15/12/2025
🔍আঁচিল
বিভিন্ন ধরণের ত্বকের সমস্যা ত্বকের সৌন্দর্যেরহানী ঘটায়। আঁচিল বা তিল হচ্ছে সেই রকম একটি ত্বকের সমস্যা। রঞ্জক কোষ একত্রিত হয়ে ত্বকে কালো দাগ সৃষ্টি করে। আঁচিলকে মেলানোসাইটিক নেভি ও বলা হয়ে থাকে। এরা ত্বকের নীচে বা উপরের স্তরে উভয় স্থানেই হতে পারে। সাধারণত এরা মুখে, বাহুতে, ঘাড়ে এবং পায়ে হয়ে থাকে। আঁচিল সাধারণত বাদামী, কালো, লাল, গোলাপি বা একই রঙের হতে দেখা যায়। আঁচিলের আকার, আকৃতি এবং রঙ একেক জনের ক্ষেত্রে একেক রকম হয়। এবং লক্ষন ভিত্তিক ঔষধও আলাদা হবে অসংখ্য ঔষধ থেকে এখানে মাত্র কয়েকটি ঔষধের আলোচনা করছি।
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
🔍
একমাত্র হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাই হচ্ছে আঁচিল রিমোভের সঠিক পন্থা। কখন,কোথায় আঁচিল ঝরে পড়বে টেরই পাবেন না।
🔔থুজা ( Thuja): আঁচিলের লক্ষণ: রোগীর আঁচিল যদি ফুলকপির মতো দানা দানা খাঁজ কাটা হয় তখন থুজা( Thuja) ব্যবহার করা যায়।
🔔ষ্ট্যাফেসাইগ্রিয়া ( Staphy): আবার যদি দেখা যায় কোন রোগীর পারদের অপব্যবহারউৎপঅন্ন সাইকোটিক দোষযুক্ত ফুলকপির মতো বড়ো
ধরণের আঁচিল বা উপমাংসের সহিত রোগীর একজিমা ও দাঁতের রোগ বর্তমান থাকে এবং
ষ্ট্যাফেসাইগ্রিয়া ( Staphy ) ব্যবহারে ভাল কাজ করে।
🔔নাইট্রিক এসিড ( Nitricum Acidium): আবার রোগীর আঁচিল যদি ফুলকপির মতো দেখতে হয় কিন্তু নড়াচড়ায় আবার সামান্য লাগলেই রক্তপাত হয় তখন Nitricum Acidium ব্যবহার করতে হবে।
🔔সেবাইনা ( Sabaina) : আর যদি কোন শিশু রোগীর শরীরে এবং মুখমন্ডলে গুড়ি গুড়ি আঁচিল হয় তৎসংগে আঁচিলের ভিতর হতে ভাতের মতো পদার্থবের হয় রোগী বা শিশুর মা-বাবা যদি বলে তবে সেবাইনা ভাল কাজ করে থাকে।আর যদি সেবাইনা
ব্যবহারে সম্পূর্ণ ভাবে আঁচিল আরোগ্যলাভ না করে তবে কষ্টিকামে অব্যর্থ ফল পাবেন। আবার কোন রোগীর যদি মাথায় ফুলকপির মতো আঁচিল হয় অন্য কোন ঔষধের প্রয়োজন পড়েনা থুজা ব্যবহার কলেই যথেষ্ট ফল পাওয়া যায়।
🔔কষ্টিকাম ( Causticum) :
আবার যদি রোগীর কাছে শুনা যায় বহুদিনের পুরাতন আঁচিল তাহা নরম আকারে চোট আবার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এবং দেখতে থোবরা, চেপ্টা, কিংবা সূচালো হয়, উহা সাধারণত : চোখের পাতায়, নাকের ডগায়, ঘারে, হাতের আংগুলে ও নখের ধারে হয় তখনি Causticum ব্যবহার্য তবে থুজার বিফলতায় কুষ্টিকাম।
এখানে মাত্র কয়েকটা ঔষধ আলোচনা করা হল।লক্ষন ভিত্তিক আরো অনেক ঔষধ আসতে পারে সুতরাং রোগীর রোগ লক্ষন ব্যাতীত ঔষুধ প্রয়োগ করা কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ।