Nutrition & Diet for Lifestyle

Nutrition & Diet for Lifestyle Life is beautiful, so enjoy yourself.

13/12/2022

# # সদ্যজাত শিশুর সূর্যালোকের প্রভাব

আগের দিনের নানী-দাদীরা সদ্যজাত শিশুকে সূর্যালোকে রেখে গায়ে তেল মাখাতেন। কিন্তু বর্তমানে দালাল-কোঠার যুগে বাসাবাড়ি থেকে সূর্যের আলো দেখাটাই সমস্যা। তাছাড়া বর্তমানে আমাদের জীবনযাত্রার ধরনও পাল্টে গেছে। মে কারণে এসময়ের শিশুরা বাইরের তুলনায় ঘরের ভেতরে থেকেই বেশি অভ্যস্ত। আর তাই বর্তমান শিশুদের মধ্যে ভিটামিন ডি এর অভাবও বেশি দেখা যায়। সূর্যের আলো শরীরে ভিটামিন ডি তৈরিতে সাহায্য করে। জন্মের প্রথম ছয় মাস শিশুকে প্রতিদিন নিয়ম করে সূর্যালোকে রাখলে তাদের শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি তৈরি হয়। এতে শিশুকে আর আলাদা করে ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ দুধ দেয়ার প্রয়োজন হয় না। তাছাড়া ভিটামিন ডি ক্যালসিয়াম শোষণেও সহায়তা করে, শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি বজায় রাখে, হাড়ের গঠন ও বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

শিশুর ছয় মাস বয়স পর্যন্ত ত্বকে খুবই কম পরিমাণ মেলানিন থাকে। এরপর আস্তে আস্তে মেলানিনের পরিমাণ বাড়তে থাকে। মেলানিন হল পিগমেন্ট বা রন্জক যা ত্বক, চুল ও চোখের রঙ প্রদান করে। ত্বকে মেলানিনের পরিমাণ বেশি হলে ত্বকের রঙ গাঢ় হয়। এই মেলানিন সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে। তবে শিশুর ছয় মাসের আগে মেলানিন সম্পূর্ণভাবে তৈরি হয় না। আবার যেহেতু এসময় শিশুর চোখ অনেক নাজুক থাকে তাই ছয় মাসের কম বয়সী শিশুকে সরাসরি সূর্যালোকে রাখা ঠিক নয়। ঘরের ভেতরে সূর্যের আলো পৌঁছায় এমন স্থানে শিশুকে রাখতে হবে। তবে শিশুর চোখে যাতে সরাসরি সূর্যের আলো না লাগে সেদিকে নজর দিতে হবে। সকালের মিষ্টি রোদ শিশুর ত্বকের জন্য খুবই ভালো। সেক্ষেত্রে সকাল ৭ টা থেকে ১০ টা পর্যন্ত যেকোন সময় শিশুকে রোদে রাখা যেতে পারে। প্রতিদিন ৩০ মিনিট সূর্যালোক শিশুর জন্য যথেষ্ট। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যেনো রোদ থেকে শিশুর পানি স্বল্পতা দেখা না দেয়। সাধারণত শিশু ছয় মাস বয়স পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধই পান করে। তাই আর আলাদা করে পানির প্রয়োজন নেই। সেক্ষেত্রে শিশুকে রোদে রাখলে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি পরিমাণে বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। তবে যেসব শিশু মায়ের বুকের দুধের পাশাপাশি কৌটার দুধ পান করে তাদের ক্ষেত্রেও এই বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।

আর মাঝে মাঝে অবশ্যই শিশুর শরীরে হাত দিয়ে তাপমাত্রা খেয়াল করতে হবে। শিশুর শরীর অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলে সূর্যালোক থেকে দূরে রাখতে হবে। তাছাড়া হালকা শেডের ব্যবস্থাও করা যেতে পারে। গরমের সময় হালকা সুতির কাপড় পরাতে হবে। আর চারপাশের বাতাস ঠান্ডা রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। তবে শিশুকে যদি একেবারেই সকালের রোদে রাখা সম্ভব না হয় সেক্ষেত্রে দিনের যে সময়টা সূর্যালোক পাওয়া যাবে সেই সময় শিশুকে নিয়ম করে রোদে রাখতে হবে। সেক্ষেত্রে শিশুকে রোদে রাখার নিয়ম কানুন গুলো মাথায় রাখতে হবে।

19/07/2021

# # মেজাজ ফুরফুরে করতে অপরাজিতা চা পান করুন

লতানো গাছে ছোট ছোট নীল বা সাদা রঙের অপরাজিতা ফুল দক্ষিণ - পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে বেশি দেখা যায় । তবে নীল রঙের ফুলই বেশি দেখা যায় । আর বর্তমান সময়ে এই অপরাজিতা ফুল হয়ে উঠেছে অধিক জনপ্রিয় । কেননা এই নীল রঙের ফুল থেকে তৈরি করা যায় চা, যা অপরাজিতা চা নামে পরিচিত । গরম পানিতে নীল রঙের ফুল দিয়ে কিছুক্ষণ ফুটালে গাঢ় নীল রঙের চা তৈরি হয় । একারনে একে নীল চা ও বলা হয় । এটি একটি সম্পূর্ণ ক্যাফেইন মুক্ত চা।

বর্তমান সময়ে অপরাজিতা চা এর জনপ্রিয়তা বেড়ে গেলেও ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডে এর প্রচলন রয়েছে অনেক আগে থেকেই । লেবুর রস ও মধুমিশ্রিত এই চা রাতের খাবারের পর পান করা হয় । এছাড়া পানিতে ফুটানো এই নীল রং খাবারে ব্যবহার করা হয় খাবারের রং হিসেবে । বর্তমানে অনেক সুপারশপে ও অনলাইনে প্যাকেটজাত এই চা পাওয়া যাচ্ছে ।

অম্ল-ক্ষারের ভারসাম্যের জন্য এই নীল রঙের চায়ের রঙের পরিবর্তন দেখা যায় । যেমন গাঢ় নীল রঙের অপরাজিতা চা এর সাথে সামান্য লেবুর রস মেশালে তা আস্তে আস্তে বেগুনী রং ধারন করে । কেননা লেবুর রসে রয়েছে এসিড বা অম্ল যা নীল রঙের পরিবর্তন ঘটায়। যত বেশি লেবুর রস মেশানো যাবে চা এর রং তত বেশি বেগুনী হবে । আবার যদি এই গাঢ় নীল রং এর চায়ের সাথে জবা ফুলের পাপড়ি মেশানো হয় তাহলে তা আস্তে আস্তে গোলাপি থেকে গাঢ় লাল রং ধারণ করে কেননা জবা ফুলে রয়েছে ক্ষার যা রঙের পরিবর্তন করে ।

অপরাজিতা চা তে রয়েছে ক্যাটেচিন যা পেটের চর্বি কমাতে সাহায্য করে। গরম নীল চা বিপাকক্রিয়া বাড়ায় যা শরীর থেকে ক্যালোরি নির্গত হতে সহায়তা করে, যা পরবর্তীতে ওজন কমাতে সহায়তা করে । এছাড়াও অপরাজিতা গাছের রয়েছে বিভিন্ন ভেষজ গুণ । ওজন কমাতে চাইলে সারাদিনে ২ কাপ নীল চা পান করতে হবে । এই চা ঠাণ্ডা বা গরম দুইভাবেই খাওয়া যাবে । তাতে একই ধরনের উপকার পাওয়া যাবে ।

অপরাজিতা চা বা নীল চা মানসিক অবসাদ ও ক্লান্তি দূর করে । তাই সারাদিনে এক কাপ গরম নীল চা খাওয়া যেতেই পারে । এতে রয়েছে অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি(প্রদাহনাশক) ও বেদনানাশক বৈশিষ্ট্য যা মনের উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে। গবেষণায় বলা হয়েছে, অপরাজিতা চা দুশ্চিন্তা ও অবসাদ দূর করতে সহায়তা করে । এক কাপ চা সারাদিন শরীরকে সতেজ ও মানসিকভাবে খুশি রাখতে সহায়তা করে । আর এ কারনে অপরাজিতা চা কে মন চাঙ্গাকারী চা বলেও আখ্যায়িত করা হয় । অপরাজিতা চা কে ম্যাজিক চা ও বলা হয় ।

কিভাবে বানাবেন অপরাজিতা চা বা নীল চাঃ

এক কাপ ফুটন্ত গরম পানিতে ৪- ৫ টি নীল অপরাজিতা ফুল ছেড়ে দিতে হবে । শুকনো অথবা তাজা এই দুই ধরনের ফুলই ব্যবহার করা যায় । পানিতে ছাড়ার পূর্বে ফুলের সবুজ অংশ আলাদা করে নিতে হবে । পানি ভালোভাবে ফুটালেই দেখা যাবে পানি হালকা নীল রং ধারন করেছে । এরপর ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে গরম বা ঠাণ্ডা পরিবেশন করতে হবে । সূগণ্ধি করার জন্য গরম পানিতে আদা বা দারচিনি দেয়া যেতে পারে । রাতে খাওয়ার পর এই চা পান করলে ঘুম ভালো হবে এবং হজমেও উপকার পাওয়া যাবে ।
# bluetea

18/07/2021

# # ওজন কমাতে লেবু-পানি পান করুন

ওজন কমাতে চাইলে প্রথমেই যেটা মাথায় আনতে হবে সেটা হচ্ছে এমন কিছু খাওয়ার প্রয়োজন যা হবে কম ক্যালোরিযুক্ত । অর্থাৎ যা সহজেই আমাদের শরীরের চর্বি কমাতে সহায়তা করে । ক্যালোরির কথা বিবেচনা করলে আমরা খুব সহজেই চিন্তা করতে পারি লেবু পানির বিষয়টি । কেননা লেবু পানি হচ্ছে খুবই কম ক্যালোরিযুক্ত একটি পানীয় যা শুধু ওজনই কমায় না বরং এর রয়েছে আরও কিছু উপকারী বৈশিষ্ট্য । লেবুতে রয়েছে ভিটামিন সি যা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে যা ত্বকের ও চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে, মুখের বলিরেখা কমায় ও সূর্যের খারাপ রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে । এছাড়াও ভিটামিন সি হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় ও উচ্চ রক্তচাপ কমায় ।

লেবুর অম্ল বৈশিষ্ট্য আমাদের শরীরের অপ্রয়োজনীয় উপাদান এবং বিষক্রিয়া শরীর থেকে বের করতে সহায়তা করে, কৌষ্ঠ্যকাঠিন্য দূর করে ও অন্ত্র ঠিক রাখে । লেবুতে থাকা পেকটিন আমাদের শরীরের চিনি ও শ্বেতসার জাতীয় খাবারের শোষণকে দীর্ঘায়িত করে যার ফলে সহজেই ওজন বেড়ে যায় না । এছাড়া লেবু পানি যকৃতে প্রয়োজনীয় পাচকরস তৈরি করতে সহায়তা করে যা আমাদের হজমে সাহায্য করে । হালকা কুসুম গরম পানিতে মিশ্রিত লেবুর রস হজমে সহায়তা করে এবং ক্ষুধাভাব কমায় । ওজন কমাতে চাইলে অবশ্যই সারাদিন প্রচুর পরিমানে পানি পান করা উচিৎ । সাদা পানি পান না করে লেবু মিশ্রিত পানি পান করলে বেশি পরিমানে পান করা যায় । এতে ক্ষুধাভাব কম লাগে এবং আমাদের খাওয়ার ইচ্ছা কমে যায় । এছাড়াও সারাদিনে কয়েকবার লেবু পানি পান করা যেতে পারে । এতে আমাদের সারাদিনের ক্যালোরির পরিমান কম হবে যা আমাদের ওজন কমাতে সাহায্য করবে । সারাদিনে ২টি লেবুর রস খাওয়াই যথেষ্ট ।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলেন, পেটের চর্বি কমাতে চাইলে কমপক্ষে ৭ দিন নিয়ম করে হালকা কুসুম গরম পানিতে লেবুর রস দিয়ে খেতে হবে । তবে এই লেবু পানি সকালের নাশতা করার কমপক্ষে ২০ মিনিট আগে খালিপেটে খাওয়া ভালো । এর সাথে চাইলে ১ চা চামচ মধু মিশিয়েও খাওয়া যেতে পারে ।

তবে সকালবেলা খালিপেটে লেবু পানি খাওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে । কেননা লেবুতে রয়েছে সাইট্রিক এসিড । অতিরিক্ত পরিমানে এসিডের ফলে দাঁতের মাড়ির ক্ষতি হতে পারে । সেক্ষেত্রে দাঁতের গোড়া দিয়ে রক্ত পড়তে পারে । অথবা মুখের মধ্যে সারাক্ষণ টকভাব, বুক জ্বালাপোড়া, বমি বমি ভাবও হতে পারে । যদি খালি পেটে লেবু পানি পান করার ফলে অ্যাসিডিটির সমস্যা হয় তাহলে অবশ্যই খালি পেটে লেবু পানি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে । সেক্ষেত্রে সকালে হালকা কিছু খাওয়ার পর লেবু পানি পান করতে হবে । এছাড়া সারাদিনে লেবু পানি খাওয়ার ক্ষেত্রেও এ পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে ।

01/01/2021

প্রত্যেক বছরের মতো আনন্দময় পরিবেশে ২০২১ সালকে স্বাগত জানাতে না পারলেও নতুন বছরে সবার পথচলা শুভ হোক। করনাকালীন দুর্যোগ কাটিয়ে খুব শীঘ্রই আবার সবাই স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবো এই আশা করছি। সবার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সুস্থতা কামনা করছি। সবাইকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা।

08/12/2020

# #রান্নার তেল সাজিয়ে রাখার জিনিস নয়

রান্নার সময় তেল একটি অতি প্রয়োজনীয় উপাদান। স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে যেমন আমরা রান্নার সময় পরিমাপ করে তেল ব্যবহার করি তেমনি আমাদের উচিত রান্নার তেল সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা। কেননা সঠিকভাবে তেল সংরক্ষণ করলে তেল অনেকদিন পর্যন্ত ভালো থাকে। রান্নাঘরের সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন জিনিসের সাথে আমরা রান্নার তেলের পাত্রটিও সাজিয়ে রাখি। কিন্তু আমরা একবারও ভেবে দেখি না আমরা তেল রাখার জন্য যে পাত্রটি ব্যবহার করছি বা যে পরিবেশে তেল রাখছি সেটা তেল রাখার জন্য সঠিক কিনা। সব ধরনের তেল ঠাণ্ডা, শুকনা ও সূর্যের আলো থেকে দূরে রাখতে হবে। তাপ, বাতাস, আর্দ্রতা ও সূর্যের আলো সহজেই তেলের সাথে বিক্রিয়া করে এবং দ্রুত তেলের গন্ধ ও স্বাদের পরিবর্তন করে। সাধারনত রান্নার তেলের খুব হালকা গন্ধ থাকে। কিন্তু যখন তেল নষ্ট হতে শুরু করে তখন তেলে আলাদা গন্ধ পাওয়া যায় যেমন তা হতে পারে পচা চিনাবাদামের গন্ধ বা কোন ধাতু বা কোন রঙের গন্ধ। সব তেলই হালকা চিটচিটে, পিচ্ছিল ও তৈলাক্ত। কিন্তু যদি তেল নষ্ট হতে শুরু করে তাহলে তেল একটু ঘন হয়ে যায় বা পাত্রের ভিতর ধোঁয়াটে ভাব দেখা যায় এবং হাত দিলে তুলনামুলকভাবে বেশি আঠাল মনে হয়। এই ধরনের দুর্গন্ধ বা স্বাদহীন তেল অবশ্যই রান্নায় ব্যবহার করা উচিত নয়। নষ্ট হয়ে যাওয়া তেল রান্নায় ব্যবহার করলে তা খাওয়ার পর অ্যাসিডিটির সমস্যা, বুক জ্বালা পোড়া ও পেটে ব্যাথা করতে পারে। তাছাড়া তেল অনেকদিন আব্যবহ্রিত অবস্থায় পরে থাকলেও এ ধরনের পরিবর্তন হতে পারে। তাই বাজার থেকে কেনার সময় তেলের প্যাকেট বা বোতলের গায়ে মেয়াদ লেখা আছে কিনা তা অবশ্যই লক্ষ্য করুন। এছাড়া ভালো মানের তেল কিনুন। প্যাকেট বা বোতলজাত তেল কিনুন, খোলা তেল কিনবেন না। খোলার পরে তেল তিন থেকে চার মাসের মধ্যেই শেষ করুন।

রান্নাঘরে চুলার পাশে, পিছনে বা উপরে থাকা ক্যাবিনেটে তেল রাখা উচিত নয়। কেননা রান্নার সময় চুলার আশেপাশের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। আর এই তাপমাত্রা পরিবর্তনের কারনে তেল নষ্ট হয়। এছাড়া যেসব জিনিস গরম হয় যেমন ইলেকট্রিক কেতলি, টোস্টার, রাইস কুকার, ইনডাকশন এর পাশেও তেল রাখা ঠিক নয়। তাছাড়া বাজারে যেখানে সবসময় বেশি গরম থাকে সেখান থেকেও তেল কেনা ঠিক নয়। যদিও বাজারে প্রচলিত তেলের বোতলগুলো প্লাস্টিকের হয় প্লাস্টিকের বোতলে তেল রাখা ঠিক নয়। কেননা সময়ের সাথে প্লাস্টিকের বোতলের সাথে তেলের রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে যার ফলে তেলের স্বাদ ও গন্ধের পরিবর্তন ঘটে। আমাদের উচিত তেল কিনে আনার পর গারো নীল বা সবুজ রঙের ঢাকনাযুক্ত কাঁচের বোতলে তেল সংরক্ষণ করা। কেননা গারো নীল বা সবুজ রঙের বোতলে সরাসরি আলো প্রবেশ করে তেলের সাথে বিক্রিয়া করতে পারে না। আর এই বোতল শুষ্ক, ঠাণ্ডা ও অন্ধকার স্থানে রাখলে ভালো। রান্নার জন্য ঢাকনাযুক্ত ছোট বোতলে প্রয়োজনীয় তেল রাখতে পারেন। কেননা বড় বোতল নাড়াচাড়া করা সমস্যা। এই ঢাকনাযুক্ত ছোট বোতল অন্ধকার ক্যাবিনেটে রাখতে হবে। যদি রান্নাঘরে একাধিক তেলের বোতল থাকে তাহলে বোতলের গায়ে তেলের নাম লিখে রাখুন। তেল ব্যবহারের পর অবশ্যই তেলের বোতলের মুখ বা ঢাকনা ভালোভাবে লাগিয়ে রাখুন। কারণ বাতাসও তেলের গন্ধ ও স্বাদের পরিবর্তনের জন্য দায়ি। তাছাড়া লোহা ও তামার তৈরি বোতলেও তেল রাখা ঠিক নয়। কেননা লোহা ও তামা তেলের সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে তেলকে অস্বাস্থ্যকর করে তোলে।

05/12/2020

শীতকাল মানেই শুষ্ক আবহাওয়া। গ্রীষ্মকালের তুলনায় শীতকালে বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকে। ফলে শুষ্ক বাতাস ত্বকের জলীয় অংশ শোষণ করে। যে কারনে আমাদের ত্বকের পানির পরিমান কমতে থাকে এবং সহজেই ত্বকে অনুভূত হয় টান টান ভাব বা শুষ্কতা। ত্বকের এই শুষ্কতার কারনে ত্বকে দেখা দিতে পারে অস্বস্তি, লালচে ভাব ও চুলকানি। তাই শীতকালে ত্বকের ধরন বুঝে সঠিক ময়েশ্চারাইজার বা লোশন বা ক্রীম ব্যবহার করতে হবে। ত্বকের কোমলতার জন্য বছরের বাকি সময় হালকা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করলেও শীতকালে শুষ্ক আবহাওয়ার জন্য প্রয়োজন ভারী ময়েশ্চারাইজার যা ত্বককে শুষ্কতার হাত থেকে রক্ষা করতে পারবে। এছাড়া শীতের শুষ্ক আবহাওয়ার দরুন মুখে দেখা দিতে পারে বলিরেখা। বলিরেখা যদিও বয়সের ছাপকে নির্দেশ করে, তবুও সবার উচিত আগে থেকেই এর প্রতিকার করা। কেননা শীতকালের এই বলিরেখাই আপনার মুখে স্থায়ী হয়ে যেতে পারে। তাই শীতকালে প্রয়োজন ত্বকের বাড়তি যত্ন। প্রতিদিন ২ বার মানে সকাল ও রাতে মুখ ধোয়া উচিত তবে প্রয়োজন বুঝে ৩ বার মুখ ধোয়া যেতে পারে। ত্বক বুঝে ফেসওয়াশ বা সাবান ব্যবহার করতে হবে যাতে মুখ ধোয়ার পর মুখ শুষ্ক মনে না হয়। আর অবশ্যই অ্যালকোহল ছাড়া ফেসওয়াশ ব্যবহার করতে হবে। মুখ ধোয়ার পর হালকা হাতে পরিষ্কার টাওয়েল দিয়ে মুখ মুছতে হবে, ঘষাঘষি করা যাবে না। মুখ ধোয়ার পরপরই মুখে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। ঘরের বাইরে যাওয়ার আগে অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। প্রত্যেক ২ ঘণ্টা পরপর সানস্ক্রিন লাগান আর মখু যদি অনেক ঘেমে যায় তাহলে সাথেসাথে সানস্ক্রিন লাগাতে হবে। বাইরে থেকে এসে অবশ্যই মুখ পরিষ্কার করতে হবে। প্রতিদিন কমপক্ষে আড়াই লিটার পানি পান করুন। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় শাকসবজি ও ভিটামিন সি জাতীয় ফল যেমন কমলা, মালটা, পেয়ারা রাখতে হবে। কোন খাবারে অ্যালার্জীর সমস্যা থাকলে তা এড়িয়ে চলুন। আর ত্বকে কোন ফুস্কুরি বা অ্যালার্জীর সমস্যা দেখা দিলে সাথে সাথে ত্বক বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

01/12/2020

# # শীতকালে অ্যাজমা রোগীদের বিশেষ যত্ন

প্রচণ্ড গরমের পর শীতের ঝিরিঝিরি বাতাস মানে স্বস্তিদায়ক আবহাওয়া। তাই অনেকের কাছেই শীতকাল একটি প্রিয় ঋতু। তবে শীতকাল আমাদের কাছে আরামদায়ক ও প্রিয় ঋতু হলেও শীতে প্রয়োজন সবারই বাড়তি যত্ন। কেননা শীতকালে যেমন কুয়াশা দেখা যায় তেমনি অনুভব করা যায় ঠাণ্ডা বাতাস, যা মানুষের বিভিন্ন ধরনের রোগের কারণ। বিশেষ করে সর্দি কাশি বাংলাদেশে খুবই সাধারন ঘটনা শীতকালে। আর এ সময় শিশুদের এবং বয়স্ক ব্যাক্তিদের প্রয়োজন বিশেষ যত্ন। তবে যাদের অ্যাজমার সমস্যা আছে তাদের অবশ্যই বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কেননা শীতকালে অ্যাজমার সমস্যা বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। অ্যাজমা হল এমন একটি অবস্থা যখন শ্বাসনালী ফুলে যায় এবং শ্লেষ্মা উৎপন্ন হয়। যার ফলে শ্বাসনালী সরু হয়ে যায়। আর তাই পর্যাপ্ত বাতাস সহজে প্রবাহিত হতে পারে না, আর এ কারনে শ্বাস নিতে কষ্ট হয় এবং কাশির উদ্রেক হয় ও শ্বাস নেয়ার সময় বাঁশির মত আওয়াজ হয়। শীতকালে বাতাসে ধুলাবালি বেশি থাকে যা অ্যাজমা রোগীদের জন্য খুবই খারাপ। এছাড়া ঠাণ্ডা বাতাসেও অ্যাজমার সমস্যা বেড়ে যায়।

বিশেষজ্ঞরা বলেন যে, ঠাণ্ডা ও শুষ্ক আবহাওয়ায় ভাইরাস বেশিদিন বেঁচে থাকতে পারে। তাছাড়া শীতকালে ছোট দিনের কারনে মানুষ পর্যাপ্ত রোদের আলো পায় না যার ফলে আমাদের শরীরে পর্যাপ্ত পরিমান ভিটামিন ডি ( ভিটামিন ডি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ) উৎপন্ন হতে পারে না। আর এ কারনে শীতকালে মানুষের মধ্যে বেশি রোগ জীবাণুর সংক্রমণ ঘটে। অ্যাজমা রোগীদের শীতের শুরু থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে হবে যেন শীতে শারীরিক অবস্থা বেশি খারাপ না হয়। তাই শীতের শুরুতেই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে প্রেসক্রিপশন করিয়ে রাখতে হবে।

শীতের সময় শুধু যে বাইরের ধূলাবালি থেকে অ্যাজমার প্রকোপ বেড়ে যেতে পারে তা কিন্তু নয়, বরং ঘরের ভিতরের ধূলাবালি থেকেও এ সমস্যা বাড়তে পারে। কেননা ঘরের ভিতরের কার্পেট, সোফার কাভার, লেপ, কম্বল, বিছানার চাদর, আসবাবপত্রে প্রচুর ধূলা জমে যা নাক মুখ দিয়ে শ্বাসনালীতে ঢুকে গিয়ে কাশি ও শ্বাসকষ্ট করতে পারে। তাই বাসার ভিতরের এসব ধূলাবালি সবসময় পরিষ্কার রাখতে হবে। প্রত্যেক সপ্তাহে বিছানার চাদর, লেপের কাভার, বালিশের কাভার, নিজের শীতের কাপড় গরম পানিতে ধুতে হবে। কম্বল ব্যবহার করলে কম্বলের কাভার ব্যবহার করাই ভালো। শীতের শুরুতেই তুলে রাখা শীতের কাপড়, লেপ ও কম্বলের কাভার ভালোভাবে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে নিতে হবে। বাসার ধূলাবালি পরিষ্কার করার জন্য ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার করতে পারেন। ঘরের ভিতর শুকনা ও আরামদায়ক পরিবেশ রাখতে হবে। কেননা শুকনা ও ঠাণ্ডা পরিবেশে মোল্ড জন্মাতে পারে না। এ কারনে বাথরুমে ও রান্নাঘরে নিষ্কাশন ফ্যান ব্যবহার করতে পারেন। রান্নার সময় এবং ডিশওয়াশ দিয়ে থালাবাসন ধোয়ার সময় নিষ্কাশন ফ্যান ব্যবহার করবেন। বাসার দরজা ও জানালার ফাঁক-ফোকর বন্ধ করুন যাতে বাইরের ধূলাবালি ও ঠাণ্ডা বাতাস না আসতে পারে। বাসার ধূলাবালি পরিষ্কার করার সময় অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করবেন। ঠাণ্ডা পানি না খেয়ে কুসুম গরম পানির অভ্যাস করুন। খাবার গরম করে খান, পচা-বাসি খাবার এড়িয়ে চলুন। দিনে দুইবার আদা ফুটিয়ে পানি পান করুন। যদি হালকা কাশি দেখা দেয় তাহলে লেবুর রসের সাথে মধু মিশিয়ে খান। গোসলের সময় গরম পানি ব্যবহার করুন। বাসার ভিতর স্যান্ডেল পড়ার অভ্যাস করুন এবং বাইরে গেলে পা ঢাকা জুতা পড়ার অভ্যাস করুন।

বাইরে গেলে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে যাতে ধূলাবালি ও ঠাণ্ডা বাতাস নাকে মুখে না ঢুকে যায়। শীতকালে সকালের কুয়াশা এড়িয়ে চলুন। ঘরের ভিতর হাঁটা ও ব্যায়ামের অভ্যাস করুন। প্রতিদিন কিছু সময় রোদে থাকুন। আপনার পাশে ঠাণ্ডাজনিত কোন অসুস্থ ব্যাক্তি থাকলে দূরত্ব বজায় রাখুন। ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন এবং ঠিকমত ঔষধ সেবন করুন। যারা ইনহেলার ব্যবহার করেন তারা নিয়ম করে মেনে চলুন এবং বাইরে কোথাও গেলে অবশ্যই সাথে ইনহেলার রাখবেন। কোন খাবারে অ্যালারজী থাকলে তা এড়িয়ে চলুন। এসময় ফুলের রেণু, পারফিউম, সিগারেটের ধোঁয়া, পশুপাখির লোম, কঠিন ব্যায়াম এড়িয়ে চলুন। নিয়মিত ঔষধ খাওয়ার পরেও যদি কাশি, বুকে ব্যাথা বা বুক ভারী হয়ে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট মনে হয় তাহলে তাড়াতাড়ি ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।


17/10/2020

# # ভাত খাওয়ার সময় এক টুকরা লেবু খান

লেবু যে কোন খাদ্য তালিকায় খুবই জনপ্রিয় খাবার। কেননা খুব অল্প পরিমান লেবুর রস খাবারে আনে সুগন্ধ। লেবু শুধু খাবারে সুগন্ধই বৃদ্ধি করে না খাবারের স্বাদ ও সৌন্দর্যকেও আরও বাড়িয়ে তোলে। লেবু শুধু রান্না করা খাবারের সাথে খাওয়া হয় তাই নয়, খাবার তৈরি করার সময়ও ব্যাবহার করা হয় । এছাড়া বিভিন্ন ধরনের শরবত ও সালাদ বানানোর সময়ও লেবু ব্যাবহার করা হয়। পুষ্টির দিক বিবেচনা করলে লেবুতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন সি। ভিটামিন সি আমাদের শরীরের ক্ষয়পুরন ও বৃদ্ধি সাধন করে, শরীরের যে কোন ক্ষত ও কাঁটাছেরা দ্রুত শুকাতে সহায়তা করে, আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় । ভাত খাওয়ার সময় আমরা ভাতের সাথে মাছ, মাংস, শাকসবজি, ডাল, সালাদ খেয়ে থাকি। এসব খাবারে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি উপাদান থাকে। এসব পুষ্টি উপাদানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল লৌহ বা আয়রন। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত পরিমাণে আয়রন থাকা খুবই প্রয়োজনীয়। কেননা আয়রন শরীরে শোষিত হওয়ার পর এটি শরীরে হিমোগ্লোবিন তৈরির উপাদান হিসেবে কাজ করে। হিমোগ্লোবিন হল এক ধরনের প্রোটিন যা লোহিত রক্ত কণিকাতে থাকে যা আমাদের শরীরে অক্সিজেন পরিবহন করে। যদি আমাদের শরীরে আয়রনের অভাব হয় তাহলে হিমোগ্লোবিন তৈরিতে বাধাপ্রাপ্ত হয়। তখন শরীরে লোহিত রক্ত কণিকার পরিমাণ কমতে থাকে। যা পরবর্তীতে শরীরে লৌহ জনিত ঘাটতি অ্যানেমিয়া বা আয়রন ডেফিসিয়েন্সি অ্যানেমিয়া তৈরি করতে পারে যার ফলে দুর্বলতা ও নিঃশ্বাস নিতে সমস্যা অনুভুত হয়। ভিটামিন সি আমাদের শরীরে এই আয়রনের শোষণকে বাড়িয়ে দেয়। তাই ভাত খাওয়ার সময় যদি এক টুকরা লেবু খাওয়া হয় তাহলে খাবারে উপস্থিত আয়রন আমাদের শরীরে খুব ভালভাবে শোষিত হবে। এর ফলে আয়রনের অভাব থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। এছাড়া সারাদিনের খাদ্য তালিকায় অন্যান্য ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবারও রাখতে হবে। অন্যান্য ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার হল - কমলা, পেয়ারা, জাম্বুরা, ব্রকলি, বাধাকপি, ফুলকপি, পালং শাক ও অন্যান্য শাক, মিষ্টি আলু, টমেটো।

12/10/2020

# # শিশুর এক বছরের আগে গরুর দুধ নয়

জন্মের পর থেকে ছয় মাস বয়স পর্যন্ত শিশুকে মায়ের বুকের দুধ দেয়া খুবই জরুরি । কেননা বুকের দুধে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমানে পুষ্টি উপাদান ও পানি যা শিশুকে সঠিকভাবে বেড়ে উঠতে সহায়তা করে এবং শিশুকে রোগজীবানুর হাত থেকে রক্ষা করে । তাই ছয় মাস বয়স পর্যন্ত শিশুকে মায়ের বুকের দুধ ছাড়া অন্য কোন খাবার এমনকি পানিও দেয়ার প্রয়োজন নেই । ছয় মাস পরে মায়ের বুকের দুধের পাশাপাশি শিশুকে অন্যান্য শক্ত ও তরল খাবারে অভ্যস্ত করতে হবে । তবে যদি কোন কারনে শিশু পর্যাপ্ত পরিমানে মায়ের বুকের দুধ না পায় তাহলে শিশুর বৃদ্ধি ব্যাহত হয় । তখন অবশ্যই শিশুকে বাইরের দুধ দিতে হবে । সেক্ষেত্রে বাজারে প্রচলিত শিশু দুধ দেয়া যেতে পারে । তবে শিশুর এক বছর বয়স হওয়ার আগে কখনই গরুর দুধ দেয়া যাবে না ।

কেননা গরুর দুধে প্রোটিন (ক্যাসেইন ও হুয়ে) এবং সোডিয়ামের পরিমান বেশি থাকে যা শিশুর কিডনি বা বৃক্ক এর জন্য খারাপ । এতে শিশুর হজমের সমস্যার কারনে শরীরের তাপমাত্রা মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে যেতে পারে, বমি, পাতলা পায়খানা ও জ্বর দেখা দিতে পারে । এছাড়া গরুর দুধে পর্যাপ্ত পরিমানে লৌহ বা আয়রন ও ভিটামিন সি থাকে না যা শিশুর জন্য খুবই প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান ।এ কারনে শিশুর লৌহ ঘাটতি জনিত অ্যানেমিয়া (কম সংখ্যক লোহিত রক্ত কণিকা) হওয়ার সম্ভাবনা থাকে । এছাড়া গরুর দুধের অধিক প্রোটিন শিশুর পাকস্থলী ও অন্ত্রের আস্তরনে রক্তপাত ঘটাতে পারে যা অনেক সময় চোখে দেখা যায় না অথবা মলের সাথে দেখা যেতে পারে । এই অবস্থাও শিশুর অ্যানেমিয়া করতে পারে । মায়ের বুকের দুধের থেকে গরুর দুধে ফ্যাট এর পরিমানও কম থাকে । তবে বাজারে প্রচলিত শিশু দুধে ক্যাসেইন ও হুয়ে এর পরিমান নির্দিষ্ট করে প্রোটিনের পরিমান নিয়ন্ত্রণ করা হয় । এছাড়া অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান এর সামন্জ্ঞস্য করা হয় । এ কারনে মায়ের বুকের দুধের মত পুষ্টি উপাদান না পাওয়া গেলেও শিশুর স্বাস্থ্যের কোন সমস্যা হয় না। তাই যদি কোন কারনে মায়ের বুকের দুধের ঘাটতি দেখা যায় তাহলে প্রথম এক বছর শিশুকে গরুর দুধ না দিয়ে বাজারের শিশু দুধ দিতে হবে । এরপর এক বছর পরে আস্তে আস্তে শিশুকে গরুর দুধে অভ্যস্ত করে তুলতে হবে । তবে শিশুকে এক বছরের আগে গরুর দুধ না দেয়া গেলেও দুধের তৈরি খাবার যেমন দই ও পনির দেয়া যাবে । এতে শিশুর হজমের কোন সমস্যা হবে না।

09/10/2020

# # অতিরিক্ত গরম চা ক্যান্সারের কারন

পানির পরে চা হল সর্বাধিক পানযোগ্য পণ্য । শরীরের ক্লান্তি দূর করতে এক কাপ গরম চা যেন স্বর্গের অনুভূতি এনে দেয় । চা তে রয়েছে উদ্দীপনা প্রদানকারী উপাদান, ক্যাফেইন । আর এ কারনেই এক কাপ গরম চা পানের পরেই আমাদের শরীর অনেক সতেজ মনে হয় । এছাড়া চা এর রয়েছে অন্যান্য উপকারী ভূমিকা । তাই দিনে দুই থেকে তিন কাপ চা আমাদের শরীরের জন্য ঠিক আছে । কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না যে চা পানের এই উপকারের পিছনে একটা ক্ষতিকর দিকও আছে । আর সেটা হল অতিরিক্ত গরম চা। গবেষণায় দেখা গেছে যে, কেউ যদি প্রতিদিন 140 ডিগ্রি ফারেনহাইট বা 60 ডিগ্রি সেলসিয়াস এর উপরে গরম চা খায় আর সেটা যদি হয় তিন কাপের উপরে তাহলে তার ইসোফ্যাগাল (গলা ও পাকস্থলীর মধ্যে সংযুক্ত টিউব) ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে । গবেষকরা বলছেন যে, যারা প্রতিদিন কম চা পান করে ও তুলনামূলক কম তাপমাত্রার চা খায় তাদের তুলনায় যারা এই অতিরিক্ত গরম তাপমাত্রার চা খায় তাদের ইসোফ্যাগাল ক্যান্সার হওয়ার শতকরা নব্বই শতাংশ সম্ভাবনা বেশি থাকে । তাই ক্লান্তি দূর করার জন্যই হোক আর অভ্যাসের কারনেই হোক কখনই অতিরিক্ত গরম চা বা কফি খাবেন না। চা বা কফি তৈরি করার পর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন তারপর পান করুন । এতে শরীরও চাঙ্গা হবে স্বাস্থ্যও ঠিক থাকবে।

18/04/2020

# # কিডনি ডায়ালিসিস রোগীদের দুধের পরিবর্তে ছানা খেতে দিন

কিডনি বা বৃক্ক আমাদের শরীরের ছাঁকনি হিসেবে কাজ করে। মানে কিডনি আমাদের শরীরের খাবারের বর্জ্য পদার্থ দূর করে আমাদের শরীরে পুষ্টি ও খনিজ পদার্থের ভারসাম্য রক্ষা করে। কিন্তু যদি কারও কিডনি বিকল হয়ে যায় তাহলে কিডনি শরীরের বর্জ্য পদার্থ দূর করতে পারে না যা পরবর্তীতে শরীরে জমা হতে থাকে। এমনকি শরীরের অপ্রয়োজনীয় পানিও শরীর থেকে বের করতে পারে না, যা পা বা মুখে জমা হওয়ার কারনে পা ও মুখ ফুলে যায়; এবং ব্লাড প্রেশার বাড়িয়ে দেয়। কিডনি রোগের সর্বশেষ ধাপ হচ্ছে কিডনি ডায়ালিসিস। ডায়ালিসিসের মাধ্যমে শরীরের রক্তের বর্জ্য পদার্থ ও অতিরিক্ত পানি বের করা হয়। আর এ কারনে ডায়ালিসিসের সময় তরল জাতীয় খাবার ডাক্তারের পরামর্শ মত খেতে হবে।

ডায়ালিসিসের সময় শরীর থেকে প্রোটিনও বের হয়ে যায়। তাই এসময় রোগীদের প্রোটিন বেশি দিতে হয়। স্বাভাবিক অবস্থার চেয়ে ডায়ালিসিসের রোগীদের শতকরা বিশভাগ বেশি প্রোটিন দিতে হয়। আর এই প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করার জন্য প্রোটিন জাতীয় খাবার বেশি খেতে হবে। দুধ হল প্রোটিন জাতীয় খাবারের মধ্যে একটি। তবে এসময় যেহেতু তরল জাতীয় খাবার মেপে খেতে হবে তাই ডায়ালিসিসের রোগীদের দুধের পরিবর্তে ছানা দেয়া যেতে পারে, যা প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করবে। সরাসরি ছানা বা ছানা দিয়ে বানানো বিভিন্ন খাবার অথবা সবজির সাথে রান্না করেও দেয়া যেতে পারে।

18/04/2020

কিভাবে বুঝবেন আপনার হার্ট অ্যাটাক হতে পারে

হার্ট অ্যাটাক তখনই হয় যখন আমাদের হার্টে ঠিকমতো রক্ত পরিবাহিত হতে পারে না। আমাদের সবারই কম-বেশি হার্ট অ্যাটাকের লক্ষনসমূহ জানা থাকা উচিত। তবে সব মানুষের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষনগুলো একরকম নাও হতে পারে। অনেকসময় কিছু মানুষ বুঝতেই পারে না যে তার হার্ট অ্যাটাকের মত এত বড় এক ধরনের শারীরিক পরিবর্তন হতে চলেছে। আবার কিছু মানুষ হার্ট অ্যাটাকের আগে হার্টে তীব্র ব্যথা অনুভব করে, কেউ আবার খুবই কম। লক্ষন ছাড়া যেমন মানুষের হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক হতে পারে তেমনি অনেকে কয়েক ঘণ্টা, কয়েক দিন বা কয়েক সপ্তাহ ধরে বিভিন্ন লক্ষন বুঝতে পারে। নিচে লক্ষনসমূহ দেয়া হল-

1. বেশিরভাগ হার্ট অ্যাটাকের ক্ষেত্রে দেখা যায়, হার্টের মাঝখানে এক ধরনের অস্বস্তি যা কয়েক মিনিট ধরে অনুভব হতে পারে, তারপর মনে হয় ব্যথা চলে গেছে এবং একটু পর আবার ফিরে আসতে পারে। এই অস্বস্তি হচ্ছে এক ধরনের চাপা ব্যথা যা মনে হয় হঠাৎই শুরু হচ্ছে।
2. একহাত বা উভয় হাতেই ব্যথা যা হাতের পিছন, ঘাড় বা চোয়াল পর্যন্ত ছড়িয়ে যেতে পারে।
3. বমি বমি ভাব, বদহজম, খাবারে অনীহা ও পেটে ব্যথা
4. বুক জ্বালাপোড়া করা
5. প্রচুর ঠাণ্ডা ঘাম হওয়া
6. মাথা ঝিমঝিম করা
7. নিঃশ্বাসে সমস্যা

তবে মহিলাদের মধ্যে কিছু সাধারন লক্ষন হল নিঃশ্বাসে স্বল্পতা, বমি বমি ভাব এবং মাথার পিছনে বা চোয়ালে ব্যথা ।

Address

Dhaka
1212

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nutrition & Diet for Lifestyle posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Nutrition & Diet for Lifestyle:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category