Jong-publication

Jong-publication Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Jong-publication, Health & Wellness Website, mirpur 2, Dhaka.
(1)

Jong Publication তৈরি হয়েছে সেই সকল তরুণ-তরুণীদের স্বার্থহীন ভালোবাসা ও জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার সহযোগিতার জন্য,📚 তাই তোমাদের গবেষণা,বই প্রকাশ,এবং আন্তর্জাতিক জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশে সহযোগিতা পেতে আমাদের সঙ্গেই থাকো।
চিন্তা কর-শেখো-সৃষ্টি কর 🇧🇩

আমাদের দেশে শিক্ষার হার বাড়ছে—এটা সত্য।কিন্তু একটা প্রশ্ন কি কখনো ভেবেছেন?শিক্ষা বাড়লেও কেন বুদ্ধি, যুক্তি আর বাস্তবিক...
10/03/2026

আমাদের দেশে শিক্ষার হার বাড়ছে—এটা সত্য।
কিন্তু একটা প্রশ্ন কি কখনো ভেবেছেন?
শিক্ষা বাড়লেও কেন বুদ্ধি, যুক্তি আর বাস্তবিক জ্ঞান বাড়েছে না? কেন আমরা জ্ঞান-বিজ্ঞানী পিছিয়ে ?
স্বাধীনতার ৫০ বছর পেরিয়ে গেলেও ক্ষমতায় থাকা সকলের ব্যাংক ব্যালেন্স, বাড়ি, গাড়ি সব কিছুর উন্নতি হয়েছে কিন্তু শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি এখনো হয়নি কেন?
আজকের সমাজে মানুষের কাজকর্ম, যুক্তি-তর্ক এবং আচরণ দেখলে মনে হয়—আমরা ডিগ্রিধারী হচ্ছি, কিন্তু সত্যিকারের জ্ঞানী হচ্ছি না। যেখানে শিক্ষা আছে কিন্তু বোধ নেই ।

এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে লেখা হয়েছে দুটি ব্যতিক্রমধর্মী বই—“শিক্ষিত ভোদাইদের বাংলাদেশ: তাইতো সব হচ্ছে শেষ” এবং “শিক্ষা ব্যবস্থার অবস্থা বাঙালির জ্ঞান-শূন্যতা”।

প্রথম বইটি একধরনের ব্যঙ্গাত্মক আয়না, যেখানে আমরা দেখতে পাই আমাদের সমাজের সেই মানুষগুলোর মুখ—যাদের আমরা প্রতিদিন দেখি কিন্তু চিনতে পারি না। এখানে দেখানো হয়েছে সেই শিক্ষিত নামধারী মানুষদের কথা, যাদের জ্ঞান ডিগ্রিতে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সার্টিফিকেটে বন্দী, আর চিন্তাশক্তি প্রায় অনুপস্থিত। এই বইয়ে ব্যঙ্গের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে সমাজের নানা বাস্তবিক বিশ্লেষণ।

দ্বিতীয় বইটি আরও গভীর একটি প্রশ্ন তোলে—আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা কি সত্যিই আমাদের জ্ঞানী করে তুলছে, নাকি শুধু ডিগ্রিধারী বানাচ্ছে?
এই বইয়ে আলোচনা করা হয়েছে কীভাবে আমাদের শিক্ষা-ব্যবস্থার বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা ধীরে ধীরে আমাদের চিন্তাশক্তিকে দুর্বল করে দিচ্ছে, কৌতূহলকে কমিয়ে দিচ্ছে এবং আমাদেরকে জ্ঞান-বিজ্ঞানে পিছিয়ে রাখছে। এখানে বিশ্লেষণ করা হয়েছে কেন আমরা অনেক সময় মুখস্থবিদ্যার চক্রে আটকে যাই এবং কেন বাস্তব জ্ঞান ও সৃজনশীল চিন্তা বিকশিত হতে পারে না।

এই দুইটি বই মূলত একই প্রশ্নের ভিন্ন দুই দিক তুলে ধরে— একদিকে সমাজের আচরণ ও মানসিকতার সমালোচনা, অন্যদিকে সেই মানসিকতার পেছনে থাকা শিক্ষা-ব্যবস্থার বাস্তবতা।
এই বইগুলো কোনো ব্যক্তিকে আক্রমণ করার জন্য নয়; বরং একটি মানসিকতা, একটি সামাজিক সমস্যাকে চিনিয়ে দেওয়ার জন্য লেখা। যারা নিজের সমাজকে বুঝতে চান, যারা বিশ্বাস করেন সমালোচনা মানে ঘৃণা নয় বরং সংশোধনের আহ্বান—তাদের জন্যই এই বই।
এই বইগুলো পড়ে আপনি হয়তো হাসবেন, আবার ভাবতেও বাধ্য হবেন। কারণ শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটা সমাজকে নিয়ে নয়—প্রশ্নটা আমাদের নিজেদের চিন্তা ও বোধশক্তিকে নিয়ে।

একটি কথা স্পষ্ট করে বলা দরকার—
এই বই লেখা বা প্রকাশ করার উদ্দেশ্য হলো বাংলার বাঙালিদের চিন্তা ও মানসিকতায় একটি ইতিবাচক পরিবর্তনের আহ্বান জানানো।
আমরা যেন নিজেদের ভুলগুলোকে চিনতে পারি, সমাজকে নতুনভাবে ভাবতে শিখি এবং জ্ঞান-বিজ্ঞান ও যুক্তির পথে এগিয়ে যেতে পারি—এই লক্ষ্য নিয়েই এই বই দুটি লেখা হয়েছে।
যেদিন আমরা সত্যিকার অর্থে নিজেদের পরিবর্তন করতে পারব, যেদিন আমাদের সমাজকে যুক্তি, জ্ঞান ও সচেতনতার পথে এগিয়ে নিতে পারব, এবং অজ্ঞতা ও চিন্তার অন্ধকার দূর করতে সক্ষম হব—সেদিন এই দুইটি বইয়ের আর কোনো প্রয়োজন থাকবে না।
সেদিন আনন্দের সাথেই এই বই দুটি প্রকাশ বন্ধ করে দেওয়া হবে, কারণ তখনই প্রমাণ হবে যে আমাদের সমাজ সত্যিই পরিবর্তনের পথে এগিয়ে গেছে।

লেখকঃ আব্দুল জব্বার

#বাংলাবই #বইপড়ুন #সমাজেরআয়না #শিক্ষাব্যবস্থা #বাংলাদেশেরসমাজ #চিন্তারবিপ্লব #সচেতনসমাজ #শিক্ষিতসমাজ #বাস্তবকথা #বইপ্রেমী

10/02/2026
আমরা হুজুকে বাঙালি — কোনো ঘটনা ঘটলেই আমরা হঠাৎ আবেগে ভেসে যাই, হৈচৈ করি, লাফালাফি করি; কিন্তু সময়ের সাথে সাথে সব ভুলে য...
29/01/2026

আমরা হুজুকে বাঙালি — কোনো ঘটনা ঘটলেই আমরা হঠাৎ আবেগে ভেসে যাই, হৈচৈ করি, লাফালাফি করি; কিন্তু সময়ের সাথে সাথে সব ভুলে যাই। ঠিক এমনটাই ঘটেছিল ওসমান হাদী ভাইকে ঘিরে। তাঁর হত্যার পর আমরা তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিলাম, আবেগে ভেসেছিলাম, কিন্তু আজ ধীরে ধীরে আমরা তাকেই ভুলে যেতে বসেছি। এটাই আমাদের এক বড় দুর্বলতা — আমরা খুব দ্রুত অতীত ভুলে যাই।
এই ভুলে যাওয়ার সংস্কৃতির কারণেই আমরা এখনো দেশকে কাঙ্ক্ষিত জায়গায় নিয়ে যেতে পারিনি। আর যদি এই মানসিকতা বদলাতে না পারি, তাহলে আগামী একশো বছরেও প্রকৃত পরিবর্তন আসবে না। তাই সবার আগে আমাদের এই হুজুকে মনোভাবকে দাফন করতে হবে এবং স্থির, সচেতন ও দায়িত্বশীল জাতিতে পরিণত হতে হবে।
আর যারা ভাবছেন ওসমান হাদীর মতো রাজনীতি করবেন, তাদের মনে রাখা উচিত — আবেগ দিয়ে রাজনীতি টিকে না, বুদ্ধি দিয়ে রাজনীতি টিকে। শহীদ হওয়া নয়, বেঁচে থেকে পরিবর্তন আনা বেশি জরুরি। কারণ একজন ওসমান হাদী হারালে শোক বাড়ে, কিন্তু একজন ওসমান হাদী বেঁচে থাকলে জাতি এগোয়। রাজনীতি হোক বিবেক দিয়ে, পরিকল্পনা দিয়ে — শুধু আবেগ দিয়ে নয়।

