেতিবাচকভাবে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক, চাকুরী, স্কুল, সামাজিক ক্রিয়াকলাপ এবং self-image কে প্রভাবিত করতে পারে যার ফলস্বরূপ:

•বারবার কাজের পরিবর্তন বা লোকসান।

•পড়াশোনা শেষ না করা

•একাধিক আইনী সমস্যা যেমন জেলের ।

•দ্বন্দ্ব ভরা সম্পর্ক, বৈবাহিক মানসিক চাপ বা বিবাহ বিচ্ছেদ।

•নিজের ক্ষতি, যেমন কাটা বা জ্বলানো এবং ঘন ঘন হাসপাতালে ভর্তি করা।

•আপত্তিজনক সম্পর্কে জড়িত।

•অপ্রয়োজনীয় এবং ঝুঁকিপূর্ণ আচরণের কারণে অপরিকল্পিত

গর্ভাবস্থা, যৌন সংক্রমণ, মোটর গাড়ি দুর্ঘটনা এবং শারীরিক মারামারি।

•চেষ্টা বা আত্মহত্যার সম্পূর্ণ।

চিকিৎসা :
ব্যক্তিত্বের ব্যাধি মূলত সাইকোথেরাপি ব্যবহার করে চিকিত্সা করা হয় তবে ওষুধ যোগ করা যেতে পারে। আপনার সুরক্ষা ঝুঁকিতে থাকলে হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দিতে পারেন। সাইকোলজিস্ট আপনার পরিস্থিতি পরিচালনা করতে দক্ষতা শিখতে সহায়তা করে। হতাশা বা মাদকদ্রব্যের অপব্যবহারের মতো প্রায়শই বর্ডারলাইন পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডারের পাশাপাশি ঘটে যাওয়া অন্য কোনও মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যার জন্যও তার চিকিৎসা করা জরুরি। চিকিৎসার মাধ্যমে, আপনি নিজের সম্পর্কে আরও ভাল বোধ করতে পারেন এবং আরও স্থিতিশীল, ফলপ্রসূ জীবনযাপন করতে পারেন।

সাইকোথেরাপি:
সাইকোথেরাপি - যাকে Talk থেরাপি বলা হয় - ব্যক্তিত্বের ব্যাধিগুলির জন্য একটি মৌলিক চিকিৎসা পদ্ধতি। সাইকোথেরাপির লক্ষ্যগুলি আপনাকে সহায়তা করা:
•আপনার বর্তমান কার্যক্ষমতার উপর নজর দিন।
•অস্বস্তি বোধ করে এমন আবেগগুলি পরিচালনা করতে শিখুন।
•আপনার আবেগকে অভিনয় না করে বরং অনুভূতিগুলি পর্যবেক্ষণে সহায়তা করে আপনার আবেগকে হ্রাস করুন।
•আপনার অনুভূতি এবং অন্যের সম্পর্কে সচেতন হয়ে সম্পর্কের উন্নতিতে কাজ করুন।
•ব্যক্তিত্ব ব্যাধি সম্পর্কে শিখুন.

সাইকোথেরাপির ধরণের যেগুলি কার্যকর বলে প্রমাণিত হয়েছে সেগুলির মধ্যে রয়েছে:

Dialectical behavior therapy (DBT) ঃ ব্যাধি চিকিত্সার জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা গ্রুপ এবং স্বতন্ত্র থেরাপি অন্তর্ভুক্ত। আপনার আবেগগুলি কীভাবে পরিচালনা করবেন, সঙ্কট সহ্য করতে পারেন এবং সম্পর্কগুলি উন্নত করতে পারেন তা শেখানোর জন্য ডিবিটি দক্ষতা ভিত্তিক পদ্ধতির ব্যবহার করে। বাংলাদেশে ক্লিনিক্যাল সাইকোলিজস্টরা মুলত Dialectical behavior therapy (DBT) প্যাকট্রিস করে থাকে। তবে অন্যান্য সাইকোলজিস্টরাও করে থাকে।নিয়মিত প্রতি সপ্তাহে একদিন করে কমপক্ষে ৬ মাস থেকে ১ বছর চিকিৎসা নিতে হবে।

Schema-focused therapyঃ থেরাপি পৃথকভাবে বা একটি গ্রুপে করা যেতে পারে। এটি আপনাকে এমন আনমেট চাহিদা শনাক্ত করতে সহায়তা করতে পারে যা নেতিবাচক জীবনের নিদর্শনগুলির দিকে পরিচালিত করে। থেরাপি ইতিবাচক জীবনের নিদর্শন প্রচার করতে আপনাকে স্বাস্থ্যকর পদ্ধতিতে আপনার চাহিদা পূরণে সহায়তা করার দিকে মনোনিবেশ করে।

Mentalization-based therapy (MBT)ঃ একধরনের টক থেরাপি যা আপনাকে যে কোনও মুহুর্তে আপনার নিজস্ব চিন্তাভাবনা এবং অনুভূতি সনাক্ত করতে এবং পরিস্থিতি সম্পর্কে বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করতে সহায়তা করে। এমবিটি প্রতিক্রিয়া দেওয়ার আগে চিন্তাভাবনার উপর জোর দেয়।

Systems training for emotional predictability and problem-solving (STEPPS)ঃ একটি 20-সপ্তাহের চিকিৎসা যা আপনার পরিবারের সদস্য, যত্নশীল, বন্ধুবান্ধব বা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে চিকিৎসায় অন্তর্ভুক্ত করে এমন গ্রুপগুলিতে কাজ করা । অন্যান্য ধরণের সাইকোথেরাপির পাশাপাশি STEPPS ব্যবহৃত হয়।

Transference-focused psychotherapy (TFP)ঃ সাইকোডায়নামিক সাইকোথেরাপি নামেও পরিচিত, টিএফপি আপনার এবং আপনার চিকিৎসকের মধ্যে বিকাশমান সম্পর্কের মাধ্যমে আপনার আবেগ এবং আন্তঃব্যক্তিক অসুবিধা বুঝতে সহায়তা করে। তারপরে আপনি চলমান পরিস্থিতিতে এই অন্তর্দৃষ্টিগুলি প্রয়োগ করুন।

মেডিসিন:
যদিও ব্যক্তিত্বের ব্যাধি চিকিৎসার জন্য কোনও বিশেষত ওষুধ প্রশাসন কর্তৃক অনুমোদিত হয়নি, তবে কিছু ওষুধ হতাশা, আবেগপ্রবণতা, আগ্রাসন বা উদ্বেগের মতো লক্ষণগুলি বা সহজাত সমস্যাগুলিতে সহায়তা করতে পারে। ওষুধের মধ্যে অ্যান্টিডিপ্রেসেন্টস, অ্যান্টিসাইকোটিকস বা mood-stabilizing ওষুধ অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। মেডিসিনের জন্য মনোরোগ(Psychiatrist) বিশেষজ্ঞ সাথে পরামর্শ করতে হবে।

ব্যক্তিগত সাইকোথেরাপি বা কাউন্সেলিং/ শিশুদের কাউন্সেলিং(child psychotherapy) /পারিবারিক কাউন্সেলিং/couple কাউন্সেলিং/Face to face individual counseling/online counseling and psychotherapy ও অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য 01778278251এই নম্বরে কল করুন ও পেইজে মেসেঞ্জারে মেসেজ দেন আপনাদের যেকোন মানসিক সমস্যা সংক্রান্ত প্রশ্ন আমাদের কমেন্ট করে জানাতে পারেন অথবা যদি গোপনীয়তা চান তাহলে এই পেজের messenger e message এ করতে পারেন।

11/05/2021

১. আপনার জীবনে কি এমন কোন দূর্ঘটনা (Road accident, r**e, disaster, financial lose, lost loved one) ঘটেছে থযার ফলে আপনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পরেছেন?
২. আপনি যদি মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে থাকেন?

তাহলে এই Trauma (ট্রমা) এর workshop টি আপনার জন্যই প্রযোজ্য।

Monosheba Organization is going to host a 2Days Long Workshop on Psychological Management of Trauma.

Get Certificates and Course Materials upon completion of the workshop!

Trainer:
Md. Ashadujjaman Mondol
Psychologist
Border Guards Bangladesh(BGB)

Register here: https://forms.gle/Yoks9S8TozoVGvoWA

Details: https://www.facebook.com/163879430964189/posts/771864526832340/

29/04/2021

অ্যাডজাস্টমেন্ট ডিসঅর্ডার (Adjustment Disorder):

"Adjustment in life is a difficult thing to do but it makes you successful"

Writer:
Md. Ashadujjaman Mondol
MPhil Researcher (Part-II)
Department of Clinical Psychology
University of Dhaka.
Phone no 01778278251

অ্যাডজাস্টমেন্ট ডিসঅর্ডার হ'ল এমন একটি মানসিক সমস্যা, যখন আপনি স্ট্রেসফুল/চাপমুলক জীবনের ঘটনাগুলি মোকাবেলায় অসুবিধা অনুভব করেন তখনই ঘটতে পারে। এর মধ্যে প্রিয়জনের মৃত্যু, সম্পর্কের ভাঙ্গন/সমস্যা, কাজ থেকে বরখাস্ত হওয়া ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। আমরা প্রত্যেকেরই স্ট্রেসের মুখোমুখি হয়, অনেক সময় আমাদের নির্দিষ্ট চাপ সহ্য করতে সমস্যা হয়। চাপযুক্ত ঘটনার সাথে সামঞ্জস্য করতে অক্ষমতা এক বা একাধিক মারাত্মক মানসিক লক্ষণ এবং এমনকি শারীরিক লক্ষণ গুলোর কারণ হতে পারে। অ্যাডজাস্টমেন্ট ডিসঅর্ডার প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশু উভয়কেই প্রভাবিত করতে পারে। অ্যাডজাস্টমেন্ট ডিসঅর্ডার থেরাপি, medication বা উভয়ের সংমিশ্রণে চিকিৎসা করা হয়। চিকিৎসার মাধ্যমে আপনি দ্রুত এই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারেন। অ্যাডজাস্টমেন্ট ডিসঅর্ডার সাধারণত ছয় মাসের বেশি স্থায়ী হয় না, যদি না অবিরত চাপ থাকে।

লক্ষণ/Symptoms:

লক্ষণগুলি অ্যাডজাস্টমেন্ট ডিসঅর্ডারের ধরণের উপর নির্ভর করে এবং ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে পৃথক হতে পারে। আপনি একটি স্ট্রেসাল ইভেন্টের প্রতিক্রিয়া হিসাবে সাধারণত প্রত্যাশার চেয়ে বেশি চাপ অনুভব করেন এবং স্ট্রেসটি আপনার জীবনে উল্লেখযোগ্য সমস্যা সৃষ্টি করে। অ্যাডজাস্টমেন্ট ডিসঅর্ডার আপনার নিজের বিশ্বাস সম্পর্কে আপনি কীভাবে অনুভব করেন এবং চিন্তা করেন তা প্রভাবিত করে এবং আপনার ক্রিয়া বা আচরণকেও প্রভাবিত করতে পারে।

1. দুঃখ বোধ করা, নিরাশ হওয়া বা আপনি যে জিনিসগুলি উপভোগ করেছেন তা উপভোগ করছেন না।
2. প্রায়শই কান্না করা/ক্রন্দন।
৩. উদ্বিগ্ন, চাপযুক্ত উদ্বেগ বা চাপ অনুভূতি।
4. ঘুমের সমস্যা।
5. ক্ষুধা অভাব।
6. মনোনিবেশ বা মনোযোগ করতে অসুবিধা।
৮. দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডে ব্যাঘাত
9. সামাজিক পরিবেশ থেকে নিজেকে গুটিয়ে রাখা।
১০. কাজ করা বা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি এড়ানো।
১১. আত্নহত্যা চিন্তা বা আত্মঘাতী চিন্তাভাবনা বা আচরণ

আত্নহত্যা চিন্তা আত্মঘাতী চিন্তাভাবনা বা আচরণ থাকলেঃ
আপনার নিজের বা অন্য কাউকে আঘাত করার চিন্তাভাবনা থাকলে আমাদের ০১৯০২২৩২৩৮০ জরুরি নম্বরটি অবিলম্বে কল করুন, কোনও বিশ্বস্ত আত্মীয় বা বন্ধুকে জানান।

অ্যাডজাস্টমেন্ট ডিসঅর্ডারের লক্ষণগুলি চাপ মুলক ঘটনার বা স্ট্রেসাল ইভেন্টের তিন মাসের মধ্যে শুরু হয় এবং চাপ মুলক ঘটনা বা স্ট্রেসাল ইভেন্টটি শেষ হওয়ার পরে 6 মাসের বেশি সময় ধরে থাকে না। তবে অবিচ্ছিন্ন বা দীর্ঘস্থায়ী অ্যাডজাস্টমেন্ট ডিসঅর্ডারের লক্ষণ 6 মাসেরও বেশি সময় ধরে অব্যাহত থাকতে পারে, বিশেষত চাপ চলমান, যেমন বেকারত্ব, পারিবাহিক দ্বন্দ্ব, সম্পর্কের সমস্যা, দাম্পত্যকলহ।

কখন Psychologist/Psychiatrist সাথে দেখা করতে হবে:

সাধারণত, চাপ বা চাপমুলক পরিস্থিতি অস্থায়ী হয় এবং আমরা সময়ের সাথে সাথে তাদের সাথে লড়াই করতে শিখি। অ্যাডজাস্টমেন্ট ডিসঅর্ডারের লক্ষণগুলি ভাল হয়ে যায় কারণ চাপ বা চাপমুলক পরিস্থিতি কমে যায়। তবে কখনও কখনও মানসিক চাপ আপনার জীবনের অংশ হয়ে যায়। বা একটি নতুন চাপযুক্ত পরিস্থিতি সামনে আসে এবং আপনি আবার একই সংবেদনশীল লড়াইয়ের মুখোমুখি হন। আপনারা যদি লড়াই চালিয়ে যান এবং আপনার যদি প্রতিদিন সমস্যা হতে থাকে তবে আপনার সাইকোলজিস্টের সাথে কথা বলুন। আপনি চাপযুক্ত ইভেন্টগুলির সাথে আরও ভাল মোকাবেলা করতে এবং জীবন সম্পর্কে আরও ভাল বোধ করার জন্য চিকিৎসা নিতে পারেন। আপনার সন্তানের আচরণ সম্পর্কে যদি আপনার উদ্বেগ থাকে তবে শিশু বিশেষজ্ঞের বা শিশু মনোবিজ্ঞানীর সাথে কথা বলুন।

ঝুঁকির কারণঃ কিছু জিনিস আপনাকে অ্যাডজাস্টমেন্ট ডিসঅর্ডার হওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে তুলতে পারে।

+ মানসিক চাপের ঘটনা ঘটনাগুলি - ইতিবাচক এবং নেতিবাচক উভয়ই আপনাকে অ্যাডজাস্টমেন্ট ডিসঅর্ডার হওয়ার ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। উদাহরণ স্বরূপ:

1. বিবাহ বা বৈবাহিক সমস্যা।

2. সম্পর্ক বা আন্তঃব্যক্তিক সমস্যা

৩. পরিস্থিতিতে পরিবর্তন, যেমন অবসর গ্রহণ, বাচ্চা হওয়া বা স্কুলে যাওয়া

৪. প্রতিকূল পরিস্থিতি যেমন চাকরি হারানো, প্রিয়জনের ক্ষতি হওয়া বা আর্থিক সমস্যা থাকা ইত্যাদি।

৫. স্কুলে বা কর্মক্ষেত্রে সমস্যা।

৬। শারীরিক সমস্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো প্রাণঘাতী অভিজ্ঞতা।

৭। চলমান চাপ, যেমন কোনও মেডিকেল অসুস্থতা বা অপরাধ-জর্জরিত পাড়ায় বাস করা।

+ আপনার জীবনের অভিজ্ঞতাঃ

আপনি কীভাবে মানসিক চাপ মোকাবেলা করতে পারেন তা জীবনের অভিজ্ঞতাগুলি প্রভাবিত করে।
উদাহরণস্বরূপ, আপনার অ্যাডজাস্টমেন্ট ডিসঅর্ডার হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে যদি:
১।শৈশবকালে উল্লেখযোগ্য চাপ অভিজ্ঞতা .

২।বাড়ির অন্যান্যদের মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা আছে

৩।একই সাথে জীবনের বেশ কয়েকটি কঠিন পরিস্থিতি ঘটছে

জটিলতাঃ যদি অ্যাডজাস্টমেন্ট ডিসঅর্ডার সমাধান না করে তবে অবশেষে তা আরও গুরুতর মানসিক সমস্যা যেমন উদ্বেগজনিত সমস্যা, হতাশা বা মাদক অপব্যবহারের দিকে নিয়ে যেতে পারে।

চিকিৎসাঃ
১। মেডিসিনঃ মেডিসিন খেলে কিন্তু চাপমূলক পরিস্থিতি কেটে যাবে না বা ঘটনা পরিবর্তন হবে না। তবে কিছু ওষুধ হতাশা, আবেগপ্রবণতা, আগ্রাসন বা উদ্বেগের মতো লক্ষণগুলি বা সহজাত সমস্যাগুলিতে সহায়তা করতে পারে। ওষুধের মধ্যে অ্যান্টিডিপ্রেসেন্টস, অ্যান্টিসাইকোটিকস বা mood-stabilizing ওষুধ অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। মেডিসিনের জন্য মনোরোগ(Psychiatrist) বিশেষজ্ঞ সাথে পরামর্শ করতে হবে।

২। সাইকোথেরাপিঃ সাইকোথেরাপি কী?

সাইকোথেরাপি হলো এক ধরনের ঔষুধবিহীন মানসিক চিকিৎসা বা মনোবৈজ্ঞানিক চিকিৎসা পদ্ধতি । এখানে যারা পেশাগত সেবা নেন তাদেরকে ‘ক্লায়েন্ট’ (রোগী নয়) বলে এবং যিনি সেবাটি প্রদান করেন তাকে সাইকোথেরাপিস্ট বলে। সাইকোথেরাপি মুলত প্রোফেসনাল সাইকোলজিস্টরা দিয়ে থাকেন। এ পদ্ধতিতে সাইকোথেরাপিস্টের সাথে ক্লায়েন্ট তার সমস্ত প্রাসঙ্গিক বিষয় একেবারে খোলামেলাভাবে আলোচনা করেন। তবে সাইকোথেরাপিস্ট শুধু ক্লায়েন্টই নয়, তার পরিবারের লোকজন, স্কুলসহ বিভিন্ন স্থান থেকে তথ্য সংগ্রহ করেন। তখন তিনি মনোবৈজ্ঞানিক তত্ত্ব, গবেষণামূলক তথ্য ও পেশাগত অভিজ্ঞতা ব্যবহার করে ক্লায়েন্টের সমস্যার বিশ্লেষণ করেন এবং কীভাবে সমস্যাটি থেকে বের হয়ে আসা যায় সে বিষয়ে ক্লায়েন্টের সাথে আলোচনা করেন এবং কায়েন্ট নিজেই নিজের জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্তগুলো নেন। প্রয়োজনে সাইকোলজিস্ট/সাইকোথেরাপিস্ট ক্লায়েন্টকে বিভিন্ন ধরণের দক্ষতার প্রশিক্ষণ দেন। যেমন, সামাজিক দক্ষতা প্রশিক্ষণ, সমস্যার সমাধানের দক্ষতা প্রশিক্ষণ ইত্যাদি। এছাড়া ক্লায়েন্টের মনের মধ্যে যদি নেতিবাচক চিন্তা বা ধ্যান ধারণা থাকে তবে তা মনোবৈজ্ঞানিক বা সাইকোলজিক্যাল টেকনিক/থেরাপির মাধ্যমে তা সংশোধন সাইকোথেরাপিতে করা হয়। নেতিবাচক চিন্তা কমে গেলে ক্লায়েন্টের মন ভাল হয়ে আসে, তার আচার-আচরণ ও শারীরিক লক্ষণের উন্নতি হয়। সাইকোথেরাপি সেশন সচরাচর পঞ্চাশ মিনিট হয়। কখনো কখনো এর বেশীও হতে পারে। একটি মাত্র সেশনে কিন্তু কাজ হয়না। সচরাচর সপ্তাহে একটি করে অন্ততঃ আট থেকে দশটি সেশন প্রয়োজন হয়। তবে সমস্যা ও ব্যক্তির চাহিদা অনুযায়ী বেশিও লাগতে পারে।

প্রতিরোধঃ
অ্যাডজাস্টমেন্ট ডিসঅর্ডার রোধ করার কোনও গ্যারান্টিযুক্ত উপায় নেই। তবে স্বাস্থ্যকর মোকাবিলার দক্ষতা বিকাশ এবং স্থিতিস্থাপক হতে শেখা উচ্চ চাপের সময় আপনাকে সহায়তা করতে পারে। যদি আপনি জানেন যে একটি চাপজনক পরিস্থিতি চলে আসছে - যেমন অবসর – তবে আপনার অভ্যন্তরীণ শক্তিকে আহ্বান জানান, আপনার স্বাস্থ্যকর অভ্যাসগুলি বাড়িয়ে নিন এবং আপনার সামাজিক সমর্থনগুলিকে আগাম সমাবেশ করুন। নিজেকে স্মরণ করিয়ে দিন যে এটি সাধারণত ক্ষনস্থায়ী এবং আপনি এটি মোকাবেলা করতে চান ও এর মধ্যে দিয়ে যেতে চান। আপনার স্ট্রেস পরিচালনা করার স্বাস্থ্যকর উপায়গুলি পর্যালোচনা করতে আপনার সাইকোলজিস্ট বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞ এর সাথে দেখা করুন।

আপনার স্থিতিস্থাপকতা বাড়াতে পারেন:
1. আপনাকে সমর্থন করার জন্য লোকের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক বিকাশ করা
২. কঠিন পরিস্থিতিতে ইতিবাচক বা রসবোধের সন্ধান করা
৩. স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন
৪) ভাল আত্মমর্যাদাবোধ প্রতিষ্ঠা করা

ব্যক্তিগত সাইকোথেরাপি বা কাউন্সেলিং/ শিশুদের কাউন্সেলিং(child psychotherapy) /পারিবারিক কাউন্সেলিং/couple কাউন্সেলিং/Face to face individual counseling/online counseling and psychotherapy ও অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য 01778278251 এই নম্বরে কল করুন ও পেইজে মেসেঞ্জারে মেসেজ দেন আপনাদের যেকোন মানসিক সমস্যা সংক্রান্ত প্রশ্ন আমাদের কমেন্ট করে জানাতে পারেন অথবা যদি গোপনীয়তা চান তাহলে এই পেজের messenger e message এ করতে পারেন।

Address

Dhaka

Telephone

+8801902232380

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Suicide/Self-harm Prevention and Management in Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram