Nabawi Life

Nabawi Life Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Nabawi Life, Health & Wellness Website, Nabawi Life, House 20/21 Garden Road Kawran Bazar, Dhaka-1215 Dhaka, Dhaka.

জিন-যাদু,বদ নজর,হাসাদ কেন্দ্রিক শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতার একমাত্র শরঈ সমাধান হলো- তিব্বে নববীর আলোকে রুকইয়াহ শারইয়্যাহ। রুকইয়াহ সংক্রান্ত সেবা পেতে যোগাযোগ করুন"
�01706685576

রুকইয়ার সময় শাইত্বানি ইশারা ও বিভ্রান্তি একটি আধ্যাত্মিক সতর্কবার্তা। রুকইয়াহ বা আধ্যাত্মিক চিকিৎসার সময়, অনেক সময় দেখা ...
10/04/2026

রুকইয়ার সময় শাইত্বানি ইশারা ও বিভ্রান্তি একটি আধ্যাত্মিক সতর্কবার্তা। রুকইয়াহ বা আধ্যাত্মিক চিকিৎসার সময়, অনেক সময় দেখা যায় যে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে থাকা অশুভ শক্তি বিভিন্ন ধরণের বিচিত্র ইশারা বা শারীরিক ভঙ্গি করছে। অনেকেই এগুলোকে তাদের ধর্ম, জাতি বা শক্তির প্রতীক মনে করে গবেষণায় মেতে ওঠেন। যদি এগুলো শনাক্ত করে সাময়িক ভাবে কাজ হাসীল হয় কিন্তু বাস্তবতা হলো, এগুলো শাইত্বানি শক্তির একটি চাল মাত্র। তারা এসব প্রতীকের মাধ্যমে রাক্বি এবং রোগী-উভয়কেই বিভ্রান্ত করতে চায়। তাদের মূল উদ্দেশ্য হলো চিকিৎসার আসল লক্ষ্য থেকে মানুষকে দূরে সরিয়ে এই অর্থহীন ইশারাগুলোর পেছনে সময় নষ্ট করানো।

শাইত্বানের এই অঙ্গভঙ্গি বা ইশারার ওপর ভিত্তি করে কোনো রোগের 'ডায়াগনোসিস' বা রোগ নির্ণয় করা মূলত তাদের মিথ্যে দাবির ওপর বিশ্বাস করার শামিল। তাদের ধর্ম কী, তারা কোন প্রজাতির বা তারা কীভাবে সৃষ্টি-এসব তথ্যের সাথে রোগমুক্তির কোনো সম্পর্ক নেই। একজন সচেতন রাক্বি বা আক্রান্ত ব্যক্তির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত শাইত্বানি শক্তির প্রভাব নষ্ট করা, তাদের পৈশাচিকতাকে প্রতিরোধ করা এবং আল্লাহর সাহায্যে তাদের বিতাড়িত করা।

শাইত্বান যখন দেখে যে রাক্বি বা রোগী তার এই অঙ্গভঙ্গিগুলো খুব গুরুত্ব সহকারে পর্যবেক্ষণ করছে, তখন সে আনন্দ পায় এবং বিভ্রান্তি আরও বাড়িয়ে দেয়। তথাকথিত 'ইলমুল ইশারা' বা ইশারা বিজ্ঞান এগুলো প্রচার নাকরা উচিৎ। যারা শাইত্বানের মুখের কথা বিশ্বাস না করার পরামর্শ দেন, তারাই আবার তাদের হাতের ইশারার ওপর ভিত্তি করে রোগ নির্ণয় করছেন-এটি চরম বৈপরীত্য।

তাই সব রাক্বি ও ভুক্তভোগীদের প্রতি আহ্বান, শাইত্বানের এই ধূর্ততা থেকে সতর্ক থাকুন। এই সব বিভ্রমকে গুরুত্ব না দিয়ে সরাসরি আল্লাহর কালামের মাধ্যমে তাদের মোকাবিলা করাই হলো আরোগ্য লাভের একমাত্র সঠিক পথ।

__✍️Raqi Sultan Mahmud
Senior Raqi & Consultant - Nabawi Life
সুস্থতার পথে অন্যকে সহায়তা করতে সদাকায়ে জারিয়ার নিয়তে পোস্টটি শেয়ার করুন।
☎️01706685576
☎️01618901150
Raqi Sultan Mahmud
Md. Sultan Mahmud Ashraf

কান্নার মাধ্যমে যেভাবে নিজে নিজেই যাদু এবং আইন হাসাদের চিকিৎসা করবেন।আমি কখনো খেয়াল করেছি-স্বপ্নে কান্না করলে অনেক সময় স...
10/04/2026

কান্নার মাধ্যমে যেভাবে নিজে নিজেই যাদু এবং আইন হাসাদের চিকিৎসা করবেন।

আমি কখনো খেয়াল করেছি-স্বপ্নে কান্না করলে অনেক সময় সেটা স্বস্তি বা আনন্দের ইঙ্গিত দেয়? আবার বাস্তব জীবনেও যখন আমি কাঁদি, চোখের পানি পড়ে-তখন এক ধরনের অদ্ভুত শান্তি অনুভব করি। মনে হয় বুকের ভেতরে জমে থাকা চাপ, কষ্ট, দুঃখ-সব যেন হালকা হয়ে গেল।

এখন প্রশ্ন আসতে পারে-এটার সাথে যাদু বা হিংসার সম্পর্ক কী?

হয়তো কেউ বলবে-“এগুলো কী বলছেন? এমন কথা বলার মানে কী? কোনও ভিত্তি আছে, নাকি শুধু কথার কথা?”

কিন্তু না, বিষয়টা এতটা হালকা না। এটা কোনো গল্প না, কোনো বানানো কথা না।

কান্না শুধু চোখের পানি ঝরানো না-এটা ভেতর থেকে পরিশুদ্ধ হওয়ার একটি প্রক্রিয়া। এই পানি শুধু চোখ পরিষ্কার করে না, বরং এর প্রভাব আরও গভীরে যা

য়-যা ব্যাখ্যা করতে গেলে অনেক দীর্ঘ আলোচনা প্রয়োজন।

আমি শুধু এটুকু বলতে চাই-মানুষ যখন কাঁদে, তখন তার পুরো শরীর, তার অনুভূতি, তার মন, তার আত্মা-সব একসাথে সাড়া দেয়। যেন ভেতরে কোনো অ্যালার্ম বেজে ওঠে, যা মানুষকে নাড়িয়ে দেয় ভিতর থেকে।

মনে হয় যেন এক ধরনের যুদ্ধ শুরু হয়েছে-ভেতরের চাপ, দুঃখ, কষ্ট আর বাইরের প্রভাবের বিরুদ্ধে। এই অনুভূতি নারী-পুরুষ, ছোট-বড়-সবার ক্ষেত্রেই হতে পারে।

বিশেষ করে যখন কান্না আসে বুক ভেঙে-নিহিত কষ্ট থেকে, হাহাকার আর দীর্ঘশ্বাস নিয়ে-তখন হৃদয়টা যেন হালকা হয়ে যায়। মনে হয় বুকের ওপর থেকে এক বিশাল বোঝা সরে গেছে।

তাহলে কি শুধু কাঁদলেই সব সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে?

না, বিষয়টা এত সহজ হলে তো পৃথিবীতে কোনো ডাক্তার, কোনো হাসপাতাল, কোনো চিকিৎসার প্রয়োজনই থাকত না।

তাহলে কি আমরা আর কোনো চিকিৎসা নেব না? কোনো রাক্বি, কোনো আলেম, কোনো ডাক্তারের কাছে যাব না?

এমনটা বলা হচ্ছে না। কিন্তু একটা জিনিস অবশ্যই মনে রাখতে হবে-অনেক সময় এমন কিছু কষ্ট, সমস্যা, চাপ, এমনকি হিংসার প্রভাব-যেগুলোর শুরুটা ভাঙে এই কান্নার মাধ্যমেই।

তবে শর্ত একটাই-এই কান্না হতে হবে আল্লাহর দিকে ফিরে।

আপনি আপনার রবের কাছে ফিরে যান, অন্তর খুলে কথা বলুন, দোয়া করুন, কাঁদুন। আপনার আর আল্লাহর মাঝে কোনো মাধ্যম রাখবেন না-না কোনো মানুষ, না কোনো পর্দা।

নিজের ভেতরের কষ্টগুলো বের করে দিন।

কাঁদুন… আল্লাহর জন্য কাঁদুন।

যদি কান্না না আসে-তাহলে কান্না আনার চেষ্টা করুন। নিজেকে সেই অবস্থায় নিয়ে যান।

ভেতরের জমে থাকা সবকিছু বের করে দিন।

“আমি পুরুষ, আমি কাঁদি না”-এই ধারণা ভুলে যান।

কারণ আমাদের প্রিয় নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিজেও কেঁদেছেন।

তাই নিজের হৃদয়কে শক্ত করে রাখার নামে তাকে পাথর বানাবেন না।

একবার অন্তর খুলে আল্লাহর কাছে কাঁদুন-নিজেই পরিবর্তন অনুভব করবেন।

শেষে একটা কথা-যদি এই কথাগুলো আপনার হৃদয়ে লাগে, তাহলে অন্যদের কাছেও পৌঁছে দিন। হয়তো কেউ আছে, যে এই মুহূর্তে এই কথাগুলোরই প্রয়োজন অনুভব করছে।

__✍️Raqi Sultan Mahmud
Senior Raqi & Consultant - Nabawi Life
☎️01706685576
☎️01618901150
Md. Sultan Mahmud Ashraf
Raqi Sultan Mahmud

যাদুর ভিত্তি ভেঙে দিনযাদু একটা বিষয় যা অনেকে শুধু বাইরের দিকে দেখে। কিন্তু এর ভেতরের গঠন অনেক গভীর এবং ভয়ংকর। যারা যাদ...
10/04/2026

যাদুর ভিত্তি ভেঙে দিন

যাদু একটা বিষয় যা অনেকে শুধু বাইরের দিকে দেখে। কিন্তু এর ভেতরের গঠন অনেক গভীর এবং ভয়ংকর। যারা যাদু নিয়ে কাজ করেন, তারা জানেন যে যাদু হঠাৎ করে তৈরি হয় না। এটা ধীরে ধীরে কিছু নির্দিষ্ট উপাদানের উপর দাঁড়িয়ে গড়ে ওঠে। আর সেই ভিত্তির একটি প্রধান উপাদান হলো মানুষের বদ নজর এবং হিংসা।

যখন কেউ যাদুকরের কাছে যায়, তখন সে শুধু কাজ করানোর জন্য যায় না। সে নিজের ভেতরের খারাপ প্রবৃত্তি, হিংসা, বদ নজর সবকিছু নিয়ে যায়। যাদুকর সেই ব্যক্তির এই নোংরা মানসিকতা ও হিংসাকে মূল উপাদান হিসেবে ব্যবহার করে। সহজভাবে বললে, এই হিংসা ও বদ নজরেই হয়ে যায় যাদুর খামির, যার উপর পুরো যাদুর কাঠামো দাঁড় করানো হয়।

এজন্যই বলা হয় যে যাদুর মূল ভিত্তিই হলো হিংসা। যার ভেতরে হিংসা বেশি, যার বদ নজর বেশি কুপ্রভাবশালী-তার যাদুও তত বেশি শক্তিশালী হয়।

এরপর শুরু হয় শাইত্বানদের ভূমিকা। তারা মূল যাদুকে আরও শক্তিশালী করার জন্য ছোট ছোট সহায়ক যাদু তৈরি করে। যেমন-ভুলে যাওয়ার প্রবণতা তৈরি করা, রুকইয়াহ করার সময় ঘুম পেয়ে যাওয়া, রাক্বির প্রতি অকারণে বিরক্তি বা ঘৃণা সৃষ্টি হওয়া-এসবই মূল যাদুকে টিকিয়ে রাখার জন্য করা হয়।

কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে কাজটি তারা করে, তা হলো-
মানুষ ও জিনের দৃষ্টি আক্রান্ত ব্যক্তির উপর একত্র করা। অর্থাৎ, আক্রান্ত ব্যক্তিকে এমনভাবে ঘিরে ফেলা হয়, যেন সে সবসময় বদ নজর ও হিংসার আঘাতের মধ্যে থাকে।

আপনি যদি খেয়াল করেন, অনেক সময় রুকইয়াহ করার সময় মনে হয়-কিছু একটা আটকে আছে। হাই তুলতে ইচ্ছা হয়, কিন্তু সেটা পুরোপুরি বের হয় না। শরীর যেন বন্ধ হয়ে আছে। এর একটি কারণ হলো-এই বদ নজরের প্রভাবগুলোকে যেন বেঁধে রাখা হয়, আটকে রাখা হয়।

কারণ, যদি এই বদ নজর ও হিংসার প্রভাবগুলো বের হয়ে যায়, তাহলে শাইত্বানদের শক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। আসলে এই “চোখের প্রভাব” এবং হিংসাই তাদের শক্তির মূল উৎস। এগুলো ছাড়া তারা টিকে থাকতে পারে না।

এজন্যই তারা সবসময় চেষ্টা করে-মানুষের বদ নজর, জিনের বদ নজর-সবকিছু একত্র করে আক্রান্ত ব্যক্তির উপর চাপিয়ে দিতে।

এমনকি যখন তারা দেখে যে এই বদ নজরের প্রভাব দুর্বল হয়ে যাচ্ছে, তখন শাইত্বান নিজেরাই আক্রান্ত ব্যক্তির প্রতি হিংসা করতে শুরু করে। তাদের সহযোগীরাও হিংসা করতে থাকে -যাতে যাদুর শক্তি আবার বাড়ে এবং সেটা টিকে থাকে।

এই জায়গাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ-আপনি যদি চিকিৎসা শুরু করতে চান, তাহলে প্রথম কাজ হওয়া উচিত “হিংসার চিকিৎসা” শুরু করা। কারণ হিংসা ও বদ নজর যাদুর মূল ভিত্তি।

যখন আপনি হিংসার বা হাসাদের চিকিৎসা শুরু করবেন, তখন আসলে আপনি যাদুর ভিতেই আঘাত করছেন। ফলে যাদু দুর্বল হয়ে যাবে এবং পরবর্তী চিকিৎসা অনেক সহজ হয়ে যাবে। এতে করে আপনার কষ্টও কম হবে।

তাই শুধু যাদু নষ্টের চেষ্টা না করে-প্রথমে তার ভিত্তিটা ধ্বংস করুন। আর সেই ভিত্তি হলো-হিংসা ও বদ নজর।

আর একটি বিষয় মনে রাখবেন-শুধু মানুষের বদ নজর নয়, জিনের বদ নজর প্রভাব থেকেও মুক্ত হওয়া জরুরি।

নিচের দোয়াগুলো পড়তে পারেন-

اللَّهُمَّ يَا عَلَّامَ الْعُيُوبِ، يَا مُطَّلِعًا عَلَى الْخَفَايَا...
হে গোপন বিষয়সমূহের জ্ঞানী আল্লাহ, আপনি আমার সব দুর্বলতা জানেন...

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ عَيْنٍ تَرَانَا وَلَا نَرَاهَا...
হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই সেই চোখের অনিষ্ট থেকে-যে আমাকে দেখে কিন্তু আমি তাকে দেখি না...

اللَّهُمَّ أَخْرِجْ يَا رَبِّ مِنْ جَسَدِي كُلَّ عُيُونٍ وَنَظَرَاتِ الْجَانِّ...
হে আল্লাহ, আমার শরীর থেকে জিনদের সব দৃষ্টি ও প্রভাব বের করে দিন...

اللَّهُمَّ أَخْرِجْ مِنْ جَسَدِي كُلَّ عُيُونٍ وَنَظَرَاتِ الشَّيَاطِينِ...
হে আল্লাহ, আমার শরীর থেকে শাইত্বানদের সব কুদৃষ্টি বের করে দিন...

بِسْمِ اللَّهِ تَخْرُجُ أَنْفُسُ السَّحَرَةِ وَالسَّاحِرَاتِ وَنَظَرَاتُهُمْ وَعُيُونُهُمْ، وَتَرْجِعُ عَلَيْهِمْ نَارًا وَعَذَابًا وَأَلَمًا وَمَرَضًا...
আল্লাহর নামে-যাদুকর ও যাদুকারিণীদের দৃষ্টি ও প্রভাব বের হয়ে যাক এবং তাদের উপরই তা ফিরে যাক শাস্তি, কষ্ট ও রোগ হয়ে...

بِسْمِ اللَّهِ تَخْرُجُ عُيُونُ إِبْلِيسَ وَذُرِّيَّتِهِ وَنَظَرَاتُهُمْ وَأَنْفُسُهُمُ الْخَبِيثَةُ...
আল্লাহর নামে -ইবলিস ও তার বংশধরদের কুদৃষ্টি ও নোংরা প্রভাব বের হয়ে যাক...

بِسْمِ اللَّهِ تَخْرُجُ كُلُّ عَيْنٍ وَنَفْسٍ مَارِدَةٍ...
আল্লাহর নামে-প্রত্যেক অবাধ্য ও ক্ষতিকর দৃষ্টি ও কু-প্রবৃত্তি বের হয়ে যাক...

__✍️Raqi Sultan Mahmud
Senior Raqi & Consultant - Nabawi Life
সুস্থতার পথে অন্যকে সহায়তা করতে সদাকায়ে জারিয়ার নিয়তে পোস্টটি শেয়ার করুন।
☎️01706685576
☎️01618901150
Raqi Sultan Mahmud
Md. Sultan Mahmud Ashraf

নিজের ঘরে থাকলে মনে হয় যেন হাত-পা বাঁধা, বুকে এক অজানা বোঝা চেপে বসেছে। অথচ ঘরের বাইরে বের হলেই আপনি চনমনে ও প্রাণবন্ত ...
09/04/2026

নিজের ঘরে থাকলে মনে হয় যেন হাত-পা বাঁধা, বুকে এক অজানা বোঝা চেপে বসেছে। অথচ ঘরের বাইরে বের হলেই আপনি চনমনে ও প্রাণবন্ত বোধ করেন। এটি আপনার অলসতা বা ব্যক্তিত্বের দুর্বলতার কারণে নয়, বরং আপনার ঘরের ভেতরেই লুকিয়ে থাকে এক অদৃশ্য ভারী পরিবেশ বা স্থবির নেতিবাচক শক্তি। একে 'বদনজর' বা 'জাদুটোনা'র প্রভাব বলে।

অনেকেই অভিযোগ করেন যে, ঘরে ঢুকলেই তাদের বুক ধড়ফড় করে, শরীর ছেড়ে দেয় কিংবা কাজে চরম অনীহা তৈরি হয়। বিনা কারণে ঘুম পাওয়া বা সারাক্ষণ নেতিবাচক চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খাওয়া মোটেও স্বাভাবিক নয়। অবাক করার মতো বিষয় হলো, এই মানুষগুলোই যখন ঘরের বাইরে পা রাখেন, তখন তাদের মনে হয় যেন পাহাড়সম কোনো বোঝা বুক থেকে নেমে গেল। এর কারণ হলো, কিছু আধ্যাত্মিক সমস্যা বা জাদুটোনা কেবল মানুষের শরীরের ওপর নয়, বরং নির্দিষ্ট জায়গার ওপর প্রয়োগ করা থাকে।

এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে হলে কেবল শরীরের চিকিৎসা করলেই হবে না, বরং আপনার ঘরকেও আধ্যাত্মিকভাবে পরিশুদ্ধ করতে হবে। এর সবচেয়ে শক্তিশালী উপায় হলো নিজের ঘরে নিজে দাঁড়িয়ে সূরা বাকারা তিলাওয়াত করা এবং নিয়মিত ঘরটিতে এই সূরার তিলাওয়াত চালু রাখা।
হতে পারে সেটা প্লাগ ইন কুরআন এর মাধ্যমে।
এছাড়া বিশুদ্ধ পানিতে রুকইয়ার বিশেষ দোয়াগুলো পড়ে সেই পানি ঘরের কোণে কোণে ছিটিয়ে দিলে অশুভ শক্তির প্রভাব নষ্ট হতে শুরু করে। বিশেষ করে আল্লাহর নামে আশ্রয় চেয়ে প্রার্থনা করা যে, “হে আল্লাহ! এই ঘরে যদি কোনো ছিটানো জাদু বা অশুভ দৃষ্টির প্রভাব থাকে, তবে তা দূর করে দাও। দেয়াল, কোণা আর কপাটের আড়ালে লুকিয়ে থাকা সব অনিষ্ট থেকে আমাদের রক্ষা করো।"

ঘরকে নেতিবাচকতা মুক্ত করতে হলে বিশ্বাসের সাথে নিয়মিত কোরআন ও জিকিরের চর্চা বজায় রাখা জরুরি। যখন ঘরের প্রতিটি কোণ আল্লাহর নূরে আলোকিত হবে, তখন কোনো শাইত্বানি শক্তি বা বদনজরের প্রভাব সেখানে টিকতে পারবে না। মনে রাখবেন, আপনার ঘর হওয়া উচিত আপনার প্রশান্তির কেন্দ্রবিন্দু, অস্থিরতার জায়গা নয়। তাই যদি দীর্ঘদিনের এই দমবন্ধ পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে চান, তবে অলসতা ত্যাগ করে আজই আধ্যাত্মিক পরিচ্ছন্নতার এই আমলগুলো শুরু করুন। ইনশাআল্লাহ, খুব দ্রুতই আপনি আপনার চিরচেনা ঘরে আগের সেই স্বস্তি ও শান্তি ফিরে পাবেন।

__✍️Raqi Sultan Mahmud
Senior Raqi & Consultant - Nabawi Life
সুস্থতার পথে অন্যকে সহায়তা করতে সদাকায়ে জারিয়ার নিয়তে পোস্টটি শেয়ার করুন।
☎️01706685576
☎️01618901150
Raqi Sultan Mahmud
Md. Sultan Mahmud Ashraf

09/04/2026

যাদু ও জিন কি বংশগতভাবে প্রভাব ফেলে?
এ বিষয়ে মেডিক্যাল সায়েন্স কী বলে?

এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ও উপকারী ভিডিও/পরামর্শ নিয়মিত পেতে আমাদের সাথেই থাকুন-পেইজটি ফলো দিয়ে রাখুন।
ধন্যবাদ।
Raqi Sultan Mahmud
Md. Sultan Mahmud Ashraf

জাদুটোনা মানুষের শরীরের উপর একটি অশুভ প্রভাব ফেলতে পারে। অনেক সময় দেখা যায় যে দামী ঔষধ সেবন করেও কোনো কাজ হচ্ছে না। এর...
08/04/2026

জাদুটোনা মানুষের শরীরের উপর একটি অশুভ প্রভাব ফেলতে পারে। অনেক সময় দেখা যায় যে দামী ঔষধ সেবন করেও কোনো কাজ হচ্ছে না। এর পেছনে বৈজ্ঞানিক এবং আধ্যাত্মিক কারণগুলো বিশ্লেষণ করা হলো।

অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে, জাদুটোনার কবলে পড়লে কি ঔষধ শরীর পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে না? আসলে বিষয়টি এমন নয়। ঔষধ রক্তে মিশে শরীরের প্রতিটি অঙ্গেই পৌঁছায়, কিন্তু সমস্যা হলো শরীর সেই ঔষধ গ্রহণ করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। যখন কেউ দীর্ঘমেয়াদী জাদুর প্রভাবে থাকেন, তখন তার দেহের স্নায়ুতন্ত্র বা 'নার্ভ সিস্টেম' ঠিকমতো সংকেত আদান-প্রদান করতে পারে না। ফলে ঔষধ যথাস্থানে পৌঁছালেও মস্তিষ্ক থেকে যে সংকেতটি অঙ্গটিকে সুস্থ হওয়ার নির্দেশ দেবে, তা বাধাগ্রস্ত বা দুর্বল হয়ে পড়ে।

জাদুর অশুভ প্রভাব শরীরের হরমোন ব্যবস্থাকেও চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। আমরা জানি, ঘুম, এনার্জি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং মেজাজ-সবকিছুই হরমোন নিয়ন্ত্রণ করে। যখন শরীরে এই অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়, তখন ঔষধ কাজ করার মতো স্থিতিশীল পরিবেশ পায় না। এমনকি কোষের ভেতরে যে 'রিসেপ্টর' বা গ্রাহক থাকে, যারা ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া করে শরীরকে সুস্থ করে, সেগুলোও নিস্তেজ হয়ে পড়ে। সহজ কথায়, ঔষধ শরীরে উপস্থিত থাকে ঠিকই, কিন্তু কোষগুলো তাকে সঠিকভাবে গ্রহণ করতে পারে না। এছাড়া সূক্ষ্ম রক্তসঞ্চালনে ব্যাঘাত ঘটায় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ঔষধের পুষ্টি সঠিকভাবে ব্যবহার করতে ব্যর্থ হয়।

এই কারণেই দেখা যায়, অনেক রোগী প্রচুর ঔষধ খাচ্ছেন কিন্তু কোনো ফল পাচ্ছেন না। তারা ঘনঘন ল্যাব টেস্ট করান, যেখানে সব রিপোর্ট স্বাভাবিক আসে অথচ শারীরিক উপসর্গগুলো খুব অদ্ভুত ও যন্ত্রণাদায়ক হয়। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে দুটি জিনিসের সমন্বয় প্রয়োজন-
শারীরিক চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ঔষধ এবং আত্মিক চিকিৎসার জন্য 'রুকইয়াহ' বা আধ্যাত্মিক সুরক্ষা। যখন আধ্যাত্মিক উপায়ে শরীরের অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য ফিরে আসে, তখনই কেবল ঔষধ তার পূর্ণ ক্ষমতা দেখাতে শুরু করে। তাই অদৃশ্য এই দেয়াল ভাঙতে দোয়া ও চিকিৎসার সমান্তরাল সমন্বয়ই হলো আরোগ্য লাভের একমাত্র পথ। ইনশাআল্লাহ, সঠিক উপায়ে চেষ্টা করলে শরীরের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবেই।

__✍️Raqi Sultan Mahmud
Senior Raqi & Consultant - Nabawi Life
সুস্থতার পথে অন্যকে সহায়তা করতে সদাকায়ে জারিয়ার নিয়তে পোস্টটি শেয়ার করুন।
☎️01706685576
☎️01618901150
Raqi Sultan Mahmud
Md. Sultan Mahmud Ashraf

জাদুটোনার অন্ধকার জগতের কারিগররা প্রায়শই নিজেদেরকে তাদের নিজস্ব জালে জড়িয়ে ফেলে। এর রহস্য নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।জাদ...
08/04/2026

জাদুটোনার অন্ধকার জগতের কারিগররা প্রায়শই নিজেদেরকে তাদের নিজস্ব জালে জড়িয়ে ফেলে।
এর রহস্য নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

জাদুকরের তৈরি করা শৃঙ্খলকেই প্রায়শই তার বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা যায়। জাদুকররা যখন কোনও পরিবার বা ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে জাদুটোনা করে, তখন তারা অদৃশ্য সুতো দিয়ে মানুষে-মানুষে বা স্থানের সাথে ব্যক্তির এক ধরনের অশুভ বন্ধন তৈরি করে দেয়। এই বন্ধনটিই হলো তার বোকামি। কারণ, আপনি চাইলে এই সংযোগ ব্যবহার করেই পুরো পরিবারের চিকিৎসা করতে পারেন।

পরিবারের একজন সদস্যের ওপর করা আমল বা দোয়ার প্রভাব অন্য সদস্যদের ওপরও পড়ে, এমনকি যিনি সরাসরি চিকিৎসা নিতে রাজি নন, তিনিও এর মাধ্যমে সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন। একইভাবে জাদুকর যখন কোনও ব্যক্তিকে তার ঘরের সাথে অশুভ বন্ধনে আবদ্ধ করে, তখন ঘরটিকে রুকইয়াহ এর মাধ্যমে পরিশুদ্ধ করলে ওই ব্যক্তির ওপর থেকেও জাদুর প্রভাব কাটতে শুরু করে।

আবার উল্টোভাবে, আক্রান্ত ব্যক্তির ওপর আমল করলে ঘরটিও যাদুর শক্তি থেকে মুক্ত হয়। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, জাদুকর যখন নিজের অস্তিত্বকে জাদুর মাধ্যমে ভুক্তভোগীর সাথে জড়িয়ে ফেলে, তখন ভুক্তভোগীর দোয়া ও আমল সরাসরি জাদুকরের ওপর আঘাত হানে। তাই আক্রান্ত অবস্থায় জাদুকরের অনিষ্ট থেকে বাঁচতে আল্লাহর দরবারে বিনীত প্রার্থনা করলে সেই জাদুকর নিজেই নিজের জালে ফেঁসে যায়।

অনেকে হতাশ হয়ে খুঁজে বেড়ান যে জাদুটোনা কোথায় পুঁতে রাখা হয়েছে-কবরস্থানে নাকি অন্য কোথাও। কিন্তু আধ্যাত্মিক শব্দের শক্তি এতটাই প্রবল যে, আপনি ভুক্তভোগীর ওপর সঠিক পদ্ধতিতে আমল করলে সেই জাদুটোনা যেখানেই থাকুক না কেন, তা নিজ থেকেই নষ্ট হতে শুরু করে। অর্থাৎ, আপনাকে সশরীরে সেই দূরবর্তী স্থানে গিয়ে জাদুটি উদ্ধার করার কষ্ট করতে হয় না; বরং বিশ্বাসের সাথে উচ্চারিত যাদু নষ্টের আয়াত এবং দোয়া গুলোই দূর থেকে সেই যদূর গিটগুলো খুলে ফেলে।

মহান আল্লাহর দেওয়া এই আধ্যাত্মিক জ্ঞান আমাদের শারীরিক ও মানসিক আরোগ্য লাভের পথকে অনেক সহজ করে দিয়েছে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক জ্ঞান দান করুন এবং সব ধরনের অশুভ শক্তি থেকে নিরাপদ রাখুন। আমীন।

__✍️Raqi Sultan Mahmud
Senior Raqi & Consultant - Nabawi Life
সুস্থতার পথে অন্যকে সহায়তা করতে সদাকায়ে জারিয়ার নিয়তে পোস্টটি শেয়ার করুন।
☎️01706685576
☎️01618901150
Md. Sultan Mahmud Ashraf
Raqi Sultan Mahmud

মানুষের জীবনে অনেক অদৃশ্য কষ্ট আছে। এগুলো চোখে দেখা যায় না, কিন্তু অনুভব করা যায় গভীরভাবে। হঠাৎ করে সব কিছু থমকে যেতে ...
07/04/2026

মানুষের জীবনে অনেক অদৃশ্য কষ্ট আছে। এগুলো চোখে দেখা যায় না, কিন্তু অনুভব করা যায় গভীরভাবে। হঠাৎ করে সব কিছু থমকে যেতে পারে, কাজ আটকে যেতে পারে, শরীর ভারী লাগতে পারে, ইবাদতে মন বসে না। অনেক সময় এর পেছনে হিংসা বা বদনজরের প্রভাব থাকতে পারে।

আল্লাহ তা'আলা কুরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন,-
‎اَمْ یَحْسُدُوْنَ النَّاسَ عَلٰی مَاۤ اٰتٰىهُمُ اللّٰهُ مِنْ فَضْلِهٖ ۚ
বরং তারা কি লোকদেরকে হিংসা করে, আল্লাহ স্বীয় অনুগ্রহে তাদেরকে যা দিয়েছেন তার কারণে?
সুরা নিসা - আয়াত,৫৪
এই আয়াতটি শুধু একটি বাক্য নয়, বরং হিংসার বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী রুহানী প্রতিরক্ষা।

এই আয়াতের একটি গভীর প্রভাব আছে। বিশেষ করে যখন হিংসা শরীরে জমে গিয়ে কষ্ট দেয়, কাজ বন্ধ করে দেয়, বা জীবনে অস্বাভাবিক বাঁধা তৈরি করে। যারা এ ধরনের সমস্যায় ভুগছেন, তারা চাইলে ঘরে বসেই একটি সহজ কিন্তু কার্যকর আমল করতে পারেন।

প্রথমেই আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখতে হবে এবং নিজের নিয়তকে নতুন করে ঠিক করতে হবে। আপনি শিফার জন্যই এই আমল করছেন।

এরপর কিছু পরিমাণ সমুদ্রের পানি সংগ্রহ করুন। সেই পানির উপর সূরা ফালাক এবং উল্লেখিত আয়াতটি সাতবার করে পড়ে ফু দিন। এরপর সেই পানি তিন ভাগে পান করুন, কিছু দিয়ে গোসল করুন এবং বাকি অংশ ঘরের চারপাশে ছিটিয়ে দিন। একইভাবে অলিভ অয়েলের উপর সূরা ফালাক ও এই আয়াত পড়ে সেটি শরীরে মালিশ করুন।

তারপর নিরিবিলি বসে শান্তভাবে, খুশু-খুজু রেখে এই আয়াতটি উচ্চস্বরে পড়া শুরু করুন। প্রতিবার পড়ার পর নিজের শরীরে ফুঁ দিন। এভাবে একশত বার পড়ুন। শেষ হলে দুই হাত দিয়ে পুরো শরীর মাসাহ করুন।

এরপর আন্তরিকভাবে দোয়া করুন, “হে আল্লাহ! আমার শরীর থেকে সব ধরনের হিংসা দূর করে দিন। যা পুরনো, যা শক্তিশালী, যা আমার জীবনকে থামিয়ে দিয়েছে। হে আল্লাহ! হিংসুকের হিংসাকে তার দিকেই ফিরিয়ে দিন। তাকে অপমানিত ও ব্যর্থ করুন। হে আল্লাহ! এই হিংসার আগুন নিভিয়ে দিন, এর বিষ, এর কষ্ট, এর প্রভাব সব দূর করে দিন। হে আল্লাহ! আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী বা দূরের কারো পক্ষ থেকে আসা হিংসা-সবকিছু আপনি দূর করে দিন। যে হিংসা আমার সৌন্দর্য নষ্ট করেছে, ইবাদতে বাধা দিয়েছে, বিয়ে ও জীবনের অগ্রগতি থামিয়ে দিয়েছে-সব আপনি মুছে দিন।"

এই আমলটি টানা সাত দিন নিয়মিতভাবে চালিয়ে যান। ইনশাআল্লাহ, আপনি পরিবর্তন অনুভব করবেন। মনে রাখবেন-শিফা আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে, আর কুরআনের আয়াতই হলো মুমিনের সবচেয়ে বড় শক্তি ও আশ্রয়। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন এবং দ্রুত শিফা দান করুন।

__✍️Raqi Sultan Mahmud
Senior Raqi & Consultant - Nabawi Life
সুস্থতার পথে অন্যকে সহায়তা করতে সদাকায়ে জারিয়ার নিয়তে পোস্টটি শেয়ার করুন।
☎️01706685576
☎️01618901150
Raqi Sultan Mahmud
Md. Sultan Mahmud Ashraf

দlজ্জlলি মিশনে জাদুর গুরুত্বদlজ্জlলের জন্ম হয়েছে অনেক আগেই। রাসুলুল্লাহ সা.-এর সময়েই সে ছিল বর্তমান। দlজ্জlল এই পৃথিবী...
07/04/2026

দlজ্জlলি মিশনে জাদুর গুরুত্ব

দlজ্জlলের জন্ম হয়েছে অনেক আগেই। রাসুলুল্লাহ সা.-এর সময়েই সে ছিল বর্তমান। দlজ্জlল এই পৃথিবীতেই রয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ে তার আত্মপ্রকাশ ঘটবে। এর আগে সে ঘুমিয়ে থাকবে বা হাত-পা গুটিয়ে নিভৃতে বসে থাকবে, এমন কোনো প্রমাণ নেই। চূড়ান্ত আত্মপ্রকাশের আগে নেপথ্যে থেকে খলনায়কের ভূমিকা পালন করা খুবই স্বাভাবিক বিষয়।

ফিরআউনও নিজেকে রব দাবি করেছিল। দlজ্জlলও নিজেকে রব দাবি করবে। পার্থক্য হলো, ফিরআউন নিজে সেহের (জাদু) জানত না। মুসা আ.-এর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য সে বিভিন্ন শহর থেকে জাদুকর আনিয়েছিল। পক্ষান্তরে দlজ্জlল নিজেই হবে জাদুকর। এ ছাড়াও ফিরআউন দlজ্জlলের মতো অলৌকিক ক্ষমতার আধার ছিল না। আর প্রকাশ থাকে যে, দlজ্জlলের জাদু হবে ভয়াবহ, ক্ষমতা হবে অনন্য। সাধারণ রাক্বিরা কিছুতেই রুকইয়াহ করে তা প্রতিরোধ করতে না পারারই কথা। দlজ্জlল সরাসরি নিজে কারও ওপর সেহের করলে তাকে বাঁচানো আদতে দুরূহই মনে হয়।

ইসলামগ্রহণের পূর্বে দlজ্জlলের সঙ্গে সাহাবি তামিম দারি রা.-এর সাক্ষাৎ হয়েছিল। এ থেকে অনুমেয় যে, দlজ্জlলের সঙ্গে সাক্ষাৎ সম্ভব। হ্যাঁ, সে কার সঙ্গে দেখা দেবে, সেটা একান্তই তার ব্যক্তিগত বিষয়। তামিম দারি রা. ও তার সঙ্গীরা দlজ্জlলের পূজারী ও অনুসারী ছিলেন না। এতদসত্ত্বেও তাদের সঙ্গেই যখন দlজ্জlল সাক্ষাৎ করেছে, আর যেই দুর্যোগে পড়ে তাদের নৌকা সেই দ্বীপে গিয়ে উঠেছিল, সেই দুর্যোগও যে দlজ্জlল কর্তৃক সৃষ্ট ছিল না, তা-ও নিশ্চিত করে বলার সুযোগ নেই। তো অন্যদের সঙ্গেই যদি সে সাক্ষাৎ করতে পারে তাহলে তার অনুসারী ও অনুচর যারা, যারা দুনিয়াতে দlজ্জlলি মিশন বাস্তবায়ন করার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছে, তাদের সঙ্গে দাজ্জালের নিয়মিত বা অনিয়মিত সাক্ষাৎ বা অন্তত যোগাযোগ মোটেও অসম্ভব কিছু নয়।

কিছু দিনে আগের এপস্টেই ফাইল তারই বহিঃপ্রকাশ
এই বিষয় গুলো এখন দিবালোকের ন্যায় পরিস্কার
তারা মূলত দlজ্জlলেরই ইবাদত করে।

নির্দিষ্ট সময়ে তার আত্মপ্রকাশ ঘটবে। তার আত্মপ্রকাশ ঘটবে প্রচণ্ড রাগ থেকে। এ থেকেও অনুমান করা যায়, কুফরের ধ্বজাধারী এই ইহুদি দlজ্জlল আগে থেকেই পৃথিবীর খবরাখবর সম্পর্কে নিয়মিত আপডেট থাকবে। সে গায়েব জানে না। কোনো মাধ্যম ব্যবহার করেই তাকে আপডেট থাকতে হবে। এবং এর মাধ্যমেই সে তার আত্মপ্রকাশের ক্ষণ জানতে পারবে। অবশেষে ইমান ও কুফরের সংঘাতে মুমিনদের প্রতি চরম ক্রোধ থেকে সে আর আপন অবস্থায় স্থির থাকতে পারবে না; বরং গোপন ষড়যন্ত্রের ইতি টেনে এই পৃথিবীতে সরাসরি আত্মপ্রকাশ করবে।

দlজ্জlল প্রকাশ্যভাবে কাজ করবে নির্ধারিত সময়ে। কিন্তু সে তার অনুসারী মানুষ ও জিনদের দ্বারা, সেহের ও শাইত্বানি শক্তির দ্বারা পূর্ব থেকেই হয়তো মুমিন সৈনিকদের বিরুদ্ধে তার অদৃশ্য লড়াই চালিয়ে যাবে। আমার ধারণা, আল্লাহর দলের সৈনিকরা লড়াইয়ের ময়দানে হয়তো এর কিছু কিছু বিষয় প্রত্যক্ষভাবে আঁচ করতে পারেন। আর অনুমিত হয় যে, শাইত্বানের পূজারীরা দাজ্জাল কর্তৃক বিভিন্ন মদদ লাভ করে থাকে।

বর্তমান পৃথিবীতে শুধু যে রণাঙ্গনে লড়াই হয় বা বসতিতে এসে অতর্কিত আক্রমণ চালানো হয়, বিষয়টা এমন নয়। বরং ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর বিরুদ্ধে পরিচালিত বর্তমানকালের লড়াইসমূহকে আমরা মৌলিক তিন ভাগে ভাগ করতে পারি।

(ক) দৃশ্যমান লড়াই। যার মধ্যে সম্মুখযুদ্ধ, গণহত্যা, গেরিলা এটাক, গুপ্তহত্যা, আত্মঘাতী হামলা, আকাশপথে বা নৌপথে আঘাত থেকে শুরু করে সবকিছু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

(খ) সাইবার এটাক। এই এটাক সরাসরি দৃশ্যমান না হলেও এর প্রভাব সুগভীর। এই যুগে এই উভয় প্রকার এটাকের সঙ্গে সবাই মোটামুটি পরিচিত। সুতরাং এ নিয়ে আমাদের নতুন করে আলোচনা করার কিছু নেই।

(গ) জাদু ও শাইত্বানের অদৃশ্য আক্রমণ। বর্তমান বিশ্বে জাদুর চর্চা অনেক। শাইত্বানপূজারীরা শাইত্বানের সাহায্যে ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর বিরুদ্ধে বিভিন্ন ভয়াবহ আক্রমণ চালায়। তাদের এসকল আক্রমণের ঝুঁকি থেকে কেউই মুক্ত নয়। স্বয়ং রাসুলুল্লাহ সা.-এর ওপর গুরুতর জাদু করা হয়েছিল; যার প্রভাবে তাঁকে অনেক কষ্টের সম্মুখীন হতে হয়েছিল। সিরাতের গ্রন্থাদিতে এর বিশদ বিবরণ পাওয়া যায়।

জাদুকর ও শাইত্বানপূজারীরা তাগুতের পক্ষে লড়াই করে। কেউ করে অর্থের লোভে, আর কেউ করে আদর্শগত কারণে। তবে এ লড়াই নিয়মতান্ত্রিকভাবে চলমান। বিশেষ করে উম্মাহর জন্য চিন্তাশীল আলিমগণ ও আল্লাহর পথের বীর শার্দূলগণ তাদের বিশেষ টার্গেট। বিভিন্ন দেশ সরকারিভাবে এসকল জাদুকরের পৃষ্ঠপোষকতা করে; যাতে করে তারা তাগুতের সুরক্ষা দেয় এবং তাওহিদপন্থীদেরকে ক্ষতির সম্মুখীন করতে পারে। সৌদির কারাগারে থাকা আলিমগণের জীবনী বা সাক্ষাৎকার জানতে পারলে এ বিষয়টি আরও অধিক স্পষ্ট হবে। সেখানে রাষ্ট্রীয়ভাবে সাহিরদের মাধ্যমে তাওহিদবাদী শাইখগণ ও তাদের অনুসারীদের ওপর ব্ল্যাক ম্যাজিক প্রয়োগ করা হয়; যাতে করে নির্যাতনের প্রভাবে আদর্শ ত্যাগ না করলেও এই গোপন যুদ্ধে পরাজিত হয়ে তারা যেন আদর্শ ত্যাগ করে এবং সৌদি হুকুমতের আজ্ঞাবহ হয়ে যায়।

আমাদের এই সমস্ত দেশেও ব্ল্যাক ম্যাজিকের চর্চা কোন দিক দিয়ে কম নয় । এখানেও আল্লাহর পথের সৈনিকদের ওপর যথারীতি এই সেহের প্রয়োগ করা হয়। হাতে মারতে না পেরে ভাতে মারার চেষ্টা আর কি। এভাবে তারা পৃথিবী থেকে আল্লাহর নুরকে নিভিয়ে দিতে চায়। আল্লাহর বাহিনীকে পরাজিত করে ইব লিসের বাহিনীকে বিজয়ী করতে চায়।

ইহুদিরা জাদুবিদ্যায় বেশ পারঙ্গম। যা ইজরlইলী যুদ্ধে আমরা দেখেছি, এদের ধর্মের একজন অনুসারীই তো প্রিয়নবি সা.-কে জাদু করেছিল। দlজ্জlলি মিশনের বাস্তবায়নে সারা দুনিয়ার ওপর জাদুবিদ্যা প্রয়োগ করে তারা ভালোই খেলছে। হয়তো-বা পরোক্ষভাবে দlজ্জlলের থেকেও তারা সহযোগিতা পাচ্ছে। আর এটা কোনোই অসম্ভব ব্যাপার নয়। এ ছাড়াও খ্রিষ্টান, হিন্দু ও বৌদ্ধরাও এই জাদুবিদ্যাকে ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর বিরুদ্ধে কাজে লাগিয়ে থাকে। ভারতের কথাই বলি কিংবা বলি চীন বা বার্মার কথা, কোথায় তারা এই শাইত্বানি শক্তিকে প্রয়োগ করে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি করছে না? কোনো কোনো রাক্বিও তাদের জাদু রোধের অদৃশ্য লড়াইয়ে নেমে অবশেষে শাহাদাত বরণ করেছেন। যদিও এ বিষয়গুলো পৃথিবীবাসীর অগোচরেই থেকে যাচ্ছে প্রায়শই।

কেউ জাদু প্রয়োগ করছে পুরো এশিয়ার ওপর। কেউ করছে আরাকান বা বাঙাল মুলকের ওপর। কেউ করছে গোটা হিন্দুস্তানের ওপর। কারও উদ্দেশ্য হিন্দুত্ববাদের বিজয়। কারও উদ্দেশ্য ক্ষমতা রক্ষা। একেকজন একেক উদ্দেশ্যে কাজ করে যাচ্ছে। তবে সবগুলোর ফায়দাই চূড়ান্ত পরিণামে দাজ্জাল ভোগ করবে। খোদ ভ্যাটিকান সিটি থেকেই যখন সেহের প্রয়োগ করা হয় তখন এর দৌড় কতটুকু, তা সহজেই অনুমান করা যায়।

বিদআতিরাও জাদুবিদ্যার চর্চা করে। সরাসরি নিজেরা বা কাফির তান্ত্রিকের সহযোগিতা নিয়ে হকপন্থী আলিম ও ব্যক্তিগণকে জাদু করে। কখনো তা করে কোনো প্রতিষ্ঠানের ওপর। আশঙ্কা করা হয়, খতিবে আজম হাবিবুল্লাহ মিসবাহ রহ.-এর ওপর এই বিদআতিরাই জাদু করেছিল; যার প্রভাবে অল্প বয়সেই তার ইনতিকাল হয়ে যায়। শাইখুল হাদিস ইমরান মাজহারি (শাফাহুল্লাহ)-ও জাদুর প্রভাবে মারাত্মক অবস্থার মধ্যে দিনাতিপাত করছিলেন তবে বর্তমানের বাস্তবতা আমার জানা নেই। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান জাদুতে আক্রান্ত হয়ে বিরাট ঝক্কির মধ্য দিয়ে দিন গুজরান করছে। দেখা যাচ্ছে, অনেক মেহনত সত্ত্বেও সেখান থেকে আলিম বেরোচ্ছে না। অথবা মাদরাসার আয়ের ব্যবস্থা হচ্ছে না।

ডক্টর শহীদুল্লাহ ফজলুল বারী (রঃ) কেও যাদুর মাধ্যমে
যাদুকরে হরিণের চামড়ায় বিশেষ যাদুর পদ্ধতিতে উনার ছবি অংকন করে এহার উপর যাদুকরে আঘাত করেছে,
অপর দিকে সেই আঘাতে উনি মৃত্যু বরণ করেছেন।
এর প্রমাণাদি আমার কাছে রয়েছে কারণ উনার পরিবারের
রুকইয়াহ আমিই করে থাকি।

জাদু করা হয় কতকিছুর ওপর! সব জাদুর প্রকাশ একভাবে ঘটে না। কারও খাওয়াদাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। কারও স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে। কারও অন্যদের সঙ্গে সম্পর্কে ভাটা পড়ে। এমনকি কেউ-বা সহবাসের সামর্থ্য পর্যন্ত হারিয়ে ফেলে। দুনিয়ার ডাক্তাররা যার কোনো কার্যকর সমাধানই বলতে পারে না, আর না পারে কোনো রোগ চিহ্নিত করতে। সবকিছু ঠিক থাকার পরও বিভিন্ন মিশন ব্যর্থ হয়ে যায়। বিজয়ের পরিবর্তে কোমর ভাঙার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়ে যায়। এমনকি কখনো-বা পারস্পরিক কোন্দল সৃষ্টি হয় নিজেদের প্রতাপ হারিয়ে যায়। কেউ যদি এভাবে ভাবে যে, বৌদ্ধদের পক্ষ থেকে বিপুল পরিমাণ শাইত্বানকে রোহিঙ্গা মুকাতিলদের বিরুদ্ধে অদৃশ্য লড়াই করার জন্য পাঠানো হয়েছে তাহলে সে সহজেই উপলব্ধি করতে পারবে রোহিঙ্গা মুহাজিরগণের ব্যর্থতা, গাদ্দারি, অনৈক্য ও চূড়ান্ত পরাজয়ের একটি কারণ।

যে উম্মাহর নবিকেই গুরুতর জাদু করা হয়েছিল, সেই উম্মাহ জাদুর ব্যাপারে অত্যন্ত সতর্ক হবে-এটাই স্বাভাবিক যুক্তির দাবি ছিল। কিন্তু হয়েছে তার পুরো উল্টো। মিডিয়া সন্ত্রাস সম্পর্কে এই উম্মাহ মোটামুটি সচেতন হলেও জাদু সম্পর্কে একেবারেই যেন গাফেল ও বেখবর। এটা বড়ই হতাশা ও দুঃখের কথা।

__✍️Raqi Sultan Mahmud
Senior Raqi & Consultant - Nabawi Life
সুস্থতার পথে অন্যকে সহায়তা করতে সদাকায়ে জারিয়ার নিয়তে পোস্টটি শেয়ার করুন।
☎️01706685576
☎️01618901150
Raqi Sultan Mahmud
Md. Sultan Mahmud Ashraf

নিঃসন্তান হওয়া বা বন্ধ্যাত্ব একটি সংবেদনশীল বিষয় যা আমাদের সমাজে ভুল ধারণা এবং ভুল বিশ্বাসে ভরা। অনেকে বলে থাকেন যে এট...
06/04/2026

নিঃসন্তান হওয়া বা বন্ধ্যাত্ব একটি সংবেদনশীল বিষয় যা আমাদের সমাজে ভুল ধারণা এবং ভুল বিশ্বাসে ভরা। অনেকে বলে থাকেন যে এটি জাদুর কারণে হয়, অন্যরা ডাক্তারি চিকিৎসাকে অবহেলা করে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, দুটোই বোঝা দরকার।

পুরুষের ক্ষেত্রে বন্ধ্যাত্ব দুই ধরনের হতে পারে - শারীরিক সমস্যা বা চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে সমস্যা। শুক্রাণুর সংখ্যা কম হওয়া, গঠনগত সমস্যা, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা ইত্যাদি হতে পারে। এই ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া একমাত্র সঠিক পথ।

তবে কিছু ক্ষেত্রে শুধুমাত্র শারীরিক ব্যাখ্যায় সীমাবদ্ধ থাকে না। দীর্ঘদিন চিকিৎসা নেওয়ার পরও যখন কোনো উন্নতি হয় না, তখন অনেকেই আধ্যাত্মিক কারণের দিকে দৃষ্টি দেয়। এই ক্ষেত্রে রুকইয়াহ, দোয়া ও যিকিরের মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়।

কিছু ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা যায়, যেমন - আসরের পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত অস্থিরতা বেড়ে যাওয়া, হঠাৎ মতিভ্রম বা অকারণ বিভ্রান্তি, কোমরের নিচে বা মেরুদণ্ডে ব্যথা, ঘুমের মধ্যে অস্থিরতা, চমকে ওঠা, বারবার ভীতিকর স্বপ্ন দেখা। এই লক্ষণগুলো একসাথে দীর্ঘদিন থাকলে অনেকেই আধ্যাত্মিক চিকিৎসার দিকেও ঝুঁকে পড়েন।

নারীদের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও জটিল। মহিলাদের বন্ধ্যাত্ব দুই ধরনের হতে পারে - জন্মগত বা শারীরিক সমস্যা, যেমন - ডিম্বাণুর সমস্যা, হরমোনাল ইস্যু, জরায়ুর জটিলতা ইত্যাদি। অন্যটি হলো এমন কিছু ঘটনা, যেখানে সব রিপোর্ট স্বাভাবিক - তবুও সন্তান আসে না, অথবা বারবার গর্ভধারণের পর গর্ভপাত হয়ে যায়। বিশেষ করে বারবার মিসক্যারেজ হলে, অনেকেই আধ্যাত্মিক কারণের কথাও বিবেচনা করেন।

বাস্তবতা হলো, ইসলামে শাইত্বানের কুমন্ত্রণা ও প্রভাবের কথা উল্লেখ আছে। তবে এর মানে এই নয় যে, প্রতিটি রোগ বা সমস্যার পেছনে জিন বা জাদু আছে। বরং সঠিক পদ্ধতি হলো - প্রথমে চিকিৎসাবিজ্ঞানের দিকটি নিশ্চিত হওয়া, তারপর প্রয়োজনে রুকইয়াহ, দোয়া ও আমলের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া।

বন্ধ্যাত্ব কোনো লজ্জার বিষয় নয়, এটি একটি পরীক্ষা। এখানে আবেগ নয়, দরকার সঠিক সিদ্ধান্ত। ডাক্তারি চিকিৎসা + দোয়া + ধৈর্য - এই তিনটি একসাথে চললে ইনশাআল্লাহ ভালো ফল আসবে। কারণ শিফা একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে - কিন্তু সেই শিফার জন্য সঠিক পথ বেছে নেওয়াও আমাদের দায়িত্ব।

__✍️Raqi Sultan Mahmud
Senior Raqi & Consultant - Nabawi Life
সুস্থতার পথে অন্যকে সহায়তা করতে সদাকায়ে জারিয়ার নিয়তে পোস্টটি শেয়ার করুন।
☎️01706685576
☎️01618901150
Raqi Sultan Mahmud
Md. Sultan Mahmud Ashraf

 #কেন_কিছু_জাদুগ্রস্ত_মানুষ_ঘুমাতে_পারে_নাচরম ক্লান্তি থাকার পরও ঘুম না আসা- এটি জাদু বা জিনের প্রভাবে আক্রান্ত অনেক মান...
05/04/2026

#কেন_কিছু_জাদুগ্রস্ত_মানুষ_ঘুমাতে_পারে_না

চরম ক্লান্তি থাকার পরও ঘুম না আসা- এটি জাদু বা জিনের প্রভাবে আক্রান্ত অনেক মানুষের মধ্যে খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। এই বিষয়টির পেছনে রয়েছে কিছু চমকপ্রদ ব্যাখ্যা
- আত্মিক এবং শারীরিক দিক থেকে। চলুন, মূল কারণগুলো জানা যাক-

১. জাদুর সাথে নিয়োজিত জিনের প্রভাব

যখন কেউ জাদুগ্রস্ত হয়, তখন সাধারণত তার সাথে একটি জিন নিযুক্ত থাকে- যার কাজ তাকে কষ্ট দেওয়া, ক্লান্ত করা এবং অস্থির রাখা। এই জিন তাকে ঘুমাতে বাধা দেয়- ভয় সৃষ্টি করে, কুমন্ত্রণা দেয়, এমনকি বিশ্রামের সময় বিরক্ত করে। অনেকেই শুতে গেলে শরীরে অদ্ভুত নড়াচড়া অনুভব করে- যেমন: হঠাৎ বুকে ধুপ ধুপ করা, কাঁপুনি বা ঝাঁকুনি। মনে হয়- কিছু একটা তাকে ঘুমাতে দিচ্ছে না।

২. অকারণ ভয় ও উদ্বেগ

অনেক আক্রান্ত ব্যক্তি হঠাৎ হঠাৎ অজানা কারণে তীব্র দুশ্চিন্তা বা ভয় অনুভব করেন। তাদের মন সবসময় সতর্ক অবস্থায় থাকে- যার কারণে তারা স্বাভাবিকভাবে রিল্যাক্স করতে পারে না। কেউ কেউ অনুভব করেন- অন্ধকারে যেন কেউ তাদের দেখছে, বা লাইট বন্ধ করলেই হঠাৎ ভয় পেয়ে যান।

৩. দুঃস্বপ্ন ও অদ্ভুত স্বপ্ন

কিছু মানুষ চোখ বন্ধ করলেই ভয়ংকর দুঃস্বপ্ন দেখতে শুরু করে- অজানা চেহারা, আক্রমণ, ধাওয়া- এসব দেখে তারা ঘুমাতেই ভয় পায়। অনেক সময় হঠাৎ ঘুম ভেঙে যায়- মনে হয় যেন কিছু দেখেছে বা অদ্ভুত শব্দ শুনেছে।

৪. শোয়ার সময় শরীরে অদ্ভুত চাপ অনুভব

কিছু আক্রান্ত ব্যক্তি অনুভব করেন- যেন অদৃশ্য কোনো হাত বুকের উপর চাপ দিচ্ছে, বা শরীর হঠাৎ ভারী হয়ে যাচ্ছে-
নড়াচড়া করা কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে রুকইয়াহর সময় বা কুরআন শোনার সময় এই অনুভূতি বাড়তে পারে।

৫. রাতে জাদুর প্রভাব বেড়ে যাওয়া

কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়- রাতের বেলায় জাদুর প্রভাব আরও তীব্র হয়ে ওঠে। এতে স্নায়ুতন্ত্রের উপর চাপ বেড়ে যায়-
ফলে স্বাভাবিক ঘুম ব্যাহত হয়, এবং মানুষ আরাম করে ঘুমাতে পারে না।

খুলাসা কথা- ঘুমের সমস্যা শুধু শারীরিক নয়- অনেক সময় এর পেছনে আত্মিক কারণও থাকতে পারে। তাই বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে দেখা প্রয়োজন- এবং সঠিক উপায়ে রুকইয়াহ এর মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা জরুরি।

__✍️Raqi Sultan Mahmud
Senior Raqi & Consultant - Nabawi Life
সুস্থতার পথে অন্যকে সহায়তা করতে সদাকায়ে জারিয়ার নিয়তে পোস্টটি শেয়ার করুন।
☎️01706685576
☎️01618901150
Raqi Sultan Mahmud
Md. Sultan Mahmud Ashraf

অনেক সময় বিবাহবিচ্ছেদের মতো চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছানোর আগেই কিছু লক্ষণ দেখে সাবধান হওয়া জরুরি।দাম্পত্য জীবনে অকারণ দূরত্ব ...
05/04/2026

অনেক সময় বিবাহবিচ্ছেদের মতো চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছানোর আগেই কিছু লক্ষণ দেখে সাবধান হওয়া জরুরি।

দাম্পত্য জীবনে অকারণ দূরত্ব তৈরি হতে পারে এবং ভালবাসা হঠাৎ ঘৃণায় পরিণত হতে পারে। এটা অনেক দম্পতির জীবনে ঘটে, যখন হঠাৎ করেই সবকিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে। যে মানুষটিকে একসময় সবচেয়ে কাছের মনে হতো, তাকেই সহ্য করা যায় না। ভালোবাসার জায়গায় অকারণ বিরক্তি, ঘৃণা আর দূরত্ব তৈরি হয়।

এই সমস্যাটির পেছনে গুরুতর কারণও থাকতে পারে, যার মধ্যে একটি হলো 'বিচ্ছেদের জাদু' বা স্বামী-স্ত্রীর মাঝে বিভক্তি সৃষ্টি করার অশুভ প্রভাব।

প্রথমে স্ত্রীর দিক থেকে লক্ষণগুলো দেখা যাক। তিনি প্রায়ই অসুস্থ বোধ করেন, কিন্তু রোগ নির্দিষ্টভাবে ধরা পড়ে না। স্বামী দূরে থাকলে তাকে খুব মনে পড়ে, কিন্তু কাছে এলেই অজানা অস্বস্তি ও বুক ধড়ফড় শুরু হয়। ঘরের পরিবেশ অসহ্য লাগে, একা একা অদ্ভুত কিছু কল্পনা বা ছায়া দেখতে পারেন। স্বামীর শরীর বা মুখ থেকে দুর্গন্ধ মনে হয়, যদিও বাস্তবে তা নাও থাকতে পারে। এমনকি স্বামীকে বিকৃত বা ভয়ংকর মনে হতে পারে, বিশেষ করে দাম্পত্য মিলনের সময়।

অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়-দাম্পত্য সম্পর্কের সময় অস্বাভাবিক ব্যথা, রক্তপাত, তীব্র অস্বস্তি বা অনীহা তৈরি হয়। কারো কারো ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব বের হয় বা মিলনের সময় হঠাৎ ঘুম পেয়ে যায়। স্বামীর ছোট ছোট কথাও সহ্য করা যায় না, তার কণ্ঠ শুনলেই বিরক্তি আসে। স্বামী বাসা থেকে বের হয়ে গেলে এক ধরনের স্বস্তি কাজ করে। স্বপ্নেও স্বামীকে ভয়ংকর বা আক্রমণাত্মক রূপে দেখা যায়। ধীরে ধীরে মনে তীব্রভাবে তালাকের চিন্তা প্রবল হতে থাকে, সাথে পেট বা পায়ে ব্যথার মতো শারীরিক সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

অন্যদিকে স্বামীর মধ্যেও কিছু স্পষ্ট পরিবর্তন দেখা যায়। সে ঘরে থাকতে চায় না, অকারণে রাগান্বিত হয়ে ওঠে। স্ত্রীর প্রতি অযৌক্তিক বিরক্তি বা ঘৃণা তৈরি হয়, এমনকি স্ত্রীকে অস্বাভাবিক বা বিকৃতভাবে দেখতে পারে। স্ত্রীর মুখ বা শরীর থেকে দুর্গন্ধ মনে হয়। দাম্পত্য সম্পর্কের প্রতি আগ্রহ কমে যায় বা সম্পূর্ণ অনীহা তৈরি হয়। অনেক ক্ষেত্রে শারীরিকভাবে অক্ষমতা বা 'বন্ধন' অনুভব করে।

এছাড়া সবসময় ক্লান্তি, অলসতা, ঘরের বাইরে থাকলে স্বস্তি পাওয়া-এগুলোও সাধারণ লক্ষণ। স্বপ্নে স্ত্রীকে খারাপ বা অশ্লীল কাজে লিপ্ত দেখা, অযথা সন্দেহ করা, এমনকি তালাকের চিন্তা মাথায় ঘুরতে থাকা-এসব বিষয় ধীরে ধীরে দাম্পত্য সম্পর্ককে ভেঙে দেয়। সাথে পেট বা পায়ে ব্যথার মতো সমস্যাও থাকতে পারে।

বাস্তবতা হলো-সব সমস্যা জাদুর কারণে হয় না। অনেক সময় মানসিক চাপ, ভুল বোঝাবুঝি, পারিবারিক দ্বন্দ্ব বা শারীরিক অসুস্থতাও এমন পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। তাই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিষয়গুলো গভীরভাবে বুঝতে হবে। তবে যদি লক্ষণগুলো অস্বাভাবিকভাবে মিলে যায় এবং কোনো চিকিৎসাতেই সমাধান না আসে, তখন আধ্যাত্মিক দিকটিও বিবেচনা করা জরুরি।

সতর্ক হোন-ছোট সমস্যা অবহেলা করতে করতে একসময় তা বড় বিপর্যয়ে রূপ নেয়। সম্পর্ক বাঁচাতে হলে সময়মতো সচেতন হওয়া, আল্লাহর দিকে ফিরে আসা এবং সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

আল্লাহ আমাদের দাম্পত্য জীবনকে শান্তি, ভালোবাসা ও রহমতে ভরিয়ে দিন।

__✍️Raqi Sultan Mahmud
Senior Raqi & Consultant - Nabawi Life
সুস্থতার পথে অন্যকে সহায়তা করতে সদাকায়ে জারিয়ার নিয়তে পোস্টটি শেয়ার করুন।
☎️01706685576
☎️01618901150
Raqi Sultan Mahmud
Md. Sultan Mahmud Ashraf

Address

Nabawi Life, House 20/21 Garden Road Kawran Bazar, Dhaka-1215 Dhaka
Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Friday 09:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nabawi Life posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share