#হুজুকে_বাঙালি #অতীত_ভুলে_যাওয়া #আবেগনির্ভর_রাজনীতি #সচেতনতার_অভাব #জাতীয়_দায়িত্ব #পরিবর্তনের_প্রয়োজন #সামাজিক_বাস্তবতা #বুদ্ধিভিত্তিক_রাজনীতি #নেতৃত্বের_সংকট #জাতির_জাগরণ #ভবিষ্যৎ_বাংলাদেশ #আত্মসমালোচনার_সময়

🌟 সুখবর! গবেষণায় আগ্রহী কিন্তু ইংরেজিতে দুর্বল, আপনাদের জন্য আছে বিশেষ সুখবর 🌟বাংলাদেশে অনেক মেধাবী তরুণ ও চিন্তাশীল মা...
25/12/2025

🌟 সুখবর! গবেষণায় আগ্রহী কিন্তু ইংরেজিতে দুর্বল, আপনাদের জন্য আছে বিশেষ সুখবর 🌟

বাংলাদেশে অনেক মেধাবী তরুণ ও চিন্তাশীল মানুষ আছেন—যাদের মধ্যে আছে অসাধারণ কিছু করার ক্ষমতা,
কিন্তু
❌ সঠিক গাইডলাইন নেই
❌ গবেষণাপত্র লেখার পথ জানা নেই
❌ আন্তর্জাতিক জার্নালে সাবমিশনের অভিজ্ঞতা নেই
❌ আর সবচেয়ে বড় বাধা—ইংরেজি এবং অজানা ভয়।

👉 কিন্তু ইংরেজি জানা মানেই বুদ্ধিমান হওয়া নয়।
👉 আবার ইংরেজি না জানলেই কেউ অযোগ্য—এটাও সত্য নয়। এই ভুল ধারণা ভাঙতেই আমাদের এই উদ্যোগ। আমাদের দেশে অনেক বুদ্ধিমান ব্যক্তি আছে যারা অসাধারণ চিন্তা করতে জানে কিন্তু সঠিক গাইডলাইন এবং ইংরেজিতে দক্ষতা না থাকায় তারা হারিয়ে যায় অন্ধকার পথে, কিন্তু আমরা আপনাদের সেই পথ থেকেই ফিরিয়ে আনতে চলেছি, আপনি যদি ইংরেজিতে তেমন দক্ষ না হন, তাহলেও আপনার গবেষণার জগতে কোন সমস্যা হবে না এমনই ভাবে আমাদের এই কোর্সটা সাজানো।

🎯 কী কী শেখানো হবে?
✔ যারা কিছু জানেনা গবেষণা সম্পর্কে একেবারে নতুন কিন্তু অসাধারণ চিন্তাশক্তি আছে তাদের গবেষণা সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা দেওয়া ।
✔ একেবারে বেসিক থেকে গবেষণাপত্র লেখার পূর্ণ কাঠামো
✔ ডেটা অ্যানালাইসিস থেকে রিসার্চ পেপার প্রস্তুত
✔ গবেষণা অনুযায়ী সঠিক জার্নাল নির্বাচন
✔ আন্তর্জাতিক জার্নালে ধাপে ধাপে সাবমিশন প্রসেস
✔ ইংরেজি না জানলেও ইংরেজিতে সম্পূর্ণ রিসার্চ পেপার তৈরি করার কৌশল

🆔 গবেষকের ডিজিটাল আইডেন্টিটি তৈরি

এই কোর্সে অংশগ্রহণকারীদের জন্য—

✅ ORCID একাউন্ট খুলে দেওয়া হবে
👉 যা একজন গবেষকের আন্তর্জাতিক পরিচয় (Researcher ID) হিসেবে কাজ করে

✅ Zenodo (Zendo) একাউন্ট সেটআপ করে দেওয়া হবে
👉 যেখানে আপনার রিসার্চ পেপার, ডেটা ও কাজগুলো
👉 স্থায়ী DOI সহ সংরক্ষণ ও শেয়ার করা যায়

📌 অর্থাৎ, আপনি শুধু শিখবেন না—
👉 একজন রেজিস্টার্ড ও আইডেন্টিফায়েড গবেষক হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করবেন।

💰 ফি কাঠামো

🔹 স্টুডেন্ট, বেকার ও আর্থিক সমস্যা গ্রস্তদের জন্য: ➡️ মাত্র ১০০০ টাকা

🔹 রেগুলার ফি:
➡️ ৭০০০ টাকা

🔹 🎁 ডিসেম্বর স্পেশাল অফার
➡️ ডিসেম্বরের মধ্যে ভর্তি হলে রেগুলার ফি মাত্র ২০০০ টাকা
⚠️ স্টুডেন্ট ও বেকারদের জন্য সবসময়ই ১০০০ টাকা

🌱 কেন এই উদ্যোগ?

আমার স্বপ্ন— বাংলাদেশ থেকে জ্ঞান-বিজ্ঞানের অন্ধকার দূর করা। আমার বিশ্লেষণ মতে বাংলাদেশ বুদ্ধিমানদের দিক দিয়ে অনেক এগিয়ে কিন্তু বুদ্ধির ব্যবহারের দিক দিয়ে আমরা অনেক পিছিয়ে , যার কারণে আমরা জ্ঞান শূন্যতায় পড়ে আছি আর সেই জ্ঞান শূন্যতা দূর করতেই আমার এই উদ্যোগ ।

📌 আজই রেজিস্ট্রেশন করুন

রেজিস্ট্রেশন করতে কমেন্ট বক্সে দেখুন

🌟 আগামী বছর হোক আপনার সফলতার বছর

#গবেষণা_শিখুন
#ইংরেজি_ছাড়াই_রিসার্চ

চ্যাট জিপিটির যখন ভুল শিকার করে।আমরা অনেক ক্ষেত্রেই চ্যাট জিপিটি ব্যবহার করি কিন্তু সব ক্ষেত্রে কিন্তু সঠিক উত্তর দেয় ন...
20/12/2025

চ্যাট জিপিটির যখন ভুল শিকার করে।

আমরা অনেক ক্ষেত্রেই চ্যাট জিপিটি ব্যবহার করি কিন্তু সব ক্ষেত্রে কিন্তু সঠিক উত্তর দেয় না মাঝে মাঝে সে ভুল করে থাকে, তাই কোন বিষয় সম্পর্কে যদি আপনার কিছুটা ধারণা না থাকে, তাহলে সে বিষয়টা নিয়ে সম্পূর্ণ চ্যাটজিপিটির উপর নির্ভরশীল হওয়া ঠিক নয়।

#চ্যাটজিপিটি

📢 সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি—সামর্থ্য থাকলে পাশে দাঁড়াবেনআমি অত্যন্ত ভারাক্রান্ত মন নিয়ে এই লেখাটি লিখছি। কারণ এটি শুধু ...
14/12/2025

📢 সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি—সামর্থ্য থাকলে পাশে দাঁড়াবেন

আমি অত্যন্ত ভারাক্রান্ত মন নিয়ে এই লেখাটি লিখছি। কারণ এটি শুধু আমার ব্যক্তিগত কষ্টের গল্প নয়—এটি আমাদের দেশের গবেষণাপ্রেমী তরুণদের নীরব আর্তনাদ।

কয়েক মাস আগে আমি “Three Zero Three Problem” শিরোনামে একটি গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিক একটি জার্নালে (PLOS) সাবমিট করি। গবেষণাটি ছিল মানুষের উপর ভিত্তি করে করা, তাই রিভিউ শেষে জার্নাল কর্তৃপক্ষ আমার কাছে Ethical Approval (নৈতিক অনুমোদন)-এর ডকুমেন্ট চায় এবং এর জন্য আমাকে ৩০ দিনের সময় দেওয়া হয়।

এই অনুমোদন সংগ্রহের জন্য আমি অনেক আশা নিয়ে বাংলাদেশের BMRC (Bangladesh Medical Research Council)-এ যাই। প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র জমা দিই। সেখানে একজন সম্মানিত স্যার আমার গবেষণাটি দেখে প্রশংসাও করেন—সেই মুহূর্তে মনে হয়েছিল, হয়তো পরিশ্রমের স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছি।

কিন্তু সেই আশার আলো মুহূর্তেই নিভে যায়।

আমি যখন জানাই যে আমি একজন স্টুডেন্ট, এবং সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী যেখানে স্টুডেন্টদের জন্য Ethical Approval ফি মাত্র ২০০০ টাকা, সেখানে আমাকে সোজাসুজি বলা হয়—

> “আমরা স্টুডেন্টদের এই অ্যাপ্রুভাল দিই না। নিতে চাইলে প্রায় ২০,০০০ টাকা খরচ হবে।”

এই কথা শুনে আমি স্তব্ধ হয়ে যাই।

যেখানে সরকারি নিয়ম ও লিখিত নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা আছে—স্টুডেন্টদের জন্য আলাদা ও স্বল্প ফি নির্ধারিত, সেখানে এই প্রকাশ্য অনিয়ম ও দুর্নীতি আমাদের কোন পথে নিয়ে যাচ্ছে?

আজ যখন বাংলাদেশ জ্ঞান-বিজ্ঞানে পিছিয়ে পড়ছে, ঠিক তখনই তো গবেষণা সহজ করা উচিত ছিল। তরুণদের উৎসাহ দেওয়া উচিত ছিল। তাদের হাতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া উচিত ছিল—যাতে নতুন গবেষক, নতুন চিন্তক, নতুন বিজ্ঞানী তৈরি হয়।

কিন্তু বাস্তবতা হলো—
ভালো কাজ করলে এখানে পুরস্কার নয়, মেলে হতাশা।
পরিশ্রমের স্বীকৃতি নয়, মেলে অবহেলা।
স্বচ্ছতার বদলে মেলে চোখে বালির ঝাপটা।

এই সমস্যাটি শুধু আমার একার নয়। আমাদের সমাজে অসংখ্য তরুণ শিক্ষার্থী আছে—যারা সীমিত সামর্থ্য নিয়ে গবেষণা করছে, স্বপ্ন দেখছে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার। কিন্তু এমন বাধা তাদের স্বপ্ন ভেঙে দিচ্ছে, গবেষণা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য করছে।

আমাদের দেশে জ্ঞান–বিজ্ঞানের অন্ধকারের জন্য ১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বরের মতো কোনো এক ভয়ংকর রাত দায়ী নয়।
এই অন্ধকারের জন্য দায়ী স্বাধীনতার পর থেকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বসে থাকা দুর্নীতিবাজরা, এবং সেইসব স্বার্থান্বেষী মানুষ যারা এসব প্রতিষ্ঠান উন্নত করার বদলে ব্যক্তিগত অর্থ লাভের উদ্দেশ্যে রাস্তায় আন্দোলন করে।

এই সকলেই আজ বাংলাদেশের জ্ঞান–বিজ্ঞানের অবনতির জন্য দায়ী।

🙏 আমি সবার কাছে বিনীত আহ্বান জানাচ্ছি—
যদি এই বিষয়টি দেখার মতো কেউ থাকেন, যদি ন্যায়বিচারের পক্ষে দাঁড়ানোর মানসিকতা থাকে—তাহলে দয়া করে এগিয়ে আসুন।

কারণ আজ যদি আমরা চুপ থাকি,
আগামীকাল বাংলাদেশের জ্ঞান-বিজ্ঞানের ভবিষ্যৎ আরও অন্ধকার হয়ে যাবে।

এটা থামানো দরকার।
আমাদের জন্য, আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য।

আমাদের কমিউনিটি গঠনের উদ্দেশ্য: বাংলাদেশ থেকে জ্ঞান-বিজ্ঞানের অন্ধকার দূর করাjongcommunity #বাংলাদেশ হয়তো ভৌগোলিকভাবে ছ...
13/12/2025

আমাদের কমিউনিটি গঠনের উদ্দেশ্য: বাংলাদেশ থেকে জ্ঞান-বিজ্ঞানের অন্ধকার দূর করা

jongcommunity #

বাংলাদেশ হয়তো ভৌগোলিকভাবে ছোট, কিন্তু বুদ্ধিমত্তা, চিন্তাশক্তি আর প্রতিভার দিক দিয়ে আমরা মোটেও ছোট নই।
এই দেশে অসংখ্য মেধাবী, চিন্তাশীল ও উদ্ভাবনী মানুষ জন্ম নিচ্ছে প্রতিনিয়ত।
কিন্তু কষ্টের সত্য হলো— এই অসাধারণ মেধা থাকার পরও আমরা অসাধারণ কিছু করতে পারছি না।
বিশ্লেষণাত্মক মস্তিষ্ক থাকা সত্ত্বেও আমরা জ্ঞান-বিজ্ঞানের অন্ধকার দূর করতে ব্যর্থ হচ্ছি। কারণ আমাদের সম্ভাবনা আছে, কিন্তু দিকনির্দেশনা নেই। ক্ষমতা আছে, কিন্তু প্ল্যাটফর্ম নেই। স্বপ্ন আছে, কিন্তু সাহস আর সহায়তা নেই।
এর পেছনে দুটি বড় কারণ কাজ করছে— প্রথমত, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা, যা সৃজনশীলতা ও মৌলিক চিন্তাকে বিকশিত করার বদলে ধীরে ধীরে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
দ্বিতীয়ত, আমরা নিজেরাই, যারা নিজেদের প্রতিভা, দক্ষতা ও সম্ভাবনাকে ঠিকভাবে গড়ে তুলতে পারছি না।
শিক্ষাব্যবস্থা রাতারাতি বদলানো কঠিন— এটা আমরা জানি।
কিন্তু নিজেদের বদলানো?
এটা আমাদের হাতেই আছে।
আর সেই পরিবর্তনের সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার হলো— যোগাযোগ দক্ষতা।
আমাদের অনেকেই বই লিখতে পারেন, অনেকেই গবেষণা করতে পারেন, অনেকেই নতুন কিছু উদ্ভাবনের ক্ষমতা রাখেন।
আরও অসংখ্য দক্ষতা ও সক্ষমতা আমাদের মধ্যে লুকিয়ে আছে।
কিন্তু আমরা জানি না—
কীভাবে সেই কাজগুলো প্রকাশ করতে হয়,
কীভাবে সেগুলো সমাজ ও দেশের কাজে লাগাতে হয়,
কীভাবে সঠিক জায়গায় পৌঁছে দিতে হয়।
ফলে প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও আমরা থেমে থাকি, পিছিয়ে পড়ি।
আরও একটি বড় বাস্তবতা আছে— আমাদের অনেকেই বলতে চাই আমাদের গল্প, কিন্তু পাবলিক স্পিকিং করতে ভয় পাই।
ইংরেজিতে কথা বলতে চাই, কিন্তু চর্চার মতো নিরাপদ পরিবেশ খুঁজে পাই না। এই ভয়, এই জড়তাই আমাদের আটকে রাখে।
কিন্তু কল্পনা করুন— যদি আমরা সবাই একসঙ্গে থাকি,
যদি আমরা একে অপরের পাশে দাঁড়াই, তাহলে এই ভয় কি টিকে থাকতে পারে?
ধরুন—
আমরা সবাই মিলে একটি ছোট অনুষ্ঠান বা সেশন আয়োজন করলাম। সেখানে বাইরের কেউ নেই— শুধুই আমরা। কেউ বিচার করবে না, কেউ হাসবে না।
সেখানে আমরা নির্ভয়ে কথা বলব, ভুল করব, শিখব। এতে আমাদের জড়তা ভাঙবে, আত্মবিশ্বাস জন্ম নেবে, আর ধীরে ধীরে আমরা পাবলিক স্পিকিং ও যোগাযোগ দক্ষতায় শক্ত হয়ে উঠব।
ঠিক এখানেই আমাদের কমিউনিটির প্রয়োজনীয়তা।
আমরা এমন একটি প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলতে চাই, যেখানে—
সবাই একে অপরের সফলতার জন্য কাজ করবে,
জ্ঞান, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা নিঃস্বার্থভাবে শেয়ার করবে,
এবং একসঙ্গে দেশের জ্ঞান-বিজ্ঞানের অন্ধকার দূর করার শপথ নেবে।
আপনি যদি বই লিখতে জানেন কিন্তু প্রকাশের পথ না জানেন— এই কমিউনিটিতে কেউ না কেউ আপনাকে পথ দেখাবে। আবার আপনার জানা কোনো বিষয়ে কেউ সাহায্য চাইলে— আপনিও তার পাশে দাঁড়াবেন।
আপনি যদি গবেষণা করেন কিন্তু কোথায় প্রকাশ করবেন জানেন না— এখানে কেউ না কেউ আপনাকে সেই দরজাটা খুলে দেবে।
এইভাবেই,
একজন আরেকজনের হাত ধরে, সহযোগিতার মাধ্যমে
আমরা ব্যক্তিগত সফলতার পাশাপাশি জাতীয় উন্নতির পথে এগিয়ে যাব।
প্রতিবছর আমরা দেশের সেরা লেখক, গবেষক ও উদ্ভাবকদের সম্মাননা দেব— যাতে আগামী প্রজন্ম দেখে অনুপ্রাণিত হয়, যাতে তারা বুঝতে পারে— ভালো কাজেরও মূল্য আছে, সম্মান আছে।
আজকের সমাজে অবাঞ্ছিত কাজ করে সহজেই পুরস্কার পাওয়া যায়।
কিন্তু যারা বই লেখে, গবেষণা করে, জ্ঞান তৈরি করে—
তাদের জন্য প্রায় কোনো উৎসাহই নেই।
তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি—
আমাদের উৎসাহ আমরা নিজেরাই তৈরি করব।
আমাদের সম্মান আমরা নিজেরাই গড়ে তুলব।
এবং আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে আমরা নিজেরাই রক্ষা করব।
এখন প্রশ্ন একটাই—
আপনি কি আমাদের সঙ্গে থাকবেন?
আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি—
একসঙ্গে হলে আমরা পারব ব্যক্তিগত সফলতা অর্জন করতে, আর নিশ্চয়ই বাংলাদেশ থেকে জ্ঞান-বিজ্ঞানের অন্ধকার দূর হবে।

২০২৬ সাল হোক আপনার আমার, আমাদের সফলতার সাল!

সকলেই এই পেজটি ফলো করুন এবং whatsapp গ্রুপে যুক্ত হয়ে আমাদের সঙ্গেই থাকুন।

#অজ্ঞানতার_বিরুদ্ধে_যুদ্ধ

বাংলাদেশ বুদ্ধিমানদের দিক দিয়ে অনেক এগিয়ে,, কিন্তু বুদ্ধির ব্যবহারের দিক দিয়ে অনেক পিছিয়ে,তাই দেশ জ্ঞান বিজ্ঞানের দি...
01/12/2025

বাংলাদেশ বুদ্ধিমানদের দিক দিয়ে অনেক এগিয়ে,, কিন্তু বুদ্ধির ব্যবহারের দিক দিয়ে অনেক পিছিয়ে,তাই দেশ জ্ঞান বিজ্ঞানের দিক দিয়ে ডুবে আছে অন্ধকারে! যদি আমরা বুদ্ধির সঠিক ব্যবহার করতাম তাহলে অন্যদের তুলনায় আমরাই সুপার হিরো হতাম। আর এই বুদ্ধির ধ্বংসের জন্য দায়ী আমাদের দুর্গন্ধযুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা।


#শিক্ষাব্যবস্থা #বাঙালির #বিজ্ঞান #বই

24/11/2025

কি আছে এই ভাইরাল বইটিতে
#বর্তমানের_ভাইরাল_বই
#শিক্ষিত_ভোদাইদের_বাংলাদেশ_

24/11/2025

ভূমিকম্পের সময়ের ভিডিও, দেখুন কত জোরে ভূমিকম্প হয়েছে?

#ভাইরালভিডিওシ #ভূমিকম্প

20/11/2025

অনেক ক্ষেত্রেই সামাজিক প্রভাব মানুষের জীবনকে কঠিন করে দেয়!
jong

17/11/2025

বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আগামীর প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

Address

Mirpur 2
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jong-publication posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share