Doctors

Doctors Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Doctors, Dhaka.

25/06/2022
19/07/2019

#ডেঙ্গু #সতর্কতা
#ডেঙ্গুর #লক্ষন #সমূহ
#ডেঙ্গু #প্রতিকারের #উপায়

 াঁচা_ভাঙ্গব_আমরা_কেমন_করে....১....হাসপাতালের আউটডোর ৯ টায় চালু হয়।কাজেই হাজিরা খাতায় সিগনেচার দেয়ার পর হাতে বেশ সময় থাক...
21/06/2017

াঁচা_ভাঙ্গব_আমরা_কেমন_করে....

১....

হাসপাতালের আউটডোর ৯ টায় চালু হয়।কাজেই হাজিরা খাতায় সিগনেচার দেয়ার পর হাতে বেশ সময় থাকে, তেমন কিছু করার থাকে না।ঐ সময়টাতে হাসপাতাল লাগোয়া টং দোকানে চা খাচ্ছি।এমন সময় এক জুনিয়র আসলো, গতরাতে সে নাইট ডিউটি করেছে....

ডায়রিয়ার এক রোগী গতরাতে ভর্তি হয়েছে, ট্রিটমেন্ট শীট আমার হাতে দিয়ে বললো-"আর কি করবো, বলেন?"

ট্রিটমেন্ট শীট হাতে নিয়ে দেখি একদিনের ডায়রিয়াতে তিন অ্যান্টিবায়োটিক( সিপ্রো, মেট্রো, অ্যাজিথ্রো) দেয়া, যার কোনো প্রয়োজন নাই।সঙ্গত কারণেই মেজাজ খারাপ হলো, সামলে নিলাম। আমেরিকান কবি Ralph Waldo বলেছিলেন, "For every minute you are angry, you lose sixty second of happines...." মেজাজ খারাপ করে জীবন থেকে ৬০ সেকেন্ড lose করা কোনো কাজের কথা না....

জিজ্ঞেস করলাম, "ডায়রিয়ায় কখন কখন অ্যান্টিবায়োটিক দিতে হয়, বলো? আমি ৮ টা কারণ জানি, তুমি তিনটা বললেই হবে...."

দুঃখের ব্যাপার, সে একটা Indication ও বলতে পারে নাই....

চিকিৎসক সাহেব সরকারী না বেসরকারী মেডিকেল থেকে পাশ করেছেন, আমি সে বিতর্কে গেলাম না। পচন তো পচনই, তার আবার সরকারী- বেসরকারী কি?....

২...

ফেসবুকে নক করে আরেক জুনিয়র তার মাকে নিয়ে আমার চেম্বারে এলো। মায়ের হাই ব্লাড প্রেসার, সে তার মায়ের চিকিৎসা শুরু করেছে বিটা ব্লকার( Tenoren) দিয়ে....

চিকিৎসা লিখতে লিখতে একবার খালি জিজ্ঞেস করলাম-- "JNC-8 গাইডলাইনটা পড়ছো একবারো? বিটা ব্লকার দিয়ে প্রেসারের চিকিৎসা যে প্রাগৈতিহাসিক, সেটা কি জানো?"

চিকিৎসক হয়ে নিজের মায়ের ছোটখাটো চিকিৎসাও যদি কেউ ঠিকঠাকমত করতে না পারে--তার চিকিৎসক হওয়াটা কি আদৌ দরকারী?

ওইদিন বাসায় এসে নিজের মেডিকেল গ্রুপটায় আবার JNC-8 গাইডলাইনটা আপলোড দিলাম....

৩....

কয়দিন আগে এক রিলেটিভকে দেখতে এক প্রাইভেট মেডিকেল হাসপাতালে যেতে হলো। নার্সকে বলে হিস্ট্রি শীট নিয়ে আসা হলো। হিস্ট্রি লেখেছে নিশ্চয়ই কোনো এক ইন্টার্ন। Hepatomegaly (লিভার সাইজে বড় হলে তার মেডিকেল টার্ম) বানান লিখে রেখেছে "Hepatomegally"....

আরেক মেয়ের কান্ড বলি।মেয়ে ফিফথ্ ইয়ারে পড়ে। আমার প্রতি লেখার পর ইনবক্সে জানায় যে লেখা তার খুব ভালো লেগেছে....

যাই হোক, সে মেয়ে কয়দিন আগে মেসেজে জানালো তার এক ননমেডিকেলীয় ছেলে ফ্রেন্ডের Te**is এ দুই দিন ধরে খুব ব্যথা।আমার কাছে জানতে চাওয়া হলো এটা কি "Testitis" কিনা, ট্রিটমেন্ট কি....

লেখাপড়ার মান কতটা নিচে নামলে ফিফথ্ ইয়ারের কোনো এক স্টুডেন্ট Te**is এর প্রদাহকে "Testitis" বলে!!এটা কি আপনাদের বিশ্বাস হয়? স্ক্রীনশট দিব?

৪...

আমার এক দূরসম্পর্কের আত্মীয় উত্তরাতে থাকেন। তার মেয়েকে তিনি মেডিকেলে পড়িয়েছেন শুধুমাত্র নামের আগে "ডাঃ" উপাধি লেখার জন্য....

বছর দুই আগে জিজ্ঞেস করেছিলাম 'এখন প্ল্যানিং কি?'....

উত্তর দিয়েছিলেনঃ" প্ল্যানিং আবার কি! ডাক্তারী ডিগ্রি হইছে না!!এখন বিদেশ-টিদেশ যাবে, জামাইয়ের সাথে থাকবে আর কি...."

উল্লেখ্য উনার জামাই বাবাও একই হাসপাতাল থেকে পাশ করা ডাক্তার। মেয়ে আর তার গুণধর জামাই এখন কানাডায় থাকে।জামাই বউ মিলে শিফটিং ডিউটি করে এখন এক পেট্রল পাম্প চালিয়ে কানাডার অর্থনীতিকে সচল রাখছে....

শুধুমাত্র "ডাঃ" উপাধি লেখার জন্য সার্টিফিকেট ব্যবসা কি এদেশ ছাড়া আর কোথাও হয়?আমার তো জানা নেই....

৫....

দিন চারেক আগে বাসার নিচে হাল্কা হাটাহাটি করে এক ননমেডিকেলীয় বন্ধুর সাথে চা খাচ্ছি। হঠাৎ দুম্ করে বলা নাই, কওয়া নাই, সে বলে উঠলোঃ "দেশে কাক আর ডাক্তারের সংখ্যা সমান...."

আমি চুপ করে ছিলাম...

তার এক আত্মীয় নাকি এবার কোনো এক সরকারী মেডিকেলে চান্স পেয়েছে। সে সরকারী মেডিকেলের নামই নাকি সে শোনে নাই। আমি সরকারী লোক, আমার লজ্জা পাওয়া উচিত, কারণ এই নামে সরকার যে একটা সরকারী মেডিকেল কলেজ খুলেছে--সেটা আমারও অজানা...

সবশেষে বন্ধুবর আবারো আমাকে টোকা দিলো, বললোঃ" এখন তো টাকা হইলেই ডাক্তার হওয়া যায়।কি যায় না?...."

আমি তখনও চুপ করে চা খাচ্ছিলাম। যে কথাগুলো দিনের আলোর মত সত্য, সেসব নিয়ে তর্ক করা বোকামী.....

৬....

একটা কথা ক্লিয়ার করি। ব্রিটিশ পিরিয়ড, ১৯৪৭ এর পর এবং তারপর '৭১ এর পরবর্তী সমসাময়িক সময়টাতে একসময় যেমন ডাকসাইটে জাঁদরেল চিকিৎসক (এই জাঁদরেল মেধাবী অর্থে) বের হতেন, সেটার ধারা এখনও বজায় আছে। তাদের নিয়ে আমার আপত্তি নেই।আমার আপত্তির জায়গাটা হলো-- তাদের সাথে সাথে যে আগাছা বের হচ্ছে সে আগাছা নিয়ে।সাধারণ মানুষ এখন যে চিকিৎসক বিষয়ে কিছুটা আতঙ্কে ভুগেন, তার পেছনে এই আগাছা অংশটুকু অনেকাংশেই দায়ী....

৭....

দোষটা কার?দোষটা মূলত কিছু নীতিনির্ধারকদের। ফকির আলমগীরের একটা গান আছে, আপনারা শুনেছেন কিনা জানিনা- "স্কুল খুইলাছেরে মাওলা স্কুল খুইলাছে...."...আমাদের নীতিনির্ধারকরা ও ব্যবসায়ীরাও আলমগীর সাহেবের মত একটির পর একটি সরকারী ও বেসরকারী মেডিকেলের স্কুল খুলে নিশ্চিত ভবিষ্যত জীবনের মিথ্যা স্বপ্ন দেখিয়েছেন।এই লোভ- লালসার শিকার হয়েছে GPA 5 generation এর কিছু আহাম্মক। এরাই অর্ধ চিকিৎসক হয়ে বের হয়েছে বা হচ্ছে। আপনাদের বিশ্বাস হয় - অতি গোপনে ভর্তি পরীক্ষায় ১০০ তে ২০ পেয়েও বেসরকারী কিছু মেডিকেলে ভর্তি হওয়া সম্ভব? মানুষের ক্রিটিক্যাল সিচুয়েশনে যিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন, ভর্তি পরীক্ষায় রিটেনে তাকে কত নম্বর পাওয়া উচিত? ১০০ তে ৪০? হাহ্!!!...

দেশের পোস্টগ্রাজুয়েট লেভেলে পাশের হার কম, ১০% এর মত। তাতে আমি অসন্তুষ্ট নই। এ ঘটনা আসলে এটাই নির্দেশ করে যে আমরা আসলে কাদেরকে মেডিকেল শিক্ষায় টেনে আনছি, পোস্টগ্রাজুয়েশনে পাশের অত্যন্ত নিম্ন হার আসলে আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় আমরা কাদেরকে এমবিবিএস/ বিডিএস পাশ করাচ্ছি....

৮...

পঙ্গপালের মত, সম্পূর্ণ ব্যবসায়িক স্বার্থে এদেশে এমবিবিএস/ বিডিএসে ছাত্রছাত্রী ঢোকানো হচ্ছে, যা আমাদের দেশের জন্য এখন আর আদৌ প্রয়োজনীয় নয়। এদের ব্যাপারে নীতিনির্ধারকদের কোনো লংটার্ম প্ল্যানিংও নেই। প্রমাণ চান?.....

প্রমাণ হলো গতকালের ৩৮ তম বিসিএসের সার্কুলার। সর্বসাকুল্যে চিকিৎসক নেয়া হবে ২২৫ জন। এই যদি হয় অবস্থা, তবে কেনো প্রতি বছর হাজার হাজার চিকিৎসক বের করানো হচ্ছে? এদের ভবিষ্যত কি?

আমরা যারা মেডিকেল সেক্টরে ঢুকে গিয়েছি তাদের এখন দায়িত্ব হলো "ডাক্তার মানেই টাকা"--এই ডাহা মিথ্যায় প্রলুব্ধ হয়ে প্রতি বছর যে হাজার হাজার মুরগী (বেসরকারী মেডিকেলের কিছু হর্তাকর্তা নাকি এই নামেই তাদের জ্ঞান করেন) শিয়ালের খপ্পরে পড়ে- তা তাদের জানানো। জানাতে হবে নিজেদের জন্য, জানাতে হবে মুরগিগুলোর ভালোর জন্য....

তবে মন থেকে যদি কেউ এ পেশায় আসতে চায় তাকে বরণ করে নিন, তাকে অভয় দিন....

৯....

মেডিকেল সায়েন্স কোনো খেলার জায়গা না।দুঃখের বিষয় আমাদের দেশে এখন মেডিকেল সায়েন্সকে খেলায় রূপান্তর করা হয়েছে। প্রকৃত চিকিৎসকেরা এসব কারণে এখন অবমূল্যায়িত হচ্ছেন। জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে যাদের উপস্থিতি, তাদের যোগ্যতা হওয়া উচিত ছিলো প্রশ্নাতীত।মেডিকেলে ভর্তির ব্যাপারটা আরো অনেক রেস্ট্রিকটেড হওয়া উচিত ছিলো, আসন সংখ্যা হওয়া উচিত ছিলো আরো লিমিটেড। আমরা তা করতে পারি নাই।পাশ্চাত্যের কান্ট্রিগুলোতে মেডিকেলে ভর্তির ব্যাপারটা খালি লিমিটেড ও রেস্ট্রিকটেডই নয়, ছাত্রছাত্রীদের নৈতিকতার পরীক্ষায়ও উত্তীর্ণ হতে হয়...

একটা তথ্য দেইঃ শামুক নাকি একটানা তিন বছর ঘুমিয়ে থাকতে পারে।অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় আমাদের নীতিনির্ধারকরা শামুককেও হার মানাবেন...

#পরিসমাপ্তিঃ

পৃথিবী নামক এই গ্রহে এই পর্যন্ত ইউক্যারিওটিক Species এর সংখ্যা নাকি প্রায় ৮.৭ মিলিয়ন। মানুষ তার মাঝে একটি।এই ৮.৭ মিলিয়ন প্রজাতির মাঝে মানুষ স্বতন্ত্র....

এটিই একমাত্র Species যে এই ধূলিকণার মত ক্ষুদ্র পৃথিবীর বাসিন্দা হয়েও নিজের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি পার হয়ে অ্যান্ড্রোমিডা গ্যালাক্সির রহস্য উন্মোচনে ব্যস্ত হয়। এটি এমন একটি প্রজাতি যে কিনা সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ থেকে শুরু করে সবচেয়ে গভীর অন্ধকারময় 'মারিয়ানা ট্রেঞ্চে' সৃষ্টির সন্ধানে দাপিয়ে বেড়ায়। এরা এদের চিন্তাধারাকে জেনারেল থিওরী অফ রিলেটিভিটি থেকে স্পেশাল থিওরী অফ রিলেটিভিটি পর্যন্ত প্রসারিত করে।কারো সময় কাটে- 'আর্টিফিশিয়াল স্যাটেলাইটকে কত উচ্চতায় রেখে কত বেগ দিলে তা অভিকর্ষকে অগ্রাহ্য করবে'-সে হিসাব করে, কারো সময় কাটে ল্যাবে একটার পর একটা পরীক্ষা করে নতুন মৌলের সন্ধানে।একারণেই এরা সৃষ্টির সেরা জীব।

আর চিকিৎসক কারা? Human species এরই একটি অংশ যারা এদেরই সুস্থতায় ব্রতী হন। এ যেন তেন ব্যাপার নয়, এ বড় গুরুদায়িত্ব। উন্নত কান্ট্রিগুলো যেখানে এই ইস্যুতে সবচেয়ে মেধাবী অংশকে নানা কঠোরতায় ধাপে ধাপে বেছে নেয়, আমাদের দেশ তখন ঘরে ঘরে তথাকথিত চিকিৎসক প্রকল্প বাস্তবায়িত করে। বিপর্যয় তাই অত্যাসন্ন, দুর্যোগ তাই অবশ্যম্ভাবী.....

20/06/2017

দূর্ঘটনাবশত শরীরের কোন অংশ (হাত/পা/আংগুল) আলাদা হয়ে যাওয়া রোগীর জন্য কতটা দুঃখজনক সেটা যার হারায় সে-ই বোঝে।
এরকম দূর্ঘটনার ক্ষেত্রে সময়মত ব্যবস্থা নিলে অনেক ক্ষেত্রে আলাদা হয়ে যাওয়া অংশ পুনরায় জোড়া লাগানো সম্ভব।
আমরা এরকম পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে কি করা উচিত সে সম্পর্কে কিছু কথা বলছি যা আমাদের সবারই জানা প্রয়োজন। আমি মূলত দুটো বিষয় হাইলাইট করব -

১) কিভাবে কেটে যাওয়া অংশ সংরক্ষণ করে রোগীর সাথে স্পেশালাইজড সেন্টারে পাঠানোর ব্যবস্থা করব?
২) আমরা রি-ইম্পল্যান্ট সার্জারির জন্য বাংলাদেশে(ঢাকা) কোথায় রেফার করতে পারি?

First aid to a patient with amputation:

1. Check the person's airway (open if necessary); check breathing and circulation. If necessary, begin rescue breathing, CPR, or bleeding control.
2. Try to calm and reassure the person as much as possible. Amputation is painful and very frightening.
2. Control bleeding by applying direct pressure to the wound. Raise the injured area. If bleeding continues, recheck the source of the bleeding and reapply direct pressure, with help from someone who is not tired. If the person has life-threatening bleeding, a tight bandage or tourniquet will be easier to use than direct pressure on the wound. However, using a tight bandage for a long time may do more harm than good.

**How to preserve the amputated part & transport the part with patient--
--There are two methods of preservation. I am talking about the most accepted method of preservation preferred by Plastic surgeons/Hand surgeons worlwide which has no controversies.

1. Gently wash the severed limb with sterile water or saline solution but do not scrub.
Do not put an amputated limb directly in water/saline, as this may cause damage that could hinder/interrupt reattachment.

2. Wrap(not too tightly) the limb in a moist, clean material. Sterile gauze soaked with sterile saline solution or sterile water is best. If you do not have gauze, compromise by wrapping the limb in the cleanest absorbent material available. Paper towel will work if you do not have gauze or a clean cloth.

3. The put the amputated part in a dry & watertight plastic bag/container.
4. After that put the plastic bag/container in a plastic bag/box which contains ice.

(DO NOT put the severed part directly on ice. DO NOT use dry ice as this will cause frostbite and injury to the part)
5. At last transport the limb with patient to a specialized centre.

The amputaed part may survive 4 to 6 hours if it is not cooled. But it may survive from 24 to 30 hours if preserved in above mentioned method.

07/05/2017

ডিম ওজন কমাতে সাহায্য করে :
সকালের নাশতা হিসেবে একটি ডিম খেলে দুপুরে ক্ষুধা কম হয়। আর এই অভ্যাস গড়ে তুললে তা ওজন কমাতে সহায়তা করে। মার্কিন একদল গবেষক এই দাবি করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের লুজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের পেনিংটন বায়োমেডিকেল রিসার্চ সেন্টারের গবেষকেরা অতিরিক্ত ওজনের ২০ জন লোকের ওপর গবেষণা চালান। গবেষণায় দেখা যায়, যাঁরা সকালের নাশতা হিসেবে অন্য কিছু না খেয়ে শুধু একটি ডিম খান, দুপুরে খাওয়ার সময় তাঁদের কম ক্ষুধা অনুভূত হয়। তখন তুলনামূলকভাবে অন্যদের চেয়ে কম খান তাঁরা। গবেষণায় বলা হয়, মানবদেহে গ্রেলিন নামের এক ধরনের হরমোন রয়েছে। মানুষের রক্তে থাকা এই হরমোনের মাত্রা বেড়ে গেলে ক্ষুধাও বেড়ে যায়। গবেষণাভুক্ত ব্যক্তি যাঁরা সকালে ডিম খান, দুপুরে তাঁদের দেহে গ্রেলিন হরমোনের মাত্রা কম থাকে। তাই দুপুরে তাঁরা কম খেয়ে থাকেন।
মার্কিন গবেষক দলের প্রধান নিখিল ধুরন্ধর বলেন, এই গবেষণায় দেখা যায়, উচ্চমাত্রার আমিষসমৃদ্ধ খাবার সম্ভবত মানুষকে পরিতৃপ্ত করে, যা পরে কম খাবার খেতে অনুপ্রাণিত করে। তবে তিনি বলেন, সকালের নাশতায় উচ্চমাত্রার আমিষসমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ সত্যিই ওজন কমাতে সাহায্য করে কি না, তা নিশ্চিত করে জানতে দীর্ঘমেয়াদি গবেষণার প্রয়োজন।
এই গবেষণা প্রতিবেদন গত শনিবার ফ্রান্সের লিঁও শহরে ইউরোপিয়ান কংগ্রেস অন অবেসিটিতে উপস্থাপন করা হয়।
ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের ট্রেসি পার্কার বলেন, যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁদের জন্য এই গবেষণা সহায়ক হতে পারে।

15/03/2017

হাল্কা-পাতলা গড়নের জন্য চকলেট উপকারী :
যেসব মানুষ নিয়মিত চকোলেট খায় তারা হালকা পাতলা গড়নের হয়ে থাকে। নতুন একটি গবেষণায় এ বিষয়টিই উঠে এসেছে।
স¤প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১ হাজার লোকের খাদ্যাভ্যাস, ক্যালোরি গ্রহণ ও শরীরের উচ্চতা, ওজন (বিএমআই) বিষয়ক একটি গবেষণা থেকে এ তথ্য পাওয়া যায়।
গবেষণাটিতে বলা হয়েছে, যেসব লোক সপ্তাহে কয়েকবার চকোলেট খায় তারা অন্যদের চেয়ে অর্থাৎ যারা কখনো সখনো চকোলেট খায় তাদের চেয়ে পাতলা গড়নের হয়ে থাকে।

চকোলেটে প্রচুর পরিমানে ক্যালোরি থাকলেও চর্বি সংশ্লেষক খাবারের চেয়ে মুটিয়ে যাওয়ার উপাদান কম থাকে বলে বিজ্ঞানীরা মনে করেন।
‘আর্কাইভস অব ইন্টারনাল মেডিসিন’ এ প্রকাশিত ওই গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিয়মিত চকোলেট খেলে বিএমআই কমে।
এর আগেও গবেষণায় চকোলেটকে স্বাস্থ্যের জন্য ভাল বলা হয়েছে। কয়েকটি গবেষণায় চকোলেটকে হৃদপিণ্ডের জন্যও উপকারী বলে উল্লেখ করা হয়।

তবে কিছু কিছু চকোলেট রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের মাত্রা পরিবর্তনে ভূমিকা রাখে।

06/03/2017

প্রাকৃতিক উপায়ে অপ্রয়োজনীয় চুল দুর করুন

অনেকেই নানা কেমিক্যাল ব্যবহার
করে দেহের অপ্রয়োজনীয় চুল দূর করতে
আগ্রহী হন। যদিও এগুলো ত্বকের
জ্বালাপোড়া কিংবা নানা
জটিলতার কারণ হয়। তবে প্রাকৃতিক
উপায়ে প্রস্তুত উপাদান ব্যবহার করে এ
সমস্যা দূর করা সম্ভব। এক প্রতিবেদনে
বিষয়টি জানিয়েছে আইএএনএস।
রেভা ক্লিনিকের কসমেটিক
ফিজিশিয়ান রিমা আরোরা জানান,
কয়েকটি উপায়ে নিজেই নিজের
অবাঞ্ছিত পশম তোলার কাজটি করতে
পারেন।
আরোরা বলেন, 'শেভিং ও
ডিপাইলেটরি ক্রিম দিয়ে চুল বা পশম
দূর করলে তাতে চুলের মূল উৎপাটন হয়
না। ফলে তাতে শুকনো ভাব ও
চুলকানি হতে পারে। এ ছাড়া
ক্রিমগুলোতে ত্বকের রং নষ্ট করার
সম্ভাবনা থাকে।'
এ বিষয়ে আল্পস বিউটি ক্লিনিকসের
প্রতিষ্ঠাতা-পরিচালক ভারতি
তানেজা বলেন, দেহের জন্য সবচেয়ে
ভালো হলো প্রাকৃতিক উপায়ে
অবাঞ্ছিত চুল দূর করা।
মিশ্রণ তৈরি ও প্রয়োগ
দুই টেবিল চামচ বেসন, দুই টেবিল চামচ
চন্দনকাঠ পাউডার, এক টেবিল চামচ
ফ্রেস ক্রিম, এক টেবিল চামচ সর্ষের
তেল, এক টেবিল চামচ গোলাপজল ও
কয়েক চিমটি হলুদ মেশান।
দেহের যে স্থানের অবাঞ্ছিত পশম দূর
করতে চান, সেখানে এ মিশ্রণটি
ভালো করে লাগান। এরপর ১৫ মিনিট
অপেক্ষা করুন। এরপর পানি দিয়ে
ভালোভাবে ঘষে মিশ্রণটি ধুয়ে
ফেলুন।
এ ছাড়া আরেকটি মিশ্রণ ত্বকে
প্রয়োগ করতে পারেন। এ জন্য মসুর ডাল
গুড়া, মধু, চন্দন গুড়া ও মুলতানি মাটি
দিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। এটি
কিছুটা শুকিয়ে গেলে ত্বকে কিছুক্ষণ
ঘষে তা ধুয়ে ফেলুন। এটি
অনাকাঙ্ক্ষিত চুল বৃদ্ধি কমিয়ে দেবে।।।।।।।

16/10/2016
07/10/2016

Address

Dhaka
3246

Telephone

01711254678

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Doctors posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram